Monday, April 11, 2022
সব চেষ্টাই ব্যর্থ ইমরান খানের
কিন্তু
স্পিকার আসাদ কাইসার ও ইমরান খানের দল পিটিআইয়ের পার্লামেন্ট সদস্যরা
চতুরতার আশ্রয় নেন। তারা পার্লামেন্টের অধিবেশনকে বিলম্বিত করার সব রকম
চেষ্টা করতে থাকেন। এরই মধ্যে কমপক্ষে চার দফা অধিবেশন মুলতবি করা হয়। এরই
মধ্যে খবর আসে ইমরান খানের বাড়িতে হেলিকপ্টারে করে দু’জন অতিথি গিয়েছেন।
তারা কারা, কি উদ্দেশ্যে গিয়েছেন, তার কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছিল না। এ
নিয়ে বিবিসি রিপোর্ট করেছে যে, ওই দুই অতিথি ইমরানের ইসলামাবাদের বাড়িতে
গোপন বৈঠক করতে গিয়েছিলেন। ১৫ মিনিট তাদের মধ্যে বৈঠক হয়। এর মধ্যে ‘শীর্ষ
এক কর্মকর্তাকে’ তার পদ থেকে নিজেকে রক্ষা করতে চেয়েছিলেন ইমরান খান। আবার
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে, শনিবার রাতেই পাকিস্তানের
সেনাপ্রধান কমর জাভেদ বাজওয়া এবং সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই’র
মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল নাদিম আঞ্জুমের সঙ্গে গোপন বৈঠক করেন
ইমরান। তবে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে এমন বৈঠকের রিপোর্টকে মিথ্যা বলে
জানিয়েছে পাকিস্তানের আইএসপিআর। একই সঙ্গে এ রিপোর্ট প্রত্যাখ্যান করেছেন
ইমরান খানও। আইএসপিআর বলেছে, এমন রিপোর্ট প্রপাগান্ডা বা প্রচারণা। এর কোনো
বিশ্বাসযোগ্যতা নেই। এ তথ্য যাচাই করা এবং সংশ্লিষ্ট সূত্রের নয়। এর
মধ্যদিয়ে বিবিসি সাংবাদিকতার মৌলিক নীতি লঙ্ঘন করেছে বলে দাবি করা হয়
আইএসপিআরের বিবৃতিতে। এ বিষয়টি বিবিসি’র সিনিয়র কর্মকর্তাদের কাছে তুলে ধরা
হয়েছে। ওদিকে পাকিস্তানের জিও নিউজ নির্ভরশীল সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে
রিপোর্ট করে যে, সেনাপ্রধান কমর জাভেদ বাজওয়াকে তার পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছেন
বলে যে রিপোর্ট প্রকাশ হয়েছে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন ইমরান খান। এখানে বলে
রাখা ভালো যে, আইএসআইয়ের মহাপরিচালক নিয়োগ নিয়েই ইমরান খান ও সেনাপ্রধান
বাজওয়ার মধ্যে দূরত্বের বিষয়টি ফুটে ওঠে। এক পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে
ইমরান খান যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, পাকিস্তান তাদের দাস
নয়। এরপরই সেনাপ্রধান বলেন, পাকিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ বন্ধু যুক্তরাষ্ট্র।
ফলে তাদের মধ্যে দূরত্ব যে বেড়েছে তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এখন নানা দিক থেকে
বিশ্লেষণ চলছে। অনেকে বলছেন, সেনাপ্রধানের সঙ্গে বিরোধ, যুক্তরাষ্ট্রের
সঙ্গে বিরোধ এবং রাশিয়া, বেইজিংয়ের সঙ্গে সখ্যতার কারণে ইমরান খানকে ক্ষমতা
হারাতে হয়েছে।
শনিবার পাকিস্তানের পার্লামেন্টে দিনভর চলতে থাকে হাই
ড্রামা। মধ্য রাতে তাতে যবনিকাপাত হলো। ড্রামা বা নাটকের শেষ অঙ্ক মঞ্চায়ন
হলো। আর রচিত হলো পাকিস্তানের রাজনীতিতে নতুন ইতিহাস। চারদিকে আলোচনা
মধ্যরাতের ‘ওই অতিথিদের’ ইমরান খানের বাড়িতে যাওয়ার পরেই আকস্মিকভাবে
পার্লামেন্টে নাটকের শেষ অঙ্কের যবনিকাপাত শুরু হয়। পার্লামেন্টের স্পিকার
আসাদ কাইসার, ডেপুটি স্পিকার কাসিম সুরি পদত্যাগ করেন রাত ১২টা বাজার ১০
মিনিট আগে। এরপর স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেন পাকিস্তান মুসলিম লীগ নওয়াজের
(পিএমএলএন) নেতা ও সাবেক স্পিকার আয়াজ সাদিক। তাতেই রাত ১২টার পরে নতুন
দিনে অর্থাৎ রোববার দিনের একেবারে শুরুর লগ্নে পার্লামেন্টে অনাস্থা
প্রস্তাবের ওপর ভোট হয়। এতে বিরোধী দলের ১৭৪ জন এমপি ভোট দেন। ইমরান খানের
পাকিস্তান তেহরিকে ইনসাফের (পিটিআই) সদস্যরা এ সময় পার্লামেন্ট থেকে বেরিয়ে
যান। এই ভোটেই পাকিস্তানে প্রথম ক্রিকেটে বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি এনে
দেয়া ক্যাপ্টেন ইমরান খান ক্ষমতাচ্যুত হন। এরই মধ্যে তিনি হেলিকপ্টারে করে
ইসলামাবাদ ত্যাগ করেন। ক্রিকেটের মাঠে অসম্ভব নৈপুণ্য দেখালেও রাজনীতিতে
শেষ পর্যন্ত হেরে যান ইমরান। আর এর মধ্যদিয়ে তিনি হলেন অনাস্থা প্রস্তাবে
প্রথম ক্ষমতা হারানো পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী। তাকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত
করতে পেরে বিরোধী শিবিরে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়। শোকে মুহ্যমান হয়ে পড়েন
ইমরানভক্তরা।
পাকিস্তানের স্থানীয় সময় শনিবার দিবাগত রাত একটায়
(বাংলাদেশ সময় রাত ২টা) এই প্রস্তাব পাস হয়। প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছেন
১৭৪ জন এমপি। পাস হতে প্রয়োজন হয় ১৭২টি ভোট। কিন্তু তার চেয়ে দুটি ভোট বেশি
হওয়ায় প্রস্তাব পাস হয়েছে বলে ঘোষণা দেন স্পিকারের আসনে নতুন আসা
পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজের নেতা আয়াজ সাদিক। দলটির আরেক নেত্রী মরিয়ম
আওরঙ্গজেব বলেছেন, স্পিকারের আসনে বসে সভাপতিত্ব করার কারণে আয়াজ সাদিক ভোট
দিতে পারেননি। ওদিকে পিটিআইয়ের বিদ্রোহীদের ভোট কাস্ট হয়নি। স্থানীয় সময়
রাত ১২টার (বাংলাদেশ সময় রাত ১টা) ১০ মিনিট আগে এই কার্যক্রম শুরু হয়। এর
আগে স্পিকার আসাদ কাইসারকে সতর্ক করা হয় যে, তিনি সুপ্রিম কোর্টের আদেশ না
মানলে তার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা হবে। ততক্ষণে সুপ্রিম কোর্টে ফিরে
যান প্রধান বিচারপতি উমর আতা বান্দিয়াল। বলা হয়, অনাস্থা প্রস্তাবে ভোট না
দিলে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দেয়া হতে
পারে। এমন এক প্রেক্ষাপটে পদত্যাগ করেন তিনি। নতুন স্পিকার হিসেবে তিনি
পাকিস্তান মুসলিম লীগ নওয়াজের (পিএমএলএন) নেতা ও সাবেক স্পিকার আয়াজ
সাদিককে স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব দিয়ে যান এবং তাকে অধিবেশন পরিচালনার
অনুরোধ করেন। পদত্যাগ করে স্পিকার আসাদ কাইসার বলেন, তিনি প্রধানমন্ত্রী
ইমরান খানকে ক্ষমতা থেকে উৎখাতের বিদেশি ষড়যন্ত্রের অংশ হতে পারেন না। এর
আগে বিকালেই তিনি জানিয়ে দেন, ইমরান খানের সঙ্গে তার ৩০ বছরের সম্পর্ক। তার
বিরুদ্ধে তিনি অনাস্থা ভোট দিতে পারবেন না। আসাদ কাইসার পদত্যাগের ঘোষণা
দেয়ার আগে বলেন, মন্ত্রিপরিষদ থেকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট পেয়েছেন। তা
দেখার জন্য তিনি বিরোধীদলীয় নেতা শাহবাজ শরীফ ও প্রধান বিচারপতি উমর আতা
বান্দিয়ালকে আমন্ত্রণ জানান। তার পদত্যাগের পর আয়াজ সাদিক স্পিকারের আসনে
বসেন। এরপর আসাদ কাইসারকে তার দলের প্রতি অনুগত থাকার জন্য এবং সম্মানের
সঙ্গে বিদায় নেয়ার জন্য তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন নতুন স্পিকার আয়াজ সাদিক।
তার সম্পর্কে আয়াজ সাদিক বলেন, তার সঙ্গে আমাদের সবার খুব সুসম্পর্ক ছিল।
কাজের সম্পর্ক ছিল। তিনি মর্যাদার সঙ্গে সব কাজ করেছেন। বিরোধী দলের সঙ্গেও
একই রকম কাজ করেছেন। এরপরই তিনি পার্লামেন্টে বেল বাজাতে বলেন। এর মধ্য
দিয়ে সদস্যদের এটাই জানিয়ে দেয়া হয় যে, অনাস্থা প্রস্তাবে ভোট শুরু হয়ে
যাচ্ছে। পাঁচ মিনিট পরেই পার্লামেন্টের দরজা বন্ধ হয়ে যায়। এরপর অনাস্থা
প্রস্তাবের ওপর রাত ১১টা ৫৮ মিনিটে ভোট কার্যক্রম শুরু হয়। আয়াজ সাদিক এরপর
নিয়ম অনুযায়ী চার মিনিটের জন্য অধিবেশন মুলতবি করেন। কারণ, একই অধিবেশন
মধ্যরাত বা রাত ১২টার পরে চলতে পারে না। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও নাত
পরিবেশনের মধ্যদিয়ে নতুন অধিবেশন শুরু হয় রাত ১২টা ২ মিনিটে। এরপর ভোটিং
প্রক্রিয়া শুরু হয়। পার্লামেন্টের একটি দরজার কাছে রক্ষিত রেজিস্ট্রারে
পার্লামেন্ট সদস্যদের নাম লিপিবদ্ধ করার মাধ্যমে ভোট নিশ্চিত করতে বলা হয়।
একযোগে পদত্যাগ করবেন ইমরানের এমপিরা
পাকিস্তানের
বিদায়ী তথ্যমন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী বলেছেন, ইমরান খান ক্ষমতা হারানোর পর আজ
সোমবার জাতীয় পরিষদ থেকে একযোগে পদত্যাগ করবেন পাকিস্তান তেহরিকে ইনসাফ
(পিটিআই) দলের সব এমপি। এদিনই অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন
করার কথা পার্লামেন্টের। রোববার প্রধানমন্ত্রী পদে পিএমএলএনের প্রার্থী
শাহবাজ শরীফের মনোনয়নপত্র নিয়ে আপত্তি উত্থাপন করে পিটিআই। কিন্তু জাতীয়
পরিষদের সেক্রেটারিয়েট সেই আপত্তি প্রত্যাখ্যান করে মনোনয়নপত্র গ্রহণ
করেছে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন ডন। পিটিআইয়ের অন্য নেতা ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে
রাজধানী ইসলামাবাদে মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলেন ফাওয়াদ চৌধুরী। তিনি জানান,
ইমরান খানের সঙ্গে তার বানিগালার বাসায় পিটিআইয়ের কেন্দ্রীয় নির্বাহী
কমিটির মিটিং হয়েছে। সেখানে সার্বিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এ সময়
কমিটি ইমরান খানের কাছে জাতীয় পরিষদ থেকে পিটিআইকে পদত্যাগ করা উচিত বলে
সুপারিশ উত্থাপন করেছে। ফাওয়াদ চৌধুরী বলেন, যদি শাহবাজ শরীফের
মনোনয়নপত্রের বিষয়ে আমাদের আপত্তি আমলে নেয়া না হয়, তাহলে সোমবার আমরা
পদত্যাগ করবো। তবে আজ প্রধানমন্ত্রী পদে দলীয় প্রার্থী ও পিটিআইয়ের ভাইস
চেয়ারম্যান শাহ মাহমুদ কুরেশির মনোনয়ন প্রসঙ্গে ফাওয়াদ চৌধুরী বলেন, এর
মাধ্যমে শাহবাজ শরীফের মনোনয়নপত্রকে চ্যালেঞ্জ জানানো হয়েছে। শাহবাজ শরীফ ও
তার ছেলে হামজা শরীফের বিরুদ্ধে ১৪০০ কোটি রুপি পাচারের একটি মামলা আছে।
সেই মামলায় তিনি আজই অভিযুক্ত হতে পারেন। সেই একই দিনে প্রধানমন্ত্রী পদে
তার নির্বাচন করাকে ‘বড় অবিচার’ বলে আখ্যায়িত করেন ফাওয়াদ চৌধুরী। তিনি
বলেন, বিদেশের বাছাই করা এবং বিদেশ থেকে আমদানি করা সরকার চাপিয়ে দেয়া
হচ্ছে। তাতে শাহবাজের মতো একজন ব্যক্তি হতে যাচ্ছেন প্রধান।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন চার কারণে খুবই গুরুত্বপূর্ণ by মতিউর রহমান চৌধুরী
রবার্ট ডিকসনের মতে, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন বাংলাদেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৬ সালে এলডিসি থেকে মধ্যম আয়ের দেশে বাংলাদেশের উত্তরণ ঘটবে। মধ্যম আয়ের দেশের জন্য বিশ্ব অনেক বেশি প্রতিযোগিতামূলক একটি জায়গা। বাংলাদেশের চমৎকার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে ধরে রাখার জন্য অবশ্যই আন্তর্জাতিক বাজার ধরতে হবে। প্রয়োজন হবে বিদেশি বিনিয়োগের। আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ করার আগে সবচেয়ে বেশি যার ওপর গুরুত্ব দেন তা হচ্ছে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা। তারা প্রথমেই খুঁজেন সুশাসন। তাই আমার মনে হয়, বাংলাদেশের অগ্রগতির জন্য প্রথম কাজ হচ্ছে একটা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান করা। এর মাধ্যমে অর্থনৈতিক সংস্কার যেমন নিশ্চিত হবে এর পাশাপাশি বেসরকারি বিনিয়োগকারীরাও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আস্থা পাবে। এ কারণে আগামীর নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের বন্ধু হিসেবে আমরা তাই মনে করি। অত্যন্ত স্মার্ট, দক্ষ এবং আন্তর্জাতিক দূতিয়ালীতে পারদর্শী এই কূটনীতিকের মতে, মানুষ যাতে অবাধে ভোট দিতে পারে, রাজনৈতিক দলগুলো সভা- সমাবেশ করতে পারে এই বিষয়টির ওপর জোর দিতে হবে বেশি। নির্বাচনের আগে মুক্তভাবে বিতর্ক করার সুযোগ থাকতে হবে। মানুষ যাতে অবাধে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে সেটা নিশ্চিত করতে হবে। এই বিষয়টা আগামী নির্বাচনের ক্ষেত্রে খুবই জরুরি। নির্বাচন কমিশন রাজনৈতিক দল, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সবাই মিলে এটা নিশ্চিত করতে হবে। সঠিকভাবে ভোট গণনা ও ফল প্রকাশের ওপর জনগণ এবং প্রার্থীদের যেন আস্থা থাকে সেটা নিশ্চিত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনকে ভূমিকা রাখতে হবে। ফলাফল যাই হোক না কেন, মানুষকে সেটা মেনে নিতে হবে। এটাই নির্বাচনের রীতি। তাকে প্রশ্ন করেছিলাম বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে মূল সমস্যাটা কি? জবাবে রবার্ট বলেন, অনেক কিছুই বলা যায়। যেমন ২০১৪ সালের নির্বাচন বিরোধী দল বয়কট করেছিল। ২০১৮-এর নির্বাচনের সময় আমি ছিলাম না। কিন্তু আমি জানি ওই নির্বাচন যেভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে তা নিয়ে কড়া অভিযোগ রয়েছে। এক্ষেত্রে যুক্তরাজ্য কোনো ভূমিকা পালন করবে কিনা? রবার্ট হাসলেন। বললেন, আমরা বাংলাদেশের বন্ধু। বাংলাদেশের জনগণই নির্বাচন করবে। এটা আমাদের কাজ নয়। ভালো নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজনের চেয়ে বেশি কারিগরি সক্ষমতা রয়েছে। এ নিয়ে আমাদের কোনো প্রেসক্রিপশন দেয়া ঠিক হবে না। তবে ১৯৭১ সাল থেকে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার বন্ধু এবং অংশীদার হিসেবে আমরা মনে করি এখানে গণতন্ত্র অত্যাবশ্যক। আমরা অবশ্যই এই নির্বাচনের ওপর গভীরভাবে নজর রাখবো। ঢাকাস্থ কূটনৈতিক মিশনগুলোর সঙ্গেও এ নিয়ে আলোচনা অব্যাহত থাকবে। ২০০৭ সালে জরুরি অবস্থা থাকা অবস্থায় ঢাকাস্থ বিদেশি কূটনীতিকরা নিয়মিত বৈঠক করতেন। তাদের একমাত্র লক্ষ্য ছিল অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন করা। ১৯৯০, ১৯৯৬ এবং ২০০১-এর নির্বাচনে তারা ভূমিকা রেখেছিলেন। কিন্তু বিগত দুটি নির্বাচনে (২০১৪ এবং ২০১৮) কূটনীতিকরা কোনো ভূমিকা রাখেননি। কিন্তু অতি সমপ্রতি শোনা যাচ্ছে, তারা টুয়েসডে গ্রুপের মতো একটি গ্রুপ গঠন করতে চাচ্ছেন। এই সম্পর্কে রবার্ট ডিকসনের জবাব, আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলতে পারছি না। তবে আমার মনে হয় এটা স্পষ্ট যে, বিশ্বজুড়েই উদার গণতন্ত্র এবং মূল্যবোধ চ্যালেঞ্জের মুখে। এক্ষেত্রে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন সবার জন্য ‘ওয়েকআপ কল’ হিসেবে কাজ করছে। আমরা কি গণতন্ত্রকে বেছে নেব নাকি স্বৈরাচার, কর্তৃত্ববাদকে বেছে নেব? আপনার প্রশ্নের জবাব হচ্ছে, গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় নির্বাচন একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমাদের কূটনীতিকদের মধ্যে এসব নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। এটা ঠিক, যদিও আনুষ্ঠানিক কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি।
রাজনীতি এবং আন্তর্জাতিক বিষয় নিয়ে আলাপ করতে গেলে এই মুহূর্তে দক্ষিণ এশিয়ার দুটি দেশ শ্রীলঙ্কা এবং পাকিস্তান খুবই আলোচিত। যদিও পাকিস্তানের গল্পটা ভিন্ন। আর শ্রীলঙ্কা ফেঁসে গেছে চীনা ঋণে। এখানে বাংলাদেশের অবস্থান কি? জবাবে বৃটিশ হাইকমিশনার বলেন, আমার মনে হয় বাংলাদেশ অনেক দিক থেকেই ভালো অবস্থানে রয়েছে। পাবলিক ফাইন্যান্স ম্যানেজমেন্টে বাংলাদেশের প্রশংসা করতেই হয়। বাংলাদেশের চমৎকার জিডিপি’র প্রবৃদ্ধি রয়েছে। শ্রীলঙ্কা ভয়াবহ সংকটের মধ্যে রয়েছে। বাংলাদেশের অবস্থা তেমন নয়। রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা পাকিস্তানকে কাবু করেছে। বাংলাদেশে যেভাবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হচ্ছে, যে পরিমাণ বৈদেশিক বিনিয়োগ হচ্ছে তা ধরে রাখতে বাংলাদেশকে আরও কিছু কাজ করতে হবে। তবে অবশ্যই শ্রীলঙ্কার মতো ঋণের ফাঁদে যাতে না পড়ে সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। এই অঞ্চলে চীনের প্রভাব নিয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে ডিকসন সোজাসাপ্টা জবাব দেন। বলেন, আপনাকে বুঝতে হবে চীন ঋণ দিচ্ছে নাকি বিনিয়োগ করছে এবং কী শর্তে করছে। এই অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে ঋণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বাংলাদেশ বিভিন্ন উৎস থেকে ঋণ নিয়েছে। শুধু চীন নয়, জাপানেরও অনেক বিনিয়োগ আছে। বিশ্বব্যাংক এবং এডিবি’র সঙ্গেও বাংলাদেশের অনেক ভালো সম্পর্ক রয়েছে। সুতরাং একটি উৎসের ওপর নির্ভর না করাই ভালো। আপনি বলছেন যে, গণতন্ত্র এবং মানবাধিকার ছাড়া সবকিছু ঠিকঠাক আছে। এই অঞ্চলের ভূ-রাজনীতিতে বাংলাদেশকে ঘিরে ভারত, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকার পটভূমিতে যুক্তরাজ্যের অবস্থান কি?
কিছুটা গম্ভীর, ডিকসন বললেন, সুন্দর প্রশ্ন। চীন এবং ভারত বাংলাদেশের দুই বৃহৎ প্রতিবেশী। যুক্তরাষ্ট্র খুব গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। অতি সমপ্রতি দু’দেশের মধ্যে কয়েকটি বৈঠকও হয়ে গেল। ঐতিহাসিকভাবে সম্পর্কটা যেমন শক্তিশালী তেমনই দু’দেশের মানুষের সম্পর্কও খুব আন্তরিক। তবে আপনার প্রশ্নের জবাবে আসি। অনেক বাংলাদেশির জন্য যুক্তরাজ্য হলো সেকেন্ড হোম। বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব রয়েছে। বাংলাদেশে কি হচ্ছে তা জানতে বৃটেনের মানুষ খুব উৎসাহী। বৃটিশ পার্লামেন্টও মানবাধিকার পরিস্থিতি ও রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে খোঁজখবর রাখে। সবদিক থেকেই দু’দেশের সম্পর্ক সোহার্দ্যপূর্ণ। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়েও রবার্ট মতামত দেন এক প্রশ্নের জবাবে। বলেন, আপনি যদি ’৭২-এর সংবিধানের দিকে তাকান তাহলে দেখতে পাবেন যে, সেখানে গণতন্ত্রের কথা খুব স্পষ্টভাবে বলা আছে। সেই সঙ্গে কথা বলার স্বাধীনতা, মুক্ত গণমাধ্যম, ধর্মীয় স্বাধীনতা এসবের প্রতিশ্রুতিও থাকতে হবে। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় গণমাধ্যম হচ্ছে আলোকবর্তিকা। ক্ষমতাসীনদের জবাবদিহি করে। সুতরাং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব হয় এমন কিছু গণতন্ত্রের জন্য খারাপ। আমরা ১৪ জন কূটনীতিক গতবছর আইনমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আমাদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছি।
মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে র্যাব ও তার সাত কর্মকর্তার ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞাকে বৃটেন কীভাবে দেখে? এই প্রশ্নের জবাবে বৃটিশ হাইকমিশনার বলেন, আগেও বলেছি বাংলাদেশের বন্ধু হিসেবে এখানে মানবাধিকারের বিষয়টিকে আমরা যথেষ্ট গুরুত্ব সহকারে দেখি। আমেরিকানদের উদ্বেগের কারণটাও আমরা বুঝতে পারি। আমাদের মানবাধিকার বিষয়ক রিপোর্ট প্রতিবছর জুন মাসে প্রকাশিত হয়। আমাদের সর্বশেষ রিপোর্ট পড়লে বোঝা যাবে কোন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র এমন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। নিশ্চয়ই, আমরা উদ্বিগ্ন। আমরা আমাদের প্রতিক্রিয়া নিয়ে ভাবছি। আমাদের এ ব্যাপারে উদ্বেগ রয়েছে। বাংলাদেশিদের জন্য বৃটেনের তরফে কোনো সুসংবাদ রয়েছে কি? চটজলদি জবাব- হ্যাঁ। বিশেষ করে ইমিগ্রেশন পলিসিতে সুসংবাদ রয়েছে। যুক্তরাজ্যে প্রবেশের ক্ষেত্রে যোগ্যতা বিবেচনা করার পন্থা পরিবর্তন করার কথা আমরা ভাবছি। বাংলাদেশসহ বিশ্বের যেকোনো জায়গা থেকে মানুষকে নিয়োগ দেয়া যাবে। নতুন পয়েন্টসভিত্তিক ব্যবস্থায় পেশাদারদের যুক্তরাজ্যে যাওয়ার পথ সুগম হবে। শিক্ষার্থীরা এখন পড়াশোনা শেষে দু’বছরের জন্য চাকরি করতে পারবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হার্ট অ্যাটাকে যে বিষয়গুলো উপেক্ষা করবেন না

ব্রিটিশ হার্ট ফাউন্ডেশনের এক গবেষণা বলছে, হৃদরোগের প্রাথমিক উপসর্গ খেয়াল না করলে তার ফলে কেবল মৃত্যু থেকে বেচে যাওয়া সম্ভম হলেও, অনেক জটিলতা নিয়ে বাঁচতে হয়।
প্রাথমিক উপসর্গ:
* বুকে ব্যথা - চাপ চাপ ব্যথা, বুকের এক পাশে বা পুরো বুক জুড়ে ভারী ব্যথা।
* শরীরের অন্য অংশে ব্যথা---মনে হতে পারে ব্যথা শরীরে এক অংশ থেকে অংশে চলে যাচ্ছে, যেমন হতে পারে বুক থেকে হাতে ব্যথা হতে পারে। সাধারণত বাম হাতে ব্যথা হয়, কিন্তু দুই হাতেই ব্যথা হতে পারে।
* মাথা ঘোরা বা ঝিমঝিম করা।
* ঘাম হওয়া।
* নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসা।
* বমি ভাব হওয়া।
* বুক ধড়ফড় করা বা বিনা কারণে অস্থির লাগা।
* সর্দি বা কাশি হওয়া।
বেশিরভাগ সময় বুকে ব্যথা খুবই তীব্র হয়, ফলে শরীরের অন্য অংশে ব্যথা অনেকে টের পান না। বসের সঙ্গে খারাপ সম্পর্ক বাড়াতে পারে হৃদরোগের ঝুঁকি। আবার কারো ক্ষেত্রে হয়ত বুকে ব্যথা অনুভব করেননি, বিশেষ করে নারী, বয়স্ক মানুষ এবং যারা ডায়াবেটিসে ভুগছেন। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসা, বুকে ব্যথা বা অজ্ঞান হয়ে যাবার মত ঘটনা সাধারণ হার্ট অ্যাটাকের এক মাস আগে হয়।
কেন হয় হার্ট অ্যাটাক?
আমাদের হৃদপিণ্ডে যে রক্ত প্রবাহিত হয়, তা হৃদযন্ত্রে রক্ত আসে ধমনী দিয়ে। সেটি যখন সরু হয়ে যায়, তখন নালীর ভেতরে রক্ত জমাট বেধে যেতে পারে। ফলে নালীর ভেতর দিয়ে রক্ত প্রবাহ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এতে হৃদযন্ত্রের পেশীগুলো দুর্বল হয়ে যায়, ফলে আর সে অক্সিজেন প্রবাহিত করতে পারে না। হৃদপিণ্ডের ভেতর দিয়ে অক্সিজেন প্রবাহিত না হতে পারলেই হার্ট অ্যাটাক হয়।
হার্ট অ্যাটাক হলে কী করণীয়?
হার্ট অ্যাটাক হবার পর দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। ব্রিটিশ হার্ট ফাউন্ডেশনের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, চিকিৎসা পেতে এক ঘণ্টা দেরির জন্য মৃত্যুর হার বেড়ে যায় ১০ শতাংশ।
* তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।
* হার্ট অ্যাটাকের পরপরই রোগীকে শক্ত জায়গায় হাত-পা ছড়িয়ে শুইয়ে দিন এবং গায়ের জামা -কাপড় ঢিলেঢালা করে দিন।
* হার্ট অ্যাটাকের পর যদি আক্রান্ত ব্যক্তির শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যায় তাহলে তাকে কৃত্রিম উপায়ে শ্বাস-প্রশ্বাস চালুর চেষ্টা করুন।
* হার্ট অ্যাটাকের পর রোগীর যদি বমি আসে তাহলে তাকে একদিকে কাত করে দিন। যাতে সে সহজেই বমি করতে পারে। এতে ফুসফুসের মতো অঙ্গে বমি ঢুকে পড়া থেকে হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত ব্যক্তি রক্ষা পাবেন।
কিভাবে ঠেকানো যাবে হার্ট অ্যাটাক?
* খাবার ও জীবনযাপনে পরিবর্তন আনতে হবে, নিয়মিত হাঁটা-চলা ও ব্যায়াম করতে হবে, সক্রিয় থাকতে হবে
* ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে
* নিজেকে চিন্তামুক্ত রাখতে হবে
* ধূমপান বন্ধ করতে হবে
* মাঝে মাঝে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে
সূত্র-বিবিসি
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1330)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

