Sunday, October 11, 2009
ঊর্মিকে বাঁচান
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কেরানীগঞ্জে ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার
পুলিশ সূত্র জানায়, গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার জয়নগর এলাকায় নিজ বাসা থেকে তারানগর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমানকে (৩৪) গ্রেপ্তার করা হয়। বিমানবন্দর এলাকার ঘটনায় করা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বিমানবন্দর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জহিরুল ইসলাম জানান, মোস্তাফিজুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আজ শনিবার আদালতে রিমান্ডের আবেদন করা হবে।
আমানউল্লাহ আমান দীর্ঘদিন চিকিত্সা শেষে গত ২৯ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুর থেকে জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে গোয়েন্দা পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে।
এ সময় বিএনপির কয়েক শ নেতা-কর্মী তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ করে। একপর্যায়ে পুলিশ ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
টঙ্গীতে মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৯
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বেলা সাড়ে তিনটার দিকে গাছা এলাকার ইদ্রিছ, মোহাম্মদ আলী ও আহাম্মদ আলীর সঙ্গে মদের ব্যবসাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় হারুন মোল্লার কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আহম্মদ আলী লাঠি দিয়ে হারুন মোল্লাকে আঘাত করলে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এতে হারুন মোল্লা (৩৫), খোরশেদ মোল্লা (৩০), শাহিনুর (২৫), মিঠুন (২০) ও আফিয়া খাতুন (২৭) জখম হন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুদ্ধবিরোধী শোভাযাত্রা শতাধিক দেশ অতিক্রম করবে
নিউজিল্যান্ডের আরলিংটন শহর থেকে শুরু হওয়া এই শান্তি শোভাযাত্রা শতাধিক দেশ অতিক্রম করবে। আগামী ২ জানুয়ারি এটি আর্জেন্টিনায় গিয়ে শেষ হবে।
‘ওয়ার্ল্ড উইদাউট ওয়্যার’ নামক একটি ইউরোপীয় সংগঠন এর আয়োজক। সংগঠনটি দাবি করেছে, যুদ্ধের পেছনে যে অর্থ ব্যয় হয়, তার মাত্র ১০ শতাংশ দিয়ে গোটা বিশ্বের ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূর করা সম্ভব।
‘ওয়ার্ল্ড মার্চ ফর পিস অ্যান্ড নন ভায়োলেন্স’-এর বাংলাদেশ সমন্বয়ক আশীফ এন্তাজ রবি জানান, শোভাযাত্রাটি নিউজিল্যান্ড থেকে অস্ট্রেলিয়া, ফিলিপাইন ও বাংলাদেশ হয়ে ভারত পৌঁছাবে।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, গ্রিন পিস, মেয়র ফর পিস, ইউনিসেফ নিউজিল্যান্ডসহ বেশ কয়েকটি সংগঠন সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। নোয়াম চমস্কি, ডেসমন্ড টুটু, দালাইলামা, ব্রায়ান অ্যাডামস, জিমি কার্টারসহ বিশ্বের খ্যাতনামা ব্যক্তিরা এই আয়োজনের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস আজ
দিবসটি উপলক্ষে আজ স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ বেসরকারি উদ্যোগে নানা কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের আয়োজনে সকাল সাড়ে সাতটায় শাহবাগ মোড় থেকে প্রেসক্লাব পর্যন্ত একটি শোভাযাত্রা বের হবে।
এদিকে মানসিক প্রতিবন্ধীদের নিয়ে যাঁরা কাজ করছেন, সেই সব সংগঠন ও ব্যক্তির দাবি, দেশে বিদ্যমান মানসিক প্রতিবন্ধী আইন-১৯১২ (ল্যুনাসি অ্যাক্ট-১৯১২) মানসিকভাবে অসুস্থদের নিরাপত্তা কিংবা তাঁদের সম্পত্তি রক্ষায় তেমন কোনো কাজে আসছে না।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিএমএ নির্বাচনে চট্টগ্রামে স্বাচিপের দুটি প্যানেল
আগামী ১৩ অক্টোবর মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন। স্বাচিপের বর্তমান নেতৃত্বাধীন শেখ শফিউল আজম ও নাসিরউদ্দিন মাহমুদ একটি প্যানেলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তাঁরা যথাক্রমে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী। তাঁরা বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগের নেতা আ জ ম নাছিরউদ্দিনকে সঙ্গে নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন।
স্বাচিপের বিদ্রোহী প্যানেলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন অধ্যাপক এ কিউ এম সিরাজুল ইসলাম ও মিনহাজুর রহমান। সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘স্বাচিপের বর্তমান নেতৃত্বদানকারী নেতারা সংগঠনের সদস্যদের কোনো কাজে আসেন না। তাঁরা নিজেদের বদলি-বাণিজ্য নিয়েই ব্যস্ত। তাই আমরা পৃথক প্যানেল দিয়েছি।’
অন্যদিকে ড্যাবের গোলাম মর্তুজা হারুন ও খুরশিদ জামিল চৌধুরী প্যানেল মনোনয়ন জমা দেয়। এ কে এম ফজলুল হক ও মোহাম্মদ আবু নাসের ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের (এনডিএফ) যথাক্রমে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী হয়েছেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দেশে নিউমোনিয়ায় প্রতিবছর ৭০ হাজার শিশু মারা যাচ্ছে
গতকাল শুক্রবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শিশু সংক্রামক ব্যাধিসংক্রান্ত দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধনী দিনে এ তথ্য দেওয়া হয়। বাংলাদেশ সোসাইটি ফর পেডিয়াট্রিক ইনফেকশাস ডিজিস (বিএসপিআইডি) দুদিনব্যাপী এ সম্মেলনের আয়োজন করে।
সম্মেলনে বিএসপিআইডির মহাসচিব সমীর সাহা বলেন, নিউমোনিয়ার সবচেয়ে বড় শিকার বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দরিদ্র শিশুরা। অথচ এ ব্যাপারে চিকিত্সাসুবিধা বেশি যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোতে। এ ব্যাপারে চিকিত্সাসেবা ও সচেতনতা বাড়াতে বিজ্ঞানী, শিশু বিশেষজ্ঞ ও নীতিনির্ধারকদের একযোগে কাজ করতে হবে।
সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জাতীয় অধ্যাপক এম আর খান বলেন, ‘ডেঙ্গু, বার্ড ফ্লু, সোয়াইন ফ্লু, নিউমোনিয়া, এইডস, ম্যালেরিয়ার মতো সংক্রামক ব্যাধি শিশুমৃত্যুর অন্যতম কারণ। দেশে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির কারণে অনেকাংশেই শিশুমৃত্যুর হার কমেছে, যা আমাদের জন্য বিশাল অর্জন।’
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান ও সাংসদ এম এস আকবর বলেন, ‘উন্নত বিশ্ব নিজে আক্রান্ত হলে তা নিয়ে মাতামাতি বেশি হয়। দেশে হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলেও তা নিয়ে আলোচনা হয় না।’
সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মজিবুর রহমান ফকির বলেন, ‘দেশে টিকাদান কর্মসূচির সফলতা প্রতিবেশী অন্যান্য দেশের চেয়ে ভালো। তবে এখনো প্রসূতিকে যথাযথ চিকিত্সাসেবা না দেওয়ার কারণে শিশুমৃত্যুর ঘটনা ঘটছে।’
বিএসপিআইডির সভাপতি মানজুর হোসেন বলেন, শিশু সংক্রামক ব্যাধি দেশে গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা। অপুষ্টি, দারিদ্র্য ও শিক্ষার অভাবের কারণে সংক্রামক ব্যাধির বিস্তার ঘটে। বিএসপিআইডি দেশে শিশু সংক্রামক ব্যাধি দূর করতে কাজ করে যাবে। সম্মেলনে ভারত থেকে সাতজন, শ্রীলঙ্কা থেকে দুজন, পাকিস্তান ও নেপাল থেকে একজন শিশু বিশেষজ্ঞ অংশ নিয়েছেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সমুদ্রের গ্যাস ব্লকের ইজারা বাতিলের দাবি
বক্তারা বলেন, সরকার বলছে তারা গ্যাস রপ্তানি করবে না। তাহলে রপ্তানির সুযোগ রেখে মডেল পিএসসির বাস্তবায়নে সরকার মরিয়া কেন? এ বিষয়ে জাতীয় কমিটি উন্মুক্ত সংলাপ আহ্বান করলেও সরকার রাজি হয়নি। কারণ সরকার জানে, বহুজাতিক কোম্পানির স্বার্থ রক্ষা করে জনগণের প্রশ্নের উত্তর দেওয়া যাবে না।
বক্তারা বলেন, গ্যাস সম্পদের ওপর সরকারের শতভাগ মালিকানা নিশ্চিত করতে হবে। দেশের গ্যাস দেশেই ব্যবহার করতে হবে। কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা হয়ে খুলনায় পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহ ও মংলা বন্দরের উন্নয়নের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণেরও দাবি জানান তাঁরা।
খুলনা বিভাগীয় এ কনভেনশনে সভাপতিত্ব করেন তেল-গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুত্-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির খুলনা জেলা আহ্বায়ক শেখ মনিরুজ্জামান। বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক শেখ মো. শহীদুল্লাহ, সমুদ্র গবেষক নূর মোহাম্মদ, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা বিমল বিশ্বাস, সিপিবি নেতা রুহিন হোসেন, বাসদ নেতা রাজেকুজ্জামান, জাতীয় গণফ্রন্টের টিপু বিশ্বাস, ওয়ার্কার্স পার্টির (পুনর্গঠিত) আজিজুর রহমান, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক প্রমুখ। সভা পরিচালনা করেন দেলোয়ার হোসেন ও এস এ রশীদ। সভায় ২৪ অক্টোবর জাতীয় কনভেনশন সফল করার আহ্বান জানানো হয়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সারা রাইত নিন্দ পারবার পারি নাই’ by সফি খান,
কথাগুলো ধরলা নদীর পারের খোদেজা খাতুনের। কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের নন্দ দুলালের ভিটা গ্রামে তাঁর বাড়ি। গত দুই দিনের প্রবল বর্ষণ ও উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে পানি বেড়ে নদীর ভাঙন ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের মধ্যে খোদেজা খাতুনও একজন।
গতকাল শুক্রবার ওই এলাকায় গিয়ে ভাঙনকবলিত মানুষের আহাজারি দেখা যায়। ঘরবাড়িসহ অনেক ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। ভাঙনের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ঘরবাড়িসহ মূল্যবান জিনিস সরিয়ে নিতে হিমশিম খাচ্ছে ভুক্তভোগীরা। দিলজন নেছা বলেন, ‘ধরলাত সোমানে পানি আসপার নাগছে। আর বাড়ি, গাছপালা ভাঙি নিয়া যায়। সরবার সময় দেয় না। একনা ঘর বাঁচাইছি। তাক স্কুলের মাঠত নিয়া রাখছি। গরিব মানুষ, জাগা জমি নাই। কোটে ঘড় তুলমো জানি না।’ জগমনের চরের কৃষক তাইজুল ইসলাম বলেন, ‘গত বন্যার পর অনেক কষ্টে চারা লাগাই। তাও নদীত ভাঙি যাবার নাগছে। পাঁচ বিঘা যদি শ্যাষ হয়া যায়, না খায়া মরা নাগবে।’
পাঁচগাছি ইউনিয়নের কদমতলা গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, সেখানেও একই অবস্থা। কদমতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ২৪ ঘণ্টায় নদীতে বিলীন হয়েছে। সেখানকার ৫০টি পরিবার ভাঙনের শিকার হয়ে এখন নিঃস্ব। পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধের সড়ক থেকে নদী মাত্র ১০ হাত দূরে। যেকোনো মুহূর্তে বাঁধটি ভেঙে যেতে পারে। গতকাল সকালে জেলা প্রশাসক আসাদুজামান, উপজেলা চেয়ারম্যান পনির উদ্দিন আহাম্মেদ নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গান, কবিতা, ছবিতে বৈচিত্র্যময় আয়োজন
শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার গড়া প্রতিষ্ঠান সুরের ধারার মাসিক শ্রোতার আসর ‘মিলনী’র ১৬তম আয়োজন ছিল গতকাল শুক্রবার। আসরে গতকাল সন্ধ্যায় প্রয়াত বাউলসম্রাট শাহ আবদুল করিমকে স্মরণ করা হয়। রবীন্দ্রসংগীতের পাশাপাশি শিল্পীরা পরিবেশন করেন তাঁর গান।
নির্দিষ্ট সময়ে অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার উদাহরণ খুব কম প্রতিষ্ঠান দেখাতে পারে। তবে গতকাল তা দেখিয়েছে সুরের ধারা। শুরুতে শ্রোতাদের শুভেচ্ছা জানালেন সুরের ধারার অধ্যক্ষ রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা। জানালেন সুরের ধারা নিয়ে নানা স্বপ্ন আর পরিকল্পনার কথা। শান্তিনিকেতনের আদলে এটি গড়ে তোলার ইচ্ছা তাঁর। তিনি বলেন, সুরের ধারা এমন একটি প্রতিষ্ঠান হবে, যেখানে শিশুরা মনের আনন্দে গান করবে, গানের রস আস্বাদন করবে, প্রকৃতির লালিত্যে তৈরি হবে তাদের মন ও রুচিবোধ।
সংগীত পর্ব শুরু হলো একটি সম্মেলক সংগীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে। ‘ফিরে ফিরে ডাক্ দেখি রে’ গানটি পরিবেশন করলেন প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বর্ষের শিল্পীরা। এরপর একক পরিবেশনা।
আসরে একক সংগীত পরিবেশন করলেন শিল্পী কনক খান, স্বাতী বিশ্বাস ও স্বপন বিশ্বাস। তাঁদের পরিবেশনায় রবীন্দ্রনাথের ‘কোন আলোতে প্রাণের প্রদীপ’, ‘ভেঙে মোর ঘরের চাবি’, ‘তোমার খোলা হাওয়া’, ‘আমার প্রাণের মানুষ’ প্রভৃতি গানের সঙ্গে বাউলসম্রাট শাহ আবদুল করিমের ‘কোন মিস্তিরি নাও বানাইছে’, বিজয় সরকারের ‘কোন দিনে খুলিবে নৌকা’—এসব গান অনুষ্ঠানে ভিন্ন মাত্রা যোগ করে। সমবেত কণ্ঠে ‘আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম’ পরিবেশনার মধ্য দিয়ে শেষ হয় অনুষ্ঠান।
উদীচীর প্রাণবন্ত আবৃত্তি আড্ডা
পঞ্চাশোর্ধ্ব এক দর্শক মিলনায়তনে প্রবেশ করেই প্রশ্ন করলেন, ‘কী হবে এখানে?’ আয়োজকদের একজন বললেন, ‘কবিতা আবৃত্তি।’ মিলনায়তনের চারদিক তাকিয়ে বিস্মিত হয়ে তিনি প্রশ্ন করলেন, ‘কবিতা শুনতে এত মানুষ!’ এরপর কথা না বাড়িয়ে বসে পড়লেন তিনি। মঞ্চ আলোকিত হলো। অতিথি আসাদ চৌধুরী। এরপর আড্ডা। আবৃত্তি। শুক্রবার সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের শওকত ওসমান মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় উদীচীর কেন্দ্রীয় বিভাগের আয়োজনে এই ‘আবৃত্তি আড্ডা’। শুরুতেই ছিল উদীচীর এক শিল্পীর চিঠিপাঠ। ‘সেজ দিদি’র কাছে লেখা সেই চিঠিতে ছিল শিল্পীর ব্যক্তিজীবনের কিছু সমস্যার কথা। এরপর বুদ্ধদেব বসুর কবিতা আবৃত্তি। আবৃত্তির আগে আসাদ চৌধুরী বুদ্ধদেব বসুর সঙ্গে নিজের স্মৃতিচারণা করেন।
চোখের বালি চলচ্চিত্রে বিনোদিনী চিঠি লিখেছিল মহেন্দ্রর কাছে। চলচ্চিত্র দেখে সেই চিঠি মুখস্থ করেন ইকবাল আহসান। তা-ই পাঠ করেন তিনি। বিনোদিনী জানতে চেয়েছিল, মহেন্দ্রর কাছে লেখা চিঠির উত্তর কেন পায়নি সে? চিঠি পড়া শুনে আসাদ চৌধুরী বললেন, ‘আমি যদি মহেন্দ্র হতাম, তাহলে বলতাম, বিনোদিনী তুমি চিঠি পাবে কী করে, তোমার জন্য কোনো চিঠিই লিখিনি।’
কবিতা আবৃত্তি, চিঠি পড়া—এর মধ্যে আসাদ চৌধুরীর আহ্বানে একজন গলা ছেড়ে গাইলেন, ‘কৃষ্ণকলি তারেই বলি।’ একের পর এক চলছে আবৃত্তি আর আড্ডা। অংশ নিয়েছেন বেলায়েত হোসেন, সুমিত পাল, সৈয়দ সাইফুল্লাহ, ইকবাল আহসান, শিখা, মৌমিতা, অনিতাসহ অনেকে।
রাশেদ স্মরণে অষ্টম শিল্পকর্ম প্রদর্শনী
বুলবুল ললিতকলা একাডেমীর চারুকলা বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন রাশেদ। বন্ধুদের সঙ্গে আশুলিয়ায় গিয়ে পানিতে নেমেছিলেন। সাঁতার জানতেন না। রাশেদকে চিরকালের জন্য হারালেন বন্ধুরা। ২০০১ সালের ঘটনা।
শিল্পী রাশেদের স্মৃতি বাঁচিয়ে রাখতে তাঁর বন্ধুরা ২০০২ সাল থেকে প্রতিবছর শিল্পকর্ম প্রদর্শনী করে আসছেন। গতকাল শুক্রবার শিল্পকলা একাডেমীর চিত্রশালা গ্যালারিতে শুরু হয়েছে রাশেদ স্মরণে অষ্টম শিল্পকর্ম প্রদর্শনী।
প্রদর্শনীর উদ্বোধন করলেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আসাদুজ্জামান নূর। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন শিল্পী শহিদ কবীর, বুলবুল ললিতকলা একাডেমীর সভাপতি শামযুয জাহান নূর প্রমুখ। এর আগে প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়া শিল্পীদের সেরা পাঁচজনকে ‘শিল্পী রাশেদ স্মৃতিপদক ২০০৯’ দেওয়া হয়। এবার সেরা শিল্পকর্মের পদক পেয়েছেন শিল্পী এম ডি মাঈনউদ্দিন।
প্রদর্শনীতে দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ১৭২ জন শিক্ষার্থীর আঁকা ২২২টি শিল্পকর্ম স্থান পেয়েছে। প্রদর্শনী চলবে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কুমিল্লায় সওজের তিনটি কাজের বরাদ্দ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ
সওজ জানায়, গত ১২ আগস্ট কুমিল্লা সওজ বন্যা পুনর্বাসন কাজের অধীনে জেলার দুটি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি সড়ক সংস্কারের জন্য দরপত্র আহ্বান করে। সড়ক তিনটি হলো কুমিল্লার ইলিয়টগঞ্জ থেকে রামচন্দ্রপুর পর্যন্ত ৬ দশমিক ৪৫ কিলোমিটার, কুমিল্লার চাঁপাপুর থেকে কালিরবাজার পর্যন্ত ১৪ কিলোমিটার ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দারখাল থেকে আখাউড়া পর্যন্ত ১৫ দশমিক ১৩ কিলোমিটার সড়ক। ১৫ সেপ্টেম্বর ঠিকাদারেরা দরপত্র জমা দেন। ৫ অক্টোবর দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সভা হয়। এতে সব শর্ত পূরণ করা সত্ত্বেও সর্বনিম্ন দরদাতাকে কাজটি দেওয়া হয়নি।
এর পরিপ্রেক্ষিতে ৮ অক্টোবর ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী মো. মাহবুব আলম ঢাকায় দুদক চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, যে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে এসব কাজ দেওয়া হয়েছে, এতে তিনটি প্যাকেজে সরকারের মোট ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়াবে দুই কোটি ৬৪ লাখ চার হাজার ১৮৩ টাকা।
মাহবুব আলম দাবি করেন, যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজগুলো পেয়েছে, তাঁর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এর চেয়ে কম দরে ওই কাজ করতে পারত। অন্যায় এবং অবৈধ পন্থায় বড় অঙ্কের লেনদেনের মাধ্যমে সওজের কর্মকর্তারা প্রভাবশালী মহলকে এসব কাজ পাইয়ে দেন। কাজগুলো পেয়েছে কুমিল্লা ও খুলনার তিনটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে সওজ কুমিল্লার অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আবুল কাশেম ভূঁইয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘কানাডার কনসালট্যান্টরা কাজের মূল্যায়ন করেছেন। এতে বাংলাদেশি কেউ ছিলেন না।’ তাঁর কাছে প্রশ্ন রাখা হয়, আপনি তো মূল্যায়ন কমিটির প্রধান, এ ব্যাপারে আপনার কি কোনো ভূমিকা ছিল না? এ প্রশ্নের কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি তিনি।
জানা গেছে, কুমিল্লার ইলিয়টগঞ্জ-রামচন্দ্রপুর সড়কের কাজটি দেওয়া হয় মেসার্স অ্যান-মি-আরসিকে (জেভি) চার কোটি ৪৫ হাজার ৫২৩ টাকায়। সর্বনিম্ন দরদাতা কাজের মূল্য নির্ধারণ করে তিন কোটি দুই লাখ ৯৯ হাজার ৯০০ টাকা। কুমিল্লায় চাঁপাপুর-কালিরবাজার সড়কের কাজ দেওয়া হয় বিটিসি-এসআইজেকে (জেভি) দুই কোটি ৮০ লাখ ৪৮ হাজার ২২০ টাকায়। সর্বনিম্ন দরদাতা কাজের মূল্য নির্ধারণ করে এক কোটি ৮৫ লাখ ২৩ হাজার ৫০ টাকা। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দারখাল-আখাউড়া কাজটি খুলনার দি রূপসা এন্টারপ্রাইজকে দেওয়া হয় তিন কোটি ২৪ লাখ ৬১ হাজার ৮৯০ টাকায়। সর্বনিম্ন দরদাতা এর মূল্য নির্ধারণ করে দুই কোটি ৫৩ লাখ ২৮ হাজার ৫০০ টাকা।
সওজ জানায়, তিনটি প্যাকেজে ৩৬ জন ঠিকাদার দরপত্রে অংশ নেন। এতে প্রথম প্যাকেজে ১৪ জন, দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্যাকেজে ১১ জন করে অংশ নেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাঁচ উপজেলা ও চার পৌরসভায় পাল্টাপাল্টি আহ্বায়ক কমিটি by তৌহিদী হাসান
স্থানীয় নেতা-কর্মীরা জানান, সাবেক সাংসদ সোহরাব উদ্দিনকে আহ্বায়ক ও নয়জনকে যুগ্ম আহ্বায়ক করে গত জুলাই মাসে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন করে কেন্দ্রীয় কমিটি। এতে ত্যাগী নেতার নাম না থাকায় কোন্দল শুরু হয়। পরে দুই দফায় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য বাড়িয়ে ৬০ জনে উন্নীত করা হলে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়। এরপর পাঁচটি উপজেলা ও চারটি পৌরসভার আহ্বায়ক কমিটি গঠন নিয়ে নতুন করে কোন্দল শুরু হয়।
বিবদমান দুই পক্ষের একাংশের নেতৃত্বে রয়েছেন জেলা কমিটির আহ্বায়ক সোহরাব উদ্দিন এবং অন্য পক্ষে যুগ্ম আহ্বায়ক মিনহাজুর রহমান। সোহরাব উদ্দিনের তত্ত্বাবধানে গঠিত আহ্বায়ক কমিটিগুলোর মধ্যে কুষ্টিয়া সদর উপজেলা ও পৌর কমিটিতে তৌহিদুল ইসলাম ও কুতুব উদ্দিন আহমেদ, কুমারখালী উপজেলা ও পৌর কমিটিতে গোলাম মহম্মদ ও কে এম আলম, খোকসা উপজেলা ও পৌর কমিটিতে সৈয়দ আমজাদ হোসেন ও আলাউদ্দিন খান, ভেড়ামারা উপজেলা ও পৌর কমিটিতে ইয়াসিন আলী ও এনামুল হক এবং দৌলতপুর উপজেলা কমিটিতে সাবেক সাংসদ রেজা আহমেদকে আহ্বায়ক করা হয়েছে।
অন্যদিকে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিনহাজুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত কমিটিগুলোর মধ্যে কুষ্টিয়া সদর উপজেলা ও পৌর কমিটিতে ফিরোজ আফতাব উদ্দিন ও এম এ শামীম, কুমারখালী উপজেলা ও পৌর কমিটিতে পৌর মেয়র নুরুল ইসলাম প্রামাণিক ও আব্দুল কাদের, খোকসা উপজেলা ও পৌর কমিটিতে মজিবর রহমান মাস্টার ও পৌর মেয়র আনোয়ার আহম্মেদ খান, ভেড়ামারা উপজেলা ও পৌর কমিটিতে মহসিন রেজা ও মনোয়ারুল আলম এবং দৌলতপুর উপজেলা কমিটিতে আলতাফ হোসেনকে আহ্বায়ক করে পাল্টা কমিটি গঠন করা হয়। সবগুলো কমিটিই অনুমোদনের জন্য কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যেই দুই পক্ষ পৃথকভাবে দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, চেয়ারপারসনের কারামুক্তি দিবস, দলে নতুন সদস্য সংগ্রহসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে।
বিএনপির নেতা এম এ শামীম অভিযোগ করেন, জেলা আহ্বায়ক সোহরাব উদ্দিন দলীয় চেয়ারপারসনের নির্দেশমতো তৃণমূল পর্যায়ে কোনো কর্মিসভা ছাড়াই ত্যাগী নেতাদের বাদ দিয়ে মনগড়াভাবে বিভিন্ন কমিটি গঠন করেছেন। কুষ্টিয়া পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক কুতুব উদ্দীন আহমেদ বলেন, শহরের প্রতিটি ওয়ার্ডের তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং তা জেলা আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদনের পর কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। দৌলতপুর বিএনপির একাংশের প্রবীণ নেতা আলতাফ হোসেন অভিযোগ করেন, দৌলতপুরে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে বৈঠক ছাড়াই সংস্কারপন্থী এক নেতাকে আহ্বায়ক করা হয়। এ জন্য তৃণমূল নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে পাল্টা কমিটি গঠন করা হয়েছে।
জেলা কমিটির আহ্বায়ক সাবেক সাংসদ সোহরাব উদ্দিন বলেন, ‘বিছিন্ন কিছু কর্মী আমার বিরোধিতা করছে। তারা সংখায় খুবই কম। কেন্দ্রীয়ভাবে আমাকে জেলা আহ্বায়ক করা হয়েছে। আমি চেয়ারপারসনের নির্দেশমতো দলীয় কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছি।’ কমিটিতে দলের ত্যাগী নেতারা বাদ পড়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন ‘সবাইকে দিয়ে তো আর সব কাজ করা যায় না।’ যুগ্ম আহ্বায়ক মিনহাজুর রহমান বলেন, জেলা আহ্বায়ক মনগড়াভাবে ‘পকেট কমিটি’ গঠন করেছেন। তাই তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের নিয়ে পাল্টা কমিটি গঠন করা হয়েছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বখাটের ছোড়া এসিডে ঝলসে গেছে মৌয়ের শরীর by নজরুল ইসলাম
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিত্সাধীন স্কুলছাত্রী রোকাইয়া পারভীন ওরফে মৌ গতকাল শুক্রবার দুপুরে এভাবেই এসিড-সন্ত্রাসের বর্ণনা দেয়। গত ১৭ সেপ্টেম্বর রাতে বগুড়ার শেরপুর উপজেলার নিজ বাড়িতে বখাটে সেলিম তার ওপর এসিড ছুড়ে মারে।
হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, মৌয়ের সারা শরীরে ব্যান্ডেজ। ঠিকমতো নড়াচড়া করতে পারে না। ব্যথায় কাতরাচ্ছে। পাশে ছিল তার উদ্বিগ্ন মা-বাবা ও ভাই।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের প্রকল্প পরিচালক সামন্তলাল সেন। সামন্তলাল প্রথম আলোকে বলেন, রোকাইয়ার শরীরের ১২ শতাংশ পুড়ে গেছে। তবে ক্ষতগুলো গভীর। তার অবস্থা আশঙ্কামুক্ত নয়।
হাসপাতালের বিছানায় রোকাইয়া জানায়, সে শেরপুরের সীমাবাড়ি এস আর বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্রী। আগামী বছর ওই স্কুল থেকে সে মাধ্যমিক পরীক্ষা দেবে।
রোকাইয়ার বাবা সৌদি-প্রবাসী আবদুর রশীদ বলেন, আট-নয় বছর ধরে তিনি সৌদি আরবে আছেন। পাশের বাড়ির জয়নাল আবেদিন তাঁর জমি বর্গা চাষ করতেন। দরিদ্র জয়নালের সংসারে অভাবের কারণে তাঁর বড় ছেলে সেলিম আহমেদকে তাঁর বাসায় আশ্রয় দেন এবং স্কুলে ভর্তি করে দেন। দুই-তিন বছর আগে সে এস আর পরিবহনে চাকরি নেয়। এর পর থেকেই সে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে। বিপথগামী যুবকদের সঙ্গে তার চলাফেরা। গভীর রাতে বাড়ি ফিরত।
রশীদের স্ত্রী কোহিনূর বেগম বলেন, এসব কারণে সেলিমকে তাঁদের বাসা থেকে বের করে দেওয়া হয়। কিন্তু এরপরও সে বাসায় আসত। গত জুন মাসে তাঁর স্বামী দেশে এসে জয়নালকে ডেকে তাঁর বিপথগামী ছেলেকে তাঁর হাতে তুলে দেন।
রশীদ-কোহিনূর দম্পতির দাবি, প্রতিশোধ নিতেই সেলিম এসিড মেরে মৌয়ের শরীর ঝলসে দেয়। এর আগে ছদ্মনামে চিঠি দিয়ে সেলিম তার কাছে চাঁদা চেয়ে হত্যার হুমকি দেয়।
এসিড ছোড়ার ঘটনায় গত ১৮ সেপ্টেম্বর কোহিনূর বেগম বাদী হয়ে শেরপুর থানায় এসিড অপরাধ দমন আইনে মামলা করেন। তাঁরা অভিযোগ করেন, ঘটনার ২২ দিন পরও শেরপুর থানার পুলিশ বখাটে সেলিমকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে রশীদ বলেন, আজ (গতকাল শুক্রবার) রাতে তাঁকে সৌদি আরব যেতে হচ্ছে। তিনি সেলিমের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আলহাজউদ্দিন বলেন, ঘটনার পর এজাহারভুক্ত আসমি সেলিম গা ঢাকা দিয়েছে। মামলার অভিযোগপত্র তৈরির কাজ চলছে বলেও তিনি জানান।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মাগুরায় অস্ত্রসহ যুবক গ্রেপ্তার
মাগুরা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপপরিদর্শক মো. বদরুজ্জামান জানান, মনি একটি যাত্রীবাহী বাসে ঝিনাইদহ থেকে ফরিদপুর যাচ্ছিলেন। পথে মাগুরা ভায়না মোড়ে পুলিশের নিয়মিত তল্লাশির সময় তিনি বাজার করার একটি ব্যাগ নিয়ে নেমে অন্য বাসে উঠতে যান। এ সময় সন্দেহ হলে পুলিশ তাঁর ব্যাগ তল্লাশি করে ব্যাগ ভর্তি পুঁইশাকের মধ্যে লুকিয়ে রাখা আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করে। এ ব্যাপারে মাগুরা সদর থানায় মামলা হয়েছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে যান চলাচল আধঘণ্টা বন্ধ
সম্প্রতি আবদুল জলিলের পরিবর্তে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাংসদ লুত্ফুল হাইকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি নির্বাচিত করার ঘটনায় উল্লসিত জেলার প্রায় পাঁচ শতাধিক নেতা-কর্মী মোটরসাইকেল বহর নিয়ে আজ আশুগঞ্জের দিকে রওনা হয়। আশুগঞ্জের কাছাকাছি জায়গায় সোহাগ পরিবহনের একটি বাস ওই মোটরসাইকেল বহরকে সাইড না দিলে ক্ষিপ্ত ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা বাসটির চালক ও সহকারিকে বেধড়ক মারধর করে। তখন ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের হাতে সাধারণ যাত্রীরাও নাজেহাল হন।
এরপর ক্ষুব্ধ পরিবহন চালক ও শ্রমিকরা ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। সংঘর্ষ চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুভাষচন্দ্র সাহা জানান, সরোয়ার জামান নিজামীর নেতৃত্বে হাইওয়ে পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এরপন ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে যান চলাচল আবার শুরু হয়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজীপুরে ছাত্রলীগ-বিএনপির পাল্টা-পাল্টি সভা, ১৪৪ ধারা জারি
স্থানীয় বিএনপি সূত্র জানায়, উপজেলা বিএনপি আজ তেরগাঁও হাসপাতালের পাশে তাদের দলীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ ডাকে। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা আ স ম হান্নান শাহের এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল। বিএনপি সমাবেশের বিষয়টি ৭ অক্টোবর উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসনকে অবহিত করে বলেও বিএনপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়।
এদিকে গতকাল শুক্রবার স্থানীয় ছাত্রলীগ প্রয়াত নেতা মোজাম্মেল হকের স্মরণে একই স্থানে আজ এক আলোচনা সভার ঘোষণা দেয়।
কাপাসিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করেছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আমার মামা মোহাম্মদ ফরহাদ by মমতাজ আকসাদ
আমার নানা আহমেদ সাদাকাতুল বারী ছিলেন একজন অতি সত্ চরিত্রের মানুষ। আমি তাঁকে সব সময় শিক্ষকতা করতেই দেখেছি। শিক্ষক হিসেবে তিনি ছিলেন অসাধারণ। কোনো দিন তাঁকে রাগ করতে দেখিনি। বহু ছাত্রছাত্রীকে তিনি বিনা পয়সায় পাঠদান করতেন। ছাত্রছাত্রীদের সন্তানতুল্য ভালোবাসতেন। অভাব-অনটনের মধ্যে থেকেও তিনি কখনো আদর্শচ্যুত হননি। মেজ মামা বাদল ছিলেন নানার মতোই। ছোটবেলায় মেজ মামা সংসারের অনেক কাজ করতেন। সম্ভবত ১৯৫৪ সালে তিনি যে দিন প্রথম গ্রেপ্তার হন, সে দিনও বাজারে গিয়েছিলেন। তখন তিনি স্কুলের ছাত্র। বাজার থেকে দৌড়ে বাসায় আসেন এবং নানির সামনে বাজারের ব্যাগ রেখে ভাঙতি পয়সা নানির হাতে গুঁজে দিয়ে ঝড়ের বেগে বাসা থেকে বেরিয়ে যান। পুলিশ তাঁকে খুঁজছে জেনেও বাজারের পয়সা খরচ করে দ্রুত বাসায় ফেরেননি। ওই বয়সেও এতটাই মিতব্যয়ী বা হিসাবী ছিলেন তিনি।
বেলা ১১টার দিকে আমরা খবর পেলাম যে মেজ মামাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে দিনাজপুর সেন্ট্রাল জেলে নিয়ে গেছে। এই খবর শুনে আমাদের সবার সে কী অবস্থা। নানা অস্থির। নানি কাঁদছেন। দুই খালাও অসম্ভব বিচলিত। আমি আর বাবলু অস্থির হয়ে বারবার রাস্তায় যাচ্ছি আর বাসায় ফিরছি। সে সময় আমার কেবল মনে হয়েছে, পৃথিবীর যেকোনো কিছুর বিনিময়ে যদি মামাকে মুক্ত করতে পারতাম! সপ্তাহখানেক পর জেলখানায় মামার সঙ্গে সাক্ষাতের অনুমতি পেয়ে নানির সঙ্গে আমিও গিয়েছিলাম জেল গেটে। আমার তখন রাজনীতি সম্পর্কে তেমন ধারণা ছিল না। আমি মনে করেছিলাম, আমার কোনো প্রিয় জিনিস মামাকে দিতে চাইলেই তিনি আমাদের সঙ্গে চলে আসবেন। আমার তখন একটা সুন্দর সাইকেল ছিল। সাইকেলটি ছিল আমার অতি প্রিয়। নিজের হাতে প্রতিদিন ওটা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতাম। জেল গেটে মামাকে বললাম, তুমি যদি এখনই বাসায় চলে আসো, তাহলে তোমাকে আমার সাইকেল চালাতে দেব। মেজ মামা সে দিন কিছু বলেননি, শুধু একটু মুচকি হাসি দিয়েছিলেন। খুব মন খারাপ করে মেজ মামাকে সঙ্গে না নিয়েই সে দিন আমরা বাসায় ফিরেছিলাম।
মেজ মামার রাজনীতিতে যুক্ত হওয়াটা নানি খুব একটা পছন্দ করতেন না। মাঝেমধ্যে এ জন্য নানি মেজ মামাকে বকাঝকা করতেন। সে জন্য মামা রাগ করে দু-তিন দিন হয়তো বাসায় ভাতও খেতেন না। মেজ মামার জন্য আমার খুব কষ্ট হতো। তখন আমার মাটির ব্যাংক ভেঙে যা পয়সা পেতাম তার সবটাই মামাকে দিয়ে দিতাম। মেজ মামার জন্য আমার অন্তরের টান ছিল অতি গভীর।
মেজ মামার কাছ থেকেই আমি সর্বপ্রথম কমিউনিজমের ধারণা পাই। তিনিই আমাকে ‘দুনিয়ার মজদুর ভাই সব, আয় এক মিছিলে দাঁড়া/নয়া জামানার ডাক এসেছে, এক সাথে দে সাড়া’ বিখ্যাত গানটি শিখিয়েছিলেন।
আমি যখন ঢাকায় এমএ পড়তে আসি, তখন আমার পরিচয় হয় মেজ মামার সহকর্মী কমরেড আলী আকসাদের সঙ্গে। আলী আকসাদ যখন আমার মায়ের কাছে আমাকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেন, তখন স্বভাবতই আমার মা খুব ভয় পেয়েছিলেন। কারণ তখন কমিউনিজম সম্পর্কে ধারণা ছিল যে, তাদের জীবন অত্যন্ত কষ্টের। জেল-জুলুম, অভাব-অনটন নিত্যসঙ্গী। যা হোক, আম্মা আলী আকসাদের প্রস্তাবের ব্যাপারে মেজ মামার মতামত জানতে চাইলে তিনি বলেছিলেন, ‘আমার মেয়ে হলে আমি তাকে আলী আকসাদের সঙ্গে বিয়ে দিতাম। তোর মেয়ে তুই বুঝে দেখ। তবে আকসাদ ছেলে খারাপ না।’ মামার এই কথার পর আম্মা আমাদের বিয়ের ব্যাপারে আর আপত্তি করেননি।
মুক্তিযুদ্ধের সময় লোক পাঠিয়ে মেজ মামা আমাকে সরকারিভাবে ভারতে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করেছিলেন। কলকাতার বালিগঞ্জে আমরা তিনটি পরিবার মিলে একটি বাসা ভাড়া করেছিলাম। বসার ঘরটি ছিল যথেষ্ট বড়। মেজ মামা মাঝেমধ্যে সাত-আটজন সহকর্মীকে নিয়ে দুপুর বেলায় আমার বাসায় চলে আসতেন। অতিথিরা খুব সংকোচ বোধ করতেন। মামা হাসিমুখে বলতেন, ‘আরে, ভয় পাবেন না, আমার ভাগ্নি সাক্ষাত্ লক্ষ্মী, ও ঠিক ম্যানেজ করে নেবে।’
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ভারতের একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফরে আসে। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির তখন সামর্থ্য ছিল না এই অতিথিদের হোটেলে রাখার। মেজ মামা এসে ওই কমরেডদের আমার বাসায় রাখার জন্য বললে আমি সানন্দে রাজি হয়েছিলাম। আর আমার স্বামী আলী আকসাদ তো আনন্দে নেচে উঠলেন। কিন্তু সমস্যা হলো, সে সময় আমাদেরও তেমন টাকা-পয়সা ছিল না। ১০-১২ জন লোককে ছয়-সাত দিন খাওয়ানোর সামর্থ্য আমাদেরও ছিল না। মেজ মামা আমাকে অভয় দিয়ে বলেছিলেন, ‘ভয় পাস না, আমাদের পার্টির লোকেরাই প্রতিদিনের বাজার করে দিয়ে যাবে, তুই শুধু লিস্ট করে দিবি।’ ভারতীয় প্রতিনিধিদলে ছিলেন কমরেড রাজেশ্বর রাও, কমরেড ভবানী সেন, কমরেড চিত্ত বিশ্বাস প্রমুখ। এই কমরেডরা পরবর্তী সময়ে আমাদের আতিথেয়তার প্রশংসা করেছিলেন বলে শুনেছি।
আরেকটি ঘটনার কথা উল্লেখ করেই শেষ করব। সম্ভবত ১৯৫৪ সালে সারা দেশে ভয়াবহ বন্যা হয়েছিল। বন্যাদুর্গতদের সাহায্য করার জন্য কমিউনিস্ট পার্টির পক্ষ থেকে একটি নাটক মঞ্চস্থ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বড়োবাড়ি নামের নাটকটিতে দিনাজপুরে প্রথমবারের মতো নারী ও পুরুষ একত্রে অভিনয় করেছিলেন নানার আপত্তি সত্ত্বেও। ওই নাটকে মেজ মামা আমাকে দিয়ে একটি চরিত্রে অভিনয় করিয়েছিলেন। নাটকটি খুবই ভালো হয়েছিল এবং প্রচুর পয়সা উঠেছিল। মেজ মামা প্রতিদিন রিকশায় করে আমাকে রিহার্সেল হলে নিয়ে যেতেন। দুই-তিন ঘণ্টা সেখানে বসে থেকে রিহার্সেল শেষে আমাকে বাসায় পৌঁছে দিয়ে তারপর অন্য কাজে যেতেন। পুরুষদের সঙ্গে সহ-অভিনয়ে নিজের ভাগ্নিকে নিয়ে মেজ মামা সে সময় যথেষ্ট সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছিলেন। অন্যের পরিবারের মেয়েদের দিয়ে অভিনয় করাব আর নিজের পরিবারের সদস্যদের আড়ালে রাখব, এমন বিপরীতমুখী নীতিতে বিশ্বাসী ছিলেন না তিনি। কথা ও কাজের অভিন্নতা ছিল মামার জীবনের বড় বৈশিষ্ট্য। তিনি যে দেশের রাজনীতিতে এক বিশাল ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছিলেন, তা সম্ভব হয়েছিল তাঁর সততা, চারিত্রিক দৃঢ়তা ও আদর্শ-নিষ্ঠার জন্যই।
আজ তিনি আমাদের মাঝে নেই। কিন্তু হূদয়ের মণিকোঠায় তিনি চিরদিন জ্যোতির্ময় নক্ষত্রের মতো বিরাজ করবেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্যবসা করা মহা পাপ by রুশাদ ফরিদী
এক মাসেরও বেশি সময় ধরে পত্রপত্রিকা সরগরম চিনির বাজার নিয়ে। প্রায় প্রতিদিনই শিরোনামে চিনির বাজারের খবর। অবশ্যম্ভাবীভাবেই ব্যবসায়ীদের দায়ী করা হচ্ছিল চিনির অস্বাভাবিক দাম বাড়ার জন্য, যার পরিণতিতে আমরা দেখতে পেলাম, ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হলো।
কোনো দ্রব্যের দাম বাড়লে তাতে অবশ্যই ব্যবসায়ীদের হাত থাকে। তবে সেটা বাজারের নিয়মে হচ্ছে, নাকি কোনো অসদুপায় অবলম্বন করে করা হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখা জরুরি। যদি বলা হয়, অসদুপায় অবলম্বন করে দাম বাড়ানো হয়েছে, তাহলে সে অসদুপায়টি সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা দরকার। চিনির দাম বাড়ার পেছনে ব্যবসায়ীরা আসলেই দায়ী থাকতে পারেন। কিন্তু তা প্রকৃতভাবে চিহ্নিত না করে তাঁদের হয়রানি করলে কাজের কাজ কিছুই হবে না। চিনির ক্ষেত্রে যে অভিযোগটা এসেছে, সেটা হলো, ব্যবসায়ীরা চিনি মজুদ করে দাম বাড়িয়েছেন। কথা হলো, ব্যবসায়ীরা যদি এত সহজেই চিনির দাম বাড়াতে পারেন, তাহলে তাঁরা তা প্রতিবছর এক-দুবার করেন না কেন। চাইলেই তো তাঁরা সেটা পারেন। অসুবিধা কী?
শেষবার চিনির এ রকম অস্বাভাবিক দাম বেড়েছিল ২০০৬ এর এপ্রিলে। এর পর থেকে তিন বছরে চিনির কেজি ৪০ টাকার ওপরে আর ওঠেনি, বলতে গেলে এ বছরের মে মাসের আগ পর্যন্ত।
একজন ব্যবসায়ী, তিনি যে পরিমাণ টাকাই বিনিয়োগ করেন না কেন, তিনি কিন্তু একটা ঝুঁকি নিয়েছেন। ব্যবসা করা মানেই কাড়ি কাড়ি টাকা চলে আসবে, তা কিন্তু নয়। হিসাবে সামান্য ভুলের জন্য কাড়ি কাড়ি টাকা চলে যাওয়ারও যথেষ্ট আশঙ্কা আছে। একজন ব্যবসায়ী টাকা বিনিয়োগ করেছেন মুনাফা করার জন্য, দাতব্য প্রতিষ্ঠান চালানোর জন্য নয়। সে জন্য ব্যবসায়ীকে মুনাফাখোর বলে গালি দেওয়াটা অযৌক্তিক। মুনাফার টাকা দিয়েই তো তাঁকে জীবিকা নির্বাহ করতে হবে।
একজন ব্যবসায়ী যখন ঝুঁকি নিয়েছেন, তখন তিনি যথাসম্ভব লাভ করার চেষ্টা করবেন। তাঁর উদ্দেশ্য থাকবে, কম দামে দ্রব্য কিনে বেশি দামে বিক্রি করা। বেশি দামে বিক্রি করার যেকোনো সুযোগ তিনি নেওয়ার চেষ্টা করবেন। আমাদের চিনি ব্যবসায়ীর কথায় ফিরে আসি। ধরা যাক, আজ তিনি ৫০ বস্তা চিনি কিনলেন। এক সপ্তাহ পর খবর এল, আগামী মাস থেকে দাম বাড়বে। কারণ, বিশ্ববাজারে চিনির ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। ওই ব্যবসায়ী তখন অবশ্যই কিছু পরিমাণ চিনি বিক্রি না করে রেখে দেবেন আগামী মাসে বিক্রি করার জন্য। এটা ব্যবসার জন্য কি খুব স্বাভাবিক ব্যাপার নয়? অনেক ব্যবসায়ী যখন একসঙ্গে ব্যাপারটা করবেন (এবং এটা করার জন্য তাঁদের মধ্যে কোনো সলাপরামর্শ বা তথাকথিত সিন্ডিকেট করার দরকার হবে না, ব্যবসার সহজাত প্রতিক্রিয়া হিসেবে সবাই এটা করবেন), তখন বাজারে সরবরাহ কমে যাবে এবং চিনির দাম বেড়ে যাবে। তখনি আমরা দেখতে পাব, বাজারে চিনির স্বল্পতা এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে মজুদ করার প্রবণতা বাড়ছে। এটাকে কোন হিসেবে অপরাধ বলব, তা কিন্তু বলা মুশকিল।
যে ঘটনার কথা বললাম, সেটার কিন্তু উল্টোটাও ঘটতে পারে। দেখা গেল, ব্রাজিলে চিনির বাম্পার ফলনের ফলে বিশ্ববাজারে এর দাম কমার সম্ভাবনা দেখা দিল। তখন কিন্তু সেই ব্যবসায়ী তড়িঘড়ি করে চিনি বিক্রি করে দেওয়ার চেষ্টা করবেন। ফলে বাজারে চিনির আধিক্য দেখা দেবে এবং চিনির দাম কমে যাবে। তখন যদি ওই ব্যবসায়ী ক্ষতির সম্মুখীন হন, তখন কি সরকার তাঁকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসবে? ক্ষতি হলে ব্যবসায়ী একা সামলাবেন, আর লাভ করতে গেলে সেটা মহা পাপ হয়ে যাবে—এ রকম মনোভাব ও আচরণ কি ব্যবসায়ীদের প্রতি অবিচার হয়ে যায় না?
আকস্মিক মূল্য পরিবর্তনের ব্যাপারগুলো তখনি ঘটে, যখন ব্যবসায়ীদের ভবিষ্যতের মূল্য সম্বন্ধে প্রত্যাশা পরিবর্তিত হয়। সরকারের যদি কোনো ব্যবস্থা নিতে হয়, তাহলে কীভাবে এই মূল্য প্রত্যাশা তৈরি হচ্ছে, সেটা বুঝতে হবে। ভারত একটি অন্যতম বৃহত্ চিনি উত্পাদনকারী দেশ, যেখানে এ মৌসুমে চিনির উত্পাদন ৪৫ ভাগ কমে গেছে। এটা মূলত হয়েছে অনাবৃষ্টি এবং চাষীদের অন্যান্য শস্যের প্রতি বেশি ঝুঁকে যাওয়ার ফলে। সে জন্য এ বছরের শুরু থেকেই চিনির দাম আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়তে শুরু করেছে। এই জানুয়ারিতে চিনির দাম যেখানে ছিল সাড়ে ১২ সেন্ট/পাউন্ড, সেখানে জুন মাসের মধ্যে তা বেড়ে প্রায় সাড়ে ১৮ সেন্ট/পাউন্ড হয়ে গেছে। অর্থাত্ আন্তর্জাতিক বাজারে চিনির দাম প্রায় ৫০ ভাগ বেড়েছে। আমাদের দেশের চিনির চাহিদার ৯০ ভাগ আমদানি করা এবং স্বাভাবিকভাবেই বিশ্ববাজারের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। সুতরাং এটা খুবই স্বাভাবিক যে, ব্যবসায়ীদের মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশা থেকে স্থানীয় বাজারেও মূল্য বাড়তে শুরু করবে। এর পরও একই সময়ে আমাদের দেশীয় বাজারে কিন্তু চিনির দাম সেভাবে বাড়েনি, বেড়েছে ২৫ ভাগের বেশি নয়। পরবর্তী সময়ে অবশ্য চিনির দাম পর্যায়ক্রমে আরও বাড়ে।
ব্যবসায়ীদের মধ্যে এই মূল্য বৃদ্ধির প্রত্যাশাটা তৈরি হতো না, যদি সরকার ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের মাধ্যমে পর্যাপ্ত চিনি আমদানি করতে পারত। তাহলে বাজারে মূল্য বৃদ্ধির আশঙ্কা অনেকাংশেই স্তিমিত হয়ে আসত এবং ব্যবসায়ীরাও তখন মজুদ করার কোনো প্রয়োজনীয়তা বোধ করতেন না। সরকারকে খেয়াল রাখতে হবে, কী ধরনের অস্বাভাবিক পরিস্থিতির কারণে ব্যবসায়ীরা মজুদ করছেন। তা না করে দাম বাড়লেই ব্যবসায়ীদের পেছনে লাগা, তাঁদের ধরার জন্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা খুবই অপরিপক্ব বাণিজ্যনীতির পরিচায়ক। এতে ব্যবসায়ীদের আস্থা কমে যায় এবং দীর্ঘ মেয়াদে এর ক্ষতিকর প্রভাব অর্থনীতিতে পড়তে পারে।
বাংলাদেশের কোনো আইনে মজুদদারির বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট কোনো কিছু বলা নেই। Anti hoarding act 1953-এ যেটা বলা আছে, সেটা হলো—কোনো প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে উল্লেখ করতে হবে, কত দিন ধরে মজুদ করলে সেটা অপরাধ বলে গণ্য হবে। সে ধরনের কিছু এখানে হয়নি। আর প্রজ্ঞাপন জারি করাটাও সহজ নয়। মজুদ কীভাবে অন্যায় হবে, সেটা সংজ্ঞায়িত করাও খুব সহজ নয়। একজন খুচরা বিক্রেতা আর একজন পাইকারি বিক্রেতার মজুদ অবশ্যই এক হবে না। শুধু তা-ই নয়, দুজন পাইকারি বিক্রেতার মধ্যেও অনেক পার্থক্য হতে পারে, যেটা নির্ভর করবে ব্যবসার আকারের ওপর। সুতরাং আইন করে বলে দেওয়া যে এত দিনের বেশি মজুদ রাখলে অপরাধ হবে, সেটা খুবই অকার্যকর একটা পদ্ধতি হবে।
এটা ধারণা করা যায়, মজুদ সম্বন্ধে আইনি দুর্বলতার কারণেই কিছুদিন আগে যশোরের অভয়নগরে ১৪ জন চিনি ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মামলা করা হলো বিশেষ ক্ষমতা আইনে। বিশেষ ক্ষমতা আইনের সুবিধা হলো, এখানে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনার দরকার হয় না। রাষ্ট্র যদি কাউকে ক্ষতিকর কোনো কাজে জড়িত বলে মনে করে, তা হলেই এ আইনে ধরতে পারবে। যেহেতু আর কোনো উপায়ে ব্যবসায়ীদের ধরা সম্ভব নয়; ধারণা করছি, সে জন্যই এ আইনের আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। এভাবে ব্যবসায়ীদের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া হয়রানি করা খুবই বিপজ্জনক। যেই ৭৪ হাজার বস্তা চিনি আটক করা হয়েছে, সেটা কোন আইনের কোন অধ্যাদেশ অনুযায়ী হয়েছে, সেটা ব্যবসায়ী-মহলের জানার অধিকার রয়েছে।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে যখন জিনিসপত্রের দাম বেড়ে গেল, তখন একইভাবে ব্যবসায়ীদের হয়রানি আর গ্রেপ্তার করে ব্যবসায়ী-সমাজে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হলো। ফলে বাজারে দাম তো কমেইনি, উল্টো আরও বেড়ে গিয়েছিল। বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে হলে তা করতে হবে বাজারের নিয়মেই। বাজারের অদৃশ্য হাত কোনো দৃশ্যমান শক্তির হুমকির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যে কতটা কঠিন, সেটা আমাদের নীতিনির্ধারকেরা একেবারেই মনে রাখেন না।
ড. রুশাদ ফরিদী: সহকারী অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
rushad@econdu.ac.bd
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাকিস্তানের সেনা সদর দপ্তরের বাইরে অজ্ঞাত বন্দুকধারীর গুলিবর্ষণ
সেনা সদর দপ্তরের কঠোর নিরাপত্তা ভেদ করে একজন বন্দুকধারী ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা চালালে নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁকে বাধা দেওয়ার জন্য গুলি চালায়। এ সময় অজ্ঞাত বন্দুকধারী পাল্টা গুলি চালালে সেনা সদর দপ্তরের বাইরে বন্দুকযুদ্ধের মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
দুপুর দেড়টার দিকে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত গোলাগুলি অব্যাহত ছিল। গোলাগুলিতে সদর দপ্তরের ভেতর আটকা পড়েছেন পাকিস্তানের ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তারা।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রতিবেশীকে ভালোবাসা সম্প্রীতির সোপান by মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
প্রতিবেশীর প্রতি ভালোবাসা প্রদর্শন ও সদাচরণের বিষয়ে ইসলাম যথেষ্ট গুরুত্ব আরোপ করেছে। সমাজজীবনে প্রতিবেশী সবচেয়ে কাছের লোক। সুখে-দুঃখে সবার আগে তাকে পাওয়া যায়, এজন্য তার হকও বেশি। বিপদ-আপদ, সুখে-দুঃখে সার্বক্ষণিক তার সান্নিধ্য পাওয়া যেতে পারে। সব মানুষের প্রতি উদার, সহনশীল মনোভাব পোষণ ও মানবীয় আচরণ প্রদর্শন ইসলামে অবশ্যপালনীয়। মানুষের কল্যাণের উদ্দেশ্যে প্রতিবেশীর সঙ্গে ভ্রাতৃত্বসুলভ আচরণ একজন মুসলমানের ঈমানের অঙ্গ। প্রতিবেশীর প্রতি ভালোবাসার বিষয়ে ইসলামের শিক্ষা হচ্ছে, মুসলিম-অমুসলিম, জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সব প্রতিবেশীর সঙ্গে সদ্ব্যবহার করতে হবে। নবী করিম (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখিরাতের ওপর ঈমান এনেছে, সে যেন তার প্রতিবেশীকে সম্মান করে, মর্যাদার চোখে দেখে।’
সমাজে প্রত্যেক শ্রেণীর লোকের অধিকার রয়েছে। মানুষকে তার ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করার কারণে দ্বন্দ্ব-সংঘাত দেখা যায়। তাই প্রত্যেকের সঙ্গে তার প্রাপ্য অধিকার অনুযায়ী ব্যবহার করতে হবে। আত্মীয়ের সঙ্গে সম্পর্ক ঠিক রাখা, প্রতিবেশীর সঙ্গে ভালো ব্যবহার করা, মেহমানের যত্ন নেওয়া, বিবদমান দুই ব্যক্তির মাঝে পারস্পরিক সন্ধি-সমঝোতা সৃষ্টি করে দেওয়া—এগুলো ধর্মপ্রাণ মুসলমানের মানবিক কর্তব্য। মানুষ যখন তার এসব দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করবে তখন তাদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ভালোবাসার সম্পর্ক তৈরি হবে। কিন্তু অযথা বন্ধুপ্রতিম প্রতিবেশীর সঙ্গে প্রায়ই বাক-বিতণ্ডা, ঝগড়া-ফ্যাসাদ, প্রতিযোগিতা, প্রতিহিংসা লেগেই থাকে। একপর্যায়ে এটি ঘৃণ্য বর্বরতায় রূপ নেয়। সামাজিক সম্প্রীতির অবনতি ঘটিয়ে মারাত্মক পরিস্থিতির উদ্ভব হয়। প্রতিবেশীকে জব্দ করতে দৃঢ়চিত্তে অঙ্গীকার করে। অথচ একজন বাড়িওয়ালার জন্য সৌভাগ্য হচ্ছে ভালো প্রতিবেশী পাওয়া। রাসূলুল্লাহ (সা.) বাণী প্রদান করেছেন, ‘একজন মুসলিমের জন্য খোলামেলা বাড়ি, প্রশস্ত বাসভবন, সত্ প্রতিবেশী এবং রুচিসম্মত বাহন সৌভাগ্যস্বরূপ।’
সামাজিক জীবনে অনেক শক্তিধর প্রতিবেশীকে দেখা যায়, দুর্বল বা সংখ্যালঘিষ্ঠ প্রতিবেশীকে তাড়িয়ে তার বাড়িঘর জবরদখল করার জন্য তার ওপর নানা ধরনের নির্যাতন চালানো হয়; তার ঘরের সামনে ময়লা- আবর্জনা ফেলে রাখা হয়, গালিগালাজ করা হয়, ঘর থেকে বের হওয়ার রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়, শিশু-কিশোরদের মধ্যে ঝগড়া বাধিয়ে দেওয়া হয়, অহেতুক ও মিথ্যা মামলা দায়ের করে আর্থিকভাবে দুর্বল করে দেওয়া হয়, মিথ্যা অপবাদ রটানো হয়। ইসলাম এ ধরনের অসামাজিক কার্যকলাপকে কঠোর ভাষায় নিন্দা জানিয়েছে। মহানবী (সা.) এগুলোকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করে বলেছেন, ‘যে প্রতিবেশী তার কোনো প্রতিবেশীকে নির্যাতন করে বা তার সঙ্গে নিষ্ঠুর আচরণ করে, যার ফলে সে ব্যক্তি গৃহত্যাগ করতে বাধ্য হয়, সে ব্যক্তি নিশ্চিত ধ্বংসের মধ্যে পতিত হয়।’
পাড়া-প্রতিবেশীর প্রয়োজন মেটানোর অগ্রাধিকার ইসলামে রয়েছে। প্রতিবেশী অভাবগ্রস্ত, বিপদগ্রস্ত ও দুর্যোগে পতিত হলে প্রয়োজনীয় আর্থিক সাহায্য করে তার অভাব-অনটন মোচন করে দেবে, সে ক্ষুধার্ত হলে প্রয়োজনে তাকে খাদ্য দান করবে—ইসলাম এই শিক্ষা দেয়। রাসূলুল্লাহ (সা.) ঘোষণা করেছেন, ‘যে ব্যক্তি পেট ভরে আহার করে অথচ তার প্রতিবেশী ক্ষুধার্ত অবস্থায় অনাহারে রাত্রিযাপন করে থাকে সে ব্যক্তি প্রকৃত ঈমানদার নয়।’ (বায়হাকি) প্রতিবেশীর অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘প্রতিবেশীর অধিকার হচ্ছে—তোমার কাছে সাহায্য চাইলে সাহায্য করবে, ঋণ চাইলে ঋণ দেবে, অভাবগ্রস্ত হলে অভাব মোচন করবে, অসুস্থ হলে তত্ত্বাবধান করবে, প্রাণত্যাগ করলে জানাজায় যাবে, আনন্দে অভিবাদন এবং দুঃখে সমবেদনা জানাবে। তোমার ঘরের দেয়াল উঁচু করে তার বাতাস বন্ধ করবে না। ফল ক্রয় করলে তাকে পাঠিয়ে দাও, না পারলে গোপন রাখো এবং নিজ সন্তানদের ফল হাতে বের হতে দিয়ো না, যেন প্রতিবেশীর সন্তান দুঃখ না পায়। নিজের রান্নাঘরের ধোঁয়া দ্বারা প্রতিবেশীকে কষ্ট দিয়ো না। কিন্তু তাকে যদি খাদ্য দাও তাহলে অসুবিধা নেই।’ (তাবারানী)
প্রতিবেশীর মধ্যে পরস্পরে দেনা-পাওনার সম্পর্ক রয়েছে। ভারসাম্যপূর্ণ দেনা-পাওনার মাধ্যমে গড়ে ওঠে সত্প্রতিবেশীমূলক সুসম্পর্ক। প্রতিবেশীর প্রতি তার আচরণ দ্বারা একজন মুসলমানের ঈমান কত বেশি মজবুত তা বোঝা যায়। কেননা একজন খাঁটি মুমিন বান্দা কখনো তার প্রতিবেশীর অনিষ্টের বা অশান্তির কারণ হতে পারে না। একজন সত্যিকার মানুষ নিজের জন্য যা ভালো মনে করে, অন্যের জন্যও তা ভালো মনে করে। নিজের জন্য যা খারাপ মনে করে, অন্যের জন্যও তা খারাপ মনে করে। কে ভালো, কে মন্দ, কে ঈমানদার, প্রতিবেশীর চেয়ে আর কেউ নির্ভুলভাবে তা বলতে পারে না। নবী করিম (সা.) সতর্কবাণী উচ্চারণ করে বলেছেন, ‘আল্লাহর কসম! সেই ব্যক্তি ঈমানদার নয়...’ বলা হলো: কোন্ ব্যক্তি হে রাসূলুল্লাহ! তিনি বললেন, ‘যার প্রতিবেশী তার কাছ থেকে নিরাপদ বোধ করে না।’ (বুখারী ও মুসলিম)
ইসলাম মুসলমানদের প্রতিবেশীর সঙ্গে সামাজিক কর্তব্য পালনের নির্দেশ দিয়েছে। বাস্তবে কোমল হূদয়ের না হলে প্রতিবেশীর পরস্পরের মধ্যে ভালোবাসা সৃষ্টি হয় না। আর ভালোবাসা সৃষ্টি না হলে সমাজের বন্ধনও ঠিক থাকে না। তাই পাড়া-প্রতিবেশীর প্রতি কোমল হূদয়বান হওয়া উচিত। অসত্ ও মন্দ প্রতিবেশী দ্বারা যাতে মানুষের কল্যাণ বিঘ্নিত না হয়, সে জন্য ইসলাম সত্ প্রতিবেশী সৃষ্টির উপায়-উপকরণের শিক্ষা দিয়েছে। পবিত্র কোরআন ও হাদিসের নির্দেশনা অনুযায়ী মুসলিম-অমুসলিম নির্বিশেষে সব প্রতিবেশীর সঙ্গে সদ্ব্যবহার করা প্রত্যেক ধর্মপ্রাণ মানুষের ঈমানি ও নৈতিক দায়িত্ব। প্রতিবেশীর হক আদায়ের বিষয়ে ইসলাম যে গুরুত্ব আরোপ করেছে, তা যদি দৈনন্দিন জীবনে যথাযথভাবে অনুসরণ করা যায় তাহলে সমাজে কোনো অশান্তি, অসম্প্রীতি ও দুঃখ থাকবে না। সব ধরনের ক্লেশ ও পরস্পরের হানাহানি বিদূরিত হবে আর সমাজে শান্তির সোপান স্বরূপ প্রতিবেশীর যথাযথ অধিকারও সংরক্ষিত হবে।
ড. মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান, সহকারী অধ্যাপক, ইসলামিক একাডেমি, দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়।
dr.munimkhan@yahoo.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাকিস্তানে সেনা সদরদপ্তরে হামলা, জঙ্গিসহ নিহত ১০
পাকিস্তানে রাজধানী ইসলামাবাদের অদূরে রাওয়ালপিণ্ডিতে সেনাবাহিনীর সদরদপ্তরে একদল জঙ্গি আজ শনিবার এক অতর্কিত আত্মঘাতি হামলা চালিয়েছে। এতে চারজন জঙ্গি এবং ছয়জন সেনা নিহত হয়েছে। আজ পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একজন মুখপাত্র এ কথা জানিয়েছেন। খবর এএফপির।
মুখপাত্র জেনারেল আতাহার আব্বাস সরকার নিয়ন্ত্রিত একটি টেলিভিশনকে বলেন, হামলাকারী সন্ত্রাসীরা সেনাদের পোশাক পরে অস্ত্র ও গ্রেনেড নিয়ে সেনা সদরদপ্তরে হামলা চালায়।
নিরাপত্তা কর্মকর্তারা জানান, সন্দেহভাজন জঙ্গিরা একটি সাদা পিকআপ ভ্যানে করে সেনা সদরের প্রধান ফটকে এসে গুলি ছোঁড়ে। এসময় একটি গ্রেনেডও নিক্ষেপ করা হয়। সৈন্যরাও পাল্টা গুলি বর্ষণ করে।
সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, বন্দুকধারীদের সঙ্গে প্রায় ৪০ মিনিট গুলিবিনিময় হয়। এতে চারজন বন্দুকধারী ও ছয়জন সেনা প্রাণ হারান।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সামরিক বাহিনীর একজন কর্মকর্তা বলেন, দুইজন সন্ত্রাসী পালিয়ে গেছে। তাদেরকে ধরতে তল্লাশি চলছে। অপর এক কর্মকর্তা জানান, দুই বন্দুকধারীকে আটক করতে একটি হেলিকপ্টার তল্লাশিতে সহায়তা করছে।
কর্মকর্তারা এ হামলার জন্য পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠন তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তানকে (টিটিপি) দায়ি করছে। সংগঠনটি আফগান সীমান্তে আদিবাসি অধ্যুষিত এলাকা নিয়ন্ত্রণ করে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইউসুফ রাজা গিলানি এ হামলার তীব্র নিন্দা করেছেন।
পাকিস্তানের সেনাবাহিনী সেদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের আফগান সীমান্তবর্তী এলাকায় তালেবান জঙ্গিদের বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযানের প্রসু্তুতিকালে রাওয়ালপিন্ডিতে অত্যন্ত সুরক্ষিত সেনাসদরে এ হামলার ঘটনা ঘটলো।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইতিকাফের গুরুত্ব ও ফজিলত by মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
রাসুলুল্লাহ (সা.) নিয়মিতভাবে প্রতিবছর রমজান মাসের শেষ ১০ দিন মসজিদে ইতিকাফ করতেন এবং সাহাবায়ে কিরামও ইতিকাফ করতেন। উম্মুল মুমিনীন হজরত আয়েশা (রা.)-এর হাদিস সূত্রে জানা যায়, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) প্রতি রমজানের শেষ ১০ দিন (মসজিদে) ইতিকাফ করতেন। এ আমল তাঁর ইন্তেকাল পর্যন্ত কায়েম ছিল। নবী করিম (সা.)-এর ওফাতের পর তাঁর বিবিগণও এ নিয়ম পালন করেন।’ (বুখারি ও মুসলিম)
ইতিকাফের বিধিসম্মত সময় মাহে রমজানের ২০ তারিখ সূর্য অস্ত যাওয়ার কিছু আগে থেকে শুরু হয় এবং ঈদের চাঁদ দেখার সঙ্গে সঙ্গেই তা শেষ হয়ে যায়। ইতিকাফকারী পুরুষ রমজান মাসের ২০ তারিখ আসরের নামাজের পর সূর্যাস্তের আগে মসজিদে পৌঁছাবেন এবং মসজিদের কোণে একটি ঘরের মতো পর্দা দিয়ে ঘেরাও করে অবস্থান নেবেন। ঘেরাওকৃত কক্ষে পর্দা এমনভাবে স্থাপন করবেন, যেন প্রয়োজনে জামাতের সময় তা খুলে মুসল্লিদের জন্য নামাজের ব্যবস্থা করা যায়। এ স্থানে পানাহার ও শয়ন করবেন এবং নিষ্প্রয়োজনে এখান থেকে বের হবেন না। তবে প্রাকৃতিক প্রয়োজনে অথবা ফরজ গোসল প্রভৃতি কাজে অথবা শরিয়তের প্রয়োজনে যেমন জুমার নামাজ প্রভৃতির জন্য বের হওয়া জায়েজ। কিন্তু প্রয়োজন পূরণের সঙ্গে সঙ্গেই ইতিকাফের স্থানে ফিরে যেতে হবে। ঈদের চাঁদ দেখা গেলে মসজিদ থেকে বেরিয়ে আসবেন।
পার্থিব কর্মকাণ্ড থেকে নিজেকে সম্পূর্ণ মুক্ত করে মহান আল্লাহর ইবাদতে আত্মনিয়োগের জন্য পুরুষদের মসজিদে এবং নারীদের জন্য গৃহে অবস্থ্থান করাই ইতিকাফ। স্ত্রীলোকের মসজিদে ইতিকাফ করা মাকরূহ। ঘরের নির্দিষ্ট স্থানে, যেখানে তিনি নামাজ আদায় করেন, সেখানেই ইতিকাফ করবেন। বাড়ির নির্দিষ্ট স্থান না থাকলে যেকোনো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন স্থানে ইতিকাফ করবেন এবং ঈদের চাঁদ উদয় না হওয়া পর্যন্ত ইতিকাফের স্থান ত্যাগ করবেন না। প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়া ও ফরজ গোসল ব্যতীত অন্য কোনো কারণে মসজিদের বাইরে গেলে ইতিকাফ ভঙ্গ হয়ে যায়। এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে যে কেউ ইতিকাফ করলে সুন্নতে কিফায়া আদায় হয়ে যাবে। কিন্তু গ্রামের বা পাড়া-মহল্লার কেউ ইতিকাফ না করলে সবাই গুনাহগার হবে।
ইতিকাফকারীকে অবশ্যই রোজাদার হতে হবে। ইতিকাফকালে সর্বদা জিকর-আজকার, তাসবিহ-তাহলিল, পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতসহ ইবাদত-বন্দেগিতে রত থাকতে হবে। এ সময় জাগতিক কাজকর্ম থেকে সম্পর্ক ছিন্ন করে সম্পূর্ণভাবে আল্লাহর ইবাদতে মশগুল হতে হয়। ফলে ইতিকাফকারী বেহুদা কথাবার্তা ও গুনাহ থেকে বেঁচে থাকেন। একাগ্রচিত্তে কয়েক দিনের ইবাদত-বন্দেগির ফলে তার অন্তরে আল্লাহর ভয় বা তাকওয়া গভীরভাবে রেখাপাত করে। এ সময় দুনিয়ার চাকচিক্য তাকে আল্লাহর জিকর থেকে দূরে সরাতে পারে না। ইবাদতে তার মনে প্রশান্তি আসে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন, ‘তোমরা স্ত্রীদের সঙ্গে মিলিত হইও না, যখন তোমরা মসজিদে ইতিকাফে থাকবে।’ (সূরা আল-বাকারা, আয়াত ১৮৭)
ইতিকাফ পালনকালে যেকোনো ধরনের পার্থিব বিষয় থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত থাকতে হবে। হাদিস শরিফে বর্ণিত আছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘ইতিকাফকারী রোগী দেখতে যাবে না, জানাজায় উপস্থিত হবে না, স্ত্রী স্পর্শ করবে না। বিশেষ জরুরি কাজ ব্যতীত বাইরে যাবে না।’ (বুখারি, মুসলিম ও আবু দাউদ) হজরত আয়েশা (রা.) বলেছেন, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন ইতিকাফ করতেন, মসজিদে বসে আমার দিকে মাথা বাড়িয়ে দিতেন এবং আমি তাঁর কেশবিন্যাস করে দিতাম।’ অপর একটি হাদিসে বর্ণিত আছে, ‘নবী করিম (সা.) ইতিকাফের সময় পীড়িতকে দেখতে যেতেন এবং নিজ ইচ্ছামতো চলতেন, কিন্তু কারও সঙ্গে কথা বলতেন না।’
রমজান মাসের শেষ ১০ দিন ইতিকাফ করা সুন্নত এবং এর ফজিলত অপরিসীম। নবী করিম (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘যে ব্যক্তি রমজানের শেষ ১০ দিন ইতিকাফ করবে, তার জন্য দুই হজ ও দুই ওমরার সওয়াব রয়েছে।’ (বায়হাকী) ইতিকাফের ফজিলত সম্পর্কে অন্য হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য একদিনের ইতিকাফ করল, আল্লাহ পাক তার ও দোজখের মধ্যখানে এমন তিনটি পরিখা তৈরি করে দেবেন, যার একটি থেকে অপরটির দূরত্ব হবে পূর্ব ও পশ্চিমেরও বেশি।’ (তিরমিজি ও বায়হাকী)
রাসুলুল্লাহ (সা.) রমজান মাসের শেষ দশ দিন ইতিকাফ করতেন। জীবনের শেষ রমজান পর্যন্ত তিনি এই সময়কাল পালন করেছেন। লাইলাতুল কদরের অনুসন্ধান ও এর ফজিলত লাভের উদ্দেশ্যে রাসুলুল্লাহ (সা.) মাহে রমজানে ইতিকাফ করতেন। হজরত আয়েশা (রা.)-এর বর্ণনা মতে, ‘মাহে রমজানের শেষ ১০ দিন এলে তিনি স্ত্রীদের কাছ থেকে দূরে থাকতেন এবং ইবাদতে মশগুল হতেন। সারা রাত নিজেও জাগতেন এবং পরিজনকেও জাগিয়ে রাখতেন।’ ইতিকাফের সর্বনিম্ন সময়সীমা এক রাত বলে হাদিস শরিফে উল্লেখ আছে। তবে ইতিকাফ দীর্ঘ সময় ধরে করা উত্তম, বিশেষত মাহে রমজানের শেষ ১০ দিন ইতিকাফ অবস্থায় থাকায় ‘লাইলাতুল কদর’ বা ভাগ্যের রজনী লাভের সৌভাগ্য হতে পারে। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে পবিত্র মাহে রমজানে মসজিদে ইতিকাফ করার মাধ্যমে গুনাহর পাপরাশি থেকে বেঁচে থেকে অশেষ নেকি লাভের মোক্ষম সুযোগ দান করুন।
ড. মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান, সহকারী অধ্যাপক, ইসলামিক একাডেমি (ইনস্টিটিউট অব ইন্টেলেকচুয়াল স্টাডিজ), দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়।
dr.munimkhan@yahoo.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজন বালা আর নেই
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বর্ষসেরা সাকিব ও ‘ক্রিকেটের বাইবেল’
উপলক্ষ সাকিব আল হাসানের সর্বশেষ স্বীকৃতি। সাকিব নাকি ‘ক্রিকেটের বাইবেল’ নামে পরিচিত উইজডেনের বর্ষসেরার স্বীকৃতি পেয়েছেন। হা ঈশ্বর! ঈশ্বরের কাছেও মৃতজনে প্রাণ দেওয়ার আবদারটা অবাস্তব হয়ে যায়, তবে ‘অন্ধজনে দেহ আলো’ প্রার্থনাটা করতেই হচ্ছে। সবাই মিলে ভুল করলে, বিশেষ করে সেটি যদি হয় সংবাদমাধ্যম, তা হলে তো মানুষ সেই ভুলকেই সত্যি বলে ধরে নেবে।
জন উইজডেন বহুদিন আগেই গত হয়েছেন। তবে বাংলাদেশে তাঁর সৃষ্ট ‘ক্রিকেটের বাইবেল’-এর এই অপব্যাখ্যায় কবরেও তাঁর অস্বস্তিতে এপাশ-ওপাশ করার কথা! সাকিবকে বর্ষসেরা টেস্ট ক্রিকেটারের স্বীকৃতি দিয়েছে ইংল্যান্ড থেকে প্রকাশিত উইজডেন ক্রিকেটার সাময়িকী। যেটিকে ‘ক্রিকেটের বাইবেল’ বলা হচ্ছে শুনলে এর সম্পাদক জন স্টার্নও বিষম লজ্জা পাবেন।
উইজডেন ক্রিকেটে সবচেয়ে বিখ্যাত নামগুলোর একটি এবং এই নামটাই বাংলাদেশে এমন বিভ্রান্তির কারণ। শুধু উইজডেন বললে বোঝায় উইজডেন ক্রিকেটার্স অ্যালম্যানাক—যেটি ১৮৬৪ সাল থেকে নিয়মিত প্রকাশিত হয়ে আসছে। হলুদ মলাটের ছোট্ট আকৃতির ঢাউস একটি বই (গত কয়েক বছর ধরে অবশ্য অল্পসংখ্যক বড় আকারেও বের করা হচ্ছে), বছরে যা একটিই বের হয়—‘ক্রিকেটের বাইবেল’ নামে পরিচিতি এটিরই। ওই হলুদ রঙের কারণে যেটিকে ‘দ্য লিটল ইয়েলো বুক’ও বলে অনেকে।
আর উইজডেন ক্রিকেটার একটি মাসিক ক্রিকেট সাময়িকী, যা প্রকাশিত হচ্ছে ২০০৩ সাল থেকে। ভিন্ন নামে সাময়িকীটি আগেও ছিল। আসলে ছিল দুটি। সাবেক ইংল্যান্ড অধিনায়ক স্যার পেলহাম ওয়ার্নার ১৯২১ সালে বের করেছিলেন দ্য ক্রিকেটার, ১৯৬৩ সাল পর্যন্ত এটির সম্পাদকও ছিলেন তিনি। ১৯৭৯ সালে দ্য ক্রিকেটার-এর প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বাজারে আসে উইজডেন ক্রিকেট মান্থলি। বিখ্যাত ক্রিকেট ইতিহাসবিদ ও লেখক ডেভিড ফ্রিথ এটির প্রতিষ্ঠাতা, অনেক বছরের সম্পাদকও। ক্রিকেট সাময়িকীর বাজার খারাপ দেখে ২০০৩ সালে দুটি এক হয়ে উইজডেন ক্রিকেটার নাম নেয়। উইজডেন ক্রিকেট মান্থলি উইজডেন নামটির স্বত্বাধিকারী জন উইজডেন অ্যান্ড কোংয়ের কাছ থেকে নামটি ব্যবহারের লাইসেন্স নিয়েছিল। পরে একসময় সাময়িকীটির মালিকানার কিছু অংশও কিনে নিয়েছিল উইজডেন কোম্পানি। ২০০৮ সালে উইজডেন ক্রিকেটার-এর পুরো স্বত্বই কিনে নেয় ইংল্যান্ডের স্কাই টিভি। এই সাময়িকীই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তাদের প্রতিনিধিদের ভোটের ভিত্তিতে সাকিবকে বর্ষসেরা টেস্ট ক্রিকেটারের স্বীকৃতি দিয়েছে। ‘ক্রিকেটের বাইবেল’ উইজডেন ক্রিকেটার্স অ্যালম্যানাক নয়। এই দুটির মালিকানাও আলাদা। নানা হাত ঘুরে অ্যালম্যানাক এখন বেরোয় এ অ্যান্ড সি ব্ল্যাক পাবলিশিং থেকে।
ইন্টারনেট-যুগের আগে ক্রিকেটের রেকর্ড-পরিসংখ্যানের জন্য সবাই উইজডেন ক্রিকেটার্স অ্যালম্যানাক-এর মুখে চেয়ে থাকত। যেকোনো তথ্যের ব্যাপারে অসম্ভব খুঁতখুঁতে বলে অ্যালম্যানাকে ভুল বলতে গেলে থাকেই না। ‘ক্রিকেটের বাইবেল’ স্বীকৃতিটা হয়তো এ কারণেই পাওয়া। রেকর্ড-পরিসংখ্যানের বাইরেও ক্রিকেট বিশ্বের বাত্সরিক চিত্র ধরা থাকে এই অ্যালম্যানাকে। থাকে স্কোরকার্ডসহ প্রতিটি টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজের পর্যালোচনা। ইংল্যান্ডের বাজারই আসল লক্ষ্য বলে ইংলিশ ক্রিকেট মৌসুমের আদ্যোপান্ত থাকে, স্কুল ক্রিকেট ও মাইনর কাউন্টিও বাদ যায় না। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অনেক বেশি বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি যুক্ত হয়েছে এতে। বিশ্বের সেরা ক্রিকেট লেখকদের ভিন্নধর্মী লেখা হয়ে উঠেছে এটির বড় আকর্ষণ। উইজডেন ক্রিকেটার্স অ্যালম্যানাকের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো, প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই এটি কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংলগ্ন নয়। ক্রিকেট প্রশাসনের ব্যাপারে অপ্রিয় স্বাধীন মতামত সোচ্চারে জানাতেও তাই এটির সমস্যা হয় না। এ কারণেই উইজডেন ক্রিকেটার্স অ্যালম্যানাকের অন্যতম আকর্ষণীয় অংশ ‘নোটস বাই দ্য এডিটর’, যেটিতে থাকে বিশ্ব ক্রিকেট ও ক্রিকেট প্রশাসন সম্পর্কে সম্পাদকের চাঁছাছোলা মন্তব্য।
সাকিব জিতেছেন ‘বর্ষসেরা টেস্ট ক্রিকেটার’-এর স্বীকৃতি। অথচ ‘ক্রিকেটের বাইবেল’ এ ধরনের কোনো স্বীকৃতিই দেয় না। উইজডেন ক্রিকেটার্স অ্যালম্যানাক নির্বাচন করে বর্ষসেরা পাঁচ ক্রিকেটার। ১৮৮৯ সাল থেকে চলে আসা ‘ফাইভ ক্রিকেটার্স অব দ্য ইয়ার’ নির্বাচনে অনেক বছর শুধু ইংলিশ মৌসুমে সফল ও প্রভাববিস্তারী খেলোয়াড়দেরই বিবেচনায় নেওয়া হতো। এখন অবশ্য এই নিয়মের ব্যতিক্রমও হয়। তবে একটা ব্যাপার অপরিবর্তিতই রয়ে গেছে। উইজডেনের বর্ষসেরা পাঁচ নির্বাচন এখনো সম্পাদকের একক এখতিয়ার। দুই দফায় ১২টি উইজডেন অ্যালম্যানাকের সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করা ম্যাথু এঙ্গেল একবার মজা করে লিখেছিলেন, ‘বছরের পাঁচজন ক্রিকেটার গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচন করা হয়, তবে ভোটারের সংখ্যা এক।’ বর্ষসেরা পাঁচ ক্রিকেটারের ক্ষেত্রে নিয়ম হলো, কেউ একাধিকবার এই স্বীকৃতি পান না।
বর্ষসেরার স্বীকৃতিটাকে একটা বৈশ্বিক রূপ দেওয়ার জন্য ২০০৪ সাল থেকে ‘লিডিং ক্রিকেটার অব দ্য ইয়ার’ নির্বাচন করতে শুরু করেছে অ্যালম্যানাক। বিভিন্ন দেশে অ্যালম্যানাকের প্রতিনিধিদের মতামত নেওয়া হলেও সেটি কোনো ভোটাভুটি নয়। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তটা নেন সম্পাদক নিজেই। ২০০৮ সাল থেকে এই কাজটা করে আসছেন শিল্ড বেরি। সানডে টেলিগ্রাফ-এর ক্রিকেট প্রতিনিধিই উইজডেন ক্রিকেটার্স অ্যালম্যানাকের বর্তমান সম্পাদক।
কাল এক বন্ধু ‘ক্রিকেটের বাইবেল’ নিয়ে সৃষ্ট এই বিভ্রান্তির ব্যাখ্যা শুনতে শুনতে বিরক্ত হয়ে জিজ্ঞেস করল, ‘তাহলে সাকিব কী জিতল?’ উত্তর হলো—উইজডেন ক্রিকেটার সাময়িকীর বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের ভোটে বর্ষসেরা টেস্ট ক্রিকেটারের স্বীকৃতি। ‘ক্রিকেটের বাইবেল’ উইজডেন ক্রিকেটার্স অ্যালম্যানাকের সঙ্গে যার কোনো সম্পর্ক নেই।
সাকিব আল হাসানের অর্জন নিয়ে প্রশ্ন তোলা এই লেখার উদ্দেশ্য নয়। বিশ্বের এক নম্বর ক্রিকেট সাময়িকীর প্রতিনিধিদের ভোটে বিশ্বের বড় বড় সব ক্রিকেটারকে পেছনে ফেলে বর্ষসেরা টেস্ট খেলোয়াড়ের স্বীকৃতিও অনেক বড় ব্যাপার। বাংলাদেশের ক্রিকেটকে গর্বিত করার মতোই। অভিনন্দন সাকিব! তবে আপনি যেন কথায় কথায় ভুলেও কাউকে ‘ক্রিকেটের বাইবেল’ থেকে স্বীকৃতি পেয়েছেন বলে না ফেলেন!
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রস্তাবিত শিক্ষানীতি -অনেক সুচিন্তার সমাবেশ ঘটেছে by জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী
প্রস্তাবিত শিক্ষানীতি কোন বিষয়গুলো শনাক্ত করেছে এ মুহূর্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে? আমার বিবেচনায়—এক. প্রাথমিক শিক্ষার গণ্ডি বিস্তৃত করে একে আট বছর মেয়াদি কার্যক্রমে উন্নীত করা এবং এর আওতায় দেশের ৫ থেকে ১৩ বছর বয়স্ক সবাইকে যুক্ত করা। এই প্রস্তাবের গুরুত্ব, এর বাস্তবায়নের জটিলতা ও বিশালতা বোঝার জন্য এর সঙ্গে যুক্ত অর্থায়নের প্রস্তাব, তা দুটি বিপরীতধর্মী প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিতে পারে—হ্যাঁ-বাচক ও না-বাচক। বাস্তবেও তা-ই হয়েছে। সরকার কীভাবে নেবে এই দুরূহ ও দুঃসাধ্য প্রস্তাবকে, জানি না; তবে জানতে বেশি দিন লাগবে না।
দুই. প্রস্তাবটির সফল বাস্তবায়নে যে বাধাটি, শুরুতেই তা দূর করতে হবে; তা হলো ঝরে পড়ার হার। প্রাথমিক শিক্ষার পঞ্চম শ্রেণীতে পৌঁছার আগেই অর্ধেক ছেলেমেয়ে স্কুল থেকে ছিটকে পড়ে, অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত পৌঁছার আগে আরও অনেকে। কারণ দারিদ্র্য এবং বিদ্যালয়ের পরিবেশ। সর্বজনীন সাক্ষরতা অর্জন সম্ভব হবে না, যদ্দিন না এই দুস্তর বাধা আমরা অতিক্রম করছি। বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেছে কমিটি এবং দুপুরবেলা ক্ষুধার্ত শিক্ষার্থীর ক্ষুন্নিবৃত্তির সাহসী প্রস্তাবও করেছে।
তৃতীয় যে বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে এই শিক্ষানীতির খসড়ায় তা হলো, তথ্যপ্রযুক্তি আগামী দিনের শিক্ষাব্যবস্থায় কম্পিউটার-সাক্ষরতার উপযোগিতা শুধু নয়, এর আবশ্যকতাকে তুলে ধরা হয়েছে খসড়া শিক্ষানীতির মধ্যে।
চতুর্থ যে বিষয়টি আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে তা হলো, ভোকেশনাল শিক্ষা, এর পরিসর বৃদ্ধি এবং শিক্ষার অষ্টম থেকে দ্বাদশ বছর পর্যন্ত বৃত্তিমূলক শিক্ষার ব্যবস্থা করে জাতীয় দক্ষতামান ১ থেকে ৪ পর্যন্ত অর্জনের পথ করে দেওয়া। এর পর ডিপ্লোমা ও ডিগ্রি পর্যায়ে কারিগরি শিক্ষার পথ উন্মুক্ত হবে সবার জন্য। এযাবত্ উচ্চপর্যায়ের কারিগরি শিক্ষায় উচ্চবর্ণীয় সংস্কার আধিপত্য বজায় রেখেছে, এমনকি ডিপ্লোমাধারীরাও কারিগরি শিক্ষার উঁচু মহলে প্রবেশাধিকার পায়নি। শিক্ষাব্যবস্থার ভেতরে কারিগরি শিক্ষার জায়গাটা বড় করে দিয়ে দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থানের পরিসর বৃদ্ধি যে খুবই সময়োপযোগী চিন্তা, তা কেউ অস্বীকার করতে পারবে না।
শিক্ষায় কাঠামোগত পরিবর্তন প্রস্তাব করা যত সহজ, বাস্তবায়ন ততই কঠিন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো গড়ে ওঠে একটি প্রচলিত কাঠামোর ভিত্তিতে। এভাবেই দেশের পাঁচ বছর মেয়াদি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আট (তৃতীয়-দশম শ্রেণী) বছর মেয়াদি উচ্চবিদ্যালয়, চার বছর মেয়াদি ডিগ্রি কলেজগুলো গড়ে উঠেছে। শরীফ কমিশনের (১৯৫৯) সুপারিশে ডিগ্রি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক অংশ (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী) নিযুক্ত করার বাস্তবায়ন সহজ হয়নি। এখন যে স্তরকে আমরা উচ্চমাধ্যমিক বলছি, দীর্ঘকাল তার পরিচয় ছিল ইন্টারমিডিয়েট, মধ্যবর্তী, না-মাধ্যমিক, না-উচ্চ। স্তরটিকে দেখা হয়েছিল উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতিপর্ব হিসেবে। সে জন্য এর জায়গাও স্থির হয়েছিল ডিগ্রি কলেজের অঙ্গনে। ডিগ্রি কলেজের উচ্চশিক্ষিত শিক্ষকমণ্ডলী এই স্তরের শিক্ষাদানের দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁরা তুলনামূলকভাবে নিম্নস্তরের শিক্ষাদানের সঙ্গে যুক্ত আছেন, কখনো মনে করেননি। এই মধ্যস্তর যে আসলে মাধ্যমিক স্তরেরই অংশ, দিন দিন এই উপলব্ধি স্পষ্ট হয়েছে। একদিকে ডিগ্রি কলেজ থেকে এই অংশটি ছেঁটে ফেলার কথা উঠেছে; অন্যদিকে বিদ্যমান উচ্চবিদ্যালয়কে উচ্চমাধ্যমিকে উন্নীত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। বাংলাদেশে এই চিন্তার ফল হিসেবে আমরা ক্যাডেট কলেজগুলো পেয়েছি। যার কার্যপরিধি বিস্তৃত সপ্তম শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত।
প্রস্তাবিত শিক্ষানীতির আওতায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার পুনর্বিন্যাসে প্রথম সমস্যা হবে, পুরোনো ব্যবস্থায় গড়ে ওঠা স্কুলগুলোর ওপর এর প্রভাব। শিক্ষানীতির বাস্তবায়ন পর্যায়ে এসব সমস্যার সমাধান খুঁজতে হবে। সরকারিভাবে হুকুম জারি করে উচ্চবিদ্যালয়গুলো থেকে তৃতীয়-অষ্টম শ্রেণী ছেঁটে ফেলা যাবে না, উচিতও হবে না। সব উচ্চবিদ্যালয়ে উচ্চমাধ্যমিকে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী খোলাও সহজ হবে না। অসম্ভব হবে বলছি না। এখন যে প্রতিষ্ঠানে যে স্তরের শিক্ষাদান চালু রয়েছে, সেটা বজায় রেখেই প্রস্তাবিত আট বছর মেয়াদি প্রাথমিক ও চার বছর মেয়াদি মাধ্যমিক শিক্ষাদান ও গ্রহণ সম্ভব বলে মনে করি।
শিক্ষার সঙ্গে জড়িত কয়েকটি বিষয়ে অস্পষ্টতার অবসান ঘটেছে বলে মনে হয় না। যেমন, কোন স্তর থেকে ইংরেজি শিক্ষা শুরু হবে। প্রাথমিক শিক্ষার প্রথম শ্রেণী থেকে ইংরেজিকে আবশ্যিক বিষয় দেখানো হয়েছে। এটি অত্যন্ত বিতর্কিত বিষয়। আমার মতে, অগ্রহণযোগ্য, সাধ্যাতীত ও অপ্রয়োজনীয়। এমনকি আত্মঘাতীও।
বাংলাদেশ স্টাডিজ/সামাজিক বিজ্ঞান—সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহূত হয়েছে। যে ক্ষেত্রে সামাজিক বিজ্ঞান শব্দটি চালু রয়েছে, কেন বাংলাদেশ স্টাডিজ (Bangladesh studies) নামে একটি প্রশ্নবোধক শব্দের ব্যবহার জরুরি হয়ে পড়ল। আর পড়লই যদি, একটি উপযুক্ত বাংলা শব্দ দিয়ে একে চিহ্নিত করা যেত না? বাংলাদেশ-পরিচিতি? সামাজিক বিজ্ঞানের অংশ হিসেবে ‘বাংলাদেশ পরিচিতি’র অবস্থান ভাবা যায়, বিকল্প হিসেবে নয়। কারণ সামাজিক বিজ্ঞান একটি বৃহত্তর পরিসরের ইঙ্গিত।
যা হোক, প্রস্তাবিত শিক্ষাক্রম কাঠামোকে আমরা ‘প্রস্তাবিত’ বলেই মনে করব। কুদরাত-এ-খুদা কমিশন তার বিস্তারিত প্রতিবেদনে শিক্ষাক্রম কাঠামো দেয়নি। এ জন্য তারা একটি পরবর্তী কার্যক্রম প্রস্তাব করেছিল, বিস্তারিত প্রস্তাব তৈরি করবে একটি স্বতন্ত্র কারিকুলাম কমিটি। ১৯৭৬-৭৮ সালে জাতীয় কারিকুলাম কমিটি সাত খণ্ডে সেই কাজটিই সম্পন্ন করেছিল। ১৪০০ মার্কের মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রস্তাব করা হয়েছে। এটা গুরুভার হবে এই স্তরের শিক্ষার্থীর জন্য। এটা কোনোমতেই ১২০০ মার্কের বেশি হওয়া উচিত হবে না। আশা করি প্রস্তাবিত শিক্ষাক্রম কাঠামোকে স্পষ্টতা ও গ্রহণযোগ্যতা দেওয়ার দায়িত্ব দিয়ে সরকার এরপর একটি কারিকুলাম কমিটি গঠন করবে।
প্রাথমিক পর্যায়ে তিন শ্রেণীর বিদ্যালয়ের অস্তিত্ব মেনে নিয়ে সব ক্ষেত্রে কয়েকটি মৌলিক বিষয় পড়ানোর প্রস্তাব এই শিক্ষানীতির একটি উল্লেখযোগ্য প্রস্তাব মনে করব আমরা। মাদ্রাসা ধারার শিক্ষাকে দেশের মূলধারার শিক্ষার নিকটবর্তী অবস্থানে নিয়ে আসার সুফল ভোগ করবে যারা ভবিষ্যতে মাদ্রাসা ধারায় শিক্ষা লাভ করবে, তারাই।
আরও একটি প্রস্তাব আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে, গ্রন্থাগারের গুরুত্ব উপলব্ধি করে এই শিক্ষানীতি প্রাথমিক স্কুল থেকে শুরু করে, সব স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্রন্থাগার গঠন ও উন্নয়নের কথা বলেছে। যত দিন না সব বিদ্যালয়ে উপযুক্ত মানের গ্রন্থাগার গড়ে উঠছে, থানা পর্যায়ে একটি কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার সে অভাব পূরণ করবে—একটি অত্যন্ত বাস্তবধর্মী প্রস্তাব। এ ছাড়া প্রত্যেক নগরে, সাধারণ নাগরিকের প্রয়োজন মেটাতে, গ্রন্থাগার গঠন ও পরিচালনা যে পৌর কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব, সে কথাও মনে করিয়ে দিয়েছে এই প্রতিবেদন।
অল্পকথায় বলতে চাই, অনেক সুচিন্তার সমাবেশ ঘটেছে প্রস্তাবিত শিক্ষানীতির খসড়ায়, এর মূল সুর হচ্ছে—শিক্ষা বিষয়ে একটি প্রবল আশাবাদ। এই আশাবাদের উত্স হচ্ছে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, একটি বিপুলভাবে জনসমর্থিত সরকারের উপস্থিতি। সরকারই সব আশাবাদের জন্ম দিয়েছে। এবং সেটাই সংক্রমিত হয়েছে জাতীয় শিক্ষানীতি ২০০৯-এর পাতায় পাতায়। শিক্ষাঙ্গনকে রাজনীতির অশুভ প্রভাবমুক্ত করার অভিপ্রায় ব্যক্ত হয়েছে, তবে এই অভিপ্রায়ের মর্যাদা দেওয়ার দায়িত্ব ক্ষমতাসীন সরকারের। এ প্রসঙ্গেও সরকারের প্রতিজ্ঞা আছে দলের নির্বাচনী ইশতেহারে। কিন্তু সরকার গঠনের পর এই প্রতিজ্ঞার বাস্তবায়ন দেখা যায়নি। এ জন্য মন থেকে সব দুশ্চিন্তা দূর হচ্ছে না। সবাই মুখে বলছে, রাজনৈতিক সংস্কৃতির মধ্যে পরিবর্তন চাই, কিন্তু দলীয়করণের অভ্যাস এত দৃঢ়মূল যে একে উত্খাত করা এ সরকারের সাধ্যের মধ্যে কি না, প্রশ্নটা থেকেই যাচ্ছে। সব নিয়োগের ভিত্তি হবে যোগ্যতা, কথাটার পুনরাবৃত্তি আর শুনতে চায় না মানুষ, এর বাস্তবায়ন দেখতে চায়।
শিক্ষানীতি বাস্তবায়নের পরবর্তী স্তরগুলো কী হবে—যত শিগগির জানা যায়, ততই ভালো। সরকারের ক্ষমতা ও সদিচ্ছার চূড়ান্ত পরীক্ষা হবে বাস্তবায়নের পর্যায়ে। সারা দেশ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে, আশা করছে, সরকার উত্তীর্ণ হবে সে পরীক্ষায়।
জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী: শিক্ষাবিদ। সাবেক উপাচার্য জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডাবলিনে দুই ইতালিয়ানের লড়াই
শুধু ফুটবলীয় কারণেই ম্যাচটি যথেষ্ট রোমাঞ্চকর। এতে আরও রং চড়িয়েছে দুই ইতালিয়ানের দ্বৈরথ। ইতালি-আয়ারল্যান্ড এই ম্যাচটা যে ইতালির দুই গ্রেট কোচ মার্সেলো লিপ্পি ও জিওভান্নি ত্রাপাত্তোনিরও।
২০০৬ বিশ্বকাপ জিতেই ইতালির কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন মার্সেলো লিপ্পি। দুই বছর পর আবার দায়িত্ব নিয়েছেন খানিক এলেমেলো হয়ে পড়া ইতালিকে পথ দেখাতে। আর ত্রাপাত্তোনি? জ্যাক চার্লটনের জ্বালানো আয়ারল্যান্ডের মশালটা যেন বয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব পড়েছে তাঁর হাতেই। ২০০০ থেকে ২০০৪—এই চার বছরে ইতালিকে তেমন কিছুই দিতে না পারলেও ইতালির ক্লাব ফুটবলে তিনি বিশাল এক নাম।
জুভেন্টাসে ১০ বছর ছিলেন ত্রাপাত্তোনি। এই সময়ে জুভেন্টাসকে জিতিয়েছেন ৬টি স্কুডেট্টো। ইউরোপিয়ান কাপ একটি। এই জুভেন্টাসেই দুই মেয়াদে প্রায় ৮ বছর ছিলেন লিপ্পি। তাঁর সময়ে জুভেন্টাস জিতেছে ৫টি ইতালিয়ান শিরোপা, একটি চ্যাম্পিয়নস লিগ। লিপ্পি এর বাইরে ক্লাব ফুটবলে আর কোনো বড় শিরোপা না জিতলেও ত্রাপাত্তোনি ইন্টার মিলানকে জিতিয়েছেন স্কুডেট্টো, বায়ার্ন মিউনিখকে বুন্দেসলিগার শিরোপা, বেনফিকাকে নিয়ে জিতেছেন পর্তুগিজ লিগ আর রেড বুল সালজবুর্গকে অস্ট্রিয়ান লিগ।
ক্লাব ফুটবল সাফল্যে ত্রাপাত্তোনির চেয়ে থাকায় লিপ্পির হয়তো আক্ষেপ থাকতে পারে। তবে আজ এটিকেই আবার প্রেরণা হিসেবে নিতে পারেন তিনি। কারণ ডাবলিনে আজ তো আর ক্লাব ফুটবলের লড়াই নয়। তাই এ লড়াইয়ে আজ ইতালি যেমন ফেবারিট, তেমনি কোচদের দ্বৈরথে ফেবারিট লিপ্পি।
ইতালির এই দুই বড় কোচের লড়াইকে ইতালি গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি বুফন কীভাবে দেখছেন? ত্রাপাত্তোনির বিপক্ষে ইতালির খেলোয়াড়রা খেলতে পারছে, এতেই নাকি তাঁদের আনন্দ। দুই কোচের অধীনেই খেলা বুফন পরে দুজনের পার্থক্য করতে গিয়ে বলেছেন,‘ত্রাপাত্তোনি ছিলেন সদাহাস্য। তবে খুব লড়াকু এবং রেগেও যেতেন।’
ডাবলিন ম্যাচটা অন্য মাত্রা পেয়েছে দুই ইতালিয়ানের কোচের লড়াই বলে। তবে আজ ইউরোপিয়ান অঞ্চলের বিশ্বকাপ বাছাইয়ে মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলো হচ্ছে পর্তুগালে লিসবন এবং ফ্রান্সের গুইনগাম্পে। পর্তুগাল ও ফ্রান্স দুটি দলই খাদের কিনারে দাঁড়িয়ে আছে।
পর্তুগাল-হাঙ্গেরির ম্যাচটি একটু বেশিই গুরুত্বপূর্ণ। এ ম্যাচে জয় না পেলে তৃতীয় সেরা দলের তালিকায় থেকে প্লে-অফ খেলার সম্ভাবনাও যে কমে যাবে পর্তুগালের। ৮ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকায় তৃতীয় বিশ্বের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর দেশ। ১৮ ও ১৫ পয়েন্ট নিয়ে এই গ্রুপের প্রথম ও দ্বিতীয় দল ডেনমার্ক ও সুইডেন।
ফ্রান্সের অবশ্য এত খারাপ অবস্থা নয়। ১৫ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের দ্বিতীয় স্থানে রেমন্ড ডমেনেখের দল। ১৯ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে সার্বিয়া আর তৃতীয় স্থানে থাকা অস্ট্রিয়ার পয়েন্ট ১১। আর ফ্রান্সের আজকের ম্যাচটিও বড় কোনো প্রতিপক্ষের বিপক্ষে নয়। দেশের মাটিতে ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ দুর্বল ফারো দ্বীপপুঞ্জ।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পথশিশুদের সুরক্ষা -অধিকার ও চাহিদার জোগান নিশ্চিত করতে হবে
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেমোগ্রাফিক সার্ভের (বিআইডিএস) তথ্য অনুযায়ী, সারা দেশে তিন লাখ ৮০ হাজার পথশিশু রয়েছে। প্রতিনিয়ত উপেক্ষা ও হয়রানির মুখোমুখি হতে হয় তাদের; নানা নৃশংসতার শিকার হতে হয়। তাদের জীবন চূড়ান্ত অরক্ষিত। এমন করুণ অবস্থার সুযোগ নেয় স্বার্থান্বেষী মহল। সরলমতি পথশিশুদের প্ররোচনার মাধ্যমে সামাজিক অপকর্ম ও অপরাধে জড়িয়ে পড়তে বাধ্য করে তারা। নানা ঝুঁকিপূর্ণ কাজে শিশুরা জড়িয়ে যায়। তাদের প্রতি অন্যায় আচরণ করা সত্ত্বেও অন্যায়কারী পার পেয়ে যায়। শিশু অধিকার রক্ষায় দেশে আইন থাকলেও এর প্রয়োগ হয় না বললেই চলে। দুঃখজনক বিষয় হলো, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে প্রায়ই তাদের হয়রানির শিকার হতে হয়।
পথশিশুরা পুষ্টিকর খাবারের অভাবে শারীরিকভাবে দুর্বল, মানসিকভাবে পশ্চাত্পদ ও আর্থিকভাবে অভাবগ্রস্ত হিসেবে বেড়ে ওঠে। এত বিপুলসংখ্যক শিশুকে এমন মানবেতর অবস্থার মধ্যে বেড়ে উঠতে দিয়ে কোনো উন্নত ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখতে পারা যায় না। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসস্থান, খাদ্য ইত্যাদির মতো মৌলিক অধিকারবঞ্চিত অজস্র পথশিশু রেখে কোনো সুস্থ সমাজ তৈরি সম্ভব নয়। অথচ উপযুক্ত পরিবেশ পেলে অসাধারণ কিছু করার সামর্থ্য তাদেরও আছে। জনগণের এই বিশাল অংশের শৈশব অন্ধকারে হারিয়ে যেতে পারে না।
পথশিশুদের নিরাপত্তা বিধান ও জীবনমান উন্নয়নে সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন। পথশিশুসহ সব শিশুর অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। সমাজের প্রান্তে বসবাসকারী এসব শিশুর অধিকার প্রতিষ্ঠা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘আমি বলিনি’
‘আমি হাল ছাড়ছি না, আমি কোথাও চলেও যাচ্ছি না। আমি কখনোই বলিনি আমি পদত্যাগ করব। আমি সংবাদমাধ্যমকে একটু শ্রদ্ধাশীল হতে বলি’—সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন ম্যারাডোনা।
অথচ এই ম্যারাডোনাকে উদ্ধৃত করেই ছাপা হয়েছিল, সবকিছু তাঁর পছন্দমতো না হলে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের শেষ দুটো ম্যাচের পর দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াবেন তিনি। শোনা গিয়েছিল, দলের মহাপরিচালক কার্লোস বিলার্দোর সঙ্গে বেশ কিছু বিষয়ে বনিবনা হচ্ছে না তাঁর। ম্যারাডোনাকে না জানিয়ে ঘানার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচের দল নির্বাচন করেছিলেন তিনি।
তা ছাড়া দলের গুরুত্বপূর্ণ ডিফেন্ডার পাবলো জাবালেতার ইনজুরিতে পড়ার পেছনেও বিলার্দোকে দায়ী করেছিলেন ম্যারাডোনা। জাবালেতা আর কার্লোস তেভেজ—ম্যানচেস্টার সিটির এই দুই খেলোয়াড়কে যাতে বিশ্রামে দেওয়া হয় সেটি নিয়ে আলোচনা করতে বিলার্দোকে ইংল্যান্ডে যাওয়ার অনুরোধ করেছিলেন তিনি। বিলার্দো যাননি। আর ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে চোট পেয়ে পেরুর বিপক্ষে খেলতে পারছেন না জাবালেতা।
কিন্তু ম্যারাডোনা এখন জানাচ্ছেন, চাকরি ছাড়বেন—এমন কথা তিনি কখনোই বলেননি, ‘আমি বলেছিলাম, বাছাইপর্ব শেষে আমি হুলিও গ্রন্দোনার (আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট) সঙ্গে দেখা করে গত এক বছরে কী কী হলো তা নিয়ে আলোচনা করব। আপনারা সাংবাদিকেরাই আমার পদত্যাগ নিয়ে কথা বলেছিলেন। এটা যে সঠিক সংবাদ নয়, দলকে সেটি জানাতে আমাকে একটা টিম মিটিং পর্যন্ত করতে হয়েছিল। যেদিন আমি দায়িত্ব ছাড়ব, সেদিন আমি নিজেই সবাইকে জানাব।’
দলের এমন পরিস্থিতিতে সাংবাদিকদের কাছ থেকে আরও দায়িত্বশীলতা আশা করেন জানিয়ে ম্যারাডোনা বলেছেন, ‘এই মুহূর্তে আমি চাইলে আপনাদের সঙ্গে কথা না বলে একটা সিগার ফুঁকতে পারতাম। কিন্তু আমি আপনাদের সঙ্গে কথা বলতে এসেছি, কারণ আমি আপনাদের সম্মান করি। কারণ এটা আমার দায়িত্ব।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সীতাকুণ্ডে সাংসদপুত্রদের কাণ্ড -ঘরের শত্রু বিভীষণদের ঠেকান
বিএনপি ও আওয়ামী লীগের অতীত শাসনামলে ভূরি ভূরি প্রমাণ রয়েছে যে সাংসদপুত্র বা দলীয় প্রভাবশালীদের স্বজনেরা একধরনের সামাজিক সন্ত্রাসে নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন। এবং তা প্রায় সব ক্ষেত্রে পুলিশের নাকের ডগায়, কখনো বা তাঁদের প্রত্যক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায় সংঘটিত হয়ে থাকে। গতকাল প্রথম আলোর প্রথম পৃষ্ঠায় প্রকাশিত আলোকচিত্র থেকে দেখা যাচ্ছে, সাংসদ আবুল কালাম মাস্টারের পুত্রদের লেলিয়ে দেওয়া লোকজনের দখল-অভিযানকালে অস্ত্রধারী পুলিশ নির্বিকার দাঁড়িয়ে আছে। এ খবর ও ছবি জনমনে সন্দেহাতীতভাবে এ ধারণা গেঁথে দিচ্ছে যে দেশে আইনের শাসন নেই; চলছে অন্যায় ও অবিচার। পুলিশ জনগণ কিংবা আইনের বন্ধু নয়। তারা ক্ষমতাসীনদের মোসাহেবি করে। অপ্রিয় হলেও অস্বীকার করা যাবে না যে এ ধরনের অনাচারই এক-এগারোয় শাসনব্যবস্থা ভেঙে পড়ার পটভূমি তৈরিতে মদদ জুগিয়েছিল। সুতরাং সীতাকুণ্ডের মতো দখলদারির ঘটনাবলি আমাদের জোট সরকার আমলের দুঃসহ ভূমিদস্যুতা স্মরণ করিয়ে দেয়। এসব আমরা দেখি আর প্রমাদ গুনি। বিএনপির সাংসদপুত্রদের জুলুম সংবাদপত্রে ছাপা হলেও তা সুফল দেয়নি।
সাংসদ আবুল কাশেমের জ্যেষ্ঠ পুত্র মামুনের অপরাধবৃত্তি আকস্মিক নয়। আওয়ামী লীগ শাসনের ১৯৯৬—২০০০ পর্বে মামুনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছিল। তখনই যদি তাঁকে শাস্তি দেওয়া যেত, তাহলে হয়তো আজ মামুন তাঁর ছোট ভাই নোমানকে নিয়ে শিপইয়ার্ড দখলে বেপরোয়া হতেন না; সাংবাদিক নিগ্রহে সাহস পেতেন না। মামুন-নোমানরা সামাজিক সম্পদ হওয়ার পরিবর্তে এখন সামাজিক বোঝা হয়ে উঠেছে। এর দায় আওয়ামী লীগ এড়াতে পারে না। গত ২২ জানুয়ারি মামুন তাঁর ইয়ার্ডে জাহাজ ভেড়ানোর স্বার্থে বৃক্ষনিধনে নেতৃত্ব দেন। সীতাকুণ্ড থানা তাঁর নামে মামলা নেয়নি। এরপর বন বিভাগ আদালতে করা মামলায় তাঁকে আসামি করে। তদন্ত রিপোর্টে তাঁর নাম বাদ পড়ে। বন বিভাগ তাই নারাজি দেয়; কিন্তু আদালতে তা অগ্রাহ্য হয়।
শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ড বা জাহাজ ভাঙার মাঠ নিয়ে সীতাকুণ্ডে তুঘলকি কাণ্ড চলছে। সবুজ বেষ্টনী ও উপকূলীয় বেড়িবাঁধের নিরাপত্তার স্বার্থে জমি ইজারা বন্ধ থাকা দরকার। পাঁচটি ইজারার সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেছে বেলা। উচ্চ আদালত তা স্থগিত করলেও নতুন ইজারা দেওয়া অব্যাহত রয়েছে। বন উজাড়ও চলছে। বন বিভাগের করা ১২টি মামলার অভিযুক্ত ব্যক্তিরা মূলত ওই সাংসদের আশীর্বাদপুষ্ট বলেই অভিযোগ উঠেছে।
আওয়ামী লীগ মনে করে, তাদের সরকারকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে। তারা এ বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জনসমক্ষে প্রকাশ করবে। আমরা তা জানার অপেক্ষায় থাকলাম। তবে সীতাকুণ্ডের মতো ঘটনাবলি প্রতিকারহীনভাবে বাড়তে থাকলে সরকারের অস্থিতিশীলতা ও গ্রহণযোগ্যহীন হয়ে পড়া কোনো নেতা-নেত্রী ভাষণ দিয়ে কিংবা ভর্ত্সনা করে ঠেকাতে পারবেন না। বিভীষণদের আগে ঠেকান।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হকি দল দেশে ফিরছে আগামী মাসে
আগামী ২০-২৫ অক্টোবর প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে নেদারল্যান্ডে। নেদারল্যান্ডের সঙ্গে কয়টি ম্যাচ খেলবেন জিমিরা সে ব্যাপারে অবশ্য নিশ্চিত হতে পারেনি হকি ফেডারেশন। তবে ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক খোন্দকার জামিলউদ্দিন জানিয়েছেন, বাংলাদেশ দল নেদারল্যান্ড অনূর্ধ্ব-২১ দলের বিপক্ষে খেলবে। এ ছাড়া ডাচ্ প্রিমিয়ার লিগের কোনো একটি দলের সঙ্গেও খেলার সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী ২৬-২৮ অক্টোবর ইতালিতে খেলবে ৩টি ম্যাচ। ২৬ ও ২৭ অক্টোবর রোমে বাংলাদেশ প্রেসিডেন্ট একাদশ নামে তারা খেলবে ইতালি একাদশের সঙ্গে। পরের দিনের প্রতিপক্ষ ইতালি অনূর্ধ্ব-২১ দল। ইতালি থেকে বাংলাদেশ যাবে চেক প্রজাতন্ত্রে। সেখানে ৩০, ৩১ অক্টোবর এবং ১ নভেম্বর তিনটি ম্যাচে খেলবে স্বাগতিকদের বিপক্ষে।
বাংলাদেশ দলের স্কটল্যান্ডে খেলার কথা থাকলেও ভিসা সমস্যায় তারা স্কটল্যান্ডে যেতে পারছে না।
বাংলাদেশের জার্মান কোচ পিটার গেরহার্ড জানিয়েছেন, দেশে ফিরেই তিনি এসএ গেমসের জন্য জোর প্রস্তুতি শুরু করবেন। এ জন্য এবারের দলবদলেও অংশ নিতে দেওয়া হচ্ছে না জাতীয় দলের ১৬ জনকে। কোচ মনে করেন, জার্মানিতে ও ইউরোপ সফরের অভিজ্ঞতা এবং দলের মধ্যে গড়ে ওঠা সমন্বয়টাই কাজে লাগবে আসন্ন এসএ গেমসে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আজ মুখোমুখি হবে কেপ কোবরাস-ওটাগো ভোল্টস ও ডেকান চার্জাস-সামারসেট সেবার্স
রাত সাড়ে ৯টায় দিনের অপর খেলায় ভারতের ডেকান চার্জার্সের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ডের সামারসেট সেবার্স।
দুটি খেলাই সরাসরি সম্প্রচার করবে স্টার স্পোর্টস।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1372)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
-
▼
2009
(2847)
-
▼
October
(746)
-
▼
Oct 11
(31)
- ঊর্মিকে বাঁচান
- কেরানীগঞ্জে ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার
- টঙ্গীতে মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্...
- যুদ্ধবিরোধী শোভাযাত্রা শতাধিক দেশ অতিক্রম করবে
- বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস আজ
- বিএমএ নির্বাচনে চট্টগ্রামে স্বাচিপের দুটি প্যানেল
- দেশে নিউমোনিয়ায় প্রতিবছর ৭০ হাজার শিশু মারা যাচ্ছে
- সমুদ্রের গ্যাস ব্লকের ইজারা বাতিলের দাবি
- সারা রাইত নিন্দ পারবার পারি নাই’ by সফি খান,
- গান, কবিতা, ছবিতে বৈচিত্র্যময় আয়োজন
- কুমিল্লায় সওজের তিনটি কাজের বরাদ্দ নিয়ে অনিয়মের অভ...
- পাঁচ উপজেলা ও চার পৌরসভায় পাল্টাপাল্টি আহ্বায়ক কমি...
- বখাটের ছোড়া এসিডে ঝলসে গেছে মৌয়ের শরীর by নজরুল ইসলাম
- মাগুরায় অস্ত্রসহ যুবক গ্রেপ্তার
- ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে যান চলাচল আধঘণ্টা বন্ধ
- গাজীপুরে ছাত্রলীগ-বিএনপির পাল্টা-পাল্টি সভা, ১৪৪ ধ...
- আমার মামা মোহাম্মদ ফরহাদ by মমতাজ আকসাদ
- ব্যবসা করা মহা পাপ by রুশাদ ফরিদী
- পাকিস্তানের সেনা সদর দপ্তরের বাইরে অজ্ঞাত বন্দুকধা...
- প্রতিবেশীকে ভালোবাসা সম্প্রীতির সোপান by মুহাম্মদ...
- পাকিস্তানে সেনা সদরদপ্তরে হামলা, জঙ্গিসহ নিহত ১০
- ইতিকাফের গুরুত্ব ও ফজিলত by মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
- রাজন বালা আর নেই
- বর্ষসেরা সাকিব ও ‘ক্রিকেটের বাইবেল’
- প্রস্তাবিত শিক্ষানীতি -অনেক সুচিন্তার সমাবেশ ঘটেছে...
- ডাবলিনে দুই ইতালিয়ানের লড়াই
- পথশিশুদের সুরক্ষা -অধিকার ও চাহিদার জোগান নিশ্চিত ...
- ‘আমি বলিনি’
- সীতাকুণ্ডে সাংসদপুত্রদের কাণ্ড -ঘরের শত্রু বিভীষণ...
- হকি দল দেশে ফিরছে আগামী মাসে
- আজ মুখোমুখি হবে কেপ কোবরাস-ওটাগো ভোল্টস ও ডেকান চা...
-
▼
Oct 11
(31)
-
▼
October
(746)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...