Tuesday, December 19, 2017

জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন ফি কমল

বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের ফি ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়েছে সরকার।

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন বিধিমালা অনুযায়ী জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন ফি পুনঃনির্ধারণ করে সোমবার আদেশ জারি করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

বাংলাদেশে অবস্থানরত নাগরিক ছাড়াও বিদেশে বসবাসকারী বাংলাদেশিরাও জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন করতে পারবেন। প্রবাসীদের এই নিবন্ধন করতে হবে সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের মাধ্যমে।

জন্ম বা মৃত্যুর ৪৫ দিন পর্যন্ত কোনো ব্যক্তির জন্ম বা মৃত্যুর নিবন্ধন দেশে ও বিদেশে কোনো প্রকার ফি ছাড়াই করা যাবে আগের মতই।

৪৫ দিন পর থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত জন্ম বা মৃত্যুর নিবন্ধন ফি দেশে ২৫ টাকা এবং বিদেশে এক মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। আগে এই ফি ছিল দেশে ১০০ টাকা ও বিদেশে দুই মার্কিন ডলার।

জন্ম বা মৃত্যুর পাঁচ বছর পর নিবন্ধন করলে দেশে ৫০ টাকা ও বিদেশে এক মার্কিন ডলার গুণতে হবে। আগে এই ফি ছিল দেশে ২০০ টাকা ও বিদেশে চার মার্কিন ডলার।

জন্ম তারিখ সংশোধনের জন্যও নতুন করে আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। এ জন্য দেশে দিতে হবে ১০০ টাকা; আর বিদেশে দুই মার্কিন ডলার। আগে শুধু তথ্য সংশোধনের জন্য দেশে ৫০০ টাকা এবং বিদেশে ১০ মার্কিন ডলার ফি দিতে হত।

জন্ম বা মৃত্যুর ১০ বছর পর কোনো ব্যক্তির জন্ম বা মৃত্যু নিবন্ধনের জন্য আগে দেশে ৫০০ টাকা এবং বিদেশে ১০ মার্কিন ডলার ফি দিতে হত। সংশোধিত বিধিমালায় জন্ম বা মৃত্যুর ১০ বছর পরে নিবন্ধনের কোনো সুযোগ রাখা হয়নি।

জন্ম তারিখ ছাড়া নাম, বাবার নাম, মায়েল নাম, ঠিকানাসহ অন্যান্য তথ্য সংশোধনের জন্য আবেদন ফি ঠিক করা হয়েছে দেশে ৫০ টাকা এবং বিদেশে এক মার্কিন ডলার। আগে যে কোনো তথ্য সংশোধনের ফি ছিল দেশে ৫০০ টাকা এবং বিদেশে ১০ মার্কিন ডলার।

বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় মূল সনদ বা তথ্য সংশোধনের পর সনদের কপি এখন থেকে বিনামূল্যে সরবরাহ করা হবে। আগে বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় মূল সনদ বা তথ্য সংশোধনের পর সনদের কপি পেতে দেশে ১০০ টাকা এবং বিদেশে দুই মার্কিন ডলার দিতে হত।

বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় সনদের নকল সরবরাহ ফি দেশে ৫০ টাকা এবং বিদেশে এক ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। আগে এই ফি ছিল দেশে ১০০ টাকা এবং বিদেশে দুই ডলার।

জন্ম নিবন্ধন সনদে ব্যক্তির নাম, লিঙ্গ, জন্ম তারিখ, জন্মস্থান, বাবা-মায়ের নাম, জাতীয়তা এবং স্থায়ী ঠিকানা সম্পর্কিত তথ্য থাকে।


পাসপোর্ট, বিয়ে নিবন্ধন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি, চাকরিতে নিয়োগ, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তি, ব্যাংক হিসাব খোলা, আমদানি ও রপ্তানির লাইসেন্স, গ্যাস, পানি, টেলিফোন ও বিদ্যুৎ সংযোগ, ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর প্রাপ্তি, বাড়ির নকশা অনুমোদন, গাড়ি রেজিস্ট্রেশন, ট্রেড লাইসেন্স এবং জাতীয় পরিচয়পত্র পেতে ওই সনদের প্রয়োজন হয়।

মৃত্যু নিবন্ধন সনদে মৃত ব্যক্তির নাম, মৃত্যুর তারিখ, মৃত্যুর স্থান, লিঙ্গ, বাবা-মা বা স্বামী-স্ত্রীর নাম থাকে। মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বণ্টন, পারিবারিক পেনশন প্রাপ্তির মত কাজে ওই সনদের প্রয়োজন হয়।

সবশেষ ২০১৭ সালের ২ মার্চ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের ফি নির্ধারণ করেছিল সরকার। সব ধরনের নিবন্ধন ফি এবার অর্ধেক কমিয়ে নিবন্ধন ফি পুনঃনির্ধারণ করা হল।

উপাচার্যের আশ্বাসে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মঘট স্থগিত


ছাত্রলীগ নেতা দিয়াজ ইরফান চৌধুরী হত্যা মামলায় সাবেক সহকারী প্রক্টর আনোয়ার হোসেনকে কারাগারে পাঠানোর প্রতিবাদে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের একাংশের ডাকা ধর্মঘট স্থগিত করা হয়েছে।

ধর্মঘটের নেতৃত্ব দেওয়া বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির সভাপতি ও মামলার অন্যতম আসামি আলমগীর টিপু জানান, মঙ্গলবার দুপুরে উপাচার্যের সঙ্গে আলোচনার পর অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট স্থগিত করা হয়েছে।

তবে প্রতিদিন ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হবে বলে জানান তিনি।

আলমগীর টিপু বলেন, “স্যার আমাদের মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও আমাদের হয়রানি না করার আশ্বাস দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে তিনি বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগও করেছেন।”

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক ও বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক দিয়াজ ইরফান হত্যা মামলায় উচ্চ অদালত থেকে নেওয়া ছয় সপ্তাহের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন শেষ হওয়ার পর সোমবার আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন।

আদালত শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়ার পরপরই ক্যাম্পাসে মূল ফটকে তালা দিয়ে বিক্ষোভ করে ছাত্রলীগের একাংশ, যারা সিটি মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিনের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।

এসময় তারা শাটল ট্রেনের হোস পাইপ কেটে দিয়ে ট্রেন চলাচলেও বিঘ্ন ঘটায় ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ডাক দেয়।

ধর্মঘটে মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয় ছিল কার্যত অচল। মূল ফটকে তালা থাকায় ক্যাম্পাস থেকে কোনো বাস শহরে আসতে পারেনি; ক্যাম্পাসগামী শাটল ট্রেনও নগরীর ঝাউতলা স্টেশনে আটকে দেওয়া হয়।

শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে উপস্থিত হতে না পারায় অনেক বিভাগের পরীক্ষাও স্থগিত করা হয়।

২০১৬ সালের ২০ নভেম্বর রাতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ ক্যাম্পাসে নিজের বাসা থেকে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক দিয়াজের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়।

প্রথম ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে ঘটনাটিকে ‘আত্মহত্যা’ উল্লেখ করা হলেও দিয়াজের মা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী জাহেদা আমিন চৌধুরী তা প্রত্যাখ্যান করে আদালতে হত্যা মামলা করেন।

শুরু থেকেই দিয়াজের পরিবার ও তার অনুসারী ছাত্রলীগের কর্মীদের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন নির্মাণ কাজের দরপত্র নিয়ে কোন্দলের সূত্র ধরে দিয়াজকে ‘পরিকল্পিতভাবে হত্যা’ করা হয়েছে।

পরে আদালতের নির্দেশে দ্বিতীয়বারের ময়নাতদন্তে দিয়াজকে হত্যার আলামত পান চিকিৎসকরাও।

দিয়াজের মায়ের করা মামলায় আলমগীর টিপুসহ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের বর্তমান ও সাবেক ১০ নেতাকর্মীর সঙ্গে তৎকালীন সহকারী প্রক্টর আনোয়ার হোসেনকেও আসামি করা হয়।

ভারত থেকে ফিরেই চট্টগ্রামে আসছেন কাদের


চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর কুলখানিতে পদদলিত হয়ে নিহতদের পরিবার ও আহতদের সমবেদনা জানাতে বুধবার চট্টগ্রামে আসছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মহিউদ্দিন চৌধুরীর কুলখানি উপলক্ষে চট্টগ্রামের রীমা কমিউনিটি সেন্টারে মেজবান আয়োজক কমিটির অন্যতম সদস্য ওয়ার্ড কাউন্সিলর জহর লাল হাজারী।

সোমবার চট্টগ্রামের জামালখানের রীমা কমিউনিটি সেন্টারে প্রয়াত মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরীর মেজবানে পদদলিত হয়ে ১০ জন নিহত হন। আহত হন অর্ধশতাধিক। আহতরা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

এই ঘটনায় সোমবার রাতে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মাশহুদুল কবীরকে প্রধান করে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট এ তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. জিল্লুর রহমান চৌধুরী। কমিটিকে আগামী সাত দিনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।

এছাড়া রাত ১১টার দিকে নিহত ঝন্টু দাসের ভাই অরুন দাস চকবাজার থানায় অপমৃত্যুর মামলা করেন।

এদিকে কলকাতায় বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সোমবার ভারত সফরে গেছেন ওবায়দুল কাদের। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হওয়ার পর এটাই তার প্রথম বিদেশ সফর।

চুনতিতে ১৯ দিন ব্যাপী সীরতুন্নবী (স.) মাহফিলের সমাপনী দিবস আজ


চুনতিতে ১৯ দিন ব্যাপী ৪৭তম মাহফিলে সীরতুন্নবী (সাঃ)’র আজ ১৯ ডিসেম্বর সমাপনী দিবস। 
 সমাপনী দিবস সকাল ৯টায় শুরু হয়ে বুধবার ফজর নামাজের পূর্বে খুতবায়ে ছদর, মিলাদ মাহফিল ও আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে মাহফিলের সমাপ্তি হবে। চুনতি শাহ্ মঞ্জিলস্থ সীরত ময়দানে এ মাহফিল চলছে।

সমাপনী দিবসের সমাপনী অধিবেশনে “ইহকাল, কবর জগত ও পরকাল সম্পর্কে ইসলামের নির্দেশনা” বিষয়ে ওয়ায়েজ করবেন ঢাকা ইসলামী ফাউন্ডেশনের পরিচালক মাওলানা মুখলিছুর রহমান, “সূরা আল্ কাউছারের বিজ্ঞান ভিত্তিক বিশ্লেষণ” বিষয়ে ওয়ায়েজ করবেন ঢাকা বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের জুম’আ পূর্ব আলোচক মাওলানা খন্দকার মাহবুবুল হক, “আল্লাহর দরবারে ন্যায় বিচারকের মর্যাদা, হক ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় মহানবী (সাঃ)’র জীবনাদর্শের বর্ণনা” বিষয়ে আলোচনা করবেন প্রখ্যাত মুফাচ্ছিরে কুরআন মাওলানা নাজিম উদ্দিন মোল্লা, “আল্লাহ তা’আলার বাণীর ব্যাখ্যা” বিষয়ে ওয়ায়েজ করবেন অধ্যাপক ড. হাফেজ মাওলানা শহিদুল ইসলাম বারাকাতি, “নবী করীম (সাঃ) এর জন্ম ও রিসালত সৃষ্টির পূর্ণতা সাধন করে” বিষয়ে ওয়ায়েজ করবেন ঢাকার উত্তর বাড্ডা কামিল মাদ্রাসা জামে মসজিদের খতিব আলহাজ্ব মাওলানা জাকারিয়া আল হোসাইনি।

সমাপনী দিবসে দেশের বিশিষ্ট ওয়ায়েজীন ও ইসলামী চিন্তাবিদগণ অংশগ্রহণ করবেন। এছাড়াও সরকারী-বেসরকারী, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও রাজনীতিবিদগণ উপস্থিত থাকবেন।

এতে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে যোগদান করার জন্য সীরত কমিটির সভাপতি শাহ্ সাহেব কেবলার দৌহিত্র মাওলানা আব্দুল মালেক ইবনে দীনার নাজাত ও শাহজাদা তৈয়বুল হক বেদার অনুরোধ জানিয়েছেন।

হানিমুনে পাকিস্তান ঘুরছেন বিরুশকা!


ইতালিতে বিয়ে সেরেছেন বিরাট কোহলি ও আনুশকা শর্মা। হানিমুনেও পাড়ি জমিয়েছিলেন তারা। কোথায় গেছেন বিরুশকা তা নিয়ে ছিল জোর জল্পনা।

কেউ বলছিলেন তারা গেছেন রোমে, কারো দাবি ছিল তারা গেছেন আফ্রিকার কোনো জায়গায়। দিন কয়েক আগে অনুশকা সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইলে নিজেদের হানিমুনের ছবি দেন।

তাতে প্রচুর বরফ দেখা গেলেও জায়গাটা কোথায় তার আন্দাজ দেননি তিনি। পরে অনেক গণমাধ্যম জানায়, আসলে ফিনল্যান্ডে হানিমুন সারছেন নবদম্পতি।

তবে সবচেয়ে মজার বিষয়টি জানিয়েছে পাকিস্তান। সেদেশে এ জুটির ভক্তদের দাবি, বিরুশকা এই সময় পাকিস্তানের বিভিন্ন জায়গায় হানিমুন সারছেন।

বিরুশকার হানিমুনের ছবি কেটে নিয়ে পেছনে দারুণভাবে বসিয়ে দেয়া হয়েছে বিভিন্ন জায়গার ছবি। বরফে ঢাকা প্রেক্ষাপট যা বিভিন্ন মানুষকে  ‘গেম অব থ্রোন’ মনে করিয়ে দেয়া হচ্ছে।

কিন্তু পাকিস্তানিরা ফটোশপে সে ছবিই বদলে দিয়েছেন। কোথাও বিরুশকার পেছনে দেখা যাচ্ছে লাহোর, ইসলামাবাদ, করাচির বিখ্যাত মনুমেন্ট।

কখনো আবার বিখ্যাত রেস্তোরাঁর সামনেও পোজ দিয়েছেন এ জুটি। তাদের এই ছবি এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল।

করাচির মাজার ই কয়েদ থেকে ইসলামাবাদের ফয়জল মসজিদ, সব জায়গায় বিরুশকা চুটিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন গ্রাফিক্সের কারিশমায়। পাশাপাশি দলে দলে শেয়ার করে এভাবেই ভারতীয় তারকা দম্পতিকে পাকিস্তান ঘোরাচ্ছেন সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা।

এমনকি বাদ যায়নি বিশ্ববিদ্যালয়ও। ফাতিমা জিন্নাহ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসেও ঘুরতে দেখা গেছে এদের দুজনকে।

বিবেকহীন আয়োজন: কৈফিয়ত কে দেবে? by গওহার নঈম ওয়ারা

সাবেক মেয়র যে চলে গেছেন, সেটাই যেন আরও পরিষ্কার হলো এই অবহেলা আর হেলাফেলার মৃত্যুতে। লাশের গুনতিতে এখন পর্যন্ত ১০ জনের নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে পুলিশ! আহত কত, তা নিয়ে বিভ্রান্তি এখনো কাটেনি; এঁদের মধ্যেও অনেকেই শঙ্কামুক্ত নন।
বাংলাদেশ দাওয়াত খেতে গিয়ে মানুষ মানুষের পায়ের তলায় পড়ে নিহত হওয়ার হয়তো কোনো অতীত ইতিহাস নেই; আমরা মরি ধনীকে বেহেশতের পাস দিতে গিয়ে—জাকাতের কাপড় নিয়ে তাদের উদ্ধার করতে গিয়ে। সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে ২০১৪ সালে বরিশালের কাঠপট্টিতে জাকাত সংগ্রহ করতে গিয়ে মানুষের পায়ের নিচে পড়ে দুজন গরিব নারী নিহত হলে তেমন শোরগোল শোনা যায়নি। তবে ২০১৫ সালের ১১ জুলাই ময়মনসিংহে এক নিমেষে চার শিশু আর ২৩ মায়ের প্রাণ চলে গেলে সবাই একটু নড়েচড়ে বসে। আয়োজকদের গ্রেপ্তার, তদন্ত, মামলা—এসব করে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়। পুলিশ চোখ-কান খোলা রাখার চেষ্টায় নিয়োজিত হওয়ার অঙ্গীকার জানায়। তবে তার আগে সে বছরের মার্চ মাসে একটা সতর্কসংকেত এসেছিল, যখন অষ্টমীর স্নানে আগত পুণ্যার্থীদের ১০ জন পদদলিত হয়ে নিহত হন। ঢাকার কাছেই পুরাতন ব্রহ্মপুত্রপাড়ের এই মর্মান্তিক ঘটনার কোনো বিচার হয়নি। আয়োজকদের টিকির নাগাল কেউ পায়নি বা পেতে চায়নি। পায়ের তলায় থাকা গরিব মানুষেরা পায়ে চাপেই তো মরবে—এই যেন আমাদের মনোভাব।
সব সময় যে কেবল গরিব মানুষেরা পায়ের নিচে পড়ে মারা যায়, তা বলা ঠিক হবে না। ২০১৫ সালের হজে ঠিক কত বাংলাদেশির প্রাণ গিয়েছিল, তা আর কোনো দিনও জানা যাবে না। যাঁরা হজে যান, তাঁরা কেউ গরিব মানুষের কোঠায় পড়েন না (বদলি হজে বাতিক্রম ছাড়া), তবু এই অবহেলা কেন? কারণ, দেশটা যে ধনী নয়! তাই আমাদের আওয়াজ থাকে অনেক নিচের স্তরে; তাই নিহত ব্যক্তিদের মধ্যেও শ্রেণিগত তফাত করে আয়োজকেরা। তা সে দেশ বা বিদেশ যেখানই হোক। অবসরে থাকা এক পুলিশ বন্ধু রেফারেন্স দিলেন, শুধু কি এখানে মরে, বিদেশেও মরে পায়ের নিচে। এই যে ভারতে মোদির কালেই তো মরল। বলা বাহুল্য, বন্ধুটি ২০১৫ সালে তেলেঙ্গানা আর অন্ধ্রের সীমানায় স্নানে আসা ২৭ পুণ্যার্থীর মৃত্যু আর এই বছরে মুম্বাই ফুটওভার ব্রিজ দুর্ঘটনায় ২২ জনের পদদলিত হয়ে নিহত হওয়ার দিকে ইঙ্গিত করেছিলেন। চাইলে তিনি ইতালির তুরিনে পায়ের তলায় পড়ে ফুটবলপ্রেমিকদের মৃত্যু কিংবা অ্যাঙ্গোলার স্টেডিয়ামে দর্শকদের প্রাণ হারানোর রেফারেন্স দিতে পারতেন। বলতে পারতেন, এই তো সেদিন (২০ নভেম্বর ২০১৭) মরক্কোতে ত্রাণের খাবার আনতে গিয়ে ১৫ জন পায়ের নিচে পড়ে মারা গেল। এর কোনোটাই মিথ্যা নয়। তবে সেই সঙ্গে এটাও মানতে হবে, ভারত, অ্যাঙ্গোলা, ইতালি—এমনকি রাজার শাসনের দেশ মরক্কোতে এসবের বিচার হয়। দোষী ব্যক্তিদের শনাক্ত করে শাস্তি দেওয়া হয়। ভবিষ্যতে আর যেন না ঘটে তার চেষ্টা থাকে।
যাঁরা মিসকিন খাওয়াবেন, মেজবান করবেন, জাকাত দেবেন বা থাকবেন কোনো ধর্মীয় সমাগমের সংগঠকের দায়িত্বে, জবাবদিহি তাঁদেরই করতে হবে। মানুষকে ডেকে দানবীর হতে গিয়ে যমদূত হয়ে যাওয়ার আগে তাঁদের ভাবতে হবে, যে আয়োজন করছেন, তা সামলানোর সামর্থ্য তাঁদের আছে কি না। যা পারবেন না, তা করতে যাবেন কেন? পুলিশ ও নগর কর্তৃপক্ষও কীভাবে তদারকি ছাড়া অনুমতি দেয়? শহর বা গ্রামে নিরীহ জনসমাগমও ভয়ানক গণবিধ্বংসী হতে পারে কেবল অবহেলা আর বিশৃঙ্খলার কারণে, একের পর এক পদদলিত হওয়ার ঘটনা তা জানিয়ে গেল।
আমাদের বরিশালের পর নারায়ণগঞ্জ, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রামে রেল চলে পদদলনের—হুইসিল বাজে, হুঁশ ফেরে না। এবার চট্টগ্রামেই থেমে যাক এই অবহেলা, এই আশাই করি।

নতুন রূপে মাইকেল জ্যাকসনের গান

বিশ্বজুড়ে তারকাখ্যাতি পাওয়া প্রয়াত মাইকেল জ্যাকসনের ‘ব্লাড অন দ্য ড্যান্স ফ্লোর’ গানটি এবার নতুন করে সঙ্গীতায়োজন করা হচ্ছে। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে এই তথ্য জানা গেছে।

জ্যাকসন এস্টেটের একজন প্রতিনিধির বরাত দিয়ে খবরে জানানো হয়, মাইকেল জ্যাকসনের জন্মদিন উদযাপন অনুষ্ঠানে ‘ব্লাড অন দ্য ড্যান্স ফ্লোর’ গানটির একটি উপস্থাপনা দেখার পরই নতুন সংস্করণ তৈরির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

১৯৯৭ সালে ‘ব্লাড অন দ্য ড্যান্স ফ্লোর’ গানটি মুক্তি পায়। হ্যালুইন থিমে প্রকাশিত গাওয়া গানটি ‘স্ক্রিম’ নামে প্রকাশিত অ্যালবামে ১৯৯৭ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর মুক্তি পায়। গানটি বিশ্বজুড়ে আলোড়ন তুলেছিল।

তার উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে রয়েছে- ব্যাড, ম্যান ইন দ্য মিরর, হিল দ্য ওয়ার্ল্ড, ব্ল্যাক অর হোয়াইট, থ্রিলার, বিট ইট, স্মুথ ক্রিমিনাল, বিলি জিন প্রভৃতি।

২০১০ সালের ২৫ জুন না ফেরার দেশে চলে গেছেন মাইকেল জ্যাকসন। তবে তার গানগুলো শ্রোতাদের মনে তাকে চিরজীবী করে রেখেছে।

মাইকেল জ্যাকসনের গানগুলো এখনো দারুণ জনপ্রিয়। তবে তার গান নতুন সঙ্গীতায়োজনে কেমন হবে সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা।

কেউ কেউ মনে করেন তার গান নতুন করে করার কোনো মানেই হয় না। আবার কেউ কেউ অপেক্ষায় আছেন নতুন সঙ্গীতায়োজনে জ্যাকসনের গান শোনার জন্য।

আপেলের কেজি ১৩ টাকা!


আপেলের কেজি ১৩ টাকা। বিষয়টি শুনে অবাক হলেও এমনটি ঘটেছে চট্টগ্রাম বন্দর নগরীতে।

বন্দর নগরী চট্টগ্রামে কনটেইনারে থাকা ২৩ হাজার কেজি আপেল নিলামে সর্বোচ্চ দাম ওঠেছে ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা। ফলে কেজি প্রতি আপেলের মূল্য ঠেকেছে ১৩ টাকা ৩৩ পয়সা।

এছাড়া ৬৯ হাজার কেজি আদার দাম নিলামে হাঁকা হয়েছে ১ লাখ ৮০ থেকে ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা। ফলে গড় দাম পড়েছে প্রায় ৯ টাকা!

সোমবার চট্টগ্রাম বন্দরের সংরক্ষিত এলাকায় অবস্থিত কাস্টমস নিলাম কেন্দ্রে প্রকাশ্যে এ নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। নিলামে ৪৫ জন ব্যবসায়ী অংশ গ্রহণ করলেও দর হাঁকিয়েছেন মাত্র ৮ জন। তবে দাম অস্বাভাবিক কম হওয়ায় বিক্রির অনুমোদন দেয়নি কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

নিলামে ওঠা আপেল ও আদা ভর্তি ওই চার কনটেইনার গেল অক্টোবরে আমদানি করেছিল চারটি প্রতিষ্ঠান। চার কনটেইনারের মধ্যে একটিতে ২৩ হাজার কেজি আপেল ছিল। বাকি তিন কনটেইনারে ২৩ হাজার কেজি করে মোট ৬৯ হাজার কেজি আদা ছিল।

এদিকে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ আপেল বিক্রির জন্য ২০ লাখ টাকা সংরক্ষিত মূল্য নির্ধারণ করেছিল। তবে দর ওঠেছে মাত্র ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা। এছাড়া আদার সংরক্ষিত মূল্য ছিল ১৫ লাখ ২০ হাজার থেকে ২০ লাখ ৩০ হাজার টাকা। এর মধ্যে কনটেইনারভেদে সর্বোচ্চ দর পড়েছে ১ লাখ ৮০ থেকে ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা। ফলে আদার গড় দাম পড়েছে কেজি প্রতি প্রায় ৯ টাকা।

জানা যায়, নিলামে ওঠা দামে এসব পণ্য বিক্রি করা হবে কি না তা নিলাম কমিটি সিদ্ধান্ত নেবে। যদি এ দামে বিক্রির অনুমোদন না হয় তাহলে পুনরায় নিলাম অনুষ্ঠিত হবে।

রোহিঙ্গাদের জন্য ফিল্ড হাসপাতাল চালু করেছে ইরান


বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য ২০ শয্যার একটি ফিল্ড হাসপাতাল চালু করেছে ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি। গতকাল সোমবার স্থানীয় প্রশাসন এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডাব্লিউএইচও'র প্রতিনিধির উপস্থিতিতে হাসপাতালটির কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে ঢাকাস্থ ইরান দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ইব্রাহীম শাফেঈ উপস্থিত ছিলেন।

অস্থায়ী এই ফিল্ড হাসপাতালে আউট ডোর,ইনডোর, নিউট্রিশন, নারী ও প্রসূতি, মনস্তাত্ত্বিক ও পরিবেশগত স্বাস্থ্য পরিষেবাসহ বেশ কয়েকটি বিভাগ রয়েছে। এখানে রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি স্থানীয় অধিবাসীরাও  চিকিৎসা নিতে পারবেন।

ডাব্লিউএইচও'র প্রতিনিধি ইরানের এই উদ্যোগের প্রশংসা করে একে স্বাস্থ্য এবং চিকিৎসা সেবার ক্ষেত্রে একটি চমৎকার উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং সংক্রামক রোগের বিস্তার মোকাবেলায় ডাব্লিউএইচও-কে সহযোগিতা করতে তিনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।

কক্সবাজার স্থানীয় প্রশাসনের কয়েকজন কর্মকর্তা হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন এবং ইরানের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান।

ইরান দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ইব্রাহীম শাফেঈ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশের সরকার ও সেনাবাহিনীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ইরান প্রথম থেকেই রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। হাসপাতাল পরিচালনার যাবতীয় ব্যয়ও ইরান বহন করবে।

রীমা কমিউনিটি সেন্টারের কার্যক্রম স্থগিত


চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর কুলখানিতে গিয়ে পদদলিত হয়ে ১০ জন নিহতের ঘটনায় রীমা কমিউনিটি সেন্টারের কার্যক্রম সাময়িক স্থগিত করছে প্রশাসন।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার এস এম মুস্তাইন হোসেন বিষয়টি  নিশ্চিত করেছেন।

সোমবার চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরীর কুলখানিতে মেজবান খেতে গিয়ে রীমা কমিউনিটি সেন্টারের ঢালু স্থানে নামতে গিয়ে পদদলিত হয়ে ১০ জন প্রাণ হারান। এ সময় আরো অর্ধশত ব্যক্তি আহত হন।

আহতদের অনেকেই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন, আর বেশ কয়েকজন চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।

নিহতরা হলেন-নিহতরা হলেন মৃত বিনোদবিহারী দাসের ছেলে ঝন্টু দাস (৪৫), রামমোহন দাসের ছেলে কৃষ্ণপদ দাস (৪৫), দীপঙ্কর দাস রাহুল (২৫), ননীগোপাল ভৌমিকের ছেলে অলোক ভৌমিক (৩৬), লালমোহন দাসের ছেলে সুধীর দাস (৪৫), মনোরঞ্জন তালুকদারের ছেলে প্রদীপ  তালুকদার (৫০), প্রকৃতিরঞ্জন দে’র ছেলে লিটন দে (৫৩), টিটু (৩২), ধনা শীল (৬৫) ও আশীষ বড়ুয়া।

এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর কুলখানি উপলক্ষে মেজবানির জন্য ১২টি সেন্টারে আয়োজন করা হয়। রীমা কমিউনিটি সেন্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত নগর আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক ও কাউন্সিলর জহরলাল হাজারী বলেন, ১২টি সেন্টারের মধ্যে জামালখানের রীমা কমিউনিটি সেন্টারে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের জন্য খাবারের আলাদা আয়োজন করা হয়। দুপুর ১টা ৪০ মিনিটের দিকে সেন্টারে প্রবেশ করতে গিয়ে মানুষের অতিরিক্ত চাপে পদদলিত হয়ে এই ঘটনাটি ঘটে।

গেল বৃহস্পতিবার রাত ৩টায় ৭৪ বছর বয়সে মারা যান চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরী।  তার কুলখানি উপলক্ষে দোয়া মাহফিল এবং নগরীর ১২টি কমিউনিটি সেন্টারে ৮০ হাজার মানুষের মেজবান আয়োজন করা হয়েছিল। তার মধ্যে রীমা কমিউনিটি সেন্টার ছিল অন্যতম।

বিয়েতে মেয়ের অনুমতি কতটা গুরুত্বপূর্ণ?


আরটিভির সরাসরি ইসলাম নিয়ে প্রশ্নোত্তরমূলক বিশেষ অনুষ্ঠান ‘শরিফ মেটাল প্রশ্ন করুন’। এ অনুষ্ঠানে কোরআন ও হাদিসের আলোকে দর্শক-শ্রোতাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেয়া হয়। এবারের পর্বে উত্তর দিয়েছেন মুহতারাম ডা. রফিকুল ইসলাম মাদানী।

১. বাবা-মা যদি মেয়ের ইচ্ছের বিরুদ্ধে বিয়ে দেন তাহলে সে বিয়ে বৈধ হবে কিনা।

উত্তর : বিয়ে জোর-জবরদস্তির কোনো বিষয় নয়। রাসুল (সা.) এ বিষয়ে বলেছেন, বাবা-মাকে উপেক্ষা করে মেয়ে তার ইচ্ছে মতো বিয়ে করতে পারবে না। আবার বিয়ের জন্য মেয়ের পূর্ণ সম্মতিও লাগবে।

এ বিষয়ে নবীজিকে প্রশ্ন করা হয়েছিল একটি কুমারী মেয়ে কিভাবে সরাসরি বিয়ের সম্মতি দিবে? নবীজি বলেছেন, বিয়ের প্রস্তাব করার পর কুমারী মেয়েটি যদি চুপ থাকে তাহলেই বুঝতে হবে সে বিয়েতে রাজি আছে। আর মেয়ে যদি তালাক প্রাপ্ত বা বিধবা হয় সেক্ষেত্রে তাকে মুখ দিয়ে অনুমতি দিতে হবে।

এছাড়া কিন্তু বিবাহ হবে না। অতএব জোর-জবরদস্তি করে যদি বিয়ে দিয়ে ফেলে সে ক্ষেত্রে মেয়ের স্বাধীনতা রয়েছে।  সে চাইলেই এ বিয়ে ভেঙ্গে ফেলতে পারে।

২. জানাজার নামাজের আলাদা কোনো সওয়াব আছে কিনা।

উত্তর : জানাজা একটি গুরুত্বপূর্ণ নামাজ। তবে যিনি এ নামাজ আদায় করবেন তার জন্য রয়েছে বিশেষ সওয়াব। নবী করিম (সা.) এক হাদিসে এরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি শুধু মাত্র জানাজায় হাজির হয় তাহলে  তাকে এক কেরাত সওয়াব দেয়া হবে। নবীজি (সা.) কে প্রশ্ন করা হয়েছিল এক কেরাত মানে কি। তখন তিনি উপমা দিয়ে বুঝিয়েছিলেন, উহুদ পাহাড় যতো বড় সেই পাহাড় সমান সওয়াব তাকে দেয়া হবে। আর যদি কেউ জানাজার নামাজের পর দাফনেও সামিল হয় তাহলে তাকে দুই কেরাত সওয়াব দেয়া হবে।

৩. ফজরের নামাজের সময় ঘুম থেকে না জাগতে পারলে এ অবস্থায় ফজরের নামাজ কিভাবে আদায় করতে হবে বা এর হুকুম কী?

উত্তর : এ বিষয়টি যদি ইচ্ছাকৃত বা নিজের গাফলতির কারণে হয়ে থাকে তাহলে তিনি নিঃসন্দেহে গুনাহগার হবেন। আর যদি এমন হয় তিনি স্বাভাবিকভাবে ঘুমিয়েছেন কিন্তু কোনো কারণে ফজরের ওয়াক্তে জাগতে পারেননি তাহলে তার গুনাহ হবে না। এ ক্ষেত্রে ঘুম ভাঙ্গার সঙ্গে সঙ্গে নামাজ আদায় করতে হবে।

রাসুল (সা.) এক হাদিসে বলেছেন, যদি কোনো ব্যক্তি নামাজের কথা ভুলে যায় অথবা নামাজের সময় ঘুমিয়ে পরে তাহলে যখন তার মনে পরবে বা যখন ঘুম থেকে উঠবে তখনই নামাজ আদায় করে নিতে পারবেন এবং এটি তার জন্য কাজা হবে না।

টেরিবাজার ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃত্বে আমিন ও আহমদ হোসাইন

চট্টগ্রামের অন্যতম পাইকারী কাপড়ের বাজার টেরিবাজার ব্যবসায়ী সমিতির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি হয়েছেন আলহাজ্ব আমিনুল হক আমিন ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন আহমদ হোসাইন।

২০১৮-২০১৯ দ্বি-বার্ষিক সোমবার সকাল ১০ টা থেকে ভোটগ্রহন শুরু হয়। চলে  বিকেল ৪টা পর্যন্ত। গণনার পর মঙ্গলবার নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

২ হাজার ৩৫৯ ভোটের মধ্যে ৯৩৭ ভোট পেয়ে চেয়ার প্রতীক নিয়ে সভাপতি নির্বাচিত হলেন আলহাজ্ব আমিনুল হক আমিন । তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের সাতকানিয়া মাদার্শা ইউনিয়ন এলাকায় । তার প্রতিদন্দ্বী ছিলেন আলহাজ্ব ওসমান গণি চৌধুরী ছাতা প্রতীক। তিনি পেয়েছেন ৭৭৬ ভোট।  

সিনিয়র সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন আলহাজ্ব দিদারুল আলম। সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন আলহাজআব মুহাম্মদ মুছা, আলহাজ্ব ফরিদুল ইসলাম ও মো. আমিনুল ইসলাম।

সাধারণ সম্পাদক পদে আহমদ হোসাইন গোলাপ ফুল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৮৮৮ ভোট । তার গ্রামের বাড়ি  চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কেউচিয়া ইউনিয়ন এলাকায়। তার প্রতিদন্দ্বী  আলহাজ্ব আব্দুল মান্নান পেয়েছেন ৭৭০ ভোট। 

এছাড়া যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন আলহাজ্ব মু. গোলাম নবী। সহ-সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মুহাম্মদ আলমগীর ও আলহাজ্ব ফজল আহম্মদ। সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হলেন আবদুল করিম। বিনাপ্রতিদন্দ্বীতায় অর্থ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন আলহাজ্ব আবুল মনছুর। আইন বিষয়ক সম্পাদক মনছুর আলম ইমন।  সমাজ কল্যাণ সম্পাদক আলহাজ্ব আবুল কালাম কালু্।প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মুহাম্মদ ইব্রাহিম পারভেজ। অডিটর সম্পাদক আলহাজ্ব আবু তাহের । সাহিত্য ও ধর্মীয় সম্পাদক মাওলানা মু. এমরানুল হক সাইয়েদ। ক্রীড়া ও সাংস্কৃতি সম্পাদক মুহাম্মদ ইসতিয়াক উদ্দিন এবং কার্য নির্বাহী সদস্য হলেন, মনজুর এলাহী, মো.সেলিম ও সিরাজুল ইসলাম।


এবার ৮ম দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে ২১টি পদে নির্বাচন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর মধ্যে অর্থ সম্পাদকের পদটি বিনা প্রতিদন্ধিতায় নির্বাচিত হয়। ফলে ২০টি পদে ভোটাররা ভোট প্রয়োগ করেন।   উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পর্যাপ্ত পরিমাণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে নির্বাচন সম্পন্ন হয়।

রাখাইনে গণকবর খুঁজে পেয়েছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী


মিয়ানমার সেনাবাহিনী সোমবার জানিয়েছে, তারা রাখাইনের একটি গ্রামে গণকবর খুঁজে পেয়েছে। এ ঘটনায় তারা তদন্তও শুরু করেছে বলে জানিয়েছে দেশটির শক্তিশালী সেনাবাহিনী। খবর রয়টার্সের।

মিয়ানমারের সেনাপ্রধান সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লেইং বলেছেন, রাখাইনের রাজধানী সিতয়ে থেকে ৩০ মাইল উত্তরে ইন দিন গ্রামের কবরস্থানে অনেকগুলো মৃতদেহ খুঁজে পেয়েছে সেনাবাহিনী। ফেসবুকে সেনাবাহিনী একটি বিবৃতি পোস্ট করে তিনি এটি জানিয়েছেন। তবে গণকবরটিতে কতজনের মৃতদেহ খুঁজে পাওয়া গেছে সেটি ওই পোস্টে বলা হয়নি।

মিয়ানমার সেনাবাহিনী বলছে, নিরাপত্তা বাহিনী এ ঘটনায় প্রাথমিকভাবে একটি তদন্ত শেষ করেছে। তারা বলছে, মানুষকে হত্যা ও মাটিচাপা দেয়া হচ্ছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে এই তদন্ত চালানো হয়।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স সেনাবাহিনীর মুখপাত্র কর্নেল মিয়াত মিন ওও’র সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। তবে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।

গেলো ২৫ আগস্ট যখন রোহিঙ্গা বিদ্রোহীরা রাখাইনের ৩০টি নিরাপত্তা চৌকিতে হামলা চালায়। এর জাবাবে সেনাবাহিনী অত্যন্ত কঠোর, পরিকল্পিত ও ধ্বংসাত্মক উপায়ে জবাব দেয়া শুরু করে। সেনাবাহিনীর এই অভিযানে এখন পর্যন্ত ৬ লাখের বেশি রোহিঙ্গা মুসলিম বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার মতে হত্যা করা হয়েছে ৬ থেকে ৭ হাজার মানুষ। আর এসময় ধর্ষণের শিকার হয়েছেন কয়েক হাজার নারী।