Thursday, December 10, 2009
মির্জাপুরের মৃতপ্রায় গোপলা -চারদিক by বিশ্বজ্যোতি চৌধুরী
গোপলার উত্পত্তি ভারতের ত্রিপুরায়। ত্রিপুরার কৈলাসহর সংলগ্ন কোনো এক পাহাড়ি ঝরনার ধারা থেকে। পাহাড়ি ঝরনার স্রোতধারাটি উপজেলার সিন্দুরখান সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করে। লাইংলাছড়া, উদনাছড়া, বিলাসছড়া ইত্যাদি নামে রাজঘাট, কালীঘাট ও আশীদ্রোণ ইউনিয়ন পাড়ি দিয়েছে। ভূনবীর ইউনিয়নের মতিগঞ্জ গ্রামের কাছে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বিলাস সেতুর খানিকটা পশ্চিমে গিয়ে গোপলা নাম ধারণ করে বয়ে গেছে আরও পশ্চিমে হাইল হাওরের দিকে। হাইল হাওরকে দুই ভাগে বিভক্ত করে উপজেলার একেবারে পশ্চিমের শেষ সীমানা সুহিলপুর গ্রাম ছুঁয়ে বয়ে গেছে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জের দিকে। সুহিলপুর গ্রামের কাছে এ নদীটি বিভাজন করে দিয়েছে শ্রীমঙ্গল উপজেলার সীমান্ত। এপার শ্রীমঙ্গল, ওপার মৌলভীবাজার।
মাছ ধান পান—মির্জাপুরের প্রাণ। মির্জাপুর ইউনিয়নের অধিবাসীদের জীবন-জীবিকা এই তিনের ওপর নির্ভরশীল। পাশাপাশি প্রায় প্রতিটি ঘরেই আছে ছোট ছোট হাঁসের খামার। এ খামারগুলো পরিবারের অর্থনৈতিক বুনিয়াদ আরও একটু মজবুত করতে সাহায্য করছে। এই দেখে ভালো লাগল যে খামারগুলো দেখভাল করছেন পরিবারের নারীরা; বিশেষ করে, স্কুলপড়ুয়া মেয়েরা।
মির্জাপুরের অধিবাসীদের সঙ্গে কথা বলে এই ধারণা পাওয়া গেল, এসবকিছুর পেছনেই রয়েছে গোপলার অবদান। কিন্তু এই গোপলা এখন আর সেই গোপলা নেই। গোপলা এখন মৃতপ্রায়। পলি পড়ে ভরাট হয়ে গেছে। বুকে পানি ধরে রাখার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে। শিকার দূষণেরও। রাবার এবং চা-শিল্পের বর্জ্যে, লেবু ও আনারস বাগানে ব্যবহূত কীটনাশকের অবাঞ্ছিত দূষণে গোপলা তার অতীত ঐতিহ্য হারিয়ে ফেলেছে। নদীতে এখন আর আগের মতো মাছ নেই। নদী পাড়ের মানুষের জীবনের গতি অনেকটাই পাল্টে গেছে। মানুষের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড হয়তো জীবিকার তাগিদে থমকে যায়নি। তবে হোঁচট খেয়ে চলেছে প্রতিনিয়ত। এখন আর ভিনদেশি (অন্য জেলার) বজরা নৌকা এই নদীতে নোঙর করে না। বাণিজ্যে তাই লক্ষ্মীর বসতি নেই।
শ্রীমঙ্গল উপজেলা সদর থেকে সুহিলপুর গ্রামের দূরত্ব প্রায় ৩৮ কিলোমিটার। গ্রামটিতে মত্স্যজীবী সম্প্রদায়ের বসবাস। মাছের জন্য এ গ্রামটি একসময় বিখ্যাত ছিল। এখন এ গ্রামটি উপজেলায় দারিদ্র্যের জন্য খ্যাত।
উপজেলা সদর থেকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক হয়ে ভূনবীর চৌমোহনা। এরপর সবুজ মাঠের ওপর দিয়ে পিচঢালা কালো গ্রামীণ সরুপথ সেই গ্রামে গিয়ে মিশেছে। হেমন্তের সকাল। তবু প্রকৃতিতে শীতের আমেজ, শীতের আবাহন। শ্রীমঙ্গলে কিছুদিন হলো সন্ধ্যার পর থেকে কুয়াশা পড়তে শুরু করেছে। রাস্তার পাশে, মাঠের আলে দূর্বাদলের শীর্ষে, কাঁচা-পাকা ধানের ডগায় জমে আছে টলমলে শিশিরবিন্দু। ভোরের প্রথম সূর্যকিরণ পড়েছে তার ওপর। মৃদুমন্দ বাতাসে দোল খাচ্ছে কাঁচা-পাকা শিষের গুচ্ছ। পথের দুই পাশে যত দূর দৃষ্টি যায়, কী অপরূপই না লাগছে। কার না গাইতে ইচ্ছা হয়, ‘একি অপরূপ রূপে মা গো হেরিছ পল্লী জননী’।
প্রকৃতির এমন রূপে মুগ্ধ যে কারও কণ্ঠে গুনগুনিয়ে সুরের প্রকাশ পেতেই পারে। ঠিক এভাবে একসময় পৌঁছে গেলাম দারিদ্র্যখ্যাত সুহিলপুর গ্রামে।
নৌকা-বৈঠা আর জাল—এই তিন ছিল সুহিলপুরের প্রাণ। গ্রামের রুস্তম আলীর বয়স এখন সত্তরের কাছাকাছি। রুস্তম আলীর কৈশোর ও যৌবনের অনেকটা সময় কেটেছে গোপলার বুকে। কখনো ডিঙ্গি নৌকায়, কখনও বা বজরা নৌকায়।
রুস্তম আলী ছাড়া গোপলার আদ্যপান্ত কেউই বেশি বলতে পারে না। আরও একটা কারণে গোপলার সঙ্গে রুস্তমের প্রাণের সম্পর্ক রয়েছে। এই নদীর ঋণ তাঁকে শোধতে হয়েছে এক বছরের সোনামণিজাদু রহিমকে সমর্পণ করে। প্রমত্তা গোপলা এক বৈশাখে বাড়িঘরসহ তাকে ছিনিয়ে নিয়ে গেছে। গোপলার প্রমত্তা রূপ তাঁর চেয়ে অন্য কেউ ভালো বলতে পারে না।
সত্তর বছরের রুস্তম এখনো গোপলার বুকে ভেসে বেড়ান জীবন-জীবিকার তাগিদে। রহিমের স্মৃতি হাতড়েও হয়তো বা। তাঁর মতো করে এত কাছাকাছি থেকে এই নদীকে নিবিড়ভাবে গ্রামের অন্য কারও দেখার সুযোগ হয়নি। হয়তো বা অন্য কারও এমন ক্ষমতাও নেই। গোপলা তাঁর কাছে যেমন বেদনার অন্তহীন যন্ত্রণা, আবার সুখেরও ঠিকানা। কেননা, এই গোপলাই তাঁকে আহার জুগিয়েছে। প্রতিকূলতার সঙ্গে সংগ্রাম করে জয়ের মন্ত্রে দীক্ষিত করেছে। বাঁচতে শিখিয়েছে।
তাই তো গোপলার বুকে পালতোলা নৌকার গলুইয়ে বসে মাছ শিকারের স্মৃতি তিনি এখনো রোমন্থন করেন।
রুস্তম আলী স্মৃতির ভাণ্ডার থেকে যা কিছু তর্পণ করেন, সবই গল্পের মতো শোনায়। বড় বড় কই মাছ, মাগুর, শিং, কালোবাউস, বোয়াল, রুই, কাতল, মৃগেল আরও কতশত মাছের নাম। ভিনদেশি বণিকদের বড় বড় ময়ূরপঙ্খি বজরার বহর। কত না ব্যবসা-বাণিজ্য।
রুস্তমের কাছে গোপলার হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যগাথা শুনে যখন শ্রীমঙ্গল শহরে ফিরছিলাম, তখন কেবলই মনে হতে লাগল, গোপলার বর্তমান চেহারা দেখে যে কারোরই মনে হতে পারে এগুলো রুস্তমের বাড়িয়ে বলা, নিছকই গল্প। হায়রে গোপলা!
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রতিরক্ষাবিষয়ক এই নীতিমালা কার জন্য by মশিউল আলম
ফরমেশন কমান্ডারদের সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর ওই ভাষণের খুবই সামান্য অংশজুড়ে ছিল সংবাদমাধ্যম প্রসঙ্গ। কিন্তু এই একটি আগাম খবরের কারণে কোনো কোনো পত্রিকায় তাঁর ওই ভাষণ-সম্পর্কিত প্রতিবেদনের শিরোনামে স্থান পেয়েছে সংবাদমাধ্যমের জন্য নীতিমালার বিষয়টি। ২৬ নভেম্বর ডেইলি স্টার পত্রিকায় এ বিষয়ে একটি সম্পাদকীয়তে প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণায় বিস্ময় প্রকাশ করে লেখা হয়: ‘...আমরা জানি না, প্রধানমন্ত্রীর এমন একটি ঘোষণা দেওয়ার কারণ কী এবং কী পটভূমিতে তিনি এই ঘোষণা দিলেন।’ খুব প্রাসঙ্গিক ও যৌক্তিক জিজ্ঞাসা। সশস্ত্র বাহিনী বা প্রতিরক্ষা বিষয়ে সংবাদমাধ্যমের জন্য একটি পৃথক সুস্পষ্ট নীতিমালার প্রয়োজন—এটা কেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মনে হলো এবং কেন ‘শিগগিরই’ সে রকম একটা জিনিস প্রণয়ন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো এ বিষয়ে কিছু ব্যাখ্যা, অন্তত সরকারের চিন্তাভাবনা ও দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে জানার আগ্রহ জাগা খুব স্বাভাবিক। পৃথিবীর কোনো দেশে শুধু সশস্ত্র বাহিনী বা প্রতিরক্ষা বিভাগ/ব্যবস্থা সম্পর্কে সংবাদমাধ্যমের জন্য অনুসরণযোগ্য পৃথক নীতিমালা সরকারের পক্ষ থেকে তৈরি করে দেওয়া হয় বলে আমাদের জানা নেই।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সম্প্রতি মেজর নিদাল মালিক হাসান নামে এক সেনা কর্মকর্তা গুলি করে ১৩ জন সহকর্মীকে হত্যা ও ২৯ জনকে জখম করার ঘটনা সে দেশের সংবাদমাধ্যমে ফলাও করে প্রচারিত হয়েছে, সরকার বা মার্কিন সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো বাধা-নিষেধের খবর পাওয়া যায়নি। শুধু তা-ই নয়, তাঁর আমেরিকাবিরোধী অবস্থান ও সন্ত্রাসবাদী যোগাযোগ সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য থাকার পরও তিনি কীভাবে মার্কিন সেনাবাহিনীতে পদোন্নতি পেয়েছিলেন, এমনকি মার্কিন সেনাবাহিনীতে মুসলমান সদস্যদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণের যেসব অভিযোগ তিনি বিভিন্ন সময়ে করেছেন, সেগুলোও ছাপা হচ্ছে। এ ছাড়া ইরাকে যুদ্ধ করে ঘরে ফেরা মার্কিন সেনাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য নিয়েও নানা খবর সে দেশের সংবাদমাধ্যমে মাঝেমধ্যেই প্রকাশিত হয়। সম্প্রতি এমন খবরও দেখলাম যে আফগানিস্তানের রণাঙ্গনে আল-কায়েদা আর তালেবানদের সঙ্গে যুদ্ধে ব্রিটিশ ও মার্কিন সেনারা নাস্তানাবুদ হওয়ার অনেক কারণের একটি হচ্ছে তাদের ব্যবহূত আগ্নেয়াস্ত্রের কারিগরি কিছু দিক। তালেবান ও আল-কায়েদা যোদ্ধাদের ব্যবহূত আগ্নেয়াস্ত্রের সঙ্গে ইঙ্গ-মার্কিন বাহিনীর সেনাদের ব্যবহূত আগ্নেয়াস্ত্রের কারিগরি পার্থক্য, আফগানিস্তানের ধুলাবালুময় পরিবেশে সেগুলোর সুবিধা-অসুবিধাগুলোর তুলনামূলক বিশ্লেষণের খবর শুধু বিশেষায়িত সামরিক জার্নালে বা ওয়েবসাইটে নয়, গণসংবাদমাধ্যমে খোঁজ করলেই পাওয়া যায়। সুতরাং কী খবর প্রকাশ করা যাবে আর কী যাবে না—এটা কোনো নীতিমালা বা বিধিনিষেধ আরোপ করে নিশ্চিত করার দিন আর নেই।
এ রকম যুগে আমাদের দেশে সশস্ত্র বাহিনী বা প্রতিরক্ষা বিষয়ে সংবাদমাধ্যমের জন্য একটি পৃথক নীতিমালার প্রয়োজন কেন দেখা দিল বা আদৌ কোনো প্রয়োজন দেখা দিয়েছে কি না—এমন প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। সেদিনের ওই ভাষণে নীতিমালা প্রণয়নের ঘোষণা দেওয়ার আগে-পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংবাদমাধ্যম সম্পর্কে কিছু কথা বলেছেন। প্রথম আলোয় বাসস, ইউএনবি ও আইএসপিআরের বরাত দিয়ে লেখা হয়েছে, ‘দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে সেনাবাহিনী সম্পর্কে প্রকাশিত বিভিন্ন খবরের কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, নেতিবাচক প্রচার সেনাসদস্যদের মনোবলে আঘাত করে। তিনি এসব প্রচারণায় বিভ্রান্ত না হয়ে দেশ ও জাতির স্বার্থে সততা এবং নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে সেনাসদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান।’ দৈনিক নয়া দিগন্তে লেখা হয়: “সেনাবাহিনী নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত রিপোর্ট সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি সেনাবাহিনীকে জড়িয়ে পত্র-পত্রিকা ও বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল যেসব প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছে সে সম্পর্কে আমি অবগত আছি। সেনাবাহিনী সংক্রান্ত যেকোনো নেতিবাচক মন্তব্য বা আলোচনা সেনাসদস্যদের মনোবলের ওপর আঘাত করে। এ ধরনের অপপ্রচারে আপনারা বিভ্রান্ত হবেন না।’” আমার দেশও প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ উক্তি উদ্ধৃত করে একই খবর পরিবেশন করেছে।
প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে ‘সম্প্রতি সেনাবাহিনীকে জড়িয়ে পত্রপত্রিকা ও বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল যেসব প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছে’ বলে জানানো হলো, সেগুলো কী? কোন কোন পত্রপত্রিকা ও টেলিভিশন চ্যানেল কী সব প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছে বা চালাচ্ছে? ‘প্রচার-প্রচারণা’ বলতে কী বোঝানো হচ্ছে? যা ঘটে না, যা সত্য নয়, তা তথ্য নয়, সেটা খবর হতে পারে না। কোনো সংবাদপত্র কি এ রকম কিছু ছেপেছে? কোনো টেলিভিশন চ্যানেল কি এ রকম কিছু প্রচার করেছে? করে থাকলে সরকারের পক্ষ থেকে কি সেসব ভিত্তিহীন প্রচারের প্রতিবাদ জানানো হয়েছে? সংবাদমাধ্যম ইচ্ছামতো ভিত্তিহীন খবর (যা ভিত্তিহীন তাকে খবর বলা যায় না, সেটা গুজব, আর সে রকম কিছু নিয়ে আলোচনাকে বলা হয় জল্পনা-কল্পনা) এবং সে রকম কিছুর ভিত্তিতে কোনো প্রচারণা চালাতে পারে না। কেউ তেমন কিছু করলে তার আইনি প্রতিকারের ব্যবস্থা আছে; প্রেস কাউন্সিল আছে, আদালত আছে। শুধু সেনাবাহিনী বা প্রতিরক্ষা বিভাগ/গোয়েন্দা সংস্থা সম্পর্কে নয়, কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা বিষয় নিয়েই অসত্য, অবাস্তব, ভিত্তিহীন কিছুই প্রচার করার অধিকার কারোর নেই। তাই সেনাবাহিনী বা প্রতিরক্ষা বিষয়ে আলাদা সুস্পষ্ট কোনো নীতিমালার প্রয়োজন থাকার কথা নয়।
এমন নয় যে সংবাদমাধ্যমে ভিত্তিহীন বা আংশিক ভিত্তি আছে এমন অর্ধসত্য, গুজব, জল্পনা-কল্পনা প্রকাশিত/প্রচারিত হচ্ছে না। অনেক হচ্ছে, ব্যক্তি সম্পর্কে, প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে, সরকারের বিভিন্ন সংস্থা সম্পর্কেও। এগুলো হচ্ছে প্রধানত নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্যের অভাবে এবং অংশত কিছু স্বার্থান্বেষী মহলের অসাধুতায়। কোনো বিষয়ে ভিত্তিহীন প্রচারণা, গুজব, জল্পনা-কল্পনা বা সরকারের ভাষায় ‘নেতিবাচক প্রচার-প্রচারণা’ বন্ধ করার সর্বোত্তম উপায় ওই বিষয়ে সরকারি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে সঠিক তথ্য সরবরাহ করা, গোপন করা নয়, কোনো কিছু এড়িয়ে যাওয়া নয়। আর ব্যক্তি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে কুত্সামূলক ভিত্তিহীন প্রচারণা বন্ধ করার উপায় প্রথমত এই পেশায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের নিজেদের পেশার মান-মর্যাদা, দায়িত্বশীলতা, নৈতিকতার বিষয়গুলো সম্পর্কে সচেতন হওয়া। তথাকথিত হলুদ সাংবাদিকতা রোধের লক্ষ্যে সংবাদমাধ্যমের কর্মী, ব্যবস্থাপক ও মালিক-প্রকাশকদের মধ্যে আলোচনা-পরামর্শ ও বোঝাপড়া একান্ত প্রয়োজন। তারপর আছে আইন প্রয়োগে তত্পর হওয়া, আইন প্রয়োগব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করা। মিডিয়ার বিরুদ্ধে কিছু বলা বা করা করা যাবে না, তাহলে হইচই শুরু হয়ে যাবে যে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে—এই মানসিকতা ঠিক নয়। সংবাদমাধ্যম বা সাংবাদিকেরা আইনের ঊর্ধ্বে নয়।
প্রধানমন্ত্রীর ওই ভাষণের খবরগুলো থেকে পরিষ্কার নয় ‘সেনাবাহিনী তথা প্রতিরক্ষা বিষয় সম্পর্কিত একটি সুস্পষ্ট গণমাধ্যম নীতিমালা’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে। সেটা কি একটি নির্দেশনা-জাতীয় কিছু হবে এবং তা কি গণমাধ্যমকে মেনে চলতে হবে? নাকি গণমাধ্যম বা সংবাদমাধ্যমকে সেনাবাহিনী ও প্রতিরক্ষা বিষয়ে কী কী জানানো হবে, কী কী জানানো হবে না—এ সম্পর্কিত একটি নির্দেশিকা, যেটা প্রযোজ্য হবে সরকারের আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর বা আইএসপিআরের জন্য? গণমাধ্যমকে মেনে চলতে হবে—এমন নীতিমালা, শুধু সেনাবাহিনী ও প্রতিরক্ষা বিভাগ সম্পর্কে—নিষ্প্রোয়জনীয়। সংবাদমাধ্যমের আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এমন অন্তত পাঁচটি আইন ও বিধিবিধান বলবত্ আছে। তথ্য অধিকার আইনের আওতায় যেসব বিষয়ে তথ্য প্রকাশ বাধ্যতামূলক, প্রতিরক্ষা বিভাগ ও বাহিনীকে সম্পূর্ণভাবে তার বাইরে রাখা হয়েছে। এর চেয়ে বড় সুরক্ষা আর কী হতে পারে। (যদিও এ নিয়ে মতভেদ আছে, কিন্তু সে ভিন্ন প্রসঙ্গ)।
আর উল্লিখিত গণমাধ্যম নীতিমালাটি যদি পালনীয় বা প্রযোজ্য হয় আইএসপিআরের জন্য, তাহলে সেটা নিয়ে আপত্তি তোলার কিছু থাকবে না। সশস্ত্র বাহিনী, প্রতিরক্ষা, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তাবিষয়ক যেসব তথ্য জনগণকে জানানো প্রয়োজন বা জানালে ক্ষতি নেই বরং গুজব-জল্পনা-কল্পনার পথ রুদ্ধ করার জন্য প্রয়োজনীয় হয়ে উঠতে পারে, সরকার আইএসপিআরের মাধ্যমে তা সংবাদমাধ্যমকে জানাবে। অর্থাত্ সশস্ত্র বাহিনী ও প্রতিরক্ষা বিষয়ে তথ্যপ্রদানের ক্ষেত্রে আইএসপিআরকে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বশীল তথ্যসূত্র হিসেবে আরও কার্যকর করাই হওয়া উচিত উল্লিখিত গণমাধ্যম নীতিমালার মূল লক্ষ্য। তবে এই সুবিবেচনাটা থাকা দরকার যে তথ্য প্রকাশের ব্যাপারে চিরাচরিত রক্ষণশীল মনোভাব, গোপনীয়তা রক্ষার প্রবণতা যত কাটিয়ে ওঠা যায়, ততই মঙ্গল। সম্প্রতি সাংসদ ফজলে নূর তাপসের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা তদন্তের প্রক্রিয়ায় সেনাবাহিনীতে কর্মরত কয়েকজন কর্মকর্তার সংশ্লিষ্টতা, তাদের আটক, জিজ্ঞাসাবাদ ইত্যাদি সম্পর্কে আইএসপিআর থেকে যে তথ্য ও বক্তব্য আনুষ্ঠানিকভাবে দেওয়া হয়েছে, তা একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। এর ফলে আরও জল্পনা-কল্পনার পথ রুদ্ধ হয়েছে। আইএসপিআরের সাংগঠনিক কাঠামো পুনর্গঠন করে একে আরও কার্যকর ও সময়োপযোগী করার যে কথা প্রধানমন্ত্রীর সেদিনের ভাষণে বলা হয়েছে, সেটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই পুনর্গঠন-প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই যদি এ প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি গণমাধ্যম নীতিমালা প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তাহলে সেটাই হবে সঠিক সিদ্ধান্ত। এবং তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে ওই নীতিমালাটি যত কম রক্ষণশীল হবে ততই উত্তম। সশস্ত্র বাহিনী বা প্রতিরক্ষা বিভাগকে জনগণের থেকে দূরের অজানা দ্বীপের মতো করে রাখা উচিত নয়। সিভিল-মিলিটারি সম্পর্কোন্নয়নের জন্য সশস্ত্র বাহিনী সম্পর্কে সাধারণ মানুষের ধারণাকে স্বচ্ছ রাখা প্রয়োজন।
>>>মশিউল আলম: সাহিত্যিক ও সাংবাদিক।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিশ্ব নারী দিবস শতবার্ষিকীর প্রস্তুতি -রোকেয়া দিবস by ফরিদা আখতার
এবার রোকেয়া দিবস আমার কাছে খুব তাত্পর্যপূর্ণ মনে হচ্ছে। এর কয়েকটি কারণ আছে। প্রথম কারণ হচ্ছে, আমরা জানি, এই সময়ে বিশ্বে পরিবেশের যে সংকট সৃষ্টি হয়েছে, তা নারীদের জন্য খুবই ভয়াবহ। এমন সংকট মোকাবিলার জন্য নারী সংগঠনগুলো আসলে কতটা তত্পর বা প্রস্তুত আছে, সেটা দেখা দরকার। দ্বিতীয় কারণটি হচ্ছে, আগামী বছর, অর্থাত্ ২০১০ সালের ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবসের ১০০ বছর পূর্ণ হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশেও ইতিমধ্যে কথাবার্তা, আলাপ-আলোচনা শুরু হয়েছে। আমার মনে হয়, সামগ্রিকভাবে সবাই মিলে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালনের প্রস্তুতি আমরা রোকেয়া দিবস থেকেই শুরু করতে পারি।
বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ১৮৮০ সালে রংপুর জেলার পায়রাবন্দ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৩২ সালের ৯ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। খুব অল্প সময়, মাত্র ৫২ বছর তিনি বেঁচে ছিলেন। কিন্তু এই অল্প সময়ে এবং হাজার বাধার মধ্যে তিনি এত কাজ করেছেন যে ভাবতে অবাক লাগে। অনেক কাজের মধ্যে তিনি সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছেন নারীর অধিকারের কথা বলতে গিয়ে এবং নারীশিক্ষার জন্য যে কর্মকাণ্ড পরিচালনা তিনি করেছেন, এর জন্য যে সাহসের দরকার, সেটা তিনি দেখিয়ে গেছেন। এই সাহস এখনকার যুগের মেয়েদের মধ্যে, দুঃখজনকভাবে বলতে হচ্ছে, দেখা যায় না। এখন কাজের সুযোগ অনেক বেড়েছে, প্রযুক্তির প্রসার ঘটেছে অনেক, কিন্তু তা সত্ত্বেও সাহসী নারীর সংখ্যা বাড়েনি। অবশ্য বর্তমান সময়ে বাধাবিপত্তির ধরনও পাল্টেছে। কখনো বলা যায়, অনেক কঠিন এবং অদৃশ্য হয়ে পড়েছে, তাই মোকাবিলা করা যাচ্ছে না। কিন্তু তবুও পুরুষতন্ত্র যে রূপেই হাজির হোক, তা মোকাবিলা করতে হবে। সাহস না থাকলে তো কোনো কিছুই করা যাবে না। বেগম রোকেয়ার কাছে যে বিষয়টা আমাদের সবার আগে শেখার আছে, তা হচ্ছে সাহসী হওয়া।
তিনি নারী অধিকার, নারীশিক্ষা নিয়ে কাজ করেছেন বটে, কিন্তু নিজের চিন্তা অন্যের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া, সমাজে নারীকে এগিয়ে নেওয়ার প্রশ্নকে লেখালেখির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা করার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজটিও তিনি করেছেন অত্যন্ত মনোযোগের সঙ্গে। আজও তাঁর রচনাবলি আমাদের জন্য পথপ্রদর্শকের কাজ করছে। এত আধুনিক চিন্তা ও লেখা পাওয়া এখনো দুষ্কর। আবার তিনি শুধু লেখিকা হয়েও বসে থাকেননি। তিনি নারী সংগঠনও করেছেন। ১৯১৬ সালে আঞ্জুমানে খাওয়াতিনে ইসলাম (মুসলিম মহিলা সমিতি) গঠন করেন। এই সমিতির মাধ্যমে তিনি নারী সম্মেলনের আয়োজন করতেন এবং নারীশিক্ষা ও নারী অধিকার সম্পর্কিত আলোচনা, এমনকি বিতর্কও করতেন। কেন জানি না, এখন নারী আন্দোলনে তাত্ত্বিক বিতর্ক হারিয়ে যাচ্ছে, আমরা পরস্পরের সঙ্গে যথেষ্ট বিতর্ক করছি না। সবাই যেন সবজান্তা হয়ে বসে আছি। নিজ নিজ কাজের ক্ষেত্রের বাইরে অন্য কিছু সম্পর্কে জানা জরুরি মনে করছি না। আমাদের নিজস্ব আলোচনা বা বক্তব্য তৈরি না করে আমরা নির্ভর করছি বিদেশ থেকে আসা তত্ত্ব ও তথ্যের ওপর। বিদেশ-নির্ভরশীলতা নারী সংগঠনের কাজকে খণ্ড খণ্ড করে দিয়েছে। আমরা কেউ শুধু নারী নির্যাতনবিরোধী কাজ করি, কেউ এইডস, কেউ পাচারের বিরুদ্ধে কাজ করছি, কেউ ব্যস্ত সিডও নিয়ে। এই সবগুলোর মধ্যে যে যোগসূত্র আছে, তা নিয়ে ভাবনা-চিন্তা নেই। নারীর অধিকারের জন্য সোচ্চার আমরা, অথচ ভারতের টিপাইমুখ বাঁধ দিলে কত নারী যে জীবন-জীবিকা খোয়াবে, সে হিসাব কেউ করছি না। অনেক নারী পরিবেশ আন্দোলনে কিংবা মানবাধিকার আন্দোলনে, এমনকি উন্নয়ন কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, কিন্তু তাঁদের নারী আন্দোলনে পাওয়া যাচ্ছে না।
বেগম রোকেয়া এতকাল আগেও পরিবেশ, কৃষি ইত্যাদি নিয়ে বিস্তর ভেবেছেন এবং লিখেছেন। এটা তাঁর দূরদর্শিতা এবং সময়োপযোগী কাজ করার প্রমাণ। কিন্তু দুঃখের সঙ্গে লক্ষ করছি, আজ যখন বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন (৭ থেকে ১২ ডিসেম্বর ২০০৯) অনুষ্ঠিত হচ্ছে, তখন বাংলাদেশে নারী সংগঠনগুলো কোনো বক্তব্য তুলে ধরেনি। এই দোষে আমি নিজেও দোষী, তাই আত্মসমালোচনা হিসেবেই বলছি।
ব্যক্তিগতভাবে বললেও নারী আন্দোলন হিসেবে বলার সুযোগ হয়নি। কিন্তু নারী সংগঠনের কোনো যৌথ বক্তব্য না থাকার অর্থ হচ্ছে, আমরা খুবই সংকীর্ণ অর্থে নারী অধিকারের বিষয়টি বিবেচনা করছি। সামগ্রিকভাবে নারীমুক্তির প্রেক্ষাপট নিয়ে ভাবনা-চিন্তার চর্চা আমাদের মধ্যে নেই। এই ভুলের মাশুল আমাদের ভবিষ্যতে দিতে হবে। রোকেয়া দিবসে এই ভুল স্বীকার করে নেওয়া আমাদের জন্য জরুরি।
বেগম রোকেয়ার জন্ম আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটেও তাত্পর্যপূর্ণ ছিল। তাঁর সময়ে বিশ্বের অনেক গুরুত্বপূর্ণ সংগ্রামী নারী সক্রিয় ছিলেন, যদিও বর্তমান সময়ের মতো ইন্টারনেট বা ই-মেইল সম্পর্ক তাঁদের মধ্যে ছিল না। জার্মান সমাজতান্ত্রিক নেত্রী ক্লারা জেিকনের জন্ম হয়েছিল ৫ জুলাই ১৮৫৭ আর মৃত্যু হয়েছিল ২০ জুন ১৯৩৩। একেবারেই বেগম রোকেয়ার সমসাময়িক। ক্লারা জেিকন এখন বিশ্বের নারী আন্দোলনের প্রতীক, কারণ তিনি ১৯১০ সালে শ্রমিক নারীদের দাবিদাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে ঘোষণা দিয়েছিলেন; কোপেনহেগেন শহরেই সমাজতান্ত্রিক নারীদের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সম্মেলনে। ১৯১১ সালে প্রথম আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালনের সময় ৩০ হাজার নারীর সমাগম ঘটেছিল। কম কথা নয়। ক্লারা জেিকন হয়তো জানতেন না, এই সময় বাংলাদেশের মতো একটি দেশেও নারীর অধিকারের সংগ্রাম চলছে। এই কালে হলে বেগম রোকেয়ার সেই সম্মেলনে আমন্ত্রিত হওয়া অসম্ভব কিছু হতো না। যা-ই হোক, এটা খুবই প্রাসঙ্গিক যে আজ বেগম রোকেয়া দিবসে বাংলাদেশে আমরা ৮ মার্চ ২০১০ তারিখে আন্তর্জাতিক নারী দিবসের শতবার্ষিকী উদ্যাপনের প্রস্তুতি নেওয়ার কাজ শুরু করতে চাই।
আমাদের প্রথম কাজ হচ্ছে, এই শত বছরে আমাদের অর্জন যা হয়েছে, এর একটি খতিয়ান করা। কিন্তু অর্জন মানে শুধু কী পেলাম তা নয়, কী সংগ্রাম করলাম তাও দেখতে হবে। বিভিন্ন সময়ে আমাদের সংগ্রামের রূপ কী ছিল এবং বর্তমানে নারী আন্দোলনের বিষয় ও এর সঙ্গে সামগ্রিকভাবে দেশের মানুষের মুক্তির সংগ্রামে সম্পৃক্তির বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা যেতে পারে। যদি অর্জনের কথা বলা হয়, তাহলে অবশ্যই অনেক অর্জন আছে; তবে এর চেয়েও বেশি আছে আমাদের সংগ্রামের শক্তিশালী ইতিহাস। আমরা অনেক কিছু নিয়ে আন্দোলন করেছি, সবকিছুতেই আমরা সফল হইনি ঠিক, কিন্তু আমাদের আন্দোলন ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। সমাজে প্রশ্ন তুলেছে। আন্তর্জাতিক নারী দিবসের শতবর্ষ পালন করার কাজ করতে গিয়ে আমরা সেই দিকটার প্রতি নজর দিতে চাই। বেগম রোকেয়া দিবস থেকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস—ডিসেম্বর থেকে মার্চ মাস, বাংলাদেশের নারীদের এই অনন্যসুযোগ অবশ্যই গ্রহণ করতে হবে। আমাদের সৌভাগ্য যে বেগম রোকেয়ার পর এ দেশে আরও অনেক নারী আমাদের নেতৃত্ব দিয়েছেন। আজ তাঁদের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা জানাচ্ছি এবং নতুন প্রজন্মের নেতৃত্ব গড়ে উঠবে—এই আশা ব্যক্ত করছি।
ফরিদা আখতার: নারী আন্দোলনের নেত্রী।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শিশুমৃত্যুর হার অর্ধেকে নামল -সাফল্যের অর্ধেকের বাইরের অর্ধেকটা কিন্তু ব্যর্থতাই
এর থেকে আনন্দের সংবাদ আর কী হতে পারে যে, সম্ভাব্য মৃত্যুর হাত থেকে অর্ধেক শিশুকে বাঁচানো সম্ভব হচ্ছে। এর থেকে দুঃখেরই বা কী হতে পারে, উপযুক্ত সেবা ও চিকিত্সাসহায়তা না পাওয়ায় দুগ্ধপোষ্য অনেক শিশুই বাঁচতে পারছে না। সম্প্রতি একটি জরিপভিত্তিক গবেষণার ফল জানিয়েছে, জন্মের দুই দিনের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে শিশুমৃত্যুর হার ৩ ভাগের ২ ভাগই কমিয়ে আনা সম্ভব। কেবল স্বাস্থ্যকর্মীর পরামর্শেই বিপুলসংখ্যক নবজাতকের জীবন রক্ষা হতে পারে। এটুকু মামুলি সহযোগিতাও অনেক ক্ষেত্রে না মেলা দুর্ভাগ্যজনক। জীবন ও মৃত্যুর ব্যবধান যেখানে এত ক্ষীণ, সেখানে শিশুমৃত্যুর হার অর্ধেকে নামিয়ে আনাকে অভিনন্দন জানাতেই হয়। একই সঙ্গে আরও অধিকসংখ্যক নবজাতকের মৃত্যু মনে করিয়ে দেয়, করার রয়েছে অনেক কিছু।
ওই প্রতিবেদন জানাচ্ছে, ১৯৯৩ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত মোট পাঁচটি জরিপে দেখা গেছে, এক বছর থেকে পাঁচ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুমৃত্যুর হার কমিয়ে আনা গেছে ১০ শতাংশ, এক মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত এ হার কমেছে ৬ শতাংশ, কিন্তু নবজাতকদের বেলায় কমতির হার মাত্র ২ দশমিক ৫ শতাংশ। ইউনিয়ন পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা গতিশীল থাকলে আরও অনেক প্রাণ বেঁচে যেত। সুতরাং কোথায় বেশি জোর দিতে হবে, তা আর অজানা থাকার কথা নয়।
কেবল স্বাস্থ্যসেবার মধ্যেই তা সীমিত থাকতে পারে না। শিশুর বেড়ে ওঠার সুস্থ ও আনন্দদায়ক পরিবেশ এবং শিক্ষার বন্দোবস্ত করতে হবে সরকারকেই।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মাগুইনদানাওয়ে পুলিশের সঙ্গে বিদ্রোহীদের গুলিবিনিময়
ফিলিপাইনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রোনালদো পুনো গতকাল সাংবাদিকদের জানান, কেন্দ্রীয় জাতীয় পুলিশের সঙ্গে মাগুইনদানাও প্রদেশের গভর্নরের নিজস্ব আধা সামরিক বাহিনী ও অন্যান্য সংগঠনের সদস্যদের গুলিবিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে। তবে এতে কোনো পক্ষের কেউ হতাহত হয়নি।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডে তীব্র পানিসংকট
গ্রীষ্মের শুরুতেই কুইন্সল্যান্ডের জলাধারগুলো প্রায় শুকিয়ে যায়। এতে উদ্বেগ আরও বেড়ে গেছে। সেখানকার অধিবাসীরা পানির ব্যবহার উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছেন। এই পরিস্থিতির জন্য চরমভাবাপন্ন আবহাওয়াকে দায়ী করেছেন আবহাওয়াবিদেরা।
কুইন্সল্যান্ডের সবচেয়ে বড় শহর টুওম্বার জলাধারে পানি মজুদের স্তর শতকরা ৮ দশমিক ৫ ভাগে নেমে এসেছে। কুইন্সল্যান্ডের খরাকবলিত অন্যান্য এলাকার মানুষ পানির ট্যাংকারের মাধ্যমে সরবরাহ করা পানির ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।
চাহিদা মোকাবিলায় বিশ্বের অন্যতম বড় ভূগর্ভস্থ হ্রদ গ্রেট আর্টেসিয়ান বেসিনে জরুরি কূপ খনন করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় কুইন্সল্যান্ডের ডালবি শহরের বাসিন্দারা বলছেন, তাঁদের শহরে মাত্র আট ঘণ্টা ব্যবহারের মতো পানি মজুদ রয়েছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আফগান নারীরা বিশ্বে সবচেয়ে বেশি দুর্দশার শিকার -হিউম্যান রাইটস ওয়াচের প্রতিবেদন
সংস্থার ৯৬ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আফগানিস্তানের সর্বত্র নারীরা অসহনীয় দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছে। নির্যাতনের শিকার নারীরা পুলিশি নিপীড়ন অথবা সহিংস অপরাধীদের পাল্টা জবাবের আশঙ্কায় আইনি সহায়তা নিতে চায় না।
আফগানিস্তানকে একটি রক্ষণশীল মুসলিম দেশ উল্লেখ করে ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০০১ সালে সেখানে মার্কিন সামরিক অভিযানের মাধ্যমে তালেবানি শাসন উত্খাতের পর থেকে নারীরা শিক্ষা গ্রহণ ও কাজে যোগ দেওয়ার মতো স্বাধীনতা পেয়েছে। কিন্তু ব্যবসাসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে এখনো নারীদের স্বাধীন অংশগ্রহণ সমর্থন করে না আফগান সমাজ। ২০০১ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত সেখানে নারীর অধিকার চর্চার ক্ষেত্রে কিছু ইতিবাচক উন্নতি হলেও সাম্প্রতিক সময়ে এই চিত্র অবনতির দিকে যাচ্ছে। দেশের ক্ষমতা রক্ষণশীল নেতাদের হাতে থাকাই এর কারণ। কেননা তারা নারীর মৌলিক অধিকার স্বীকার করতে চায় না।
এ ব্যাপারে প্রতিবেদনের রচয়িতা র্যাচেল রেইড বলেন, সাবেক যুদ্ধবাজ নেতাদের ওপর আফগান প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাইয়ের অতিমাত্রায় নির্ভরশীলতার কারণে সেখানকার সমাজে নারীদের অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। প্রাত্যহিক জীবনে নারীদের ওপর সহিংসতার ঘটনাও বেড়ে যাচ্ছে। কারণ ওই সব যুদ্ধবাজ নেতার দৃষ্টিভঙ্গি তালেবান শাসকদের চেয়ে খুব আলাদা নয়। প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, আফগানিস্তানের সমাজে নারীদের অবস্থান আরও অবনতির দিকে যাচ্ছে, কারণ সম্প্রতি চালু করা একটি আইনের বেশ কিছু অধ্যাদেশে নারীদের অধিকার খর্ব করা হয়েছে। ওই আইনে বিয়ের পর স্ত্রীকে ধর্ষণের ঘটনার আইনি বৈধতা দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদনে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ আরও জানিয়েছে, অনেক ধর্ষককেই সরকার ক্ষমা করে দিয়েছে। বিপরীত দিক থেকে ঘর পালানোর কারণে অনেক নারীকে বন্দী রাখা হচ্ছে। এ ছাড়া ধর্ষণের শিকার নারীকে ব্যভিচারের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হচ্ছে। জাতিসংঘ আফগানিস্তানে নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা ও ধর্ষণকে ‘মারাত্মক সমস্যা’ বলে মন্তব্য করার এক সপ্তাহ পর এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হলো।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টে ‘সাধারণ ক্ষমা’ বিরোধী মামলার শুনানি শুরু
পারভেজ মোশাররফের ওই ক্ষমা ঘোষণা অবৈধ ছিল দাবি করে সুপ্রিম কোর্টে একটি মামলা ঠুকে দেওয়া হয়। সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র আজহার হোসেন জানিয়েছেন, একটি বেঞ্চ গতকাল সোমবার ওই মামলার শুনানি শুরু করেন। তিনি এ ব্যাপারে বিস্তারিত আর কিছু জানাননি।
বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, পারভেজ মোশাররফের ওই ক্ষমা ঘোষণা অবৈধ প্রমাণিত হলে প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারির শাসনের বৈধতাও হুমকির মুখে পড়বে। দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে—এমন কোনো ব্যক্তি যে দেশটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ওসামা বিন লাদেনকে গ্রেপ্তারে নতুন করে নামছে যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্রের হাতে থাকা গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আল-কায়েদার প্রধান বিন লাদেন হয়তো পাকিস্তানের সীমান্তসংলগ্ন উত্তর ওয়াজিরিস্তানের কোনো একটি জায়গায় আত্মগোপন করে আছেন। তিনি সময়ে সময়ে অবস্থান পরিবর্তন করেন। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেমস জোনস বলেন, ‘বিন লাদেন কখনো সীমান্তের আফগানিস্তান অংশে, কখনো বা পাকিস্তানের অংশে থাকেন।’
প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্রশাসন মার্কিন গোয়েন্দাদের ওসামা বিন লাদেনকে গ্রেপ্তার করার নতুন কোনো নির্দেশনা দিয়েছে কি না এমন এক প্রশ্নের জবাবে জেমস জোনস বলেন, ‘আমার সে রকমই মনে হয়।’ গত রোববার যুক্তরাষ্ট্রের টেলিভিশন চ্যানেল ক্যাবল নিউজ নেটওয়ার্কের (সিএনএন) একটি অনুষ্ঠানে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাত্কারে তিনি এসব কথা বলেন।
জেমস জোনস আরও বলেন, ‘বিন লাদেন আল-কায়েদার শক্তির সবচেয়ে বড় প্রতীক। তাঁর গ্রেপ্তার হওয়া কিংবা আত্মগোপন করে থাকা আমাদের অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে।’
তবে এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ওসামা বিন লাদেন পাকিস্তানে আত্মগোপন করে আছেন। তাই তাঁর অবস্থান সম্পর্কে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেমস জোনসের এ মন্তব্য যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দাদের আগের প্রতিবেদনের সঙ্গে অনেকটাই অসামঞ্জস্যপূর্ণ।
এদিকে বিন লাদেনের অবস্থান সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রবার্ট গেটস বলেন, ‘বিন লাদেন কোথায় আছে সে সম্পর্কে মার্কিন গোয়েন্দাদের কাছে পর্যাপ্ত বিশ্বাসযোগ্য তথ্য নেই। তবে পর্যাপ্ত তথ্য জোগাড় করে তাঁকে গ্রেপ্তারের সর্বাত্মক উদ্যোগ অবশ্যই নিতে হবে।’ সিআইএর সাবেক পরিচালক রবার্ট গেটস রোববার এবিসি নিউজকে এ কথা বলেন।
ওসামা বিন লাদেনকে ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে টুইন টাওয়ার ও ওয়াশিংটনের মার্কিন সামরিক গোয়েন্দা সদর দপ্তর পেন্টাগনে সন্ত্রাসী হামলার মূল হোতা বলে দায়ী করা হয়। এ দুটি হামলায় প্রায় তিন হাজার সাধারণ মানুষ নিহত হয়।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন রোববার এনবিসি চ্যানেলকে বলেন, ‘বিন লাদেনকে গ্রেপ্তার করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তবে এ ব্যাপারে এত দিনে তেমন কোনো অগ্রগতি লক্ষ করা যায়নি।’
সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট ওবামা আফগানিস্তানে নতুন করে আরও ৩০ হাজার সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত অনুমোদন দিয়েছেন। তাঁর প্রশাসন মনে করে, আফগানিস্তানে তালেবানদের পরাজিত না করতে পারলে পরমাণু শক্তিধর পাকিস্তান বিশ্বের জন্য এক চরম হুমকিতে পরিণত হবে।
তবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন বলেছেন, ‘পাকিস্তানে তালেবানদের দমনে সেনা অভিযান আমাদের নতুন করে আশান্বিত করেছে।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অস্ত্রোপচারের পর ভালো আছেন গিনির সামরিক নেতা
মাথায় অস্ত্রোপচারের জন্য কামারাকে মরক্কো নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁর আঘাত সম্পর্কে সরকারিভাবে এখনো কিছু বলা হয়নি। চিকিত্সকেরা বলেছেন, তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে আর উদ্বেগের কিছু নেই। ভাইস প্রেসিডেন্ট সেকুবা কোনাটে অস্থায়ীভাবে দেশের দায়িত্ব নিয়েছেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বলিভিয়ার প্রেসিডেন্ট ইভো মোরালেস পুনর্নির্বাচিত
ইভো মোরালেস বলিভিয়ার প্রথম আদিবাসী প্রেসিডেন্ট। ২০০৬ সালে তিনি প্রথমবারের মতো প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
আজ মঙ্গলবার ভোটের পূর্ণাঙ্গ ফলাফল পাওয়া যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পাশাপাশি দেশটিতে পার্লামেন্ট নির্বাচনও অনুষ্ঠিত হয়েছে। কংগ্রেসের ১৫৭টি আসনের মধ্যে মোরালেসের মুভমেন্ট টুওয়ার্ডস সোশ্যালিজম পার্টি কয়টি আসন পেয়েছে, তা পরিষ্কার নয়।
লাপাজ থেকে বিবিসির সংবাদদাতা জানান, বুথ-ফেরত সমীক্ষায় ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে বিরোধীদের কাছ থেকে পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষের নিয়ন্ত্রণ নিতে চলেছে প্রেসিডেন্টের দল।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্রাজিল দূতাবাসেই থাকবেন জেলায়া
ম্যানুয়েল জেলায়াকে গত ২৮ জুন এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত করে নির্বাসনে পাঠায় হন্ডুরাসের সেনাবাহিনী। পরে ২১ সেপ্টেম্বর গোপনে দেশে ফিরে ব্রাজিল দূতাবাসে আশ্রয় নেন তিনি। জেলায়াকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকে হন্ডুরাসে রাজনৈতিক সংকট চলছে। যুক্তরাষ্ট্র এবং অরগানাইজেশন অব আমেরিকান স্টেটসের (ওএএস) মধ্যস্থতায় হন্ডুরাসের অন্তর্বর্তী সরকার ও জেলায়ার মধ্যে হওয়া একটি সমঝোতা চুক্তি অনুযায়ী জেলায়াকে ক্ষমতায় পুনর্বহাল করার ব্যাপারে সেখানকার কংগ্রেসের (আইনসভা) সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আন্তর্জাতিক চাপ উপেক্ষা করে ২ ডিসেম্বর জেলায়াকে ক্ষমতা ফিরিয়ে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কংগ্রেস। এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রাজিল জেলায়াকে ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য হন্ডুরাসের সরকারকে চাপ দিচ্ছে।
২৯ নভেম্বর হন্ডুরাসে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হয়। ওই নির্বাচনে জয়ী হন ন্যাশনাল পার্টির প্রধান পোরফিরিও লোবো। যুক্তরাষ্ট্র, পেরু, কলম্বিয়া, পানামা ও কোস্টারিকা সমর্থন করলেও ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, ভেনেজুয়েলাসহ বেশ কয়েকটি প্রতিবেশী দেশ ওই নির্বাচনকে স্বীকৃতি দেয়নি। জেলায়া নিজেও ওই নির্বাচনের বিরোধিতা করেছেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্রাজিল দূতাবাসেই থাকবেন জেলায়া
ম্যানুয়েল জেলায়াকে গত ২৮ জুন এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত করে নির্বাসনে পাঠায় হন্ডুরাসের সেনাবাহিনী। পরে ২১ সেপ্টেম্বর গোপনে দেশে ফিরে ব্রাজিল দূতাবাসে আশ্রয় নেন তিনি। জেলায়াকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকে হন্ডুরাসে রাজনৈতিক সংকট চলছে। যুক্তরাষ্ট্র এবং অরগানাইজেশন অব আমেরিকান স্টেটসের (ওএএস) মধ্যস্থতায় হন্ডুরাসের অন্তর্বর্তী সরকার ও জেলায়ার মধ্যে হওয়া একটি সমঝোতা চুক্তি অনুযায়ী জেলায়াকে ক্ষমতায় পুনর্বহাল করার ব্যাপারে সেখানকার কংগ্রেসের (আইনসভা) সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আন্তর্জাতিক চাপ উপেক্ষা করে ২ ডিসেম্বর জেলায়াকে ক্ষমতা ফিরিয়ে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কংগ্রেস। এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রাজিল জেলায়াকে ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য হন্ডুরাসের সরকারকে চাপ দিচ্ছে।
২৯ নভেম্বর হন্ডুরাসে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হয়। ওই নির্বাচনে জয়ী হন ন্যাশনাল পার্টির প্রধান পোরফিরিও লোবো। যুক্তরাষ্ট্র, পেরু, কলম্বিয়া, পানামা ও কোস্টারিকা সমর্থন করলেও ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, ভেনেজুয়েলাসহ বেশ কয়েকটি প্রতিবেশী দেশ ওই নির্বাচনকে স্বীকৃতি দেয়নি। জেলায়া নিজেও ওই নির্বাচনের বিরোধিতা করেছেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরানে গণবিক্ষোভে পুলিশের কাঁদানে গ্যাস
‘ছাত্র দিবস’ সামনে রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা এ কর্মসূচি ঘোষণা করে। খবর, এএফপি’র
বিক্ষোভকারিরা প্রেসিডেন্ট আহমেদিনেজাদের বিরুদ্ধে ‘স্বৈরশাসন নিপাত যাক’ , ‘স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ’ ইত্যাদি শ্লোগান দেয়। বিক্ষোভকারীরা একপর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে একজন পুলিশ সদস্যকে প্রহার করলে, পুলিশ কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে তাঁদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
এর আগে রাজধানী তেহরানের বিখ্যাত আমির কবির বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা এক অনলাইন বার্তায় তেহরানের জনগণকে ছাত্র দিবসে প্রেসিডেন্ট আহমেদিনেজাদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শণের আহবান জানায়।
প্রেসিডেন্ট আহমেদিনেজাদের প্রধান রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী মীর হোসেন মৌসাভি ছাত্রদের এই কর্মসূচিতে পূর্ণাঙ্গ সমর্থন দিয়েছেন।
গত জুন মাসে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট আহমাদিনেজাদকে অনেক বিতর্কের পর বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। সে সময় আহমাদিনেজাদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মীর হোসেন মৌসাভি আহমাদিনেজাদের বিপক্ষে নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তোলেন। তাঁর নেতৃত্বে সারা ইরানে গণ-আন্দোলন গড়ে ওঠে। সরকার সেই আন্দোলন কঠোরভাবে দমনের চেষ্টা করলে বহু প্রতিবাদকারী নিহত হয়।
এর পর থেকেই ইরানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর সবচেয়ে উত্তপ্ত অবস্থায় রয়েছে।
ইরানে ৭ ডিসেম্বর ছাত্র দিবস হিসেবে পালন করা হয়। ১৯৫৩ সালের এই দিনে রেজা শাহ পাহলভি সরকারের নিরাপত্তা রক্ষাকারী বাহিনী ছাত্রদের মিছিলে গুলি চালিয়ে তিনজনকে হত্যা করে। সে সময়কার জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মোসাদ্দেকের সরকার মার্কিন সমর্থিত একটি অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়।
৭ ডিসেম্বর সেই অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে ছাত্ররা মিছিল বের করেছিল। এবারের ছাত্র দিবসে কোনো প্রকার সরকার বিরোধী বিক্ষোভ বা অন্যান্য কর্মসূচি পালন না করতে সরকার সমর্থিত রেভ্যুলেশনারি গার্ড ছাত্রদের আগে থেকেই সতর্ক করে দিয়েছিল।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরাকি পার্লামেন্টে নতুন নির্বাচনী আইন পাস
গত রোববার পার্লামেন্টের একটি বিশেষ অধিবেশনেম এই আইন পাস করা হয়। এর আগে নির্বাচনী আইনসংক্রান্ত রাজনৈতিক সংকটের কারণে আগামী ১৬ জানুয়ারি নির্ধারিত নির্বাচন বাতিল করা হয়। গতকাল নতুন নির্বাচনী আইন পাস হওয়ায় ২০১০ সালের শুরুর দিকে, বিশেষ করে ২৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ইরাকে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা জোরালো হলো। তবে নির্বাচন ২৭ ফেব্রুয়ারিই অনুষ্ঠিত হবে কি না সে ব্যাপারে সুস্পষ্ট কোনো ঘোষণা এখনো আসেনি।
নতুন নির্বাচনী আইন পাস হওয়ায় সবাইকে অভিনন্দন জানিয়ে ইরাক পার্লামেন্টের স্পিকার খালিদ আল আতিয়া বলেন, এটা ইরাকের জন্য সত্যিই চমত্কার এক অর্জন। এতে ইরাকে নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক ধারা প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হলো।
এর আগে নির্বাচনী আইন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার কারণে ১৬ জানুয়ারির নির্বাচন স্থগিত হয়ে গেলে জাতিসংঘ আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রস্তাব দেয়। এই তারিখটি ঠিক রাখতে হলে ইরাকের সংবিধান অনুযায়ী গত রোববার মধ্যরাতের মধ্যেই নতুন করে নির্বাচনী আইন পাস করার একটা বাধ্যবাধকতা ছিল।
ইরাকের সুন্নি ভাইস প্রেসিডেন্ট তারিক আল হাশেমী এর আগের খসড়া নির্বাচনী আইনে ভেটো প্রদান করলে রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টি হয়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হোয়াইট হাউসের নিরাপত্তাব্যবস্থা ৯১ বার লঙ্ঘিত হয়েছে
২০০৩ সালে তৈরি করা ওই প্রতিবেদনে নিরাপত্তা লঙ্ঘনের অনেকগুলো ঘটনার বর্ণনা রয়েছে। সেগুলোর মধ্যে এমন ঘটনাও রয়েছে, যেখানে এক মার্কিন দম্পতি একটি মিনিভ্যান নিয়ে হোয়াইট হাউস প্রাঙ্গণে ঢুকে পড়েন। ওই প্রতিবেদনে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে, নিরাপত্তা লঙ্ঘনের এমন ঘটনাগুলো পর্যবেক্ষণ করে ভবিষ্যতে সম্ভাব্য আততায়ীরা হোয়াইট হাউসে ঢোকার সুযোগ নিতে পারে।
গোয়েন্দা দপ্তরের একজন কর্মকর্তা ওই প্রতিবেদনের যথার্থতা নিশ্চিত করে করেছেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1400)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
-
▼
2009
(2847)
-
▼
December
(699)
-
▼
Dec 10
(16)
- মির্জাপুরের মৃতপ্রায় গোপলা -চারদিক by বিশ্বজ্যোতি ...
- প্রতিরক্ষাবিষয়ক এই নীতিমালা কার জন্য by মশিউল আলম
- বিশ্ব নারী দিবস শতবার্ষিকীর প্রস্তুতি -রোকেয়া দিবস...
- শিশুমৃত্যুর হার অর্ধেকে নামল -সাফল্যের অর্ধেকের বা...
- মাগুইনদানাওয়ে পুলিশের সঙ্গে বিদ্রোহীদের গুলিবিনিময়
- অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডে তীব্র পানিসংকট
- আফগান নারীরা বিশ্বে সবচেয়ে বেশি দুর্দশার শিকার -হি...
- পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টে ‘সাধারণ ক্ষমা’ বিরোধী ম...
- ওসামা বিন লাদেনকে গ্রেপ্তারে নতুন করে নামছে যুক্তর...
- অস্ত্রোপচারের পর ভালো আছেন গিনির সামরিক নেতা
- বলিভিয়ার প্রেসিডেন্ট ইভো মোরালেস পুনর্নির্বাচিত
- ব্রাজিল দূতাবাসেই থাকবেন জেলায়া
- ব্রাজিল দূতাবাসেই থাকবেন জেলায়া
- ইরানে গণবিক্ষোভে পুলিশের কাঁদানে গ্যাস
- ইরাকি পার্লামেন্টে নতুন নির্বাচনী আইন পাস
- হোয়াইট হাউসের নিরাপত্তাব্যবস্থা ৯১ বার লঙ্ঘিত হয়েছে
-
▼
Dec 10
(16)
-
▼
December
(699)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...