Sunday, July 5, 2026
খামেনির জানাজা দেখিয়ে দিল পৃথিবী ভাগ হয়ে গেছে by কুরনিয়াওয়ান আরিফ মাসপুল
জনসমুদ্রের মাঝখানে কালো পোশাকের ঢেউয়ের ওপরে উঠে আসছে লাল মুষ্টিবদ্ধ হাত—এই শেষযাত্রার প্রতীক। এই হাত শুধু শোকের নয়, এটি প্রতিবাদেরও। চারপাশে একটাই স্লোগান—আমাদের দাঁড়াতেই হবে।
এটি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজার দৃশ্য। টানা ৩৬ বছরের শাসন, নানা অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাওয়া একসময়ের অবসান। ফেব্রুয়ারি মাসের ২৮ তারিখে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রথম হামলাতেই নিহত হন তিনি। কিন্তু এই জানাজা কেবল ধর্মীয় আচার নয়; এটি একধরনের ভূরাজনৈতিক বার্তা, সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে এক অস্তিত্বগত রায়।
সাত দিন ধরে দুই দেশের পাঁচটি শহরজুড়ে চলবে এই শেষযাত্রা। ইরানের হিসাবে, দেড় থেকে দুই কোটি মানুষ এতে অংশ নেবেন। শতাধিক দেশের প্রতিনিধি উপস্থিত হয়েছেন। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হাঁটছিলেন তাজিকিস্তানের প্রেসিডেন্টের পাশে।
আর্মেনিয়া ও জর্জিয়ার নেতারাও এসেছেন শ্রদ্ধা জানাতে। ইউরোপের সাম্রাজ্যবাদবিরোধী কর্মীরাও হাজির হয়েছেন কোনো সরকারি আমন্ত্রণ ছাড়াই। তাঁদের দাবি, তাঁরা ইতিহাসের সঠিক পাশে দাঁড়াতে এসেছেন। কফিনটি যাবে কুম শহর থেকে, তারপর ইরাকের নাজাফ ও কারবালা হয়ে শেষ পর্যন্ত মাশহাদে দাফন করা হবে—ইমাম রেজার মাজারের পাশে।
পশ্চিমা বিশ্ব এই দৃশ্য দেখছে বিভ্রান্তি আর অবজ্ঞা নিয়ে। ফক্স নিউজ বলছে, এই জানাজায় পশ্চিমা নেতাদের অনুপস্থিতিই নাকি ইরানের একঘরে হয়ে পড়াকে প্রমাণ করছে। তারা এই বিশাল আয়োজনকে শাসকগোষ্ঠীর প্রচারযন্ত্রের কারসাজি বলছে। এটিকে তারা একটি ধর্মতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মরিয়া বৈধতা খোঁজার চেষ্টা হিসেবে তুলে ধরছে।
কিন্তু এই ব্যাখ্যা বড় ভুল। গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোর কাছে খামেনির এই শেষযাত্রা অন্য অর্থ বহন করে। এটি এমন এক ইতিহাসের স্মরণ, যা পশ্চিমা বিশ্ব ইচ্ছাকৃতভাবে ভুলে গেছে। এ ঘটনা ১৯৫৩ সালে অপারেশন অ্যাজ্যাক্স-এর কথা মনে করিয়ে দেয়, যখন সিআইএ ও এমআই সিক্স মিলে ইরানের গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীকে সরিয়ে পশ্চিমা তেলের নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছিল। এটি আশির দশকে সাদ্দাম হোসেনকে অস্ত্র দেওয়া, ২০০৩ সালে ভুয়া তথ্যের ভিত্তিতে ইরাক আক্রমণ, লিবিয়ার ধ্বংস, সিরিয়ার বিপর্যয়—এসব ঘটনাকে মনে করিয়ে দেয়। কারণ, এসব ঘটনা আলাদা ঘটনা নয়; বরং আধিপত্য বিস্তারের একটানা কাঠামো।
ইরানের সাবেক এক ডেপুটি স্পিকার এই দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্ট করে বলেছেন—খামেনির সবচেয়ে বড় উত্তরাধিকার হলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বৈশ্বিক আধিপত্যের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ এবং সেই আধিপত্যকে ভেঙে দেওয়ার বাস্তব প্রমাণ। পশ্চিমা বিশ্ব ফেব্রুয়ারির ২৮ তারিখের হামলাকে দেখছে একটি কৌশলগত প্রয়োজন হিসেবে। তারা এটিকে দেখছে শত্রুদেশের নেতার মাথা কেটে ফেলার মতো নিখুঁত আঘাত হিসেবে। তবে ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনও স্বীকার করেছে, ইরানের নেতৃত্ব এত বিস্তৃত যে কেবল শীর্ষ ব্যক্তিকে সরিয়ে দেশকে অচল করা যাবে না।
সার্বভৌমত্বের বিষয়টি পশ্চিমা দৃষ্টিতে আন্তর্জাতিক স্বীকৃত একটি আনুষ্ঠানিক বিষয়। তাদের কাছে বিচার মানে প্রতিষ্ঠান দ্বারা পরিচালিত প্রক্রিয়া। কিন্তু গ্লোবাল সাউথের কাছে সার্বভৌমত্ব হলো বাইরের নিয়ন্ত্রণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের ক্ষমতা, যা প্রতিনিয়ত প্রমাণ করতে হয়। এখানে বিচার মানে ঐতিহাসিক ও পুনর্বণ্টনমূলক ন্যায়, যা এখনো অর্জিত হয়নি। এই দুই দৃষ্টিভঙ্গি একে অন্যের সঙ্গে মেলে না। খামেনির জানাজা সেই বিভাজনকে আরও স্পষ্ট করে দেয়। এক পক্ষের কাছে এটি ‘প্রচার’, অন্য পক্ষের কাছে এটি সত্য।
এই শেষযাত্রার বিশেষত্ব এখানেই, এখানে শোককে রাজনৈতিক শক্তিতে রূপান্তর করা হয়। পশ্চিমা হামলা যেখানে নেতৃত্বকে নিশ্চিহ্ন করতে চায়, সেখানে এই জনসমুদ্র দেখাচ্ছে, সমাজ নিজেই নতুন নেতৃত্বের প্রতীক হয়ে উঠতে পারে। দেড় থেকে দুই কোটি মানুষের এই সমাবেশ যেন এক জীবন্ত ঘোষণা—অদম্য ইচ্ছাশক্তি নিঃশেষ হয়ে যায়নি। এটি যেন উল্টো একধরনের জীবরাজনীতি। সাম্রাজ্য হত্যা করে মানুষকে ভীত ও অনুগত রাখতে চায়। আর প্রতিরোধ শোককে শক্তিতে পরিণত করে মানুষকে একত্র করে, প্রতিবাদী করে তোলে। ফলে প্রতিটি শোকাহত মানুষই হয়ে ওঠে প্রতিরোধের অংশ। এই জানাজা তাই একধরনের সংহতির শক্তি।
এখানেই আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার সংকট স্পষ্ট হয়ে ওঠে। কী অপরাধ, কী অন্যায়—তা নিয়েই যখন সবাই একমত নন, তখন নিয়মভিত্তিক ব্যবস্থা টিকতে পারে না। গ্লোবাল সাউথ মনে করে, এই ‘নিয়মভিত্তিক’ ব্যবস্থা পক্ষপাতদুষ্ট, তাই তাদের আস্থা কমে যায়। অন্যদিকে পশ্চিম সেই অভিজ্ঞতাকে ভুল বা বাড়াবাড়ি বলে উড়িয়ে দেয়। ফলে নিজেদের ভুল ঠিক করার সুযোগও থাকে না। এ কারণে আলাপ–আলোচনার সুযোগ কমে, বিভাজন বাড়ে। প্রত্যেক পক্ষ নিজের মতো করে যুক্তি দাঁড় করায় নিজের মানুষদের বোঝানোর জন্য। খামেনির জানাজা তাই এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। এটি দেখিয়ে দেয়, আমরা একই গ্রহে আছি, তবে আমরা আর একই দৃষ্টিভঙ্গির পৃথিবীতে বাস করছি না।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট আইজেনহাওয়ার যে সামরিক শিল্প জোটের কথা বলেছিলেন, তার মূল লক্ষ্য ছিল সংঘাত চালিয়ে যাওয়া। মধ্যপ্রাচ্য বহুদিন ধরেই তাদের পরীক্ষার জায়গা ও লাভের ক্ষেত্র। এই জানাজা যেন সেই ব্যবস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগের সুরে বলছে—সাম্রাজ্যবাদীদের শান্তির চেয়ে শত্রু বেশি দরকার। আর খামেনির ইরান সেই প্রয়োজনীয় শত্রুর ভূমিকাই পালন করেছে। তাই এই শোক শুধু একজন মানুষের জন্য নয়। এটি একটি সম্ভাব্য পৃথিবীর জন্য, যেখানে সার্বভৌমত্ব মানে সত্যিকারের স্বাধীনতা।
পাকিস্তানের উপস্থিতি এখানে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে মধ্যস্থতায় ইসলামাবাদের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। এপ্রিলের যুদ্ধবিরতি ও জুনের সমঝোতা স্মারক তৈরিতে তারা সাহায্য করেছে। অথচ সেই দেশের প্রধানমন্ত্রীই এখন তেহরানে দাঁড়িয়ে সেই নেতাকে সম্মান জানাচ্ছেন, যাঁকে যুক্তরাষ্ট্র হত্যা করেছে। এটি দ্বিচারিতা নয়; বরং বহুমুখী বিশ্বের বাস্তবতা।
ইরাকের নাজাফ ও কারবালা হয়ে শেষযাত্রার পথও গুরুত্বপূর্ণ। স্থানীয় রাজনীতিকদের অনুরোধে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এটি শুধু ধর্মীয় অনুভূতি নয়; বরং একটি বার্তা—প্রতিরোধ কোনো এক জায়গার ওপর নির্ভর করে না। একজন নেতা চলে গেলেও নেতৃত্ব থেমে যায় না।
* কুরনিয়াওয়ান আরিফ মাসপুল, গবেষক ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক লেখক
- মিডল ইস্ট মনিটর থেকে নেওয়া, অনুবাদ: সারফুদ্দিন আহমেদ
![]() |
| খামেনির জানাজা কেবল ধর্মীয় আচার নয়, এটি ভূরাজনৈতিক বার্তা। ছবি: রয়টার্স |
About: Kutubdia News
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরাইলের ‘প্রজনন গণহত্যা’ : লক্ষ্য মা ও শিশু
ফিলিস্তিনি নারীবাদী গোষ্ঠীর নতুন একটি প্রতিবেদনে এই ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর থেকে ইসরাইল এই বর্বরতা আরো বাড়িয়ে দিয়েছে, যার উদ্দেশ্য ফিলিস্তিন থেকে জীবনের চিহ্ন মুছে ফেলা।
জাতিসঙ্ঘের তদন্ত কমিটি নিশ্চিত করেছে, ইসরাইলি বাহিনী ইচ্ছাকৃতভাবে ফিলিস্তিনি শিশুদের টার্গেট করছে। স্নাইপার ও ড্রোন দিয়ে নিখুঁত নিশানা, বন্দিশালায় নির্যাতন, প্রজনন সহিংসতা এবং স্কুল-হাসপাতাল ধ্বংসের মাধ্যমে শিশুদের ওপর চরম আঘাত হানা হচ্ছে।
ইসরাইলি হামলায় এ পর্যন্ত ২১ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি শিশু নিহত হয়েছে এবং কমপক্ষে ১৫ হাজার শিশু তাদের মাকে হারিয়েছে। আল-নাসর শিশু হাসপাতালের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় ইসরাইল। পরে হাসপাতালটির ইনকিউবেটরে থাকা চার শিশুর পচাগলা লাশ উদ্ধার করা হয়।
ফিলিস্তিনি নারীবাদী গোষ্ঠী ১৮৮ পৃষ্ঠার একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, যার শিরোনাম ‘একটি শিকারী রাষ্ট্র : ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরাইলের পদ্ধতিগত যৌন ও লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা’।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিলিস্তিনি নারীদের ওপর পদ্ধতিগত যৌন ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা চালাচ্ছে ইসরাইল। পানি ও স্যানিটারি পণ্য আটকে দেয়ায় তীব্র সঙ্কটে পড়েছেন নারীরা। বোমাবর্ষণে ধ্বংস হওয়া হাসপাতালে জ্বালানি, বিদ্যুৎ বা চেতনানাশক কিছুই নেই।
আন্তর্জাতিক চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, অ্যানেস্থেশিয়া ছাড়াই সেখানে সিজারিয়ান অপারেশন করতে হচ্ছে। প্রসূতি মায়েরা ডায়াপার, খাবার ও পানি পাচ্ছেন না। আইভিএফ ক্লিনিক ধ্বংস এবং সাদা ফসফরাসের মতো বিষাক্ত অস্ত্রের ব্যবহার ফিলিস্তিনিদের প্রজনন ক্ষমতার ওপর দীর্ঘমেয়াদি বিরূপ প্রভাব ফেলছে।
প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, ‘ব্যাপক অনাহার, বাস্তুচ্যুতি ও মহামারীর মধ্যেও সন্তান জন্মদান এবং তাদের বাঁচিয়ে রাখার এক অসম্ভব লড়াই একা কাঁধে বয়ে বেড়াচ্ছেন ফিলিস্তিনি মায়েরা।’
রানিয়া আবু আনজা নামে এক নারী ১০ বছর চিকিৎসার পর যমজ সন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন। কিন্তু ইসরাইলি বিমান হামলায় তার স্বামী ও দুই সন্তানই নিহত হয়। জোমানা আরাফা নামে আরেক মা যমজ সন্তান জন্ম দেন। এর ঠিক দু’দিন পর তথাকথিত নিরাপদ অঞ্চলেই তিনি এবং তার দুই শিশু ও মা নিহত হন। সন্তানদের জন্মনিবন্ধন আনতে বাইরে যাওয়ায় বেঁচে যান তার স্বামী।
ইসরাইল মূলত ফিলিস্তিনিদের বংশবৃদ্ধিকে ভয় পায়। এর আগে ইসরাইলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী গোল্ডা মেয়ার বলেছিলেন যে, তার দুঃস্বপ্ন শুরু হয় যখন তিনি ভাবেন ‘আরেকটি ফিলিস্তিনি শিশু জন্ম নেবে’।
জাতিসঙ্ঘের বিশেষ দূত ফ্রান্সেসকা আলবানিজ বলেছেন, ‘এটি এমন এক ব্যবস্থার কলঙ্কজনক দলিল যা ফিলিস্তিনিদের জীবন, শরীর ও পরিবারকে দমনের হাতিয়ারে পরিণত করেছে।’
সূত্র: মিডল ইস্ট আই
![]() |
| মায়ের কোলে এক ফিলিস্তিনি শিশু। সংগৃহীত |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হাঁটার চেয়ে সিঁড়ি দিয়ে ওঠা কতটা ভালো ব্যায়াম, জানেন?
সিঁড়ি ভাঙা কি আসলেই ভালো?
হ্যাঁ। যাঁরা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক খেলাধুলায় অংশ নেন, তাঁরাও নিয়মিত সিঁড়ি ভাঙার ব্যায়াম করেন।
পারসোনা হেলথের ফিটনেস ট্রেইনার শাহিনূর চৌধুরী বলেন, ‘নগরবাসীর জন্য এটি হতে পারে হাঁটার ভালো বিকল্প। লিফট বা এস্কেলেটর বাদ দিয়ে সিঁড়ি ভাঙলে হৃৎপিণ্ড দ্রুত কাজ করা শুরু করে। তাই লো-ইমপ্যাক্ট ব্যায়াম হিসেবে এটি দারুণ।’
হাঁটার চেয়ে সহজেই এটি করা যায়, কারণ অফিস হোক বা বাসা—শহরের প্রায় সবখানেই সিঁড়ি ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। অন্যদিকে শহরে হাঁটার পরিবেশ পাওয়া কঠিন। কিন্তু সিঁড়ি দিয়ে উঠলে হাঁটার চেয়ে ক্যালরি খরচ হয় অনেক বেশি।
কেউ যদি অল্প সময়ের জন্যও সিঁড়ি ভাঙেন, তা থেকেও উপকার মিলবে। বিশেষ করে হৃৎপিণ্ডের সুরক্ষা, ওজন কমানো ও দীর্ঘায়ুর মতো স্বাস্থ্যকর নানা সুবিধা পাওয়া যায়।
যুক্তরাষ্ট্রের স্পোর্টস মেডিসিনের চিকিৎসক ক্যারি জাওরস্কি জানাচ্ছেন, প্রতিদিন যাঁদের সিঁড়ি বাইতে হয়, তাঁদের কাছে এটা সহজ মনে হলেও এতে শরীরের অনেকগুলো অংশ একই সঙ্গে কাজ করে। কারণ, সিঁড়ি বেয়ে ওঠার সময় আপনাকে বারবার শরীরটা মাধ্যাকর্ষণের বিপরীতে ওপরে তুলতে হয়।
ক্যারি বলেন, ‘হৃৎপিণ্ড শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। আর সিঁড়ি দিয়ে উঠলে সেই হৃৎপিণ্ডের ব্যায়াম হয়। পাশাপাশি সিঁড়ি দিয়ে ওঠার অভ্যাস পায়ের পেশি গড়তে সাহায্য করে।’
ক্যারির কথাকে সমর্থন করে নিউইয়র্কভিত্তিক আরেক স্পোর্টস মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ড. স্টুয়ার্ট চার্নি বলেন, ‘সিঁড়ি ভাঙা সত্যিই অসাধারণ এক কার্ডিও। এতে অনেকগুলো মাংসপেশি একসঙ্গে কাজ করে, ফলে শরীরকে বেশি পরিশ্রম করতে হয় আর ক্যালরিও বেশি খরচ হয়।’
সিঁড়ি ভাঙার সময় মূলত ঊরুর সামনের পেশি, পেছনের পেশি, পা ও নিতম্বের পেশি একসঙ্গে কাজ করে।
কত ক্যালরি খরচ হয়
সিঁড়ি বাইলে কার কতটা ক্যালরি পুড়বে, সেটা নির্দিষ্ট করে বলা কঠিন। কেননা আপনি কত দ্রুত সিঁড়ি ভাঙছেন, সেটার ওপর নির্ভর করে কত ক্যালরি পুড়বে। তবে হাঁটার চেয়ে অনেক বেশি ক্যালরি খরচ হয় সিঁড়ি বেয়ে উঠলে। চিকিৎসকেরা ধারণা করেন, হাঁটার চেয়ে অন্তত চার গুণ বেশি ক্যালরি পোড়ে সিঁড়িতে।
যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিনের এক নিবন্ধ থেকে জানা যায়, সিঁড়ি ভাঙা এমন একটি সহজ কার্যকলাপ, যা জিমে না গিয়েও প্রচুর ক্যালরি পোড়াতে সাহায্য করে।
দেশটির উইসকনসিন ডিপার্টমেন্ট অব হেলথ সার্ভিসের হিসাবে, একজন প্রায় ৭০ কেজি ওজনের ব্যক্তি যদি এক ঘণ্টা দৌড়ে সিঁড়ি ভাঙেন, তবে ১ হাজার ৫০ ক্যালরির বেশি খরচ হবে। আর যদি হাঁটার মতো করে সিঁড়ি বেয়ে ওপরে ওঠেন, তবে প্রায় ৫৬০ ক্যালরি খরচ হবে।
সেই তুলনায় সমতলে মাঝারি গতিতে এক ঘণ্টা হাঁটলে মাত্র ২৪৬ ক্যালরি খরচ হয়। অনভ্যাসে বেশির ভাগ মানুষ দীর্ঘ সময় ধরে সিঁড়ি ভাঙতে পারেন না। তবে যেহেতু এতে অনেক বেশি শক্তি খরচ হয়, তাই অল্প সময় করলেও এটি খুব কার্যকর ব্যায়াম।
সতর্কতা
* যেকোনো ব্যায়াম শুরু করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
* যাঁদের ভারসাম্যে সমস্যা বা হাঁটুর ব্যথা আছে, তাঁদের বিকল্প ব্যায়াম বেছে নেওয়াই ভালো।
* সিঁড়ি বেয়ে ওঠার ব্যায়াম করলে হার্ট রেটে সব সময় খেয়াল করতে হয়। কারণ, সিঁড়ি ভাঙলে হঠাৎ করে পালস অনেক বেড়ে যেতে পারে, যেটা ঝুঁকিপূর্ণ।
সূত্র: টুডে ডটকম
| সিঁড়ি দিয়ে নামার চেয়ে ওঠায় বেশি উপকার মেলে। মডেল: সিফাত। ছবি: কবির হোসেন |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসরাইলবিরোধী মামদানি মার্কিন সমাজে যেভাবে প্রভাব বলয় তৈরি করলেন
সাম্প্রতিক সময়ে নিউইয়র্কের ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে মামদানির সমর্থিত তিন প্রগতিশীল প্রার্থী ব্র্যাড ল্যান্ডার, ক্লেয়ার ভালদেজ এবং দারিয়ালিজা আভিলা শেভালিয়ার জয় পাওয়ায় তার রাজনৈতিক প্রভাব আরও স্পষ্ট হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমসও তাকে ‘কিংমেকার’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই বিজয় শুধু কয়েকজন প্রার্থীর সাফল্য নয়; বরং নিউইয়র্কে প্রগতিশীল রাজনীতির ক্রমবর্ধমান শক্তির প্রতিফলন। নির্বাচননি সমাবেশগুলোতে ‘ফ্রি, ফ্রি প্যালেস্টাইন’ এবং ‘ডিএসএ’ (ডেমোক্র্যাটিক সোশ্যালিস্টস অব আমেরিকা)-এর স্লোগান নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
মেয়র হওয়ার পর থেকেই মামদানি ফিলিস্তিন ইস্যুতে স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছেন। তিনি নিউইয়র্কের ‘ইসরাইল ডে প্যারেড’-এ অংশ নেননি এবং প্রো-ইসরাইল লবিং সংগঠন এআইপিএসির সমালোচনা করে বক্তব্য দেন। তার এই অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের মূলধারার রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
মামদানি প্রকাশ্যে বলেছেন, তিনি এমন কোনো রাষ্ট্রব্যবস্থাকে সমর্থন করেন না যেখানে একটি ধর্মকে অন্য ধর্মের ওপর বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয় তা ইহুদি, মুসলিম বা খ্রিস্টান রাষ্ট্রই হোক না কেন। এই বক্তব্য তাকে প্রগতিশীল ভোটারদের কাছে আরও জনপ্রিয় করে তুলেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মামদানির শক্তি শুধু পররাষ্ট্রনীতি বা ফিলিস্তিন প্রশ্নে সীমাবদ্ধ নয়। শ্রমজীবী মানুষের অধিকার, আবাসন সংকট, শিশু পরিচর্যা এবং সামাজিক নিরাপত্তার মতো স্থানীয় ইস্যুকেও তিনি সমান গুরুত্ব দিয়েছেন। তার প্রশাসনের দাবি, অল্প সময়ের মধ্যেই সার্বজনীন শিশুযত্ন কর্মসূচির জন্য ১.২ বিলিয়ন ডলার রাজ্য তহবিল নিশ্চিত করা, শ্রমিক ও ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য ৯ মিলিয়নের বেশি ডলার ক্ষতিপূরণ আদায়, ভাড়াটিয়াদের জন্য ৩১ মিলিয়ন ডলারের সমঝোতা এবং বড় অঙ্কের বাজেট ঘাটতি কমানোর মতো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
পর্যবেক্ষকদের মতে, নিউইয়র্কে মামদানির নেতৃত্বে যে প্রগতিশীল জোট গড়ে উঠছে, সেখানে ইহুদি, মুসলিম, খ্রিস্টান, আফ্রিকান-আমেরিকান, আরবসহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ রয়েছে। এই জোট ভবিষ্যতে জাতীয় রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
একই সময়ে মিশিগান ও কলোরাডোসহ অন্যান্য অঙ্গরাজ্যেও প্রগতিশীল ও ফিলিস্তিনপন্থী অবস্থানের প্রার্থীদের উত্থান ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রতিষ্ঠিত নেতৃত্বের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। ফলে অনেক বিশ্লেষকের প্রশ্ন নিউইয়র্কে শুরু হওয়া এই রাজনৈতিক পরিবর্তন কি ধীরে ধীরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ছড়িয়ে পড়বে?
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, আগামী কয়েক বছরের নির্বাচনি রাজনীতিই নির্ধারণ করবে জোহরান মামদানির নেতৃত্বে শুরু হওয়া এই প্রগতিশীল ধারাটি সাময়িক প্রবণতা, নাকি যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তনের সূচনা।
সূত্র: মিডলইস্ট আই

About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
২৫২ কোটি রুপির মাদক–কাণ্ডে ওরি! আবার তোলপাড় বলিউডে
গত ২১ নভেম্বর ২০২৫ বৃহস্পতিবার তাঁকে হাজির হতে বলা হয়েছিল; কিন্তু ওরি নিজে হাজির হননি। তাঁর হয়ে উপস্থিত হন আইনজীবী। তাঁর আইনজীবী তদন্ত কর্মকর্তাদের জানান, ‘ওরি বর্তমানে ব্যক্তিগত কারণে হাজির হতে পারছেন না।’ একই সঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদের তারিখ ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি। এখন এএনসির সিনিয়র কর্মকর্তারা সেই আবেদন বিবেচনা করছেন।
কীভাবে আলোচনায় এল ওরির নাম
এই হাইপ্রোফাইল মামলার মোড় ঘোরে মূল অভিযুক্ত মোহাম্মদ সেলিম মোহাম্মদ সুহেল শেখ, ওরফে ‘ল্যাভিশ’, তদন্তে নতুন তথ্য দেওয়ার পর। বিলাসী জীবনযাপনের কারণে পরিচিত ল্যাভিশ তদন্তে দাবি করেন, তিনি যে মাদক পার্টিগুলো আয়োজন করতেন, সেখানে মুম্বাইয়ের পরিচিত তারকা, ফ্যাশন দুনিয়ার ব্যক্তিত্ব, প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য এবং আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন দাউদ ইব্রাহিমের এক আত্মীয় নিয়মিত উপস্থিত থাকতেন। সেই তালিকায় ওরির নামও উঠে আসে।এই তথ্যের ভিত্তিতেই এএনসি তাঁকে সমন পাঠায়। যদিও এখনো তাঁর বিরুদ্ধে কোনো সরাসরি অভিযোগ আনা হয়নি।
কেন হাজির হলেন না ওরি
বৃহস্পতিবার এএনসির ঘাটকোপার ইউনিটে তাঁকে হাজির হতে বলা হয়েছিল; কিন্তু ওরি ব্যক্তিগত ব্যস্ততার কথা জানিয়ে সময় বাড়ানোর আবেদন করেন। তাঁর আইনজীবী জানান, ‘ওরি এই মুহূর্তে শহরের বাইরে বা ব্যক্তিগত কিছু কাজে ব্যস্ত, তাই তদন্তে হাজির হওয়া সম্ভব নয়।’ জিজ্ঞাসাবাদ পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন করা হলেও তদন্ত কর্মকর্তারা এখনো সিদ্ধান্ত নেননি। তাঁরা ওরিকে যে কোনো সময় হাজির হতে বলতে পারেন।
কে এই ‘ল্যাভিশ’
মোহাম্মদ সেলিম শেখ, যাকে ‘ল্যাভিশ’ নামে চেনে সবাই, তাঁর জীবনযাপন ছিল সিনেমার কাহিনির মতো । কুখ্যাত গ্যাংস্টার সেলিম ডোলার ঘনিষ্ঠ এই ব্যক্তি মেফেড্রোন তৈরির একটি বড় নেটওয়ার্ক পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ। গত বছর মহারাষ্ট্রের সাংগলিতে একটি গোপন মাদক কারখানা থেকে ২৫২ কোটি রুপির মেফেড্রোন উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় তাঁকে প্রথম গ্রেপ্তার করা হয়। পরে এএনসির ঘাটকোপার ইউনিট তাঁকে পুনরায় আটক করে। গত মাসে তাঁকে দুবাই থেকে ভারতে ফিরিয়ে আনা হয়। ল্যাভিশের দেওয়া তথ্যই এখন তদন্তের মূল সূত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মুম্বাইয়ের বিনোদনজগৎ ও মাদক কেলেঙ্কারি
মুম্বাইয়ের বিনোদনজগতের সঙ্গে মাদকযোগের অভিযোগ নতুন নয় । সময়–সময় বিভিন্ন তদন্তে উঠে এসেছে মাদক-রেভ পার্টি, সিন্ডিকেট ও পাচারকারীদের সঙ্গে কয়েকজন তারকার যোগাযোগের বিষয়।
২০১১ সালের ‘ওশিয়ানিয়া’ রেভ পার্টি থেকে শুরু করে ২০২০ সালে সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর মাদক-তদন্ত পর্যন্ত প্রতিটি ঘটনাই বলিউডকে আলোচনায় এনেছে। এর আগেও একাধিক অভিনেতা, অভিনেত্রী, মডেল ও টিভিশিল্পী মাদক মামলায় ডেকে পাঠানো হয়েছিল। বিনোদন দুনিয়ার এই গ্ল্যামার, পার্টি, পরিচিতি—সবকিছু মিলিয়ে মুম্বাইকে বহুদিন ধরেই মাদক ব্যবসার বড় বাজার হিসেবে চিহ্নিত করে আসছে তদন্ত সংস্থাগুলো। এ কারণেই প্রতিটি বড় মামলাতেই কোনো না কোনো পরিচিত নাম উঠে আসে।
ওরি মূলত বলিউড তারকাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কারণেই আলোচিত। বিভিন্ন পার্টি, ফ্যাশন ইভেন্ট ও তারকার সন্তানদের সঙ্গে তাঁর নিয়মিত উপস্থিতি তাঁকে আলোচনার কেন্দ্রে রাখে। তাই তাঁর নাম এই মামলায় আসতেই তা দ্রুতই সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
সামনে কী অপেক্ষা করছে ওরির
এএনসি এখনো ওরির বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ আনেনি। তাঁকে কেবল জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সমন পাঠানো হয়েছে। তবে তদন্তসংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, ‘আগামী জিজ্ঞাসাবাদে যদি নতুন তথ্য পাওয়া যায়, তাহলে ওরির জন্য পরিস্থিতি জটিল হতে পারে।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর বিপুল জনপ্রিয়তা এবং বলিউড তারকাদের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা মিলিয়ে বিষয়টি এখনই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। তদন্ত এগোলে আরও অনেক নাম সামনে আসতে পারে।
![]() |
| ওরহান অবাত্রামণি। ইনস্টাগ্রাম থেকে |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ▼ 2026 (1403)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...


