Tuesday, March 20, 2018
ছাত্রীর পোশাক নিয়ে শিক্ষকের মন্তব্যে তোলপাড় কেরালায়

শিক্ষকের এ বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হয়েছে উত্তেজনা। ওই বক্তব্যকে যৌনতার পর্যায়ে ফেলা হয়েছে। বলা হচ্ছে, এটা অবমাননাকর মন্তব্য। ফলে সোমবার ওই কলেজে কয়েক দফা বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছে। বেশ কিছু ছাত্রী ওই বিক্ষোভে অংশ নেন। এসএফআই-এর ব্যানারে তারা প্রতিবাদ বিক্ষোভ করেন। এর নাম দেয়া হয় ‘ওয়াটারমেলন মার্চ’।

তাদের এই বিক্ষোভ কলেজের প্রধান গেটে সমবেত হয়। এ সময় সব ছাত্রীর হাতে ছিল তরমুজের স্লাইস। তারা সবাই ওই শিক্ষকের শাস্তি দাবি করেন। তবে পুলিশ বিক্ষোভ ঠেকিয়ে দিয়েছে। ওদিকে কেএসইউ নামের একটি সংগঠনের নেতাকর্মরিা তরমুজের স্লাইস বিতরণের মধ্য দিয়ে তাদের বিক্ষোভ প্রকাশ করেছে। এবিভিপি-এর কর্মীরা কলেজের গেটের সামনে একটি তরমুজ আছড়ে ফেলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ওদিকে শিক্ষকের ওই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এতে ওই শিক্ষক ছাত্রীদের পায়ের বড় অংশ প্রদর্শনের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ক্যাম্পসের শতকরা ৮০ ভাগ শিক্ষার্থীই হলো ছাত্রী।

তার আবার বেশির ভাগই মুসলিম। তারা পর্দা ব্যবহার করে। কিন্তু তা এতটাই উপরে উঠে থাকে যে তাতে তাদের পায়ের বেশির ভাগ অংশ প্রকাশ পায়। বিক্ষোভ হওয়ায় কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ইউনিয়নের চেয়ারপারসন সুজা পি বলেছেন, আমাদের মুখের দিকে তাকিয়ে পড়ানোর কথা শিক্ষকদের। তাদের তো আমাদের শরীরের দিকে তাকানোর কথা নয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ত্রাণ সুবিধা পৌঁছে দেয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে খারাপ দেশ মিয়ানমার

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গোপন চুক্তিতে মুক্তি পেয়েছেন প্রিন্স আলওয়ালিদ

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খালেদা জিয়ার দীর্ঘ কারাবাস, কোন পথে এগোবে বিএনপি

তার আইনজীবীরা এই আদেশকে নজিরবিহীন এবং অপ্রত্যাশিত বলে বর্ণনা করেছেন। তারা বলছেন, এখন খালেদা জিয়া খুব সহসা মুক্তি পাচ্ছেন না। দলটির একাধিক নেতা স্বীকার করেছেন, এমন পরিস্থিতির জন্য বিএনপি প্রস্তুত ছিল না। তাদের মধ্যে নতুন করে এক ধরণের হতাশা তৈরি হয়েছে। তবে বিএনপি পরিস্থিতিটাকে বাস্তবতা হিসেবে ধরে নিয়ে নির্বাচন সামনে রেখে কৌশলে এগুতে চাইছে। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় পাঁচ বছরের সাজা নিয়ে কারাবন্দী খালেদা জিয়াকে হাইকোর্ট চার মাসের জামিন দিয়েছিল।
এখন সরকার এবং দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সুপ্রিমকোর্ট থেকে দেড় মাসেরও বেশি সময়ের জন্য জামিন স্থগিত হয়েছে। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলাটির বিচার কার্যক্রম চলেছে ১০ বছর ধরে। কিন্তু সেই বিচার কার্যক্রম এখনই শেষ হয়ে যাবে, এমনটা ধারণা করতে পারেননি বিএনপি'র শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা। ফলে বিচার শেষে পাঁচ বছরের সাজা হওয়ার পর খালেদা জিয়াকে যখন জেলে নেয়া হয়েছে, সেই পরিস্থিতিতে এসে বিএনপি রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করেছে। বিএনপি নেতাদের অনেকের সাথে কথা বলে মনে হয়েছে, খালেদা জিয়া কারাবন্দী হলেও অল্প সময়ের মধ্যে জামিনে মুক্তি পাবেন, দলটিতে এমন ধারণাও তৈরি হয়েছিল। দক্ষিণ পশ্চিমে খুলনায় বিএনপির ভাল অবস্থান রয়েছে। সেখানকার বিএনপির একজন সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলছিলেন, খালেদা জিয়ার কারাবাস দীর্ঘায়িত হবে, এ ব্যাপারে তাঁরা প্রস্তুত ছিলেন না। "বিএনপি এটার জন্য প্রস্তুত ছিল না। এই যে নির্বাচন সামনে রেখে তাঁকে আটক রাখা হয়েছে। এর পিছনে বিএনপিকে ভাঙ্গার ষড়যন্ত্র থাকতে পারে। নেতা-কর্মিদের মাঝে হতাশা দেখা দিতে পারে। নানান ধরণের ষড়যন্ত্রের মধ্যে বিএনপিকে ফেলতে পারে।"
বিএনপির এই নেতা নজরুল ইসলাম মঞ্জু আরও বলেছেন, "বিএনপি বলুক যে বেগম জিয়ার মুক্তি না হলে তারা নির্বাচনে যাবে না। বিএনপি বলুক যে অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা না হলে বিএনপি নির্বাচনে যাবে না। এবং এধরণের প্রতিকূল পরিবেশে যাতে বিএনপি নির্বাচনে না যায়, তারই ষড়যন্ত্র চলছে।"
দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিএনপির তৃণমূলের নেতা-কর্মিদের অনেকের সাথে কথা বলে মনে হয়েছে, তাদের শীর্ষ নেত্রীকে জেলে নেয়ার ঘটনায় বিএনপির সব পর্যায়ের নেতা কর্মিরা সক্রিয় হয়েছিল, সেটাকে কাজে লাগিয়ে নির্বাচন সামনে রেখে জনগণকে সম্পৃক্ত করার কৌশল নিয়ে এগুনোর কথা দলের কেন্দ্র থেকে তাদের বলা হয়েছিল। কিন্তু এখন খালেদা জিয়ার জামিন স্থগিত হওয়ায় বিএনপি আবার হোঁচট খেয়েছে বলে তারা মনে করছেন।
উত্তরের রাজশাহী থেকে বিএনপির একজন নেত্রী জাহান পান্না বলছিলেন, তাদের তৃণমুলে আবার যে হতাশা তৈরি হলো, তা কাটিয়ে উঠতে সময় প্রয়োজন হবে।
যদিও বিএনপিতে একটা ধারণা তৈরি হয়েছে যে, খালেদা জিয়াকে কারাগারে নেয়ায় মানুষের মাঝে একটা সহানুভুতির সৃষ্টি হয়েছে এবং গণসংযোগের মতো তাদের কর্মসূচিগুলোকে মানুষ সমর্থন করছে। কিন্তু বিশ্লেষকরা মনে করেন, বিএনপির কর্মসূচি সরকারের উপর কোন চাপ তৈরি করতে পারেনি। সিনিয়র সাংবাদিক আমানউল্লাহ কবির বলছিলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তির ইস্যুর কাছে এখন নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থার বিএনপির দাবি চাপা পড়ে গেছে। "নির্বাচনের সময় সহায়ক সরকারের যে দাবি বিএনপি করেছিল, সেটা এখন 'ফরগট ইট' বা অতীত হয়ে গেছে। বিএনপি আর সে সুযোগ পাচ্ছে না। খালেদা জিয়ার কারাবাসের পর যে আন্দোলন গড়ে তোলার কথা ছিল, সেটা কিন্তু পারেনি। সব মিলিয়ে তাদের নেতৃত্বে এক ধরণের হতাশা এবং একই সাথে কনফিউশন সৃষ্টি করেছে" বলে মি. কবির মনে করেন।
বিএনপি নির্বাচনে যেতে চায়। সেই প্রেক্ষাপটে দলটি সতর্কতার সাথে এগুবে বলে বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা বলে আসছেন। এখনও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এখন খালেদা জিয়ার জামিন স্থগিত হওয়ায় তাদের দলে কিছুটা হতাশা সৃষ্টি হয়েছে। এরপরও তাঁরা সতর্কতার সাথে এগুতে চান। "কিছুটাতো আপনার এতে ক্ষোভ হতাশা সবই সৃষ্টি হয়েছে সাধারণ নেতা-কর্মিদের। কিছুটা প্রভাবতো পড়বেই। তবে এটা ঠিক সরকারের দিক থেকে এটা আরেকটা প্রভোকেশন।যাতে দেশে একটা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। আমরা সচেতনভাবে চেষ্টা করছি, প্রভোকেশনে ট্র্যাপ্ট না হতে|" বিএনপির নেতারা আরও বলছেন, জনগণকে সম্পৃক্ত করে এবং নেতা-কর্মিদের অংশগ্রহণ থাকে, এই ধরণের কর্মসূচিই তাঁরা অব্যাহত রাখতে চাইছেন।
তারা মনে করেন, একটা কঠিন সময় তারা পার করছেন, এই পরিস্থিতিতে তাদের সিনিয়র নেতারা ঐক্যবদ্ধ আছেন। তবে বিএনপি এখনও সরকারের উপর কোন চাপ সৃষ্টি করতে পারেনি বলে বিশ্লেষকরা যে বলছেন, সেখানে দলটি ভিন্ন রাজনৈতিক কৌশল নেয়ার কথা বলছে। বিএনপি চাইছে, তাদের জোট এবং সরকারের জোটের বাইরে থাকা দলগুলোর সাথে যুগপৎভাবে কর্মসূচি নিয়ে এগুতে। এর মাধ্যমে সরকারের বিরুদ্ধে সব দলকে দাঁড় করানোর একটা চেষ্টা তাদের রয়েছে।
সূত্র: বিবিসি
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নিজেকে জনগণের জন্য উৎসর্গ করেছিলেন by তোফায়েল আহমেদ

আওয়ামী লীগ নেতা, সংসদ সদস্য, বাণিজ্যমন্ত্রী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
failahmed69@gmail.com
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আমার চারপাশের জগৎ, আইন ও মানবতা by সালেহা চৌধুরী

সাহস তো আপনার কম নয়, আমার গাছের ডাল কাটেন!
কী করব, আমার বাগান আপনার গাছের জন্য প্রাণশূন্য হয়ে উঠছে!
কিন্তু এটা আইনত অন্যায়।
না, অন্যায় নয়। কারণ যদি অন্য বাড়ির গাছ কারও বাগান শেষ করে, তার বাগানে সেই গাছের যতগুলো ডাল এসে পড়ে, তা কাটার অধিকার তার আছে।
আপনি ঠিক বলছেন না। আপনি আইন জানেন না।
জানি এবং কাটার অধিকার আমার আছে, সেটাও জানি।
আমি আপনাকে 'সু' করব। আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।
নেবেন। আমি নির্লিপ্ত কণ্ঠে বলি।
লোকটা রাগে গরগর করতে করতে চলে যায়। আমি বসে আছি, কখন আমার কোর্টে যাওয়ার ডাক পড়ে। তিন সপ্তাহ চলে যায়। একদিন দেখি সেই প্রতিবেশী তার বাড়ির বেড়া খুলে আবার নতুন করে বেড়া বাঁধতে শুরু করেছে এবং গাছটাকে আমার বাড়ির সীমানায় দিয়ে দিয়েছে। আমি তো অবাক। এটা আবার কী হলো? গাছটা কি তিনি আমাদের দান করলেন? পরে জানি তিনি যখন তার বাড়ির মানচিত্র নিয়ে উকিলের কাছে গেছেন, উকিল নাকি দেখেশুনে বলেছেন, ও গাছ আসলে আমাদের। ভুল করে তার সীমানায় চলে গেছে। এখন নতুন করে বেড়া দিয়ে তিনি সেই ভুল শোধরালেন। পরে আমার বাড়ির দেয়ালে যখন ফাটল দেখা দেয়, গাছের সার্জন এনে পুরো গাছটাই আমাদের কাটতে হয়। এখন সেই কাটা গাছের গুঁড়িটার ওপর বসি। আমার বাগান ফুলে ফুলময়। সূর্যের আলো ঠেকায় কে? পাঁচ রঙের গোলাপে পরিপূর্ণ বাগান। গোলাপ গাছ মাত্র ১৩টি। ফুল হয় অনেক। এরপরের গল্প এমন। আমাদের বাড়ির সামনে ছিল একটা লাল পাতার গাছ। আমাদের ও পাশের বাড়ির দেয়ালে ফাটল দেখা যায়। ইন্স্যুরেন্সের লোক এসে বলে গাছটা কেটে ফেলতে। কারণ গাছের দীর্ঘ শিকড় মাটি থেকে রস টেনে এমন কাণ্ড করেছে। এসব গাছ কাটে কাউন্সিল। এটা আমাদের গাছ নয়, সরকারি। যখন কাউন্সিলকে লেখা হয় ওরা বলে, এটা আমাদের কাজ নয়, আপনি ডিপার্টমেন্ট অব এনভায়রনমেন্টকে লিখুন। ওরা তখন জানায়, এটা তাদের কাজও নয়। লেখে- আপনি সোসাল সিকিউরিটি বিভাগকে লেখেন। আসলে পৃথিবীর সব সিভিল সার্ভিসই একরকম। আঠারো মাসে বছর। আমরা যখন চিঠি চালাচালিতে ব্যস্ত হঠাৎ এক ভয়ানক ঝড় হয়। সকালবেলা দেখি গাছটা শিকড়সুদ্ধ মাটিতে পড়ে আছে। পাশের বাসার গোয়েন আর আমার আনন্দ দেখে কে? ও খুব ধর্মভীরু মেয়ে বলে- আটলাস্ট গড হাজ ডান ইট। পরে আমাদের দু'জনের বাড়িতেই 'আন্ডারপিনিং' করতে হয়। মানে পুরো বাড়ির ফাউন্ডেশন বদলাতে হয়। এখন আমাদের দু'জনের বাড়িতে আর কোনো ফাটল নেই। এই বড় ঝড়ে একটা গাছ উপড়ে পড়েছিল আরও অনেক গাছের সঙ্গে। সেই প্রিয় গাছটি আমার বাড়ির কাছে গ্রিনিচ পার্কে ছিল। ১৪৫০-৬০-এর দিকে অষ্টম হেনরির স্ত্রী অ্যান বোলিন সেই গাছের নিচে বসে পিকনিক করতেন। পরে তাকে অষ্টম হেনরি সন্দেহ করে মুণ্ডু কেটে ফেলেন। তার একমাত্র মেয়ে ভবিষ্যতের রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ ছোটবেলায় এই গাছ ঘিরে নাচত। পাঁচশ' বছর আগের সেই গাছকে ঘিরে রেখেছিল একটা বন্য আইভির ঝাড়। সেই আইভির গাছটা এই পুরনো গাছের প্রাণ হয়ে তাকে রক্ষা করছিল। কিন্তু ১৯৮৪ সালের সেই ভয়ঙ্কর ঝড়ে অনেক গাছ পড়ে যায়। মন খারাপ হয়েছিল একটা পাঁচশ' বছরের পুরনো গাছের মৃত্যুতে। মন খারাপ হয়েছিল বন্য আইভির সেই দুরন্ত ঝাড় সাপের ফণার মতো বাতাসে দুলে এক ভাগ্যহত রানীর কথা বারবার মনে করিয়ে দিত তাকে আর দেখব না বলে। সেই সময় কিউ গার্ডেন নামের লন্ডনের বোটানিক্যাল গার্ডেনের অনেক দুর্লভ গাছ শিকড় উপড়ে মাটিতে পড়ে। আমার বাড়িতে কোনো বিশেষ অতিথি এলে আমি তাদের আমার বাড়ির আশপাশে নিয়ে যাই। শওকত আলী যখন লন্ডনে গিয়ে আমাদের বাড়িতে অতিথি হয়ে আসেন, আমি তাকে বাড়ির আশপাশে বেড়াতে নিয়ে গিয়েছিলাম। তার পছন্দ হয় সেসব দিগন্ত ছোঁয়া মাঠ আর গাছ। সবুজ মেডো, শান্ত-স্নিগ্ধ পরিবেশ আর নির্জনতা। ওখান দিয়ে হাঁটতে গেলে অনেক কবিতা মনে পড়ে যায়। ওয়াশিংটন ডি সিতে ইংরেজি কবিতা প্রতিযোগিতায় যে কবিতা আমাকে 'রানার্স আপ' পুরস্কার এনে দেয়, সেটাও ওখানে প্রথম মাথায় এসেছিল। কবিতাটির নাম 'মোমেন্ট অব ক্রিয়েশন'। শওকত আলী যেই বেঞ্চটাতে কিছুক্ষণের জন্য বসেছিলেন, সেখানে সাঈদ ভাইকেও (আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ) বসতে বলেছিলাম। তিনিও কিছুক্ষণের জন্য বসেছিলেন এবং সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল ও আরও অনেকে। শওকত ভাই আমাকে গাছেদের নাম মুখস্থ করতে বলেছিলেন। গাছ চিনতে বলেছিলেন। ওক, বার্চ, সিলভার বার্চ, পপলার, সিকামোর, উইলো, টিক, বক্স, পাইন এমন কিছু গাছ আমি ছাড়াও আরও কিছু গাছ জেনেছিলাম। সিলভার বার্চের কাণ্ড সাদা। তাই ও সিলভার বার্চ। আমার একটি বিশেষ প্রিয় গাছ আছে। নাম তার উইপিং উইলো। যে গাছ হ্রদ বা নদীর পাশে জন্মে। ক্রন্দসী নারীর মতো সে ঝুঁকে থাকে জলের দিকে। তাই ওকে সবাই বলে 'উইপিং উইলো'। মাও সে তুং একটি কবিতায় এই উইপিং উইলোর কথা বলেছেন- 'তুমি আমার উইপিং উইলো আর আমি তোমার প্রাউড পপলার। মাও সে তুংও এমন কবিতা লেখেন? সত্যি এই পৃথিবীতে কতই না অবিশ্বাস্য ঘটনা ঘটে। রাস্তার পাশের গাছগুলোকে বছরে একবার ট্রিমিং করা হয়। শীতে পত্রশূন্য আর বসন্তে জেগে ওঠা। আমার বাড়ির কাছে আছে এক সাদা চেরি ফুলের গাছ। এক বসন্তে সেই গাছের তলা দিয়ে ছুটছিলাম একটা দরকারি ওষুধ আনতে। চেরির বৈভবীরূপে বেশ কিছুক্ষণ সেই গাছের তলায় দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছিল। হাইড পার্কের মচমচে পাতার ওপর দিয়ে শরতে যে হেঁটে গেছে, সে কখনও তার সেই ঘটনার কথা ভুলে যেতে পারবে না। এবার গাছ সম্বন্ধে কিছু প্রয়োজনীয় কথা :আমাদের পৃথিবীর ভারসাম্য বজায় রাখতে গাছের প্রয়োজন অনেক। প্রতিদিন যে পরিমাণ গাছ কেটে ফেলা হয়, সে পরিমাণ লাগানো হয় না। প্রতি বছর ১৩ মিলিয়ন হেক্টর বনভূমি কেটে ফেলা হয়। যে জায়গার পরিমাণ গ্রিস দেশের সমান। বাংলাদেশের গাছ কেটে ফেলা হয় নির্মমভাবে। শালবন, সুন্দরবন সবকিছু শেষ হতে চলেছে। গাছের কারণে আমাদের পৃথিবীতে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কমতে থাকে। এই সিও-২-কে গ্রিনহাউস গ্যাসও বলা হয়। প্রতিদিন যে পরিমাণ গাছ কাটা হয়, হয়তো একদিন পৃথিবী গাছশূন্য হয়ে যাবে। তখন? পৃথিবীর ধ্বংস অনিবার্য।
ব্রিটেন প্রবাসী কথাসাহিত্যিক
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আমাদের উন্নয়নের পরবর্তী ধাপে যেতে হবে

ডিবিসি :সব ঠিক থাকলে ২০২৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল হওয়ার পথে রয়েছে। এ ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জগুলো কী? বাংলাদেশেরই-বা সে প্রস্তুতি রয়েছে কি-না?
অধ্যাপক রেহমান সোবহান : প্রথমত, এটা টেকনিক্যাল ব্যাপার। এখানে একসাইটেড হওয়ার খুব প্রয়োজন নেই। বাংলাদেশের একটা টার্গেট থাকতে হবে। এখানে কেবল আয়ের (মাথাপিছু) ব্যাপার থাকবে না। আমাদের ট্রান্সফরমেশন ইকোনমি নিয়ে আসতে হবে। দেশি-বিদেশি নতুন বিনিয়োগ নিয়ে আসতে হবে। দেশীয় বিনিয়োগ কিছু হচ্ছে; কিন্তু সেগুলো খুব নির্দিষ্ট (খাতে) হয়ে যাচ্ছে, যেমন গার্মেন্ট শিল্প। আমাদের যেহেতু উন্নয়নের পরবর্তী ধাপে যেতে হবে, সেহেতু বিনিয়োগের প্রসারণ দরকার। যেমন করেছে দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান, চীন। এখন ভিয়েতনাম এ পথে যাচ্ছে। মূল বিষয়টি হলো অর্থনীতির বৈচিত্র্যকরণ। সে প্রক্রিয়া এখানে পুরোপুরি শুরু হয়নি। এ ক্ষেত্রে বিশ্নেষণের ব্যাপার যে, সীমিত বৈদেশিক বিনিয়োগ কেন আসছে। এখানে সুশাসনের কথা প্রথমেই আসবে। তারপর ব্যাংক ব্যবস্থাপনা, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও যথাযথ প্রকল্প সম্পাদন ইত্যাদি।
ডিবিসি :সেগুলোর সঙ্গে তো বিনিয়োগের সম্পর্ক রয়েছে। মানে প্রকল্পে দক্ষতা বাড়ানো...
রেহমান সোবহান :হ্যাঁ, অবশ্যই আছে। এখন তো প্রকল্পে অত্যধিক খরচ করতে হয়। দেশে একটা রাস্তা তৈরি করতে খরচ বেশি হচ্ছে। আমরা যদি সর্বাধিক সুফল পেতে চাই, সেখানে দক্ষতার কোনো বিকল্প নেই। আমরা ইনভেস্টমেন্টের দিকে যাচ্ছি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন হচ্ছে বটে; কিন্তু সেখানেও আমাদের রিসোর্সেস ও ইফিসিয়েন্সি বড় চ্যালেঞ্জ।
ডিবিসি :সিপিডি বলছে, সরকারকে নানা ধরনের স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে বসে কৌশল প্রণয়ন করতে হবে। আসলে সমন্বিত কৌশলটা কী? আমরা তো শুনি, কোন বছর কত বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে, কত বিনিয়োগ আসবে- সে পরিসংখ্যান সরকার তো দিচ্ছে। এখানে নতুন কৌশলের প্রয়োজন কী?
ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য :নতুন পরিস্থিতিতে নতুন কৌশলের প্রয়োজন পড়ে নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার জন্য। আমরা যদি স্বল্পোন্নত দেশের সারি থেকে বের হই, নতুন পরিস্থিতির বিষয়ে বিবেচনা থেকেই নতুন কৌশলের কথা এসেছে। তার সঙ্গে বিদ্যমান কৌশল সামঞ্জস্য কি-না সেটাও বিবেচনা করে দেখতে হবে। আপনি উপস্থাপনায় মধ্যম আয়ের দেশের কথা বলেছেন, সে বিষয়ে কিছু বলা প্রয়োজন। আসলে আমাদের দেশ ২০১৫ সালেই মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়ে গেছে। আমাদের অনেক মন্ত্রী-এমপি বলেন, ২০২১ সালে আমরা মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবো- এটা ভ্রান্ত কথা। আসলে ২০২১ আমাদের মনের ভেতরে সুদৃঢ়ভাবে গেঁথে গেছে। তার আগেও যে আমরা করে ফেলতে পারি, এটা বোধ হয় তাদের বিবেচনায় নেই। আবার অনেকে বলেন, স্বল্পোন্নত থেকে আমরা ২০২১ সালে বেরোব- এটাও ঠিক নয়। স্বল্পোন্নত থেকে আমরা ২০২৪ সালে বেরোব। যা হোক, নতুন পরিস্থিতিটা কী। প্রথম কথা হলো, এটা থেকে বেরোলে আমাদের লাভটা কী হবে? লাভ হবে, বাংলাদেশ যে একটা বিকাশমান অর্থনীতি এবং সেটা যে তুলনীয় দেশের তুলনায় দ্রুততর হচ্ছে, সেখানে একটা আস্থার জায়গা সৃষ্টি হবে। ফলে বিদেশি যারা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে চায়, তাদের জন্য এটা ইতিবাচক সার্টিফিকেট বা আস্থার জায়গা সৃষ্টি হলো। এখন কথা হলো, এটাকে কীভাবে ব্যবহার করে আমরা বাস্তবে সুফল নিয়ে আসব। একটা দিক যে, হয়তো এটার ফলে আমরা শুল্ক্কমুক্ত বাজার সুবিধা হারাব। যদি তা হারাই, সে ক্ষেত্রে রেহমান সোবহান যেটা বলেছেন, একটিমাত্র পণ্যের ওপর যে আমরা নির্ভরশীল- তাহলে পণ্যের বহুবিধকরণ লাগবে। বাজারের এক্সপানশন লাগবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজার, ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজার বা অন্য কোনো নতুন বাজারে প্রবেশের বিষয় আসবে। চীনের বাজারে বড়ভাবে যাওয়া, ভারতের বাজারে বড়ভাবে যাওয়ার বিষয় আসবে। যেমন ইউরোপীয় ইউনিয়ন জিএসটি প্লাস। আমাদের প্লাসের ভেতরে ঢুকতে হলে আরও কিছু কাজ করতে হবে। আমাদের শ্রমিকের অধিকার দিতে হবে। মানবাধিকার লঙ্ঘন করা যাবে না ইত্যাদি বিষয়ে আমাদের আগের চেয়েও অনেক বেশি সচেতন ও সৎ হতে হবে।
ডিবিসি :বাজার সুবিধা তো আমরা ২০২৪ পর্যন্ত পাব...।
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য :২০২৪ নয়, ২০২৭ সাল পর্যন্ত। সে পর্যন্ত আমাদের বড় ধরনের ধাক্কা না-ও হতে পারে। আরেকটি বিষয় হলো, এখন আমরা যেভাবে অনুদান পাই, যেটা ফেরত দিতে হয় না। আমরা কীভাবে ঋণ পাই, সেটা দেখতে হবে। তখন আমাদের বিকল্প খুঁজতে হবে। চীন যেমন এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের বাইরে অবকাঠামোগত ব্যাংক তৈরি করেছে, সেখান থেকে কীভাবে ঋণ আনা যায়।
ডিবিসি : আমি রেহমান সোবহানের কাছে যাই। আপনাদের আলোচনাতে বারবার এ আশঙ্কা ব্যক্ত করেছেন যে, অনেকেই এ সার্টিফিকেট পেয়েছে, এলডিসি থেকে উত্তরণ ঘটিয়েছে। তারপর আর এগোতে পারেনি। সে বিপদটা কোন কোন দেশে হয়েছে এবং আটকে যাওয়ার বিপদগুলো কী?
রেহমান সোবহান :আটকে যাওয়ার অনেক বিষয় আছে। যারা এ অবস্থা পার হয়ে গেছে, তাদের দেখা দরকার। যেমন ভিয়েতনাম। তারা ডাইভারসিফাইড হয়েছে। এখন বাংলাদেশ তো ভাবছে, আমাদের ব্যাপক পরিচিতি আছে। রফতানি হচ্ছে, উন্নয়ন হচ্ছে। কিন্তু ভিয়েতনাম জনসংখ্যায় ছোট, জিডিপিতে ছোট। তাদের এক্সপোর্ট এখন দুইশ' বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। এটা কেন হয়েছে? কারণ তারা বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে গেছে। এমনকি তাদেরও পোশাক শিল্প রয়েছে। তারা দশ জায়গায় কম্পিট করছে। এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রফতানি করছে। ট্রাম্পের নীতি তাদের কোনো বাধা হয় কি-না সেটা দেখতে হবে। মূল বিষয় হলো, তারা ম্যানেজ করেছে। আমাদের চ্যালেঞ্জ এখানেই চলে আসে। এখন তো আমাদের হাতে প্রায় দশ বছর আছে। এই সময়ের মধ্যে কেমন করে একটা পলিসি নিতে হবে, কেমন করে সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে- তা নিয়ে ভাবতে হবে।
ডিবিসি :আপনারা বলছেন, বাংলাদেশের পরিস্থিতিটা ইউনিক। এখানে ছোট দেশে অনেক জনসংখ্যা, আমাদের চ্যালেঞ্জও অন্যরকম...।
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য :হ্যাঁ, আমাদের চ্যালেঞ্জ ভিন্ন, এর প্রকাশ ও মাত্রায় ভিন্নতা রয়েছে। কেন এ প্রশ্নটা থেকে যাচ্ছে বারবার যে, আমরা স্বল্পোন্নত থেকে বেরোচ্ছি; কিন্তু উল্লাস না করে সতর্কতা কেন। যদিও আমরা একটা সার্টিফিকেট পাচ্ছি; কিন্তু অর্থনীতির বিচারে সেটা যে খুব শক্তিশালী সূচক, তা নয়। যেটা রেহমান সোবহানও বলেছেন। শক্তিশালী সূচক হলো, যদি অর্থনীতির ভেতরে উৎপাদনশীল খাতের প্রভাবটা বাড়ে। আপনার প্রক্রিয়াকরণ খাত ছোট, অবকাঠামোর সমস্যা রয়েছে, কৃষি শিল্পায়িত হয়নি। কম বিনিয়োগে অধিক উৎপাদনশীলতার বিষয়টিতে তেমন মনোযোগ নেই। যাতে তারা কম শ্রমে বেশি মজুরি পায়। আমরা বলি, স্বল্পোন্নত থেকে বের হওয়াটাই ফিনিশিং লাইন নয় বরং এটি একটি মাইলফলক। ফিনিশিং লাইনে পৌঁছাতে হলে আপনার অর্থনীতির রূপান্তর ঘটাতে হবে। সেই রূপান্তর ঘটানো ও চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করা- এগুলো একসঙ্গে করার জন্য কৌশল প্রয়োজন। বাংলাদেশে সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা আছে। কিন্তু এ পরিকল্পনা স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বের হওয়ার টার্গেট নিয়ে করা হয়নি। এর মধ্যে আসছে এসডিজি। এগুলো কোনটা বৈশ্বিক পরিকল্পনার সঙ্গে যায়, কোনটাকে অগ্রাধিকার দেব- সে নীতিমালা নেই। আমরা সে গতিশীলতা তৈরি করতে পারব কি-না সে কথাই বলা হচ্ছে। আমরা উল্লাস করছি ঠিক, উল্লাসের সঙ্গে আমাদের যে দায়িত্ব এসে পড়েছে, সে ব্যাপারে সচেতনতা নেই।
ডিবিসি :এই যে মধ্যম আয়, নিম্নমধ্যম আয়, উন্নত, উন্নয়নশীল ও নানা সূচক ইত্যাদি পরিভাষায় বাস্তব উন্নয়নের চিত্র উঠে আসে কি-না?
রেহমান সোবহান :দেখা গেল কোনো দেশ শুধু পর্যটনের ওপর ভিত্তি করেই দাঁড়িয়ে গেল। কিংবা একটি দেশে ডায়মন্ড থেকেই ৫০ শতাংশ জিডিপি আসছে। ভুটান ইলেকট্রিক দ্রব্য দিয়ে এগোচ্ছে। বাংলাদেশ যেখানে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। বাংলাদেশের ছোট্ট টি-শার্ট ও তার ডাইভারসিটি যেখানে বিশ্বকে মাত করছে, সেখানে দেশটির নিশ্চয়ই আরও সম্ভাবনা রয়েছে। আমাদের গ্রামের নারী শহরে এসে ফ্যাক্টরিতে কাজ করছে, সেখানেও তো শ্রমের একটা রূপান্তর হচ্ছে। তার শ্রম দিয়েই যে আমরা বিশ্বের সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছি, সেটা আমাদের বুঝতে হবে। উদ্যোক্তারা আছে। আবার কেবল বড় ফ্যাক্টরিই নয়, ছোট ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হচ্ছে, শহরে-গ্রামে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাঙালিরা কাজ করছে, যেটা অনেক দেশের নেই। আমাদের এত মেধা আছে, সেটা গুরুত্বপূর্ণ। জনসংখ্যার কথা আসছে। আসলে জনসংখ্যা আমাদের শক্তি। যে দেশে ১৬ কোটি মানুষ আছে, সেটা তো একটা বাজার। এই বাজার এক্সপানশনের বিষয় আছে। যদি আমি বুঝতে পারি, এই প্রোডাক্টের প্রয়োজন আছে, সে প্রোডাক্ট উৎপাদনের বিষয় আছে। বাজার বাড়বে, আয় বাড়বে। আমার মনে আছে, প্রায় ২০ বছর আগে দক্ষিণ কোরিয়া ছিলাম। ওই সময় একজন বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ বলেছিলেন, ভবিষ্যতে শক্তিশালী দেশ হবে চীন। কারণ তার বড় বাজার আছে। আমার জনসংখ্যা বেশি, সে জন্য জনসংখ্যা রফতানির বিষয় আছে। যখন বিশ্বে সমস্যা দেখা দেয়, তখন আমরাও সমস্যাগ্রস্ত হই। কিন্তু চীনের অভ্যন্তরীণ বাজার আছে, ভোক্তা আছে, তার তেমন সমস্যা হয় না। কিন্তু এমনিতেই জনসংখ্যা সম্পদ হবে না।
ডিবিসি :তাহলে বছরের পর বছর ধরে যা নিয়ে কথা হচ্ছে, ব্যাপারটা কি এ রকম যে, অবকাঠামোগত উন্নয়ন হবে, গ্যাস দেব, বিদ্যুৎ দেব, বিনিয়োগ হবে, তারপর উন্নয়ন হবে- ব্যাপারটা কি সে রকম?
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য :আসলে কোনো সূচকই কিন্তু বাস্তবতাকে ধরতে পারে না, ধারণ করে না। একেকটা সূচকের একেক ধরনের গুণাবলি রয়েছে। যেমন ধরুন- আমরা বলছি, আমাদের উত্তরণ হবে; কিন্তু এখানে তো বৈষম্যের হিসাব নেই। দেশে যে আয়বৈষম্য বাড়ছে, সেটার হিসাব এর ভেতর নেই। যিনি বৈষম্যের শিকার তিনি হয়তো বলবেন, কই- আমি তো কিছু পেলাম না। আবার এর মধ্যে জিনিসপত্রের দামের হিসাব নেই। আমরা যে উত্তরণের কথা বলছি, নিশ্চয়ই কেউ না কেউ বলবে, জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে, কিসের উত্তরণ হচ্ছে? এ জন্য অর্থনীতিবিদরা এক হাতে কথা বলেন না। দুই হাতে কথা বলেন।
ডিবিসি :একজন দর্শক বলছেন, রফতানির কথা বেশি না ভেবে যদি আমরা আমদানি পণ্য দেশে উৎপাদন করি?
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য :খুবই সুন্দর কথা, এটা নিঃসন্দেহে ভালো। আরেকটা কথা, অবকাঠামো খাতে বিদেশি বিনিয়োগ থাকলেও বড় কলকারখানায় উৎপাদনশীল খাতে তা কম। যেসব দেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বেরিয়েছে, তাদের সবচেয়ে বড় অর্জন ছিল প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ। প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ কারও নীতিকথায় আসে না। তারা দেশের স্থিতিশীলতা দেখে, একটা দীর্ঘমেয়াদি ভবিষ্যৎ দেখতে চায়, সুশাসন দেখতে চায়, মানবাধিকার দেখতে চায়, গণতান্ত্রিক স্থায়িত্ব দেখতে চায়।
ডিবিসি :ড. রেহমান সোবহান, আপনাদের সিপিডির আলোচনায় বলেছেন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, সুশাসন কিংবা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার সুশাসন- এই বিষয়গুলো অর্থনৈতিক উন্নয়ন টেকসই করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর সঙ্গে দর্শকদের সম্পূরক প্রশ্ন, দুর্নীতি, ব্যাংক লুট, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, অনিয়ম ইত্যাদির মধ্যেও দেশ কীভাবে এগিয়ে যাচ্ছে?
রেহমান সোবহান :আসলে আমাদের দেশে প্রত্যেকটি ব্যক্তি কাজ করে, এ জন্য এগিয়ে যাচ্ছে। এটা আমার শক্তিশালী বাংলাদেশের একটি সুবিধা। আমাদের উদ্যোক্তা, শ্রমিক, নারী, ক্ষুদ্রঋণ, তারপর প্রবাসী সবাই তো কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের আশপাশে যা হচ্ছে, মানে অনিয়ম ইত্যাদি বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি।
ডিবিসি :আপনি বলেছেন- কোরিয়া, চীন, তাইওয়ান প্রভৃতি দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তারা যে খুব গণতান্ত্রিক তা তো নয়। তাহলে এখানে গণতন্ত্র এত প্রয়োজন কেন?
রেহমান সোবহান :না, এখানে দুই ক্যাটাগরির দেশ। চীন ও ভিয়েতনামের অন্য ইতিহাস। তাদের ওয়ান পার্টি স্টেট। কমিউনিস্ট পার্টির অনেক সমস্যা আছে, তারপরও একটা বিষয় রয়েছে, তারা সবকিছু একটা ডিসিপ্লিনে রাখতে পারছে। কোরিয়া, ইন্দোনেশিয়ায় এখন গণতন্ত্র শক্তিশালী। তার চেয়ে বড় কথা, এসব দেশে আইনের শাসন। তাদের ইতিহাস একরকম। কিন্তু বাংলাদেশের ইতিহাস তো অন্য। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় দেশ স্বাধীন হয়েছে। বঙ্গবন্ধু তো গণতন্ত্রের জন্যই লাইম-লাইটে ছিলেন। আমাদের ডিএনএর মধ্যে রয়েছে গণতন্ত্র। এই ডিএনএর মধ্যে অন্য দেশের একটা প্রক্রিয়া এখানে চলবে না। তাতে আরও নানা রকম সংকট দেখা দেবে।
ডিবিসি :ড. দেবপ্রিয়, আপনি অর্থনীতিকে ঢেলে সাজানোর প্রক্রিয়ার কথা বলেছেন। বাংলাদেশের সুশাসন. রাজনীতি ইত্যাদিও ঢেলে সাজানোর প্রয়োজন কি-না?
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য :আমি একটু আগের প্রশ্নে আসি। এত দুর্নীতি, এত স্বজনপ্রীতি, মেধার প্রতি বৈষম্য. লুটপাট ইত্যাদি যদি না থাকত, তাহলে চিন্তা করেন আমরা কোথায় চলে যেতাম? তাহলে আমরা ৫-৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি করছি, আরও হয়তো ২ শতাংশ অর্জন সম্ভব ছিল কিংবা আজ যেটা করছি, সেটা ১০ বছরের আগেই করতে পারতাম। আরেকটা বিষয় হলো- এগুলো যেসব দেশে ঘটে, সেখানে যেভাবে উদ্যোক্তা শ্রেণিরা এগোয় বা সাধারণ মানুষ এগোয়, সেটা তারা এক ধরনের রাজনৈতিক সমঝোতা করে এগোয়। একে ইংরেজিতে বলে পলিটিক্যাল সেটেলমেন্ট। এর মাধ্যমে সে একটা জিনিস অর্জন করে, দুইটা ছেড়ে দেয়। কোন জিনিসটা ছেড়ে দেব, তা সে নির্দিষ্ট করে। হয়তো সে বাকস্বাধীনতা ছেড়ে দিচ্ছে, ছেলেমেয়ের শিক্ষা নিচ্ছে। কিন্তু একটা সময় আসতে পারে, যখন সে দেখবে, সে যে গুণমানসম্পন্ন শিক্ষা চাচ্ছে; তার বাকস্বাধীনতা নেই বলে সে মান পাচ্ছে না। তখন কিন্তু সামাজিক সমঝোতা না হয়ে গণবিস্ম্ফোরণ হয়। এটাই মধ্যবিত্ত শ্রেণির ইতিহাস। বাংলাদেশে আপনি পেছনে ফিরে দেখেন, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের ইতিহাস তো এটাই, একাত্তর কিংবা ঊনসত্তরের ইতিহাসও এটি।
ডিবিসি :আপনারা কেবল ব্যক্তি উদ্যোগের কথা বললেন। রাজনৈতিক উদ্যোগও তো আছে। যেমন এ সরকারের ভিশন ২০২১। তারা এর মধ্যে অনেক কিছু অর্জন করতে চায়। এ রকম রাজনৈতিক উদ্যোগ ব্যক্তি উদ্যোগের প্রেরণা কি-না?
রেহমান সোবহান :বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ভিশনারি, সেটা ঠিক আছে। কিন্তু সে ভিশন পূর্ণ করতে সব জায়গায়ই সায় লাগে। ভিশনই যথেষ্ট নয়। তার সঙ্গে দল, প্রশাসন, রাজনীতি, অর্থনৈতিক অবস্থা সবকিছুতেই সে ভিশনের বাস্তবায়নের বিষয় থাকতে হবে। আমাদের অভাব এখানেই।
ডিবিসি :রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা সরকারের ধারাবাহিকতা কি-না? বাংলাদেশে সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে তো অনেক কিছুই বদলে যায়?
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য :বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা মানেই একই সরকার নয়। একই সরকার নির্বাচিত হয়ে এলেও সে নতুন সরকার তৈরি করে। স্থিতিশীলতা, গণতন্ত্র, মানবাধিকার, সুশাসন- এগুলো এখন একসূত্রে গ্রথিত। যদি এগুলো না থাকে, তাহলে আরও বেশি অসুবিধা হচ্ছে। বিশ্ব এখন অনেক বেশি বৈরী হয়ে যাচ্ছে। ওই বৈরিতা আটকাতে হলে দেশের ভেতর স্থিতিশীলতা, রাজনৈতিক সমঝোতা যাতে না ভেঙে পড়ে, সেটা গুরুত্বপূর্ণ।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
'গণতান্ত্রিক একনায়কে'র যুগে বিশ্ব! by তপন মাহমুদ

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অ্যান্টার্কটিকায় ৪০৩ দিন নারী বিজ্ঞানীর

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কুর্দিবিরোধী লড়াইয়ে ইরাকেও হস্তক্ষেপের হুমকি এরদোগানের

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শত্রুদের বিরুদ্ধে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে প্রস্তুত চীন: শি জিনপিং

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মারধরকারী ছেলেকে কুপিয়ে খুন করলেন বাবা

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কুকুরের বাচ্চাটি বলছে ইহুদিরা তাদের নিজ ভূমিতে বসতি গড়ছে

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
টাকা নিয়ে উধাও জিএমজি অস্তিত্ব সংকটে ইউনাইটেড

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এভাবে বাঁচা যায় না বলে স্ত্রী-সন্তানকে খুন, আত্মহত্যার চেষ্টা

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আফগানিস্তানে গুলবুদ্দিনের জনসভার কাছে বিস্ফোরণ, নিহত ৪

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঘরেই তৈরি করুন সুস্বাদ ফলের কাস্টার্ড

উপকরণ
তিন কেজি দুধ, কাস্টার্ড পাউডার তিন টেবিল চামচ, ডিম একটা, চিনি ৪০০ গ্রাম, আনার আধা কাপ, পেঁপে এক কাপ, আপেল এক কাপ, সাগর কলা দুই কাপ, ফ্রুটস কেক কোয়ার্টার পাউন্ড, চেরি ফল ১০টা, আঙুর এক কাপ, কাঠবাদাম কুচি এক চা চামচ, কিশমিশ এক চা চামচ।
প্রস্তুত প্রণালি
চিনিসহ তিন কেজি দুধকে ঘন করে এক কেজি করুন। একটি কাপে কাস্টার্ড পাউডারে ডিম ফেটে একসঙ্গে মিশ্রিত করে তা গরম দুধের ওপর ঢালুন এবং নাড়াচাড়া করতে থাকুন। অনবরত নাড়তে নাড়তে মিশ্রণটি ঘন হয়ে এলে তা ঠাণ্ডা করুন। একটি বড় বাটিতে প্রথমে ফ্রুটস কেকের টুকরো, এর পর পেঁপে, আপেল, কলার টুকরাগুলো সাজিয়ে তার ওপরে ঘন কাস্টার্ডের মিশ্রণটি চামচ দিয়ে ঢেলে দেবেন। এমনভাবে ঢেলে দেবেন, যাতে ফলগুলো ঢেকে যায়। এখন আনার, কাঠবাদাম, কিশমিশ, চেরি ফল, আঙুরগুলো খুব সুন্দর করে সাজিয়ে ফ্রিজে দু-তিন ঘণ্টা রেখে তা পরিবেশন করুন।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঘাড়, মাথা ও বুক ব্যথা

স্পন্ডাইলোসিসের লক্ষণ : ব্যথা ঘাড় থেকে হাতে চলে যায়। অনেকের হাতে ঝিঁ ঝি ধরে। পিঠে বুকে ব্যথা ছড়িয়ে পড়ে। ঘাড় ডানে-বামে বা সামনে-পেছনে ঝোঁকাতে কষ্ট হয়। অনেকে উপরের দিকে তাকাতে পারেন না। অনেক রোগীই বলে থাকেন তাদের কোনো কোনো আঙ্গুল অবশ লাগছে বা ঠিক বোধ পাচ্ছেন না। সকালে ঘুম থেকে উঠে অনুভব করেন তার একটি হাত ঝিঁ ঝি লেগে আছে অথবা ঝিঁ ঝি লাগার কারণে মধ্যরাতে ঘুম ভেঙে গেছে। এসব সাধারণ (কমন) উপসর্গ ছাড়াও অনেক রোগীই মাথা ঘোরা মাথাব্যথা বা বুকে ব্যথার কথা অভিযোগ করে থাকেন। এমনও রোগী আছে যারা বুক ব্যথার সঠিক কারণ নির্নয় করতে না পেরে নিজেকে হৃদরোগী ভাবেন। অথচ অনেক ক্ষেত্রেই সামান্য একটি এক্স-রে করে দেখা যায় তিনি ঘাড়ের হাড় ক্ষয় রোগে ভুগছেন। একইভাবে মাসের পর মাস মাথা ঘোরা রোগের ওষুধ খেয়ে উপকার না পেয়ে পরে স্পন্ডাইলোসিস শনাক্ত হওয়া রোগীর সংখ্যাও নেহাত কম নয়। তাই রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে সাবধান হওয়া জরুরি।
চিকিৎসা : স্পন্ডাইলোসিসের সবচেয়ে কার্যকরী চিকিৎসা আইপিএম। কারণ নির্ণয় হওয়া মাত্রই চিকিৎসা শুরু করতে হবে। ব্যথা বা অন্যান্য উপসর্গ সম্পূর্ণ ভালো হয়ে যাওয়ার আগ পর্যন্ত আইপিএম চালিয়ে যেতে হবে। নিয়ম মেনে চলাও চিকিৎসার সমান গুরুত্বপূর্ণ। সামনে ঝুঁকে কাজ না করা, পাতলা বালিশে ঘুমানো, সমান বিছানা ব্যবহার স্পন্ডাইলোসিস রোগীদের কষ্ট দ্রুত দূর করবে। ডায়াবেটিস, গ্যাস্ট্রিক আলসার এবং কিডনি রোগে আক্রান্তরা ব্যথানাশক ওষুধ সেবন থেকে বিরত থাকুন।
জটিলতা : ফ্রোজেন সোল্ডার স্পন্ডাইলোসিসের অন্যতম প্রধান জটিলতা। তাছাড়া রোগ জটিল আকার ধারণ করলে হাত শুকিয়ে যাওয়া বা আঙ্গুল অবশ হয়ে যাওয়াওর মতো ঘটনা ঘটতে পারে।
চিফ কনসালট্যান্ট
এইচপিআরসি, সেক্টর-৪, উত্তরা, ঢাকা।
মোবাইল ফোন : ০১৮৭২ ৫৫৫ ৪৪৪
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মুখরোচক চিলি পটেটো

উপকরণ
আলু, লবণ, কর্ণ ফ্লাওয়ার, তেল, রসুন, কাঁচামরিচ, আদা, রসুনের পেস্ট, পেঁয়াজের রিং, ক্যাপসিকাম, মরিচের গুঁড়ো, সয়াসস, চিনি, ভিনেগার ও চিলি সস।
প্রণালি
আলু কিছুটা মোটা করে কাটুন। এর পর এটি ভালো করে ধুয়ে লবণ ও কর্ণ ফ্লাওয়ার দিয়ে ভালো করে মেশান। একটি প্যানে তেল গরম করতে দিন। তেল গরম হয়ে এলে এতে আলুগুলো দিয়ে ভাজুন। বাদামি রং হয়ে এলে নামিয়ে ফেলুন। আরেকটি প্যানে তেলে রসুন কুচি, কাঁচামরিচ, পেঁয়াজের রিং, ক্যাপসিকাম কুচি দিয়ে ভাজুন। এর সঙ্গে মরিচ গুঁড়ো, সয়াসস, চিনি, ভিনেগার, লবণ এবং চিলি সস দিয়ে নাড়ুন। এবার এতে ভাজা আলুগুলো দিয়ে দিন। কিছুক্ষণ নাড়ুন। ব্যস তৈরি হয়ে গেল মজাদার চিলি পটেটো। এবার ফ্রাইড রাইস অথবা পোলাওয়ের সঙ্গে পরিবেশন করুন চিলি পটেটো।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভুল সবই ভুল, যা জানি তা ভুল by শাহদীন মালিক

২. শ্রদ্ধেয় বেনজীর আহমেদের সাক্ষাৎকার পড়ে উপলব্ধি হলো যে এক যুগ ধরে ক্রমান্বয়ে ভুল করে চলেছি। সাক্ষাৎকারের শিরোনাম ছিল ‘ “বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড” একটা ভুল শব্দ’। তাই তো, এত দিন ধরে ভুল শব্দ ব্যবহার করে বিরাট ভুল করে চলেছি। লিখছি আর ভাবছি, একজন সম্পাদক বছর দুয়েক আগে অকপটে একটা কথা স্বীকার করেছিলেন। তিনি বিগত সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে গোয়েন্দাদের সরবরাহ করা খবর যাচাই-বাছাই না করে ছাপার কথা স্বীকার করে তাকে ভুল হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। এরপর এক শ পুরো না হলেও এক শর কাছাকাছি মামলা খেয়েছিলেন! অকপটে ভুল স্বীকার করার জন্য তো মামলা হওয়ার কথা নয়। সেটাই ভরসা। অবশ্য আরও ভরসা এটুকু যে বছরের পর বছর ধরে এই ভুল অগণিত ব্যক্তি এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থা, এমনকি গণমাধ্যমও করে আসছে। আমাদের চরম সৌভাগ্য যে শ্রদ্ধেয় বেনজীর আহমেদ আমাদের সবার ভুল ধরিয়ে দিয়েছেন; এ দেশে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হয় না। থ্যাংক ইউ! অবশ্য তিনি প্রশ্নও রেখেছেন-বিচার-অন্তর্ভুক্ত হত্যাকাণ্ড কোনটি।
৩. ভুল বুঝে অনেক ভুল বা খারাপ কাজ করা হয়ে যেতে পারে। আগের বাক্যটা স্বীকারোক্তি নয়, মূল্যায়ন। ভিন্ন মূল্যায়নের জন্য মামলা খাওয়া (!) উচিত নয়। যাহোক, যা বলছিলাম, বছর আড়াই আগে জাতীয় প্রেসক্লাবের বড় হলরুমে তিরিশের বেশি পরিবার সমবেত হয়েছিল। কারও ছেলে, কারও বাবা, স্বামী, ভাই নিখোঁজ। আমরা তাদের আহাজারি শুনেছিলাম প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে। তাদের প্রায় সবাইকে বাসা থেকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তারা দিনের পর দিন, মাসের পর মাস এই অফিস, ওই অফিসে ধরনা দিয়েছে। ছেলে হারানো বৃদ্ধ মা, বাবা হারানো বালকের কথা শুনতে শুনতে আমাদের অনেকের চোখের জল বাধ মানছিল না। পরদিন প্রায় সব পত্রিকাতেই স্বজনহারাদের আহাজারির বৃত্তান্ত ছাপা হয়েছিল। এখন বুঝতে পারছি-সবই ভুল। তাঁরা হয় আর্থিক-ব্যবসায়িক কারণে সটকে পড়েছেন; পারিবারিক বা বৈধ-অবৈধ প্রেমজনিত কারণে গা-ঢাকা দিতে বাধ্য হয়েছেন; আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার জন্য এসব করেছেন। কেউই গুম হননি। মনটা প্রশান্তিতে ভরে উঠেছে। সাক্ষাৎকারে প্রচ্ছন্ন ইঙ্গিত আছে-বিচার বিভাগ কি আর স্বাধীন! ধারণা করছি, নারায়ণগঞ্জের সাত ব্যক্তি প্রথমে নিজেদের মেরেছেন। মরার পর নিজের পেট কেটেছেন। তারপর দড়ি দিয়ে পায়ে-পেটে পাথর আর ভারী বস্তু বেঁধে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছেন। আর শেষে আমজনতা, মিডিয়া আর আইনজীবীদের চাপে পরাধীন বিচারক র্যাবের কর্মকর্তা আর তাঁদের সঙ্গী ব্যক্তিদের অকারণে দোষী সাব্যস্ত করে শাস্তির আদেশ দিয়েছেন। কারণ, র্যাব বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম কিছুই করে না। সবই আমাদের ভুল ধারণা।
৪. শুধু ভুলটাই শোধরাতে পারছি, তা নয়। নতুন তথ্যও জেনেছি সাক্ষাৎকার থেকে। প্রথম আলো প্রশ্ন রেখেছিল-‘এভাবে সামরিক বাহিনীকে যুক্ত করে বিশ্বের কোথাও এ রকম বাহিনী আছে কি?’ জবাবে অতি শ্রদ্ধেয় বেনজীর আহমেদ বলেছেন, ‘না, এ ধরনের বাহিনী অনন্য।’ দুনিয়ায় কেউ বুঝল না আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সেনাসদস্যদের সম্পৃক্ত রাখলে সুফল মেলে। বুঝল শুধু আমাদের সরকার আর র্যাব। আর র্যাব সৃষ্টির জন্য বর্তমানে ডান্ডাবেড়ি লাগানো যে ব্যক্তির ছবি প্রিজন ভ্যান থেকে নামার সময় মাঝেমধ্যে মিডিয়ায় দেখা যায়, অর্থাৎ লুৎফুজ্জামান বাবরের নাম উল্লেখ না করলে নিঃসন্দেহে ইতিহাস বিকৃতির অপরাধে অভিযুক্ত হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়। যারা র্যাবকে প্রতিহত করার চেষ্টা করে, র্যাবের সঙ্গে এনগেজমেন্টে যাওয়ার দুঃসাহস দেখায়, তারা তো মরতেই পারে এবং মরছেও। এটাই স্বাভাবিক। মনে হচ্ছে সাক্ষাৎকারের মূল বক্তব্য ছিল এটাই। অর্থাৎ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সঠিক রাখার জন্য ‘লাইসেন্স টু কিল’ প্রয়োজন। সবচেয়ে বড় ভুলটা এ জায়গায়। ইনিয়ে-বিনিয়ে এক দশক ধরে যে কথা বলে চলেছি এবং বলতেই থাকব তা হলো-সফল রাষ্ট্র। দুর্বল রাষ্ট্র আর ব্যর্থ রাষ্ট্রের মধ্যে পার্থক্য মূলত একটা ব্যাপারে। দুর্বল রাষ্ট্র নিজেকে সফল রাষ্ট্রে পরিণত করতে ক্রমান্বয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর বেশি বেশি করে নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। এর বহিঃপ্রকাশ প্রধানত দুই ধরনের। প্রথমত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বাজেট বাড়ে, প্রযুক্তি-অস্ত্রশস্ত্র বাড়ে আর সেই সঙ্গে কমে জবাবদিহি। আস্তে আস্তে ধরো, মারো থেকে ক্রমান্বয়ে অপহরণ, চাঁদাবাজি, জমি দখল ইত্যাদি ক্ষেত্রে তাদের বিস্তৃতি ঘটে। সেই সঙ্গে প্রতিবাদীদের সংখ্যা কমতে থাকে। দ্বিতীয় বহিঃপ্রকাশ ঘটে ব্যাংক-বিমা, কনস্ট্রাকশন মেরামত, বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল ইত্যাদি। ফল হিসেবে রাষ্ট্রব্যবস্থা ক্রমান্বয়ে ভঙ্গুর হতে থাকে। আর যার জবাবদিহি নেই, তাকে জবাবদিহি করার চেষ্টা করা অর্থহীন। এটা গণমাধ্যমের ভুল। প্রথম আলো এই ভুলটি করেছে।
ড. শাহদীন মালিক: সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের আইনের শিক্ষক
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তাঁরা না কংগ্রেস না বিজেপি

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চড়ুই, বিড়াল, বস্তি ও ফায়ার সার্ভিস by সৈয়দ আবুল মকসুদ

সৈয়দ আবুল মকসুদ: লেখক ও গবেষক
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্যবসায়ী সজলের ফিরে আসা

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বড় নদীতে ছোট নৌযান

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মিয়ানমারে গণতন্ত্র কত দূর এগোল? by মং জার্নি

ইংরেজি থেকে অনূদিত।
মং জার্নি: মিয়ানমারের নির্বাসিত মানবাধিকারকর্মী
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1400)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
March
(1701)
-
▼
Mar 20
(78)
- ছাত্রীর পোশাক নিয়ে শিক্ষকের মন্তব্যে তোলপাড় কেরালায়
- ত্রাণ সুবিধা পৌঁছে দেয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে খারাপ দে...
- গোপন চুক্তিতে মুক্তি পেয়েছেন প্রিন্স আলওয়ালিদ
- খালেদা জিয়ার দীর্ঘ কারাবাস, কোন পথে এগোবে বিএনপি
- নিজেকে জনগণের জন্য উৎসর্গ করেছিলেন by তোফায়েল আহমেদ
- আমার চারপাশের জগৎ, আইন ও মানবতা by সালেহা চৌধুরী
- আমাদের উন্নয়নের পরবর্তী ধাপে যেতে হবে
- 'গণতান্ত্রিক একনায়কে'র যুগে বিশ্ব! by তপন মাহমুদ
- অ্যান্টার্কটিকায় ৪০৩ দিন নারী বিজ্ঞানীর
- কুর্দিবিরোধী লড়াইয়ে ইরাকেও হস্তক্ষেপের হুমকি এরদোগ...
- শত্রুদের বিরুদ্ধে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে প্রস্তুত চীন: শ...
- মারধরকারী ছেলেকে কুপিয়ে খুন করলেন বাবা
- কুকুরের বাচ্চাটি বলছে ইহুদিরা তাদের নিজ ভূমিতে বসত...
- টাকা নিয়ে উধাও জিএমজি অস্তিত্ব সংকটে ইউনাইটেড
- এভাবে বাঁচা যায় না বলে স্ত্রী-সন্তানকে খুন, আত্মহত...
- আফগানিস্তানে গুলবুদ্দিনের জনসভার কাছে বিস্ফোরণ, নি...
- ঘরেই তৈরি করুন সুস্বাদ ফলের কাস্টার্ড
- ঘাড়, মাথা ও বুক ব্যথা
- মুখরোচক চিলি পটেটো
- ভুল সবই ভুল, যা জানি তা ভুল by শাহদীন মালিক
- তাঁরা না কংগ্রেস না বিজেপি
- চড়ুই, বিড়াল, বস্তি ও ফায়ার সার্ভিস by সৈয়দ আবুল মকসুদ
- ব্যবসায়ী সজলের ফিরে আসা
- বড় নদীতে ছোট নৌযান
- মিয়ানমারে গণতন্ত্র কত দূর এগোল? by মং জার্নি
- আন্তক্যাডার বৈষম্য কীভাবে দূর হবে by আলী ইমাম মজুমদার
- কারসাজি না হলে দাম বাড়বে না
- পাঁচ ব্যাংকের কার্ড জালিয়াতি
- ডিএসইর মালিকানা বিক্রি: চীনের প্রস্তাবও অনিশ্চয়তায়
- এক মণ বেগুনে এক কেজি চাল
- রপ্তানিতে নতুন আশা পাটখড়ির ছাই
- ওমানে গিয়ে ব্যাংকারের জালিয়াতি
- নির্বাচনী বছরে ভাটার টান অর্থনীতিতে
- সাত মাস পর কিছুটা নাগালে পেঁয়াজ
- স্পর্শকাতর পুরুষাঙ্গ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন ...
- অ্যালায়েন্সের পোশাক কারখানার ৮৮ শতাংশ সংস্কারকাজ শেষ
- স্বেচ্ছাশ্রম: প্রাণ ফিরলো কুদালী ছড়ার by ইমাদ উদ দীন
- তাইওয়ানকে ‘ঐতিহাসিক শাস্তি’ দিতে চান সি চিন পিং
- চীন-যুক্তরাষ্ট্র সুসম্পর্কে বিশ্বের মঙ্গল
- অস্ট্রেলিয়ায় সু চির সভা বাতিল
- শুধু মৃত্যুই থামাতে পারে সৌদি যুবরাজকে
- অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা নিয়ে সম্মত উভয় পক্ষ
- মাদক জগতে নারী ছন্দহারা জীবন by মরিয়ম চম্পা
- খেলাপি ঋণের দায় কার? by ইকতেদার আহমেদ
- সিরিয়ায় আরেকটি গণহত্যার সাক্ষী বিশ্ববাসী by ঈশান থ...
- আসক্তির নাম যখন ইন্টারনেট by মো: কফিল উদ্দিন চৌধুরী
- ব্যর্থ জাতিসঙ্ঘের কাজটা কী? by মাকছুদুল আলম খন্দকা...
- খালেদা জিয়ার জামিন মেলেনি
- সাংবাদিকতা কার স্বার্থে by মাহমুদুল হক আনসারী
- নিজ নিজ গ্রামেই পুনর্বাসিত হতে চায় নো ম্যান্স ল্যা...
- চীনা প্রতিরক্ষা শীর্ষ পদে শক্ত ব্যক্তি, টার্গেট ভারত!
- সিরিয়ায় যুদ্ধ, নতুন ঘোষণা তুরস্কের
- মানুষ হত্যা বন্ধ করতে হবে: রুহানি
- চূড়ান্ত জয় পেয়েছে তুরস্কের সামরিক বাহিনী
- ব্রিটেনের অভিযোগ কাণ্ডজ্ঞানহীন ও হাস্যকর : পুতিন
- ইসরাইলি মন্ত্রীদের তোপের মুখে নেতানিয়াহু
- কান্নায় ভারি আর্মি স্টেডিয়াম : কফিনবন্দি হয়ে বাড়ি ...
- ৩০ হাজার শ্রমিকের অর্থ ফেরত দেবে কাতার
- চূড়ান্ত জয় পেয়েছে তুরস্কের সামরিক বাহিনী
- ফুটপাতে হলুদ টালি কেন, জানেন কি?
- মশার উপদ্রব : চাঙা মশারির ব্যবসায় by সুমনা শারমিন
- পেঁপেতে কিন্তু ভয়ঙ্কর ক্ষতিও হতে পারে
- ফাইনালে হারের পর কী হয়েছিল ড্রেসিংরুমে?
- চাকরি, বিয়ে এবং হতাশা by মূসা বিন মোহাম্মদ
- বিলুপ্তির পথে শিমুল ফুল
- দ্বিমুখী গাড়ি!
- সুপ্রিম বুলেট ট্রেন
- স্বয়ংক্রিয় টোল আদায় পদ্ধতি
- ঘোড়ার জন্য পাঁচতারা রিসোর্ট
- মহিউদ্দিন গ্রুপে এমপি লতিফ সুজনের কী হবে?
- আমি গরিব নই, গান্ধী বা ম্যান্ডেলা নই : সৌদি যুবরাজ
- সৌদি আরবে নারী ও পুরুষের মধ্যে কোনো বৈষম্য নেই : স...
- আফরিন এখন তুরস্কের নিয়ন্ত্রণে
- জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আবিদের স্ত্রী
- শায়েস্তাগঞ্জে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা
- মীরসরাইয়ে ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল
- জাফলংয়ের সমাবেশে ওলামাদের হুঁশিয়ারি
- আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের ১১ কথিত বাংলাদেশীর জিজ্ঞাস...
-
▼
Mar 20
(78)
-
▼
March
(1701)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...