Friday, April 19, 2019
পৃথিবীর কক্ষপথে মার্কিন রহস্যজনক কৃত্রিম উপগ্রহ!
মহাজাগতিক আবর্জনা নিয়ে মস্কো সম্মেলনের আগেভাগে একটি প্রতিবেদনের মাধ্যমে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। বুধবার থেকে শুরু হওয়া সম্মেলনে আজ(শুক্রবার) আরও পরে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রহস্যজনক এ উপগ্রহকে শনাক্ত করেছে রুশ পূর্বাঞ্চলীয় সাইবেরিয়ায় অবস্থিত সেয়ান সৌর মানমন্দির। কেন্দ্রের এজেটি-৩৩আইকে অপটিক্যাল বা আলোকিক দুরবিন দিয়ে এটি শনাক্ত করা গেছে।
প্রতিবেদনে রহস্যজনক কৃত্রিম উপগ্রহকে ছোটো-শ্রেণির বা মাইক্রো-ক্লাসের বলে উল্লেখ করা হয়েছে। রহস্যজনক উপগ্রহটি জিওস্টেশনারি বা ভূ - সমলয় কক্ষপথ অবস্থান করছে। এ কক্ষপথেই রয়েছে পৃথিবীর বেশির ভাগ যোগাযোগ এবং টেলিভিশন সম্প্রচার বিষয়ক উপগ্রহ। রহস্যজনক উপগ্রহটি অন্যান্য উপগ্রহের মধ্যে চলাচলের বা স্থান পরিবর্তনের সক্ষমতা রয়েছে। অর্থাৎ এতে বসানো রয়েছে রকেট। অবশ্য ওই কক্ষপথে রহস্যজনক এ উপগ্রহ কি ধরণের তৎপরতা চালাচ্ছে সে বিষয়ে প্রতিবেদনে স্পষ্ট করে কিছু বলা হয় নি। এ রহস্যজনক কৃত্রিম উপগ্রহ যে ওই কক্ষপথে আমেরিকা স্থাপন করেছে তাও নিশ্চিত ভাবে তুলে ধরা হয় নি।
তবে বিশাল একটি মার্কিন সামরিক উপগ্রহ থেকে ওই কক্ষপথে দু’টি মহাকাশ যান স্থাপন করা হয়েছে চলতি বছরের গোড়ার দিকে। নজরদারির কাজে নিয়োজিত রুশ ব্যবস্থার চোখে তা ধরা পড়ছে বলে এ খবরে উল্লেখ করা হয়েছে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রেমের ফাঁদে ফেলে অপহরণ, ৬ দিন পর উদ্ধার

পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী দেখা করার জন্য দিনক্ষণ ও স্থান ঠিক করা হয়। ওই স্থানে আগে থেকেই চক্রের সদস্যরা ওঁত পেতে থাকে। কৌশলে চক্রের সদস্যরা ওই ব্যক্তিকে অপহরণ করে নিয়ে যায় নির্জন স্থানে। এরপর চক্রের সদস্যরা মারধর করে, ভয়ভীতি দেখিয়ে আদায় করে লাখ লাখ টাকা।
সম্প্রতি এরকম একটি চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৪)। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, মাদারীপুরের মো. আজিজুল হাকিম (৪০), একই এলাকার মো. লিটন মোল্লা (২৬), নড়াইলের কাজল বেগম (২৬), ভোলার নজরুল ইসলাম নবু (৪২) ও পিরোজপুরের নুরু মিয়া (৬২)। সাভারের আমিন বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে বুধবার তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল কাওরান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র্যাব-৪ এর অধিনায়ক চৌধুরী মঞ্জুরুল কবির।
সংবাদ সম্মেলনে র্যাব অধিনায়ক বলেন, অপহরণকারী চক্রের নারী সদস্য কাজল বেগম প্রথমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে রায়হান নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে। পরে ১২ই এপ্রিল তার সঙ্গে দেখা করার উদ্দেশ্য ঢাকার কলাবাগান থেকে পূর্বপরিচিত বাহারের প্রাইভেট কারে রায়হানকে তোলা হয়। সেখান থেকে সাভারের আমিনবাজার এলাকার একটি নির্জন স্থানে নিয়ে রায়হানকে চোখ, মুখ, হাত-পা বেধে ফেলা হয়। তারপর তাকে বেধড়ক মারধর করে কান্নার শব্দ ও চিৎকার তার পরিবারের সদস্যদের শুনিয়ে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। টাকা না দিলে রায়হানকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিতে থাকে অপহরণকারী চক্রের সদস্যরা।
১০ লাখ টাকা দিতে অপারগতা জানালে তারা রায়হানের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ চায়। পরবর্তীতে প্রাইভেট কার চালক বাহার রায়হানের পরিবারকে প্রাথমিকভাবে মিরপুর ৬০ ফিট এলাকার ভাঙ্গা ব্রিজের পাশে একটি পরিত্যক্ত সিগারেটের প্যাকেটের পাশে কাগজ পেঁচিয়ে এক লাখ টাকা রাখার কথা বলে। তাদের কথামত রায়হানের পরিবার ওই স্থানে এক লাখ টাকা রাখে। কিন্তু চক্রের সদস্যরা টাকা পাওয়ার পরও রায়হানকে মুক্তি দেয়নি। বরং বাকি চার লাখ টাকা দ্রুত না দিলে তারা রায়হানকে হত্যা করার হুমকি দেয়। উপায়ন্তর না পেয়ে তার পরিবার আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সহযোগীতা নেয়। র্যাব প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করে অপহৃত রায়হান ও চক্রের পাঁচজন সদস্যকে গ্রেপ্তার করে।
সংবাদ সম্মেলনে মঞ্জুরুল কবির আরো বলেন, এই পাঁচজন ছাড়া মো.বাহার (৩২) ও ফরিদ উদ্দিন (৪০) পলাতক আছেন। বাহার অপহরণ কাজে ব্যবহৃত প্রাইভেট কারের চালক ও ফরিদ উদ্দিন মিরপুর ৬০ ফিট এলাকার ভাঙ্গা ব্রিজের পাশে রাখা মুক্তিপণের টাকা নিয়ে যায়। তাদেরকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, আসামীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা গেছে, তারা শুধু প্রেমের ফাঁদে ফেলে নয় ঢাকাসহ আশেপাশের বাস টার্মিনাল থেকে যাত্রীদের চাহিদা মত স্থানে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে মাইক্রো বা প্রাইভেটকারে উঠায়। গাড়িতে যাত্রী বেশে আগে থেকে চক্রের সদস্যরা বসে থাকে। ভুক্তভোগীরা গাড়িতে উঠার পরে কিছুদূর যাওয়ার পর চোখ মুখ বেধে তাদের আস্তানায় নিয়ে যায়। পরে মারধর-নির্যাতন করে মুক্তিপণ আদায় করে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ক্ষুদ্র জাতিসত্তার চার প্রার্থীর লড়াই by অমর সাহা

ঝাড়গ্রামের মাঝ দিয়ে বয়ে চলেছে কংসাবতী ও সুবর্ণরেখা নদী। এখানে রয়েছে ঐতিহাসিক মন্দির, রাজবাড়ি। পশ্চিমবঙ্গের নামকরা পর্যটনকেন্দ্র ঝাড়গ্রাম। আছে ডিয়ার পার্ক, আদিবাসী জাদুঘর, ইকোপার্ক, ঐতিহাসিক সাবিত্রী ও কনক দুর্গামন্দির। ঐতিহাসিক কোকড়াঝাড় জঙ্গলও এখানে।
ঝাড়গ্রাম একসময় ছিল বামপন্থী কমিউনিস্ট পার্টির দখলে। ক্ষুদ্র জাতিসত্তার লোকজন ও তফসিলিদের এখানে প্রাধান্য দেওয়া হয়। পশ্চিম মেদিনীপুরের জঙ্গলমহলে ঝাড়গ্রামের অবস্থান। মেদিনীপুরে ছিল তিনটি লোকসভার আসন। ঘাটাল, ঝাড়গ্রাম আর মেদিনীপুর। এই তিনটি আসনই ছিল বামপন্থীদের দখলে। ২০০৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে ঝাড়গ্রামে সাংসদ হয়েছিলেন সিপিএম নেতা পুলিন বিহারি বাস্কে, ঘাটালে হয়েছিলেন সিপিআইয়ের গুরুদাস দাশগুপ্ত আর মেদিনীপুরে হয়েছিলেন সিপিআইয়ের প্রবোধ পাণ্ড।
২০১১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের শাসনক্ষমতায় আসার পর জঙ্গল মহলের বামপন্থী দুর্গকে ভেঙেচুরে দেয়। ২০১৪ সালে এই তিনটি আসনই দখল করে তৃণমূল। এবার ২০১৯ সালে নির্বাচনী ময়দানে নেমেছে বামপন্থী দল সিপিএম, তৃণমূল, বিজেপি ও কংগ্রেস। এই চার দলই এবার ঝাড়গ্রাম আসনে প্রার্থী করেছে চার ক্ষুদ্র জাতিসত্তা ও তফসিলি নেতাকে।
শাসক দল তৃণমূল প্রার্থী করেছে সাঁওতালি সম্প্রদায়ের নেত্রী ও স্কুলশিক্ষিকা বীরবাহা সরেন টুডুকে। তিনি এখন স্থানীয় রোহিণী বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। স্বামী সাঁওতালিদের সামাজিক সংগঠন ‘ভারত জাকাত মাঝি পারগানা মহল’ কমিটির নেতা। তিনি এই প্রথম এলেন তৃণমূলের রাজনীতিতে। পেলেন টিকিট।
বাম দল সিপিএম প্রার্থী করেছে আরেক ক্ষুদ্র জাতিসত্তার নেত্রীকে। তিনি দেবলীনা হেমব্রম। তিনি সিপিএমের রাজ্য কমিটির সদস্য। তিনবার তিনি সিপিএমের টিকিটে রানিবাঁধ আসন থেকে বিধায়ক হয়েছেন। এ ছাড়া তিনি সিপিএমের গড়া ‘আদিবাসী অধিকার রাষ্ট্রীয় মঞ্চের’ কেন্দ্রীয় কমিটিরও নেতা।
বিজেপি প্রার্থী করেছে প্রকৌশলী কুনার হেমব্রমকে। কুনার হেমব্রম বিজেপির ঝাড়গ্রাম জেলার সভাপতি। আর কংগ্রেস প্রার্থী করেছে যজ্ঞেশ্বর হেমব্রমকে। তিনি একজন ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত।
২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে এই আসনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী উমা সরেন বিপুল ভোটে জিতেছিলেন। সিপিএমের প্রার্থী ও তৎকালীন সাংসদ পুলিন বিহারি বাস্কেকে ৩ লাখ ৪৭ হাজার ৮৮৩ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন। এই পুলিন বিহারী পেয়েছিলেন ৩ লাখ ২৬ হাজার ৬২১ ভোট। বিজেপির বিকাশ মুদি পেয়েছিলেন ১ লাখ ২২ হাজার ৪৫৯ ভোট। আর কংগ্রেস প্রার্থী অনিতা হাঁসদা পেয়েছিলেন ৪০ হাজার ৫১৩ ভোট।
এবার এই ঝাড়গ্রাম আসনে লড়ছেন চার ক্ষুদ্র জাতিসত্তা ও তফসিল সম্প্রদায়ের প্রার্থী। এবার মূলত লড়াই হবে ত্রিমুখী। তৃণমূল, সিপিএম ও বিজেপি প্রার্থীর মধ্যেই।
সিপিএম প্রার্থী দেবলীনা হেমব্রম বলেছেন, গত বছরের পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূলের ভোটে অনেকটা ভাটার টান দেখা গেছে। এলাকাটি ক্ষুদ্র জাতিসত্তা ও তফসিলি উপজাতিদের সংরক্ষিত থাকলেও এটি দীর্ঘদিন ধরে সিপিএমের দখলে ছিল। এবার এই জঙ্গলমহলের মানুষ আবার এক হচ্ছে। তাঁরা বুঝেছে, এই জঙ্গল মহলে উন্নয়নের চাবিকাঠি বাম দল। তাই এবার মানুষ ঝুঁকছে সিপিএম প্রার্থীর দিকে।
সিপিএম প্রার্থী দেবলীনা আরও বলেছেন, ‘এবার আমরা জয় করব—এই প্রত্যয় নিয়ে মাঠে নেমেছি। আমরা মনে করি, আমরা এবার উদ্ধার করতে পারব আমাদের এই আসনকে।’
সিপিএমের জেলা সভাপতি পুলিন বিহারী বাস্কে বলেছেন, ‘আমরা জিতব বলেই এবার প্রার্থী করেছি দেবলীনা হেমব্রমকে। আজ জঙ্গলমহলের মানুষ তৃণমূলের ওপর বিরক্ত। বিজেপিকে বিশ্বাস করে না। চাইছে ফের সিপিএমকে।’
তৃণমূল কংগ্রেসের ঝাড়খন্ড জেলা সভাপতি সুকুমার হাঁসদা বলেছেন, সিপিএমের অত্যাচারের কথা মানুষ ভোলেনি। তাই এবারও তারা ভোট দেবে তৃণমূলকে। মানুষ জানে মমতাই পারে এই জঙ্গলমহলের উন্নয়ন করতে।
বিজেপির জেলা সভাপতি কুনার হেমব্রম বলেছেন, এখানে তো সিপিএম ও তৃণমূল মুদ্রার এপিঠ–ওপিঠ। তাদের দুর্নীতি আর অত্যাচারে কথা জঙ্গলমহলের মানুষ জানেন। তাই তো এবার মানুষ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তৃণমূলও নয়, সিপিএমও নয়, তাঁরা ভোট দেবেন বিজেপিকে। তার ছবি তো গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে ফুটে উঠেছে।
এই ঝাড়গ্রাম আসনের নির্বাচন হবে আগামী ১২ মে ষষ্ঠ দফায়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘আমার সবকিছু কেড়ে নেয়ার পর মেয়ের দিকে কু-দৃষ্টি পড়ে যুবলীগ নেতা উজ্জ্বলের’ by রিপন আনসারী

যার কারণে চারটি বছর ধরে আমাকে যখন যেভাবে খুশি সে ব্যবহার করে যাচ্ছে। সে শুধু একাই আমার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলেনি, তার বন্ধুদের দিয়েও প্রতিনিয়ত আমার ওপর পাশবিক নির্যাতন চালিয়েছে। আমার ইজ্জত, মান-সম্মান সবকিছু কেড়ে নেয়ার পর ওই পিশাচের কু-দৃষ্টি পড়ে আমার স্কুলপড়ুয়া মেয়ের দিকে। তাই মেয়ের ইজ্জত বাঁচাতে বাধ্য হয়ে থানায় মামলা করতে হয়েছে আমাকে।
লোমহর্ষক এই ঘটনা ঘিওর উপজেলার নালী ইউনিয়নের হেলাচিয়া গ্রামের। ওই ইউনিয়নের প্রভাবশালী ইউপি সদস্য দরবেশ ব্যাপারীর পুত্র ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আলী হোসেন উজ্জ্বল। এই ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে বারবার কেঁদে ফেলেন ওই নারী। তার মুখ থেকে বেরিয়ে আসে তার ওপর নির্যাতনের আরো ভয়াবহ কথা। বলেন, চার বছর ধরে আলী হোসেন উজ্জ্বল আমার জীবনটা তছনছ করে দিয়েছে। আমার দেহ ভোগ করেই সে ক্ষান্ত হয়নি। আমাকে দিয়ে বিভিন্ন এনজিও ও ব্যাংক থেকে লাখ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছে।
তিনি বলেন- ভয়ভীতি, প্রতারণা আর আমার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেয়ার কথা বলে যখন খুশি আমাকে ওর বাড়িতে নিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করতো। এই ঘটনা আমার স্বামীকে বলে দেবে কিংবা ইন্টারনেটে সব ছেড়ে দেবে এই বলে সে আমাকে ব্ল্যাকমেইল করতো। এভাবে বছরের পর বছর পেরিয়ে গেলেও ওর রোষানল থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারিনি। এ ছাড়া ওর ব্যবসার জন্য গ্রামীণ ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, আশা অফিস, জাগরণীসহ বিভিন্ন এনজিও থেকে ৮ লাখ ২৫ হাজার টাকা আমাকে দিয়ে সে তুলে নিয়েছে। প্রথম প্রথম কিস্তির টাকা পরিশোধ করলেও পরে আর করতো না। গেল এক বছর ধরে সে তার বাড়িতে আমাকে ডাকতো না। নিয়ে যেত মানিকগঞ্জের উত্তর সেওতা এলাকার মনিরা বেগম মনোয়ারার ৪ তলাবিশিষ্ট বাসার চিলেকোঠার একটি কক্ষে। এখানে সপ্তাহে ২-৩ দিন আমাকে নিয়ে আসতো। যৌন উত্তেজক ওষুধ সেবন করে আমার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক চালানোর পর আমাকে বাড়িতে দিয়ে আসতো। বাড়ির মালিক মনোয়ারা বিনিময়ে ১ হাজার করে টাকা নিতো উজ্জ্বলের কাছ থেকে। শুধু উজ্জ্বলই নয়, তার বন্ধুদেরও নিয়ে আসতো সেখানে। একেক দিন একেক বন্ধুর সঙ্গে আমাকে শারীরিক সম্পর্ক করাতে বাধ্য করতো উজ্জ্বল। এমনকি ওর স’মিলের কর্মচারীদের দিয়েও আমাকে শারীরিক সম্পর্ক করাতো। সেই সম্পর্কের ভিডিও করতো সে। এভাবে এক বছর ধরে মানিকগঞ্জের ওই বাসায় ওর কথামতো আসতাম।
নির্যাতিতা আরো বলেন, উজ্জ্বল শুধু আমার সঙ্গে সম্পর্ক করেই ক্ষান্ত থাকেনি। ওর কু-নজর পড়ে আমার স্কুলপড়ুয়া মেয়ের দিকে। মেয়েকে না এনে দিলে কিস্তির টাকা না দেয়ার হুমকি, ইন্টারনেটে ভিডিও ছেড়ে দেয়া এবং স্বামীর কাছে সবকিছু বলে দেবে- এমন ভয় দেখাতে থাকে। আমি ওকে বলতাম আমি নিজে মরে যাবো তারপরও আমার মেয়েকে তুলে দিতে পারবো না। তারপরও সে পিছু ছাড়ছিল না। একদিকে কিস্তির টাকার জন্য পাওনাদাররা বাড়ি এসে যা-না তা বলে যাচ্ছে, অন্যদিকে ভিডিও ফুটেজ ইন্টারনেটে ছেড়ে দেবে আর সবকিছু স্বামীকে জানিয়ে দেবে- এমন নানা জটিলতার জালে আমি আটকা পড়ে যাই।
কোনো উপায়ান্তর না পেয়ে বাধ্য হয়ে গত মঙ্গলবার মনোয়ারার বাসায় মেয়েকে নিয়ে যাই। প্রথমে মেয়েকে নিচে রেখে আমি ৪ তলা বাসার চিলেকোঠার একটি কক্ষে যাই। সেখানে যৌন উত্তেজক ওষুধ সেবন করে প্রথমে উজ্জ্বল আমার সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়। এরপর মেয়েকে চিলেকোঠায় নিয়ে আসতে বলে। পরে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি টের পেলে উজ্জ্বল তার মোবাইল ফোনটি ফেলে দৌড়ে পালিয়ে যায়। মেয়ের সম্মান বাঁচাতে বাধ্য হয়ে মঙ্গলবার রাতে মানিকগঞ্জ সদর থানায় মামলা করি।
বুধবার মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা সরকারি হাসপাতালে আমার ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়েছে। ওই পশুর উপযুক্ত শাস্তি না হলে নিজেকে ক্ষমা করতে পারবো বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন ওই নারী।
নালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক দিলসাদ খান দেলোয়ার জানান, বিষয়টি আমরা শুনেছি। তবে আলী হোসেন উজ্জ্বলের নারীঘটিত সমস্যা আছে এটা সত্য।
নালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল কুদ্দুস মধু বিষয়টি শুনেছেন, তবে না জেনে কোনো মন্তব্য করতে চাননি।
মানিকগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ রকিবুজ্জামান বলেন, এ ব্যাপারে মো. আলী হোসেন উজ্জ্বল এবং তার এই অপকর্মে সহায়তা করার জন্য ওই বাড়ির মালিক মনিরা বেগম মনোয়ারার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আশরাফুল ইসলাম বলেন, বুধবার ভিকটিমের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে পাঠানো হলে সেখানে তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা হয়েছে। এ ছাড়া আসামিদের ধরার চেষ্টাও চলছে। পাশাপাশি উদ্ধার হওয়া মোবাইলটিকে পরীক্ষা করা হচ্ছে। ওই হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. লুৎফর রহমান বলেন, ভিকটিমের স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। রিপোর্টটি পাওয়ার পর বিষয়টি নিশ্চিত হতে পারবো।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বালাকোটে ভারতীয় বিমান হামলায় কেউ নিহত হয় নি বলে জানালেন সুষমা স্বরাজ

ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরের পুলওয়ামায় ১৪ ফেব্রুয়ারি চালানো বোমা হামলার জবাবে এ হামলা চালানো হয়েছিল। বোমা হামলায় ভারতীয় কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনী সিআরপিএফের অন্তত ৪০ জওয়ান নিহত হয়েছিল।
সুষমা স্বরাজ বলেছেন, জেইশে মোহাম্মদের সন্ত্রাসী প্রশিক্ষণ শিবিরে হামলা করেছিল ভারতীয় বিমান বাহিনী বা আইএএফ। ভারত আত্মরক্ষার্থে এ হামলা করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। পাকিস্তানের ভূখণ্ডের ভেতরে চালানো ভারতীয় হামলাকে গোটা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সমর্থন জানিয়েছে বলে দাবি করেন সুষমা।
এদিকে, ২৬ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় ভারতীয় পররাষ্ট্র সচিব বিজয় কে গোখলে এক সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেছিলেন, আইএএফের হামলায় জেইশের ব্যাপক সংখ্যক সন্ত্রাসী, প্রশিক্ষক, প্রবীণ কমান্ডার এবং সন্ত্রাসী দলের সদস্য নিহত হয়েছিল। মৃতের সংখ্যা তিনশ’ ছাড়িয়ে গেছে বলেও কোনো কোনো ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম দাবি করে আসছে।
সুষমার বক্তব্যের পর টুইট বার্তায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর জনসংযোগ বিভাগের প্রধান মেজর জেনারেল আসিফ গাফুর। বার্তায় দাবি করা হয়েছে যে বালাকোট হামলা নিয়ে সত্য প্রকাশিত হয়েছে। এ ছাড়া, ২০১৬ সালে পাকিস্তানে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালানোর যে দাবি ভারত করে আসছে তা নিয়েও একদিন সত্য প্রকাশিত হবে বলে টুইট বার্তায় আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হত্যার ছক ঠিক হয় কারাগারে by রুদ্র মিজান

দাউ দাউ করে শরীরজুড়ে তখন আগুন জ্বলছে। মাদরাসা শিক্ষার্থী ও এক পুলিশ সদস্যের সহযোগিতায় গায়ের আগুন নেভানো হয়। ততক্ষণে ঝলসে গেছে নুসরাতের গোটা শরীর। এই ফাঁকে নির্বিঘ্নে মাদরাসা থেকে পালিয়ে যায় ঘাতকরা। তাদের ধারণা ছিলো ঘটনাস্থলেই আগুনে পুড়ে মারা যাবে নুসরাত। বিষয়টি কেউ টের পাবে না।
সরাসরি কিলিং মিশনে বোরকা পড়ে নেতৃত্ব দেয় শাহাদাত হোসেন শামীম। চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য। ফেনীর সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যাকান্ডে এ পর্যন্ত ১৩ জনের সম্পৃক্ততা পেয়েছে পুলিশ। এজাহার নামীয় সাত জনকে গ্রেপ্তার করার পর গতকাল সংবাদ সম্মেলন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই’র প্রধান ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদার জানান, নুসরাত জাহান রাফির গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন দেয়ার সময় বোরকা পরা চারজন ছিলো। তাদের চার জনই ছিল মাদরাসার শিক্ষার্থী। এদের একজন ছাত্রী ছিল। নুসরাত জাহান রাফির শরীরে আগুন দেয়ার একদিন আগে ৫ই এপ্রিল বৈঠক করে নুর উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন শামীম, হাফেজ আব্দুল কাদের, জাবেদ হোসেনসহ পাঁচ জন। ওই দিন সকাল ৯টা থেকে সাড়ে ৯টার দিকে মাদ্রাসার কাছের হোস্টেলের পশ্চিম অংশে এই বৈঠক হয়। সেখানেই নুসরাতকে পুড়িয়ে মারার সিদ্ধান্ত নেয় তারা। বৈঠকে নুর উদ্দিন জানায়, নুসরাতকে শায়েস্তা করার নির্দেশ দিয়েছে মাদরাসা অধ্যক্ষ সিরাজ-উদ-দৌলা। সিরাজের নির্দেশেই হত্যা পরিকল্পনা করে তারা। এসময় আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করার প্রস্তাব দেয় বৈঠকে উপস্থিত শাহাদাত হোসেন শামীম।
পরে তারা আরও পাঁচজনকে তাদের পরিকল্পনার কথা জানায়। যাদের মধ্যে দু’জন ছিলো ওই মাদরাসার ছাত্রী। তাদের একজনকে দায়িত্ব দেয়া হয় তিনটি বোরকা ও কেরোসিন সংগ্রহের। পরিকল্পনা অনুযায়ী, পরদিন ৬ই এপ্রিল শাহাদাত হোসেন শামীমের কাছে মাদরাসার সাইক্লোন সেন্টারে তিনটি বোরকা ও পলিথিনে করে কেরোসিন সরবরাহ করে মেয়েটি। ওই দিন সকাল ৯টার আগেই বোরকা পরে শামীমসহ তিন ছাত্র মাদরাসার টয়লেটে লুকিয়ে ছিলো। পরীক্ষা শুরুর কিছু সময় আগে শম্পা বা চম্পা নামের মেয়েটি নুসরাত জাহান রাফিকে ডেকে নেয়। সে রাফিকে জানায়, ছাদে তার বান্ধবী নিশাতকে মারধর করা হচ্ছে। খবর শুনেই রাফি দৌঁড়ে ছাদে যায়। সেখানে যাওয়ার পরই শামীমসহ বোরকাপরা চার শিক্ষার্থী রাফিকে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে করা অভিযোগ প্রত্যাহার করতে চাপ দেয়। এতে নুসরাত রাজি না হওয়ায় তার হাত বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয়।
ঘটনার পর নুসরাত নিজে ছাদ থেকে নামল কীভাবে জানতে চাইলে পিবিআই প্রধান বলেন, সাইক্লোন সেন্টারের ছাদ ৪ ফুট ১০ ইঞ্চি উচ্চতার দেয়াল দিয়ে ঘেরা। ওপর থেকে কেউ চিৎকার করলেও নিচে কেউ শুনতে পারবে না। আবার ছাদের দেয়ালের উচ্চতার কারণে কেউ টপকিয়ে নিচে নামতে পারবে না। ছাদ থেকে নামতে চাইলে তাকে একমাত্র সিঁড়ি দিয়েই নামতে হবে। তারা আগুন ধরিয়ে দিয়ে ছাদ থেকে নেমে মাদ্রাসায় অবস্থান করে। গায়ে আগুন লাগানো অবস্থায় নুসরাত সিঁড়ি দিয়ে নেমে আসলে অনেক মানুষ জড়ো হয়। এরপরই ওই চার জন সবার সঙ্গে মিশে যায়।
পরিকল্পনা অনুসারে ওই সময়ে নূর উদ্দিনের নেতৃত্বে হাফেজ আব্দুল কাদেরসহ পাঁচজন ছিলো বাইরে। তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, গেট পাহারা ও স্বাভাবিক রাখার কাজ করে। মিশন শেষে অংশগ্রহণকারীরা নিরাপদে যাতে বের হয়ে যেতে পারে এজন্য তৎপর ছিলো তারা।
ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদার জানান, নুসরাতের চোখে এর আগেও চুন মারা হয়েছিলো। এতে পাহাড়তলির একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছিল নুসরাত। যে কারণে হত্যাকারীরা মনে করেছিল নুসরাতকে মারাটা কঠিন কোনো বিষয় নয়। ঘটনার পরই পিবিআই ছায়া তদন্ত শুরু করে। তদন্তের দায়িত্ব পাওয়ার পর পিবিআইয়ের ছয়টি ইউনিট অংশ নেয়। ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৩ জনের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ মিলেছে। এরমধ্যে এই মামলার এজহারভুক্ত আট আসামির মধ্যে পরিকল্পনাকারী শাহাদাত হোসেন শামীম, নুর উদ্দিন, পৌর কাউন্সিলর মাকসুদ আলম, জোবায়ের আহমেদ, জাবেদ হোসেন ও আফছার উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
একই ঘটনায় আগে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার সিরাজ-উদদৌলাকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এজহারভুক্ত অপর আসামি হাফেজ আব্দুল কাদের পলাতক রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে নুর উদ্দিন হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার বিষয়ে স্বীকার করে বিস্তারিত তথ্য দিয়েছে বলে জানান ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদার। তিনি বলেন, নুসরাতকে যৌন হয়রানির অভিযোগে সিরাজ-উদ-দৌলাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়। তারপর অধ্যক্ষ সিরাজের লোকজন তার মুক্তির জন্য বিভিন্ন জায়গায় স্মারকলিপি দেয়। ৪ঠা এপ্রিল কারাগারে সিরাজের সঙ্গে সাক্ষাত করে নুর উদ্দিন ও শাহাদাতসহ চার জন। সেখানেই কিছু একটা করার নির্দেশনা দেয় সিরাজ। বনজ কুমার মজুমদার জানান, চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার তদন্তে জড়িতের সংখ্যা বাড়তে পারে।
ইতিমধ্যে পাঁচজনকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আরও একজনকে রিমান্ডের জন্য আবেদন করা হবে। একজনের রিমান্ড শেষ হয়েছে। এ ঘটনায় আরও পাঁচজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
মিশনে সরাসরি অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে শাহাদাত হোসেন শামীমকে শুক্রবার রাতে ময়মনসিংহ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে শাহাদাত হোসেন শামীমকে এখনো আনুষ্ঠানিক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি। শামীমকে গ্রেপ্তার করে ঢাকায় নিয়ে আসেন পিবিআই কর্মকর্র্তারা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদেই সে ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয় স্বীকার করেছে। তাকে সঙ্গে নিয়ে অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে পিবিআই।
সম্পৃক্ত ১৩ জনের মধ্যে জড়িত অন্য ৬ জনকে গ্রেপ্তারের জন্য শামীমকে নিয়ে পিবিআই টিম অভিযান চালাচ্ছে। তদন্ত সংশ্লিষ্টরাা জানান, ওই ৬ জনকে গ্রেপ্তার করে সারাদেশে পিবিআইয়ের জেলা অফিসগুলোতে ছবি পাঠানো হয়েছে। তাদের বিস্তারিত পরিচয় অতীত রেকর্ড সংগ্রহ করে সেগুলো তদন্ত চলছে। ৬ জন গ্রেপ্তার হলে এ হত্যাকান্ডের সঙ্গে কার কি ভূমিকা ছিলো আরও কেউ জড়িত আছে কি-না তা বেরিয়ে আসবে। বনজ কুমার মজুমদার বলেন, এ ঘটনায় জড়িতরা যত প্রভাবশালীই হোক না কেন আইনের আওতায় নিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন পিবিআই’র বিশেষ সুপার (ঢাকা মেট্টো) আবুল কালাম আজাদ, এসপি বশির আহমেদ, মিনা মাহমুদা, পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) সোহেল রানা ও জনসংযোগ কর্মকর্তা কামরুল আহছান প্রমুখ।
এজাহারের বাইরে গ্রেপ্তারকৃত ৭ জনও জড়িত: এদিকে নুসরাত হত্যায় যে মামলা হয়েছিলো সেই মামলায় মাদরাসা অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলা, ছাত্র নুর উদ্দিন, সাহাদাত হোসেন শামিম, পৌর কাউন্সিলর মাকসুদ আলম, জোবায়ের আহমেদ, জাবেদ হোসেন, হাফেজ আব্দুল কাদের এবং আফসার উদ্দিনের নাম এজাহারে থাকলেও পুলিশ ঘটনার পর আরো ৭ জনকে গ্রেপ্তার করে। এর মধ্যে মো. আলাউদ্দিন, কেফায়েত উল্লাহ জনি, সাইদুল ইসলাম, আরিফুল ইসলাম, উম্মে সুলতানা, নূর হোসেন ওরফে হোনা মিয়া রয়েছে। এই ৬ জনেরও বিভিন্নভাবে হত্যার সঙ্গে সম্পৃক্ততা রয়েছে। পিবিআইয়ের ডিআইজি জানান, হত্যা মামলার সঙ্গে শ্লীলতাহানীর মামলার যোগসূত্র থাকায় শ্লীলতাহানীর মামলাটিও তদন্ত করবে পিবিআই। মূলত ম্লীলতাহানীর ঘটনাকে কেন্দ্র করেই নুসরাতকে হত্যা করা হয়।
গত ৬ই এপ্রিল আলিম পরীক্ষা দিতে সোনাগাজী ফাজিল মাদরাসা কেন্দ্রে গিয়ে অগ্নি সন্ত্রাসের শিকার হন নুসরাত জাহান রাফি। এর আগেই এই মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার হাতে শ্লীলতাহানির শিকার হয়ে মামলা করেছিলেন নুসরাত। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে অধ্যক্ষ সিরাজের অনুগতরা তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পরীক্ষার আগে ছাদে ডেকে নিয়ে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। গুরুতর দগ্ধ নুসরাতকে প্রথমে সোনাগাজী হাসপাতাল ও পরে ফেনী সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় পরে তাকে আনা হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে। গত বুধবার রাত সাড়ে নয়টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নুসরাতের সব ধরনের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
সম্ভব হলে তাকে বিদেশ নিয়ে যাওয়ারও নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার নুসরাতকে সোনাগাজীর চরচান্দিয়া গ্রামে দাদীর কবরের পাশে দাফন করা হয়। এর আগে সোনাগাজী সাবের মোহাম্মদ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত স্মরণকালের বৃহৎ জানাজায় হাজার হাজার মানুষ নুসরাত হত্যার বিচারের দাবি জানান। এদিকে নুসরাত হত্যাকাণ্ডে দেশব্যাপি প্রতিবাদের ঝড় বইছে। হত্যাকারীদের বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে প্রতিবাদ, বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করছে বিভিন্ন সংগঠন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিশ্বের প্রথম কুরআন পার্ক চালু

দেশটির আল-খাওয়ানিজ অঞ্চলে ৬০ হেক্টর জুড়ে নির্মাণ করা হয়েছে পার্কটি। এর মাধ্যমে ঐশীগ্রন্থ কুরআন সম্পর্কে আরো বেশি ধারণা পাবেন দর্শনার্থীরা।
দুবাইভিত্তিক গণমাধ্যম খালিজ টাইমস জানিয়েছে, উদ্বোধনের পর এ পার্কে বিনামূল্যে প্রবেশের সুযোগ দেয়া হয়। পার্কটির মাধ্যমে ইসলামের বিভিন্ন বিষয়গুলো দর্শণার্থীরা আরো ভালোভাবে জানতে পারবে।
এর আগে দুবাই কর্তৃপক্ষ এক অফিসিয়াল বার্তায় জানিয়েছিল যে, ২৯ মার্চ কুরআনিক পার্কটি চালু করা হবে। এদিন দর্শনার্থীরা বিনামূল্যে পার্কটি দেখার সুযোগ পাবেন।
এই পার্কের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো কুরআনের বিভিন্ন অলৌকিক ঘটনাবলির আলোকে বিভিন্ন কর্নার ও বাগানের মাধ্যমে সাজানো হয়েছে পার্কটি। এই পার্ক ইসলাম ও পবিত্র কোরআন সম্পর্কে দর্শনার্থীদের আগ্রহী করে তুলতে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশিষ্ট কতৃপক্ষ।
কুরআনুল কারীমে উল্লেখিত ৫৪টি গাছের সমন্বয়ে ১২টি উদ্যান রয়েছে পার্কটিতে। পাশাপাশি এতে কৃত্রিম হ্রদও তৈরি করা হয়েছে।
আগত দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে কোরআনের প্রাসঙ্গিক আয়াত ও ঘটনা লিখে দেয়া হয়েছে প্রতিটি স্থাপনার পাশে। অত্যাধুনিক প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে পার্কে রয়েছে ডিজিটাল থিয়েটার। যেখানে কুরআনের বিভিন্ন ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত ভিডিও দেখানো হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নুসরাতের মতো আর কোনো হত্যাকাণ্ড দেখতে চায় না জাতিসংঘ

নুসরাত প্রসঙ্গে মিয়া সেপ্পো বলেন, কেবল দেশে নয়, দেশের বাইরেও আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনায় আসছে নুসরাতের নামটি।
এ দেশের মানুষ নুসরাতের জন্য যতটা ব্যথা ধারণ করেন, ততটা ব্যথায় সমব্যথী বিদেশিরাও। নুসরাতের জন্য ন্যায়বিচারের আহ্বানে সকল বাংলাদেশির সঙ্গে একাত্মতা জানাচ্ছি। যৌন হয়রানি ও হামলা থেকে নারীদের রক্ষা করার ব্যবস্থা আমাদের নিশ্চিত করতে হবে। যখন প্রতিরোধ ব্যর্থ হয় তখন অবশ্যই অপরাধীদের দোষী সাব্যস্ত করতে হবে এবং যারা এই অপকর্মের প্রতিবাদ করছেন তাদেরকে যে কোন প্রকার অপতৎপরতার হাত থেকে সুরক্ষিত রাখতে হবে।
মিয়া সেপ্পো বলেন, নুসরাত হত্যাকাণ্ড এমন একটি ঘটনা, যা বাংলাদেশের নারীর প্রতি সহিংসতার নানা দিক স্পষ্ট করে দিয়েছে। তিনি বলেন, নুসরাতের হত্যাকাণ্ড রাষ্ট্রের বিভিন্ন পর্যায়ে যে নির্মমতা রয়েছে তা ফুটে উঠেছে। যেমন নুসরাতকে সুরক্ষা দেয়ার ব্যবস্থাগুলো ব্যর্থ হয়েছে। নির্মমতার আরেকটি বিষয় হলো, এদেশে সহিংসতার শিকার একটি মেয়ে সাহস করে প্রতিবাদ করলে শেষ পর্যন্ত তার পরিণতি কী হয় তা উঠে এসেছে। পরিণতি হয় শেষমেশ মৃত্যুর মুখোমুখি হওয়া।
তিনি বলেন, এ ঘটনায় আমরা যা বুঝতে পারলাম তা হলো নারীর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে শক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে এবং প্রত্যেককে নিশ্চিত করতে হবে দোষীরা যেন বিচারের বাইরে না থাকে। এমন একটি ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে যেখানে নারীরা সহিংসতা শিকার না হয়, সহিংসতার শিকার হলে দোষীরা যেন পার না পায় এবং সহিংসতার ব্যাপারে নারীরা যেন সাহস করে কথা বলতে পারে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সরকারের স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীকেও ব্যাখ্যা দিতে হয় নুসরাত প্রসঙ্গে। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মো. মুরাদ হাসান বলেন, সোনাগাজীর সেই মাদাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলা এবং তার সহযোগীরা, নুসরাত হত্যাকাণ্ডের আরেক অভিযুক্ত আওয়ামী লীগের নেতা, এরা কেউই সরকারের নেয়া কঠোর ব্যবস্থার বাইরে থাকছে না।
নুসরাত প্রসঙ্গে ইউএনএফপিএর রিপোর্টে বলা হয়, এদেশে যেখানে প্রায় ৭৩ শতাংশ নারী নিজ ঘরেই আপন মানুষ কর্তৃক নানা সহিসংতার শিকার, সেখানে ঘরের বাইরে নুসরাতদের প্রতি সহিংসতা ঠেকানো বেশ চ্যালেঞ্জিং।
বিভিন্ন উৎসের তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখানো হয়, বাংলাদেশে নিজ গৃহে নারীরা যে সহিংসতার শিকার হয়, তার অর্থমূল্য জিডিপির ২.০৫ শতাংশ। ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্টের সুবিধার মধ্য দিয়ে যাওয়া বাংলাদেশের কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী মোট জনগোষ্ঠীর ৬২.৭ শতাংশ, যা কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ আরোপ করেন দেশি বিদেশি আলোচকরা। প্রজনন স্বাস্থ্য নিয়ে বাংলাদেশের অর্জন আশাব্যঞ্জক হলেও বাল্যবিবাহের হার দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বেশি হওয়াটা হতাশাজনক বলে উল্লেখ করেন জাতিসংঘের প্রতিনিধিরা। রিপোর্ট অনুযায়ী এ দেশে ৭ লাখ ৫০ হাজার নারী কিশোর বয়সে মা হচ্ছেন, যা মোট প্রজনন হারের ২৫ শতাংশ।
প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে সংস্থার আবাসিক প্রতিনিধি ড. আসা টরকেলসন বলেন, সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধের এজেন্ডাকে আরো বেশি জোরালো এবং বিস্তৃত করতে হবে। নারীর প্রতি সহিংসতা ঠেকাতে আরো কাজ করতে হবে।
আসা টরকেলসন বলেন, কাজ করছেন এমন মানুষের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৮ শতাংশ। কমেছে বাল্য বিয়ে। স্কুলগামীদের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৮ শতাংশ। প্রাথমিকে মেয়ে শিশু বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৮ শতাংশ। মাধ্যমিকেও কন্যা শিশুর অংশগ্রহণের হার বেড়েছে, তবে শিক্ষাক্রম শেষ করার হার এখনো খুব কম। আর তরুণদের মধ্যে কর্মহীনদের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ শতাংশ। তিনি বলেন, রাজনীতিতে নারীর ক্ষমতায়ন বেড়েছে। সংসদে ২০ শতাংশ, স্থানীয় সরকার ২৩ শতাংশ নারী প্রতিনিধিত্ব রয়েছে। তবে বাংলাদেশে নারীরা সমাজে নিম্ন মর্যাদার, পুরুষের ওপর নির্ভরশীল। মূলত এটাই ঘরে-কর্মক্ষেত্রে শারীরিক নির্যাতন, যৌন নির্যাতন, পাচার, এসিড নিক্ষেপ এবং বাল্য বিয়ের জন্য দায়ী। তিনি বলেন, শুধু করণীয় নির্ধারণ করলেই হবে না, পলিসি বাস্তবায়ন নিশ্চিত করে মেয়ে ও মহিলাদের সব দিক থেকে সমান সুযোগ দিয়ে তাদের জীবনের সুরক্ষা দিতে হবে।
‘আনফিনিশড বিজনেস: দ্য পারস্যুট অফ রাইটস অ্যান্ড চয়েসেস ফল অল’ শিরোনামের এই রিপোর্টটি দু’টি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ্যকে সামনে রেখে বিশ্বজুড়ে প্রজনন স্বাস্থ্যের অগ্রগতি অনুসন্ধান করেছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান এমপি, ড. বরাকাত-ই-খুদা, ড. মুজাফফর আহমেদ চেয়ার প্রফেসর, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট ও বরগুনা থেকে আগত স্কুল শিক্ষিকা সোহেলি পারভিন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিনা টিকিটের ‘গণতন্ত্র’!

আর তা ছাড়া একজন সিনেমার স্টার সাধারণ মানুষের কাছে গিয়ে হাজির হচ্ছেন সেই জন্যই তো তাঁকে জিতিয়ে দেয়া উচিত। এমন কথাই তো বলেছিলেন আর এক অভিনেত্রী শতাব্দী রায় তাঁর নির্বাচনী প্রচারে। বলেছিলেন, তাঁকে দেখতে সিনেমায় গেলে, পয়সা দিয়ে টিকিট কাটা লাগে, তাঁর যাত্রা দেখতেও পয়সা খরচ করতে হয়, কিন্তু একমাত্র তাঁকে ভোট দিলে বিনা পয়সায় দেখা যাবে, তাই সাধারণ নাগরিকের উচিত বিনা পয়সায় তাঁকে দেখার জন্য ভোট দেয়া। হ্যাঁ, এই হলো এদেশের গণতান্ত্রিক প্রতিযোগীদের গণতন্ত্র সম্পর্কে ধারণা।
শোনা যাচ্ছে মিমি চক্রবর্তী, সাধারণ মানুষের সঙ্গে হাত মেলাতে হচ্ছে ভোটের প্রচারে গিয়ে, এই কারণে হাতে গ্লাভস পরছেন। পরতেই হয়, সিনেমার তারকা বলে কথা, আর পাঁচজন আমজনতার স্পর্শে তার ত্বকের ক্ষতি হতে পারে বৈকি। সিনেমার মানুষজনদের ত্বক যে একটু বেশি স্পর্শকাতর হয় সে কথা আর অস্বীকার করার উপায় কী!
রাজ্যজুড়ে শাসক দলের নেতা ও কর্মীদের প্রচার দিদি রাজ্যের জন্য কত কী করেছেন, যেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় আসার আগে একটু একটু অর্থ জমিয়েছেন, আর এখন সেই অর্থ বিলিয়ে কন্যাশ্রী, রুপশ্রী, দু’টাকা কিলো চাল সব বিলিয়ে চলেছেন। যেন সরকারি তহবিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত সম্পত্তি, প্রচারের ধরন দেখলে তো তাই মনে হয়। বিরোধী প্রচারও একইরকম, সবাই আছেন জমিদারি মেজাজেই, শুধু মোড়কটা গণতন্ত্রের। গণতন্ত্রের রীতি-নীতি, সংবিধান সম্পর্কে ধারণা, প্রতিনিধিত্বমূলক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সাধারণ নাগরিক সম্পর্কে অবস্থান, কোনো কিছুই জানার দরকার নেই বরং ভয়াল ভয়ঙ্কর দলতন্ত্রের আগ্রাসন মেনে নিয়েই, আসুন আমরা মেতে উঠি গণতন্ত্রের উৎসবে, সমস্বরে বলি, সখি গণতন্ত্র ইহারে কয়!!
(লেখাটি ভারত থেকে প্রকাশিত সাত দিন. ইন থেকে নেয়া)
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পুঁজিতে টান by এম এম মাসুদ

তাদের দাবি, পতন ঠেকাতে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। অবশ্য সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কঠোর আন্দোলনের হুমকির পর সপ্তাহের শেষ দিন বৃহস্পতিবার দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) মূল্যসূচকের উত্থান হয়েছে। বাজার সংশ্লিষ্টরা জানান, দেশের শেয়ারবাজারে আস্থা সংকটের কারণে টানা দরপতন দেখা দিয়েছে। এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হলে বাজারে বড় মূলধনি কোম্পানিকে নিয়ে আসতে হবে।
আর ভালো ও বড় মূলধনি কোম্পানিকে তালিকাভুক্ত করতে হলে স্টক এক্সচেঞ্জ ও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন। অর্থাৎ মানসম্মত প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) আনতে হবে বলে মনে করেন তারা।
তাদের মতে, বাজারে সক্রিয় কারসাজি চক্র। এতে ভালো প্রতিষ্ঠান থেকে দুর্বল প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেশি বাড়ে। বাজারে এমন কারসাজি চললেও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি তা বন্ধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। তবে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) বলছে, বাজার স্থিতিশীল।
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, শেয়ারবাজারের মূল সমস্যা বিনিয়োগকারীদের আস্থা সংকট। এ সংকট দূর করতে হবে। কারসাজির মাধ্যমে কেউ পুঁজি হাতিয়ে নিলে তার বিচার হবে, বিনিয়োগকারীদের এ নিশ্চয়তা দিতে হবে। পুঁজিবাজারে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এতে বাজারে নতুন পুঁজি আসবে। পাশাপাশি তারল্য সংকট কাটাতে সহায়তা করবে বলে আশা করেন তিনি।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত ১৪ই মার্চ ডিএসই‘র বাজার মূলধন ছিল ৪ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা। গতকাল পর্যন্ত ৩ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকায় নেমে এসেছে। এ সময়ে ডিএসই’র বাজারমূলধন প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা কমেছে। একই সময়ে ডিএসই’র মূল্যসূচক ৫ হাজার ৬৫৫ পয়েন্ট থেকে কমে ৫ হাজার ৩২১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসই’র সব কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে গড়ে ৫ শতাংশেরও বেশি।
বিনিয়োগকারী আবদুর রাজ্জাক বলেন, গত কয়েক দিনে আমার সব শেষ হয়ে গেছে। গত নির্বাচনের পর বাজারের চাঙ্গাভাব দেখে ৩০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছিলাম। সেই টাকা কমে এখন দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ টাকায়। বুঝে উঠার আগেই আমার ১০ লাখ টাকা হাওয়া হয়ে গেল। তিনি বলেন, এভাবে কেনো শেয়ারবাজার চলতে পারে না। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কার্যকর পদক্ষেপ নেবেনে বলে আশা করেন তিনি।
আরেক বিনিয়োগকারী মোস্তাক মিয়া জানান, গত কয়েক দিনে ৫ লাখ টাকা নাই হয়ে গেছে তার।
জানা গেছে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ধুঁকতে থাকা পুঁজিবাজারে সূচকের উত্থান দেখা দেয়। টানা বাড়তে থাকে মূল্য সূচক। সেই সঙ্গে লেনদেনেও দেখা দেয় তেজিভাব। কিন্তু তেজিভাব বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। নতুন সরকারের মেয়াদ এক মাস পার না হতেই দরপতনের কবলে পড়ে পুঁজিবাজার। প্রায় তিন মাস ধরে এ দরপতন অব্যাহত রয়েছে। এতে প্রতিনিয়ত পুঁজি হারানোর আতঙ্কে ভুগছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এ সময়ে দরপতন ঠেকাতে বাস্তব কোনো পদক্ষেপই গ্রহণ করেনি ডিএসই। এতে বাজারের ওপর চরম আস্থাহীনতার সঙ্গে দেখা দিয়েছে তারল্য সংকট। লেনদেন কমতে কমতে একেবারে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। ১০ই এপ্রিল থেকে ১৫ই এপ্রিল পর্যন্ত টানা তিন কার্যদিবস লেনদেন হয়েছে ৩০০ কোটি টাকার নিচে। ১৪ মার্চের পর গত এক মাসে ডিএসইর লেনদেন ৫ কোটি টাকার ঘর স্পর্শ করতে পারেনি।
এ বিষয়ে ডিএসইর এক সদস্য বলেন, বাজারের মন্দাভাব কাটাতে ডিএসইর পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নিতে দেখা যাচ্ছে না। অথচ বাজার উন্নয়নের জন্য ক্ষেত্র-বিশেষে বিএসইসি থেকে ডিএসইর ভূমিকা বেশি থাকার কথা। তিনি বলেন, ডিএসইর বর্তমান ম্যানেজমেন্টের কর্মকাণ্ডে বোঝা যায়, বাজার সম্পর্কে তাদের দক্ষতার বেশ অভাব আছে।
এর আগে এক অনুষ্ঠানে বিএসইসির চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেন বলেন, ২০১০-১১ সালের পর শেয়ারবাজারের উন্নয়নে নানা সংস্কার করা হয়েছে। ফলে ৮ বছরে শেয়ারবাজারে অস্থিতিশীলতা তৈরি হয়নি। বাজার আগের চেয়ে এখন অনেক বেশি স্থিতিশীল। তিনি বলেন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের মাধ্যমে শেয়ারবাজার এখন সমৃদ্ধ ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েছে।
বাংলাদেশ বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের সভাপতি মিজান-উর রশিদ চৌধুরী বলেন, বাজারের মন্দাভাবের কারণে বিনিয়োগকারীরা নিঃস্ব হয়ে আত্মহত্যাও করছেন। কিন্তু বিএসইসি বা ডিএসই কেউ পুঁজিবাজার ও বিনিয়োগকারীদের রক্ষায় পদক্ষেপ নিচ্ছে না। তিনি বলেন, বাজার এখন যেভাবে চলছে তা স্বাভাবিক নয়। এর প্রতিবাদে আমরা নিয়মিত রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করছি। আমাদের দাবি, যেসব কোম্পানির শেয়ারের দাম ইস্যুমূল্যের নিচে নেমে গেছে, সেগুলো সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে বাই-ব্যাক করতে হবে। এজন্য প্রয়োজনীয় আইন জরুরি। কারসাজি চক্রের খপ্পরে পড়ে শেয়ারবাজারে এমন টানা দরপতন হচ্ছে। বাজারের এমন অবস্থার পরও বিএসইসি কিংবা ডিএসই কেউই কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
শেয়ারবাজার বিশ্লেষক অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, বাজার এখন যে অবস্থায় চলছে তা হতাশাজনক। বিনিয়োগকারীদের পুঁজি আস্তে আস্তে শেষ হয়ে যাচ্ছে। ফলে তাদের বিশ্বাসের জায়গা কমে যাচ্ছে। তাদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে নতুন ও ভালো প্রতিষ্ঠান শেয়ারবাজারে আনার বিকল্প নেই।
বাজার পর্যালোচনায় জানা গেছে, গত বুধবার দরপতনের প্রতিবাদে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সামনে বিক্ষোভ করে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। সেই সঙ্গে আগামী ২৩শে এপ্রিলের মধ্যে বাজারের স্বার্থে দাবি মেনে না নেয়া হলে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ অ্যান্ড কমিশনের (বিএসইসি) সামনে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে হুমকি দেন। বিক্ষোভ থেকে বিনিয়োগকারীরা বিএসইসির চেয়ারম্যান খায়রুল হোসেনের পদত্যাগ, জেড ক্যাটাগরি এবং ওটিসি মার্কেট বন্ধ, খন্দকার ইব্রাহীম খালেদের তদন্ত কমিটির রিপোর্ট অনুযায়ী দোষীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা এবং আইপিও ও প্লেসমেন্ট শেয়ারের অবৈধ বাণিজ্য বন্ধের দাবি জানান।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিনিয়োগকারীদের এই হুমকির মধ্যেই বৃহস্পতিবার শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হয়। তবে আগের কয়েক কার্যদিবসের মতো এদিনও লেনদেন শুরুর দিকে পতনের আভাস দিতে থাকে। কিন্তু বেলা ১১টার পর থেকে ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার আভাস মেলে। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সূচক ঊর্ধ্বমুখী হতে থাকে। ফলে দিনের লেনদেন শেষে দেখা মেলে বড় উত্থান।
লেনদেন চলাকালেই বাজারে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে শেয়ারবাজারের চলমান সমস্যা সমাধানে ডিএসই থেকে বিএসইসির কাছে একগুচ্ছ প্রস্তাব দেয়া হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে- ভালো কোম্পানি আনতে আইপিও প্রক্রিয়ায় সংস্কার ও সঠিক দর নির্ধারণে বুক বিল্ডিং সংশোধনীর প্রস্তাব, প্রাইভেট প্লেসমেন্টে কম ও আইপিওতে বেশি শেয়ার ইস্যু, উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের লক-ইন শেয়ারে সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল) এর মাধ্যমে বিশেষভাবে নজরদারি রাখা, গ্রামীণফোনের ওপর এনবিআর আরোপিত কর জটিলতার সমাধান ইত্যাদি।
ডিএসই’র এই উদ্যোগের ইতিবাচক প্রভাব পড়ে সার্বিক শেয়ারবাজারে। ফলে একের পর এক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়তে থাকে। দিন শেষে ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয়া ২৪৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার তালিকায় নাম লেখায়। বিপরীতে দাম কমেছে ৫৭টির। অপরিবর্তিত রয়েছে ৪০টির দাম। বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বাড়ায় ডিএসই’র প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের কার্যদিবসের তুলনায় ৬১ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৩২১ পয়েন্টে উঠেছে। অপর দুটি সূচকের মধ্যে ডিএসই-৩০ আগের দিনের তুলনায় ১৭ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৮৯৭ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১০ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ২২৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
মূল্যসূচকের এই উত্থানের পাশাপাশি ডিএসইতে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। দিনভর বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৩৫২ কোটি ১৩ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ৩১৪ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। সে হিসেবে আগের কার্যদিবসের তুলনায় লেনদেন বেড়েছে ৩৭ কোটি ৫৯ লাখ টাকা।
অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক মূল্যসূচক সিএসসিএক্স ১১০ পয়েন্ট বেড়ে ৯ হাজার ৮৪২ পয়েন্টে অবস্থান করছে। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ১৮ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। লেনদেন হওয়া ২৩৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৭৬টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৪৪টির। দাম অপরিবর্তিত রয়েছে ১৬টির।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান বলেন, শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত শেয়ারগুলোর দরের ভিত্তিতে সূচক ওঠানামা করবে এটাই স্বাভাবিক। তবে বাজারে স্থিতিশীলতার জন্য এ ধরনের বড় মূলধনি কোম্পানির তালিকাভুক্তি বাড়ানো প্রয়োজন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি: শ্রমিকদের মধ্যে ৫১ ভাগ এখনো বেকার

গত মঙ্গলবার রাজধানীর মহাখালীর ব্রাক সেন্টারে রানা প্লাজায় দুর্ঘটনার শিকার জীবিত শ্রমিকদের উপর করা একটি জরিপ প্রতিবেদন তুলে ধরে অ্যাকশন এইড বাংলাদেশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ক্ষতিপূরণ প্রক্রিয়া প্রাতিষ্ঠানিক না হওয়ায় শ্রমিকদের এই অবস্থা। সেই সঙ্গে গতি কমছে পুনর্বাসন প্রক্রিয়াতেও। রানা প্লাজার দুর্ঘটনার ৬ বছর স্মরণে অনুষ্ঠানে এই প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে অ্যাকশন এইড’র বাংলাদেশ‘র ম্যানেজার নুজহাত জেবিন গবেষণার ফলাফল তুলে ধরেন। প্রতিবেদনে উঠে আসে, আহত ২০ দশমিক ৫ শতাংশ শ্রমিকের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। গত বছর এই হার ছিল ১২ শতাংশ। এবার ৫১ শতাংশ বলছেন, তাদের শারীরিক অবস্থা কোনরকম স্থিতিশীল। অন্যদিকে ৫১ শতাংশ শ্রমিক কাজ করতে পারছেন না। এরমধ্যে ৭৪ শতাংশ শারীরিক এবং ২৭ শতাংশ মানসিক দুর্বলতায় কর্মহীন। যারা কাজে যেতে পেরেছেন তাদের মধ্যে ১৫ দশমিক ৫ শতাংশ আহত শ্রমিক গার্মেন্টসে ফেরত গেছেন। আহতদের ২০ শতাংশ জানান তাদের পারিবারিক উপার্জন সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা।
অ্যাকশন এইডের ২০১০ সালের একটি গবেষণায় দেখা যায়, বাংলাদেশে তৈরি একটি টি-শার্টের বৈশ্বিক দাম ৪ দশমিক ২৫ পাউন্ড। বাংলাদেশের শ্রমিক পান মাত্র ১ দশমিক ৫ সেন্ট। আর ২০১৯ সালের গবেষণা অনুযায়ী, ১৮ দশমিক ২৫ ডলার মূল্যের টি-শার্ট তৈরি করে একজন শ্রমিক পান মাত্র ০ দশমিক ৫৪ সেন্ট।
রানা প্লাজা দুর্ঘটনায় আহত জীবিত এবং মৃত শ্রমিকদের নিয়ে ১৪শ’ শ্রমিকের একটি ডাটাবেজ তৈরি করে অ্যাকশন এইড, ২০১৩ সালে। তারা এবছর ২শ’ জন আহত শ্রমিকের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তথ্য প্রকাশ করে।
অ্যাকশন এইড’র বাংলাদেশ’র কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবির বলেন, ক্ষতিপূরণ একটি অধিকার। যদি সংঘবদ্ধভাবে ক্ষতিপূরণ দেয়া হতো তাহলে রানা প্লাজায় আহত শ্রমিকদের বর্তমান চিত্রটা হয়তো ভিন্ন হতো। বিছিন্নভাবে দেয়া ক্ষতিপূরণের টাকা কোন উপকারেই আসেনি।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)-এর গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মেয়াজ্জেম বলেন, ৬ বছর পর পরিস্থিতির আরও উন্নতির পরিবর্তে অবনতি হচ্ছে। দুর্ঘটনার শিকার শ্রমিকদের জন্য উদ্যোগের প্রতিশ্রুতির গতি কমে গেছে।
সোসালিস্ট লেবার ফ্রন্ট’র সাধারণ সম্পাদক রাজেকুজ্জামান রতন বলেন, রানা প্লাজা দুর্ঘটনা ঘটেছিল কারণ সেখানে নিরাপত্তার কোন বালাই ছিল না। মালিক বা বিদেশী ক্রেতাদের ছিলো না জবাবদিহিতা। আহত শ্রমিকরা এখানো ফিরতে পারছে না কাজে। তারা খন্ডকালীন ক্ষতিপূরণ পেলেও কোন প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দাঁড়ায়নি।
আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)’এর বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর টউমো পৌটিয়ানেন বলেন, অনেক কাজ হয়েছে। কিন্তু অনেক কিছু করার এখনও বাকি আছে। বিশেষ করে উদ্যোগগুলো প্রাতিষ্ঠানিক করা খুবই জরুরি। সমন্বিত উদ্যোগের অনেক অভাব আছে। কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে একটি সুনির্দিষ্ট কৌশল নেয়া প্রয়োজন। শ্রমিকের নিরাপত্তা এখনও প্রশ্নবিদ্ধ। যদি একটি দুর্ঘটনা ঘটে, তার জন্য অবশ্যই একটি সুনির্দিষ্ট কাঠামো থাকা উচিৎ। ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের জন্য।
সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য শামসুন্নাহার ভুঁইয়া বলেন, রানা প্লাজা আমাদের চোখ খুলে দিয়েছে। কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা খুবই জরুরি। শ্রমিকদের বেতন বাড়ানো, বাসস্থান ও রান্নাঘর ইত্যাদি বিষয়ে আমরা উদ্যোগ নেব। মজুরি বাড়ালে বাড়িওয়ালারা সঙ্গে সঙ্গে বাড়ি ভাড়া বাড়িয়ে দেয়। এটা বন্ধে আমরা উদ্যোগ নেব।
প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালে রানা প্লাজা ভবন ধ্বসের ঘটনা বিশ্বের ইতিহাসের ভয়াবহ শিল্প দুর্ঘটনাগুলোর একটি। এই দুর্ঘটনায় ইউরোপিয়ান এবং উত্তর আমেরিকান ফ্যাশন ব্র্যান্ডদের জন্য পোশাক প্রস্তুত করা পাঁচটি কারখানার ১ হাজারের বেশি শ্রমিক প্রাণ হারান। আহত হন আরো সমসংখ্যক শ্রমিক। পোশাক খাতের কর্মক্ষেত্রে নিম্নমানের ব্যবস্থাপনা এবং আশঙ্কাজনক কর্ম-পরিবেশের উদাহরণ হয় এই রানা প্লাজা দুর্ঘটনা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্বাধীন দেশে অস্বচ্ছ নির্বাচন ও কুয়াশাচ্ছন্ন গণতন্ত্র কখনও কাম্য নয়: মাহবুব তালুকদার

বুধবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইলেকট্রোরাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (ইটিআই) ভবনে ভোটারতালিকা হালনাগাদ-২০১৯ উপলক্ষে প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার বলেন,‘ভোট’ দুই অক্ষরের একটি ছোট শব্দ। ছোট শব্দ হলেও এর ব্যাপ্তি অত্যন্ত বিস্তৃত ও ব্যাপক। ভোটের সঙ্গে আরও দুটি শব্দ ওতপ্রোতভাবে জড়িত। একটি হলো নির্বাচন, অন্যটি গণতন্ত্র।
তিনি আরো বলেন, নির্বাচন হলো গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার একমাত্র অবলম্বন। যারা গণতন্ত্রের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেন না, তারা ভোটের উৎসবকে কলুষিত করতে চান, নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চান। আমরা যে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য ও আইনানুগ নির্বাচনের কথা বলি, ভোটের পবিত্রতা বিনষ্ট করে তা সম্ভব নয়। ভোট সুষ্ঠু না হলে নির্বাচন ও গণতন্ত্রের কোনো ঔজ্জ্বল্য থাকে না। স্বাধীন দেশে অস্বচ্ছ নির্বাচন তথা কুয়াশাচ্ছন্ন গণতন্ত্র কখনও কাম্য নয়।
মাহবুব তালুকদার তার ব্যাখ্যায় বলেন, স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নির্বাচন এ তিনটি বিষয় স্বাধীন বাংলাদেশে ‘ভোট’-এর পটভূমি রচনা করেছে। এটি জনগণের রক্ষাকবচ। ভোট হচ্ছে স্বাধীন দেশে জনগণের সার্বভৌমত্বের প্রতীক একটি পবিত্র আমানত। ভোটের মাধ্যমেই ভোটাররা তাদের প্রতিনিধি বেছে নেয়ার সুযোগ পান এবং এতে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত হয়। ভোটের মাধ্যমে জনগণ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অংশগ্রহণ করে থাকে।
তিনি উল্লেখ করেন, বলেন, এ বছর ১ মার্চ প্রথমবারের মতো আমরা জাতীয় ভোটার দিবস পালন করেছি। এর প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল ‘ভোটার হব, ভোট দেব’। কথাটা খুব সাদামাটা মনে হলেও এর বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। ১৮ বছর হলেই একজন নাগরিক ভোটার হওয়ার উপযুক্ততা অর্জন করেন। কিন্তু ‘ভোট দেব’ কথাটার সঙ্গে রাজনৈতিক ও পারিপার্শ্বিক অবস্থার সম্পর্ক রয়েছে। সামান্য ভোট দেয়ার জন্যই তো আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের অসামান্য আয়োজন। একজন ভোটার নিবিঘ্নে বাড়ি থেকে বেরিয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের পছন্দ অনুযায়ী প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নিরাপদে বাড়ি ফিরবেন, এইটুকু চাওয়া অনেক সময় স্বাভাবিকভাবে পূরণ করা সম্ভব হয় না। ভোট প্রদানের নেতিবাচক ঘটনাক্রম অনেক সময় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদের শিরোনাম পর্যন্ত হয়।
এ নির্বাচন কমিশনার বলেন, ভোট সুষ্ঠু ও শুদ্ধ হওয়ার পূর্বশর্ত হলো শুদ্ধ ভোটারতালিকা। ভুয়া ভোটারদের কাগুজে উপস্থিতি নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে প্রহসনে পরিণত করে। এছাড়া ভোটার তালিকায় মৃত ও স্থানান্তরিত ভোটারদের উপস্থিতি সুষ্ঠু নির্বাচনের অন্তরায়। এ জন্যই নির্বাচন কমিশন ভোটারতালিকা সম্পর্কে বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করছে।
প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সঠিক ও স্বচ্ছ ভোটারতালিকা তৈরির মাধ্যমে আপনারা একটি জাতীয় দায়িত্ব পালন করবেন বলে আশা করি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বনানী ট্র্যাজেডি: ল্যাডার দুটি সচল থাকলে... by রুদ্র মিজান

সেদিন অন্তত পাঁচটি ল্যাডার দিয়ে আটকে পড়াদের উদ্ধার ও অগ্নিনির্বাপনের কাজ করেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। ল্যাডারগুলোর মধ্যে দুটি ছিল বড়। তা দিয়ে সর্বোচ্চ ১৮ থেকে ১৯ তলা পর্যন্ত অগ্নিনির্বাপন ও উদ্ধার কাজ করা সম্ভব। কিন্তু ২৩ তলা ওই ভবনের বিভিন্ন তলায় ও ছাদে আটকে ছিলেন অনেকে। তাদের উদ্ধার করতে হিমশিম খেতে হয়েছে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা মনে করেন, জার্মানি থেকে আমদানিকৃত ওই দুটি ল্যাডার সেদিন সক্রিয় থাকলে ২৪ তলা পর্যন্ত উদ্ধার ও পানি দিয়ে আগুন নেভানো অনেকটা সহজ হতো।
ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, বছরের শুরুর দিকেই জার্মানি থেকে ল্যাডার দুটি আমদানি করা হয়। এই দুটি ল্যাডারসহ ঢাকায় ফায়ার সার্ভিসের ল্যাডার রয়েছে ৯টি। আমদানিকৃত ল্যাডারের মধ্যে এই দুটি ল্যাডার দিয়ে সর্বোচ্চ ৬৪ মিটার উচ্চতা পর্যন্ত অগ্নিনির্বাপন ও উদ্ধার তৎপরতা চালানো সম্ভব। এছাড়াও ৫৪ মিটার ও ২৭ মিটার উচ্চতার ল্যাডার রয়েছে ফায়ার সার্ভিসের বহরে। এখন সারাদেশে ল্যাডার আছে ১৯টি। এক একটি ল্যাডারের মূল্য ৯ থেকে ১২ কোটি টাকা। তবে অত্যাধুনিক দুটি ল্যাডারের মূল্য প্রায় ২৪ কোটি টাকা। এফআর টাওয়ার অগ্নিকান্ডের আগে এই দুটি ল্যাডার আমদানি করা হলেও তা প্যাকেটজাত করা ছিলো। সংশ্লিষ্টরা জানান, কারিগরি কারণেই তা ব্যবহার করা হয়নি। এটি পরীক্ষা নিরীক্ষা করে তবেই ব্যবহার করা হবে। তবে এখনও পরীক্ষা-নিরীক্ষার সেই কাজটি সম্পন্ন করতে পারেননি সংশ্লিষ্টরা।
সূত্র জানায়, ল্যাডার দুটি আমদানি করার পর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে গিয়ে দেখা গেছে, একটির কমপ্রেসারে টিকমতো কাজ করছে না। তারপর জার্মানি থেকে টেকনেশিয়ান এসে এটি সমাধান করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস. এম জুলফিকার রহমান বলেন, ল্যাডারগুলো জার্মানি থেকে আমদানি করা হয়। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তা আমদানি হয়। ৬৪ মিটারের দুটি ল্যাডার এফআর টাওয়ার অগ্নিকাণ্ডের আগে আনা হলেও তা ব্যবহার উপযোগী না হওয়ায় তখন ব্যবহার করা হয়নি। এই দুটি ল্যাডার পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজ চলছে। শিগগিরই ব্যবহার উপযোগী হবে বলে জানান তিনি।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, শিগগিরই আরও ছয়টি ল্যাডার আমদানি করা হচ্ছে। ওই ছয়টি ল্যাডার আমদানি হলে দেশে ল্যাডারের সংখ্যা দাঁড়াবে ২৫টি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খালেদা জিয়ার প্যারোলে মুক্তি নিয়ে গুঞ্জন, 'বিএনপি কিছুই জানে না'

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘গত কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন মিডিয়ায় সূত্রবিহীন একটি খবর ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে যে, খালেদা জিয়া প্যারোলে দেশের বাইরে চলে যাচ্ছেন, এমনকি তারা তারিখও বলে দিচ্ছেন! কিন্তু বাস্তবতা হলো-বিএনপির কোনো সূত্র এমন কিছুই জানে না।’
তিনি বলেন, ‘সরকারপন্থী কয়েকটি মিডিয়া প্রতিদিন মনগড়া প্রোপাগান্ডা চালিয়ে যাচ্ছে। এই প্রোপাগান্ডাগুলোর সঙ্গে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোও জড়িত বলে ব্যাপক গুঞ্জন আছে। প্যারোল নিয়ে সরকারি মিশন সাকসেসফুল করার জন্য ক্ষমতাসীনরা চতুর রাজনীতিতে লিপ্ত রয়েছে।’
খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে রিজভী বলেন, তার শারীরিক অবস্থা খুবই বিপর্যস্ত। হাত-পা নাড়তে পারছেন না। আর্থ্রাইটিসের ব্যাথার কারণে পা নাড়াতে পারছেন না। তাকে সুচিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে না।’
প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘দেশনেত্রীকে নিয়ে মাইনাস ফরমুলা বন্ধ করুন। ওয়ান ইলেভেনের সরকার মাইনাস-টু ফরমুলা বাস্তবায়ন করতে চেয়েছিল। কিন্তু জনগণের প্রাণপ্রিয় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপোষহীন কঠোর ভূমিকায় তাদের সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছিল। তারা সেদিন সফল হলে আজ আপনি প্রধানমন্ত্রী হতে পারতেন না।’
রিজভী বলেন, ‘প্যারোলের নামে মাইনাস তত্ত্বের অশুভ চক্রান্ত করে লাভ হবে না। তার জামিনে বাধা সৃষ্টি করবেন না। আদালতে হস্তক্ষেপ বন্ধ করুন। আদালতের ওপর থেকে অবৈধ হস্তক্ষেপ বন্ধ হলেই বিএনপি চেয়ারপারসন আইনি প্রক্রিয়ায়ই জামিনে বেরিয়ে আসবেন।
ওদিকে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন আজ (বৃস্পতিবার) এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার লন্ডনে যাওয়ার বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে কোনো তথ্য নেই।
সম্প্রতি কয়েকটি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়, প্যারোলে মুক্তি নিয়ে লন্ডন যেতে পারেন বিএনপি চেয়ারপারসন। এ বিষয়ে ব্রিটিশ দূতাবাস পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে কিছু জানিয়েছে কি না জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এ বিষয়ে কিছু জানি না।’
এর আগে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, ‘সুনির্দিষ্ট কারণ দেখিয়ে আবেদন করলে খালেদা জিয়াকে প্যারোলে মুক্তির বিষয়টি সরকার বিবেচনা করবে।’
এ প্রসঙ্গে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘আমরা খালেদা জিয়ার প্যারোলে মুক্তির আবেদন জানাইনি, আমরা চাই, তিনি জামিনে মুক্তি পান।’
ফখরুল স্পষ্ট করেই বলেছেন, অসুস্থ বেগম জিয়ার প্যারোলের বিষয়টি তার নিজস্ব এবং তার পরিবারের বিবেচনার বিষয়। এটা দলের কোন বিষয় নয়।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিচারিক আদালত পাঁচ বছর সাজা দেন খালেদা জিয়াকে। এরপর ওই রায়ের বিরুদ্ধে খালাস চেয়ে হাইকোর্টে আপিল করেন তার আইনজীবীরা। অন্যদিকে খালেদা জিয়ার সাজা বৃদ্ধির আবেদন (রিভিশন) করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের আবেদন গ্রহণ করে খালেদা জিয়ার সাজা বাড়িয়ে ১০ বছর করা হয়। হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের আপিল আবেদন করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা, যা শুনানির জন্য অপেক্ষমান রয়েছে।
এ ছাড়া, গত ২৯ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলা বিচারিক আদালত খালেদা জিয়াকে সাত বছরের সাজা দেন। এ রায়ের বিরুদ্ধে খালাস চেয়ে হাইকোর্টে আপিল করেন তার আইনজীবীরা। এটিও শুনানির জন্য অপেক্ষমান রয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1419)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
April
(369)
-
▼
Apr 19
(14)
- পৃথিবীর কক্ষপথে মার্কিন রহস্যজনক কৃত্রিম উপগ্রহ!
- প্রেমের ফাঁদে ফেলে অপহরণ, ৬ দিন পর উদ্ধার
- ক্ষুদ্র জাতিসত্তার চার প্রার্থীর লড়াই by অমর সাহা
- ‘আমার সবকিছু কেড়ে নেয়ার পর মেয়ের দিকে কু-দৃষ্টি পড়...
- বালাকোটে ভারতীয় বিমান হামলায় কেউ নিহত হয় নি বলে জা...
- হত্যার ছক ঠিক হয় কারাগারে by রুদ্র মিজান
- বিশ্বের প্রথম কুরআন পার্ক চালু
- নুসরাতের মতো আর কোনো হত্যাকাণ্ড দেখতে চায় না জাতিসংঘ
- বিনা টিকিটের ‘গণতন্ত্র’!
- পুঁজিতে টান by এম এম মাসুদ
- রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি: শ্রমিকদের মধ্যে ৫১ ভাগ এখন...
- স্বাধীন দেশে অস্বচ্ছ নির্বাচন ও কুয়াশাচ্ছন্ন গণতন্...
- বনানী ট্র্যাজেডি: ল্যাডার দুটি সচল থাকলে... by রুদ...
- খালেদা জিয়ার প্যারোলে মুক্তি নিয়ে গুঞ্জন, 'বিএনপি ...
-
▼
Apr 19
(14)
-
▼
April
(369)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...