Wednesday, April 8, 2015
‘আমরা রাজনীতির শিকার’ by মানসুরা হোসাইন
![]() |
| ট্রাকের শ্রমিক ফারুক কটনবার্ড দিয়ে নিজের হাত পরিষ্কার করছেন। পাশে তাঁর স্ত্রী বসে আছেন। ছবি সাবিনা ইয়াসমিন |
আজ বুধবার দুপুরে খেদ ঝেড়ে এসব কথা বলেন ট্রাকমালিক ইকবাল হোসেন। গত ৫ মার্চ গভীর রাতে ট্রাকে লাকড়ি নিয়ে ভালুকা থেকে মানিকগঞ্জে যাচ্ছিলেন ইকবাল হোসেন। রাত সাড়ে তিনটার দিকে পেট্রলবোমায় দগ্ধ হন তিনি। দুদিন আগে ইকবালের অস্ত্রোপচার হয়েছে। পা থেকে মাংস নিয়ে হাতে লাগানো হয়েছে। আজ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের পঞ্চম তলায় ইকবাল হোসেনের সঙ্গে কথা হয়। কথা হয় হরতাল-অবরোধে দগ্ধ আরও কয়েকজনের সঙ্গে। ইকবাল হোসেনের মতো অন্যদের কণ্ঠেও ক্ষোভ আর হতাশা। তাঁরা নিজেদের এ পরিণতি মেনে নিতে পারছেন না।
ইকবালের এক ছেলে। বয়স মাত্র নয় বছর। পড়াশোনায় ভালো। তাই ছেলেকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন। কিন্তু সে গুড়ে এখন বালি। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমরা তো কিছুই পাইলাম না। ট্রাকটার বয়স মাত্র আট মাস। ৪১ লাখ টাকা দিয়ে কিনছিলাম। ৬০ কিস্তির মধ্যে মাত্র আট কিস্তি দিছি। আর সেই ট্রাক চোখের সামনে ছাই হইয়া গেল!’
ইকবাল বলেন, ‘কানে এখন প্রচণ্ড ব্যথা। ইনজেকশন দিয়া ব্যথা কমাইতে হয়। ডান হাতের আঙুল সোজা করতে পারি না। এই হাত ঠিক না হইলে তো সবই শেষ।’
সুমন মিয়া (১৭) ইকবাল হোসেনের ট্রাকের সহকারী। সুমন ওই সময় ঘুমাচ্ছিল। তারও একই অবস্থা। সুমনের বাবা শওকত হোসেন গাছ থেকে পড়ে হাত-পা ভেঙে এখন অচল। কাজ করতে পারেন না। তিন মেয়ের মধ্যে দুই মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন। এক মেয়ে পড়াশোনা করছে। সুমনই ছিল পরিবারের একমাত্র রোজগেরে। ৫ মার্চ বার্ন ইউনিটে ভর্তির পর ৬০ হাজার টাকা অনুদান পেয়েছে সুমন।
ছেলের এ পরিণতিতে শওকত বলেন, ‘আমরা যদি রাজনীতি করার পাইতাম, তাইলে তো শাহেনশাহের মতন চলতে পারতাম। আমরা সাধারণ নিরীহ মানুষ। ছেলের এই অবস্থার লাইগ্যা রাগ কইরা আর কারে কী কমু? কইলেই কেডা শুনব? ’
মো. খোকন গুলিস্তানের চপ্পল ব্যবসায়ী। গত ২৩ জানুয়ারি পেট্রলবোমায় দগ্ধ হন তিনি। এক চোখে এখন দেখতে পান না। বাম হাত পেটের সঙ্গে লাগিয়ে দিয়েছেন চিকিৎসকেরা। নাভি ও নাভির চারপাশে গর্ত হয়ে গেছে। সেখান থেকে দূষিত রক্ত ঝরছে। অস্ত্রোপচারের পর আজ ২১ দিন পর প্রথম বসতে চেষ্টা করেন। তবে তখনই রক্ত পড়া শুরু হয়। আবার শুতে চান খোকন। তীব্র ব্যথায় আর শুতে পারছিলেন না। খোকনের দুই আত্মীয় চেষ্টার পর ব্যর্থ হয়ে পাশের রোগীর এক স্বজনকে ডাকেন। তারপর তাঁকে শোয়ানো সম্ভব হয়।
খোকন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা পেয়েছেন।
ট্রাকের শ্রমিক আরব আলী গত ২২ মার্চ পেট্রলবোমায় দগ্ধ হন। তাঁর সঙ্গে ট্রাকে ছিলেন আরও নয়জন। এর মধ্যে আরব আলীর পরিবারেরই ছিলেন চারজন। ঘটনার পর পাঁচজন মারা গেছেন। আরব আলীর চাচা ও এক চাচাতো ভাইও মারা গেছেন।
আরব আলী বলেন, ‘হাত দিয়া কাজ করতাম। এখন হাতের যে অবস্থা হইছে, তা দিয়া আর কাজ করতে পারুম না। এখন সরকার যদি কিছু কইরা দেয়।’
চাঁদপুরে পেট্রলবোমায় দগ্ধ ট্রাকের সহকারী রুবেল হোসেন বিয়ে করেননি। বাবা ট্রাকচালক ছিলেন। অসুস্থতার জন্য এখন আর ট্রাক চালাতে পারেন না। রুবেল কাজ করে বোনের বিয়ে দিয়েছেন। এক ভাই ফারুককে ডিগ্রি পর্যন্ত পড়িয়েছেন। এখন রুবেলের হাত, মুখ, দুই পাসহ প্রায় পুরো শরীরই পুড়ে গেছে।
রুবেলের ভাই ফারুক বলেন, ‘আমরা রাজনীতির শিকার। রাজনীতির তো একটা নিয়ম আছে। সাধারণ মানুষ মাইরা তো রাজনীতি হইতে পারে না। যারা রাজনীতি করে, তারা তো ভালো আছে। আমরা তো ভালো নাই। আমাদের পাশে তো কেউ দাঁড়াইল না। আমার পড়াশোনা বন্ধ হইয়া গেছে। আমার ভাইয়ের ভবিষ্যৎ কে করে দেবে? জীবিকার জন্য বের হইতেই হয়। পথে বের হওয়া কি অপরাধ?’
রুবেলের মা ফরিদা বেগম ক্ষীণ কণ্ঠে বললেন, ‘আমার তিন ছেলেমেয়েই মূল সম্পদ। আমার যে সম্পদ সংসার চালাইত, সে এখন মরতে বসছে। আমার সংসার পানিতে পইড়া গেছে। চোখের সামনে ছেলের কষ্ট আর সহ্য হয় না।’
তিন ছেলেমেয়ের জনক ট্রাকের শ্রমিক ফারুক জানালেন, তাঁর তিন ছেলেমেয়েই পড়াশোনা করে। তবে এখন লেখাপড়া প্রায় বন্ধ হওয়ার পথে। ২৩ মার্চ ঘটনার পর থেকে ফারুক ও তাঁর স্ত্রী হাসপাতালে, ছেলেমেয়েরা বাড়িতে।
ফারুক বলেন, ‘আমি কোনো রাজনীতি করি না। যারা আমার এই অবস্থা করছে, তারা দেখতাছে আমার অবস্থা। এখন ভাত কিনা যে খামু, তারও অবস্থা নাই। এই পর্যন্ত অনুদান পাইছি ২০ হাজার টাকা। মেয়েরা বাড়ি থেইক্যা ফোন কইরা কান্দে। তারা কয়, আব্বা আমরা কী খামু?’
কথাগুলো বলতে বলতে ফারুকের চোখ দিয়ে পানি পড়ে। তাঁর স্ত্রী পরম মমতায় তা মুছে দেন।
বার্ন ইউনিটের আবাসিক সার্জন পার্থ শংকর পাল জানালেন, হরতাল-অবরোধে দগ্ধ হয়ে এ পর্যন্ত বার্ন ইউনিটে ভর্তি হয়েছে ১৮১ জন। এর মধ্যে মারা গেছে ২২ জন। এখন পর্যন্ত ভর্তি আছে ২১ জন। একবার চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফেরার পর তিনজন আবার ভর্তি হয়েছেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সবাই খুশি হলে পুরস্কারের মূল্য বেড়ে যায় -সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আনিসুজ্জামান
![]() |
| স্বাধীনতা পদক ও পদ্মভূষণ প্রাপ্তিতে গতকাল বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামানকে সংবর্ধনা দেওয়া হয় |
আনুষ্ঠানিকতার শুরুতে আয়োজকদের পক্ষে লুভা নাহিদ চৌধুরী তাঁর সম্পর্কে একটি লিখিত শ্রদ্ধাঞ্জলি পাঠ করেন। মানুষটির অবদান তাতে অনেকটাই ফুটে ওঠে। তাতে বলা হয়, ‘জাতীয় যেকোনো সংকটে ও মানুষের মঙ্গল-আকাঙ্ক্ষায় সমাজজীবনে যে সংগ্রাম চলছে, তাতে নেতৃত্বের দায় বহন করেন তিনি। গণতান্ত্রিক ও শোষণমুক্ত সমাজের যে স্বপ্ন জাতি লালন করে, তা বাস্তবায়নের প্রয়াসে তিনি আমাদের উৎসাহিত করেন।’
আনিসুজ্জামান সম্পর্কে বলতে গিয়ে তাঁর সঙ্গে পারিবারিক সম্পৃক্ততার নানা স্মৃতি তুলে ধরেন বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আবুল খায়ের।
আনিসুজ্জামান বলেন, ‘পুরস্কার পেতে সবার ভালো লাগে। আমিও ব্যতিক্রম নই। যখন দেখি, এতে চারপাশে সবাই খুশি হয়েছে, তখন পুরস্কারের মূল্য অনেক বেড়ে যায়। পুরস্কার পেলে নাকি দায়িত্ব বেড়ে যায়। জীবনের যে পর্যায়ে পৌঁছেছি, তাতে খুব বেশি দায়িত্ব পালনের আর সুযোগ নেই।’
অনুষ্ঠান উপলক্ষে তাঁকে একটি উপহার দিতে চেয়েছিলেন আয়োজকেরা। আনিসুজ্জামানের এই অর্জনের জন্য যাঁর অবদান সবচেয়ে বেশি, তিনি তাঁর স্ত্রী সিদ্দিকা জামান। শিল্পী রোকেয়া সুলতানার সাম্প্রতিক একটি চিত্রকর্ম উপহার হিসেবে তুলে দেওয়া হয় সিদ্দিকা জামানের হাতে। সে সময় মঞ্চে ছিলেন আবদুল খালেক মেমোরিয়াল স্কুলের চেয়ারপারসন মমতাজ খালেক।
উপস্থিত অতিথিদের গান শোনান শিল্পী ইফফাত আরা দেওয়ান, লাইসা আহমেদ, বুলবুল ইসলাম ও অদিতি মহসিন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশের ব্যাপারে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পদক্ষেপ নেয়ার এখনই সময়
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বৃহস্পতিবার ১১টায় কামারুজ্জামানের সাথে আইনজীবীদের সাক্ষাৎ by হাবিবুর রহমান
অন্যদিকে ডিফেন্স আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মনির জানান, আগামীকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় কামারুজ্জামানের সাথে আইনজীবীদের সাক্ষাতের অনুমতি দিয়েছেন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারা কর্তৃপক্ষ। তিনি বলেন, নির্ধারিত সময় আমরা কামারুজ্জামানের সাথে সাক্ষাৎ করব। রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনার বিষয়টি সাক্ষাতের পর বলতে পারব।
এর আগে আজ বেলা পৌনে ৩টায় প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহাসহ আপিল বিভাগের অন্য বিচারপতিরা কামারুজ্জামানের রিভিউ রায়ের কপিতে স্বাক্ষর করেন। বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী রায় লিখেন এবং অন্য বিচারপতিরা এতে সম্মতি দেন। বিচারপতিদের স্বাক্ষরের পর রায়ের কপি আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় পাঠানো হয়। এরপর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শেষে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রর অফিস থেকে রায়ের কপি ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।
বিকেল ৪টা ৪৬ মিনিটে আপিল বিভাগের সাহকারী রেজিস্ট্রার মোঃ মেহেদী হাসান রায় ট্রাইব্যুনালে পৌঁছে দেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মোঃ আফতাবুজ্জামান রায়ের কপি গ্রহণ করেন। এরপর ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারপতিরা কামারুজ্জামানের রিভিউ রায় গ্রহণ করে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বেলা ৫টা ২৮ মিনিটে ট্রাইব্যুরনাল থেকে রায়ের কপি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। এছাড়া ফ্যাক্সযোগেও রায়ের কপি কারাগারে পাঠানো হয়। রায়ে কপি ঢাকা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিসে পাঠানো হয়। আজ বিকেলে কামারুজ্জামানের রিভিউ রায় সুপ্রিম কোর্টের ওয়েব সাইটে প্রকাশ করা হয়।
গত রোববার মৃত্যুদণ্ডের চূড়ান্ত রায়ের বিরুদ্ধে কামারুজ্জামানের রিভিউ আবেদনের শুনানি গ্রহণ শেষে সোমবার খারিজ করে দেন আপিল বিভাগ।
২০১৩ সালের ৯ মে কামারুজ্জামানকে মৃত্যুদণ্ড দেয় আন্তজাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুাল-২। ওই রায়ে বিরুদ্ধে আপিল আবেদন করেন কামারুজ্জামান। গত বছরের ৩ নভেম্বর কামারুজ্জামানের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে রায় ঘোষণা করেন আপিল বিভাগ। রায়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে কামারুজ্জামানের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রাখেন আদালত। এরপর গত ১৮ ফেব্রুয়ারি কামারুজ্জামানের আপিলের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত করা হয়। গত ৫ মার্চ আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় কামারুজ্জামানের আইনজীবীরা মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন দায়ের করেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিয়ে করবেন রোকেয়া প্রাচী
এর আগে সার্জেন্ট আহাদকে প্রাচী বিয়ে করেন। এ সংসারে তার এক কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। কিন্তু ঘাতকের হামলায় নিহত হন সার্জেন্ট আহাদ। এরপর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের শিক্ষক ও টকশোর পরিচিত মুখ এবং কলামিস্ট অধ্যাপক আসিফ নজরুলকে বিয়ে করেন। কিন্তু আসিফ নজরুল জনপ্রিয় কথাশিল্পী মরহুম হুমায়ূন আহমেদের কন্যা শিলা আহমেদকে বিয়ে করেন। এর আগেই আসিফ-প্রাচী সংসার ভেঙ্গে যায়। তাদের ঘরেরও একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মহিলাদের পাশ্চাত্য পোশাক পরার প্রবণতা বাড়াচ্ছে ধর্ষণের ঘটনা: ভারতীয় মন্ত্রী
লতা ধাভালিকর বিতর্কিত ডানপন্থী গেরুয়া সংগঠন Sanatan Sauns-এর নেত্রী। রবিবার মারেগাঁওতে একটি প্রকাশ্য সভায় গোয়ার সমস্ত অভিভাবককে তাঁদের সন্তানদের মিশনারি স্কুলে ভর্তি না করার আবেদন জানান তিনি। এই সভাতেই তিনি দাবি করেন পাশ্চাত্য সংস্কৃতির প্রভাবেই ভারতে ধর্ষণের ঘটনা বাড়ছে।
মন্ত্রী নিজের স্ত্রীর মন্তব্যকে সমর্থন করে বলেছেন ''কনভেন্ট স্কুলগুলো আমাদের সংস্কৃতি সম্পর্কে কতটুকু জানে? যান, কনভেন্ট স্কুলের পড়ুয়াদের সঙ্গে কথা বলে দেখুন। তারপর সিদ্ধান্ত নিন। আমাদের প্রকৃত সংস্কৃতি সম্পর্কে ওদের কোনও ধারণাই নেই।''
''হিন্দু প্রতিষ্ঠানগুলি মনে করে ভারতীয় সংস্কৃতি ও ধর্মের প্রসারণ প্রয়োজন। পাশ্চাত্য সংস্কৃতি আমাদের দেশীয় সংস্কৃতিকে গিলে খাচ্ছে। আমি লতার সঙ্গে সম্পূর্ণ একমত।''
দিলীপ ধাভালিকরের বড় ভাই সুদিন ধাভালিকরও গোয়ার রাজ্য মন্ত্রী। গত বছর তিনি গোয়ার বিচগুলোতে বিকিনি নিষিদ্ধ করার দাবি জানান। তাঁর এই দাবি ঘিরেও চরম বিতর্ক সৃষ্টি হয়।
সূত্র : জি-নিউজ।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মানবিক বিপর্যয়ের দ্বারপ্রান্তে ইয়েমেন: নিহত ৫৬০, আহত ১,৭৬৮
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিরীয় বংশোদ্ভূত লন্ডনে সাবেক ইমাম গুলিতে নিহত
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মাত্রাছাড়া ফেসবুকিংয়ের বিপত্তি
![]() |
| বেশি সময় ধরে ফেসবুক ব্যবহারে বিষণ্নতা বাড়ে |
বেশি সময় ধরে ফেসবুক ব্যবহার করলে কী ধরনের সমস্যা হয় তা নিয়ে একটি গবেষণা করেছেন মার্কিন গবেষকেরা। ফেসবুক ব্যবহারের সময়ের তুলনা করে গবেষকেরা দাবি করেছেন সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটটি বেশি সময় ধরে ব্যবহার করলে মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর তার প্রভাব পড়ে। হাউসটন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা জানিয়েছেন, বেশিক্ষণ ধরে ফেসবুক ব্যবহার করায় বিষণ্নতা বাড়ে।
গবেষকেরা জানিয়েছেন, নতুন ও পুরোনো বন্ধুদের মধ্যে যোগাযোগের কার্যকর মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে ফেসবুক। কিন্তু অনেকেই ফেসবুক নিয়ে দীর্ঘ সময় কাটান। ফেসবুকে বন্ধুদের জীবনের ঘটনা নিয়ে বিচার বিশ্লেষণ করেন এবং নিজের জীবনের সঙ্গে মেলাতে থাকেন। এতে তাঁর মধ্যে বিষণ্নতা বাড়তে থাকে।
সোশ্যাল অ্যান্ড ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে গবেষণা সংক্রান্ত এই প্রবন্ধ।
গবেষণা প্রসঙ্গে হাউসটন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ও গবেষণা প্রবন্ধের লেখক মাই-লি স্টিয়ারস জানিয়েছেন, ‘ফেসবুকে মানুষ নিজেকে জাহির করার প্রবণতা দেখায়, এটা বোঝা গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে মানুষ খারাপ ঘটনার চেয়ে ফেসবুকে তার ভালো ভালো ঘটনা বেশি শেয়ার করে। আমরা এটা যদি বুঝতে না পারি এবং অন্যের জীবনের সঙ্গে নিজের জীবনের তুলনা করতে থাকি তবে ফেসবুকের বন্ধুদের ঠিকভাবে মাপা যাবে না।’
১৮ থেকে ৪২ বছর বয়সী প্রতিদিন ফেসবুক ব্যবহার করেন এমন ১৫৪ জন ব্যক্তিকে নিয়ে গবেষণা চালান স্টিয়ারস ও তাঁর গবেষক দল।
দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে গবেষণা চালিয়ে দেখা গেছে, যাঁরা দীর্ঘসময় ধরে ফেসবুক ব্যবহার করেছেন তাঁদের মধ্যে বিষণ্নতার লক্ষণ দেখা যায়। এসব লক্ষণের মধ্যে রয়েছে উন্নত ভবিষ্যতের জন্য হতাশা, দুঃখ ভাব, পার্থিব জিনিস নিয়ে বিরক্তি।
এর আগেও সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট ব্যবহার ও বিষণ্নতার মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে গবেষণা হয়েছে। ২০১০ সালে কানাডার গবেষকেরা এ সংক্রান্ত একটি গবেষণা করেন যাতে রোমান্টিক সম্পর্কের মধ্যে ফেসবুক ঈর্ষা সৃষ্টি করে সে তথ্য পাওয়া যায়। ২০১৩ সালে জার্মান গবেষকেরা একটি গবেষণা করেন যাতে ফেসবুক ব্যবহারে মানুষের মধ্যে হিংসা বাড়ে বলে গবেষণায় উঠে এসেছিল।
অবশ্য, গবেষকেরা বিষণ্নতার জন্য সরাসরি ফেসবুককে দোষ দেননি। তাঁদের মধ্যে ফেসবুক ব্যবহারের সময় অন্যদের সঙ্গে নিজেকে তুলনা করা হলে তাতে সমস্যা বাড়ে।
এ ছাড়া ফেসবুক তৈরির বছর ছয়েক আগে ১৯৯৮ সালে কার্নেগি মেলন বিশ্ববিদ্যালয়ের করা এক গবেষণায় অনলাইনের ব্যবহার মানুষের মধ্যে বিষণ্নতা বাড়াচ্ছে বলে উঠে এসেছিল। গবেষকেরা বলছেন, গত এক দশক ধরেই সামাজিক পরিবর্তন ঘটে যাচ্ছে। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে যোগাযোগ কমে যাওয়া, সামাজিক পরিমণ্ডলে বন্ধুত্বের সংখ্যা কমে আসার মতো বিষয়গুলো ঘটছে। এ ছাড়া একাকিত্ব ও বিষণ্নতা বাড়াচ্ছে ইন্টারনেটের ব্যবহার।
গবেষক স্টিয়ারস বলেন, ‘ডিজিটাল জগতে শত শত বন্ধু থাকলেও কিংবা তৎক্ষণাৎ বার্তা আদান-প্রদানের সুযোগ থাকলেও মানুষ একাকী ও দুঃখবোধ করতে থাকে। সামান্য কিছু ছবি দেখে বন্ধুর জীবনের আসল চিত্র বোঝা সম্ভব হয় না।’
গবেষক স্টিয়ারস পরামর্শ দিয়ে বলেন, ‘আমি মানুষকে ফেসবুক নিয়ে নিজের মূল্যায়ন করতে বলব, আসলেই কী ফেসবুক যোগাযোগ বা মানুষের সঙ্গে যুক্ত থাকতে কাজে লাগছে না কি বিষণ্নতা বাড়িয়ে দিচ্ছে? যদি সত্যি ফেসবুক কাজ না করে তবে তা থেকে দূরে থাকাই ভালো।’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘যেকোনো প্রকারে’ জিতলে হেরে যায় জনগণ by আলী ইমাম মজুমদার
এ সংবাদটি যথার্থ নয় বলে প্রতিবাদ হয়েছে, তবে অত্যন্ত দুর্বল ভাষায়। কিন্তু প্রতিবেদক তাঁর বক্তব্য যথার্থ বলে দাবি করেছেন। আর খবরটি একাধিক সংবাদপত্রেই এসেছে। এ ধরনের বক্তব্য একজন নয়, আরও কেউ কেউ দিয়েছেন। আর আচরণবিধি? সেটা অনেকটাই কাজির গরুর মতো। কেতাবেই তা আছে। আইনত নির্দলীয় নির্বাচন হলেও দলীয়ভাবে মনোনয়ন দেওয়া হচ্ছে। অনেক প্রার্থীর বিলবোর্ড, পোস্টার, ব্যানারে শোভা পাচ্ছে প্রার্থী ব্যতীত সেই দলের নেতাদের ছবি। এমনকি জাতির জনকের ছবিও। নির্বাচন কমিশন দেখেও না দেখার অবস্থানে আছে। রিটার্নিং কর্মকর্তারাও আছেন এ বিষয়ে অনেকটা গা-ছাড়া অবস্থায়। কমিশন বা তাদের প্রতিনিধিদের এরূপ নির্লিপ্ততার সুযোগ নেবে সবল পক্ষ। সবলতা হতে পারে সরকারি ক্ষমতা, অর্থ কিংবা ক্যাডারদের তাণ্ডব। আর এসব নির্বাচনের ফলাফলকে করবে প্রভাবিত। এমনকি নির্বাচনব্যবস্থাটির প্রতি জনগণের সাম্প্রতিক কালের ক্রমহ্রাসমান আস্থার মনোভাবকে আরও জোরদার করতে পারে।
উল্লেখ করা যেতে পারে, প্রায় ১৩ বছর পর ঢাকায় সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। চলমান আন্দোলন ও নৈরাজ্যের মুখে এ ঘোষণাটি সুড়ঙ্গের অন্য প্রান্তে অনেকটা আলোকরশ্মির মতো বলে দাবি করা চলে। কেননা, সরকারি দলের পাশাপাশি আন্দোলনকারী প্রধান দলটি এই নির্বাচনগুলোতে অংশ নিতে সক্রিয় হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ভাষায়, তাদের মধ্যে শুভবুদ্ধির উদয় হয়েছে। এ কথা অনস্বীকার্য যে তাদের সত্যিকার অর্থে নির্বাচনমুখী করতে পারলে সব পক্ষেরই লাভ। বিশেষ করে দেশবাসীর। এই তিনটি স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ফলাফল যা-ই হোক, রাষ্ট্রক্ষমতায় কোনো পরিবর্তন আসবে না। তাই যেকোনো মূল্যে এগুলোতে বিজয়ী হতে সরকারদলীয় কারও কারও প্রত্যয় আত্মঘাতী হতে পারে। বরং দৃশ্যমান নিরপেক্ষতা ও বিরোধী দলের প্রচার-প্রচারণা চালাতে উপযুক্ত সুযোগ দিলে সরকারের মর্যাদা বাড়বে। গণতন্ত্রের ভিত হবে শক্তিশালী। অবশ্য আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সভায় প্রধানমন্ত্রী অন্য মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের আচরণবিধি ভঙ্গ না করার জন্য সতর্ক করে দিয়েছেন। তাঁর এ বক্তব্য প্রশংসনীয়। আমরা আশা করব, সবাই এটা মেনে চলবেন।
কিন্তু বারবার পোড় খাওয়া এ দেশের জনগণ ভালো কিছু হবে, এমনটি বিশ্বাস করতে শঙ্কিত। বিরোধী দলের গত তিন মাসে লাগাতার হরতাল-অবরোধ, এরই আড়ালে নাশকতা আর নাশকতা দমনের নামে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে মৃত্যু, বিরোধী দলকে নিয়মতান্ত্রিক কর্মসূচি পালনে বাধা, সরকারি দলের রণহুংকার আর এই সুযোগে উগ্র মৌলবাদীদের উত্থানের প্রচেষ্টা—এ সবকিছুই জনগণকে হতাশ ও ক্ষুব্ধ করেছে। তবু তারা বারবার আশায় বুক বাঁধে। তেমনি ক্ষীণ আশা নিয়ে অপেক্ষায় আছে এই নির্বাচন তিনটির সফল পরিণতি দেখার।
যেকোনো প্রকারে নির্বাচনে জয়লাভের যে বাসনা, তা নতুন বা অভিনব নয়। আমরা তা দেখেছি বারবার। স্থানীয় ও জাতীয় উভয় নির্বাচনে। সম্ভবত এটা অনেকটা পাকিস্তান আমলের উত্তরাধিকার। ১৯৫৮ সালে তখনকার পাকিস্তানে সামরিক শাসন জারির পর ‘গণভোট’ শব্দটির সঙ্গে আমরা পরিচিত হই। প্রেসিডেন্ট পদ দখলকারী ব্যক্তির প্রতি আস্থার বিপরীতে একটি কালো বাক্স ছিল। সেই কালো বাক্স গণভোটে জিততে পারে না। তৃতীয় বিশ্বের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে কখনো কোথাও জেতেনি। ১৯৬৫ সালে সেই প্রেসিডেন্ট একটি নিয়ন্ত্রিত নির্বাচনে আরেক মেয়াদের জন্য তাঁর শাসনক্ষমতা ‘নিশ্চিত’ করেন। এ ধরনের গণভোট আর নির্বাচনই ছিল যেকোনো প্রকারে জয়লাভের প্রচেষ্টা। এর সঙ্গে জনগণের তেমন কোনো সংশ্লিষ্টতা ছিল না, বরং বৈরী ছিল তারা। তবে তিনি জয়ী হয়েছিলেন। সে ধরনের শাসনব্যবস্থায় নানাবিধ বৈষম্যে ক্ষুব্ধ বাঙালি তাদের জাতীয়তার সংজ্ঞা নতুনভাবে খুঁজে নিল। যাত্রা করল নতুন পথ ধরে। সেই পথেই প্রবল জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায় মুক্তিযুদ্ধ। প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ। ভেঙে যায় পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রটি। আজও অবশিষ্ট পাকিস্তান রাষ্ট্রের প্রধান সংকট শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়ায় দুর্বলতা।
আমরা ১৯৭১ সালে স্বাধীন হলাম। স্বাধীনতার প্রধান চেতনা ছিল নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে দেশ শাসিত হবে। বলাবাহুল্য, সেই নির্বাচিত প্রতিনিধিরা আসবেন জনগণের সমর্থনকে ভিত্তি করে; যেকোনো মূল্যে নয়। দুর্ভাগ্য আমাদের, আবার আমরা যেকোনো মূল্যে ক্ষমতায় থাকার দুই-দুটি গণভোট দেখলাম। ১৯৮৮-র ভোটারবিহীন নির্বাচনও দেখলাম। তবে গণতান্ত্রিক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনে নির্বাচিত দুটি সরকারের অধীনে ১৯৯৬-এর ফেব্রুয়ারি আর ২০১৪-এর জানুয়ারির নির্বাচনও দেখেছি। শেষোক্তটিতে তো অধিকাংশ প্রার্থীই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। আবার এ ধরনের নির্বাচনে আরেকটি ব্যর্থ চেষ্টা হয়েছিল ২০০৭-এর জানুয়ারিতে। ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচিত সরকার মাসাধিককালের মধ্যেই ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হয়। ২০১৪-এর নির্বাচন নিয়ে সংকট এখনো কাটেনি।
আলোচনা করা যেতে পারে, যেকোনো মূল্য বলতে প্রকৃত অর্থে কী বোঝায়। নির্বাচন একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ প্রক্রিয়া। দলগত বা ব্যক্তিগত যেভাবেই হোক, নির্বাচনে জিততে জনসমর্থন লাভ করতে হবে। তা করতে নির্বাচনী বিধিমালার আওতায় ব্যাপক জনসংযোগ একটি নির্দোষ ও অপরিহার্য প্রক্রিয়া। তবে এটা করতে বেশ কিছু ক্ষেত্রে কালোটাকার লেনদেন হয়। আর তা করে ক্ষমতায় থাক বা না থাক যেকোনো পক্ষ। প্রার্থী ও দলের অতীত কার্যক্রম এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সবচেয়ে বিপজ্জনক দিক হলো নির্বাচন কমিশনের সক্রিয় সহযোগিতা বা অগ্রহণযোগ্য নিষ্ক্রিয়তার সুযোগে স্থানীয় প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে আয়ত্তে নিয়ে বা অগ্রাহ্য করে ভোটকেন্দ্র দখল। ভোটার না গেলেও সিল মেরে ভোটের ফলাফল প্রভাবান্বিত করা। মূল প্রতিদ্বন্দ্বীরা নির্বাচন থেকে সরে গেলে সাধারণত ভোটাররা উৎসাহ হারিয়ে ফেলেন। ভোটকেন্দ্রে যান না। এ ক্ষেত্রে সংঘাত ছাড়াই ফলাফল নিয়ন্ত্রণ করা যায়। আর তা না হলে সংঘাতে গিয়ে। তবে এ ধরনের জয়ের মূল্য কিন্তু খুব চড়া। ভোটারবিহীন আর কারচুপিপূর্ণ নির্বাচনের সঙ্গে জনগণের তেমন সম্পর্ক থাকে না।
সূচনাতেই উল্লেখ করা হয়েছে, তিনটি সিটি করপোরেশন নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণের উদ্যোগ উৎসাহজনক। স্থানীয় সরকার নির্বাচন বলে এবং কাউন্সিলর পদে প্রার্থীদের প্রচেষ্টায় তৃণমূল পর্যায়ে ভোটাররা ভোট দিতে উৎসাহী হবেন। এই নির্বাচনগুলো সফল হলে জাতীয় রাজনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। আর এগুলো সফল করতে সরকার, নির্বাচন কমিশন, রাজনৈতিক দলসমূহ ও প্রার্থীরা সবার সমভাবে সচেতন থাকার আবশ্যকতা রয়েছে। আম্পায়ারের ভূমিকায় থাকা নির্বাচন কমিশন এখন পর্যন্ত দৃঢ়তার কোনো ছাপ রেখে অগ্রসর হতে পারেনি। আইন ও বিধি প্রয়োগে তাদের সক্রিয় উদ্যোগ অত্যাবশ্যক। সম্প্রতি সংবাদপত্রে প্রকাশিত কমিশনের কার্যক্রম নিয়ে একটি নেতিবাচক চিত্র এসেছে। কমিশনের নামে এর প্রধানই সব দায়িত্ব নিচ্ছেন। এটা অসংগত এবং সংবিধানের বিচ্যুতি। নির্বাচন-প্রক্রিয়াকে জোরদার করতে কমিশনের এ অবস্থান নেতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
যা-ই হোক, সরকারপ্রধানের সাম্প্রতিক সময়ের বক্তব্যের প্রতিফলন সরকারের কাজেও থাকবে আশা করা যায়। বিরোধীদলীয় প্রার্থীরা ছোটখাটো বিচ্যুতি উপেক্ষা করে শেষ পর্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকা সফল নির্বাচনের জন্য অত্যাবশ্যক। সব পক্ষেরই যেকোনো প্রকারে জয়লাভের মানসিকতা বর্জন করতে হবে। কেননা, এরূপ জয়ে হেরে যাবে জনগণ।
আলী ইমাম মজুমদার: সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
majumder234@yahoo.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এলিয়েনের ‘সুস্পষ্ট’ প্রমাণ!
গতকাল মঙ্গলবার নাসার প্রধান বিজ্ঞানী অ্যালেন স্টেফান এক প্যানেল আলোচনায় অংশ নিয়ে নাসার এই প্রতিশ্রুতির কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘আগামী এক দশকের মধ্যে এলিয়েনের খোঁজ পাওয়া যাবে; যা হবে পৃথিবীর মধ্যে সাম্প্রতিককালের সবচেয়ে বড় আবিষ্কার। আমি মনে করি, আমরা এক দশকের মধ্যেই পৃথিবীর বাইরে অন্য কোনো খানে জীবনের অস্তিত্বের খোঁজ পেয়ে যাব। আমরা জানি কোথায় তাঁদের খুঁজে পাওয়া যাবে বা তাদের কীভাবে খুঁজতে হবে। আমাদের হাতে প্রযুক্তি রয়েছে আর আমরা তা প্রয়োগ করছি। আমি মনে করি, আমরা ঠিক পথেই আছি।’
স্পেস ডটকমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমাদের মিল্কি ওয়ে গ্যালাক্সিতেই এলিয়েন বা ভিনগ্রহবাসীর অস্তিত্বের একাধিক চিহ্ন রয়েছে। নাসার কেপলার স্পেস টেলিস্কোপের তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, আমাদের এই ছায়াপথে পৃথিবী ও মঙ্গলের মতো পাথুরে গ্রহ বেশি। সেই তুলনায় বৃহস্পতি বা শনির মতো গ্যাসীয় গ্রহের সংখ্যা কম। তাই অধিকাংশ তত্ত্বই বলে, পাথুরে গ্রহগুলো জীবনধারণের উপযোগী হতে পারে।
নাসার অ্যাস্ট্রোফিজিকস বিভাগের পরিচালক পল হার্জ মিল্কি ওয়ে ছায়াপথকে ‘আর্দ্র স্থান’ বলে উল্লেখ করেছেন। এখানে মহাকাশীয় মেঘের পানির অস্তিত্ব দেখা যায় বলেই তাঁর মত।
এলিয়েন বা ভিনগ্রহবাসীর খোঁজে নাসার বর্তমান পরিকল্পনা হচ্ছে, মঙ্গল গ্রহের বরফাচ্ছাদিত চাঁদ ইউরোপাতে আরও বেশি রোভার পাঠানো। এ ছাড়াও হাওয়াই বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা দাবি করেছেন, তাঁরা জটিল গাণিতিক নকশার রেডিও সংকেত ধরতে পেরেছেন যা কোনো বুদ্ধিমান ভিনগ্রহবাসীর পাঠানো সংকেত হতে পারে।
তবে কী সত্যিই দেখা মিলবে এলিয়েনদের? যেভাবে গবেষক, বিজ্ঞানী ও উদ্যোক্তারা উঠেপড়ে লেগেছেন ১০ বছরের মধ্যে লক্ষ্য অর্জন করে ফেলা অসম্ভব বলে মনে হচ্ছে কী?
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
উত্তরে তাবিথই ভরসা বিএনপির?
অবশ্য উত্তরে বিকল্পধারার যুগ্ম মহাসচিব মাহী বি. চৌধুরীকে প্রার্থী করার জন্য বিএনপির একটি অংশ তৎপর। মাহী নিজেও আজ বুধবার সংবাদ সম্মেলনে সব জাতীয়তাবাদী শক্তির সমর্থন চেয়েছেন। তবে মাহী দাবি করেছেন, বিএনপির সমর্থনের জন্য তিনি কারও সঙ্গে যোগাযোগ করেননি। এদিকে বিএনপি-জোটের একটি অংশ সরাসরি মাহীর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। বিএনপির কয়েকজন প্রভাবশালী জ্যেষ্ঠ নেতাও তাঁর বিষয়ে নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করছেন।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে মেয়র পদে আবদুল আউয়াল মিন্টুকে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বিএনপি। সে জন্য উত্তরে বিএনপির আর কোনো নেতা মেয়র পদে প্রার্থী হননি। বিএনপির সূত্র জানায়, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আশঙ্কা ছিল মিন্টুর মনোনয়ন ইচ্ছাকৃতভাবে বাতিল করা হতে পারে। এ জন্য তিনি মিন্টুকে একজন বিকল্প প্রার্থীও ঠিক করতে বলেছিলেন। মিন্টু বিএনপির একজন যুগ্ম মহাসচিবের নাম বলেছিলেন। কিন্তু খালেদা জিয়া তাতে সায় না দেওয়ায় পরবর্তীতে ছেলে তাবিথের নামেও মনোনয়নপত্র তোলার ব্যবস্থা করেন মিন্টু।
মিন্টুর মনোনয়নপত্র নির্বাচন কমিশন বাতিল করলেও তাবিথ বৈধ প্রার্থী। কিন্তু ছেলেকে নির্বাচনে রাখতে মিন্টু ইচ্ছাকৃত ভুল করেছেন-এমন সমালোচনার মুখে নির্বাচন করতে অনিচ্ছার কথা জানান তাবিথ আউয়াল। বিএনপির সূত্র জানায়, গত সোমবার রাতে তাবিথ আউয়াল ও তাঁর মা নাসরিন আউয়ালকে ডেকে পাঠান খালেদা জিয়া। এ সময় প্রার্থী হতে চান না বলে গণমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ায় খালেদা জিয়া তাবিথকে মৃদু ভর্ৎসনা করেন বলে জানা গেছে। সেই সঙ্গে মিন্টুর জন্য শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করার পাশাপাশি তাবিথকে মানসিকভাবে নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেছেন। প্রার্থিতার বিষয়ে জানতে চাইলে তাবিথ আউয়াল গতকাল মঙ্গলবার প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি তো আছিই। এখন বাবার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করতে হবে।’
এর আগে খালেদা জিয়ার বাসা থেকে বের হয়ে অবশ্য তাবিথ প্রথম আলোকে বলেছিলেন, কোনো রাজনৈতিক আলোচনা হয়নি। দীর্ঘদিন পর খালেদা জিয়া বাসায় ফিরেছেন, এ জন্য তাঁর মা তাঁদের নিয়ে খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন।
অন্যদিকে ঢাকা উত্তর থেকে মেয়র পদে মনোনয়ন নিয়েছেন বিএনপিদলীয় সাবেক সাংসদ মাহী বি. চৌধুরী। বিএনপির একটি অংশ তাঁকে সমর্থন দেওয়ার পক্ষে। নির্বাচন করতে অনিচ্ছুক-তাবিথের এমন বক্তব্যের পর মাহীর সম্ভাবনা উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। কিন্তু এর মধ্যে বিএনপি ও জোটের একটি অংশ সরাসরি মাহীর বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০-দলীয় জোটের শরিক পাঁচটি দল তাঁকে সমর্থন দেওয়ার বিষয়ে আপত্তি তুলেছে।
আপত্তির কারণ জানতে চাইলে বিএনপি-জোটের শরিক বাংলাদেশ ন্যাপের মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া প্রথম আলোকে বলেন, বিকল্পধারা ২০-দলীয় জোটের কেউ না। চলমান আন্দোলনে তারা কখনো হরতালের পক্ষে, কখনো বিপক্ষে কথা বলেছে। জোট গঠনের সময় বিকল্পধারা আসেনি। কারণ হিসেবে বলেছিল, যুদ্ধাপরাধীদের দল আছে জোটে। এখন এই জোটের সমর্থন চাওয়া সুবিধাবাদী চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুই শিবিরে দুই চিত্র

এদিকে, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ কোন সিটিতেই গতকাল বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীদের পক্ষে কোন প্রচারণা দেখা যায়নি। দক্ষিণে দলের প্রার্থী হিসেবে মির্জা আব্বাস চূড়ান্ত হলেও তিনি একাধিক মামলার আসামি। মির্জা আব্বাস বা তার সমর্থকদের কোন তৎপরতা দেখা যায়নি। তবে ৯ই এপ্রিল থেকে মির্জা আব্বাস প্রকাশ্যে আসতে পারেন বলে জানা গেছে। ওদিকে উত্তর সিটি করপোরেশনে বিএনপি এখনও প্রার্থী চূড়ান্ত করতে পারেনি। বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টুর মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ায় উত্তর সিটি করপোরেশনে প্রার্থী নিয়ে জটিলতায় পড়েছে দলটি। অন্য কাউকেও বিএনপির পক্ষ থেকে সমর্থন দেয়া হয়নি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুই কূটনীতিককে নিয়ে বেকায়দায় পররাষ্ট্র দপ্তর
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জাতিসংঘে বাংলাদেশের সিটি নির্বাচন প্রসঙ্গ- সহিংসতা প্রশমনের আহ্বান পুনর্ব্যক্ত
প্রশ্ন: বাংলাদেশ প্রসঙ্গে আমি গত ৩রা এপ্রিল কয়েকটি প্রশ্নের জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিব বা আপনার বিবৃতিটি দেখেছি, যেখানে মূলত বলা হয়েছে, এ নির্বাচনগুলো অনুষ্ঠিত হওয়ার বিষয়টি চমৎকার এবং সেটা সম্ভবত ভালো। কিন্তু, দেশটিতে (বাংলাদেশে) বেশ কিছু অভিযোগ পরিলক্ষিত হচ্ছে, যেমন- বিরোধী দলের কয়েকজন প্রার্থী এখনও জেলে রয়েছেন এবং মানুষকে নিবন্ধন করতে বাধা দেয়া হচ্ছে। আমি জানতে চাই, এ বিষয়ে প্রশংসা ছাড়া আরও কিছু কি বলার আছে? এবং বিশেষ করে এ নির্বাচনগুলোতে জাতিসংঘের কি কোন ভূমিকা রয়েছে বা জাতিসংঘ কি কোন ভূমিকা রাখতে আগ্রহী?
মুখপাত্র: না, আমার আর কিছু বলার নেই। অবশ্যই, সরকারের অনুরোধের ভিত্তিতেই যে কোন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে থাকে জাতিসংঘ। সেটা প্রযুক্তিগত সহায়তা বা অন্য যে কোন ধরনের সহায়তা প্রদানের মাধ্যমেই ঘটুক না কেন। গত সপ্তাহে জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন সব রাজনৈতিক দলকে (সহিংসতা) প্রশমনের লক্ষ্যে সমাধানের উপায় খুঁজে বের করার জন্য যে উৎসাহ দিয়েছেন, তার বাইরে আমার কাছে নতুন করে যোগ করার মতো কিছু নেই।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কেজরিওয়ালকে দেয়া গাড়ি ফেরত চাইল সমর্থক
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রুবেল এখন মডেল
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চলচ্চিত্রের প্রতি আগ্রহ সব সময়ই অনেক বেশি
**ইমাম রিপনের পরিচালনায় নতুন ধারাবাহিক ‘নয়া হিটলার’ নাটকের কাজ শুরু করছি। আরও একটি ধারাবাহিকের কাজের কথা হয়েছে। আপাতত কাজ বন্ধ আছে। এছাড়া চলতি ধারাবাহিকের কিছু কাজ করছি।
*চলতি ধারাবাহিক নাটকগুলোতে দর্শক সাড়া কেমন?
**আমার অভিনীত বেশ কয়েকটি নাটক বিভিন্ন চ্যানেলে প্রচার হচ্ছে। ভালো দর্শক সাড়া পাচ্ছি। দর্শক আমাকে ভালোভাবে গ্রহণ করেছে বলে মনে হয়।
*খণ্ড নাটকে কাজ করছেন?
**আসলে খণ্ড নাটক করার ইচ্ছা থাকলেও কাজ করার খুব একটা সময় হয়ে ওঠে না। সারা বছর ধারাবাহিক নাটকে অনেক বেশি সময় দিতে হয়। তাই খণ্ড নাটকে কাজ কম করি। বিশেষ উপলক্ষ ছাড়া খুব একটা করা হয় না।
*চলচ্চিত্রের কাজের কী খবর?
**চলচ্চিত্রের প্রতি আগ্রহটা সব সময়ই আমার অনেক বেশি। তবে ‘এক কাপ চা’ ছবিতে অভিনয়ের পর মনমতো কাজ পাচ্ছি না। ভালো একটি সুযোগের অপেক্ষায় আছি। ভালো কাজের সুযোগ পেলে হাতছাড়া করব না।
*ঈদের কাজের প্রস্তুতি কেমন নিচ্ছেন?
**ঈদের জন্য কাজ করছি কিন্তু পুরোপুরিভাবে এখনও শুরু করিনি। ঈদ উপলক্ষে দুটি নাটকের কাজ শেষ করেছি। আরও কয়েকটি কাজের কথা চলছে। সবকিছু ঠিক থাকলে কাজ খুব তাড়াতাড়ি শুরু করব।
সাদিয়া ন্যান্সি
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বড় পদোন্নতিতেও ‘বঞ্চনা’, প্রশাসনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া, পিএসদের জয়জয়কার
সব মিলিয়ে ৮৭৩ জন কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দিতে গিয়ে আরও কয়েক শ কর্মকর্তাকে পদোন্নতি ‘বঞ্চিত’ করা হয়েছে বলে পদোন্নতি না পাওয়া কর্মকর্তারা অভিযোগ করেছেন। অন্যদিকে পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তারা বেজায় খুশি। বিশেষ করে যেসব কর্মকর্তা যুগ্ম সচিব ও অতিরিক্ত সচিব হয়েছেন তাঁরা বেশি খুশি হয়েছেন। কারণ, এই পদগুলোকে প্রশাসনের নীতিনির্ধারণী পদ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। গাড়িসহ অন্যান্য সুযোগসুবিধাও বেশি। তবে পদ না থাকার কারণে অতিরিক্ত সচিব হয়েও অনেককে উপসচিবের দপ্তরেই কাজ করতে হবে।
বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা অভিযোগ করে বলেছেন, জনপ্রশাসনে চার বছর ধরে ঢালাও পদোন্নতি হলেও পদগুলোকে সে অনুযায়ী উন্নীত (আপগ্রেড) করা হয়নি, নতুন করে পদ সৃষ্টি করা হয়নি। এ কারণে পদোন্নতি হলেও নতুন পদে বদলি বা পদায়নে জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, বিষয়টি বেশ জটিল। এর পরও কিছু কিছু ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। যেমন এখন যুগ্ম সচিবদের পদে অতিরিক্ত সচিবদেরও পদায়নের সুযোগ করা হয়েছে।
জনপ্রশাসনের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, ১৯৮৫ বিসিএস পর্যন্ত কর্মকর্তারা অবসরে না যাওয়া পর্যন্ত এই সমস্যা কাটবে না। কারণ, ওই বিসিএস পর্যন্ত মাত্রাতিরিক্ত কর্মকর্তা রয়েছেন।
গতকাল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তার কক্ষে গিয়ে দেখা যায়, আরেক কর্মকর্তা নিজ কার্যালয়ে ছেড়ে মন খারাপ করে বসে আছেন। জানতে চাইলে ওই কর্মকর্তা বলেন, বিসিএস মেধা তালিকায় তাঁর চেয়ে অন্তত পেছনে থাকা ২৬ জন কর্মকর্তার পদোন্নতি হয়েছে, কিন্তু তাঁকে পদোন্নতি দেওয়া হয়নি।
একটি মন্ত্রণালয়ে কর্মরত ১১তম বিসিএসের মেধা তালিকায় প্রথম পাঁচে থাকা এক কর্মকর্তা (জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব) চার দফায় পদোন্নতি বঞ্চিত হয়েছেন। এ রকমভাবে কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের বেশ কিছুসংখ্যক কর্মকর্তা তাঁদের অভিযোগের কথা জানান।
পিএসদের জয়জয়কার: নতুন পদোন্নতিতে দলীয় পরিচয় ও আস্থাভাজন কর্মকর্তারা প্রাধান্য পেয়েছেন। মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সচিব, সংসদীয় কমিটির সভাপতি ও বিভিন্ন সংস্থা প্রধানের অন্তত ৩২ জন একান্ত সচিব (পিএস) পদোন্নতি পেয়েছেন। তাঁদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একান্ত সচিব-১ সাজ্জাদুল হাসান ও একান্ত সচিব-২ নমিতা হালদার যুগ্ম সচিব থেকে পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত সচিব হয়েছেন। তাঁদের দুজনকেই গতকাল আবার প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব ১ ও ২ হিসেবে নতুন করে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
সামগ্রিক বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার প্রথম আলোকে বলেন, পদ ছাড়া কোনোভাবেই পদোন্নতি দেওয়া ঠিক নয়। আর পদোন্নতিতে যদি দলীয়করণ ও স্বজনপ্রীতি হয়ে থাকে তা দুঃখজনক।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিটি নির্বাচনে বোঝা যাবে পানি কোথায় গড়ায় -বিশেষ সাক্ষাৎকারে : রফিক-উল হক by মিজানুর রহমান খান
রফিক-উল হক : সন্ত্রাসী তৎপরতা গত কয়েক দিনে কিছুটা হলেও ঠান্ডা হয়েছে। আসলে নির্বাচন দিলেই মানুষ কেমন ঠান্ডা হয়ে যায়। আমাদের দেশের মানুষ ইলেকশন-পাগল। বার কাউন্সিল বা বার অ্যাসোসিয়েশন নির্বাচন, ইউপি বা মেয়র—যেমনই হোক, নির্বাচন পেলেই মানুষ খুশি।
প্রথম আলো : সিটি নির্বাচন কেমন হবে বলে মনে করেন?
রফিক-উল হক : মিডিয়ার সক্রিয় ভূমিকার কারণে এখন নির্বাচনে কারচুপি করা খুব দুরূহ। নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে বলে আশা করি।
প্রথম আলো : আবদুল আউয়াল মিন্টুর মনোনয়ন বাতিল হওয়াকে কীভাবে দেখেন?
রফিক-উল হক : তিনি বেকুবের মতো কাজ করেছেন। তিন বছর হলো প্রস্তুতি নিয়ে সমর্থক নিয়েছেন আরেক এলাকা থেকে।
প্রথম আলো : এ ছাড়া তাঁর অন্য কি সমস্যা ছিল?
রফিক-উল হক : মিন্টুর যমুনা রিসোর্টের ইজারা বাতিল করে গত বুধবার সরকার আদেশ দিয়েছে। আদেশে রোববার (আজ) ১০টার মধ্যে সেনাবাহিনীকে ওই জমির দখল নিতে বলেছিল। ওই জমির পাশেই ছিল আর্মি ক্যাম্প। চুক্তিতে থাকা সালিসির বিধান ছিল। সেটা না মেনে ওই আদেশ দেয়। আমি এর ওপর আদালতের স্থগিতাদেশ পেলাম।
প্রথম আলো : ওই আদেশটা কি কাকতালীয়?
রফিক-উল হক : আমার মনে হলো, মিন্টু যখন নির্বাচনে দাঁড়ানোর কথা বললেন, তখনই এই আদেশটা পাস হলো। এখন ভেবে দেখুন সরকারের সততার কী অবস্থা! আমি জানি না, এর অন্য কোনো কারণ থাকতে পারে। আদেশটা এল শুক্র ও শনি মাঝে রেখে, রোববারে তারা দখল নেবে। আমি জানামাত্র সারা রাত খেটে পরদিনই জেলা আদালত থেকে স্থগিতাদেশটা পেলাম। প্রায় ১৬০ বিঘা জমি ৩০ বছরের ইজারা। মিন্টু ১৮ কোটি টাকা দিয়েছেনও। ১৯৯৯ সালে শেখ হাসিনার আমলে মিন্টুকে ইজারাদানের সিদ্ধান্ত হলো আর ২০০২ সালে বেগম জিয়ার আমলে তা কার্যকর হলো। যমুনা সেতুর পাশের ওই রিসোর্টে শেখ হাসিনা তিনবার ও বেগম খালেদা জিয়া একবার গিয়ে থেকেছেন।
মিন্টুর ছেলের প্রার্থিতার বিষয়ে আমি জানি না। তবে আমার ধারণা, ঢাকা উত্তরে আমার জামাতা আনিসুল হক জয়ী হবেন। দক্ষিণে হানিফের ছেলে (সাঈদ খোকন)। এটা আমার ব্যক্তিগত ধারণা। চট্টগ্রামে মনজুর জিতবেন। আবার এও বলি, আমাদের মানুষের সাধারণ মজ্জাগত প্রবণতা হলো ক্ষমতাসীন দলকে হারানো। ঢাকা বার, বার কাউন্সিল ও সুপ্রিম কোর্ট বারে তা-ই দেখা গেল।
প্রথম আলো : অনেকের মতে সিটি নির্বাচন দুধারি তরবারি। বিএনপি হারলে বলবে, কারচুপির আশঙ্কাই সত্যি। আর জিতলে বলবে, সরকারের জনপ্রিয়তায় ধস নেমেছে। এই নির্বাচন কি সংকটকে শিথিল, নাকি আরও গভীরতর করতে পারে?
রফিক-উল হক : আপনার এই কথা এখানে বলে লাভ নেই। ব্রিটেনের আসন্ন নির্বাচনে রক্ষণশীলেরা ভাবছে, তারা এবার এককভাবে জয়ী হবে আর লেবার ভাবছে তারা আসবে। আমরা এসব ভাবতে পারি না।
প্রথম আলো : বিএনপি ইসিকে সেনা মোতায়েন, অফিসের তালা খুলতে এবং হাজার হাজার আসামি ছেড়ে দিতে বলেছে।
রফিক-উল হক : এটা কি বলা সম্ভব যে নির্বাচনে অংশ নিতে জেল থেকে সবাইকে বের করে দেওয়া হোক। জামিন তো ব্যক্তিগতভাবে নিতে হবে। রাজনীতিক হিসেবে বলা যায়, একজন বিবেচনাবোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবে আপনি বলবেন?
প্রথম আলো : সংকট উত্তরণে একটা অ্যামনেস্টি হতে পারে। সুনির্দিষ্ট মামলা না থাকা, সন্দেহভাজন হিসেবে পাইকারি আটক ব্যক্তিদের মুক্তি দিয়ে সরকার রাজনৈতিক সদিচ্ছা দেখাতে পারে।
রফিক-উল হক : হ্যাঁ, এটা সম্ভব। খুব ভালো যুক্তি। কিন্তু ৫৪ ধারায় আর কতজন বন্দী আছেন? পিন্টু তো শাস্তি পেয়েছেন, তিনি কী করে দাঁড়াবেন?
প্রথম আলো : আচ্ছা, এত বড় একটা সংকটের মধ্যে বিএনপির মিন্টুর বোকাটে ত্রুটি, পিন্টুর মতো দণ্ডিতকে দাঁড় করানোটা বিএনপির শক্তি, না দুর্বলতার নির্দেশক? জনগণের সঙ্গে মশকরা কি না?
রফিক-উল হক : আপনি নীতিকথা বলছেন, এর উচ্চ রাজনৈতিক মূল্য আছে। যে দল বলছে দেশে গণতন্ত্র চাই, তার দলে কি গণতন্ত্র আছে? আসল তন্ত্র হলো ক্ষমতা কী করে পাব। আমরা আসলে গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি না।
প্রথম আলো : আওয়ামী লীগ মনে হচ্ছে এই কার্ডটাই খেলছে। তারা বলে, বিএনপি এলে জঙ্গি-জামায়াতের আরও উল্লম্ফন ঘটবে। তার চেয়ে গণতন্ত্রহীনভাবে ও ত্রুটি-বিচ্যুতি নিয়ে তাদের শাসনটাই দীর্ঘ হোক।
রফিক-উল হক : আপনি দেখবেন, যে যতই বলুক, হেসে-খেলে আওয়ামী লীগই পরবর্তী পাঁচ বছর টিকে যাবে।
প্রথম আলো : তার মানে, ২০১৯ সালের আগে আপনি কোনো নির্বাচনের সম্ভাবনা দেখেন না?
রফিক-উল হক : নির্বাচন (স্থানীয় সরকার) বা দু-একটা উপনির্বাচন ইত্যাদি হবে। কিন্তু সাধারণ নির্বাচন নয়।
প্রথম আলো : তাহলে আপনার কথা হলো, সিটি নির্বাচনের ফলাফল যেমনই হোক না কেন, তা কোনো মধ্যবর্তী সাধারণ নির্বাচন ত্বরান্বিত করছে না?
রফিক-উল হক : আগাম নির্বাচনের কথা আওয়ামী লীগ একবার বলে ফেলেছিল। এখন মেয়র নির্বাচনে তারা যদি জিতে যায়, তাহলে তারা মধ্যবর্তী নির্বাচনের ধার দিয়েও যাবে না। কারণ, তারা জানে, বাংলাদেশের ইতিহাস হলো যে দল ক্ষমতায় থাকে, নির্বাচন দিলে তারা হেরে যায়।
প্রথম আলো : যে সহিংসতা ও দম বন্ধ করার মধ্য দিয়ে জাতি যাচ্ছে, সেটাও কি ২০১৯ পর্যন্ত তাদের নিত্যসঙ্গী হতে পারে?
রফিক-উল হক : আচ্ছা, বলুন তো বিএনপির প্রধানের সঙ্গে কে আছেন, যিনি বা যাঁরা বিএনপির হয়ে লড়াই করছেন? মওদুদরা কোথায়? মাহবুবউদ্দিন খোকনের অর্ধেক কথা বোঝা যায় না। খন্দকার মাহবুব একজন আছেন।
প্রথম আলো : যে রাষ্ট্রে সালাহ উদ্দিনকে গুম করা যায়, সেই রাষ্ট্রে কী করে আশা করা চলে, কেউ প্রতিবাদে সরব হবেন?
রফিক-উল হক : তার মানে আপনি রাজনীতি করবেন, জেলে যেতে ভয় পাবেন। অতীতের নেতারা জেল-জুলুম...
প্রথম আলো : অনেকের মতে, এখানে বিরাট গুণগত পরিবর্তন ঘটেছে। এখন আর প্রথাগত জেল-জুলুমে থেমে নেই, গুম-খুনে চলে গেছে। কী বলবেন? সেলফ সেন্সরশিপ বাড়ছে কি না?
রফিক-উল হক : ইলিয়াস আলী ও সালাহ উদ্দিনের ধারা চলতে থাকবে? সালাহ উদ্দিনের ব্যাপারে সরকার একটা তথ্য বিবরণী পর্যন্ত দিল না। দেশে প্রেস ফ্রিডম যেটা আছে, তা কোনো দিন ছিল না, সেলফ সেন্সরশিপ আপনাদের ব্যাপার। আমার মনে হয়, পরিস্থিতি যদি এভাবে চলে আর বিএনপি একটু শক্ত হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে সরকার একটা মধ্যবর্তী নির্বাচন দিতে বাধ্য হবে। সংবিধানের ৬৫(২) অনুচ্ছেদের শর্তমতে, ১৫৪ আসনে ‘প্রত্যক্ষ ভোট’ হয়নি। সংবিধান লঙ্ঘনের কারণেও একটা মধ্যবর্তী নির্বাচন হওয়া উচিত। অবশ্য সবে ১৪ মাস কাটল। এখনই পূর্বাভাস দেওয়া কঠিন। সিটি নির্বাচনে দেখা যাক, কোথাকার পানি কোথায় গিয়ে গড়ায়। আর সংকট নিরসনে পদে পদে আমেরিকা ও ভারত মানে বিদেশিদের টেনে আনাকে আমি ঘৃণা করি।
প্রথম আলো : সিটি নির্বাচনে সেনা মোতায়েন দরকার?
রফিক-উল হক : এটা বিএনপি বলেছে। সেনারা আসুক বা না আসুক, তাতে কোনো পার্থক্য হবে না। সেনারা না এলে আওয়ামী লীগ কারচুপি করবে, এটা আমি বিশ্বাস করি না।
প্রথম আলো : বিএনপি আর কত দিন চলমান অকার্যকর ও জনভোগান্তির অবরোধ-হরতাল করে যাবে? একে নিয়ন্ত্রণে আইনের কথা মুখে বলা হয় কিন্তু প্রাণহানি ও লাখ-কোটি টাকা ক্ষতির দায় কারও ওপর বর্তানো হয় না।
রফিক-উল হক : আমি বিশ্বস্ততার সঙ্গে আশা করব, রাজনীতিকেরা যা-ই করুন, এ ধরনের কোনো কর্মসূচি ভবিষ্যতে আর না দেন। এর বিরুদ্ধে একটা আইন হতে পারে।
প্রথম আলো : দুর্নীতি দমন কেমন চলছে? গত ছয় বছরেও আপিল বিভাগে কারও দণ্ডের চূড়ান্ত ফয়সালা হয়নি?
রফিক-উল হক : আমি প্রথমেই বলব, দুদকই সবচেয়ে বড় দুর্নীতিবাজ। প্রিন্স মুসা এত বড় কাণ্ড ঘটালেন। দেহরক্ষী নিয়ে তিনি দুদকে গেলেন, এরপর কোনো সাড়াশব্দ শুনেছেন? কারণ, তাঁর প্রভাবশালী আত্মীয় আছে। এত দিন পর্যন্ত দুদক চলছে, কারও এখনো শাস্তি হয়নি। ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীরের হয়েছিল, আমি মামলা করে স্থগিতাদেশ নিয়েছিলাম, সেটা এখনো বিচারাধীন। আপনি বলুন, শাস্তি হয়েছে কারও?
প্রথম আলো : হবে কীভাবে বলুন, দুদক তো কেবল মামলা করতে পারে। আপনার মতো তারকা আইনজীবীরা যখন প্রক্রিয়াগত ত্রুটির
কথা বলে স্থগিতাদেশ নেন, তখন তো মামলা চলতে পারে না। এক-এগারোতে শতকরা ৯০ ভাগের বেশি দুর্নীতি মামলা স্টে হয়েছিল, এখন তা পাঁচ ভাগে নেমেছে।
রফিক-উল হক : সেটা তো সব দেশেই ঘটে। দুদকের মামলায় অনেক ঘাপলা থাকে। দুর্নীতি উচ্ছেদে একটা বিপ্লব দরকার।
প্রথম আলো : আপনি ৫৫ বছর আইন পেশায়, স্মরণ করতে পারেন কি, সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত কতগুলো দুর্নীতির মামলার চূড়ান্ত ফয়সালা দেখেছেন?
রফিক-উল হক : তা পারি না। তবে হাইকোর্টে ১০০ বিচারক হলে আপিল বিভাগের বিচারকের সংখ্যা ২০ হওয়া উচিত।
প্রথম আলো : এক-এগারোতে আপনি কত মামলায় স্টে পেয়েছিলেন? অন্তত ১০০ মামলায় দাঁড়িয়েছিলেন?
রফিক-উল হক : আমার মনে নেই। (হেসে) ও বুঝেছি, আপনি ইনকাম ট্যাক্সের লোক!
প্রথম আলো : বেগম রওশন এরশাদ কি একটি মামলায় হাজির না হতে কমিশন চেয়েছেন? খুলে বলবেন?
রফিক-উল হক : হ্যাঁ, সম্প্রতি এই সরকারের দেওয়া ব্যাংকের মধ্যে রওশন পেয়েছেন একটি। নতুন ব্যাংক পেতে সৎ পথে অর্জিত ৪০০ কোটি টাকা লাগে। রওশনের লাইসেন্স হস্তান্তর নিয়ে কোম্পানি কোর্টে মামলা হয়েছে। এখন রওশন এরশাদ বিরোধী দলের নেতা হয়ে বলছেন, তিনি পর্দানশিন নারী। তাই আদালতে হাজির হতে অপারগ। তাই তিনি কমিশন চেয়েছেন। এ নিয়ে কথা বলতে লজ্জিত বোধ করি।
প্রথম আলো : তাঁর ব্যাংক প্রাপ্তি দুর্নীতি নয়?
রফিক-উল হক : দুর্নীতির বাপ। আরেক তরুণ আইনজীবী ৪০০ কোটি টাকা কোথায় পেলেন? দুর্নীতি রন্ধ্রে রন্ধ্রে, বেরোতে সময় লাগবে।
প্রথম আলো : শুরুটা কীভাবে? উঁচু স্তরে তো আগে থামাতে হবে।
রফিক-উল হক : তরুণ প্রজন্ম করবে। বি. চৌধুরীর ছেলে। শেখ হাসিনার ছেলে। নাজিউর রহমানের ছেলে। এমনকি তারেক; তিনি অনেক বেশি পরিপক্ব। তাঁরা পারবেন।
প্রথম আলো : আপনাকে ধন্যবাদ।
রফিক-উল হক : ধন্যবাদ।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে মান্না
![]() |
| নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নাকে কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট হাসপাতালে নেওয়া হয় |
নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মান্নাকে কাল প্রথমে বারডেম হাসপাতাল ও পরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) শয্যা ফাঁকা না থাকায় ওই দুটি হাসপাতাল তাঁকে ভর্তি নেয়নি। এরপর তাঁকে হৃদরোগ হাসপাতালে নেওয়া হয়। এর আগে গত ৩১ মার্চ মান্নাকে কারাগার থেকে বারডেমে নেওয়া হলেও সিসিইউতে শয্যা ফাঁকা না থাকায় সেখানে তাঁকে ভর্তি নেওয়া হয়নি। ওই দিনই বারডেম থেকে তাঁকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে নেওয়া হয়। কিন্তু বঙ্গবন্ধু মেডিকেল থেকে জানানো হয়, কারা কর্তৃপক্ষ এখানে ভর্তির বিষয়ে অনুরোধ না করায় তারা ভর্তি নিতে পারবে না। ওই দিনই মান্নাকে আবার কারাগারে পাঠানো হয়।
মান্নার আইনজীবী আবদুল মান্নান খান প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা বারবার বলছি, চিকিৎসকেরাও বলছেন, উনি গুরুতর অসুস্থ। ওনার হার্টে ব্লক ও উচ্চ রক্তচাপ আছে। বহুদিন ধরে উনি স্পন্ডিলাইটিসের রোগী। তার পরও তিনি সুচিকিৎসা পাচ্ছেন না।’
আইনজীবী বলেন, এসব চিকিৎসা কারা হাসপাতালে নেই বলেই ওনাকে বাইরে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার দাবি জানানো হয়। উচ্চ আদালতও সেই নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু তার পরও তা প্রতিপালনে এতদিন লাগার বিষয়টি দুঃখজনক।
মান্নার আইনজীবীরা জানান, প্রথম দফায় ১০ দিনের রিমান্ড শেষ হওয়ার পর তাঁকে দ্বিতীয় দফায় আরেকটি মামলায় ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিন দিনের মাথায় অসুস্থ হলে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই তাঁকে আবার জেলে নেওয়া হয়। তখন থেকে অসুস্থ এই ব্যক্তিকে এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছিল।
এদিকে মান্না সুচিকিৎসা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করে আসছিল তাঁর পরিবার। চিকিৎসকেরা সিসিইউতে রাখার পরামর্শ দিলেও তাঁকে এক সপ্তাহ ধরে কারাগারে সাধারণ ওয়ার্ডে রাখা হয়। এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছিলেন তাঁর পরিবারের সদস্য ও নাগরিক ঐক্যের নেতারা।
জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট সূত্র জানায়, গতকাল দুপুরের দিকে পুলিশ মান্নাকে কারাগারে নিয়ে যান। এই হাসপাতালের পরিচালক এস টি এম আবু আজম প্রথম আলোকে বলেন, মান্নার হৃদযন্ত্রের রক্তনালিতে আগে থেকেই ব্লক ছিল। হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে আসার পর তাঁর একটি ইসিজি করা হয়েছে। এতে কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি।
আজ বুধবার মেডিকেল বোর্ড বসিয়ে মান্নার সুচিকিৎসার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও পরিচালক জানিয়েছেন।
মান্নার স্ত্রী মেহের নিগার প্রথম আলোকে বলেন, ২ এপ্রিল কারাগারে ওনার সঙ্গে সর্বশেষ দেখা হয়েছে। আজ জানতে পারলেন, উনি হাসপাতালে। এর আগে তাঁকে এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে নেওয়া হলেও সিসিইউতে শয্যা ফাঁকা না থাকার কথা বলে কারাগারে পাঠানো হয়।
মান্নার স্ত্রী আরও বলেন, সিসিইউ না পেলে তাঁকে অন্তত কেবিনে ভর্তি রেখে চিকিৎসা করা যেত। কিন্তু অসুস্থ শরীরে তাঁকে বারবার কারাগারেই ফেরত পাঠানো হয়। এমনকি একজন বিশিষ্ট নাগরিক হলেও তাঁকে ডিভিশন না দিয়ে সাধারণ কয়েদিদের সঙ্গে রাখা হয়েছে।
আইনজীবী মান্নান খান জানান, প্রবাসীর সঙ্গে টেলিফোন আলাপ ও উসকানির মামলায় জামিন আবেদন গতকাল মহানগর দায়রা জজ আদালত নাকচ করে দিয়েছেন। এখন তিনি উচ্চ আদালতে আপিল করবেন। তাঁর মতে, কোন প্রবাসীর সঙ্গে মান্না ফোনে আলোচনা করেছিলেন, তাঁকে চিহ্নিত করা না গেলে মামলা গুরুত্বহীন হয়ে যায়। তা ছাড়া যে উসকানির অভিযোগ আনা হয়েছে, তেমন কোনো ঘটনা বাস্তবে ঘটেনি। এ ছাড়া এর আগে সাদেক হোসেন খোকার সঙ্গে কথোপকথন মামলায় রিমান্ডের আদেশ চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা আবেদনও আদালত খারিজ করে দেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চিকিৎসার খরচ মেটাতে বছরে ৪০ লাখ মানুষ দরিদ্র হচ্ছে -হোসেন জিল্লুর
গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে হোসেন জিল্লুর এসব কথা বলেন। আগামীকাল বৃহস্পতিবার ঢাকায় শুরু হতে যাওয়া সর্বজনীন স্বাস্থ্যসুরক্ষা বা ইউনিভার্সাল হেলথ কাভারেজ (ইউএইচসি) বিষয়ে তিন দিনের আন্তর্জাতিক সম্মেলন উপলক্ষে এই ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়।
পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) নির্বাহী সভাপতি হোসেন জিল্লুর বলেন, গড় আয়ু বাড়লেও মানুষের স্বাস্থ্যের কী উন্নতি হয়েছে, তা ভেবে দেখা দরকার। প্রতি বছর প্রায় আট হাজার নতুন চিকিৎসক পেশায় যুক্ত হলেও তাঁদের মান নিয়ে নানা প্রশ্ন আছে। মানসম্পন্ন সেবা ব্যয়বহুলতার কারণে দরিদ্র ও মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। তিনি বলেন, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সফলতা অর্জন করলেও অসংক্রামক রোগের প্রকোপ মোকাবিলা করাই এখন বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।
হোসেন জিল্লুর বলেন, ৯-১১ অনুষ্ঠেয় সম্মেলনে স্বাস্থ্য খাতের মাঠ পরিস্থিতির পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ করে বাস্তবায়নযোগ্য একটি কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হবে। সম্মেলনে ৭২টি বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হবে। থাইল্যান্ডে সর্বজনীন স্বাস্থ্যসুরক্ষা কর্মসূচি কীভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে, তা বর্ণনা করবেন দেশটির উপস্বাস্থ্যমন্ত্রী সোমসাক চুনহারাস। বিশ্ব ব্যাংক ও রকফেলার ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহায়তায় পিপিআরসি এই সম্মেলনের মূল উদ্যোক্তা হলেও ইতিমধ্যে ১০০টির বেশি প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন এ আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সম্মেলন আয়োজনে ৪০ লাখ টাকা খরচ হচ্ছে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অধ্যাপক আজাদ খান, সাবেক স্বাস্থ্যসচিব এ এম এম নাসিরউদ্দিন, সেন্টার ফর ইনজুরি প্রিভেনশন রিসার্চ, বাংলাদেশের পরিচালক এ কে এম ফজলুর রহমান।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অসহিষ্ণুতা আর নৃশংসতার বিরুদ্ধে মানুষ by আনু মুহাম্মদ
গত ২৬ ফেব্রুয়ারি লেখক, গবেষক অভিজিৎ রায়ের হত্যাকাণ্ড এই নিষ্ঠুর ও নৃশংস সময়ের বহিঃপ্রকাশ। আগের অনেক ঘটনায় আমরা দেখেছি, এ রকম খুনের পর সমাজে প্রতিক্রিয়া হলে কয়েক দিন চোটপাট হয়, উল্টোপাল্টা গ্রেপ্তার হয়, কিন্তু শেষ পর্যন্ত আসল খুনিদের পাওয়া যায় না। অভিজিতের ক্ষেত্রে সেটাও হয়নি। মুখস্থ কথাবার্তাও কম। এর এক মাসের মাথায় ওয়াশিকুর খুন হলো, ‘হিজড়া’ নামে পরিচিত তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করা মানুষেরা এই খুনিদের না ধরলে আদৌ কেউ ধরা পড়ত কি না সন্দেহ। এসব খুনের পেছনে ধর্মের নাম ব্যবহার হয়, কিন্তু কোনো ধার্মিক মানুষ বিচার ও শাস্তি নির্ধারণের দায়িত্ব নিজের হাতে তুলে নিতে পারেন? তদন্তের রহস্যজনক গতিবিধির কারণে খুনি আর এর মূল পৃষ্ঠপোষকদের জাল আড়ালেই থেকে যায়। সমাজে স্বচ্ছভাবে এসব বিষয়ে আলোচনাও অগ্রসর করা যায় না।
অভিজিৎ হত্যার সময় পুলিশের ‘দায়িত্বে কোনো অবহেলা ছিল না’ বলে এক মাসের ‘তদন্ত’ শেষে পুলিশ বিভাগ জানিয়েছে! আসলে পুলিশ ও র্যা বের কথা এখন কে বিশ্বাস করে? বছরের পর বছর বিনা বিচারে খুন, সম্প্রতি একের পর এক গুম নিয়ে মিথ্যা ভাষণ থেকে কারও বুঝতে অসুবিধা হয় না যে তাদের কথা বিশ্বাস করা যায় না। সালাহ উদ্দিন গুম হয়েছেন পুলিশ-র্যা বের হাতে, এই বিষয়টি তাঁর পরিবার নিশ্চিত করে বলছে। পুলিশ-র্যা ব অস্বীকার করে যাচ্ছে যথারীতি, কিন্তু গুম হওয়া ব্যক্তিকে খুঁজে বের করার কোনো তৎপরতাও তাদের নেই। বিএনপি নেতা বলে সালাহ উদ্দিন নিয়ে বিষয়টি আলোচিত হচ্ছে, কিন্তু না জানা গুমও যে অনেক, তা পত্রিকার খবর খেয়াল করলে বোঝা যায়। অনেকগুলোই রাজনীতির সঙ্গে সম্পর্ক নেই।
এ ছাড়া সন্ত্রাস, পেট্রলবোমা, ধর্মীয়, জাতিগত সংখ্যালঘুদের ওপর একের পর এক হামলার ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যে তৎপরতা দেখা যায় তাতেও মনে হয়, আসল অপরাধীদের শনাক্ত করতে এবং তাদের ধরতে কোনো সমস্যা আছে। পুলিশ ও র্যা বের দক্ষতা নিয়ে আমার প্রশ্ন খুবই কম, কিন্তু বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন হাজার। কোথাও দুর্নীতি, কোথাও ‘ওপরের নির্দেশ’–এ আটকা পড়ে আছে জনগণের টাকায় প্রতিপালিত নানা বাহিনী। লক্ষণ দেখে মনে হচ্ছে, অভিজিৎ, ত্বকীও সাগর-রুনির মডেলে প্রবেশ করছে। প্রথমে সিদ্ধান্ত ‘খুনি ধরা যাবে না’, তারপর তদন্তের খেলা, এটাই হচ্ছে এই মডেল।
ত্বকী হত্যার দুই বছর হয়ে গেল। তদন্ত হয়েছে, অপরাধী শনাক্তও হয়েছে, কিন্তু তার পরও আটকে আছে বিচারকাজ। কারণ, অভিযুক্ত পরিবারের হাত অনেক লম্বা। সাগর-রুনির হত্যাকাণ্ডের তিন বছর পার হয়ে গেছে, তার হত্যাকারীদের বিচার তো দূরের কথা, তদন্তের ঘোরপ্যাঁচই কাটছে না। ঢাকার মিরপুরের কালশীতে বাইরে থেকে ঘরের তালা আটকে গানপাউডার ঢেলে শিশু-নারীসহ নয়জন মানুষকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হয়েছে। কোনো তদন্তের খবরই পাওয়া যায় না, বিচার তো দূরের কথা। অথচ এখানেও অভিযুক্ত চেনাজানা। এর বাইরে চলছে পেট্রলবোমা আর ক্রসফায়ারের হত্যাকাণ্ড। সে জন্য এ ক্ষেত্রে কথাটি এখন অতিশয়োক্তি নয় যে বাংলাদেশ এখন সন্ত্রাস, নিরাপত্তাহীনতা, অসহিষ্ণুতা আর বিচারহীনতার দেশ। অনেকে এর জন্য পুলিশি অদক্ষতাকে দায়ী করেন। কিন্তু বাস্তবতা তা বলে না। ‘ওপরের নির্দেশ’, ক্ষমতাবানদের প্রভাব বা সিদ্ধান্তের কোনো বাধা না থাকলে অপরাধী শনাক্ত করা, খুঁজে বের করা যে তাদের পক্ষে খুবই সম্ভব, তার বহু প্রমাণ আছে। সমস্যা দক্ষতার নয়, সমস্যা সিদ্ধান্তের।
পুলিশ-র্যা বের সক্রিয়তা বরং এখন অনেক বেশি বিচারবহির্ভূত খুন আর বিনা বিচারে আটক রাখায়। গ্রেপ্তার এখন যেমন একদিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পরিচালিত, তেমনি এটি বাণিজ্যেরও উৎকৃষ্ট ক্ষেত্র। অর্থ উপার্জনের উন্মাদনা সর্বত্র, ‘উন্নয়ন’ আর ভোগের জোয়ার। এই উন্মাদনায় সরকারের প্রায় প্রতিটি বিভাগ তার সুবিধা বা এখতিয়ার অনুযায়ী বাণিজ্য করছে। নিয়োগ-বাণিজ্য হয়ে কেউ যখন নিয়োগ পায়, তখন তাকে অন্য বাণিজ্য করে পোষাতে হয়। সেটা পুলিশ, আনসার বা শিক্ষক—যে-ই হোক না কেন! গ্রেপ্তার-বাণিজ্য, ভর্তি-বাণিজ্য, প্রশ্নপত্র-বাণিজ্য, কোচিং-টিউশনি-বাণিজ্য, চিকিৎসা-বাণিজ্য, তদবির-বাণিজ্য—সবকিছুই তাই এখন ‘স্বাভাবিক’ অর্থ উপার্জনের মাধ্যম।
সম্প্রতি হাইকোর্ট হরতাল-অবরোধের নামে নাশকতা–সহিংসতার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সরকারকে নির্দেশ দিয়েছেন। হরতাল-অবরোধ আহ্বানকারীদের কাছ থেকে হতাহত ব্যক্তিদের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায় করার বিষয়েও রুল দিয়েছেন। আমরা এর পাশাপাশি এটাও আশা করতে পারি যে মাননীয় আদালত ক্রসফায়ার, বন্দুকযুদ্ধের নামে বিনা বিচারে নিরস্ত্র মানুষকে হত্যা, গুম ও পাইকারি গ্রেপ্তারের মাধ্যমে নিরীহ মানুষকে হয়রানি এবং গ্রেপ্তার-বাণিজ্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সরকারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেবেন।
এ দেশে কিছু লোকের লোভের বলি হয়ে মানুষের অকালমৃত্যু আসলে খুবই সহজ! কিছুদিন আগে মংলায় ভবন ধসে মারা গেলেন শ্রমিকেরা। সারা দেশেই নির্মাণ খাতের জোর দাপট এখন। জিডিপি প্রবৃদ্ধির বড় অংশ যে ওখান থেকেই আসছে, তার হিসাব বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএসে) আছে। কিন্তু খরচ কমানোর জন্য দায়িত্বহীন, নিরাপত্তাহীন নির্মাণকাজে কত শ্রমিকের জীবন গেছে, আর কতজন পঙ্গু—সে হিসাব বিবিএস রাখে না। তার আগে লঞ্চ ডুবে মারা গেলেন অনেকে, ৭০ জন নারী-পুরুষ ও শিশুর লাশ দুই দিনের মধ্যেই শনাক্ত হয়েছে। ‘আল্লাহই এভাবে মৃত্যু লিখে রেখেছিলেন’ স্বজনেরা বরাবর হয়তো এই বিশ্বাসের মধ্যেই সান্ত্বনা খোঁজেন। কিন্তু তাতে কি স্বজনদের কষ্ট লাঘব হয়? তাতে কি অপরাধীদের দায়মোচন হয়? ত্রুটিপূর্ণ আনফিট সব লঞ্চ নদীতে, বাস সড়কে। বছর বছর এসব মরণ বাহনের সার্টিফিকেট আর অনুমতির বিনিময়ে কর্তাব্যক্তিদের গাড়ি-বাড়ি নিশ্চিত হয়, ব্যাংক-ব্যালান্স মোটা
হয়। জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব যাদের, তাদের মেদ বাড়ে বহুজনের জীবন হরণের ব্যবস্থা করে। একটু খোঁজ করলে ঢাকার বহু দামি গাড়ি আর অট্টালিকায়, বিভিন্ন সময়ের মন্ত্রী-কর্তাব্যক্তির শরীরে তাই ভবনধস, লঞ্চডুবি আর বাস ‘দুর্ঘটনায়’ মৃত মানুষের গন্ধ পাওয়া যাবে। নিহত, নির্যাতিত, নিখোঁজ ব্যক্তির স্বজনদের কান্নার আওয়াজ শোনা যাবে।
বিশ্বজুড়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ‘সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ’ চলছে ১৪ বছর ধরে। এটা বস্তুত সন্ত্রাস দমনের যুদ্ধ নয়, এটি হলো সন্ত্রাস দমনের নামে লুণ্ঠন, দখল, আধিপত্য তৈরির একটি বৈশ্বিক কূটকৌশল। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানসহ বহু দেশই এই কূটকৌশলের জালে আটকা পড়েছে। ২০০১ থেকে এই স্লোগানের অধীনে অনেক জনপদ ধ্বংস হয়েছে, প্রায় ১৫ লাখ মানুষ খুন হয়েছে, তার কয়েক গুণ বেশি মানুষ বিপর্যস্ত। এর ফলে আরও সন্ত্রাস বেড়েছে। আল-কায়েদা ধ্বংস করার কথা বলে আফগানিস্তান, ইরাক, লিবিয়া, সিরিয়াকে এখন চিরস্থায়ী যুদ্ধক্ষেত্রে রূপান্তরিত করা হয়েছে। ফলাফল: আল-কায়েদা থাকল, যোগ হলো আইএস, বোকো হারামসহ অনেক গ্রুপ। একদিকে মুসলিমবিদ্বেষ, অন্যদিকে সন্ত্রাস দমনের নামে সন্ত্রাসী হামলা, দখল, লুণ্ঠন, গণহত্যা ও ধ্বংসের কারণে তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন অসহিষ্ণু দিকহারা গোষ্ঠীর। এই মুখোশ নীতি পুরো বিশ্বকে অস্থির, নিরাপত্তাহীন, সহিংস করে তুলছে।
জাতিগত, লিঙ্গীয় বা ধর্মীয় পরিচয়, বর্ণ, মত, ভাষা বা অঞ্চল ইত্যাদি কখনো কোনো মানুষের অপরাধ হতে পারে না। অথচ এসব বিষয় নিয়ে অসহিষ্ণুতা, ‘ব্যাটাগিরি’ সমাজে, এমনকি নতুন প্রযুক্তির মঞ্চ ফেসবুকেও আলোচনা ও বিতর্কের পরিবেশ ক্রমেই সংকুচিত করে তুলছে। কুৎসা, হিংসা, দ্বেষ, তুচ্ছতাচ্ছিল্য, অপমান, মিথ্যাচার ঢেকে দিচ্ছে মতের সঙ্গে মতের বিতর্কের পরিসর। প্রত্যেক মানুষের ধর্মে বিশ্বাস, ধর্মের নির্দিষ্ট তরিকা অনুসরণ কিংবা অবিশ্বাস, নির্দিষ্ট বিশ্বদৃষ্টিভঙ্গি ধারণ করার অধিকার আছে। প্রত্যেক মানুষের এই বিশ্বাসের প্রতি সম্মান জানাতে হবে। এই সম্মান রেখেই যেকোনো ধর্মমত পর্যালোচনার অধিকার সমাজে রক্ষা করতে হবে। কুৎসার সঙ্গে পর্যালোচনার তফাত বোঝার সক্ষমতাও সমাজে তৈরি হবে এই পরিসর তৈরি হলে। কথা বলা ও লেখার কারণে যদি আক্রমণ আসে, তখন নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজন আরও বেশি কথা বলা ও লেখা। অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করলে যদি নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়, তাহলে নিরাপত্তার জন্য দরকার অন্যায়ের বিরুদ্ধে আরও বেশি মানুষ জড়ো করা।
সমাজের ভেতর চিন্তা ও প্রতিরোধের শক্তি ছাড়া ভরসা করার আর কী আছে আমাদের?
আনু মুহাম্মদ: অর্থনীতিবিদ ও অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।
anu@juniv.edu
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নির্বাচন গণতন্ত্র হত্যার কলকাঠি হতে পারে না by সিরাজুর রহমান
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1372)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
April
(816)
-
▼
Apr 08
(32)
- ‘আমরা রাজনীতির শিকার’ by মানসুরা হোসাইন
- সবাই খুশি হলে পুরস্কারের মূল্য বেড়ে যায় -সংবর্ধনা...
- বাংলাদেশের ব্যাপারে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পদক্ষে...
- বৃহস্পতিবার ১১টায় কামারুজ্জামানের সাথে আইনজীবীদের ...
- বিয়ে করবেন রোকেয়া প্রাচী
- মহিলাদের পাশ্চাত্য পোশাক পরার প্রবণতা বাড়াচ্ছে ধর্...
- মানবিক বিপর্যয়ের দ্বারপ্রান্তে ইয়েমেন: নিহত ৫৬০, আ...
- সিরীয় বংশোদ্ভূত লন্ডনে সাবেক ইমাম গুলিতে নিহত
- মাত্রাছাড়া ফেসবুকিংয়ের বিপত্তি
- ‘যেকোনো প্রকারে’ জিতলে হেরে যায় জনগণ by আলী ইমাম...
- এলিয়েনের ‘সুস্পষ্ট’ প্রমাণ!
- উত্তরে তাবিথই ভরসা বিএনপির?
- দুই শিবিরে দুই চিত্র
- দুই কূটনীতিককে নিয়ে বেকায়দায় পররাষ্ট্র দপ্তর
- জাতিসংঘে বাংলাদেশের সিটি নির্বাচন প্রসঙ্গ- সহিংসতা...
- কেজরিওয়ালকে দেয়া গাড়ি ফেরত চাইল সমর্থক
- রুবেল এখন মডেল
- চলচ্চিত্রের প্রতি আগ্রহ সব সময়ই অনেক বেশি
- বড় পদোন্নতিতেও ‘বঞ্চনা’, প্রশাসনে মিশ্র প্রতিক্রি...
- সিটি নির্বাচনে বোঝা যাবে পানি কোথায় গড়ায় -বিশেষ ...
- এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে মান্না
- চিকিৎসার খরচ মেটাতে বছরে ৪০ লাখ মানুষ দরিদ্র হচ্ছে...
- অসহিষ্ণুতা আর নৃশংসতার বিরুদ্ধে মানুষ by আনু মুহাম্মদ
- নির্বাচন গণতন্ত্র হত্যার কলকাঠি হতে পারে না by সির...
- পর্দার আড়ালে কি হলো- নানা আলোচনা by সাজেদুল হক
- ছাদ ভেঙে পড়বে না তো কি সোনাদানা পড়বে? আনিসুল হক
- সাহারার মৃত্যুফাঁদে অভুক্ত ১৮ দিন by রোকনুজ্জামান ...
- বিমানকে কাছে পেতে চায় সিলেটের যাত্রীরা by ওয়েছ খছরু
- নয়া কর্মপরিকল্পনা নিয়ে মাঠে বিএনপি by কাফি কামাল
- উচ্চ আদালতে বাংলা ভাষা by ড. শেখ সালাহ উদ্দিন আহমেদ
- কাউন্সিলর প্রার্থী নিয়ে গলদঘর্ম সরকারি দল by উৎপল রায়
- দেড় কোটি টাকার স্কুল ভবন হস্তান্তরের আগেই ফাটল
-
▼
Apr 08
(32)
-
▼
April
(816)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...





















