Monday, July 1, 2013
জটিল সমীকরণে রাজনীতি ও নির্বাচন by মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন
প্রধানমন্ত্রী যখন মনে করবেন, তার দল নির্বাচনে জেতার মতো পর্যায়ে পৌঁছেছে, তখন তিনি নির্বাচনের কথা চিন্তা করতে পারেন। ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার চাইলে দেশে নির্বাচন হবে না’- এ কথার তাৎপর্য এখানেই। এখন প্রশ্ন হল, প্রধানমন্ত্রী কি দেশে নির্বাচন না দিয়ে পারবেন? তখন রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ কি তার হাতে থাকবে? সব দল নির্বাচনের পক্ষে অবস্থান নিলে তিনি একা কী করবেন?
দেশের রাজনীতিতে একটা মেরুকরণ অবধারিত বলেই প্রতীয়মান হয়। ১৮ দলের সঙ্গে যোগ হয়েছে নতুন আবির্ভূত হওয়া শক্তি হেফাজতে ইসলাম ও বি. চৌধুরীর বিকল্প ধারা। পাইপলাইনে আছে এরশাদ সাহেবের জাতীয় পার্টি, আসম রবের জেএসডি ও কাদের সিদ্দিকীর দলসহ আরও কিছু দল। এই দলগুলো যদি এক প্লাটফর্মে সমবেত হয়, তাহলে বাকি থাকল সাম্যবাদী দল, ইনু সাহেবের জাসদ ও মেনন সাহেবের ওয়ার্কার্স পার্টিকে নিয়ে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ১৪ দল। এ ১৪ দলের মধ্যে ওয়ান ম্যান শো পার্টিও আছে এবং আওয়ামী লীগের বাইরে অন্যদের নিজস্ব কোনো ভোট ব্যাংক নেই। পক্ষান্তরে বিএনপির যেমন নিজস্ব ভোট ব্যাংক আছে, তেমনি হেফাজত, জামায়াত ও জাতীয় পার্টিরও নিজস্ব ভোট ব্যাংক আছে। এরা সম্মিলিতভাবে প্রায় ৭০ শতাংশ ভোটের অধিকারী। বলা বাহুল্য, সম্প্রতি দেশের চার প্রান্তে অনুষ্ঠিত হওয়া চার সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে গড় ভোটের অংকে আওয়ামী লীগ শতকরা ২৮ ভাগ ভোট পেয়েছে। সেই হিসাবে আগামী নির্বাচনে ৭০ শতাংশ ভোট যদি এক পক্ষে যায়, তাহলে নির্বাচনের ফলাফলটা কী দাঁড়াবে তা সহজেই অনুমেয়। অন্তত ভোটের রাজনীতিতে এটিকে ব্যালেন্স করা অসাধ্য। এ সত্য অনিবার্য মনে করে সামনের নির্বাচনকে জটিল করে তোলা কোনোভাবেই সমীচীন হবে না।
মনে রাখতে হবে, নদীর স্রোত ও বাতাসের গতিবেগ যেমন আটকে রাখা যায় না, তেমনি মানুষের আবেগও আটকে রাখা যায় না। নির্বাচনের জন্য মানুষ উদগ্রীব হয়ে আছে। চার সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ততা তার সুস্পষ্ট উদাহরণ। নির্বাচন ছাড়া অন্য কোনো পথে পা বাড়ালে জনগণ দাঁতভাঙা জবাব দেয়ার জন্য প্রস্তুত বলেই প্রতীয়মান হয়। কাজেই একটি পক্ষপাতহীন ও গ্রহণযেগ্য নির্বাচনই চলমান সংকট সমাধানের একমাত্র পথ। এর মাধ্যমেই শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতার হাতবদল হতে পারে। দেশ ও মানুষের ভালো চাইলে এ পথকেই অনিবার্য মনে করতে হবে রাজনীতিকদের।
বাংলাদেশকে ঘিরে পরাশক্তি ও আঞ্চলিক শক্তির বিশেষ তৎপরতা লক্ষণীয়। ক্ষমতার হাতবদলকে পুঁজি করে তারা তাদের স্বার্থ হাসিল করতে মরিয়া। এ সময়কে তারা মোক্ষম সময় মনে করে ক্ষমতার হাতবদলকে জটিল করার কাজে রত আছে বলেই প্রতীয়মান হয়। তারা চায় বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলে কর্তৃত্ব কায়েম করতে। তারা চায় বাংলাদেশের তেল-গ্যাসের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে। আর এসব করতে হলে রাজনীতিকে অশান্ত করে তুলতে হবে। ক্ষমতার হাতদবলই রাজনীতিকে অশান্ত করার মোক্ষম সময়। অশান্ত রাজনীতিই সবকিছু তছনছ করতে পারে, তৈরি করতে পারে সুযোগের ক্ষেত্র; আর এই সুযোগেরই সদ্ব্যবহার করতে প্রস্তুত পরাশক্তি ও আঞ্চলিক শক্তি।
এখন প্রশ্ন হল, বাংলাদেশের রাজনীতিকরা কি তাদের এ সুযোগ তৈরি করে দেবেন? যদি না দিতে চান তাহলে জাতীয় স্বার্থে অন্তত রাজনীতিকদের এক হতে হবে, ক্ষমতার হাতবদলকে শান্তিপূর্ণ করতে হবে; প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিহার করতে হবে, পরমতসহিষ্ণুতা ও শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তুলতে হবে। গণতন্ত্রকে নিরবচ্ছিন্ন রাখতে এর কোনো বিকল্প নেই।
বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা অব্যাহত রাখার বিষয়টি এখন সর্বতোভাবে বর্তমান সরকারের ওপরই নির্ভর করছে। নির্দলীয় সরকারের অধীনে পক্ষপাতহীন নির্বাচনের ব্যবস্থা করলে জনগণের ভোটের অধিকার রক্ষার পাশাপাশি দেশও এক অনিবার্য বিপর্যয় থেকে রক্ষা পাবে। সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে একটি রাজনৈতিক সমঝোতা না হলে দেশে গণতন্ত্র ও সাংবিধানিক শাসনব্যবস্থা বিপন্ন হওয়ার আশংকা দেখা দেবে; বৃদ্ধি পাবে সংঘাত-সহিংসতা।
রাজনৈতিক সহিংসতায় গত কয়েক মাসে প্রচুর সম্পদ ধ্বংস হয়েছে, প্রচুর প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। একই জাতি ও ধর্মের মানুষের মধ্যে এই আÍঘাতী ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা করলে বোঝা যায়, ক্ষমতার পালাবদলকে কেন্দ্র করে সুকৌশলে জাতিকে ভয়ানক বিভক্তির দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে; যাতে এই জাতি বিপন্ন জাতিতে পরিণত হয়। রাষ্ট্রের মালিক জনগণ, রাষ্ট্রের ভিত্তিও জনগণ; জনগণকে বিপন্ন করে রাষ্ট্র টিকে থাকতে পারে না। কাজেই রাজনৈতিক সহিংসতায় আর যাতে কোনো প্রাণ ঝরে না যায়, আর যাতে কোনো মায়ের বুক খালি না হয়। সাংঘর্ষিক ও প্রতিশোধমূলক রাজনীতি পরিহারের জন্য স্থিতিশীল আবহ সৃষ্টি করা প্রয়োজন। এর জন্য সবাইকেই দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। দুরভিসন্ধি ত্যাগ করতে হবে। বর্তমানে দেশের রাজনীতিতে যা কিছু ঘটে চলেছে, তাকে এক পরিকল্পিত দুরভিসন্ধি ছাড়া অন্য কিছু বলার উপায় নেই।
দেশকে অপূরণীয় ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে গঠনমূলক, সহনশীল ও পরিপক্ব রাজনীতির কোনো বিকল্প নেই। আপনি কত বড় রাজনীতিক সেটি বড় কথা নয়, আপনার কর্মকাণ্ড দেশের জন্য কতটা ইতিবাচক ও মঙ্গলজনক- জাতির কাছে সেটিই বড় বলে বিবেচিত। জাতির কাছে একটি সত্য দিবালোকের মতো উদ্ভাসিত হয়ে উঠছে- বর্তমান সরকার ইচ্ছা করলে দেশকে যে কোনো অনাকাক্সিক্ষত পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ ঘটাতে পারে। আমরা প্রত্যাশা করব, সরকার তা-ই করবে, অন্ধকার দূর করে দেশকে আলোর পথে নিয়ে আসবে। তাহলে জাতি হয়তো তাদের নতুন চোখে দেখবে, নির্বাচনে তারা ভালো ফলাফল করতে পারবে।
মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন : রাজনৈতিক বিশ্লেষক
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সরকার সতর্কবার্তাটি বুঝতে পেরেছে কি? by সুলতান মাহমুদ রানা
চার সিটির নির্বাচন যেহেতু সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে, সেহেতু সরকার এখন এটা বলার সুযোগ পাচ্ছে যে, আগামী সাধারণ নির্বাচনও দলীয় সরকারের অধীনেই সুষ্ঠু হবে। অর্থাৎ বিরোধী দলের নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিকে অযৌক্তিক প্রমাণ করার চেষ্টা করছে সরকার। তবে বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, চার সিটি নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক, তারা নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি থেকে সরে আসবে না। এটা ঠিক যে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আর জাতীয় নির্বাচন এক বিষয় নয়। স্থানীয় পর্যায়ে নির্বাচনী ফলাফল দিয়ে সরকার পরিবর্তন হয় না। গুরুত্বের বিবেচনায় জাতীয় সংসদের সঙ্গে স্থানীয় নির্বাচনের পার্থক্য রাত-দিন।
যে কোনো রাজনৈতিক দলের প্রধান লক্ষ্য হল নির্বাচনের মাধ্যমে বা বৈধ উপায়ে শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়া। নির্বাচনে জয়লাভ করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার জন্য একটি দেশের প্রধান রাজনৈতিক দল সর্বাÍক শক্তি প্রয়োগের চেষ্টা করে। আমাদের দেশেও এর ব্যতিক্রম হয় না। সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের ফলাফলে আওয়ামী লীগের কাছে পরিষ্কার হল, সরকারের জনপ্রিয়তার মাত্রা নেমে এসেছে অনেক নিচে; সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে তাদের ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তন করার পরিস্থিতি কঠিন বটে। এক্ষেত্রে বিএনপিকেও বুঝতে হবে যে, তাদের এই জয়জয়কার নিজেদের জনপ্রিয়তার কারণে নয় বরং এর পেছনে রয়েছে সরকারের জনপ্রিয়তা হ্রাস। এক্ষেত্রে সরকারের জনপ্রিয়তা হ্রাসের সঙ্গে স্থানীয় পর্যায়ে অভ্যন্তরীণ দলীয় কোন্দলও সরকার-সমর্থিত প্রার্থীদের পরাজয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে বলে দাবি করা যায়।
তবে এ ফলাফলকে সরকার ও বিরোধী দলের জন্য পরীক্ষামূলকও বলা যায়, কারণ সরকারের জনপ্রিয়তার মান বাড়াতে না পারলে জাতীয় নির্বাচনে ফলাফল এভাবেই মঞ্চস্থ হতে পারে। আবার বিরোধী দলেরও সাবধান থাকতে হবে ভোট বাক্সকে ভবিষ্যতে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর জন্য। কাজেই কোনো পক্ষ ভুল করলে আসন্ন সংসদ নির্বাচনের ফলাফলেও পরিবর্তন হতেই পারে।
বাংলাদেশের নির্বাচনী রাজনীতির খেলায় ১৯৯১ সালের পর দেশের কোনো ক্ষমতাসীন দলই পরবর্তী নির্বাচনে সরকার গঠন করতে পারেনি। ১৯৯৬ সালে ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একদলীয় নির্বাচনী নাটক মঞ্চস্থ করার পর টানা দ্বিতীয় মেয়াদে বিএনপি ক্ষমতা গ্রহণ করলেও বৈধতার সংকটে স্থায়িত্ব লাভ করতে পারেনি। আবার ২০০৬ সালে ক্ষমতার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর দ্বিতীয় মেয়াদে আসার জন্য বিচারপতিদের অবসরের বয়সসীমা বৃদ্ধি করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে অনুগত ব্যক্তিকে বসাতে চেয়েছিল বিএনপি। তার পরিণতি কী হয়েছে তা আমরা সবাই দেখেছি। এবার আওয়ামী লীগও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধানকে বাতিল করে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনী প্রস্তুতির পথে পা বাড়াচ্ছে। ইতিমধ্যেই আদালতের দোহাই দিয়ে সংবিধান থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করা হয়েছে। নির্দলীয় সরকার ছাড়া দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে তা ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবমুক্ত থাকবে- এ কথা খুব একটা বিশ্বাসযোগ্য নয়।
চার সিটির তিনটিতেই ব্যাপক উন্নয়ন কাজ করেছিলেন বিদায়ী মেয়ররা। নির্বাচনের আগে ধারণা করা হয়েছিল, উন্নয়ন কাজ দেখে যদি জনগণ ভোট দেন তাহলে রাজশাহী, খুলনা ও বরিশালে সরকার-সমর্থিত প্রার্থীরা বিজয়ী হবেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দেখা গেল, চারটি সিটিতেই আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীদের ভরাডুবি হয়েছে। নির্বাচনের ফলাফলের মাধ্যমে এটাই প্রমাণিত হয়েছে যে, স্থানীয় উন্নয়ন করে নির্বাচনে বিজয়ী হওয়া যায় না, এ জন্য দরকার জাতীয় উন্নয়ন এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে জনবান্ধব ইস্যু।
ভরাডুবির কারণ কী তা ইতিমধ্যেই নানাভাবে পত্রপত্রিকা ও টেলিভিশনে টকশোর মাধ্যমে বিভিন্ন আঙ্গিকে উপস্থাপিত হয়েছে। তবে স্থানীয় জনগণ সবাই একবাক্যে বলেছেন, এ রকম নিরপেক্ষ নির্বাচন আগে কখনও তারা দেখেননি। এ ধরনের প্রতিবন্ধকতাহীন নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসে বিরল। স্থানীয় জনগণের এমন মতামত অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। দলীয় সরকারের অধীনে এত ভালো নির্বাচন আগে কখনও দেখা গেছে কিনা আমি জানি না। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম, দেশের সিভিল সমাজ ও আন্তর্জাতিক সম্প্র্রদায় নিরপেক্ষভাবে সিটি নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সাধুবাদ জানিয়েছে সরকারকে। নির্বাচন কমিশনের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে। তারা এখন জোর দিয়ে বলতে পারে, তাদের পক্ষে নিরপেক্ষ নির্বাচন করা সম্ভব। ঢাকা সফররত কমনওয়েলথ মহাসচিব কমলেশ শর্মা একটি পত্রিকায় সাক্ষাৎকার দিয়ে বলেছেন, নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ছে। সেই সঙ্গে পরাজিত হয়েও সরকার তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলছে। পরাজিতরা নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিয়ে বিজয়ীদের মিষ্টিমুখ করাচ্ছেন। অভিনন্দন জানাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী নিজেও বিএনপি সমর্থিত নবনির্বাচিত মেয়রদের অভিনন্দন জানিয়েছেন। এ ধরনের অভিনন্দন বার্তাকে নিঃসন্দেহে গণতন্ত্রের ইতিবাচক সংস্কৃতি হিসেবেই বিবেচনা করা যায়।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে কখনোই পরাজিত প্রার্থীকে অভিনন্দন জানানো কিংবা নির্বাচনকে নির্দ্বিধায় মেনে নেয়ার সংস্কৃতি ছিল না। সাম্প্রতিক ইতিহাসে বিশেষত ৯১-পরবর্তী জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের কোনো নির্বাচনেই পরাজিত প্রার্থী ফলাফল মেনে নেয়নি। কাজেই রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ইতিবাচক পরিবর্তনের লক্ষণ গণতন্ত্র বিকাশের মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে বলেই আমরা আশা করছি।
লেখক : সুলতান মাহমুদ রানা : শিক্ষক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চার সিটি নির্বাচনে ইসির দুর্বল ভূমিকা by মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার
চার সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠানের সোয়া বছর আগে ক্ষমতাসীন হয়ে কাজী রকিব কমিশন স্বাধীনভাবে পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করতে পারেনি। প্রথমত, এ কমিশন পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট হওয়ায় কাজ শুরু করার পর গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে সিদ্ধান্ত নিতে কমিশন সদস্যদের মধ্যে ঐকমত্যের সমস্যা হয়। কোনো রাজনৈতিক দল বা ভোটারদের দাবি না থাকা সত্ত্বেও সাবেক হুদা কমিশন ইভিএমে নির্বাচন করার যে পরিকল্পনা করে, সে বিষয়টির কথাই ধরা যাক। রকিব কমিশনের সামনে প্রথমেই সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা হবে কিনা সে সিদ্ধান্তটি জরুরি হয়ে দেখা দেয়। ড. হুদা কমিশন চেয়েছিল, নতুন কমিশন তাদের কাজের ধারাবাহিকতা এগিয়ে নেবে। কিন্তু যেহেতু হুদা কমিশন সুনামের সঙ্গে কাজ করতে পারেনি (ওই কমিশনের বিরুদ্ধে বিএনপির সঙ্গে বিমাতাসুলভ আচরণ করে ওই দলটিকে ভাঙা এবং পরে ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাওয়া, বিতর্কিত ইভিএম মেশিনে ভোট গ্রহণের উদ্যোগ গ্রহণ করা এবং তিন মাসের সময়সীমা ভেঙে দুই বছর ক্ষমতায় থাকা ফখরুদ্দীন সরকারের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগ ছিল), সে কারণেই হয়তো রকিব কমিশন হুদা কমিশনের সবকিছু মেনে নেয়নি। এর পরিবর্তে নতুন কমিশন হুদা কমিশনের কিছু কাজে দুর্নীতির উপস্থিতি পেয়ে ওই প্রকল্পগুলো বাতিল করে জনগণের আস্থা অর্জন করার চেষ্টা করে।
ড. হুদা কমিশন আন্তরিকভাবে চেয়েছিল যাতে রকিব কমিশন নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে। কিন্তু ইসির পাঁচ সদস্যের মধ্যে ঐকমত্য না থাকায় কমিশন এ ব্যাপারে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। বিষয়টি খুবই জরুরি ছিল। কারণ সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করতে হলে তার জন্য দীর্ঘ পূর্বপ্রস্তুতি ও ব্যাপক অর্থ বরাদ্দের প্রয়োজন হয়। কিন্তু ক্ষমতায় আসার কিছুদিন পর এ ব্যাপারে অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সিইসি ৫ মার্চ সাংবাদিকদের বলেন, সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের সিদ্ধান্ত বর্তমান কমিশন গ্রহণ না করলেও সব রকম প্রস্তুতি রাখা হবে, যাতে নির্বাচনের আগে এ নিয়ে কোনো ঝামেলা না হয়। সিইসির ওই বক্তব্য থেকে অনুধাবন করা যায়, নির্বাচন কমিশন ইভিএম ব্যবহার প্রসঙ্গে তখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারেনি। ইভিএমে নির্বাচনের সঙ্গে যেখানে ব্যাপক আর্থিক খরচ জড়িত, সেখানে সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগেই ইভিএম ব্যবহারের প্রস্তুতি গ্রহণ করে পরে ইভিএমে নির্বাচন না করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হলে যে বিশাল আর্থিক ক্ষতি হবে, তার দায়িত্ব কে নেবে- সে সম্পর্কে ওই সময় সিইসি কোনো ব্যাখ্যা দেননি।
পরবর্তীকালে ক্ষমতায় আসার চার মাস পর ২০১২ সালের ২২ জুন নির্বাচন কমিশন ইভিএম প্রসঙ্গে আরও বৈঠক ও আলাপ-আলোচনা করে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে এ রকম একটি সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নেয়ার পরও রকিব কমিশন ড. হুদা কমিশনের প্রভাববলয় থেকে বের হতে পারেনি। কারণ তা না হলে জুন মাসের সিদ্ধান্ত ভুলে গিয়ে ১৬ অক্টোবর নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) জাবেদ আলী দশম সংসদ নির্বাচনে আংশিকভাবে ইভিএম ব্যবহার হতে পারে বলে আবারও জানাতেন না। তিনি বলেন, ‘বিগত কমিশন ইভিএম নিয়ে যে সূচনা করেছিল, তাদের লক্ষ্য ও আমাদের লক্ষ্য এক। জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের কথা বিগত কমিশনও বলেনি। বিধিবিধানও করেনি। বলা হয়েছিল, স্থানীয় সব পর্যায়ে ইভিএম চালু করার পর মানুষ অভ্যস্ত হলে সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার হবে।’ রকিব কমিশন জানত যে, নাসিক নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারকারী কেন্দ্রগুলোর মধ্যে নারায়ণগঞ্জ সদরের ২১টি, সিদ্ধিরগঞ্জের ১১টি এবং বন্দরের ৬টি ভোটকেন্দ্রে বিভিন্ন জটিলতা সৃষ্টি হওয়ায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভোট নষ্ট হয়েছিল। কমিশন এও জানত, বাংলাদেশী ইভিএমগুলো এর প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান বুয়েট ছাড়া অন্য কোনো সমজাতীয় দেশী বা বিদেশী গবেষণা প্রতিষ্ঠান দিয়ে পরীক্ষা করানো হয়নি। দেশেও বিরোধী দল থেকে যারা এ ইভিএম হ্যাকপ্র“ফ নয় দাবি করে এ ইভিএম কিভাবে হ্যাক করা সম্ভব তা প্রমাণের সুযোগ চেয়েছিলেন, তাদের সে সুযোগ দেয়া হয়নি। এমন অনিশ্চয়তা ও জটিলতার মধ্যেও কাজী রকিব কমিশন সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে অনুষ্ঠিত যুগোপৎ সরকার ও নির্বাচন কমিশনের জন্য অ্যাসিড টেস্ট হিসেবে বিবেচিত চারটি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে কেন আবার আংশিক ইভিএম ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিল, তা বোধগম্য নয়।
চার সিটি নির্বাচনে আংশিক ইভিএম ব্যবহার করতে গিয়ে কমিশনকে বিভিন্নমুখী জটিলতায় পড়তে হয়। বরিশালে পলিটেকনিক কলেজ কেন্দ্রে নির্বাচনী কর্মকর্তারা ইভিএম কার্ড খুলে ফেলায় ভোটারদের মধ্যে ভোট নষ্ট হওয়ার আশংকা তৈরি হয়। রাজশাহীর টিটি কলেজ কেন্দ্রের ছয়টি বুথের একটি বুথে গৃহীত ৩১০টি ভোট গণনা করতে না পেরে ওই বুথের ভোট বাদ দিয়েই প্রিসাইডিং অফিসারকে কেন্দ্রের নির্বাচনী ফলাফল হিসাব করে দু’সপ্তাহ পর ২৯ জুন ওই কেন্দ্রে সাধারণ কাউন্সিলর পদের জন্য ইভিএমের পরিবর্তে ব্যালট পদ্ধতিতে পুনরায় ভোট গ্রহণ করতে হয়। এ রকম যে হবে, তা অনেক আগেই অনুমিত হয়েছিল। নারায়ণগঞ্জের ঘটনা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে কমিশনের উচিত ছিল চার সিটি নির্বাচনে ইভিএমে ভোট গ্রহণ থেকে বিরত থাকা। কিন্তু কমিশন তা থাকেনি। চার সিটি নির্বাচনে কিছু কেন্দ্রে ইভিএম ব্যবহার করে ধাক্কা খাওয়ার পর আগামী জুলাইয়ে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে কমিশন ইভিএম ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনার শাহ নেওয়াজ বলেছেন, ‘সম্প্রতি রাজশাহী সিটি নির্বাচনে একটি কেন্দ্রে ইভিএম নিয়ে ঝামেলা দেখা দেয়ার কারণে গাজীপুর সিটি নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা হবে না। রাজশাহীতে ইভিএমে কেন সমস্যা দেখা দিয়েছেÑ এ কারণ খুঁজে বের করার পর অন্য কোনো নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করার কথা চিন্তা করব।’ ইভিএম ব্যবহার নিয়ে কাজী রকিব কমিশনের কর্মকাণ্ডের সতর্ক পরীক্ষা একটি সুপরিচিত গ্রামীণ প্রবাদকে মনে করিয়ে দেয় : গাধা পানি খায়, তবে ঘোলা করে খায়।
এবার চার সিটি নির্বাচনের আচরণবিধি প্রসঙ্গে আসা যাক। আলোচ্য চার সিটি নির্বাচনে নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের তীব্র প্রতিযোগিতা চলে। প্রার্থীদের নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার ব্যাপারে ইসি জোরালো ভূমিকা পালন করতে পারেনি। বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এলাকায় সরকারি দল সমর্থিত প্রার্থীর নামে অসংখ্য রঙিন বিলবোর্ড, ব্যানার দেখা গেলেও এবং সে প্রসঙ্গে ইসিতে অভিযোগ আনা হলেও কমিশন এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। রাসিক নির্বাচনে সিডিউল ঘোষণা করার পর পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান সরকারি দল সমর্থিত প্রার্থীকে নির্বাচনী প্রচারণায় এগিয়ে রাখার হীন উদ্দেশ্যে নতুন গ্যাস সংযোগ দিয়ে নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ করলেও সেক্ষেত্রে কমিশন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেনি। খুুলনায় শ্রম প্রতিমন্ত্রী নির্বাচনী এলাকায় আচরণবিধি ভঙ্গের মতো কাজ করলেও কমিশন তাকে কিছুই বলেনি। সিলেটে নির্বাচনী প্রচারণায় পৌরসভার মেয়র এবং উপজেলা চেয়ারম্যানরা সরকারি গাড়ি ব্যবহার করে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর পরও কমিশন ওইসব গাড়ি আটক করতে পারেনি। তবে কমিশন ১৪ জন উপজেলা চেয়ারম্যানকে নির্বাচনী প্রচারণায় সরকারি গাড়ি ব্যবহার করার কারণে শোকজ করে। এ ছাড়া কালো টাকার ব্যবহার এবং ভোট ক্রয় রোধেও ইসি ইতিবাচক কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেনি। নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। এর দৌড় কেবল শোকজ পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকবে কেন? কমিশন যদি আচরণবিধি ভঙ্গের কারণে পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যানকে নির্বাচনের সময়ের জন্য সাসপেন্ড করাতে পারত, যদি নির্বাচনে ব্যবহারের জন্য উপজেলা চেয়ারম্যানদের গাড়ি থানায় নিয়ে আটকে রাখতে পারত, তাহলে প্রার্থীরা নির্বাচনী আচরণবিধি পালনে যতœবান হতেন। কমিশন তা না করে এ ব্যাপারে ঢিলেঢালাভাবে শোকজ করেই দায়িত্ব শেষ করেছে।
চার সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বড় আকারে সন্ত্রাস না হলেও কিছু বিচ্ছিন্ন সন্ত্রাস হয়েছে। বরিশালে দুই বড় দল সমর্থিত প্রার্থীর মধ্যে সংঘর্ষে এক প্রার্থী লাঞ্ছিত হয়েছেন। বিরোধী দল সমর্থিত মেয়র প্রার্থীর দেহরক্ষী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এছাড়া ভয়-ভীতি প্রদর্শন, ছোটখাটো হুমকি-ধমকি ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার বিষয় ছিল। প্রার্থীদের পক্ষ থেকে দাবি থাকা সত্ত্বেও ইসি সংশ্লিষ্ট সিটিগুলোতে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান পরিচালনার ব্যবস্থা করেনি। নির্বাচনে শান্তি-শৃংখলা রক্ষায় সেনা মোতায়েনের দাবি থাকা সত্ত্বেও কমিশন সে দাবি না মানায় এ ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি। সেনা মোতায়েন করা হলে নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের ঘটনা কম ঘটত এবং বিচ্ছিন্ন সন্ত্রাসের ঘটনা অনেকটাই হ্রাস পেত। বাংলাদেশের দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী জাতিসংঘের অধীনে বিদেশে নির্বাচনে শান্তি-শৃংখলা রক্ষায় ভূমিকা পালন করে কৃতিত্ব অর্জন করলেও দেশের নির্বাচনে শান্তি-শৃংখলা রক্ষায় তাদের ব্যবহারে নির্বাচন কমিশন কেন কার্পণ্য দেখায়, তা বোধগম্য নয়।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে অনুষ্ঠিত চারটি বড় শহরের সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন সমগ্র জাতি গুরুত্বের সঙ্গে নিলেও এবং যুগপৎ সরকারি ও বিরোধী দল এ নির্বাচনকে তাদের জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের পরিমাপক হিসেবে গ্রহণ করলেও ইসি এ নির্বাচনটিকে তেমন গুরুত্ব দিয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়নি। ১৫ জুন নির্বাচনের দিন সমগ্র জাতি যখন কেমন নির্বাচন হয়, মারামারি-কাটাকাটি বা ভোট ডাকাতি হয় কিনা এসব জানতে উদগ্রীব, টিভির পর্দায় চোখ রাখতে ব্যস্ত, তখন নির্বাচন কমিশন এ ব্যাপারে ছিল নির্বিকার। সিইসি ওইদিন অফিসে গেছেন বেলা ১টার পর। চারটি সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনী কর্মকাণ্ড মনিটর করার জন্য চারজন কমিশনারকে দায়িত্ব দেয়া হলেও নির্বাচনের দিন সকালে এ চারজনের মাত্র একজনকে কমিশন অফিসে উপস্থিত দেখা যায়। নির্বাচনী এলাকা থেকে সিইসি ও অন্য কমিশনারদের নির্বাচনী এলাকা পরিদর্শনের অনুরোধ করা সত্ত্বেও তারা নির্বাচনী এলাকায় না গিয়ে রাজধানীতে অবস্থানে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন।
আলোচ্য নির্বাচনগুলো ছিল স্থানীয় সরকার নির্বাচন, যা সংবিধান অনুযায়ী নির্দলীয়ভাবে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। কিন্তু নির্বাচনগুলোতে চরম দলীয় প্রবণতা বৃদ্ধি পেলেও নির্বাচন কমিশন নিশ্চুপ ভূমিকা পালন করে। বস্তুত নির্বাচনগুলোকে নির্দলীয় রাখার ব্যাপারে ইসি কোনো ভূমিকাই গ্রহণ করেনি। নির্বাচন কমিশন প্রার্থীদের এ নির্বাচনের নির্দলীয় চরিত্রের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে উভয় দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রচারণায় আসতে নিরুৎসাহিত করতে পারত। কিন্তু কমিশন তা করেনি। বড় বড় জাতীয় ইস্যু উত্থাপন এবং দলীয় কেন্দ্রীয় নেতাদের অংশগ্রহণে একটি নির্দলীয় নির্বাচন পূর্ণ দলীয় রূপ নেয়া সত্ত্বেও কমিশনের নীরবতা তার খামখেয়ালিপনা ও দুর্বলতাকেই তুলে ধরে। এসব বিবেচনায় আলোচ্য চার সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে রকিব কমিশনের ভূমিকাকে প্রশংসা করা যায় না। এ নির্বাচন পরিচালনার মধ্য দিয়ে কমিশন তার পেশাদারিত্ব এবং স্বাধীন ও শক্তিশালী ভাবমূর্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি।
ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার : অধ্যাপক, রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুনৌকায় পা দিয়ে নদী পার হওয়া যায় না by আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
আসিফের সব লেখা নয়, কিছু লেখা আমি পড়েছি। তাতে ধর্মীয় বিধিবিধানের কঠোর সমালোচনা আমার চোখে পড়েছে। কিন্তু ধর্মবিশ্বাস ও মহানবীর (সা.) অবমাননামূলক মন্তব্য আমার চোখে পড়েনি। আসিফ আমাকে বলেছে, তার এবং শাহবাগ-সমর্থক আরও কোনো কোনো ব্লগারের নাম ব্যবহার করে জামায়াত-শিবিরের লোকরা ধর্ম ও মহানবীর (সা.) অবমাননাসূচক মন্তব্য প্রচার করেছে। শুধু তার নয়, শাহবাগ সমর্থক অন্য ব্লগারদের নামেও করেছে। উদ্দেশ্য ছিল শাহবাগ আন্দোলন এবং তার সমর্থক তরুণ ব্লগারদের ধর্মের অবমাননাকারী হিসেবে প্রচার করা এবং শাহবাগ আন্দোলনের বিরুদ্ধে জনমত তৈরি করে তাকে ব্যর্থ করা।
আসিফের এই অভিযোগটি যে একেবারে অসত্য নয়, যারা সে সময় আমার দেশ কাগজটির এই ব্লগারদের সবার বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক এবং বানোয়াট প্রচারণা লক্ষ্য করেছেন তারা সবাই জানে। এই প্রচারণারই বলি হয়েছে আসিফের এক ব্লগার বন্ধু রাজীব। তাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তার আগেই আসিফকে কুপিয়ে হত্যা করার চেষ্টা করা হয়। সে ভাগ্যক্রমে বেঁচে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে থাকার সময়েও তার ওপর আবারও হামলা চালানোর হুমকি দেয়া হয়। আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীরকে অনুরোধ জানিয়েছিলাম আহত আসিফকে বাঁচাতে তার জন্য একটা পুলিশ পাহারার ব্যবস্থা করতে। তিনি আমার অনুরোধে কর্ণপাত করেননি। আসিফের ওপর হামলাকে কোনো গুরুত্বই দেননি। ফলে আসিফকে হত্যায় ব্যর্থ হয়ে কয়েক দিনের মধ্যেই আরেক ব্লগার রাজীবকে হত্যা করে জামায়াত-শিবিরের ঘাতকরা। ঢালাওভাবে শাহবাগ মঞ্চের সমর্থক অধিকাংশ ব্লগারকে ধর্মের অবমাননাকারী হিসেবে গ্রেফতার করে হেফাজত ও জামায়াতিদের তুষ্ট করার চেষ্টা হয়েছে। সবচেয়ে শক্তিশালী গণজাগরণ মঞ্চটিকে বিতর্কিত, নিন্দিত এবং শেষ পর্যন্ত নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। তার সুদূরপ্রসারী ফল আমরা লক্ষ্য করছি সাম্প্রতিক সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন পর্যন্ত। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আমি অনুরোধ করেছিলাম আহত আসিফকে নিরাপত্তা দেয়ার জন্য। তার পুলিশ গুরুতর আহত আসিফকে দীর্ঘ সময়ের জন্য জেলে নিক্ষেপ করে এই অনুরোধ উল্টোভাবে রক্ষা করেছে। তার জামিনের আবেদনও বারবার প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল।
আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দোষ দিই না। কিন্তু তার উপদেষ্টাদের অনেকেই (মন্ত্রী এবং উপদেষ্টা) কোন জগতের বাসিন্দা তা আমি জানি না। বাংলাদেশের রাজনীতিতে হেফাজতিদের অভ্যুদয় আকস্মিক মনে হতে পারে; কিন্তু তা যে পূর্বপরিকল্পিত তা বুঝতে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টারা কেন ব্যর্থ হলেন, তা আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানের অগম্য। হেফাজতি সমস্যা সমাধানের জন্য তারা দু’মুখোনীতি অনুসরণ করেছেন।
একদিকে ৫ মে রাতে তারা হেফাজত সমাবেশ ভাঙার জন্য নূ্যূনতম শক্তি প্রয়োগ করেও হাজার হাজার মানুষ হত্যার বানোয়াট অপবাদ নিয়েছেন। অন্যদিকে পর্দার আড়ালে হেফাজতিদের তুষ্ট করার জন্য শাহবাগ মঞ্চ ভেঙেছেন; নির্দোষ ব্লগারদেরও গ্রেফতার করেছেন। শুনেছি (কতটা সঠিক জানি না) হেফাজতিদের দলে টানার জন্য বিএনপি ও আওয়ামী লীগ দু’পক্ষ থেকেই লাখ নয়, কোটি কোটি টাকার লেনদেন করা হয়েছে। হেফাজতিরা নাকি দু’পক্ষ থেকে টাকা কামিয়েছে। ধর্ম নিয়ে এমন ব্যবসা বর্তমান দুনিয়ার আর কোথাও হয়েছে বলে আমার জানা নেই। তাতে দেশের গণতান্ত্রিক শক্তি লাভবান হয়েছে কি? হেফাজতিরা তুষ্ট হয়েছে কি? চারটি সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে হেফাজতিদের ভূমিকা এবং নির্বাচনের ফল কী বলে? হেফাজতিদের ঢাকা অবরোধের হুমকির পর যখন সরকারের এক মন্ত্রী হুমকি দিয়েছেন তাদের দমন করা হবে এবং অন্য মন্ত্রী হাটহাজারিতে ছুটেছেন হেফাজত নেতাকে এই বলে শান্ত করার জন্য যে, তাদের অধিকাংশ দাবিই সরকার মেনে নিয়েছে; তখন মহাজোটের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা রাশেদ খান মেনন এই মর্মে সরকারের জন্য সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছিলেন যে, ‘সরকারের জন্য আম এবং ছালা দুই-ই যাবে।’ চার চারটি সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে প্রমাণিত হয়েছে, মেনন সরকারের জন্য বড় কঠিন এবং সঠিক সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছিলেন। চার চারটি সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের শোচনীয় পরাজয়ের পর এখন সামনে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন। আমার আরেকটি লেখায় লিখেছি, এই নির্বাচন আওয়ামী লীগের জন্য স্ট্যালিনগ্রাডের যুদ্ধ। এই যুদ্ধেই হয়তো নির্ধারিত হবে আগামী সাধারণ নির্বাচনে (যদি যথাসময়ে নির্বিঘ্নে অনুষ্ঠিত হয়) আওয়ামী লীগ জয়ী হয়ে ক্ষমতায় থাকতে পারবে কিনা! যদি তারা না পারে, তাহলে রাশেদ খান মেননের প্রোফেসিই আরও সত্য হবে- অর্থাৎ আওয়ামী লীগের জন্য আম ও ছালা দুই-ই যাবে। যদি কোনোক্রমে তারা গাজীপুর নির্বাচনে বৈধভাবেও জয়ী হয়, তাহলেও বিএনপি তার স্বভাবসুলভ চিৎকার শুরু করবে, ‘আমাদের জয় ছিনতাই করা হয়েছে।’ এজন্য ফখর মির্জারা তো তৈরি হয়েই আছেন।
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনের আর চার-পাঁচ দিন বাকি। এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জয়ী হবে কিনা তা নিয়ে আমার মনে অনেক দ্বিধা-দ্বন্দ্ব। ঠিক এই সময় গাজীপুর সম্পর্কে এক আওয়ামী লীগ নেতাকে টেলিফোন করে জানতে চাইলাম, তাদের অবস্থা কী? তিনি আমাকে আশ্বস্ত করে বললেন, অবস্থা ভালোর দিকে। আমরা হেফাজতিদের ভাগ করে ফেলতে পেরেছি। তাদের এক অংশ আমাদের প্রার্থীকে সমর্থন দিচ্ছে। অন্য অংশ দিচ্ছে বিএনপি প্রার্থীকে। আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীও প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। সুতরাং গাজীপুরে আমাদের জয় অনেকটাই নিশ্চিত।
তাকে বলেছি, আপনার মুখে ফুলচন্দন পড়ুক। কিন্তু হেফাজতিদের সমর্থন লাভ সম্পর্কে যে কথা বলছেন, তাতে খুব আশ্বস্ত হতে পারছি না। ব্রিটিশ আমলের এক বিখ্যাত নির্বাচনের গল্প বলে এর কারণটা দর্শাতে চাচ্ছি। ত্রিশের দশকের কথা। অবিভক্ত বঙ্গের প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে মুসলিম লীগ নেতা খাজা নাজিমুদ্দীন এবং কৃষক প্রজা পার্টির নেতা একে ফজলুল হক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচন হচ্ছিল পটুয়াখালী কেন্দ্রে। এই পটুয়াখালী ছিল নাজিমুদ্দীনের জমিদারের অন্তর্ভুক্ত। তিনি এলাকার জমিদার। তার ওপর দু’হাতে টাকা ছড়াচ্ছেন। ফজলুল হকের অত টাকা নেই। সুতরাং সবাই ধরে নিয়েছিল, নির্বাচনে নাজিমুদ্দীন জয়ী হবেন।
নির্বাচনের দিন মাঠের মধ্যে পাশাপাশি হক সাহেব ও নাজিমুদ্দীনের নির্বাচনী ক্যাম্প। নাজিমুদ্দীনের শিবিরের ভোটদাতাদের জন্য পোলাও-কোর্মা ইত্যাদি খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। হক সাহেবের শিবিরের ভোটদাতাদের জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে কেবল পান-তামাকের। হক সাহেব মাঝে মাঝেই ভোটদাতাদের উদ্দেশ করে বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। তিনি বলছিলেন, ‘ভাই সাহেবেরা, নাজিমুদ্দীন আপনাদের জমিদার। বড় লোক। তাই আপনাদের জন্য পোলাও-কোর্মার ব্যবস্থা করতে পেরেছেন। আমি গরিব এবং গরিবের বন্ধু। তাই আপনাদের জন্য শুধু পান-তামাকের ব্যবস্থা করতে পেরেছি। আপনাদের কাছে আমার অনুরোধ, আপনারা নাজিমুদ্দীন সাহেবের ক্যাম্পে প্রথম যান। পোলাও-কোর্মা খান। তারপর ভোটকেন্দ্রে ঢুকে আমাকে ভোটটা দিয়ে আমার ক্যাম্পে এসে পান-তামাক সেবন করুন।’ হক সাহেবের আবেদনে পটুয়াখালীর ভোটদাতারা তা-ই করেছিল। হক সাহেবের কাছে নাজিমুদ্দীন বিপুল ভোটে পরাজিত হয়েছিলেন।
গল্পটি বলে আওয়ামী লীগ নেতাকে বললাম, আজকাল মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষকদেরও আর বোকা মনে করবেন না। তারা অনেক চালাক-চতুর হয়ে গেছে। এমনও হতে পারে, তারা গাজীপুর নির্বাচনে দুই পক্ষ থেকেই নগদ কড়ি লুটবে; ভান করবে আওয়ামী প্রার্থীকে সমর্থন দিচ্ছে; আসলে সমর্থনটা দেবে বিএনপি প্রার্থীকেই। গাজীপুরে জয়ী হতে হলে আওয়ামী লীগকে প্রকৃত জনসমর্থনের ওপরই নির্ভর করতে হবে। দু’মুখো নীতি দ্বারা বা দুই নৌকায় পা দিয়ে নদী পার হওয়া যাবে না।
আওয়ামী লীগ একটি বিরাট গণতান্ত্রিক পার্টি। অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময়ের রাজনীতির অভিজ্ঞতা তাদের রয়েছে। এই অভিজ্ঞতা থেকেই তাদের বোঝা উচিত রাজনীতিতে কৌশল অবশ্যই থাকবে। কিন্তু নীতিভ্রষ্টতাকে তারা যেন কৌশল বলে না ভাবেন। এক সময়ে জামায়াতের সঙ্গে সমান্তরাল আন্দোলন, ফতোয়া চুক্তি আওয়ামী লীগকে কোনো বেনিফিট দেয়নি; বরং তার রাজনৈতিক অবস্থানকে বিতর্কিত ও দুর্বল করেছে। হেফাজতি সমস্যা সমাধানের ব্যাপারে তাদের ৫ মের শক্ত ভূমিকা (বিএনপি-জামায়াতের অপপ্রচার সত্ত্বেও) দেশে-বিদেশে প্রশংসিত হয়েছে। এ সম্পর্কে সরকারের পূর্বাপর ভূমিকা প্রশংসিত হয়নি; বিতর্কিত হয়েছে এবং জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে।
আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব গ্রহণের পর শেখ হাসিনা অত্যন্ত সাহসী ও কৌশলী ভূমিকার পরিচয় দিয়েছেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর আমলে দলটির যে ইডিওলজিক্যাল অবস্থান ছিল, সেই অবস্থান থেকে ক্রমেই দূরে সরে এসেছে। বিএনপি-জামায়াত জোটের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের যে ইডিওলজিক্যাল যুদ্ধ, সেই যুদ্ধ থেকে সরে এসে আওয়ামী লীগ তাকে কেবল রাজনৈতিক ক্ষমতার লড়াইয়ে পরিণত করে জয়ী হতে চেয়েছে। ফলে তার মিত্রের সংখ্যা কমেছে। শত্র“ সবল হয়েছে।
এখন লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, আওয়ামী লীগের শত্র“ কেবল বিএনপি-জামায়াত এবং হেফাজত জোট নয়; দেশের তথাকথিত সুশীল সমাজ, একশ্রেণীর বড় এনজিও এবং মিডিয়া, ড. ইউনূস ও ড. কামালের ক্যাম্প, ট্রান্সপারেন্সি, সুজন ইত্যাদি উদ্দেশ্যপরায়ণ এলিটদের চ্যাটারিং ক্লাবগুলো বর্তমান আওয়ামী সরকারের চারদিকে ব্যূহ তৈরি করে বিরুদ্ধ অবস্থান নিয়েছে। তাতে গণতন্ত্র, সেকুলারিজম গোল্লায় যাক পরোয়া নেই। আওয়ামী লীগ প্রমাণ করতে পারছে না, মুক্তিযুদ্ধের মৌল আদর্শ গণতন্ত্র ও সেকুলারিজমের তারা এখনও শক্তিশালী প্রহরী। শাহবাগ গণজাগরণ মঞ্চ ভেঙে দেয়া আওয়ামী লীগের একটি বড় ভুল। হেফাজতিদের বিশ্বাস করা ও তোল্লা দেয়া আরেকটি বড় ভুল। গণতান্ত্রিক শিবিরের মহাজোট শক্তিশালী না করা এবং শরিক দলগুলোকে সমান সুযোগ-সুবিধা না দিয়ে নিষ্ক্রিয় করে রাখাও বড় ভুল। ভারত ও আমেরিকার সমর্থন আওয়ামী লীগের জন্য স্থায়ী রবে এই ধারণাটা সঠিক নয়। টিকফা চুক্তি স্বাক্ষরে সম্মত হওয়ার পরও প্রেসিডেন্ট ওবামা কর্তৃক বাংলাদেশকে জিএসপির সুবিধা দান স্থগিত করার ঘোষণা তার প্রমাণ।
দেশে যদি আওয়ামী লীগ সরকার জনসমর্থন হারায়, তাহলে বিদেশী মিত্রদেরও সমর্থন তার পেছনে থাকবে না। এখন বিশ্ব জগতের কোথাও নীতি-নৈতিকতার বালাই নেই, আছে সুবিধাবাদিতা। গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ভাগ্যে জয়-পরাজয় যা-ই ঘটুক, তাকে বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগের নীতিগত অবস্থানে ফিরে যেতে হবে। জনগণের সমর্থন নিয়ে কেবল ক্ষমতার যুদ্ধে নয়, ইথিওলজিক্যাল যুদ্ধেও নামতে হবে। আওয়ামী লীগ প্রমাণ করেছে, তারা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে জানে। তাকে প্রমাণ করতে হবে, সে হারানো জনসমর্থন ফিরিয়ে এনে আরও বিরাটভাবে ক্ষমতায় ফিরে আসতেও জানে। গাজীপুর নির্বাচন তাকে সেই পথ দেখাক।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বারাক ওবামার প্রতি ম্যাশেলের কৃতজ্ঞতা
![]() |
| গ্রাসা ম্যাশেল |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এমকিউএম প্রধান আলতাফের পদত্যাগ নাটক
আলতাফ গত শনিবার রাতে যুক্তরাজ্য থেকে টেলিফোনে পাকিস্তানের গণমাধ্যমকে জানান, এমকিউএমের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ইমরান ফারুক হত্যার ঘটনা তদন্তে ব্রিটিশ পুলিশকয়েক দিন আগে তাঁর বাসায় তল্লাশি চালিয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে নৈতিক কারণে তিনি দলীয় প্রধানের পদ থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। খবর শুনে এমকিউএমের শত শত কর্মী করাচির আজিজাবাদ এলাকায় সমবেত হয়ে সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে আলতাফকে অনুরোধকরেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে সকাল ১০টার দিকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নেন আলতাফ। ইমরান ফারুক ছিলেন এমকিউএমের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। তখন দলের নাম ছিল মোহাজির কওমি মুভমেন্ট। ১৯৮৪ সালে দলের প্রধান হন আলতাফ। ডন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ম্যান্ডেলার কারণে ইউরোপ সফর স্থগিত করলেন ক্লার্ক
![]() |
| ফ্রেডারিক ডি ক্লার্ক |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
উত্তরাখন্ডের বন্যায় এখনো তিন হাজার নিখোঁজ
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতের কাশ্মীরে সেনাদের হাতে দুজন নিহত, উত্তেজনা
নিহত কিশোরের এক চাচা বলেন, গভীর রাতে বাড়ির বাইরে দুটি গাড়ি দেখতে পেয়ে তাঁরা ঘর থেকে বের হন। মনে করেছিলেন, কেউ তাঁদের গবাদিপশু চুরি করতে এসেছে। কিন্তু ঘর থেকে বের হতেই সেনাসদস্যরা তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে তাঁর ভাইপোর মাথায় গুলি লাগলে সে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। সেনাবাহিনীও এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে তদন্ত শুরু করেছে। মেজর জেনারেল আর আর নিমবদকার সাংবাদিকদের বলেন, কোনো সেনাসদস্য দোষী প্রমাণিত হলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এএফপি।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আফগান শান্তি আলোচনায় সহায়তার আশ্বাস নওয়াজের
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দক্ষিণ আফ্রিকায় ওবামার সফর নিয়ে উত্তাপ নেই
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শেষ পর্যন্ত গ্লাসটনবুরি উৎসবে রোলিং স্টোনস!
![]() |
| উৎসবে মিক জ্যাগার |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাশিয়াকেই স্নোডেনের গন্তব্য ঠিক করতে হবে
এর আগে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে কথা হয় কোরেয়ার। একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কোরেয়া বলেন, স্নোডেন ইকুয়েডরের কাছে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন। কিন্তু রাজনৈতিক আশ্রয়ের প্রক্রিয়া শুরু করতে তাঁকে অবশ্যই ইকুয়েডরের ভূখণ্ডে আসতে হবে। তিনি আরও বলেন, এই মুহূর্তে স্নোডেনের গন্তব্যের বিষয়ে সমাধান রুশ কর্তৃপক্ষের হাতে। কোরেয়া বলেন, ‘আমরা এই পরিস্থিতিতে পড়তে চাইনি। উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের সঙ্গে স্নোডেনের যোগাযোগ রয়েছে। স্নোডেনকে রাজনৈতিক আশ্রয় দিতে অ্যাসাঞ্জ ইকুয়েডর সরকারের কাছে সুপারিশ করেছেন।’ স্নোডেন গত ২৩ জুন হংকং ছেড়ে রাশিয়া যান। তিনি তখন থেকে মস্কোর শেরেমেয়িতেভো বিমানবন্দরের ট্রানজিট এলাকায় অবস্থান করছেন। মস্কো বলছে, স্নোডেন মূল রুশ ভূখণ্ডে প্রবেশ করেননি এবং তিনি যেকোনো স্থানে যেতে পারেন। যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের ওপর প্রশাসনের নজরদারির কথা ফাঁস করায় স্নোডেনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দেশটির সরকার। বাইডেন-কোরেয়া ফোনালাপ: স্নোডেন বিষয়ে কথা বলতে শনিবার রাফায়েল কোরেয়াকে ফোন করেন বাইডেন। কোরেয়া জানান, স্নোডেনকে ইকুয়েডরে রাজনৈতিক আশ্রয় না দিতে তাঁর প্রতি অনুরোধ জানান বাইডেন। অত্যন্ত মার্জিতভাবে তাঁর প্রতি এই অনুরোধ জানানো হয়। এর জবাবে কোরেয়া বলেন, ‘ফোন করার জন্য ধন্যবাদ। আমরা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি মনোযোগী। এই পরিস্থিতিতে আমরা পড়তে চাইনি। স্নোডেন তাঁর আবেদন নিয়ে ইকুয়েডরের ভূখণ্ডে প্রবেশ করলে আমরা প্রথম যার মতামত নেব, তা হলো যুক্তরাষ্ট্র।’ পরে বেসরকারি টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কোরেয়া বলেন, ‘স্নোডেনকে আশ্রয় দেওয়ার ব্যাপারে আমরা যুক্তরাষ্ট্রের মতামত নেব। কিন্তু এ ব্যাপারে আমাদের সরকারই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।’ এএফপি ও বিবিসি।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইইউর কার্যালয়েও আড়ি পেতেছিল যুক্তরাষ্ট্র
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মিসরের গত এক বছরের ঘটনাক্রম
৩০ জুন: মিসরের প্রথম বেসামরিক ও ইসলামপন্থী প্রেসিডেন্ট হিসেবে মোহাম্মাদ মুরসির শপথ
১২ আগস্ট: সেনাবাহিনীর ক্ষমতা খর্ব করে সংবিধানের একটি অংশ বাতিল ও সেনাপ্রধানকে বরখাস্ত
২২ নভেম্বর: নিজের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে মুরসির ডিক্রি জারি
৩০ নভেম্বর: ইসলামপন্থী প্রাধান্যপুষ্ট সাংবিধানিক গণপরিষদে মুরসির প্রণীত খসড়া সংবিধান গৃহীত
৮ নভেম্বর: প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা বৃদ্ধির ডিক্রি রদ
১৫ ও ২২ নভেম্বর: দুই দফা গণভোটে নতুন সংবিধান পাস।
এর পরই দুপক্ষের মধ্যে উত্তজনা বাড়তে থাকে
২০১৩
২৪ জানুয়ারি: মুরসিবিরোধী বিক্ষোভকারী ও পুলিশের সংঘর্ষে নিহত ৬০
২ জুন: নতুন সংবিধানের খসড়া প্রণয়নকারী সিনেটকে সুপ্রিম কোর্টের অকার্যকর ঘোষণা।
২১ জুন: বিরোধীদের বিক্ষোভের আগে মুরসির লক্ষাধিক সমর্থকের শক্তিপ্রদর্শন
২৯ জুন: মুরসিকে আরও ‘গঠনমূলক’ হতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আহ্বান
৩০ জুন: তাহরির স্কয়ারে মুরসিবিরোধী বিক্ষোভ
সূত্র: এএফপি
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আবার উত্তাল তাহরির স্কয়ার, মুরসিকে ‘লাল কার্ড’
![]() |
| প্রেসিডেন্ট মুরসির পদত্যাগের দাবিতে কায়রোর তাহরির স্কয়ারে গতকাল বিক্ষোভ করে লাখো মানুষ, ছবি: রয়টার্স |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1402)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
July
(1526)
-
▼
Jul 01
(16)
- জটিল সমীকরণে রাজনীতি ও নির্বাচন by মোহাম্মদ বেলায়ে...
- সরকার সতর্কবার্তাটি বুঝতে পেরেছে কি? by সুলতান মাহ...
- চার সিটি নির্বাচনে ইসির দুর্বল ভূমিকা by মুহাম্মদ ...
- দুনৌকায় পা দিয়ে নদী পার হওয়া যায় না by আবদুল গাফ্ফ...
- বারাক ওবামার প্রতি ম্যাশেলের কৃতজ্ঞতা
- এমকিউএম প্রধান আলতাফের পদত্যাগ নাটক
- ম্যান্ডেলার কারণে ইউরোপ সফর স্থগিত করলেন ক্লার্ক
- উত্তরাখন্ডের বন্যায় এখনো তিন হাজার নিখোঁজ
- ভারতের কাশ্মীরে সেনাদের হাতে দুজন নিহত, উত্তেজনা
- আফগান শান্তি আলোচনায় সহায়তার আশ্বাস নওয়াজের
- দক্ষিণ আফ্রিকায় ওবামার সফর নিয়ে উত্তাপ নেই
- শেষ পর্যন্ত গ্লাসটনবুরি উৎসবে রোলিং স্টোনস!
- রাশিয়াকেই স্নোডেনের গন্তব্য ঠিক করতে হবে
- ইইউর কার্যালয়েও আড়ি পেতেছিল যুক্তরাষ্ট্র
- মিসরের গত এক বছরের ঘটনাক্রম
- আবার উত্তাল তাহরির স্কয়ার, মুরসিকে ‘লাল কার্ড’
-
▼
Jul 01
(16)
-
▼
July
(1526)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...






