Monday, October 7, 2013
পোশাকশিল্পের সমস্যা নিরসনে চাই দীর্ঘমেয়াদী সমাধান by এইচ এম মহসীন
About: mid tip
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জিপিএ-৫ প্রাপ্তরা দেশের আলোকিত সন্তান
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রথম্যান, শ্যাকম্যান ও সুদোফ পেলেন চিকিৎসাবিদ্যায় নোবেল
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রথম্যান, শ্যাকম্যান ও সুদোফ পেলেন চিকিৎসাবিদ্যায় নোবেল
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জামায়াতকে ক্ষমা চাইতে হবে: মওদুদীপুত্র
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাস্তায় শিশু জন্ম দিলেন অভাগা মা
অনেকগুলো জাতীয় পত্রপত্রিকায় ঘটনার প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ট্যাবলয়েড পত্রিকা লা রেজন ডে মেক্সিকো তাদের পুরো কভার পেজে ছবিটি প্রকাশ করে। ওয়াক্সাকা মেক্সিকোর সব থেকে দরিদ্র প্রদেশ। আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বসবাসও এ প্রদেশে সব থেকে বেশি। প্রসূতি মায়েদের মৃত্যুর ঘটনাও এখানে অনেক বেশি শোনা যায়। সৃষ্টিকর্তার অসীম কৃপায় ইরমার সঙ্গে এমনটি ঘটেনি। সে ও তার সন্তান দুজনই সুস্থ আছেন। ইরমা তার নবজাত পুত্র সন্তানের নাম রেখেছেন ‘সালভেদর’ যার অর্থ রক্ষাকারী। ইরমার ভাষায়, সে সত্যিই নিজেকে নিজে রক্ষা করে পৃথিবীতে এসেছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
১৪০- এটাও কি তার দেশপ্রেম? by বদিউর রহমান

সম্প্রতি তিনি জাতিসংঘে গেলেন, ভালো কথা। গত চার বছরও গিয়েছেন। তাকে যেতে হয়। বিশ্বক্লাবে দেশকে তুলে ধরতে না পারা আমাদেরও কাম্য নয়। আর নিজ মাতৃভাষায় বক্তৃতা দেয়ার সাহসী ইতিহাস তো তার পিতা আমাদের জাতির জনকই সৃষ্টি করেছেন। তিনি তা ধরে রেখেছেন বলে আমরা গৌরবান্বিত। তার অনেক সাহসী কর্মের আমরা প্রশংসা করি। সেনা-নির্দেশিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের তার দেশে ফেরার বাধা উপেক্ষা করে তিনি দেশে ফিরেছেন, আমরা বলেছি বাপকা বেটি। জেলে গিয়েও মাথা নত করেননি, আমরা তার মাঝে পিতৃ-রক্তের মহিমা লক্ষ্য করলাম। ঢাকা সেনানিবাসের ১৬৮ কাঠা সম্পত্তি তিনি কল্যাণমুখী কাজে নিয়ে এলেন, গণতন্ত্রকে সেনাছাউনিতে বন্দিত্ব থেকে কিছুটা হলেও মুক্ত করলেন, সঙ্গে এক দেশনেত্রীকেও সেনা-আশ্রয়ে থাকার ‘অপবাদ’ থেকে রেহাই দিলেন; আমরা বাহবা দিলাম। জাতির জনক হত্যার পর টলটলায়মান নৌকার দলকে চাঙা করলেন, আমরা তার দেশপ্রেমে এবং গণতন্ত্রের পক্ষে অবস্থানে প্রীত হলাম। তার অনেক অর্জনে আমরা আশাবাদী অবশ্যই। কিন্তু তার কিছু কথাবার্তায় আমরা হতাশ হই। তাকে জননেত্রী বললে তা বলতে তিনি চামচাদের নিষেধ করেন না, তা-ও আমরা মেনে নিই। নেতা হলে তো নাম ফুটাতে হয়, নাম না ফুটালে কি ভাবমূর্তি সৃষ্টি হয়? একজন স্বামীর নামে রাজনীতি করে যদি প্রতিষ্ঠিত হয়ে যেতে পারেন, দেশনেত্রী হয়ে যেতে পারেন, তিনি কেন জননেত্রী হতে পারবেন না? আমরা পরশ্রীকাতর নই, আমরা ছোটলোক হব না, তারা দেশনেত্রী-জননেত্রী থাকুন। আমরা না বললেও কিছু আসে-যায় না, চামচারা তো আছেন, বলবেন। আমরা বৃক্ষ তোমার নাম কী শুনতে তত আগ্রহী নই, কারণ আমরা যে ফলের পরিচয়ে বিশ্বাস করি। অতএব, আমরা তার একটা আন্তর্জাতিক বিমাবন্দরের নাম বদলানোকে ভালোভাবে দেখি না। প্রতিহিংসারূপে ভাবি; আমরা এক নভোথিয়েটারের নাম বদলানোও সহজভাবে গ্রহণ করি না, এটিকে ছোটলোকি ভাবি, কারণ তার পিতাও অন্তত এ কাজটি করতেন না। যার নামে নভোথিয়েটারটি পরিচিত হয়ে গিয়েছিল তাকে তার পিতাও বেশ সম্মান করতেন এবং সে ব্যক্তিটি তার দলেরও প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। তার এমনতরো কিছু কিছু ছোটখাটো কাজ আমাদের পীড়িত করেছে, তার মহত্ত্ব¡ আর বড়ত্ব নিয়ে আমাদের সন্দিহান করেছে। কিছু সম্মানিত ব্যক্তিকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে বাক্যবাণে অসম্মান করে তিনি অযথা নিজকে ‘ছোট’ করেছেন, তিনি নিজকে নিচে নামিয়েছেন। আমরা অসন্তষ্ট হয়েছি। রাজনীতি করলে অন্যকে বা বিপক্ষ কাউকে ঘায়েল করতে হতেই পারে। তবে তারও মাত্রা থাকে। ওই ঘায়েল করাটা রাজার মতো হতে হয়। সেখানে শ্রদ্ধাবোধ আর সম্মানবোধ ক্ষুণ্ন করার দরকার পড়ে না। সংসদীয় রীতিতে মিথ্যাকে সরাসরি মিথ্যা না বলে অসত্য বলা হয়। এভাবে শালীনতা প্রতিষ্ঠিত হয়। বিপক্ষ নেতাকে মাননীয় বলেও কঠোর সমালোচনা করা হয়, তাতে সমালোচনার গুরুত্ব কমে না, অথচ গণতান্ত্রিক ভব্যতা রক্ষা পায়। তাই ‘আমি কার খালুরে’, ‘মোটাতাজা’, ‘সিঁদেল চোর’, ‘নির্বাচন করতে ব্যর্থ’ জাতীয় বিভিন্ন কাঁচা শব্দে সম্মানিত ব্যক্তিদের গেঁয়ো-ঝগড়াটের মতো আক্রমণ যেমন আমরা পছন্দ করিনি, তেমনি বিশ্ববরেণ্য কাউকে সুদখোর, রক্তচোষা বলাও আমাদের ভালো লাগেনি। এ আক্রমণগুলো তিনি তার পদ এবং পিতৃ-পরিচয় বিবেচনায় আরও অনেক সম্মানজনকভাবে উদারতার সঙ্গেও করতে পারতেন। তাহলে আমরা খুশি হতাম, তাকে আমরা রাষ্ট্রনায়কোচিত পর্যায়ে ভাবতে আনন্দ পেতাম। কিন্তু তিনি আমাদের হতাশ করেছেন। তার আরও অনেক অনেক কর্মকাণ্ডে, বিশেষত বাক্যচয়নে আমরা ব্যথিত হয়েছি। অথচ আমরা তার গুণমুগ্ধ ভক্ত হতে চেয়েছিলাম, তার মাঝে দেশপ্রেমের ঔদার্যের সঙ্গে রাষ্ট্রনায়কোচিত আচরণ দেখতে চেয়েছিলাম। চেয়েছিলাম এ কারণে যে, তিনি জঙ্গিবাদ-মৌলবাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার সাহসী ভূমিকা নিয়েছেন, তিনি সত্যিই দেশকে কিছু দিতে চেয়েছেন।
তার দেশের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা নিয়ে আমাদের কোনো সন্দেহ জাগেনি। তিনি যখন আবেগভরা কণ্ঠে বলেন, মা-বাবা-ভাই সব হারিয়ে দেশকে কিছু দেয়া ছাড়া আমার আর কিছু চাওয়ার নেই, তখন আমরা আপ্লুত হই, আমরা বিশ্বাস করি। কিন্তু যখন দেখি তার ছালী (ছাত্রলীগ) -যুলী (যুবলীগ) এবং কিছু আলী (আওয়ামী লীগ) সদস্যও টেন্ডারবাজি আর খুন-খারাবিতে যুক্ত হয় এবং তিনি যেন কিছুটা নমনীয় তখন আমাদের খারাপ লাগে। তার আলী-ছালী-যুলীর অনেকেই যে তাকে ডোবাচ্ছেন, তা যদি তিনি বুঝেও না বুঝতে চান তখন আমাদের মনে হতে চায়, তিনি বোধহয় এদের আশকারা দিতে চান। আমরা কষ্ট পাই। এরপরও তিনি আমাদের স্বপ্ন দেখান, আমরা আশাবাদী হই। আমরা তার কিছু ভালো কাজের জন্য কিছু অন্যায় কাজকেও হজম করে নিতে চাই, হজম করে নিতে বাধ্য হই। কারণ মূলত এটিই এবং সেটা হচ্ছে- আমরা যাবটা কোথায়? তাকে বাদ দিলে যে ওনার কাছে যেতে হয়! ওনার কাছে গেলে তো আবার বাতাসভবন, আবার দুর্নীতি, আবার জঙ্গিবাদ-মৌলবাদ, আবার বাংলাভাই কিংবা ইংরেজিভাই! কিন্তু তার কাছেও যদি আমরা আলী-ছালী-যুলীর বঁটির নিচে পড়ে যাই, তাহলে আমাদের কাছে ‘ভাইছা’ আর ‘ভাইয়া’র পার্থক্য থাকল কোথায়? তারপরও আমরা ফুটন্ত কড়াই থেকে জ্বলন্ত চুলায় যেতে যেন ভয় পাই। আমাদের এ ভয় স্বাভাবিক- ঘরপোড়া গরু সিঁদুরে মেঘ দেখলে তো ভয় পাবেই। তিনি আমাদের যেন সে ভয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। তার দেশপ্রেম নিয়ে আমরা সন্দেহ করতে চাই না। আমরা অবশ্যই স্বীকার করি, তিনি গত কয়েক বছরে আমাদের বেশ সম্মানজনক অবস্থানে নিতে সচেষ্ট হয়েছেন, বেশ কিছু ক্ষেত্রে সফলও হয়েছেন। বিলবোর্ড নিয়ে দুষ্টলোকেরা বানানের ই-কারকে আ-কার করে হয়তো ঠাট্টা-মশকরা করে ফেলতে পারেন। কিন্তু আমরা বিলবোর্ড-প্রচার ছাড়াই তার আলী সরকারের অনেক অর্জন জানি, স্বীকার করি এবং এসব অর্জনের সুফলভোগী। কিন্তু তার কিছু অসহিষ্ণু-আচরণ, আগেই বলেছি কিছু বাক্যবাণ বা শব্দচয়ন, প্রতিহিংসা জাতীয় ক্ষুদ্রতা ছোট করে ফেলে, তার দেশপ্রেমকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। সরকারপ্রধান হিসেবে তিনি তো আমাদের সবার, বিরোধী দলের জনগণও তো তার সরকারেরই অধীনে। তার কোনো প্রতিমন্ত্রী হয়তো বলে ফেলতে পারেন যে, বিরোধী দলের লোকদের রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারের জন্য আমরা ক্ষমতায় আসিনি, কিন্তু তিনি তো তেমন কিছু করতে পারেন না। তিনি দল করবেন ঠিকই, কিন্তু সরকারের সর্বোচ্চ পদে থেকে তো দলীয় হতে পারেন না; তিনি দলীয় প্রধান অবশ্যই থাকতে পারেন, কিন্তু সরকারপ্রধান হিসেবে তো দলীয়প্রধানের ভূমিকায় যেতে পারেন না। সরকারের কর্মকাণ্ডে তিনি সবার, তিনি সরকারপ্রধান; দলীয় কর্মকাণ্ডে তিনি অবশ্যই দলের, শুধুই আলী-ছালী-যুলীর। কিন্তু আমরা মাঝে-মধ্যে অপ্রস্তুত হয়ে যাই যখন দেখি, তিনি সরকার এবং দলকে গুলিয়ে ফেলেন, তিনি সরকারপ্রধান আর দলীয় প্রধানের মধ্যে সীমারেখা হারিয়ে ফেলেন। এবারের তার জাতিসংঘে গমনে সফরসঙ্গী নির্বাচন এবং তা-ই যেন চোখে আঙুল দিয়ে আবার দেখিয়ে দিল।
জাতিসংঘের অধিবেশনে তার সফরসঙ্গী নাকি ১৪০, আমাদের বিশ্বাসই হতে চায় না। এ ১৪০-এর নামধাম-পদবি জানতে পারলে একটা চুলচেরা বিশ্লেষণে হয়তো যাওয়া সহজ হতো- একজন একজন করে বলা যেত কে প্রয়োজনীয় আর কে অপ্রয়োজনীয়। প্রাতঃভ্রমণের সময়ে কেউ কেউ জিজ্ঞেস করেছেন, এ ১৪০ কে চিনি কি-না, কে সেখানে কী কাজে গেলেন? একজন তো আগ বাড়িয়ে রসিকতা করে বলেই ফেললেন, আরে ভাই, বিয়ে তো হয় শুধু কনের, একজনের, তাই বলে বরযাত্রী কি শত শত হয় না? তার সঙ্গে বাকিদের গোটা কয়েককে বর-কনের চাচা-জেঠা, ভাই-বেরাদার, কাজী-ঘটক ভেবে নিন, বাকি সব ওই যাত্রী। এর মধ্যে নাকি আবার ৯৪ জনের খরচ সরকারের, জনপ্রতি নাকি ৫ লাখ টাকারও বেশি ব্যয়। এক সাবেক চাকরিজীবী তো বললেন, হোটেল-যাতায়াত সব মিলিয়ে ৫ লাখেরও অনেক বেশি পড়বে। রাজা-বাদশাদের সফরসঙ্গী যত বেশি তত মজা, তিনিও হয়তো তেমন কাজটিই করেছেন। কিন্তু আমরা বড় নিষ্ঠুরভাবে প্রশ্ন রাখতে চাই- ১৪০ কেন? এরা দেশকে জাতিসংঘে কীভাবে উপকৃত করলেন? তিনি কি মেয়াদের শেষদিকে ‘ওস্তাদের মার শেষরাত’ করে দেখালেন? কার টাকায় তিনি এটা করলেন? ক্ষমতা থাকলেই কি সব করতে হয়? আর সুযোগ না হতে পারে ভেবেই কি তিনি দল-তুষ্টিতে এ ‘অপকর্ম’টা করলেন? মানুষের মুখ তো আর বন্ধ রাখা যায় না, একজন জিজ্ঞেস করলেন, ১৪০- এটাও কি তার দেশপ্রেম? তিনি জবাব দিতে বাধ্য নন, তা-ও জবাব দেবেন কি?
বদিউর রহমান : সাবেক সচিব, এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পোশাক শ্রমিকের ন্যূনতম মজুরি বিষয়ে নিরপেক্ষ আলোচনা by অরবিন্দ রায়

এবার ন্যূনতম মজুরি প্রসঙ্গ। একটি কারখানার সব শ্রমিককে তিন ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়। দক্ষ, আধা দক্ষ ও শিক্ষানবিস। বলার অপেক্ষা রাখে না, ন্যূনতম মজুরি বলতে শিক্ষানবিস এক কথায় ধানের চাতাল বা গম ক্ষেত থেকে উঠে এসে কাজে যোগ দেয়া শ্রমিকের মজুরিকেই বোঝানো হয়। সদ্য কাজে যোগ দেয়া একজন ফ্লোর ক্লিনার বা এফসি’রাও এ ন্যূনতম মজুরির ক্যাটাগরিতে পড়বে। তৈরি পোশাক কারখানার অধিকাংশেই এয়ার শিপমেন্ট ঠেকানোর তাগিদে তথা বেঁধে দেয়া সময়ের মধ্যে জাহাজিকরণের স্বার্থে ১২ ঘণ্টা কাজ করানো হয়। তার মধ্যে আট ঘণ্টা হচ্ছে মূল হাজিরা। বাকি চার ঘণ্টা ওভারটাইম বা ওটি। অধিকাংশ পোশাক কারখানায় যেহেতু ওটি চলে; কাজেই ওটির হিসাব আমলে নিলে একজন শিক্ষানবিস শ্রমিকের পেছনে একজন মালিককে প্রতি মাসে মূল মজুরি আট হাজারের সঙ্গে ওভারটাইম চারসহ মোট ১২ হাজার টাকা গুনতে হবে। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, একজন শিক্ষানবিস শ্রমিকের চেয়ে একজন সুদক্ষ শ্রমিক দুই-তিন গুণ বেশি মজুরি পেয়ে থাকে। সে হিসাবে একজন সুদক্ষ শ্রমিকের পেছনে একজন মালিককে ওটিসহ প্রতি মাসে ২৪ থেকে ৩৬ হাজার টাকা প্রদান করতে হবে। সুদক্ষ হলে এ টাকা পাবে, তাতে দোষের কিছু নেই। কিন্তু সমস্যা হল, দক্ষ হলেই উল্লিখিত পরিমাণ টাকা প্রাপ্তির সম্ভাবনা যখন নতুনদের হাতছানি দেবে, তখন নতুনদের মধ্যে এক কারখানায় বেশিদিন কাজ করার মনমানসিকতা থাকবে না। এমনকি একজন শ্রমিক শিক্ষানবিস হিসেবে কাজে যোগদানের দু’-এক মাস যেতে না যেতেই ওই কারখানার পরিচিতি কার্ড ব্যবহার করে অন্য কারখানায় ছুটে যাওয়ার জন্য ছটফট করতে থাকবে। প্রত্যন্ত এলাকা থেকে উঠে আসা একজন অশিক্ষিত বা সিকি শিক্ষিত ছেলে বা মেয়ের অদক্ষতা কাটিয়ে উঠতে কম করে হলেও এক বা দেড় বছর সময়ের প্রয়োজন। এ সময়ের মধ্যে সে কারখানাকে শতভাগ সেবা দিতে পারবে বলে মনে হয় না। অথচ তার পেছনে কোম্পানির প্রতি মাসে ১২ হাজার টাকা চলে যাবে। সে যাক। কিন্তু শ্রমিকটি দক্ষ হয়ে ওঠার পর যদি অন্যত্র ভেগে যায় তাহলে টাকা খরচ করে অদক্ষকে দক্ষ বানানোর এ ক্ষতি ওই কারখানা কতটা কাটিয়ে উঠতে পারবে, তা যথেষ্ট ভাবার বিষয়। প্রবাদ আছে, গাছ বাঁচিয়ে রেখে ফল খেতে হয়। কাজেই কোম্পানির ঘারে অতিরিক্ত বেতনের বোঝা চাপিয়ে দেয়ার ফলে কারখানাটি যদি বন্ধ হয়ে যায়, তখন ন্যূনতম মজুরি আট হাজারের স্থলে আট লাখ করলেও কোনো দিক থেকে কোনো ফায়দা আসবে বলে মনে হয় না।
শ্রমিকের ন্যূনতম মজুরি আট বা ওটিসহ ১২ হাজার করলে তাদের মঙ্গল কী অমঙ্গল হবে এর ব্যাখ্যাটি যতটা না ভাষা দিয়ে প্রকাশের; তার চেয়ে বেশি হৃদয় দিয়ে অনুভবের। এ বিষয়ে প্রথমেই যে কথাটি বলার তা হচ্ছে, যে পরিমাণ মজুরি কোনো মালিক মন খোলাসাভাবে দিতে অপারগতা প্রকাশ করে; তারপরও ইচ্ছার বিরুদ্ধে সেটি দিতে বাধ্য করানো হলে তা শ্রমিকের কল্যাণের চেয়ে অকল্যাণই বয়ে আনবে বলে মনে হয়। কেননা কোনো কোম্পানি যখন কাজে যোগদানকালীন মজুরি বেশি দিতে বাধ্য হবে, তখন পরবর্তী সময়ে কিংবা যথাসময়ে সেই কোম্পানি ওই শ্রমিককে ইনক্রিমেন্ট দিতে চাইবে না। বা অপারগতা প্রকাশ করবে। ফলে দেখা যাবে, একজন দুই বছরের পুরনো শ্রমিক যা পাচ্ছে, একজন সদ্য যোগদানকারীও একই মজুরি পাবে। চিনি ও লবণের এ সমমূল্য একজন পুরনো শ্রমিকের কাছে অবিচার বলে মনে হবে। আর এ অবিচার পুরনো শ্রমিকটির মেনে নেয়া সত্যিই কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। তখন সে উঠতে-বসতে ঠোঁট উল্টিয়ে বলবে, আমি যা পাই মুখ শুকলে দুধের গন্ধ বের হওয়া শ্রমিকটিও তো সেটাই পাচ্ছে। তাহলে দক্ষ হয়ে লাভ কী! তার এ ঠোঁট উল্টিয়ে কর্মপরিবেশ নষ্ট করা যৌক্তিক বলেই মনে হবে। কেননা তখন শুরুর দিকের বাড়তি মজুরির কথা কেউই তেমন মনে রাখবে না। একই ছাদের নিচে দক্ষ-অদক্ষের মজুরি যেহেতু সমান, তাই দক্ষ শ্রমিকটি অদক্ষের চেয়ে বেশি উৎপাদন দেয়ার গরজ দেখাবে বলে মনে হয় না। উপরন্তু মনের ভেতর জ্বলা অনির্বাপিত এ আগুন সেই শ্রমিককে দগ্ধ থেকে অঙ্গারে পরিণত করবে। আর এর ছোঁয়াচে শিখায় পুড়বে সেই সব শ্রমিকরাই, আজকে যারা ন্যূনতম মজুরি আট হাজারের দাবিতে কারখানা ও কারখানা লাগোয়া সড়ক মুহুর্মুহু স্লোগানে প্রকম্পিত করে তুলছে। সবচেয়ে আতংকের বিষয়, মনের ভেতর তুষের আগুন জ্বলা এ ধরনের শ্রমিককে পরিচালনা করা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পক্ষে তখন পাগলা ঘোড়া চালানোর পর্যায়ে চলে যাবে। ফলে আজকের এ মৌসুমভিত্তিক অশান্তি একসময় স্থায়ী গৃহদাহে রূপ নিতে পারে।
শত প্রতিকূলতা সত্ত্বেও সস্তা শ্রমবাজারের ওপর ভিত্তি করেই কিন্তু এদেশে হাজার হাজার গার্মেন্টস গড়ে উঠেছে। সেই সস্তা শ্রমবাজার যদি কখনো চড়া বাজারে রূপ নেয়, তখন এ শিল্পটিও বন্ধ হওয়ার আশংকা উড়িয়ে দেয়া যায় না। তবে এসব কথার অর্থ এই নয় যে, কথাগুলো মালিক পক্ষে চলে যাচ্ছে। এটি একটি সাধারণ আলোচনা মাত্র। এ প্রসঙ্গে যে কথাটি না বললেই নয় তা হচ্ছে, আজ যারা শ্রমিকের ন্যূনতম মজুরি ধার্য সংক্রান্ত মন্তব্য ছাড়ছেন, তাদের উচিত একটি কারখানা স্থাপন করে ওই পরিমাণ মজুরি শ্রমিকদের দিয়ে দেখিয়ে দেয়া যে, এভাবে কারখানা চালালেও কাক্সিক্ষত মুনাফা অর্জন করা সম্ভব। তখন সবাই তাকে অনুসরণ করার চেষ্টা করবে। একজন কারখানাহীন ব্যক্তি বা কারখানায় শ্রমিক পরিচালনা করেননি এমন ব্যক্তির শ্রমিক সংক্রান্ত কোনো গদবাঁধা বুলি আওড়ানো ঠিক নয়। কারণ পিপলস ম্যানেজমেন্ট বা মানুষ পরিচালনার কাজের মধ্যে অসংখ্য চোরাবালি আছে। এক্ষেত্রে সামান্য ভুলের কারণে অপূরণীয় ক্ষতি হতে পারে। এসব চোরাবালির খপ্পরে পড়ে অনেক কারখানা বন্ধ হতেও দেখা যায়।
অর্থনীতির প্রাথমিক পাঠ থেকে জানা যায়, কোনো দ্রব্য অবমূল্যায়িত হয় চাহিদার চেয়ে সরবরাহ বৃদ্ধি পেলে। বাংলাদেশের মতো উচ্চ ফলনশীল মানুষের দেশে জনবলের অধিক সরবরাহের কারণে শ্রমের বাজারে মন্দাভাব দেখা দেয়া স্বাভাবিক ঘটনা। যেখানে বিজ্ঞাপন না দিতেই মাসের প্রথম তারিখে মৌমাছির মতো মানুষ কারখানার গেটে হাজির হয় কর্মসংস্থানের জন্য; সেখানে ন্যূনতম মজুরি ঘোষণা দিয়ে সেটি দিতে বাধ্য করানোর কাজ কতটা সফলতার মুখ দেখবে, তা নিয়ে সন্দেহ পোষণ করা অযৌক্তিক কিছু নয়। এ পরিস্থিতিতে কারখানা কর্তৃপক্ষ যদি তাদের বেঁধে দেয়া মজুরির ঘোষণাপত্র তৈরি করে সেই পত্রে অনাপত্তি সূচক মুচলেকা নিয়ে কোনো নবীন শ্রমিককে নিয়োগ দিতে চায় তাহলে মনে হয় ওই কারখানা কাক্সিক্ষত সংখ্যক শ্রমিক নিয়োগ দিতে ব্যর্থ হবে না। কথাটি অনেকের কাছে তেতো লাগতে পারে। তবে এটাই বাস্তব।
আগেই বলা হয়েছে যে, কারখানা মালিক ও শ্রমিক এ দুই পক্ষ মূলত শ্রম ক্রেতা ও বিক্রেতা। এখানে ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়েরই দরদাম করে শ্রম ক্রয় ও বিক্রয়ের অধিকার আছে। এর মাঝখানে দূতিয়ালির কোনো স্থান আছে বলে মনে হয় না। কেউ যদি তার শ্রমকে আট কেন ১৬ হাজারের নিচে বিক্রয় করবে না বলে মনঃস্থির করে তাহলে ঈশ্বর ছাড়া কেউই তাকে কাজে লাগাতে পারবে না। আবার শ্রম ক্রেতা যদি মনে করেন, আমি সাড়ে চারের ওপর ক্রয় করব না, তাহলে তাকেও এর বেশি রেটে শ্রম কেনানো যাবে না। কাজেই এ ধরনের পরিস্থিতি মূলত শ্রম ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে মনে হয় না পরিস্থিতি কখনো ঘোলাটে রূপ ধারণ করবে। কিন্তু সমস্যা সৃষ্টি হয় যখন তৃতীয় পক্ষ এসে বাগড়া দেয়া শুরু করে। বিষয়টি কতকটা মায়ের চেয়ে খালার দরদের মতো। শ্রমিকের ন্যূনতম মজুরি কত হবে এটি কারখানা মালিক ও শ্রমিকের ব্যাপার। এখানে কেউ কিছু মন্তব্য করার বিষয়টি ফপর-দালালি ছাড়া কিছু নয় বলে মনে হয়। তবে মালিকদেরও উচিত বর্তমান গগনচুম্বী দ্রব্যমূল্যের কথা মাথায় রেখে শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণ করা, যাতে শ্রমিকরা প্রতিদিন না হলেও দু’-তিন দিন পর পর ভাতের সঙ্গে এক আধ টুকরা মাছ-মাংস খেতে পারে। শরীর ঠিক না থাকলে কেউই কাক্সিক্ষত কর্মদক্ষতা দেখাতে পারবে না। কাজেই শ্রমিকের শরীর ও মন সব দিক থেকে সুস্থ রাখার দায়িত্ব মূলত মালিকের। অন্য কারও নয়।
অরবিন্দ রায় : একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কারিগরি পরিচালক
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অক্টোবরের আন্দোলন এবং হাসিনা সরকারের পতন কি হতে যাচ্ছে? by আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী

আগেই লিখেছি আমি তখন সাত-আট বছরের বালক। দক্ষিণ বাংলার বরিশাল জেলার উলানিয়া গ্রামের এক স্কুলে নিচের ক্লাসে পড়ি। জ্যৈষ্ঠ মাস আসার সঙ্গে সঙ্গে গ্রামের মানুষ আসন্ন সাইক্লোনের কথা ভেবে কতটা আতঙ্কিত হয়ে উঠেছিল, সে কথা এখনও আমার মনে আছে। অনেকে অবশ্য পঞ্জিকায় ভবিষ্যদ্বাণী বিশ্বাস করেননি। কিন্তু ১০ জ্যৈষ্ঠ সকাল থেকে আকাশ খুব মেঘলা হয়ে ওঠে। সন্ধ্যায় সেই কালো মেঘের ওপর একটা লালচে আভা। সবাই বলল, সাইক্লোনের পূর্বাভাস।
বয়সে খুব ছোট ছিলাম। কিন্তু সেই দারুণ অভিজ্ঞতার কথা এখনও মনে আছে। ১০ জ্যৈষ্ঠের (১৩৪৮) সন্ধ্যা থেকে বাতাসের গতি বাড়তে থাকে। তারপর মধ্যরাতে প্রচণ্ড তাণ্ডব। সেই তাণ্ডবের রাতের অভিজ্ঞতার কথা মনে হলে এখনও গা শিউরে ওঠে। আমরা বাড়িঘর ছেড়ে পুরনো জীর্ণ একটা ইটের দালানে আশ্রয় নিয়েছিলাম। সকালে ঝড় থামলে দেখেছি সারা গ্রাম যেন একটা ধ্বংসস্তূপ। এই ঝড়ের পরই শুরু হয় পঞ্চাশের সেই ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ। দুর্ভিক্ষের পর মন্বন্তর। অবিভক্ত বাংলার ৫০ লাখ মানুষ তাতে মারা যায়। অতীতের কথা থাক। আজ ৭২ বছর পর দেখছি স্বাধীন বাংলার মানুষ আবার শঙ্কিত। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ভয়ে নয়, মনুষ্যসৃষ্ট রাজনৈতিক দুর্যোগের ভয়ে তারা ভীত। লক্ষণীয় ব্যাপার হল, গ্রামের দিকে এই ভয় ততটা প্রকট নয়, যতটা প্রকট শহরে এবং শহরাঞ্চলের মানুষের মধ্যে। কারণ, রাজনৈতিক ঝড়ের প্রকোপটা শহরের দিকেই বেশি হয়। শহরের মানুষই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এটা পঞ্জিকার যুগ নয় এবং অক্টোবরের শেষে বাংলাদেশে কী ঘটবে সেটা পঞ্জিকার ভবিষ্যদ্বাণী নয়. একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠীর হুমকি। সেই হুমকির ভাষা বড় ভয়ঙ্কর। বিএনপির শীর্ষ নেতা-নেত্রীরাই বলেছেন, অক্টোবরের শেষে তারা যে আন্দোলন শুরু করবেন, তাতে হাসিনা সরকার আর ক্ষমতায় থাকবে না। বিএনপির এক পাতিনেতা বলেছেন, ২৫ অক্টোবরের পর দেশের প্রধানমন্ত্রী পদে থাকবেন বেগম খালেদা জিয়া। হেফাজত গত ৫ মে শাপলা চত্বরে অভ্যুত্থান ঘটিয়ে সরকারের পতন ঘটাবে এই আশায় শেখ হাসিনাকে বেগম জিয়া ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ক্ষমতা ত্যাগ ও দেশত্যাগের চরমপত্র দিয়েছিলেন। এবার হেফাজত ঘোষণা দিয়েছে, তারা ঢাকায় সচিবালয় ঘেরাও করবে। বিএনপির নেতা-নেত্রীদের মুখে এখন শুধু হুমকি আর হুমকি। তিনি ব্যারিস্টার মওদুদ কিংবা এমকে আনোয়ার হোন, আর সাদেক হোসেন খোকা কিংবা মির্জা ফখরুল হোন, তাদের রাজনীতির ভাষা এখন হুমকির ভাষা। ফলে দেশের মানুষ বিশেষ করে শহরবাসীর মধ্যে দারুণ শঙ্কা। তারা জানে গণআন্দোলন করার ক্ষমতা, অভিজ্ঞতা এবং সংগঠন কোনোটাই বিএনপির নেই। একসময় তাদের শক্তির ভিত্তি ছিল ক্যান্টনমেন্ট, এখন সেই শক্তির ভিত্তি জামায়াত ও হেফাজত। শেষোক্ত এই দুই দল মৌলবাদী এবং তাদের পেছনে সাধারণ মানুষের সমর্থন নেই। দেশে নির্বাচন এলেই এটা প্রমাণিত হয়।
কিন্তু জামায়াতের ট্রেনিংপ্রাপ্ত ক্যাডার আছে। কিছু মসজিদ ও মাদ্রাসা দখলে আছে। এই সশস্ত্র ক্যাডার ও মাদ্রাসা ছাত্র এবং শিক্ষকদের সাহায্যে তারা হরতাল ডাকার নামে বিচ্ছিন্ন বিক্ষিপ্ত হিংসাত্মক ঘটনা ঘটায়। সাধারণ পথচারী ও পুলিশ হত্যা করে। দু’চারটি বাস পোড়ানো হয়। বেশির ভাগ পোড়ে প্রাইভেট কার। হরতালের সমর্থনে নয়, আক্রান্ত হওয়ার ভয়ে কিছু দোকানপাট বন্ধ থাকে। স্কুলের লেখাপড়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়, পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা বন্ধ হয়। অর্থাৎ ভয়ভীতি দেখিয়ে দেশের রাজধানীসহ কিছু শহরে প্রায় আধা সচল আধা অচল অবস্থা সৃষ্টি করা যায়। শহরবাসীর মধ্যে বিএনপি ও জামায়াতের তথাকথিত আন্দোলনের হুঙ্কারে তাই আতঙ্ক বেশি। এই ‘আন্দোলনে’ তারাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন। আগামী ২৫ অক্টোবরের পর যদি বিএনপি তাদের ঘোষিত দেশ অচল করার কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামে, তাতে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ এটা জেনে আতঙ্কিত যে, এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের নামে যে ভাংচুর, সন্ত্রাসের কর্মকাণ্ড শুরু হবে তার নেতৃত্ব দেবে জামায়াত। বিএনপি নয়। জামায়াতিদের নৃশংসতা ’৭১ সাল থেকে দেশের মানুষের জানা। বিএনপির এমন সাংগঠনিক শক্তি নেই, যাতে তারা দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করতে পারে। এক্ষেত্রে বিএনপির ছাতার তলে লুকিয়ে এই সন্ত্রাস সৃষ্টি করছে জামায়াত।
বেগম খালেদা জিয়ার বিশাল জনসভাগুলো তারাই এখন পূর্ণ করছে। জামায়াতি দাড়ি-টুপির সমাহার দেখলেই এই জনসভাগুলোর বৈশিষ্ট্য বোঝা যায়। সিলেটে তো বিএনপি নেত্রীর জনসভা উপলক্ষ করে ছাত্রদল ও শিবিরের মধ্যে এক দফা সংঘর্ষই হয়ে গেছে। ২৫ অক্টোবরের পর বিএনপি যদি তাদের ‘আন্দোলনের’ ডাক দেয় এবং যে আন্দোলন রূপ নেবে দেশময়- বিশেষ করে ছোট-বড় শহরগুলোতে ভাংচুর, সন্ত্রাসে তাতে যে জামায়াত নেতৃত্ব দেবে দেশের মানুষ তা জানে এবং সে জন্যই তারা শঙ্কিত।
গণআন্দোলন করার ক্ষমতা ও অভিজ্ঞতা এবং জনসমর্থন বিএনপি এবং জামায়াত কোনো দলেরই নেই। তবে ভাংচুর, সন্ত্রাস সৃষ্টির দক্ষতা দুই দলেরই আছে। তাতে জামায়াতের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাই অনেক বেশি। সুতরাং আগামী ২৫ অক্টোবরের পরে বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি আদায়ের জন্য ‘দেশ অচল করার’ আন্দোলনে নামলে তাতে দেশ অচল হবে না, দেশময় সন্ত্রাস ছড়াবে। আর এই সন্ত্রাস ছড়াতে জামায়াতের সমর্থন ও সহযোগিতা বিএনপির অবশ্যই প্রয়োজন হবে। এই সত্যটা জেনেই ’৭১-এর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও দণ্ডদানের প্রশ্নে বিএনপি এখন আর জামায়াতের কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রাখতে পারছে না। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও দণ্ড বানচাল করার লক্ষ্যে তারা এখন প্রকাশ্যে জামায়াতকে সমর্থন দিতে শুরু করেছে। ব্যারিস্টার মওদুদ ফতোয়া দিয়েছেন, সর্বোচ্চ আদালতের ফাঁসির আদেশ রিভিউ করা ছাড়া কাদের মোল্লার প্রাণদণ্ড কার্যকর করা যাবে না। জামায়াতি ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাকেরও একই দাবি। অন্যদিকে বিএনপির এক আইনজীবী হুমকি দিয়েছেন, ‘এখন যেসব বিচারপতি ’৭১-এর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করছে, ভবিষ্যতে বাংলার মাটিতে তাদের বিচার করা হবে।’ স্পষ্টই বোঝা যায়, ২৫ অক্টোবরের পর যদি কোনো তথাকথিত আন্দোলন শুরু হয়, তাহলে তা হবে বিএনপির তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি আদায়ের আন্দোলনের মোড়কে ’৭১-এর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও শাস্তি ভণ্ডুল করার আন্দোলন। ২৫ অক্টোবরের আগে বিএনপির দাবি মানা বা দলটির সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতা প্রতিষ্ঠায় আওয়ামী লীগ সরকার এগোবে কিনা আমি জানি না। ধরে নেয়া যাক, তারাও তাদের জেদ বজায় রাখবেন এবং কোনো আপস করতে চাইবেন না। তাহলে বিএনপি ও জামায়াতের যৌথ শক্তি এবং পেছনে ইউনূস সেন্টার, সুশীল সমাজ ও একশ্রেণীর বিগ এনজিও ও বিগ মিডিয়ার সমর্থন কি হাসিনা সরকারের পতন ঘটাতে পারবে?
এখানে একটি বড় জিজ্ঞাসাবোধক চিহ্ন আঁকতে হয়। আমি বিএনপির দুজন শীর্ষস্থানীয় নেতাকে জিজ্ঞাসা করেছি, তারা দাবি করছেন এই আন্দোলনের মাধ্যমে তারা হাসিনা সরকারের পতন ঘটিয়ে ক্ষমতায় যেতে পারবেন। এটা সম্ভব বলে তারা কি ভাবছেন? দু’নেতাই নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, তারা দুটি লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছেন। এক. ব্যাপক সন্ত্রাস সৃষ্টি দ্বারা দেশ অচল করে দিয়ে হাসিনা-সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করে তারা ক্ষমতায় যাবেন। দুই. অরাজকতা সৃষ্টি দ্বারা তারা নিজেরা হাসিনা সরকারের পতন ঘটাতে না পারলেও দেশের অন্য কোনো শক্তি (সম্ভবত সেনাবাহিনীর দিকে ইঙ্গিত করেছেন) অরাজকতা দূর করার জন্য মাঠে নামতে বাধ্য হবে এবং তাতে হাসিনা সরকারের পতন হবে। হাসিনা সরকারের পতন হলে ওই শক্তি হয় বিএনপিকে ক্ষমতায় বসাবে, না হয় নিজেরা ক্ষমতা নেবে। সামনে ফখরুদ্দীনের মতো একজন শিখণ্ডী খাড়া রাখবে। তাও যদি হয়, বিএনপির আপত্তি নেই। বিএনপির উদ্দেশ্য হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করা। আর হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হলে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও দণ্ডদানও স্থগিত হয়ে যাবে; চাই কি বাতিল হয়েও যেতে পারে। বিএনপির ক্ষমতায় যাওয়াও সম্ভব ও সহজ হবে।
বিএনপি নেতাদের এই আশাবাদের পাশে আরও একটি মহলের প্রবল আশাবাদ জাগ্রত রয়েছে। সেটি হল সুশীল সমাজ, ইউনূস সেন্টার এবং একশ্রেণীর বিগ মিডিয়া ও বিগ এনজিও’র সমন্বয়ে গঠিত এলিটসক্লাব। তার পেছনে ২০০১ সালের বিদেশী টুয়েসডেক্লাবেরও যোগসাজশ আছে বলে জানা যায়। তারা এই আশায় গোঁফে তেল মাখছেন, বিএনপি ও আওয়ামী লীগের লড়াইয়ে তারা বক্তৃতা-বিবৃতি ও সেমিনারের মাধ্যমে বিএনপিকে মদদ দিচ্ছেন বটে, কিন্তু তাদের প্রত্যাশা এই লড়াইয়ে দুই পক্ষই হারবে এবং তৃতীয় পক্ষ বা তৃতীয় শক্তি হিসেবে বহুকাল পর তাদের ক্ষমতায় বসার সুযোগটি নাকের ডগায় এসে যাবে। এ ব্যাপারে পশ্চিমা দেশগুলো এমনকি ভারতও তাদের সমর্থন দেবে। এই আশায় ভাগাড়ে গরু মরার আগেই এরা শকুনের মতো আকাশে উড়তে শুরু করেছেন। তাদের শীর্ষ নেতাদের কেউ বিদেশে সমর্থন সংগ্রহের আশায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন, কেউ দেশে বসে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে সমর্থন দানের নামে হাসিনাবিরোধী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। এরা বড় রুই। কিন্তু তাদের সমর্থক ছোট ছোট পুঁটিও বাংলাদেশের খালে-বিলে নাচতে শুরু করেছে। সংবাদপত্রের কলামে, টিভি টকশোতে এদেরই আধিক্য দেখা যায়।
কিন্তু বিশ্ব পরিস্থিতি, বড় বড় শক্তির বিশ্ব স্ট্র্যাটেজি যে বদলে গেছে এটা এই আত্মপ্রত্যয়ীদের দল সম্ভবত বুঝতে পারছেন না। এরা সত্যই ‘সুশীল বালক’। আফগানিস্তান, ইরাক, পাকিস্তানের অভিজ্ঞতা থেকে আমেরিকাসহ বিশ্বের তাবৎ বড় শক্তিই বুঝতে পেরেছে যে, কারজাই, জারদারি মার্কা সিভিল ফেস ক্ষমতায় বসিয়ে কোনো লাভ হয়নি, হবেও না। বাংলাদেশেও এক-এগারোর এক্সপেরিমেন্ট ব্যর্থ হয়েছে। তাই রাজনীতিকদের দ্বারাই রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানের অনিবার্যতা আমেরিকাসহ পশ্চিমা দেশগুলো বুঝতে পেরেছে। সেজন্যই প্রেসিডেন্ট ওবামা শেখ হাসিনাকে তার ছেলে জয় সম্পর্কে বলেন, ‘ইওর সান ইজ এ ভেরি ফার্স্ট বয়’। অন্যদিকে গুজব রটেছে, লন্ডনে বিএনপি নেত্রীর পুত্র তারেক রহমানের সঙ্গে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের একাধিক কর্মকর্তা সাক্ষাৎ করেছেন। অর্থাৎ বাংলাদেশের দুটি বড় রাজনৈতিক দল খারাপ হোক আর ভালো হোক, তাদের মাইনাস করে কোনো সমস্যারই সমাধান করা যাবে না। সুতরাং দেশটির সংকট সমাধানে এই দুই দলকেই প্রাধান্য দিতে হবে। তাদের সঙ্গেই কথা বলতে হবে। এই সত্যিটি না বুঝে যারা এখন সুশীল সমাজ ও ইউনূস সেন্টারে গিয়ে জড়ো হয়েছেন এবং তাদের সমর্থনে পাগড়ি বেঁধেছেন, শিগগিরই তারা বুঝতে পারবেন কত বড় শুভঙ্করের ফাঁকির মধ্যে তারা বাস করছেন।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে আগামীতেও শক্তি পরীক্ষা হবে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে। অর্থাৎ গণতান্ত্রিক মিত্র এবং গণতন্ত্রের বিরুদ্ধবাদী শক্তির মধ্যে। এক্ষেত্রে একটাই ভরসা, বিএনপির আন্দোলন করার ক্ষমতা নেই; আছে জামায়াতের সহযোগিতায় সন্ত্রাস সৃষ্টির ক্ষমতা। সন্ত্রাস সৃষ্টির দ্বারা কোনো সরকারের পতন ঘটানো যায় না, আগামী ২৫ অক্টোবরের পরও যদি বিএনপি সন্ত্রাস সৃষ্টিতে নামে, তারা সফল হবে না। দেশে শান্তি-শৃংখলায় কিছুটা ক্ষতি করবে মাত্র। আওয়ামী লীগ তথা হাসিনা সরকার যদি তার জনসমর্থনের শিকড়টিতে জোড়া লাগাতে পারে, তাহলে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। ২০১৩ সালের ২৫ অক্টোবরের রাজনৈতিক প্রলয়ের ঝুঁকি ১৯৪১ সালের গুপ্ত প্রেস ডাইরেক্টরি পঞ্জিকায় প্রাকৃতিক ঝড়-ঝঞ্ঝার সতর্কবাণী নয়; সুতরাং ভয় পাওয়ার তেমন কিছু আছে বলে মনে করি না।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে সংকট
ড. মইনুল ইসলাম: অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এসব চিকিৎসকের উপযুক্ত বিচার হওয়া উচিত
![]() |
| ল্যাবএইড হাসপাতালের সামনে মানববন্ধন |
বিদ্যুৎ আমদানি ও রামপালের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং ভিডিও সম্মেলনের মাধ্যমে ভারত থেকে আমদানি করা বিদ্যুৎ দেশের ভেতরে সঞ্চালন করা ও বাগেরহাটের রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণকাজের উদ্বোধন ঘোষণা করেছেন। এ নিয়ে প্রকাশিত খবরে মতামত জানিয়ে সোহান মিহাফ লিখেছেন: ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলছেন, সুন্দরবন তাঁদেরও। কিন্তু সুন্দরবন ধ্বংস হলে ভারতের কিছুই হবে না। কারণ, তাদের আরও অনেক বন আছে। কিন্তু আমাদের ওই ছোট বনটিই সম্বল। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, ভারত সরকার বা ভারতের জনগণ আপনাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেনি, করবেও না। এ দেশের জনগণের কাছেই ভোট চাইতে হবে আপনাকে। যত দ্রুত পারেন, এ বিদ্যুৎ প্রকল্প বাতিল করুন। না হলে এ কূল-ও কূল সবই হারাবেন। হাবিবুল্লাহ: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি আমার মায়ের মতন। আমি সন্তানতুল্য আবদার নিয়ে বলছি, দেশের স্বার্থে এত বড় আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নেবেন না। অতীতেও ফারাক্কা বাঁধের বিরোধিতা করে এ দেশের মানুষ আন্দোলন-সংগ্রাম করেছিল। মওলানা ভাসানী লংমার্চ করেছিলেন। কিন্তু আপনারা তখন শোনেননি। ভারতকে বাঁধ তৈরি করার সুযোগ করে দিয়েছিলেন। তার ফল আজ দেশের জনগণ হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে। সাব্বির আহমেদ: সুন্দরবনকে রক্ষার জন্য তেল-গ্যাস রক্ষা জাতীয় কমিটি লংমার্চ করেছে। এ ছাড়া বিএনপি, জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠন রামপালে বিদ্যুৎ প্রকল্প তৈরির বিরোধিতা করেছে। এত জনমতকে উপেক্ষা করে জনবিরোধী একটি প্রকল্প চালু করা সরকারের একগুঁয়েমি মানসিকতারই পরিচয় বলে মনে হয়। নাফিয়া সারাওয়াত: জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগের হাত থেকে বাঁচতে বাংলাদেশ যখন শিল্পোন্নত দেশগুলোর কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করছে, ঠিক তখনি বাংলাদেশ নিজেই নিজ পরিবেশ, বিশেষ করে নিজ দেশের ম্যানগ্রোভ বনটি ধ্বংসের মতো একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে!
সাকা চৌধুরী ন্যায়বিচার পাবেন, যদি...
যুদ্ধাপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বিচার-প্রক্রিয়াকে প্রশ্ন করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। তখন সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ন্যায়বিচার পাবেন। তাঁর এ বক্তব্যে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে এস এম আপেল মাহমুদ লিখেছেন: বিএনপির বক্তব্য থেকে বোঝা যাচ্ছে, যুদ্ধাপরাধীরা ১৯৭১ সালে যাঁদের হত্যা করেছে, তাঁদের ন্যায়বিচার পাওয়া উচিত হবে না। শুধু সাকাচৌ, সাঈদী বা নিজামীদের মতো অপরাধীদেরই ন্যায়বিচার পাওয়া উচিত। যারা বাবা-মা, স্বামী-সন্তান হারিয়েছে, যে নারীরা ইজ্জত হারিয়েছেন, তাঁরা বিএনপির কাছে গুরুত্বপূর্ণ কেউ নন। দলটির কাছে মুখ্য হলো খুনিদের আন্তর্জাতিক মানের বিচারের সুযোগ দিয়ে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া! কয়েক দিন আগেও বিএনপির যে জোয়ার শুরু হয়েছিল, তা আপনাদের এসব রাজাকার-মার্কা কথায় এখন ভাটায় পরিণত হয়েছে। মাহবুব লিখেছেন: ভেবেছিলাম জনসমর্থন তাঁদের দিকে ঝুঁকবে। কারণ মানুষ পরিবর্তন চাইছিল। কিন্তু এখন দেখছি, রাজাকারদের দালালি ছাড়তে পারে না, এমন নেতাদের ক্ষমতায় বসালে আমাদের আম-ছালা দুই-ই হারাতে হবে। সাজ্জাদ হোসেন: নির্দলীয় সরকারের মর্ম যদি এটাই হয়, তবে সে নির্দলীয় সরকার না আসাই মঙ্গল। মানুষ সৎ নিয়তে নির্দলীয় সরকার চেয়েছিল, কিন্তু বিএনপি তা রাজাকার বাঁচাতে ব্যবহার করতে চায়। মোয়াজ্জেম হোসেন নিলু: ‘সাকাচৌ ন্যায়বিচার পাবেন’ এ কথায় ফখরুল কী বোঝাতে চাইছেন? সাকাচৌ অবশ্যই ন্যায়বিচার পেয়েছেন। এখন আপনারা যাঁরা তাঁর পক্ষে অবস্থান নিচ্ছেন, তাঁদের বিচার হওয়া দরকার।
ভুল চিকিৎসার অভিযোগে ল্যাবএইড ঘেরাও
ল্যাবএইড হাসপাতালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর ভুল চিকিৎসা করা হয়েছে—এমন অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়টির ছাত্রছাত্রীরা ওই হাসপাতাল ঘেরাও করেছেন। এমন খবরে মতামত জানিয়ে মীর দিদারুল হক লিখেছেন: এসব চিকিৎসক ও হাসপাতালের সাজা হওয়া উচিত। এই চিকিৎসকেরা সরকারি হাসপাতালে কোনোমতে কর্তব্য শেষ করে ব্যক্তিগতভাবে রোগী দেখার জন্য ছোটেন বেসরকারি হাসপাতাল বা ক্লিনিকে। সেখানে রোগীরা অসহায়। দরদস্তুর করার কোনো সুযোগ থাকে না। তাই সেখানে রোগীদের অসহায়ত্বের সুযোগ নেন এসব ডাক্তার। মমিন: ল্যাবএইড হাসপাতালে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ অনেক আগে থেকেই আছে এবং অভিযোগের পরিমাণটা অনেক বেশি। যথাযথ তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে প্রয়োজনে এ ধরনের হাসপাতালের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। শান্তনু: প্রত্যেক চিকিৎসক এখন ব্যক্তিগত সম্পদ অর্জনে ব্যস্ত-ত্রস্ত। রোগী বাঁচল, না মরল—সেদিকে তাঁদের কোনো খেয়াল নেই। এসব চিকিৎসকের উপযুক্ত বিচার হওয়া উচিত। মোস্তাফিজুর রহমান জেরী: প্রতিবাদ চলবেই। সফল হবে, নাকি বিফল হবে—সে চিন্তা করেন প্রবীণেরা। আমরা নবীন। আমাদের সংগ্রাম চলবেই। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। লক্ষ রাখুন, যাতে দোষীরা বিদেশে পালাতে না পারে। ওদের হাত অনেক লম্বা। কারণ, ওদের টাকা আছে। তবে পালাতে পারবে না।
সাকা চৌধুরীর ফাঁসির আদেশ
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাংসদ সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর ফাঁসির আদেশ হয়েছে। এ সংবাদে মতামত জানিয়ে কিবরিয়া লিখেছেন: রায় তো ৪২ বছর আগে ১৯৭১ সালেই ঠিক হয়ে গিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত ন্যায়বিচার হয়েছে, এটাই বড় কথা। মামুন খান: এক অনলাইন পত্রিকাতে এক দিন আগেই রায় ফাঁস হয়ে গেল! ব্যাপার কী? এত নিরাপত্তার মধ্যেও যদি জাতীয় ও স্পর্শকাতর ব্যাপারগুলো ফাঁস হয়ে যায়, তবে তা ভীষণ উদ্বেগের ব্যাপার। মোশাররফ হোসেন: বলা হচ্ছে, রায় ছয় মাস আগে লেখা হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, ছয় মাস আগে লেখা রায় ছয় মাস পর রায়ের মাত্র এক দিন আগে ফাঁস হলো কেন? কাওসার উদ্দিন: আইন সবার জন্য সমান। অন্যায়ের শাস্তি পেতেই হবে। শান্ত: এই শয়তানের ফাঁসি না হলে, সময়ের কাছে নিজেকে অসহ্য বলে মনে হতো। মুছে দেওয়া হোক শয়তানের অট্টহাসি। দ্রুত কার্যকর করা হোক তাঁর ফাঁসি। আমরা কালক্ষেপণের তামাশা চাই না, রাজনৈতিক দালালিও দেখতে চাই না। শাকিল মণ্ডল: স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে রক্ষা করা যেমন কঠিন, তেমনি আজ যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে রায় দেওয়ার চেয়ে, তাদের শাস্তি দেওয়া কঠিন হয়ে গেছে। রায়ে আমরা সন্তুষ্ট, কিন্তু তা কার্যকর হবে কি না, সেই চিন্তা থাকছেই। আশা করি, জনগণ আশাহত হবে না।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পরিকল্পনাহীন স্থাপত্য শিক্ষা
সজল চৌধুরী: সহকারী অধ্যাপক, স্থাপত্য বিভাগ, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম।
sajal_c@yahoo.com
মাহফুজ ফারুক: পরিবেশ ও স্থাপত্যবিষয়ক সাংবাদিক।
mahfuzfaruk@gmail.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সহজ কথা যায় না বলা সহজে by বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম
About: mid tip
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘আগামী নির্বাচন হবে রিমোট কন্ট্রোলে’ - এবিএম মূসা
About: mid tip
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
২৪ ইস্যুতে জেরবার হাসিনা সরকার
About: mid tip
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিশ্বাসঘাতক গানম্যান by চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
About: mid tip
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দ্বৈত ভূমিকায় এরশাদ
About: mid tip
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জয়ের রাজনীতি সম্পর্কে ওয়াজেদ মিয়া যা বলেছিলেন-...
About: mid tip
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আলোচনায় সাঈদীর কান্না, গোলাম মাওলা রনির লেখা...
About: mid tip
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গোপন তথ্যের সুরক্ষা চাইলে ফিরিয়ে আনুন টাইপরাইটার! by তপন চক্রবর্তী
About: mid tip
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হাজার কোটি টাকার চামড়া নষ্টের আশঙ্কা! by ঊর্মি মাহাবুব
About: mid tip
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কক্সবাজার-বান্দরবান নিয়ে স্বাধীন আরাকান! >> ধারাবাহিক প্রতিবেদনের প্রথম পর্ব। by রহমান মাসুদ ও ইলিয়াস সরকার
About: mid tip
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রিয়াংকার আবেদনময়ী পিঠ
About: mid tip
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1403)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
October
(362)
-
▼
Oct 07
(23)
- পোশাকশিল্পের সমস্যা নিরসনে চাই দীর্ঘমেয়াদী সমাধান ...
- জিপিএ-৫ প্রাপ্তরা দেশের আলোকিত সন্তান
- রথম্যান, শ্যাকম্যান ও সুদোফ পেলেন চিকিৎসাবিদ্যায় ন...
- রথম্যান, শ্যাকম্যান ও সুদোফ পেলেন চিকিৎসাবিদ্যায় ন...
- জামায়াতকে ক্ষমা চাইতে হবে: মওদুদীপুত্র
- রাস্তায় শিশু জন্ম দিলেন অভাগা মা
- ১৪০- এটাও কি তার দেশপ্রেম? by বদিউর রহমান
- পোশাক শ্রমিকের ন্যূনতম মজুরি বিষয়ে নিরপেক্ষ আলোচনা...
- অক্টোবরের আন্দোলন এবং হাসিনা সরকারের পতন কি হতে যা...
- নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে সংকট
- এসব চিকিৎসকের উপযুক্ত বিচার হওয়া উচিত
- পরিকল্পনাহীন স্থাপত্য শিক্ষা
- সহজ কথা যায় না বলা সহজে by বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী ...
- ‘আগামী নির্বাচন হবে রিমোট কন্ট্রোলে’ - এবিএম মূসা
- ২৪ ইস্যুতে জেরবার হাসিনা সরকার
- বিশ্বাসঘাতক গানম্যান by চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
- দ্বৈত ভূমিকায় এরশাদ
- জয়ের রাজনীতি সম্পর্কে ওয়াজেদ মিয়া যা বলেছিলেন-...
- আলোচনায় সাঈদীর কান্না, গোলাম মাওলা রনির লেখা...
- গোপন তথ্যের সুরক্ষা চাইলে ফিরিয়ে আনুন টাইপরাইটার! ...
- হাজার কোটি টাকার চামড়া নষ্টের আশঙ্কা! by ঊর্মি মাহ...
- কক্সবাজার-বান্দরবান নিয়ে স্বাধীন আরাকান! >> ধারাবা...
- প্রিয়াংকার আবেদনময়ী পিঠ
-
▼
Oct 07
(23)
-
▼
October
(362)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

