Thursday, July 6, 2017
পায়ের পর ঠোঁট বিতর্কে প্রিয়াঙ্কা

প্যারিস ফ্যাশন উইকে অংশ নিতে সাবেক এই বিশ্বসুন্দরী এখন ফ্রান্সে অবস্থান করছেন। সেখান থেকে ইনস্টাগ্রামে নিজের একটি সেলফি প্রকাশ করেছেন সম্প্রতি। এরপর কমেন্ট বক্সে শুরু হয় মানুষের ‘সমালোচনা বর্ষণ’। কেউ বলেন, ‘প্রিয়াঙ্কা প্লাস্টিক সার্জারি করিয়েছেন।’ কেউ আবার তার ফিরতি মন্তব্যে লেখেন, ‘তবে প্লাস্টিক সার্জারি খুব বাজে হয়েছে।’ প্রিয়াঙ্কার ঠোঁট মাছের মতো দেখতে লাগছে বলেও অনেকে হাসাহাসি করেন।
প্রিয়াঙ্কা চোপড়া শেষবার অনাবৃত পা প্রদর্শনের বিতর্কটি খুব কৌশলে সামলে ছিলেন। নিন্দুকদের কথার সরাসরি কোনো জবাব দেননি। ইনস্টাগ্রামে নিজের পা আরও বেশি প্রদর্শন করে অন্য আরেকটি ছবি প্রকাশ করেছিলেন এ অভিনেত্রী। ছবিতে তাঁর মা মধু চোপড়াও ছিলেন খাটো পোশাকে। ছবিটির ক্যাপশন প্রিয়াঙ্কা দিয়েছিলেন, ‘Legs for days...’
অবশ্য প্রিয়াঙ্কার মা মধু চোপড়া অনেক দিন পর হলেও সম্প্রতি এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন। মধু বলেন, ‘প্রিয়াঙ্কা সেদিন হুট করেই নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পায়। পোশাক পাল্টানোর মতো সময় তখন তার ছিল না। মোদির সঙ্গে দেখা করাই তখন তাঁর কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল।’
এবার নতুন বিতর্কের জবাব প্রিয়াঙ্কা কতটা সৃজনশীলভাবে দেন, সেটাই দেখার পালা। সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রিয়া সেনের বেপরোয়া চলাফেরা


About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
উপত্যকাটি ফিরে পেতে হলে by এম কে নারায়ণান

দল দু’টির নরম জোটটি আরেকটি ধাক্কা সামলে উঠেছে হতো। তবে এতে যে কাশ্মিরে বিরাট কিছু হয়ে যাবে, তা নয়। সেখানকার পরিস্থিতি সম্পর্কে যাদের সন্দেহ, তাদের মূল্যায়ন হলোÑ কাশ্মিরের ভবিষ্যৎ সব সময়ই প্রায় একই। এই ধারণার পক্ষে যুক্তি হচ্ছে, দিল্লি তার ভূমিকা বদলাতে ইচ্ছুক নয় এবং এই রাজ্যে প্রাণহানি ও বারবার সঙ্কটের ব্যাপারে শিশুসুলভ ব্যাখ্যা দিয়ে পরিতৃপ্ত। ক্ষমতাসীন জোটের শরিক সংগঠন পিডিপি প্রশাসন পরিচালনার ক্ষেত্রে পথ হারিয়ে ফেলেছে। এ অবস্থায় দলটি জোট আঁকড়ে ধরে শ্রীনগরের গদি টিকিয়ে রাখতেই বেশি আগ্রহী। এই প্রেক্ষাপটে বলা যায়, কাশ্মিরের ভবিষ্যৎ নিয়ে কারো মাথাব্যথা নেই।
২০১৬ সালের শেষ দিকে বলা হয়েছিল, কাশ্মির তার ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ সঙ্কটগুলোর একটি মোকাবেলা করছে। আর যেকোনো বিচারে, আজ সেখানে পরিস্থিতি অনেক বেশি জটিল হয়ে উঠেছে। সহিংস প্রতিবাদের মাত্রা কদাচিৎ কমতে দেখা যায়। বিপুল সংখ্যক মানুষ হতাহত হয়েছে। ২০১৬ সালের জুলাই মাসে বুরহান ওয়ানি এনকাউন্টারে মারা যাওয়ার পর থেকে পরিস্থিতির ধরন একই রয়েছে।
কেন কাশ্মিরে সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে, শ্রীনগর বা দিল্লির প্রশাসনের কেউই তা জানে বলে মনে হয় না। যারা কাশ্মিরে সহিংসতা দেখতে দেখতে অভ্যস্ত হয়ে গেছে এবং যাদের পরিকল্পনায় আছে সেখানে একটা পরিবর্তন ঘটানো, তাদের একমাত্র চিন্তার বিষয় হলো, কাশ্মির ভারতের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হয়ে থাকার বিষয় নিশ্চিত করা। কাশ্মিরের দৃশ্যপট গত বছর থেকে এখন পর্যন্ত একই রকম থাকায় তারাও উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছে। কাশ্মিরে যেসব সহিংসতা এখন ঘটছে, এগুলোর বেশির ভাগই ভয়ঙ্কর বিদেশী জঙ্গিরা ঘটাচ্ছে না। যারা এসব করছে, লশকর-এ-তৈয়বা এবং জইশ-এ-মোহাম্মদ-এর মতো পাকিস্তানপন্থী জঙ্গি সংগঠনের সাথে তাদের প্রত্যক্ষ সম্পর্ক আছে বলে মনে হয় না। স্থানীয় হিজবুল মুজাহিদিনের সাথে ওদের কিছু সম্পর্ক থাকতে পারে।
কাশ্মিরে চলমান সহিংসতার নেতাদের চেনা যায় না। তাদের তৎপরতার সুনির্দিষ্ট কারণ বোধগম্য নয়। পাকিস্তান তার ভূমিকা বদলায়নি এবং সহিংসতায় উসকানি দিচ্ছে আগের মতো। যেমনÑ উরি ও পাঠান কোটের পর কুপওয়ারায় সৈন্যদের ওপর হামলা চালিয়ে হতাহত করা হয়েছে। তবে কাশ্মিরে নতুন হুমকি আসছে সম্পূর্ণ ভিন্ন উৎস থেকে।
বর্তমান জটিল পরিস্থিতি বোঝা কঠিন হবে যদি আগের মতো শুধু বাইরের উসকানি এবং পাকিস্তানের ভূমিকাকে দায়ী করা হয়। একেবারে ভিন্ন কিছু ঘটেছে এবং নতুন কিছু করা দরকার।
কাশ্মিরে এবার যে প্রতিবাদ বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে, তা অসংগঠিত ও বিভক্ত। এ কারণে এটা ইনতিফাদারূপী বিপদ ঘটাতে পারে। ইনতিফাদা হলো এমন গণবিদ্রোহ যার কোনো পরিচিত নেতা থাকে না। ফলে আন্দোলনের নেতা হওয়ার দাবি জানাতে গিয়ে সমস্যা সৃষ্টি করেÑ এমন লোকের সংখ্যা বাড়তে থাকে। অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক কারণে এমন পরিস্থিতি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। এ ধরনের অবস্থা তৈরি হওয়ার আগেই এবং ‘শহীদ’ হওয়ার ঘটনা যাতে নিয়মিত হয়ে না দাঁড়ায়, সে জন্য ভারতকে অবশ্যই পদক্ষেপ নিতে হবে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, ভারত কি সত্যের সম্মুখীন হতে পারবে কিংবা এর ইচ্ছা পোষণ করে? ভারত আগের মতো বলে যেতে পারে, কাশ্মিরে অতীত সহিংসতার জন্য যারা দায়ী, তারা দৃশ্যপটে রয়ে গেছে। তবে একই সাথে এটাও ভারতের স্বীকার করা প্রয়োজন যে, নেপথ্যে একটা পরিবর্তন ঘটছে। জঙ্গিদের নতুন নতুন মুখ দেখা যাচ্ছে। তাদের মধ্যে বিপুলসংখ্যক এমন লোকও রয়েছে যাদের ব্যাপারে ভারত আশা করত যে, তারা স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে ভূমিকা রাখবে এবং তারা ভারতেই নিজেদের ভাগ্য গড়তে ইচ্ছুক ছিল।
২০০৮ সাল থেকে কাশ্মির উপত্যকা অস্থিরতার কয়েকটি তরঙ্গ প্রত্যক্ষ করেছে। ২০০৮ ও ২০১০ সালে কাশ্মির বেশ কঠিন সময় পার করেছে। তবে তখন এতে যারা কলকাঠি নেড়েছে, প্রধানত তারা ছিল পাকিস্তানে প্রশিক্ষিত লোকজন। যারা গোলযোগে জড়িত ছিল, তারা প্রেরণা পেয়েছে সেখান থেকে। তবে ২০১৬ থেকে কাশ্মিরে সংগ্রামের সামনের সারিতে আছে ‘সংযুক্ত নয়, এমন’ জঙ্গিরা। এর ব্যাখ্যা কিভাবে দেয়া যায়? আরো অনেক এলাকার মতো এ ক্ষেত্রেও মনে হয়, সত্য শুধু কোনো কোনো উপলক্ষে এখানে ওখানে প্রতিভাত হচ্ছে। বাস্তবতা অন্ধকারে থেকে যায়। মনে হচ্ছে, নব্বই দশকের বিপজ্জনক দিনগুলোর পর কাশ্মিরে জঙ্গিবাদ আবার সমাজে গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছে। শ্রীনগর আর দিল্লির কর্তৃপক্ষের ভণ্ডামিপূর্ণ বক্তব্যের বিপরীতে, ক্রমবর্ধমান সংখ্যায় তরুণসমাজ সহিংসতাকে স্থান দিয়েছে। আজকের পরিস্থিতিতে, অ্যাজেন্ডা ফর অ্যালায়েন্স, পিপলস ডেমোক্র্যাটিক পার্টি, সৈয়দ আলী শাহ গিলানি ও মিরওয়াইজ উমর ফারুকের মতো হুররিয়াত নেতারা, ইয়াসিন মালিকের মতো সাবেক বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা- সবাই কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন। কাশ্মিরে এখন ক্রোধ ও ক্ষোভেরই প্রাধান্য। সহিংসতাপূর্ণ প্রতিবাদ এবং শ্রীনগরের সাম্প্রতিক নির্বাচন প্রায় পুরোপুরি বর্জনের মধ্য দিয়ে এর প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। এর মাধ্যমে যে বার্তা দেয়া হচ্ছে, তা স্পষ্ট। জোরজবরদস্তি কিংবা হুকুমের দ্বারা শান্তি প্রতিষ্ঠা করা যায় না।
কাশ্মিরে এক উপাখ্যানের পর আরেক উপাখ্যান উন্মোচিত হচ্ছে। সিরিজ ঘটনা ঘটে চলেছে আর ‘স্বাভাবিক পরিস্থিতির’ কথা বলা আসলে ‘কৌশলগত মিথ্যাচার’-এর উদ্ভব ঘটিয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে বারবার টুইট করে বাস্তব পরিস্থিতি বদলে দেয়া হচ্ছে। অতিরঞ্জনের বাগাড়ম্বর সত্যকে উপহাস করছে এবং আরো মিথ্যাচারের পথ করে দিচ্ছে। কাশ্মিরে বাস্তবতা হলো : লাশ, জখম, শহীদ এবং সেই সাথে অবশ্যই আছে কর্তৃপক্ষরূপী খলনায়কেরা।
এ দিকে প্রশাসন হেরে যাচ্ছে প্রপাগান্ডা যুদ্ধে। সোশ্যাল মিডিয়া এনকাউন্টারসহ বিভিন্ন ঘটনার ব্যাপারে নিজস্ব ভাষ্য প্রচার করছে। সীমান্তের ওপার থেকে এই মিডিয়ার কয়েক হাজার উৎসও প্রচারযুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। এখনকার অন্যরকম জঙ্গিদের অক্সিজেন জোগায় সামাজিক গণমাধ্যমই। আর এভাবেই ‘রংধনু মোর্চা’ গড়ে তুলেছে ‘অসংযুক্ত জঙ্গি’ এবং পাকিস্তানের ‘গভীর রাষ্ট্র’।
হতাশ হয়ে পরামর্শ দিলে তা কোনো কাজে আসে না। বর্তমানে যে অবস্থা, তাতে পা রাখলে দেবে যেতে পারে। এ জন্য ক্ষমতাসীন জোটকে দায়ী করা হলেই যে কাজ হবে, তা নয়। সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাহ এটাই করেছেন। দেশ দুর্যোগে নিপতিত হচ্ছে বললেই হবে না; বরং আগে যা বলা হয়েছে এবং যে জন্য চেষ্টা করা হয়েছে, সে ব্যাপারে তিনি পরামর্শ দিতে পারেন। ঘোলাপানিতে মাছ শিকার করা থেকে পাকিস্তানকে বিরত রাখা এবং এ ব্যাপারে তাকে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন। যুক্তরাষ্ট্র এ জন্য পাকিস্তানকে পর্যাপ্ত চাপ দেবে বলে আশা না করাই উচিত। আফগান সঙ্কট মোকাবেলায় আমেরিকার জন্য পাকিস্তান খুব গুরুত্বপূর্ণ। এদিকে, কাশ্মিরে বিরাজমান পরিস্থিতিতে হুররিয়াতের প্রভাব অনেক কমে গেছে। দ্বিধাগ্রস্ত পিডিপি-বিজেপি জোট ভুল করছে। যা ঘটছে, সে সম্পর্কে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি প্রায় অবাস্তব। কাশ্মির উপত্যকায় একের পর এক ভয়াবহ দৃশ্য দেখা গেলেও মনে হচ্ছে, দিল্লি সরকার এই বাস্তবতা থেকে বহু দূরে। এ অবস্থায় সব কিছু ছেড়ে দেয়া হয়েছে গোয়েন্দা আর নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর ওপর। অথচ এই সঙ্কট নিরসনে সেনাবাহিনী ব্যবহার করা হলে সবচেয়ে কম সুফল মিলবে।
আমরা এখন কোথায় যাচ্ছি? প্রথমেই বলতে হয়, কাশ্মিরে যেখানে বাস্তবেই এনকাউন্টার ঘটছে, হতাহত হওয়ার ঝুঁকি নিয়ে হলেও সাধারণ মানুষ সেখানে জড়ো হচ্ছে, যদিও তারা প্রতিবাদ বিক্ষোভে জড়িত নয়। কেন এটা হচ্ছে, নীতিনির্ধারকদের এ ব্যাপারে অবশ্যই গভীরভাবে চিন্তা করতে হবে। নিরাপত্তাবাহিনীর গাড়ির বনেটে একজন বিক্ষোভকারীকে বেঁধে প্রতিবাদরত জনতার মাঝ দিয়ে চালিয়ে যাওয়ার চিন্তা যত কম করা যায়, ততই উত্তম। এ ধরনের কৌশল আগুন নিয়ে খেলার শামিল। এখনকার বিক্ষোভকারীরা ক্ষুব্ধ ও বেপরোয়া। তারাই প্রতিবাদের ধরন এবং আন্দোলনের স্বরূপ নির্ধারণ করছে। এমন একটি পরিস্থিতির দাবি হলো, আমূল রূপান্তর ঘটানো। গোড়াতে ফিরে যেতে হবে। ১৯৬০-এর দশকের পর থেকে যে সংবিধান কাশ্মিরে কার্যকর রয়েছে, এতে আনা চাই পরিবর্তন। এর ফলে ভারতের এই দাবি কিছুটা হলেও বিশ্বাসযোগ্য হবে যে, কাশ্মিরের স্বায়ত্তশাসন অক্ষুণ্ন রাখা হবে। এই স্বায়ত্তশাসনকে কাশ্মির খুবই গুরুত্ব দিয়ে থাকে। সংবিধান ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ের বিশেষজ্ঞদের দিয়ে সাবধানে এসব কাজ করতে হবে।
যা হোক, যা সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ তা হলো- কাশ্মির উপত্যকায় শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য খোলা মনে আহ্বান জানিয়ে এ লক্ষ্যে বিভিন্ন পর্যায়ে বৈঠক ও আলোচনা চালিয়ে যাওয়া। এ ক্ষেত্রে কাউকে বাদ দেয়া যাবে না। বিচ্ছিন্নতাবাদী ও হুররিয়াতের সাথেও বৈঠক করা দরকার। ২০০৫ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত নেপথ্য চ্যানেলে দেয়া প্রস্তাবগুলোর কিছু আইডিয়ার পুনরুজ্জীবন ঘটানো উচিত।
অবশ্যই অগ্রাধিকার দিতে হবে কাশ্মিরের তরুণদের কর্মসংস্থানকে। এ জন্য ব্যাপক কর্মসূচি নিতে হবে। ভারত নিজের অহঙ্কার চাপা দিয়ে পাকিস্তানের সাথে আলোচনা আবার শুরু করার বিষয় বিবেচনা করে দেখতে পারে। পাকিস্তান এ ক্ষেত্রে এগিয়ে আসবে বলে বেশি আশা করা না গেলেও অন্তত কাশ্মিরে হার্ডলাইনের অনুসারীদের তো আশ্বস্ত করা যাবে। এখন দরকার, পেশিশক্তির ওপর নির্ভর না করে বেশি যুক্তিসঙ্গত পন্থা অবলম্বন করা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফরহাদ মজহারের কী অপরাধ by মাসুদ মজুমদার

সাধারণত তিন-চারজন যাত্রী নিয়ে কোনো পরিবহন ঢাকায় আসে না। তা ছাড়া এখন ঈদ মওসুম। র্যাব-পুলিশ যদি উদ্ধারকারী হয়, তারা অপহরণকারী শনাক্ত করেনি- এটা কিভাবে বিশ্বাসযোগ্য হতে পারে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী তাকে জাতিকে ব্যাখ্যা দিয়ে জানাতে হবে সীমান্তের ওপারে ঠেলে দেয়ার শঙ্কা জাগল কেন। এতসব প্রশ্নের বাইরেও বাস্তবে অনেক প্রশ্নের উত্তর মিলছে না। একজন বয়স্ক ব্যক্তিকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে গাড়ির নিচে বসিয়ে রাখা হয়। অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়।
আমরা ভুলে যাইনি বিএনপি সরকারের আমলে তিনিও একবার গ্রেফতার হয়েছিলেন। সেটা ছিল আনসার বিদ্রোহের ব্যাপারে। তিনি মন্তব্য করেছিলেন- এরা কৃষকের সন্তান তাই বঞ্চিত হয়েছেন। বিদ্রোহ উসকানি দেয়ার কোনো অভিযোগ ছিল না। বর্তমান সরকারি মহলে তার ওপর বিরক্তি কারো অজানা নেই। আমরা যদ্দুর জানি, ফরহাদ মজহার একজন বামপন্থী তাত্ত্বিক। তার সব তত্ত্বের ভক্ত সবাই হবেন- এমনটি কেউ আশা করে না। তবে মোটা দাগে তিনি একজন চিন্তাবিদ- তার সব চিন্তা জাতিকে ঘিরে। দেশকে নিয়ে। সেখানে তিনি সব বিতর্কের ঊর্ধ্বে একজন নিখাদ দেশপ্রেমিক এবং যুক্তিবাদী মানুষ। দেশের মানুষ ও দেশ নিয়ে তার ভাবনার ব্যাপারে কোনো বিতর্ক নেই। হেফাজত ইস্যুতে তার অবস্থান স্পষ্ট। ঢাকায় লাখ লাখ লোকের উপস্থিতির প্রেক্ষাপটে তিনি বলেছিলেন এরাই বাংলাদেশ। এটা কোনো উসকানি ছিল না, ছিল আবেগাপ্লুত মানুষের অনুভূতি। এর সাথে দ্বিমত করার অধিকার সবার আছে। ফরহাদ মজহারেরও চিন্তার স্বাধীনতা আছে। চিন্তার স্বাধীনতা যারা মেনে নিতে পারে না তারাই ফ্যাসিস্ট।
ফরহাদ মজহারের ব্যাগ ও পোশাক সবার চেনা, তার চলন-বলন এবং চেহারা-সুরতও কারো অচেনা নয়। তাই তার ব্যাগতত্ত্বের কোনো উত্তর এখনো মিলছে না। উত্তর পাচ্ছি না অপহরণকারীদের অসংলগ্ন আচরণের। তাকে যেভাবে ঢাকায় পাঠানো হলো তারও হিসাব মিলাতে পারছি না। অপহরণকারীদের উদ্দেশ্য যাই হোক, তারা ফরহাদ মজহারের বন্ধু, সুহৃদ কিংবা শুভাকাক্সক্ষী নন। তাদের চেহারা অচেনা। তারা কারা অনুমান করতে পারেননি ফরহাদ মজহার নিজেও।
ফরহাদ মজহার বাড়াবাড়ি করার মতো মানুষ নন। চিন্তাগত ফারাক অন্য জিনিসি- সেটা চিহ্নিত হওয়া উচিত। তাহলে কারা তাকে জব্দ করতে এতটা নিষ্ঠুরতা প্রদর্শন করেছে? সব প্রশ্নের জবাব না মিললে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বাহবা দেবো কিভাবে। তবে ফরহাদ মজহার ইস্যুতে তার সহমর্মী মানস কোনোভাবেই অশ্রদ্ধা করা যায় না। তাকে ওপারে ঠেলে দেয়ার শঙ্কা আমরা গুরুত্বের সাথে নেয়ার পক্ষে।
এখন ঘুরেফিরে প্রশ্ন একটাই- গুম ও অপহরণের যে দীর্ঘ তালিকা, বিচারবহির্ভূত হত্যার যে ফর্দ তার শেষ কবে হবে! কেই বা থামাবে এ অনাচার। রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের উপসংহার না টানলে জাতিকে খাদের কিনারা থেকে উদ্ধার করবে কে? ভারত-ইসরাইলের নয়া কৌশল পড়শিদের জন্য আরো বিপজ্জনক হবে না- সেই নিশ্চয়তা কার কাছে পাবো? কারণ ইসরাইলি বর্ণবাদী ও সন্ত্রাসী রাষ্ট্রটি কারো বন্ধু হলে তার আর শত্রুর প্রয়োজন হয় না। ১৯৪৮ সাল থেকে আরবজাহান ও বিশ্ববাসী সেই ইসরাইলি গোয়েন্দা মোসাদের নেটওয়ার্ক সম্পর্কে ভীতিকর অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছে। এখন অভিজ্ঞতার ডালি কি আমাদের সীমান্তের ওপারে! অনেক পেছনে যাওয়ার গরজ নেই। প্রয়োজনও নেই। শফিক রেহমান প্রথিতযশা সাংবাদিক, উপস্থাপক ও রাজনৈতিক গদ্যের ভিন্ন ধারার লেখক। কিভাবে তাকে গুটিয়ে যেতে বাধ্য করা হলো- তা তো কারো ভুলে যাওয়া উচিত নয়। মাহমুদুর রহমান নিয়ে অল্প কথা বলাই ভালো। তিনি যখন সাদাকে সাদা বলা শুরু করলেন। লেখা শুরু করলেন নিজের মতো করে। হুল ফুটিয়ে দিলেন নীতিনির্ধারকদের শরীরে। তিনি হয়ে উঠলেন অসহ্য মানুষ। তারপরের ঘটনা সবার স্মৃতিতে তাজা।
আরো কম করে জনাদশেক মানুষের নাম বলা যাবে, যারা সাদাকে সাদা বলতে অভ্যস্ত হওয়ার কারণে এখন ‘অপাঙ্ক্তেয়’। তাদের টকশোতে ডেকে কর্তৃপক্ষ ঝুঁকির পাল্লা আরো ভারী করে তুলতে চান না। তাদের লেখা ছাপিয়ে কোপানলে পড়তে নারাজ। অবশিষ্ট রইলেন কবি, গবেষক ও চিন্তাবিদ ফরহাদ মজহার। কলাম লিখেন নিজস্ব ভাব ও ভাষায়। ইনসাফের কথা বলেন। মানবিকতার কথা বলেন। মানবাধিকারের কথা বলেন। বিচারবহির্ভূত হত্যার বিরুদ্ধে সরব থাকেন। জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের কথা বলেন। পরাশক্তির বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ উচ্চারণে কথা বলেন। ভারতবিরোধিতার নামে সস্তা রাজনীতি করতে নিরুৎসাহিত করেন। নেতা-নেত্রীদের দেশের জনগণকে মর্যাদা দিয়ে পরিকল্পনা নিতে বলেন। আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে জাতিকে সতর্ক করেন। দেশপ্রেমের প্রেরণা জোগান। যা বলেন অনেক বেশি ঋজু ভাষায় বলেন। যারা বোঝেন না তারা চুপ থাকেন। যারা বোঝেন তারা অসহ্য বিবেচনা করেন। যাদের কাছে ফরহাদ মজহারের লেখা-চিন্তা অসহ্য, তারাই তাকে অপহরণ করেছেন। হয়তো হজম করতে পারেননি কিংবা চালে ভুল করেছেন। এমনও হতে পারে- একটা বড় খেলার মাঠ তৈরি করতে ফরহাদ মজহার বলির পাঁঠা হতে হতে বেঁচে গেলেন। এটাকেই বলা হয়- রাখে আল্লাহ মারে কে? এখন যারা ফরহাদ মজহারকে শুইয়ে পেটাতে চাচ্ছেন, তাদের জন্য সলিমুল্লাহ খানের দাওয়াই যথেষ্ট। আরো খুঁচিয়ে যারা ক্ষত দগদগে করে সেখানে নুন ছিটাতে চান, তাদের জন্য বার্তা একটাই, যারা মৃত্যুকে জয় করার মতো সাহস সঞ্চয় করেন তারা কখনো হেরে যান না। হেরে যায় ভীরু কাপুরুষ এবং সময়ের কুসন্তানেরা।
স্মৃতি প্রতারণা না করলে অনেকেরই স্মরণে পড়ার কথা, এবিএম মুসা টকশোতে বলেছিলেন, এক সময় বর্তমান সরকারের মুখপাত্ররা রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় জনগণ বলবে- ‘ধর ধর ওই চোর যায়।’ তারপর মুসা ভাইকে কে বা কারা সতর্ক করে দিয়েছিলেন। তিনি আমৃত্যু টকশো এড়াতেন!
আসাফউদ্দৌলা সত্য কথা সাহসের সাথে বলতেন, হঠাৎ একদিন টকশো থেকে বাড়ি ফেরার পথে তাকে টার্গেট করে অপ্রীতিকর ঘটনার জন্ম দিলো। তিনি পরিস্থিতি সামাল দিতে পেরেছিলেন, কিন্তু আর টকশোতে কথা বলতে রাজি হলেন না। কলাম লেখাও বন্ধ করে দিয়ে কুরআন চর্চায় মনোযোগ দিলেন। সাদাকে সাদা বলে সত্য উচ্চারণের একটা ভাবমর্যাদা সৃষ্টি করেছিলেন আসিফ নজরুল। তাকে এড়ানোর বিষয়টি কারো দৃষ্টি এড়াল না। ডক্টর তুহিন মালিক সাহসী উচ্চারণে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছিলেন- এক সময় দেখা গেল, তিনি আর ডাক পান না। শেষ পর্যন্ত দেশের বাইরে থাকা ভালো ভাবলেন। নূরুল কবির দেশপ্রেমিক বাম ধারার সাহসী সাংবাদিক। অনুগত দাসানুদাসের মতো কথা বলেন না। বামপন্থী এই সাংবাদিক কথা বলতেন সাহসের সাথে এবং ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে থেকে। এক সময় দেখা গেল তার গাড়ি অনুসরণ করে জানান দেয়া হলো ‘খামোশ’। বিরোধীদলীয় রাজনীতির তুখোড় মানুষের দিকে তাকান- মামলার স্তূপ ঠেলে তারা সামনে পথ চলতে পারেন না। সামনে পাঁচ কদম এগোলে হেঁচকা টানে পনেরো কদম পিছিয়ে দেন।
মির্জা ফখরুলরা প্রায় শ’খানেক মামলার ঘানি টানছেন। খালেদা জিয়ার হাজিরার ধরন দেখুন না। গণতন্ত্রের এই ধরনের ভীতিকর বাতাবরণে কখনো বসন্ত আসে না, আসে দুর্যোগ। জানি না, রাজনীতিবিদেরা দুর্যোগ আঁচ করতে পারছেন কি না।
masud2151@gmail.com
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জাপানী তরুণ-তরুণীদের এই অবস্থা!


জাপানের যৌনতা নানা রকমফেরের জন্য জাপানের নামডাক রয়েছে। বিশ্বের প্রথম লাভ হোটেলও চালু হয় জাপানেই। কিন্তু দেশটির তরুণদের মধ্যে এ বিষয়ে আগ্রহ কেমন?
বিবিসি সংবাদদাতা রুপার্ট উইংফিল্ড-হেইজের কাছে আনো মাতসুই নামের ২৬ বছরের এক তরুণ বলছেন, ‘এ বিষয়ে আমার ঠিক আত্মবিশ্বাস নেই। মেয়েদের কাছে আমি কখনোই জনপ্রিয় ছিলাম না। একবার একটি মেয়েকে আমি ডেটিংয়ের জন্য বলেছিলাম, সে না বলে দেয়। সেটাই আমাকে আহত করে।’
যে তরুণ জাপানীরা যৌনতাহীন জীবনে অভ্যস্ত হয়ে উঠছে, তাদেরই একজন আনো মাতসুই।
সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, ১৮ থেকে ৩৪ বছরের তরুণদের ৪৫ শতাংশ জানিয়েছে, তাদের কখনোই কোনো শারীরিক সম্পর্ক হয়নি। ৬৪ শতাংশ বলছে, তারা কোনো প্রেম বা সম্পর্কে নেই।
মি. মাতসুই বলছেন, ‘আমার মতো অনেক পুরুষ রয়েছে, যারা নারীদের ব্যাপারে সংকোচ বোধ করেন। কারণ প্রত্যাখ্যাত হওয়ার চেয়ে বরং অন্য কিছুতে মনোযোগ দেয়াই ভালো।’
কিন্তু এ বিষয়ে জাপানের মেয়েদের অভিমত কি?
৪৫ বছরের একজন শিল্পী, রোকুডেনাশিকো বলছেন, ‘একটি সম্পর্ক গড়ে তোলা হয়তো একটি ছেলের জন্য খুব সহজ ব্যাপার নয়। এজন্য তাকে প্রথমে একটি মেয়েকে ডেটিংয়ে নিয়ে যাবার প্রস্তাব দিতে হবে। এতসব ব্যাপার হয়তো অনেক তরুণ করতে চায় না। বরং তারা ইন্টারনেটে পর্ন দেখে যৌন তৃপ্তি পায়।’
জাপানী তরুণরা না হয় ইন্টারনেট থেকে যৌন তৃপ্তি পেলো। কিন্তু জাপানি তরুণীরা?
হিসাব কর্মকর্তা ২৪ বছরের আনা বলছেন, যৌনতার চেয়েও তার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভালো খাবারদাবার আর ঘুম।
তিনি বলছেন, ‘যৌনতা হলো এমন কিছু, যার আসলে আমার দরকার বা চাহিদা নেই।’
আনা বলছিলেন, ‘আমি যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়, তখনি আমি প্রথম আমার কঠোর বাবা-মায়ের শাসন থেকে বেরিয়ে স্বাধীনতার স্বাদ পেতে শুরু করলাম। আমি বন্ধুদের সঙ্গে রাত করে বাইরে থাকা বা পানীয় পান করার সুযোগ পেলাম। একজন প্রেমিক হয়তো আমার সেই স্বাধীনতা সীমিত করে ফেলবে, যা আমি চাই না।’
ইন্টারনেট যৌনতা, আত্মকেন্দ্রিকতা বা নিজেকে লুকিয়ে রাখা, কারণ যাই হোক না কেন, গবেষণায় জানা যাচ্ছে, তরুণ জাপানীদের অর্ধেকই কোনোরকম প্রেম বা যৌন অভিজ্ঞতা ছাড়া তাদের ত্রিশ বছর বয়স পার করতে চলেছেন।
সূত্র: বিবিসি
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বনানীতে ফের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে ডেকে তরুণীকে ধর্ষণ
![]() |
| প্রতীকী ছবি |
মামলার এজাহারে ধর্ষণের শিকার তরুণী লিখেছেন, ১১ মাস আগে আসামি ইভানের সঙ্গে তার পরিচয়। ক্রমে তা ঘনিষ্ঠতা পায়। এরই সূত্র ধরে মঙ্গলবার রাত ৯টায় আসামি ওই তরুণীকে ফোন করে নিজের জন্মদিনের কথা জানিয়ে নিজের বাসায় আমন্ত্রণ জানান। ইভান ওই তরুণীকে নিজের পরিবারের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার কথাও বলেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, এরপর ওই তরুণী রাত সাড়ে ১০টার দিকে আসামির বাড়িতে পৌঁছান। এসময় তিনি বাসায় কাউকে না দেখলে আসামির মায়ের কথা জানতে চান। জবাবে আসামি জানান, বাবা-মা অসুস্থ বলে ঘুমিয়ে পড়েছেন। সকালে তাদের সঙ্গে ওই তরুণীর পরিচয় করিয়ে দেওয়া হবে। এসময় বাসায় জন্মদিনের উৎসবের কোনও ধরনের আয়োজন না দেখতে পেয়ে বাসায় ফিরতে চান। কিন্তু তাকে বাধা দেন ইভান। পরে ওই তরুণীকে নেশাজাতীয় দ্রব্যও খাওয়ানো হয়। রাত দেড়টার দিকে ধর্ষণের শিকার হন ওই তরুণী। ওই তরুণী চিৎকার করলে রাত সাড়ে ৩টার দিকে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয় ইভান।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, এর আগেও ইভান বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেছে ওই তরুণীকে। এ প্রসঙ্গে কাউকে কিছু না বলার জন্য ভয়ভীতিও দেখিয়েছে ইভান। ধর্ষণের শিকার তরুণীর গোপন মুহূর্তের ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দিয়েছে সে।
উল্লেখ্য, তিন মাস আগে বনানীতে একই রকম ঘটনার অভিযোগ ওঠার পর ব্যাপক আলোচনার মধ্যে আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলে সাফাত আহমেদসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ওই মামলায় দুই তরুণীকে বনানীর রেইনট্রি হোটেলে জন্মদিনের অনুষ্ঠানে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়। মামলাটিতে পুলিশ ইতোমধ্যে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
১৫ই জুন সাতকানিয়া সমিতি-চট্টগ্রামেরর ইফতার মাহফীল
উক্ত ইফতার ও দোয়া মাহফিল সফল করার লক্ষ্যে এক প্রস্তুতি সভা রবিবার রাত ১০টায় আন্দরকিল্লাস্থ সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
সমিতির আহ্বায়ক ও চট্টগ্রাম চেম্বারের পরিচালক অহীদ সিরাজ চৌধুরী স্বপনের সভাপতিত্বে এবং সাতকানিয়ার পৌর মেয়র ও সমিতির সদস্য সচিব মোহাম্মদ জোবায়েরের সঞ্চলনায় অনুষ্ঠিত উক্ত প্রস্তুতি সভায় বক্তব্য রাখেন সমিতির উপদেষ্টা ও টেরিবাজার বনিক কল্যাণ সমিতির সভাপতি ওসমান গণি চৌধুরী, মোহাম্মদ রফিক, আমানুল আলম, আব্দুল মাবুদ চৌধুরী, সাবেক চেয়ারম্যান সরওয়ার উদ্দিন চৌধুরী, সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন, সমিতির সদস্য এটিএম রশিদ উদ্দিন শাহীন, অধ্যাপক শাব্বির আহমদ, ফারুক-এ- আজম, নুরুল আলম মন্টু, বশির উদ্দিন চৌধুরী, সালাহ উদ্দিন দিনার, মোঃ জাবেদ চৌ: প্রমুখ।
প্রস্তুতি সভায় ইফতার মাহফিলকে সফল ও সার্থক করে তুলতে বিস্তারিত আলোচনা ও কর্মকৌশল নির্ধারণ করা হয়। যথাসময়ে অনুষ্ঠান শুরু করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকভাবে উপস্থিত থাকার আহবান জানানো হয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
উ. কোরিয়ার বিরুদ্ধে কোনো সামরিক পদক্ষেপ মানা হবে না : রাশিয়া

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সেনবাগে পুলিশী বাধায় বিএপির মানববন্ধন পণ্ড

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খালেদা জিয়ার দুই মামলার পরবর্তী শুনানি ১৩ জুলাই

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গুম ও গোপন আটক বন্ধ করুন

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দেশের কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণ হতে পারে

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারী বর্ষণ হতে পারে

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মনোনয়ন পেতে মরিয়া আ’লীগের এমপিরা

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৯ কেজি সোনা উদ্ধার

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফের বনানীতে জন্মদিনের পার্টির কথা বলে তরুণীকে ধর্ষণ

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাছের পাতায় নিকেল

‘পাতায় কতটা নিকেল আছে’
ফ্যান ডের এন্ট জানালেন, ‘‘আমরা পর্যায়ক্রমে নিউ ক্যালেডোনিয়ার সর্বত্র সংগৃহীত বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা পরীক্ষা করে দেখি, তাদের পাতায় কতটা নিকেল আছে৷ এভাবে আমরা তাদের শনাক্ত ও সংগ্রহ করে, পরে ওই ‘হাইপার-অ্যাকিউমুলেটর’ গাছের চাষ করে ফসল ঘরে তুলতে পারি৷ ‘হাইপার-অ্যাকিউমুলেটর’ গাছপালা নিয়ে গবেষণা করার জন্য নিউ ক্যালিডোনিয়াই সম্ভবত বিশ্বের সেরা জায়গা, কেননা এখানে ৬৫টির বেশি প্রজাতির ‘হাইপার-অ্যাকিউমুলেটর’ উদ্ভিদ পাওয়া যায়৷’’ এই গাছগুলো এখানে গজাতে পেরেছে দ্বীপটির ভূতাত্ত্বিক উপাদানের কারণে৷ এখানকার মাটিতে এত নিকেল ও অন্যান্য ধাতু আছে যে, অধিকাংশ গাছপালা এখানে বাড়তে পারে না৷ কিন্তু ‘হাইপার-অ্যাকিউমুলেটর’-রা ভালোই থাকে৷
নিকেলের রীতিনীতি
নিউ ক্যালিডোনিয়ার মাটি এমনই নিকেল-সমৃদ্ধ যে, নিকেলের খনি হলো নিউ ক্যালিডোনিয়ার অর্থনীতির একটা বড় অংশ৷ এর ফলে দ্বীপপুঞ্জটির নৈসর্গিক দৃশ্য যেন নানা প্রকাশ্য ক্ষতে ভরা৷ মাইনিং কোম্পানিগুলো বিভিন্ন পরিবেশ সংরক্ষণ কর্মসূচিতে বিনিয়োগ করতে শুরু করেছে৷ এই সব কর্মসূচির উদ্দেশ্য বিশেষ বিশেষ ‘হাইপার-অ্যাকিউমুলেটর’-এর সাহায্যে খনির চারপাশের জমির নবায়ন করা৷ কিন্তু এই বিধ্বস্ত এলাকায় এই জাদুকরি গাছপালাগুলোও দাঁত ফোটাতে কষ্ট পায়৷ মাটিতে এত লোহা আর নিকেল আছে যে, এই মাটি পাথরের মতো শক্ত৷ গাছ লাগানোর জন্য কর্মীরা স্পেশাল ড্রিল দিয়ে মাটিতে গর্ত করেন৷ নিউ ক্যালিডোনিয়ার বৃহত্তম খনিতে ওপেনকাস্ট বা খোলা খনি পদ্ধতিতে আকর সংগ্রহ করা হয়, যার অর্থ, ক্ষেত্রবিশেষে গোটা পাহাড় কেটে খনির কাজ চলে৷ পড়ে থাকে বিষাক্ত হেভি মেটালের ভাঙাচোরা স্তূপ৷ গবেষকরা এই খনিতে একটি চমকপ্রদ পরীক্ষা চালাচ্ছেন: তারা এখানে ‘হাইপার-অ্যাকিউমুলেটর’ গাছপালা লাগানোর পরিকল্পনা করছেন – শুধু মাটিকে বিষমুক্ত করার জন্যই নয়, বরং তাদের পাতা সংগ্রহ করে তা থেকে নিকেল বের করার জন্যে৷
খনি বর্জ্যের উপর ‘হাইপার-অ্যাকিউমুলেটর’ গাছের চাষ
ফ্যান ডের এন্ট বললেন, ‘‘আমি এখানে নিউ ক্যালিডোনিয়ান অ্যাগ্রোনমিক ইনস্টিটিউটের ব্রুনো ফোলিয়ানির সাথে কাজ করছি, যিনি খনি বর্জ্যের উপর নিকেল ‘হাইপার-অ্যাকিউমুলেটর’ বসানোর এই পরীক্ষার আয়োজন করেছেন৷ আমরা খনি বর্জ্য ফেলার একটা জায়গার উপর দাঁড়িয়ে রয়েছি – দেখছেনই তো, গাছপালাগুলো ভালোই বাড়ছে৷’’ ফোলিয়ানি জানালেন, ‘‘এই গাছটি নিকেল সংগ্রহ করে৷ এর পাতায় যে নিকেল আছে, আমরা সে বিষয়ে আগ্রহী৷ অর্থনৈতিক বিচারে পোষাতে গেলে, আমাদের সর্বোচ্চ পরিমাণ ‘বায়োমাস’ সংগ্রহের পন্থা বার করতে হবে৷ আমরা একাধিক ধরনের সার ব্যবহার করছি, অন্যান্য গাছপালার সঙ্গে ‘হাইপার-অ্যাকিউমুলেটর’ গাছের চাষ করার চেষ্টা করছি৷ শুধু এই একটি প্রজাতি নয়, বরং সব ধরনের গাছ লাগালে প্রকৃতি বাকিটা করে দেয়, প্রাকৃতিকভাবেই সারিয়ে দেয়৷’’ এই প্রযুক্তিকে বলে ‘ফাইটোমাইনিং’, অর্থাৎ গাছপালা ব্যবহার করে খনির কাজ৷ এটা যদি কার্যকরি হয়, তাহলে মাইনিং কোম্পানিগুলো সম্ভবত এই ‘হাইপার-অ্যাকিউমুলেটর’ গাছপালায় বিনিয়োগ করতে রাজি হবে – লাভের জন্যও বটে আবার তারা পরিবেশের যে ক্ষতি করেছে, তার কিছুটা পূরণ করার জন্যও বটে৷ কিন্তু ফাইটোমাইনিং প্রথাগত মাইনিং-এর বিকল্প হয়ে দাঁড়াতে পারবে না, কারণ ‘হাইপার-অ্যাকিউমুলেটর’ গাছগুলো থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণ নিকেল পাওয়া যায় না৷ যার অর্থ, নিকেল মাইনিং-এর ধ্বংসলীলা আরো কিছুদিন ধরে চলবে৷ মাইনিং কোম্পানিগুলো মাটি খুঁড়ে ও পাথরের স্তর সরিয়ে আকরিক নিকেল বের করার চেষ্টা চালিয়ে যাবে৷ কিন্তু নিকেল শুষে নেয়া ‘হাইপার-অ্যাকিউমুলেটর’ গাছগুলোর কল্যাণে পরিবেশের ক্ষতি অন্তত কিছুটা লাঘব হবে৷ সূত্র : ডয়চে ভেলে
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নতুন রোগ ইসকিমিয়া : কতটা চিন্তার?

ইসকিমিয়া কী?
আমাদের শরীরে বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সঠিকভাবে কাজ করে যাওয়ার জন্য রক্তের প্রয়োজন হয়। আসলে রক্তের মাধ্যমে প্রত্যেকটি অঙ্গ তাদের প্রয়োজনীয় খাদ্য, অর্থাৎ অক্সিজেন এবং গ্লুকোজ গ্রহণ করে। এবার কোনো কারণে একটি নির্দিষ্ট অঙ্গে রক্ত সঞ্চালন কমে গিয়ে রক্তাল্পতার সৃষ্টি হতে পারে। সহজে বললে, ওই নির্দিষ্ট অঙ্গে রক্ত কম পৌঁছয়। চিকিৎসা পরিভাষায় এমন অবস্থাকেই ইসকিমিয়া বলা হয়ে থাকে। পর্যাপ্ত রক্তের ঘাটতি হওয়ায় ওই অঙ্গের বিভিন্ন জটিলতার সৃষ্টি হয়। মূলত হৃদপিণ্ড, মস্তিষ্ক, পা, ফুসফুস এবং পাচন নালি ইত্যাদি অঙ্গগুলি এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
কেন হয়?
এই রোগের মূল কারণ হিসাবে অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিসের কথা বলতে হয়। এবার অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিসকে সহজে বুঝতে গেলে একটু রক্ত সংবহণ সম্বন্ধে জেনে নেয়া দরকার। আসলে যেমনটা প্রথমেই বলেছিলাম যে আমাদের দেহের প্রতিটি অঙ্গের রক্তের প্রয়োজন হয়। এবার রক্ত দেহের অঙ্গগুলিতে পৌঁছানোর সময় বিভিন্ন ধমনির মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। তাই অনায়াসে ধমনিকে রক্ত পরিবহণের রাস্তা হিসাবে দেখা যেতে পারে। এবার অনেক সময় চর্বি জাতীয় পদার্থ এবং কিছু অন্যান্য পদার্থ ধমনির ভিতরের দেয়ালে জমাট বেঁধে উঁচু ঢিপির মতো তৈরি হয়। একে বলে ‘প্লাক’। ধমনির অভ্যন্তরে প্লাক গঠনের ফলে স্বভাবতই অপর্যাপ্ত রক্ত পরিবাহিত হয়। একেই বলে অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস। আর ধমনির পথে বাধা থাকায় অঙ্গের চাহিদা অনুযায়ী রক্তের যোগান না পাওয়ার ফল হল ইসকিময়া।
কী কী সমস্যা হয়?
রোগ যে অঙ্গে হয়, তার উপর নির্ভর করে সমস্যা তৈরি হয়। এবার একে একে সেই সকল অঙ্গের সমস্যা সম্বন্ধে জানা যাক।
হৃদপিণ্ড—হৃদপিণ্ডের করোনারি ধমনির মধ্যে বাধার সৃষ্টি হলে ইসকিমিয়া রোগ হয়। একে বলে ইস্কিমিক হার্ট ডিজিজ। এক্ষেত্রে করোনারি ধমনিতে রক্তপ্রবাহে বাধা সৃষ্টি হয়। এই কোনো কোনো ক্ষেত্রে করোনারি আর্টারি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ারও আশঙ্কা থাকে। প্লাকের কারণে করোনারি আর্টারি আংশিক বন্ধ হয়ে গেলে অ্যানজাইনা হয়। অর্থাৎ একটু হাঁটলেই বুকে ব্যথা লাগে, চাপ বোধ হয়, শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা হয়। এক্ষেত্রে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিলে শারীরিক অস্বস্তিবোধ কমে।
করোনারি আর্টারি সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেলে বিশ্রামরত অবস্থাতেই বুকে ব্যথা, প্রবল চাপবোধ এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এমনকী হার্ট অ্যাটাক হওয়ার আশঙ্কাও অনেকগুণ বেড়ে যায়। চিকিৎসা পরিভাষায় এমন অবস্থাকে মায়ো কার্ডিয়াল ইনফার্কশন বলে।
ব্রেন— মস্তিষ্কে এই রোগের দরুন স্ট্রোক হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
পা— পায়ের বিভিন্ন ধমনিগুলিতে প্লাক জমা হওয়ার কারণে রক্ত পরিবহণে সমস্যা সৃষ্টি হয়। এই সমস্যাকে পেরিফেরাল আর্টারি ডিজিজ (পিএডি) বলা হয়। সমস্যা জটিল হলে ক্রিটিক্যাল লিম্ব ইসকিমিয়া হয়। এই রোগ থেকে পায়ের পেশিতে গ্যাংগ্রিন (পচন) হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তবে শুধু পা নয়, অনেকসময় হাতেও এই সমস্যা হতে দেখা যায়।
ফুসফুস— ফুসফুসের আর্টারিতে এই সমস্যার দরুন বুকে ব্যথা এবং শ্বাস-প্রশ্বাসে ভীষণরকম সমস্যা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। কোনো কোনো সময় ফুসফুসে এই রোগ মারাত্মক আকার ধারণ করতেও সক্ষম। এই সমস্যার নাম অ্যাকিউট পালমুনারি এমবোলিজম।
পাচননালি— অনেক সময় এই রোগের কারণে পাচননালির দুই মুখ্য অংশ ক্ষুদ্রান্ত্র এবং বৃহদান্ত্রে ছিদ্র সৃষ্টি হয়। এরফলে ক্ষুদ্রান্ত্র বা বৃহদান্ত্রের সেই বিশেষ অংশে পচন ধরার আশঙ্কা বেড়ে যায়।
এই রোগের লক্ষণগুলি কী কী?
কোন অঙ্গে ইসকিমিয়া হয়েছে তার উপর নির্ভর করে লক্ষণ দেখা যায়—
হৃদপিণ্ড—হার্টে এই রোগ হওয়ার প্রধান লক্ষণ হল বুকে ব্যথা। রোগের তীব্রতা কম হলে শুধুমাত্র হাঁটা-চলার সময় ব্যথা অনুভূত হয়। রোগের তীব্রতা বেশি হলে বিশ্রামরত অবস্থাতেও ব্যথা অনভূত হতে পারে। সাধারণত অ্যানজাইনা বুকের মাঝখানে হয়। মনে হয় বুকের মধে কেউ ওজন চাপিয়ে দিয়েছে। তবে প্রথম প্রথম অ্যানজাইনা হলে ব্যথা সবসময় বুকের মাঝে হয় না। অনেকসময় এই ব্যথা পেটের উপর দিক থেকে আসে, পিঠে, হাতে, চোয়ালের দিকে ছড়িয়ে যায়। তাই অনেকে এই ব্যথার সঙ্গে গ্যাসের ব্যথাকে মিলিয়ে ফেলেন। এখানে একটি সুক্ষ্ম পার্থক্য রয়েছে। প্রারম্ভিক পর্বে অ্যানজাইনা মূলত জোরে হাঁটা বা টেনশনের সময় বেশি হয়। আবার একটু বিশ্রাম নিলেই ব্যথা তুলনামূলকভাবে কমে আসে। অন্যদিকে গ্যাসের ব্যথার ক্ষেত্রে এরকম কোনো কমে আসা বা বেড়ে যাওয়ার লক্ষণ দেখা যায় না। আবার হার্ট অ্যাটাক হলে ব্যথা অনেকগুণ বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি রোগীর শারীরিক অবস্থারও ভীষণরকম অবনতি হয়। আবার ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্তদের অনেকসময় কোনও রকম ব্যথা ছাড়াই হার্ট অ্যাটাক হয়ে যায়। এটা একটা বিশেষ সমস্যা যায়। এক্ষেত্রে সতর্ক থাকা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।
তবে ব্যথা বাদেও হৃদগতি বৃদ্ধি, একটু শারীরিক কাজকর্মেই শ্বাসকষ্ট, অকারণে ঘাম, ক্লান্তি ইত্যাদি বিশেষ ইঙ্গিতবাহী।
মস্তিষ্ক— এক্ষেত্রে সবথেকে বড় লক্ষণ হল তীব্র মাথা ব্যথা। পাশাপাশি মাথা ঘোরা, দেহের নড়াচড়ায় সমস্যা, দুর্বলতা, দেহের কোনও একটি পাশে প্যারালিসিস ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দেয়।
পা— পায়ে অসারতা, ঠান্ডাভাব, তীব্র ব্যথা, ক্ষত ঠিক না হওয়া ইত্যাদি লক্ষণ ফুটে ওঠে।
পাচননালি— পেটজুড়ে তীব্র ব্যথা, বমি, রক্তমল, ডায়রিয়া ইত্যাদি লক্ষণ প্রকাশ পায়।
কাদের এই সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে?
ডায়াবেটিস, হাই ব্লাডপ্রেশার, কোলেস্টেরল, স্থূলত্ব (ওবেসিটি) এবং ধূমপানের মতো বিষয়গুলি এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার মুখ্য কারণ।
বয়সের দিক থেকে ৫০ বছরের বেশি বয়স্ক মানুষদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। তবে অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের জন্য এখন ৪০ বছর বা তার নীচের অনেকেই এই রোগে আক্রান্ত হন। আবার স্ত্রী ও পুরুষদের মধ্যে পুরুষরা এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি। সাধারণত মহিলাদের হরমোনজনিত কারণে মনোপজের আগে হৃদরোগে আক্রান্ত হন না। তবে ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত হওয়ার দরুন এখন অনেক মহিলাই কম বয়সে এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।
আগে পশ্চিমের দেশগুলিতে এই রোগের প্রকোপ ছিল বেশি। তবে নিজেদের জীবনযাত্রার মান বদলে নিয়ে সেইসব দেশগুলিতে এখন এই রোগ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। বর্তমানে ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশীয় দেশগুলিতে ইসকিমিক হার্ট ডিজিজের প্রবণতা সবথেকে বেশি। এর মূল কারণ হিসাবে অবশ্যই খাদ্যাভ্যাসের কথা আসবে। এই অঞ্চলের বসবাসরত মানুষ কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট জাতীয় খাদ্য বেশি খান। ফলে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। পাশাপাশি ডায়াবেটিস, মেটাবলিক সিনড্রোম
(ভুঁড়ি বৃদ্ধি) ইত্যাদি রোগে আক্রান্ত মানুষ এই অঞ্চলে বেশি থাকায় সমস্যা আরো বেড়ে চলেছে।
এই রোগের চিকিৎসা কী?
দেখুন হার্টে এই রোগ হলে চিকিৎসাকে দু’টি ভাগে ভাগ করে নিতে হবে। ইসকিমিয়ার জন্য প্রাথমিকভাবে অ্যানজাইনা হলে ওষুধের মাধ্যমেই ভালো থাকা যায়। তবে হার্ট অ্যাটাক হলে তিন ঘণ্টার মধ্যে রোগীকে নিয়ে চিকিৎসাকেন্দ্রে পৌঁছাতে হয়। এই সময়টিকে বলে গোল্ডেন টাইম। এই সময়ে প্রাইমারি অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি করে ধমনিতে সৃষ্ট বাধা সরিয়ে দেওয়া হয়। এতে হৃদপিণ্ডে রক্ত সঞ্চালন নতুন করে শুরু হয়ে যায়। তবে প্রাইমারি অ্যাঞ্জিওপ্ল্যাস্টি করা না গেলে ওষুধের মাধ্যমে রক্তকে গলিয়ে দেওয়া হয়। একে থ্রম্বোলাইটিস থেরাপি বলে। পায়ে এবং ফুসফুসে এই সমস্যা হলেও সেই অ্যাঞ্জিওপ্ল্যাস্টি করে আর্টারির বাধা মুক্ত করা হয়। তবে এই রোগের কারণে পায়ের সমস্যা বেড়ে গিয়ে থাকলে অনেকসময় অপারেশন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়ে থাকে। আবার পাচননালির সমস্যার ক্ষেত্রে প্রাথমিক পর্যায়ে ওষুধ প্রয়োগ করা হলেও রোগ গড়িয়ে গেলে অপারেশন করা ছাড়া উপায় থাকে না। পাশাপাশি মস্তিষ্কের ক্ষেত্রে চিকিৎসাটা চলে ওষুধের উপর। দরকার পড়লে আবার অ্যাঞ্জিওপ্ল্যাস্টিও করা হয়ে থাকে।
রোগ প্রতিরোধের উপায় কী?
এই রোগ প্রতিরোধের একমাত্র উপায় হল জীবনযাত্রায় বদল আনা। এক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয়ে খেয়াল রাখুন— খাদ্যের তালিকায় বেশি পরিমাণে ফল, শাক-সবজি রাখুন। তেল খাওয়া কমিয়ে আনুন নিয়মিত শরীরচর্চা করুন। এতে ওজন কমার পাশাপাশি শরীর সুস্থ থাকবে ধূমপান থেকে বিরত থাকুন ডায়াবেটিস, হাই ব্লাডপ্রেশার, হাই কোলেস্টেরল ইত্যাদি রোগ থাকলে প্রথমেই সজাগ হোন। নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে এই রোগগুলিকে নিয়ন্ত্রণে আনুন।
সূত্র : ওয়েবসাইট
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘আমাকে নিয়ে কোনো সমস্যা ছিল না’ by কামরুজ্জামান মিলু

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মুখ দেখে রোগ চিনুন

লক্ষণ ১
চোখের কোল ফোলা
শরীরে আয়োডিনের মাত্রার তারতম্য হলে থাইরয়েডের হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়। ফলে ক্লান্তি, চোখের কোল ফোলে। শুষ্ক ত্বক, ওজন বেড়ে যাওয়া, নখ ভেঙে যাওয়ার সমস্যা হতে পারে। বেরি জাতীয় ফল, দই, আলু, বিনস খেলে এই সমস্যা দূর করা যেতে পারে।
লক্ষণ ২
অনুজ্জ্বল ত্বক
ভিটামিন বি১২-এর অভাবে ত্বক অনুজ্জ্বল দেখায়, চেহারায় ক্লান্তির ছাপ পড়ে। আরো একটি লক্ষণ সম্পূর্ণ মসৃণ জিভ। স্যামন মাছ, রেড মিট, দই, চিজ খেলে এই সমস্যার সমাধান হতে পারে।
লক্ষণ ৩
রুক্ষ চুল
রুক্ষ চুল মানে শরীরে বায়োটিন বা ভিটামিন বি৭-এর অভাব। নখ ভেঙে যেতে পারে, চুল পাতলা হয়ে যায়। ডিম, বাদাম, ডাল ও গোটা শস্য খেলে উপকার পাওয়া যাবে।
লক্ষণ ৪
ফ্যাকাশে ঠোঁট
ত্বক ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়ার সাথে সাথে যদি ঠোঁটও ফ্যাকাশে হয়ে যায়, তাহলে বুঝতে হবে রক্তাল্পতার সমস্যা। খুব বেশি ঠাণ্ডা লেগে যাওয়া, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। ডায়েটে রাখতেই হবে বেশি পরিমাণ আয়রন। রেড মিট, সি ফুড, বিনস, সবুজ শাক-সবজি, কড়াইশুঁটি খেতে হবে।
লক্ষণ ৫
মাড়ি থেকে রক্তক্ষরণ
মাড়ি যদি খুব স্পর্শকাতর হয়, মাঝে মাঝেই রক্তপাত হয়, তাহলে বুঝতে হবে ভিটামিন সি-র অভাব। স্কার্ভি হতে পারে। মুখের পেশি ও হাড়ে ব্যথা হতে পারে। লক্ষণ দেখে ফেলে রাখবেন না। সাথে সাথে পরামর্শ নিতে হবে চিকিৎসকের। সূত্র : ইন্টারনেট
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘বাজে মেয়েরা হয়তো নিজেরাই বিছানায় যেতে চায়’ -ইনোসেন্ট ভারিদ থেক্কেথালা

‘কোনো নারী শিল্পীর যদি চরিত্র খারাপ থাকে, মিডিয়ায় তা খুব তাড়াতাড়ি ছড়িয়ে পড়ে। বাজে মেয়েরা হয়তো নিজেরাই বিছানায় যেতে চায়’—সম্প্রতি এমন মন্তব্য করে সমালোচনার জন্ম দিয়েছেন ইনোসেন্ট ভারিদ থেক্কেথালা। গতকাল বুধবার ‘কাস্টিং কাউচ’ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘মালায়ালাম চলচ্চিত্রশিল্প এখন পরিচ্ছন্ন। কোনো কাস্টিং কাউচ হয় না। অতীতেও ছিল না। চরিত্র পাওয়ার জন্য নারীদের যৌন শোষণের মুখোমুখি হতে হয় না। বর্তমান সময়টা এমন—কোনো নারীর চরিত্রে খারাপ কিছু থাকলে তা মিডিয়ার মানুষ এমনিতেই জেনে যায়।’
২০১৪ সালে পার্লামেন্টে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে যোগ দেন ইনোসেন্ট। অ্যাসোসিয়েশন অব মালায়ালাম মুভি আর্টিস্টসের (এমএমএ) সভাপতিও তিনি। তাঁর মুখে এমন বক্তব্যে বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন ওই রাজ্যের নারী অধিকারকর্মীরা।
গত মাসেই কেরালার অভিনেত্রী মঞ্জু ওয়ারিয়েরের নেতৃত্বে গঠন করা হয় ‘উইমেন ইন সিনেমা কালেক্টিভ’ সংগঠনটি। পার্লামেন্ট সদস্যের এমন বক্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ওই সংগঠন। এক ফেসবুক পোস্টে সংগঠনটি বলে, ‘নতুন মেয়েরা যখন চলচ্চিত্রশিল্পে প্রবেশ করে, তখন তাঁদের নানা রকম যৌন নিগ্রহের মুখোমুখি হতে হয়। এমনকি আমাদের সহকর্মী পার্বতী ও লক্ষ্মী রাই কাস্টিং কাউচ নিয়ে জনসমক্ষেই কথা বলেছেন। আমরা এমন বক্তব্য মেনে নিতে পারছি না, যেখানে বলা হচ্ছে, ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে এ ধরনের কিছু হয় না। মন্তব্য করার ব্যাপারে অনেক বেশি সতর্ক থাকা উচিত বলে মনে করি আমরা।’
এমন অবস্থায় বিপাকে পড়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতে ফেসবুকে পাল্টা মন্তব্য করেন ইনোসেন্ট। তিনি বলেন, ‘আমার কিছু মন্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করে এমনভাবে প্রকাশিত হয়েছে, যা আমি বলতে চাইনি। আমি বলতে চেয়েছি, চলচ্চিত্রশিল্পে নারীদের কাজের পরিবেশ এখন আগের তুলনায় অনেক বন্ধুত্বপূর্ণ।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চর্মরোগ সোরিয়াসিস

সোরিয়াসিসের ক্ষেত্রে ত্বকে প্রথমে প্রদাহের সৃষ্টি হয় এবং সে স্থানে লালচে ভাব দেখা যায়। একই সাথে ছোট ছোট গুটি যা চামড়া থেকে সামান্য উঁচুতে থাকে। ধীরে ধীরে এগুলো বড় হতে পারে। মাছের আঁশের মতো উজ্জ্বল সাদা শুকনো চটলায় গুটিগুলো আচ্ছাদিত থাকে। এ আঁশগুলো ঘষে ঘষে তুললে আঁশের নিচের চামড়ায় লালচে ভাব দেখা যায় এবং তা থেকে কষ ঝরতে পারে এবং সেখান থেকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রক্তক্ষরণও হতে থাকে। সাধারণভাবে একজন সোরিয়াসিসের রোগীকে দেখলে অন্যরা ভয় পেয়ে যান এবং অনেকেরই ধারণা এটা ছোঁয়াচে রোগ। আসলে এটা কোনো ছোঁয়াচে রোগ নয়। এমনকি জীবাণুজনিত রোগও নয়। তাই এর থেকে অন্য কারো রোগ হওয়ার কোনো ঝুঁকি নেই। এটা বড় কোনো শারীরিক সমস্যারও সৃষ্টি করে না।
কাদের হয় : নারী-পুরুষ উভয় ক্ষেত্রেই সমহারে হতে পারে। যেকোনো বয়সেই হয়, তবে ১৫ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে বেশি হতে দেখা যায়। এর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো আবিষ্কৃত হয়নি। এ ক্ষেত্রে পারিবারিক প্রভাব অবশ্যই আছে বলে প্রমাণিত হয়েছে এবং অনেক কিছুরই প্রভাবে এটা বাড়তে দেখা গেছে। যেমন আঘাত, ইনফেকশন, দুশ্চিন্তা, আবহাওয়ার পরিবর্তন, নানা রকম ওষুধ যেমনÑ ম্যালেরিয়ার ওষুধ, ব্লাড প্রেসারের ওষুধ, হরমোন ও কর্টিসনজাতীয় ওষুধ সেবনে প্রাথমিকভাবে উপকার পেলেও পরে বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।
উপসর্গ : সোরিয়াসিসের উপসর্গ ত্বকের যেকোনো স্থানেই দেখা দিতে পারে। ত্বক ছাড়া নখেও দেখা দিতে পারে। ত্বকের যেসব এলাকা সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়, তাহলে কনুই, হাঁটু, মাথার চামড়া, কোমরের নিচের মধ্যখানের স্থানে ইত্যাদি। তবে এটা শরীরের যেকোনো স্থানের যেকোনো ত্বকে হতে পারে। সাধারণত এ রোগে তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য উপসর্গই থাকে না। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে সামান্য চুলকানি ভাব থাকতে পারে। তবে যাদের এ রোগ হয়, তারা লোকসমাজে যেতে ইতস্তত করেন, যাদের কাছে যান তারাও দেখলে ছোঁয়াচে ভেবে ভয়ে দূরে থাকতে চান। কারণ চামড়া উঠতে উঠতে এমন এক ভয়ঙ্কর অবস্থার সৃষ্টি হয়, যা রোগীর জন্য এক বিব্রত অবস্থার সৃষ্টি করে। আসলে কিন্তু এ রোগটি কোনো অবস্থায়ই ছোঁয়াচে নয়। প্রথমে ত্বকে প্রদাহের সৃষ্টি হয়, তার পর লালচে ভাব ধারণ করে, সেখানে ছোট ছোট গুটি দেখা দেয়, ওপরের ত্বকে চলটার আকারে মাছের আঁশের মতো শুকনো চামড়া দেখা দেয়, যা টানলে চলটা ধরে উঠে আসে। খুঁটে বা টেনে এই চামড়া তুললে নিচে লালচে চামড়া দেখা যায়, যা থেকে রস ঝরে এবং ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রক্তক্ষরণ দেখা যায়। সোরিয়াসিসের ক্ষেত্রে ত্বকের উপসর্গের বাইরে সাধারণত কোনো শারীরিক উপসর্গ থাকে না। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। যেমন হাত ও পায়ের গিরায় ব্যথা হতে পারে, যাকে বলা হয় সোরিয়াটিক আর্থোপ্যাথি। এ ছাড়া হাত ও পায়ের তালুতে পুঁজভর্তি দানা দেখা দিতে পারে, যাকে বলা হয় প্যাস্টুলার সোরিয়াসিস। আবার ছোট ছোট দানার আকারে লালচে আঁশযুক্ত সোরিয়াসিস, যা সারা দেহসহ হাত-পা পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে, যাকে বলা হয় গাটেট সোরিয়াসিস। সোরিয়াসিসে নখও আক্রান্ত হতে পারে। সে ক্ষেত্রে নখের রঙ হলুদ হতে পারে এবং নখের গায়ে ছোট ছোট দানার আকারে ফোঁটা দেখা যায়। নখ পুরু হয়ে যেতে পারে, নখের গায়ে ফাটা ফাটা দাগ দেখা দিতে পারে। এ ছাড়া সোরিয়াসিসে আরেকটি জটিলতা দেখা দিতে পারে, যাকে বলা হয় সোরিয়াটিক এরিথ্রোডারমা, যাতে সারা শরীরের ত্বকে প্রদাহ দেখা দেয় এবং সারা শরীরের ত্বক লালচে হয়ে ফুটে ওঠে। সারা শরীর থেকে শুকনো আঁশ ঝরে পড়তে থাকে। এ অবস্থায় রোগীর জীবন আশঙ্কাযুক্ত হয়ে পড়ে এবং তাকে হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। সোরিয়াসিস যখন মাথায় দেখা দেয়, তখন তাকে বলা হয় স্কাল্প সোরিয়াসিস। তবে অনেকেই এটিকে মাথার ত্বকের ছত্রাকজনিত চর্মরোগ (টিনিয়া ক্যাপিটিস) ভেবে ভুল করে থাকেন। এ ক্ষেত্রে মাথার ত্বক থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি আঁশ উঠতে থাকে এবং আঁশের নিচের ত্বকে লালচে প্রদাহজনিত ভাব দেখা যায়। তবে মাথায় তেমন কোনো চুলকানি থাকে না। সামান্য থাকলেও অনেকে আবার খুশকি ভেবেও ভুল করে থাকেন।
চিকিৎসা : চিকিৎসায় এটি সম্পূর্ণরূপে সেরে যাবে এ কথা বলা সঙ্গত হবে না। তবে বর্তমানে কিছু কিছু চিকিৎসাপদ্ধতি বেরিয়েছে, যা প্রচুর সাফল্য আনতে সক্ষম হয়েছে। এর মধ্যে চাঁধ থেরাপি অন্যতম। মলমের মধ্যে ক্যালসিপট্রিয়ল ও ক্লোরেস্টাল প্রপায়নেট অন্যতম।
লেখক : চর্ম, অ্যালার্জি ও যৌনরোগ বিশেষজ্ঞ
চেম্বার : আলরাজী হাসপাতাল, ১২ ফার্মগেট, ঢাকা। ফোন : ০১৮১৯২১৮৩৭৮
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশে শত শত গোপন আটক আর গুম: এইচআরডব্লিউ

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অভিজিৎ হত্যা মামলার প্রতিবেদন দাখিল পেছাল

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অটোরিক্সা চালকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1429)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
-
▼
2017
(8870)
-
▼
July
(892)
-
▼
Jul 06
(54)
- পায়ের পর ঠোঁট বিতর্কে প্রিয়াঙ্কা
- রিয়া সেনের বেপরোয়া চলাফেরা
- উপত্যকাটি ফিরে পেতে হলে by এম কে নারায়ণান
- ফরহাদ মজহারের কী অপরাধ by মাসুদ মজুমদার
- জাপানী তরুণ-তরুণীদের এই অবস্থা!
- বনানীতে ফের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে ডেকে তরুণীকে ধর্ষণ
- ১৫ই জুন সাতকানিয়া সমিতি-চট্টগ্রামেরর ইফতার মাহফীল
- উ. কোরিয়ার বিরুদ্ধে কোনো সামরিক পদক্ষেপ মানা হবে ন...
- সেনবাগে পুলিশী বাধায় বিএপির মানববন্ধন পণ্ড
- খালেদা জিয়ার দুই মামলার পরবর্তী শুনানি ১৩ জুলাই
- গুম ও গোপন আটক বন্ধ করুন
- দেশের কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণ হতে পারে
- ভারী বর্ষণ হতে পারে
- মনোনয়ন পেতে মরিয়া আ’লীগের এমপিরা
- শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৯ কেজি সোনা উদ্ধার
- ফের বনানীতে জন্মদিনের পার্টির কথা বলে তরুণীকে ধর্ষণ
- গাছের পাতায় নিকেল
- নতুন রোগ ইসকিমিয়া : কতটা চিন্তার?
- ‘আমাকে নিয়ে কোনো সমস্যা ছিল না’ by কামরুজ্জামান মিলু
- মুখ দেখে রোগ চিনুন
- ‘বাজে মেয়েরা হয়তো নিজেরাই বিছানায় যেতে চায়’ -ইনোসে...
- চর্মরোগ সোরিয়াসিস
- বাংলাদেশে শত শত গোপন আটক আর গুম: এইচআরডব্লিউ
- অভিজিৎ হত্যা মামলার প্রতিবেদন দাখিল পেছাল
- অটোরিক্সা চালকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার
- হিজাব পরা তিন কিশোরীর হেভি মেটাল ব্যান্ড
- অবিলম্বে গুম, গোপন আটক বন্ধের আহ্বান হিউম্যান রাইট...
- গাজীপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে নারী নিহত
- হরিধানের জনক হরিপদ কাপালি আর নেই
- শুধু ছবি পোস্ট করে রোনালদোর এত আয়!
- চীনের সঙ্গে দ্বন্দ্বে বড় ঝুঁকি নিচ্ছে আমেরিকা
- বিজনেস ক্লাসে চড়ল চীনা দেবতা
- মোদিকে ‘দোস্ত’ বললেন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী
- কাতারকে সাহায্য করতেই নিষেধাজ্ঞা!
- চীন-ভারত দ্বন্দ্বের নেপথ্যে
- মার্কিনিদের জন্য কিমের ‘উপহার’ ক্ষেপণাস্ত্র
- কাতারের বিরুদ্ধে অবরোধ অব্যাহত থাকবে
- শাহজালালে ৯ কেজি সোনা জব্দ
- লালমনিরহাট সীমান্তে কাঁটাতারের কাছে যুবকের লাশ
- শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে ভগ্নিপতি গ্রেফতার
- বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আট সপ্তাহে সর্বনিন্মে
- বাধ্যতামূলক অবসরে পুলিশের ২ অতিরিক্ত ডিআইজি
- ডিএমপির উত্তরখান থানার ওসির মৃত্যু
- সংলাপসহ সাত বিষয়ে প্রাধান্য
- জন্মদিনের কথা বলে বনানীতে এবার অভিনেত্রীকে ধর্ষণ
- উত্তর মেলেনি দুই ডজন প্রশ্নের
- ওরা আমাকে চড় থাপ্পড় মারে, বলে তুই বাড়াবাড়ি করছিস
- ফরহাদ মজহার এখনও আতঙ্কগ্রস্ত
- ম্যালেরিয়া মোকাবেলায় বাগান
- চট্টগ্রামে হোটেলে মদ খেয়ে পুলিশ কর্মকর্তার মাতলামি
- পাঁচ লাখ টন লবণ আমদানির সিদ্ধান্ত
- বলিউডের নির্যাতিত নারীরা
- টুইটারের শীর্ষে কেটি পেরি
- শয়নকক্ষে ২৭ গোখরা
-
▼
Jul 06
(54)
-
▼
July
(892)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

