Thursday, September 5, 2019
কাল থেকে ইরান আরো কিছু পদক্ষেপ নেবে: প্রেসিডেন্ট রুহানির ঘোষণা
২০১৫ সালে ইরান ও ছয় জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে সই হওয়া পরমাণু সমঝোতা অনুযায়ী তেহরান যে সমস্ত সীমাবদ্ধতা মেনে আসছিল প্রেসিডেন্ট রুহানির ঘোষণা অনুযায়ী ইরান সে সমস্ত সীমাবদ্ধতার অনেক কিছুই এখন আর মানবে না।
গতরাতে ইরানের বিচার বিভাগের প্রধান সাইয়্যেদ ইব্রাহিম রায়িসি এবং জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. আলী লারিজানির সঙ্গে বৈঠকের পর এক সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট রুহানি পরমাণু সমঝোতার প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসার ব্যাপারে নতুন এই ঘোষণা দেন।
গত মে মাস থেকে ইরান পরমাণু সংস্থার বেশ কিছু প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন স্থগিত রেখেছে। প্রেসিডেন্ট রুহানি বলেন- চীন, রাশিয়া, ফ্রান্স, জার্মানি এবং ব্রিটেন পরমাণু সমঝোতা বাস্তবায়নের ব্যাপারে কাঙ্ক্ষিত পদক্ষেপ না নেয়ায় ইরান প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন থেকে সরে আসছে। তিনি আরো বলেন, “আমরা প্রথম পদক্ষেপ নিয়েছিলাম এবং তারপর সমঝোতায় টিকে থাকা পাঁচ জাতিকে দুই মাসের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলাম। এরপর আমরা দ্বিতীয় পর্যায়ের পদক্ষেপ নিয়েছি এবং তখন আমরা তাদেরকে দুই মাস সময় দিয়েছিলাম। এই চার মাসের ভেতরে আমরা পাঁচ জাতির সাথে বহু আলোচনায় বসেছি কিন্তু তারা ইরানের জন্য কাঙ্খিত কোনো পদক্ষেপ নিতে পারে নি। ইরান যেহেতু কাঙ্খিত ফলাফল পায় নি সে কারণেই মূলত শুক্রবার থেকে তৃতীয় পর্যায়ের পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।”
প্রেসিডেন্ট রুহানি বলেন, তৃতীয় পদক্ষেপ অনুসারে ইরানের আণবিক শক্তি সংস্থা দ্রুতগতিতে রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এর যে সমস্ত কাজ তা আবার শুরু করবে। তিনি বলেন, এর আওতায় ইরান নানা রকমের নতুন সেন্ট্রিফিউজ বসাবে এবং দেশের জন্য যে মাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম প্রয়োজন সেই মাত্রায় অত্যন্ত দ্রুতগতিতে ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ করবে। তবে ইরানের কর্মসূচি আগের মতোই শান্তিপূর্ণ থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। প্রেসিডেন্ট রুহানি বলেন, “আমরা তৃতীয় পর্যায়ের পদক্ষেপ নেয়ার পরও ৫ জাতির জন্য দুই মাস সময় দেবো; এই সময়ের ভিতর যদি কোনো চুক্তি হয় তাহলে আমরা আবার পরামাণু সমেঝোতার মূল প্রতিশ্রুতিতে ফিরে আসব।”
![]() |
| সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন প্রেসিডেন্ট রুহানি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাশ্মিরে পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে হস্তক্ষেপের আহ্বান হিজবুল কমান্ডারের
কাশ্মিরে সশস্ত্র বিদ্রোহী সংগঠনগুলোর কেউ কেউ সরাসরি স্বাধীনতার দাবিতে আন্দোলনরত। কেউ কেউ আবার কাশ্মিরকে পাকিস্তানের অঙ্গীভূত করার পক্ষে। ভারতীয় কর্তৃপক্ষ কাশ্মিরের জাতিমুক্তি আন্দোলনকে বিভিন্ন জঙ্গিবাদী তৎপরতার থেকে আলাদা করে শনাক্ত করে না। সন্দেহভাজন জঙ্গি নাম দিয়ে বহু বিদ্রোহীর পাশাপাশি বেসামরিকদের হত্যার অভিযোগ রয়েছে ভারতীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। সেখানকার বিদ্রোহী সংগঠনগুলোর মধ্যে হিজবুল মুজাহিদিন সবচেয়ে সক্রিয়। ১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠিত সংগঠনটিকে ভারতের পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রও সন্ত্রাসী সংগঠন বিবেচনা করে থাকে। আদর্শগতভাবে সংগঠনটি কাশ্মিরকে পাকিস্তানের অঙ্গীভূত করার পক্ষে।
ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরে জন্ম নেওয়া সালাউদ্দিনকে ২০১৭ সালে সন্ত্রাসী তালিকাভুক্ত করে ওয়াশিংটন। তিনি কাশ্মিরে ভারতের বিরুদ্ধে লড়াই করা বেশ কয়েকটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর জোট প্রধানও।
মুজাফফরবাদে এক জনসভায় সালাউদ্দিন বলেন, ‘এই কঠিন সময়ে কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক সমর্থন কোনও কাজে আসবে না। পাকিস্তান সরকারের নেওয়া কঠিন পদক্ষেপের কারণে আমাদের সংগঠন দুর্বল হয়ে গেছে’। তিনি আরও বলেন, ‘এই পদক্ষেপগুলো ভারতের বিরুদ্ধে সশস্ত্র বিদ্রোহ গড়ে তোলার ক্ষমতা কেড়ে নিয়েছে আমাদের’।
ভারতের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে জঙ্গিদের সমর্থন দেওয়ার কথা অস্বীকার করে আসছেন পাকিস্তানি কর্মকর্তারা। তাদের দাবি, তারা এই সময়ে দায়িত্বশীল আচরণ প্রমাণের জন্য কাজ করছেন।
![]() |
| হিজবুল মুজাহিদিন কমান্ডা সৈয়দ সালাউদ্দিন |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মুসলিম নারী ইস্যুতে হঠাৎ বৃটেনে টক অব দ্য টাউন শিখ এমপি

তন্মনজিত সিং অভিযোগ করেন, ২০১৮ সালে বৃটিশ একটি খবরের কাগজে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন একটি নিবন্ধ বা কলাম লেখেন। তাতে তিনি বোরকাপরা মুসলিম নারীদের ‘ব্যাংক ডাকাত’ ও ‘লেটারবক্সের’ সঙ্গে তুলনা করেন।
এমন তুলনার কঠোর সমালোচনা করেন তন্মনজিত সিং। পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে তিনি দৃপ্তকণ্ঠে বলেন, যদি আমি মাথায় পাগরি পরি, আপনি যদি ক্রস পরেন, যদি অন্য কেউ কিপ্পা বা স্কালক্যাপ পরেন, কোনো নারী যদি হিজাব বা বোরকা পরেনÑ তাহলে এর অর্থ কি এটাই যে, এই হাউজের সদস্যরা আমাদের বাহ্যিক এই উপস্থাপনা নিয়ে অবমাননাকর এবং বিভক্তি সৃষ্টিকারী মন্তব্য করবেন? অল্প বয়স থেকেই আমাদের অনেকে শুনে আসছি আমাদেরকে ডাকা হয় ‘তাওয়েল হেড’ বা ‘তালেবান’ অথবা আমরা এসেছি বঙ্গো বঙ্গো ল্যান্ড (আফ্রিকার মতো তৃতীয় বিশ্বের দেশকে এ নামে ডাকা হয় ) থেকে। আমাদেরকে এসব সহ্য করতে হয়েছে এবং এর মুখোমুখি হই। দুর্বল (ভালনারেবল) মুসলিম নারীদের যখন বর্ণনা করা হয় এভাবে যে, তারা দেখতে ব্যাংক ডাকাত বা চিঠির বাক্সের মতো, তখন তারা এরই মধ্যে মানসিক যে আঘাত ও কষ্ট অনুভব করেছেন, তার জন্য আমরা তাদের প্রশংসা করতে পারি।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের প্রতি তিনি উদাত্ত আহ্বান জানান তার নিজের দল কনজারভেটিভ পার্টির ভিতরে ইসলামভীতির বিষয়ে তদন্ত করার জন্য। তন্মনজিত সিংয়ের ভাষায়, লজ্জার আড়ালে লুকানো অথবা হোয়াইটওয়াশ তদন্তের আড়ালে যাওয়ার পরিবর্তে প্রধানমন্ত্রী কখন চূড়ান্তভাবে তার অবমাননাকর ও বর্ণবাদী মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইবেন? বর্ণবাদী মন্তব্য ঘৃণাপ্রসূত অপরাধকে উস্কে দেয়ায় ভূমিকা রাখে। তার নিজের দলের ভিতরে ক্রমবর্ধমান হারে এমন ঘটনা ঘটছে।
তন্মনজিত সিংয়ের বক্তব্যের সময় বার বার হাউজ অব কমন্সে তাকে অভিনন্দন জানানো হচ্ছিল। তার এ বক্তব্যকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বহু মানুষ শেয়ার দেন। এমন কি বিরোধী দল লেবার নেতা জেরেমি করবিনও তা শেয়ার করেন। তবে জবাবে প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ক্ষমা বা দুঃখ প্রকাশ করেননি। তিনি বলেন, বৃটেনের ইতিহাসে সবচেয়ে বৈচিত্রে ভরা মন্ত্রীপরিষদ নিয়ে তিনি গর্বিত। তিনি আরো বলেন, কনজারভেটিভ সত্যিকার অর্থে আধুনিক বৃটেনকে প্রতিফলিত করে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পরমাণু অস্ত্রধরেরা এ ক্ষেত্রে বাধা দিতে পারে না: -এরদোগান

তিনি বলেন, কয়েকটি দেশের পারমাণবিক ওয়ারহেডসহ ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে, কিন্তু তারাই বলছে তুরস্ক যাতে পরমাণু অস্ত্রের অধিকারী না হয়। এটা অগ্রহণযোগ্য। বুধবার সিভাস শহরে ক্ষমতাসীন একে পার্টির এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। মার্কিন হুমকি-ধমকি উপেক্ষা করে রাশিয়ার সঙ্গে যখন তুরস্ক প্রতিরক্ষা সম্পর্ক বাড়াচ্ছে, তখন তিনি এমন মন্তব্য করলেন।
এরদোগান আরও বলেন, বিশ্বে এমন কোনো উন্নত দেশ নেই, যারা এই অস্ত্রের মালিক নয়। তুর্কি প্রেসিডেন্ট দখলদার ইসরাইলের পরমাণু অস্ত্র প্রসঙ্গে বলেন, আমাদের কাছেই ইসরাইল, তারা প্রায় প্রতিবেশী। তারা এই অস্ত্রের মালিক হয়ে অন্য দেশকে আতঙ্কিত করে রেখেছে। কেউ তাদের স্পর্শ করতে পারে না।
ইহুদিবাদী ইসরাইলের কাছে বিপুল সংখ্যক পরমাণু অস্ত্র রয়েছে। পারমাণবিক ইস্যুতে অবৈধ রাষ্ট্রটি এক ধরনের অস্পষ্টতা বজায় রেখে চলছে। দখলদার ইসরাইল এখন পর্যন্ত পরমাণু অস্ত্র থাকার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে নি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দক্ষিণ আফ্রিকায় বিদেশিদের দোকান লুট, গাড়িতে অগ্নিসংযোগ

বিদেশি বিরোধী ভয়াবহ এই সহিংসতার কারণে সোমবার জোহানেসবার্গে গ্রেপ্তার করা হয়েছে কয়েক ডজন মানুষকে।
এ বিষয়ে নাগরিকদের সতর্ক করে বিবৃতি দিয়েছে আফ্রিকার অন্য সরকারগুলো। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট রামফোসা টুইটারে একটি ভিডিওতে এ অবস্থার নিন্দা জানিয়েছেন। তাতে তিনি বলেছেন, বিদেশি নাগরিকরা পরিচালনা করেন এমন সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। দক্ষিণ আফ্রিকায় আমরা এটা হতে দিতে পারি না। আমি চাই অবিলম্বে এটা বন্ধ হোক। অন্যদিকে আলাদাভাবে এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে আফ্রিকান ইউনিয়ন। এতে সহিংসতাকে জঘন্য অপরাধ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।
সোমবার যখন সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে তখন তা নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে কাঁদানে গ্যাস, রাবার বুলেট ও হাতবোমা ছুড়তে হয়েছে। এ সময় বিদেশিদের বিভিন্ন দোকানপাটে লুট হয়েছে। গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। জোহানেসবার্গের আলেকজান্দ্রা শহরে সহিংসতা অব্যাহত ছিল মঙ্গলবারও। বিবিসির সাংবাদিক নোমসা মাসেকো বলছেন, ওই শহরের কিছু উত্তেজিত অধিবাসী শহরটি থেকে অবৈধ অভিবাসীদের বের করে দেয়ার দাবি তুলেছে।
নাইজেরিয়ার এক ব্যবসায়ীর দোকান লুট করা হয়েছে। তিনি বিবিসিকে বলেছেন, দক্ষিণ আফ্রিকায় বিদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে প্রচুর অভিযোগ ও মিথ্যা কথা বলা হচ্ছে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলাকে তিনি ক্রিমিনাল অ্যাটাক হিসেবে আখ্যায়িত করেন। বলেন, এটা হলো বিদেশিদের বিরুদ্ধে হামলা। একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেছেন, লেক্কি এলাকার লাগোস শহরে দক্ষিণ আফ্রিকান সুপার মার্কেট সোপরাইটে বেশ কিছু দোকান ভাঙচুর করা হয়েছে। এই সুপার মার্কেটের বাইরে একটি রাস্তার ওপর পড়ে থাকতে দেখা গেছে দুটি মৃতদেহ। কাছাকাছি ট্রাফিক পয়েন্টে বেশ কিছু গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। এর আরোহীরা পালিয়ে গেছেন। তবে হতাহতের বিষয়টি সরকার এখনও স্বীকার করেনি।
নিজ দেশের নাগরিকদের সঙ্গে এমন ব্যবহারে নাইজেরিয়ার অসন্তোষ প্রকাশ করে মঙ্গলবার দক্ষিণ আফ্রিকায় একজন দূত পাঠিয়েছেন নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুহাম্মাদু বুহারি। দক্ষিণ আফ্রিকায় দেশটির হাইকমিশন থেকে এ পরিস্থিতিকে নৈরাজ্য বলে বর্ণনা করা হয়েছে। নাইজেরিয়া সরকার অভিযোগ করেছে, জোহানেসবার্গে নাইজেরিয়ান মালিকানাধীন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে টার্গেট করা হয়েছে। ফলে কি ঘটেছে তা রিপোর্ট করতে আহ্বান জানানো হয়েছে নাইজেরিয়ান হাইকমিশন থেকে।
অন্যদিকে চলমান উত্তেজনার মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকায় নিজেদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে নাগরিকদের পরামর্শ দিয়েছে ইথিওপিয়ার দূতাবাস। যেকোনো রকম সংঘাত, লড়াই থেকে নিজেদের দূরত্ব বজায় রাখারও আহ্বান জানানো হয়েছে। দামি গহনা পরে বাইরে বেরুতে বারণ করা হয়েছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকা এড়িয়ে চলতে লরি চালকদের পরামর্শ দিয়েছে জাম্বিয়ার পরিবহন মন্ত্রণালয়। এতে বিদেশি লরি চালকদের ওপর হামলার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকার সংবাদভিত্তিক সাইট আইওএল রিপোর্ট করেছে যে, বিপুল সংখ্যক যানবাহন লুট করা হয়েছে। এ অবস্থায় দক্ষিণ আফ্রিকার পুলিশ বিষয়কমন্ত্রী বেকি সেলে সোমবার বলেছেন, বিদেশিভীতির চেয়ে ক্রিমিনালিটি বেশি প্রাধান্য পেয়েছে এই কাণ্ডজ্ঞানহীন সহিংসতায়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রোহিঙ্গা শিবিরে দেশি-বিদেশি কিছু এনজিও’র তদন্ত হচ্ছে by কাদির কল্লোল
তিনটি প্রশ্নে তদন্ত
কিছু এনজিও বন্ধ
কী বলছে এনজিওরা
![]() |
| ২৫শে আগস্ট শরনার্থী শিবিরে রোহিঙ্গাদের বিশাল এক সমাবেশ। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ হয়েছেন সরকারের উঁচু পর্যায়ের অনেকে |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সব অভ্যুত্থান ট্যাঙ্কে চেপে আসে না : -দ্য গার্ডিয়ানে বিশেষজ্ঞদের মত

রবার্ট স্যান্ডার্স, ইতিহাসবিদ ও রাজনৈতিক ভাষ্যকার: বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বৃটিশ সংবিধান নয়। কোনো একটি বইয়ের দোকানে গিয়ে কিংবা অনলাইনে বৃটিশ সংবিধান খুঁজে পাওয়া যাবে না। এর কোনো ম্যানুয়াল নেই।
কিংবা নেই কোনো হ্যান্ডবুক। বরং এটা বলাই ভালো যে, এটি হলো হরেক রকমের আইন, প্র্যাকটিস এবং প্রাতিষ্ঠানিক রীতিনীতি, যা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে গড়ে উঠেছে, তারই একটা গ্রন্থনা। কাস্টমস, কনভেনশনস এবং বোঝাপড়ার গ্রন্থি দিয়ে এটা বাধা। এই বন্ধন যদিও ভঙ্গুর কিন্তু তাকে এভাবেই বাধা হয়েছে।
এর ভিত্তি হলো বিশ্বাস এবং অগণিত বিধিবিধানের প্রতি একটি অভিন্ন অঙ্গীকার। আরে এসবের বিবর্তন, এর উৎস থেকে এভাবেই এগুলোকে ধারণ করে রেখেছে। তবে এটা নিশ্চিত যে, এটা ভয়ঙ্করভাবে ভঙ্গুর যখন আপনি এই ব্যবস্থাকে ক্ষমতার অপব্যবহারের কাজে লাগান। বরিস জনসনের যারা পূর্বসূরি, তারা সংবিধানের প্রতি অসতর্ক ছিলেন বটে। কিন্তু এ পর্যন্ত তাদের কেউই এই সংবিধানের মূলনীতির প্রতি এতটা অবজ্ঞা প্রদর্শন করেননি। সংসদীয় গণতন্ত্র যেখানে জনগণের অভিপ্রায় পরিস্ফুট হয়, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের মধ্য দিয়ে।
নিজেদের যারা গণতান্ত্রিকভাবে শাসিত রাষ্ট্র বলে দাবি করে, তার মূলমন্ত্র হলো একটি সচল সজিব পার্লামেন্ট। সর্বক্ষণ জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের অঙ্গুলি নির্দেশ বহন করবে। এখন রাজকীয় বিশেষাধিকার প্রয়োগ করার মধ্য দিয়ে যেভাবে বৃটিশ পার্লামেন্টকে স্তব্ধ করা হলো, তাতে প্রধানমন্ত্রী গণতন্ত্রের ভিত্তিমূলে আঘাত হেনেছেন। সম্ভবত বৃটিশ ইতিহাসের তিনিই প্রথম প্রধানমন্ত্রী, যিনি পার্লামেন্ট কিংবা একটি সংসদীয় নির্বাচনের অস্তিত্বই স্বীকার করলেন না। প্রধানমন্ত্রী ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটকে নামিয়ে এনেছেন, তার দলের মাত্র ৯০ হাজার কর্মীর পদতলে, যাদের মোট সংখ্যা একটি একক সংসদীয় আসনের ভোটারদের চেয়ে বেশি নয়।
ডেইলি টেলিগ্রাফে লেখা কলামের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী দলীয় কর্মীদের সমর্থন করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী দোমিনিক কামিনসকে তার সরকারের হৃৎপিণ্ডে বসিয়েছেন। দোমিনিক এমন একজন ব্যক্তি, যাকে কয়েক মাস আগেও পার্লামেন্টের প্রতি অবমাননাকর দৃষ্টিভঙ্গি প্রদর্শন করতে দেখা গেছে। একসময়, শুধু একারণেই তার কোনো একটি অফিসে আসীন হওয়ার পথ রুদ্ধ হতো। অথচ আজ এটাই (সংসদের অবমাননা) সরকারের জন্য একটি কর্মসূচি।
প্রধানমন্ত্রী আজ পার্লামেন্টের চেয়েও একটি উচ্চমার্গীয় দাবি করে বসবেন। বলে বসবেন, তিনি রেফারেন্ডেমের (ব্রেক্সিট) মাধ্যমে ‘জনগণের অভিপ্রায়’ মুঠোবন্দি করে ফেলেছেন। যদিও গণভোট ব্রেক্সিট বাস্তবায়নের কোনো শর্ত নির্দিষ্ট করে দেয়নি। যখন আমরা সিদ্ধান্ত নেই যে পার্লামেন্ট ছাড়া অন্য কেউ রেফারেন্ডাম ব্যাখ্যা করবে, আর তখন সেই ধরনের নায়কোচিত নেতাই সেই মহাসত্যটা জানবেন যে, ভোটাররা তাকে বাগে পেলে তার কি দশাটাই না করতো। আসলে আমরা একটা ভয়ঙ্কর সড়কে হাঁটছি।
সংক্ষিপ্ত মেয়াদে সংসদ মুলতবির সিদ্ধান্ত সফল হতে পারে। ব্রেক্সিট যদি ‘নো ডিল’ বা সমঝোতাহীন হয়, তাহলে এমপিদের পক্ষে তাকে থামানো কঠিনতর হতে পারে। তবে যদি তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছ থেকে কিছু একটা প্যাকেজ আদায় করে নিতে পারেন, তাহলে কিছুটা ভিন্ন কথা। কিন্তু সবটাই যদি ব্যর্থ হয়, তাহলে একটি জনগণ বনাম পার্লামেন্ট নির্বাচনের পথ প্রশস্ত হবে। কিন্তু প্রশ্ন হলো এর মূল্য কতটা হবে? ব্রাজিলের রেইনফরেস্ট যেভাবে পুড়ছে, তেমনি করে জনসন এবং তার উপদেষ্টা দোমিনিক রাষ্ট্রের বিধ্বংসী কাঠামোগত ক্ষতির বিনিময়ে স্বল্পমেয়াদি লাভ উসুল করার ধান্দায় আছেন। তারা মন্দ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, যা অন্যরা অনুসরণ করবে। এবং আমাদের গণতন্ত্রের ভঙ্গুর ইকোসিস্টেমকে ছারখার করে দেবে। কনজারভেটিভরা একদা সংবিধান সুরক্ষার দায়িত্ব অনুভব করেছিলেন। সময়ে কিভাবে সেটা বদলে গেছে।
পিটার বোন, কনজারভেটিভ এমপি এবং লিভ মিন্স লিভের উপদেষ্টা: হাঁ অবশ্যই একটি অভ্যুত্থানের চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু সেটা সরকার করেনি। এটা করেছে একদল কট্টরপন্থী, যারা বৃটিশ জনগণের অভিপ্রায় গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছেন। এই অগণতান্ত্রিক শক্তি বরিস জনসনের বৈধ সরকার থেকে ক্ষমতা কেড়ে নেয়ার চেষ্টা করছেন এবং তার পরিবর্তে জেরেমি কর্বিনের নেতৃত্বে একটি তথাকথিত জাতীয় ঐকমত্যের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে চাইছেন।
বরিস জনসনের দ্বারা সংসদ মুলতবি সভার সিদ্ধান্ত গণতান্ত্রিক। সংসদীয় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য দীর্ঘকাল ধরে এমন পদক্ষেপ অনুভূত হয়েছিল। সত্যি বলতে কি হাউজ অব কমন্সের শ্যাডো নেতা এবং অন্যান্য বিরোধীদলীয় এমপিরা মাসের পর মাস ধরে এমনটাই দাবি করেছিলেন। সংসদের বর্তমান অধিবেশন তিনটি ক্যালেন্ডার বছর কাভার করেছিল এবং গৃহযুদ্ধের পরে এটাই কোনো সংসদের দীর্ঘমেয়াদি অধিবেশন চলছিল। প্রত্যেকটি অধিবেশন সাধারণত এক বছর মেয়াদি হয়ে থাকে। যা রানীর ভাষণ দিয়ে শুরু। এতে পরবর্তী বর্ষে সরকার কি করবে তার রূপরেখা দেয়া হয় এবং এই সময়ের মধ্যে যদি তারা সেটা না করে দেখাতে পারেন, তাহলে তাদের নির্বাচনে হারার ঝুঁকি বাড়ে। এরপর বিরোধী দল সেই বিষয়গুলো খতিয়ে দেখে। বিতর্ক করে। বিস্তারিতভাবে সরকারের কর্মসূচি খুঁটিয়ে দেখে। বিতর্কের শেষে তারা রানীর ভাষণ সংশোধন কিংবা তাকে পরাস্ত করার চেষ্টা করতে পারে। যদি রানীর ভাষণ পরাস্ত হয়, তাহলে সেটা অবধারিতভাবেই সাধারণ নির্বাচন ডেকে আনে।
সংসদ মুলতবি করার মধ্য দিয়ে স্পষ্টতই সংসদীয় গণতন্ত্রের পুনরুজ্জীবনে ঘটে এবং তা সংবিধানগতভাবে স্ট্যান্ডার্ড। এটা ব্রেক্সিট প্রক্রিয়াকে ব্লক করে দিতে পার্লামেন্টের গতিরোধ করা নয়। প্রধানমন্ত্রী যদি নভেম্বর পর্যন্ত সংসদ মুলতবি করে দিতেন, তাহলে সেটা একটি সাংবিধানিক উম্মাদীয় কাণ্ড হতো। সাধারণের পক্ষে তখন এর প্রথম বিরোধিতাকারী আমিই হতাম। জেরেমি কর্বিন যদি একটি নোডিল ব্রেক্সিট বন্ধ করে দিতে চান, তাহলে তাকে একটি সাধারণ পথ অনুসরণ করতে হবে। মঙ্গলবার তার পক্ষে সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার সুযোগ থাকতো। বুধবারের ভোটাভুটিতে জয়ী হওয়ার চেষ্টা করতেন। তিনি সেটা করবেন না। কারণ তিনি জানেন তার জন্য যা ভোট দরকার সেটা তার নেই। উপরন্তু সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ, সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হওয়ার জন্য যতগুলো ভোট দরকার, সেটা তার নেই। জেরেমি করবিনের প্রতি আমার একটা ক্ষুদ্র বার্তা: হয় আপনি ভোটের প্রস্তুতি তুলে ধরুন অথবা আপনার মুখটা বন্ধ করুন মার্গারেট বেকেট, ডার্বি সাউথ থেকে নির্বাচিত লেবার এমপি: হা। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাদের এই সুখ্যাতি রয়েছে যে তারা ধূর্ত। এবং তাদের এমন সুনামও আছে যে তারা নিষ্ঠুর এবং অযথার্থ। সমর্থকরা দাবি করেছিলেন, সংসদের একটা হেমন্তকালীন বিরতি কিংবা মুলতবি এবং সাধারণত রানীর নতুন ভাষণ, এসবই স্বাভাবিক। কিন্তু এই হেমন্তে আমরা যা দেখলাম তা ৪০ বছরের বেশি সময়ের মধ্যকার নতুন উপাখ্যান।
আমরা প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি সরকার দেখছি, যার প্রকৃত সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই। অথচ সেই প্রধানমন্ত্রী কিনা ৭০ বছরের ইতিহাসের বৃহত্তম মুলতবি চাইলেন। এটা ‘স্বাভাবিক’ নয়।
আমার বিবেচনায় এটা হলো সবথেকে ভয়ঙ্কর একটি ঘটনা। ২০১৬ সাল থেকে যে লড়াইটা চলছিল সেখানে এখন একটা অভ্যুথান ঘটানো হলো।
শুরু থেকেই তেরেসা মে এটাই চেয়েছিলেন যে ক্ষমতা সংসদের কাছে নয়, নির্বাহী বিভাগের কাছে ন্যস্ত থাকবে এবং নির্বাহী ক্ষমতা তারাই হল্লা করে অনুশীলন করবে।
তিনি আদালতের সিদ্ধান্তের কারণেই এটা মানতে বাধ্য হয়েছিলেন যে আর্টিকেল ৫০ ট্রিগার করতে হলে এমপিদের সমর্থন লাগবে। যখন তাতে বিস্তারিত সংসদীয় পরিবর্তনের প্রয়োজন পড়লো, ঠিক তখনই মন্ত্রীদের জন্য একচ্ছত্র প্রস্তাব তোলা হলো। এ বিষয়ে যত তথ্য এমপিরা চেয়েছে, যত পেপার প্রকাশের অনুরোধ করেছে, সবটাই প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। এই সুপারিশও ছিল যে, সংসদ-সদস্যদেরকে একটি অর্থপূর্ণ ভোটে অংশ নিতে দিতে হবে। কিন্তু সেটাকে প্রবলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে।
গত তিন বছর ধরে সরকার বিরোধীদলীয় এমপিদের কণ্ঠ স্তব্ধ করে দিতে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। বাধা দিয়েছে। ব্রেক্সিট নিয়ে সরকার কি করছে, সে নিয়ে যখনই আলোচনা এসেছে তাতেই তারা বাধা দিয়েছে। আর যখন চূড়ান্ত প্রস্তাবের সময় ঘনিয়ে এল এবং কি হতে যাচ্ছে তা জানাজানি হলো, তখন খড়গ নেমে এল। আলোচনা ঠেকাতে সিদ্ধান্ত বিলম্বিত করা হলো সপ্তাহের পর সপ্তাহ। কেটে গেল মাসের পর মাস।
যারা বড় গলায় চিৎকার করে সংসদীয় সার্বভৌমত্ব পুনরুজ্জীবিত করার শোর তুলল, তারাই সংসদকে অপমান করল। প্রথমে সংসদকে সাইডলাইনে পাঠানো হলো। এরপর অবজ্ঞা করা হলো। শেষ পর্যন্ত তার কণ্ঠনালি চেপে ধরা হলো।
সুতরাং এটি একটি অভ্যুত্থান। কিন্তু এখানেই শেষ নয়। আমাদের অলিখিত সংবিধানকে নস্যাৎ করার পথে এটা হলো সর্বশেষ পদক্ষেপ মাত্র। দীর্ঘদিনের অনুসৃত কনভেনশনকে উপেক্ষা করলো তারাই। সংসদের মর্যাদা ধুলোয় মিশিয়ে দেয়া হলো। এভাবে ভয়ঙ্কর দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হচ্ছে।
মাইকেল চেসাম, জাতীয় সংগঠক, অ্যানাদার ইউরোপ ইজ পসিবল: একজন অনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী সংসদের বৈঠক যাতে বসতে না পারে, সে লক্ষ্যে চেষ্টা চালাচ্ছেন। কারণ তিনি হয়তো বুঝতে পেরেছেন, এই পার্লামেন্ট তার সঙ্গে একমত হবে না। তার লক্ষ্য হলো ব্রেক্সিট থেকে চোখ সরানো। অক্টোবরের শেষ দিকে একতরফা একটা তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব করার মধ্য দিয়ে তিনি আশা করছেন, তিনি একটা চকিত নির্বাচনে যাবেন। আর বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে নতুন সংসদ গঠন করবেন। তার মুখে ঝরবে দক্ষিণপন্থী স্লোগান, বিদেশি হটাও। তিনি সেই শক্তির প্রতিভু, যারা বিদেশিদেরকে খাটো করে দেখে এবং তিনি আমাদের পলিটিক্যাল এলিট বনে যাবেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ব্রিটেনর ২০তম ইটোনিয় প্রধানমন্ত্রী।
জনসনের দীর্ঘমেয়াদি যাত্রার লক্ষ্য সম্ভবত আরো গভীরতর। ব্রেক্সিট সফল হওয়ার পরে বৃটেন হবে একটি অনিয়ন্ত্রিত দোষে দুষ্ট রাষ্ট্রযন্ত্র। যা দেশটিকে ট্রাম্পের আমেরিকার কাছাকাছি নিয়ে যাবে। শ্রমিকদের অধিকার, খাদ্যের মান, পরিবেশগত সুরক্ষা অগ্রাহ্য করা হবে। পাবলিক বা সরকারি সেবাসমূহ, ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের অবস্থা এমন জায়গায় নিয়ে যাওয়া হবে, যেমনটা ট্রাম্পের নেতৃত্বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকার করে চলেছে। সরকারি খাতের সেবাসমূহের সবটাই বিক্রির যোগ্য করে তোলা হবে। স্বাভাবিকভাবেই এসব সম্ভাব্য কর্মসূচির প্রতি জনগণের সমর্থন সামান্য মিলতে পারে অথবা থাকবেই না।
সুতরাং প্রধানমন্ত্রীর কাজ হলো জনগণ থেকে দূরে থাকা। এমপিরা যাতে ভোটাভুটিতে অংশ নিতে না পারে সেই ব্যবস্থা করা। তিনি অবশ্য জানেন এমন করে তো বেশিদিন তাদের থামিয়ে রাখা যাবে না, সুতরাং যত বেশি পারো বিলম্ব ঘটাও। এটা মন্দের ভালো।
পার্লামেন্ট সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেয়া হয়নি। সংবাদপত্র এখনো মুক্ত স্বাধীন। কিন্তু সব অভ্যুত্থান ট্যাঙ্কে চেপে আসে না। ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয়ার মধ্য দিয়েও আসে না।
হাঁ। এখনো আমাদের নাগরিক অধিকার আছে। কিন্তু লক্ষ লক্ষ অভিবাসীকে বলা হচ্ছে তোমাদের সামনে ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। তোমাদেরকে বিতাড়ন করা হতে পারে। এমনকি সরকার চাইলে হঠাৎ করে তাদের চলাচল সীমিত করে দিতে পারে। পার্লামেন্টের বিরুদ্ধে নির্বাহী বিভাগ যুদ্ধ ঘোষণা করেছে এবং আমরা যদি এটা বন্ধ করতে ঐক্যবদ্ধ না হই, তাহলে জয়ী হতে পারে।
এটা এমন একটা সরকার, যারা যুক্তির শক্তির কাছে মাথা নত করতে রাজি নয়। তাই তাদের চলতি বেপরোয়া প্রবণতা উল্টে দিতে হলে, অবশ্যই শক্তি প্রয়োগ করতে হবে।
আশাবাদের জায়গা হলো যে বিরোধী দলগুলো কমন্সে এই সপ্তাহে জয়ের মুখ দেখবে। কিন্তু নাগরিক হিসেবে আমাদেরকে অবশ্যই এটা বুঝতে হবে যে, আমরা কেবলই সংসদীয় প্রক্রিয়া কিংবা বিচার বিভাগের উপর নির্ভর করতে পারি না।
গণতন্ত্র যেটুকু অবশিষ্ট আছে, তাকে কাজে লাগিয়ে আমাদেরকে লড়তে হবে। প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। ব্যাপক আন্দোলন করতে হবে। প্রতিবাদকারীদের আন্দোলনগুলো যদি সরকারি নিলনকশা বন্ধ করতে আগ্রহী না হয়, তাহলে ধরে নিতে হবে তারা নখদন্তহীন।
সংসদ স্থগিত করে দেয়া বিরাট ঘটনা। এটা একটা শুধু এক ধরনের খেয়ালিপনা নয়। এটা তো গণতন্ত্রই বন্ধ করে দেয়ার শামিল। এটা অধিকারের উপর আক্রমণ চালানো । অথচ তারা নিজেদের জনগণের প্রতিনিধি দাবি করছে। এটা হাস্যকর। কারণ তারা জনগণকে প্রত্যাখ্যান করছে। জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণকে প্রত্যাখ্যান করছে। আর এর সবটাই হলো ক্ষমতা জবরদখল করে রাখার ফন্দি। তারা মানুষকে এখন পরস্পরের বিরুদ্ধে বিভক্ত করবে। লেলিয়ে দেবে। আসলে ব্রেক্সিট বৃটেনকে এসবই এনে দেবে। এটাই ব্রেক্সিটের স্বাভাবিক উপসংহার। এটাই সত্য।
আমরা গণতন্ত্রের স্বপক্ষে একটি ব্যাপক আন্দোলন দানাবাঁধতে দেখছি। সোমবার থেকে প্রতিদিন বিকাল সাড়ে পাঁচটায় দেশব্যাপী প্রতিরোধ আন্দোলন দেখা যাবে। আমাদের সঙ্গে যোগ দিন।
মেগ রাসেল, পরিচালক, সংবিধান ইউনিট, ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন: বরিস জনসনের সংসদ মুলতবি করে দেয়ার সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করতে যে আন্দোলন চলছে, তার ব্যানার হচ্ছে, অভ্যুত্থান বন্ধ করুন।
কিন্তু প্রশ্ন হলো এভাবে প্রতিক্রিয়া দেখানো কি ঠিক হচ্ছে? আমাকে ভুল বুঝবেন না। এভাবে সংসদ মুলতবি করে দেয়া স্বাভাবিক ঘটনা নয় মোটেই। কয়েকদিনের জন্য সংসদ মুলতবি করে দেয়ার রীতি আছে। একটি বার্ষিক সংসদীয় অধিবেশন এবং তার পরের অধিবেশনের মধ্যবর্তী সময়ে কয়েকদিনের জন্য সংসদ মুলতবি করে দেয়াটা বৃটিশ সংসদীয় গণতন্ত্রে আছে। এতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু ১৯৩০ সালের পরে কোনো প্রধানমন্ত্রী সংসদকে টানা পাঁচ সপ্তাহের জন্য মুলতবি করেছেন, তার কোনো নজির নেই। তাও আবার কোনো সাধারণ অবস্থার মধ্যে নয়। এটা তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ একটা গভীর রাজনৈতিক সংকটের মাঝখানে এই পথ বেছে নেয়া হয়েছে। যখন ঘড়ির কাঁটা ধীরে ধীরে ৩১ অক্টোবরের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল। আর তখনই টানা পাঁচ সপ্তাহ একটা গ্রীষ্মকালীন বিরতি আমাদের উপর চাপিয়ে দেয়া হলো। অথচ এই সময়ে যদি সংসদ খোলা থাকত, তাহলে এমপিরা সরকারের নীতির চুলচেরা বিশ্লেষণ করতে পারতেন।
আর আশ্চর্যের বিষয় এই যে প্রধানমন্ত্রী হবার পরে শুধু একদিন, আমাদের এই তিনি সংসদের ফ্লোরে প্রশ্নের মুখে দাঁড়িয়েছিলেন। এখন যদি সংসদের মুলতবি সিদ্ধান্ত চলতে থাকে, তাহলে ব্যাপারটা দাঁড়াবে এই যে, একজন প্রধানমন্ত্রী টানা ৯০ দিনের মধ্যে মাত্র এক সপ্তাহ সংসদে জিজ্ঞাসার সম্মুখীন হবেন। ১৪ অক্টোবরের মধ্যে যখন কিনা এমপিদের সংসদে ফিরে আসার তারিখ, তখন সেই সময়টিতে ৩১ তারিখের ব্রেক্সিট ডেডলাইন থেকে মাত্র তিন সপ্তাহের কম সময় হাতে থাকবে। চালাকিটা হলো জনসনকে যাতে বিরোধী দলের এমপিদের ধুন্দুমার প্রশ্নের মুখে তোপের মুখে না পড়তে হয়, সেজন্য তাকে আড়াল করা।
এইযে অবস্থা তৈরি হলো তার পেছনে ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিট কি যুক্তি দিচ্ছে ? তারা বলছে, পার্টি কনফারেন্সের জন্য কয়েক সপ্তাহের জন্য সংসদ মুলতবি করে দেয়া দরকার ছিল। কিন্তু সেটা সঠিক নয়। বরং এটা ভয়ঙ্কর এবং সেটা প্রধানত দুই কারণে। প্রথমত, পার্টি কনফারেন্স কখন হবে তা-ই স্থির হয়নি এবং দ্বিতীয়ত এমপিদের মধ্যে এই প্রবণতা স্পষ্ট হচ্ছিল যে, সম্ভবত তারা প্রধানমন্ত্রীর ব্রেক্সিট ডিল প্রত্যাখ্যান করবে। এই প্রবণতাটাই পরিষ্কার হয়ে উঠছিল। তাই সংসদ মুলতবি করার মধ্য দিয়ে এই বিষয়ে সরকার যাতে সংসদে ভোটের কবলে না পড়ে, সেই সম্ভাবনাকে নাকচ করা হলো। এমনকি একটি অনাস্থা ভোট হতে পারতো আসন্ন। সেটা তাদের জানা ছিল। আর সেটা এড়ানোর জন্যই এই কৌশলটা বেশ কাজে দেবে বলেই তাদের ধারণা। আমরা জানতাম যে বিরোধী দলগুলো অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করছিল। কিন্তু তারা বিকল্প নেতা নির্বাচনে একমত হতে পারছিল না। তাদেরকে তো একজন বিকল্প প্রধানমন্ত্রীর ব্যাপারেও একমত হতে হবে। সেই বিষয়েই তারা একমত হতে পারছিলেন না। বৃটিশ পার্লামেন্টের শর্ত হলো, একটি বিকল্প সরকার গঠন করতে হলে তারা ১৪ দিন সময় পাবে। কিন্তু সংসদ মুলতবি করে দেয়ায় তাদের এই সময়টা কমে গেল। এবং এ ধরনের একটি অনাস্থা ভোটের পরে তারা বিকল্প সরকার গঠনের জন্য তাদের হাতে সময় থাকবে মাত্র ২৪ ঘণ্টা।
সুতরাং জনসন যে পদক্ষেপটি নিয়েছেন তা নজিরবিহীন এবং দৃশ্যত এটা পরিষ্কার যে সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করার, তাকে পরীক্ষা করার যে সুযোগ সংসদীয় গণতন্ত্রে রয়েছে, তা এই পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে অগ্রাহ্য করা হয়েছে। এমনকি প্রধানমন্ত্রীকে অপসারণ করার যে চিন্তাভাবনা চলছিল, সেখানে একটা দেয়াল তুলে দেয়ার চেষ্টা করা হলো। একটি সংসদীয় গণতন্ত্রে যেখানে সরকার সংসদের কাছে জবাবদিহি করবে, যেখানে সরকার টিকে থাকে। কারণ হচ্ছে সে পার্লামেন্টের আস্থা অর্জন করে থাকে। সুতরাং এভাবে সংসদ মুলতবি করে দেয়াটা গভীরভাবে একটা গোলমেলে বিষয়। আর সে কারণেই আমরা আদালতে বিভিন্ন ধরনের মোকদ্দমা দেখছি, যার লক্ষ্য হচ্ছে এই মুলতবির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা।
প্রশ্নটা খাসা যে প্রধানমন্ত্রী যে উপায় বাতলে দিয়েছেন, সেটা কি একটি সাংবিধানিক অভ্যুত্থান? এর সমতুল্য কিছু অভিধা, সংক্ষেপে যাকে সংজ্ঞায়িত করা কঠিন। একটি অলিখিত সংবিধানের আওতায় অসাংবিধানিক কথা বলতে আসলে আমরা কি বুঝব?
জনসনের সর্মথকরা যুক্তি দিচ্ছেন, প্রধানমন্ত্রী আইনের আক্ষরিক চেতনা ভঙ্গ করেননি। কিন্তু মনে রাখতে হবে আমাদের সংবিধান শুধু আইনের উপরে দাঁড়ানো নয়। আমাদের সংবিধানের শক্ত ভিত্তি হচ্ছে কনভেনশন। আর কোনো সন্দেহ নেই, সবগুলো নর্মস এক্ষেত্রে ভঙ্গ করা হয়েছে। একটি রাজনৈতিক সংবিধান, যা সর্বদাই ভঙ্গুর। এটা তাই সবসময়ই মুখ্য খেলোয়াড়রা কিভাবে রীতিনীতি এবং ঐতিহ্যকে গুরুত্ব দেন। তার উপরে এর কার্যকরতা নির্ভর করবে। তারা যদি ব্যর্থ হয়, তাহলে সংবিধানকে অবমাননা করা হবে।
সারা বিশ্বে সংসদীয় মুলতবির ধারণাকে যেভাবে অনুশীলন করা হয়, সেখানে এটা একটা ভয়ঙ্কর নজির হয়ে থাকবে। সরকারগুলোর অবশ্যই এই সক্ষমতা থাকা উচিত নয়, যাতে তারা গণতান্ত্রিক পার্লামেন্টকে বন্ধ করে দেয়। নিজের জন্য অসুবিধাজনক কোন প্রশ্ন বা অবস্থার মুখোমুখি হতে না হয়, সেজন্য সংসদেই তালা ঝোলানো কোনো কাজের কথা নয়। এটা অবশ্যই নির্বাহী বিভাগের দ্বারা একটা ক্ষমতা ছিনিয়ে নেয়ার বিষয়। মঙ্গলবার এমপিরা ফিরে আসবেন তখন তাদের উচিত হবে জনসনের এই পদক্ষেপকে বড় গলায় প্রত্যাখ্যান করা। আর তা খুবই স্পষ্ট ভাষায়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বৃটিশ রাজনীতিতে ফের নাটকীয়তা

তার নিজ দলের ২১ এমপি বহিষ্কারের হুমকি উপেক্ষা করে সরকারবিরোধী একটি বিলের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। পার্লামেন্টের নিয়ন্ত্রণ চলে গেছে বিরোধী ও বিদ্রোহী সংসদ সদস্যদের হাতে। বুধবার সেখানে ব্রেক্সিট কার্যকরের সময়সীমা পেছাতে একটি বিল উত্থাপন করার কথা রয়েছে। পাশাপাশি বিলটি নিয়ে ভোট হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে পাস হলে বৃহসপতিবার তা যাবে উচ্চকক্ষে।
স্থানীয় গণমাধ্যম অনুসারে, মঙ্গলবার বহিষ্কারের হুমকি উপেক্ষা করে কনজারভেটিভ পার্টির ২১ জন এমপি জনসন সরকারের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছেন সাবেক কয়েকজন মন্ত্রীও। চুক্তিহীন ব্রেক্সিট ঠেকাতে বিরোধীদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন তারা। এর ফলে পার্লামেন্টে ৩২৮-৩০১ ভোটের ব্যবধানে হেরে গেছে সরকার। মঙ্গলবার রাতে এ ভোটের ফলে পার্লামেন্টের নিয়ন্ত্রণ এখন ‘চুক্তিবিহীন ব্রেক্সিট বিরোধীদের’ হাতে। এর অর্থ হলো ব্রেক্সিট সম্পাদনের সময়সীমা বিলম্বিত করতে বুধবার পার্লামেন্টে বিল আনতে পারবেন তারা। এই বিলে তারা ব্রেক্সিট সম্পাদনের সময়সীমা ৩১শে জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়াতে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারেন বলে জানিয়েছে গণমাধ্যম। যদি তাই হয় তাহলে চুক্তিহীন ব্রেক্সিটের সম্ভাবনা থাকবে না।
ব্রেক্সিট ইস্যু নিয়ে বহুদিন ধরে ভুগছে বৃটিশ রাজনীতি। ২০১৬ সালে ব্রেক্সিটের পক্ষে গণভোটের পরপরই পদত্যাগ করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন। তারপর ক্ষমতাসীন দলের নেতৃত্বে ও প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনে আসেন তেরেসা মে। কিন্তু পার্লামেন্ট তার প্রস্তাবিত ব্রেক্সিট চুক্তিতে সম্মত না হওয়ায় তিনিও পদত্যাগ করেন। ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে পরপর দুইবার ব্রেক্সিট কার্যকরের সময়সীমা পেছান তিনি। মে’র পর প্রধানমন্ত্রী ও কনজারভেটিভ দলের নেতা নির্বাচিত হন জনসন। ক্ষমতায় এসেই ৩১শে অক্টোবরের মধ্যে ব্রেক্সিট সম্পাদনের প্রত্যয় ঘোষণা করেন। হোক তা চুক্তি সহ বা চুক্তি ছাড়া।
সমপ্রতি পাঁচ সপ্তাহের জন্য পার্লামেন্ট স্থগিতের ঘোষণা দেন তিনি। এতে চুক্তিহীন ব্রেক্সিট কার্যকর হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায় বিরোধীদের মনে। তারা অভিযোগ করে, পাঁচ সপ্তাহ পার্লামেন্ট বন্ধ থাকলে ব্রেক্সিট নিয়ে পার্লামেন্টে কোনো চুক্তি পাস করা কঠিন হয়ে পড়বে। জনসনের ঘোষণা অনুযায়ী, স্থগিতাবস্থা শেষে ১৪ই অক্টোবর নতুন অধিবেশন শুরু হবে পার্লামেন্টে। তখন ব্রেক্সিট সমপাদনের জন্য সময় থাকবে মাত্র দুই সপ্তাহ। এদিকে, মঙ্গলবার পার্লামেন্টে জনসন ফের নিশ্চিত করেন যে, তিনি ৩১শে অক্টোবর ইইউ থেকে বের হয়ে যেতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। প্রয়োজনে কোনো চুক্তি ছাড়াই।
এমতাবস্থায় ব্রেক্সিট নিয়ে সংশয় থেকে বিরোধী শিবিরে যোগ দিয়েছেন তারই ক্ষমতাসীন দল কনজারভেটিভের ২১ এমপি। এর একদিনের মাথায় তাদের বহিষ্কার করেন জনসন। ফলস্বরূপ, তারা এখন পার্লামেন্টে স্বাধীন সংসদ সদস্য হিসেবে যোগ দেবেন। এদিকে, মঙ্গলবার অধিবেশনের আগ দিয়ে জ্যেষ্ঠ কনজারভেটিভ নেতা দলত্যাগ করে লিবারেল ডেমোক্রেটদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন। ফলে অধিবেশন শুরুর আগেই পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারায় তার দল।
এমতাবস্থায় তিনি বলেছেন, অক্টোবরে নির্বাচনের প্রচেষ্টা চালানো ছাড়া তার কিছু করার নেই। কারণ তিনি বলছেন, দেশের জনগণকেই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। যদিও এটিও তার জন্য খুব সহজ হবে না। কারণ বৃটেনে ২০১১ সালের একটি আইনে পার্লামেন্টকে পাঁচ বছরের মেয়াদ দেয়া হয়েছে। এখন সেটি পরিবর্তন করতে হলে সংসদে বরিস জনসনের দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন লাগবে। তা পেতে হলে তার বিরোধী দল লেবার পার্টির সমর্থন দরকার হবে। সেই সমর্থন পাওয়া জনসনের জন্য খুব একটা সহজ হবে না বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
আগাম নির্বাচনের প্রস্তাব
বুধবার পার্লামেন্টে দেয়া এক ভাষণে লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিনের প্রতি আগাম নির্বাচনের প্রস্তাব তোলেন জনসন। তিনি চুক্তিহীন ব্রেক্সিট ঠেকাতে বিরোধীদলীয় জোটের বিলটিকে ‘আত্মসমর্পণ বিল’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। বলেন, আত্মসমর্পণ বিলটি পাস হলে বিরোধী দলের নেতা কী ১৫ই আগস্ট একটি নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে এই দেশের জনগণকে তাদের মতামত প্রকাশের সুযোগ দেবেন?
তবে জনসনের প্রস্তাবে সাড়া দেননি করবিন। তিনি জানান, লেবার পার্টি সরকারের ফাঁদে পা দেবে না। চুক্তিহীন ব্রেক্সিটের হুমকি দূর না হওয়া পর্যন্ত নতুন নির্বাচন নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত জানাবে না তার দল।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রত্যর্পণ বিল প্রত্যাহার করলো হংকং সরকার

কেবল একটি দাবিতে সাড়া দিলে হবে না। বিক্ষোভকারীদের সন্তুষ্ট করতে সরকারকে আরো পদক্ষেপ নিতে হবে।
লাম বলেন, বিগত তিন মাসের গণবিক্ষোভের দাবিতে সাড়া দিয়ে একাধিক পদক্ষেপ নেবে তার সরকার। এর মধ্যে রয়েছে, পার্লামেন্টে একটি পুলিশ বাহিনী পর্যবেক্ষণ সংস্থার দুইজন সদস্য নিয়োগ দেয়া, নাগরিকদের সঙ্গে একাধিক আলোচনা বৈঠকে বসা ও সামাজিক সমস্যা খতিয়ে দেখা। বুধবার তিনি বলেন, এই মাস থেকে আমি ও আমার শীর্ষ কর্মকর্তারা সকল সমপ্রদায়ের মানুষের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসবো। সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে, ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি ও অবস্থানের মানুষকে তাদের মত জানাতে ও সমস্যার কথা জানাতে আহ্বান জানাবো।
উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালে হংকংকে চীনের কাছে হস্তান্তর করে বৃটেন। এর আগে অঞ্চলটি একটি বৃটিশ কলোনি ছিল। তবে চীনের সঙ্গে যোগ হলেও, ‘এক দেশ, দুই নীতি’ নিয়মের অধীনে বেশ খানিকটা স্বায়ত্তশাসন ভোগ করে থাকে হংকং। অঞ্চলটির নিজস্ব আইন ও বিচার ব্যবস্থা রয়েছে। তবে চলতি বছরের ৩রা এপ্রিল হংকং সরকার সন্দেহভাজন অপরাধীদের চীনের মূল ভূখণ্ডে প্রত্যর্পণ করার একটি বিল উত্থাপন করে। তবে সমালোচকদের দাবি ছিল, বিলটি পাস হলে হংকংয়ের বিচার ব্যবস্থায় চীনা প্রভাব বৃদ্ধি পাবে। এবং এতে ভিন্নমতাবলম্বীদের চীনের কাছে প্রত্যর্পণের সুযোগ হবে। পরবর্তীতে ৯ই জুন প্রায় ১০ লাখ মানুষ বিলটি প্রত্যাহারের দাবিতে হংকং সরকারের সদর দপ্তরের উদ্দেশ্যে বিক্ষোভ পদযাত্রা করে। বিক্ষোভটি সামপ্রতিক বিক্ষোভগুলোর তুলনায় অপেক্ষাকৃত শান্তিপূর্ণ ছিল। প্রথম বিক্ষোভের তিনদিন পর ১২ই জুন নতুন করে বিক্ষোভে নামে বিলটির বিরোধীরা। তখন থেকে বিক্ষোভ সহিংস আকার ধারণ করা শুরু করে। বিক্ষোভকারীদের ওপর কাঁদানে গ্যাস ও রাবার বুলেট ছোড়ে পুলিশ। তখন থেকে বর্তমান পর্যন্ত টানা বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে হংকংয়ে। সময় যত গড়িয়েছে, বিক্ষোভ তত সহিংস আকার ধারণ করেছে। পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষের মাত্রা বেড়েছে। পুলিশের বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারীদের ওপর নৃশংস নির্যাতন চালানোর অভিযোগ ওঠেছে। পাশাপাশি চীনা হস্তক্ষেপের অভিযোগও ওঠেছে। গত মাসে আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেন, সাদা পোশাক পরে চীনা গ্যাংয়ের সদস্যরা তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। চীন অবশ্য সে অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। এর মধ্যে জুন ও জুলাই মাসে বিলটি নিয়ে সকল কার্যক্রম স্থগিত করে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছিল হংকং সরকার। তবে তাতে থামেনি বিক্ষোভ। আন্দোলনকারীরা বিলটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। পাশাপাশি যোগ হয়েছিল পুলিশি নৃশংসতার তদন্ত ও বিচার এবং গণতন্ত্র নিশ্চিতের দাবিও।
হংকংয়ের বিগত প্রায় তিন দশকের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টি হয় প্রত্যর্পণ বিলটি ঘিরে। উঠে সরকারের পদত্যাগের দাবিও। সমপ্রতি বিক্ষোভটি তীব্র সহিংস মোড় নেয়। পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পায়। তারা বিমানবন্দর দখলের চেষ্টা চালায়। পার্লামেন্টে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালায়। হংকংয়ের বাণিজ্যের ওপর প্রভাব পড়তে থাকে বিক্ষোভের। এমতাবস্থায় বিক্ষোভকারীদের দাবিতে সাড়া দেয়া শুরু করেছে সরকার।
সব দাবি মানেননি লাম, বিক্ষোভকারীদের শাস্তি প্রদানের ঘোষণা
রয়টার্স জানিয়েছে, বুধবারের ভাষণে বিক্ষোভকারীদের সকল দাবির কথা উল্লেখ করেননি লাম। বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশি নির্যাতনের তদন্তে নিরপেক্ষ কমিটি গঠনের আহ্বানে সাড়া দেননি তিনি। তিনি জানান, তার বিশ্বাস বিক্ষোভে পুলিশের নির্যাতন তদন্তে স্বাধীন কমিটি গঠনের কোনো প্রয়োজন নেই। তিনি বলেন, সরকারের বিশ্বাস, বিক্ষোভে পুলিশের কার্যক্রম বিদ্যমান তদন্ত বিভাগগুলোই করতে পারবে। তিনি আরো বলেন, বিক্ষোভকারীদের শাস্তি প্রদান অব্যাহত রাখবে সরকার।
লাম বলেন, সহিংসতা হংকংয়ে আইনের শাসনের মূল ভিত্তি নাড়িয়ে দিয়েছে। হংকংকে একটি বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে ঠেলে দিয়েছে। জনগণ সরকারের ওপর যতটা অসন্তোষ্টই হোক না কেন, সহিংসতা কোনো সমাধান নয়। সহিংসতা দমানো ও কঠোরভাবে আইন প্রয়োগ জরুরি হয়ে পড়েছে।
বিক্ষোভকারীরা মোট পাঁচটি দাবি জানিয়েছে। তবে সরকার কেবল একটিতে সাড়া দিয়েছে। তাই অনেকে আশঙ্কা করছেন, বিক্ষোভ থামবে না। এমনকি তা আরো সহিংস রূপ নিতে পারে। এখন পর্যন্ত ১ হাজার বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করেছে হংকং পুলিশ। পুলিশের ওপর শতাধিক পেট্রল বোমা ছোড়ার অভিযোগ ওঠেছে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে। গত সপ্তাহে বিক্ষোভকারী সন্দেহে এক মেট্রো স্টেশনে সাধারণ নাগরিকদের ওপর প্রহার চালিয়েছে পুলিশ সদস্যরা।
বিল প্রত্যাহারের ঘোষণায়ও স্বস্তি নেমে আসেনি হংকংয়ে। বুধবার শহরটির রাস্তায় দাঙ্গা পুলিশদের টহল দিতে দেখা গেছে। সিডনির ম্যাকুয়ারি ইউনিভার্সিটির গবেষক অ্যাডাম নি জানান, কেবল বিল প্রত্যাহারে ক্ষোভান্বিত ও হতাশ জনগণ সন্তুষ্ট হবে না। এই আন্দোলনের ধরন গত ১৩ সপ্তাহে পাল্টে গেছে। তিনি যদি আরো পদক্ষেপ না নেন, তাহলে সামনে আরো বিক্ষোভ দেখবো আমরা।
এদিকে, অনলাইন প্ল্যাটফরম এলআইএইচকেজি’তে লামের সমালোচনা করছে বিক্ষোভকারীরা। একজন সেখানে মন্তব্য করেছে, ৮ই জুনে বিল প্রত্যাহার ও ৪ঠা সেপ্টেম্বরে বিল প্রত্যাহারের মধ্যে পার্থক্য কী? ৩টি চোখ, ৮টি মৃত্যু, শতাধিক নির্যাতিত, সহস্রাধিক গ্রেপ্তার, অসংখ্য মানুষ আহত হওয়া এবং পুরো সিস্টেম ও পুলিশ বাহিনীর অন্যায় ফাঁস হওয়া।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

দেশের উন্নয়নে তৈরি পোশাক শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পণ্য রপ্তানির জন্য এর আকর্ষণ বাড়াতে হলে আপনাদের পণ্যের বহুমুখীকরণের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। ইউরোপের বিভিন্ন দেশে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এবং হাইকমিশনারদের অংশ গ্রহণে জুলাই মাসে লন্ডনে অনুষ্ঠিত দূত সম্মেলনে তার দেয়া বক্তৃতার প্রসঙ্গ টেনে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশি পণ্যের জন্য তাদেরকে নতুন বাজার খুঁজে বের করতে বলেছি। ব্রেক্সিট ইস্যু বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যে প্রভাব ফেলবে না, এমন অভিমত ব্যক্ত করে সরকার প্রধান বলেন, বিশেষ করে ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে সম্পাদিত রপ্তানি চুক্তির কারণে ব্রেক্সিট কোনক্রমেই বাংলাদেশের ব্যবসা, বিশেষ করে রপ্তানিকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে না, এসব চুক্তির সঠিক বাস্তবায়নই চলবে।
বিজিএমইএ’র নব নির্বাচিত সভাপতি রুবানা হকের নেতৃত্বে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের বিভিন্ন দাবিদাওয়া পেশ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা তৈরি পোশাক খাতের উন্নয়নে সম্ভব সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করছি কেননা এটি আমাদের জন্য বিশাল কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিয়েছে। বিশেষকরে নারীদের জন্য। একই সঙ্গে এই খাত দেশের উন্নয়নেও ভূমিকা রাখছে। দেশের ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ শিল্পের সমস্যা সমাধানেও আমরা প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করেছি। বাংলাদেশকে একটি কৃষিপ্রধান দেশ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা দেশকে সকল ক্ষেত্রেই এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। আর সেজন্য আমাদের কৃষি এবং শিল্পায়ন দুটি ক্ষেত্রকেই সমান গুরুত্ব দিতে হবে। কেননা শিল্পায়ন ছাড়া দেশের সার্বিক উন্নতি হতে পারে না। এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানই দেশে শিল্প স্থাপনের গোড়াপত্তন করেন। প্রধানমন্ত্রী এ সময় বিজিএমইএ নেতৃবৃন্দকে পথের ধারে বা যত্রতত্র শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে না তুলে এর জন্য নির্দিষ্ট শিল্পাঞ্চলেই শিল্প কারখানা গড়ে তোলার আহবান জানান।
প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সাবেক বিজিএমইএ সভাপতি আনিসুর রহমান সিনহা, আনোয়ারুল আলম পারভেজ এবং সিদ্দিকুর রহমান এবং প্রথম জেষ্ঠ্য সহ-সভাপতি মোহাম্মাদ আব্দুস সালাম, জেষ্ঠ্য সহ-সভাপতি ফয়সল সামাদ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান এবং প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এসময় উপস্থিত ছিলেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র সমাধান -সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ইরান শরানার্থী সংকট মোকাবিলায় প্রতি বছর প্রায় ১০ বিলিয়ল ডলার ব্যয় করে থাকে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিপুল সংখ্যক ওই শরনার্থীদের সব ভূমে প্রত্যাবাসন এবং মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে বিশ্ব সম্প্রদায়ের উচিত বাংলাদেশের পাশে আরও শক্ত করে দাড়ানো। কাশ্মীর প্রশ্নে ইরানের অবস্থান সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা সেখানে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি দেখতে চাই না। ভারত আমাদের অত্যন্ত ঘনিষ্ট বন্ধু। তাদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক বহুমাত্রিক। কাশ্মীর এবং আসামের এনআরসি ইস্যু দুই ইস্যুতে ইরান উদ্বিগ্ন উল্লেখ করে তিনি বলেন, বন্ধু হিসাবে এ দুই ইস্যুতে আমরা আরও বেশী ডায়ালগ দেখতে চাই। আমরা মনে করি যে কোন সমস্যায় সংলাপ সমাধান এনে দিতে পারে। ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ সংক্রান্ত এক প্রশ্নে জবাবে মন্ত্রী বলেন, এটাকে আমরা অবরোধ বলি না। এটা তাদের ‘বাড়াবাড়ি’ বলেই মনে করি। যুক্তরাষ্ট্রের এমন আচরণ বন্ধের অনুরোধও জানান তিনি। তবে ওয়াশিংটনের সঙ্গে সঙ্গে তেহরানের কোন ধরণের দ্বিপক্ষীয় সংলাপ বা আলোচনার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিলেও মধ্যপ্রাচ্য সংকট উত্তরণে ইরান যে কোন সময় যেকোন স্থানে আলোচনার জন্য প্রস্তুত বলে জানান জাভাদ জারিফ। তিনি এ সংকটের জন্য সৌদি আরব এবং তার মিত্রদের দোষারোপ করেন। বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সকালের বৈঠকেও আমি বলেছি, মুসলিম বিশ্বের যে কোন সংকটের সমাধানে ইরান আন্তরিক। আমরা আলোচনার জন্য তৈরি। মন্ত্রী সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশের অস্ত্র কেনা সংক্রান্ত ব্যয়ের পরিসংখ্যান নিয়ে বলেন, কোন দেশ যদি মনে করে অস্ত্র তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে তবে ভুল করবে। আলোচনা এবং শান্তির মধ্যে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা রয়েছে। উদ্বোধনী স্টেটমেন্ট এবং প্রশ্নোত্তর সেশনে ইরানের মন্ত্রী একাধিকবার বলেন, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রসহ যে কোন দেশের সঙ্গে বাণিজ্য করতে পারে, এটা বাংলাদেশের নিজস্ব ব্যাপার। তবে ইরান মনে করে ঢাকা- তেহরাণ বাণিজ্য দেশটির নিজস্ব মুদ্রায় হতে পারে। কিন্তু কিভাবে এটি হবে? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, অর্থনৈতিক অবরোধ মোকাবিলা করতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র নিজস্ব মুদ্রায় বাণিজ্য করার ক্ষেত্রে ব্যাংকিং সেক্টরে ইনোভেশন নিয়ে এসেছে। এ ইস্যুতে তেহরাণ পিএইচডি করে ফেলেছে বলেও মন্তব্য করেন।
মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে ভাতৃঘাতী সংঘাত বন্ধে ওআইসির শক্তিশালী ভূমিকা পালনের আহবান প্রধানমন্ত্রীর: এদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা’র (ওআইসি) মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে ঐক্য ও সংহতি সৃষ্টি এবং ভাতৃঘাতী সংঘাত বন্ধে শক্তিশালী ভূমিকা পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুসলিম দেশগুলোর মধ্যকার ভাতৃঘাতী সংঘাত বন্ধে ওআইসি শক্তিশালী ভূমিকা পালন করতে পারে। সফররত ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. মোহাম্মাদ জাভাদ জারিফ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তেঁজগাওস্থ কার্যালয়ে বুধবার সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে বিবদমান সংঘাতের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুসলিমরা তাঁদের নিজেদের মধ্যকার বিভাজনের জন্যই রক্তপাতের শিকার হচ্ছে। এর ফলে তৃতীয় পক্ষ এর সুবিধা ভোগ করছে। প্রধানমন্ত্রী আলোচনায় এমন অভিমত ব্যক্ত করেন যে, মুসলিম দেশগুলোর মধ্যকার বিবাদমান সংঘাত দ্বিপাক্ষিক বা বহুপাক্ষিকভাবে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা যেতে পারে। দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় থাকার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি ইরানী মন্ত্রীকে অবহিত করেন, তিনি নিজেই দু’জন শিয়া বালিকাকে দত্তক নিয়েছেন, যারা ভয়াবহ নিমতলী অগ্নিকান্ডের শিকার হয়েছিল। বাংলাদেশ এবং ইরানের সাংস্কৃতিক বন্ধনকে ঐতিহাসিক আখ্যায়িত করে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলা ভাষার বহু শব্দ ফার্সি থেকে এসেছে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রী জাভাদ জারিফ বুধবার থেকে রাজধানীতে শুরু হওয়া দু’দিনব্যাপী তৃতীয় (আইওআরএ) ব্লু-ইকোনমি মিনিষ্ট্রিয়াল কনফারেন্সে যোগদানের জন্য মঙ্গলবার রাতে ঢাকায় আসেন। তিনি ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানীর শুভেচ্ছাও প্রধানমন্ত্রীকে পৌঁছে দেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পশমে ঢেকে যাচ্ছে মুনিরার শরীর

তখন হাসপাতালের চিকিৎসকদের গঠিত মেডিকেল বোর্ড এটিকে বিরল চর্ম রোগ বলে শনাক্ত করেন। তখন শিশুটির অন্তত ৩-৪ বছর বয়স হলে উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দেয়া হয়।
বর্তমানে সাড়ে তিন বছেরের তাসফিয়ার সমস্ত শরীর পশুর মতো লোমে ভরে যাচ্ছে। এমনকি মুখের তালুতে কালসিটে দাগও ছড়িয়ে পড়েছে। শিশুটির মা তানজিলা খাতুন জনান, গরমের দিনে শিশুর শরীর থেকে আগুনের মতো তাপ বের হতে থাকে। দিনে ২-৩ বার গোসল করাতে হয়। ভিজে কাপড় পরিয়ে দিনরাত ফ্যানের নিচে রাখতে হয়। বিদ্যুৎ না থাকলে হাত পাখার বাতাস করতে হয়রান হয়ে যাই। বর্তমানে হোমিও চিকিৎসা চলছে। দিনমজুর পিতামাতার পক্ষে শিশু তাসফিয়ার উন্নত চিকিৎসা করানোর সামর্থ্য নেয়। ডাক্তাররা বাচ্চাটিকে চিকিৎসার জন্য ভারতে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। তবে রাজমিস্ত্রি পিতার সামর্থ্য নেই মেয়েকে উপযুক্ত চিকিৎসা করানোর জন্য। তাই এই ছোট্ট মেয়েটার পাশে দাঁড়াতে সমাজের বিত্তবানদের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন শিশুটির দিনমজুর পিতা। সমাজের বিত্তবানদের প্রতি শিশুটির পিতা সাহায্যের আহ্বান জানিয়েছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘নৈতিক স্খলন’ কোনটাকে বলে? by উদিসা ইসলাম
![]() |
| আহমেদ কবীর |
সম্প্রতি নিজ দফতরের খাস কামরার ‘আপত্তিকর’ ভিডিও প্রকাশের ঘটনায় সদ্য ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) হওয়া জামালপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) আহমেদ কবীরের নৈতিক স্খলন বা পেশাগত অসদাচরণের বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সমাজের চোখে যা কিছু নৈতিক তার ব্যত্যয় ঘটলে স্খলন বা চ্যুতি ঘটেছে বলে ধরে নেওয়া হয়। তবে তারা বলছেন, নৈতিক স্খলন কোথাও সংজ্ঞায়িত নেই। ন্যায়বিচার, সততা, নৈতিক সদগুণের যা কিছু বিপরীত, তা-ই নৈতিক স্খলন। যার যার ক্ষেত্র বিবেচনা করে সেটিকে ব্যাখ্যা করা হয়।
কখন নৈতিক স্খলন ঘটেছে বলে ধরে নেওয়া হবে? বিশ্লেষকরা দুটি সুনির্দিষ্ট প্রশ্ন দিয়ে এর ফয়সালার কথা বলছেন। <১>. যা ঘটেছে তা সাধারণভাবে বিবেক বা সমাজকে আঘাত দিয়েছে কিনা এবং <২>. ঘটনাটি অপরাধের উদ্দেশে ঘটানো হয়েছিল কিনা? এ দুটি প্রশ্নের উত্তরের ভিত্তিতে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর আইনে কী আছে এবং কোনটি তার জন্য প্রযোজ্য সেদিকে এগোনো যেতে পারে।
‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮’ অনুযায়ী, ‘অসদাচরণ’ অর্থ অসঙ্গত আচরণ বা চাকরি শৃঙ্খলার জন্য হানিকর আচরণ, অথবা সরকারি কর্মচারীদের আচরণসংক্রান্ত বিদ্যমান বিধানের পরিপন্থী কোনও কাজ, অথবা কোনও সরকারি কর্মচারীর পক্ষে শিষ্টাচারবহির্ভূত কোনও আচরণ।
এক্ষেত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার আইনসংগত আদেশ অমান্য করা, কর্তব্যে অবহেলা দেখানো; আইনসংগত কারণ ছাড়া সরকারের কোনও আদেশ, পরিপত্র ও নির্দেশ অবজ্ঞা করা; কোনও কর্তৃপক্ষের কাছে কোনও সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে অসঙ্গত, ভিত্তিহীন, হয়রানিমূলক, মিথ্যা অথবা তুচ্ছ অভিযোগসংবলিত দরখাস্ত দাখিল অথবা অন্য কোনও আইন বা বিধি-বিধানে যেসব কাজ অসদাচরণ হিসেবে গণ্য হবে।
সংবিধান বিশেষজ্ঞ মাহমুদুল ইসলামের বইয়ে নৈতিক স্খলনের ব্যাখ্যায় বলেছেন, সব ধরনের দোষী সাব্যস্ত হওয়ার সঙ্গেই নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধ জড়িত। তবে তিনি মনে করেন, নৈতিক স্খলন নিশ্চিত করতে হলে দুরাচার বা ডিপ্রাবেটির উপাদান দেখাতে হবে।
সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘নৈতিক স্খলন বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। দুর্নীতি, সামাজিক জীবন, পারিবারিক জীবন, ব্যক্তিগত স্বভাব-চরিত্রের ব্যাপার হতে পারে। সমাজের নৈতিকতার যে মানদণ্ড সেটার নিচে নামলে সেটিকে স্খলন বলবেন।’
তিনি বলেন, ‘সরকারি কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট বিধিমালা আছে—কী করা যাবে আর কী করা যাবে না। সরকারি কর্মচারীদের আচরণবিধি যারা মানবেন না, যারা বিপরীতে কাজ করবেন তাদের জন্য শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে।’ কী ধরনের নৈতিক স্খলনজনিত কাজের জন্য কী ধরনের শাস্তি হবে, সেটা নির্ধারিত বলেও জানান তিনি।
সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘নৈতিক স্খলন বলতে আইনের বাইরে কোনও কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংঘটিত কর্মকাণ্ডকে বোঝায়। যেমন বিচারপতিদের বিষয়ে যদি বলি, তারা (বিচারপতিরা) শপথের মাধ্যমে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তারা সংবিধানের রক্ষক ও নাগরিকদের অধিকার রক্ষায় কাজ করেন। কিন্তু তারা যদি তাদের দায়িত্ব পালন না করেন বা কোনোকিছু অবৈধভাবে ডিমান্ড করেন বা তারা নিজেদের বিবেকবহির্ভূতভাবে কোনও আদেশ দেন, তাহলে সেসবই হবে নৈতিক স্খলন।’
সুশাসনের জন্য নাগরিকের বদিউল আলম মজুমদার মনে করেন নৈতিক স্খলনকে সমাজের দৃষ্টিকোণ দিয়েই বিচার করতে হয়। তবে এক সমাজে যেটি নৈতিক স্খলন সেটি আরেক সমাজে নাও হতে পারে। তিনি বলেন, ‘আমরা যদি পেশাগত জায়গা নিয়ে কথা বলি তাহলে বলতে হয়, সরকারি কর্মচারীরা কী করবেন, করবেন না তা নির্ধারিত আছে।’ এর বাইরে তাদের যাওয়ার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বন্দুক ঠেকিয়ে রোহিঙ্গাদের ‘বিদেশি পরিচয়পত্র’ নিতে বাধ্য করছে মিয়ানমার

বিভিন্ন সময়ে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর জাতিগত নিধনযজ্ঞের ভয়াবহতায় জীবন ও সম্ভ্রম বাঁচাতে লাখ লাখ রোহিঙ্গা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। শুধু বাংলাদেশেই আশ্রয় নিয়েছে ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা। তবে এখনও এ জনগোষ্ঠীর কিছু মানুষ রাখাইনে রয়ে গেছেন। এখন তাদেরও ‘বিদেশি’ হিসেবে উল্লেখ করা পরিচয়পত্র গ্রহণে বাধ্য করছে নিরাপত্তা বাহিনী।
ফর্টিফাই রাইটস জানায়, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ রোহিঙ্গাদের এনভিসি কার্ড নিতে বাধ্য করছে, যা কার্যকরভাবে তাদের বিদেশি নাগরিক হিসেবে চিহ্নিত করবে। সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী ম্যাথিউ স্মিথ বলেন, মিয়ানমার সরকার প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের নিশ্চিহ্ন করে দিতে চাইছে। এতে করে তারা মৌলিক অধিকার থেকেও বঞ্চিত হবে।
সরকারের মুখপাত্র জাও তায় এখনও এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি। সামরিক মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুন তুন নি জোর করে পরিচয়পত্র দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘এটি সত্যি নয়। আমার কিছু বলার নেই।’
প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে রোহিঙ্গারা রাখাইনে বসবাস করলেও মিয়ানমার তাদের নাগরিক হিসেবে স্বীকার করে না। উগ্র বৌদ্ধত্ববাদকে হাতিয়ার করে সেখানকার সেনাবাহিনী ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে স্থাপন করেছে সাম্প্রদায়িক অবিশ্বাসের চিহ্ন। ছড়িয়েছে বিদ্বেষ। ১৯৮২ সালে প্রণীত নাগরিকত্ব আইনে পরিচয়হীনতার কাল শুরু হয় রোহিঙ্গাদের। এরপর কখনও মলিন হয়ে যাওয়া কোনও নিবন্ধনপত্র, কখনও নীলচে সবুজ রঙের রসিদ, কখনও ভোটার স্বীকৃতির হোয়াইট কার্ড, কখনও আবার ‘ন্যাশনাল ভেরিফিকেশন কার্ড’ কিংবা এনভিসি নামের রঙ-বেরঙের পরিচয়পত্রে ধাপে ধাপে মলিন হয়েছে তাদের জাতিগত পরিচয়। ক্রমশ তাদের রূপান্তরিত করা হয়েছে রাষ্ট্রহীন মানুষে।
২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট কয়েকটি নিরাপত্তা চৌকিতে হামলার পর রাখাইনে পূর্ব-পরিকল্পিত ও কাঠামোবদ্ধ সহিংসতা জোরালো করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। হত্যা-ধর্ষণসহ বিভিন্ন ধারার সহিংসতা ও নিপীড়ন থেকে বাঁচতে নতুন করে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রায় সাড়ে ৭ লাখ মানুষ। তাদের সঙ্গে রয়েছে ১৯৮২ সাল থেকে নির্যাতনের হাত থেকে বাঁচার জন্যে বাংলাদেশে পালিয়ে আশ্রয় নেওয়া আরও প্রায় ৩ লাখ রোহিঙ্গা। সব মিলে বাংলাদেশে থাকা রোহিঙ্গার সংখ্যা ১০ লাখের বেশি।
বাংলাদেশের সঙ্গে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন চুক্তিতে এই বিষয়টি গুরুত্ব বহন করতে পারে বলে জানিয়েছে ফর্টিফাই রাইস। কারণ নিরাপত্তা ও নাগরিকত্ব নিশ্চিত না হলে মিয়ানমারে ফিরতে নারাজ রোহিঙ্গারা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি: পরীক্ষা প্রক্রিয়া কি বদলানো দরকার by সাইয়েদা আক্তার
শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতা কী?
![]() |
| বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দেবেন কয়েক লাখ শিক্ষার্থী |
পদ্ধতির কারণে চাপে শিক্ষার্থী-অভিভাবকেরা
![]() |
| ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান |
![]() |
| শিক্ষার্থীদের অনেকেই পছন্দের বিষয়ে ভর্তি হতে পারে না |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1372)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
September
(820)
-
▼
Sep 05
(15)
- কাল থেকে ইরান আরো কিছু পদক্ষেপ নেবে: প্রেসিডেন্ট র...
- কাশ্মিরে পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে হস্তক্ষেপের আহ্বান...
- মুসলিম নারী ইস্যুতে হঠাৎ বৃটেনে টক অব দ্য টাউন শিখ...
- পরমাণু অস্ত্রধরেরা এ ক্ষেত্রে বাধা দিতে পারে না: -...
- দক্ষিণ আফ্রিকায় বিদেশিদের দোকান লুট, গাড়িতে অগ্নিস...
- রোহিঙ্গা শিবিরে দেশি-বিদেশি কিছু এনজিও’র তদন্ত হচ্...
- সব অভ্যুত্থান ট্যাঙ্কে চেপে আসে না : -দ্য গার্ডিয়া...
- বৃটিশ রাজনীতিতে ফের নাটকীয়তা
- প্রত্যর্পণ বিল প্রত্যাহার করলো হংকং সরকার
- অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীদের সতর্ক থাকার পরামর্...
- প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র সমাধান -সংবাদ...
- পশমে ঢেকে যাচ্ছে মুনিরার শরীর
- ‘নৈতিক স্খলন’ কোনটাকে বলে? by উদিসা ইসলাম
- বন্দুক ঠেকিয়ে রোহিঙ্গাদের ‘বিদেশি পরিচয়পত্র’ নিতে ...
- বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি: পরীক্ষা প্রক্রিয়া কি বদলানো...
-
▼
Sep 05
(15)
-
▼
September
(820)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...






