Showing posts with label পিটার কাস্টার্স. Show all posts
Showing posts with label পিটার কাস্টার্স. Show all posts

Thursday, August 28, 2014

ইরাক ও সিরিয়ায় ইউরোপের দোদুল্যমানতা by পিটার কাস্টার্স

এ এক বিরল ক্ষণ, নীতিপ্রণেতারা নিজে থেকেই একটি বড় ভুল শোধরালেন। নাকি এটা একটা ঠান্ডা মাথার স্বার্থপর পিঠটান? ১৫ আগস্ট ব্রাসেলসে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো চাইলে ইরাকের উত্তরাঞ্চলে সুন্নি জঙ্গি আইএসের বিরুদ্ধে লড়াইরত কুর্দি বিদ্রোহীদের অস্ত্র সরবরাহ করতে পারবে। এমনকি জার্মানিও কুর্দিদের অস্ত্রবাহী গাড়ি ও অন্যান্য হার্ডওয়্যার সরবরাহের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অথচ আগে দেশটি সাধারণত যুদ্ধংদেহী অঞ্চলগুলোয় অস্ত্র সরবরাহ করতে চাইত না।
এ সিদ্ধান্তে অনেকেই হয়তো চমকে যাবেন, কারণ মাত্র ১৬ মাস আগে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন সিরিয়ার তেল আমদানিবিষয়ক সব নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার কারণটা ছিল একদম পানির মতো পরিষ্কার, যাতে আইএস অধিকৃত সিরিয়ার উত্তর-পূর্ব এলাকা থেকে তেল সরবরাহ সম্ভব হয়৷ সেখানকার অনেকগুলো তেলক্ষেত্রের ওপর এই সুন্নি জঙ্গি সংগঠনের নিয়ন্ত্রণ ছিল। সিরিয়ার তেল নিয়ন্ত্রণের দাবিদার শুধু আইএস নয়, আরও অনেক সংগঠনই এর দাবিদার ছিল। তার পরও এ ব্যাপারে একটু সন্দেহ রয়েই যায় যে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের এই সিদ্ধান্তের কারণে আইএসের বাড়বাড়ন্ত হয়েছে, ফলে তারা ইরাকের উত্তরাঞ্চলের তেলক্ষেত্রগুলোতেও নিজেদের আধিপত্য স্থাপন করেছে।
ব্রাসেলসে গৃহীত ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের এই সিদ্ধান্তটি আগের একটি বিপর্যয়কর সিদ্ধান্ত উল্টে ফেলার মতো। বিষয়টি আরেকটু খোলাসা করতে হলে সুন্নি জঙ্গি আইএস ইরাক ও সিরিয়ার তেলক্ষেত্রগুলোয় কী পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে পেরেছে, সেটা বোঝা দরকার। সিরিয়ার তেলক্ষেত্রগুলো অধিকাংশই ডেইয়ার-এজ-জর প্রদেশে অবস্থিত, এটা ইরাকের নিকটবর্তী একটি প্রদেশ। বিশ্ববাজারে সরবরাহের তুলনায় সিরিয়ায় উত্তোলিত তেলের পরিমাণ খুবই কম হওয়ায় দেশটির তেল ও শোধনাগারগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ নেওয়াটা আইএসের যুদ্ধের অর্থায়নের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
এদিকে ইরাকের তেলক্ষেত্রগুলো আবার সিরিয়ার মতো কোনো একটি নির্দিষ্ট স্থানে সীমাবদ্ধ নয়। ইরাকের তেলক্ষেত্রগুলোর বেশির ভাগই দেশটির দক্ষিণে অবস্থিত, আর আইএসের অবস্থান এখনো উত্তরে। বাস্তবে ইরাকের তেলের মাত্র এক-সপ্তমাংশ আইএস ও কুর্দি যোদ্ধাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তথাপি খবর এসেছে, আইএস ইরাকের সাতটি বড় তেলক্ষেত্র নিয়ন্ত্রণ করছে। সিরিয়ার তেলক্ষেত্র নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে আইএস ভালোই অভিজ্ঞতা লাভ করেছে, তারা এখন সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এই তেল বিক্রি ও চোরাচালান করে বিপুল মুনাফা লাভ করছে। কথা হচ্ছে, ইরাক ও সিরিয়ায় আইএসের এই তেল থেকে প্রাপ্ত অর্থভিত্তিক যে গৃহযুদ্ধ চলছে, সে কারণে পশ্চিমা বিশ্বের শিরদাঁড়া বেয়ে ভয়ের এক ঠান্ডা চোরা স্রোত বয়ে যাচ্ছে।
ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ২০১৩ সালের এপ্রিলে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, তা যদি আইএসের বর্তমান সফলতার কারণ হয়ে থাকে, তাহলে সেটা ঐতিহাসিকভাবে এক অভিনব পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। আমার জানামতে, কোনো বিদ্রোহী গ্রুপ এর আগে তেলের ওপর ভর করে গৃহযুদ্ধ চালায়নি। এটা সত্য যে আফ্রিকায় ৩০ বছর ধরে যে গৃহযুদ্ধ চলছে, সে ক্ষেত্রে বিদ্রোহীদের সফলতার কারণ হচ্ছে তারা সেখানকার কাঁচামালের নিয়ন্ত্রণ নিতে পেরেছিল। অ্যাঙ্গোলা, সিয়েরা লিওন, লাইবেরিয়া, কঙ্গো (ডিআরসি) ও সুদানের দিকে নজর দিন, দেখবেন, সেখানে এই কাঁচামালই প্রধান নিয়ামকের ভূমিকা পালন করেছে। তার পরও সেই সব দেশে তেলের নিয়ন্ত্রণ রাষ্ট্রের হাতেই ছিল। অ্যাঙ্গোলার ডানপন্থী বিদ্রোহী দল ইউনিটার আন্দোলন পরিচালিত হয়েছে কাঁচা হীরা চোরাচালানের মাধ্যমে। সেখানকার তেলক্ষেত্রগুলো ইউনিটার অধিকৃত এলাকা থেকে অনেক দূরে অবস্থিত ছিল। সুদানের তেলক্ষেত্রগুলো দেশটির দক্ষিণে অবস্থিত, দক্ষিণের বিদ্রোহীদের অধিকৃত এলাকার কাছাকাছি। কিন্তু আল বশিরের সরকার সেখানে এক অমানবিক নীতি গ্রহণ করেছিল, তারা সেখানে আকাশ থেকে বোমাবর্ষণ করে এলাকাটিকে জনশূন্য করে ফেলে—সেখানকার অসহায় মানুষকে কচুকাটা করে এবং জীবিত ব্যক্তিদের এলাকাছাড়া হতে বাধ্য করে। একই প্রক্রিয়ায় বিদ্রোহীরা জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়, আর তেলের নিয়ন্ত্রণ লাভে ব্যর্থ হয়। মানে, সব বিচারেই দেখা যায় যে তেলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কেউই এর আগে গৃহযুদ্ধ চালাতে পারেনি।
হ্যাঁ, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন যে আইএসের কার্যত সমর্থক থেকে বিরোধীতে পরিণত হলো, এর পেছনে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নীতিগত অবস্থান। যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি ইরাকের উত্তরে আইএসের ঘাঁটিতে বোমাবর্ষণ শুরু করেছে। একসময় আইএসের নিরন্তর সংখ্যালঘু নিধনে জোর গলায় সমর্থন দিলেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যে তার অবস্থান পরিবর্তন করল, সেটা তার নিজের স্বার্থের কারণেই সে করছে, এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। পেন্টাগনের কর্মকর্তাদের মাথায় এখন অস্ত্র ও তেলের যুগলবন্দীর ব্যাপারটিই কাজ করছে। ওবামা প্রশাসন ২০১১ সালের অক্টোবরে ইরাক থেকে সেনা প্রত্যাহার করার পর যুক্তরাষ্ট্র ইরাক সরকারের কাছে ১২ বিলিয়ন ডলারের এফ-১৬ বিমান বিক্রি করেছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় পাঁচটি সমর করপোরেশনের মধ্যে অন্তত চারটি লাভবান হয়েছে। যুগপৎভাবে এই অস্ত্র বিক্রির চুক্তি যখন হয়, তখন ইরাকের দৈনিক অপরিশোধিত তেল উত্তোলনের পরিমাণ আগের জায়গায় চলে যায়, ২০১২ সালে এর পরিমাণ ছিল দৈনিক তিন মিলিয়ন ব্যারেল, চুক্তির সময় এটা সেই সীমাও ছাড়িয়ে যায়। ইরাকি সরকার যখন তেল আহরণ ও রপ্তানি থেকে বিপুল পরিমাণ আয় করছিল, তখন যুক্তরাষ্ট্র ও তার প্রতিদ্বন্দ্বী অস্ত্র উৎপাদক রাশিয়া ইরাকে অস্ত্র সরবরাহের প্রতিযোগিতায় নামে। এই তেল ও অস্ত্রের যুগলবন্দী দীর্ঘস্থায়ী হবে, সেটা নিয়ে ব্যাপক আত্মবিশ্বাসও রয়েছে। পশ্চিমা তেল ক্রেতাদের সংগঠন আইইএর মতে, ভবিষ্যতে দুনিয়ার অপরিশোধিত তেল সরবরাহে ইরাক এগিয়ে থাকবে।
পশ্চিমা নীতিপ্রণেতারা হন্যে হয়ে শিয়া মুসলিম, খ্রিষ্টান ও ইয়াজিদি সম্প্রদায়ের মানুষের অধিকারের প্রতি সমর্থন দিচ্ছেন। আবার এই আইএস যে এই ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ইরাকের উত্তরাঞ্চলে কতল করছে, সেটা নিয়েও কোনো সন্দেহ নেই। সুন্নি চরমপন্থী জঙ্গিরা মুসলিম ও অমুসলিম সব সম্প্রদায়ের মানুষকেই নিপীড়ন করছে। কিন্তু কেউ কি বলতে পারবেন, পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলো ধারাবাহিকভাবে মধ্যপ্রাচ্যে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের স্বার্থ রক্ষা করেছে? যুক্তরাষ্ট্রের অবৈধভাবে ইরাক দখলের পর এ চিন্তাটির উদয় হয়েছে।
কিন্তু ইসরায়েলের মুসলিম ও খ্রিষ্টান আরব, বাহরাইন ও সৌদি আরবের শিয়া ও অন্য গোষ্ঠীগুলো, যারা পশ্চিমের মিত্রদের হাতে নিগৃহীত হয়েছে, তারা কি ইরাকের ইয়াজিদিদের রক্ষায় পশ্চিমের এই সংকল্প দেখে পুলকিত হবে? যা-ই হোক, সময় এসেছে, ব্রাসেলসে নীতিপ্রণেতাদের এই নীতি পরিবর্তন নিয়ে প্রশ্ন তুলতে হবে।
স্মরণ করা যেতে পারে, ইরাক ও সিরিয়ায় চলমান এই দুই গৃহযুদ্ধ নিয়ে এই মতি পরিবর্তন দুবার ঘটেছে। প্রথমত, ২০১১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সিরিয়ার বিনিয়োগ ও দেশটির তেল রপ্তানিতে সাধারণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। এতে আসাদের সরকার ও বিরোধী পক্ষ উভয়েই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর ২০১৩ সালে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন কার্যত এই সুন্নি জঙ্গিদের পক্ষে অবস্থান নেয়। ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা তাঁদের পাপ বুঝতে পারলেও সংস্থাটির মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক নীতির মৌলিক পরিবর্তন না হলে এ ক্ষতের উপশম হবে না।
ইংরেজি থেকে অনুবাদ: প্রতীক বর্ধন
ড. পিটার কাস্টার্স: অস্ত্রবাণিজ্যবিষয়ক বিশেষজ্ঞ।

Thursday, June 28, 2012

ইউরোপের চিঠি-ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা রাজনীতির নতুন মাত্রা by পিটার কাস্টার্স

ন্যাটো সম্মেলনের আলোচ্যসূচিতে এবার বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্থান পেল। ২০ নভেম্বর পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে ন্যাটো সামরিক জোটের ভবিষ্যতের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত পৌঁছাতে ২৮টি সদস্যরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা একত্র হন। অবধারিতভাবেই এতে বেশ গুরুত্ব পেয়েছে চলমান আফগান যুদ্ধ।

Saturday, June 23, 2012

ইউরোপের চিঠি-চীন ও দুর্লভ ধাতু নিয়ে উদ্বেগ by পিটার কাস্টার্স

ছোট ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিবাদের সূত্রপাত। পরে যে আন্তর্জাতিক শোরগোল উঠল, তার সঙ্গে এই ঘটনার প্রত্যক্ষ কোনো সম্পর্ক ছিল না। গত ৭ সেপ্টেম্বর তাইওয়ানের উত্তর-পূর্বে সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জের অদূরে একটি চীনা ট্রলার জাপানের উপকূলপ্রহরীদের নৌকার সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে পড়ে।

Wednesday, June 20, 2012

ইউরোপ-নয়া উদারতাবাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের নবায়ন by পিটার কাস্টার্স

ফ্রান্সের ডানপন্থী শাসক সারকোজির পেনশন সংস্কারের সিদ্ধান্তে ফ্রান্সজুড়ে উত্তাল বিক্ষোভ চলছে। ২১ অক্টোবর এ নিয়ে সিনেটে তীব্র বাদানুবাদও চলেছে। ফরাসি প্রেসিডেন্ট অবসর গ্রহণের বয়স বাড়াতে চান। প্রথম দৃষ্টিতেই এটা অগ্রহণযোগ্য মনে হয়। প্রথমত, ইউরোপের অন্যান্য দেশের মতো ফ্রান্সের জনগণও দ্রুত বুড়িয়ে যাচ্ছে।

Monday, June 18, 2012

ইউরোপের চিঠি-আর্কটিকের জ্বালানি-সম্পদকেন্দ্রিক দ্বন্দ্ব by পিটার কাস্টার্স

শুরুতে মনে হবে যেন কোনো পাঠ্যবইয়ে পড়া গল্প। যে গল্পের মূলে আছে জীবাশ্ম জ্বালানি ও প্রাকৃতিক সম্পদ নিয়ে কয়েক শতাব্দী ধরে তেতে উঠতে থাকা কয়েকটি ধনী দেশের মধ্যকার দ্বন্দ্ব। গত ২১ সেপ্টেম্বর রাশিয়ার রাজধানী মস্কোয় আর্কটিকবিষয়ক একটি ফোরামের বৈঠক বসে।

Friday, June 15, 2012

ইউরোপের চিঠি-মার্কিন-সৌদি অস্ত্র চুক্তি: আরেকটি যুদ্ধের প্রস্তুতি? by পিটার কাস্টার্স

পরিকল্পিত মার্কিন-সৌদি অস্ত্র চুক্তির নানা দিক এখনই সাধারণ্যে আলোচিত হওয়া জরুরি। কেননা এই চুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী। সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে, বিপুল তেলসমৃদ্ধ দেশ সৌদি আরবের কাছে যুদ্ধাস্ত্র বিক্রির নতুন চুক্তি অনুমোদন করার দ্বারপ্রান্তে মার্কিন কংগ্রেস। চুক্তিটি হবে প্রায় ৬০ বিলিয়ন ডলারের।

Tuesday, June 12, 2012

ইউরোপের চিঠি-নেদারল্যান্ডের রাজনীতিতে ত্রিমুখী সংকট by পিটার কাস্টার্স

এমন সংকট আগে দেখা যায়নি। নেদারল্যান্ডের সীমানা ছাড়িয়েও এর প্রভাব পড়ছে। ইউরোপের ছোট্ট এ দেশে গত ৯ জুন নিয়মমাফিক পার্লামেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে বড় সাফল্য পায় কট্টর ডানপন্থী দল পিভিভি। এ দলের নেতা গিয়ার্ট উইল্ডার্স ইসলামবিদ্বেষী।

ইউরোপের চিঠি-নেদারল্যান্ডের রাজনীতিতে ত্রিমুখী সংকট by পিটার কাস্টার্স

এমন সংকট আগে দেখা যায়নি। নেদারল্যান্ডের সীমানা ছাড়িয়েও এর প্রভাব পড়ছে। ইউরোপের ছোট্ট এ দেশে গত ৯ জুন নিয়মমাফিক পার্লামেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে বড় সাফল্য পায় কট্টর ডানপন্থী দল পিভিভি। এ দলের নেতা গিয়ার্ট উইল্ডার্স ইসলামবিদ্বেষী।

Tuesday, June 5, 2012

যুক্তরাষ্ট্র-তেল বিপর্যয়ের দায় কাদের? by পিটার কাস্টার্স

ঘটনাটি দেখা হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের সবচেয়ে খারাপ পরিবেশ বিপর্যয় হিসেবে। গত ২০ এপ্রিল মেক্সিকো উপসাগরের ডিপওয়াটার হরাইজন নামে পরিচিত এলাকার একটি তেলকূপ খননের জন্য তৈরি পাটাতনে বিস্ফোরণ ঘটে।

Friday, June 1, 2012

বিশেষ সাক্ষাৎকার-যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের এখনই উপযুক্ত সময় by পিটার কাস্টার্স

বুদ্ধিজীবী ও সমাজবদলের কর্মী পিটার কাস্টার্সের জন্ম ১৯৫০ সালে, হল্যান্ডের ছোট্ট শহর রুরমন্সে। ১৯৭৩ থেকে ’৭৬ সাল পর্যন্ত পিপলস ডেইলি, দ্য নিউ আমস্টারডামসসহ হল্যান্ডের প্রধান জাতীয় দৈনিকগুলোর বাংলাদেশ প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেছেন।

Sunday, April 29, 2012

তেল-সংকট-জ্বালানি খাতে অশুভ সংকেত by পিটার কাস্টার্স

বছরের শুরুতেই লক্ষণটা অশুভ। জানুয়ারির তিন তারিখে খবর হলো যে, অপরিশোধিত তেলের আন্তর্জাতিক দাম গত দুই বছরের মধ্যে চরমে পৌঁছেছে। অন্যদিকে অপরিশোধিত ব্রেন্ট তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি নয় হাজার ৪৮৪ ডলার হবে বলে জানিয়েছেন এক বিশ্লেষক।

Thursday, April 26, 2012

ইউরোপের চিঠি-সমরবাজির বিশ্বায়ন by পিটার কাস্টার্স

গত ২০-২১ ডিসেম্বর রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট মেদভেদেভ নয়াদিল্লিতে দুই দিনের সফর করে গেলেন। এই সফরকালে তিনি ভারতের মনমোহন সিং সরকারের সঙ্গে একগাদা চুক্তিতে সই দিয়েছেন। সংবাদমাধ্যমগুলোর বরাতে জানা গেল, এসব চুক্তির মধ্যে অস্ত্রের বিক্রিবাট্টা আর পারমাণবিক চুল্লিবিষয়ক চুক্তিই সব থেকে গুরুত্ববাহী।

Sunday, April 22, 2012

ইউরোপের চিঠি-পেন্টাগনের বাজেট আসলেই কি কমেছে by পিটার কাস্টার্স

গত ৬ জানুয়ারি মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রবার্ট গেটস ও সামরিক বাহিনীর জয়েন্ট চিফস অব স্টাফসের চেয়ারম্যান মাইক মুলেন সামনের বছরে তাঁদের বাজেট পরিকল্পনা নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন। তাঁদের বক্তব্যের সার কথা হলো, পেন্টাগন ব্যয় সংকোচনে বাধ্য হচ্ছে আর ব্যয় সংকোচনের পরিমাণটাও বিশাল—প্রায় ৭০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

Sunday, April 15, 2012

ইউরোপের চিঠি-জাপানের বিপর্যয় ও পরমাণু-বিতর্ক by পিটার কাস্টার্স

জাপানের চলমান পারমাণবিক বিপর্যয় ইউরোপে পারমাণবিক জ্বালানির ঝুঁকি নিয়ে পুরোনো বিতর্ককে নতুন করে উসকে দিয়েছে। জাপানের পূর্ব উপকূলীয় ফুকুশিয়া-দাইচি পারমাণবিক কমপ্লেক্সে বিপর্যয়ের পরপরই পশ্চিমা পরমাণু বিশেষজ্ঞরা জনগণের আতঙ্ক দূর করতে চেষ্টা করেছিলেন।

Thursday, April 12, 2012

ইউরোপের চিঠি-সৌর প্যানেলের বিশ্ববাজার ও বাংলাদেশ by পিটার কাস্টার্স

বিশ্বের বড় দুই শক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে উত্তেজনা দ্রুত বাড়ছে। মাত্র কয়েক মাস আগে বিশ্ববাসী অবাক বিস্ময়ে দেখল, তাইওয়ানের উত্তর-পূর্বে কয়েকজন চীনা জেলে ও জাপানি সীমান্তরক্ষীদের মধ্যকার এক ছোট ঘটনা রাতারাতি দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক বিরোধে রূপ নেয়।

Tuesday, April 10, 2012

পারমাণবিক জ্বালানি-চেরনোবিল দুর্ঘটনার ২৫ বছর by পিটার কাস্টার্স

চেরনোবিল দুর্ঘটনা মানবজাতিকে জাগিয়ে তুলতে পারত। ২৫ বছর আগে, ১৯৮৬ সালের ২৬ এপ্রিল সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের ইউক্রেন প্রজাতন্ত্রে অবস্থিত চেরনোবিল পারমাণবিক স্থাপনার চতুর্থ চুল্লিতে দুর্ঘটনা ঘটে। আসলে বিপর্যয় কুণ্ডলী পাকাতে থাকে আগের রাতেই, যখন পারমাণবিক কেন্দ্রটির কর্মীরা টারবাইন পরীক্ষা করতে যান। তখন কেন্দ্রের স্বয়ংক্রিয় জরুরি ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে চুল্লির নিরাপত্তা দুর্বল হয়ে পড়ে।

Sunday, April 8, 2012

ইউরোপের চিঠি-জাপানে পারমাণবিক সংকট, বিপর্যয়ের সূচনা by পিটার কাস্টার্স

মানুষ হিসেবে এটা মেনে নেওয়া কঠিন। পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারের বিরোধীরা বছরের পর বছর ভয়ানক বিপর্যয়ের যে আশঙ্কা করছিলেন, তা সত্য হতে চলেছে জাপান বিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে। গত ১১ মার্চ ফুকুশিমা-দাইচি সংকট শুরুর পর তিন সপ্তাহ পেরিয়ে গেল। বিপর্যয়ের শুরু থেকেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল যে জাপান পারমাণবিক বিকিরণের বিরাট

Thursday, April 5, 2012

নিঃশেষিত ইউরেনিয়াম-তেজস্ক্রিয় অস্ত্র ব্যবহার ও লিবিয়া যুদ্ধ by পিটার কাস্টার্স

জনগণের চোখে কোনো যুদ্ধের বৈধতা দিতে বহু ধরনের ছলচাতুরীর আশ্রয় নেওয়া হয়। যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন ও ফ্রান্সের নেতৃত্বে পশ্চিমারা লিবিয়ার গাদ্দাফি সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধের তৎপরতা শুরু করেছে মার্চ মাসের মাঝামাঝি। তারও আগে লিবীয় নেতার বিরুদ্ধে শুরু হয় তীব্র আক্রমণাত্মক প্রচারণা—তাঁকে উন্মাদ হিসেবে জাহির করা হয়। যুদ্ধের সপক্ষে অজুহাত

Sunday, March 25, 2012

নিঃশেষিত ইউরেনিয়াম-তেজস্ক্রিয় অস্ত্র ব্যবহার ও লিবিয়া যুদ্ধ by পিটার কাস্টার্স

জনগণের চোখে কোনো যুদ্ধের বৈধতা দিতে বহু ধরনের ছলচাতুরীর আশ্রয় নেওয়া হয়। যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন ও ফ্রান্সের নেতৃত্বে পশ্চিমারা লিবিয়ার গাদ্দাফি সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধের তৎপরতা শুরু করেছে মার্চ মাসের মাঝামাঝি। তারও আগে লিবীয় নেতার বিরুদ্ধে শুরু হয় তীব্র আক্রমণাত্মক প্রচারণা—তাঁকে উন্মাদ হিসেবে জাহির করা হয়।

Wednesday, March 21, 2012

ইউরোপের চিঠি-জার্মানির পরমাণুশক্তি ত্যাগ পথ দেখাবে বিশ্বকে by পিটার কাস্টার্স

সিদ্ধান্তটি প্রত্যাশিতই ছিল। তবু তা বিশ্বের পরমাণু এস্টাবলিশমেন্টকে নাড়িয়ে দিয়েছে। জাপানের ফুকুশিমা-দাইচি পারমাণবিক কেন্দ্রে বিপর্যয়ের আড়াই মাস পর গত ২৯ মে অ্যাঙ্গেলা মেরকেলের নেতৃত্বাধীন জার্মানির ডানপন্থী সরকার দেশটির পরমাণু-যুগের অবসানের ঘোষণা দিয়েছে।