Thursday, October 31, 2024
দীর্ঘতম পথ অতিক্রমে সক্ষম নিষিদ্ধ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করলো উত্তর কোরিয়া
এতে বলা হয়, সিউল এবং পিয়ংইয়ংয়ের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে উত্তর কোরিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের খবর আসল। বৃহস্পতিবার দেশটির পূর্ব উপকূলের সমুদ্রের দিকে দূরপাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্রটি নিক্ষেপ করেছে পিয়ংইয়ং।
উচ্চকোন থেকে ছোড়া আইসিবিএম নামের দূরপাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রায় ৭ হাজার কিলোমিটার উচ্চতায় পৌঁছেছিল। এর অর্থ হচ্ছে যদি এই ক্ষেপণাস্ত্রটি সমান্তরালভাবে উৎক্ষেপণ করা হয় তবে এটি আরও বেশি দূরত্ব অতিক্রম করবে।
একদিন আগেই দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক গোয়েন্দারা সেদেশের সংসদ সদস্যদের জানিয়েছিলেন, উত্তর কোরিয়া তাদের সপ্তম পরমাণু পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে নিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র পর্যন্ত গিয়ে আঘাত হানতে পারে, এমন দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রও তারা এবার পরীক্ষা করতে চলেছে।
জাপানের কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, মিসাইলটি তাদের ওকুশিরি দ্বীপের থেকে তিনশ কিলোমিটার দূরে গিয়ে পড়েছে। জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেনারেল নাকাতানি জানিয়েছেন, অন্ততপক্ষে একটি আইসিবিএম পর্যায়ের ব্যালেস্টিক মিসাইল পিয়ংইয়ং থেকে উত্তরপূর্ব দিকে ছোড়া হয়েছে। এটা এক হাজার কিলোমিটার দূরত্ব পার করেছে। মিসাইলের সবচেয়ে বেশি উচ্চতা ছিল সাত হাজার ফিট। নাকাতানি বলেছেন, উত্তর কোরিয়া এখনো পর্যন্ত যত ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করেছে, তার মধ্যে এই মিসাইলটি সবচেয়ে বেশি সময় ধরে গেছে। তাই বর্তমানে চালু ক্ষেপণাস্ত্রগুলি থেকে এটি আলাদা। যুক্তরাষ্ট্র এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার নিন্দা করেছে।
অন্যদিকে উত্তর কোরিয়ার এই উৎক্ষেপণের প্রতিক্রিয়ায় নতুন করে তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞার হুঁশিয়ারি দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া।
![]() |
| উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ। পুরোনো ছবি |

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রক্তাক্ত কাফনের কাপড় সরিয়ে মাকে দেখে মুষড়ে পড়লেন অ্যাম্বুলেন্স কর্মী by আব্দুল কাইয়ুম
এতে বলা হয়, কাফনে মোড়ানো নিজের মাকে দেখে চিৎকার করে উঠেন আবেদ বারদিনি নামের এক অ্যাম্বুলেন্স কর্মী। তিনি বলেন, ওহ খোদা! শপথ করে বলছি- তিনি আমারই মা। না দেখলে কখনও জানতেই পারতাম না। এ দৃশ্য দেখে স্ট্রেচারের পাশেই কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন ওই যুবক।
ঘটনাস্থল থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে রক্তে রঞ্জিত মৃতদেহটি যখন আল-বালাহের আল-আকসা শহিদ হাসপাতালের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল তখন তার পাশেই বসেছিলেন বারদিনি। তখনও তিনি জানতেন না যে কাফনে মোড়ানো মৃতদেহটি তার মায়ের লাশ।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের মতে, মাগাজি শরণার্থী শিবিরের কাছে একটি গাড়ি লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইসরাইল। এতে তিন ব্যক্তি নিহত হন। তাদের মধ্যে একজন ছিলেন সামিরা বারদিনি। যিনি প্রথমে গুরুতর আহত হয়েছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে উদ্ধারের আগেই মারা যান ৬১ বছর বয়সী ফিলিস্তিনি ওই নারী। গাড়ির পাশে দাঁড়িয়ে থাকায় সরাসরি বোমার আঘাতে ক্ষতবিক্ষত হয়েছিলেন তিনি। হামলার সময় ওই গাড়িতে আরও দুই ব্যক্তি নিহত হন। যারা গাড়ির ভিতরেই অবস্থান করছিলেন।
ঘটনাস্থলে পাঠানো দুটি অ্যাম্বুলেন্সের একটিতে ছিলেন আবেদ বারদিনি। বুধবার শেষ বিকেলের সূর্যের আলোতে যখন মৃতদেহটি স্ট্রেচারে করে হাসপাতালের ভিতরে নিয়ে যাচ্ছিলেন তখনই তিনি কাপড় সরিয়ে মুষড়ে পড়েন। দেখেন কাফনের ভিতরে পড়ে আছে তার মায়ের নিথর রক্তাক্ত দেহ।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভোটে কী পরিবর্তন আসছে?
সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক ও নির্বাচন সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার মানবজমিনকে বলেন, আমাদের প্রত্যাশা নির্বাচন কমিশন গঠিত হোক সৎ, সাহসী ও যোগ্য মানুষ দ্বারা। যারা সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করতে তাদের দায়িত্বটা সুচারুভাবে পালন করবেন। যার মাধ্যমে আমাদের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাটা কার্যকর হয়। একই সঙ্গে নির্বাচন সংস্কার কমিশনের দেয়া সংস্কার প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে তারা যথাযথ ভূমিকা রাখবে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও অন্যান্য কমিশনার নিয়োগের সুপারিশ করতে সার্চ কমিটির প্রধান হচ্ছেন আপিল বিভাগের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। বুধবার মন্ত্রী পরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। যদিও এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কমিটির প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি।
এর আগে গতকাল প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও অন্যান্য কমিশনার নিয়োগের সুপারিশ করতে সার্চ কমিটির প্রধান হিসেবে আপিল বিভাগের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে মনোনীত করেন প্রধান বিচারপতি। এছাড়া সদস্য হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামানকে মনোনীত করা হয়েছে। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ সুপ্রিম কোর্টের এই দুই বিচারপতির নাম সুপারিশ করে তা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠিয়েছেন।
নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইনানুযায়ী, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের শূন্য পদে নিয়োগ দেয়ার যোগ্যতা সম্পন্ন ব্যক্তিদের নাম সুপারিশ করার উদ্দেশ্যে ৬ (ছয়) জন সদস্যের সমন্বয়ে একটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করবেন প্রেসিডেন্ট। সদস্যের মধ্যে থাকবেন- প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত আপিল বিভাগের একজন বিচারক, যিনি অনুসন্ধান কমিটির সভাপতিও হবেন। এছাড়া, প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারক, বাংলাদেশের মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান এবং প্রেসিডেন্ট কর্তৃক মনোনীত ২ (দুই) জন বিশিষ্ট নাগরিক, যাদের একজন হবেন নারী। এই দুই সদস্যের মধ্যে পিএসসি’র সাবেক একজন নারী চেয়ারম্যান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সাবেক শিক্ষকের নাম তালিকায় আছে।
২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর প্রতিটি জাতীয় নির্বাচন হয়েছে নানা বিতর্কের মধ্য দিয়েছে। ২০১৪ সালের নির্বাচনটি ছিল অনেকটা বিনা ভোটের। কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের নেতৃত্বাধীন কমিশনের অধীনে ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় বিরোধী দলবিহীন দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচনের যে সংস্কৃতি বাংলাদেশে গড়ে উঠেছিল, তা এই কমিশন ধ্বংস করে দেয়। নির্বাচনের অনুকূল পরিবেশ না থাকলেও বিতর্কিত নির্বাচন আয়োজন করে রকিবউদ্দীন কমিশন। এ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন জোট ও তাদের শরিক দলের প্রার্থীরা ভোটের আগেই ৩০০ আসনের মধ্যে অর্ধেকের বেশি অর্থাৎ ১৫৩ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। এতে ভোটের আগেই সরকার গঠনের আসন পেয়ে যায় আওয়ামী লীগ। এছাড়া এতে পাঁচ কোটির বেশি ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ হারায়। এদিকে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ একাই ২৩৪টি আসন পায়। আর জাতীয় পার্টি ৩৪টি, ওয়ার্কার্স পার্টি ৬টি, জাসদ (ইনু) ৫টি, তরীকত ফেডারেশন ২টি, জাতীয় পার্টি (জেপি) ২টি, বিএনএফ ১টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ১৬টি আসনে জয়লাভ করেন। এই নির্বাচনে (১৪৭টি আসনে) ভোট প্রদানের হার দেখানো হয় ৪০ দশমিক ০৪ ভাগ। নির্বাচনের পর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার গঠিত হয়। এরশাদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টিকে সংসদে বিরোধী দল বানানো হয়। একই সঙ্গে দলটি থেকে মন্ত্রীও করা হয় এবং এরশাদকে বানানো হয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ দূত। জাতীয় পার্টি আসলে সরকারের অংশ নাকি বিরোধী দল, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান সংকটের পেছনে এই কমিশনের দায় সবচেয়ে বেশি।
২০১৪ সালের মতো ২০১৮ সালেও দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে অংশ নেয়া নিয়ে বিরোধী দলগুলোর মধ্যে সন্দেহ-সংশয় ছিল। নির্বাচনের আগে বিএনপি’র সঙ্গে আরও কিছু দল যুক্ত হয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নামে একটি রাজনৈতিক জোট গঠন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টসহ আরও কিছু দল ও জোটের সঙ্গে সংলাপ করেন এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়। এমন প্রেক্ষাপটে নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও বিরোধী দলগুলো নির্বাচনে অংশ নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে ২০১৮ সালের ৩০শে ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আয়োজন করে কেএম নূরুল হুদার নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন। এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ একাই ২৫৮টি আসন পায়। অন্যদিকে জাতীয় পার্টি ২২টি এবং মহাজোটভুক্ত অন্য দলগুলো ৮টি আসনে জয়ী হয়। আর জাতীয় ঐক্যফ্রন্টভুক্ত বিএনপি পায় মাত্র ৬টি আসন। এ ছাড়া গণফোরাম ২টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৩টি আসনে জয়ী হন। এই নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি দেখানো হয় ৮০ দশমিক ২০ শতাংশ। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ পায় মোট ভোটের ৭৪ দশমিক ৪৪ শতাংশ। বিএনপি পায় মাত্র ১২ দশমিক ০৭ শতাংশ ভোট। একাদশ সংসদ নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ২১৩টি কেন্দ্রে শতভাগ এবং ১ হাজার ৪১৮টি কেন্দ্রে ৯৬ শতাংশের ওপর ভোট পড়ে। অন্যদিকে বেসরকারি সংস্থা সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, ৭৫টি আসনের ৫৮৬টি কেন্দ্রে যতগুলো বৈধ ভোট পড়ে তার সবগুলোই পেয়েছে নৌকা মার্কার প্রার্থীরা। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সবচেয়ে বিতর্কিত বিষয় ছিল রাতের ভোট। বিএনপি এবং তাদের জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অনেক প্রার্থী ভোটের আগের রাতেই ভোটকেন্দ্র নিয়ে নানা অভিযোগ তুলে ধরেন। তাদের অভিযোগ ছিল, রাতেই কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ এবং তাদের জোটের প্রার্থীর সমর্থকরা ব্যালট পেপারে সিল মেরে বাক্স ভরেন। আগের রাতে সিল মারার সত্যতা গণমাধ্যমেও উঠে আসে। পুলিশ ও প্রশাসনের সহায়তায় বিতর্কিত এই নির্বাচন হয়।
২০২২ সালের ২৭শে ফেব্রুয়ারি সিইসি হিসেবে নিয়োগ পান সাবেক আমলা কাজী হাবিবুল আউয়াল। নিয়োগ পাওয়ার পরই তিনি জানান, তাদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ বিএনপি’র মতো বড় রাজনৈতিক দলসহ অন্যান্য দলকে নির্বাচনে আনা। যদিও শেষ পর্যন্ত বিএনপিসহ সমমনা দলগুলোকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আনতে ব্যর্থ হন তিনি। দায়িত্ব গ্রহণের পরই বিভিন্ন সিটি ও উপ-নির্বাচনের আয়োজন করে। সেই নির্বাচনগুলোও নানাভাবে বিতর্কিত হয়। এসব নির্বাচনে ভোটের হারও ছিল অনেক কম। পরবর্তীতে আরওপিও সংশোধন করে নিজেদের ক্ষমতা খর্ব করে আউয়াল কমিশন। নির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহ করার আইন কঠিন করা হয়। শুরু থেকেই সিইসি রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে নিজস্ব কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেয়ার কথা বললেও শেষ পর্যন্ত ডিসিদের রিটার্নিং কর্মকর্তা করা হয়। যোগ্য রাজনৈতিক দলগুলোকে নিবন্ধন না দিয়ে ভুঁইফোঁড় কয়েকটি দলকে নিবন্ধন দেয় ইসি। এ ছাড়া রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ নানা ইস্যুতে সিইসি ও অন্যান্য কমিশনারদের মধ্যে মতপার্থক্য দেখা দেয়। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ব্যয় ধরা হয়। এমন বাস্তবতায় ২০২৪ সালের ৭ই জানুয়ারি একতরফাভাবে এই নির্বাচন আয়োজন করে কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন কমিশন। বিএনপিসহ বেশির ভাগ রাজনৈতিক দল নির্বাচন বয়কট করায় নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক দেখাতে বিভিন্ন আসনে বিরোধী প্রার্থী হিসেবে ডামি প্রার্থী (নকল) দেয় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। এজন্য ডামি ও একতরফা নির্বাচন হিসেবে খেতাব পায় দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্রে ইতিহাসের হাতছানি- রাশিয়া, চীন, ইরানের হস্তক্ষেপ!
এসব ষড়যন্ত্র তত্ত্ব বা বাইরের হস্তক্ষেপ এবার রাজনীতিতে কতোটা প্রভাব ফেলবে তা আগাম বলা যায় না। কিন্তু অনেকেই আশঙ্কা করছেন ট্রাম্পকে নিয়ে। কারণ, তিনি এরই মধ্যে জানিয়ে দিয়েছেন পরাজিত হলে তিনি নির্বাচনের ফল মানবেন না। যদি তিনি পরাজিত হনই, তাহলে ফল না মেনে কি করবেন সে বিষয়ে পরিষ্কার করেননি। এক্ষেত্রে ২০২১ সালের ৬ই জানুয়ারির দৃশ্য চোখের সামনে ভেসে ওঠে। ওইদিন তার উস্কানিতে তার সমর্থকরা যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল হিলে দাঙ্গা চালায়। ব্যাপক ভাঙচুর, লুটপাট চালায়। ওই সময় ক্যাপিটল হিলে উপস্থিত সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স, নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সহ কংগ্রেসের গুরুত্বপূর্ণ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তারা নিরাপদে সরে গিয়ে জীবন রক্ষা করেন। ওইদিন দাঙ্গায় নিহত হন কমপক্ষে ৫ জন। নির্বাচনের ফল প্রকাশের আগে কয়েকটি রাজ্যে নির্বাচনী ফল উল্টে দেয়ার জন্য তিনি নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। এমনকি ফল না মেনে ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সকে নির্দেশ দেন, তাকে বিজয়ী ঘোষণা দিতে। কিন্তু মাইক পেন্স সেই অনুরোধে বা নির্দেশে সাড়া দেননি। তিনি নির্বাচনের ফল মেনে নিয়ে জো বাইডেনের হাতে ক্ষমতা তুলে দেয়ার আয়োজন সম্পন্ন করেন। এখানেই শেষ নয়, ট্রাম্প যেসব ঘটনা ঘটিয়েছেন, তারপরও তিনি প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থী এবং তাকে প্রায় সমান সংখ্যক ভোটার সমর্থন করছেন- এটাই তার অর্জন। বিশ্লেষকরা বলেন, দাম্ভিকতা, অহংবোধ এবং বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সমাজকে, রাজনীতিকে বিভক্ত করার চেষ্টা করছেন ট্রাম্প। নিকট অতীতে এতটা বিভক্ত ছিল না যুক্তরাষ্ট্র। তিনি নির্বাচিত হলে গাজা, ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। কিন্তু কীভাবে তা করবেন সে বিষয়ে বিস্তারিত বলেননি। এটা এমনও হতে পারে মুসলিমদের ভোট পাওয়ার কৌশল। যতটা মুসলিমপ্রেমী হিসেবে তাকে মনে করা হচ্ছে এখন, আদতে তিনি ততটা নন। মনে আছে, প্রেসিডেন্ট থাকাকালে তিনি ফিলিস্তিন, সৌদি আরব সহ মুসলিমদের বিরোধিতার মুখে জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে ঘোষণা দেন। তেলআবিব থেকে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস সেখানে স্থানান্তরিত করেন। ট্রাম্পের বিতর্ক এখানেই শেষ নয়। ২০২০ সালে করোনা মহামারিতে যুক্তরাষ্ট্রে যখন মৃত্যুর মিছিল, তখন তিনি নিজে মুখে মাস্ক না পরে টিকাবিরোধী প্রপাগান্ডা চালান। ফলে তিনি যে জনমানুষের কথা খুব বেশি ভাবেন বা তাদেরকে প্রাধান্য দেন- তেমনটা হলফ করে বলা যায় না।
তবু তিনি নির্বাচন করছেন। কারণ, নির্বাচিত হলে তার বিরুদ্ধে যারা আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছেন- তাদেরকে তিনি দেখে নেবেন।
২০১৬ সালের নির্বাচনে ডেমোক্রেট প্রার্থী ছিলেন হিলারি ক্লিনটন ও রিপাবলিকান ডনাল্ড ট্রাম্প। সেই নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপের অভিযোগ আছে। তার আট বছর পর আবার মঙ্গলবার নির্বাচন। এবারও বিদেশি হস্তক্ষেপের ভয় আছে। এমন হস্তক্ষেপ করতে পারে রাশিয়া, চীন ও ইরান। আগের চেয়ে এই হস্তক্ষেপের আশঙ্কা অনেক বেড়েছে। যদি হস্তক্ষেপ হয় তাহলে তা শনাক্ত করা খুব জটিল হবে। যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা ও প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা, প্রযুক্তি বিষয়ক কোম্পানি এবং একাডেমিক গবেষকদের মতে, রাশিয়া, চীন এবং ইরানের মতো বিদেশি বিভিন্ন দেশ থেকে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। তারা ক্রমশ তাদের এই কৌশল বৃদ্ধি করছে। তারা যদি সামান্য ভোটের ব্যবধান ঘটাতে পারে, তাহলে তাতে নির্বাচনের ফল বদলে যেতে পারে। গোয়েন্দা মূল্যায়নে বলা হয়েছে, গত নির্বাচনে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পকে সমর্থন করেছিল রাশিয়া। এবার তারা তা আরও বৃদ্ধি করতে পারে। তবে তার প্রতিপক্ষ কমালা হ্যারিসকে পছন্দ করে ইরান। কারণ, প্রথম মেয়াদে নির্বাচিত হয়ে ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে দেয়া নিষেধাজ্ঞা বহাল করেন। এতে ইরান নতুন করে আর্থিক সংকটে পড়ে।
রাশিয়া এবং ইরানের পছন্দের প্রার্থী থাকলেও চীনের দৃশ্যত কোনো পছন্দ নেই এই নির্বাচনে। কিন্তু তাদের লক্ষ্য পরিবর্তন হয়নি। তাদের উদ্দেশ্য বিশ্বের চোখে যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্রকে বিশৃঙ্খল ও অসম্মানিত করা। প্রচারণায় আবির্ভাব ঘটেছে পাল্টে যাওয়া মিডিয়া ব্যবস্থা এবং প্রযুক্তির নতুন নতুন হাতিয়ার। এর ফলে মানুষকে বোকা বানানো সহজ হয়েছে। ২০১৬ সালের নির্বাচন নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দেয়ার প্রাথমিক কারিগর রাশিয়া। তারা ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে প্রধানত এটা করেছে। এখন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে প্রভাব সৃষ্টি করতে একই রকমভাবে যুক্ত ইরান ও চীন। এই তিনটি দেশ কয়েক ডজন প্ল্যাটফরমে তাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। যেসব মাধ্যম মার্কিনিরা ব্যবহার করে, মার্কিনিরা চ্যাট করে, আবহাওয়া জানতে চায়- এমন সব মাধ্যমে তারা তাদের আগ্রহকে শেয়ার করছে। এসব দেশ একটি অন্যটির থেকে কৌশল জানছে। তবে তাদের মধ্যে সরাসরি কৌশলগত কোনো সহযোগিতা আছে কিনা তা নিয়ে বিতর্ক আছে। টেলিগ্রামে বিভক্তি সৃষ্টিকারী জিনিসপত্র ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে রাশিয়ান অ্যাকাউন্ট থেকে। তার মধ্যে কখনো কখনো পোস্ট দেয়া হচ্ছে বিষোদ্গারমূলক ভিডিও, মেমে ও বিভিন্ন রকম নিবন্ধ। চীন থেকে এমন শত শত অ্যাকাউন্ট আছে। তাতে গাজা যুদ্ধ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাম্পাসগুলোতে উত্তেজনা সৃষ্টি করতে উদ্বুদ্ধ করা হয়। কম গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘গ্যাব’-এ অ্যাকাউন্ট আছে দু’টি দেশেরই। উগ্র ডানপন্থিদের কাছে এই মাধ্যম পছন্দের। এখানে তারা ষড়যন্ত্র তত্ত্বকে অনুমোদন দিতে কাজ করে। রেডিট নামের অনলাইনে ডনাল্ড ট্রাম্পকে সমর্থন দিতে চেষ্টা করেছে রাশিয়ার অপারেটিভরা। রেডিফ ফোরামটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করে উগ্র ডানপন্থিরা। এর মধ্যদিয়ে হিস্প্যানিক আমেরিকান, ভিডিও গেমার এবং ট্রাম্পের প্রতি সহানুভূতিশীল হিসেবে চিহ্নিতদের সহ ৬টি সুইং স্টেটের ভোটারদের টার্গেট করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের আইন মন্ত্রণালয় এসব তথ্য প্রকাশ করেছে সেপ্টেম্বরে।
ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে দিতে সম্পদ ব্যবহার করেছে ইরান। ‘নট আওয়ার ওয়্যার’ নামের একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের বর্ষীয়ান সামরিক কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। এতে আমেরিকাবিরোধী দৃষ্টিভঙ্গি ও ষড়যন্ত্র তত্ত্ব ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। ‘আফ্রো মেজরিটি’ নামের আরেকটি সাইটে কন্টেন্ট সৃষ্টি করা হয়েছে কৃষ্ণাঙ্গ মার্কিনিদের টার্গেট করে। ‘সাভানা টাইমস’ নামের আরেকটি সাইটে জর্জিয়া সুইং স্টেটের ভোটারদেরকে আন্দোলিত করার চেষ্টা করেছে। আরেকটি সুইং স্টেট মিশিগানে ইরান সৃষ্টি করেছে অনলাইন আউটলেট ‘ওয়েস্টল্যান্ড সান’। ডেট্রয়েটে বসবাসকারী আরব আমেরিকানদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে তৈরি করা হয়েছে এই সাইট। ফাউন্ডেশন ফর ডিফেন্স অব ডেমোক্রেসির সিনিয়র বিশ্লেষক ম্যাক্স লেসার বলেন, মিশিগানে আরব ও মুসলিম জনগোষ্ঠীকে টার্গেট করবে ইরান। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে ইরান জানে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দিল্লির চাঁদনি চকে ফরাসি রাষ্ট্রদূতের মোবাইল চুরি
অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। বাজার এলাকার সমস্ত সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখা হয়। চার জনকে সেখান থেকেই চিহ্নিত করেন তদন্তকারীরা। তাদের গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ সূত্রের খবর, চার জনেরই বয়স ২০ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে। চুরি যাওয়া মোবাইলটিও তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
ভারতে ফরাসি রাষ্ট্রদূতের হাতে তার হারিয়ে যাওয়া মোবাইলটি ফিরিয়ে দেওয়ার পর দিল্লি পুলিশ একটি বিবৃতি দিয়ে সে কথা জানিয়েছে। আটককৃতরা ট্রান্স-যমুনা এলাকার বাসিন্দা। তাদের হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এই ঘটনার পর, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে, বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। রাষ্ট্রদূত থিয়েরি মাতাউরে বলেন, “এই ধরনের ঘটনা খুবই দুঃখজনক। এটি আমাদের সবার জন্য একটি সতর্কবার্তা, বিশেষ করে পর্যটকদের জন্য।”
তিনি আরও বলেন, তিনি এই ঘটনার পরে ভারতীয় পুলিশ বাহিনীর কাজের প্রশংসা করেন। পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় তিনি সন্তুষ্ট হয়েছেন। বিশেষ করে চাঁদনি চক এলাকার মতো জনবহুল স্থানে এই ঘটনার পর, অনেকেই সামাজিক মাধ্যমে মন্তব্য করেছেন যে, তারা এখনো বিদেশিদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত। কিছু ব্যবহারকারী বলছেন, এই ধরনের ঘটনাগুলি ভারতীয় সংস্কৃতির উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
সূত্র : ইন্ডিয়া টুডে

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভাঙাড়ি বিক্রেতা থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক by রাশিদুল ইসলাম
কে এই দেলো: ১৯৭৪ সালে দেশে দুর্ভিক্ষের সময় কাজের সন্ধানে গোপালগঞ্জ থেকে পরিবার নিয়ে খুলনায় চলে আসেন দেলোয়ার হোসেন দেলোর পিতা আবুল হাসেম। জাতীয় পার্টির আমলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী কাজী জাফর আহমদের দোলখোলাস্থ বাড়ির সিঁড়ির রুমে আশ্রয় পান। দেলোর বাবা দিনে রিকশা চালানো এবং রাতে কাজী বাড়ির নৈশপ্রহরী হিসেবে কাজ করতেন। তার সাত ছেলে-মেয়ে ও নিজেরা দু’জনসহ ৯জনের সংসারে অভাব-অনটনের মধ্যে দিন কাটতো। তখন বড় ছেলে মোজাহার হোসেন মোজো বড় বাজারের ব্যবসায়ীদের জন্য বাড়ি থেকে ভাত নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু করে। বড় বোন মরিয়ম শীতলাবাড়ীর কবিরাজ মোহন ঠাকুরের সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন।
সূত্র জানায়, পরবর্তীতে রায়পাড়ার কাস্টম বাবুদের বাড়িতে একটি ঘরভাড়া নেন আবুল হাসেম। সেখান থেকেই হয়ে যান খুলনার স্থায়ী বাসিন্দা। এক সময় বড়বাজারে সাঈদের কাপড়ের দোকানে সামান্য বেতনে কাজ শুরু করেন আবুল হাসেমের মেজো ছেলে দেলোয়ার হোসেন দেলো। পরে তিনি ভাঙ্গারি ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। এরপর নতুন বাজারে মাছের আড়ৎ-এ ক্লিনার হিসেবে কাজ করেছেন কিছুদিন। সুচতুর দেলো নতুন বাজারের আড়ৎদারদের কাছ থেকে বাকিতে মাছ নিয়ে খুচরা বিক্রি শুরু করেন। পাশাপাশি মাছ কোম্পানির গ্রেডার হিসেবে কাজ করতেন। বিভিন্ন কৌশলে আড়ৎদারদের কাছ থেকে মাছ ক্রয় করে মাছ কোম্পানিতে সরবরাহ করার মধ্য দিয়ে আর্থিকভাবে কিছুটা সচ্ছল হন। তার বাড়ি গোপালগঞ্জ হওয়ার সুবাদে শেখ সোহেলের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলেন। এরপর তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।
শেখ বাড়ির আশীর্বাদে যেভাবে উত্থান: শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই সাবেক এমপি শেখ জুয়েল ও শেখ সোহেলের আশীর্বাদে দেলো এখন মাছ কোম্পানির মালিক। সাতক্ষীরা জেলার কালীগঞ্জ এলাকায় তার মাছ কোম্পানির নাম রোজেলা ফিস। ২০১০ সালে চার বন্ধুর যৌথ মালিকানায় এই মাছ কোম্পানিটি চালু করেন। পরবর্তীতে শেখ পরিবারের দাপটে তিন বন্ধুকে হটিয়ে নিজেই মালিক বনে যান। মাছ ব্যবসার অন্তরালেই চলতো তার মাদক ব্যবসা। শেখ সোহেলের মাধ্যমে বাংলাদেশে ইয়াবার মূল হোতা হিসেবে পরিচিত কক্সবাজার-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদির সঙ্গে সখ্য হয় দেলোর। ফলে কক্সবাজার থেকে মাছের কার্টনে এ অঞ্চলে আনা হতো মাদক ‘ইয়াবা’র বড় চালান। সেই ইয়াবা খুলনা থেকে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে সরবরাহ করতেন তার ভাই মোজাহার হোসেন মোজো। এছাড়া দেলো-মোজোর নেতৃত্বে নগরীতে চলতো ফেনসিডিল ব্যবসা। খুলনা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের কোষাধ্যক্ষ পদে থেকে এ ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করতেন মোজো। এ কাজে তাকে সহযোগিতা করতেন দলীয় প্রভাবশালী যুবলীগ নেতা ও শেখ সোহেলের দেহরক্ষী শওকত হোসেন সহ কতিপয় নেতা। এ অবৈধ আয়ের একটি অংশ পেতেন প্রশাসন থেকে শুরু করে দলের শীর্ষ নেতারা। দেলোর বোন মরিয়মের রয়েছে বাগমারা এলাকায় মাদক ব্যবসা।
অবৈধ আয়ের যত সম্পদ: খুলনা মহানগরীর ইসলামপুর, দোলখোলা ও রায়পাড়া এলাকা সরজমিন ঘুরে জানা যায়, দেলোয়ার হোসেন দেলোর বিত্তবৈভবের অজানা কাহিনী। রায়পাড়া রোডস্থ ইসলামপুর মসজিদের পাশেই বিলাসবহুল ৫তলা অট্টালিকা, একই এলাকার নবারণ সংসদের পাশেই একটি ৬তলা, রাজ্জাকের গলির মধ্যে একটি ৬তলা, একটি ৪তলা, দু’টি দু’তলা ও তিনটি জমি, রায়পাড়া মেইন রোডস্থ মেট্রোপলিটন ক্লিনিকের সামনে একবিঘার উপরে সিদ্দিক মঞ্জিলের জমি কেনা ১০ কোটি টাকা দিয়ে, মুসলমানপাড়া মেইন রোডের খোকা মোল্লা লেনে ৩ কাঠার একটি জমি ও আব্দুল গনি বিদ্যালয় লেনে ৫ কাঠার একটি জমি এবং শহরেও রয়েছে জমি ও দখল করা অসংখ্য প্লট। খুলনা শহরে তার বিলাসবহুল বাড়ি রয়েছে ১০ থেকে ১২টা। নগরীর ক্লে রোডে রয়েছে একটি মার্কেট। এছাড়া ডুমুরিয়া মৌজায় নামে-বেনামে ৪০ থেকে ৫০ বিঘা জমি রয়েছে। যেখানে গড়ে তোলা হয়েছে বাগানবাড়ী। সেখানে মাঝে-মধ্যে আয়োজন করা হয় পিকনিকের নামে মাদক সেবন ও জলসা। এককথায় দেলো খুলনা শহরের দৃশ্যমান একজন ভূমিদস্যু নামে পরিচিত। খুলনা ও ঢাকায় তার অনেকগুলো ফ্ল্যাট আছে বলেও জানা যায়। দেলোয়ার হোসেন দেলোর রয়েছে বিলাসবহুল ৭-৮টা গাড়ি। একেক সময় একেকটা গাড়ি নিয়ে তিনি মহড়া দিতেন খুলনা শহরে। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের কিছুদিন আগে খুলনা-২ আসনের সাবেক এমপি শেখ জুয়েলকে ২ কোটি ২৫ লাখ টাকার একটা বিলাসবহুল গাড়ি উপহার দিয়েছিলেন দেলো। এ নিয়ে নগরীতে ব্যাপক আলোচনায় আসেন ওই সংসদ সদস্য।
সুন্দরবনের দস্যু ও কিশোর গ্যাং দেলোর নিয়ন্ত্রণে: সুন্দরবনের বাওয়ালী ও জেলেদের অভিযোগ-সুন্দরবনের ৫-৬টা ডাকাতদল আছে দেলো ও তার ভাই মোজোর নিয়ন্ত্রণে। এছাড়া খুলনার একাধিক সন্ত্রাসী বাহিনী ও কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ করতেন তারা। এসব সন্ত্রাসীর কাছে রয়েছে অনেক অবৈধ অস্ত্র। অল্প সময়ে শেখবাড়ীর ছত্রছায়ায় দেলো হয়ে ওঠেন খুলনায় এক মূর্তিমান আতঙ্ক।
প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রর্দশন: সূত্র জানায়, ২০২৩ সালের ১৪ই আগস্ট জামায়াতের শীর্ষ নেতা প্রয়াত আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে নগরীর বসুপাড়ায় তার প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসা চত্বরে কবর দেওয়ার অসিয়ত ছিল। কিন্তু সেখানে কবর না দেওয়ার জন্য আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের ক্যাডারদের সঙ্গে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন এই দেলো। তিনি প্রকাশ্যে শর্টগান ও একাধিক সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে ১৪ই আগস্ট ২০২৩ রাতে আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর প্রতিষ্ঠিত দারুল কুরআন সিদ্দিকীয়া কামিল মাদ্রাসার মূল ফটকে অবস্থান নিয়েছিলেন। ২০২২ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের খুলনা মহানগর শাখার সদস্য ও মহানগর যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান সাগরের মৃত্যুর সঙ্গেও এই দেলো জড়িত আছেন বলে প্রচার আছে। এ ছাড়া গত ৮ই জুলাই খুলনা ২৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আলামিনকে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। দেলোয়ার হোসেন দেলোর নেতৃত্বে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। গত ৪ঠা আগস্ট খুলনায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে প্রকাশ্যে শর্টগান দিয়ে গুলি করেছিলেন দেলো। কয়েকজন ছাত্র সেদিন গুরুতর আহত হয়েছিলেন। তার বিরুদ্ধে বিএনপি অফিস ভাঙচুর, হামলা ও লুটপাটের অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে। ৫ই আগস্টের পর দেলো-মোজোসহ পরিবারের সদস্যরা আত্মগোপনে চলে যান।
অভিযোগ সম্পর্কে যা বলেন দেলো: অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে দোলোয়ার হোসেন দেলো বলেন, চল্লিশ বছর ব্যবসা করে আমি এ পর্যন্ত এসেছি। ব্যবসার স্বার্থে শেখ পরিবারের অনেকের সঙ্গে আমার সুসম্পর্ক ছিল, তবে অবৈধ কিছু করিনি। আমার কোম্পানি ১০০ কোটি টাকার মাছ রপ্তানি করে। অর্থনীতিতে আমার বড় অবদান আছে। অস্ত্র প্রদর্শন ও আল্লামা সাঈদীর লাশ দাফনে বাধা দেওয়ার সময় আমি সেখানে ছিলাম না। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ ও মামলা দেয়া হয়েছে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ড. ইউনূসের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সফল হলেই ভারতের স্বার্থ রক্ষিত হবে- ভারতীয় ব্যবসায়ী

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘রাষ্ট্র হিসেবে টিকে থাকতে হলে নির্বাচনে নজর দিন’
তিনি বলেন, রাজনৈতিক সংগ্রাম চলতে থাকে। সংস্কার কার্যক্রম তেমনি চলমান থাকে। আমরা প্রত্যাশা করবো, সরকার দ্রুত সংস্কার কমিশন থেকে রিপোর্ট নিয়ে জনগণের সামনে তুলে ধরবেন এবং সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবেন। সব সংস্কার কিন্তু জনগণের দ্বারা স্বীকৃত হতে হবে এবং জনগণকে সেটা মেনে নিতে হবে। জনগণের মতামত ছাড়া কোনো সংস্কার দীর্ঘায়িত হবে না। উপর থেকে চাপিয়ে দিয়ে কোনো কিছু সফল হয় না। এনপিপি’র চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদের সভাপতিত্বে এবং মহাসচিব মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফার পরিচালনায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাগপার সভাপতি খন্দকার লুৎফর রহমান, গণদলের চেয়ারম্যান এটিএম গোলাম মাওলা চৌধুরী, এনডিপি’র চেয়ারম্যান কারী আবু তাহের, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক পার্টির চেয়ারম্যান এস এম শাহাদাত, ডেমোক্রেটিক লীগের (ডিএল) সাধারণ সম্পাদক খোকন চন্দ্র দাস, বাংলাদেশ ন্যাপের মহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল বারিক প্রমুখ।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শিখ নেতা হত্যার ষড়যন্ত্রে অমিত শাহ জড়িত: কানাডা
এতে বলা হয়, কানাডার মাটিতে শিখ নেতা হরদীপ সিং নিজ্জার হত্যাকাণ্ডে ভারতীয়দের সরাসরি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছে ভারত। দিল্লি এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন এবং অমূলক বলে দাবি করেছে।
কানাডার মাটিতে শিখ নেতা হত্যা এবং তাদের ভয়-ভীতি দেখানোর পেছনে অমিত শাহের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে এমন খবর প্রথম প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক সংবাদপত্র ওয়াশিংটন পোস্ট। গণমাধ্যমটি বলছে, কানাডার সরকার জানিয়েছে খালিস্তানপন্থী শিখদের লক্ষ্য করে সহিংসতা ও তাদের ভয় দেখানোর পিছনে অমিত শাহই কাজ করেছেন।
মঙ্গলবার কানাডার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড মরিসন সংসদীয় এক প্যানেলকে বলেছেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক সংবাদপত্রকে বলেছেন এই চক্রান্তের পেছনে ছিলেন ভারতীয় মন্ত্রী অমিত শাহ। ওয়াশিংটন পত্রিকার সাংবাদিক ডেভিড মরিসনকে ভারতীয় ওই মন্ত্রীর নাম ধরে জানতে চাইলে তিনি তার নাম নিশ্চিত করেন। তিনি বলেছেন, আমি নিশ্চিত করেছি যে অমিত শাহই ওই হত্যার মূল ষড়যন্ত্রকারী। তবে অটোয়া এক্ষেত্রে সংসদীয় কমিটিকে কোনো তথ্য প্রমাণ হস্তান্তর করেনি। অটোয়ার এই অভিযোগের ভিত্তিতে ভারতীয় হাইকমিশন অথবা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তাৎক্ষণিক কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।
শিখ বিচ্ছিন্নতাবাদীরা খালিস্তান নামে একটি স্বাধীন ভূখণ্ডের জন্য আন্দোলন করে যাচ্ছে, যা নিজেদের জন্য হুমকি স্বরূপ মনে করে দিল্লি। এছাড়া দিল্লির দাবি খালিস্তানপন্থীরা ‘সন্ত্রাসী’ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত। ১৯৮০ এবং ১৯৯০ এর দশকে ভারতে এক বিদ্রোহে কয়েক হাজার মানুষ নিহত হয়েছিল। ১৯৮৪ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীকে তার শিখ দেহরক্ষী হত্যা করলে সারা দেশে শিখদের সঙ্গে ভয়াবহ দাঙ্গা হয়। যাতে হাজার হাজার মানুষ নিহত হন। সেসময় শিখদের মন্দিরগুলোতে হামলা চালানো হয় এবং তাদের উচ্ছেদ করতে ভয়াবহ অভিযান চালানো হয়।
কানাডা অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে ভারতীয় কূটনীতিকদের বহিষ্কার করেছে। কানাডার মাটিতে শিখ বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা হরদীপ সিং নিজ্জারকে ২০২৩ সালে হত্যার সাথে ভারতীয়দের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে কানাডার সরকার। এর প্রতিক্রিয়ায় ভারতও কানাডার কূটনীতিকদের বহিষ্কারের নির্দেশ দিয়ে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শহীদ রেফায়েত উল্লাহর শিশুকন্যা লামিয়ার মানবেতর জীবন by মুহাম্মদ শাহ্ আলম
গত বছর এদিন বিএনপি’র নেতৃত্বাধীন ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকার পতনের একদফা দাবিতে বিরোধী জোটের ডাকা ৭২ ঘণ্টার অবরোধের প্রথমদিনে কিশোরগঞ্জ জেলার কুলিয়ারচর উপজেলার ছয়সূতী বাসস্ট্যান্ডে বিএনপি নেতাকর্মী ও তার বন্ধুদের সঙ্গে অবরোধ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে রেফায়েত উল্লাহ। আন্দোলনে অংশগ্রহণের আগে রেফায়েত উল্লাহ তার দাদি সখিনা বেগমের কাছে দোয়া চেয়ে বলেছিল ফিরে আসতেও পারি না-ও আসতে পারি। আগের দিন রাতে তার নিজস্ব ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছিল আগামীকাল আন্দোলনে যাচ্ছি বাঁচতেও পারি মরতেও পারি। সকলের নিকট দোয়া চাই। ৩১শে অক্টোবর সকালে অবরোধ কর্মসূচির শুরুতেই উপজেলার ছয়সূতী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পুলিশ কর্মসূচিতে বাধা দেয়। বাধা উপেক্ষা করে অবরোধ কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সকাল ৮ কিংবা সাড়ে ৮টার দিকে কুলিয়ারচর থানা পুলিশ আন্দোলনরত বিএনপি নেতাকর্মীদের লক্ষ্য করে সরাসরি গুলি ছুড়ে। এতে উপজেলার বড়ছয়সূতী গ্রামের কাউসার মিয়ার বড় ছেলে ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি রেফায়েত উল্লাহ তনয় (২৪) এবং মাধবদী গ্রামের কাজল মিয়ার ছেলে কৃষকদলের নেতা বিল্লাল হোসেন রনি (৪০) ছয়সূতী বাসস্ট্যান্ডে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এ সময় পুলিশের গুলিতে আরও বেশক’জন গুরুতর আহত হন। এই হত্যাযজ্ঞের পর পুলিশ আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। তড়িঘড়ি করে নিহতদের জানাজা শেষে দাফন কার্য সম্পন্ন করতে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের বাধ্য করে। ফলে অনেকটা ইচ্ছার বিরুদ্ধে মধ্যরাতে তড়িঘড়ি করে নামাজে জানাজা শেষে শহীদদের দাফন সম্পন্ন করা হয়। এমনকি বিএনপি নেতাকর্মীরা যাতে জানাজায় অংশগ্রহণ করতে না পারে সেইজন্য জানাজার স্থানে পুলিশের একাধিক গাড়ি অবস্থান নেয়। তাছাড়া পুলিশের গুলিতে নিহত ও আহত বিএনপি’র নেতাকর্মীদের নামে পুলিশ বাদী হয়ে পৃথক দু’টি মামলা দায়ের করে। মামলায় পুলিশের গুলিতে নিহত রেফায়েত উল্লাহ তনয় (২৪) ও বিল্লাল হোসেন রনি (৪০), বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক (ময়মনসিংহ বিভাগ) ও কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সভাপতি মো. শরীফুল আলমসহ ৪৩জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ১৫০০/১৬০০ জনকে আসামি করে মামলা করে। মামলায় পুলিশ শরীফুল আলম সহ প্রায় ৫০জনকে গ্রেপ্তার করে। নিহত রেফায়েত উল্লাহ তনয় (২৪) ও বিল্লাল হোসেন রনি (৪০) সাধারণ পরিবারের সন্তান। রেফায়েত উল্লাহ বিয়ের এক বছরের মাথায় একমাত্র সন্তান লামিয়াকে রেখে এবং বিল্লাল হোসেন ৩ সন্তান, ছেলে টুটুল (১০), মেয়ে জান্নাত (৬) সবার ছোট ছেলে জাকির (২) ও স্ত্রী আন্না বেগম (২৭)কে রেখে ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে দেশের গণতন্ত্র মানবাধিকার আইনের শাসন বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিজের জীবন উৎসর্গ করে গেছেন। এই অবস্থায় অসহায় দুই পরিবারের শিশুসন্তানের ভরণ- পোষণের জন্য বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক (ময়মনসিংহ বিভাগ) ও কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সভাপতি মো. শরীফুল আলম প্রতি মাসে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান অব্যাহত রেখেছে। এই হৃদয়বিদারক ঘটনার দিনটিতে আজ দুপুরে শহীদ রেফায়েত উল্লাহর গ্রামের বাড়িতে এক মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে হয়েছে এবং ওইদিনই বিকালে ছয়সূতী ইউনিয়ন বিএনপি’র কার্যালয়ে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের অনুষ্ঠিত হবে। এতে উপজেলা বিএনপি’র নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করবেন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1402)
- ► 2025 (3281)
-
▼
2024
(2551)
-
▼
October
(563)
-
▼
Oct 31
(10)
- দীর্ঘতম পথ অতিক্রমে সক্ষম নিষিদ্ধ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক...
- রক্তাক্ত কাফনের কাপড় সরিয়ে মাকে দেখে মুষড়ে পড়লেন অ...
- ভোটে কী পরিবর্তন আসছে?
- যুক্তরাষ্ট্রে ইতিহাসের হাতছানি- রাশিয়া, চীন, ইরানে...
- দিল্লির চাঁদনি চকে ফরাসি রাষ্ট্রদূতের মোবাইল চুরি
- ভাঙাড়ি বিক্রেতা থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক by রাশ...
- ড. ইউনূসের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সফল হলেই ভারতের স্বার...
- ‘রাষ্ট্র হিসেবে টিকে থাকতে হলে নির্বাচনে নজর দিন’
- শিখ নেতা হত্যার ষড়যন্ত্রে অমিত শাহ জড়িত: কানাডা
- শহীদ রেফায়েত উল্লাহর শিশুকন্যা লামিয়ার মানবেতর জীব...
-
▼
Oct 31
(10)
-
▼
October
(563)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
