Thursday, June 6, 2019
সাজে উৎসবের স্পন্দন by মরিয়ম চম্পা

পরিবারের সবাই মিলে হৈ হৈ আড্ডা, বাইরে ঘুরতে যাওযা, মেহমান থেকে রান্নার রণক্ষেত্র সামাল দেয়াÑ ঈদে কাজের তালিকার শুরু আছে, শেষ নেই। উৎসবের দিন বলে আরাম করে ছু্িটর দিন হিসেবে পার করার কোনো সুযোগই মিলবে না। বরং বাড়তি কসরত রয়েছে বিশেষ দিনগুলোর জন্য। সাজপোশাকে সব সময় ফিটফাট থাকতে হবে তো। আর ঈদে সাজবেন বলে তার মাত্র কয়েকদিন আগে মনস্থির করে বসে গেলেন আর কাজ হয়ে গেল, ব্যাপারটা মোটেই তা নয়। তাই ঈদের স্পেশাল রূপচর্চা সময় থাকতে শুরু করে দিলেই ভালো।
এতে ঈদের সাজটাও হবে দেখার মতো। তার জন্যও চাই প্রস্তুতি। সমকালীন ট্রেন্ড ঘেটে তবেই সেট করতে হবে ঈদ মেকআপ লুক। মাথায় রাখতে হবে পোশাক, উপলক্ষ্য আর সময়টাও। সবশেষে যাচাই করে নিতে হবে পুরো লুকটা ব্যক্তিত্বের সঙ্গে কতটুকু মানাচ্ছে।
ঈদের সপ্তাহ খানেক আগে একবার ফেশিয়াল করিয়ে নিতে পারলে ভালো হয়। চুলের যতেœও চলতে পারে হাইএন্ড সব হেয়ার ট্রিটমেন্ট। মুখের সঙ্গে মানিয়ে মানানসই হেয়ার কাট করিয়ে নিতে হবে ঈদের আগে। এতে নতুন হেয়ারস্টাইলের সঙ্গে নিজের সম্পূর্ণ লুক মানিয়ে নেয়ার সময় পাওয়া যাবে। যারা নতুন কোন হেয়ারস্টাইল ট্রাই করতে ইচ্ছুক নন তারা পুরানো স্টাইলই সামান্য টাচ আপ করিয়ে নিন। ট্রিমিং সেরে নেয়া যেতে পারে। যাদের হেয়ার কালার করা আছে তাঁরা কালার টাচ আপ করিয়ে নিতে পারেন। আর ঈদের কয়দিন আগে স্পাতে গিয়ে আপাদমস্তক স্পেশালাইজড ট্রিটমেন্ট সেরে নেয়া যায় ফ্রেশ দেখাবে। লাগবে সতেজ। তবে সেক্ষেত্রে সময় নিয়ে যাওয়া উচিত। তাড়া দিলে পুরো কাজটাই খারাপ হবে। হীতে বিপরীতটাও হয়ে যেতে পারে।
এতো গেল ঈদের আগের সার্বিক প্রস্তুতি। ঈদের কয়টা দিন কিভাবে সাজবেন সেটা কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ঈদের চার পাঁচ দিন নানারকমভাবে সেজে দেখা যেতে পারে। তবে পোশাক, মেকআপ, হেয়ারস্টাইলÑ সবক্ষেত্রেই কিন্তু কমফর্টটাই শেষ কথা।
প্রথমেই স্টক চেক করে নেয়া প্রয়োজন। কোন কোন প্রসাধনী শেষ হয়ে গিয়েছে বা নতুন কিনলে ভালো হয় সেটা যাচাই-বাছাই করে নেয়া দরকার। ঈদের আগেই বিউটি বক্সে পুরে ফেলুন সব প্রয়োজনীয় সামগ্রী। রানওয়ে, রেড কার্পেট থেকে ম্যাগাজিনের পাতা ঘেটে সাম্প্রতিক সাজ প্রবণতা বের করে ফেলা এখন খুব কঠিন নয়। সেগুলোর সঙ্গে ব্যক্তিত্ব আর ব্যক্তিগত পছন্দের মিশেলে সেজে উঠুন এবারের ঈদে। সেজন্য এ বছরকার মেকআপ ট্রেন্ডগুলো সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারনা থাকা চাই। এত করে লুক সাজানোর কাজটা সহজ হয়। সেজে ওঠা যায় ভিন্ন ভিন্ন রূপে।
বদলে গেছে বেইজ
শিশিরসিক্ত স্বাভাবিক সুন্দর ত্বকের সময় এ বছর। তাই নো মেকআপ মেকআপ লুকটাই প্রাধান্য পাবে বেজ তৈরির ক্ষেত্রে। তবে আরও তীব্র ভাবে। যেটুকু না করলেই নয়, শুধু সেটুকু মেকআপ ব্যবহার করে চেহারায় আবেদনময় আকর্ষণ তৈরি করাটাই হবে কাজ। কিন্তু দাগছোপ মুক্ত ঝলঝকে নিখুঁত যেন হয়। খুব বেশি কনট্যুর করার প্রয়োজন নেই ত্বক। বরং হাইলাইটারের উজ্জ্বলতা যেন যোগ হয়। আর ব্লাশন ব্যবহার অত্যাবশ্যক। ট্রেন্ডোমিটার তাই বলছে। আর্দি টোন থেকে পিচি পিঙ্ক ব্লাশ দিয়ে প্রাণ সঞ্চারন যেন হয় ত্বকে।
চোখচরিত
ক্লাসিক কালো চোখের দাপট থাকবে বছরজুড়ে। একদম সাদামাটা লাইন থেকে চোখের পুরোটা জুড়ে কাজল টানা ড্রামাটিক লুকের রমরমা থাকছে। কালোর পাশাপাশি নীলও হয়ে উঠবে জনপ্রিয়। রহস্যমোদির আই মেকআপের জন্য দারুন অপশন এটি। চোখের পাতার পুরোটায় কিংবা লাইন ঘেঁষে, এমনকি ল্যাশও রঙিন হয়ে উঠতে পারে নীলে। থাকবে পিঙ্ক, পার্পল, অরেঞ্জ এর মত শেডগুলোও। রঙের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি পাল্টে গেছে আইলাইনারের টানের পদ্ধতি। ক্যাটলাইন আর গ্রাফিক আর্ট তো ছিলই তালিকায় যোগ হয়েছে ফ্রি স্টাইল অ্যাবস্ট্রাক্ট আইলাইনারও। গ্লিটার, শিমার আইশ্যাডোর সঙ্গে ট্যানড, কালার ব্লক আর স্মোকিতেও সাজানো হবে চোখের পাতা। একদম মাসকারাবিহীন লুক যেমন থাকছে কালারড মাসকারাও।
ওষ্ঠ সজ্জায়
নো মেকআপ মেকআপ লুকের সঙ্গে মানিয়েই ট্রেন্ডে সেট হয়েছে বোল্ড লিপস্টিকের শেডগুলো। ম্যাজেন্টা রেড, ব্রাইট ফুশিয়া থেকে কালো আর নীলও তাই ঠোঁটে মেখে নিতে পারবেন অনায়াসে। লালের বিভিন্ন শেডের আলাদা কদর থাকবে বছরজুড়ে। থাকবে ওয়াইন লিপসও। তাই বলে যে ন্যুডের বাজার কমবে তা কিন্তু নয়। ম্যাট শেডের মভ, ট্যান, ক্যারামেল কিন্তু কোথাও যাচ্ছে না। জাস্ট বিটেন কিংবা কিসড লুক তৈরি করা হবে ন্যুড শেডগুলো দিয়ে। লিপস্টিকের ফর্মুলাতেও থাকছে নতুনত্ব। পাউডারি, স্টেইন আর গ্লসের নাম থাকবে তালিকার শীর্ষে। এদের সঙ্গত দেবে শিমার আর গ্লিটারও।
কেশে কেতাদুরস্ত
সাম্প্রতিক সৌন্দর্যপ্রবণতার প্রভাবে পুনরায় পাল্টে গেছে কেশের বেশ। তো অপেক্ষা কিসের? আরামদায়ক, সাহসী ও স্টাইলিশÑ এসব কাটে কেটে নিন চুল। পাল্টে ফেলুন পুরোনো আর একঘেয়ে লুক।
হেয়ারকাট ট্রেন্ডে এসেছে দারুণ সব পরিবর্তন। যার শীর্ষে জ’ লাইন বা মিডলেন্থ ববের অবস্থান। গেল বছরের মতো এবারও থাকবে ব্লান্ট জ’ লাইন বব। কিন্তু এমনভাবে কাটা চাই, যেন কানের পেছনে গুঁজে দিলে তা এ-লাইন ববের ইফেক্ট দেয়। চুলকে ঘন দেখাতে দারুণ অপশন এটি। সোজা চুলে সবচেয়ে ভালো দেখায়, তবে ঢেউখেলানো বা কোঁকড়া চুলেও কেটে নেওয়া যাবে অনায়াসে। মানিয়ে যায় সব ধরনের ফেস শেপে। আরও আধুনিক ও স্বতন্ত্র লুক চাইলে ববের সঙ্গে জুড়ে দিতে পারেন ব্যাঙস। এতে চেহারায় বাড়তি ফ্রেম যোগ হবে। চুল কার্লি হলে খুব বেশি ছোট করা যাবে না ব্যাঙস। তবে যাদের চুল সোজা, তারা দৈর্ঘ্য নিয়ে নিরীক্ষা করতে পারেন পছন্দ অনুযায়ী। চুল ছোট রাখতে স্বচ্ছন্দ হলে শুধু ব্যাঙস কেন, চুল কেটে নিতে পারেন পিক্সি কাটে। নব্বইয়ের গ্রোন আউট পিক্সি এবারে ট্রেন্ডের শীর্ষে। এর বিশেষত্ব হচ্ছে দুই পাশে ছোট রেখে মাথার ওপরের চুল চপি লেয়ারে কেটে নেওয়া হয়। পিক্সির সঙ্গে অ্যাসিমেট্রিক্যাল আন্ডারকাটেও চুল কেটে নেওয়া যেতে পারে। যারা এত ছোট চুলে স্বচ্ছন্দ নন, তাদের জন্য রয়েছে সত্তর স্টাইলের শ্যাগ। তবে নতুন চমক নিয়ে। ব্লান্ট ব্যাঙস সমেত। কলার বোন পর্যন্ত লম্বা চুল আর আইব্রো ছোঁয়া ব্যাঙস-এর বিশেষত্ব। চুল আরও বড় রাখতে চাইলে এ বছরের ট্রেন্ড লং হুইস্পি লেয়ার। যা চুলে ভলিউমের সঙ্গে যোগ করবে বাড়তি মুভমেন্ট। সোজা, ঢেউ খেলানো, কোঁকড়াÑ সব ধরনের চুলে কেটে নেওয়া যাবে অনায়াসেই। এবারের বিভিন্ন স্টাইলের ফ্রিঞ্জ রয়েছে ট্রেন্ডে। বেবি, কার্টেন, বারডট হুইস্পির মতো ফ্রিঞ্জগুলো জুড়ে দেওয়ার ট্রেন্ড থাকবে বছরজুড়ে। আর যারা চুল রাঙাতে চানÑ বেছে নিতে পারেন লাইলাক কিংবা রিচ কপারের শেডগুলো। অ্যাশি সিলভার, স্ট্রবেরি হানি, মাশরুম ব্রাউনও কিন্তু করা যাবে অনায়াসে। আর স্টাইলিংয়ের ক্ষেত্রে ব্রেইড আর বানকে হটিয়ে শীর্ষস্থান পনিটেইলের দখলে। তা-ও আবার যেনতেন স্টাইলে নয়। চুড়োয় বাঁধা পনিটেইল। জেল বা তেল দিয়ে টেনে করা সিøক আপডুর দাপট থাকবে এ বছরও। সঙ্গে লুজ লেট ডাউন কার্লও করে নেওয়া যাবে পছন্দ অনুযায়ী।
ছেলেদের চুলের ট্রেন্ডে এসেছে পরিবর্তন। সিøক ব্যাক হেয়ার হয়ে উঠেছে ম্যাট এবং মেসি। ফেড হেয়ারস্টাইলের জায়গা দখল করে নিয়েছে টেপারড স্টাইল। জনপ্রিয়তা বেড়েছে শর্ট হেয়ারস্টাইলেরও। স্পাইক স্টাইল, টেক্সচারড ক্রপ ছাড়াও শর্ট মেসি লুক থাকবে ট্রেন্ডে। শেভড হেয়ারলাইন, মডার্ন মুলেট আর মোহকও কিন্তু বাদ পড়ছে না তালিকা থেকে। যারা চুল ছোট রাখতে চান, তারা অনায়াসেই বেছে নিতে পারেন ক্লিন কাটের আলট্রা শর্ট টেক্সচারড হেয়ার। চাইলে ফ্রিঞ্জ জুড়ে নিতে পারেন সঙ্গে। পাশে ছোট করে ছাঁটা লুজ পম্প স্টাইলও দারুণ দেখাবে। যাদের চুল কার্লি, তারা টেক্সচারড ক্রপ স্টাইলের সঙ্গে ড্রপ ফেড করে চুলে কেটে নিতে পারেন। চমক দিতে পারেন শেভড লাইন যোগ করে।
স্পাইক আবার ফিরেছে ট্রেন্ডে। ফাইন থেকে ফুল স্পাইক, স্পাইকি কুইফ আর ফেডেড স্পাইক থাকছে তালিকায়। ক্রপের সঙ্গে যোগ হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের ব্যাঙস। লেয়ারড ব্লান্ট, ডায়াগনাল, জ্যাগড-এর মতো ব্যাঙস রয়েছে জনপ্রিয়তার শীর্ষে। যাদের চুল মাঝারি থেকে লম্বা, তারা কেটে নিতে পারেন মুলেট আর মোহক। মেসি ভাব ছাড়াও এতে যোগ করে নিন টেম্পল ফেড, টেপারড সাইড বা লং সাইড ফ্রিঞ্জ। সিøক ব্যাক স্টাইলে টেনে আঁচড়ে রাখলে দারুণ দেখাবে। সঙ্গে যদি টাসলড কিংবা মেসি টেক্সচার করে নেওয়া যায়, তাহলে তো কথাই নেই।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জয়ার ম্যাজিক by মোশাররফ রুমী

শুটিংয়ের কারণে ঢাকা ও কলকাতা দুই জায়গাতেই এখন থাকতে হয় জয়াকে। আর গত কয়েক বছরের সমীকরণে দেখা যায়, এ অভিনেত্রীর ছবি মানেই যেন নতুন কিছু। নতুন নতুন রূপেই দর্শকের সামনে আসছেন তিনি। আর মুঠোবন্দি করছেন আকাশছোঁয়া সফলতা। দেশের ছবির পাশাপাশি ২০১৩ সালে টলিউডে জয়ার যাত্রা শুরু হয়। প্রথম থেকেই নিজের কাজের জাদুতে দর্শক ও নির্মাতাদের নজর কেড়েছেন এ অভিনেত্রী। অরিন্দম শীল পরিচালিত ‘আবর্ত’ ছবির মাধ্যমে কলকাতায় তার অভিনয়ে সূচনা ঘটে। এরপরে ‘একটি বাঙালি ভূতের গপ্পো’, ‘ঈগলের চোখ’, ‘রাজ কাহিনী’, ‘ভালোবাসার শহর’, ‘বিসর্জন’, ‘ক্রিসক্রস’, ‘বিজয়া’ ও ‘কন্ঠ’ নামের ছবিগুলোতে অনবদ্য অভিনয় করে ওপার বাংলার দর্শকদের মন জয় করেন। বলতে গেলে অল্প সময়ে বেশ মর্যাদার আসন পান তিনি। ওপার বাংলায় জয়ার স্বীকৃতির শুরুটা হয়েছিল ২০১৭ সালে টিভি চ্যানেল এবিপি আনন্দ প্রবর্তিত ‘সেরা বাঙালি পুরস্কার’ দিয়ে। সে বছর জুলাই মাসে তিনি এটা অর্জন করেন। আর বছর শেষে অর্থাৎ ডিসেম্বরে তার হাতে আসে ‘জি সিনে অ্যাওয়ার্ডস’। এখানেই শেষ নয়। জয়ার ঝুলিতে ভারতীয় ছবিতে অভিনয় করে পাওয়া পুরস্কার হিসেবে আরো রয়েছে হায়দরাবাদ চলচ্চিত্র উৎসবে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী, ‘ইন্টারন্যাশনাল বাঙালি ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড’-এ শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী এবং যুক্তরাষ্ট্রের ‘ক্যালাইডস্কোপ ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল’-এ শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার। এছাড়া আনন্দবাজার পত্রিকা টলিউড নায়িকাদের নিয়ে গত বছর যে শীর্ষ তালিকা তৈরি করেছে, সেখানে জয়া আহসান সবার চেয়ে এগিয়ে ছিলেন। এ যেমন তার ব্যক্তিগত অর্জন, তেমনই আমাদের দেশের জন্যও দারুণ গর্বের। এসব বিষয়ে জয়া বলেন, যখন দেখি আমার স্বীকৃতির সঙ্গে সঙ্গে উচ্চারিত হচ্ছে বাংলাদেশের নাম, তখন মনে এক অন্যরকম ভালোলাগা কাজ করে। আমি আসলে কাজ করে চলেছি, স্বীকৃতির কথা ভাবিনি। শুধু ভাগ্য নয়, ভাগ্য আর কর্ম দুটোতেই বিশ্বাসী আমি। কারণ আমার মতে কাজই ভাগ্য নিয়ন্ত্রণ করে। জয়া আহসানের ‘বিসর্জন’ ছবিটি ভারতের জাতীয় পুরস্কার পায়। কৌশিক গাঙ্গুলির ছবি এটি। যার প্রধান দুটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন জয়া আহসান ও আবির চ্যাটার্জি। মুক্তির পর থেকে বেশ প্রশংসায় ভেসেছে ছবিটি। সে সূত্রে সমালোচকদেরও মন কেড়েছেন জয়া। ছবিটিতে অসাধারণ অভিনয় করে কয়েকটি পুরস্কারও পেয়েছেন এ অভিনেত্রী। আর বাংলাদেশে তিনি তিনটি ছবিতে পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। এগুলো হচ্ছে- নাসির উদ্দিন ইউসুফের ‘গেরিলা’, রেদোয়ান রনির ‘চোরাবালি’ ও অনিমেষ আইচের ‘জিরো ডিগ্রি’। এখন বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতীয় চলচ্চিত্রের অপরিহার্য অভিনেত্রী হয়ে উঠছেন জয়া আহসান। কিছদিন আগে দেখা গেছে, সিনেমা হলের টিকিট কাউন্টারে বসে ছবির টিকিট বিক্রি করছেন জয়া। কখনো বা ম্যাজিশিয়ান হয়ে ম্যাজিক দেখিয়েছেন। কখনো আবার ছুটে গেছেন ফুটবল মাঠে। এ সবই তিনি করেছেন নিজের ছবির প্রচারণা কিংবা সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকে। নায়িকা জয়া আহসান প্রযোজনায়ও নাম লিখিয়েছেন। সরকারি অনুদানের ছবি ‘দেবী’ প্রযোজনা করে বেশ সফল তিনি। প্রযোজনায় সম্পৃক্ত হওয়া প্রসঙ্গে জয়া বলেন, ফর্মুলা মাফিক ছবি না করে যে ভাবনায় বিশ্বাসী সেই ভিন্ন ভিন্ন ধারার ছবি করার বিশ্বাস থেকেই আমার প্রযোজনায় আসা। ‘মিসির আলি’ যেমন বাংলাদেশের এক বিশেষ চরিত্র। তাকে ‘দেবী’ ছবিতে ধরতে চেয়েছি। ছবিটি ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। অনেকদিন মাল্টিপ্লেক্সে হাউজফুল চলেছে। এমনকি গ্রামের হলগুলোতেও ছবিটি দারুণ ব্যবসা করেছে। এটা আমি ভাবিনি। এমনকি পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মুক্তি পেয়েও ভালো চলেছে ছবিটি। জয়া বলেন, কোনো বাংলা ছবি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এত শো পায়নি ‘দেবী’ যা পেয়েছে। কানাডায় ৫২টি আর অস্ট্রেলিয়ায় ২২টি শো হয়েছে। জয়া আহসান দুই বাংলার একজন সফল নায়িকা। সে হিসেবে তাকে নিয়ে এ যাবৎ গুঞ্জন তৈরি হয়েছে বহুবার। বিশেষ করে টলিউডের পরিচালক সৃজিত মুখার্জীর সঙ্গে তার প্রেমের গুঞ্জন তো বেশ জোরালো। এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে জয়া বলেন, এ প্রসঙ্গ ওঠা মানেই অযথা বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া। তবে নায়িকাদের জীবনে রটনা, খ্যাতির সঙ্গে কুৎসাও আসে। তাই বলে কি জয়া আহসান প্রেমে পড়েন না? এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, অবশ্যই পড়ি। তবে খেয়াল করে দেখবেন আমি একটু সাবধানে থাকি। ছবির জন্য সাক্ষাৎকার বা কাজ করলাম, কথা বললাম। মুখ দেখাতে আজও লজ্জা পাই। সারাক্ষণ পাবলিকের সামনে থাকতে চাই না। জয়ার সাবেক স্বামী মডেল ও অভিনেতা ফয়সাল আহসান। বিয়ের পর সুখেই চলছিল তাদের সংসার। কিন্তু হঠাৎ অজানা কিছু বিষয় নিয়ে মনোমালিন্যের ঝড় বইতে শুরু করে। ধীরে ধীরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। ২০১১ সালে ডিভোর্স হয়ে যায় দুজনের। এরপর থেকেই দীর্ঘ আট বছর ধরে একাই পথ চলছেন নায়িকা। দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন বাংলাদেশ ও কলকাতার চলচ্চিত্র জগত। অভিনয় দিয়ে দুই বাংলায়ই অর্জন করেছেন সমান জনপ্রিয়তা। দুই ইন্ডাস্ট্রি থেকেই তার হাতে উঠেছে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। কিন্তু হাতে উঠছে না শুধু মেহেদির রঙ। ভাবছেন না নতুন কোনো জীবনসঙ্গীর কথা। বিয়ে নিয়ে প্রশ্ন করা হলে জয়া বলেন, বিয়ে তো হতেই হবে। দেখি কী হয়। সময়ই বলবে। তবে যত দিন আরাম করে থাকা যায়। আঙুলে বাঁ হাতে ওই হাতকড়াটা এখনই পরতে চাই না। আসলে আপাতত বিয়ের কোনো চিন্তা ভাবনা মাথায় নেই। কারণ কাজ নিয়ে আমি এতটাই ব্যস্ত যে, সংসারের মায়াজালে এখনই আবদ্ধ হতে চাই না। তাহলে কি কখনো বিয়ে করবেন না? এমন প্রশ্নের উত্তরে জয়ার ভাষ্য, পরিবার থেকে বিয়ের জন্য মাঝে মাঝেই চাপ দেয়। বিয়ে করব। যখন করব সবাইকে জানাবো। কেমন জীবনসঙ্গী পছন্দ জয়ার? নায়িকা বলেন, অবশ্যই বিচক্ষণ, অনুভূতিশীল, সৃজনশীল ও প্রতিশ্রুতিবান হতে হবে। জয়া আহসানের বাবা মুক্তিযোদ্ধা এ এস মাসউদ এবং মা রেহানা মাসউদ ছিলেন একজন শিক্ষিকা। তারা দুই বোন এক ভাই। অভিনয় শুরুর আগে জয়া নাচ ও গানের প্রতি আকৃষ্ট ছিলেন। প্রাতিষ্ঠানিক লেখাপড়ার পাশাপাশি তিনি ছবি আঁকা শিখেছিলেন। তিনি একটি সংগীত স্কুলও পরিচালনা করেন। জয়া আহসান চলচ্চিত্রে সম্পৃক্ত হওয়ার আগে দীর্ঘদিন টিভি নাটকে অভিনয় করেছেন। অভিনয় শুরুর আগে নাচ এবং গানের প্রতি আকৃৃষ্ট ছিলেন তিনি। রবীন্দ্রসংগীতের উপর ডিপ্লোমা এবং আধুনিক গানের উপর প্রশিক্ষণও নেয়া আছে তার। প্রসঙ্গত, গত ১০ই মে ভারতে মুক্তি পাওয়া জয়া অভিনীত ‘কন্ঠ’ ছবিটি নিয়ে গেল কিছুদিন ধরে বয়ে গেছে ব্যাপক আলোচনার ঝড়। ছবিটি দেখার জন্য হলে হলে ছিল দর্শকের উপচেপড়া ভিড়। সে সঙ্গে ছবিটি ঘিরে ব্যাপক প্রশংসায় মেতেছিলেন দর্শকরা। বিশেষ করে এতে ‘স্পিচ থেরাপিস্ট’ চরিত্রে জয়ার অভিনয় দারণভাবে প্রশংশিত হয়েছে। এছাড়া বলিউডের খ্যাতিমান অভিনেতা ঋষি কাপুর ও ভারতের বিখ্যাত কার্ডিয়াক সার্জন দেবী শেঠি ছবিটি দেখে খুব প্রশংসা করেছেন। বর্তমানে দেশে জয়ার অভিনয়ে মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে তিনটি ছবি। এগুলো হচ্ছে-
‘বিউটি সার্কাস’, ‘লাল মোরগের ঝুঁটি’ ও ‘পেয়ারার সুবাস’। ছবি তিনটির মধ্যে প্রচার-প্রচারণা সুবাদে দর্শকমহলে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে ‘বিউটি সার্কাস’। এর কারণ হচ্ছে এতে জয়ার চরিত্র। বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা এ অভিনেত্রীর। তবে এবারই প্রথম ‘বিউটি সার্কাস’ ছবিটিতে সার্কাস কর্মীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। সার্কাসকে কেন্দ্র করে গণমানুষের পক্ষে এক নারীর সংগ্রামের লড়াই নিয়ে নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্রটি। দীর্ঘদিন ধরেই ছবিটি দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন জয়াভক্তরা। ২০১৬ সালে সরকারি অনুদানে শুরুর পর বিভিন্ন কারণে মাঝপথে বন্ধ ছিল এর শুটিং। তবে ভক্তদের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে শেষ পর্যন্ত ছবিটি শিগগিরই মুক্তি পেতে যাচ্ছে। সম্প্রতি প্রকাশ পেয়েছে ছবির টিজার। টিজারটি ছবির অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ ছাড়াও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ইমপ্রেস টেলিফিল্মের ফেসবুক পেজে প্রকাশ হয়েছে। এক মিনিট ১৫ সেকেন্ডের টিজারে জয়াকে হাস্যোজ্জ্বল মুখে দেখা যায় সার্কাসের প্যাডেলে। টিজারের লিংক অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে শেয়ার করে জয়া আহসান লিখেছেন, শিগগির সিনেমা হলে মুক্তি পেতে যাচ্ছে ‘বিউটি সার্কাস’। উল্লেখ্য, ছবিটির শুটিং হয়েছে নওগাঁ ও মানিকগঞ্জের বিভিন্ন লোকেশনে। ছবিতে জয়া আহসান ছাড়াও অভিনয় করেছেন ফেরদৌস, তৌকীর আহমেদ প্রমুখ। এদিকে জয়া আহসান ভারতে এবার হিন্দি-বাংলা দ্বিভাষিক সিরিজে ভিলেনের চরিত্রে অভিনয় করতে চলেছেন। তিনি এই প্রথম অভিনয় করবেন একজন সিরিয়াল কিলারের ভূমিকায়। এক ধাপ্পাবাজ আর তার সঙ্গিনী নিয়ে এই সিরিজের গল্পটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে তৈরি হচ্ছে। ছবিটি তৈরি করছেন অরিন্দম শীল। উনিশ শতকের প্রেক্ষাপটে বাস্তব চরিত্র নির্ভর এই সিরিজের চিত্রনাট্য তৈরির কাজে গবেষণার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। ভারতের প্রথম মহিলা সিরিয়াল কিলারের কাহিনী এটি। জয়াকে ভিলেন চরিত্রে নেয়া প্রসঙ্গে অরিন্দম বলেছেন, আমার প্রথম ছবি ‘আবর্ত’র মধ্য দিয়ে প্রথম কলকাতার বাংলা ছবিতে জয়া কাজ করেছিলেন। আমার নতুন প্রজেক্ট ‘ত্রৈলোক্য’-তে একজন শক্তিশালী অভিনেত্রীর দরকার ছিল। চরিত্রটির মধ্যে চার পাঁচটি স্তর রয়েছে। তাই জয়া ছাড়া আর কারো কথা আমার মাথায় আসেনি। সিরিজে ত্রৈলোক্য চরিত্রে জয়া অভিনয় করলেও তার প্রেমিক হিসেবে ভাবা হচ্ছে বলিউডের কাউকে। আর ডিটেকটিভের চরিত্রে অভিনয় করছেন টোটা রায় চৌধুরী। পরিচালক অরিন্দম আরও জানিয়েছেন, এটা আমার প্রথম হিন্দি কাজ। দুই সিজন ধরে চলবে এই সিরিজ। পূজার আগেই শুটিং শুরু হওয়ার কথা। এ বছরের শেষ দিকে দেখা যাবে সিরিজটি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
২৭ বছর পর জেগে উঠে ছেলের নাম ধরে ডাকলেন মা

বিবিসি অনলাইনের খবরে জানানো হয়, মুনিরা আবদুল্লাহ ১৯৯১ সালে একদিন ছেলেকে স্কুল থেকে আনতে যান। সঙ্গে ছিলেন দেবর। ছেলেকে নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে একটি বাসের সঙ্গে তাঁর গাড়ির সংঘর্ষের ঘটনায় আহত হন তিনি। মস্তিষ্কে গুরুতর আঘাত পান। এরপরই কোমায় চলে যান। ওই সময় ছেলে ওমর ওবাইরের বয়স ছিল ৪ বছর।
গাড়ি চালাচ্ছিলেন মুনিরার দেবর। তিনি ছেলে ওমরকে নিয়ে বসেছিলেন গাড়ির পেছনের আসনে। বাসটির সঙ্গে সংঘর্ষের আগে ছেলের জীবন বাঁচাতে তাঁকে জড়িয়ে ধরেছিলেন মুনিরা। তাঁর চেষ্টা অবশ্য সফল। দেবর গুরুতর আহত হলেও ছেলে তেমন আঘাত পায়নি। কিন্তু নিজে দীর্ঘ সময়ের জন্য চলে যান কোমায়। এরপর গত বছর জার্মানির একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জ্ঞান ফেরে মুনিরার।
জড়িয়ে ধরে রক্ষা করেন মা
সংযুক্ত আরব আমিরাতের এ ঘটনা অনেকের কাছে অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে। তবে সত্যিই তা ঘটেছে। দেশটির স্থানীয় পত্রিকা ‘দ্য ন্যাশনাল’কে গত সোমবার ২৭ বছর আগের সেই ঘটনার বিস্তারিত বলেছেন মুনিরার ছেলে ওমর। জার্মানিতে নেওয়ার আগে বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয় মুনিরাকে। কিন্তু কোনো উন্নতি না হওয়ায় ২০১৭ সালে তাঁকে জার্মানিতে পাঠানো হয়। সেখানে এক বছর চিকিৎসা চলে।
ওমর বলেন, ‘মা আমার সঙ্গে পেছনের আসনে বসেছিলেন। বাসের ধাক্কা লাগবে বিষয়টি আঁচ করতে পেরে আমাকে জড়িয়ে ধরেন মা। এভাবে আমাকে রক্ষা করেন। মাথায় সামান্য আঘাত পাই আমি।’
ওমর ওবাই বলেন, ‘আমি কখনো আশা ছাড়িনি। আমার মনে হতো, একদিন না একদিন মা জেগে উঠবেন। আমি মানুষের উদ্দেশে বলতে চাই, যাঁদের আপনারা ভালোবাসেন, তাঁদের ব্যাপারে কখনো আশা ছাড়বেন না। আমার মায়ের মতো অবস্থায় যখন কেউ থাকবেন, তখন তো অবশ্যই নয়।’
বছরের পর বছর চলে চিকিৎসা
ওই দিনের দুর্ঘটনার পর হাসপাতালে নেওয়া হয় মুনিরা আবদুল্লাহকে। অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় নেওয়া হয় লন্ডনে। সেখানকার হাসপাতালে তিনি কোনো সাড়া না দিলেও ব্যথা অনুভব করতেন। অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় সেখান থেকে আবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল আইন হাসপাতালে নেওয়া হয় মুনিরাকে। এই হাসপাতালটি তাঁর বাড়ির পাশে ওমান সীমান্তের কাছে। সেখানে কয়েক বছর চিকিৎসা চলে। এ সময় টিউবেই চলে খাওয়া-দাওয়া। চিকিৎসা চলতেই থাকে। ২০১৭ সালের একটা সময় আবুধাবির যুবরাজ ওমরদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে জার্মানিতে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। সেখানে অস্ত্রোপচার হয় বেশ কয়েকটি।
হাসপাতালে ঝগড়া, জেগে উঠলেন মা
হাসপাতালে ভর্তির বছরখানেক পর হঠাৎ করেই কোমা থেকে জেগে ওঠেন মুনিরা। ওই দিন হাসপাতালে তাঁর কক্ষে একটি বিষয় নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঝগড়া চলছিল ওমরের। ঝগড়া শুনেই আলোড়ন সৃষ্টি হয় মুনিরার ভেতর। জেগে ওঠেন তিনি।
ওমর বলেন, ‘হাসপাতালে মায়ের কক্ষের ভেতর বাগবিতণ্ডার ঘটনা ঘটে। মায়ের অবচেতন মনে হয়েছিল আমি বিপদে আছি। এটি তাঁর ভেতর আলোড়নের সৃষ্টি করে।’ তিনি বলেন, ‘ওই সময় মা অদ্ভুত এক ধরনের আওয়াজ করছিলেন। আমি বারবার চিকিৎসকদের বলছিলাম, মাকে পরীক্ষা করেন। তাঁরা জানালেন, কোনো সমস্যা নেই, সব স্বাভাবিক আছে।’
ওমর জানান, ‘ওই ঘটনার ঠিক তিন দিনের মাথায় কারও ডাক শুনে আমার ঘুম ভাঙে। আমার নাম ধরে ডাকছিলেন। আমি খুশিতে উড়ছিলাম। বহু বছর আমি এই মুহূর্তের অপেক্ষা করে ছিলাম। জেগে ওঠার পর সবার আগে মা আমার নাম ধরে ডেকেছেন।’
এর পরই জার্মানি থেকে মাকে নিয়ে দুবাই ফেরেন ওমর। এখানেও তাঁর চিকিৎসা চলে।
মুনিরা আবদুল্লাহর ঘটনার মতো এমন অলৌকিক ঘটনা কমই ঘটে। তবে মাঝেমধ্যে অনেকেই ফেরেন কোমা থেকে। গাড়ি দুর্ঘটনায় আহত হয়ে টেরি ওয়ালিস ১৯ বছর কোমায় ছিলেন। তারপর জেগে ওঠেন।
এফ ওয়ান চ্যাম্পিয়ন মাইকেল শুমাখার ২০১৩ সালে ফ্রান্সে দুর্ঘটনায় মাথায় আঘাত পাওয়ার পর অনেক দিন কোমায় ছিলেন। ৬ মাস চিকিৎসা চলার পর জেগে ওঠেন ফর্মুলা ওয়ান চ্যাম্পিয়ন। তথ্যসূত্র: বিবিস ও ডেইলি মেইল।


About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বেদের মেয়ে জোৎস্নার নায়িকা অঞ্জু ঘোষ ভারতীয় না বাংলাদেশী by অমিতাভ ভট্টশালী
![]() |
| অঞ্জু ঘোষ বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন বুধবার |
তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে মিজ ঘোষের নাগরিকত্ব নিয়েই প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। বলা হয়েছে, তিনি আসলে বাংলাদেশের নাগরিক এবং "কারসাজি করে তাকে ভারতের নাগরিক বানানো হয়েছে।"
একজন বিদেশী কীভাবে ভারতের একটি রাজনৈতিক দলে যোগ দেন, সেই প্রশ্ন তুলছে রাজ্যের ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল।
তবে বিজেপি দাবি করেছে যে মিজ ঘোষের বাবা বাংলাদেশের মানুষ ছিলেন ঠিকই, কিন্তু তার জন্ম কর্ম, সবই কলকাতায়।
বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের উপস্থিতিতেই বুধবার দলে যোগ দেন মিজ. ঘোষ।
মিজ. ঘোষের নাগরিকত্ব নিয়ে বিতর্কের প্রেক্ষিতে বিজেপির নেতা মি. ঘোষ বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন, "ওর জন্মের সার্টিফিকেট, পাসপোর্ট, ভোটার কার্ড - সবই আমরা দেখেছি। তার বাবা বাংলাদেশের মানুষ ছিলেন, তিনি আর জীবিত নেই। কিন্তু মা এখানকার মানুষ। তিনি সল্ট লেকে থাকেন বহু বছর ধরে। সব নথিই আমরা সামাজিক মাধ্যমে তুলেও দিয়েছি। এ নিয়ে অযথা বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে।"
এই বিতর্কের প্রেক্ষিতে একটি সংবাদ সম্মেলন হয় রাজ্য বিজেপি সদর দফতরে। সেখানে দলের নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার যেসব নথি পেশ করেছেন, সেগুলো বিজেপির ''মিডিয়া সেল'' সাংবাদিকদের দিয়েছে।
সেই নথিতে মিজ ঘোষের দুটি পৃথক জন্মতারিখ পাওয়া যাচ্ছে।
![]() |
| কলকাতা পৌরসভার জন্ম রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট |
জন্ম রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটটি ইস্যু করা হয়েছে অবশ্য অনেক পরে - ২০০৩ সালের ২২শে ডিসেম্বর।
আবার আয়কর দপ্তরের পার্মানেন্ট অ্যাকাউন্ট নাম্বার [যা মোটামুটিভাবে প্রতিটি আর্থিক লেনদেন এবং ব্যাঙ্কের কাজে প্রয়োজন হয়], সেখানে লেখা আছে জন্ম তারিখ ৮ই সেপ্টেম্বর, ১৯৬৭।
দেওয়া হয়েছে মিজ ঘোষের ভোটার পরিচয়পত্রও। সেখানে ২০০২ সালের পয়লা জানুয়ারিতে তার বয়স লেখা রয়েছে ৩৫ বছর। অর্থাৎ জন্মসাল ১৯৬৭।
![]() |
| আয়কর দপ্তরের পার্মানেন্ট অ্যাকাউন্ট নাম্বারে ভিন্ন জন্ম তারিখ |
অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস আবারও বলছে, কোথাও একটা কারসাজি করে অঞ্জু ঘোষকে ভারতীয় নাগরিক হিসাবে দেখানো হচ্ছে।
দলের নেতা রাহুল চক্রবর্তীর কথায়, "২০০২ সালে তার ভোটার কার্ড ইস্যু হচ্ছে আর তিনি পাসপোর্ট পাচ্ছেন ২০১৮ সালে! এটা হয় নাকি? আমরা নি:সন্দেহ যে ২০১৮-র আগেও তিনি বাংলাদেশে গেছেন, থেকেছেন, কাজ করেছেন! কীভাবে গেলেন তাহলে? আমরা এখনও বলছি, অঞ্জু ঘোষ বাংলাদেশের নাগরিক। একটা কারসাজি করা হয়েছে কোথাও।"
একজন বিদেশী নাগরিককে কীভাবে দেশের ক্ষমতাসীন দলের সদস্য করা হয়, সেই প্রশ্নও তুলছেন মি. চক্রবর্তী।
আজকাল পত্রিকার সিনিয়র সাংবাদিক অরুন্ধতী মুখার্জী অবশ্য বলছিলেন, "নির্বাচনের প্রচার চলার সময়ে তৃণমূল কংগ্রেসের এক প্রার্থীর প্রচারে দুই বাংলাদেশী অভিনেতার যোগ দেওয়া নিয়ে বিজেপি নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করেছিল। তাদের দুজনকেই নিজের দেশে ফিরে যেতে নির্দেশ দেয় ভারত সরকার। এখন তৃণমূল কংগ্রেস একটা সুযোগ পেয়েছে অঞ্জু ঘোষের নাগরিকত্ব নিয়ে পাল্টা অভিযোগ তোলার।"
লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে দারুণ ফলাফল করার পরে ভারতীয় জনতা পার্টিতে নানা পেশার মানুষের, নানা দলের নেতা কর্মীদের যোগদান করার ধূম লেগে গেছে। এর জন্য বিজেপি রীতিমতো যোগদান মেলারও আয়োজন করছে।
এর ফলে গত দুসপ্তাহে বিতর্কও তৈরি হয়েছে বারে বারে।
![]() |
| লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে দারুণ ফলাফল করার পরে ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগদানের হিড়িক পড়ে গেছে |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘চীনের মহাকাশ শক্তিতে উদ্বিগ্ন ভারত: বেইজিংয়ের বদলি শক্তি ইসলামাবাদ’

রাজধানী নয়াদিল্লিতে ‘ওআরএফ কল্পনা চাওলা বাৎসরিক মহাকাশ নীতি সংলাপে’ এ ধারণা ব্যক্ত করেছেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর সদর দফতরের পরিপ্রেক্ষণ বা পার্সপেক্টিভ পরিকল্পনা বিষয়ক মহাপরিচালক লে. জেনারেল তারানজিত সিং।
তিনি বলেন, নিরাপত্তা সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ভারতকে অর্জন করতে হবে মহাকাশ বিষয়ক উন্নত প্রযুক্তি। কেবলমাত্র সামরিক প্রয়োজনে ব্যবহারের লক্ষ্য সামনে রেখে মহাকাশ প্রযুক্তি অর্জন করলে চলবে না বরং ক্ষেপণাস্ত্র ও অস্ত্র মোতায়েন তৎপরতাকে সামনে রেখে এ প্রযুক্তি অর্জন করতে হবে বলেও জানান তিনি।
তিনি এ ক্ষেত্রে চীনের উদাহরণ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, চীন নিজের নিরাপত্তা এবং সামরিক প্রয়োজনীয়তাকে বেইজিংয়ের মহাকাশ কর্মসূচির সঙ্গে নিবিড় ভাবে সংহত করেছে; আর এতে চীনা সেনাবাহিনী গণমুক্তি ফৌজের সক্ষমতা বেড়েছে।
যোগাযোগের জন্য কোয়ান্টাম উপগ্রহ ছোঁড়ার মধ্য দিয়ে চীন একটি সুবিধাজনক অবস্থানে চলে গেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। ভারতের জন্যেও দ্রুত একই ধরণের উপগ্রহ নির্মাণ করার আহ্বান জানান তিনি।
এ ছাড়া, চীনের উপগ্রহ বিধ্বংসী অস্ত্র-সক্ষমতা বাড়ার ফলে ভারতের মহাকাশ সম্পদ নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে বলেও জানান তিনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দক্ষিণ অফ্রিকায় ২৮ সদস্যের মন্ত্রিসভায় ১৪ জন নারী

দক্ষিণ আফ্রিকায় গত ৮ মে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস (এএনসি) জয়লাভ করে। গত শনিবার প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথগ্রহণ করেন রামাফোসা। ঘোষিত মন্ত্রিসভার ১৪ নারী সদস্যের একজন বিরোধীদলীয় আইনপ্রণেতা। তিনি গুড পার্টির নেত্রী প্যাট্রিসিয়া ডি লিল। অবকাঠামো উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন তিনি।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিগত মন্ত্রিসভা ছিল ৩৬ সদস্যের। সেই মন্ত্রিসভাকে ‘বড়’ বলে আখ্যা দেন নতুন প্রেসিডেন্ট রামাফোসা। তিনি অঙ্গীকার করেছেন, দেশ থেকে দুর্নীতির মূলোৎপাটন করবেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কিলাত ক্লাব থেকে বিশ্ব মঞ্চে by সামন হোসেন

১৯৯৭ সালের ১৩ই এপ্রিল আইসিসি ট্রফি জয়ের সেই মুহূর্তের পরই আসলে বদলে যেতে থাকে বাংলাদেশের ক্রিকেট। এখন তো আশা ভরসার প্রতীক হয়ে উঠেছে এই খেলাটি। এখন কেনিয়া, আয়ারল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, আফগানিস্তান আর নেদারল্যান্ডস যে জায়গায় দাঁড়িয়ে- তখনকার বাংলাদেশও ঠিক ওই কাতারেই ছিল। ১৯৯৭ সালে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের কিলাত ক্লাব মাঠে মরিস ওদুম্বে, স্টিভ টিকোলো, টনি সুজি আর কেনেডি ওটিয়ানোর কেনিয়াকে হারিয়ে ঠিক সেখান থেকে এক ধাপ উঁচুতে জায়গা করে নিয়েছিলেন আকরাম খান, মিনহাজুল আবেদিন নান্নু, আমিনুল ইসলাম বুলবুল, খালেদ মাহমুদ সুজন, খালেদ মাসুদ পাইলট, নাঈমুর রহমান দুর্জয়, মোহাম্মদ রফিক, সাইফুল ইসলাম খান আর হাসিবুল হোসেন শান্তরা। কেনিয়াকে রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে ২ উইকেটে হারানোর মধ্য দিয়ে আইসিসি ট্রফি চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ। লাল-সবুজ পতাকা উড়েছিল পতপত করে। বিশ্ব দেখেছিল, জেনেছিল ক্রিকেটের নতুন শক্তি বাংলাদেশের অভ্যুদয়। মনে হয় যেন এই সেদিন। কিন্তু দেখতে দেখতে কেটে গেছে ২২টি বছর। ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কার মতো দলের ভিত কাঁপিয়ে দেয় টাইগাররা। বাঘের গর্জনে তটস্থ ক্রিকেট বিশ্ব। ২২ বছর আগে কুয়ালালামপুরের কিলাত ক্লাব মাঠে যে বাঘের জন্ম, তা এখন ২২ বছরের যুবা। এই ২২ বছরে কত ঘটনারই জন্ম দিয়েছে বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা।
আকরাম খানঃ ৬৮* প্রতিপক্ষ: নেদারল্যান্ডস (১৯৯৭): বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভিত্তিপ্রস্তর নির্মাণ
এর আগ পর্যন্ত বিপুল সম্ভাবনা নিয়ে আইসিসি ট্রফিতে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ। কিন্তু বারবারই স্বপ্নভঙ্গের বেদনা হয়েছে সঙ্গী। ছুঁই ছুঁই দূরত্ব থেকে বিসর্জন দিতে হয়েছে বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন। তারিখটা ১৯৯৭ সালের ৪ঠা এপ্রিল। আইসিসি ট্রফির সেমিফাইনালের রেসে থাকা তথা বিশ্বকাপ খেলার সম্ভাবনা ধরে রাখার জন্য নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ‘জিততেই হবে’ এমন বাস্তবতার মুখে পড়লো বাংলাদেশ। সোজা কথায়, জিতলে শেষ চার, হারলে বিদায়। এমন বাঁচা-মরার ম্যাচে আগে ব্যাট করতে নেমে ১৭১ রান জমা করলো ডাচরা। বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে টাইগারদের সামনে পরিবর্তিত টার্গেট দাঁড়ালো ৩৩ ওভারে ১৪১ রান। ব্যাটিংয়ে নেমেই মহাবিপর্যয়। মাত্র ১৫ রানে ৪ উইকেট হারালো বাংলাদেশ। টপ অর্ডার পুরোপুরি টপলেস। যেন সেই পুরনো চিত্রনাট্যেরই দৃশ্যায়ন! তবে চিত্রনাট্য বদলে দিলেন অধিনায়ক আকরাম খান। দল তথা দেশের সব ভার কাঁধে তুলে নিলেন একাই। তাকে সঙ্গ দিলেন মিনহাজুল আবেদিন নান্নু (২২)। পঞ্চম উইকেট জুটিতে ৬২ রান তুলে নিয়ে প্রাথমিক বিপর্যয় কাটিয়ে উঠলেন বাংলাদেশের এই ক্রিকেটার। এনামুল হক মনি (৩) চটজলদি ফিরে গেলেও সপ্তম উইকেটে আকরামকে সুযোগ্য সমর্থন দিলেন সাইফুল ইসলাম। এই জুটিতে যোগ হলো ৫০ রান। সাইফুল সাজঘর মুখো হলে বাকি পথটুকু একাই পাড়ি দেন আকরাম। ৩ উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়লো বাংলাদেশ। আকরাম খান অপরাজিত থাকলেন ৬৮ রানে। এই জয়ের সুবাদে সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল বাংলাদেশ। ঘুরে দাঁড়ানো টাইগারদের আটকানোর সাধ্য ছিল না কারও। এরপর সেমিফাইনালে স্কটল্যান্ড ও ফাইনালে কেনিয়াকে হারিয়ে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কৃতিত্ব দেখালেন আকরাম খান ও তার সহযোদ্ধারা। এর মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের ছাড়পত্র আদায় করে নিলো বাংলাদেশ।
বিশ্বকাপে প্রথম জয়ঃ মিনহাজুল আবেদিন নান্নু ৬৮* প্রতিপক্ষ: স্কটল্যান্ড ( ১৯৯৯)
একদিকে বিরুদ্ধ ইংলিশ কন্ডিশন। অন্যদিকে নিন্দুকদের বাঁকা কথা। বিশ্বকাপের প্রথম দুটো ম্যাচে নিউজিল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে যাচ্ছেতাইভাবে হারলো বাংলাদেশ। বিশ্বকাপের পরিবেশ দূষণ করছে বাংলাদেশ- জোরেশোরেই উঠতে শুরু করলো এমন কথা। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশ হারবে এমন বিশেষজ্ঞ মত দেয়ার মানুষেরও অভাব হলো না। এই পরিস্থিতিতে স্কটল্যান্ডকে হারানোটা টাইগারদের জন্য হয়ে উঠলো সময়ের দাবি। মিনহাজুল আবেদিন নান্নুর ব্যাটে সেই দাবি পূরণ করলো বাংলাদেশ। এডিনবার্গে স্বাগতিক স্কটিশদের বিপক্ষে টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে মিনহাজুলের দৃঢ়তায় ৯ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ালো ১৮৫। ম্যাচে একটা পর্যায়ে মাত্র ২৬ রানে ৫ উইকেট খুঁইয়ে বসে টাইগাররা। এমন খাদের কিনার থেকে নাইমুর রহমান দুর্জয়কে (৩৬) সঙ্গে নিয়ে দলকে টেনে তুললেন মিনহাজুল। ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে যোগ হলো ৬৯ রান। মিনহাজুল অপরাজিত থাকলেন ৬৮ রানে। এই রান ভালোভাবেই রক্ষা করলেন বোলাররা। ২২ রানে জিতলো বাংলাদেশ। এর মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপে প্রথম জয়ের স্বাদ পেলো বাংলাদেশ। আর এই জয় বাড়িয়ে দিলো বাঘের ক্ষুধা।
বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে হারিয়ে ক্রিকেট বিশ্বকে বার্তা দিলো বাংলাদেশঃ খালেদ মাহমুদ সুজন (২৭, ৩/৩১)
বিশ্ব ক্রিকেটে জায়গা করে নিতেই এসেছে- এই ম্যাচের মধ্য দিয়ে যেন সেই বার্তা বিশ্ববাসীকে জানিয়ে দিলো বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। ৩১শে মে, ১৯৯৯। বাংলাদেশ ক্রিকেটে সোনার অক্ষরে লেখা একটি তারিখ। গ্রুপপর্বে এটা ছিল বাংলাদেশের শেষ ম্যাচ। নর্দাম্পটনে টাইগারদের প্রতিপক্ষ ১৯৯২-এর বিশ্বকাপজয়ী পাকিস্তান। ম্যাচে টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে আকরাম খান (৪২) ও খালেদ মাহমুদ সুজনের (২৭) দৃঢ়তায় ৭ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডে জমা পড়লো ২২৩ রান। জবাবে মাত্র ১৬১ রানে গুড়িয়ে গেল পাকিস্তান। ৬২ রানের জয় তুলে নিলো বাংলাদেশ। ১০ ওভারে মাত্র ৩১ রান খরচায় ৩ উইকেট শিকার করলেন খালেদ মাহমুদ। বাংলাদেশ ক্রিকেটে এটি জয়ের চেয়েও বেশি কিছু। এই জয়ে এক লাফে অনেকগুলো ধাপ পেরুলো টাইগাররা। বাংলাদেশকে হিসেবের মধ্যে নিতে বাধ্য হলো ক্রিকেট বিশ্ব। ২০০৭ বিশ্বকাপে ভারতকে হারিয়ে বাংলাদেশ জায়গা করে নিলো সেরা আটে।
মোহাম্মদ আশরাফুল ১০০, প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া (২০০৫): দুনিয়া কাঁপানো কার্ডিফ
এর আগে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট জয়ের সঙ্গে টেস্ট সিরিজও জিতেছে বাংলাদেশ। সমৃদ্ধ হয়েছে ব্যক্তিগত অর্জনের ঝুলি। ওয়ানডে ম্যাচে জয়ও এসেছে বেশ কিছু। জিম্বাবুয়ে ছাড়াও দেশের মাটিতে ওয়ানডে ম্যাচে ভারতকে হারানোর কৃতিত্ব দেখিয়েছে টাইগাররা। কিন্তু বাংলাদেশ ক্রিকেট যে সঠিক পথেই আছে প্রমাণ করার জন্য এগুলো যথেষ্ট ছিল না। বিশ্ব ক্রিকেটে খুব বড় একটা ঝাকি দেয়াটা প্রয়োজন হয়ে পড়ে বাংলাদেশের জন্য। আশরাফুলের ব্যাটে সেই বড় ঝাকিটাই টাইগাররা দিলো কার্ডিফে। তারিখটা ১৮ই জুন, ২০০৫। শুধু বিশ্বসেরা নয়, অস্ট্রেলিয়া তখন ক্রিকেটকে বানিয়ে ফেলেছে ইচ্ছাপূরণের খেলায়। ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে সফল দলের রেকর্ডও তাদের নামের পাশে। এরকম একটা সময়ে তিন দেশীয় ন্যাটওয়েস্ট সিরিজে কার্ডিফের সোফিয়া গার্ডেনে ভয়ঙ্কর প্রতাপশালী অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হলো বাংলাদেশ। ম্যাচে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ২৪৯ রানের যথেষ্ট সমৃদ্ধ স্কোর গড়লো আগের দুবারের বিশ্বজয়ীরা। গ্লেন ম্যাকগ্রা, জেসন গিলেস্পিদের ছোবল সামলে বাংলাদেশ ২৫০ রানের টার্গেট স্পর্শ করবে- এমন ভাবনাটাও ছিল ঔদ্ধত্যের সামিল। কিন্তু এই বেয়াড়া ভাবনাটা ভেবেছিলেন মোহাম্মদ আশরাফুল। চার নম্বরে খেলতে নেমে মাত্র ১০১ বলের মারাদাঙ্গা ইনিংস খেলে করলেন সেঞ্চুরি। যতক্ষণে আশরাফুল আউট হলেন ততক্ষণে জয় হাতের মুঠোয় চলে এসেছে বাংলাদেশের। ৪ বল হাতে রেখে ৫ উইকেটের জয় তুলে নিলো বাংলাদেশ। ক্রিকেট বিশ্বে সবচেয়ে আলোচিত হয়ে উঠলো বাংলদেশের এই জয়। উইজডেন সাময়িকীর সম্পাদকীয়তে এই জয় নিয়ে লেখা হলো- এরপর বাংলাদেশ ক্রিকেট উন্নতি করেনি এমন প্রশ্ন করার আর কোনো সুযোগ নেই।
মাশরাফি ৪/৩৫ প্রতিপক্ষ: ভারত (২০০৭): বিশ্বকাপ থেকে ভারতের বিদায় ঘণ্টা
একটু বিরতি দিয়ে হলেও বড় দলগুলোর বিপক্ষে জিততে শুরু করলো বাংলাদেশ। কমতে শুরু করলো টাইগারদের এক জয় থেকে আরেক জয়ের গ্যাপ। তবে বড় আসরে বড় দলগুলোর জন্য হুমকি তখনও হয়ে ওঠেনি বাংলাদেশ। ২০০৭ সালের ওয়েস্ট ইন্ডিজ বিশ্বকাপে বড়দের সঙ্গে পার্থক্য ঘুচালো টাইগাররা। এই বিশ্বকাপে ‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশের সঙ্গী ছিল উপমহাদেশের ক্রিকেটের দুই পরাশক্তি ভারত, শ্রীলঙ্কা ও বারমুডা। এই বিশ্বকাপে অংশ নেয়ার আগে মাশরাফি বিন মুর্তজা ভারতকে ইঙ্গিত করে বলেছিলেন- ধরে দেবানি।
ত্রিনিদাদের পোর্ট অব স্পেনে ভারতের মুখোমুখি হলো টাইগাররা। মাশরাফির আগুনঝরা বোলিংয়ে ১৯১ রানে শেষ হলো ভারতের ইনিংস। এই সুযোগ আর হাতছাড়া করেনি ব্যাটসম্যানরা। তামিম ইকবাল (৫১), মুশফিকুর রহিম (৫৬) ও সাকিব আল হাসানের (৫৩) দৃঢ়তায় কাঙ্ক্ষিত জয়ের বন্দরে নোঙর করলো বাংলাদেশ। ৯ বল হাতে রেখেই ৫ উইকেটের জয়। এই হারের ধাক্কা আর সামলে উঠতে পারেনি ভারত। বিদায় নিলো গ্রুপপর্ব থেকেই। আর বাংলাদেশ জায়গা করে নিলো সেরা আটে।
আশরাফুল ৮৭, প্রতিপক্ষ: দক্ষিণ আফ্রিকা (২০০৭): নতুন উচ্চতায় বাংলাদেশ
ভারতের বিদায় ঘণ্টার মধ্য দিয়েই মিশন শেষ করেনি বাংলাদেশ। উপমহাদেশের বাইরের প্রতিষ্ঠিত শক্তিগুলোর বিপক্ষে অন্তত বিশ্বকাপে বলার মতো সাফল্য ছিল না টাইগারদের। শক্তির বিচারে ক্রিকেটে অস্ট্রেলিয়ার পরের নাম দক্ষিণ আফ্রিকা। সাধারণত অঘটন দেখা যায় গ্রুপ পর্বেই। সুপার এইট কিংবা এই ধরনের পর্বে স্বমূর্তি ধারণ করে বড় দলগুলো। স্বাভাবিক কারণেই ওপরের রাউন্ড কিংবা পর্বে সর্বোচ্চ সাফল্য পাওয়াটা অনেক কঠিন। তবে আশরাফুলের ব্যাটে সম্ভব হলো সেই কঠিন কাজটাই। গায়ানার প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে আশরাফুলের বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৫১ রান সংগ্রহ করলো বাংলাদেশ। আশরাফুলের ৮৭ রান এলো মাত্র ৮৩ বলের কনকর্ডে চড়ে। জবাবে ১৮৪ রানে শেষ হয়ে গেল দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস। ৬৭ রানে জিতলো বাংলাদেশ।
এই বিশ্বকাপে সেরা আটের লড়াইয়ে চমক দেখানো আয়ারল্যান্ডের কাছে ৭৪ রানে হারে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট যে কতটা পিচ্ছিল সেই অভিজ্ঞতাও হয়ে গেল টাইগারদের।
সাকিব আল হাসান (২১৩ রান, ১১ উইকেট), প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড (২০১০) : বাংলা ধোলাই
ওই সময় পর্যন্ত দুর্বল থেকে দুর্বলতর হয়ে ওঠা জিম্বাবুয়ে আর অপেক্ষাকৃত দুর্বল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ জয়, এর বাইরে প্রতিষ্ঠিত দলগুলোর বিপক্ষে কোনো দ্বিপক্ষীয় সিরিজ জেতেনি বাংলাদেশ। সাকিব আল হাসানের অলরাউন্ড পারফরমেন্সে সেই আক্ষেপ ঘুচলো এ দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের। পাঁচ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে নিউজিল্যান্ডকে ৪-০ ব্যবধানে হারালো বাংলাদেশ। সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচটি পরিত্যক্ত হয় বৃষ্টিতে। শেষ ম্যাচটি জেতার সময় বাংলাদেশের ধারাভাষ্যকার আতাহার আলী খান বললেন, বাংলা ওয়াশ। সাকিবের দুর্দান্ত নৈপুণ্যে প্রতিরোধহীন অবস্থায় আত্মসমর্পণ করা কিউইরা সিরিজ শেষ করলো বাংলা ধোলাইয়ের লজ্জা নিয়ে।
নিয়মিত অধিনায়ক মাশরাফি এই সিরিজের প্রথম ম্যাচেই ইনজুরি আক্রান্ত হয়ে মাঠ ছাড়লে অধিনায়কত্বের গুরুদায়িত্ব বর্তায় সাকিবের ওপর। মজাটা হচ্ছে, ওই সিরিজের আগ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তো বটেই ঘরোয়া ক্রিকেটেও কখনো নেতৃত্ব দেননি সাকিব। কিন্তু কোনো কিছুই বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি এই অলরাউন্ডারের। সিরিজে সর্বোচ্চ রান (২১৩) ও সর্বোচ্চ উইকেট (১১) সকিবের। সঙ্গে ধারালো নেতৃত্ব। ওই সময় কিউই অধিনায়ক ড্যানিয়েল ভেট্টোরি আর সাকিবের মধ্যে কে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার এ নিয়ে একটা আলোচনা ছিল ক্রিকেট বিশ্বে। সিরিজ চলাকালীন এক সংবাদ সম্মেলনে সাকিবের শ্রেষ্ঠত্ব নিজ মুখেই স্বীকার করলেন ভেট্টোরি।
হোয়াইট ওয়াশ হওয়ার পর কান্নাকাটি পড়ে গেল নিউজিল্যান্ডে। এই সিরিজ হারকে তাদের ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় লজ্জা হিসেবে উল্লেখ করল সে দেশের মিডিয়া ও সাবেকরা। বাংলাদেশের সামনে পড়ে বড় দলগুলোর এমন আর্তনাদ এখন প্রায় নিয়মিতই।
মাহমুদউল্লাহর ১০৩ ও রুবেলের আঘাত, প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড (২০১৫): কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশ
২০০৭ বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো সেরা আটে জায়গা করে নেয় টাইগাররা। ঘরের মাঠে ২০১১ বিশ্বকাপে তিন ল্যান্ডকে (ইংল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডস) হারালেও নক আউট পর্বে (কোয়ার্টার ফাইনালে) পৌঁছতে পারেনি বাংলাদেশ। গত বিশ্বকাপে সেই কৃতিত্ব দেখায় টাইগাররা।
২০১৫ বিশ্বকাপে ‘এ’ গ্রুপে বাংলাদেশ ছাড়াও ছিল আরো ছয়টি দল। এর মধ্যে আফগানিস্তান ও স্কটল্যান্ড টেস্ট স্ট্যাটাস বর্জিত। তাই কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেয়ার জন্য আফগান ও স্কটিশদের হারানোই যথেষ্ট ছিল না। ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা কিংবা অস্ট্রেলিয়া- এই চার দলের মধ্যে কমপক্ষে এক দলকে হারানোর বাধ্যবাধকতার মধ্যে পড়ে গেল টাইগাররা। এই বড় চালেঞ্জে ইংলিশদের বিশ্বকাপ স্বপ্ন চূর্ণ করে নক আউট পর্বের ছাড়পত্র আদায় করে নিলো বাংলাদেশ।
অ্যাডিলেড ওভালের এই ম্যাচে টস জিতে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের সেঞ্চুরিতে (১০৩) বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়াল ৭ উইকেটে ২৭৫। জবাবে প্রয়োজনের সঙ্গে তাল রেখেই এগুচ্ছিল ইংল্যান্ড। ৪৫.৪ ওভার শেষে তাদের স্কোরবোর্ডে উঠল ২৩৮/৬। ম্যাচ জিততে ২৬ বল থেকে তাদের প্রয়োজন ৩৮ রান। উইকেটে দুই ডেঞ্জারম্যান জস বাটলার ও ক্রিস ওকস। এরই মধ্যে সপ্তম উইকেট জুটিতে ৬০ বল থেকে ৭৫ রান তুলে নিয়েছেন দুজন। ম্যাচের পাল হেলে পড়েছে ইংল্যান্ডের দিকে। এ অবস্থায় বাটলারকে (৬৫) আউট করে ঘুরে দাঁড়ানোর পথ করে দিলেন তাসকিন আহমেদ। কিন্তু নবম উইকেট জুটিতে ২২ রান সংগ্রহ করে ম্যাচটা নিজেদের দিকে নিয়ে গেলেন ওকস ও স্টুয়ার্ট ব্রড। ম্যাচ জিততে শেষ ১২ বলে ইংলিশদের দরকার মাত্র ১৬ রান। এরপরই রুবেল হোসেনের সেই জোড়া ড্রিম ডেলিভারি। ৪৯তম ওভারের প্রথম বলে দুর্দান্ত ইয়র্কারে ব্রডকে সরাসরি বোল্ড আউট করলেন রুবেল। এক বল বাদ দিয়ে তৃতীয় বলেই আবারো ইয়র্কারেই বোল্ড করলেন জেমস অ্যান্ডারসনকে। ১৫ রানে ম্যাচ জিতলো বাংলাদেশ। সেইসঙ্গে মসৃণ হয়ে গেল কোয়ার্টার ফাইনালের পথও।
মোস্তাফিজুর রহমান (১৩ উইকেট) প্রতিপক্ষ ভারত (২০১৫): কাটার মাস্টারে ভারত বধ
অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধ কন্ডিশনে সাফল্য পাওয়ার পর ২০১৫ সালে শুধু এগিয়েই গেছে বাংলাদেশ। দেশের মাটিতে ওয়ানডে সিরিজে প্রথমবারের মতো পাকিস্তানকে হোয়াইট ওয়াশের লজ্জায় ডোবায় বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টি সিরিজেও জিতেছে টাইগাররা। পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচে অভিষিক্ত হলেন মোস্তাফিজুর রহমান। দুর্দান্ত বোলিংও করলেন। কিন্তু ‘কাটার মাস্টার’ মোস্তাফিজ তখনও অচেনা। আসল মোস্তাফিজকে চিনলো ভারত।
মহেন্দ্র সিং ধোনির ভারতকে কোনো সুযোগই দিলেন না মোস্তাফিজ। অভিষেক ওয়ানডে ম্যাচে ৫ উইকেট তুলে নিয়ে ভারতকে হারিয়ে দিলেন ৭৯ রানে। দ্বিতীয় ম্যাচে তার শিকার ৬ উইকেট। বাংলাদেশের জয়ও ৬ উইকেটের ব্যবধানে। তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতলো বাংলাদেশ। শেষ ম্যাচে সান্ত্বনাসূচক জয় পেলো ভারত। নিজের ওয়ানডে অভিষেক সিরিজে ১৩ উইকেট শিকার করলেন মোস্তাফিজ। উইকেট পিছু খরচ মোটে ১১.৫৪ রান।
এরপরই মোস্তাফিজেরর স্লোয়ার, কাটারে কাটা পড়লো দক্ষিণ আফ্রিকাও। ভারতের মতোই ওয়ানডে সিরিজে ১-২ ব্যবধানে হারলো প্রোটিয়ারা। আর মোস্তাফিজের স্লোয়ার, কাটার বাংলাদেশ ক্রিকেটকে উন্নীত করলো ভিন্ন এক মানদণ্ডে।
মেহেদী হাসান মিরাজ (৬/৮২ ও ৬/৮৭), প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড (২০১৬): পিছিয়ে পড়েও টেস্ট সিরিজ ড্র
ওয়ানডে ক্রিকেটে বড় দলগুলোর বিপক্ষে ম্যাচ তো বটেই বাংলাদেশের সিরিজ জয়ও প্রায় নিয়মিত। কিন্তু টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ যেন অন্য আরেকটি দল। হারার জন্যই যেন টেস্ট খেলতে নামে টাইগাররা। গত বছর সফরকারী ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে নতুন চেহারায় আবির্ভূত হলো বাংলাদেশ। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ চট্টগ্রাম টেস্টে ২২ রানে হারলো মুশফিক বাহিনী। সুযোগ হাতছাড়া হওয়ার মানসিক ধাক্কা দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে টাইগাররা কাটিয়ে উঠতে পারবে কি-না এ নিয়ে সংশয়ে অনেকেই। কিন্তু সব অনিশ্চয়তা দূর করে দিলেন তরুণ স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শততম টেস্ট জয়ঃ তামিম (৪৯, ৮২) সকিব (১১৬,১৫ ও ২/৩৩, ৪/৭৪), প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা (২০১৭): শততম টেস্টে জয়
এ বছরের মার্চ মাসে শ্রীলঙ্কা সফরে প্রথম টেস্টে হেরে দুই টেস্ট সিরিজে ০-১ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ। এ অবস্থায় নিজেদের শততম টেস্টে টাইগাররা ঘুরে দাঁড়াতে পারবে কি-না এ নিয়ে সংশয়ে ছিলেন অনেকেই। মাঠে নেমেই সব শঙ্কা দূর করে দিলো টাইগাররা। কলম্বোর পি সারা ওভালে প্রথম দিন থেকে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে বাংলাদেশ জিতলো ৪ উইকেটের ব্যবধানে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অমিত শাহকে নিয়ে ঢাকার ‘অস্বস্তি’ কি দূর করতে পারবেন জয়শঙ্কর? by রঞ্জন বসু
![]() |
| অমিত অনিলচন্দ্র শাহ |
প্রথমজন অমিত অনিলচন্দ্র শাহ—ভারতের নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিজেপি সভাপতি। দ্বিতীয়জন সুব্রহ্মণ্যম জয়শঙ্কর—দুঁদে কূটনীতিবিদ ও বিদেশনীতি বিশেষজ্ঞ; এখন তার নতুন পরিচয় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
নরেন্দ্র মোদির দ্বিতীয় মেয়াদের মন্ত্রিসভায় এই দুজনের যোগদানকে কীভাবে দেখছে বাংলাদেশ?
বিশ্লেষকরা মনে করেন, অমিত শাহকে নিয়ে ঢাকার অস্বস্তিবোধের কিছু কারণ আছে বৈকি। অন্যদিকে জয়শঙ্করের ব্যাপারে খুশি হওয়াটা স্বাভাবিক বলেই ধরে নেওয়া চলে।
মোদির প্রথম মেয়াদে যে তিন বছর জয়শঙ্কর ভারতের পররাষ্ট্র সচিব ছিলেন, প্রতিবেশী বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে তার অবদান ছিল অসামান্য। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা থেকে শুরু করে পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক, প্রত্যেকের সঙ্গে তিনি হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন।
আর তিন বছরের মেয়াদে জয়শঙ্কর এতবার ঢাকা সফর করেছেন, তা রেকর্ড হয়ে আছে; ভারতের দ্বিতীয় কোনও পররাষ্ট্র সচিবের তা নেই। মোদির বিদেশনীতির অন্যতম প্রধান স্তম্ভ যে ‘নেইবারহুড ফার্স্ট’ (সবার আগে প্রতিবেশী), তার মূল স্থপতিই ছিলেন জয়শঙ্কর। বলাই বাহুল্য, বাংলাদেশ ছিল সেই নীতির কেন্দ্রবিন্দুতে।
ফলে অসুস্থতার কারণে ভারতের মন্ত্রিসভা থেকে সুষমা স্বরাজের বিদায়ের পর জয়শঙ্করকে নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়ায় বাংলাদেশের খুশি হওয়ারই কথা। পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে তার নিয়োগের পর গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলা ট্রিবিউনের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মহলের যে কথাবার্তা হয়েছে তাতেও সেই ইতিবাচক সুরই ঝরে পড়েছে। বিশ্লেষকরাও একই কথার প্রতিধ্বনি করছেন। কিন্তু ভারতের নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সম্পর্কে একই কথা বলা যাচ্ছে না।
এবার নির্বাচনি প্রচারণায় ভারতের যে রাজনীতিবিদ সবচেয়ে চড়া গলায় বাংলাদেশ প্রশ্নে আক্রমণ শানিয়েছেন, তিনি অমিত শাহ। বিভিন্ন জনসভায় তিনি হুমকি দিয়েছেন, ভারত থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের খুঁজে বের করে দেশ থেকে তাড়ানো হবে। আর এখানে কোনও ‘ডিপ্লোম্যাটিক কারেক্টনেস’-এর ধারও ধারেননি তিনি। সোজাসুজি বলেছেন, অবৈধ অনুপ্রবেশকারী বলতে তিনি বাংলাদেশিদেরই বোঝাচ্ছেন।
ভারতে বসবাসকারী কথিত অবৈধ বাংলাদেশিদের তিনি কী চোখে দেখেন, সেটাও স্পষ্ট হয়ে গেছে তার ‘উইপোকা’ (টারমাইটস) সম্বোধনে। বোঝাতে চেয়েছেন, ভারতের অর্থনীতিতে ও নাগরিক সুযোগ-সুবিধায় ঘূণ ধরাচ্ছে এরা।
এতেই শেষ নয়, আসামের বিতর্কিত যে জাতীয় নাগরিকপঞ্জির (এনআরসি) জেরে রাজ্যের লাখ লাখ বাঙালি মুসলমানের রাষ্ট্রহীন হয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, সেই একই প্রক্রিয়া পশ্চিমবঙ্গসহ দেশের আরও নানা রাজ্যে চালু হবে বলেও তিনি ঘোষণা দিয়ে রেখেছেন। এই ‘রাষ্ট্রহীন’দের বাংলাদেশে ডিপোর্ট করাই বিজেপির ঘোষিত অবস্থান, এবং দলের সভাপতি এই হুঁশিয়ারিও দিয়ে রেখেছেন, ‘মিলিয়ে নেবেন, অমিত শাহ যা বলে তা-ই করে!’
এমন ব্যক্তি রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বে থাকা এক জিনিস, আর যখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পান, সেটা অন্য জিনিস। ফলে নরেন্দ্র মোদি ও শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত কেমিস্ট্রি যতই ভালো হোক, এই নিয়োগে অন্তত বাংলাদেশের স্বস্তি পাওয়ার কোনও কারণ নেই বলেই মনে করেন বিশ্লেষকরা।
ভারতের কোন রাজ্যে কীভাবে অবৈধ বিদেশিদের শনাক্ত করার কাজ শুরু হবে, কারা কীভাবে নাগরিকত্ব খোয়ানোর হুমকিতে পড়বেন— এসবই দেখাশুনা করবে অমিত শাহের মন্ত্রণালয়। তার দফতর থেকেই স্থির হবে, এ দেশে বসবাসকারী রোহিঙ্গারা—যাদের ভারত নিরাপত্তার হুমকি বলে মনে করছে এবং শরণার্থী বলেও স্বীকার করছে না—তাদের তালিকাই বা কবে কীভাবে প্রস্তুত হবে।
শুধু তা-ই নয়, ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীও (বিএসএফ) এখন থেকে কাজ করবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের অধীনে। অনেকেই ধারণা করছেন, বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফ যে প্রাণঘাতী অস্ত্র (লিথাল ওয়েপন) ব্যবহার না-করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, সেটাও এবার পর্যালোচনা করা হতে পারে।
সীমান্তে গরুপাচার ঠেকাতে বিএসএফ কড়া ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে রাজনাথ সিংয়ের আমলেই। তার উত্তরসূরি এক্ষেত্রে আরও কঠোর অবস্থান নেবেন মনে করারও যথেষ্ট কারণ আছে বলেই পর্যবেক্ষকরা বলছেন। তাদের আশঙ্কা, এর চেয়েও বড় কথা, ভারত যাদের অবৈধ বিদেশি বলে মনে করছে তাদের ‘পুশব্যাক’ বা বাংলাদেশে জোর করে ঠেলে দেওয়ার ঘটনা গত ৫ বছরে প্রায় শূন্যে ঠেকেছিল, অমিত শাহর আমলে সেই প্রবণতা আবার বাড়তে পারে।
এগুলোর কোনোটিই যে বাংলাদেশের জন্য স্বস্তিদায়ক নয়, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আর এর কোনোটাকে কেন্দ্র করে দুদেশের সম্পর্কে কোনও উত্তেজনার আভাস দেখা দিলে তার নিরসনের ভার এসে পড়বে অবধারিতভাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্করের ওপর।
এখানে উল্লেখ্য, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন যখন (২০০৯-২০১৫ সাল) নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দফতরে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ছিলেন, ওই সময় ওয়াশিংটনে ভারতের রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালন করেন এস জয়শঙ্কর। সেই সুবাদে তারা পরস্পরকে ঘনিষ্ঠভাবে চেনেন, এবং দুজনের কূটনৈতিক জীবনের ব্যক্তিগত পরিচয় এখন নিজ নিজ দেশের মন্ত্রী হিসেবেও কাজে দেবে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এস মোয়াজ্জেম আলীরও গুণমুগ্ধ জয়শঙ্কর। রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে দুজনের মধ্যে বহুবার দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। মাস চারেক আগে ঢাকায় ভারতের নতুন রাষ্ট্রদূত রিভা গাঙ্গুলি দাসের সম্মানে হাইকমিশনার মোয়াজ্জেম আলী তার চাণক্যপুরীর বাসভবনে যে বিদায় সংবর্ধনার আয়োজন করেছিলেন, সেখানেও উপস্থিত ছিলেন সস্ত্রীক জয়শঙ্কর।
দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবীণ অধ্যাপক ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ ইন্দ্রনাথ মুখার্জির কথায়, ‘অমিত শাহ একজন ধুরন্ধর রাজনীতিবিদ, আর জয়শঙ্কর সম্ভবত ভারতের সবচেয়ে অভিজ্ঞ কূটনীতিবিদ ও স্ট্র্যাটেজিস্ট।’
তিনি বলেন, “দুজনের এই ব্যাকগ্রাউন্ড মাথায় রাখলে হয়তো আমরা ধরেই নিতে পারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবেও অমিত শাহ ‘বাংলাদেশ তাস’ কারণে-অকারণে খেলতে চাইবেন। আর দেশের বাইরে সেটার ড্যামেজ কন্ট্রোলের দায়িত্ব যথারীতি এসে পড়বে জয়শঙ্করের ওপর!”
![]() |
| অমিত অনিলচন্দ্র শাহ |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডায়ানাকে নিয়ে রগরগে মন্তব্যকারী ট্রাম্পের সঙ্গে হাত মিলাতে হবে উইলিয়াম ও হ্যারিকে

বিষয়টি আবারো আলোচনায় উঠে এসেছে ট্রাম্পের বৃটেন সফরকে কেন্দ্র করে। আগামী মাসে তার বৃটেনে আসার কথা রয়েছে। এ সময় তিনি সাক্ষাৎ করবেন প্রিন্সেস ডায়ানার দুই ছেলে প্রিন্স উইলিয়াম ও হ্যারির সঙ্গে। ট্রাম্প যখন তাদের মাকে নিয়ে এমন সব মন্তব্য করেন, তখন তারা ছোট্ট শিশু। এখন সব বোঝেন। তাই ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় তারা বিব্রতকর অবস্থায় থাকতে পারেন। প্রিন্স উইলিয়াম ও হ্যারি তাদের প্রয়াত মায়ের প্রতি অবমাননা অথবা তাচ্ছিল্য সহ্য করতে পারেন না। তা সত্ত্বেও ট্রাম্প এখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট। তার বৃটেন সফরের সঙ্গে অবশ্যই রাজপরিবারের দুই উত্তরাধিকারীকে হাত মেলাতে হবে।
প্রিন্সেস ডায়ানা যখন মারা যান তখন ব্যবসায়ী ধনকুবের ডনাল্ড ট্রাম্প। রাজনীতিতে তার নামগন্ধও নেই। ওই সময় তিনি সবাইকে বিস্মিত করে দিয়ে বলেন, তিনি ডায়ানাকে শিকারে পরিণত করতে পারতেন। তার সাক্ষাৎকারটি নিয়েছিলেন হাওয়ার্ড স্টার্ন। তিনি ট্রাম্পের কাছে জানতে চেয়েছিলেন, আপনি যখন বলেন, লেডি ডায়ানাকে আপনি পেতে পারতেন, তখন এটা আপনার অহমিকাবোধ বলে কেন মানুষ মনে করে?
জবাবে ট্রাম্প বলেছিলেন, আপনি তাকে (ডায়ানা) পেতে নাও পারেন। কিন্তু আপনি তাকে শিকারে পরিণত করতে পারেন। আমি মনে করি, আপনি এটা পারেন। তিনি প্রকৃতপক্ষেই খুবই সুন্দরী। আমি মনে করি, তিনি সুপারমডেল বিউটি। এক সময় ছিল যখন তাকে অতো সুন্দর দেখাতো না। এমনও সময় ছিল, যখন বিশ্বে অন্য যে কারো থেকে তাকে সুন্দরী দেখাতো। তার ছিল বেশ উচ্চতা। ছিল চমৎকার ত্বক। তিনি ছিলেন গ্রেট বিউটি।
ডনাল্ড ট্রাম্প উদ্ভটভাবে আরো বলেছিলেন, ডায়ানা যদি দোদি আল ফায়েদের পরিবর্তে তার সঙ্গে ডেটিং দিতেন তাহলে প্যারিসের মতো ভয়াবহ দুর্ঘটনায় তাকে মরতে হতো না। আমি প্যারিসের ওই টানেল সম্পর্কে জানি। এখানে গতিসীমা ৩০ মাইল। আমি বাস্তবেই ওই টানেলটা সম্পর্কে ভালোভাবে জানি। বহুবার ওই টানেলের ভেতর দিয়ে গিয়েছি। যদি আপনি এর দিকে তাকান তাহলে বুঝতে পারবেন এর ভেতর দিয়ে আপনি ৩০ বা ৪০ মাইলের বেশি গতিতে যেতে পারবেন না।
ওদিকে রাজপরিবারের একজন ঘনিষ্ঠ সেলিনা স্কট দাবি করেছেন, ডায়ানার প্রতি হীনমন্যতা দেখিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি তাকে ফুলের বিশাল বিশাল তোড়া উপহার পাঠিয়েছেন। এতে ডায়ানা ক্রমাগত উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ছিলেন। এতে তার মধ্যে এমন একটি ধারণা সৃষ্টি হয় যে, ট্রাম্প তাকে বিরক্ত করছেন।
ডায়ানার প্রতি এমন মানসিকতা দেখিয়েছেন তখনকার ব্যবসায়ী ট্রাম্প। তিনিই এখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট। তার বিরুদ্ধে বৃটেনে রয়েছে ব্যাপক জনমত। তার বৃটেন সফরের প্রতিবাদে বৃটিশ পার্লামেন্টে বিশেষ বিতর্ক হয়েছে। লাখ লাখ মানুষ এর আগে স্বাক্ষর করেছেন তার সফরের বিরুদ্ধে। এখন মিডিয়ার খবরে বলা হচ্ছে, আগামী মাসে তিনি বৃটেন সফরে আসছেন। ওই সফরের প্রথম দিনেই তার মধ্যাহ্নভোজে বসার কথা প্রিন্স হ্যারির সঙ্গে। এর কয়েক ঘণ্টা পর সাক্ষাৎ করার কথা প্রিন্স উইলিয়াম ও তার স্ত্রী কেট মিডলটনের সঙ্গে। এ সময় প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে উপস্থিত থাকার কথা তার মেয়ে ইভানকা, ছেলে ডনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র, টিফ্ফানির। তবে ছোট ছেলে ব্যারন (১৩) ওয়াশিংটনেই থাকবেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তিয়ানআনমেন স্কয়ারে অভিযান নিয়ে মুখ খুললো চীন
আরও বেশি স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের দাবিতে ১৯৮৯ সালের এপ্রিলে বেইজিংয়ের তিয়ানআনমেন স্কয়ারের দখল নেয় দশ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থী ও শ্রমিক। ছয় সপ্তাহ ধরে তাদের এই অবস্থানকে দেশটির কমিউনিস্ট শাসনের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক বিক্ষোভ বলে মনে করা হয়। বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও শহরে। তিয়ানআনমেনের বিক্ষোভ থামাতে ওই বছরের ৩ জুন রাতের বেলা ট্যাংক নিয়ে নিরস্ত্র বিক্ষোভকারীদের ওপর চড়াও হয় কমিউনিস্ট সরকারের সেনা সদস্যরা। অভিযানের পর ওই অভিযানে নিহতদের তথ্য কখনোই প্রকাশ করেনি চীন। তবে ধারণা করা হয়ে থাকে, ওই অভিযানে কয়েক হাজার মানুষ নিহত হয়েছিল।
তিয়ানআনমেন স্কয়ারে অভিযান নিয়ে সংবাদ প্রকাশ কঠোরভাবে সেন্সর করে চীন। আগামী মঙ্গলবার তিয়ানআনমেন স্কয়ারে অভিযানের ৩০তম বর্ষপূর্তি হবে। তার আগে রবিবার সিঙ্গাপুরে এক আঞ্চলিক ফোরামে বাণিজ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে বিস্তারিত বক্তব্য রাখেন চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেনারেল ওয়েই ফেঙ্গে। ওই ফোরামের এক দর্শক চীনা প্রতিরক্ষামন্ত্রীর কাছে তিয়ানআনমেন স্কয়ারের ঘটনা সম্পর্কে জানতে চান।
ওয়েই ফেঙ্গের কাছে জানতে চাওয়া হয়, এখনও মানুষ কেন বলে ওই ঘটনা চীন ভালোভাবে সামলাতে পারেনি। জবাবে ফেঙ্গে বলেন, ‘ওই ঘটনা ছিল একটি রাজনৈতিক অবাধ্যতা আর কেন্দ্রীয় সরকার এই অবাধ্যতা থামানোর পদক্ষেপ নিয়েছিল, আর সেটা ছিল সঠিক নীতি’। গত ৩০ বছরে প্রমাণিত হয়েছে তার দেশ বড় পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গেছে দাবি করে তিনি বলেন, ওই সময়ে সরকারের সঠিক ব্যবস্থা নেওয়ার কারণে ‘চীন স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন লাভ করেছে’।
![]() |
| ১৯৮৯ সালের তিয়েনমেন স্কয়ারের বিক্ষোভকেই চীনের কমিউনিস্ট ইতিহাসে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক বিক্ষোভ বিবেচনা করা হয় |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঘাটাইলে ‘শিক’ মেরে পাকানো হচ্ছে কাঁঠাল by আতিকুর রহমান

এসব কচি কাঁঠাল পাকাতে তারা নির্বিচারে বিষাক্ত ক্যালসিয়াম-কার্বাইড, ইথাইড, কপার সালফেট, পটাশের তরল দ্রবণ, কার্বনের ধোঁয়া, রাইপেন জাতীয় বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ সরাসরি লোহার শিক দিয়ে কাঁঠালে প্রবেশ করাচ্ছেন। এক কথায় বলতে গেলে সরসরি বিষ প্রয়োগ করা হচ্ছে। স্থানীয় ভাষায় রাসায়নিক প্রয়োগের এ পদ্ধতিকে ‘শিক’ মারা বলে। প্রায় দেড় ফুট লম্বা লোহার শিক কাঁঠালের বোটা বরাবর ঢুকিয়ে দিয়ে ছিদ্র পথে ইনজেকশনের বড় শিরিঞ্জ এর মাধ্যমে কার্বাইড, ইথ্রায়েল, ইথিকন ও রাইপেন জাতীয় বিষাক্ত পদার্থ প্রয়োগ করা হচ্ছে। পরে এক জায়গায় কাঁঠাল স্তূপ আকারে সাজিয়ে পলিথিন দিয়ে মুড়িয়ে চাপা দিয়ে রাখলেই ১৮-২৪ ঘণ্টার মধ্যেই একটি কচি কাঁঠাল পেকে মিষ্টি পাকা কাঁঠালের মতো গন্ধ ছড়ায় দেখে বোঝার কোনো উপায় নেই এটি একটি অপরিপক্ব বিষাক্ত কাঁঠাল। এসব বিষাক্ত রাসায়নিক স্থানীয় কিটনাশকের দোকানেই পাওয়া যায়। স্থানীয় ভাবে এসব অঞ্চলে গড়ে উঠেছে অসংখ্য দোকান। কিটনাশন ব্যবসায়ী মো. হায়দার আলী জানান আমরা অনুমোদিত বিভিন্ন কোম্পানির কাছ থেকে এসব ঔষধ ক্রয় করে থাকি। কোম্পানিগুলো বাহারি রঙ্গের বোতলে আমাদের কাছে এগুলো পৌঁছে দেয়। কাঁঠাল ও আনারসের মৌসুমে প্রতিদিন গড়ে ২৫-৩০ বোতল মেডিসিন বিক্রি হয়। অন্য আরেক ব্যবসায়ী মো. সালামত খান প্রায় একই কথা বলেন। এদিনে ধলাপাড়া বাজারের ঔষধ ব্যবসায়ী মো. আ. হান্নান বলেন রাসায়নিক পদার্থ প্রয়োগ করে কাঁঠাল পাকালে আমরা যেমন একদিকে সরাসরি বিষ খাচ্ছি অপরদিকে এই সাধুপন্থা গ্রহণ করার কারণে ঘাটাইলে কাঁঠালের সুনাম নষ্ট হচ্ছে। যার ফলে কাঁঠালের বাজারে মন্দা ভাব বিরাজ করছে। কৃষক তার ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
এ ব্যাপারের ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. সাইফুর রহমান খান বলেন এসব রাসায়নিক মিশ্রিত কাঁঠাল খেলে আমাশয়, লিভারডিজিস, রাতকানা, শ্বাসকষ্ট ও অ্যাজমা সহ ক্যানসারের মতো জটিল ও কঠিন রোগ হতে পারে। বিশেষ করে শিশুদের জন্য এটা মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে। এসব খাদ্য গ্রহণ না করাই ভালো।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দিনাজপুরে অদ্ভুত ‘বৃষ্টিগাছ’! by বিপুল সরকার সানি

দিনাজপুরের বিরল উপজেলার ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকা ধুলাপাথার। উপজেলার কালিয়াগঞ্জ বাজার থেকে কয়েক কিলোমিটার দক্ষিণে গোবরার বিলের পাশ দিয়ে চলে যাওয়া রাস্তার একটি গেছে বনের ভেতরে। এই এলাকার বনের প্রায় এক কিলোমিটার গভীরে বিশেষ বৃষ্টি গাছের সন্ধান মিলেছে। এমন চারটি গাছ রয়েছে সেখানে। গাছগুলো থেকে সবসময় ঝিরঝির করে পানি ঝরছে। অবাক করে দেওয়ার মতো এমন ঘটনা দেখতে অনেকেই সেখানে ভিড় জমাচ্ছেন।
স্থানীয় আদিবাসী গোদাবাড়ী এলাকার রমজান পাহান (৩৬) বলেন, 'জঙ্গলে গাছটি দেখেছি। ধর্মপুর শালবনের ধুলাপাথারের গাছটির নিচে গেলেই পানি পড়ে। বৃষ্টির ফোঁটার মতো পানি গাছের নিচে পুরো স্থান জুড়ে পড়ে।'
আরেক আদিবাসী ধর্মজল এলাকার সুখি টুডু (৫০) বলেন, গাছটিকে আমরা ‘শেখরেদারে’ বলে ডাকি। গাছটি থেকে পানি পড়ে তা দেখেছি। এটা অবাক করার মতো।
বিশেষ ধরনের এই বৃষ্টিগাছ প্রস্থে প্রায় ৪ ফুট এবং লম্বায় ১২ ফুটের মতো। অনেকটা ডালপালা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। এর পাতা গোলাকার।
এরই মধ্যে অদ্ভুত গাছটির বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করেছে দিনাজপুর সরকারি কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের একটি দল। তারা গাছ পরিদর্শন করে তথ্য-উপাত্ত, ডাল, পাতাসহ বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহ করেছেন। পানি পড়ার বিষয়টিকে গাছের প্রস্বেদন প্রক্রিয়া বলে ধারণা করছেন গবেষকরা। তবে এত দ্রুতগতিতে পানি বের হওয়াকে অস্বাভাবিক বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
দলের সদস্য দিনাজপুর সরকারি কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের এমএসসির শিক্ষার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বলেন, 'গাছটির কচি কাণ্ড এবং পুরাতন কাণ্ডের সংযোগে বাকল ফেটে নতুন কুঁড়ি বের হওয়ার স্থান থেকে পানি বেরিয়ে ঝির ঝির করে ঝরছে। বিষয়টি আশ্চর্যের! উদ্ভিদ থেকে পানি এভাবে ঝরার বিষয়টি নতুন বলেই মনে হয়েছে।'
মোসাদ্দেক হোসেন আরও জানান, ওই বনে আরও বেশকিছু এই একই প্রজাতির গাছ রয়েছে এবং প্রতিটি থেকেই পানি ঝরার বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করেছেন তারা। গাছটির গবেষণা করে পরিচিতি এবং যাবতীয় বিষয়গুলো শিক্ষার্থীদের জানানোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তিনি।
সরেজমিন গাছটি পর্যবেক্ষণ করেছেন উদ্ভিদ বিষয়ক গবেষক, লেখক ও দিনাজপুর সরকারি কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, 'বনের ভেতরে থাকা চারটি গাছের সন্ধান মিলেছে। এগুলোর তথ্য-উপাত্ত, গাছের ডাল, পাতা, বাকল ও নমুনা সংগ্রহ করেছি। এরপর কলেজের ল্যাবে এনে তা পরীক্ষার পাশাপাশি গবেষণার প্রতিবেদনগুলোও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।'
তবে এই ধরনের গাছ নিয়ে আগে কোনও গবেষণা হয়নি বলে জানান তিনি। একইসঙ্গে গাছ থেকে বেগ কিংবা চাপে নির্দিষ্ট সময় পর পর এভাবে পানি বের হওয়াকেও অস্বাভাবিক বলে ধারণা তার।
অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন জানান, বর্ষাকালে অনেক গাছই অতিরিক্ত পানি শোষণ করে। এই গাছটিও বেশি পরিমাণে পানি শোষণ করেছে। পুরাতন কাণ্ড ভেদ করে নতুন কাণ্ড বা নতুন কুঁড়ি বের হওয়ার জায়গায় গাছটির ভাস্কুলার বান্ডেল তথা পরিবহন কলাগুলো বেরিয়ে পড়েছে। ফলে উদ্ভিদের মূল থেকে আরোহিত পানি কাণ্ডের ওই অংশ থেকে বিন্দু বিন্দু আকারে ঝরে পড়ছে। অতিরিক্ত পানির চাপ থাকায় ভাস্কুলার বান্ডেল তথা পরিবহন কলা কাণ্ডের ছিদ্র দিয়ে পানি বাইরে সজোরে ছড়িয়ে দিচ্ছে। ভ্যাপার বা বাষ্পায়ন না ঘটার ফলে গাছের নিচে কেউ গেলে বৃষ্টির মতো ঝরা পানি অনুভব করছে এমনটি হতে পারে। তবে এই গাছ থেকে বেগ বা চাপ দিয়ে স্প্রে করার মতো যে পানি বের হচ্ছে তা অস্বাভাবিক।
তিনি বলেন, 'এখন পর্যন্ত এ ধরনের গাছ নিয়ে গবেষণা হয়েছে বলে আমার জানা নেই। গাছটির পরিচিতি জানতে এবং অধিকতর গবেষণার জন্য এর নমুনা উন্নত গবেষণাগারে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।'

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঈদের দিনে সড়কে ঝরল ২৪ প্রাণ

ফরিদপুর : ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ফরিদপুর সদর উপজেলার ধুলদী রেলগেট এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় ছয়জন নিহত হয়েছেন। বুধবার সকাল পৌনে ৭টার দিকে মহাসড়কের ধুলদী রেলগেট এলাকায় একে ট্রাভেলসের একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগলে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- ঢাকা কলেজের দর্শন বিভাগের সম্মান প্রথম বর্ষের ছাত্র শাহরিয়ার আজাদ সৈকত (২০), গাড়ির চালক খুলনার দৌলতপুরের শুকুর আলী (৩৫), ফরিদপুরের মধুখালীর ছুরমান মোল্লা (৩২), আলফাডাঙ্গার শাহাবুদ্দিন মৃধা (৩৫) এবং মাগুরার শালিখার মালেক মাঝি (৪৮)। অন্যজনের নাম জানা যায়নি।
ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. নুরুল আলম দুলাল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
লালমনিরহাট : লালমনিরহাটে পিকআপ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে তিনজন নিহত হয়েছেন। বুধবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে সদর উপজেলার বড়বাড়ি ইউনিয়নের শিমুলতলা বাজারে কুড়িগ্রাম-রংপুর মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার নিলুর খামাড় এলাকার মোজাম্মেল হকের ছেলে হাফিজুর রহমান (২৫), রংপুর তাজহাটের শেখপাড়া এলাকার আব্দুর রশিদের ছেলে আশরাফুল ইসলাম (২৮) এবং ফারুক হোসেন (২৬) নামে একজন।
লালমনিরহাট সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ঝিনাইদহ : ঝিনাইদহের মহেশপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত হয়েছেন। বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার খোর্দ্দ-খালিশপুর নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- কোটচাঁদপুর উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামের আলিম হোসেনের ছেলে বিপলু হোসেন (২০) ও চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার রায়পুর গ্রামের আসাদুল ইসলামের ছেলে রানা (১৩)।
কোটচাঁদপুর ফায়ার সার্ভিসের সাব-স্টেশন অফিসার প্রদীপ মন্ডল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সাভার (ঢাকা) : সাভারের আশুলিয়ার বলিভদ্র এলাকায় পুলিশবাহী ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সঙ্গে লিচুবোঝাই ট্রাকের সংঘর্ষে শিল্প পুলিশের কনস্টেবল নাদিম হোসেনের (২৬) নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় শিল্প পুলিশের আরও তিন সদস্যসহ মোট চারজন আহত হয়েছেন।
বুধবার সকালে আশুলিয়ার নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের গণকবাড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় লিচুবোঝাই ট্রাকটিসহ চালক ইউসুফ ও হেলপারকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত নাদিম হোসেন নওগাঁ সদর উপজেলার উলাসপুরের স্থায়ী বাসিন্দা। আহতরা হলেন- শিল্প পুলিশের নায়েক জাকারিয়া, কনস্টেবল কাউছার, কনস্টেবল আনিসুজ্জামান এবং অটোচালক।
অপরদিকে ঢাকার ধামরাইয়ে বাসের সঙ্গে সংঘর্ষে প্রাইভেটকারের চালক নান্দু মোল্লাহ (৪০) নিহত হয়েছেন। বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের ধামরাইয়ের বাথুলী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত নান্দু মোল্লাহ আশুলিয়ার নবীনগর এলাকার বাসিন্দা। তবে তার বিস্তারিত পরিচয় জানাতে পারেনি পুলিশ।
এ ব্যাপারে ধামরাই থানা পুলিশের পরিদর্শক দীপক চন্দ্র সাহা বলেন, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকার সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এ ঘটনায় বাসটি আটক করা গেলেও চালক পালিয়ে গেছে।
নরসিংদী : নরসিংদীতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছেন। বুধবার দুপুরে সদর উপজেলার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ভগিরথপুর ও শিবপুরের সিএনবি এলাকায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
এর মধ্যে দুপুর ২টার দিকে সদর উপজেলার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ভগিরথপুর এলাকায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন- আশুগঞ্জ বাহাদুরপুর গ্রামের আব্দুল লতিফ মিয়ার ছেলে মামুন মিয়া (২০), মাধবদী আলগী গ্রামের তালিম মিয়ার ছেলে পাওয়ারলুম শ্রমিক আব্দুর রাজ্জাক (২৮)।
মাদবদী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু তাহের দেওয়ান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে দুপুর ১২টার দিকে শিবপুরের সিএনবি এলাকায় বাস ও সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। তবে তার নাম-পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।
টাঙ্গাইল : ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের কালিহাতী উপজেলার সল্লা এলাকায় পিকআপ ভ্যানে বাসের ধাক্কায় দুই যুবক নিহত হয়েছেন। বুধবার দুপুরে মোটরসাইকেলের সঙ্গে পিকআপ ভ্যানটি পাল্লা দিতে গিয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- জেলার বাসাইল উপজেলার হাবিবুর রহমানের ছেলে সোহাগ (২২) ও একই উপজেলার সিরাজুল ইসলামের ছেলে সজিব (২৩)
বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশারফ হোসেন বলেন, কয়েকজন যুবক টাঙ্গাইল থেকে পিকআপ ভ্যান নিয়ে বঙ্গবন্ধু সেতুর দিকে ঘুরতে যাচ্ছিল। পথে পিকআপ ভ্যানটি একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলছিল। পিকআপ ভ্যানটি সল্লা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেল ওভারটেক করার সময় ঢাকাগামী কিরণমালা পরিবহনের একটি বাস পিকআপটিতে ধাক্কা দেয়।
সিরাজগঞ্জ : সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে পৃথক তিনটি সড়ক দুর্ঘটনায় ট্রাকচালক ও হেলপারসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। এ সব ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১৩ জন। বুধবার সকাল থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত হাটিকুমরুল-বগুড়া মহাসড়কের ভুইয়াগাঁতী, তবারিপাড়া ও ষোল মাইল এলাকায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে নেত্রকোনার বাসিন্দা ফারুক (৪০) ও চন্দনের (৩৮) নাম জানা গেছে। অন্যজনের নাম পরিচয় জানা যায়নি।
রায়গঞ্জ ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার সেরাজুল ইসলাম জানান, দুপুরে ভুইয়াগাঁতী পল্লীবিদ্যুৎ এলাকায় একটি মিনি ট্রাকের সঙ্গে একটি ট্রাকের সংঘর্ষ হয়। এতে মিনি ট্রাকের চালক ফারুক ও হেলপার চন্দন আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে রায়গঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুইজনই মারা যান।
এর আগে সকালে একই মহাসড়কের তবারিপাড়া এলাকায় ঢাকাগামী ডিপজল পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে বিপরীতমুখী একটি ট্রাকের সংঘর্ষ হয়। এতে বাসের হেলপারসহ সাতজন আহত হন। খবর পেয়ে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তির পর দুপুরের দিকে বাসের হেলপার মারা যান।
অপরদিকে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে একই মহাসড়কের ষোলমাইল এলাকায় ঢাকাগামী আদর পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গিয়ে সাত যাত্রী আহত হন।
সুনামগঞ্জ : সুনামগঞ্জের দিরাই-মদনপুর সড়কে বাসচাপায় নাসিম চৌধুরী রাশেদ নামে এক কলেজছাত্র নিহত হয়েছেন। বুধবার বিকেল ৩টার দিকে দিরাই-মদনপুর সড়কের শরীফপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নাসিম চৌধুরী রাশেদ দিরাই উপজেলার করিমপুর গ্রামের জানে আলম চৌধুরীর ছেলে। তিনি হবিগঞ্জের বাহুবল সরকারি কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। ওই সময় আহত হয়েছেন তার মামাতো ভাই দিরাই পৌর সদরের দাউদপুর গ্রামের মুজাহারুল ইসলামের ছেলে মাসুদ।
দিরাই থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেএম নজরুল ইসলাম বলেন, বাসের চালক ও বাসটি আটক করা হয়েছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
শ্রীপুর (গাজীপুর) : গাজীপুরের মাওনা-গফরগাঁও আঞ্চলিক মহাসড়কের দুর্লভপুর এলাকায় চারটি মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে সজীব হোসেন (২৪) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনার আরও সাত মোটরসাইকেল আরোহী গুরুতর আহত হয়েছেন। বুধবার বিকেল ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সজীব হোসেন উপজেলার গাজিয়ারন গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের ছেলে। আহতদের উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শ্রীপুর থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) জীবন কুমার বলেন, দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখান থেকে গুরুতর আহত চারজনকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সজীব মারা যান। মোটরসাইকেল চারটি উদ্ধার করে থানায় রাখা হয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় ইমন মিয়া (১৪) নামে এক কিশোর নিহত হয়েছে। বুধবার বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার শ্রীরামপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ইমন উপজেলার ইব্রাহিমপুর গ্রামের মোবারক হোসেনের ছেলে।
নবীনগর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রনোজিত রায় বিষয়টি নিশ্চিত করে জাগো নিউজকে জানান, বিকেলে অটোরিকশায় করে ঘুরতে বের হয় ইমন। শ্রীরামপুর এলাকায় সড়কের পাশে একটি গাছের সঙ্গে অটোরিকশাটির ধাক্কা লাগে। এতে গুরুতর আহত হয় সে। পরে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1402)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
June
(697)
-
▼
Jun 06
(13)
- সাজে উৎসবের স্পন্দন by মরিয়ম চম্পা
- জয়ার ম্যাজিক by মোশাররফ রুমী
- ২৭ বছর পর জেগে উঠে ছেলের নাম ধরে ডাকলেন মা
- বেদের মেয়ে জোৎস্নার নায়িকা অঞ্জু ঘোষ ভারতীয় না ...
- ‘চীনের মহাকাশ শক্তিতে উদ্বিগ্ন ভারত: বেইজিংয়ের বদল...
- দক্ষিণ অফ্রিকায় ২৮ সদস্যের মন্ত্রিসভায় ১৪ জন নারী
- কিলাত ক্লাব থেকে বিশ্ব মঞ্চে by সামন হোসেন
- অমিত শাহকে নিয়ে ঢাকার ‘অস্বস্তি’ কি দূর করতে পারবে...
- ডায়ানাকে নিয়ে রগরগে মন্তব্যকারী ট্রাম্পের সঙ্গে হা...
- তিয়ানআনমেন স্কয়ারে অভিযান নিয়ে মুখ খুললো চীন
- ঘাটাইলে ‘শিক’ মেরে পাকানো হচ্ছে কাঁঠাল by আতিকুর র...
- দিনাজপুরে অদ্ভুত ‘বৃষ্টিগাছ’! by বিপুল সরকার সানি
- ঈদের দিনে সড়কে ঝরল ২৪ প্রাণ
-
▼
Jun 06
(13)
-
▼
June
(697)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...






