Wednesday, May 2, 2018
শ্রমিকের মজুরি খায় সর্দারে by আমানুর রহমান রনি

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের শিয়া মসজিদ মোড়ে প্রতিদিন বিভিন্ন কাজ পারদর্শী ২০০ থেকে ৩০০ শ্রমিক দাঁড়িয়ে থাকেন। মোহাম্মদপুর ও আশেপাশের এলাকার মানুষ এখান থেকে কাজ অনুযায়ী শ্রমিক নিয়ে যান।
রুমেলা বলেন, ‘সর্দারের সঙ্গে কাজে গেলে ঠিক মজুরি পাই না। ৫০০ টাকা মজুরি হলে ৩০০ টাকা দেয়। বাকি টাকা সে নেয়। তাই এখানে এসে দাঁড়িয়ে নিজেই কাজ ঠিক করি।’
দেশে অন্তত ৫৪ ধরনের শ্রমিক আছেন, যারা শ্রম আইন ও দেশের কোনও শ্রমনীতিতে নেই। এর মধ্যে গৃহকাজে নিয়োজিত শ্রমিক, কুলি, মজুর, মৌসুমি শ্রমিক, কৃষি শ্রমিক, ঘাট শ্রমিক, রিকশাচালক, ভাসমান শ্রমিক, ঠিকা, ঠেলাগাড়ি শ্রমিক উল্লেখযোগ্য। এসব শ্রমিক একদিন কাজ না করলে, তাদের জীবন চলে না। দেশে এধরনের এককোটি ২০ হাজার শ্রমিক রয়েছেন। যাদের জন্য নেই কোনও নীতিমালা,তাদের জন্য ন্যূনতম মজুরি পাওয়ার বা দেওয়ার কোনও নিয়মকানুনও নেই।
বায়েজিদের ভাষ্য, প্রতিদিন কাজ পাওয়া যায় না। যেদিন কাজ না থাকে সেদিন আমাদের ছয় সদস্যের পরিবার চালাতে মায়ের খুব কষ্ট হয়।
সুলতান আহম্মদ বলেন, ‘জাতীয় ন্যূনতম মজুরি ঘোষণা করলে এরা সবাই স্বীকৃতি পেতেন। তাদের কাজের ধরন অনুযায়ী পরিচয় পত্র দেওয়া যায়। ভারতে এরকম শ্রমিকদের রেশন ব্যবস্থা করা হয়েছে। যারা অসুস্থ হলেও ভাতা পান।’
এ বিষয়ে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সিপিডির অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, ‘ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করতে সব শ্রেণির শ্রমিকদের স্বীকৃতি দেওয়া উচিৎ। নীতিমালা অনুযায়ী সব খাতের শ্রমিকরা প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি পেলে শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত হবে। এই উদ্যোগ সরকারকেই নিতে হবে।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আমেরিকা-ইউরোপের সঙ্গে বিদ্যমান সম্পর্ক বজায় রাখবে বিএনপি by সালমান তারেক শাকিল

বিএনপির কূটনৈতিক উইংয়ের সূত্রগুলোর তথ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ এশিয়া নীতি ভারতের কূটনৈতিক কৌশলের বাইরে যাবে না। বিশেষ করে, এ অঞ্চলে চীনের প্রাধান্য কমাতে ভারতকেই পাশে চায় যুক্তরাষ্ট্র। এ কারণে বাংলাদেশ বিষয়ে আগ্রহ থাকলেও কৌশলগত কারণে আচরণ সীমাবদ্ধ রেখেছে দেশটি।
সূত্রটি মনে করে, পৃথিবীর বিভিন্ন রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ স্বতঃসিদ্ধ হলেও ইউরোপীয় ইউনিয়ন কয়েকটি বিষয় বিবেচনায় নিয়ে যোগাযোগ রক্ষা করে চলে। গণতন্ত্র, মানবাধিকার, আইনশৃঙ্খলা, নারী অধিকার, শিশু অধিকার, বাকস্বাধীনতাসহ এ বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করে। এ কারণে এই রাষ্ট্রগুলোর কাছ থেকে নির্বাচনকেন্দ্রিক বড় ধরনের সহযোগিতা পাওয়ার কোনও সম্ভাবনা দেখছে না বিএনপি।
জানতে চাইলে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ইনাম আহমেদ চৌধুরী বলেন, ‘ইউরোপীয় ইউনিয়ন বহির্বিশ্বের সব রাষ্ট্রে গণতন্ত্র, রুলস অব ল, মানবাধিকার, নারী অধিকার সম্পর্কে সচেতন। তারা সবকিছু দেখতে চায়। বিএনপি বা আওয়ামী লীগের চেয়ে বড় কথা হচ্ছে, এই জিনিসগুলো তারা দেখতে চায়। যে সরকার এই বিষয়গুলো নিশ্চিত করবে না, তাদের ওপর তারা অসন্তুষ্ট থাকবে।’
ইনাম আহমেদ চৌধুরী যোগ করেন, ‘‘আমেরিকা ও ইউরোপের রাষ্ট্রগুলো ‘ইমারজেন্সি ফ্যাসিজম’ সম্পর্কে ধারণা রাখে। তারা এটা ইতালিতে দেখেছে, স্পেনে দেখেছে। ফলে, তারা এ বিষয়গুলো সম্পর্কে দৃষ্টি রাখে।’’
কূটনৈতিক সূত্র জানায়, একুশ শতকের শুরু থেকেই মার্কিন পররাষ্ট্রনীতিতে বাংলাদেশ আলাদা কোনও গুরুত্ব পায়নি। দশকের শুরুতে ডব্লিউ বুশ, বারাক ওবামা বা ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় এলেও দক্ষিণ এশিয়া নীতিতে ভারতকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর বাইরে ২০১৫ সালের নির্বাচনের আগে দেশটির সাবেক দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিশা দেশাই বাংলাদেশ সফরে এলেও নির্বাচন বিষয়ে তার পরামর্শকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ তেমন গুরুত্ব দেয়নি। এছাড়া দেশটির রাষ্ট্রদূত ড্যান মজিনা তার দায়িত্ব পালনকালে নির্বাচন বিষয়ক তৎপরতাকেও ক্ষমতাসীনরা ইতিবাচকভাবে দেখেনি। এর বাইরে বিভিন্ন সময় মার্কিন প্রতিনিধিরা বাংলাদেশ সফরে এলেও মৌলিক কোনও ভূমিকা রাখার সুযোগ পাননি দেশটির কূটনীতিকরা।
কূটনৈতিক সূত্রের দাবি, ২০১৬ সালে নির্বাচিত রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতিতে বাংলাদেশ খুব একটা গুরুত্ব পায়নি। যদিও গত বছরের শেষ দিকে মিয়ানমার ইস্যুতে সক্রিয় হয়ে ওঠে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলো। মিয়ানমারে পশ্চিমা দেশগুলোর বিনিয়োগের বিষয়টি মাথায় রেখে এ ইস্যুতে বাংলাদেশকে গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী মনে করা হচ্ছে।
মিয়ানমারে চীন-ইন্টারেস্টের বিষয়টি সামনে রেখে ভেতরে ভেতরে বিএনপিও পশ্চিমা দেশগুলোকে সহযোগিতা দিতে চাইছে। বিশেষ করে মিয়ানমারকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে বাংলাদেশকে পাশে রাখা ছাড়া উপায় নেই যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা বিশ্বের। যদিও রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীনকে মানসিকভাবে এগিয়ে রাখছে বিএনপি।
সূত্রের ভাষ্য, মিয়ানমারে অং সান সুচিকে ক্ষমতায় আনতে পশ্চিমা বিশ্বের অবদান বেশি বলে মনে করে যুক্তরাষ্ট্রসহ ইইউ। যদিও পরবর্তী সময়ে সরকারের অবকাঠামোগত উন্নয়নে চীনের বিনিয়োগকেই এগিয়ে রাখেন সু চি। আর এ বিষয়টিই রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে কাজে লাগাতে মনোভাব তৈরি করে পশ্চিমাদের।
কূটনৈতিক সূত্র বলছে, দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের প্রাধান্য কমাতে যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্য দেশগুলোকে ভারতের ওপরই নির্ভর করতে হচ্ছে। আর এসব কারণ বিবেচনায় বাংলাদেশ নিয়ে ভিন্ন কোনও পরিকল্পনা নেই তাদের।
ইনাম আহমেদ চৌধুরী বলেন, ‘আমেরিকার পররাষ্ট্রনীতিতে এখন উত্তর কোরিয়াকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দেশ হিসেবে বাংলাদেশের গুরুত্ব কম হলেও এ দেশের সিস্টেম সম্পর্কে তাদের কাছে গুরুত্ব রয়েছে বেশি।’
পশ্চিমা বিশ্বের আগ্রহের বিষয়ে ইনাম আহমেদ চৌধুরী বলেন, ‘বিএনপির সুবিধা হচ্ছে, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলো যেসব বিষয় চায়, তাতে বিএনপিরই উপকার হয়। বহির্বিশ্ব চায় অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন, লেভেল প্লেয়িং, গণতন্ত্র চায়, দুর্নীতি হবে না। ফলে, এই চাওয়াগুলো তো বিএনপির পক্ষেই যায়।’
২০১৫ সালে বিএনপির একটি কূটনৈতিক দল যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়ন ঘটাতে সক্ষম হয়েছিল। ওই সময়ে ১১ জানুয়ারি সাবিহ উদ্দিনের গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। তিনদিন পর ১৪ জানুয়ারি গুলশান-২ এলাকায় দুর্বৃত্তরা হামলা করে আরেক চেয়ারপারসনের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা রিয়াজ রহমানের ওপর। গ্রেফতার এড়াতে পালিয়ে যান সাংবাদিক শফিক রেহমান। গ্রেফতার হয়ে ছয় মাস কারাগারে থাকতে হয় শমসের মবিন চৌধুরীকে। এরপরই কূটনৈতিক উইংয়ের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। এই চারজন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ উত্তর আমেরিকার একাধিক রাষ্ট্রের সঙ্গে বিএনপির আন্তরিক সম্পর্ক নির্মাণে কাজ করেছেন। ৫ মাস জেল খেটে সরাসরি রাজনীতি থেকে অবসরে চলে যান শমসের মবিন চৌধুরী।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে অভিজ্ঞ কূটনীতিক ও বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান শমসের মবিন চৌধুরী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মার্কিন সরকার সিদ্ধান্ত নেবে, তারা কী ধরনের সম্পর্কে আগ্রহী। তবে এখন পর্যন্ত তারা বলে আসছে একটা অংশগ্রহণমূলক ও সুষ্ঠু নির্বাচন দেখতে চায় তারা। বিস্তারিত কী চায়, সেটা আরও পরে বোঝা যাবে।’
২০১৬ সালের নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের পক্ষে ছিল বিএনপি। হিলারির সঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসনের সুসম্পর্ক ছিল, এমন বিশ্বাসও নেতাকর্মীরা করতেন। নির্বাচনের আগে বিএনপি নেতাকর্মীদের আকাঙ্ক্ষা ছিল, হিলারি ক্লিনটন নির্বাচিত হলে বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনে এর প্রভাব পড়বে। যদিও সে নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিজয় হয়। দায়িত্বশীল নেতারা অবশ্য বলছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক নীতি পরিবর্তিত হওয়ার সুযোগ কম। ফলে দেশটির প্রেসিডেন্ট বা কোনও ব্যক্তির ওপর পররাষ্ট্রনীতি নির্ভর করে না।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ইতোমধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশের প্রতিনিধিরা বলেছেন, তারা বাংলাদেশে একটা অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন দেখতে চায়। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন বলতে তারা বিএনপি ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে নির্বাচনকে বুঝিয়েছেন। তাহলে দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে।’
খন্দকার মোশাররফ হোসেন আরও বলেন, ‘রাজনৈতিক দল হিসেবে সব দল ও দেশের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক আমাদের সঙ্গেও একই সম্পর্ক। এছাড়া আমাদের চাওয়ার ওপর তো কিছু নির্ভর করে না। তারা তাদের দেশের কূটনীতি অনুযায়ী কাজ করবে।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বায়ুদূষণে প্রতিবছর প্রাণ হারায় ৭০ লাখ মানুষ: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

২০১৬ সাল থেকে বিশ্বের এক হাজারেরও বেশি শহরের বায়ুদূষণ মাত্রা পর্যবেক্ষণ শুরু করে ডব্লিউএইচও। প্রতিনিয়ত সেই সংখ্যা বাড়তে থাকে। বর্তমানে পর্যবেক্ষণে রাখা শহরের সংখ্যা চার হাজার তিনশ’। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশগুলো থেকে পর্যবেক্ষণে নেওয়া শহরের সংখ্যা বেড়েছে। সংস্থাটি মূলত হৃদরোগ, ফুসফুসের ক্যান্সার ও স্ট্রোকের মতো রোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দূষণকারী উপাদানগুলোকে প্রাধান্য দিয়ে বায়ু পর্যবেক্ষণ করে। নতুন প্রতিবেদনটি তৈরির জন্য বিশ্বের ১০৮টি দেশের চার হাজার ৩০০ শহরের বায়ুর নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক ডা. টেডরস আদানন গ্রেবিয়েসিস বলেছেন, বায়ুদূষণ আমাদের সবার জন্যই হুমকি, তবে দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষেরা সবচেয়ে বেশি হুমকি মোকাবিলা করে।
ডব্লিউএইচও’র নতুন রিপোর্টে মঙ্গোলিয়ার রাজধানী উলানবাটারের বায়ুদূষণ নিয়ে এর অধিবাসীদের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানকার মানুষ বায়ুদূষণের ভয়ানক ক্ষতিকর প্রভাবের মুখে রয়েছে বলে জানানো হয়েছে ওই রিপোর্টে। জাতিসংঘের আরেক বিশেষায়িত সংস্থা ইউনিসেফ প্রণীত বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় রয়েছে উলানবাটার।
ডা. টেডরস বলেন, ভালো খবর হলো আমরা দেখতে পাচ্ছি প্রতিনিয়ত বায়ুদূষণ পর্যবেক্ষণ ও তা কমিয়ে আনার কাজে যোগ দিচ্ছেন বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের সরকার। এছাড়াও স্বাস্থ্য, পরিবহন, আবাসন ও এনার্জি সেক্টর থেকেও এই বিষয়ে বৈশ্বিক উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
ডব্লিউএইচও’র জনস্বাস্থ্য বিষয়ক প্রধান ডা. মারিয়া নেইরার মতে, বেইজিং, দিল্লি, জাকার্তার মতো বিশ্বের অনেক মেগাসিটির বাতাস তাদের সংস্থার নির্ধারিত নিরাপদ মাত্রার চেয়ে পাঁচগুণ বেশি দূষিত।
ডা. মারিয়া নেইরা বলেন, ‘আজকের দিনে আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য বায়ুদূষণই একমাত্র পরিবেশগত হুমকি নয়। তবে আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি, এ মুহূর্তে জনস্বাস্থ্যের জন্য এটাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মিয়ানমারকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিবেশ তৈরির আহ্বান নিরাপত্তা পরিষদের

গত বছরের ২৫ আগস্ট রাখাইনের কয়েকটি নিরাপত্তা চৌকিতে হামলার পর পূর্ব-পরিকল্পিত ও কাঠামোবদ্ধ সহিংসতা জোরালো করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। হত্যা-ধর্ষণসহ বিভিন্ন ধারার সহিংসতা ও নিপীড়ন থেকে বাঁচতে বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রায় ৭ লাখ মানুষ। পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফিরিয়ে নিতে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে বাংলাদেশ-মিয়ানমার প্রত্যাবাসন চুক্তি সম্পন্ন হলেও তা কার্যকরের বিষয়টি এখনও প্রক্রিয়াধীন। এ অবস্থাতেই গ্রামগুলোতে বুলডোজার চালিয়ে আলামত নষ্ট, বিপুল সামরিকায়ন, উন্নয়ন প্রকল্প চলমান থাকা, প্রত্যাবাসন নিয়ে বৌদ্ধ জনগোষ্ঠীর হুমকির ধারাবাহিকতায় রাখাইনে বৌদ্ধদের মডেল গ্রাম গড়ে উঠছে বলে খবর পাওয়া যায়।
প্রত্যাবাসন চুক্তি অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে প্রত্যাবাসন শুরুর কথা থাকলেও তা হয়নি। মিয়ানমারে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়নি বলেও উদ্বেগ জানিয়ে আসছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো। এর মধ্যেই মঙ্গলবার হেলিকপ্টারে করে রাখাইন রাজ্যের দুটি গ্রাম, একটি ট্রানজিট সেন্টার এবং একটি রিসিপশন ক্যাম্প পরিদর্শন করেন নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্য দেশের প্রতিনিধিরা। সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত কিছু মানুষের সঙ্গেও দেখা করেন তারা। এরমধ্যে রয়েছেন রাখাইনের বৌদ্ধ, হিন্দু এবং পালিয়ে না যাওয়া কতিপয় মুসলিম। মিয়ানমার ছাড়ার আগে মঙ্গলবারই নেপিদোতে একটি সংবাদ সম্মেলন করেন নিরাপত্তা পরিষদের প্রতিনিধিরা। সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে তারা জাতিসংঘের সদস্য দেশ হিসেবে মিয়ানমারকে কিছু বাধ্যবাধকতা পালনের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। জাতিসংঘে নিয়োজিত কুয়েতের প্রতিনিধি মানসুর আল ওতাইবি বলেন, ‘আমরা মিয়ানমার সরকারকে নতুন কিছু করতে বলছি না। দেশটি জাতিসংঘের সদস্য এবং জাতিসংঘের অনেক কনভেশনেরও সদস্য। শরণার্থীদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ হওয়া প্রয়োজন।’
জাতিসংঘে নিয়োজিত পেরুর দূত গুস্তাভো মেজা-চুয়াদ্রা বলেন, ‘মূলত আমরা যে বার্তাটি দিতে চাইছি তা হলো, প্রত্যাবাসনকৃত শরণার্থীদের নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নয়নকে গুরুত্ব দেওয়া এবং আন্তর্জাতিক সংগঠন বিশেষ করে জাতিসংঘের সহযোগিতা নিয়ে কাজ করা। বাংলাদেশে পালিয়ে যাওয়ার আগে এখানে (মিয়ানমার) রোহিঙ্গাদের কী পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছিল তা নিয়ে তদন্ত করার গুরুত্ব উপস্থাপন করেছি আমরা।’
প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে রোহিঙ্গারা রাখাইনে থাকলেও মিয়ানমার তাদের নাগরিক বলে স্বীকার করে না। উগ্র বৌদ্ধবাদকে ব্যবহার করে সেখানকার সেনাবাহিনী ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে স্থাপন করেছে সাম্প্রদায়িক অবিশ্বাসের চিহ্ন। ছড়িয়েছে বিদ্বেষ। ধাপে ধাপে মলিন হয়েছে তাদের পরিচয়। ক্রমশ তাদের রূপান্তরিত করা হয়েছে রাষ্ট্রহীন বেনাগরিকে।
বাংলাদেশ থেকে প্রত্যাবাসিত রোহিঙ্গাদের জন্য নির্মাণাধীন ট্রানজিট ক্যাম্প ও পুনর্বাসনের গ্রামগুলো আসলে কতটা কার্যকর হবে তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। এসব ক্যাম্প দীর্ঘমেয়াদে বন্দিশালা হিসেবে ব্যবহার হবে বলে আতঙ্কবোধ করছে রোহিঙ্গারা। অতীতে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার পর এ ধরনের ক্যাম্পে আশ্রয় নেওয়া ১,২০,০০০ রোহিঙ্গা এখনও সেখানে বন্দিদের মতো জীবনযাপন করছে। তবে রোহিঙ্গাদের আটকে রাখার পরিকল্পনা করার কথা নাকচ করেছেন মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ। ১৮ মার্চ রাখাইনের উত্তরাঞ্চল পরিদর্শনে গিয়ে মংডুর প্রশাসনিক কর্মকর্তা ইয়ে হটুট সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, সাময়িকভাবে ট্রানজিট ক্যাম্পে রাখার পর রোহিঙ্গাদের তাদের নিজেদের মূল গ্রামের কাছাকাছি পুনর্বাসিত করা হবে। হটুট বলেন, ‘আমি তাদের ক্যাম্পে চিরতরে থাকতে বলতে পারি না। তাদের সেখানে দীর্ঘদিন রাখার কোনও ইচ্ছে বা পরিকল্পনাও আমাদের নেই। সরকার তাদের নিজ গ্রাম কিংবা গ্রামের নিকটবর্তী জায়গায় ফেরত পাঠাবে।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শ্রমিকদের ভার বহন আইন বাস্তবায়নের অগ্রগতি কতদূর by বাহাউদ্দিন ইমরান
![]() |
| আলুর বস্তা টানতে গিয়ে অতিরিক্ত ভার বহন করছেন কয়েকজন শ্রমিক (ছবি- ইন্টারনেট থেকে) |
দেশের বিভিন্ন হিমাগারে নিয়ম না মেনে ১১০ থেকে ১২০ কেজি ওজনের মতো ভার বহন করাতে বাধ্য করার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ২০১৬ সালের মার্চে রাজশাহীতে তৌহিদুল ইসলাম নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়। এরপর হিমাগারে ৫০ কেজি ওজনের আলুর বস্তা বহনে শ্রমিকদের বাধ্য করার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয় রাজশাহীর পবা উপজেলার লোড-আনলোড কুলি শ্রমিক ইউনিয়ন।
শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষ থেকে শ্রমিকদের শরীর ও জীবনের নিরাপত্তা বিধান নিশ্চিত করতে শ্রম মন্ত্রণালয়, শ্রম অধিদফতর, কল-কারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতরসহ বিভিন্ন দফতরে তারা আবেদন জানায়। কিন্তু এসব জায়গায় ইতিবাচক কোনও জবাব না পাওয়ায় তারা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন।
হিমাগারে আলুর বস্তা বহন করতে গিয়ে রাজশাহীর শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনা উল্লেখ করে রিটটি দায়ের করেন রাজশাহীর পবা উপজেলার লোড-আনলোড কুলি শ্রমিক ইউনিয়ন। ২০১৭ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টে রিটটি দায়ের করা হয়। রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি মো. সেলিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল জারি করেন। রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সুহান খান। পরে একই বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি আদালত এ মামলায় রুল জারি করেন।
তবে হাইকোর্টে মামলাটি চলমান থাকাবস্থাতেই সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলো বেশ কিছু হিমাগার পরিদর্শন করে বলে জানান ব্যারিস্টার সুহান খান। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, ‘সরকারি সংস্থাগুলোর পরিদর্শন শেষে সেখানে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষকে দণ্ড এবং জরিমানাও করা হয়। পরে বিষয়টি সরকার পক্ষের আইনজীবীরা আদালতকে অবহিতও করেছেন।’
এদিকে, মামলার রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে চলতি বছরের ৫ মার্চ হাইকোর্ট রায় ঘোষণা করেন। রায়ে হিমাগারে আলুর বস্তা বহনে নিয়োজিত প্রাপ্ত বয়স্ক শ্রমিকের ক্ষেত্রে ৫০ কেজি এবং নারী শ্রমিকের ক্ষেত্রে ৩০ কেজি ওজনের বেশি ভার বহন নয় মর্মে শ্রম আইন করে বিধিটি প্রয়োগের নির্দেশনা দিয়ে রায় দেন হাইকোর্ট।
এ বিষয়ে রিটকারীদের আইনজীবী সুহান খান বলেন, ‘রায়ের পর তিন মাসের মধ্যে হাইকোর্টের নির্দেশনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি জানিয়ে হলফনামা আকারে আদালতে প্রতিবেদন দিতে শ্রম সচিব ও প্রধান কারখানা পরিদর্শককে নির্দেশ দেওয়া হয়। গত ৫ মার্চ এ মামলার রায় হয়। এর এক মাস সময় শেষ হলেও এখনও দুই মাস সময় রয়েছে। তাই আদালতের রায়টি বাস্তবায়িত হয়েছে কিনা তার মূল চিত্রটি দু’মাসের মধ্যে জানা যাবে। আমরা সেই প্রতিবেদনের অপেক্ষায় রয়েছি।’
![]() |
| অতিরিক্ত বার বহন করছেন একজন আলু শ্রমিক (ছবি-ইন্টারনেট থেকে) |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাশিয়াকে টপকে তৃতীয় সর্বোচ্চ সামরিক ব্যয়ের দেশ সৌদি আরব
![]() |
| সৌদি সামরিক সরঞ্জাম |
মজুত শেষ হয়ে আসায় তেল নির্ভরতা কমানোর লক্ষ্য নিয়ে গত বছর রিয়াদে অনুষ্ঠিত এক বিনিয়োগ সম্মেলনে মধ্যপন্থি ইসলামী মতাদর্শের দিকে ধাবিত হওয়ার পরিকল্পনার কথা জানান সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী ইরানকে মোকাবিলা করে নিজেদের প্রভাব বাড়াতে সামরিক ব্যয় বাড়াতে থাকে দেশটি। সুইডেনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি বলছে, গত বছর দেশটি সামরিক খাতে ৬ হাজার ৯৪০ কোটি মার্কিন ডলার ব্যয় করেছে। আর রাশিয়া এই খাতে ৬ হাজার ৬৩০ কোটি মার্কিন ডলার ব্যয় করে চার নম্বরে নেমে গেছে।
অবশ্য তালিকার প্রথম স্থানে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ব্যয় এর চেয়ে অনেক বেশি। গত বছরের সমান ব্যয় ধরে রেখে দেশটি এই খাতে খরচ করেছে ৬১ হাজার কোটি মার্কিন ডলার। বিশ্বের মোট সামরিক ব্যয়ের ৩৫ শতাংশ একাই করে যুক্তরাষ্ট্র। চলতি বছর এই বিনিয়োগ আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সামরিক ব্যয়ের দেশ চীন গত বছর এই খাতে খরচ করেছে ২২ হাজার ৮০০ কোটি ডলার।
পঞ্চম স্থানে উঠতে গত বছর ভারত সামরিক খাতে ব্যয় করেছে প্রায় ৬ হাজার চারশ’ কোটি মার্কিন ডলার। ষষ্ঠ স্থানে থাকা ফ্রান্সের খরচ ৫ হাজার ৭৪০ কোটি মার্কিন ডলার। সপ্তম স্থানের যুক্তরাজ্যের ব্যয় ৪ হাজার ৭২০ কোটি মার্কিন ডলার। ৪ হাজার ৫৪০ কোটি মার্কিন ডলার খরচ করে জাপানের অবস্থান আট নম্বরে। ৪ হাজার ৪৩০ কোটি ডলার খরচ করে জার্মানি নয় নম্বরে। তালিকার ১০ নম্বরে আছে এশিয়ার আরেক দেশ দক্ষিণ কোরিয়া। গত বছর তাদের ব্যয় ৩ হাজার ৯২০ কোটি মার্কিন ডলার।
সিপরি প্রকাশিত নতুন রিপোর্টে দেখা গেছে, ২০১৭ সালে বিশ্বের মোট সামরিক ব্যয়ের ৫২ শতাংশ করেছে ইউরোপের সামরিক জোট ন্যাটোভুক্ত দেশগুলো। ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, রাশিয়ার হুমকি বাড়তে থাকায় মধ্য ও পশ্চিম ইউরোপীয় দেশগুলোতে এ বছরে তাদের সামরিক ব্যয় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে।
এক বিবৃতিতে সিপরি চেয়ারম্যান জ্যান এলিসন বলেছেন, সামরিক খাতে এই বিপুল ব্যয় বৃদ্ধি মারাত্মক উদ্বেগ তৈরি করছে। বিশ্বজুড়ে সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধান খোঁজাকে ব্যাহত করবে এই ব্যয় বৃদ্ধি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যে কারণে শবে বরাতের আগের দিন পত্রিকা ছুটি by এমরান হোসাইন শেখ
![]() |
| মে দিবসের ছুটির দিনেও বিশেষ ব্যবস্থায় কাজ চলে গণমাধ্যমে |
বছরের কোন কোন দিন পত্রিকার প্রকাশনা পুরোপুরি বন্ধ থাকবে, কোন দিন পত্রিকা অফিস বন্ধ থাকলেও বিশেষ ব্যবস্থায় প্রকাশনা অব্যাহত থাকবে নিউজ পেপারস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) তার সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে। দেশে বেসরকারি ইলেট্রনিক গণমাধ্যম ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল চালু হওয়ার আগেই দৈনিক পত্রিকাগুলো তাদের বার্ষিক ছুটি ও প্রকাশনা বন্ধ এবং বিশেষ ব্যবস্থায় প্রকাশ অব্যাহত রাখার একটি স্থায়ী পঞ্জিকাই তৈরি করেছে। পরে টেলিভিশন, রেডিও ও অনলাইন দেশে চালু হওয়ার পর নোয়াবের ওই বিধান তারাও অনুসরণ করতে শুরু করে। তবে ২৪ ঘণ্টা সার্ভিসে থাকা এই তিন ধরনের গণমাধ্যম পুরোপুরি বন্ধ রাখার সুযোগ না থাকায় তারা পত্রপত্রিকার বিশেষ ব্যবস্থার দিনে একই পদ্ধতি অনুসরণ করে প্রতিষ্ঠান চালু রাখে।
পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, অন্যান্য সরকারি ছুটির সঙ্গে পত্রপত্রিকার নির্ধারিত ছুটিতে দিনের মিল থাকলেও শবে বরাত শবে কদরে অমিল রয়েছে। এক্ষেত্রে শবে বরাতের ছুটি সরকারি ছুটি নামাজের রাতের পরদিন হলেও পত্রপত্রিকার ছুটি আগের দিনই পালিত হয়। এক্ষেত্রে সংবাদপত্র মালিকদের যুক্তি হচ্ছে, পত্রিকার প্রায় সব কাজই হয় রাতের বেলায়। নিউজ লেখা, সংবাদ সম্পাদনা, পৃষ্ঠাসজ্জা ও মুদ্রণ সবই গভীর রাত পর্যন্ত চলে। এছাড়া পরদিন ভোটে হকারকে তা বাড়ি বাড়ি বিলি করতে হয়। এতে আগের দিন ছুটি থাকলে সংবাদকর্মী থেকে হকার সবাই ইবাদতসহ ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান সুষ্ঠু ও সুচারুভাবে পালন করতে পারেন। কিন্তু সরকারি ছুটির দিনের সঙ্গে মিল রেখে এই ছুটি নির্ধারিত হলে ইবাদত বন্দেগীর পরিবর্তে ওই সময় তাদের সংবাদ প্রকাশনা নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হতো।
এদিকে অপর পবিত্র রাত শবে কদরের পরের দিন সরকারি ছুটি থাকলেও পত্রপত্রিকাগুলো এই ছুটিটি ভোগ করে না। শবে কদরের দুই দিন পরেই ঈদের কারণে পত্রিকা টানা তিন থেকে চার দিন বন্ধ থাকার কারণে সংবাদপত্র মালিক সমিতি শবে কদরের ছুটিটি না পালনের পক্ষে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নিউজ পেপারস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়ার) এর সভাপতি প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বছরের কোন কোন দিন পত্রিকা বন্ধ থাকবে কোন কোন দিন বিশেষ ব্যবস্থায় চালু থাকবে সেব্যাপারে বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।’
শবে বরাতে সরকারি ছুটির আগের দিন পত্রিকা বন্ধের কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমাদের পত্রিকার কাজ হয় রাতে। আর শবে বরাতে যে ইবাদত আমরা করি সেটাও সরকারি ছুটির আগের রাতে হয়। এজন্য আমাদের সংবাদপত্রের সঙ্গে যারা সম্পৃক্ত তাদের ইবাদতে যাতে বিঘ্ন না ঘটে সেই চিন্তা থেকেই ছুটি আগেরদিন করা হয়েছে।’
শবে বরাতে প্রকাশনা পুরোপুরি বন্ধ থাকে বলেই ইবাদতের স্বার্থে আগের দিন বন্ধের সুযোগ রয়েছে, কিন্তু অনলাইন ও টেলিভিশনগুলো তো বন্ধের সুযোগ নেই। সেক্ষেত্রে তাদের জন্য কী নোয়াবের সিদ্ধান্ত অনুসরণ জরুরি? এ বিষয়ে জানতে চাইলে মতিউর রহমান বলেন, ‘ এই সিদ্ধান্তটি যখন নেওয়া হয় তখন অনলাইন বা টেলিভিশন তো ছিল না। আর বিষয়টি নিয়ে তো আমরা আগে ভাবিনি। তবে এটি যৌক্তিক। পরবর্তীতে যখন বৈঠক হয় তখন এই প্রসঙ্গ তোলার চেষ্টা করবো।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মে দিবসেও অবসর মেলেনি যাদের (ফটো ফিচার) by নাসিরুল ইসলাম
![]() |
| জরুরি সেবা না হলেও মে দিবসেও কাজ করতে হয়েছে এই নির্মাণ শ্রমিকদের |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরানের পরমাণু চুক্তি হয়েছিল ছলচাতুরির ওপর ভিত্তি করে -দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ

নেতানিয়াহু দাবি করেন, ছয় জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি ক্ষুণ্ন করে পারমাণবিক কর্মসূচি চলমান রেখেছে ইরান। ইসরায়েলের হাতে তাদের গোপন পরমাণু কর্মসূচি সংক্রান্ত নথির অনুলিপি রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ক্ষমতায় আসার পর থেকেই তেহরানের বিরুদ্ধে একই অভিযোগ করে আসছেন। অবশ্য বারবার হুমকি দিলেও চুক্তি থেকে বের হয়ে যাননি তিনি। চলতি মাসে নির্ধারিত তারিখে ট্রাম্প চুক্তি নবায়নের সিদ্ধান্ত না নিলে আবারও মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়বে তেহরান। ঠিক এমন সময়, যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় মিত্র ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে চুক্তিভঙ্গের প্রমাণ হাতে থাকার দাবি তুললো। ইরান এই দাবিকে হাস্যকর আখ্যা দিয়ে নাকচ করে দিয়েছে।
২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, রাশিয়া, জার্মানি ও ফ্রান্সের কাছে ইউরোনেয়িাম প্রকল্প সীমিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে চুক্তি স্বাক্ষর করে ইরান। চুক্তির মেয়াদ ২০২৫ সাল পর্যন্ত। তবে ট্রাম্পের হোয়াইট হাউজ চায় ইউরোপীয় স্বাক্ষরকারীরা ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের বিষয়ে স্থায়ী অবরোধ আরোপ করুক। যদিও চুক্তি স্বাক্ষরকারী অন্য দেশগুলো কোনভাবেই এতে রাজি নয়। যুক্তরাষ্ট্রের একা এই চুক্তি বাতিলের এখতিয়ার নেই বলেও দাবি তাদের। তবে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে সমঝোতার শর্ত অনুযায়ী প্রতি ৯০ দিন পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে নিশ্চিত করতে হয় যে, ইরান এ সমঝোতা মেনে চলছে। যদি তিনি বলেন, তেহরান সমঝোতা মানছে না তাহলে মার্কিন কংগ্রেস এ সমঝোতা বাতিল করতে বাধ্য। ২০১৫ সালে জয়েন্ট কমপ্রিহেনসিভ প্ল্যান অব অ্যাকশন-জেসিপিওএ’র আওতায় ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয় যুক্তরাষ্ট্র। আগামী ১২ মে ট্রাম্প চুক্তিটি নতুন করে নবায়ন না করলে নিষেধাজ্ঞাগুলো আবার কার্যকর হবে। ইউরোপিয়ান শক্তিগুলোকে ওই চুক্তির ‘ভয়ংকর ত্রুটিগুলো পুনর্বিবেচনা করতে’ ওই তারিখ পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছেন তিনি।
নেতানিয়াহু বলেন, সুস্পষ্ট প্রমাণ থাকার দাবি নিয়ে তিনি ইরানের পরমাণু কর্মসূচি চলমান থাকার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমি আজ রাতে আপনাদের বলতে চাই, ইরান মিথ্যা বলছে। ২০১৫ সালে চুক্তি হলেও এখনও তারা পরমাণু পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে।’
নেতানিয়াহু দাবি করছেন, ২০১৫ সালের পরও পরমাণু পরীক্ষা চলমান রয়েছে। এ সংক্রান্ত নথিগুলো গোপনে অন্যত্র সরিয়ে নিয়েছে তেহরান। তিনি দাবি করেছেন, শোরাবাদ জেলার একটি স্থানে পরমাণু সংশ্লিষ্ট ব্লুপ্রিন্ট, ছবি, ভিডিওসহ প্রায় এক লাখ ফাইল লুকিয়ে রাখা হয়েছে। তবে ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগশি নেতানিয়াহুর দাবিকে ভিত্তিহীন আখ্যা দিয়ে মন্তব্য করেছেন,বিগত বছরগুলোতেও এমন শিশুসুলভ কথা বলেছেন নেতানিয়াহু। আরগাশি প্রশ্ন তুলেছেন, কেন ইরান তাদের গুরুত্বপূর্ণ নথিগুলো পরিত্যক্ত স্থানে রাখবে ?
উল্লেখ্য, ওবামা প্রশাসনের সময় ছয় জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে তেহরানের সম্পাদিত পরমাণু চুক্তিতে শুরু থেকেই নেতিবাচক অবস্থান থেকে দেখছে তেল আবিব। এ নিয়ে ওবামা প্রশাসনের সঙ্গে তাদের সম্পর্কগত দূরত্বও সৃষ্টি হয়েছিল। ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকে চুক্তি নিয়ে যে অবস্থান নিয়েছেন, তা ইসরায়েলি অবস্থানকেই সমর্থন করে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিশ্বব্যাপী সর্বকালের সব রেকর্ড তছনছ!
![]() |
| অ্যাভেঞ্জার্স: ইনফিনিটি ওয়ার |
মুক্তির প্রথম তিন দিনে ও বিশ্বব্যাপী সর্বকালের সবচেয়ে বেশি আয়ের দুটি রেকর্ড এখন এই ছবির দখলে।
অ্যাভেঞ্জার্স সদস্যরা আসবে আর বক্স অফিসে হুলস্থুল বাঁধবে না তা কী করে হয়! আগাম টিকিট বিক্রির রেকর্ডই এ ছবি নিয়ে সবার প্রত্যাশা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। মুক্তির পর তো আমেরিকাসহ বিশ্বজুড়ে সর্বকালের সব রেকর্ড লণ্ডভণ্ড করে এগিয়ে চলছে ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ইনফিনিটি ওয়ার’।
আমেরিকার ৪ হাজার ৪৭৪টি প্রেক্ষাগৃহে গত ২৭ এপ্রিল মুক্তি পেয়েছে ছবিটি। এগুলো থেকে শুক্র, শনি ও রবিবার এসেছে ২৫ কোটি ডলার, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ২ হাজার ১১৭ কোটি ৭৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা! উত্তর আমেরিকায় ২০১৫ সালে ‘স্টার ওয়ারস: দ্য ফোর্স অ্যাওয়েকেন্স’ ছবির গড়া ২৪ কোটি ৭৯ লাখ ডলারের রেকর্ড তাই নেমে গেছে দুই নম্বরে। দুটি ছবিরই পরিবেশনা সংস্থা ওয়াল্ট ডিজনি মোশন স্টুডিওস পিকচার্স।
বিশ্বব্যাপী সর্বকালের সবচেয়ে বেশি আয়ের রেকর্ডও ভেঙেছে সুপার হিরোরা।
বক্স অফিস মোজো ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, চীন ছাড়াই বিশ্বব্যাপী ৬৩ কোটি ডলার আয় করে ফেলেছে ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ইনফিনিটি ওয়ার’। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৫ হাজার ৩৩৬ কোটি ৭৯ লাখ ৩০ হাজার টাকা। এটাই যে কোনও ছবির বেলায় প্রথম তিন দিনে সর্বকালের সর্বোচ্চ আয়। গত বছর ‘দ্য ফেট অব দ্য ফিউরিয়াস’ ৫৪ কোটি ২০ লাখ ডলার ঘরে তুলে আগের রেকর্ড গড়েছিল।
ডিজনির মার্কিন পরিবেশনার প্রধান ডেভ হলিস বলেছেন, “চলচ্চিত্র বাণিজ্য ও মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্সের জন্য অসাধারণ একটা সপ্তাহ কাটছে। ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ইনফিনিটি ওয়ার’কে বলা হচ্ছে গত এক দশকে গড়া মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্স ও এর চরিত্রগুলোর চূড়ান্ত পরিণতি। সবশ্রেণির দর্শকেরই প্রিয় তারা। সব সুপার হিরো একসঙ্গে থাকায় অবশ্যই দেখতে হবে এমন একটি ছবি হয়ে দাঁড়িয়েছে এটি।”
উত্তর আমেরিকায় মুক্তির প্রথম তিন দিনেই ২০ কোটি ডলার আয়ের ঘরে নাম লেখাতে পেরেছে মাত্র ছয়টি ছবি। এর মধ্যে পাঁচটিরই পরিবেশক ডিজনি। মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্সের পাশাপাশি স্টার ওয়ারস ফ্র্যাঞ্চাইজিও তাদের। এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে ‘ব্ল্যাক প্যান্থার’ মুক্তির প্রথম তিন দিনে ২০ কোটি ২০ লাখ ডলার আয় করে। বাকি দুটি হলো ‘দ্য অ্যাভেঞ্জার্স’ ও ‘স্টার ওয়ারস: দ্য লাস্ট জেডাই’। এই তালিকায় ডিজনির বাইরের ছবি কেবল ইউনিভার্সাল পিকচার্সের ‘জুরাসিক ওয়ার্ল্ড’। লক্ষণীয় বিষয় হলো, উত্তর আমেরিকায় সর্বকালের সবচেয়ে ব্যবসাসফল ১০টির মধ্যে ৯টিরই পরিবেশক ডিজনি, এর মধ্যে ছয়টিই মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্সের অংশ।
‘অ্যাভেঞ্জার্স: ইনফিনিটি ওয়ার’ ছবিতে পৃথিবীকে সুপার ভিলেন থানোসের আন্তঃগ্যালাক্টিক আধিপত্য থেকে বাঁচাতে দুই ডজনেরও বেশি সুপার হিরোকে একাট্টা হয়ে লড়তে দেখা গেছে। এই যাত্রায় অ্যাভেঞ্জার্স সদস্যরা হাত মেলায় গার্ডিয়ানস অব দ্য গ্যালাক্সি বাহিনীর সঙ্গে। ক্রিস্টোফার মার্কাস ও স্টিফেন ম্যাকফিলির চিত্রনাট্য নিয়ে এটি পরিচালনা করেছেন দুই ভাই জো রুশো ও অ্যান্থনি রুশো।
৩০ থেকে ৪০ কোটি ডলার বাজেটের ছবিটিতে অভিনয় করেছেন রবার্ট ডাউনি জুনিয়র (আয়রন ম্যান), ক্রিস হেমসওর্থ (থর), ক্রিস ইভান্স (ক্যাপ্টেন আমেরিকা), স্কারলেট জোহানসন (ব্ল্যাক উইডো), চ্যাডউইক বোসম্যান (ব্ল্যাক প্যান্থার), ক্রিস প্রাট (স্টার লর্ড), বেনেডিক্ট কাম্বারব্যাচ (ডক্টর স্ট্রেঞ্জ), মার্ক রাফেলো (হাল্ক), টম হল্যান্ড (স্পাইডার-ম্যান), টম হিডেলস্টন (লকি), সেবাস্তিয়ান স্তান (হোয়াইট উলফ), স্যামুয়েল এল জাকসন (নিক ফিউরি), জোয়ি স্যালডানা (গামোরা), এলিজাবেথ ওলসেন (স্কারলেট উইচ), পল বেটানি (ভিশন), ডেভ বাতিস্তা (ড্রেক্স দ্য ডেস্ট্রয়ার), অ্যান্থনি ম্যাকি (ফ্যালকন), ডন শিডল (ওয়ার মেশিন), গিনেথ প্যালট্রো, বেনিসিও দেল তোরো, কারেন গিলান, পম ক্লেমেন্তিয়েফ, বেনেডিক্ট ওঙ, পিটার ডিঙ্কলেজ, ইড্রিস অ্যালবা। এছাড়া কম্পিউটারে সাজানো থানোসের ভূমিকায় জশ ব্রোলিন, রকেট চরিত্রে ব্র্যাডলি কুপার ও গ্রুটের ভূমিকায় কণ্ঠ দিয়েছেন ভিন ডিজেল।
মার্ভেলের ছবিগুলোর মধ্যে মুক্তির প্রথম তিন দিনে সর্বোচ্চ ২০ কোটি ৭৪ লাখ ডলার আয় করে ‘অ্যাভেঞ্জার্স’। উত্তর আমেরিকায় এটি সব মিলিয়ে ৬২ কোটি ৩০ লাখ ডলারের ব্যবসা করেছে। এর সিক্যুয়েল ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এজ অব আলট্রন’ মুক্তির প্রথম তিন দিনে ঘরে তোলে ১৯ কোটি ১০ লাখ ডলার। ছবিটির মোট আয় হয়েছিল ৪৫ কোটি ৯০ লাখ ডলার।
মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্সের এ নিয়ে ১৯টি ছবি মুক্তি পেলো। এগুলোর সম্মিলিত আয় দেড় হাজার কোটি ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ লাখ ২৭ হাজার ৬৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা। এসব ছবির ব্যাপক সাফল্যে ‘অ্যাভেঞ্জারস: ইনফিনিটি ওয়ার’-এর প্রতি দর্শকদের কৌতূহল বেড়ে গেছে কয়েক গুণ। তার ওপর একসঙ্গে এত বিপুলসংখ্যক সুপার হিরোর সম্মিলন আগে কখনও ঘটেনি। যেন সুপারহিরোদের মেলা বসেছে! তাই কম সময়ে সবচেয়ে বেশি দেখা ট্রেলারের রেকর্ড এখন এর দখলে। প্রথম ২৪ ঘণ্টায় এটি দেখা হয়েছে ২৩ কোটিবার! দেশের বাইরে অগ্রিম টিকিট বিক্রির পুরনো সব রেকর্ড মাত্র ছয় ঘণ্টায় ভেঙে দিয়েছে ছবিটি।
ঢাকার পান্থপথে বসুন্ধরা সিটিতেও ‘অ্যাভেঞ্জারস’ সিরিজের নতুন ছবি দেখার ধুম পড়েছে! অগ্রিম টিকিট সংগ্রহ করার জন্য গত ২৬ এপ্রিল ভোর সাড়ে ৬টা সারি বেঁধে দাঁড়িয়েছিলেন অনেক দর্শক। বসুন্ধরা সিটিতে স্টার সিনেপ্লেক্স লেভেল এইটে। সেই আটতলার টিকিট কাউন্টার থেকে দর্শকদের লাইন এসে গিয়েছিল রাস্তা পর্যন্ত। শুক্র ও শনিবারের টিকিট বিক্রি হয়েছে বৃহস্পতিবারেই।
স্টার সিনেপ্লেক্সের জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক (মিডিয়া ও মার্কেটিং) মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বললেন, 'দর্শকদের এমন উপচেপড়া ভিড়ের চিত্র ঈদ কিংবা অন্য উৎসব ব্যতিত বিরল। দর্শকের এই সাড়ায় আমরা পুরোপুরি অভিভূত।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মৃত্যুর আগেও মায়ের হাতে ভাত খায় শিশু হিমি-হানি

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ফ্ল্যাটে প্রবেশের বাম দিকের প্রথম রুমের মেঝেতে জেসমিন আক্তারের এবং খাটের ওপর দুই মেয়ের রক্তাক্ত লাশ পড়েছিল। জেসমিনের গলা ও দুই হাতের কব্জি কাটা। পেটে ৮-১০টি আঘাত আছে। বড় মেয়ে হিমি’র বুকে তিনটি ছুরির আঘাত, হাতের কব্জি কাটা ও গলা জবাই করা। আর ছোট মেয়ে হানি’র পেটে একটাই ছুরির আঘাত। তার নাড়িভুঁড়ি বের হওয়া।
ঘটনাস্থল দারুস সালাম থানার অধীন মিরপুর বাংলা কলেজ সংলগ্ন পাইকপাড়া সি টাইপ সরকারি কোয়ার্টারের ১৩৪ নম্বর ভবনের চারতলার বাম পাশের একটি ফ্ল্যাট। সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ ফ্ল্যাট থেকে তিনটি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতরা হচ্ছেন জেসমিন আক্তার (৩৫), তার মেয়ে হাসিবা তাহসিন হিমি (৯) এবং আদিলা তাহসিন হানি (৫)। ঘটনাস্থল থেকে রক্তমাখা একটি ছুরি উদ্ধার করা হয়। আর ময়নাতদন্তের জন্য লাশ তিনটি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
নিহতের পবিবার ও পুলিশের ধারণা, চাকরি ও সংসার নিয়ে মানসিকভাবে অবসাদগ্রস্ত হয়ে দুই সন্তানকে নৃশংসভাবে হত্যার পর আত্মহত্যা করেন মা জেসমিন আক্তার।
পুলিশ জানায়, ঘটনার সময় তাদের স্বজনদের দুই/তিনজন ওই ফ্ল্যাটেই উপস্থিত ছিলেন। এদের মধ্যে নিহতের স্বামীর ভাগিনা রওশন জামিল এবং তার স্ত্রী রোমানা পারভীন ও নিহত জেসমিনের এক খালাতো বোন রেহানা উপস্থিত ছিলেন। তারা পাশের ঘরে শুয়ে ছিলেন। কিন্তু কেউই কোনও রকমের চিৎকারের শব্দ শোনেননি বলে জানিয়েছেন।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম) শেখ নাজমুল আলম বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মা তার দুই সন্তানকে হত্যার পর নিজেও আত্মহত্যা করেছেন। তবে এই ঘটনায় অন্য কোনও বিষয় জড়িত আছে কি-না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
নিহত জেসমিনের ছোট ভাই শাহিনুর ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘তার প্রচণ্ড মাইগ্রেনের সমস্যা ছিল। আপার মনে অনেক কষ্ট ছিল। সে তার চাকরি ও সন্তান লালন-পালনের বিষয়ে খুব চিন্তিত থাকতো। চাকরি করলে বাচ্চাদের দেখবে কে! আর বাচ্চাদের দেখতে হলে চাকরি ছাড়তে হবে।’
তিনি বলেন, ‘মাইগ্রেনের সমস্যা সইতে না পেরে গত মাসে আপা ৩/৪ টি ঘুমের ওষুধ খেয়েছিলেন। পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। মাইগ্রেনের জন্য আপার চিকিৎসাও চলছিল। এর আগে তাকে ভারতেও চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।’
শাহিনুর ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘দুলাভাই বলতো- তুমি চাকরিটা ছেড়ে দাও। কিন্তু আমি আপাকে বলতাম যে, আপা ছাড়তে চান, আর আমি চাকরি খুঁজে পাই না। তখন আমি বলি আপনি চাকরি ছাড়বেন না। প্রয়োজনে আমি বাচ্চাদের দেখাশোনা করবো।’
নিহত জেসমিন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের কোষাধ্যক্ষ ছিলেন। তার স্বামী হাসিবুল হাসান জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সহকারী লেজিসলেটিভ ড্রাফটসম্যান হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। ২০০৮ সালে পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে হয়। হাসিবুলের গ্রামের বাড়ি পঞ্চগড়ের ভজনপুর গ্রামে। জেসমিনের বাড়ি ঠাকুরগাঁও। তাদের দুই কন্যাসন্তান হিমি ও হানি। হিমি পাইকপাড়া এলাকার মডেল একাডেমি স্কুলে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়তো।
হাসিবুল ইসলাম ২০০৬ সালে চাকরিতে যোগ দেন। ২০০৭ সালে সরকারিভাবে এই কোয়ার্টারের ১৩৪ নম্বর ভবনের চারতলার একটি ফ্ল্যাট বরাদ্দ পান। বিয়ের পর থেকে স্ত্রীসহ ওই বাসাতেই বসবাস করতেন।
ভবনের পাশে থাকা মুদি দোকানি আব্দুল আহাদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সোমবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে হিমি আমার দোকানে এসেছিল। পরে আমার মেয়ের সঙ্গে পাশের মসজিদে আরবি পড়তে যায়। হাসিবুল ও জেসমিন খুবই ভালো মানুষ। তারা কোনও ঝগড়া বিবাদে জড়াতো না। প্রায় সময় আমার দোকান থেকে দুই মেয়ের জন্য বিস্কুট নিয়ে যেতো। দুইজনই বাকি খেতেন। মাসের বেতন পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে টাকা পরিশোধ করে দিতেন।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের by শেখ শাহরিয়ার জামান

সোমবার (৩০ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট তার বাসায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ দলটির কয়েকজন নেতার সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এর আগে হোয়াইট হাউজের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা লিসা কার্টিস বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফকরুল ইসলামসহ দলটির একাধিক নেতার সঙ্গে বৈঠক করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের এই আগ্রহ এবং আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদদের সঙ্গে কী নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানতে চাইলে, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সাবেক রাষ্ট্রদূত মোহাম্মাদ জমির, যিনি মার্শা বার্নিকাটের বাসায় ওইদিন উপস্থিত ছিলেন, বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা সবসময়ে বলেছি— যুক্তরাষ্ট্র যদি আমাদের সহায়তা করতে এগিয়ে আসে, তবে আমরা তাদের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত।’
তিনি বলেন, ‘সার্বিকভাবে সুশাসনের জন্য দুটি জিনিস দরকার। সেগুলো হচ্ছে— স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র আমাদের সবসময় সহায়তা করেছে।’
সাবেক এই রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘যে সহায়তা করে, তার প্রশ্ন করার অধিকার আছে। প্রশ্ন করলে জবাবদিহিতা থাকে। আমরা প্রশ্নের উত্তর দিতে ভয় পাই না।’ মোহাম্মাদ জমির বলেন, ‘আমরা চাই, বহির্বিশ্বে যারা আছেন, তারা বুঝুক বাংলাদেশের জনগণ সবাই একত্রে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করছে।’
সাধারণভাবে রাজনীতিবিদদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিকরা কী বিষয়ে আলোচনা করেন, জানতে চাইলে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের বিশেষ ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, ‘এখন বৈশ্বিকভাবে সবচেয়ে বেশি জোর দেওয়া হয় শান্তি, স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা বিষয়টিকে। আবার এদের মধ্যে অগ্রাধিকার পায় স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা।’
বাংলাদেশ সরকারের কাছে নির্বাচনের প্রস্তুতি সর্ম্পকে যুক্তরাষ্ট্র জানতে চায়। আবার বিরোধীদের মনোভাবও তারা বুঝতে চায়।’
তিনি বলেন, ‘তারা নিশ্চিত হতে চায় আগামী নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক, প্রতিদ্বন্ধিতাপূর্ণ ও শান্তির্পূণ হবে কিনা। আবার বিরোধীদের কাছে জানতে চায়, তারা অংশগ্রহণ করবে কিনা এবং তারা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছে কিনা।’
এছাড়া, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আগ্রহ বাড়ছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, এমনকি চীনসহ বিভিন্ন দেশ অবাধ, সুষ্ঠু, বিরোধহীন সব দলের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের বিষয়ে জনসমক্ষে মন্তব্য করার পাশাপাশি তারা দেশের রাজনীতিবিদদের সঙ্গে প্রাইভেট বৈঠকও করছেন।
প্রসঙ্গত, সোমবার (৩০ এপ্রিল) রাতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পদাক ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাটের বাসায় বৈঠকে অংশ নেয়।
বৈঠকে উপস্থিত একাধিক সূত্র জানায়, নৈশভোজ শেষে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে মার্শা বার্নিকাটের পাঁচ মিনিট একান্ত বৈঠক হয়। বৈঠকে ওবায়দুল কাদের ছাড়াও উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য অ্যাম্বাসেডর মো. জমির, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রাজ্জাক, ফারুক খান, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, আন্তর্জাতিক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল ও যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের পলিটিক্যাল অ্যাফেয়াস সেকেন্ড সেক্রেটারি কাজী রহমান দস্তগীর ও জ্যাকব জে লেভিনসহ দূতাবাসের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাকিস্তানি বাসচালকের ছেলে এখন ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সাজিদ জাভিদ হচ্ছেন ব্রিটেনে বসবাসরত দক্ষিণ এশিয়ার সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী থেকে প্রথম নির্বাচিত কোনো ব্যক্তি যিনি পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। এর আগে ২০১৪ সালে তিনি সংস্কৃতি মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার বাবা পাকিস্তান থেকে ব্রিটেনে গিয়েছিলেন এবং ব্রিস্টলে বাসচালক হিসেবে কাজ করতেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে সাজিদের নিয়োগের প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে।
রাজনৈতিক ক্যারিয়ার গড়ার আগে সাজিদ জাভিদ ব্যাংকার হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি জানান, সাবেক বিটিশ প্রধানমন্ত্রী মার্গরেট থ্যাচার ছিলেন তার রাজনৈতিক অনুপ্রেরণা। ২০১৬ সালে ডেভিড ক্যামেরনের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী পদে স্টিফেন ক্র্যাবকে সমর্থন দিয়েছিলেন সাজিদ কিন্তু ক্র্যাব প্রতিদ্বন্দ্বিতায় যথেষ্ট ভোট পান নি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুবকদের বুকে এসসি/এসটি লিখে সংবিধানে আঘাত করা হয়েছে: রাহুল গান্ধী

গতকাল (সোমবার) বিকেলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে দেয়া বার্তায় রাহুল বলেন, ‘মধ্য প্রদেশের যুবকদের বুকে এসসি/এসটি লিখে দিয়ে দেশের সংবিধানে আঘাত করা হয়েছে। এটা বিজেপি/আরএসএসের ভাবনা-চিন্তা। বিজেপি-আরএসএসের ওই মানসিকতার জন্যই দলিতের গলায় কখনও কলসি ঝোলানো হয়, কখনও ঝাড়ু বাঁধা হয় কিংবা মন্দিরে ঢুকতে দেয়া হয় না আমরা এ ধরণের চিন্তাভাবনাকে পরাজিত করব।’
কংগ্রেস নেতা জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া ওই ঘটনাকে সমাজকে বিভক্ত করার বিজেপি’র মানসিকতার প্রতীক বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, ‘এটা বিজেপি সরকারের মানসিকতার দৃষ্টান্ত। তাদের কেবল একটাই চিন্তাধারা ও মতাদর্শ- দেশকে ধর্মের নাম করে বিভক্ত করা, বর্ণের নামে বিভক্ত করা। এখন তো এমন দাঁড়িয়েছে যে আপনার বর্ণ বুকের ছাতিতে চিহ্নিত করা হচ্ছে! এটা কলঙ্কের দিন, এজন্য মধ্য প্রদেশের শিবরাজ সরকার এবং কেন্দ্রীয় মোদি সরকার দায়ী।’
![]() |
| পুলিশ নিয়োগ পরীক্ষার সময় নিম্নবর্ণের তফসিলি জাতি/তপসিলি উপজাতি ভুক্তদের চিহ্নিত করার জন্য কিছু যুবকের বুকে স্টিকার লাগিয়ে দেয়া হয়। |
বিএসপি নেত্রী মায়াবতী বলেছেন, বিজেপি সরকারের 'দলিত প্রেমের' নতুন তাজা ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে দলিতদের ব্যবহার করছে মোদি সরকার।
এনসিপি’র এমপি সুপ্রিয়া সুলে ওই ঘটনাকে ‘অত্যন্ত লজ্জাজনক’ বলে অভিহিত করে এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের তদন্তের নির্দেশ দেয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন।
এ সম্পর্কে বিজেপি নেতাদের সাফাই প্রকাশ্যে না এলেও কনস্টেবল পদে সংরক্ষিত শ্রেণির পদপ্রার্থীরা উচ্চতা ও অন্যান্য স্বাস্থ্যসূচকে বিশেষ ছাড় পান। সে জন্য তাদের আলাদা করে চিহ্নিত করা হয়েছিল বলে একাংশের দাবি। মধ্য প্রদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে ওই ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে পশ্চিমবঙ্গের কোলকাতার ড. বি আর আম্বেদকর মিশনের রাজ্য সম্পাদক সমীর কুমার দাস আজ (মঙ্গলবার) রেডিও তেহরানকে বলেন, ‘ওই ঘটনা চরম নিন্দনীয়। যারা এটা করেছে তাদেরকে সমাজের ঘৃণ্য ছাড়া আর কিছুই বলা যায় না। এভাবেই আমাদের সমাজব্যবস্থা চলছে। ১৫ শতাংশ মানুষ (উচ্চ বর্ণের) সবকিছুতে শাসন ক্ষমতায় গিয়ে তারা যা ইচ্ছে তা-ই মনে করছে। এসসি/এসটি/ওবিসি ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের তারা মানুষই মনে করছে না। সব রাজনৈতিক দলের মধ্যে বর্ণবাদী মানুষজন আছেন। তারা এসসি/এসটি/ওবিসি ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের প্রশ্নে মোটামুটি সকলেই এক।’
সমীর বাবু বলেন, ‘আজ কনস্টেবল পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে এরকম করা হচ্ছে। পরবর্তীতে দেখা যাবে বিভিন্ন ধরণের নিয়োগের ক্ষেত্রে এরকম করা হবে। কারণ, মনুবাদী সমাজ ব্যবস্থায় একথাই বলে, তারা আমাদেকে পশুর মতো দেখে।’
এসবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আন্দোলন গড়ে তোলার পাশাপাশি সরকারকে বিশেষভাবে পদক্ষেপ নেয়া উচিত বলে ড. বি আর আম্বেদকর মিশনের রাজ্য সম্পাদক সমীর কুমার দাস মন্তব্য করেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হয় আমেরিকার 'শান্তি প্রস্তাব' মানো অথবা চুপ হয়ে যাও: সৌদি যুবরাজ

সৌদি যুবরাজ ওই বৈঠকে বলেন, “ফিলিস্তিনি নেতারা গত ৪০ বছরে বারবার সুযোগ হাতছাড়া করেছেন এবং যত প্রস্তাবই দেয়া হয়েছে তার সবগুলো প্রত্যাখ্যান করেছেন।” তিনি আরো বলেন, “এখন ফিলিস্তিনিদেরকে সেসব প্রস্তাব মেনে আলোচনার টেবিলে আসতে হবে অথবা তাদেরকে চুপ করে থাকতে হবে এবং কোনো অভিযোগ করতে পারবে না।”
মোহাম্মাদ বিন সালমান আরো বলেন, এই মুহূর্তে রিয়াদের অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মসূচিগুলোর মধ্যে ফিলিস্তিন ইস্যু নেই। তিনি বলেন, “আমাদের হাতে আরো অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু রয়েছে- যেমন ধরুন ইরান।”
ইহুদিবাদী ইসরাইলের সঙ্গে সৌদি আরবের সম্পর্ক এতদিন গোপন থাকলেও তরুণ যুবরাজ বিন সালমান তা কলঙ্কজনক মাত্রায় প্রকাশ করে দিচ্ছেন। তিনি এবার ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে যে হুমকি দিয়েছেন সেরকম হুমকি এতদিন আমেরিকা বা ইসরাইল পর্যন্ত দিতে সাহস করেনি।
এর আগে গত ৫ এপ্রিল আমেরিকার টাইম ম্যাগাজিনে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে সৌদি যুবরাজ প্রথমবারের মতো তেল আবিবের সঙ্গে রিয়াদের সম্পর্ক নিয়ে কথা বলেন। বিন সালমান বলেন, ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে রিয়াদের মতবিরোধ ইসরাইলের সঙ্গে সৌদি আরবের সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের পথে একমাত্র বাধা হয়ে রয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিশ্বের কোনো বাহিনীই ইরানে হামলা চালানোর ক্ষমতা রাখে না: আইআরজিসি

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শারিফ আজ (মঙ্গলবার) ইরানের শহীদ শ্রমিকদের স্মরণে এবং আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে দেশটির কাযভিন প্রদেশের আলভান্দ শহরে এক অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তৃতায় বলেন, ইরান বিশ্বের একমাত্র দেশ যে স্বাধীনভাবে নিজের সব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকে। তিনি বলেন, বিশ্বে এমন কোনো শক্তিধর বাহিনী নেই যে তারা ইরানের ওপর হামলা চালানোর ক্ষমতা রাখে।
আইআরজিসির মুখপাত্র অন্য এক বক্তৃতায় বলেন, ইরানের ইসলামি বিপ্লবের মূল ভিত্তি হচ্ছে বিশ্বের নির্যাতনকারী এবং বলদর্পী শক্তি গুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করা। এই কারণে আধিপত্যকামী দেশগুলো ইরানের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে আছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নারী-পুরুষের মজুরি বৈষম্য কমছেই না by শাহেদ শফিক
![]() |
| মজুরির ক্ষেত্রে এখনও নারীর শ্রমকে সমমর্যাদা দেওয়া হয় না, ছবি- পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার থেকে তোলা |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1421)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
May
(700)
-
▼
May 02
(17)
- শ্রমিকের মজুরি খায় সর্দারে by আমানুর রহমান রনি
- আমেরিকা-ইউরোপের সঙ্গে বিদ্যমান সম্পর্ক বজায় রাখবে ...
- বায়ুদূষণে প্রতিবছর প্রাণ হারায় ৭০ লাখ মানুষ: বিশ্ব...
- মিয়ানমারকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিবেশ তৈ...
- শ্রমিকদের ভার বহন আইন বাস্তবায়নের অগ্রগতি কতদূর by...
- রাশিয়াকে টপকে তৃতীয় সর্বোচ্চ সামরিক ব্যয়ের দেশ সৌদ...
- যে কারণে শবে বরাতের আগের দিন পত্রিকা ছুটি by এমরান...
- মে দিবসেও অবসর মেলেনি যাদের (ফটো ফিচার) by নাসিরুল...
- ইরানের পরমাণু চুক্তি হয়েছিল ছলচাতুরির ওপর ভিত্তি ক...
- বিশ্বব্যাপী সর্বকালের সব রেকর্ড তছনছ!
- মৃত্যুর আগেও মায়ের হাতে ভাত খায় শিশু হিমি-হানি
- বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের...
- পাকিস্তানি বাসচালকের ছেলে এখন ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্র...
- যুবকদের বুকে এসসি/এসটি লিখে সংবিধানে আঘাত করা হয়েছ...
- হয় আমেরিকার 'শান্তি প্রস্তাব' মানো অথবা চুপ হয়ে যা...
- বিশ্বের কোনো বাহিনীই ইরানে হামলা চালানোর ক্ষমতা রা...
- নারী-পুরুষের মজুরি বৈষম্য কমছেই না by শাহেদ শফিক
-
▼
May 02
(17)
-
▼
May
(700)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...







