Thursday, December 12, 2019
কেন কিছু দেশ অন্য স্থানে তাদের রাজধানী সরিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে
![]() |
| শহরটির অর্ধেক এখন সমুদ্রপৃষ্ঠের নীচে অবস্থান করছে। |
কাজাখাস্তান
![]() |
| কান সাটআর। যেটা বিশ্বের সবচেয়ে বড় তাবু। এর নকশা করেন নরমান ফস্টার |
মিয়ানমার
![]() |
| কি কারণে ইয়াঙ্গুনে রাজধানী সরিয়ে নেয়া হল সেটা কখনো পরিষ্কার করা হয়নি |
বলিভিয়া
![]() |
| সংসদ এবং সিভিল সার্ভিস বলিভিয়ার বড় শহর লা পাযে |
নাইজেরিয়া
পর্তুগাল
![]() |
| আবুজা ছিল পরিকল্পিত শহর। |
![]() |
| রিও এক সময় পর্তুগালের রাজধানী ছিল |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আটলান্টিক থেকে লিখছি by মারুফা ইসহাক
![]() |
| প্রধান বিজ্ঞানী ক্যারেনের সঙ্গে লেখক |
গিটার বাজিয়ে লুকাস গান গাইছে। স্প্যানিশ ভাষায় ওর প্রিয় কোনো গান। কফি রুমে আমরা কয়েকজন বসে আছি। আমাদের এখন কিছু বিরতি। কেউ গল্প করছে, কেউ দাবা খেলছে, কেউ আবার কফি হাতে আকাশকুসুম ভাবছে। কফি রুমে বড় বড় দুইটা মনিটর। একটায় জাহাজের গতিপথ দেখাচ্ছে, আরেকটাতে কতক্ষণ পরে লাইফ জ্যাকেট আর হেলমেট পরে জাহাজের ডেকে ছুটতে হবে, সেটার ক্ষণগণনা চলছে।
আটলান্টিক মহাসাগরের ওপরে আমাদের প্রায় দুই সপ্তাহ কেটে গেল। ২৩টি দেশ থেকে আমরা ২৫ জন তরুণ সমুদ্রবিজ্ঞানী এখন জার্মান জাহাজ আরভি পোলারস্টার্নে। আমাদের সব ব্যয় বহন করছে নিপ্পন ফাউন্ডেশন এবং আটলান্টোস। এই আটলান্টিক অভিযানের মূল আয়োজক হলো পার্টনারশিপ ফর অবজারভেশন অব গ্লোবাল ওশান এবং জার্মানির আলফ্রেড ওয়েগেনার ইনস্টিটিউট।
মই বেয়ে জাহাজে
আমাদের সবাইকে শুরুতে যেতে হয়েছিল চিলির পুনেতে এরেনাস শহরে। সেখানে দুই দিনের কর্মশালা শেষে আমরা বিমানে করে পৌঁছালাম ফকল্যান্ড দ্বীপে। ফকল্যান্ড দ্বীপের পোর্ট স্ট্যানলি থেকে আমরা স্পিডবোটে করে রওনা দিলাম। প্রায় আধা ঘণ্টা চলার পর সমুদ্রের মধ্যে বেশ দূরে মিটিমিটি হলুদ আলো দেখা গেল। ধীরে ধীরে আলো স্পষ্ট হলো। ছোটবেলায় গল্প–কাহিনিতে পড়েছিলাম, পাতাল ফুঁড়ে রাজকন্যা বেরিয়ে এল, আর আমার কাছে মনে হচ্ছিল, এ যেন মহাসমুদ্র ফুঁড়ে উঠে এল একটা আস্ত বড় জাহাজ।
স্পিডবোট জাহাজের কাছে পৌঁছাতেই জাহাজের ডেক থেকে একটা দড়ি, কাঠের মই ফেলা হলো। ঢেউয়ের প্রবল গর্জন, ভীষণ বাতাস আর স্পিডবোটের দুলুনি। এই মই বেয়ে উঠতে পারলে জাহাজ, না পারলে মহাসমুদ্র! তখন সন্ধ্যার নিবুনিবু আলো। দড়ি ধরে কাঠের মইয়ের ওপর একটা পা রেখে টের পেলাম আমার আরেকটা পা রাখার জায়গা খুঁজে পাচ্ছি না। বাতাসের চোটে কোনো রকম ব্যাকরণ ছাড়াই মই শূন্যে দুলছে। অবশেষে মই বেয়ে ডেকে ওঠার পরেই জাহাজের কর্মকর্তা আমাদের পরিচয়পত্র দিয়ে পাসপোর্টটা রেখে দিলেন।
একপ্রস্থ আরভি পোলারস্টার্ন
সমুদ্রবিজ্ঞান বিষয়ে বিভিন্ন উপাত্ত সংগ্রহ এবং প্রক্রিয়া করার জন্য সব ধরনের আধুনিক যন্ত্রপাতি রয়েছে। মূলত বরফ কেটে আর্কটিক অথবা দক্ষিণ মহাসাগর পাড়ি দিয়ে অ্যান্টার্কটিকার মতো দুর্গম জায়গায় সমুদ্রবিজ্ঞান গবেষণার জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে আরভি পোলারস্টার্ন। এই জাহাজে মোট ছয়টা ডেক আছে। আমাদের থাকার ব্যবস্থা সি-ডেকে। আমার রুমমেট অ্যাঞ্জেলা, এসেছে কলম্বিয়া থেকে। আমাদের রুমে আছে ব্যাঙ্ক বেড, টেবিল-চেয়ার, সোফা, ক্লোজেট, ফ্রিজ, এমনকি লাগোয়া স্নানঘরও। জাহাজে সুইমিংপুল, সাউনারুম, জিম, স্পোর্টস রুম, লন্ড্রি রুম—সবই আছে। মেস রুম (ডাইনিং) আছে দু-একটা ডি ডেকে, আরেকটা সি ডেকে-আমাদের আর কর্মকর্তাদের ব্যবহারের জন্য। মেস রুমের পাশেই লালগালিচা আর লাল সোফা দিয়ে সাজানো কফি রুম। জাহাজের বেশির ভাগ আসবাবই এদিক-ওদিক নাড়ানো যায় না। এমনকি প্লেট-গ্লাস, ল্যাবরেটরির সব ছোট-বড় যন্ত্রপাতি সবকিছুই রাখার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা আছে, যেন জাহাজের দুলুনিতে কিছু ভজকট না হয়।
আটলান্টিকের দিনরাত্রি
প্রথম দিন জার্মান জাহাজের অতি সুস্বাদু খাবার পেট পুরে খেয়ে প্রধান বিজ্ঞানী ক্যারেনের কথা শুনতে শুনতে বুঝলাম যে রীতিমতো ঘুমে ঢুলছি। তার ওপর জাহাজের নিরাপত্তা কর্মকর্তা তার ব্রিফিং শেষে বলে কিনা আমাদের একবার প্র্যাকটিস করাবে। অ্যালার্ম বাজার সঙ্গে সঙ্গে লাইফ জ্যাকেট নিয়ে ছুটতে ছুটতে আমরা হেলিপ্যাডে পৌঁছালাম। এখানে বলে রাখি, আমাদের এই জাহাজে খুব সুন্দর চকচকে দুটো হেলিকপ্টার লুকানো আছে—একটা লাল, আরেকটা কমলা রঙের। হুটহাট যখন গ্যারেজের ঢাকনা কিছুটা খোলা থাকে, তখন সেই হেলিকপ্টার দুটি দেখা যায়। রাতের ঠান্ডা বাতাসে ঘুমে ঢুলু ঢুলু চোখে সেদিন নিরাপত্তা অনুশীলনের পর্ব শেষ করেই আমি ঘুম এবং পরের দিন সি-সিকনেসের শিকার। ডাক্তার দেখিয়ে, গোটা চারেক ট্যাবলেট খেয়ে এক দিন পর আমি অবশ্য বিছানা থেকে উঠতে পারলাম।
আমরা ২৫ জন পাঁচটা দলে কাজ করা শুরু করলাম জাহাজে ওঠার পরের দিন থেকেই। প্রতিটা দলের কাজের ধরন আলাদা। এক সপ্তাহ পরপর প্রতিটা গ্রুপের কাজের ধরন পরিবর্তন হয়। নাসা (আমেরিকা), আলফ্রেড-ওয়াগেনার ইনস্টিটিউট (জার্মানি) এবং আরও কয়েকটা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় ১৫ জনের মতো বিশিষ্ট সমুদ্রবিজ্ঞানী আমাদের প্রশিক্ষক হিসেবে এই অভিযানে অংশ নিয়েছেন। বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে সমুদ্রবিজ্ঞানের বিভিন্ন উপাত্ত সংগ্রহ, প্রক্রিয়াকরণ—এসব নিয়ে আমাদের প্রশিক্ষণ হচ্ছে। মজার ব্যাপার হলো, যেকোনো বিষয়ে হুটহাট গুগল করার কোনো সুযোগ নেই এখানে। আমাদের কম্পিউটার রুমে অনেক কম্পিউটার থাকলেও কেবল দুটি কম্পিউটারে ইন্টারনেট আছে। কাজেই যখন-তখন ইন্টারনেট ব্যবহারের কথা ভাবা যায় না। তবে প্রতি সপ্তাহে অন্তত দুই দিন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আমাদের আধা ঘণ্টা আলাপ হয় স্কাইপে। সমুদ্র আর এই আটলান্টিক অভিযান নিয়ে তাদের উৎসাহ আর আগ্রহের কমতি নেই। সারা দিনের ছোটাছুটি আর কাজের শেষে প্রতিদিন সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় আমাদের ব্রিফিং হয় বিশাল একটা হলঘরে, তখন কাজের অগ্রগতির ওপর আমাদের প্রেজেন্টেশন দিতে হয়।
জাহাজ চলতে শুরু করামাত্রই বুঝেছিলাম, কেন আমাদের এত শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা দিয়ে আটলান্টিক অভিযানে নামতে হয়েছে। মহাসমুদ্রের তাণ্ডব–নৃত্যের সঙ্গে ল্যাপটপ খুলে কাজ করা এবং সমুদ্রের রেলিংয়ের পাশে দাঁড়িয়ে, বাতাসের জোরালো ধাক্কা সামলে যন্ত্রপাতি সেট করে উপাত্ত সংগ্রহ করা—এসব কিছু পুরোই ফিল্মি স্টাইলের অ্যাডভেঞ্চার। কখনো আটলান্টিক থেকে উপাত্ত সংগ্রহের জন্য আমাদের রাত তিনটায় উঠতে হয়, কখনো সকাল সাতটায়, কখনো দুপুরে বা সন্ধ্যায় ছুটতে হয়। জাহাজের ডেকে কাজের সময় কখনো দেখা হয় সাদা উড়ুক্কু মাছের (ফ্লাইং ফিশ) সঙ্গে, কখনো অতি আগ্রহী সামুদ্রিক কচ্ছপ আমাদের যন্ত্রপাতির পাশ দিয়ে সাঁতার কেটে যায়। দক্ষিণ আটলান্টিকের প্রচণ্ড শীত থেকে এখন আমরা বিষুবরেখার কাছাকাছি গরম আবহাওয়ার দিকে যাচ্ছি। এরই মধ্যে কয়েক দফা ঘড়ির সময় বদলাতে হয়েছে। আমাদের এই আটলান্টিক অভিযান শেষ হবে ৩০ জুন। সেদিন আমরা জার্মানিতে পৌঁছাব।
![]() |
| জাহাজের হেলিপ্যাডে লেখকসহ (মাঝে ডােন দাঁড়ানো) বিভিন্ন দেশের তরুণ সমুদ্রগবেষকেরা। ছবি: সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রস্রাবের সমস্যা থেকে সহজে মুক্তি পাওয়ার ৯টি ঘরোয়া উপায়

প্রস্রাবের বেগ হওয়া সত্ত্বেও ঠিকমতো প্রস্রাব না হওয়া বা খুবই সামান্য প্রস্রাব হওয়া, ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া, প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া করা, প্রস্রাবের রং পরিবর্তন হয়ে যাওয়া, প্রস্রাবে দুর্গন্ধ হওয়া, পেটে ব্যথা, জ্বর, বমি বমি ভাব ও বমি হওয়া,অবসন্ন ও ক্লান্ত অনুভব করা – এই উপসর্গ গুলো দেখা দিলে বুঝতে হবে যে আপনার মূত্রনালীর সংক্রমণ হয়েছে।
এই সমস্যায় তখনই মানুষ আক্রান্ত হয় যখন মুত্রাশয় এবং তার প্রস্থান টিউব ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হয়। এছাড়াও আরও কিছু কারণ আছে এই সমস্যা হওয়ার তা হল- যৌনমিলন, দীর্ঘ সময় প্রস্রাব ধরে রাখা, গর্ভাবস্থা, মেনোপজ, এবং ডায়াবেটিস।
ছেলেদের চেয়ে মেয়েরাই এই রোগে বেশী আক্রান্ত হয়। কারণ মেয়েদের ইউরিথ্রা বা মূত্রনালী পায়ুর খুব কাছাকাছি থাকে ফলে মলদার দিয়ে নির্গত ব্যাকটেরিয়া সহজেই মূত্রনালিতে প্রবেশ করতে পারে।
এছাড়াও মেয়েদের মুত্রনালী ছোট হওয়ায় ব্যাকটেরিয়া খুব সহজেই মুত্রথলিতে ও কিডনিতে পৌঁছে ইনফেকশন ঘটাতে পারে।
প্রস্রাব পরীক্ষার মাধ্যমে মূত্রনালির সংক্রমন বা ইউটিআই নির্ণয় করা যায়।
কী জীবাণুর সংক্রমণ হয়েছে তা দেখে ডাক্তার আপনাকে এন্টিবায়োটিক সেবন করতে দেবেন।এন্টিবায়োটিক-এর কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে বলাই বাহুল্য।
যেমন- ডায়রিয়া, বমি , র্যা শ ও চুলকানি হওয়া ইত্যাদি। এই সংক্রমণ প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়লে দ্রুত সুস্থ হওয়া যায়।
এখন আমরা এমন কিছু ঘরোয়া পদ্ধতির কথা জানবো যা ব্যাবহার করে মুত্রনালীর সংক্রমন থেকে পরিপূর্ণ ভাবে মুক্ত হওয়া যায়।
(১) অ্যাপেল সাইডার ভিনেগারঃ
এই ভিনেগারে আছে নানান রকম এনজাইম, পটাশিয়াম এবং গুরুত্বপূর্ণ মিনারেল যা ইউরিনারি নালীর ইনফেকশন রোধ করতে সক্ষম।
এই ভিনেগার প্রাকৃতিক অ্যান্টবায়টিক হিসেবে কাজ করে এই সমস্যা রোধ করতে।
১। একগ্লাস পানির সাথে ২ চামচ অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার মিশিয়ে খেয়ে নিন।
এছাড়াও আপনি লেবুর রসের সাথে মধু মিশিয়ে খেতে পারেন।
২। দ্রুত ইনফেকশন সারিয়ে তোলার জন্য এই পানীয়টি প্রতিদিন ২ বার খান।
(২) বেকিং সোডাঃ
বেকিং সোডার এসিড উপাদান, এসিড জাতীয় প্রস্রাবের সমস্যা রোধ করে এবং ব্যথাও দূর করে।
তাই এই সমস্যা এড়াতে একচামচ বেকিং সোডার সাথে একগ্লাস পানি মিশিয়ে প্রতিদিন ১/২ বার খেয়ে নিন।
(৩) আনারসঃ
সুস্বাদু ফল আনারসে আছে একটি এনজাইম উপাদান যা ব্রোমেলাইন নামে পরিচিত এবং এই উপদানটি ইউরিনারি ইনফেকশন এর জ্বালাপোড়া রোধ করে।
এই সমস্যায় শুধু আনারস না খেয়ে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টিবায়টিকও খাওয়া ভালো দ্রুত ইনফেকশন রোধ করার জন্য।
প্রতিদিন ১ কাপ আনারস খাওয়া ভালো ইউরিনারি ইনফেকশন রোধ করার জন্য।
চাইলে আপনি আনারস জুস বানিয়েও খেতে পারেন তবে ক্যানে বহন করা আনারস না খাওয়া ভালো কারণ এগুলোতে প্রিজারভেটিভ দেয়া থাকে।
(৪) প্রচুর পানি পান করুনঃ
যাদের ইউটিআই আছে তাদের প্রচুর পানি পান করা প্রয়োজন ।
বেশী পানি পান করলে প্রস্রাবের বেগ বৃদ্ধি পায় এবং প্রস্রাবের সাথে শরীর থেকে ব্যাকটেরিয়া বের হয়ে যায়।
(৫) সোডা পান করুনঃ
না কোন সফট ড্রিংক এর কথা বলছি না, বেকিং সোডার কথা বলছি।
এক গ্লাস পানিতে এক চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে সপ্তাহে একদিন সকাল বেলা পান করুন প্রস্রাবের জ্বালা পোড়া কমবে।
(৬) কিছু সেলারি বীজ চিবানঃ
সেলারি বীজ মূত্র বর্ধক হিসাবে কাজ করে।
এক মুঠো সেলেরি বীজ চিবিয়ে রস খেতে পারেন অথবা এক কাপ গরম পানিতে কিছু সেলেরি বীজ দিয়ে ঢেকে দিন ,৮ মিনিট পর মিশ্রণটি ছেঁকে নিয়ে পান করুন।
এটা ইউ টি আই প্রতিরোধ করে।
(৭) শসা খানঃ
শসাতে প্রচুর পানি আছে। প্রতিদিন কম পক্ষে একটি শসা স্লাইস করে খেতে পারেন।
(৮) গরম সেঁক নিনঃ
হট ওয়াটার ব্যাগ এ গরম পানি নিয়ে আপনার তলপেটের উপর রাখুন, এতে খুব দ্রুত প্রস্রাবের জ্বালা পোরা ও ব্যথা দূর হবে।
(৯) আরামদায়ক পোশাক পড়ুনঃ
স্যাঁতস্যাঁতে জায়গায় ব্যাকটেরিয়া জন্মায়। সূতির অন্তর্বাস পরলে ও ঢিলেঢালা পোশাক পরলে স্পর্শকাতর অঙ্গে ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি ব্যাহত হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হাতুড়িতেও ভাঙে না ডিম
গত ৮ জুন শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে দেখা যায়, একদল ভারতীয় সেনা হাতুড়ি দিয়ে ডিম ভাঙার চেষ্টা করছেন। হিমাঙ্কের নিচে ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ডিম জমে এতই শক্ত হয়ে গেছে যে হাতুড়ি দিয়েও তা ভাঙতে পারছেন না সেনারা। শুধু ডিম কেন, তাপমাত্রা কম হওয়ায় সবজিও কঠিন বরফ হয়ে যায়। সিয়াচেনে যুদ্ধক্ষেত্রে লড়াইয়ের সঙ্গে সঙ্গে খাবারের জন্যও লড়তে হয় সেনাদের।
ভিডিওতে দেখা যায়, হাতুড়ি হাতে ব্যর্থ হয়ে অবশেষে এক সেনা পাথরের ওপরে আছাড় মারেন একটি ডিম। তবু ডিম যেমন ছিল, তেমনই রয়ে যায়। সহকর্মীর এই চেষ্টা দেখে মজা করে এক সেনার মন্তব্য, ‘এই ধরনের ডিম একমাত্র সিয়াচেন হিমবাহেই পাবেন।’
ডিমের পাশাপাশি সেনারা ঠান্ডায় জমে যাওয়া পেঁয়াজ, টমেটো, আদা, আলুও এভাবেই হাতুড়ি দিয়ে ভাঙার চেষ্টা করেন। ফলাফল, ঠান্ডাতেও যথারীতি গলদঘর্ম দশা!
![]() |
| হাতুড়ি দিয়ে ডিম ভাঙার চেষ্টা করছেন এক সেনা। ছবি: টুইটার |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ▼ 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...








