Wednesday, September 23, 2015
ভারতের সেরা বন্ধু হতে চায় যুক্তরাষ্ট্র
![]() |
| জো বাইডেন |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নেপালের নতুন সংবিধান নিয়ে কেন উদ্বিগ্ন ভারত?
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
২৫০ কোটি ডলারে মার্কিন হেলিকপ্টার কিনবে ভারত
ইসরায়েলের কাছ থেকে ড্রোন: এদিকে টাইমস অব ইন্ডিয়া ভারতের প্রতিরক্ষা দপ্তরের সূত্র উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, দেশটি শিগগিরই ইসরায়েলের কাছ থেকে অস্ত্রসজ্জিত চালকবিহীন বিমান (ড্রোন) কিনতে চায়। ড্রোন তৈরি ও ব্যবহারে প্রতিদ্বন্দ্বী চীন ও পাকিস্তানের তৎপরতার প্রেক্ষাপটে এ উদ্যোগ নিচ্ছে ভারত। ভারতের প্রতিরক্ষা দপ্তর মনে করছে, ইসরায়েলের কাছ থেকে অস্ত্রবাহী ড্রোন পেলে শত্রু দেশের ওপর নিজেদের ক্ষতির ঝুঁকি ছাড়াই হামলা করা সম্ভব হবে। ভারত তিন বছর আগে ইসরায়েলের কাছে থেকে হেরন ড্রোন কেনার পরিকল্পনা করেছিল। গত জানুয়ারি মাসে ভারতের সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে ওই পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ দেওয়া হয়। সম্প্রতি প্রতিবেশী পাকিস্তান জঙ্গিদের বিরুদ্ধে হামলা চালাতে দেশে তৈরি ড্রোন ব্যবহার করেছে বলে জানা যায়। এর পরপরই ড্রোন পেতে ভারতে নতুন করে তাগিদ সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি খবর প্রকাশিত হয় যে ভারতের বিমানবাহিনী ড্রোন বহরের জন্য একটি পৃথক ক্যাডারই গঠন করবে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আবে জমজম by আসিফ হাসান
জমজম কূপটি আবিস্কারের সাথে মুসলিম জাতির পিতা হযরত ইবরাহিম (আ.) এবং তার পরিবারের স্মৃতি জড়িত রয়েছে। হযরত ইবরাহিমের (আ.) দুই স্ত্রী ছিলেন- হযরত সারাহ ও হযরত হাজেরা।
হযরত ইবরাহিম (আঃ) ৮৬ বছর বয়সে দ্বিতীয় স্ত্রীর মাধ্যমে প্রথম পুত্র সন্তান হযরত ইসমাইলকে (আ.) লাভ করেন। সর্বশক্তিমান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন হযরত ইবরাহিমকে (আ.) তার প্রিয়তমা স্ত্রী হযরত বিবি হাজেরা এবং দুগ্ধপোষ্য পুত্র হযরত ইসমাইলকে (আ.) জনমানবশূন্য বিরান ও শুস্ক মরুভূমি মক্কায় রেখে আসার নির্দেশ দেন। হযরত ইবরাহিম (আ.) আল্লাহর এই নির্দেশ মেনে নিয়ে মাত্র এক ব্যাগ খেজুর এবং এক মশক ভর্তি পানিসহ তাদের সেখানে রেখে আসেন।
হযরত ইবরাহিমের (আ.) রেখে যাওয়া খেজুর ও পানি শেষ হয়ে যাওয়ায় হযরত হাজেরা পাগলপ্রায় হয়ে যান। বিশেষ করে শিশুপুত্র হযরত ইসমাইলের জীবন বাঁচানোর চিন্তায় তিনি কাতর হয়ে পড়েন। পানি ও মাতৃদুগ্ধের অভাবে তিনি মৃতপ্রায় হয়ে পড়েছিলেন। তাই পানির সন্ধানে ছেলেকে রেখে বিবি হাজেরা কাছে সাফা ও মারওয়া পাহাড়ে ছুটাছুটি করতে থাকলেন। তিনি সম্ভবত দেখতে চাচ্ছিলেন, আশে পাশে কোনো কাফেলার দেখা পাওয়া যায় কিনা, যাদের কাছ থেকে খাবার, পানি নেওয়া যায়। তার সেদিনের এই ছোটাছুটিকে স্মরণ রাখার জন্য এখনো ওমরাহ ও হজ্জের সময় ওই পাহাড় দুটি সায়ী করা হাজিদের জন্য বাধ্যতামূলক। সাফা ও মারওয়া পাহাড় দুটিতে সাতবার দৌড়াদৌড়ি শেষে হতাশ হয়ে তিনি ছেলের কাছে ফিরে আসেন। সেখানে তার জন্য এক বিস্ময় অপেক্ষা করছিল। তিনি দেখলেন, হযরত ইসমাইলের পায়ের কাছে পানির এক চমৎকার উৎস সৃষ্টি হয়েছে। হযরত ইসমাইলের (আ.) পায়ের আঘাতে কিংবা হযরত জিব্রাইলের (আ.) ডানার ঝাপটায় এই উৎসের সৃষ্টি হয়েছে। এই পানি দেখে তিনি খুব খুব খুবই খুশি হলেন। তিনি ও হযরত ইসমাইল (আ.) সেই পানি পান করে আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করলেন। তারা বেঁচে থাকার অবলম্বন পেলেন।
বলা হয়ে থাকে, হযরত হাজেরা জমজমের উৎসের চারদিকে বালির দেওয়াল তোলায় তা সেখানেই কেন্দ্রীভূত এবং নিয়ন্ত্রিত থাকে। তিনি এসময় বলছিলেন ‘জমজম (থামো বা এখানেই থাকো)’। এ কাজ করা না-হলে এই পানি কত দূর ছড়িয়ে পড়তো, আল্লাহ ছাড়া কেউই জানে না। সেই থেকে কূপটির নামও হয় জমজম।
মক্কায় জমজম কূপ আবিস্কারের পর স্থানটি দ্রুত আকর্ষণীয় এলাকায় পরিণত হলো। আশপাশের লোকজন সেখানে সমবেত হতে লাগলো। একটি সভ্যতার সূচনার পরিবেশ সৃষ্টি হলো।
ইয়েমেন থেকে আসা ‘জারহাম’ গোত্র বিবি হাজেরার কাছে মক্কায় ফসল ফলানো এবং তা ভাগাভাগি করে নেওয়ার একটি প্রস্তাব করল। তারা সমঝোতায় পৌঁছল। তারা তাদের প্রতিশ্রুতি পালন করেছিল, কাবা ঘরের তত্ত্বাবধানের দায়িত্বও পেয়েছিল।
পরে তারা পুরোপুরি অনাচার ও অবিচারে নিমজ্জিত হলো। পরিণতিতে জমজমের পানি শুকিয়ে গেল। অন্য একটি ভাষ্যে দেখা যায়, জারহাম গোত্র যখন আল্লাহ দেয়া সীমারেখা অতিক্রম করেছিল, তখন কিনা ও খাইজা নামে দুটি গোত্র তাদের বিরুদ্ধে আক্রমণ চালায়। প্রচ- লড়াইর পর জারহাম গোত্র হেরে যায়। তবে তারা বিতারিত হওয়ার আগে বড় বড় পাথর এবং অন্যান্য সামগ্রী জমজমের উৎসে ফেলে দিয়ে তা ভরাট করে ফেলে। তারা এমন নিখুঁতভাবে এই কাজটি করেছিল যে জমজমের উৎস একেবারে লোকচক্ষুর আড়ালে চলে গেল।
বলা হয়ে থাকে হযরত ইসমাইল (আ.) জারহাম গোত্রে বিবাহ করেছিলেন। কিন্তু তার ইন্তেকালের পর তারাই খানায়ে কাবা এবং জমজমের একচ্ছত্র অধিপতি হয়ে বসে। এই ঐশ্বর্যই তাদের পতন ত্বরান্বিত করে। এই প্রেক্ষাপটেই কিনা এবং খাইজা গোত্র তাদের উপর আক্রমণ চালায়। তবে আরেকটি ভাষ্যে দেখা যায়, বিবাহের পর ইসমাইল (আ.) নিজেই কূপটি ভরাট করে মক্কা ত্যাগ করেন।
১৯৭১ সালে পাকিস্তানি ক্যামিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার তারিক হোসাইন জমজম কূপে গবেষণা চালনা করেন। তাতে দেখা যায়, কূপটির আয়তন হচ্ছে: ১৮ ফুট বাই ১২ ফুট বাই ৫ ফুট। তিনি জমজমের পানির নমুনার ক্যামিক্যাল এবং বায়োলজিক্যাল পরীক্ষাও করেন। এর আগে মিসরীয় জনৈক চিকিৎসক বলেছিলেন, মক্কার পয়োঃনিস্কাশনের পানিই জমা হয় জমজমে। কিন্তু তারিক হোসেনের গবেষণায় তা মিথ্যা প্রমাণিত হয়। মক্কা নগরীটি শক্ত, গ্রানাইট পাথরের পার্বত্য উপত্যকায় অবস্থিত। হারাম শরিফটি (মসজিদুল হারাম) উপত্যকার সর্বনিম্ন অবস্থানে। স্থানটিতে ৫০ থেকে ১০০ ফুট গভীর আগ্নেয়শিলার আবরণ রয়েছে। জমজম কূপটি এমন একটি জায়গায় অবস্থিত এবং এর পানির উচ্চতা প্রাকৃতিক ভূমিস্তরের ৪০ থেকে ৫০ ফুট নিচে। এই পানি কখনো বন্ধ হবার নয়।
১৯৬৮ সালে একবার মক্কায় বন্যা দেখা গিয়েছিল। পানি ৭ ফুট উঁচুতে উঠেছিল। জমজম কূপেও ঢুকেছিল বন্যার পানি। তাই বন্যার পর নোংরা পানি জমজম থেকে সরিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। অত্যন্ত শক্তিশালী কয়েকটি মোটর পাম্প লাগানো হয়। মনে করা হয়েছিল পাম্প দিয়ে জমজমের সব পানি দ্রুত সরিয়ে নিলে পরে বিশুদ্ধ পানিই আসবে সেখানে। কিন্তু কয়েক ঘন্টা পানি উত্তোলনের পর জমজমের পানি কমার কোনো লক্ষণ দেখা গেল না। তাই সেই চেষ্টা বাদ দেওয়া হলো।
জমজমের পানির উৎস তিনটি বলে ধারণা করা হয়
১) কাবা ঘরের নিচ থেকে রুখনে বা হাজরে আসওয়াদ হয়ে জমজম পয়েন্টে।
২) সাফা পাহাড়ের নিচ থেকে জমজম পয়েন্টে।
৩) মারওয়ার নিচ থেকে জমজম পয়েন্টে।
জমজমের মুখ থেকে ৪০ হাত পর্যন্ত প্লাস্টার করা। তার নিচে পাথর কাটা অংশ আরো ২৯ হাত। এসব লাল পাথরের ফাঁক দিয়েই তিনটি প্রবাহ থেকে আসে পানি।
জমজমের পানি অত্যন্ত পবিত্র এবং পৃথিবীর কোনো পানির সাথে তার তুলনা হয় না। অত্যন্ত স্বচ্ছ এই পানিতে বিন্দুমাত্র দূষণ দেখা যায় না। রোগ জীবাণু কিংবা কাদামাটি বা আবর্জনাও দেখা যায় না। জমজমের পানিকে কেবল বেহেশতের আবে কাউসারের সাথে তুলনা করা যায়। এই বিশুদ্ধ পানি অত্যন্ত রুচিকর। উচ্চ মাত্রার প্রোটিন সমৃদ্ধ এই পানি খেয়েই জীবনধারণ করা যায়। হযরত আবু জর গিফারি (রা.) একবার টানা ৩০ দিন এই পানি পান করে জীবনধারণ করেছিলেন। মহানবি (সা.) এবং সাহাবাদের স্মৃতিধন্য এই পানির প্রতি সব মুসলমানের অকৃত্রিম আকর্ষণ রয়েছে। হজ বা ওমরাহ কিংবা অন্য যেকোনো প্রয়োজনে কেউ মক্কায় যাবে, অথচ জমজমের পানি পান করবে না, কেউ তা কল্পনাও করতে পারে না। তারা নিজেরা তো এই পানি পান করেনই, আর সাথে করে পর্যাপ্ত পানি নিয়ে যান আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশিদের জন্য। মাসের পর মাস বছরের পর বছর জমজমের পানি নানাভাবে দূর দুরান্তে মুসল্লিরা নিয়ে যাচ্ছে। কোনো সংরক্ষণ ব্যবস্থা ছাড়াই এই পানি মাসের পর মাস স্বাদে, গন্ধে ও বর্ণে অটুট থাকছে। পৃথিবীর দূরতম প্রান্তেও এই পানি পৌঁছে যাচ্ছে বিশুদ্ধ অবস্থায়। বর্তমানে সৌদি সরকার এই পানি ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
মক্কাতেও আরো কয়েকটি কূপ আছে। কিন্তু তার কোনোটিই জমজমের মতো নয়। তেমন বেশি পানিও সরবরাহ করতে পারে না সেগুলো। এমনকি পৃথিবীর অন্য সব জায়গায় সেসব কূপ আছে সেগুলোও কয়েক বছর পর শেওলা জমে যায়, পানির স্বাদ নষ্ট হয়ে যায়। একপর্যায়ে সেগুলো আর ব্যবহারের উপযোগী থাকে না। অথচ জমজমে প্রতিনিয়ত পানি থাকছে। হজের সময় প্রায় লাখ লাখ হাজির পানির যোগান দিয়ে যায় এই জমজম। কখনো তার পানিতে কোনো ধরনের পরিবর্তন হয়নি।
বিভিন্ন উৎস থেকে ধারণা করা হয়ে থাকে জমজমের উৎস হয়েছিল এখন থেকে প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে। এই হিসাবের ভিত্তি হলো- হযরত ইবরাহিম (আ.) ও হযরত মুসার (আ.) মধ্যকার সময়ের পার্থক্য ১,০০০ বছর। হযরত মুসা (আ.) ও হযরত ঈসার (আ.) সময়ের পার্থক্য ১,৯০০ বছর । আবার হযরত ঈসা (আ.) ও হযরত মোহাম্মাদের (সা.) পার্থক্য ৫৬৯ বছর। তাই বলা যায় হযরত ইবরাহিম (আ.) ও হযরত মোহাম্মাদের (সা.) মধ্যকার সময় হচ্ছে ৩,৪৬৯ বছর। কেউ যদি আল্লাহর কুদরত দেখতে চায়, তাদের জন্য একটি কুদরত হতে পারে এই জমজম কূপ।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মেডিক্যাল ভর্তিচ্ছুদের আলটিমেটাম- ‘যদি হবে প্রশ্ন ফাঁস রোগী হবে লাশ’
চারদিন চলা আন্দোলনের মতো গতকাল রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও শাহবাগের জাদুঘরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন ভর্তিচ্ছুরা। প্রধানমন্ত্রীর কাছে ৩ দফা দাবি সংবলিত স্মারকলিপি দিয়েছেন। দাবি আদায়ে আগামী ২৬শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছেন। এরমধ্যে পরীক্ষা বাতিল না হলে ২৭শে সেপ্টেম্বর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ঘেরাও করা হবে। চলবে অন্যান্য কর্মসূচি।
অবস্থান কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা নানা স্লোগান দেন। এ সময় তাদের হাতে প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল প্রশ্নফাঁস বিরোধী নানা স্লোগান। এরমধ্যে ছিল ‘প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন, শিক্ষা কি এখন পণ্য?, হবে যদি প্রশ্নফাঁস, কষ্ট করবো কেন ১২ মাস, যদি হবে প্রশ্নফাঁস, রোগী হবে লাশ, প্রশ্ন গেলে বাইরে ডাক্তার হবে হাতুড়ে, ইত্যাদি স্লোগান।
গতকাল রাজধানীতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত এইচএম এরশাদ বলেন, ফাঁস হওয়া প্রশ্নে পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা ঠিক হয়নি। আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, যদি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস হয় তবে তা বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা নেয়া হোক। একই দাবি জানিয়েছেন ডক্টরস ফর হেলথ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট সাধারণ সম্পাদক ডা. কাজী রকিবুল ইসলাম। অবিলম্বে প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়া মেডিক্যালের ভর্তি পরীক্ষা বাতিল করে নতুন করে পরীক্ষা নেয়ার দাবি জানিয়েছে ছাত্রদল। গতকাল এক বিবৃতিতে এ দাবি জানায় সংগঠনটি। অন্যদিকে দাবি আদায়ে সরকারকে চারদিন সময় বেঁধে দিয়েছে শিক্ষার্থীরা। এরমধ্যে পরীক্ষা বাতিল না করলে আগামী ২৭শে সেপ্টেম্বর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ঘেরাও করা হবে। এছাড়াও ঈদের দিন শহীদ মিনারে অবস্থানসহ অন্যান্য কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। শিক্ষার্থীরা বলছেন, ভর্তি পরীক্ষা বাতিল, যোগ্য ও নিরপেক্ষ কমিটির মাধ্যমে পুনরায় পরীক্ষা গ্রহণসহ তিন দফা দাবি নিয়ে অহিংস আন্দোলন করছি। সরকারের আমাদের দাবি অবিলম্বে মেনে নেয়া উচিত।
আন্দোলনের সমন্বয়ক মোহাইমিনুল ইসলাম লিয়ন বলেন, ফাঁস হওয়া প্রশ্নে পরীক্ষা হয়েছে সবার কাছে এটি পরিষ্কার। এরপর সরকার প্রহসনের মাধ্যমে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। অবিলম্বে এই পরীক্ষা বাতিল না করলে আরও কঠিন কর্মসূচি দেয়া হবে। পরীক্ষার্থীরা আন্দোলনে আছেন বলে জানিয়েছেন তারা। আজ বুধবার শাহবাগে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এদিকে পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে গতকাল প্রধানমন্ত্রীর বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। শাহবাগে অবস্থান নিয়ে তারা বলেছেন, প্রয়োজনে ঈদের পর অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। রাজধানী সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ, অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা। ঢাকায় শহীদ মিনার ও শাহবাগের জাদুঘরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি থেকে প্রধানমন্ত্রীর বরাবর তারা এই স্মারকলিপি প্রদান করেন।
গতকাল দুপুরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের চার সদস্যের একটি দল প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেন। প্রতিনিধি দলে ছিলেন সাইফুল, লাইলা, নাহিয়ান, নিশান। এর আগে পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার সকাল ১০টায় রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান নেয়ার কথা থাকলেও স্থান পরিবর্তন করে প্রথমে বেলা ১১টায় শহীদ মিনারে ও পরে শাহবাগ পাবলিক লাইব্রেরির সামনের সড়কে অবস্থান নেন তারা। শিক্ষার্থীদের এ কর্মসূচির সঙ্গে কয়েকটি বাম ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মী, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরাও অংশ নেন। এসময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন।
সমন্বয়ক নিয়ন বলেন, পরীক্ষা বাতিল করা না হলে তাদের আন্দোলন চলবে। তিনি বলেন, আজও সকাল ১০টায় শাহবাগে আমরা অবস্থান করবো। সেখানেই বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হবে। এদিকে প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে ও পুনরায় মেডিক্যাল পরীক্ষা গ্রহণের দাবিতে মঙ্গলবার রাজধানী ছাড়াও চট্টগ্রাম, বগুড়া, খুলনা, সিলেট, ফরিদপুর ও রংপুরেও বিক্ষোভ করেছেন মেডিক্যাল ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা। এসময় তারা প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ তুলে অবিলম্বে মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষা ফল বাতিল করে নতুন করে পরীক্ষা নেয়ার দাবি জানান। অন্যথায় রাজপথ অবরোধের মতো কঠোর কর্মসূচির হুমকিও দেন তারা।
একই দাবি জানিয়েছেন, ডক্টরস ফর হেলথ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ডা. কাজী রকিবুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়, মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষায় দুর্নীতির অভিযোগ সঠিক তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে হবে। পরে মানবজমিনকে তিনি বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যমে অনুষ্ঠেয় পরীক্ষা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। আমরা চাই সঠিক তদন্তের মাধ্যমে সরকার এ বিষয়টি পরিষ্কার করবে।
গত ২১শে সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১০টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন করতে দাঁড়ালে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। এরপর শিক্ষার্থীরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যান এবং সেখানে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। এ সময় বিক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীরা ‘প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন, শিক্ষা কি এখন পণ্য?’, ‘হবে যদি প্রশ্নফাঁস, কষ্ট করবো কেন ১২ মাস’, ‘যদি হবে প্রশ্নফাঁস, রোগী হবে লাশ’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকে। এক পর্যায়ে পুলিশ তাদের লাঠিচার্জ করে সরিয়ে দেয়। এ সময় ছয় শিক্ষার্থীকে আটক করে পুলিশ। গত শুক্রবার সারা দেশে একযোগে ২৩টি কেন্দ্রে এমবিবিএস ও বিডিএস পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ৮৪ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী এতে অংশ নেয়।
প্রসঙ্গত, প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগের মধ্যে ১৮ই সেপ্টেম্বর শুক্রবার সারা দেশে একযোগে এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। দেশব্যাপী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীনে সারা দেশে ২৩টি কেন্দ্রে এই ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হয় ১৮ই সেপ্টেম্বর। সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত ১০০ নম্বরের নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নপত্রে এই ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হয়েছিল। রোববার ফলাফল ঘোষণা করা হয়। পাসের হার ৫৮ দশমিক ৪ শতাংশ। ১০০ নম্বরের এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বর উঠেছে ৯৪ দশমিক ৭৫। গত রোববার দুপুরে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক ঢাকার মহাখালীতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে এ ফলাফল প্রকাশ করেন। আসন সংখ্যার হিসেবে শেষ পর্যন্ত তাদের মধ্যে চিকিৎসা শাস্ত্রে লেখাপড়ার সুযোগ পাবেন ১১ হাজার ৪৯ জন।
চলতি বছর ভর্তি পরীক্ষায় রেকর্ড সংখ্যক মোট ৮৪ হাজার ৭৮৪ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে বলেও জানা গেছে। মোট ১০০ নম্বরের এ পরীক্ষায় পদার্থ বিদ্যায় ২০, রসায়নবিদ্যায় ২৫, জীববিদ্যায় ৩০, ইংরেজিতে ১৫ ও সাধারণ জ্ঞানে ১০ নম্বরের প্রশ্ন থাকবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীতে নতুন অনুমোদনপ্রাপ্ত মুগদা মেডিক্যাল কলেজের ৫০টি আসনসহ মোট ২৯টি সরকারি মেডিক্যাল, ১টি ডেন্টাল কলেজ ও ৮টি ইউনিটের মোট আসন সংখ্যা ৩ হাজার ৬৯৪টি। ৬৫টি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজের আসন সংখ্যা ৬ হাজারের উপর আসন রয়েছে। তবে, এই পরীক্ষা চলাকালেই বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে অভিযান চালিয়ে প্রশ্নফাঁসে জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে আটক করে র্যাব। এর আগে একই ঘটনায় বুধবার রাজধানীর মহাখালী থেকে চিকিৎসকসহ চারজনকে আটক করেছিল র্যাব। এদিকে পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরই সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে পরীক্ষার আগের রাতে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ এনে কিছু নমুনা তুলে ধরেন শিক্ষার্থীরা। পরে পরীক্ষা বাতিল চেয়ে গত শনিবার দেশব্যাপী আন্দোলন করেন তারা। এছাড়া এ বিষয়ে হাইকোর্টে একটি রিট হলেও পরে তা খারিজ হয়ে যায়।
স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম থেকে জানান, মেডিক্যালের ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের কারণে পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার দাবি জানিয়েছে মেডিক্যাল ভর্তিচ্ছুরা। পাশাপাশি প্রশ্ন ফাঁসের দায়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেছেন আন্দোলরত শিক্ষার্থীরা।
গতকাল নগরীর চকবাজার মোড়ে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভের সময় তারা এসব দাবি জানান। বেলা সাড়ে ১২টা থেকে প্রায় এক ঘণ্টা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা চকবাজার মোড়ে অবস্থান নিয়ে সড়ক অবরোধ করে। এতে চকবাজার এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় সড়কে আটকা পড়ে যানবাহন। ভোগান্তিতে পড়েন লোকজন। শিক্ষার্থীরা দাবি করেন, ফাঁসকৃত প্রশ্নে যে পরীক্ষা নেয়া হয়েছে তাতে প্রকৃত মেধাবীরা বঞ্চিত হয়েছে। এটিকে একটি প্রহসনের পরীক্ষা বলেও দাবি করেন শিক্ষার্থীরা। ফাঁস হওয়া প্রশ্নে নেয়া পরীক্ষা এবং যে পাতানো ফল প্রকাশ করা হয়েছে দাবি করে শিক্ষার্থীরা তা অবিলম্বে বাতিলের দাবি জানান। তারা দাবি করেন, এভাবে টাকার বিনিময়ে ডাক্তার হলে গণহারে রোগী মরবে। কারণ, তারা টাকার জোরে ডাক্তার হচ্ছেন, মেধার জোরে নয়। একঘন্টা সড়ক অবরোধ শেষে শিক্ষার্থীরা একটি মিছিল নিয়ে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে যায়।
এর আগে বেলা ১১টার দিকে শিক্ষার্থীরা প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন করে। সেখানে তারা ভর্তি পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা নেয়ার দাবিসহ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি জানান। তারা বলেন, প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা প্রমাণ করে পরীক্ষাটি ছিল একটি প্রহসন, যেখানে টাকার বিনিময়ে আগে থেকেই উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের তালিকা তৈরি ছিল। পরীক্ষা শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা। তারা দাবি করেন, দেশকে মেধাশূন্য করতে একটি চক্র বিভিন্ন প্রচেষ্টায় লিপ্ত। তাদের চক্রান্তে আজ দেশের শিক্ষাখাতে এত অস্থিরতা বলে দাবি করেন তারা। এ সময় দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা।
এ বিষয়ে নগরীর চকবাজার থানার ওসি মো. আজিজ বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেছিল। এতে কিছুটা যানজট হলেও এখন তা স্বাভাবিক।’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাখি- সবুজ হাঁড়িচাঁচা by আ ন ম আমিনুর রহমান
![]() |
| কাপ্তাইয়ের ব্যাঙছড়ি এলাকায় সেগুনগাছে বসে আছে সবুজ হাঁড়িচাঁচা। ছবিটি ২০১৪ সালের ২৫ জানুয়ারি তোলা l লেখক |
দ্বিতীয় দিন দুপুরের খাবার ছেড়ে ব্যাঙছড়ি বিটে ঢোকার কিছুক্ষণ পরই বাচ্চাসহ চার-চারটি কাও ধনেশের দেখা পেলাম। ওদের পেছন ছুটতে ছুটতে একসময় মারমা পাড়ায় চলে এলাম। ঘড়িতে যখন ৪টা বেজে ৫০ মিনিট, ঠিক তখন একটি সিংহরাজকে (Greater Racket-tailed Drongo) নিশানসহ লম্বা লেজ নিয়ে উড়ে যেতে দেখলাম। কাজেই ওর ছবি তোলার জন্য পিছু নিলাম। ওর পেছনে সাত-আট মিনিট ছোটার পর হঠাৎ সবুজ কিছু একটাকে ডান পাশের ঘন বন থেকে বাঁ পাশের সেগুনবাগানের একটি গাছে গিয়ে বসতে দেখলাম। ক্যামেরায় চোখ রাখতেই মন আনন্দে নেচে উঠল। কিন্তু ছবি তোলার জন্য মাত্র এক মিনিট সময় পেলাম। ৪টা ৫৯ মিনিটে এক টিপে মোট পাঁচটি ক্লিক করলাম। এরপর পাখি উড়াল দিল।
এতক্ষণ আকর্ষণীয় যে পাখিটির কথা বললাম, তা এ দেশে দুর্লভ পাখি সবুজ হাঁড়িচাঁচা (Common Green Magpie)। সোনা থালা নামেও এটি পরিচিত। করভিডি অর্থাৎ কাক-হাঁড়িচাঁচা পরিবারভুক্ত পাখিটির বৈজ্ঞানিক নাম Cissa chinensis।
সবুজ হাঁড়িচাঁচা আকারে হাঁড়িচাঁচার চেয়ে ছোট। লেজ লম্বা। দেহের দৈর্ঘ্য ৩৭-৩৯ সেন্টিমিটার এবং ওজন ১২০-১৩৩ গ্রাম। মাথা ও পিঠ পাতা-সবুজ, কখনো কখনো নীলচে-সবুজও হতে পারে। লেজের ওপরটা নীলচে-সবুজ। বুক-পেট-লেজ টিয়ে-সবুজ। চোখ থেকে ঘাড় পর্যন্ত কাজল রেখাটি বেশ চওড়া। এ কারণেই মাথার সবুজ ঝুঁটিটি স্পষ্টভাবে চোখে পড়ে। ডানার প্রান্ত ও মধ্য পালক তামাটে-খয়েরি এবং ডানার গোড়া ও লেজের আগার পালক সাদা। চোখ টকটকে লাল। পা, পায়ের পাতা ও আঙুল প্রবাল-লাল। মজবুত ও শক্ত ঠোঁটটিও প্রবাল-লাল। পুরুষ ও স্ত্রী দেখতে একই রকম। মাথার ঝুঁটি কালচে-বাদামি ও লেজের নিচটা সাদা।
সবুজ হাঁড়িচাঁচা বড় পাতাওয়ালা ঘন বনের বাসিন্দা। তবে সহজে চোখে পড়ে না। মূলত চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের মিশ্র চিরসবুজ বনের বাসিন্দা এরা। জামালপুর ও শেরপুরের সীমান্তবর্তী এলাকায় পাতাঝরা বনে কদাচ দেখা মেলে। পাহাড়ি ছড়ার পাশে, গিরিখাতে একাকী বা জোড়ায় বিচরণ করে। গাছের ডালে ও পাতার আড়ালে লুকিয়ে খাবার খোঁজে। টিকটিকি, গিরগিটি, ব্যাঙ, কীটপতঙ্গ, সাপ, পাখির ডিম-বাচ্চা খায়। মরা প্রাণীর মাংসও খেতে পারে। বেশ সাহসী ও জেদি পাখি। অন্যের খাবার ছিনিয়ে নিতেও বেশ পটু। সচরাচর উচ্চস্বরে ডাকাডাকি ও চেঁচামেচি করে। তবে মিষ্টি স্বরেও ডাকতে পারে। ‘পিপ-পিপ, ক্লি-হুয়ি-ও’ স্বরে ডাকে।
এপ্রিল-মে প্রজননকাল। গাছের শিকড়, পাতা, কাঠিকুঠি ও শেওলা দিয়ে ঘন বনের গাছে পাতার আড়ালে বাটির মতো বাসা বানায়। বাসায় চার থেকে ছয়টি ডিম পাড়ে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু আজ আরাফাত দিবস
ওদিকে গত ১১ই সেপ্টেম্বর মসজিদুল হারামে ক্রেন ভেঙে পড়ায় আহত ৫৬ হজযাত্রীকে হজ করার বিশেষ ব্যবস্থা করে দিয়েছে সৌদি আরব সরকার। ওই দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ১০৯ জন হজযাত্রী মারা যান। আহত হন অনেকে। এর মধ্যে ৫৬ হজযাত্রীকে বিশেষ মেডিক্যাল বিষয়ক পরিবহনে করে জাবাল আল রাহমা হাসপাতাল ও আরাফাত জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়েছে, যাতে তারা আরাফাতের ময়দানে হাজির হওয়া থেকে বঞ্চিত না হন। মক্কার স্বাস্থ্য বিষয়ক বিভাগের পরিচালক ড. মুস্তাফা বালজুন এ কথা জানিয়ে বলেন, আহত ১৫ হজযাত্রীকে বাদশা আবদুল আজিজ হাসপাতাল থেকে, ৩১ জনকে বাদশা ফয়সল হাসপাতাল থেকে ও ১০ জনকে আল নূর স্পেশালিস্ট হাসপাতাল থেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে আরাফাতের ময়দান সংলগ্ন হাসপাতালে। ওদিকে মসজিদুল হারামে ক্রেন ভেঙে পড়ার পর মালয়েশিয়ার দুজন হজযাত্রীর কোন হদিস মিলছে না। তাদের নিকটজনদের ডিএনএ নমুনা এরই মধ্যে সৌদি আরব কর্তৃপক্ষের কাছে দেয়া হয়েছে যাতে তারা মিনায় মোয়াইসেম মর্গে থাকা লাশের মধ্য থেকে তাদের শনাক্ত করা যায়। নিখোঁজ ওই হজযাত্রীদের নিকটজন গত শুক্রবার জেদ্দা যান। তাদেরকে মর্গ এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয় ডিএনএ সংগ্রহ করতে। নিখোঁজ দুই হজযাত্রী হলেন সাদ (৫২), আবদুল হাবিব লাহমান (৬৮)।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ▼ 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...





