Wednesday, February 27, 2019
কাশ্মীর নিয়ে কেন এই দ্বন্দ্ব?

ভারত-পাকিস্তান আগে ১৯৬৫ এবং ১৯৯৯ সালে দু'বার যুদ্ধে জড়েয়েছিল কাশ্মীর নিয়ে। এখন পরিস্থিতি ভিন্ন । কারণ দুই দেশের কাছেই পরমাণু অস্ত্র রয়েছে।
কিন্তু কাশ্মীর নিয়ে দেশ দু'টির মধ্যে বিরোধ কেন?
বৃটেন থেকে ভারত পাকিস্তান ১৯৪৭ সালে যখন স্বাধীনতা পায়, তখনই দুই দেশই কাশ্মীরকে পাওয়ার প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছিল। ভারত পাকিস্তান ভাগ করার পরিকল্পনা অনুযায়ী কাশ্মীর দুই দেশ থেকেই মুক্ত ছিল। তবে তৎকালীন কাশ্মীরের স্থানীয় শাসক বা রাজা হরি সিং ভারতকে বেছে নিয়েছিলেন। তিনি একটি চুক্তির মাধ্যমে কাশ্মীরকে ভারতের সাথে অন্তর্ভূক্ত করেছিলেন। ইতিহাসবিদরা বলেন, ইনস্ট্রুমেন্ট অব অ্যাক্সেশনের মাধ্যমে কাশ্মীর ভারতের অন্তর্ভূক্ত হয়েছিল ঠিকই কিন্তু যে শর্তে তা হয়েছিল, সেই শর্ত থেকে ভারত অনেকটা সরে এসেছে। পাকিস্তানও অনেকটা জোর করে এই ব্যবস্থায় ঢুকেছে এবং সেই থেকে সংকট জটিল থেকে আরও জটিল হচ্ছে।
এই অংশের অনেক মানুষ ভারতের শাসনে থাকতে চায় না। তারা পাকিস্তানের সাথে ইউনিয়ন করে যুক্ত হতে অথবা নিজেরা স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে থাকতে চায়। কারণ ভারত শাসিত জম্মু কাশ্মীরে ৬০ শতাংশের বেশি মুসলিম। ভারতের রাজ্যগুলোর মধ্যে এই একটি রাজ্য, যেখানে মুসলিমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। এছাড়া কাশ্মীরে কর্মসংস্থানের অভাব এবং বৈষ্যমের অনেক অভিযোগ রয়েছে। কাশ্মীরে ভারতের নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধেও নির্যাতন চালানো অনেক অভিযোগ রয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে সেখানে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনও দিন দিন সহিংস হয়ে উঠছে। এই সহিংসতায় গত বছরেই সাধারণ নাগরিক এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যসহ ৫০০ জনের মতো নিহত হয়েছে।
বছরের পর বছর রক্তক্ষয়ের প্রেক্ষাপটে ভারত এবং পাকিস্তান দুই দেশই যুদ্ধ বিরতি দিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে সম্মত হয়েছিল ২০০৩ সালে। পাকিস্তান পরে ভারত শাসিত কাশ্মীরে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের অর্থ সহায়তা বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। ২০১৪ সালে ভারতে নতুন সরকার এসেছিল পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে। কিন্তু ভারতের সেই সরকারও পাকিস্তানের সাথে শান্তি আলোচনা করার আগ্রহ দেখায়। তখন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ দিল্লী গিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন।
এর এক বছর পরই দুই দেশের মধ্যে সম্পের্কের অবনতি হয়। দুই দেশ কি আবারো চরম শত্রুর জায়গায় ফিরে যাচ্ছে? ২০১৬ সাল থেকে ভারত শাসিত কাশ্মীরে দেশটির সামরিক ঘাঁটিত বেশ কয়েকটি আক্রমণ হয়েছে। কিন্তু গত ১৪ই ফেব্রুয়ারি যে আতœঘাতি হামলা হয়েছে, তাতে হতাহতের সংখ্যা অনেক বেশি। এই হামলায় ৪০ জনের বেশি ভারতীয় সৈন্য নিহত হয়েছে। এই ঘটনা দুই দেশকে আবারও মুখোমুখি করেছে।
সূত্র: বিবিসি
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পরস্পরের দাবি: ভারতের দুটি পাকিস্তানের একটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত

পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল আসিফ গফুর টুইটারে দাবি করেছেন, ভূপাতিত ভারতীয় জেট বিমানের একটি পড়েছে পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে ও অন্যটি পড়েছে ভারতীয় অংশে। এ ঘটনায় একজন বৈমানিককে আটক করা হয়। পাকিস্তানের দাবি, অস্বীকার করে ভারত বলেছে, তাদের কোনো বৈমানিক ধরা পড়েনি। বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
ভারতের দ্য হিন্দু পত্রিকার প্রতিবেদনে জানানো হয়, পাকিস্তানের এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে ভারত। এ ঘটনা অস্বীকার করেছেন মেজর গফুর। তিনি বলেন, তাদের অপারেশনে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ব্যবহার করা হয়নি।
পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র বলেছেন, গতকাল পাকিস্তানের ভেতরে ঢুকে বিমান হামলা চালানোর ঘটনায় আমাদের জবাব দেওয়ার ছাড়া বিকল্প ছিল না। ভারত আগ্রাসন চালিয়েছে বলে দাবি করে তিনি বলেন, তারা শত শত জঙ্গি হত্যার কথা বলেছে। কিন্তু তাদের বোমায় কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
ভারতীয় বিমানবাহিনী সূত্রের দাবি, পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর সীমান্তের নিয়ন্ত্রণরেখা লঙ্ঘন করেছিল, কিন্তু তাদের ফেরত পাঠাতে বাধ্য করা হয়েছে। ভারতের এ দাবির পর পাকিস্তানের পক্ষ থেকে দুটি বিমান ভূপাতিত করার বিবৃতি দেওয়া হয়। ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের এক সরকারি কর্মকর্তা এএফপিকে বলেছেন, পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান কিছুক্ষণের জন্য ভারতীয় সীমানায় ঢুকেছিল, কিন্তু তাদের ভারতীয় বিমানবাহিনী ফিরে যেতে বাধ্য করেছে।
পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে জানানো হয়, পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান পুনচ ও নওশেরা নিয়ন্ত্রণরেখা অতিক্রম করে। ফিরে যাওয়ার সময় তারা বোমা ফেলে গেছে। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তর বিবৃতিতে বলেছে, তাদের বিমানবাহিনী সীমান্ত এলাকায় আঘাত (স্ট্রাইক) এনেছে। তবে ওই হামলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানায়নি তারা। তবে এটাকে বেসামরিক হামলা বলেছে। তাদের উত্তেজনা বাড়ানোর কোনো ইচ্ছা নেই।
ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনা চরমে পৌঁছে যাওয়ায় সীমান্তসংলগ্ন কয়েকটি বিমানবন্দর বন্ধ করে দিয়েছে ভারত। ভারতের জিনিউজ বলছে, দেশের আটটি বিমানবন্দরে বেসামরিক বিমান পরিবহন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সেই তালিকায় রয়েছে, শ্রীনগর, জম্মু, লে, অমৃতসর, পাঠানকোট, গগ্গল, দেরাদুন ও চণ্ডীগড়। আজ বুধবার অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়ার কথা জানিয়েছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। ভারতের আকাশসীমায় পাকিস্তানের দুটি যুদ্ধবিমান ঢুকে পড়ায় জম্মু-কাশ্মীর-সহ উত্তর ভারতের আকাশসীমায় চূড়ান্ত সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
ভারতীয় বিমানবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার জম্মু-কাশ্মীরের বুদগাম এলাকায় আজ সকালে বিধ্বস্ত হয়। ওই দুর্ঘটনায় দুজনের মৃতদেহ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পাকিস্তানের ভেতরে ঢুকে ভারতীয় বিমানবাহিনীর বোমা ছোড়ার ঘটনার জবাবে সীমান্তে ভারী মর্টার শেল ছুড়ছে পাকিস্তান। এ ঘটনার মধ্যেই ওই হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পুলওয়ামায় দেশটির আধা সামরিক বাহিনীর গাড়িবহরে আত্মঘাতী হামলা হয়। এতে অন্তত ৪০ জন জওয়ান নিহত হন। পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মুহাম্মদ এই হামলার দায় স্বীকার করে। পুলওয়ামা হামলার জবাব দিতেই গতকাল ভোররাতে পাকিস্তানের ভেতরে অভিযান চালায় ভারত।
ভারতীয় কর্মকর্তাদের ভাষ্য, পুলওয়ামায় হামলার পর জইশ-ই-মুহাম্মদের জঙ্গি ও প্রশিক্ষকেরা পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর থেকে সরে যায়। তারা খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের বালাকোটে একটি পাঁচ তারকা রিসোর্টে ওঠে। এটি জইশ-ই-মুহাম্মদের প্রশিক্ষণ শিবির। শিবিরটি ঘন জঙ্গলের মধ্যে পাহাড়চূড়ায় অবস্থিত।
বালাকোটের শিবিরে অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র ও আধুনিক কৌশলের ওপর প্রশিক্ষণ নিতেন জইশ-ই-মুহাম্মদের প্রধান মাসুদ আজাহারের আত্মীয় ও সহযোগী জঙ্গিরা।
ভারত বলছে, বিমান হামলার সময় বালাকোটের শিবিরে অন্তত ৩২৫ জন জঙ্গি ছিল। আর প্রশিক্ষক ছিল ২৫-২৭ জন।
শিবিরটি একসময় হিজবুল মুজাহিদিনও ব্যবহার করত। জঙ্গিদের উসকানি দিতে এই শিবিরে জইশ-ই-মুহাম্মদের প্রধান মাসুদ আজাহার ও অন্য নেতারা ভাষণ দিত।
ভারতীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্রের ভাষ্য, কুনহার নদীর পাশে শিবিরটি অবস্থিত। এখানে জঙ্গিদের পানিপথেও প্রশিক্ষণের সুবিধা দেওয়া হতো। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সাবেক সদস্যরা ছিলেন এখানকার প্রশিক্ষক।
ভারতীয় সূত্রের ভাষ্য, মঙ্গলবার স্থানীয় সময় ভোররাত সাড়ে ৩টায় ভারতীয় বিমানবাহিনীর মিরেজ-২০০০ যুদ্ধবিমান বালাকোটের শিবিরে হামলা চালায়। ওই ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পার না হতেই নিয়ন্ত্রণরেখা অতিক্রম করে পাকিস্তানের বিমানবাহিনী।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতীয় ২ যুদ্ধবিমান ধ্বংস, ২ পাইলট আটক: -পাকিস্তান

পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল আসিফ গফুর টুইটারে বলেন, লাইন অব কন্ট্রোল পেরিয়ে পাকিস্তানি আকাশসীমায় প্রবেশ করলে ভারতীয় বিমান বাহিনীর দুটি বিমানকে ধ্বংস করে পাকিস্তান বিমানবাহিনী।
এর মধ্যে একটি ভারতশাসিত কাশ্মীরে ও অপরটি পাকিস্তানের আজাদ কাশ্মীরে বিধ্বস্ত হয়েছে। সেখান থেকে দুই ভারতীয় পাইলটকে আটক করেছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী।
এদিকে ভারতের একটি বিমান বিধ্বংসের খবর পাওয়া গেছে কাশ্মীর থেকে।
সেখানে নিহত হয়েছেন ২ পাইলটসহ ৩ জন। এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি এখনো। ভারত দাবি করেছে, পাকিস্তানের একটি এফ-১৬ ফাইটার জেট ভূপাতিত করা হয়েছে। তবে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল গফুর এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবী নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, আজকের আক্রমণে কোনো এফ-১৬ বিমান ব্যবহার করা হয়নি।
পাকিস্তানি বিমান ভূপাতিত করার দাবি ভারতের, পাইলট নিখোঁজের তথ্য স্বীকার
তবে পাকিস্থান আন্তঃবাহিনী গণসংযোগ পরিদফতরের মহাপরিচালক আসিফ গফুরকে উদ্ধৃত করে বিবিসি জানিয়েছে, পাকিস্তান বিমান ভূ-পাতিত করার ভারতীয় দাবি নাকচ করেছে। তিনি বলেন, তাদের অপারেশনে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ব্যবহার করা হয়নি। এদিকে ভারত আকাশ যুদ্ধে তাদের একটি মিগ-২১ ভূপাতিত হওয়ার এবং তার পাইলট নিখোঁজ হওয়ার কথা স্বীকার করেছে।
তিনি বলেন, পুলওয়ামায় যা ঘটেছে সে বিষয়ে আমরা ভারতকে শান্তির প্রস্তাব করেছিলাম। আমি নিহতদের পরিবারের কষ্ট অনুধাবন করতে পারি। আমরা নিজেরাও ৭০,০০০ মানুষ হারিয়েছি, ফলে তাদের কষ্ট আমি বুঝি।
ইমরান খান বলেন, আমরা ভারতকে সহযোগিতার প্রস্তাব দিয়েছিলাম। পাকিস্তান কখনই চায় না যে, তার দেশ সন্ত্রাসের কাজে ব্যবহৃত হবে। তিনি বলেন, আমরা ভারতে বলেছিলাম যে, তোমরা যদি একতরফা কোন ব্যবস্থা নাও, তাহলে আমরা জবাব দিতে বাধ্য হবো, যদি তোমরা কিছু করো।
কিন্তু ভারত নিজেরাই বিচারক, জুরি আর জল্লাদের ভূমিকা নিয়েছে।
ভাষণে ১ম বিশ্বযুদ্ধের কথা স্মরণ করিয়ে এর ভয়াবহতার বিষয়েও কথা বলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমি ভারতকে আবারও আহ্বান করব। সন্ত্রাস দমনে আমরা (আলোচনায়) প্রস্তুত। চলুন একসাথে আলোচনায় বসি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ হলে জিতবে কে?

সে তুলনায় পিছিয়ে আছে ভারত। ভারতের হাতে আছে এমন ১৩০ থেকে ১৪০টি অস্ত্র। যদি এই মুহূর্তে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ লেগে যায় তাহলে এসব পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের সমূহ ঝুঁকি রয়েছে। আর যদি তাই হয় তাহলে জিতবে কে? বিশেষ করে গত ১৪ই ফেব্রুয়ারি কাশ্মীরের পালওয়ামায় সন্ত্রাসী হামলায় ভারতের কমপক্ষে ৪০ জন সিআরপিএফ সদস্য নিহত হওয়ার ফলে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ অবশ্যম্ভাবী হয়ে উঠেছে। ওই হামলার দায় স্বীকার করেছে পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি গোষ্ঠী জৈশ-ই-মোহাম্মদ। এর জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করছে ভারত। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এ হামলার কড়া জবাব দেয়ার হুমকি দিয়েছেন। তিনি বলে দিয়েছেন, এক্ষেত্রে সেনাবাহিনীকে স্বাধীনতা দেবেন। অন্যদিকে পাকিস্তানও সমস্বরে জবাব দিয়েছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যদি তার দেশে হামলা চালানো হয় তবে প্রতিশোধ নেবেন তারাও। দুই দেশের সামরিক কর্তারাও কম যাননি। তারাই একই রকম হুমকি দিয়েছেন। ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর এ দুটি দেশের মধ্যে কাশ্মির ইস্যুতে দুটি যুদ্ধ হয়েছে। এখন যদি সত্যিই আরেকটি যুদ্ধ বেধে যায় তাহলে কে জিতবে আর কে হারবে? এমন বিশ্লেষণ শুরু হয়ে গেছে। এখানে দুই দেশের সামরিক শক্তির তুলনামূলক একটি বিশ্লেষণ তুলে ধরা হলো:
সামরিক বাজেট
২০১৮ সালে ভারত সামরিক খাতে বরাদ্দ দিয়েছে ৪ লাখ কোটি রুপি, যা তার জাতীয় প্রবৃদ্ধির শতকরা প্রায় ২.১ ভাগ। দেশটিতে রয়েছে ১৪ লাখ সক্রিয় সেনাসদস্য। এ তথ্য ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (আইআইএসএস)।
অন্যদিকে গত বছর পাকিস্তান তার সামরিক খাতে খরচ করেছে এক লাখ ২৬ হাজার কোটি রুপি, যা তার জাতীয় প্রবৃদ্ধির শতকরা প্রায় ৩.৬ ভাগ। দেশটিতে রয়েছে ৬ লাখ ৫৩ হাজার ৮০০ সেনা সদস্য। ২০১৮ সালে তারা সামরিক খাতে বৈদেশিক সহায়তা পেয়েছে ১০ কোটি ডলার। ১৯৯৩ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে পাকিস্তানে সরকারের মোট বার্ষিক খরচের মধ্যে শতকরা ২০ ভাগেরও বেশি খরচ করা হয়েছে সামরিক খাতে। এ তথ্য স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্স ইনস্টিটিউটের (এসআইপিআআই)। এতে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালে সরকারি খাতের শতকরা ১৬.৭ ভাগ খরচ হয়েছে সামরিক খাতে।
তুলনামূলকভাবে ২০১৮ সালে ভারতে সামরিক খাতে সরকারি খরচের পরিমাণ শতকরা ১২ ভাগের নিচে রয়েছে। ২০১৭ সালে তা ছিল শতকরা ৯.১ ভাগ।
ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক অস্ত্র কার বেশি?
ভারত ও পাকিস্তান উভয় দেশের হাতেই আছে ব্যাপক বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র। এগুলো পারমাণবিক অস্ত্র। ভারতের আছে ৯ ধরনের অপারেশনাল ক্ষেপণাস্ত্র। ওয়াশিংটনের সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের (সিএসআইএস) তথ্যমতে, এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র হলো অগ্নি-৩। এর পাল্লা ৩০০০ কিলোমিটার থেকে ৫০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত।
অন্যদিকে পাকিস্তানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি গড়ে উঠেছে চীনের সহায়তায়। তাদের রয়েছে মোবাইল শর্ট এবং মধ্যম পাল্লার অস্ত্র। সিএসআইএস বলছে, এসব অস্ত্র ভারতের যেকোনো স্থানে হামলা চালাতে সক্ষম। তাদের হাতে রয়েছে যেসব ক্ষেপণাস্ত্র তার মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘ পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র হলো শাহিন-২। এর পাল্লা ২০০০ কিলোমিটার।
কোন সেনাবাহিনী শক্তিশালী বেশি?
আইআইএসএসের মতে, ভারতের আছে ১২ লাখ শক্তিশালী সেনাসদস্য। তাদের সহায়তায় রয়েছে কমপক্ষে ৩৫৬৫টি যুদ্ধক্ষেত্রে মোতায়েনযোগ্য ট্যাংক, ৩১০০ ইনফ্যান্ট্রি যুদ্ধযান, ৩৩৬টি আর্মড পারসোনেল ক্যারিয়ার এবং ৯৭১৯ পিস আর্টিলারি। এক্ষেত্রে পাকিস্তান অনেকটা খর্ব। তাদের কাছে আছে মাত্র ৫ লাখ ৬০ হাজার সেনা সদস্য। ট্যাংক আছে ২৪৯৬টি। আছে ১৬০৫টি আর্মড পারসোনেল ক্যারিয়ার। ৪৪৭২টি আর্টিলারি গান। আরো আছে ৩৭৫টি স্বচালিত ছোট কামানবিশেষ। এ মাসে আইআইএসএসের রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারতের কাছে সেনাসদস্য বেশি থাকা সত্ত্বেও তাদের সক্ষমতা কম। কারণ, তাদের পর্যাপ্ত লজিস্টিক, রক্ষাবেক্ষণ, গোলাবারুদ ও খুচরা যন্ত্রাংশের ঘাটতি রয়েছে।
বিমান বাহিনী
ভারতের বিমান বাহিনীতে আছেন ১ লাখ ২৭ হাজার ২০০ সদস্য। তাদের কাছে আছে ৮১৪টি যুদ্ধজাহাজ। ভারতের বিমান বাহিনী পাকিস্তানের চেয়ে যথেষ্ট বড়। কিন্তু তাদের যুদ্ধজাহাজের উড্ডয়ন নিয়ে উদ্বেগ আছে। ভারতীয় কর্মকর্তারা বলেছেন, তাদের বিমানবাহিনীতে আছে রাশিয়ার পুরনো জেট। যেমন মিগ-২১। এগুলো ১৯৬০ এর দশকে প্রথম ব্যবহার হয়েছিল। এসব জেট বিমান শিগগিরই সরিয়ে ফেলা হবে। অন্যদিকে ২০৩২ সাল নাগাদ ভারতের হাতে আসতে পারে ২২টি স্কোয়াড্রন।
পাকিস্তানের হাতে আছে ৪২৫টি যুদ্ধবিমান। এর মধ্যে রয়েছে চীনা প্রযুক্তির এফ-৭ পিজি এবং আমেরিকান এফ-১৬ ফাইটিং ফলকন জেট। এ ছাড়া তাদের হাতে আছে ৭টি আগাম সতর্কতা ও নিয়ন্ত্রণবিষয়ক এয়ারক্রাফট। ভারতের চেয়ে এক্ষেত্রে পাকিস্তানের হাতে আছে তিনটি এয়ারক্রাফট বেশি। আইআইএসএস তার ২০১৯ সালের এক হিসাবে বলেছে, পাকিস্তানের বিমানবাহিনী আরো সমৃদ্ধ হচ্ছে।
নৌ বিাহিনী
ভারতের নৌবাহিনীর হাতে আছে একটি যুদ্ধজাহাজ বহনকারী জাহাজ। আছে ১৬টি সাবমেরিন, ১৪টি ডেস্ট্রয়ার, ১৩টি ফ্রিগেট, ১০৬টি পেট্রোল ও উপকূলীয় যুদ্ধবিষয়ক যান, ৭৫টি যুদ্ধে ব্যবহারযোগ্য এয়ারক্রাফট। তা ছাড়া ভারতের নৌবাহিনীতে আছে ৬৭ হাজার ৭০০ সদস্য।
তবে পাকিস্তানের উপকূলভাগ ভারতের চেয়ে কম। তাদের এ জন্য অস্ত্রের পরিমাণও অত বেশি নয়। তাদের কাছে আছে ৯টি ফ্রিগেট, ৮টি সাবমেরিন, ১৭টি পেট্রোল ও উপকূলে ব্যবহারযোগ্য যান, ৮টি যুদ্ধে ব্যবহারযোগ্য যুদ্ধজাহাজ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্বর্ণের ঝলকে পাল্টে যাচ্ছে চীন by শাকিলা হক

বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্বর্ণ ক্রয়–বিক্রয়ের স্থান হলো সাংহাই এক্সচেঞ্জ। যে কাউকে এই বাজারে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। ২০১৩ সালের দিকে ক্রেতা ও বিক্রেতার সমারোহে চীনের এই স্বর্ণের বাজার হয়ে ওঠে রমরমা। পশ্চিম থেকে স্বর্ণের বার গলিয়ে ছোট ছোট পাত আকারে পাঠানো হতো পূর্বে। থমসন রয়টার্সের গবেষণা ইউনিট জিএফএমএস বিশেষজ্ঞরা বলেন, এই সময়টাতে ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি স্বর্ণের বেচাকেনা হয়।
সম্প্রতি দ্য ইকোনমিস্ট সাময়িকীতে চীনের এই স্বর্ণ বাজার নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। কীভাবে স্বর্ণের চাহিদার ধরনে পরিবর্তন এসেছে, তা উঠে আসে ওই প্রতিবেদনে।
২০১৩ সাল থেকে চীনের স্বর্ণের চাহিদা যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের যৌথ চাহিদার চেয়ে বেশি। ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের প্রতিবেদন অনুযায়ী চীন বিশ্বের বৃহত্তম স্বর্ণের গ্রাহক, বিশ্ব বাজারের ৩০ শতাংশ চাহিদা চীনের।
২০০৭ সাল থেকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্বর্ণ উৎপাদনকারী দেশ চীন। ওই বছর দক্ষিণ আফ্রিকাকে পেছনে ফেলে এই শীর্ষ স্থানে যায় চীন। এরপর গত ১১ বছর এই স্থান ধরে রেখেছে তারা। বছরে প্রায় ৪২৬ টন স্বর্ণ খনি থেকে উত্তোলন করে চীন। তবে দেশটির প্রয়োজন হয় ১ হাজার ৮৯ টন স্বর্ণ। চাহিদা বাড়ায় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ‘চায়না গোল্ড’ এবং ‘শান দং গোল্ড’ সম্প্রতি স্বর্ণের দোকানের শাখা বাড়িয়েছে।
ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের সদস্য রোল্যান্ড ওয়াং বলেন, চাহিদা বাড়ার সময় থেকে স্বর্ণের খুচরা বাজারের ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে। তরুণ প্রজন্ম যাঁরা নতুন বিয়ে করেছেন, তাঁরা সাজসজ্জায় অধিক ব্যয় করছেন।
চীনে যখন স্বর্ণ ক্রয় নিষিদ্ধ ছিল, তখন কেবলমাত্র দক্ষিণাঞ্চলের শেনজেন প্রদেশের একটি অঞ্চলে বাণিজ্যের অনুমতি ছিল। ওটাই এখন মূল উৎপাদনকারী অঞ্চল। অন্যদিকে ফুজিয়ান প্রদেশের পুতিয়ান হচ্ছে খুচরা বাণিজ্যের সবচেয়ে শক্তিশালী অঞ্চল। পুতিয়ানের ব্যবসায়ীরা খুচরা বিক্রির প্রায় এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি উৎপাদন করেন, যার পরিমাণ সাড়ে ছয় শ টন। শহরের প্রধান সড়কেই ২০টির মতো স্বর্ণের দোকান আছে। গোল্ডহোয়ারফ, লাক লাক লাকের মতো স্থানীয় ব্র্যান্ডগুলোর বড় শোরুম আছে এখানে।
পুতিয়ান শহরের বেইগাঁওতে প্রতি ১০ জনের ৯ জন স্বর্ণ ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত। এখানে প্রায় ১ লাখ মানুষের বসতি। হাওচাং জুয়েলারি হচ্ছে পুতিয়ানের অন্যতম বড় জুয়েলারি সংস্থা। চার প্রজন্ম ধরে ব্যবসা করছেন তাঁরা। পুরো চীনজুড়ে প্রায় কয়েক শ শোরুম আছে তাঁদের। তাঁরা ব্যবসা আধুনিকায়নের ওপর জোর দিচ্ছেন। যদিও প্রতিষ্ঠানের জ্যেষ্ঠরা বলছেন, ২৪ ক্যারেটের হলুদ সোনার পাতের এখনো দাম আছে। তবে তরুণ চীনারা ২৪ ক্যারেটের কাঁচা চকচকে সোনা অতটা পছন্দ করেন না। ক্যারেট নিয়ে খুব বেশি ভাবেন না তাঁরা। অপেক্ষাকৃত কম উজ্জ্বল আধুনিক অলংকার পছন্দ করেন। আর তাই চাহিদা বুঝে স্বর্ণকারেরাও কম ক্যারেটের স্বর্ণ ব্যবহারে আরও সৃজনশীল হয়েছেন। চলতি মাসে বেইগাওতে স্বর্ণ শিল্পাঞ্চলের উদ্বোধন হবে।
সম্প্রতি চায়না ডেইলির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, তরুণ ক্রেতাদের মধ্যে স্বর্ণের চাহিদায় অনেক পরিবর্তন এসেছে। জুয়েলারি প্রস্তুতকারক কোম্পানি গাংলু গ্রুপের ভাইস প্রেসিডেন্ট ঝেং হুয়ানজিয়ান বলেন, ‘১ হাজার ইউয়ান খরচ করে যে তরুণ এখন স্বর্ণের গয়না কিনছেন, পরদিন একই দামে তা বিক্রির আশা করেন না তিনি। এই স্বর্ণ ভবিষ্যতে কী কাজে লাগবে, তা নিয়ে কোনো মাথাব্যথা নেই তরুণ সমাজের।’
ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের পরিচালক শেং ঝিজুং বলেন, ঐতিহ্যগতভাবে স্বর্ণ মূল্যবান বলেই মানুষ কেনেন। ২০১৩ সালে স্বর্ণের দাম কমে যাওয়ায় বাজারের উৎপাদন সক্ষমতা অত্যধিক বেড়ে যায়। তবে মূল্য নিয়ে ব্যাপক যুদ্ধ শুরু হয়। ২০১৭ সাল থেকে এই শিল্পে আধুনিকায়ন খুব জরুরি হয়ে পড়ে। বর্তমানের ফ্যাশন প্রবণতার সঙ্গে শুদ্ধ স্বর্ণের সম্পর্কটা ফিকে হয়ে গেছে। ১৮ ক্যারেটের আধুনিক পণ্য তৈরি হচ্ছে, তরুণ সমাজের কাছে যার চাহিদায় বেশি।
অর্থনৈতিক দিক দিয়ে বিশ্বের অন্যতম পরাশক্তি এখন চীন। উচ্চ প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনে এগিয়ে রয়েছে দেশটি। তবে স্বর্ণশিল্পের অগ্রগতির জন্য এবং নিজের স্থান ধরে রাখতে এই শিল্পের আধুনিকায়নের ওপর জোর দিচ্ছেন বিশ্লেষকেরা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতের বিমান হামলা, প্রাণহানি নিয়ে পাল্টাপাল্টি: যুদ্ধের দামামা by পরিতোষ পাল

ভারতের বিমান দু’দেশের কার্যত সীমান্ত ‘লাইন অব কন্ট্রোল’ অতিক্রম করলেও পাকিস্তানি বাহিনীর তাড়া খেয়ে পালিয়ে গেছে।
তাড়াহুড়ো করে পালানোর সময় যুদ্ধবিমানগুলো কয়েকটি পেলোড (যুদ্ধবিমানে বহন করা বিস্ফোরক) ফেলে গেছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তান। তবে ভারতের এই হামলার উপযুক্ত জবাব দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইসলামাবাদ। একই সঙ্গে যে বালাকোট শহরে হামলার দাবি করেছে ভারত, সত্যতা যাচাই করে দেখার জন্য ওই শহরটি বিশ্ববাসীর জন্য উন্মুক্ত ঘোষণা করেছে পাকিস্তান। দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমকে সেখানে আমন্ত্রণ জানিয়েছে তারা। এমন পরিস্থিতিতে উভয় দেশের মধ্যে দ্বন্দ্ব আরো তীব্র হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিজয় গোখলে নয়াদিল্লিতে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, সীমান্তের ওপারে ভারতের বিমান হামলায় বিপুল সংখ্যক জেইএম সন্ত্রাসী, প্রশিক্ষক ও জ্যেষ্ঠ কমান্ডার নির্মূল করা হয়েছে। এরা আত্মঘাতী হামলার প্রশিক্ষণ নিচ্ছিল। বিশ্বাসযোগ্য গোয়েন্দা তথ্য আছে যে, জেইএম জঙ্গিরা ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে আরো আত্মঘাতী হামলার পরিকল্পনা করছিল। বিজয় গোখলে জানান, ভারতের হামলায় তছনছ হওয়া জেইএম আস্তানাটি ছিল পাকিস্তানের বালাকোটে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেন নি তিনি। বালাকোট পাকিস্তানের খাইবার-পখতুনখাওয়া প্রদেশের একটি শহর। সীমান্ত রেখা ‘লাইন অব কন্ট্রোল’ থেকে এর দূরত্ব ৫০ কিলোমিটার।
ভারতীয় বিমান বাহিনী জানিয়েছে, মঙ্গলবার এই বালাকোটেই ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ চালিয়েছে তারা। তাদের দাবি, ভোররাত সাড়ে তিনটার দিকে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে ঢুকে পড়ে বিমান বাহিনীর মিরাজ-২০০০ ফাইটার বিমান। এগুলো থেকে বেছে বেছে জৈশ-ই-মোহাম্মদের জঙ্গি ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালানো হয়। পুলওয়ামার হামলার পর জম্মু-কাশ্মীরে সীমান্তবর্তী জঙ্গি ঘাঁটিগুলো ভেতরের দিকে সরিয়ে নেয়া হয়। ফলে বেশ খানিকটা ভেতরে ঢুকে খাইবার-পাখতুনওয়ার বালাকোট শহরে জৈশ-ই-মোহাম্মদের প্রধান আস্তানায় এই হামলা চালানো হয়। ভারতীয় বিমানগুলো ২১ মিনিট ধরে ১০০০ কেজি বোমা ফেলে ওই অঞ্চল গুঁড়িয়ে দেয়। সরকারি সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে গণমাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছে, বালাকোট হামলায় ৩০০ জনের প্রাণহানি হয়েছে। আবার কয়েকটি গণমাধ্যমে নিহতের সংখ্যা ৩৫০ বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে সেখানে কোনো প্রাণহানি বা ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেছে পাকিস্তান। দেশটির সেনাবাহিনীর মুখপাত্র জেনারেল আসিফ গফুর টুইটারে দেয়া বার্তায় জানান, ভারতীয় বিমান ‘লাইন অব কন্ট্রোল’ অতিক্রম করে। কিন্তু পাকিস্তানি বিমান বাহিনীর তাৎক্ষণিক প্রতিরোধের মুখে তারা সীমান্তবর্তী বালাকোট অঞ্চল থেকে পালিয়ে যায়। তাড়াহুড়ো করে পালানোর সময় ভারতীয় বিমানগুলো পেলোড ফেলে যায়। তবে এতে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেনি। আসিফ গফুর ভারতীয় বিমানের ফেলে যাওয়া পেলোডের ছবিও টুইটারে পোস্ট করেন। এতে গভীর বনাঞ্চলে আলগা মাটির ওপর বিচ্ছিন্ন ধাতব পড়ে থাকতে দেখা যায়।
বিবিসি’র খবরে বলা হয়েছে, বালাকোট শহরের পার্শ্ববর্তী অধিবাসীরা গতকাল ভোররাতে বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পেয়েছেন। মোহাম্মদ আদিল নামের এক কৃষক জানান, বিকট বিস্ফোরণের শব্দে রাত ৩টার দিকে তিনি ও তার স্ত্রী জেগে ওঠেন। ঘুম থেকে ওঠার পর আমরা মাথার ওপর যুদ্ধবিমান ওড়ার শব্দ পাই।
সকালে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। সেখানে একটি বড় গর্ত ও ৪/৫টি বাড়ি বিধ্বস্ত হতে দেখেছি। হামলার পরপরই জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির জরুরি বৈঠক ডাকেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। পরে এক বিবৃতিতে বালাকোট শহরে জঙ্গি আস্তানায় হামলা ও এতে বিপুল সংখ্যক মানুষের প্রাণহানির বিষয়ে ভারতের দাবি প্রত্যাখ্যান করে পাকিস্তান। বিবৃতিতে পাকিস্তান বলেছে, ভারত সরকার আবারো একটি স্বপ্রণোদিত, বেপরোয়া ও ভুয়া দাবির আশ্রয় নিয়েছে। নির্বাচনে অভ্যন্তরীণ সুবিধা পেতেই এই হামলার দাবি করা হচ্ছে বলে মনে করে পাকিস্তান। যা আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলেছে। প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান সশস্ত্র বাহিনীসহ দেশের জনগণকে সম্ভাব্য সব ধরনের পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। ভারতীয় বাহিনীর গতকালের হামলা কোনো প্রাণহানি ছাড়াই যথাসময়ে রুখে দেয়ার কারণে তিনি পাকিস্তান বিমান বাহিনীর প্রশংসা করেন।
পাকিস্তানের অভ্যন্তরে ভারতীয় বিমান বাহিনীর হামলাকে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আগ্রাসন হিসেবে অভিহিত করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মোহাম্মদ কুরেশি। তিনি বলেন, পাকিস্তানের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে। ভারতের আক্রমণের বিষয়ে পাকিস্তান আগে থেকেই ইঙ্গিত পেয়েছিল বলে দাবি করেন কুরেশি। তিনি বলেন, বিশ্বের কাছে আমরা বলে আসছিলাম যে, ভারত এ ধরনের কিছু করার পরিকল্পনা করছে। আজ তারা সত্যিই হামলা করেছে। পাকিস্তানের আকাশে বিপদের মেঘ জড়ো হয়েছে। কিন্তু পাকিস্তান এখনো শক্ত রয়েছে। কুরেশি বলেন, আমরা একটি দায়িত্বশীল জাতি। কৌশলগতভাবে আমরা এই হামলার জবাব দেবো। পাকিস্তান জানে কীভাবে নিজ স্বার্থ রক্ষা করতে হয়।
এদিকে, হামলার পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও প্রভাবশালী মন্ত্রীদের নিয়ে বৈঠকে বসেন। তবে ওই বৈঠকে কি সিদ্ধান্ত হয়েছে তা জানা যায়নি। বৈঠক শেষে রাজস্থানে একটি জনসভায় ভাষণ দেন মোদি। সেখানে তিনি বলেন, দুশ্চিন্তার কারণ নেই। দেশ নিরাপদ হাতে রয়েছে। আমরা আজকের জন্য আমাদের নায়কদের কুর্নিশ করছি।
গতকালের হামলা ছিল ১৪ই ফেব্রুয়ারি কাশ্মীরের পালওয়ামায় জেইএম জঙ্গিদের আত্মঘাতী হামলার প্রতিশোধ। ওই হামলায় ভারতের আধা-সামরিক বাহিনীর ৪০ জনেরও বেশি জওয়ান নিহত হয়। দুই পারমাণবিক শক্তিধর প্রতিবেশী দেশের এমন পাল্টাপাল্টি হামলায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আরেক প্রতিবেশী চীন। দেশটি উভয়পক্ষকে সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়েছে। ভারতীয় বিমানবাহিনী পাকিস্তান সীমান্তে ঢুকে বোমা হামলার ঘটনায় দুই দেশকে সর্বোচ্চ সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। এছাড়া, অস্ট্রেলিয়াও দেশ দু’টিকে সংযত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের অধিবাসীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। দু’দেশের পাল্টাপাল্টি হামলার আশঙ্কায় নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তারা। শ্রীনগরের ব্যাংকার সাবির আখোন বলেন, বৈরী দু’দেশের মধ্যে যাই ঘটছে, যুদ্ধ নাটকের মধ্যে আমরাই আছি। কয়েকজন অধিবাসী জানান, পালওয়ামা হামলার পর তারা উত্তেজনা কেটে যাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী ছিলেন। কিন্তু কাশ্মীরে গত তিনদিন ধরে ব্যাপক সামরিক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। এতে স্থানীয় অধিবাসীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। পালওয়ামার এক শিক্ষক বলেন, বিজেপির সামনে বড় নির্বাচনের সময় এসেছে। শুধু ভোট পাওয়ার জন্য কাশ্মীরকে উস্কে দেয়া বন্ধ করা উচিত দলটির।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভবিষ্যত ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় সতর্ক থাকতে হবে: বাশার আসাদকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী তেহরানে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদকে দেয়া সাক্ষাতে এ কথা বলেছেন। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট বাশার আসাদ ও জনগণের দৃঢ়তা ও প্রতিরোধের কারণেই সিরিয়া বিজয় অর্জন করেছে এবং আমেরিকা ও তার আঞ্চলিক অনুচররা পরাজিত হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি ভবিষ্যত ষড়যন্ত্রের ব্যাপারেও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।
পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা যেমনটি বলেছেন, আমেরিকা ও ইউরোপের মত বৃহৎ শক্তিগুলো ও তাদের আঞ্চলিক মিত্রদের বিরুদ্ধে সিরিয়ার সরকার ও জনগণ বিরাট বিজয় অর্জন করলেও বাস্তবতা হচ্ছে বিজয়ের এ ধারা অব্যাহত রাখতে হবে এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে ভিন্ন উপায়ে শত্রুদের ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে। সর্বোচ্চ নেতা পশ্চিম এশিয়ায় আমেরিকার তৎপরতাকে অত্যন্ত বিপদজনক ষড়যন্ত্র হিসেবে অভিহিত করে বলেছেন, এর বিরুদ্ধে অবশ্যই শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ইরাক ও সিরিয়ার সীমান্তে আমেরিকার সামরিক উপস্থিতিকে আরেকটি ষড়যন্ত্র হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন, ইরান ও সিরিয়ার মধ্যে কৌশলগত সহযোগিতা বজায় রয়েছে এবং এ অঞ্চলে যে প্রতিরোধ সংগ্রাম গড়ে উঠেছে তার পরিচিতি ও শক্তি নির্ভর করছে এ দুই দেশের সম্পর্কের ওপর। এ অবস্থা অব্যাহত থাকলে শত্রুরা কোনো ষড়যন্ত্রই বাস্তবায়ন করতে পারবে না।
পর্যবেক্ষকরা বলছেন, সিরিয়ার সরকার জনগণের সহযোগিতায় আমেরিকা, ইসরাইল ও তাদের আঞ্চলিক মিত্রদেরকে চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে। এ কাজ যদিও অত্যন্ত কঠিন ছিল তারপরও ইরানের সহযোগিতায় দায়েশ সন্ত্রাসীদের পরাজিত করা সম্ভব হয়েছে। তবে এখনো এ অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করার জন্য হুমকি ও ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে। আমেরিকা ভাল করেই জানে ইসলামি প্রতিরোধ সংগ্রামকে দুর্বল করার জন্য যেকোনো অজুহাতে সিরিয়ায় তাদের উপস্থিতি বজায় রাখতে হবে এবং এ লক্ষ্যে তারা চেষ্টাও চালিয়ে যাচ্ছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে মার্কিন ইহুদিবাদীদের পরিকল্পনা হচ্ছে ধর্ম, মাযহাব ও জাতীয়তার ভিত্তিতে সিরিয়াকে ভেঙে টুকরো টুকরো করা।
কিন্তু মার্কিন সরকার ভাল করেই জানে বর্তমান পরিস্থিতিতে ১৯১৬ সালে 'সাইকাস পিকো' গোপন সমঝোতা অনুযায়ী আরব দেশগুলোকে ভেঙে টুকরো টুকরো করার পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়ন এত সহজ হবে না। কারণ সিরিয়ায় যে প্রতিরোধ শক্তি গড়ে উঠেছে এসব পরিকল্পনা ব্যর্থ করে দেয়ার ক্ষমতা তাদের রয়েছে।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতার সঙ্গে সাক্ষাতে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদও ধর্ম ও গোত্রের ভিত্তিতে সিরিয়াকে খণ্ডবিখণ্ড করার জন্য আমেরিকা ও তার মিত্রদের প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করে বলেছেন, তাদের প্রচেষ্টা সফল হয়নি এবং কুর্দিসহ দেশটির অন্যান্য গোত্রের সঙ্গে সরকারের ভালো সম্পর্ক বজায় রয়েছে। এমনকি এক সময় যেসব গোষ্ঠী সরকারের বিরোধিতা করেছিল তারাও এখন আমেরিকা ও সৌদি আরবের মতের বিরুদ্ধে অবস্থা নিয়ে সরকারকে সহযোগিতা করছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খরস্রোতা তিস্তা এখন ধু-ধু বালুচর

খরা মৌসুমে পানির অভাবে ইরি বোরোসহ অন্যান্য ফসলের চাষাবাদ করতে পারে না নদী তীরের মানুষ। এক সময় সরাসরি নৌকা মাল বোঝাই করে পাল তুলে দেশের বিভিন্ন জায়গায় যেত, বর্তমানে সেগুলো এখন কল্পকাহিনীর মতো। নৌ যোগাযোগ বন্ধ হয়ে পড়ায় কর্মহীন হয়ে পড়েছে শতাধিক মানুষ। এ ছাড়াও সরকারের নদী শাসনের পরিকল্পিত পরিকল্পনার অভাবে নদীর মাঝখান উঁচু হয়ে পানি দু’পারে প্লাবিত হয়। নদীর ড্রেজিংয়ের কাজ আদৌ হয়েছে কিনা তা এই এলাকার মানুষ জানে না অথচ নদী ড্রেজিং করে নদীর পানির গতিপথ সচল করলে একদিকে যেমন নদী ভাঙন কমে যাবে অন্যদিকে কৃষক নদীর পানি দিয়ে সেচ কাজ চালাতে পারবে, এর ফলে একদিকে যেমন বিদ্যুৎ খরচ কমে যাবে অন্যদিকে কৃষি উৎপাদন ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাবে। যৌবন হারানো খরস্রোতা তিস্তার এই ধরনের কঙ্কালসার চেহারা স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে কখনো ছিল না। সরকার তিস্তা নদী জরুরি ভিত্তিতে ড্রেজিং কৃষি নির্ভর রংপুর জেলার কাউনিয়া উপজেলাকে কৃষিতে স্বাবলম্বীর পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে নিয়ে যাবে এ কামনা করছে এলাকাবাসী।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1421)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
February
(329)
-
▼
Feb 27
(8)
- কাশ্মীর নিয়ে কেন এই দ্বন্দ্ব?
- পরস্পরের দাবি: ভারতের দুটি পাকিস্তানের একটি যুদ্ধব...
- ভারতীয় ২ যুদ্ধবিমান ধ্বংস, ২ পাইলট আটক: -পাকিস্তান
- ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ হলে জিতবে কে?
- স্বর্ণের ঝলকে পাল্টে যাচ্ছে চীন by শাকিলা হক
- ভারতের বিমান হামলা, প্রাণহানি নিয়ে পাল্টাপাল্টি: য...
- ভবিষ্যত ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় সতর্ক থাকতে হবে: বাশার ...
- খরস্রোতা তিস্তা এখন ধু-ধু বালুচর
-
▼
Feb 27
(8)
-
▼
February
(329)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...