Showing posts with label Hit. Show all posts
Showing posts with label Hit. Show all posts

Tuesday, March 20, 2018

স্পর্শকাতর পুরুষাঙ্গ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন সেক্স রোবট!

নারীদের মধ্যে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে সেক্স রোবটের চাহিদা। এমন তথ্য উঠে এসেছে এক গবেষণায়। হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির গণিত বিশেষজ্ঞ ড. ক্যাথি ও’নিল জানিয়েছেন, অদূর ভবিষ্যতে ‘ম্যান রোবটস’-এ মজবেন নারীরা, এসব পুরুষ রোবট রান্নাও করতে পারে।

গবেষকের মতে, নারীরা শুধু ভালোবাসা ও যৌনতার বাইরে চান যেন তাদের ঘরের কাজকর্মও কেউ শেয়ার করে। স্বাভাবিকভাবেই বাড়ির সব কাজ মানুষের থেকে বেশিই ভালোভাবে করবে রোবট। তাই আগামী দিনে নারীদের ম্যান রোবটের আকৃষ্ট হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়।

বিশ্বের স্বনামধন্য পাঁচটি সেক্স রোবট নির্মাণ প্রতিষ্ঠান রয়েছে। যাদের ম্যান রোবটসের দাম ৫,৪০০ ডলার থেকে ১৫,৭০০ ডলার পর্যন্ত। ডিলাক্স মডেলের সবচেয়ে বেশি দাম। যদিও বর্তমানে অনেক পুরুষই সেক্স রোবট ব্যবহার করে থাকে, তবে খুব শিগগিরই ছবিটা পাল্টে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

হার্ভার্ডের ওই গবেষকের মতে, এতে পুরুষদেরই বিপদ বাড়বে। কারণ রোবটেরা তাদের ছাপিয়ে যাবে।

এ বছরই বাজারে আসছে সত্যিকারের অনুভূতিসম্পন্ন স্পর্শকাতর পুরুষাঙ্গ বিশিষ্ট পুরুষ সেক্স রোবট। রিয়েলবোটিক্স এর প্রতিষ্ঠাতা এবং নির্মাতা ম্যাট ম্যাককুলেন ‘হারমনি’ নামের একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাযুক্ত অ্যাপ তৈরী করেছেন, যা তিনি বসিয়ে দেবেন ওই পুরুষ সেক্স রোবটগুলোর মস্তিষ্কে। পুরুষাঙ্গের আকার এবং গড়ন হবে ক্রেতার চাহিদা অনুসারে। ক্রেতা নিজের পছন্দের পুরুষাঙ্গ বেছে নিতে পারবেন।

বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক গবেষক ড. ডেভিড লেভি এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, এই পুরুষ সেক্স রোবটগুলো অচিরেই সেক্স টয় এর স্থান দখল করে নিবে। বাজারে থাকা বিভিন্ন প্রকার সেক্স টয় যেমন ভাইব্রেটর ও ডিল্ডো হারিয়ে যাবে এদের কারনে। নারীদের কাছে এই রোবটগুলো পুরুষদের চাইতেও বেশি আকর্ষণীয় মনে হবে। লেভি বলেন, সেক্স টয়ে যে সুবিধাটুকু নেই, যেমন যৌনতার সময় সঙ্গিনীকে জড়িয়ে ধরা, এই রোবটগুলো জড়িয়ে ধরবে- এই অনুভূতি যে কোন নারী ক্রেতাকে আকৃষ্ট করতে যথেষ্ট।

এই অ্যাপের মাধ্যমে সঙ্গিনীর (পড়ুন নারী ক্রেতা) পছন্দ, যৌন অভ্যাস, যৌনতা বিষয়ক বিভিন্ন খুঁটিনাটি শিখে যাবে দ্রুততর সময়ের মধ্যেই। ফলে এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন রোবটগুলো যৌনতার প্রকৃত স্বাদ দিতে সক্ষম হবে। আর এই গুণগুলো একে পুুরুষ সঙ্গীর বিকল্প হিসেবে নারীদের কাছে আদরণীয় হয়ে উঠবে বলে ম্যাট দাবি করেছেন।

হারমনির মাধ্যমে এই রোবটগুলো সঙ্গিনীর সাথে কথা বলবে, শিখবে আর অনুভূতিপ্রবণ হয়ে উঠবে দ্রুত। হারমনি অ্যাপযুক্ত নারী রোবট ইতিমধ্যেই বাজারে আছে। যেগুলোর মূল্য ১১,০০০ পাউন্ডের মতো। পুরুষ সংস্করণটি এখনও বাজারজাত করা হয়নি। এ বছরের শেষের দিকে বাজারে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


সেক্স রোবট তৈরিতে নিষেধাজ্ঞার দাবী

Tuesday, March 29, 2016

তনু হত্যাকাণ্ড- অপরাধীদের দ্রুত চিহ্নিত করা দরকার

এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন এবং খুনি শনাক্ত বা আটক না হওয়ার বিষয়টি হতাশাজনক। উল্লেখ্য, গত ২০ মার্চ রাতে কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতর থেকে তনুর লাশ উদ্ধার করা হয়। তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশের ধারণা। তনু হত্যা-নির্যাতনের ঘটনাটি দেশবাসীকে ভীষণভাবে ক্ষুব্ধ ও মর্মাহত করেছে। এ ঘটনায় খুনি-ধর্ষকদের শাস্তির দাবিতে রোববার ১৮ জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ, সড়ক অবরোধ, রোডমার্চ ও মানববন্ধন করেছেন বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার হাজার হাজার মানুষ। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চান। তনু নির্যাতন-হত্যাকাণ্ডে যে বা যারাই জড়িত থাকুক, অবিলম্বে তাদের গ্রেফতার ও বিচারের মুখোমুখি দেখতে চান।
দেশে নারী নির্যাতন, ধর্ষণ, হত্যাকাণ্ড ইত্যাদি ঘটনা বেড়েছে উদ্বেগজনকভাবে। তবে তনু হত্যার ঘটনাটি কিছুটা ভিন্ন মাত্রার। এক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠেছে, সেনানিবাসের মতো সুরক্ষিত এলাকায়ও যদি এমন ঘটনা ঘটতে পারে, তাহলে দেশের অন্যত্র নারীর নিরাপত্তা কোথায়? স্বভাবতই সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে সোচ্চার হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, আইনশৃংখলা বাহিনী তনু হত্যার প্রকৃত রহস্য দ্রুত উদ্ঘাটনের চেষ্টা চালাচ্ছে। আমরা আশা করব, তদন্তের মধ্য দিয়ে শিগগিরই অপরাধীরা শনাক্ত হবে। সেক্ষেত্রে তদন্তটি সুষ্ঠু হওয়া প্রয়োজন। বলার অপেক্ষা রাখে না, তদন্তের স্বার্থে নিহত তনুর অভিভাবক, আত্মীয়-স্বজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করা যেতেই পারে। তবে জানা যায়, তনুর বাবা, মা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যকে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা গ্রামের বাড়ি থেকে নিয়ে গিয়ে সারারাত জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। তাদের একই প্রশ্ন বারবার করা হয়েছে। অপ্রাসঙ্গিক বিষয়েও নাকি প্রশ্ন করা হয়েছে। তনুর বাবার এমন অভিযোগ সত্য হলে তা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। তনুর পরিবারটি এখন মানসিক বিপর্যয়ের মধ্যে রয়েছে। অথচ তাদের সঙ্গে অমানবিক আচরণ করছে আইনশৃংখলা বাহিনী। এটি কাম্য নয়।
দেশে নারী নির্যাতন প্রতিরোধে আইন রয়েছে। রয়েছে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল। তা সত্ত্বেও বন্ধ হচ্ছে না নারী নির্যাতন-হত্যাকাণ্ড। এতেই প্রতীয়মান, শুধু আইন করে নারী নির্যাতন বন্ধ করা যাবে না। নারী নির্যাতন বন্ধে প্রথমত, আইনটির বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। দ্বিতীয়ত, নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে গড়ে তুলতে হবে সামাজিক প্রতিরোধ। তৃতীয়ত, নারীর প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে হবে। ভবিষ্যতে আর যাতে কোনো তনুকে এভাবে নির্মম পাশবিকতার শিকার হতে না হয়, জীবন দিতে না হয়, তা নিশ্চিত করার জন্য এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার হওয়া জরুরি। ঘটনার তদন্তে সংশ্লিষ্ট সবাই সহযোগিতা প্রদানে এগিয়ে আসবেন, এটাই কাম্য।

Tuesday, March 22, 2016

জালিয়াতির উৎসব by সাজেদুল হক

যেন এক দূরের তারা। মানুষ শত চেষ্টা করেও তার কাছে যেতে পারছে না। না অন্য কিছুর কথা নয়। বলছি ভোটের কথাই।
এ ভোটের জন্য দীর্ঘ সংগ্রাম করেছে বাংলাদেশের মানুষ। পাকিস্তানি বর্বর শাসকদের কাছ থেকে আমরা ৭০ এর নিরপেক্ষ নির্বাচন আদায় করে নিয়েছিলাম। যে নির্বাচনে জনগন বাংলাদেশের ‘স্বাধীনতা ঘোষণা’ করেছিলেন। স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম ভোট কালিমামুক্ত ছিল না। জিয়া-এরশাদের জমানায় ‘হ্যা’ ‘না’ ভোটের মতো আজগুবি ভোটের সাক্ষী হয়েছে এ দেশের জনগন। বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদই সর্বপ্রথম বাংলাদেশের মানুষকে শান্তিপূর্ণ ভোট দেয়ার সুযোগ দিয়েছিলেন। ১৫ই ফেব্রুয়ারির গায়েবি ভোট বাদ দিলে ১৯৯৬, ২০০১ এবং ২০০৮ সালের নির্বাচনও মোটাদাগে অবাধ ও সুষ্ঠু ছিল।
২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারি বাংলাদেশ আবার ফিরে যায় ভোটের কলঙ্কজনক অধ্যায়ে। শাসক নির্বাচনের জন্য কারও ভোটের প্রয়োজন হয়নি। যায় দিন ভালো যায়- বহু পুরনো বাংলা প্রবাদ। বাংলাদেশ এখন সে প্রবাদের যুগে বাস করছে। ৫ই জানুয়ারি নির্বাচনে প্রধান বিরোধী শক্তিগুলো অংশ নেয়নি। যে কারণে জবরদস্তির চিত্র পরিষ্কার ছিল না। ছিল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার জয় জয়কার। কিন্তু এরপরের স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে অংশ নিচ্ছে বিএনপি এবং অন্য দলগুলো। দলীয় প্রতীকে হওয়া এসব নির্বাচন এখন পরিণত হয়েছে জোর যার মুল্লুক তার টাইপের নির্বাচনে। এবং সবাই জানেন জোরটা এখন কার। যাদের জোর আছে তারাই নির্বাচনে জয়ী হচ্ছেন। ভোট এখন পরিণত হয়েছে নিছক আনুষ্ঠানিকতায়। বেশিরভাগ কাজ হয়ে যাচ্ছে আগেই। ভোটের দিন ভোটাররা কেন্দ্রে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন না। তাদের হয়ে ‘বালকেরা’ ভোট দিয়ে দিচ্ছেন। যারা একটু প্রতিবাদী হওয়ার চেষ্টা করছেন নিজ দলের হলেও রেহাই নেই তাদের। কারও ঠাঁই হচ্ছে কারাগারে। কেউ হামলার শিকার হচ্ছেন।
মঙ্গলবার সকাল থেকেও যথারীতি একইধরনের খবর পাওয়া গেছে। ইউপি নির্বাচনে সকাল সকালই কায়েম হয়েছে দখলের রাজত্ব। এ যেন ভোট জালিয়াতির উৎসব। ঘটেছে নানারকম ঘটনা। গুলির শিকার হয়েছেন নির্বাচনি কর্মকর্তারাও। কোথাও কোথাও ব্যালট পেপারে সিল মারা হয়েছে রাতেই। যেসব এলাকায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছে সেখানে কিছুটা ঝামেলা হয়েছে। তবে বেশিরভাগ এলাকায় জাল ভোট চলেছে নির্বিঘেœ। ভোটের ফলাফল কি তা ভোট শুরুর পরপরই নিশ্চিত হওয়া গেছে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিব উদ্দিন আহমেদ ভোটের আগের দিন নিজের অসহায়ত্ব প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু ভোটের পরে তিনি কি বলবেন তা অনুমান করা যায়। তিনি হয়তো বলবেন, বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে। কাজী রকিব তা বললে মিথ্যা হবে না। কারণ এটা সত্য বাংলাদেশে এখন, ভোট বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে ভোটার থেকে। ব্যালটের ওপর নিজের অধিকার হারিয়ে ফেলেছেন জনতা।

Wednesday, September 16, 2015

সেক্স রোবট তৈরিতে নিষেধাজ্ঞার দাবী

যৌনকর্মে ব্যাবহার হয় এমন রোবট তৈরিতে নিষেধাজ্ঞার দাবীতে একটি প্রচারণা শুরু হয়েছে।
আন্দোলনকারীদের নেতা ড. ক্যাথরিন রিচার্ডসন বলেছেন, এ ধরণের প্রযুক্তি অপ্রয়োজনীয় এবং অগ্রহণযোগ্য।
সেক্স ডল বলে পরিচিত যেসব পণ্য এখন বাজারে পাওয়া যায়, সেগুলোকে আরো আধুনিক করা হচ্ছে এবং এখন আশা করা হচ্ছে এসব প্রযুক্তির সাথে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যোগ করা হবে।
লেইচেস্টারের ডে মন্টফোর্ট ইউনিভার্সিটির রোবট বিশেষজ্ঞ ড. রিচার্ডসন বলছেন, রোবট শিল্পে এখন ক্রমবর্ধমান হারে নজর দেয়া হচ্ছে সেক্স রোবটের দিকে। এগুলি দেখতে কেমন হবে, কি কাজ সেগুলোকে দিয়ে করানো হবে তার নকশা তৈরি করা হচ্ছে, যা খুবই পীড়াদায়ক।
অ্যাবিস ক্রিয়েশনস নামে একটি প্রতিষ্ঠান যেটি পুরুষ ও মহিলাদের সেক্স টয় বিক্রি করে, সেটি এখন তাদের পণ্যকে যান্ত্রিক করে তুলতে শুরু করেছে।
এদিকে, ট্রু কম্প্যানিয়ন ঘোষণা করেছে তারা বিশ্বের প্রথম সেক্স রোবট তৈরি করছে।
এ বছরের শেষ দিকে তাদের প্রথম এ ধরণের রোবট রক্সি বাজারে আসবে বলেও তারা ঘোষণা দিচ্ছে।
সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী ডগলাস হাইনস বিশ্বাস করেন রক্সির মতো পণ্যের সত্যিকারের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
আমরা একজন স্ত্রী সরবরাহ করছি না, কিংবা বান্ধবীর কোনও বিকল্প দিচ্ছি না। এটা তাদের জন্য সমাধান যারা স্ত্রী হারিয়েছেন কিংবা এই মুহূর্তে কোনও সম্পর্কের ভেতর দিয়ে যাচ্ছেন না।
তবে ড. রিচার্ডসন বলছেন, এর ফলে মহিলাদের সম্পর্কে প্রাচীন সেই ধারণাটিই পোক্ত হবে যেখানে মহিলাদেরকে যৌন-সঙ্গী বলে আর কিছুই মনে করা হয় না।।
>>>সুত্রঃ বিবিসি

Sunday, October 12, 2014

জ্যাকুলিনের আবেদনময়ী পুল সং

‘কিক’ ছবির সফলতার পর থেকে বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজের আত্মবিশ্বাস আরও বেড়ে গেছে। বেশ ফুরফুরে মেজাজেই কাজ করছেন তিনি। তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে সফল ছবিও এটি। এদিকে বর্তমানে তিন তিনটি ছবির কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। ছবিগুলো হলো ‘রয়’, ‘বাঙ্গিস্তান’ ও ‘অ্যাকোর্ডিং টু ম্যাথিউ’। এর মধ্যে ‘রয়’ ছবিতে রণবীর কাপুর ও অর্জুন রামপালের বিপরীতে অভিনয় করছেন তিনি। রোমান্টিক অ্যাকশন থ্রিলারধর্মী এ ছবিটি পরিচালনা করছেন বিক্রমজিত সিং। সম্প্রতি এ ছবির একটি দৃশ্যে অভিনয় করে আবারও ব্যাপক আলোচনায় এলেন জ্যাকুলিন। ছবিতে একটি পুল সংয়ে পারফর্ম করেছেন তিনি। গানটি করতে গিয়ে অনেকটাই নগ্ন হয়েছেন তিনি। পুরো গানে সুইমিংপুলে কেবল টাওয়াল পরে নাচতে দেখা যাবে তাকে। মিঠুনের সংগীতায়োজনে এ পুল সংটি গেয়েছেন সুনিধি চৌহান। এ ধরনের গানে প্রথমবারের মতো এমনভাবে ক্যামেরাবন্দি হলেন জ্যাকুলিন। গণেশের কোরিওগ্রাফিতে এরই মধ্যে মুম্বইয়ের একটি পাঁচতারকা হোটেলে শুটিং হয়েছে গানটির। গোপনভাবে ধারণের চেষ্টা করা হলেও শেষ পর্যন্ত সেটি সম্ভব হয়নি। মিডিয়া সময় মতো পৌঁছে যায় শুটিং স্পটে। এরপর বেশ বিব্রত অবস্থায় পড়েন জ্যাকুলিন। জানা গেছে, ‘রয়’ ছবিটি মুক্তি পাবে আগামী বছরের প্রথম দিকে। এরই মধ্যে এর বেশিরভাগ অংশের শুটিং শেষ হয়েছে। ছবিতে নিজের পুল সং প্রসঙ্গে সংক্ষিপ্তভাবে জ্যাকুলিন মিডিয়াকে জানিয়েছেন, জীবনে প্রথমবারের মতো এরকম গানে পারফর্ম করলাম। অন্যরকম অভিজ্ঞতা। যেহেতু এটি সুইমিংপুলের গান, তাই আবেদনময়ীরূপেই উপস্থাপন করা হয়েছে আমাকে। আমি বিষয়টি নিয়ে অনেক এক্সাইটেড। তবে সবকিছু সহজ হয়ে গেছে কোরিওগ্রাফার গণেশ জি’র কারণে। তিনি অনেক সহজে আমাকে বুঝিয়েছেন গানের নাচের স্টেপ সম্পর্কে। আশা করছি দর্শক উপভোগ করবেন গানটি।

Wednesday, October 8, 2014

নগ্ন ছবি নিয়ে মুখ খুললেন জেনিফার লরেন্স

নগ্ন ছবি প্রকাশ করায় প্রচ- ক্ষেপেছেন অস্কার পুরস্কার বিজয়ী অভিনেত্রী জেনিফার লরেন্স। সম্প্রতি তিনি সহ সেলিব্রেটি জগতের বেশ কিছু তারকার নগ্ন ছবি ফাঁস করে দেয় হ্যাকাররা। এ ঘটনায় জেনিফার এতদিন চুপ থাকার পর নীরবতা ভেঙেছেন। তিনি এ ঘটনাকে ‘সেক্স ক্রাইম’ বা যৌন অপরাধ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।  শীর্ষ স্থানীয় একটিট ম্যাগাজিনকে ২৪ বসন্তের এই নায়িকা এক সাক্ষাতকারে তার ্এই ক্ষোভের কথা জানান। এতে তিনি বলেন, এটা আমার শরীর। এটা আমার সম্পদ। তাই আমার শরীর নিয়ে কি করব তা নির্ধারণ ক্ষমতার অধিকার শুধু আমার। কেউ যদি আমার মতের সঙ্গে একমত না হন তাহলে বলবো এটা একেবারেই বেমানান একটি বিষয়। ‘দ্য হান্টার গেমস’ খ্যাত এই অভিনেত্রী আরও বলেন, আমি কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারি না যে, এমন দুনিয়ায় কিভাবে আমরা বসবাস করব। নগ্ন ছবি ফাঁসের ঘটনা একটি স্ক্যান্ডাল নয়। বরং এটা যৌন জীবনের যে অধিকার তার লঙ্ঘন। ভার্চুয়াল বিশ্বকে শাসন করে এমন আইনের পরিবর্তন চান এখন জেনিফার লরেন্স। তিনি বলেন, কেউ কেউ যৌন জীবনে বখে যেতে পারে, নিয়মের লঙ্ঘন করতে পারে। তাই আমি মনে করি আমি চাই এক্ষেত্রে আইনের ব্যত্যয় ঘটুক।

Sunday, September 7, 2014

সানি লিওনের সঙ্গে সেক্স রোমান্সের অপেক্ষায় তুষার

শেষ পর্যন্ত প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে তুষার কাপুরের। অনেক দিন ধরেই তিনি চাইছিলেন সানি লিওনের সঙ্গে পর্দাপ্রেমে মেতে উঠতে। এবার ‘মস্তিজাদে’ নামে একটি সেক্স কমেডি ছবিতে সানি লিওনের সঙ্গে রোমান্স করবেন তিনি।
এর আগে ‘শুটআউট অ্যাট ওয়াডালা’ ছবির একটি আইটেম গানে সানির সঙ্গে পারফর্ম করেছিলেন তুষার। কিন্তু রোমান্সে মেতে ওঠার সুযোগ হয়নি। এবার তা হতে যাচ্ছে। সাংবাদ মাধ্যমে  দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তুষার জানিয়েছেন, এই ছবিতে সানিকে নেয়ার জন্য তিনি বেশি আগ্রহী ছিলেন, এমনকি নিজের বোন ও ছবির প্রযোজক একতা কাপুরের সঙ্গে এ কারণে বেশ মনোমালিন্যও হয়েছিল তার। শেষ পর্যন্ত ভাইয়ের চাওয়াকেই প্রধান্য দেন একতা। উল্লেখ্য, এর আগে ‘ক্যায়া কুল হ্যায় হাম’ ও ‘ক্যায়া সুপার তুল হ্যায় হাম’ ছবির মতো  সেক্স কমেডিতে অভিনয় করেছেন তুষার এবং সেসব ছবিতে তার পারপরমেন্স বেশ প্রশংসিত হয়। এবার দেখা যাক ‘মস্তিজাদে’ ছবিতে সানির সঙ্গে কতোটা রোমান্স জমাতে পারেন তুষার। আর তুষার নিজেও বেশ আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছেন সানি লিওনের সঙ্গে রোমান্সে মেতে ওঠার জন্য।

Tuesday, July 22, 2014

আলিয়া ভাটের প্রথম প্রেম শহীদ কাপুর!

হাজারো পুরুষের হৃদয় হরণকারী বলিউডের মিষ্টি চেহারার অধিকারিণী এই তারকার হৃদয়ে কে বসবাস করেন? এক কোথায় উত্তর ভারুন ধাওয়ান এলেও, প্রকৃত উত্তরটি কিন্তু আলিয়া নিজেই দিয়ে দিলেন। তবে ভারুন না হলে আলিয়ার হৃদয়ের পুরুষটি কে?

বলিউডে নতুন প্রজন্মের জনপ্রিয় নায়িকার এক নম্বর আসনটিতে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন আলিয়া ভাট। আর সেই সুবাদে একে একে ঝুলিতে আসতে শুরু করেছে বলিউডের প্রতিষ্ঠিত নায়কদের বিপরীতে সিনেমায় কাজ করার অফার। আর এখানে থেকেই শুরু। জানা যায় আলিয়া ভাট শহীদ কাপুরের বিপরীতে ‘শান্দার’ সিনেমাতে অভিনয় করতে চলেছেন। আর এই সুযোগটি পেয়ে আলিয়া তার মনের কথা জানিয়ে দিলেন এই চার্মিং হিরোকে।
আলিয়া জানান, আলিয়ার জীবনে প্রথম প্রেমের ছোঁয়া নিয়ে এসেছিলেন যে পুরুষটি তিনি আর কেউ নন শহীদ কাপুর। মাত্র ১১ বছর বয়সে ‘ইশক ভিষক’ সিনেমায় শহীদকে প্রথম দেখেই ক্রাশ খান এই আলিয়া।
আলিয়া বলেন, আমি শহীদ কাপুরের অনেক বড় ভক্ত। আমি মাত্র ১১ বছর বয়সে শহীদের ‘ইশক ভিষক’ সিনেমাটি দেখতে Gaiety Galaxy সিনেমা হলে যাই । আর প্রথম দেখতেই ভালো লেগে যায় শহীদ কাপুরকে। আমি তার প্রেমে পড়ে যাই। আর বাল্যকালের ক্রাশের সাথে অনস্ক্রিন শেয়ার করতে পারব ভেবেই ভালো লাগছে।
তবে ক্যারিয়ারের শুরু যেখানে ভারুন- সিদ্ধারথের মতো সমবয়সী অভিনেতার সাথে সেখানে শহীদের মতো তারকার সাথে অভিনয় করতে অসুবিধার সম্মুখীন হবেন না? এমন প্রশ্নের জবাবে আলিয়া বলেন, আমি এমনটা মনে করি না। শহীদ কাপুর আমার কাছে অন্যান্য সহকর্মী ভারুন-সিদ্ধারতের মতোই। আর আপনারা ভুলে যাচ্ছে আমি ইতোমধ্যেই আমার থেকে বয়সে বড় অভিনেতা রণদীপ হুড্ডার সাথে অভিনয় করেছি হাইওয়ে সিনেমাটিতে।

Wednesday, July 16, 2014

সুরভিনের আপত্তিকর বক্তব্যে সরগরম মিডিয়া

‘হেট স্টোরি-২’ ছবিতে নগ্ন ও রগরগে দৃশ্যে অভিনয় করে চলতি সময়ের আলোচিত মুখে পরিণত হয়েছেন সুরভিন চাওলা। এরই মধ্যে ছবিতে তার রগরগে দৃশ্য সম্বলিত প্রমো ও গান ইউটিউবে রেকর্ড সংখ্যক দর্শক দেখেছেন। অনেকেই বলেছেন, এতে সুরভিনকে ‘হেট স্টোরি’র পাওলি দামের চেয়েও বেশি আবেদনময়ী মনে হয়েছে। এদিকে বর্তমানে ছবির প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন ছোটপর্দা থেকে আসা এই অভিনেত্রী। এখন পর্যন্ত ভারতের পাঁচটি অঞ্চলের প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন সুরভিন। এটি মুক্তি না পাওয়া পর্যন্ত অন্য ছবিতে অভিনয় করবেন না বলেও জানিয়েছেন তিনি। এদিকে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বিতর্কিত বক্তব্য দিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখোমুখি হয়েছেন তিনি। এই সাক্ষাৎকারে ‘হেট স্টোরি-২’-এর রগরগে ও নগ্ন দৃশ্য সম্পর্কে খোলামেলা কথা বলেছেন তিনি। সুরভিন বলেছেন, ভাটদের পক্ষ থেকে যখন এই ছবির জন্য প্রস্তাব করা হয় তখন আর কিছু ভাবিনি। রাজি হয়ে গেলাম। কারণ, এমন একটি বড় ও সফল হাউজের সঙ্গে প্রথম ছবির কাজ আমার জন্য সৌভাগ্যের ছিল। এটি একটি রোমান্টিক এরোটিক থ্রিলারধর্মী ছবি। তাই সেক্সটাকেই বেশি প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। তবে কাপড়বিহীন নগ্ন অভিনয় করতে আমার সমস্যা হয়নি। এক টেকেই বেশিরভাগ দৃশ্য ওকে হয়েছে। ঘনিষ্ঠ দৃশ্যগুলোও করেছি সাবলীলভাবেই। চরিত্রের প্রয়োজনে যৌন মিলনেও আপত্তি নেই আমার। সুরভিনের এমন আপত্তিকর বক্তব্যে সরগরম ভারতীয় তথা বিশ্ব মিডিয়া। কিন্তু এখানেই থামেননি তিনি। তিনি আরও বলেছেন, ছবিতে আমার সুপার হট রূপ দেখে সবার আগে প্রশংসা করেছেন বাবা। আমি অনেক খুশি হয়েছিলাম তখন। মূলত পরিবারের সাপোর্টের কারণেই ছবিটি করা হয়েছে আমার। বলিউডের মতো জায়গায় কাপড় খোলা ছাড়া জায়গা করা যায় না এটা তারাও ভালভাবেই বোঝেন। তাই কৃতজ্ঞতা তাদের প্রতি!

Thursday, February 20, 2014

ব্রাজিলে কিশোরীদের অবাধ যৌনাচার, আয় ৫০০ কোটি ডলার!

ব্রাজিলের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় নগরী ফরটালেজা। সমুদ্র উপকূলবেষ্টিত এ নগরীতে আছে সুন্দর ও নান্দনিক পরিবেশ। এ কারণে পৃথিবীর সব পর্যটকের আকর্ষণ এখন ফরটালেজা ঘিরে। তা ছাড়া এমন সুন্দর নগরীতে ‘হুর পরির’ অভাব নেই। তাই লালসা ও কামনায় কাতর মানুষ সারা পৃথিবী থেকে ছুটে আসছেন এই নগরীতে।

টনা রে উঠতি বয়সী সুন্দরী তরুণী। তরুণী বললেও ভুল বলা হবে, বরং কিশোরী বলা চলে তাকে। মাত্র ১৩ বছর বয়স। প্রতিদিন সন্ধ্যায় নগরীর বিভিন্ন পার্কে সেজেগুজে ঘুরে বেড়ায়। পুরুষের মনোরঞ্জনে নিজেকে সঁপে দেয়। এভাবেই ব্রাজিলে চলছে অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরীদের অবাধ যৌনাচার।

বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র চার মাস বাকি। সব প্রস্তুতি প্রায় শেষ করে ফেলেছে ব্রাজিলীয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্বকাপের আগেই ব্রাজিলে শিশুদের নিয়ে যৌন ব্যাবসায়ে মেতে উঠেছে এক শ্রেণীর দালাল। তাদের মূল ব্যাবসায় পরিণত হয়েছে দেহব্যবসা। এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, গত চার মাসে ফরটালেজা নগরীতে দেশি-বিদেশি লক্ষাধিক পর্যটক এসেছেন। তারা কিশোরীদের সঙ্গে আনন্দ-ফুর্তিতে সময় কাটাচ্ছেন। অবাধ এ যৌন ব্যবসায়ে এ পর্যন্ত তাদের আয় হয়েছে ৫০০ কোটি ডলার।

নান্দনিক, আকর্ষণীয় বিশ্বকাপ ফুটবলের আসর বসবে ১২ জুন। দিনক্ষণ হিসাবে একেবারে চার মাস বা ১২০ দিন বাকি রয়েছে। তার আগেই বিশ্বকাপ আর সুন্দরী তরুণী এক এবং অবিচ্ছেদ্য অঙ্গে পরিণত হয়েছে। কনফেডারেশন কাপ চলাকালীন হাজার হাজার পর্যটক এসেছেন এখানে। তারা কিশোরী ও তরুণীদের সঙ্গে অবাধ মেলামেশা করছেন। কিশোরী যৌনকর্মীদের নিয়ে রাত কাটাচ্ছেন।

ফরটালেজা নগরীর স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের ছয়টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। সে কারণেই ইতিমধ্যে এ নগরীর প্রধান অকর্ষণ হয়ে উঠেছে সুন্দরী কিশোরী-তরুণীরা। ব্রাজিলের সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে শীর্ষ পর্যায়ের কেউই কিশোরী ও তরুণীদের অবাধ যৌন ব্যবসাকে কোনো অপরাধ বলে মনে করেন না । মানবাধিকার সংস্থার মহাপরিচালিকা লিনা রেজিয়া ফেবিয়া বলেন, কিশোরী ও তরুণীদের নিয়ে অবাধ যৌনাচার চলছে। তাদের প্রতারিত করা হচ্ছে। বিশেষ করে, বিশ্বকাপের আগে পর্যটকদের মনোরঞ্জনে এ ব্যবসা চলছে বলে মনে করেন তিনি।

তিনি বলেন, কনফেডারেশন কাপ থেকেই অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরীদের নিয়ে চলছে অবাধ যৌন ব্যবসা। বলা হচ্ছে, ৫০০ কোটি ডলার আয় হয়েছে । বাস্তবে তা আরো বেশি। রাজস্ব ফাঁকি দিতেই আয় কমিয়ে দেখানো হচ্ছে।

বহু তরুণী সন্ধ্যার পর সেজেগুজে রাস্তায় দাঁড়িয়ে পুরুষের আকর্ষণের চেষ্টায় নিজেকে বিলিয়ে দিচ্ছে। তারা দামদর মিটিয়ে অজানা পুরুষের মনোরঞ্জনে হোটেলে চলে যাচ্ছে। সবচেয়ে বড় কথা, যে অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরী ও তরুণী সারা রাত পুরুষকে আনন্দ দিল, সে খুব বেশি হলে ব্রাজিলের মুদ্রায় ৩০ রিল (১২ ডলার) পায়। বাকি অর্থ দালাল, মাস্তান আর ফড়িয়ারা লুটে নেয়।

শিশু, কিশোরী এবং তরুণীদের নিরাপত্তা রক্ষার্থে এবং তাদের সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে বেড়ে ওঠার স্বার্থে জাতীয় শিশু-কিশোর অপরাধ দমন ফোরাম বলেছে, ব্রাজিলে ৫ লাখ শিশু যৌনকর্মী রয়েছে। ফরটালেজা নগরীতে ২০০৯ সালে শিশু যৌনকর্মী ছিল ১৯৩ জন। আশ্চর্যের বিষয়, পাঁচ বছরে এ সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ১২২-এ।

এ নগরীতে এত শিশু যৌনকর্মী কেন? এক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, অবাধ যৌনাচারের জন্য নিয়মনীতির কোনো বালাই নেই। এতে কোনো সমস্যা নেই তাদের।

উপকূলীয় এ অঞ্চলটিতে আবহাওয়া ও পরিবেশ খুবই সুন্দর। তার চেয়েও বড় কথা, অধিকাংশ মানুষ দারিদ্র্যপীড়িত।
অভাবের তাড়নায় এবং ক্ষুধার জ্বালা মেটাতে বহু অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরী পতিতাবৃত্তিতে নাম লেখায়। এতে পরিবারের পূর্ণ সমর্থনও রয়েছে। উপরন্তু ফরটালেজা দিনকে দিন যৌনকর্মীদের প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

বেসরকারি সংস্থার পরিচালিকা জ্যাকিনা রডরিগেজ বলেন, তরুণী যৌনকর্মীতে ভরে গেছে পুরো শহর। অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে পুরো নগরী যেন যৌনপল্লিতে পরিণত হতে চলেছে। বিশ্বকাপ যখন শুরু হবে তখন আরো দর্শক আসবেন, বিদেশি অতিথিতে ভরে যাবে। বিদেশি অতিথিরা যৌনকর্মীদের নিয়ে আনন্দে মেতে উঠবেন। কোনো সন্দেহ নেই প্রচুর অর্থ উপার্জিত হবে।

জ্যাকিনা রডরিগেজ বলেন, ‘জ্যাকুলিনো কুবেতসেক এলাকার নিষিদ্ধ পল্লিতে পর্যবেক্ষণ করে দেখেছি, সেখানে ১৭ বছরের কম বয়সী তরুণীই যৌনকর্মে নিয়োজিত রয়েছে। তারা টাইট শার্ট এবং শর্টস পরে দাঁড়িয়ে থাকে এবং পুরুষের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করে।’

অপ্রাপ্তবয়স্ক তরুণীদের যৌনকর্মে লিপ্ত করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ । প্রশ্ন হচ্ছে, অপরাধীকে শাস্তি দেবে কে? রাষ্ট্র আইনগত কোনো পদক্ষেপ নেয় না। শিশু ও অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরীদের যৌনকর্মে লিপ্ত করা বড় ধরনের অনৈতিকতার শামিল এবং তাদের সঙ্গে প্রতারণা ছাড়া আর কিছুই নয়। এ অপকর্মটি যারা করে, তারা কিশোরীদের এমনভাবে পোশাক পরায় এবং প্রসাধনী দিয়ে সাজায়, তাতে দেখে মনে হয় তারা প্রাপ্তবয়স্ক। ফলে পুলিশও তাকে কিছু বলতে পারে না ।

বিশ্বকাপে অবাধ যৌনাচার, বিশেষ করে শিশু ও কিশোরীদের দিয়ে যৌন অপরাধ যাতে না হয়, সেজন্য ফিফা সর্বাত্মক চেষ্টা চালাবে- এমন প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছে। তবে সমস্যা হচ্ছে, এ বিষয়ে ব্রাজিলীয় কর্তৃপক্ষ কতটা আন্তরিক তা নিশ্চিত নয় ফিফা। দেশটিতে বিশ্বকাপের সময় অবাধ যৌনাচার এবং বিদেশি পর্যটকের মনোযোগ আকর্ষণ করে ২ হাজার কোটি ডলার আয় করবে, এমন প্রত্যাশা করছে দেশটির সরকার।