Showing posts with label জায়গা. Show all posts
Showing posts with label জায়গা. Show all posts

Monday, March 7, 2011

প্রযোজকেরা মুক্তি দিচ্ছেন স্বল্প বাজেটের ছবি

বিশ্বকাপ ক্রিকেট ও ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের প্রভাব পড়েছে বলিউডে। ভারতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ক্রিকেটের জ্বরে বলিউডের বড় তারকারা পরবর্তী ৯০ দিনের জন্য বড় বাজেটের ছবির কাজ বন্ধ রেখেছেন। আর প্রযোজক ও পরিবেশকেরা ঝুঁকেছেন ছোট বাজেটের ছবি মুক্তির দিকে।
বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি ভায়াকম ১৮-এর তনু ওয়েডস মনু নামের ছবিটি মুক্তি দেয়। মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই ছবিটি ১০ কোটি রুপি আয় করে, যদিও ওই দিন ছিল ভারত-ইংল্যান্ডের ম্যাচ। ছবিটি তৈরিতে ১৭ কোটি রুপি খরচ হয়। এরই মধ্যে ছবিটি ১৮ কোটি রুপির বেশি আয় করেছে বলে জানা যায়।
ভায়াকম ১৮ মোশন পিকচারসের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিইও) বিক্রম মালহোত্রা ছবিটি আরও ভালো চলবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
তনু ওয়েডস মনু ছবির প্রোডাকশন হাউস ছবিটি বিদেশে প্রচারের জন্য জি টিভির কাছে বিক্রি করেছে। এর মাধ্যমে বিদেশ থেকেও বড় অঙ্কের অর্থ আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিক্রম মালহোত্রা বলেন, ‘আমরা দেশের জন্য ছবিটির ৮০০ কপি ও বিদেশের জন্য ৮০টি কপি তৈরি করেছি।’
এদিকে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ক্রিকেটের এই আয়োজনের জন্য বলিউডের ২৫০ কোটি রুপি মূল্যমানের কয়েকটি ছবির মুক্তি আটকে আছে।
ইরোস ইন্টারন্যাশনাল গত বছর গোলমাল ৩, দাবাং, হাউসফুল, এনথিরানসহ বেশ কিছু বড় বাজেটের ছবি মুক্তি দিয়েছিল। এ প্রতিষ্ঠানই আগামী ২৯ এপ্রিল চলো দিল্লি নামে স্বল্প বাজেটের অর্থাত্ মাত্র পাঁচ কোটি রুপির নতুন ছবি মুক্তির ঘোষণা দিয়েছে। ছবিটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন লারা দত্ত ও বিনয় পাঠক। ইরোস বিশ্বকাপ শেষে মুক্তির জন্য বড় বাজেটের জিন্দিগি না মিলেগি দোবারা, রা ওয়ান, এজেন্ট বিনোদ, দেশি বয়েজ, মৌসম ও রকস্টার ছবি রেখে দিয়েছে।
তার পরও ওয়ার্ল্ড কাপ ও আইপিএলের মধ্যবর্তী সময়ে অভিষেক বচ্চন ও কঙ্গনা রানাউত অভিনীত গেম ছবিটি আগামী ৮ এপ্রিল মুক্তির ঘোষণা দিয়েছে ইরোস।
এ ছাড়া আইপিএল অনুষ্ঠিত হওয়ার পর জুনে বড় বাজেটের বেশ কিছু ছবি মুক্তি পাওয়ার ব্যাপারে আশা করা হচ্ছে। আগামী দুই মাসের মধ্যে বিক্রম ভাটের স্বল্প বাজেটের ত্রিমাত্রিক হরর ছবি হন্টেড, সাগর বালারির ভেজা ফ্রাই টু ও তিগমানসু ধুলিয়ার সাগরিদ ছবি মুক্তিরও সম্ভাবনা রয়েছে।

Monday, March 22, 2010

পেট্রলপাম্প ও একটি শহরের জলাবদ্ধতা -ভরাট করা জায়গা উদ্ধার করতে হবে

যশোরের কেশবপুর শহরের থানা মোড় এলাকায় সরকারি খাল ভরাট করে অবৈধ উপায়ে একটি পেট্রলপাম্প নির্মাণ করা হচ্ছে। নিয়মনীতির কোনো তোয়াক্কা না করেই চলছে এ কাজ। প্রথম আলোর স্থানীয় প্রতিনিধি জানাচ্ছেন, ১২ ফুট চওড়া খালটির ওপর ছয় ফুট চওড়া একটি কালভার্ট তৈরি করা হয়েছে আর বাকি অংশ ইট দিয়ে ভরাট করা হচ্ছে। এই অপতৎপরতা এখনই প্রতিহত করা জরুরি।
উপজেলা সদরের পানি নিষ্কাশন হয় এই খাল দিয়ে। অর্ধেক ভরাট করে খালটি সংকুচিত করার মানে হলো, বর্ষাকালে উপজেলার পানি বেরিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে ব্যাঘাত সৃষ্টি হওয়া। ফলে নিশ্চিতভাবেই জনগণকে জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ পোহাতে হবে। একটি পেট্রলপাম্পের কারণে দুর্দশার শিকার হতে হবে পুরো উপজেলা সদরের বাসিন্দাদের। এভাবে এত বিপুলসংখ্যক মানুষের জীবনে নতুন সমস্যা সৃষ্টি কোনোভাবেই কাম্য নয়।
অভিযোগ উঠেছে, পৌরসভার নিষেধ না মেনে থানা মোড় এলাকার পানি উন্নয়ন বোর্ডের সীমানাপ্রাচীর ঘেঁষে পেট্রলপাম্পটি নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এখন পাম্প নির্মাণ করতে গিয়ে যে খাল ভরাট করতে হচ্ছে, এ থেকে ধারণা করা যায়, ইজারা দেওয়া জায়গাটি পেট্রলপাম্প নির্মাণের জন্য পর্যাপ্ত ছিল কি না তা যথাযথভাবে যাচাই করা হয়নি। এ ক্ষেত্রে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের ভূমিকা কী ছিল তা খতিয়ে দেখা দরকার।
খাল ভরাটের কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি। আমরা মনে করি, খাল ভরাট করে যে নির্মাণকাজ চলছে তা এখনই বন্ধ করা জরুরি। খালের যে জায়গা ভরাট করা হয়েছে তা উদ্ধারও অনতিবিলম্বে করতে হবে। বৃষ্টির সময় বেশি দূরে নয়। কালক্ষেপণের তাই সুযোগ নেই। জলাবদ্ধতার সংকটের অপেক্ষায় না থেকে কর্তৃপক্ষকে এখনই সতর্ক হতে হবে।