Monday, September 21, 2009
এই আনন্দ অনিঃশেষ হোক by আনিসুল হক
গোয়াল আছে, গোয়ালে অত গরু নেই। দেখবে কে? প্রয়োজনটাই বা কী! পাকাঘর উঠেছে, বিদু্যুত্ এসেছে বাড়িতে, বন্যার জলও আর ঢোকে না উঠোনে, শুধু বাড়ির মানুষগুলো সব শহরে, বাড়িটা ফাঁকা। বৃদ্ধা মা একা একা দাওয়ায় বসে অতীতের কথা ভাবেন।
শুধু ঈদের দিনগুলোয় আবার ভরে ওঠে বাড়িটা। ছেলেরা চলে আসে, বউ-বাচ্চা নিয়ে। কখনো কখনো আসে মেয়েরা। মায়ের বুকটা ভরে ওঠে।
এবার নাকি কেউ আসতে পারবে না। বড় ছেলের দুই মেয়েরই জ্বর। হাসপাতালে নিতে হয়েছে তাদের। মেজো বউয়ের বাচ্চা হবে। ছোটটা ব্যস্ত ঢাকায়, ঈদের নাটক নিয়ে।
মা দাওয়ায় বসে থাকেন। সন্ধ্যা পেরিয়ে গেছে কখন। কাজের মেয়েটা কিছুক্ষণ বসে থেকে বারবার করে বলল, ‘দাদি আম্মা, তরকারি কী রান্ধমো?’ তিনি জবাব দেন না। কিসের খাওয়া, কিসের দাওয়া। ছেলেরাই যদি না আসে, বছর শেষে একটাবার ঘরদোর যদি আবার ভরে না ওঠে ছেলে-বউ, নাতি-নাতনির পদচারণে, কী হবে তাহলে এবার ঈদে।
বাংলাদেশের ঈদের এই এক আশ্চর্য দিক। সবাই ছুটে যায় নিজ নিজ উত্সভূমিতে। সংবাদপত্রে লেখা হয়, নাড়ির টানে। জন্মানোর পর আমাদের নাভিটা কেটে বাকি অংশটা নাকি পোঁতা হয় মাটিতে। তাই নাকি আমাদের এত জন্মভূমির প্রতি টান! কে জানে। কিন্তু এই যে পুরো ঢাকা শহর ফাঁকা হয়ে যাবে, সবাই যাবে যে যার আদি ঠিকানায়, তার মধ্যে একটা গভীর মানবিক আবেদন আছে। শুধু সন্তানেরা তার বাবা-মায়ের সঙ্গে মিলিত হয়, তাই নয়, পাড়া-পড়শি, আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধবেরাও সব মিলিত হয় ঈদ উপলক্ষে। সবার সঙ্গে সবার দেখা হয়। কথা হয়।
শিরোনামহীন ব্যান্ডের একটা গানে একটা লাইন আছে, ‘শহর মানে গ্রামের গল্প’। ঈদে বাড়ি ফেরার এই মহামিছিল দেখলে সেই কথাটাই মনে হয়। আমাদের নেতারাও ফিরে যাবেন গ্রামে। সারাটা বছর শহরে থাকলেন, রাজধানীতে, জেলা শহরে, এবার যেতে হবে ভোটারদের কাছে। আবার সামনে ভোট তো একদিন আসবেই।
পৃথিবীতে আর কোথাও ঈদের আগে এই রাজধানী বা শহর ছেড়ে সারা দেশের বিশাল মানচিত্রে মানুষের ছড়িয়ে পড়ার দৃশ্য দেখা যায় কি? ঈদে বা বড়দিনে? আমার জানা নেই। এ শুধু বাংলাদেশেই দেখা যায় বলে আমার ধারণা।
বাংলাদেশে ঈদ হয়ে উঠেছে আমাদের সৃজনশীলতা আর বিকিকিনির সবচেয়ে বড় উত্সব। ঈদ উপলক্ষে বেরুচ্ছে ঈদসংখ্যা, তাতে কত গল্প, কত উপন্যাস! অনেক বাজারি বা ফরমায়েশি লেখা থাকে, কিন্তু হাসান আজিজুল হকের উপন্যাস আগুনপাখিও যে ঈদসংখ্যাতেই প্রথম বেরিয়েছিল, সেই কথাটাও মানতে হবে। টেলিভিশনগুলোয় ঈদ উপলক্ষে প্রচারিত হয় বিশেষ নাটক। গত বছর ‘মেরিল-প্রথম আলো’ পুরস্কার পাওয়া অমিতাভ রেজার একটা টেলিফোন করা যাবে, প্লিজ নাটকটাও তো ঈদ উপলক্ষেই প্রচারিত। কাজেই ঈদের সৃজনশীলতার মহোত্সব থেকেও আমরা পাই আমাদের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টিগুলোও। ঈদে মুক্তি পায় নতুন নতুন চলচ্চিত্র, বাজারে আসে গানের অনেক অ্যালবাম।
আর ঈদ আসে আমাদের অর্থনীতিতে প্রাণসঞ্চার করতে। বাংলাদেশের প্রধান সম্পদ এর মানুষ। এত মানুষ। সবাই এক জোড়া করে জুতা কিনলে ১৫ কোটি জোড়া জুতা বিক্রি হবে। ভাবা যায়! শাহাদত চৌধুরী সত্তরের দশকের শুরু থেকে তাঁর সম্পাদিত বিচিত্রা পত্রিকায় চেষ্টা করেছিলেন দেশি ফ্যাশনকে জনপ্রিয় করে তুলতে। আজকে ঈদের বাজারে দেশি পণ্যের জয়জয়কার। টাঙ্গাইলের তাঁতিদের অনেকেই দোতলা বাড়ি তুলেছেন। দেশি পোশাক, দেশি নকশা। বাংলাদেশেরই জয়জয়কার।
আর মানুষ যে ঈদ উপলক্ষে মানুষকে উপহার দিচ্ছে, হূদয়ের সঙ্গে হূদয়ের বন্ধনটা ঝালাই করে নিচ্ছে মানুষ, সেটা দেখলে কী যে ভালো লাগে। হিন্দু-মুসলিম ভেদাভেদ নেই এতে। আর এই যে ঈদ উদ্যাপনের বাংলাদেশি ধরনটা আমরা তৈরি করে নিয়েছি, তাতে কিন্তু সব ধর্ম, সব বর্ণের মানুষই যোগ দিতে পারছে। ভালো নাটকটা যে বানাচ্ছে, সে হিন্দু না মুসলিম, এই প্রশ্ন কোনো দিনও তোলেনি এই দেশের মানুষ, যখন গানের সিডি কিনি, তখন সবাই শিল্পীকে শিল্পী হিসেবেই দেখেন, তার ধর্ম-গোত্র পরিচয়ের কথা ভুলেও কারও মাথায় আসে না।
ঈদের বাণী কিন্তু সাম্যেরই বাণী। সমমর্মিতা আর সহমর্মিতার আবেদন নিয়েই ঈদ আসে। মানুষে মানুষে যেন কোনো বৈষম্য না থাকে, সেই কথাটা যেন আমরা ভুলে না যাই। এই সমাজে সবাই যেন খেতে পায়, পরতে পায়, সবাই যেন লেখাপড়ার সুযোগ পায়, সেই দিন আমাদের আনতেই হবে।
সেই কাজটা রাষ্ট্রের, সেই কর্মোদ্যোগে সবাইকে শামিল করতে পারেন রাষ্ট্রনায়কেরা।
তবে ব্যক্তি-মানুষও কিন্তু বসে নেই। মানুষ ছুটে যায় মানুষের কাছে। মানুষ হাত বাড়িয়ে ধরে মানুষের হাত। এই সমাজে কত মানুষ আছেন, কাউকে না জানিয়ে তারা অন্য মানুষের উপকার করে যাচ্ছেন, মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য নিজের সর্বস্ব বিলিয়ে দিতেও তারা অকাতর।
এবার ঈদের পরপরই শারদীয় দুর্গোত্সব। এবার শরত্ এসেছে একটু দেরিতে, বিলম্বিত বর্ষার কারণে। তবু বাতাসে দেখতে পাই রোদের ঝলকানি। কাশফুলে ছেয়ে গেছে নদীতীর। এর মধ্যে বেজে উঠবে পূজার ঢাক।
দুই উত্সব মিলে উত্সবের বড় একটা মৌসুম তৈরি হলো বাংলাদেশে। ঈদের কদিন সেমাই খেয়ে পরপরই নাড়ু খাওয়ার আনন্দের উপলক্ষ এসে গেল বাংলার জনপদে জনপদে।
সংবাদপত্রে অবশ্য লেখা হচ্ছে বড় একটা ছুটির ফাঁদে পড়তে যাচ্ছে দেশ। খুব বড় একটা ছুটির মধ্যে পড়তে যাচ্ছে সরকারি অফিস-আদালত। তাতে যেন আমাদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বিঘ্নিত না হয়। উত্পাদনশীলতায় ব্যাঘাত না ঘটে।
সরকারি অফিসগুলো বন্ধ থাকলে আমাদের ক্ষতি না লাভ, সেটা একবার টিআইবি হিসাব করে বলতে পারে। ওরা যেমন বলে বছরে কোন সেক্টরে কত টাকার দুর্নীতি হয়েছে, তেমনি এবার বলুক না, এই উত্সব উপলক্ষে দীর্ঘদিন সরকারি অফিস বন্ধ থাকায় এত টাকার ঘুষ কম খাওয়া হয়েছে!
বাংলাদেশের উত্সবের এই মিলনধর্মী উত্সমুখিন সংস্কৃতি আমার খুব ভালো লাগে। সুন্দর কাপড় পরা, ভালো খাওয়া-দাওয়া তো আছেই, তার সঙ্গে এই যে সৃজনশীলতার মহোত্সবটা যুক্ত হলো।
ছোটবেলায় স্কুলপাঠ্য কবিতায় পড়েছিলাম ঈদের বর্ণনা। কেউ যাবে না কারে ঠেলে, কেউ যাবে না কারেও ফেলে, অন্যে যদি দুঃখ পায়, খুশির কিছু নেই তাতে। অন্যকে দুঃখ দিয়ে নিজেকে কি খুশি রাখা যায়! ওই কবিতাতেই পড়েছিলাম, সবার দুয়ার খোলা আজি কোথাও নাই মানা, খাঞ্জা ভরে বিলাব আজ যত রকম খানা...স্মৃতি থেকে বলছি, কথাটা অন্য রকমও হতে পারে। তবে সবার দুয়ার খোলার একটা বাস্তব উদাহরণ হলো, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেত্রীরা যে তাঁদের দুয়ার খুলে দেন, প্রয়োজনীয় দেহ তল্লাশি শেষে অভ্যাগতরা, কখনো কখনো রবাহূতরাও তাদের খোলা দরজা পেরিয়ে ভেতরে ঢুকে যেতে পারে।
ঈদে সবচেয়ে মজা করে বাচ্চারা। এরপর? তা বলতে পারব না, কিন্তু এটা বলতে পারি, ঈদের ধকলটা সবচেয়ে বেশি যায় মহিলাদের ওপর দিয়ে। সাহেব তো নামাজ পড়ে ফিরে এসে ফুরফুরে পাঞ্জাবি গায়ে বারান্দায় বসে ঈদসংখ্যা পড়ছেন বা টিভি দেখছেন, আগের দিন মেলা রাত পর্যন্ত জেগে সেমাই রাঁধা ইত্যাদি সেরেছেন বাড়ির গিন্নিই, ঈদের দিন বা তার পরের কয়েকটা দিন একজনের পর একজন মেহমান আসবে, তাদের খেতে দাও, খাবার গরম রাখো, বাসনকোসন সামলাও। কাজ কি কম? তার পরও ওই মেয়েদেরই আনন্দ হয়তো বেশি, কারণ তারা আত্মত্যাগেই এখনো এই দেশে আনন্দ পান। ছেলেরা বাড়ি যাচ্ছে, সঙ্গে যাচ্ছে বউ, কিন্তু সে যে তার বাবা-মা-ভাইবোনের কথা মনে করবে ঈদের দিনে, সেইটা কে ভাববে! ভাগ্যিস মোবাইল ফোন আছে!
যে একাকী বয়স্ক নারীর কথা বলে শুরু করেছিলাম, তার কথা দিয়েই শেষ করি। বাড়ির কাছেই বাঁশঝাড়ের পাশে পারিবারিক কবরস্থান। সেইখানে তিনি একবার যান। ২৯ রোজার বিকেলে। তার শ্বশুরের কবর, শাশুড়ির কবর। তার দীর্ঘদিনের সঙ্গী স্বামীর কবর। তিনি কবরের দেয়াল ধরে দাঁড়িয়ে থাকেন। পড়ন্ত বিকেলের আলো এসে পড়ে তার মুখে, তার সাদা চুলে। এবার ঈদ একা একা কাটাতে হবে তাকে!
ইফতারের আগে বাড়ির দাওয়ায় দাঁড়ান তিনি। দূরে তেঁতুলগাছের নিচটা পর্যন্ত রাস্তাটা দেখা যাচ্ছে। ওই যে একটা রিকশাভ্যান আসছে। ওটা কোন বাড়িতে যাবে!
রাত বাড়ে। আজ রাতেও তিনি খাবেন না। তিনি শুয়ে পড়েন। হঠাত্ই মাঝরাতে শোনা যায় দরজায় কড়া নাড়া, ‘দাদি দাদি, আমরা এসেছি।’ এবার তিনি ধড়ফড় করে উঠে পড়লেন, সারা রাত চলবে তার ঈদের প্রস্তুতি। এবার তার ঈদ হয়ে উঠবে সত্যিকারের উত্সব।
আমাদের সবার জীবনে উত্সবগুলো অর্থপূর্ণ, আনন্দপূর্ণ হয়ে উঠুক।
ঈদ মোবারক। শারদীয় শুভেচ্ছা।
আনিসুল হক: সাহিত্যিক। সাংবাদিক।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঈদুল ফিতর সার্বজনীন আনন্দ উত্সব by মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ঈদ ধনী-গরিব সব মানুষের মহামিলনের বার্তা বহন করে। ঈদ মানবসমাজের ধনী-গরিব ব্যবধান ভুলিয়ে দেওয়ার একটি দিন। ঈদের দিনে সবাই সমান। এক কাতারে দাঁড়িয়ে সব শ্রেণী-পেশার মানুষের একসঙ্গে নামাজ পড়ার সুযোগ এনে দেয় ঈদ। ঈদের খুশির এক অন্যতম উপকরণ হচ্ছে এ ঈদের নামাজ। ইসলামি শরিয়তে একে ওয়াজিব, মতান্তরে সুন্নাত বলে অভিহিত করা হয়। এক মাস আল্লাহপাকের হুকুমে তাঁরই সন্তুষ্টি হাসিলের উদ্দেশ্যে রোজা রাখার পর ঈদের নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে মাঠে গেলে, একে অপরের হাতে হাত, বুকে বুক রাখলে মুসলমানরা সারা মাসের রোজার কারণে ক্ষুধা-তৃষ্ণার কষ্ট ভুলে যায়। ঈদের দুই রাকাত নামাজ হলো বার্ষিক নামাজ। বছরান্তে সমাজের সর্বস্তরের মুসলমান ঈদের জামাতে সানন্দে উপস্থিত হন। এ যেন একে অন্যের সঙ্গে সাক্ষাত্ ও কুশল বিনিময়ের এক অপূর্ব সুযোগ। তখন ছোট-বড়, ধনী-গরিব, আমির-ফকির, শিক্ষিত-অশিক্ষিতের মধ্যে কোনো রকম ভেদাভেদ থাকে না। এক মাস সংযম সাধনার মাধ্যমে আত্মশুদ্ধির যে নিরলস প্রচেষ্টা বিশ্বাসীরা চালান, ঈদুল ফিতর এরই পূর্ণতার সুসংবাদ। ঈদুল ফিতরের তাত্পর্য হলো সিয়ামের দাবি পূর্ণ করে নতুন অবস্থায় উত্তীর্ণ হওয়ার খুশি। এ সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘সংযম সাধনার পর ঈদের দিনে রোজাদারগণ শিশুর ন্যায় নিষ্পাপ হয়ে যান।’
ঈদের দিনে ধনী-গরিব, বাদশা-ফকির, মালিক-শ্রমিক নির্বিশেষে সব মুসলমান এক কাতারে ঈদের নামাজ আদায় ও একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি করে সাম্যের জয়ধ্বনি করে। হাদিস শরিফে বর্ণিত আছে, ‘যারা ঈদের নামাজ আদায় করার জন্য ময়দানে একত্রিত হয়, আল্লাহ তাআলা তাদের সম্পর্কে ফেরেশতাদের জিজ্ঞাসা করেন, যারা স্বেচ্ছায় দায়িত্ব পালন করে আজ এখানে উপস্থিত হয়েছে তাদের কি প্রতিদান দেওয়া উচিত? ফেরেশতারা বলেন, তাঁদের পুণ্যময় কাজের সম্পূর্ণ পারিশ্রমিক দেওয়া উচিত। তখন আল্লাহ তাআলা তাঁর মর্যাদার শপথ করে বলেন, অবশ্যই তিনি তাদের প্রার্থনা কবুল করবেন। এরপর আল্লাহ তাআলা ঈদের নামাজ সমাপনকারী তাঁর নেক বান্দাদের উদ্দেশে ঘোষণা করেন, আমি তোমাদের ক্ষমা করে দিয়েছি। আর তোমাদের কৃত অতীত পাপকে পুণ্যে পরিণত করে দিয়েছি।’
রোজার পুণ্যময় মাস যেন একটি স্বচ্ছ সলিল সরোবর, যার জলের নির্মলতায় মানুষের অভ্যন্তরীণ যাবতীয় কাম-ক্রোধ, লোভ-লালসা, হিংসা-বিদ্বেষ ও বিভেদের সব কালিমা ধুয়ে-মুছে যায়। মুসলমানগণ পুণ্যস্নাত ঈদের মধ্য দিয়ে সমর্পিত হয়, সেই নির্মলতার সীমানায় উত্তীর্ণ হয়। কামাচার, পানাহার, পাপাচার, মিথ্যাচার থেকে বিরত থেকে মাহে রমজানের এক মাস সম্পূর্ণ দিবাভাগে অর্থাত্ সুবহে সাদিকের পূর্বক্ষণ থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত রোজাদার আত্মশুদ্ধির প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হন, যা তাঁর জীবন-চেতনায় বয়ে আনে পরিশীলিত অনুভূতি। পুরো এক মাস সিয়াম সাধনার পর আনন্দ ও উত্সবমুখর পরিবেশে সারা দেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর পালিত হয়। পবিত্র রমজান মাসে সংযম ও আত্মশুদ্ধি অনুশীলনের পর ঈদুল ফিতর ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সব শ্রেণীর মানুষকে আরও ঘনিষ্ঠ বন্ধনে আবদ্ধ করে, গড়ে তোলে সবার মধ্যে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ঐক্যের বন্ধন। ঈদের দিন মসজিদে, ময়দানে ঈদের নামাজে বিপুলসংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসল্লির সমাগম হয়ে থাকে। সবাই সুশৃঙ্খলভাবে কাতারবদ্ধ হয়ে ঈদের নামাজ পড়েন। নামাজ শেষে ধনী-নির্ধন, পরিচিত-অপরিচিত সবাই সানন্দে কোলাকুলি করেন। রাজধানীতে জাতীয় ঈদগাহ ময়দান, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদসহ দেশের সব ঈদগাহ ও মসজিদে ঈদের জামাতে পার্থিব সুখ-শান্তি, স্বস্তি আর পারলৌকিক মুক্তি কামনা করে মহান আল্লাহ তাআলার দরবারে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। সেই সঙ্গে বিশ্বশান্তি এবং দেশ-জাতি ও মুসলিম উম্মাহর উত্তরোত্তর শান্তি, সমৃদ্ধি, অগ্রগতি ও সংহতি কামনা করা হয়।
ঈদ মানেই আনন্দ ও খুশির উত্সব। ‘ঈদ’ শব্দটি আরবি, শব্দমূল ‘আউদ’, এর অর্থ এমন উত্সব যা ফিরে ফিরে আসে, পুনরায় অনুষ্ঠিত হয়, রীতি হিসেবে গণ্য হয় প্রভৃতি। এর অন্য অর্থ খুশি-আনন্দ। উচ্ছল-উচ্ছ্বাসে হারিয়ে যাওয়ার মুহূর্ত। ঈদ প্রতিবছর চান্দ্র বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী নির্দিষ্ট মাসের নির্দিষ্ট তারিখে নির্দিষ্ট রীতিতে এক অনন্য আনন্দ-বৈভব বিলাতে ফিরে আসে। এক মাস কঠোর সিয়াম সাধনার মাধ্যমে নানা নিয়মকানুন পালনের পর উদ্যাপিত হয় ঈদুল ফিতর; অন্য কথায় রোজার ঈদ। ‘ফিতর’ শব্দের অর্থ ভেঙে দেওয়া। আরেক অর্থে বিজয়। দীর্ঘ এক মাস রোজা রাখার পর যে উত্সব পালন করা হয়, তা-ই ঈদুল ফিতরের উত্সব। বিজয় শব্দটি ব্যাপক অর্থে ব্যবহূত হয়েছে। গোটা রমজান মাস রোজা রেখে আল্লাহভীরু মানুষ তার ভেতরের সব রকমের বাজে অভ্যাস, খেয়ালখুশিকে দমন করার মাধ্যমে এক রকমের বিজয় অর্জন করে। সেই অর্থে এটি বিজয় হিসেবেও দেখা যায়। সব মিলিয়ে ঈদুল ফিতরকে বিজয় উত্সব বলা যেতে পারে। ঈদুল ফিতরের প্রতিটি অনুশাসনে ইবাদতের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়, তাছাড়া এ দিনে প্রস্ফুটিত হয়ে ওঠে সত্যনিষ্ঠ জীবনযাপনের তাগিদ এবং মানবতার বিজয় বার্তা। তবে প্রচলিত নিয়মে দীর্ঘ এক মাস রোজা রাখার পর আনন্দ-উত্সবের মাধ্যমে দিনটিকে স্মরণীয় করার নাম ঈদ উত্সব। ‘ঈদুল ফিতর’ শব্দ দুটিও আরবি। যার অর্থ হচ্ছে—উত্সব, আনন্দ, খুশি ও রোজা ভঙ্গকরণ ইত্যাদি। সুদীর্ঘ একটি মাস কঠোর সিয়াম সাধনা ও ইবাদত-বন্দেগির পর বিশ্ব মুসলিম উম্মাহ রোজা ভঙ্গ করে আল্লাহ তাআলার বিশেষ নিয়ামতের শুকরিয়াস্বরূপ যে আনন্দ উত্সব পালন করেন, সেটিই ঈদুল ফিতর।
প্রকৃতপক্ষে ঈদ ধনী-দরিদ্র, সুখী-অসুখী, আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা সব মানুষের জন্য কোনো না কোনোভাবে নিয়ে আসে নির্মল আনন্দের আয়োজন। ঈদ ধর্মীয় বিধিবিধানের মাধ্যমে সর্বস্তরের মানুষকে ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ ও ঐক্যবদ্ধ করার প্রয়াস নেয় এবং পরস্পরের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারের শিক্ষা দেয়। মহান সৃষ্টিকর্তার দরবারে আমাদের কায়মনোবাক্যে প্রার্থনা হলো, জগতের সব মানুষের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি। বিশ্ব সর্বপ্রকার হিংসা-বিদ্বেষ ও হানাহানিমুক্ত হোক! সন্ত্রাসের বিভীষিকা দূর হোক! সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বন্ধন দৃঢ়তর হোক! আগামী দিনগুলো সুন্দর ও সৌন্দর্যমণ্ডিত হোক! হাসি-খুশি ও ঈদের আনন্দে ভরে উঠুক প্রতিটি প্রাণ। ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে সংযম, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির পরিবেশ পরিব্যাপ্তি লাভ করুক—এই হোক ঈদ উত্সবের ঐকান্তিক কামনা। তাই আসুন, ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে দিই সবার প্রাণে-মনে। বুকে বুক মিলিয়ে আসুন সবাই সবার হয়ে যাই। সবাইকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও আন্তরিক অভিনন্দন ‘ঈদ মোবারক আস-সালাম।’
ড. মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান: সহকারী অধ্যাপক, ইসলামিক একাডেমী, দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়।
dr.munimkhan@yahoo.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জনশক্তি রপ্তানি
কিন্তু কীভাবে রপ্তানি বাড়ানো যায়? সারা পৃথিবীতে আমাদের লোকজন ছড়িয়ে আছে। যারা বিদেশে ভালো অবস্থানে আছে, তাদের মাধ্যমেই বাজার খুঁজতে হবে। তারা তাদের প্রতিনিধির মাধ্যমে ট্রাভেল এজেন্সি খুলতে পারবে এবং বিনামূল্যে শ্রমিক নিয়ে যাবে, তা ঋণ হিসেবে করবে। ওই ব্যক্তি প্রতি মাসে দেশে টাকা পাঠাবে এবং কিস্তির মাধ্যমে তারা সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করবে। এসবই হতে হবে সরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে। এ ক্ষেত্রে সরকার শুধু মধ্যস্থতা করবে। ঋণ প্রদানের মাধ্যমে শ্রমিক রপ্তানি করতে পারলে এই খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনা সম্ভব। প্রয়োজন সরকারের সদিচ্ছা।
মাসুদ আলম
গাইবান্ধা।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আজ ভুলে যা সব হানাহানি, হাত মেলা হাতে
এই দিনটি রমজানের নৈতিক তৃপ্তির নহর যেমন, শুদ্ধ মনের উচ্ছ্বাসের আঙিনাও তেমনি। সেই আঙিনায় সবাই সমবেত হবে, ফেলে আসা সময়ের তাপ ভুলবে—এটাই কাঙ্ক্ষিত। শান্তি আর উত্সব যেন যমজ ভাইবোন, একটির কমতি হলে অন্যটি তাই সুখে থাকে না। এবার সব দিকে পরিস্থিতি শান্ত; অর্থনীতি জীবন্ত; রাজনৈতিক উত্তেজনা প্রশমিত। এবার শান্তির মধ্যে ঈদ-উত্সব পালিত হচ্ছে, এর থেকে বড় আনন্দ আর কী হতে পারে? ঈদ ও শারদীয় দুর্গোত্সব পর পর হওয়ায় আনন্দ যেন কানায় কানায় পূর্ণ হওয়ার অপেক্ষায়।
যে ঐক্য ও শান্তি আমরা উত্সবের দিনগুলোয় দেখাতে পারি, তাকে কেন নিত্যদিনের বিষয়ে পরিণত করতে পারব না? যদি ছোট পরিসরে পারি, তো বড় পরিসরে, রাজনৈতিক জীবনে একই আচরণ করতে না পারার কারণ কী? শুভবোধের এই চর্চা তো অচেনা থাকার কথা নয়। ঈদ ও এই সাধনা যাতে দুই দিনের সাজানো সংসার না হয়ে ধারাবাহিক অগ্রসরতার প্রত্যয় হয়। বৈশ্বিক মুসলিমের এই উত্সবে ধরণী সজীব হবে, যেখানেই তারা থাকবে সেখানে ঈদ-উত্সবের পবিত্র সৌন্দর্যে অপরের মনের প্রীতি আদায় করে নেবে, এই-ই আশা।
বাংলাদেশে ঈদ মিলনের এক বিরল ঐতিহ্যও সৃষ্টি করে রেখেছে। ঈদে প্রবাসীরা দেশে ফিরতে আকুল হন, শহরবাসী গ্রামে ফেরায় রোমাঞ্চ পান, একাকী মানুষ বন্ধুমহলের সঙ্গে মিলবার জন্য ব্যাকুল হন। এবং অনেক ভোগান্তির শেষে নিজ প্রাঙ্গণে প্রিয়জনের আলিঙ্গনের সুখ উপভোগ করেন। বাংলাদেশে সমাজের শেকড় এখনো গ্রামে, শহরবাসী মানুষের মনের শেকড়ও যে গ্রামের ভিটার মধ্যেই পোঁতা; ঈদ যেন বারবার সেটাই মনে করিয়ে দেয়। দেশের মানুষ তখন ‘দেশের’ মানুষের সঙ্গে মিলিত হয়। এই সুযোগ থেকে কেউই যাতে বঞ্চিত না হয়, তার জন্য সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের সর্বোচ্চ মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন।
ঈদ নিছক উত্সব নয়, জীবনকে নবায়ন করার আহ্বান, উেস ফেরার ডাক। সেই ডাক অনন্তকাল ধরে আসুক—সেটাই প্রত্যাশা
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে নতুন বিতর্ক by বদিউল আলম মজুমদার
নব্বইয়ের এরশাদবিরোধী গণ-আন্দোলনের সময়ে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের লক্ষ্যে তিন জোটের ‘যুক্ত ঘোষণা’য় প্রথমবারের মতো একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের দাবি ওঠে। এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে পরে বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে ১৯৯০ সালে এমন একটি সরকার গঠিত হয়। একটি নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি জোরালোভাবে ওঠে ১৯৯৪ সালের মাগুরার উপনির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের কারচুপি এবং তা ঠেকাতে নির্বাচন কমিশনের ব্যর্থতার পরিপ্রেক্ষিতে। পরবর্তীকালে আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, জামায়াতে ইসলামীসহ বিরোধী দলগুলোর তুমুল আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের একতরফা নির্বাচনের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান আমাদের সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার মাধ্যমে একটি ‘নির্বাচিত’ সরকার তার মেয়াদ শেষে একজন প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে একটি ‘অনির্বাচিত’ উপদেষ্টা পরিষদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের বিধান করা হয়, যা গণতান্ত্রিক চেতনা ও সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পূর্ণ অসংগতিপূর্ণ। এ ছাড়া তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা রাজনৈতিক দলগুলোর একে অপরের ওপর অনাস্থারই প্রতিফলন। উপরন্তু এ ব্যবস্থার ফলে রাজনৈতিক দলগুলো ‘দায়িত্বহীন’ আচরণে উত্সাহিত হয় এ ধারণা থেকে যে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দায়িত্ব—তাদের নয়। নিজেদের পছন্দের ব্যক্তিকে প্রধান উপদেষ্টা করার লক্ষ্যে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে বিচারপতিদের অবসর গ্রহণের বয়সসীমা বৃদ্ধি, দলের প্রতি অনুগত ব্যক্তিদের নির্বাচন কমিশনে নিয়োগদান প্রভৃতি এমন আচরণেরই প্রতিফলন। সর্বোপরি, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার মাধ্যমে উচ্চ আদালত দলীয় রাজনীতির হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে, যা বিচার বিভাগের বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ন করেছে। এসব কারণে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা আমাদের গণতান্ত্রিক অবকাঠামো ও সংস্কৃতিতে গুরুতর ক্ষতি সাধন করেছে। তাই রাষ্ট্রে একটি সত্যিকারের কার্যকর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা কায়েম করতে হলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্তির কোনো বিকল্প নেই।
উল্লেখ্য, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার প্রাক্কালে আমাদের বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও তাঁর দারিদ্র্য দূরীকরণ: কিছু চিন্তাভাবনা (আগামী প্রকাশনী, ১৯৯৫) গ্রন্থে তিন মেয়াদের পর এর বিলুপ্তির কথা বলেন। তিনি সুস্পষ্টভাবে বলেন, ‘আমরা আগামী তিনটি নির্বাচন নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে চেয়েছি, যাতে করে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় যে সমস্ত ত্রুটি রয়েছে, ধীরে ধীরে তা সংস্কার ও ত্রুটিমুক্ত নির্বাচনী ব্যবস্থায় নিয়ে আসতে পারি।’ অর্থাত্ নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় কতগুলো গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের পর তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার বিলুপ্তির কথা বলেছেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত এসব সংস্কার এখনো হয়নি এবং অতীতের অভিজ্ঞতার পরিপ্রেক্ষিতে ভবিষ্যতে হবে বলেও আস্থা রাখা দুরূহ।
নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালী করাসহ একটি বলিষ্ঠ সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নের অপূর্ব সুযোগ সৃষ্টি হয় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে। দুর্বৃত্তায়িত রাজনীতির প্রভাবে এবং এর বিহিতের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সংস্কারের অভাবে পরবর্তীকালে আমাদের পুরো নির্বাচনী ব্যবস্থাই ভেঙে পড়ে, যার প্রেক্ষাপটে জারি হয় জরুরি অবস্থা এবং সৃষ্টি হয় প্রায় দুই বছরের আরেকটি অনির্বাচিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার। এ সরকারের আমলে, এমনকি তার আগ থেকেই আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে গঠিত ১৪ দলীয় জোট নির্বাচন প্রক্রিয়া, নির্বাচন কমিশন, রাজনৈতিক দলের সংস্কার ও প্রার্থীদের সম্পর্কে তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করার দাবি করে আসছিল। শেখ হাসিনা ১৫ জুলাই ২০০৫ তারিখে একটি সংবাদ সম্মেলনে জোটের পক্ষ থেকে সংস্কার প্রস্তাবগুলো প্রথম জাতির সামনে তুলে ধরেন। পরবর্তী সময়ে ২০০৫ সালের নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত মহাজোটের মহাসমাবেশে ২৩ দফা ‘অভিন্ন ন্যূনতম কর্মসূচি’ প্রকাশের মাধ্যমে এসব সংস্কার প্রস্তাবের প্রতি পুনরায় সমর্থন ব্যক্ত করা হয়। বিরোধীদলীয় নেত্রী হিসেবে শেখ হাসিনা এসব প্রস্তাব সংসদেও উত্থাপন করেন।
পরবর্তীকালে পুনর্গঠিত নির্বাচন কমিশন ও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ২০০৭ সালের শেষ দিকে অনেকগুলো মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালী ও স্বাধীন করা, নির্বাচনী ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সংস্কারের ব্যাপারে এসব মতবিনিময় সভায় কতগুলো মতৈক্যও সৃষ্টি হয়। আরও মতৈক্য সৃষ্টি হয় রাজনৈতিক দলের কতগুলো গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের পক্ষে। দলের অভ্যন্তরে গণতন্ত্রের চর্চা, দলের প্রত্যেক স্তরের কমিটিতে নারীদের অধিকতর অংশগ্রহণ, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন বিলুপ্তিকরণ, দলের তৃণমূলের কমিটিগুলোর সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে দলের মনোনয়ন চূড়ান্তকরণ প্রভৃতি শর্ত সাপেক্ষে নির্বাচন কমিশনের অধীনে রাজনৈতিক দলের বাধ্যতামূলক নিবন্ধন এসব সংস্কারের অন্তর্ভুক্ত। রাজনৈতিক দলগুলো এসব শর্ত অমান্য করলে নির্বাচন কমিশনকে নিবন্ধন বাতিলের ক্ষমতা দেওয়ার ব্যাপারেও মতৈক্য সৃষ্টি হয়। এর পর সংস্কার প্রস্তাবগুলো একটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ ১৯৭২-এ অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যার অধীনে ২৯ ডিসেম্বরের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত নির্বাচিত সরকারের আমলে নবম সংসদের প্রথম অধিবেশনে অধ্যাদেশটি অনুমোদনকালে এতে কতগুলো গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়। নিবন্ধনের উপরিউক্ত শর্তগুলো না মানলে নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন বাতিলের ক্ষমতা রহিতকরণ ছিল যার অন্যতম। অর্থাত্ এ পরিবর্তনের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনকে একটি সাক্ষীগোপাল প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা হয়েছে। অন্যভাবে বলতে গেলে, রাজনৈতিক দলগুলো নিবন্ধনের শর্ত মেনে না চললে কিংবা যথেচ্ছাচারে লিপ্ত হলে নির্বাচন কমিশনের কিছুই করার থাকবে না। এ ছাড়া ক্ষমতাসীন জোটের অন্যতম শরিক আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি তাদের সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জাতীয় সম্মেলনে নিবন্ধনের শর্তগুলো প্রায় পুরোপুরি উপেক্ষা করেছে। অর্থাত্ আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো নব্বইয়ের পর আবারও তাদের সুস্পষ্ট অঙ্গীকার ভঙ্গ করল। নির্বাচন কমিশনকে ক্ষমতায়িত করে শক্তিশালী করার পরিবর্তে আরও দুর্বল করা হলো। তাই রাজনৈতিক দলগুলো আসলেই সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আগ্রহী কি না, তা নিয়ে নাগরিকদের মনে প্রশ্ন ওঠাই স্বাভাবিক।
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ অতীতে অঙ্গীকার ভঙ্গ করেছে, এখন আবার সংবিধান সংশোধনীর মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনকে ক্ষমতায়িত করার কথা বলছে। কিন্তু সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য একটি স্বাধীন ও শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনীয়, কিন্তু যথেষ্ট নয়। আমাদের অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যায়, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রয়োজন: ক. ক্ষমতাসীন সরকারের ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রশ্নাতীত নিরপেক্ষতা; খ. রাজনৈতিক দলগুলোর সদাচরণ; গ. নাগরিক সচেতনতা ও নাগরিক সমাজের সোচ্চার ভূমিকা; ঘ. প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন; ঙ. যথাযথ আইনি কাঠামো; চ. নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা, পক্ষপাতহীন আচরণ ও দক্ষতা প্রভৃতি।
অর্থাত্ নির্বাচন কমিশন স্বাধীন ও শক্তিশালী হলেই চলবে না, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য আরও অনেকগুলো উপাদান আবশ্যক। প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা ও সহযোগিতা এসবের অন্যতম। সারা দেশে একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য প্রায় ১০ লাখ ব্যক্তির সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন। সরকারি সহযোগিতা ছাড়া এত বিরাট জনবল সংগঠিত করা নির্বাচন কমিশনের পক্ষে সম্ভব নয়—এত লোকবল কমিশনের পক্ষে নিয়োগ দেওয়া অসম্ভব। আর এ বিরাট সহায়ক শক্তির নিরপেক্ষতা নির্ভর করবে ক্ষমতাসীন সরকারের নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গির ওপর।
সাম্প্রতিক নির্বাচনগুলো থেকে এ বিষয়ে আমরা গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। পর্যবেক্ষকদের মতে ২৯ ডিসেম্বর ২০০৮ অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ হলেও, নির্বাচিত দলীয় সরকারের অধীনে ২২ জানুয়ারি ২০০৯ অনুষ্ঠিত উপজেলা নির্বাচন ছিল সমস্যাসংকুল। যেসব কর্মকর্তা জাতীয় নির্বাচনে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে পেরেছিলেন, তাঁরাই উপজেলা নির্বাচনকালে নিরপেক্ষ আচরণ করেননি বা করতে পারেননি। এ ছাড়া অনিয়মের তদন্তকালে তাঁরা নিরপেক্ষভাবে সাক্ষ্য দিতেও পারেননি।
উপরন্তু নির্বাচনকালে কোনোরূপ অন্যায় বা অনিয়ম লক্ষ করলে নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশ দিতে পারে। কিন্তু এই নির্দেশ পরিপূর্ণভাবে প্রতিপালনের জন্য সরকারের আন্তরিকতা আবশ্যক। আবশ্যক প্রশাসনিক পদক্ষেপ। কর্মকর্তারা নির্দেশ অমান্য করলে বাস্তবে কমিশনের তেমন কিছুই করার থাকে না।
রাজনৈতিক দলগুলোর সদাচরণ ছাড়াও সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্ভব নয়। রাজনৈতিক দল ছলে-বলে-কৌশলে নির্বাচনে জিততে বদ্ধপরিকর হলে এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও টাকার খেলায় লিপ্ত হলে পরিপূর্ণভাবে স্বাধীন ও সবচেয়ে শক্তিশালী নির্বাচন কমিশনের পক্ষেও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব হবে না। বস্তুত রাজনৈতিক দলের অসদাচরণের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতি মোকাবিলা করতেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সৃষ্টি। এ ছাড়া সুষ্ঠু ও অর্থবহ নির্বাচনের জন্য প্রয়োজন অন্যান্য প্রতিষ্ঠানেরও সহযোগিতা। উদাহরণস্বরূপ, নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২০ জন প্রার্থীর ক্ষেত্রে উচ্চ আদালত কমিশনের সিদ্ধান্ত পাল্টে দেন। দণ্ড পাওয়া ব্যক্তি, ঋণখেলাপি কিংবা অন্যান্য অযোগ্যতার কারণে কমিশন কর্তৃক মনোনয়নপত্র বাতিল করা হলেও, তাঁদের অনেকে আদালতের হস্তক্ষেপের ফলে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান এবং বিজয়ীও হন।
এ ছাড়া নির্বাচন কমিশন একটি বিচ্ছিন্ন-বিক্ষিপ্ত দ্বীপে তার কার্যক্রম পরিচালনা করে না। কমিশনের কার্যক্রম পারিপার্শ্বিকতা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান দ্বারা প্রভাবিত হয়। তাই অন্যান্য প্রতিষ্ঠান, যেমন—উচ্চ আদালত নিরপেক্ষ না হলে এবং স্বাধীনভাবে কাজ করতে না পারলে কমিশনের পক্ষে এককভাবে স্বাধীনতা বজায় রাখা সম্ভব নয়। ফলে একটি সহায়ক প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে না উঠলে কমিশনের পক্ষে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনা করা আকাশকুসুম কল্পনা বই কিছু নয়।
তর্কের খাতিরে আমরা যদি ধরেও নিই যে একটি স্বাধীন ও শক্তিশালী কমিশন এককভাবে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনা করতে পারবে, কিন্তু সে নির্বাচনী ফলাফল রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে গ্রহণযোগ্য হবে, এটা নিশ্চিত করে বলা যায় না। আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পরাজিত দল সব সময়ই কারচুপির অভিযোগ তুলেছে এবং অনেক ক্ষেত্রে ফলাফল প্রত্যাখ্যানও করেছে। একটি জাতীয় মতৈক্য ছাড়া তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করলে নির্বাচনী ফলাফলের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে ভবিষ্যতে আরও নতুন জটিলতার সৃষ্টি হতে বাধ্য।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা একটি কার্যকর গণতান্ত্রিক পদ্ধতির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। তাই এর বিলুপ্তি অপরিহার্য। তবে তা করার আগে নির্বাচন কমিশনকে সত্যিকার অর্থেই স্বাধীন ও শক্তিশালী করা আবশ্যক। কিন্তু এ আবশ্যকীয় কাজটিই যথেষ্ট নয়। কারণ, রাজনৈতিক দলগুলো সদাচরণ না করলে এবং ক্ষমতাসীন সরকার পরিপূর্ণভাবে সহায়তা না করলে সবচেয়ে শক্তিশালী ও স্বাধীন নির্বাচন কমিশনের পক্ষেও সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান করা সম্ভবপর নয়। গত জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত উপজেলা নির্বাচনে আমরা এর আলামত কিছুটা দেখেছি। তাই তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্তির আগে অবশ্যই নির্বাচন কমিশনকে ক্ষমতায়িত ও শক্তিশালী করা জরুরি। একই সঙ্গে প্রয়োজন রাজনৈতিক দলের সংস্কার। প্রয়োজন আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির আমূল পরিবর্তন। আরও প্রয়োজন রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতৈক্য প্রতিষ্ঠা।
প্রসঙ্গত, অনেকের ধারণা যে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিদ্যমান না থাকলে ১১ জানুয়ারি ২০০৭ বাংলাদেশে সামরিক আইন জারি হতো, যা কোনোভাবেই কাঙ্ক্ষিত হতো না। অনেকে আরও ধারণা করেন, একটি জাতীয় মতৈক্য ছাড়া তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করলে এই ইস্যুতে নির্বাচন বয়কটের আশঙ্কাও থেকে যায়। ফলে আমাদের পুরো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাই ভবিষ্যতে বড় ধরনের ঝুঁকির সম্মুখীন হবে।
ড. বদিউল আলম মজুমদার: সম্পাদক, সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মার্কিন নব্য রক্ষণশীল মতের জনক আরভিং ক্রিস্টল মারা গেছেন
পত্রিকাটির ওয়েবসাইটে এক বার্তায় বলা হয়, তাঁর (আরভিং ক্রিস্টল) প্রজ্ঞা, রসবোধ ও উদারতা তাঁকে কয়েকটি প্রজন্মের চিন্তক ও জনসেবকদের বন্ধু ও পরামর্শদাতা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ ক্রিস্টলকে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক প্রেসিডেনশিয়াল মেডাল অব ফ্রিডমে ভূষিত করেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জোটনিরপেক্ষ আন্দোলন এখন প্রাসঙ্গিকতা হারিয়ে ফেলেছে: যুক্তরাষ্ট্র
রাইস বলেন, এ ধরনের ব্লক ও জোটগুলো সেকেলে হয়ে গেছে। এসব জোটে অংশ নেওয়া দেশগুলোর জাতীয় স্বার্থ রক্ষায়ও এগুলো প্রায়ই কোনো কাজ করতে পারে না। তিনি আরও বলেন, নিশ্চিতভাবেই যেটা প্রয়োজন সেটা হচ্ছে, এসব সনাতন ব্লকগুলো থেকে দেশগুলোর বেরিয়ে আসা এবং একুশ শতকের নিরাপত্তা হুমকি মোকাবিলায় একক ও সমন্বিত উদ্যোগের প্রতি জোর দেওয়া।
জাতিসংঘে চীনের ভূমিকা-সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে ন্যাম সম্পর্কে এ মন্তব্য করেন রাইস। তিনি বলেন, ‘নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য চীনের বড় ধরনের অংশগ্রহণ রয়েছে এবং দেশটি ইতিমধ্যেই জাতিসংঘে বড় ধরনের ভূমিকা রেখেছে। এসব ভূমিকা পালনে দেশটি অনেক কার্যকর পন্থায় কাজ করেছে। নিরাপত্তা পরিষদের যেসব দেশের সঙ্গে আমরা খুব ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করি, চীন এর মধ্যে একটি।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রানিমাতার কাছে পাঠানো ডায়ানার চিঠি পুড়িয়ে ফেলেছেন মার্গারেট
রানিমাতার জীবনবৃত্তান্ত নিয়ে লেখা নতুন এ বইয়ে বলা হয়েছে, প্রয়াত প্রিন্সেস মার্গারেট তাঁর এক বন্ধুকে বলেছিলেন, তিনি বেশ কিছু চিঠি পুড়িয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কারণ ওই চিঠিগুলো ছিল একান্ত ব্যক্তিগত।
নতুন এ বইটির নাম কুইন এলিজাবেথ দ্য কুইন মাদার: দি অফিসিয়াল বায়োগ্রাফি। বইটি লিখেছেন সাংবাদিক উইলিয়াম শোক্রস। এ বইয়ে বলা হয়েছে, ১৯৯৩ সালে প্রিন্স চার্লস ও ডায়ানার মধ্যে বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এর কয়েক মাস পরই প্রিন্সেস মার্গারেট তাঁর মা এলিজাবেথের কাছে পাঠানো বিভিন্ন নথি ও চিঠিপত্রে চোখ বোলান।
দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ গত বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে বলেছে, ‘প্রিন্সেস মার্গারেট তাঁর মায়ের কাছে আসা বেশ কিছু চিঠি পুড়েছিলেন। এসব চিঠির মধ্যে ডায়ানার চিঠিও ছিল।’ ১৯৯২ সালে সাংবাদিক এন্ড্রু মর্টন তাঁর লেখা ডায়ানা: হার ট্রু স্টোরি বইয়ে বলেছেন, মার্গারেটের মধ্যে এ ধারণা জন্মেছিল যে, প্রিন্স চার্লস, রানি এলিজাবেথ এবং রাজপরিবারের অন্য সদস্যদের কাছে তিনি অনেকটা অবহেলিত।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্রে সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে মিলছে আল-কায়েদার সংশ্লিষ্টতার ইঙ্গিত
এফবিআইয়ের একজন কর্মকর্তা বলেছেন, জিজ্ঞাসাবাদে নাজিবুল্লাহর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী আল-কায়েদার সঙ্গে তাঁর যোগসাজশ থাকার ইঙ্গিত মিলেছে। নাজিবুল্লাহ একটি সন্ত্রাসী হামলার যড়যন্ত্রের পেছনেও বড় ধরনের ভূমিকা রেখেছেন। কিন্তু কোন সন্ত্রাসী হামলার সঙ্গে তিনি জড়িত, এ ব্যাপারে তাত্ক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি। তবে এ হামলার ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে থেকে নাজিবুল্লাহর কাছে নির্দেশনা এসেছে।
তবে নাজিবুল্লাহর আইনজীবী বলেছেন, তাঁর মক্কেল কখনোই আল-কায়েদার কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না।
গত সপ্তাহে নাজিবুল্লাহকে আটক করে ডেনভারে তাঁর বসতঘর এবং তাঁর বেশ কয়েকজন আত্মীয়স্বজনের বাড়ি তল্লাশি করা হয়। তল্লাশি করে কী পাওয়া গেছে এ ব্যাপারেও কর্মকর্তারা কিছু বলেননি।
আরেক এফবিআই কর্মকর্তা বলেন, আল-কায়েদার একজন শীর্ষস্থানীয় সহযোগীর সঙ্গে নাজিবুল্লাহর ওঠাবসা আছে। তদন্তের স্বার্থে এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু বলা যাচ্ছে না। এফবিআই কর্মকর্তারা নাজিবুল্লাহ ও কলোরাডোর আরও চারজন সন্দেহভাজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। এফবিআই কর্মকর্তারা শুক্রবার নাজিবুল্লাহর বাবা মোহাম্মদ জাজিকেও জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
এফবিআই কর্মকর্তারা বলেন, গত ১০ সেপ্টেম্বর নাজিবুল্লাহ ডেনভার থেকে ম্যানহাটন হয়ে নিউইয়র্কে যান। নাজিবুল্লাহর দাবি, তিনি ব্যক্তিগত কাজে ওই দিন নিউইয়র্কে গিয়েছিলেন। কিন্তু এফবিআই কর্মকর্তারা বলছেন, নাজিবুল্লাহ কোনো অশুভ উদ্দেশেই নিউইয়র্কে গিয়েছিলেন।
গত সোমবার একটি গোয়েন্দা সংস্থা সতর্ক করে বলেছিল, যুক্তরাষ্ট্রে হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড দিয়ে তৈরি বোমার হামলা হতে পারে। এফবিআই ও নিউইয়র্ক পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বাহিনী বলেছে, সম্ভাব্য ওই হামলার পেছনে নাজিবুল্লাহর সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এ জন্য অবশ্য বাংলাদেশের রপ্তানি যে উল্লেখযোগ্যহারে বেড়েছে তা নয়। বরং আলোচ্য অর্থবছরে দুই দেশ থেকেই পণ্য আমদানির পরিমাণ বেশ খানিকটা কমেছে। আবার বাংলাদেশ থেকে দুই দেশে রপ্তানিও কিছুটা কমেছে। আর তাই কমে গেছে বাণিজ্য ঘাটতি।
আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ২০০৮-০৯ অর্থবছরে যেসব দেশের সঙ্গে বেশি বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে তার মধ্যে ভারত শীর্ষে। আর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে চীন।
বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশন (এফবিসিসিআই) কর্তৃক সংকলিত পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, ২০০৮-০৯ অর্থবছরে ভারতের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে বাংলাদেশের ঘাটতি ২৫৯ কোটি ডলারের ওপর চলে গেছে। আর একই সময় চীনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে ঘাটতি ২৫৭ কোটি ডলারের বেশি।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, ২০০৮-০৯ অর্থবছরে ভারত থেকে ২৮৬ কোটি ৩৬ লাখ ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়েছে। আগের ২০০৭-০৮ অর্থবছরে ভারত থেকে ৩৩৭ কোটি ৫০ লাখ ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়েছিল। অর্থাত্ এক বছরের ব্যবধানে আমদানির পরিমাণ প্রায় ৫০ কোটি ডলার কমেছে।
একই সময় ভারতে পণ্য রপ্তানির পরিমাণও কিছুটা কমেছে। ২০০৮-০৯ অর্থবছরে ভারতে ২৭ কোটি ৬৬ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি করা হয়। এর আগের অর্থবছরে ভারতের ৩৫ কোটি ৮০ লাখ ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়েছে। অর্থাত্ এক বছরের ব্যবধানে রপ্তানির পরিমাণও কমেছে আট কোটি ডলারের বেশি।
অন্যদিকে ২০০৮-০৯ অর্থবছরে চীন থেকে ২৬৬ কোটি ৭৩ লাখ ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়েছে। আগের ২০০৭-০৮ অর্থবছরে এর পরিমাণ ছিল ৩১০ কোটি ডলার। ফলে এক বছরের ব্যবধানে আমদানির পরিমাণ প্রায় ৪৩ কোটি ডলার কমেছে।
একই সময় চীনের বাজারে পণ্য রপ্তানির পরিমাণও কিছুটা কমেছে। ২০০৮-০৯ অর্থবছরে চীনে নয় কোটি ৭১ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি করা হয়, যা আগের ২০০৭-০৮ অর্থবছরে চীনে ১০ কোটি ৬৯ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি করা হয়।
বিশ্বমন্দায় আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যমূল্য কমে যাওয়ায় ভারত ও চীন থেকে পণ্য আমদানি ব্যয় কমে যাওয়ার প্রধান কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।
জানা গেছে, বাংলাদেশ থেকে চীনের বাজারে প্রধানত, কাঁচা পাট ও পাটজাত পণ্য, চামড়া, হিমায়িত মাছ ও চিংড়ি, পিভিসি ব্যাগ, রাসায়নিক সার, ওভেন পোশাক প্রভৃতি রপ্তানি হয়ে থাকে। অন্যদিকে বাংলাদেশ থেকে ভারতের বাজারে যায় প্রধানত, রাসায়নিক সার, কাঁচা পাট ও পাটজাত পণ্য, হিমায়িত মাছ, চামড়া, ওভেন ও নিট পোশাক, সুপারি, কটন ইয়ার্ন, পাট সুতা ও টেক্সটাইল ফেব্রিক্স। তবে ভারত ও চীন থেকে অসংখ্য পণ্য আমদানি করা হয়, যার তালিকা অনেক দীর্ঘ।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাশিয়ার সঙ্গে নবযুগ শুরু করার প্রস্তাব ন্যাটোর
ইউরোপে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা বাদ দেওয়ার ওবামার সিদ্ধান্তকে ‘সঠিক ও সাহসী’ পদক্ষেপ অভিহিত করেছেন রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ভ্লাদিমির পুতিন। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের আমলে ওই প্রতিরক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়।
অনেক সামরিক বিশ্লেষকের মতে, ওবামার এ সিদ্ধান্তকে তাঁর দুর্বলতা হিসেবে দেখতে পারে রাশিয়া। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী পুতিন এক ভাষণে ওবামাকে প্রযুক্তি ও বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। তবে বেশির ভাগ বিশ্লেষক জানান, ইউরোপে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা গড়ার পরিকল্পনা থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার সম্পর্কের বরফ গলাতে সহায়তা করবে।
এ বিষয়ে ন্যাটোর মহাসচিব অ্যান্ডের্স ফগ রাসমুসেন বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, ন্যাটো ও রাশিয়ার সম্পর্কের একটি নতুন সূচনা করা সম্ভব এবং এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে আরও ফলপ্রসূ সম্পর্ক গড়ে উঠবে।’ তিনি আরও বলেন, ন্যাটো, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার সম্ভাব্যতা নিয়ে যথাসময়ে আলোচনা করা হবে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গ্লোবালটাইমস-এর তালিকা আধুনিক চীন গড়ায় ভূমিকা রেখেছিলেন নেহরু ও রবীন্দ্রনাথ
আগামী ১ অক্টোবর চীনের জাতীয় বিপ্লব দিবসের প্রাক্কালেদ্য গ্লোবাল টাইমস ওই তালিকা প্রকাশ করল। পাঠক জরিপের মাধ্যমে ওই তালিকাটি তৈরি করা হয়েছে বলে টাইমস জানিয়েছে।
স্বাধীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু এবং তত্কালীন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী চৌ এন লাই পঞ্চাশের দশকে ‘চীন-ভারত ভাই ভাই’ নীতির প্রবক্তা ছিলেন। ওই নীতিতে সে সময় দুই দেশের মধ্যে চমত্কার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের সূচনা হয়। কিন্তু ১৯৬২ সালের সীমান্তবিরোধ নিয়ে সংঘর্ষের পর দুই দেশের সম্পর্কে শীতলতা চলে আসে। তবে আধুনিক চীনের বিবর্তনে অবদান রাখা ৬০ বিদেশি গুণীর তালিকায় নেহরুর নাম সংযোজন এখন ভারত-চীন সম্পর্কে উষ্ণতার হাতছানি কি না, তা অবশ্য পরিষ্কার করেনি টাইমস।
বেইজিং বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জং ইয়াওর উদ্ধৃতি দিয়ে গ্লোবাল টাইমস জানায়, নেহরু, মার্শাল টিটো এবং হো চি মিনের মতো নেতারা চীনের সঙ্গে সুসম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ওই তালিকায় ঠাঁই পাওয়া একমাত্র কবি হচ্ছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ওই তালিকার একাদশ এবং নেহরু রয়েছেন উনিশতম স্থানে। অন্য এশীয়দের মধ্যে ওই তালিকায় ঠাঁই পেয়েছেন ভিয়েতনামের অবিসংবাদিত নেতা হো চি মিন, বিশ্বখ্যাত ইলেকট্রনিকসামগ্রী নির্মাতা প্রতিষ্ঠান প্যানাসনিকের জনক কনোসুকে মাতসুশিতা, সিঙ্গাপুরের রাজনীতিক লি কাউন ইউক এবং জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জুনিচিরো কোইজুমি।
তবে ওই ৬০ জন গুণীর তালিকায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে কেন রাখা হয়েছে গ্লোবাল টাইমস সে ব্যাপারে ব্যাখ্যা দেয়নি। তবে রবীন্দ্রনাথের বিভিন্ন লেখা চীনা ভাষায় অনূদিত হয়েছে। এসব লেখা দেশটির বড় বড় গ্রন্থাগারেও পাওয়া যায়। এর পরও ১৯২৪ সালে রবীন্দ্রনাথ তাঁর বেইজিং সফরকালে বিরূপ পরিস্থিতির শিকার হয়েছিলেন।
গ্লোবাল টাইমস-এর ওই তালিকাকে তিনটি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে। প্রথম ভাগে রয়েছেন নিউটনের মতো বিজ্ঞানী-দার্শনিকেরা, যাঁদের মাধ্যমে মানবজাতি আলোকিত হয়েছে। দ্বিতীয় ভাগে রয়েছেন সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার এবং জাপানি প্রধানমন্ত্রী কাকুয়ে তানাকার মতো বিশ্বনেতারা, যাঁরা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে চীনের গুরুত্ব বাড়াতে অবদান রেখেছেন। তৃতীয় ভাগে রয়েছেন এমন কয়েকজন বিদেশি ব্যক্তিত্ব, যাঁদের মাধ্যমে চীনের সামাজিক ক্ষেত্রে আধুনিকতার সূচনা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস এবং সদ্য প্রয়াত পপসম্রাট মাইকেল জ্যাকসন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আলোচনায় না ফিরলে ইরানকে চরম মূল্য দিতে হবে: হিলারি
ওয়াশিংটনে গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশ বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে এক বৈঠকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ আহ্বান জানান। হিলারি আরও বলেন, ‘ইরানের পরমাণু সংকট কূটনৈতিকভাবে সমাধানে আমাদের সদিচ্ছার কথা আগেই জানিয়ে দিয়েছি। কিন্তু ইরান আমাদের সঙ্গে আলোচনায় বসবে কি না, সেটা এখন তাদের সিদ্ধান্তের বিষয়।’
আগামী ১ অক্টোবর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্যরাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স এবং আরেক শক্তি জার্মানির সঙ্গে ইরানের পরমাণুবিষয়ক শীর্ষ আলোচক সাইদ জলিলির আলোচনায় বসার কথা রয়েছে।
হিলারি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ইরান এ আলোচনা থেকে সরে দাঁড়ালে আরও কঠিন নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়বে। ইরান পরমাণু কর্মসূচির সিদ্ধান্তে অটল থাকলে তাদের চড়া মূল্য দিতে হবে। তেহরান বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে এবং তার ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়বে। এর ফলে ইরানিদের উন্নতির কমই সম্ভাবনা থাকবে।
জাতিসংঘে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত সুসান রাইস বলেছেন, আসন্ন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সময় ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে মার্কিন নেতাদের আলোচনায় বসার কোনো পরিকল্পনা নেই।
পোল্যান্ড ও চেক প্রজাতন্ত্রে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা গড়ার পরিকল্পনা বাতিলের সিদ্ধান্তের ব্যাপারে হিলারি ওবামাকে সমর্থন করেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপে তার মিত্রদের রক্ষার স্বার্থে নতুন প্রতিরক্ষাব্যবস্থা নেবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তার মিত্রদের থেকে কখনো দূরে সরে যাবে না।
হিলারি আরও বলেন, আসন্ন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যুক্তরাষ্ট্র পরমাণু অস্ত্রমুক্ত বিশ্ব গঠনের ওপর জোর দেবে। এ ছাড়া আফগানিস্তান ও পাকিস্তানে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা, আরব-ইসরায়েল শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নারীদের সহায়তা দিয়ে তাদের উন্নয়ন নিশ্চিত করার বিষয়েও তারা গুরুত্ব দেবে। ।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দাম চড়া, তবে বিক্রিও ভালো -বগুড়ায় বাহারি পণ্যের সমাহার
ঈদ ও পূজা সামনে রেখে এই শহরে গত এক মাসে অন্তত ১৪টি প্রতিষ্ঠান যাত্রা শুরু করেছে। সরকারি আযিযুল হক কলেজের ছাত্রী দিল আফরোজ বলেন, এসব নতুন ফ্যাশন হাউসে দাম বেশি নিলেও মনের মতো সব জিনিসই পাওয়া যাচ্ছে।
বিশেষ করে, বগুড়া নিউমার্কেটে ধনী-গরিব, মধ্যবিত্ত নির্বিশেষে সব ধরনের ক্রেতার ব্যাপক সমাগম ঘটছে। তবে পুরোনো এই মার্কেটে গ্রামের ক্রেতাদের সংখ্যা একটু বেশি।
তবে এবার দাম বেশি বলে অভিযোগ করেছেন সাধারণ ক্রেতারা। কাহালু উপজেলা থেকে নিউমার্কেটে আসা চাকরিজীবী আমির হোসেন বলেন, যে দাম হাঁকানো হচ্ছে, তাতে মনের মতো কেনাকাটা করা যাচ্ছে না।
উপশহরের গৃহবধূ তাছলিমা খাতুন নিউমার্কেটে প্রথম আলো প্রতিনিধিকে বলেন, ‘বাচ্চার এক সেট জামার দাম চেয়েছে দেড় হাজার টাকা। অথচ গত বছর একই ধরনের পোশাক কিনেছি হাজার টাকায়।’
গাবতলীর হোসেনপুর গ্রামের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আলম মিয়া বলেন, বাজার খুব চড়া।
তার পরও পছন্দের জিনিস ফেলে রেখে গেলে পরে আবার এসে তা আর পাওয়া যাচ্ছে না।
নিউমার্কেট ছাড়াও বগুড়া শহরের শেখ শরিফউদ্দিন সুপার মার্কেট, জামিল শপিং সেন্টার, সেন্স বেরি, টাচ অ্যান্ড টেক, আহম্মদ আলী সুপার মার্কেট, হকার্স মার্কেট, আল আমিন কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন মার্কেটে এখন উপচেপড়া ভিড়।
থ্রি-পিস ফ্যাশনের স্বত্বাধিকারী রায়হান আলী শিপলু জানান, এবার বিক্রি আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে।
গরিবের মার্কেট-খ্যাত বগুড়ার হকার্স মার্কেটে বেচাকেনা জমে উঠেছে। তবে এখানেও স্বল্প আয়ের লোকজন দাম শুনে হতাশ।
ঠেঙ্গামারা গ্রামের রিকশাচালক খাজা মিয়া ৩০০ টাকা নিয়ে এলেও মেয়ের জন্য কাপড় কিনতে পারেননি বলে জানান।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গত অর্থবছরে ভারত ও চীনের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমেছে by সুনীতি বিশ্বাস
এ জন্য অবশ্য বাংলাদেশের রপ্তানি যে উল্লেখযোগ্যহারে বেড়েছে তা নয়। বরং আলোচ্য অর্থবছরে দুই দেশ থেকেই পণ্য আমদানির পরিমাণ বেশ খানিকটা কমেছে। আবার বাংলাদেশ থেকে দুই দেশে রপ্তানিও কিছুটা কমেছে। আর তাই কমে গেছে বাণিজ্য ঘাটতি।
আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ২০০৮-০৯ অর্থবছরে যেসব দেশের সঙ্গে বেশি বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে তার মধ্যে ভারত শীর্ষে। আর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে চীন।
বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশন (এফবিসিসিআই) কর্তৃক সংকলিত পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, ২০০৮-০৯ অর্থবছরে ভারতের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে বাংলাদেশের ঘাটতি ২৫৯ কোটি ডলারের ওপর চলে গেছে। আর একই সময় চীনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে ঘাটতি ২৫৭ কোটি ডলারের বেশি।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, ২০০৮-০৯ অর্থবছরে ভারত থেকে ২৮৬ কোটি ৩৬ লাখ ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়েছে। আগের ২০০৭-০৮ অর্থবছরে ভারত থেকে ৩৩৭ কোটি ৫০ লাখ ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়েছিল। অর্থাত্ এক বছরের ব্যবধানে আমদানির পরিমাণ প্রায় ৫০ কোটি ডলার কমেছে।
একই সময় ভারতে পণ্য রপ্তানির পরিমাণও কিছুটা কমেছে। ২০০৮-০৯ অর্থবছরে ভারতে ২৭ কোটি ৬৬ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি করা হয়। এর আগের অর্থবছরে ভারতের ৩৫ কোটি ৮০ লাখ ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়েছে। অর্থাত্ এক বছরের ব্যবধানে রপ্তানির পরিমাণও কমেছে আট কোটি ডলারের বেশি।
অন্যদিকে ২০০৮-০৯ অর্থবছরে চীন থেকে ২৬৬ কোটি ৭৩ লাখ ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়েছে। আগের ২০০৭-০৮ অর্থবছরে এর পরিমাণ ছিল ৩১০ কোটি ডলার। ফলে এক বছরের ব্যবধানে আমদানির পরিমাণ প্রায় ৪৩ কোটি ডলার কমেছে।
একই সময় চীনের বাজারে পণ্য রপ্তানির পরিমাণও কিছুটা কমেছে। ২০০৮-০৯ অর্থবছরে চীনে নয় কোটি ৭১ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি করা হয়, যা আগের ২০০৭-০৮ অর্থবছরে চীনে ১০ কোটি ৬৯ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি করা হয়।
বিশ্বমন্দায় আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যমূল্য কমে যাওয়ায় ভারত ও চীন থেকে পণ্য আমদানি ব্যয় কমে যাওয়ার প্রধান কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।
জানা গেছে, বাংলাদেশ থেকে চীনের বাজারে প্রধানত, কাঁচা পাট ও পাটজাত পণ্য, চামড়া, হিমায়িত মাছ ও চিংড়ি, পিভিসি ব্যাগ, রাসায়নিক সার, ওভেন পোশাক প্রভৃতি রপ্তানি হয়ে থাকে। অন্যদিকে বাংলাদেশ থেকে ভারতের বাজারে যায় প্রধানত, রাসায়নিক সার, কাঁচা পাট ও পাটজাত পণ্য, হিমায়িত মাছ, চামড়া, ওভেন ও নিট পোশাক, সুপারি, কটন ইয়ার্ন, পাট সুতা ও টেক্সটাইল ফেব্রিক্স। তবে ভারত ও চীন থেকে অসংখ্য পণ্য আমদানি করা হয়, যার তালিকা অনেক দীর্ঘ।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বার্সেলোনায় মেসি আরও সাত বছর
মেসি জানেন বর্ধিত চুক্তিটা বার্সেলোনা করেছে গত বছরের অর্জন দেখে, ‘এই চুক্তিটি আসলে গত বছরে যা কিছু হয়েছে তারই ফল।’ বার্সেলোনার ওয়েবসাইটে লেখা মেসির বক্তব্যে তবু দলীয় সাফল্যেরই জয়গান, ‘অসাধারণ এক দল খেলোয়াড়ের মধ্যে আমি একজন। অসাধারণ এবং সুসংগঠিত একটা দল পেয়েছি আমরা।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
টেন্ডুলকারদের পাশে নেই ভারত সরকার
ভারতীয় ক্রিকেটাররা মাদকবিরোধী নীতির নতুন শর্ত প্রত্যাখ্যান করার পর ওয়াডা আনুষ্ঠানিকভাবে জানতে চেয়েছিল, এ ক্ষেত্রে সরকারের সমর্থন ক্রিকেটারদের পক্ষে আছে কি না। জবাবে ভারত সরকার জানিয়েছে, তারা ওয়াডাকেই সমর্থন করে। ভারতের জাতীয় মাদকবিরোধী সংস্থার মহাপরিচালক রাহুল ভাটনগর দ্য হিন্দু পত্রিকাকে বলেছেন, ‘আমরা তাদের (ওয়াডা) জানিয়ে দিয়েছি, আমাদের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি। ভারত সরকার এই নীতিকে পুরোপুরি সমর্থন করে।’
গত জানুয়ারিতে ওয়াডার নতুন নীতি গ্রহণ করে আইসিসি। এই নীতিতে বলা আছে, চাইলেই ডোপ পরীক্ষার জন্য জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের পাওয়া নিশ্চিত করতে তিন মাস পর পর প্রতিদিন ১ ঘণ্টার জন্য তাদের অবস্থান জানাতে হবে। গত ১ আগস্ট থেকে এই নীতি কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও শচীন টেন্ডুলকারসহ ভারতের ১১ ক্রিকেটার এর বিরোধিতা করেন। নিরাপত্তা এবং ব্যক্তিগত জীবনে বিঘ্ন ঘটবে—এই প্রশ্ন তুলে তাঁরা ওয়াডা নীতিমালায় স্বাক্ষর করেননি। বিসিসিআই এ ক্ষেত্রে ক্রিকেটারদেরই সমর্থন করে। এমনকি নিজেদের অবস্থান দৃঢ় করে দুটি শীর্ষ আইনি সংস্থার মত নিয়ে। তবে ধারণা করা হচ্ছে, এই বিষয়ে আইসিসির অন্য পূর্ণ সদস্যদেশগুলোর কাছ থেকে বড় রকমের সমর্থনই এখন পাচ্ছে বিসিসিআই।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অক্টোবরেই ফিরছেন গেইলরা
চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে দুর্বল দল পাঠালেও ওয়েস্ট ইন্ডিজকে টুর্নামেন্ট শুরুর আগ পর্যন্ত দল পরিবর্তনের সুযোগ দিয়েছিল আইসিসি। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সম্ভবত দুর্বল দলটাকেই খেলাবে। ফ্লয়েড রেইফারের নেতৃত্বাধীন দলটা এর মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকা পৌঁছেও গেছে। ক্রিস গেইল-ডোয়াইন ব্রাভোরা মাঠে ফিরবেন সম্ভবত অক্টোবরে অনুষ্ঠেয় ঘরোয়া আঞ্চলিক ওয়ানডে টুর্নামেন্ট দিয়ে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতের বিপক্ষে প্রতিশোধস্পৃহ ইউনুস
সেবার দুই ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল। প্রথমে গ্রুপ পর্বে, পরে ফাইনালে। দুটি ম্যাচই ছিল নখ কামড়ানো, ক্ষণে ক্ষণে রোম শিউরে ওঠার উত্তেজনার। গ্রুপ পর্বের ম্যাচটা তো ‘টাই’-ই হয়ে গেল। আর ফাইনালে মাত্র ৫ রানে হেরে গিয়েছিল পাকিস্তান।
দক্ষিণ আফ্রিকায় সর্বশেষ কোনো ওয়ানডেতে এই দুই দল মুখোমুখি হয়েছিল ২০০৩ সালে। সেটাও বিশ্বকাপে। এবং সেই বিশ্বকাপে ২৭৩ রান করেও জিততে পারেনি পাকিস্তান। সাঈদ আনোয়ারের ১০১ ম্লান হয়ে গিয়েছিল ৭৫ বলে খেলা শচীন টেন্ডুলকারের ৯৮ রানের ইনিংসটার কাছে।
ওই ম্যাচে টেন্ডুলকারকে শোয়েব আখতারের বলে ক্যাচ নিয়ে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন ইউনুস খান। টেন্ডুলকারকে সেঞ্চুরিবঞ্চিত করার তৃপ্তি অবশ্য মুছে গিয়েছিল জয়বঞ্চিত হওয়ার তিক্ত অভিজ্ঞতায়। এখনকার অধিনায়ক ইউনুস আজও ভুলতে পারেন না সেই ম্যাচের স্মৃতি। আর তাই দক্ষিণ আফ্রিকায় পা রেখেই তিনি জানিয়ে দিলেন, ছয় বছর আগের সেই দেনা-পাওনা এবার মিটিয়ে দিতে চান, ‘ভারতের কাছে হারাটা সব সময়ই বেদনাদায়ক। আমি ওই ম্যাচে খেলেছিলাম। আমরা ২৭০-এর মতো রান করেও জিততে পারিনি। অথচ এই কন্ডিশনে ২৫০ রানকেও মানা হতো নিরাপদ স্কোর। টেন্ডুলকার আর শেবাগ দুর্দান্ত শুরু করেছিল (৫ ওভারে ৫০ রান)। এর পর রাহুল দ্রাবিড় আর যুবরাজ সিং সেটাকেই টেনে নিয়ে গিয়েছে জয়ের প্রান্তে। ওই পরাজয় আমাকে এখনো আহত করে।’
পরিসংখ্যান ইউনুসদের পক্ষে। পাকিস্তান-ভারত ১১৭টি ওয়ানডে লড়াইয়ে তারা ৬৮-৪৫ ব্যবধানে এগিয়ে। বিশ্বকাপে যদিও এখন পর্যন্ত মুখোমুখি চার ম্যাচের কোনোটিই জিততে পারেনি পাকিস্তান, কিন্তু চ্যাম্পিয়নস ট্রফির হিসাবটা অন্য। এই টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত একবারই মুখোমুখি হয়েছিল তারা। ২০০৪ সালে ইংল্যান্ডে। সেবার ভারতকে ৩ উইকেটে হারিয়েছিল পাকিস্তান। অবশ্য হাতে ছিল মাত্র ৪ বল!
ভারত-পাকিস্তান মানেই যে উত্তেজনা!
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ওয়ানডে বাঁচানোর মিশন
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) সাফল্য টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন। এটাই ওয়ানডের ভবিষ্যেক ঠেলে দিচ্ছে প্রশ্নের মুখে। তর্ক-বিতর্কও কম হচ্ছে না ক্রিকেট বিশ্বে। ভারতীয় ব্যাটিং মায়েস্ত্রো শচীন টেন্ডুলকারও যেমন ওয়ানডে বাদ দেওয়ার বদলে এটিকে দুই ইনিংসে করে ফেলার তত্ত্ব দিয়েছেন। আরেক সাবেক ভারত অধিনায়ক অনিল কুম্বলে বলছেন, ৫০ নয়, ৪০ ওভারের খেলা হোক। তবে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক লেগ স্পিনার শেন ওয়ার্ন একেবারে ‘চরমপন্থী’। বলছেন—আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে ছেঁটে ফেলা হোক ওয়ানডে ক্রিকেট।
সাবেক পাকিস্তান অধিনায়ক ইমরান খান অবশ্য কোনোটারই পক্ষে নন। তাঁর মত, ৫০ ওভারের ক্রিকেট অক্ষত থাকুক। ক্রিকেটকে আরও জনপ্রিয় করতে চাইলে বরং অন্য কোনো চেষ্টা চালানো যেতে পারে। ‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সূচি ভারসাম্যপূর্ণ হলে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা টেস্ট বা ওয়ানডের জন্য কোনো হুমকি বলে আমি মনে করি না’—বলেছেন ইমরান।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) চিন্তাভাবনা এখন পর্যন্ত ইমরান খানের মতোই মনে হচ্ছে। আইসিসির প্রধান নির্বাহী হারুন লরগাতের আশা, আসন্ন চ্যাম্পিয়নস ট্রফিই ওয়ানডের নতুন দিন ঘোষণা করবে। দক্ষিণ আফ্রিকায় পুনর্জন্ম হবে ওয়ানডে ক্রিকেটের, ‘দর্শক নেই, এই নেই সেই নেই বলে এক বছর আগে তো মানুষ টেস্ট ক্রিকেটের মৃত্যু নিয়েও কম উদ্বিগ্ন ছিল না। আমার মনে হয়, আমরা একটু বেশি ভেবে ফেলছি এসব নিয়ে। দক্ষিণ আফ্রিকার চ্যাম্পিয়নস ট্রফিটাই প্রমাণ করে দেবে যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এখনো ওয়ানডের জায়গা আছে।’ খেলায় বৈচিত্র্য আনার জন্য সব সময়ই নতুন নতুন চিন্তাভাবনা হচ্ছে, আসছে নতুন উদ্ভাবন (যেমন ব্যাটিং পাওয়ার প্লে)। তাই বলে অল্প সময়ের মধ্যে বড় দাগে পরিবর্তনের পক্ষে আইসিসিও নয় বলে জানিয়েছেন লরগাত।
কিন্তু যে টুর্নামেন্ট দিয়ে ওয়ানডের দিন ফেরানোর কথা বলছে আইসিসি, প্রশ্ন যে সেই চ্যাম্পিয়নস ট্রফি নিয়েও! ভারত এটাকে ‘শ্বেতহস্তী’ বলে দিয়েছে অনেক আগেই। চ্যাম্পিয়নস ট্রফি নিয়ে প্রশ্ন আছে খোদ উইজডেনেরই। বিশ্বকাপের মাত্র পাঁচ মাস আগে অনুষ্ঠিত ২০০৬ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফিকে উইজডেন বলেছিল, ‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের অনাকাঙ্ক্ষিত সন্তান’। সাবেক অস্ট্রেলীয় ব্যাটসম্যান ম্যাথু হেইডেন নিজের লেখা এক কলামে প্রশ্ন তুলেছেন, ‘এক বছর পর পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলাটা একটু বাড়াবাড়ি। আর ৫০ ওভারের বিশ্বকাপ থাকতে চ্যাম্পিয়নস ট্রফিই বা খেলতে হবে কেন?’
তবে আইসিসির প্রধান নির্বাহী মনে করছেন, এবারের চ্যাম্পিয়নস ট্রফি ওয়ানডেকে নতুন দিনেই শুধু নিয়ে যাবে না, টুর্নামেন্টটি নিজের জন্যও খুঁজে পাবে সঠিক পথের দিশা। শেন ওয়ার্ন যে টুর্নামেন্টটাকে বলেন ‘কৌতুক’, জোহানেসবার্গ আর সেঞ্চুরিয়নে ১১ বছরের পরিচয়-সংকট কাটিয়ে উঠবে সেটা। মাত্র ১৪ দিনে বিশ্বের সেরা ৮ দলের ১৫ ম্যাচের এই টুর্নামেন্টে থাকবে উত্তেজনার বারুদ।
১১ বছর আগে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির প্রথম আসর বসেছিল ঢাকায় (শুরুতে আইসিসি নকআউট টুর্নামেন্ট বা মিনি বিশ্বকাপ নামেই পরিচিত ছিল সেটা)। পরের বারের স্বাগতিক কেনিয়া। সাবেক বিসিসিআই সভাপতি জহমোহন ডালমিয়ার মস্তিষ্কপ্রসূত এই টুর্নামেন্ট এর পর থেকেই হারাতে থাকে আলো।
দক্ষিণ আফ্রিকায় কি সত্যিই ফিরবে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির হারানো দিন? ওয়ানডে ক্রিকেটে হঠাত্ এসে পড়া অনিশ্চয়তার কালো মেঘ সরিয়ে দেওয়া সাফল্য পেলে উত্তরটা হয়তো ‘হ্যাঁ’ই হবে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আঁতুড়ঘরকে ভুলে গেল যে টুর্নামেন্ট
বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়েকে সুযোগ দেওয়া হয়নি ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ের দোহাই পেড়ে। এরা যে সেরা আট দলের বাইরে। কিন্তু জোহানেসবার্গে ওয়েস্ট ইন্ডিজের খেলা দেখাটা অনেকের জন্যই হবে হতাশার। ফ্লয়েড রেইফারের এই ওয়েস্ট ইন্ডিজ যখন মাঠের মধ্যে নিগৃহীত হবে, তখন হতাশা থেকে জন্ম নেবে বিশাল প্রশ্ন। যে বাংলাদেশ কদিন আগেই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে তাদের মাঠে ‘ধবলধোলাই’ করে এল, তারা নেই কেন? উত্তর একটাই, বাংলাদেশের ওয়ানডে র্যাঙ্কিং ৯!
মাশরাফি, সাকিব, তামিমদের বাংলাদেশ দর্শক সেজে দীর্ঘশ্বাস ফেলবে ঘরে বসে। কিন্তু টুর্নামেন্টে খেলেও হাহাকারে দীর্ণ হবে পাকিস্তানের অন্তর। পরশু থেকে শুরু হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্টটা যে হওয়ার কথা ছিল পাকিস্তানেই। নিরাপত্তার অভাবেই আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফিকে নিয়ে তুলেছে দক্ষিণ আফ্রিকায়।
পাকিস্তানের দুঃখ আছে আরও একটি। ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশে যে টুর্নামেন্টের যাত্রা শুরু, সেটি ফরম্যাট আর চরিত্র বদলে এরই মধ্যে ৫টি আয়োজন করে ফেলেছে পাঁচটি আসর। ৫ বারে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ছয়টি দল। অর্থাত্ এবার র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ আটটি দলের এই টুর্নামেন্টে (বাংলাদেশ র্যাঙ্কিংয়ে নয় নম্বরে থাকায় আমাদের স্রেফ দর্শক হয়ে থাকতে হচ্ছে) কেবল পাকিস্তান আর ইংল্যান্ডের এখনো এই ট্রফি জেতা হয়নি। বাকি ছয়টি দলই হাতে তুলেছে রুপালি স্তম্ভের ওপর সোনালি বলের এই ট্রফি।
সবচেয়ে মজার ব্যাপার, ক্ষয়িষ্ণু ওয়েস্ট ইন্ডিজ আবার এই টুর্নামেন্টে বেশ সফল—দুবার রানার্সআপ, একবার চ্যাম্পিয়ন! প্রথম আসরে ঢাকায় রানার্সআপ হয়েছিল ব্রায়ান লারার ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ২০০৪ সালে স্বাগতিক ইংল্যান্ডকে হারিয়ে তারা জিতে নিয়েছিল শিরোপা। আর সর্বশেষ ২০০৬ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ফাইনালে হেরেছিল অস্ট্রেলিয়ার কাছে।
স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার অভিজ্ঞতাটা আবার মিশ্র। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রত্যাবর্তনের পর থেকে বরাবরই সমীহ জাগানো দল তারা। কিন্তু এখন পর্যন্ত তাদের বড় শিরোপা বলতে বাংলাদেশ থেকে নিয়ে যাওয়া হানসি ক্রনিয়ের দলের ১৯৯৮ মিনি বিশ্বকাপ শিরোপাটাই। সেই দলটির দুই সদস্য জ্যাক ক্যালিস আর মাখায়া এনটিনি এখনো খেলছেন। এই এক দশকের বেশি সময়ে তাঁরা সাক্ষী হয়েছেন, কীভাবে প্রতিটি বড় টুর্নামেন্টে ফেবারিটের তকমা সেঁটে শুরু করেও চাপের মুখে বারবার দক্ষিণ আফ্রিকা ভেঙে পড়ে। দলটার নামই তাই হয়ে গেছে ‘চোকার’।
অধিনায়ক গ্রায়েম স্মিথকে তাই বলতে হলো, ‘যখনই আমরা কোনো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ হেরে যাই, চোকার শব্দটা উচ্চারিত হয়। তবে গত কয়েক বছরে আমাদের উন্নতির গ্রাফ কিন্তু ছিল ঊর্ধ্বমুখী। দল আরও ভালো, আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে।’ দক্ষিণ আফ্রিকাকে অবশ্য তাতিয়ে দিয়েছে আইসিসির চূড়ান্ত পুরস্কারের তালিকায় তাদের কারোরই নাম থাকার বিষয়টি।
‘বি’ গ্রুপে প্রোটিয়াদের সঙ্গী হচ্ছে ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড আর শ্রীলঙ্কা। ইংল্যান্ড আর নিউজিল্যান্ডের যে দশা, তাতে এই গ্রুপ থেকে শ্রীলঙ্কা আর দক্ষিণ আফ্রিকার সেমিফাইনাল প্রায় নিশ্চিত। নিজেদের মাটিতে ৭-০ ব্যবধানে ধবলধোলাইয়ের লজ্জার সামনে ইংল্যান্ড। আর কমপ্যাক কাপে ব্যর্থতার ধারা দক্ষিণ আফ্রিকাতেও টেনে এনে স্থানীয় দল ওয়ারিয়র্সের কাছে হেরেছে নিউজিল্যান্ড।
‘এ’ গ্রুপ কঠিনই হয়েছে। এখানে মুখোমুখি হবে অস্ট্রেলিয়া, ভারত, পাকিস্তান আর ওয়েস্ট ইন্ডিজ। গ্রুপ পর্বে মোট ছয়টি করে ম্যাচ। ‘এ’ গ্রুপের সেরা দুই দল আর ‘বি’ গ্রুপের সেরা দুই দল নিয়ে হবে সেমিফাইনাল। এর ফাইনাল। মোট ১৪ দিনে ১৫ ম্যাচের এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে মঙ্গলবার মুখোমুখি হচ্ছে শ্রীলঙ্কা আর দক্ষিণ আফ্রিকা।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফুটবলের দাবিতে জেলায় জেলায় আন্দোলন
আমাদের রাজশাহী প্রতিনিধি দুলাল আবদুল্লাহ জানিয়েছেন, ১৪ সেপ্টেম্বর ৩৬ জন ফুটবলার ৫ দফা দাবিসংবলিত একটি স্মারকলিপি দিয়েছেন জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ডিএফএ) সভাপতিকে। তাঁদের দাবি, ডিএফএকে প্রথম বিভাগ ও দ্বিতীয় বিভাগ লিগের নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করতে হবে। আর্থিক সংকটের দোহাই দিয়ে রাজশাহী ডিএফএর সভাপতি মোসাদ্দেকুল কুদ্দুস বলেন, ‘জেলা ক্রীড়া সংস্থা ও বাফুফের কাছে টাকা চেয়েছি। তাদের কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা পেলে নিয়মিত লিগ আয়োজন করা যাবে। আর জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ থেকে মাঠ ও অফিস দেওয়ার জন্য লিখিতভাবে জেলা ক্রীড়া সংস্থাকে চিঠি দিতে বলা হলেও এখন পর্যন্ত তারা আমাদের কোনো চিঠি দেয়নি।’ লিগ শুরু না হলে জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপের ক্যাম্পে যোগ দেবেন না বলে হুমকি দিয়েছেন অনেক খেলোয়াড়।
সাতক্ষীরা থেকে নিজস্ব প্রতিবেদক কল্যাণ ব্যানার্জির পাঠানো খবরটাও একই রকম। এক যুগ ধরে কোনো ফুটবল লিগ হয় না সাতক্ষীরায়। দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া দেড় শতাধিক ফুটবলার তাই লিগের দাবিতে ১৬ সেপ্টেম্বর স্থানীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। পরে তারা জেলা প্রশাসককেও স্মারকলিপি দিয়েছে। জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলামের কথা, ‘ফুটবল লিগের দায়িত্ব সাতক্ষীরা জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের। লিগের জন্য গত ১ জুন স্টেডিয়ামও ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এখন তারাই ভালো বলতে পারবে, কবে লিগ শুরু হবে।’ সাতক্ষীরা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম নানা অসুবিধার কথা তুলে ধরে বলেছেন, ‘কয়েকবার উদ্যোগ নেওয়া হলেও ক্লাবগুলোর অসুবিধার কারণে লিগ শুরু করা যায়নি। আগামী ১ অক্টোবর থেকে উপজেলা টুর্নামেন্ট শুরু হচ্ছে। এটা শেষ হলেই ক্লাবগুলোর সঙ্গে আলাপ করে লিগ শুরু করব।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুটি অর্জনের সামনে অস্ট্রেলিয়া
সিরিজের প্রথম টসটি জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে অস্ট্রেলিয়াকে বড় রানের ভিত গড়ে দিয়েছিল টিম পেইনের সেঞ্চুরি ও মাইক হাসির ফর্মে ফেরা হাফ সেঞ্চুরি। ব্রাড হাডিনের ইনজুরিতে দলে সুযোগ পেয়ে ক্যারিয়ারের সপ্তম ওয়ানডেতেই সেঞ্চুরির দেখা পেয়ে গেলেন পেইন। তাসমানিয়ার এই উইকেটকিপারের ১১১ রানের ইনিংসে ছিল ১৪টি চার ও ১টি ছয়। ৪০ রানের মধ্যে শেন ওয়াটসন ও রিকি পন্টিংকে হারানোর পর মাইক হাসিকে (৬৫) নিয়ে তৃতীয় উইকেটে ১৬৩ রানের জুটি গড়েন পেইন। সিরিজে এখনো পর্যন্ত দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান এই ২৪ বছর বয়সীর, কিন্তু হাডিন ফিরলে হয়তো জায়গা ছেড়ে দিতে হবে তাঁকে। পেইন এই বাস্তবতা নিজেও জানেন, ‘ব্রাড ফিরবেই, সে অস্ট্রেলিয়ার সেরা উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান। কিন্তু আমি প্রমাণ করতে পেরেছি, আমি কাছাকাছিই আছি। সে না ফেরা পর্যন্ত সময়টা আমি এভাবেই উপভোগ করতে চাই।’
অস্ট্রেলিয়াকে ২৯৬ রানে নিয়ে তুলতে বড় অবদান রেখেছেন ক্যামেরন হোয়াইট (২৩ বলে ৩৫) ও জেমস হোপস (২২ বলে ৩৮)। এই দুজনের দুই ‘ক্যামিও ইনিংস’ শেষ ১০ ওভারে ৯০ রান এনে দেয় অস্ট্রেলিয়াকে। কঠিন লক্ষ্যের পেছনে ছুটে ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই অ্যান্ড্রু স্ট্রাউসকে হারায় ইংল্যান্ড। ৪৫ রানে জো ডেনলিকেও (২৫) হারানো ইংলিশদের ম্যাচ থেকে ছিটকে দেন পন্টিং। ইনিংসের ১৪ ও ১৫তম ওভারে সরাসরি থ্রোতে রান আউট করেন রবি বোপারা (২৪) ও ম্যাট প্রিয়রকে (৬)। শেষ পর্যন্ত ৯ ওভার বাকি থাকতেই ১৮৫ রানে অলআউট হয় ইংলিশরা। তাদের ৮ ব্যাটসম্যান দু অঙ্ক ছুঁলেও সর্বোচ্চ ৩১ রান ৮ নম্বরে নামা টিম ব্রেসনানের। হোপস ৩টি আর ব্রেট লি ও নাথান ব্র্যাকেন ২টি করে উইকেট নেন। সিরিজে সর্বোচ্চ পাঁচ রান সংগ্রহকারীর মাত্র একজন ইংল্যান্ডের (স্ট্রাউস), বোলিংয়ে ওপরের দিকে কেউ নেই।
শীর্ষে ফেরার চেয়ে দলের জয়টাকেই বড় করে দেখছেন পন্টিং, ‘দল হিসেবে এই মুহূর্তে আমরা সব কিছুই ঠিকঠাক করছি। শীর্ষে ওঠাটা দারুণ কিন্তু আমরা কখনোই ওটার জন্য খেলি না।’ অন্যদিকে স্ট্রাউসের মুখে ছিল রাজ্যের হতাশা, “আমাদের ব্যাটিংটা ছিল রীতিমতো ‘হরর শো’। আমার চেয়ে বেশি হতাশ আর কেউ নয়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাকিস্তানে আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহত ৩৩
আসন্ন ঈদের কেনাকাটার জন্য এ সময় ওই বাজারে প্রচুর লোক ভিড় জমিয়েছিল। পুলিশ কর্মকর্তা আসমত উল্লাহ জানান, ক্ষতিগ্রস্ত হোটেলটির মালিক একজন শিয়া। বোমা হামলায় বাজারের দোকানপাটও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইউসুফ রাজা গিলানি এ হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার কোহাট শহরে এক বোমা হামলায় ছয়জন আহত হয়।
এলাকার মেয়র সৈয়দ মেহতাবুল হাসান জানান, হোটেল ও আশপাশের দোকানের ধ্বংসাবশেষ থেকে ৩৩ টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। হামলায় বেশ কিছু মানুষ আহত হয়েছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে পাকিস্তানে জঙ্গিদের হামলা বেড়ে যাওয়ায় দেশটির সরকার সামরিক অভিযান শুরু করে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1398)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
-
▼
2009
(2847)
-
▼
September
(494)
-
▼
Sep 21
(24)
- এই আনন্দ অনিঃশেষ হোক by আনিসুল হক
- ঈদুল ফিতর সার্বজনীন আনন্দ উত্সব by মুহাম্মদ আবদুল ...
- জনশক্তি রপ্তানি
- আজ ভুলে যা সব হানাহানি, হাত মেলা হাতে
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে নতুন বিতর্ক by বদিউল আলম ম...
- মার্কিন নব্য রক্ষণশীল মতের জনক আরভিং ক্রিস্টল মারা...
- জোটনিরপেক্ষ আন্দোলন এখন প্রাসঙ্গিকতা হারিয়ে ফেলেছে...
- রানিমাতার কাছে পাঠানো ডায়ানার চিঠি পুড়িয়ে ফেলেছেন ...
- যুক্তরাষ্ট্রে সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে ম...
- সাম্প্রতিক বছরগুলোয় ভারত ও চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের ...
- রাশিয়ার সঙ্গে নবযুগ শুরু করার প্রস্তাব ন্যাটোর
- গ্লোবালটাইমস-এর তালিকা আধুনিক চীন গড়ায় ভূমিকা রেখে...
- আলোচনায় না ফিরলে ইরানকে চরম মূল্য দিতে হবে: হিলারি
- দাম চড়া, তবে বিক্রিও ভালো -বগুড়ায় বাহারি পণ্যের সম...
- গত অর্থবছরে ভারত ও চীনের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমেছে...
- বার্সেলোনায় মেসি আরও সাত বছর
- টেন্ডুলকারদের পাশে নেই ভারত সরকার
- অক্টোবরেই ফিরছেন গেইলরা
- ভারতের বিপক্ষে প্রতিশোধস্পৃহ ইউনুস
- ওয়ানডে বাঁচানোর মিশন
- আঁতুড়ঘরকে ভুলে গেল যে টুর্নামেন্ট
- ফুটবলের দাবিতে জেলায় জেলায় আন্দোলন
- দুটি অর্জনের সামনে অস্ট্রেলিয়া
- পাকিস্তানে আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহত ৩৩
-
▼
Sep 21
(24)
-
▼
September
(494)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...