Monday, July 29, 2019
ঢাকায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি এমন হলো কেন by সানজানা চৌধুরী

দুই সিটির কাজে কৌশলগত পার্থক্য
দুই সিটির সমন্বয় নেই কেন
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নির্বাচনী মওসুমের শুরু: সঙ্কটময় সময়ে আফগানিস্তান

নির্বাচনের ঠিক দুই মাস আগে রোববার প্রচারণার সময় শুরু হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানি দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাকে হারানোর জন্য রয়েছে আরও ১৭ জন প্রার্থী।
প্রার্থীরা সকলেই পুরুষ এবং তাদের মধ্যে একজন যুদ্ধবাজও রয়েছেন যার বিরুদ্ধে হাজার হাজার মানুষকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে। তিনি এক মুজাহিদিন নেতার ভাই এবং নির্বাচনে তিনি প্রতিশোধ নিতে চান।
নির্বাচনের প্রধান ইস্যুগুলো এ রকম:
গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এ বছরের নির্বাচন হতে যাচ্ছে। তালেবানরা এতে অংশ নিচ্ছে না, এবং মনে করছে যে ১৮ বছরের যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে হারানোর দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে তারা।
যুক্তরাষ্ট্র তালেবানদের সাথে শান্তি চুক্তি নিয়ে আলোচনা করছে এবং তালেবানদের নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতির পরিপ্রেক্ষিতে বিদেশী সেনা প্রত্যাহার করে নেবে তারা। একইসাথে তালেবানদের এই প্রতিশ্রুতিও দিতে হচ্ছে যে, আফগানিস্তান সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হবে না।
১ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই চুক্তি চূড়ান্ত করতে চায় ওয়াশিংটন। কিন্তু বিষয়টির জটিলতার কারণে এই সময়সীমার মধ্যে চুক্তি চূড়ান্ত নাও হতে পারে।
এর অর্থ হলো আফগানিস্তানের পরবর্তী প্রেসিডেন্টকে অবশ্যই ঠিক করতে হবে কিভাবে তিনি তালেবানদের সাথে লেনদেন করবেন, যারা অব্যাহতভাবে কাবুল সরকারের সাথে আলোচনার বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করে এসেছে।
চূড়ান্ত শান্তি চুক্তি কেমন দাঁড়াবে, এটা এখনও অস্পষ্ট।
সম্ভাব্য সবকিছুই এখানে থাকতে পারে: নারী অধিকার, ব্যক্তিগত স্বাধীনতা, সংবিধান ইত্যাদি।
বহু আফগানের আশঙ্কা হলো তালেবান শাসন দ্রুত ফিরে আসবে বা একটা গৃহযুদ্ধ শুরু হবে – যেটা মোকাবেলা করতে হবে পরবর্তী প্রেসিডেন্টকে।
অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে রয়েছে আফগানিস্তানের নড়বড়ে অর্থনীতি এবং ব্যাপক দুর্নীতি, নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে যেগুলো হয়তো তেমন গুরুত্ব পাবে না।
২৮ সেপ্টেম্বরের নির্বাচন হয়তো প্রথম ধাপ মাত্র। কোন প্রার্থী যদি সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পায়, তাহলে দ্বিতীয় দফায় ভোট হবে, খুব সম্ভবত নভেম্বরের শেষের দিকে।
এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হরো নির্বাচন আদৌ হবে কি না।
চলতি বছরে অন্তত দুইবার নির্বাচনের সময় প্রস্তাব করা হয়েছে এবং এটা আরও পেছানোর অর্থ হলো আরও অস্থিরতা তৈরি হবে, এবং ঘানির প্রতিপক্ষরা এই অপ্রত্যাশিত সময় বৃদ্ধির কারণে চরম ক্রুদ্ধ হয়ে আছেন।
কিছু পর্যবেক্ষক বলেছেন যে, এ বছর নির্বাচনে দেরি করার কারণ হলো মার্কিন-তালেবান আলোচনার সুযোগ করে দেয়া। কিন্তু নির্বাচনী কর্মকর্তাদের ধীরগতিও এর একটা কারণ।
নির্বাচনী কর্তৃপক্ষের মতে, নয় মিলিয়নের মতো মানুষ ভোটের জন্য নিবন্ধিত হয়েছে। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে যে, এগুলোর মধ্যে অনেক ‘ভুতুরে’ ভোটারও রয়েছে।
গত অক্টোবরের পার্লামেন্ট নির্বাচনেও বহু সমস্যা দেখা গিয়েছিল। ভোটিং মেশিন, ভোটার নিবন্ধন ও জাল ব্যালট ভর্তিসহ নানা অভিযোগ উঠেছিল তখন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সর্বকালের রেকর্ড ভঙ্গ ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি ৬৮৩ by ফরিদ উদ্দিন আহমেদ

রাজধানীর প্রায় ঘরে ঘরেই এখন ডেঙ্গু রোগীর খবর পাওয়া যাচ্ছে। একই সঙ্গে সারা দেশে থেকেও খবর আসছে। ঢাকার বাইরে ৩৭৩ জন আক্রান্তের তথ্য দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। অধিক সংখ্যক রোগী আসায় বিভিন্ন হাসপাতালে তাদের ঠাঁই দিতে হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। কিন্তু বেসরকারি হিসাবে আক্রান্তের সংখ্যা কয়েকগুণ ছাড়িয়ে যাবে বলে বিশেষজ্ঞরা বলছেন।
এদিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আটজনের মৃতের খবর দিলেও এই সংখ্যা বেড়েই চলছে। গত বৃহস্পতিবার তানিয়া সুলতানা নামে একজন নারী চিকিৎসক মারা গেছেন। এই নিয়ে চলতি মাসেই তিনজন চিকিৎসকের প্রাণ গেল ডেঙ্গুতে। সরকারি হিসাবে মৃতের সংখ্যা যেটা দিচ্ছে,বেসরকারি হিসাবে তা কমপক্ষে তিনগুণ বেশি হবে। হাসপাতালগুলোতে যথেষ্ট সিট না থাকায় অনেক রোগীকে ভর্তি করা যাচ্ছে না। তারা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন। ডেঙ্গু ক্রমেই ভয়ঙ্কর রূপ নেয়ায় জ্বর হলে ডেঙ্গু আতঙ্ক নিয়ে হাসপাতালে ছুটছেন রোগীরা। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা আগেই বাংলাদেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতিকে উদ্বেগজনক হিসেবে বর্ণনা করেছে। এদিকে হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীদের নিয়ে অসহায় হয়ে পড়েছেন স্বজনরা। হাসপাতালের সিট থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্থানে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় তাদেরকে পদে পদে ভুগতে হচ্ছে। পরীক্ষার নিরীক্ষার কেন্দ্রগুলোতে দীর্ঘলাইন থাকায় রীতিমত যুদ্ধের মতো সামিল হতে হয় তাদেরকে। যেসব ডেঙ্গু রোগীদের ঢাকায় কেউ নেই তাদেরকে পড়তে হয় মহাবিপদে।
গতকাল সরজমিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেছে, হাসপাতালের সব জায়গায় শুধু ডেঙ্গু রোগী। নতুন ভবনের দ্বিতীয় তলায় ক্লিনিকাল প্যাথলজি বিভাগে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য ২০০ নম্বর কক্ষের সামনে বিকাল ৩টা পর্যন্তও দীর্ঘ লাইন। এখানে কথা হয় ডেঙ্গু আক্রান্ত সন্দেহে আসা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মো. নুরুল ইসলামের সঙ্গে। তিনি ঢাবির ভূতত্ত্ব বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। তার গায়ে প্রচণ্ড ব্যথা। জ্বরও আছে। চিকিৎসকরা তাকে সিবিসি ও ডেঙ্গু এনএস-১ পরীক্ষা করতে দিয়েছেন। একই ভবনের পঞ্চম তলায় গিয়ে দেখা যায়, ৫০২ নম্বর মহিলার ওয়ার্ডের সিঁড়ির গোড়া থেকে শুরু করে ওয়ার্ডের মধ্যে কোথাও ফাঁকা জায়গা নেই। যেদিকে তাকাই রোগী আর রোগী। সিঁড়ির গোড়ায় সিট না পেয়ে স্যালাইন লাগিয়ে শুয়ে আছেন শাকিলা। বয়স ২৬ বছর। গত ছয় দিন ধরে প্রচণ্ড জ্বরে ভুগছেন। ছিল পাতলা পায়খানও। পরীক্ষা নিরীক্ষায় তার ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে। ফলে বাধ্য হয়ে দ্রুত শানির আখড়া থেকে এসে হাসপাতালে গতকালই ভর্তি হয়েছেন। ওয়ার্ডের ভিতরে ঢুকে দেখি ডানে বামে সিট ছাড়া ফ্লোরে শুধু ডেঙ্গু রোগী। এই মহিলা ওয়ার্ডে দুপুর ৪টায় দিকে সাথী নামের এক ডেঙ্গু রোগী জানান, সকালে হাসপাতালে এসেছেন। কিন্তু কোনো সিট পাননি তিনি। জ্বরে কাতরাচ্ছেন। চিকিৎসকরা তেমন পাত্তা দিচ্ছেন না। এই ওয়ার্র্ডের একজন নার্স জানান, তাদের ওয়ার্ডে ৮০টি সিট রয়েছে। কিন্তু রোগী আছে দ্বিগুণেরও বেশি। গুনে গুনে ১৭৯ জনের হিসাব দেখিয়ে তিনি বলেন, এদিক ওদিক সবই ডেঙ্গু রোগী। হাসপাতালটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৩৩ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৬৫৮ জন। ঢামেক থেকে চলতি বছর এই পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি গেছেন এক হাজার ৩২জন। হাসপাতালটির চিকিৎসক ও নার্সরা জানিয়েছেন, তারও ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে ব্যাপক আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ৬৮৩জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। চলতি জুলাই মাসেই আক্রান্ত হয়েছে ৮ হাজার ৩৮৪ জন। আর এবছর আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার ৫২৮ জন। সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মারা যাওয়ার হিসাব আটজন দিলেও বেসরকারি হিসাবে এই সংখ্যা অন্তত তিনগুণ ছাড়িয়ে যাবে। আক্রান্ত বেসরকারি হিসাবে এ সংখ্যা আরও কয়েকগুণ বেশি হবে বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন। ঢাকার বাইর থেকেও দিন দিন রোগী বেশি আসছে। গতকাল ৩৭৩ জনের আক্রান্তের খবর দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এর আগের দিন এই সংখ্যা ছিল ২৪৭ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের পরিসংখ্যান মতে, জুলাই মাসে গড়ে প্রতিদিন ৩১০ জনের উপরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। গাজীপুরে ৬১ জন, মুন্সীগঞ্জ ৩জন, কিশোরগঞ্জ একজন, নারায়ণগঞ্জ ১৩জন, চট্টগ্রামে ৪৯ জন, ফেনীতে ৪৯ জন, কুমিল্লায় একজন, চাঁদপুরে ২৯ জন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৪ জন, লক্ষ্মীপুর ৪জন, নোয়াখালী ৫ জন, কুষ্টিয়া ১৯ জন, খুলনা ২৪ জন, যশোর ২০ জন, ঝিনাইদহে ৩ জন, বগুড়ায় ৪০ জন, বরিশাল থেকে ৩৫ জন, সিলেটে ১৩ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ২৭শে জুলাই পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আটজনের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তাদের মধ্যে এপ্রিলে দু’জন, জুনে দু’জন ও জুলাই মাসে চারজন মারা যান। তবে বিভিন্ন হাসপাতাল সূত্র বলছে মৃত্যুর সংখ্যা কমপক্ষে তিনগুণের বেশি হবে।
বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে মিটফোর্ড হাসপাতালে বর্তমানে ২০০ জন, ঢাকা শিশু হাসপাতালে ৮৭ জন, শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ২০৭ জন, বারডেম হাসপাতালে ৩৩ জন, পুলিশ হাসপাতাল রাজারবাগ ১০১ জন, মুগদা জেনারেল হাসপাতালে ১৯৪ জন, হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতালে ১৭২ জন, বিজিবি হাসপাতালে ২৬ জন, রাজধানীর ধানমন্ডি বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১২২ জন, সেন্ট্রাল হাসপাতালে ১০৪ জন, ইবনে সিনা হাসপাতালে ৫৯ জন, স্কয়ার হাসপাতালে ১২ জন, গ্রীন লাইফ হাসপাতালে ২০ জন, ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল কাকরাইলে ৯৩ জন, ইউনাইটেড হাসপাতালে ৯৭ জন, খিদমা হাসপাতালে ৩১ জন, সিরাজুল ইসলাম মেডিকেলে ৮৫ জন, এ্যাপোলো হাসপাতালে ৬০ জন, আদ-দ্বীন হাসপাতালে ৪৪ জন, সালাউদ্দি হাসপাতালে ৬২ জন, পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৯ জন, ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ৫৪ জন ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বছরওয়ারী প্রাপ্ত পরিসংখ্যান অনুসারে ২০০০ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা যথাক্রমে ৫ হাজার ৫৫১, ২ হাজার ৪৩০, ৬ হাজার ২৩২, ৪৮৬ জন, ৩ হাজার ৪৩৪, ১ হাজার ৪৮, ২ হাজার ২০০, ৪৬৬ জন, ১ হাজার ১৫৩, ৪৭৪ জন, ৪০৯, ১ হাজার ৩৫৯, ৬৭১ জন, ১ হাজার ৭৪৯, ৩৭৫ জন, ৩ হাজার ১৬২, ৬ হাজার ৬০, ২ হাজার ৭৬৯, ১০ হাজার ১৪৮ ও ১০ হাজার ৫২৮ জন (২০১৯ সালের ২৭শে জুলাই পর্যন্ত)।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডেঙ্গুর ভয়াল বিস্তার, একদিনে ৮২৪ রোগী ভর্তি: প্রতিরোধ কার্যক্রম দৃশ্যমান নয়

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম এই তথ্য দিয়েছে। রাজধানীর প্রায় ঘরেই এখন ডেঙ্গু রোগীর খবর পাওয়া যাচ্ছে। একই সঙ্গে সারা দেশে থেকেও খবর আসছে। ঢাকার বাইরে থেকে ৬১১ জন আক্রান্তের খবর দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। আগের দিন এই সংখ্যা ছিল ৩৭৩ জন। অধিক সংখ্যক রোগী আসায় বিভিন্ন হাসপাতালে তাদের ঠাঁই দিতে হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। কিন্তু বেসরকারি হিসাবে আক্রান্তের সংখ্যা কয়েকগুণ ছাড়িয়ে যাবে বলে বিশেষজ্ঞরা বলছেন। এদিকে ডেঙ্গুর এমন পরিস্থিতিতেও রাজধানী এডিস মশা নিয়ন্ত্রণের দৃশ্যমান তেমন উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না।
গতকাল এক ব্রিফিংয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ জানান, পুরো ঢাকাই এখন ডেঙ্গু ঝুঁকিতে রয়েছে। ঢাকার ১০০টি এলাকার তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। পরবর্তীতে বিশ্লেষণ করে জানানো হবে কোনো এলাকা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে প্রয়োজনে শয্যা বাড়িয়ে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা দেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। জলবায়ু পরিবর্তন ও অধিক হারে নগরায়নের কারণে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে বলে ডিজি মন্তব্য করেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ৮২৪জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। প্রতি ঘণ্টায় ভর্তি হচ্ছে ৩৪ জনের উপরে। চলতি জুলাই মাসেই আক্রান্ত হয়েছে ৯ হাজার ৫১০ জন। ঢাকার বাইর থেকেও দিন দিন রোগী আসছে। গতকাল ৬১১ জন আক্রান্তের খবর দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এর আগের দিন এই সংখ্যা ছিল ৩৭৩ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের পরিসংখ্যান মতে, জুলাই মাসে গড়ে প্রতিদিন ৩৩৯ জনের উপরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। রাজধানীর বাইরে ঢাকার অন্যান্য জেলা থেকে ১৫১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে ১৭৯ জন, খুলনা বিভাগ থেকে ৯৬ জন, রাজশাহী থেকে ১৩৭ জন, বরিশাল থেকে ৩৫ জন, সিলেটে ১৩ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
২৮শে জুলাই পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আটজনের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তাদের মধ্যে এপ্রিলে দু’জন, জুনে দু’জন ও জুলাই মাসে চারজন মারা যান। তবে বিভিন্ন হাসপাতাল সূত্র বলছে মৃত্যুর সংখ্যা কমপক্ষে চারগুণের বেশি হবে। এর মধ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫৪০ জন, মিটফোর্ড হাসপাতালে বর্তমানে ২২৪ জন, ঢাকা শিশু হাসপাতালে ৯৪ জন, শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ২১৭ জন, বারডেম হাসপাতালে ৩৯ জন, বিএসএমএমইউতে ৪৩ জন, পুলিশ হাসপাতাল রাজারবাগ ৪৫ জন, মুগদা জেনারেল হাসপাতালে ২৩৪ জন, হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতালে ২০৭ জন, বিজিবি হাসপাতালে ২৬ জন, রাজধানীর ধানমন্ডি বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৪৬ জন, সেন্ট্রাল হাসপাতালে ১০৪ জন, ইবনে সিনা হাসপাতালে ৫৭ জন, স্কয়ার হাসপাতালে ৬৫ জন, গ্রীন লাইফ হাসপাতালে ১৭ জন, ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল কাকরাইলে ৯৪ জন, ইউনাইটেড হাসপাতালে ৮২ জন, খিদমা হাসপাতালে ২৬ জন, সিরাজুল ইসলাম মেডিকেলে ৮৫ জন, এ্যাপোলো হাসপাতালে ৭৭ জন, আদ-দ্বীন হাসপাতালে ১০৬ জন, সালাউদ্দি হাসপাতালে ৫৫ জন, পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৪০ জন, ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ৫১ জন ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব অথবা আলাদা রাষ্ট্র দিন -মিয়ানমারকে মাহাথির

তিনি জানান, এক সময় ভিন্ন ভিন্ন অনেকগুলো অঙ্গরাজ্য নিয়ে মিয়ানমার গড়ে উঠেছে। কিন্তু বৃটিশরা মিয়ানমারকে একটি রাষ্ট্র হিসেবে শাসন করার সিদ্ধান্ত নেয়। আর এভাবেই মিয়ানমারে বিভিন্ন উপজাতিগোষ্ঠী এক মিয়ানমারের ভিতর অঙ্গীভূত হয়। কিন্তু এখন তাদের নাগরিক হিসেবে দেখা উচিত। অথবা তাদের নিজেদের আলাদা রাষ্ট্র গঠন করতে দেয়া উচিত।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২৫শে আগস্ট রাখাইনে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে নৃশংসতা শুরু করে সেদেশের সেনাবাহিনী ও বৌদ্ধদের উগ্রপন্থী একটি দল। ফলে বাধ্য হয়ে কমপক্ষে ৭ লাখ ৪০ হাজার রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়। জাতিসংঘ এ নৃশংসতাকে গণহত্যা হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। এ সময়ে ব্যাপকহারে গণধর্ষণ হয় বলেও রিপোর্ট দিয়েছে জাতিসংঘ।
সাক্ষাৎকারে চীনের উইঘুর মুসলিমদের ওপর নির্যাতনের বিষয়ও প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন মাহাথির মোহাম্মদ। তিনি এ সমস্যা আইনের মাধ্যমে মিটিয়ে ফেলতে চীন সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। মাহাথির বলেন, মালয়েশিয়া সব সময়ই সমঝোতা, আইনের মাধ্যমে সব বিরোধ মিটিয়ে ফেলার পক্ষে পরামর্শ দেয়। চীনকে আমাদের বলা উচিত এসব মানুষকে নাগরিক মেনে নিয়ে তাদের সঙ্গে সেভাবেই ব্যবহার করতে। যদিও তাদের ধর্ম আলাদা, কিন্তু শুধুমাত্র এ কারণেই তাদের সঙ্গে আলাদাভাবে আচরণ করা উচিত নয়। যখন আপনি সহিংসতা বেছে নেন, তখন সুষ্ঠু সমাধান অনেক কঠিন হয়ে পড়ে। এমন কোনো ঘটনা নেই যেখানে সহিংসতা ভালো কিছু অর্জন করেছে। তার কাছে তুরস্কের ফেতুল্লাহ টেরোরিস্ট অর্গানাইজেশনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে ড. মাহাথির মোহাম্মদ বলেন, যেকোনো দেশে বিদ্রোহকে সমর্থন করে না মালয়েশিয়া।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শর্ত সাপেক্ষে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দেবে মিয়ানমার by সরওয়ার আলম শাহীন

প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে মিয়ানমার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে ৩ ক্ষেত্রে আলোচনা করার। রোহিঙ্গাদের সঙ্গে যে আলোচনা হয়েছে তা আবারো হবে। একই সঙ্গে আসিয়ানের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও আলোচনা হবে। আসিয়ানের রোহিঙ্গা সংক্রান্ত মার্চ মাসে দেয়া প্রস্তাবনা বিবেচনা করা হবে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া উভয় পক্ষের আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পাশাপাশি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এ সংক্রান্ত বৈঠক হবে ঢাকায় ফিরে। মিয়ানমারের প্রতিনিধিদলটি রোববার সকালে কুতুপালং ৪ নম্বর ক্যাম্পে যান। যেখানে শনিবারের বৈঠকে অংশ নেয়া ৪০ সদস্যের রোহিঙ্গা প্রতিনিধিদের সঙ্গে তৃতীয় দফায় বৈঠক করেন। টানা ২ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে বৈঠকে মিয়ানমারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিজের নানা দাবির কথা জানান রোহিঙ্গারা। রোহিঙ্গারা বলেছেন, নাগরিকত্ব ও স্বাধীনভাবে চলাফেরার নিরাপত্তা প্রদান করলে তারা স্বদেশে ফেরত যাবেন। মিয়ানমারের প্রতিনিধিরা তাদের কথা শোনেন এবং রোহিঙ্গাদের স্বদেশে ফেরত যাওয়ার আহ্বান জানান। ফেরত গেলে তাদের দাবিগুলো বিবেচনা করা হবে বলেও আশ্বাস দেন। গতকাল দুপুরে মিয়ানমারের প্রতিনিধিদলটি রোহিঙ্গা হিন্দু ক্যাম্প পরিদর্শনে যান। সেখানে রোহিঙ্গা হিন্দুদের সঙ্গে আলাপ করেন। এ সময় হিন্দু রোহিঙ্গারা কোনো দাবি বা শর্ত ছাড়াই মিয়ানমারে ফিরতে রাজি হয়েছেন। তবে মুসলিম রোহিঙ্গাদের মতো খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী যেসব রোহিঙ্গা রয়েছেন তারাও নানা শর্তজুড়ে দিয়েছেন মিয়ানমারের প্রতিনিধিদলকে। মিয়ানমারের পররাষ্ট্র সচিব মিন্ট থোয়ের নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের প্রতিনিধিদল শনিবার বিমানযোগে সকাল ১০টায় কক্সবাজার পৌঁছান।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২৪শে আগস্ট থেকে রোহিঙ্গাদের ওপর রাখাইন রাজ্যে চলা হত্যা, ধর্ষণসহ বিভিন্ন সহিংসতা ও নিপীড়ন থেকে বাঁচতে এই পর্যন্ত বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে প্রায় সাড়ে ১১ লাখ রোহিঙ্গা। এসব রোহিঙ্গা অবস্থান করছে কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের ৩২টি ক্যাম্পে। রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে দ্বিপক্ষীয় একটি চুক্তিতে সই করে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার। সব রকমের প্রস্তুতির পরও মিয়ানমার রহস্যজনক কারণে চুক্তি বাস্তবায়নে এগিয়ে আসেনি। পরে জাতিসংঘসহ বিশ্বের প্রায় সব দেশই রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে মিয়ানমারকে চাপ প্রয়োগ করে। চীনের ভূমিকা অস্পষ্ট থাকলেও সম্প্রতি তারাও সবুজ সংকেত দিয়েছে। আন্তর্জাতিক চাপের মুখে রোহিঙ্গাদের অবস্থা সরজমিন দেখে তাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে ফিরিয়ে নেয়ার প্রক্রিয়ায় দ্বিতীয়বারের মতো মিয়ানমারের উচ্চপর্যায়ের এই প্রতিনিধিদলের আগমন। প্রতিনিধিদলটি গতকাল বিকালে ঢাকায় ফিরে গেছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাশিয়ায় সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে বিক্ষোভ, আটক সহস্রাধিক

ওভিডি-ইনফো সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, আটক হওয়া মানুষের সংখ্যা আরো বেশি হতে পারে। এর আগের সপ্তাহেও মস্কোতে সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে বিক্ষোভে নামে জনগণ। তাতে যোগ দেয় অন্তত ২০ হাজার মানুষ। আর চলতি সপ্তাহের বিক্ষোভে পুলিশের হস্তক্ষেপের আগে সাড়ে তিন হাজারের বেশি মানুষ জড়ো হয়েছিল। ২০১১-১২ সালে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের পুনঃনির্বাচনের বিরুদ্ধে হওয়া বিক্ষোভের পর এটাই রাশিয়ায় সবচেয়ে বড় বিক্ষোভের ঘটনা।
বিক্ষোভকারীরা পুতিনকে ‘চোর’ আখ্যা দিয়ে স্লোগান দিয়েছে। পুলিশি বাধা অমান্য করেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, নানাবিধ অপরাধের জন্য অন্তত ১ হাজার ৭৪ জন বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন নারী-পুরুষ সকলে। এক নারী বিক্ষোভকারী ইয়েলেনা রাসতোভকা বলেন, আমি আমার পুরো জীবন ভয়ে কাটিয়েছি। কিন্তু, অনেক হয়েছে, আমরা বাড়িতে বসে থাকলে কিছুই পাল্টাবে না।
বিরোধীদলীয় নেতা অ্যালেক্সি নাভালনি গত সপ্তাহের বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেন। সেসময়ই দ্বিতীয় দফা বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিলেন তিনি। তবে গত বুধবার তাকে গ্রেপ্তার করা হয় ও ৩০ দিনের কারাবাস দেয়া হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘বন্ড ০০৭’ এখন ‘টিম ৬১’ by মো. মিজানুর রহমান

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ‘টিম ৬১’-এর একজন সদস্য বলেন, ‘বন্ড ০০৭’ গ্রুপটি নিষ্ক্রিয় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এই নতুন এ গ্রুপটি তৈরি করা হয়। সেখানে ৬১ জন সদস্যকে যোগ করার কারণে গ্রুপের নামকরণ ‘টিম ৬১’ করা হয়েছিল।
পরবর্তীতে সদস্য সংখ্যা বাড়ানো হয়।
সেই সদস্য জানান, ‘বন্ড ০০৭’ গ্রুপের সদস্য শাহরিয়ার ইমরান, সাদনাম পাপ্পু, আসিফ সৈকত, আব্দুল্লাহ রিফাত নতুন গ্রুপে সক্রিয় থেকে ঘটনার দিকে নজর রাখছেন এবং রিফাত হত্যাকাণ্ড ও নয়ন বন্ডের নিহত হওয়ার ঘটনা নিয়ে আলোচনা করছেন।
ফেঁসে যাচ্ছেন সংসদ সদস্যপুত্র সুনাম দেবনাথ
রিফাত শরীফকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা এখন দেশজুড়ে আলোচনার বিষয়। এই ঘটনার তদন্ত নাটকীয় মোড় নেয় যখন হত্যাকাণ্ডের ২১ দিন পরে রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। কিন্তু যে প্রক্রিয়ায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। ঘটনার দিন যে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্বামীকে বাঁচাতে চেষ্টা চালিয়েছিলেন সেই মিন্নিকেই ফাঁসাতে তৎপর হয়ে ওঠেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর ছেলে সুনাম দেবনাথ।
তার লোকজনই মিন্নির বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা ধরনের কুৎসা রটায়। মিন্নির গ্রেপ্তারে চাপ তৈরিতে সুনাম দেবনাথ নিজে উপস্থিত থেকে রিফাত শরীফের বাবাকে দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করান। আবার বরগুনার সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে মানববন্ধনে তিনি নিজেও মিন্নির গ্রেপ্তার ও শাস্তি দাবি করেন।
বরগুনার স্থানীয়দের অভিযোগ, সুনাম দেবনাথের এমন তৎপরতায়ই পুলিশ তদন্তের রূপরেখা তৈরি করে। মূল আসামিকে বাদ দিয়ে মামলার প্রধান সাক্ষীকে আসামি করতে তারা তৎপর হয়ে ওঠে। মিন্নির পক্ষে না দাঁড়াতে আইনজীবীদেরও চাপ দেন সুনাম দেবনাথ। রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ড এবং মিন্নির গ্রেপ্তারের পর বরগুনায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন সুনাম দেবনাথ।
অভিযোগ রয়েছে, সুনাম দেবনাথ তার পিতার রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থেকে মামলার তদন্তে নানা রকম প্রভাব খাটাচ্ছেন। তবে চাপের বিষয় মানতে নারাজ বরগুনার পুলিশ সুপার মো. মারুফ হোসেন।
পুলিশ সুপার বলেন, কেউ চাপ দিচ্ছে না। চাপ তো দূরে থাক কেউ মামলার বিষয়ে কোনো অনুরোধও করছে না।
আরো অভিযোগ রয়েছে, মিন্নিকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে রিফাতের বাবা দুলাল শরীফকে দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করিয়ে ক্ষান্ত হননি সুনাম দেবনাথ। মিন্নির গ্রেপ্তারের দাবিতে নিজে মানববন্ধন করার সঙ্গে নিজের অনুসারীদের দিয়ে ফেসবুক এবং ইউটিউবে এ হত্যাকাণ্ডকে নানাভাবে নারীঘটিত বিষয় হিসেবে প্রমাণের যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন।
এ বিষয়ে সুনাম দেবনাথের বক্তব্য জানতে গত কয়েক দিনে অসংখ্যবার তার মোবাইলফোনে কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
মিন্নি ভালো নেই, বিনা চিকিৎসায় মারা যাবে: মিন্নির সঙ্গে কারাগারে দেখা করেছেন তার বাবা-মাসহ পরিবারের সদস্যরা। শনিবার দুপুর ১২টার দিকে তারা বরগুনা জেলা কারাগারের সামনে এসেছিলেন। বেলা সাড়ে ১২টার দিকে তারা মিন্নির সঙ্গে দেখা করে মলিন মুখে চলে গেছেন।
এ সময় মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর অনেকটা ক্ষুব্ধ ছিলেন। তিনি কোনো মতামত দিতে রাজি না হলেও রাগের সঙ্গে বলেছেন, তার মেয়ে ভালো নেই, বিনা চিকিৎসায় মারা যাবেন। সাদা পোশাকধারী পুলিশের প্রতি ক্ষোভ জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের জন্য মেয়ের সঙ্গে মন খুলে কথা বলতেও পারেন না। সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গেলেও তারা কাছে এসে দাঁড়িয়ে থাকেন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জঙ্গি নাকি সন্ত্রাসীদের কাছে যাচ্ছে এসব অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র? by নুরুজ্জামান লাবু

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, গত কয়েক বছর ধরে অস্ত্র দিয়ে খুনোখুনির পরিমাণ কমে এসেছে। এমনকি আগের মতো এলাকাভিত্তিক চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসীদের যেসব গ্রুপগুলো ছিল, সেসবের শীর্ষ নেতারা গ্রেফতার হয়েছে। কেউ কেউ পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহতও হয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি নতুন করে রাজধানীতে অবৈধ অস্ত্রের বিকিকিনি ও মজুদ বাড়ছে বলে তথ্য পাচ্ছেন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। আগে জঙ্গিরা শুধু বিস্ফোরক বা হাতে তৈরি বোমা ব্যবহার করলেও গত কয়েক বছর ধরে তাদের মধ্যে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের প্রবণতা বেড়েছে। টার্গেট কিলিংয়ের জন্য জঙ্গিরা আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করতো।
সম্প্রতি রাজধানীর ওয়ারী এলাকা থেকে একসঙ্গে ছয়টি অত্যাধুনিক ও বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র এবং ১২৮ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় রাজু গাজী, সাখাওয়াত ও মিনহাজুল নামে তিনজনকে গ্রেফতার করা হলেও তদন্ত সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে তারা কেউ অস্ত্রের মালিক নয়। তারা এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় অস্ত্র পৌঁছে দেওয়ার কাজ করেছে। মিরপুর থেকে তারা অস্ত্রগুলো যার নির্দেশে শ্যামপুর নিয়েছিল এবং যার কাছে পৌঁছে দিতে চেয়েছিল, পুলিশ তাদের শনাক্তের পর গ্রেফতারের চেষ্টা করছে। পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, এই অস্ত্রগুলো রাজনৈতিক ক্যাডারদের কাছে যাচ্ছিল বলে তারা ধারণা করছেন।
অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় করা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শ্যামপুর থানার এসআই মীর মোজাহারুল ইসলাম বলেন, গ্রেফতার হওয়া তিন আসামিকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করে বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
শ্যামপুরের অস্ত্র উদ্ধারের আগে গত মাসের শুরুতে পুরান ঢাকা থেকে একটি একে ২২ অটোমেটিক রাইফেল হাত বদলের সময় তা উদ্ধার করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট- সিটিটিসি। এসময় হাতেনাতে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় নেতৃত্ব দেওয়া কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের একজন কর্মকর্তা জানান, অস্ত্রটি চট্টগ্রামের বাবুল ও সাদেক নামে দুই সন্ত্রাসীর কাছ থেকে হাত বদল হয়ে কুমিল্লার হাসিব ও কিবরিয়া নামে দুই ব্যক্তিকে পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল। একইভাবে গত ছয় মাসে আরও তিনটি একে ২২ অটোমেটিক রাইফেল হাত বদল হয়েছে।
পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, ২০১৬ সালে হলি আর্টিজান বেকারিতে যে একে ২২ রাইফেল ব্যবহার করেছিল জঙ্গিরা, পুরান ঢাকা থেকে উদ্ধার হওয়া অস্ত্রটি একই। এছাড়া ওই বছরের ২৬ জুলাই কল্যাণপুরের জঙ্গি আস্তানাতেও অভিযানের পর পুলিশ কর্মকর্তারা জানতে পারেন, একটি একে ২২ অটোমেটিক রাইফেল নিয়ে পালিয়ে গিয়েছিল এক জঙ্গি।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, চলতি বছরের মার্চ মাসেই একটি ডাকাত চক্রের ১২ সদস্যকে গ্রেফতারের পর তাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য দিয়ে রামপুরায় অভিযান চালানো হয়। ওই অভিযানে হাফিজ ওরফে খালিদ ওরফে ইব্রাহীম গাজী এবং মামুনুর রশিদ ওরফে বাচ্চু মোল্লা নামে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামী- বাংলাদেশ (হুজিবি) এর দুই সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে গোয়েন্দা পুলিশ একটি অত্যাধুনিক একে ২২ অটোমেটিক রাইফেল, একটি পাইপগান, ৪১ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছিল।
পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, এখন পর্যন্ত যেসব একে ২২ অটোমেটিক রাইফেল উদ্ধার করা হয়েছে, সেগুলোর সব প্রায় একই রকম। এসব রাইফেল থেকে একসঙ্গে ৩০ রাউন্ড গুলি বের হয়। ব্রাশ ফায়ারের পাশাপাশি একটি করে গুলিও বের হয়। ডাকাতি বা চাঁদাবাজি কাজে সাধারণ অপরাধীদের এসব অস্ত্র ব্যবহার করার কথা নয়।
কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের একজন কর্মকর্তা জানান, একে ২২ রাইফেলগুলো সাধারণত পার্বত্য অঞ্চল দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকছে। পাহাড়ের সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর হাতেও এসব অস্ত্র হরহামেশাই দেখা যায়। আর ছোট অস্ত্রগুলো ভারতীয় সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
ওই কর্মকর্তা বলেন, ভারতীয় সীমান্ত দিয়ে আগে অহরহ বিস্ফোরক ও আগ্নেয়াস্ত্র আসতো। ২০১৬ সালের পর থেকে সীমান্তগুলোতে কড়াকড়ির কারণে অস্ত্র-বিস্ফোরকের চালান কম আসতো। এখন আবার যশোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ এলাকার কয়েকটি স্পট দিয়ে এসব অস্ত্র আসছে।
গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে রাজধানী ও এর আশেপাশের এলাকাগুলোতে গরুর হাটের ইজারা নিয়ে পেশিশক্তির প্রদর্শন হয়ে থাকে। এ কারণেও সন্ত্রাসীরা অস্ত্র মজুদ করে থাকতে পারে। এছাড়া আগের মতো শীর্ষ সন্ত্রাসীদের আধিপত্য না থাকলেও এখন রাজনৈতিক দলের ক্যাডারদের উৎপাত রয়েছে। এদের অনেকেই নিজ নিজ এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জন্য অস্ত্র নিয়ে মহড়া দেয়। তবে অটোমেটিক রাইফেলগুলো উদ্ধার করা নিয়ে তারা কিছুটা চিন্তিত। এসব অস্ত্র কোনওভাবেই রাজনৈতিক ক্যাডারদের ব্যবহার করার কথা নয়।
কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘একে টুয়েন্টি টু রাইফেলগুলোর উৎস এবং হাত বদল হয়ে যাদের কাছে যাওয়ার কথা ছিল তাদের আমরা শনাক্ত করার চেষ্টা করছি। এসব অস্ত্র পেশাদার সন্ত্রাসী নাকি জঙ্গিরা সংগ্রহ করছে তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১৪, দুর্গত মানুষ চিকিৎসার আশায়

![]() |
| বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে বাড়িঘর। সেজন্য আশ্রয়কেন্দ্রে উঠেছেন তারা। ছবিটি তোলা হয়েছে গাইবান্ধা থেকে। |
![]() |
| বাসস্থানের জায়গায় পানি। তাই শিশু সন্তানকে এখন সবসময় কোলে রাখতে হয় এই নারীর। ছবিটি টাঙ্গাইল জেলা থেকে তোলা। |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নতুন অস্ত্র পাচ্ছে ভারতীয় সেনাবহিনীর ‘স্পেশাল ফোর্স’ by শ্রীঞ্জয় চৌধুরী

যুক্তরাষ্ট্রের স্পেশাল ফোর্সেস যেসব অস্ত্র ও সরঞ্জাম ব্যবহার করে ভারতীয় বাহিনীগুলোর জন্যও একই ধরনের জিনিস কেনা হবে। আর তা কেনা হবে ফরেন মিলিটারি সেলস (এমএমএস)-এর আওতায়। চলতি বছরের শেষ নাগাদ এগুলো হাতে এসে পৌছবে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে মোট ব্যয় হবে প্রায় ৮৫০ কোটি রুপি।
চলতি সপ্তাহের গোড়ার দিকে শীর্ষ সেনা অফিসারের নেতৃত্বে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সার্ভিসেস ক্যাপিটাল একুইজিশন প্লান ক্যাটেগোরাইজেশন হায়ার কমিটি (এসসিএপিএইচসিসি) ১,৫০০ কারবাই, ১,১০০ রাইফেল, ৪০০ প্যারাসুট, ১০০ স্নাইপার রাইফেল, ৭৫০টি লাইট মেশিনগান ও কারিগরি সরঞ্জাম ক্রয় অনুমোদন করে, যা স্পেশাল ফোর্সের সেনাদের সামর্থ্য বৃদ্ধি করবে।
সরঞ্জামের মধ্যে রাইফেল ও কারবাইনের সাইলেন্সারও রয়েছে। রয়েছে দিনে ও অন্ধকারে দেখার উপযুক্ত টেলিস্কপিক সাইট, নাইটভিশন গগলসসহ হেলমেট এবং প্রয়োজনীয় গোলাবারুদসহ হেভি মেশিনগান।
স্পেশাল ফোর্সের টিমগুলো বিশেষ করে কাশ্মিরের নিয়ন্ত্রণ রেখায় সক্রিয়। এই বাহিনী পাকিস্তান শাসিত কাশ্মিরে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালানোরও দাবি করে। দেশের উত্তরপূর্বাঞ্চলেও এই বাহিনীর তৎপরতা রয়েছে এবং সন্ত্রাসী হামলার বিরুদ্ধে তারা কাজ করে।
এই বাহিনী কিছু যোগ্যতম ও সেরা-প্রশিক্ষিত অফিসার ও জওয়ান রয়েছে। তারা সেরা অস্ত্রও পাবে। গুরুত্বপূর্ণ ও উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ মিশনে উচ্চমানের অস্ত্রশস্ত্র ব্যাপক পার্থক্য তৈরি করতে পারে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দূষণ নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনে বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ by সঞ্চিতা সীতু
সম্প্রতি হালদা নদী দূষণের কারণে একটি কেন্দ্র বন্ধ করে দিয়েছে চট্টগ্রামের পরিবেশ অধিদফতর। অন্যদিকে পানগাঁও ইনল্যাণ্ড কন্টেইনার টার্মিনালের কাছে একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে দূষণ দূর করতে পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়।
তরল জ্বালানি নির্ভর কেন্দ্র থেকে পরিবেশ দূষণ হওয়ার কথা না থাকলেও বাস্তবে ঠিকই দূষণ হচ্ছে। দূষণ বন্ধে কেন্দ্রগুলোর কিছু মানদণ্ড মেনে চলার কথা থাকলেও খরচ বাঁচাতে সেগুলো মেনে চলা হয় না বলে অভিযোগ রয়েছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু বলেন, বেশ কয়েকটি সরকারি-বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিষয়ে পরিবেশ অধিদফতর থেকে অভিযোগ এসেছে। আমরা অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখছি। পরিবেশের বিষয়ে কোনোরকম ছাড় দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করে পরিবেশ বাঁচাতে হবে।
বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, কেন্দ্রগুলোর পরিবেশ দূষণ রোধে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু, বিদ্যুৎ সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, জ্বালানি সচিব আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম এবং পিডিবির চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ বৈঠক করেছেন।
বর্জ্য তেল নিঃসরণের মাধ্যমে প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদী দূষণের অভিযোগে গত ১৭ জুলাই হাটহাজারী ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্রকে ২০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেয় পরিবেশ অধিদফতর। পাশাপাশি ইটিপি নির্মাণ এবং অয়েল সেপারেটর কার্যকর না করা পর্যন্ত কেন্দ্রটি বন্ধ রাখারও নির্দেশ দেওয়া হয়।
পরিবেশ অধিদফতর জানায়, গত ৯ জুলাই হাটহাজারীর কেন্দ্রটি থেকে বর্জ্য ফেলে হালদা নদী দূষণের প্রমাণ পাওয়া যায়। এরপর কেন্দ্র কর্তৃপক্ষকে শুনানিতে ডেকে সব প্রমাণের ভিত্তিতে এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ২০১২ সালের মার্চে কেন্দ্রটি উদ্বোধনের পর পরই দুই দফা পরিবেশ দূষণের অভিযোগের নোটিশ দেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছে পরিবেশ অধিদফতর।
অন্যদিকে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, কেরাণীগঞ্জের পানগাঁও আইসিটির কাছে এপিআর এনার্জি নামের একটি কোম্পানি ৩০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করেছে। তারা এই কেন্দ্রটি স্থানান্তরের জন্য বিদ্যুৎ বিভাগের কাছে চিঠি দিয়েছে।
গত ৪ জুলাই পাঠানো চিঠিতে তারা জানায়, পানগাঁও ইনল্যাণ্ড কন্টেইনার টার্মিনালের (আইসিটি) কাছে এপিআর এনার্জির বিদ্যুৎকেন্দ্রের জেনারেটরগুলো থেকে নির্গত ধোঁয়া, উচ্চ তাপমাত্রা এবং শব্দদূষণের কারণে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, কাস্টমস এবং সোনালী ব্যাংক লিমিটেডের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বন্দর ব্যবহারকারীদের মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে অনেকেই শ্বাসকষ্ট ও ত্বকের নানান সমস্যায় আক্রান্ত হয়েছেন।
এ অবস্থায় তারা ফার্নেস তেলে চালিত এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের জায়গা বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষের কাছে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়। এছাড়া জায়গাটি বুঝিয়ে দেওয়ার আগে পর্যন্ত বিদ্যুৎকেন্দ্রের জেনারেটরগুলো হতে নির্গত ধোঁয়া, উচ্চ তাপমাত্রা ও শব্দদূষণ বন্ধ করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ারও অনুরোধ করেছে তারা। প্রসঙ্গত, গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে কেন্দ্রটি স্থাপনের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
![]() |
| হাটহাজারী বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বর্জ্য গিয়ে পড়ছে হালদায় (ছবি সংগৃহীত) |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিভক্ত কাশ্মীর by নাইমা আহমেদ মাহজুর

আজকাল আমাদের মূলধারার রাজনীতি আগাছার মতো বাড়ছে। বহু আকর্ষণীয় ও চমক লাগানো পথ রয়েছে এখানে। অফিসিয়াল সিস্টেমের চেয়েও সহজে বেশি শক্তিশালী হওয়া যায় এখানে, যেখানে সিস্টেমের মধ্যে উপরে উঠতে হলে বহু নিয়ম মেনে ধাপে ধাপে এগুতে হয়। রাজনীতি কিছু সীমিত মানুষের জন্য সারা জীবনের একটা লটারির মতো, যারা সৌভাগ্য নিয়ে জন্মেছে। আমাদের এই ধরনের সৌভাগ্যবান বংশও রয়েছে।
একই সাথে রক্তপাত, হত্যা ও ঘরবাড়ি গুড়িয়ে দেয়ার প্রক্রিয়ারও কোন বিরাম নেই। আমাদের তরুণরা তাদের জীবন নিয়ে খেলছে এবং আমরা আমাদের মানব সম্পদ হারাচ্ছি।
মূলধারার একমাত্র ইস্যু হলো যে জম্মু ও কাশ্মীরের রাজনৈতিক সমাধানের জন্য সেই একই মন্ত্র আওড়ে যাচ্ছে তারা, যেটা বহু বিশ্লেষকের কাছে হট কেকের মতো। ছবির অন্য দিকটা অন্ধকার ও বিষণ্ন। বহু তরুণের একমাত্র উদ্দেশ্য হলো মাতৃভূমির জন্য জীবন দেয়া এবং তারাও কাশ্মীরের সমস্যা সমাধানের জন্য লড়ে যাচ্ছে।
আমাদের জঙ্গল আর বাগানগুলোতে কি ঘটছে। বন্দুকযুদ্ধ এখন প্রতিদিনের ঘটনা। কিছুদিন শোক করার পর জঙ্গিদের পরিবারের সদস্যদেরকে একা ছেড়ে দেয়া হচ্ছে যাতে তারা নিজেদের মতো পথ খুঁজে নিতে পারে বা কিভাবে কোন আয় বা সহায়তা ছাড়া জীবিত থাকা যায় সেটা শিখে নিতে পারে। মানবাধিকার কর্মী থেকে গণতন্ত্রের যারা চ্যাম্পিয়ন তাদের কারোরই একটি কণ্ঠও শোনা যাচ্ছে না, কারণ সবকিছুকেই এখানে ‘সন্ত্রাসবাদের’ সাথে মিশিয়ে দেয়া হয়েছে। এভাবেই এখানকার জনগণ কাশ্মীরের সকল বিশৃঙ্খলা ও হত্যাযজ্ঞের মধ্যে বাস করতে শিখেছে।
ভারতের অনেকে পাকিস্তানকে দোষারোপ করে থাকেন যে কাশ্মীরের চলমান আন্দোলনের রিমোট কন্ট্রোল তাদের হাতেই রয়েছে, কারণ কাশ্মীরের তরুণদের নিজেদের আন্দোলনের জন্য প্রয়োজনীয় সম্পদ তাদের হাতে নেই। কিন্তু জেনারেল মুশাররফ এই তত্ত্ব অস্বীকার করার পর থেকে পাকিস্তানের রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। মজার ব্যাপার হলো কয়েক সপ্তাহ আগে পাকিস্তানই ভারতকে সতর্ক করেছে যে পুলওয়ামা ধরনের জঙ্গি হামলা আবার হতে পারে। সে কারণে এই প্রচারণার বড়ি গেলাটা কঠিন।
সাত দশকের রাজনৈতিক ব্যাভিচার কি যথেষ্ট নয়?
প্রতিটি নেতা বা প্রতিটি রাজনীতিবিদকে কি আমরা যাচাই করিনি? ৩৭০ বা ৩৫এ অনুচ্ছেদ তারা সংরক্ষণ করতে পারেনি, এই একমাত্র অস্ত্রটা অন্তত তারা রক্ষা করতে পারতো। এটা কোন ধরনের ঔদ্ধত্য যে জম্মু ও কাশ্মীরের ঐক্য বিনষ্টকারী কাজের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের অপমান ও তাদেরকে অমানবিক পর্যায়ে নামিয়ে এনে কি না তাদের আবার নিরাপত্তা ও সুরক্ষার প্রতিশ্রুতি দেয়া হচ্ছে।
এই পরিস্থিতিটা নিয়ে আমাদের চিন্তা করা উচিত, যেখানে প্রায় প্রতিদিন চার থেকে পাঁচজন তরুণ হারাচ্ছি আমরা।
এবং, আমাদের গুরুত্বের সাথে চিন্তা করে দেখা উচিত যে নিরপরাধ ও অসহায় কাশ্মীরিদের সাথে কি ধরনের রাজনীতির খেলা খেলা হচ্ছে, যারা দুঃখজনকভাবে রাজনীতিবিদদের সব কথায় বিশ্বাস করে…
বহু গ্রুপ ও জাত এবং রাজনীতি ও আদর্শের কারণে আমরা জাতি হিসেবে চরম বিভক্ত হয়ে গেছি। এই বিভক্ত জাতি যদি একত্র হয়ে কাশ্মীর ইস্যুতে একটা মধ্যবর্তী জায়গায় না আসে, তাহলে আমরা কিছুই পাবো না। আমরা বরং সবকিছুই হারাচ্ছি – ভাষা, সংস্কৃতি, পরিচয় এবং সংবেদনশীলতা – সব। সবচেয়ে ভয়াবহ বিষয় হলো আমরা আমাদের তরুণদের হারাচ্ছি, যারা আমাদের ভবিষ্যৎ… গুরুত্বের সাথে এটা ভেবে দেখা দরকার…
(লেখক বিবিসির সাবেক সম্পাদক ও পেঙ্গুইন লেখক)
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চীনা নৌবাহিনীর ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গে তাল মেলাতে চায় ভারত: নৌবাহিনী প্রধান

চীনা নৌবাহিনীর সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার ব্যাপারে ভারতের কোন পরিকল্পনা রয়েছে কিনা এমন এক প্রশ্নের জবাবে এডমিলার সিং বলেন, সীমিত বাজেট ও সম্পদ নিয়ে চীনের সঙ্গে কিভাবে তাল মেলানো যায় তা খতিয়ে দেখছে ভারতীয় নৌবাহিনী।
গত বৃহস্পতিবার নয়া দিল্লিতে ‘জাহাজ নির্মাণের মাধ্যমে জাতি গঠন’ শীর্ষক এক আন্তর্জাতিক সেমিনারের সাইডলাইনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সিং বলেন, বিভিন্ন জায়গা থেকে পিএলএ নেভির কাছে প্রচুর সম্পদ স্থানান্তর করা হচ্ছে। এটা স্পষ্টতই তাদের নৌ পরাশক্তি হওয়ার ইচ্ছাটি প্রকাশ করে। আমরা এর উপর নজর রাখছি এবং দেখছি কিভাবে আমাদের বাজেট ও সম্পদের সীমাবদ্ধতা দিয়ে তার মোকাবেলা করা যায়।
‘চায়না’স ন্যাশনাল ডিফেন্স ইন দি নিউ এরা’ শীর্ষক ডকুমেন্ট প্রকাশের পর ভারতীয় নৌবাহিনী প্রধান ওই বক্তব্য দেন। ডকুমেন্টে নৌবাহিনীর উপর চীনের গুরুত্ব প্রদানের বিষয়টি ফুটে উঠেছে। এতে বলা হয় যে, প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বাইরেও বেইজিং তার ভূমিকা বিস্তার করতে চায়।
ওই শ্বেতপত্রে বলা হয়: পিএলএ সক্রিয়ভাবে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও সামরিক সহযোগিতা উন্নত করছে এবং বিদেশে চীনা স্বার্থগুলোর সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট ম্যাকানিজম পরিমার্যন করছে। বিদেশে অপারেশন ও সহায়তায় ঘাটতি দূর করতে দূর সাগরে মোতায়েনযোগ্য বাহিনী তৈরি করা হচ্ছে। চীন বিদেশে লজিস্টিক্যাল ফ্যাসিলিটি নির্মাণ করছে এবং বিচিত্র সামরিক কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য সামর্থ বাড়াচ্ছে।
গত বছরের ভারতীয় বাজেটে বাহিনীর আধুনিকায়নে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম বরাদ্দ দেয়া হয়। ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য ২০১৯-২০ সালের বাজেটে মাত্র ৩.২ বিলিয়ন ডলার রাখা হয়, যা চলতি ২০১৮-১৯ সালের বাজেটের চেয়ে প্রায় ১১% বৃদ্ধি।
এর মধ্যে ১.৭ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হবে নৌবহরের আধুনিকায়নে। মাত্র ৩৪৭ মিলিয়ন ডলার রাখা হয়েছে এয়ারক্রাফট ও বিমানের ইঞ্জিনের রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের কাজে। ক্যাপিটাল একুইজিশন খাতে ৫ বিলিয়ন ডলার চেয়েছিলো ভারতীয় নৌবাহিনী।
পার্লামেন্টারি স্ট্যান্ডিং কমিটির এক রিপোর্টে বলা হয় যে শুধু ২০১৮-১৯ সালেই প্রতিশ্রুত দায়ের ঘাটতি ছিলো ১.৫ বিলিয়ন ডলার বা ৪০%। গত তিন বছর ধরে এই অবস্থা চলে আসছে।
ভারত মহাসাগরের উত্তরাঞ্চলে চীনা নৌবাহিনীর উপস্থিতি ক্রমে বাড়লেও ভারতীয় নৌবাহিনী প্রয়োজনীয় নৌবল সংগ্রহ করতে পারছে না। সারা বছর প্রতিশ্রুত বকেয়া দেনা পরিশোধ বিলম্বিত করার মাধ্যমে বাজেট সামলাতে হয়। ফলে আধুনিকায়ন ও নতুন প্রকল্প গ্রহণের জন্য আলাদা বরাদ্দ রাখা যেতে পারে বলে কমিটির রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়।
বাজেট ঘাটতির কারণে ফ্রিগেট, এয়ারক্রাফট কেরিয়ার, নেভাল অফশোর পেট্রোল ভেসেল, ফাস্ট ইন্টারসেপ্টর ক্রাফট ও নেভাল হেলিকপ্টারের মতো জরুরি প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন বছরের পর বছর বিলম্বিত হচ্ছে।
এরপরও নৌবাহিনী প্রধান আশা করছেন যে সাবমেরিন তৈরির ‘প্রকল্প ৭৫ আই’ ও নৌ হেলিকপ্টার প্রকল্প শিগগিরই বাস্তবায়িত হবে। সিং আশা করছেন যে চলতি বছরের মধ্যেই ২৪টি মাল্টিরোল হেলিকপ্টার কেনার চুক্তি সই হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জুয়ার ‘আখড়া’ চন্দ্রিকা মার্কেট

পুলিশের অভিযানের পরপরই আবার যেই সেই অবস্থা। কোনো পরিবর্তন নেই। জুয়াড়িরা মেতে ওঠে জুয়া খেলায়। ঘটছে নানা অপরাধও। চোখের সামনে এসব ঘটনা ঘটছে, আটকও হচ্ছে- কিন্তু বন্ধ হচ্ছে না। মার্কেটের দোকানিরা জানিয়েছেন, সিন্ডিকেট আটক হচ্ছে না। তারা আড়ালে থেকে জুয়ার বোর্ড পরিচালনা করে। তবে সিলেট মহানগর পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন- যতদিন তালতলার ওই জুয়ার আস্তানা বন্ধ না হবে ততদিন অভিযান চলবে। সর্বশেষ গত বুধবার রাতেও পুলিশ ওই আস্তানায় অভিযান চালিয়ে ১৫ জুয়াড়িকে গ্রেপ্তার করেছে। শিলং তীর নামক জুয়ায় এখন সয়লাব সিলেট নগর। এটি নতুন নয়। ৪-৫ বছর আগে এই খেলা সিলেটে বিস্তার লাভ করে। সিলেটের পার্শ্ববর্তী মেঘালয় রাজ্যের একটি জুয়া খেলা। প্রায় এক যুগ ধরে এই খেলা সিলেটের সীমান্তবর্তী কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট, জাফলং, জৈন্তাপুর ও কানাইঘাটে জনপ্রিয় ছিল। টাকার বিনিময়ে টিকিট নাম্বার ক্রয় করে লটারি প্রক্রিয়ায় এই খেলা। এক সময় তা ছড়িয়ে পড়ে সিলেট নগরীতেও। এটি এখন গোটা জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে। সিলেট নগরীর পাড়ায় পাড়ায় রয়েছে জুয়ার বোর্ড। এমনকি কোনো কোনো পাড়ায় একাধিক বোর্ড পরিচালনা করা হয়। এই শিলং তীরের অন্যতম হেডকোয়ার্টারে পরিণত হয়েছে তালতলার ওই চন্দ্রিকা মার্কেটের জুয়ার আস্তানা। তালতলার পাশেই নন্দিতা সিনেমা হল। আগে এখানে ছিল তিনটি সিনেমা হল। দুটি এরই মধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে। এখন নন্দিতা সিনেমা হল কোনো মতে টিকে আছে। বাংলা ছায়াছবি প্রদর্শনের অন্যতম এই সিনেমা হলের সামনে দর্শকের সব সময় সমাগম থাকে। আর এই সুযোগে শিলং তীরের জুয়াড়িরা এখানে ঘাঁটি পেতেছে। সিনেমা হলের নিচের মার্কেটকে অনেকেই চন্দ্রিকা মার্কেট নামে চিনেন। এই মার্কেটের নিচ তলার ভেতরে শিলং তীরের এজেন্টরা অবস্থান নেয়। সকাল থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত তারা দিনের নাম্বার বিক্রি করে। আবার রাতেও তারা টিকিট বিক্রি করে। এই মার্কেটের জুয়ায় অংশ নিতে শহরের অন্যান্য এলাকা এবং শহরতলী থেকেও জুয়াড়িরা ভিড় জমায়। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এই মার্কেটে শিলং তীরের বোর্ডের মালিক হেলাল আহমদ। পার্শ্ববর্তী একটি এলাকায় বসে তিনি এই বোর্ড পরিচালনা করেন। এখানে হক, রবিউল, সুমন, আমির সহ কয়েকজন তার এজেন্ট হিসেবে কাজ করে। ইতিমধ্যে পুলিশের কাছে তাদের তথ্য পৌঁছেছে। এর মধ্যে কেউ কেউ অভিযানকালে গ্রেপ্তারও হয়েছে। এ ছাড়া এখানে রয়েছে ঝান্ডুমান্ডু জুয়ার একটি আস্তানা। শিলং তীর খেলার মতো এই ঝান্ডুমান্ডু জুয়ার আস্তানার জুয়াড়ি সিন্ডিকেট আড়ালে থাকে। এই আস্তানার নিয়ন্ত্রক নবান রোডের কামরুল সহ আরো কয়েকজন। পুলিশ ওই আস্তানা থেকে কিছু সংখ্যক জুয়াড়িকে গ্রেপ্তার করেছে। এদিকে সিলেট মহানগর পুলিশের অভিযানে সতর্ক হয়েছে পার্শ্ববর্তী কাজিরবাজারের কাঁঠালহাটা সহ কয়েকটি আস্তানার জুয়াড়িরা। কাজিরবাজার এলাকায় এখন আর জুয়ার আস্তানা বসে না। তবে কাঁঠালহাটা এলাকায় পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে শিলং তীরের একটি বোর্ড সক্রিয় রয়েছে। সেই বোর্ডও পার্শ্ববর্তী আবাসিক এলাকায় বসে জুয়াড়িদের নিয়ন্ত্রণ করে। সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) জেদান আল মুছা গতকাল বিকালে মানবজমিনকে জানিয়েছেন, তালতলার নন্দিতা সিনেমা হলের নিচের জুয়ার আস্তানায় কয়েক মাসে অর্ধশতাধিক বার অভিযান চালানো হয়। এসব অভিযানে কম করে হলেও ২০০ জুয়াড়িকে গ্রেপ্তার করেছে। তিনি বলেন- শিলং তীর ‘বায়বীয়’ খেলায় পরিণত হয়েছে। ফলে সিন্ডিকেট সদস্যদের আটক করা যায় না। তবে পুলিশ জুয়ার বোর্ড বন্ধে অভিযানে রয়েছে। যতদিন এখানে জুয়া খেলা বন্ধ না হবে ততদিন চলবে বলে জানান তিনি। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, জুয়ার পাশাপাশি ওখানে একটি ইয়াবা সিন্ডিকেট চক্র সক্রিয় রয়েছে। নগরীর তালতলা পয়েন্ট পর্যন্ত ওই চক্র সক্রিয়। এ ছাড়া তালতলা এলাকায় প্রায় সময় ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। এসব কিছুর জন্য দায়ী হচ্ছে জুয়াড়ি সিন্ডিকেট।
গ্রেপ্তার ১৫: সিলেট মহানগর পুলিশের মিডিয়া শাখা থেকে গতকাল এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে- গত বুধবার রাতে তালতলার ওই আস্তানায় অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় শিলং তীর খেলার সময় তারা নন্দিতা সিনেমা হলের নিচ তলার একটি পরিত্যক্ত কক্ষ থেকে ১৫ জন জুয়াড়িকে গ্রেপ্তার করেছে। এ ছাড়া, জুয়া খেলার স্থান থেকে দুটি মোটরসাইকেল, একটি ফোর স্ট্রোক (সিএনজি) এবং বিভিন্ন নোটের নগদ ১২৪০ টাকা, ঝান্ডুমান্ডু জুয়ার বোর্ড ও জুয়া খেলায় ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে বলে জানানো হয়। আটককৃত জুয়াড়িদের মধ্যে রয়েছে, নূরুল ইসলাম, সবুজ মিয়া, আল আমিন, মোজাহিদ উদ্দিন, সারওয়ার আহমদ, খোকন আলী, মো. ইবাদুল শেখ, মো. আলী হোসেন, সুধীর রায়, তুহিন আহমদ, মামুন মিয়া, কামাল উদ্দিন, সাহেদ মিয়া, রফিক মিয়া ও তহুর আলী।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতের জন্যও উড়তে পারে রাশিয়ার সু-৫৭ স্টেলথ জঙ্গি বিমান by মার্ক এপিস্কোপোস

রাশিয়ান মিডিয়াকে দেয়া সাক্ষাতকারে ভারতীয় বিমান বাহিনী প্রধান বিরেন্দর সিং ধানোয়া সম্প্রতি বলেছেন: “আপনি যদি পঞ্চম প্রজন্মের জঙ্গি বিমানের কথা বুঝিয়ে থাকেন, তাহলে এটা নিয়ে এখনও আমরা পর্যালোচনা করিনি। আপনাদের সশস্ত্র বাহিনীতে যখন এটা যুক্ত হয়, কেবল তখনই আমরা একটা সিদ্ধান্ত নিতে পারবো। আমরা এটা পার্ফর্মেন্স দেখার পর এবং এটা আমাদের কাছে রিভিউয়ের জন্য আসার পরেই কেবল এটা কেনার ব্যাপারে আমরা সিদ্ধান্ত নিতে পারবো”।
রাশিয়া সু-৫৭ বিমান বিক্রির জন্য ভারতের কাছে বেশ কয়েক দফা প্রস্তাব দিয়েছে। এর আগে নয়াদিল্লী ২০১৮ সালে রাশিয়ার সাথে যৌথভাবে সু-৫৭ বিমান তৈরির প্রকল্প থেকে বেরিয়ে আসে। উভয়ে মিলে যে বিমান তৈরির কথা ছিল, সেটা এফজিএফএ নামে পরিচিত। ধানোয়া যে বক্তব্য দিয়েছেন, সেটি এ যাবতকালের মধ্যে সবচেয়ে স্পষ্ট বক্তব্য যে ভারতীয় বিমান বাহিনী তাদের সম্ভাব্য আমদানির তালিকা থেকে সু-৫৭ বিমানকে এখনও সরিয়ে রাখেনি।
এফজিএফএ প্রকল্প বিলুপ্তির পেছনে প্রযুক্তিগত সমস্যার কথা বলা হলেও এর আসল কারণ মূলত রাজনৈতিক। নয়াদিল্লী মূলত তাদের মেক ইন ইন্ডিয়া পদক্ষেপ এগিয়ে নেয়ার জন্যই এফজিএফএ কর্মসূচির সাথে যুক্ত হয়েছিল। বিমানের ডিজাইন ব্লুপ্রিন্ট এবং উৎপাদন বিশেষজ্ঞ বিষয়ক সমস্ত প্রযুক্তি হস্তান্তর লক্ষ্য ছিল তাদের এবং একই সাথে উন্মুক্ত লাইসেন্সের অধিকারও চেয়েছিল তারা। ক্রেমলিন ভারতকে এই ধরনের সুবিধা দিতে স্বাচ্ছন্দ্য ছিল না বলেই কর্মসূচিটি বাতিল হয়ে যায়।
এফজিএফএ কর্মসূচিটি পুনরুজ্জীবিত করার বিষয়টি এখন আর কারো বিবেচনায় নেই, কিন্তু সেটা রাশিয়ার পক্ষে কাজ করতে পারে। রাশিয়া যদি ভারতের কাছে সু-৫৭ রফতানি করতে পারে একটা পণ্য হিসেবে, যেখানে যৌথভাবে উৎপাদনের কোন বিষয় থাকছে না, তাহলে সেক্ষেত্রে রাশিয়াকে আর সেই সব নিয়ম নীতি মানতে হবে না, যেগুলোর কারণে এফজিএফএ কর্মসূচি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।
বিমান বাহিনী প্রধানের বক্তব্য থেকে এটা বোঝা যাবে না যে আইএএফ সু-৫৭ বিমান যাচাই বাছাই ও এর পার্ফর্মেন্স পরীক্ষা নিরীক্ষার পর সেটা কিনবেই, বরং তার বক্তব্য থেকে যেটা বোঝা গেছে, যেটা হলো নয়াদিল্লী সু-৫৭ বিমানকে ভিন্ন আমদানির দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখছে। নয়াদিল্লী ও মস্কোর মধ্যে সদিচ্ছার সম্পর্ক বিদ্যমান থাকার একটা বহিপ্রকাশ এটা, সেটার সূচনা হয়েছে ২০১৮ সালে ৫.৪৩ বিলিয়ন ডলারের পাঁচটি এস-৪০০ সার্ফেস-টু-এয়ার উইপন্স সিস্টেম এব রাশিয়ান অ্যাডমিরাল গ্রিগোরোভিচ-শ্রেণীর চারটি ফ্রিগেট ক্রয় চুক্তির মাধ্যমে। সেই সাথে রয়েছে উচ্চাকাঙ্ক্ষী কালাশনিকভের নতুন একে-২০৩ রাইফেল যৌথভাবে উৎপাদনের উচ্চাকাঙ্ক্ষী পরিকল্পনা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাকিস্তান-চীন প্রতিনিধিদলের সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা by ফায়জান হাশমি

ওখান করিডোরের পূর্ব প্রান্ত থেকে সিয়াচিন হিমবাহের কারাকোরাম পাস পর্যন্ত ৫০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে গিলগিট-বাল্টিস্তান ও জিনজিয়াঙ অঞ্চলের মধ্যে। পাকিস্তান-চীন সীমান্ত চিহ্নিত হয়েছে ১৯৬৩ সালের চীন-পাকিস্তান সীমান্ত চুক্তির মাধ্যমে।
গিলগিট-বাল্টিস্তান পুলিশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন পুলিশের মহাপরিদর্শক সানাউল্লাহ আব্বাসি। আর জিনজিয়াং স্টেশনের ছয় সদস্য প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন ইমিগ্রেশন ইন্সপেকশনের জিনজিয়াঙ জেনারেল স্টেশনের মহাপরিচালক উই চ্যাং। সভায় নিরাপত্তা এবং পাকিস্তান-চীন সীমান্তের বিভিন্ন অবস্থা নিয়ে আলোচনা হয়। অবৈধভাবে সীমান্ত পারাপার, অস্ত্র, মাদক ও মানব পাচার প্রতিরোধের লক্ষ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরো বাড়ানোর কথা সভায় জোরালোভাবে উপস্থাপন করা হয।
সভায় সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনীর কর্মদক্ষতা ও প্রশিক্ষণ বাড়ানোর ব্যাপারে একমত হয়। যোগাযোগ ও নিয়মিত সভার মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নত করার ব্যাপারেও দুই পক্ষ একমত হয়।
আইজিপি আব্বাসি চীনা প্রতিনিধিদলকে বলেন যে জিবি শান্তিপূর্ণ অঞ্চল। হ্যাপিনেস ও পিস ইনডেক্সে এর হার ৯০ ভাগ।
আব্বাসি চীনা কর্মকর্তাদেরকে সুভেনির, ঐতিহ্যবাহী টুপি ও শাল উপহার দেন। চীনা কর্মকর্তারাও আইজি পুলিশ ও অন্যান্য কর্মকর্তাকে উপহার দেন।
গিলগিট-বাল্টিস্তানের হয়ে আলোচনায় অংশ নেন ডিআইজি হেডকোয়াটার্স কামার রাজা জাসকানি, ডিআইজি ওয়াকাস, ডিআইসি হানিফুল্লাহ খান, ডিআইজি ক্রাইমস ফরমান আলী, এসএসপি তানভির উল হাসান, এসএসপি গিলগিট মির্জা হাসান ও এসপি হুনজা তাহিরা ইয়াসুব।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশ সীমান্তে আটক, খাবার না পেয়ে দেড় শতাধিক গরুর মৃত্যু

এদিকে আবকাঠামোর অভাব থাকায় বিএসএফের পক্ষ থেকে পুলিশের কাছে সাহায্য চাওয়া হয়। কিন্তু পুলিশের কাছেও তেমন কোনো অবকাঠামো নেই। পরে এগিয়ে আসে দিল্লির ধ্যান ফাউন্ডেশন। আগরতলা থেকে ২২ কিলোমিটার দূরে সিপাহীজলা জেলার দেবীপুর গ্রামে তারা একটি গোশালা তৈরি করে।
ত্রিপুরা সরকার এ ব্যাপারে ব্যর্থ হওয়ার পর ওই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা দেবীপুর গ্রামের তিনশ ৬০ একর বনভূমির মধ্যে চার একর জায়গা জুড়ে ওই গোশালা তৈরি করে। এ ব্যাপারে তাদের সমঝোতা হয় রাজ্য সরকারের সঙ্গে। পরে তারাই ওই গোশালায় রাখে উদ্ধার হওয়া গরুগুলো। কিন্তু পর্যাপ্ত আবকাঠামোর অভাবে ভালো নেই গরুগুলো। অন্তত ১৫৯টি গরু মারা গিয়েছে। যথাযথ অবকাঠামো এবং পর্যাপ্ত পরিমাণ গোখাদ্যের অভাবেই গরুগুলো মারা গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। দিল্লির ধ্যান ফাউন্ডেশন ওই গোশালা পরিচালনার দায়িত্বে ছিল।
দায়িত্বে থাকা ধ্যান ফাউন্ডেশনের গোশালার ভলান্টিয়ার ইনচার্জ জোশিন অ্যান্টনি জানান, ওই গোশালায় যথেষ্ট পরিমাণ গরু চরানো জায়গা নেই, যার ফলে গোখাদ্যের ব্যাপক সংকট দেখা দেয়। নিকটবর্তী সরকারি জমিতে গরুগুলোকে চরানোর জন্য নিয়ে যাওয়া হলে সরকার ব্যারিকেড তৈরি করে দেয়।
অ্যান্টনি জানিয়েছেন, সরকার তাদের ওষুধ বা পশুচিকিৎসার ব্যাপারে কোনো রকম সাহায্যা করেনি।
গোশালার ভলান্টিয়ার ইনচার্জ জানান, তিনশ গরু রাখার ব্যবস্থা থাকলেও এখন সেখানে মোট সাতশ গরু রাখা হচ্ছে। অধিকাংশ গরুকেই খোলা আকাশের তলায় থাকতে হয়। ফলে এ মাসে দু সপ্তাহের ক্রমাগত বৃষ্টিতে সেগুলো প্রতিদিন ভিজেছে এবং ৪৫ টি গরুর মৃত্যু হয়েছে হাইপারথেমিয়ায়। ১০৪টি গরু মারা গিয়েছে অপুষ্টি এবং ভগ্নস্বাস্থ্যের কারণে। অভুক্ত গরুগুলোর খিদে নষ্ট করার জন্য তাদের কপার সালফেট এবং স্টেরয়েজ দেওয়া হয়েছে। এসব ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় ভুগছে বেশ কিছু গরু।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1398)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
July
(817)
-
▼
Jul 29
(18)
- ঢাকায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি এমন হলো কেন by সানজানা চৌধুরী
- নির্বাচনী মওসুমের শুরু: সঙ্কটময় সময়ে আফগানিস্তান
- সর্বকালের রেকর্ড ভঙ্গ ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি ৬৮৩ by ফরিদ ...
- ডেঙ্গুর ভয়াল বিস্তার, একদিনে ৮২৪ রোগী ভর্তি: প্রতি...
- রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব অথবা আলাদা রাষ্ট্র দিন -মিয়া...
- শর্ত সাপেক্ষে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দেবে মিয়ানমার ...
- রাশিয়ায় সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে বিক্ষোভ, আটক সহস্...
- ‘বন্ড ০০৭’ এখন ‘টিম ৬১’ by মো. মিজানুর রহমান
- জঙ্গি নাকি সন্ত্রাসীদের কাছে যাচ্ছে এসব অত্যাধুনিক...
- বাংলাদেশে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১৪, দুর্গত ম...
- নতুন অস্ত্র পাচ্ছে ভারতীয় সেনাবহিনীর ‘স্পেশাল ফোর্...
- দূষণ নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনে বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ by সঞ...
- বিভক্ত কাশ্মীর by নাইমা আহমেদ মাহজুর
- চীনা নৌবাহিনীর ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গে তাল মেলাতে চায় ভ...
- জুয়ার ‘আখড়া’ চন্দ্রিকা মার্কেট
- ভারতের জন্যও উড়তে পারে রাশিয়ার সু-৫৭ স্টেলথ জঙ্গি ...
- পাকিস্তান-চীন প্রতিনিধিদলের সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে...
- বাংলাদেশ সীমান্তে আটক, খাবার না পেয়ে দেড় শতাধিক গ...
-
▼
Jul 29
(18)
-
▼
July
(817)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...


