Saturday, October 31, 2015
কার্যালয়ে ঢুকে জাগৃতির প্রকাশককে কুপিয়ে হত্যা
আরেক প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান শুদ্ধস্বরের লালমাটিয়ার কার্যালয়ে ঢুকে স্বত্বাধিকারী আহমেদুর রশীদ টুটুলসহ তিনজনকে কুপিয়ে জখম করার কয়েক ঘণ্টা পর জাগৃতি প্রকাশনীর মালিক খুন হলেন।
নিহত ফয়সালের বাবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক আবুল কাশেম ফজলুল হক সাংবাদিকদের বলেন, আজ দুপুর দেড়টা পর্যন্ত ফয়সাল তাঁর সঙ্গেই বাসায় ছিলেন। পরে তিনি শাহবাগে তাঁর প্রকাশনী প্রতিষ্ঠানে যান। খোঁজ নেওয়ার জন্য তিনি কয়েকবার ছেলেকে ফোন করেন। কিন্তু ছেলে ফোন ধরেননি। বিকেল চারটার দিকে তিনি আজিজ সুপার মার্কেটের তিন তলায় ১৩১ নম্বর রুমের সামনে যান। এটি তাঁর ছেলের কার্যালয়।
![]() |
| প্রকাশক ফয়সাল আরেফিন দীপনকে আজিজ সুপার মার্কেট থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে। ছবি: সাজিদ হোসেন |
ফয়সাল আরেফিন দীপনের স্ত্রী চিকিৎসক। তাঁর দুই ছেলে-মেয়ে। তাঁর অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষার্থী। আর মেয়েটি ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে।
![]() |
| আজিজ সুপার মার্কেটে ঘটনাস্থলে নিহত ফয়সালের এক বন্ধুর কান্না। ছবি: সাজিদ হোসেন |
![]() |
| স্বজনের কান্না। ছবিটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতল থেকে তোলা। ছবি: সাজিদ হোসেন |
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রবাসী বাংলাদেশিদের সাথে রোববার খালেদা জিয়ার মতবিনিময়
বিএনপির পররাষ্ট্র বিষয়ক কমিটির সদস্য মুশফিকুল ফজল আনসারি নয়া দিগন্তকে জানিয়েছেন, রোববার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় সেন্ট্রাল লন্ডনের হিলটন হোটেলে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সাথে মতবিনিময় করবেন বেগম খালেদা জিয়া। যুক্তরাজ্য বিএনপির নেতা-কর্মীরাও এতে উপস্থিত থাকবেন।
এদিকে বেগম খালেদা জিয়া নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যেই দেশে ফিরবেন বলে জানা গেছে।
বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান আজ রাতে এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে জানিয়েছেন, যুক্তরাজ্য সফর শেষ করে চলতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের শুরুতেই সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশে ফেরার উদ্দেশে রওনা দেবেন বলে কথা রয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, মাঝ সেপ্টেম্বরে ব্যক্তিগত সফরে খালেদা জিয়া লন্ডন যান। চোখ ও পায়ের চিকিৎসা এবং পরিবারের সদস্যদের সাথে দেখা করাই মূলত এ সফরের উদ্দেশ্য। তিনি সেখানে ঈদুল আযহাও উদযাপন করেন। ইতোমধ্যে বিএনপি চেয়ারপারসনের একটি চোখে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ৪ নভেম্বর তার আবারো চিকিৎসকের সাথে এপয়েন্টমেন্ট করা আছে। ডাক্তার ছাড়পত্র দিলে অ্যামিরেটসের পরবর্তী এভেইলেবল ফ্লাইটেই তিনি ঢাকার পথে রওনা দেবেন বলে আশা করা যাচ্ছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জাসদকে যারা বাদ দিতে চান তারা ভুল করছেন : ইনু
আজ শনিবোর জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ দলের ৪৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় তথ্যমন্ত্রী একথা বলেন।
ইনু আরো বলেন, জাসদ ঐক্যের দল। সমাজতান্ত্রিক দল। কিন্তু জাসদ ঐকবদ্ধ সংগ্রামের মাঝে সমাজতন্ত্রের পতাকা লুকিয়ে রাখে না। জাতীয়, দেশের প্রয়োজনে জাসদ ঐক্যর কৌশলকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়। জাসদ কখনোই দলের বা নেতাদের স্বার্থের হিসাব নিকাশ করে রাজনৈতিক কৌশলকে সাজায় না।
তথ্যমন্ত্রী আরো বলেন, জাসদ জাতীয় প্রয়োজনে, দেশের প্রয়োজনে ঐক্যের কৌশলকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়। জাসদ কখনোই দলের বা নেতাদের স্বার্থের হিসাব নিকাশ করে রাজনৈতিক কৌশল সাজায় না। তবে জাসদ ধরো মারো খাও এমন রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, বেগম খালেদা জিয়া, বিএনপি এবং জামায়াতের এজেণ্ডা নির্বাচন বা গণতন্ত্র নয়। শুরু থেকেই তাদের আসল মতলব পানি ঘোলা করে দেশকে সংবিধানের বাইরে ধাক্কা দিয়ে অঘটন ঘটিয়ে অস্বাভাবিক সরকার ক্ষমতায় আনা।
তিনি বলেন, যারা শেখ হাসিনার বিকল্প খালেদা-বিএনপি-জামায়াত তারা ভুল করছেন। অঘটন ঘটিয়ে ক্ষমতায় আসার দিন শেষ।
তথ্যমন্ত্রী আরো বলেন, জাতীয় শত্রুর সাথে কোনো সমঝোতা হবে না, সুযোগও নেই। তাছাড়া বেগম খালেদা জিয়ার এখন দম নেয়ারও সুযোগ নেই। কারণ তিনি অঘটন ঘটানোর অস্বাভাবিক রাজনীতি করে নিজেই নিজেকে এমন পর্যায়ে নামিয়ে নিয়েছেন, তাকে আর রাজনৈতিক প্রতিযোগী, প্রতিদ্বন্দী, প্রতিপক্ষের অবস্থায় নেই।
রমনাস্থ ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলির সদস্য স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এমপি বক্তব্য রাখার কথা থাকলেও তিনি আসেননি। এজন্য জাসদের সাধারণ সম্পাদক শরিফ নূরুল আম্বিয়া দুঃখ প্রকাশ করেন। তবে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে সাবেক মন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া বক্তব্য রাখেন।
আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নাজমুল হক প্রধান এমপি, শিরিন আতখার এমপি, মীর আখতার হোসাইন, ডাঃ খন্দকার মোজাম্মেল হোসেন, লুৎফা তাহের প্রমুখ।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিমান টিকিটের টোপেই ‘বাঘিনি’ খাঁচায়
কে এই বাঘিনি?
তিনি সারদা আর্থিক কেলেঙ্কারিতে জড়িত মনোরঞ্জনা সিংহ। সিবিআইয়ের এক তদন্তকারীর কথায়, জেরায় সময় নিজেকে তিনি বাঘিনি বলেই জাহির করতেন। বলতেন, ‘‘আই অ্যাম টাইগ্রেস!’’
প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা ও প্রাক্তন মন্ত্রী মাতঙ্গ সিংহের সঙ্গে সাংবাদিক মনোরঞ্জনার বিয়ে হয়েছিল ১৯৯৫-এ। কিন্তু গোয়েন্দাদের কাছে তিনি দাবি করেছেন, স্বামীর অত্যাচার সীমা ছাড়িয়ে যাওয়ায় ২০০৮-এ নিজের ছেলেকে নিয়ে বাবার কাছে চলে এসেছিলেন তিনি। প্রভাবশালী মন্ত্রীর বিরুদ্ধে আইনি লড়াইও শুরু করেছেন।
সারদা কাণ্ডে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে গত এপ্রিল মাসে সিবিআইয়ের ডিরেক্টর অনিল সিন্হাকে সরাসরি চিঠি লিখেছিলেন মনোরঞ্জনা। চিঠিতে তিনি জানিয়েছেন, সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেনের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী আইন মেনেই তিনি ব্যবসা করেছেন। সিবিআই গোয়েন্দাদের কথায়, সারদার প্রায় ৪০ কোটি টাকা নয়ছয়ের অভিযোগে মনোরঞ্জনাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সারদার ‘বেঙ্গল মিডিয়ার’ সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী ওই টাকায় উত্তর-পূর্ব ভারতে ‘রাজধানী’ ও ‘ফ্রন্টিয়ার’ নামে টিভি ও রেডিও চ্যানেল শুরু হয়েছিল, চুক্তিপত্র অনুয়ায়ী যার চেক সই থেকে সংবাদ পরিবেশন— সব ক্ষমতাই ছিল মনোরঞ্জনার হাতে।
সিবিআইয়ের অভিযোগ, সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেনকে কার্যত ঠুঁটো জগন্নাথ করে সারদার পুঁজি দিয়েই মনোরঞ্জনা ব্যবসা করে মুনাফা করেছেন। গুয়াহাটিতে ‘রাজধানী’ ও ‘ফ্রন্টিয়ার’-এর অফিসে তল্লাশি চালিয়ে বহু নথি উদ্ধার করা হয়েছে, যা পরীক্ষা করে এই অভিযোগের সত্যতা মিলেছে বলে দাবি সিবিআইয়ের। চুক্তিপত্র অনুযায়ী সারদার ‘বেঙ্গল মিডিয়া’র কাছ থেকে মাসে ১৫ লক্ষ টাকা করে বেতন নিতেন মনোরঞ্জনা। সঙ্গে বিলাসবহুল বাড়ি, চালক-সহ গাড়ি, অন্যান্য সুবিধা এবং ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক সফরের সব খরচ। সিবিআইয়ের ডিরেক্টরকে লেখা চিঠিতে মনোরঞ্জনা জানিয়েছেন, গুয়াহাটি বিমানবন্দরেই সারদা-কর্তার সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়েছিল। তার পরেই যৌথ ভাবে সংবাদ চ্যানেলের ব্যবসার পরিকল্পনা।
সিবিআইয়ের এক তদন্তকারীর কথায়, জেরার সময়ে গোয়েন্দাদের ঘোল খাইয়ে দিয়েছেন চতুরএই মহিলা। দিল্লিতে কংগ্রেস ও বিজেপির প্রথম সারির অনেক নেতার সঙ্গে মনোরঞ্জনার ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের সময় একাধিক বার তা উল্লেখ করে তদন্তকারীদের চাপে রাখার চেষ্টা করতেন তিনি। সেই সঙ্গে বারে বারে একটা কথাই বলতেন, ‘‘আমার সঙ্গে পাঙ্গা লড়তে আসবেন না। রিমেমবার— আই অ্যাম টাইগ্রেস!’’
সেই বাঘিনি এখন খাঁচাবন্দি। এবং তার জন্য কম ঘাম ঝরাতে হয়নি সিবিআইকে। এক গোয়েন্দা কর্তার কথায়, সব তথ্য যাচাই করে আদলতগ্রাহ্য প্রমাণ হাতে আসার পরই মনোরঞ্জনাকে গ্রেফতারের পরিকল্পনা করা হয়। বেশ কয়েক বার জিজ্ঞাসাবাদের পর মনোরঞ্জনা কিছুটা আন্দাজ করেছিলেন তিনি গ্রেফতার হতে পারেন। তাই বার বার কালক্ষেপ করছিলেন। মনোরঞ্জনা দিল্লিতে থাকতেন। সেখান থেকে গ্রেফতার করতে কিছু
আইনগত সমস্যা ছিল সিবিআইয়ের। কয়েকটি নথিতে সইসাবুদ করার প্রয়োজনে ডাকা হচ্ছে বলে ফোনে তাঁকে জানানো হয়। পাশাপাশি দু’টি বিমানের টিকিটও তাঁর গুলমোহর পার্কের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। একটি দিল্লি থেকে কলকাতা আসার, অন্যটি সে দিন বিকেলেই দিল্লি ফিরে যাওয়ার। সিবিআইয়ের এক কর্তার যুক্তি, এর ফলে চতুর মনোরঞ্জনা ভাববেন, তাঁকে গ্রেফতারের কথা ভাবাই হচ্ছে না। আর ওই ফাঁদেই পা দেন তিনি। সকালের বিমানে কলকাতা এসে সরাসরি সিজিও কমপ্লেক্সে আসেন। সেখানে কয়েক ঘণ্টা জেরার পরে বিকেলে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। দিল্লি ফেরার টিকিট তাঁর ব্যাগেই রয়ে যায়।
এক সিবিআই কর্তার কথায়, বাঘিনি এখনও খাঁচা-বন্দি। বর্তমান ঠিকানা জেল নয়, এসএসকেএম হাসপাতালের কেবিন। তিনি ‘অসুস্থ’। আত্মীয়দের সংস্রবে থাকতে চান বলে এখন আলিপুরের অতিরিক্ত মুখ্য বিচারক সৌগত রায়চৌধুরীর কাছে আর্জি জানিয়েছেন মনোরঞ্জনা। আদালত সূত্রে খবর, সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কোনও আত্মীয়কে তাঁর কাছে থাকার অনুমতি প্রার্থনা করেছেন তিনি। তবে মনোরঞ্জনার শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল বলেই জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
সুত্রঃ আনন্দবাজার পত্রিকা
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাশিয়ার কাঁধে সিরিয়ার বোঝা by আলী রীয়াজ
এখন সিরিয়ার যুদ্ধে রাশিয়ার বোমাবর্ষণের ঘটনা শুরু হওয়ার পরে যাঁরা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ লাগবে বলে ভবিষ্যদ্বাণী করছেন, তাঁরা তাঁদের সেই কথিত তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা বলে কোন ঘটনাকে চিহ্নিত করবেন? যদিও আমি এ ব্যাপারে প্রায় নিশ্চিত যে সিরিয়াকে কেন্দ্র
করে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কা কল্পনাপ্রসূত মাত্র, তথাপি তাঁদের স্মরণ করিয়ে দিতে চাই যে এই ঘটনাবলির সূচনা হয়েছিল একটি দেয়াললিখনের কারণে। ২০১১ সালের ১৫ মার্চ সিরিয়ার দারা শহরের বাজার থেকে কেনা স্প্রে পেইন্ট দিয়ে কয়েকজন কিশোর একটি দেয়ালে লিখে দিয়েছিল, ‘জনগণ এই সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিতে চায়’ (আরবিতে লেখা এই দেয়াললিখনের ইংরেজি অনুবাদ—দ্য পিপল ওয়ান্ট টু টপল দ্য রেজিম)। আসাদ সরকার পরদিনই ১০ থেকে ১৫ বছর বয়সী ১৫ জন কিশোরকে আটক করে, তাদের ওপর চালানো হয় অত্যাচার। এই আটকের বিরুদ্ধে মানুষ প্রতিবাদে পথে নামে, সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে বিক্ষোভ। ফলে যদি আমার অনুমান ভুল প্রমাণিত হয় এবং বিশ্ব তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে, তবে আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম হয়তো ইতিহাসের ক্লাসে পড়বে—একটি দেয়াললিখন তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা করেছিল।
সাধারণ মানুষের প্রতিবাদের ফলে ওই কিশোরেরা মুক্তি পায় বটে কিন্তু ১৮ মার্চে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায় একজন বিক্ষোভকারী। সাড়ে চার বছর পরে সিরিয়ায় নিহত ব্যক্তির সংখ্যা আড়াই লাখ ছাড়িয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৭৫ হাজার বেসামরিক ব্যক্তি। বেসামরিক ব্যক্তিদের মধ্যে আছে সাড়ে ১২ হাজার শিশু, আট হাজার নারী। বিদ্রোহী যোদ্ধা মারা গেছে ৪৩ হাজারের বেশি। সরকারের পক্ষে নিহত ব্যক্তির সংখ্যা ৯১ হাজার ৬৭৮, যার মধ্যে সরকারি সৈন্য ৫২ হাজার, কেবল লেবানন থেকে আসা হিজবুল্লাহ যোদ্ধা মারা গেছে কমপক্ষে ৯৭১ জন। নিহত ইরানিদের সংখ্যা আমরা জানি না। ২ কোটি ৩০ লাখ নাগরিকের মধ্যে ৩০ লাখ মানুষ দেশত্যাগ করে শরণার্থী হয়েছে এবং আরও ৬৫ লাখ হয়েছে গৃহহারা। অধিকাংশের গৃহ বলতে কিছু অবশিষ্ট আছে কি না সেটাই প্রশ্ন।
এখন এই যুদ্ধে পক্ষ-বিপক্ষ অনেক। যে কারণে নিহত ব্যক্তিদের তালিকায় আছে ৩৭ হাজার মানুষ, যারা সিরিয়ায় ‘জিহাদ’ করতে গিয়েছিল বলে জানা গেছে। ৩ হাজার ২৫৮ জনের পরিচয় মেলেনি। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে হিজবুল্লাহ ও ইরানিদের উপস্থিতি প্রমাণ করে এই যুদ্ধে তারাও অংশ নিচ্ছে, যদিও তারা সিরীয় নয়। আনুষ্ঠানিকভাবে বিদেশি শক্তি উপস্থিত রয়েছে অনেক। সিরিয়ার যুদ্ধে আছে যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলো, আছে রাশিয়া, ইরান, লেবাননের হিজবুল্লাহর সৈনিকেরা ও তুরস্ক। এসব বিদেশি শক্তির উপস্থিতি প্রত্যক্ষ, তার বাইরে এই অঞ্চলের অন্য দেশগুলোও পরোক্ষভাবে এখানে উপস্থিত—অর্থ এবং প্রভাব তাদের উপস্থিতির স্মারক। প্রতিবেশী সৌদি আরব, কাতার ও অন্য উপসাগরীয় দেশের পরোক্ষ উপস্থিতি অনস্বীকার্য। দেশের ভেতরে আছে বাশার আল–আসাদের সরকার, দানবীয় আকারে উপস্থিত আইসিস, আছে আল-কায়েদার অনুসারী জাবহাত আল নুসরা, ইসলামপন্থী বলে পরিচিত ইসলামিক ফ্রন্ট, যাতে আছে আহরার আল-শাম, আল-হক ব্রিগেড, দ্য ইসলাম আর্মি এবং আরও কয়েকটি গোষ্ঠী; সেক্যুলারপন্থী বলে পরিচিত ফ্রি সিরিয়ান আর্মি ও কুর্দিশ ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন পার্টির সশস্ত্র অঙ্গ সংগঠন কুর্দিস্তান পিপলস প্রটেকশন ইউনিট। এর বাইরে আছে ছোট ছোট বিদ্রোহী দল, যারা আঞ্চলিকভাবে উপস্থিত ও সীমিত ক্ষমতার অধিকারী।
এসব গোষ্ঠীর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য ভিন্ন ভিন্ন। নিজ নিজ স্বার্থ বাস্তবায়নে তারা যখন লড়াইয়ে ব্যস্ত, তার পরিণতি হচ্ছে মৃত্যু, ধ্বংসলীলা। কিন্তু সিরিয়ার মানুষ যারা সাড়ে চার বছর আগে পথে নেমেছিল, তাদের হয়ে কে লড়ছে? নিঃসন্দেহে প্রতিটি পক্ষ দাবি করবে যে তারাই সিরিয়ার নাগরিকদের স্বার্থে লড়ছে। কিন্তু যুদ্ধের ডামাডোলে এখন এই প্রশ্নই প্রায় তিরোহিত। সিরিয়ার রাজনৈতিক পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে গত কয়েক বছরে যেসব ঘটনা ঘটেছে, তার মধ্যে অন্যতম হলো আইসিসের উত্থান। ইরাকে সূচনা হলেও সিরিয়ায় আইসিসের বিস্তার সম্ভব হয়েছে রাজনৈতিক সমাধানের অনুপস্থিতি এবং যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলোর বিভ্রান্তিকর পররাষ্ট্রনীতির কারণে। যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলো যে বিদ্রোহীদের সমর্থন দিয়েছে, তাদের একাংশ হয় আল-নুসরা নতুবা আইসিস যোগদানের ফলে আসাদের বিরুদ্ধে লড়াই শক্তিশালী হয়েছে ঠিকই কিন্তু তাতে করে আশু ফলাফল হিসেবে সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়েছে আইসিসের মতো ভয়াবহ সংগঠন।
২০১২ সালে সিরিয়া প্রশ্নে সরকারি প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে জেনেভায় যে আলোচনা হয়, তাতে মতৈক্য তৈরি হয়েছিল এবং যার ভিত্তিতে একটি যুক্ত ইশতেহার প্রকাশ করা হয়েছিল, সেটাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সাফল্যের অভাব এই পরিস্থিতির অন্যতম কারণ। ওই ইশতেহারে স্পষ্ট করেই বলা হয়েছিল যে সিরিয়া সমস্যার কোনো সামরিক সমাধান নেই, প্রয়োজন রাজনৈতিক সমাধান। ২০১৪ সাল পর্যন্ত এই আলোচনার প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকে এবং এই প্রক্রিয়া চলাকালেই সিরিয়ায় আইসিসের বিস্তার ঘটে। এ বছরের গ্রীষ্মকাল থেকেই বোঝা যাচ্ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলো এত দিন আসাদকে বাদ দেওয়ার যে পূর্বশর্ত দিয়েছিল, তা তারা দৃশ্যত বহাল রাখলেও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য পর্যায়ক্রমিক ব্যবস্থা মেনে নিতে তারা রাজি এবং তার বিকল্পও নেই। কিন্তু প্রশ্ন ওঠে আঞ্চলিক শক্তিগুলো, বিশেষত ইরানকে বাদ দিয়ে সিরিয়া সমস্যার সমাধান আদৌ হবে কি না। এসব আলোচনায় রাশিয়া উপস্থিত থাকলেও তাদের ভূমিকা ছিল তুলনামূলকভাবে গৌণ। আসাদ সরকারের প্রধান সমর্থক রাশিয়ার প্রত্যক্ষ, কার্যকর অংশগ্রহণ এই আলোচনার সাফল্যের জন্য অত্যাবশ্যক হয়ে ওঠে। কেননা, জাতিসংঘে সিরিয়া সরকারের বিরুদ্ধে যেকোনো পদক্ষেপ রাশিয়া ও চীনের বাধার কারণে আটকে যেতে থাকে।
এরই মধ্যে লাখো লাখো শরণার্থীর স্রোত ইউরোপে পৌঁছালে ওই দেশগুলো সিরিয়া সমস্যার সমাধানকে অতি জরুরি বলেই বিবেচনা করে। সেই প্রেক্ষাপটেই রাশিয়া সিরিয়ায় তার সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধি করে এবং ৩০ সেপ্টেম্বর সিরিয়ায় বিমান হামলার সূচনা করে। রাশিয়ার সামরিক অভিযানের লক্ষ্য যে আসাদ সরকারকে রক্ষা করা, সে বিষয়ে সন্দেহের কারণ নেই। কেননা, প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তা সোজাসাপ্টা বলেই দিয়েছেন। আর তা করতে হলে কেবল আইসিসকে মোকাবিলা করাই যথেষ্ট নয়, সম্ভবত আইসিসকে মোকাবিলার আগেই আসাদের অন্য প্রতিপক্ষদের একেবারে নিষ্ক্রিয় করে ফেলতে হবে। সেটা যে স্বল্প সময়ে সম্ভব হবে না, সেটা রাশিয়ার সামরিক ও রাজনৈতিক নেতারা বোঝেন। ফলে তাঁদের সামনে এখন বিকল্প দুটি; প্রথম বিকল্প দীর্ঘ মেয়াদে যুদ্ধে লিপ্ত থেকে আসাদের সব প্রতিপক্ষের নির্মূল নিশ্চিত করা; দ্বিতীয়ত, আসাদ সরকার যে আশু বিপদের মুখে ছিল এবং যা তাকে আলোচনার ক্ষেত্রে দুর্বল অবস্থানে নিয়ে গিয়েছিল, তার অবসান ঘটিয়ে রাজনৈতিক সমাধানের পথে অগ্রসর হওয়া। প্রথম বিকল্পের পথে বাধা দুটি; যেখানেই দীর্ঘ মেয়াদে বিদেশিদের সামরিক উপস্থিতি থেকেছে, সেখানে বিদেশি শক্তি এবং তার সমর্থিত সরকার শেষ পর্যন্ত পরাজিত হয়েছে। দ্বিতীয়ত, এখন যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলো প্রত্যক্ষভাবে রাশিয়ার বিরোধিতা করছে না, কিন্তু তারা তাদের সমর্থক বিদ্রোহীদের একেবারে ত্যাগ করবে এমন আশা করা যায় না। ফলে দীর্ঘ সময় যুদ্ধ অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে এই যুদ্ধ প্রত্যক্ষ ‘প্রক্সি যুদ্ধে’ পরিণত হবে। প্রক্সি যুদ্ধ স্বল্প মেয়াদের যুদ্ধ নয়।
রাশিয়ার প্রত্যক্ষ সামরিক উপস্থিতি ও অংশগ্রহণের ফলে আসাদের ভাগ্য এবং সিরিয়ার ভবিষ্যৎ কাঠামোবিষয়ক আলোচনায় রাশিয়া নিজের জন্য আগের তুলনায় একটা বড় আসনের ব্যবস্থা করতে সক্ষম হয়েছে, এখন পর্যন্ত সেটা পুতিনের সবচেয়ে বড় সাফল্য। দ্বিতীয়ত, সবার দৃষ্টি সিরিয়ায় নিবিষ্ট হওয়ার কারণে ইউক্রেনে রাশিয়ায় ব্যর্থতার যে কালো দাগ, তা থেকে বেরিয়ে এসে প্রেসিডেন্ট পুতিন তাঁর নিজের দেশে ও তাঁর মিত্রদের দেখাতে পারবেন তাঁর সাফল্যের ঝুলি খালি নয়। তৃতীয়ত, সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলোর একক এজেন্ডা বাস্তবায়নে বাধা দিতে সক্ষম হওয়ায় রাশিয়া এবং তার নেতা পুতিন ভবিষ্যতে এই অঞ্চলের পরিবর্তনশীল শক্তি ভারসাম্যের প্রত্যক্ষ অংশীদারে পরিণত হলেন।
এই অঞ্চলে ভারসাম্যের এই প্রতিযোগিতায় আঞ্চলিক শক্তিগুলো পরস্পরের মুখোমুখি হয়ে আছে। সেখানে উপস্থিতির পরিণতি রাশিয়ার জন্য ইতিবাচক হবে বলে মনে হয় না, সেটা এই অঞ্চলে যুদ্ধ এবং সংঘাত দমনে সহায়ক হবে বলেও মনে হয় না। কেননা, সিরিয়ার এবং এই অঞ্চলের অনেক দেশের সমস্যারই কোনো সামরিক সমাধান নেই, দরকার রাজনৈতিক সমাধান; এবং তা বাইরের শক্তির চাপিয়ে দেওয়া সমাধান নয়, যে মানুষেরা ২০১১ সালে দেয়ালে ‘জনগণ এই সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিতে চায়’ লিখেছিল, তাদের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়েই বের করতে হবে। এত দিন তার দায়দায়িত্ব বর্তাত যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের ওপর, এখন তার দায়িত্বের একটা বড় অংশ রাশিয়া স্বেচ্ছায় কাঁধে তুলে নিল।
আলী রীয়াজ: যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির রাজনীতি ও সরকার বিভাগের অধ্যাপক।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধের হুমকি চীনের
নৌ প্রধানের হুশিয়ারি
যদি যুক্তরাষ্ট্র এ ধরনের বিপজ্জনক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখে তবে এটি উভয় রাষ্ট্রের নৌ কিংবা বিমানবাহিনীকে ভয়াবহ পরিস্থিতিতে ফেলবে। এমনকি তুচ্ছ এ গোঁড়ামিতে যুদ্ধ পর্যন্ত বেঁধে যেতে পারে রুশ জঙ্গিবিমানকে তাড়িয়ে দিল মার্কিন রণতরী জাপান সাগরের আকাশে দুটি রুশ জঙ্গিবিমানের গতিরোধ করেছে মার্কিন বিমান। মার্কিন নৌবাহিনী শুক্রবার এ খবর জানিয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন নৌবাহিনীর একজন কর্মকর্তা এদিন বলেন, মঙ্গলবার জাপান সাগরে অবস্থানরত মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস রোনাল্ড রিগানের এক নটিক্যাল মাইলের মধ্যে দুটি রুশ জঙ্গিবিমান ঢুকে পড়ে। এ অবস্থায় রুশ বিমানগুলোকে তাড়িয়ে দেয়ার জন্য ওই রণতরী থেকে চারটি এফ-১৮ জঙ্গিবিমান পাঠানো হয়। কোরীয় উপদ্বীপের আগে অবস্থিত আন্তর্জাতিক পানিসীমায় মার্কিন রণতরীটি দক্ষিণ কোরিয়ার নৌবাহিনীর সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়া চালাচ্ছিল। মার্কিন নৌবাহিনী জানিয়েছে, ইউএসএস রোনাল্ড রিগানকে এসকোর্টকারী একটি জাহাজ থেকে প্রথমে রুশ জঙ্গিবিমানগুলোর সঙ্গে রেডিও যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু তাতে কোনো সাড়া না পাওয়ায় এগুলোর গতিরোধ করতে এফ-১৮ পাঠানো হয়। রাশিয়া ও আমেরিকার নৌ ও বিমান বাহিনীর মধ্যে এ ধরনের ঘনিষ্ঠ এনকাউন্টারের ঘটনা এটাই প্রথম নয়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মিয়ানমারে মুসলিমদের ভোটার করতে আহ্বান জাতিসংঘের
সুচির দলের প্রার্থীর ওপর হামলা
মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুনে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর সময় অং সান সুচির দলীয় এক প্রার্থীর ওপর হামলা চালানো হয়েছে। তার নাম নাইং গ্যান লিন। তাকে তোলোয়ারের আঘাতে আহত করে এক হামলাকারী। তবে ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি) নিশ্চিত করেছে যে, আহত এমপি এখন আশংকামুক্ত রয়েছেন। শুক্রবার দলটির পক্ষ থেকে একথা জানানো হয়েছে। মিয়ানমারে সাধারণ নির্বাচনের মাত্র এক সপ্তাহ আগে এই ঘটনা ঘটল। খবর বিবিসি, এএফপি। বৃহস্পতিবার রাতে ইয়াঙ্গুনের থারকেতা শহরে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর সময় এ হামলা চালানো হয়। প্রত্যক্ষদর্শী অপর এনএলডি প্রার্থী থেত তার উই ইউন বলেন, ‘এক ব্যক্তি এনএলডি’র এক সদস্যকে ঘুষি মারতে থাকেন। এরপর জনতা তাকে সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু তিনি একটি বড় ছোরা নিয়ে ফিরে আসেন।’ তিনি জানান, নাইং গ্যান লিন তাকে থামানোর চেষ্টা করেছিলেন। এই ঘটনায় অন্তত দু’জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ছাত্র নেতা গ্রেফতার : মিয়ানমারে এক ছাত্রনেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারে গত মার্চ মাসে বিক্ষোভের ডাক দেয়ার পর থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন। সেখানে শিক্ষা সংক্রান্ত বিক্ষোভ-সমাবেশকে কেন্দ্র করে এটি হচ্ছে সর্বশেষ আটকের ঘটনা। এর আগে এ ধরনের ঘটনায় অনেককে গ্রেফতার করতে দেখা যায় এবং এতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশটির বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝড় উঠে। মিয়ানমারের মধ্যাঞ্চলীয় লাতপাদান শহরে শিক্ষার্থীদের সমর্থনে সাত মাস আগে ইয়াঙ্গুনে বিক্ষোভের ঘটনায় অল বার্মা ফেডারেশন অব স্টুডেন্ট ইউনিয়নসের সভাপতি কিওয়ান কো কোকে গ্রেফতার করা হয়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আসাদকে সিরিয়ার ক্ষমতা ছাড়তেই হবে : সৌদি
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নীড়হারা পাখি ইমরান খানের দ্বিতীয় ঘরও ভাঙল
শুক্রবার এক টুইটবার্তায় রেহাম খান বলেন, ‘আমরা আলাদা হয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ডিভোর্সের জন্য কাগজপত্র জমা দিয়েছি।’ নিয়তির কী নিষ্ঠুর পরিহাস! বিবাহবিচ্ছিন্ন রেহাম সাবেক প্লেবয় ক্রিকেটার ইমরান খানের মাঝে নির্ভরতা খোঁজার প্রয়াসী হয়েছিলেন। ভাগ্য আবার তাকে বিচ্ছেদের চৌরাস্তায় এনে দাঁড় করিয়ে দিল। আর খান সাহেব। রূপসী রেহামের মতো তিনিও দ্বিতীয়বার ডিভোর্সের রোদমাখা পথে হাঁটলেন। ২০০৪ সালে প্রথম স্ত্রী জেমিমা খানের সঙ্গে সম্পর্ক চুকেবুকে যাওয়ার পর রাজনীতির চোরাগলিতে ঘুরপাক খাওয়াটাকে নিজের নিয়তি মেনে নিয়েছিলেন ১৯৯২ বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক। হঠাৎ তার জীবনে রেহামের প্রবেশ। প্রস্থানটাও হল হঠাৎ। পদ্মপাতায় শিশির বিন্দুর মতো সম্পর্কটা ভেঙে চুরমার। ‘দুটি মন আর নেই দু’জনার’- এই গানটির মতোই এখন ইমরান-রেহাম। মাসছয়েক ধরে গুঞ্জনের মেঘ ভাসছিল। বিয়ে ভেঙে যাচ্ছে, এমন গুজব ছিল। খান সাহেব এতদিন অস্বীকার করে এসেছেন। কিন্তু আগুন লাগলে তার আঁচ থেকে কীভাবে নিজেকে রক্ষা করতে পারে আশপাশে থাকা মানুষ। তাই ‘চলো আবারও আগন্তুক হয়ে যাই আমরা দু’জনে’- গানটির মতো দু’জনের পথ বেঁকে গেল দু’দিকে। দু’জনের মধ্যে ‘টিউনিং’ ঠিক হচ্ছিল না।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফুটবলের জনপ্রিয়তা ফিরিয়ে এনেছে এই টুর্নামেন্ট
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ছোটপর্দা থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছা নেই
**কলকাতা থেকে ফিরলাম। ওখানে ‘রাজকাহিনী’ ছবির প্রচারণার কাজছি। দেশে ফিরেই ‘পুত্র’ ছবির শুটিং করছি কয়েকদিন হল। আমি অনেক বেশি কাজ একসঙ্গে কখনও করি না। গুছিয়ে কাজ করতে পছন্দ করি। তাই আপাতত ছবির কাজ করছি। এছাড়া ‘বিউটি সার্কাস’ নামের একটি ছবির কাজের কথা চূড়ান্ত হয়েছে। কলকাতায় আরও দুটি ছবির কথা চলছে।
*রাজকাহিনী ছবিতে আপনার চরিত্রের গুরুত্ব খুব একটা ছিল না বলেই অনেকে বলছেন...
**আমার কাছে তা মনে হয়নি। পুরো ছবিজুড়েই তো ছিলাম। তাছাড়া সংলাপের কথা বলছেন অনেকেই। তাদের প্রতি আমার প্রশ্ন, সংলাপই কী একটি ছবির চরিত্রের গুরুত্ব নির্ধারণ করে? সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে এত বড় একটা প্রজেক্টে কাজ করার সৌভাগ্যই বা ক’জনের হয়।
*‘পুত্র’ ছবিতে আপনার চরিত্র কেমন?
**পুত্র ছবিটি তথ্য মন্ত্রণালয়ের একটি ছবি। মূলত ছবিটি একটি প্রতিবন্ধী শিশুকে নিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। আমি একটি স্কুলের ম্যাডাম থাকি। সেখানেই আমি বাচ্চাটাকে দেখি। তখন তাকে আমার বাসায় নিয়ে আসি। স্বাভাবিকভাবেই বাসায় তাকে কেউ মেনে নিতে চায় না। আমার শ্বশুরবাড়িতে তৈরি হয় নানা সমস্যা।
*বাংলাদেশ এবং ভারতে কাজের পার্থক্য কী মনে হয়?
**পরিবর্তন তো অনেক ক্ষেত্রেই আছে। সেখানে কাজ করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি চোখে পড়েছে সেটি হল সময় মেইনটেইন করা। সেটের প্রত্যেকে যে সময় কাজ শুরু হওয়ার কথা ঠিক ওই সময় কাজ শুরু করেন। তাছাড়া ওখানে ইউনিটের সবাই খুব গুছিয়ে কাজ করেন। সেটা একটা আর্টিস্টের কস্টিউম থেকে শুরু করে সব কিছু। এ বিষয়টি ভালোলাগার মতো।
*ছোটপর্দায় কী আর দর্শকরা জয়াকে দেখতে পাবেন না?
**অনেক ব্যস্ত থাকার কারণে সময়-সুযোগ হচ্ছে না টিভি পর্দায় কাজ করার। তাছাড়া টিভিপর্দায় আমি যে ধরনের কাজ করেছি সে ধরণের কাজ এখন মন মতো হচ্ছে না। অভিনয় না করার এটিও একটি কারণ অভিনয়কে ভালোবাসি। তাই ছোটপর্দা থেকে সরে দাঁড়ানোর কোনো ইচ্ছা নেই।
সাদিয়া ন্যান্সি
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
টিভি শোই শিল্পার ভরসা!
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হামলার গোয়েন্দা তথ্য ছিল পাঁচ দেশীয় জোটের কাছে
নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্র নিয়ে অবিশ্বাস অনেক গভীরে প্রোথিত। আর এতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত কিছু বিষয় রয়েছে। দীর্ঘদিনের একটি সন্দেহ রয়েছে যে, ১৯৭৫ সালে শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’র হাত ছিল। আর সাম্প্রতিক সময়ে ২০১৪ সালে তার দলের বিতর্কিত নির্বাচন বিজয়ে ওয়াশিংটনের ঠাণ্ডা প্রতিক্রিয়া আর দেশের তৈরী পোশাক শিল্পের বাণিজ্য সুবিধা প্রত্যাহার করে নেয়ায় তিনি হতাশ হয়েছিলেন। কিছু দেশ তার সংশয়ে সমর্থন দিয়েছে। ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ান রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্ডার এ. নিকোলায়েভ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা হুমকিকে অতিরঞ্জিত করছে। দুটি হত্যাকাণ্ডের পর তিনি মন্তব্য করেছিলেন, দু ফোঁটা পানিকে বৃষ্টি বলে না। এক মাসের ব্যবধানে বিদেশীদের মধ্যে শঙ্কা কমে এসেছে। তারা আবারও ঢাকার মার্কেটে, হোটেলে যাতায়াত শুরু করেছেন। তবে এখন তারা রাস্তাঘাটে হাঁটেন না বা বাইসাইকেল, রিকশায় চড়েন না। দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি তৈরী পোশাক শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পশ্চিমা ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের কিছু বায়ার তাদের বার্ষিক সফর বাতিল করেছেন। কূটনীতিকরা বলছেন হুমকি এখনও গুরুতর। সিনিয়র এক পশ্চিমা কূটনীতিক পরিচয় গোপন রাখার শর্তে বলেন, হুমকি বৃদ্ধির বিষয়টি পুরো পরিস্থিতিকেই পাল্টে দিয়েছে যা বিদেশীদের জন্য নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর স্থায়ীভাবে প্রভাব ফেলবে। তিনি বলেন, এটা হুট করে পাল্টে যাবে না। আর জঙ্গি কর্মকাণ্ড নিয়ে উদ্বিগ্ন বাংলাদেশীদের মধ্যে পরস্পরবিরোধী বার্তায় উদ্বেগ বেড়েছে। প্রথম আলোর এক সাংবাদিক মিজানুর রহমান খান বলেন, সরকার যেভাবে আইএসের অস্তিত্ব অস্বীকার করছে তা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। গত মাসে চীনের উইঘুর ইসলামিক সন্ত্রাসী গ্রুপ নিয়ে লেখার কারণে ফোনের মেসেজে হুমকি পেয়েছিলেন তিনি। দু’সপ্তাহ পর অপরিচিত এক ব্যক্তি মিজানুর রহমান খানের রিকশা আটকে বন্দুক দিয়ে হুমকি দেয়। পুলিশকে অবহিত করলে তাকে রিকশা চড়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেয় এক কর্মকর্তা। এরপর থেকে তার সম্পাদকের পরামর্শে টিভি প্রোগ্রামে যোগ দেয়া বন্ধ করে দিয়েছেন তিনি। কাজে যান বিভিন্ন রাস্তা ব্যবহার করে। তিনি বলেন, সত্যিকারের বিপদ অনুধাবনের ক্ষেত্রে আমরা খুবই কঠিন একটি অবস্থানে রয়েছি। এ হুমকি কি ছিল, সরকারের প্রতিক্রিয়া কি ছিল আর কেন তারা সহযোগিতা করছেন না এ নিয়ে আমরা সরকার বা যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে কোন কিছু শুনছি না।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজনৈতিক সংকট থেকেই সমস্যার শুরু by সিরাজুস সালেকিন
তিনি বলেন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার পক্ষ থেকে একবার বলা হচ্ছে অস্ত্র পাওয়া যাচ্ছে। আরেকবার বলছে সবকিছু কন্ট্রোলে। কথা হচ্ছে তাদের দিক থেকে মনে করছে তারা নিরাপদবোধ করছেন না। রাস্তায় বের হলে কেউ হয়তো আক্রমণ করতে পারে। যেহেতু একটা রাজনৈতিক সংকট রয়ে গেছে। সেহেতু অনেকেই সুবিধা নিচ্ছে এই রাজনৈতিক সংকটের কারণে। সেই জিনিসটাই তারা ভয় পাচ্ছে। আইএসের ঝুঁকি সম্পর্কে তিনি বলেন, আমার কাছে প্রমাণ নেই বাংলাদেশে আইএস আছে কিনা। তবে আমি মনে করি না সেটা আমাদের দেশের বড় সমস্যা। আমাদের বড় সমস্যা এখনও দুই বড় দলের রাজনৈতিক সংকট। এটা যদি মনে করি তবে আমি মনে করি বড় দুই দলের সংকট কেটে যাবে।
বাংলাদেশে বিদেশী নাগরিকদের চলাফেরায় সতর্কবার্তা অব্যাহত রাখার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তারা মনে করছে এটা যৌক্তিক। কারণ দুজন বিদেশী যদি মারা যায়, স্বাভাবিকভাবে তারা চিন্তিত। একজন একেবারে হাই সিকিউরিটি জোনে মারা গেছে। তাদের দিক থেকে তারা মনে করে এটা চিন্তার ব্যাপার। সেই হিসাবে তারা সতর্কতা দিচ্ছে। যেহেতু বাংলাদেশের রাজনীতির সংকট এখনও কাটেনি। তারা মনে করছে এ ধরনের ঘটনা আরও ঘটতে পারে।
তারা যদি মনে করে বাংলাদেশে একটা সংকট চলছে এবং সেখানে তারা নিরাপদ মনে করছে না। আমাদের তো কিছু করার নেই। সতর্কবার্তা দেয়ার পরপরই দুজন বিদেশী হত্যার প্রসঙ্গে ড. ইমতিয়াজ বলেন, আগে থেকে তারা হয়তো খোঁজ-খবর নিচ্ছিল। বুঝতে পারছিল সংকট বাড়ছে। আসলেই তো সংকট বাড়ছে। অনেকেই তো মাঝে মাঝে নিখোঁজ হয়ে যান। অনেক মামলা হয়েছে। তাদের খুঁজে পাওয়া যায় না। পশ্চিমা বিশ্বের একের পর এক সতর্কতা জারি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে কোন প্রকার প্রভাব ফেলছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অবনতি তো আছেই। ৫ই জানুয়ারির নির্বাচনের পর থেকে তো তারা সে ব্যাপারে খুশি না। তারা মনে করে নির্বাচনটা সঠিক হয়নি। সব দলের অংশগ্রহণে যেহেতু নির্বাচন হয়নি। অর্ধেকের বেশি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন কোন ভোট ছাড়া। সেটা বিদেশীরা মনে করেন যে গণতন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর। এটা তাদের দৃষ্টিতে। সেই দৃষ্টিকোণ যদি তারা বজায় রাখে সেখানে আমাদের কিছু করার নেই। তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতিতেও কিছুটা প্রভাব পড়েছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারের করণীয় সম্পর্কে ড. ইমতিয়াজ বলেন, আপাতত সংকট সমাধান করতে হবে। বাংলাদেশে সংকট হয়েছে। এখনও একটা নতুন সংকট চলছে। বিশেষ করে ৫ই জানুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে বড় একটি দল পার্লামেন্টের বাইরে। আবার যে একটা বিরোধী দল সেটার আবার অর্ধেক সরকারে। বোঝাই যাচ্ছে সমস্যাটা একদিন না একদিন কাটতেই হবে। যতদিন সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন না হয় ততদিন সংকট থাকবে। এই সংকট যতদিন থাকবে ততদিন স্বাভাবিকভাবে উন্নয়ন হবে না। স্থিতিশীলতা থাকবে না। যতটুকু থাকা দরকার ততটুকু থাকবে না। এ বিষয়টি আমাদের খেয়াল রাখা দরকার।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বন্যেরা বনে সুন্দর শিশুরা মাতৃক্রোড়ে by সৈয়দ আবুল মকসুদ
মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদকে জানি অনেক দিন থেকে। আগে তাঁর সম্পর্কে শুনেছি তাঁর এলাকার মানুষের মুখে। পরে তাঁর সান্নিধ্যে গিয়ে। অকপট আচরণ ও জীবনযাপনে সারল্যই তাঁর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য। শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের মতো তিনি তাঁর গ্রামীণ সারল্য অক্ষুণ্ন রেখেছেন। তিনি তাঁর গ্রাম ভাটি অঞ্চল থেকে ঢাকায় এসে নাগরিক কৃত্রিমতা গ্রহণ করেননি। বাংলাদেশের রাজনীতিতে এই ঘরানার মানুষ আজ বিলুপ্তির পথে। আড়ালে-আবডালে এখনো কেউ কেউ আছেন প্রবীণদের মধ্যে এবং তা আছেন আওয়ামী লীগ, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি এবং বাম কোনো কোনো সংগঠনে।
গ্রামের তৃণমূল থেকে জনগণের মধ্যে রাজনীতি করে আবদুল হামিদ স্পিকার ও রাষ্ট্রপতির মতো রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছেন। সাড়ে চার দশকে যত নির্বাচন হয়েছে, সেগুলোতে বিজয়ী হয়ে তিনি সাংসদ হয়েছেন। বস্তা বস্তা কালোটাকা ও হোন্ডা-গুন্ডাওয়ালা পেশিশক্তির প্রয়োজন হয়নি। তিনি প্রার্থী হয়েছেন, মানুষ তাঁকে নির্বিঘ্নে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে। সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক রাজনীতির তিনি একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। গত হপ্তায় তিনি গিয়েছিলেন তাঁর এলাকায়। সেখানে এক সমাবেশে তিনি তাঁর স্বভাবসুলভ সারল্য নিয়ে খোলামেলা বক্তব্য দেন।
প্রটোকল বলে একটা জিনিস আছে, যা রাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের পালন করা বাধ্যতামূলক। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মতো ভিভিআইপি যখন কোনো সভায় উপস্থিত থাকেন, সেখানে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা অবশ্যপালনীয় দায়িত্ব। সে জন্য বাঁশ দিয়ে বেড়া দিয়ে নিরাপত্তা বলয়ের ব্যবস্থা করা হয় আমাদের দেশের রীতি অনুযায়ী, যাতে যে কেউ মঞ্চের সামনে গিয়ে হাঁটাহাঁটি করে সমাবেশে বিঘ্ন ঘটাতে না পারে। মহামান্য রাষ্ট্রপতি বক্তব্য দেওয়ার সময় জনগণকে উদ্দেশ করে ওই বেড়ার প্রতি ইঙ্গিত দিয়ে বলেন:
‘আমাকে বন্দী কইরা রাখা হইছে। আর আপনাদের রাখা হইছে বেড়া দিয়া।’ [ প্রথম আলো, ১২ অক্টোবর ২০১৫]
বন্দিত্ব বলতে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন জনগণের সঙ্গে দূরত্ব। সাধারণ মানুষের মধ্যে সহজভাবে মেশার বিধিনিষেধ। জনগণের নেতারা সুখ-দুঃখে জনগণের মধ্যে থাকবেন, সেটা প্রত্যাশিত। রাষ্ট্রপতি হওয়ার পরে অনেকবার তিনি অবাধ মেলামেশার অসুবিধার কথা দুঃখ করে বলেছেন। আমাকেও তিনি অনেকবার বঙ্গভবনে বলেছেন, কী সব উপলক্ষ-টুপলক্ষে আসেন, এমনিতেই আইসেন, গপ্প-সপ্প করতাম।
ব্যবসায়ীরা ব্যবসায়ে উন্নতি করবেন, রাজনীতিবিদেরা দেশ ও জনগণের সেবায় নিবেদিত থাকবেন, সেটাই প্রত্যাশিত।
সারল্যের চেয়ে বড় ভূষণ আর মানুষের হয় না। সোজাসাপ্টা কথার মূল্য সাজিয়ে-গুছিয়ে পোশাকি বক্তব্যের চেয়ে অনেক বেশি। তিনি তাঁর জনগণের মধ্যে ওই অনুষ্ঠানে আরও কিছু কথা বলেছেন, যার তাৎপর্য অসামান্য। ওই সভায় তাঁর পুত্রও, যিনি তাঁর ছেড়ে দেওয়া আসনে নির্বাচিত হয়েছেন, উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আমি কৃষকের সন্তান হয়ে রাষ্ট্রপতি হয়েছি। আজ রাষ্ট্রপতির সন্তান হইছে আপনাদের এমপি। আমি সারা জীবন সততার সঙ্গে রাজনীতি করছি। মামলা-হুলিয়া-পরোয়ান নিয়ে রাজনীতি করেছি। আদর্শের সঙ্গে কোনো সময় বিশ্বাসঘাতকতা করিনি।’ তিনি আরও বলেন, ‘একটা সময় আমি তিন উপজেলার বেশির ভাগ ঘরে গেছি। এখন আর তা সম্ভব না। সারা জীবন তো আমি রাষ্ট্রপতি থাকব না। সে সময় আবার আপনারা আমার কাছে যেতে পারবেন। তখন কোনো বাধা থাকবে না।’ [ দৈনিক সমকাল, ১২ অক্টোবর ২০১৫]
প্রবীণ এই রাজনীতিবিদ কাউকে সমালোচনা করে নয়, অনেকটা স্বগতোক্তির মতো বলেছেন, রাজনীতি এখন ব্যবসায়ীদের পকেটে চলে গেছে। এটা অত্যন্ত দুঃখের বিষয়। যেভাবেই হোক, এ অবস্থা থেকে দেশকে মুক্ত করতে হবে। মানুষের কল্যাণে জনপ্রতিনিধিদের কাজ করতে হবে।
‘আমি কৃষকের সন্তান’—এ যে কত বড় স্বীকারোক্তি এবং মহৎ উচ্চারণ, তা নতুন শহুরে ভদ্রলোকদের পক্ষে উপলব্ধি করা সম্ভব নয়। স্বাধীনতার পরে গ্রাম থেকে যাঁরা একটি পায়জামা-শার্ট ও স্পঞ্জের স্যান্ডেল পরে ঢাকায় এসেছিলেন এবং আল্লাহর রহমতে আজ যাঁদের গচ্ছিত বিদেশের ব্যাংকে অঢেল টাকা এবং চালান পাজেরো, বিএমডব্লিউ, কোমরে ও ব্রিফকেসে কয়েকটি পিস্তল, তাঁদের মুখ দিয়ে এমন অলক্ষুনে কথা কস্মিনকালেও বেরোতে পারে না: আমি কৃষকের সন্তান।
জাতীয় জীবনে প্রতিটি পেশাজীবীর আলাদা আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। ব্যবসায়ী ও শিল্প-কলকারখানার মালিকদের ভূমিকা কেউ অস্বীকার করে না। তাঁদের জগৎ আলাদা। তাঁরা সেই জগতে তাঁদের মেধা, দক্ষতার স্বাক্ষর রাখেন। শিল্প-কারখানার মালিকেরা হাজার হাজার মানুষকে কর্মের সংস্থান করেন। অন্যান্য পেশার মানুষও তাঁদের নিজ নিজ ক্ষেত্রে অবদান রাখেন।
একজন রাজনীতিবিদ ওই অর্থে কোনো পেশাজীবী নন। জীবিকার জন্য রাজনীতি করেন না। অর্থ উপার্জনের জন্যও নয়। জনগণের সার্বিক কল্যাণ তাঁর লক্ষ্য। সে জন্য তাঁকে সংগ্রাম করতে হয়। জেল-জুলুম সহ্য করতে হয়। জনাব আবদুল হামিদের মতো হুলিয়া-পরোয়ানা মাথায় নিয়ে চলতে হয়। এ কালের অনেক জনপ্রতিনিধিও জেলে যান। গ্রেপ্তার এড়ানোর জন্য পালিয়ে বেড়ান। তবে জনগণের স্বার্থ রক্ষার জন্য সংগ্রামের কারণে নয়। ফৌজদারি মামলার আসামি হিসেবে। আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে জনগণকে খুন-জখম করার অভিযোগে। এই প্রজাতির রাজনীতিক-জনপ্রতিনিধির সঙ্গে খুনি-ডাকাত-রাহাজান-দস্যুদের পার্থক্য কোথায়?
সত্যিকারের রাজনীতিক যাঁরা, তাঁরা জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও তাদের আবেগ-অনুভূতি অনুধাবন করেন। যেমন পাকিস্তান আমলে বাংলাদেশের মানুষের আকাঙ্ক্ষা ছিল স্বাধিকার অর্জন এবং স্বশাসিত একটি শোষণমুক্ত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য যাঁরা সংগ্রাম করেছেন, মানুষ তাঁদের ভোট দিয়ে ১৯৭০-এ নির্বাচিত করেন।
ছয় দফা আন্দোলনে যে নেতা নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং তাঁকে যাঁরা সমর্থন দিয়েছেন, তাঁদের প্রধান অস্ত্র ও শক্তি ছিল জাতীয়তাবাদী চেতনা। আমি কাছে থেকে দেখে যতটা জানি, বাংলাদেশের স্বাধিকার সংগ্রামে যাঁরা যুক্ত ছিলেন, তার কোনো নেতারই হাঁকানোর জন্য সবচেয়ে দামি জিপ এবং দু-তিনটি পিস্তল কোমরে থাকত না। সুতরাং কোনো পথচারী বা নিষ্পাপ কিশোরকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার প্রশ্নই আসেনি। বরং কোনো দুর্বৃত্ত গুলি ছুড়লে জনপ্রতিনিধি সেখানে ছুটে যেতেন। তখন রাজনীতি ছিল নীতি ও আদর্শ বাস্তবায়নের লড়াই।
ব্যবসায়ীদের কেউ রাজনীতিতে আসতেই পারেন, সেটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। ব্রিটিশ আমলে এবং পাকিস্তানি আমলেও সামন্ত পরিবার থেকে এসেছেন। বাংলাদেশে অরাজনৈতিক ব্যক্তি, বিশেষ করে অবসরপ্রাপ্ত আমলা ও ব্যবসায়ীদের রাষ্ট্র পরিচালনায় অংশগ্রহণ শুরু হয় সামরিক শাসনের সময় থেকে। অন্য জায়গা থেকে কেউ রাজনীতিতে আসতে পারবেন না তা নয়, কিন্তু রাজনীতি জিনিসটাই ব্যবসায়ীদের পকেটে চলে গেলে সেটা অন্য ব্যাপার। জনগণ তাতে ক্ষমতাহীন-অভিভাবকহীন হয়ে যায়। রাষ্ট্রপতি সেই ইঙ্গিতই করেছেন।
সফল ব্যবসায়ীদের যোগ্যতার ঘাটতি নেই। তাঁদের প্রশাসনিক দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলারও অবকাশ নেই। একজন রাজনীতিক ভালো প্রশাসক নাও হতে পারেন। রাজনীতিবিদ মানুষ, তাই তাঁর ভুল হওয়া সম্ভব। কিন্তু যদি তিনি জনগণের স্বার্থের বিষয়গুলো ভালো বোঝেন, তাহলে তাঁর অন্য সব গুণ কম থাকলেও ক্ষতি নেই। একজন ভালো রাজনীতিক তিনিই, যাঁর রয়েছে দূরদৃষ্টি। কী নীতি গ্রহণ করলে অত বছর পর অবস্থা এই রকম হতে পারে, সে জ্ঞান থাকা চাই। কোন কাজে কত ভাগ মানুষ উপকৃত হবে আর কোন কর্মসূচিতে কত মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে, তা অঙ্ক না কষেই একজন রাজনীতিক বলতে পারেন।
আগের রাজনীতিবিদদের জনসেবার বিনিময়ে চাওয়া-পাওয়ার কিছু ছিল না। এখন চাওয়ার এবং পাওয়ার শেষ নেই। জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে যাঁরা গৃহহীন, জনসেবা করতে করতে যাঁরা নিজেদের জন্য মাথা গোঁজার একটু ঠাঁই করতে পারেননি, সে রকম কারও জন্য তাঁর এলাকার পৌরসভায় একখণ্ড খাস জমি সরকার থেকে বরাদ্দ দিলে কারও কোনো আপত্তি থাকবে না। কিন্তু গয়রহ সবাইকে, এমপি হলেই, রাজউকের প্লট দিতে হবে—এ কোন নিয়ম? সব মানুষকেই শুল্কযোগ্য পণ্যে শুল্ক দিতে হয়। এমপিরা কেন গাড়ি আনবেন বিনা শুল্কে? এবং আনবেন সবচেয়ে দামি গাড়ি অন্যের কাছে বিক্রি করে দিতে?
জনপ্রতিনিধিদের অনাচার ও দুর্নীতি যদি সীমা ছাড়িয়ে যায়, জনগণের সম্পদ লুণ্ঠন করে নিজেরা বিত্তের পাহাড় গড়েন, জনগণ আর যদি কিছুই করতে না পারে, তাদের অন্তরের অন্তস্তল থেকে ঘৃণাটা করতে পারে। প্রতিদিন শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বাড়ছে। তাদের কারও বুকে হতাশা, কারও বুকের ভেতরে জ্বলে আগুন। তাদের কথা না ভেবে জনপ্রতিনিধিরা যদি কোমরে পিস্তল নিয়ে ঘোরেন এবং সবার ওপরে ছড়ি ঘোরাতে চান, তাহলেই বিপর্যয়ের আশঙ্কা এবং রাজনীতিকদের বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কাই বেশি।
ব্যবসায়ীরা ব্যবসায়ে উন্নতি করবেন, রাজনীতিবিদেরা দেশ ও জনগণের সেবায় নিবেদিত থাকবেন, সেটাই প্রত্যাশিত। বহু আগেই বাংলার কবি বলে গেছেন: বন্যেরা বনে সুন্দর শিশুরা মাতৃক্রোড়ে। যে যার জায়গা থেকে ভূমিকা রাখলে সেটাই সবচেয়ে সুন্দর ব্যবস্থা।
সৈয়দ আবুল মকসুদ: গবেষক, প্রাবন্ধিক ও কলাম লেখক৷
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খুলছে জলকপাট, হচ্ছে কোথাও ভরাট by মলয় ভৌমিক
নদী রক্ষা কমিশন ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের এ ধরনের উল্টোপাল্টা কর্মকাণ্ড যে সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থার সংকট তৈরি করবে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। কৃষিজীবী ও পরিবেশবাদীরা দীর্ঘদিন ধরে দেশে ভরাট হয়ে যাওয়া নদ-নদী খননের দাবি করে আসছেন। প্রধানমন্ত্রীও এ দাবির যৌক্তিকতা স্বীকার করে নদী খননের কর্মসূচি হাতে নেওয়ার কথা নানা সময়ে উল্লেখ করেছেন। এ লেখাটি লিখতে লিখতেই জানতে পারলাম, মেহেরপুরে ভৈরব নদও খনন করা শুরু হয়েছে।
নদ-নদীর স্লুইসগেট বা জলকপাট খোলা এবং খননের খবরে সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষের মধ্যে নতুন করে আশা জাগছে। পাশাপাশি তাদের মধ্যে এসব কর্মসূচির কার্যকারিতা নিয়ে কাজ করছে শঙ্কা। এই শঙ্কা দুটি দিক থেকে: প্রথমত, নদীর যে বিরাট অংশ ইতিমধ্যে জবরদখলকারীদের হাতে গেছে, সেই অংশগুলো এই খনন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে উদ্ধার হবে কি না, তা নিয়ে মানুষের মনে সন্দেহ আছে। মাধবপুরে সোনাই নদের ওপর ভবন নির্মাণের কাজ পুনরায় শুরু হওয়ার খবরে এই সন্দেহ বেড়ে গেছে অনেকটাই।
বেশির ভাগ নদীই দখল হতে হতে এখন আর আগের মতো চওড়া নেই। নতুন করে খননের সময় যদি বর্তমানের ক্ষীণপ্রবাহটুকুই রেখে দেওয়া হয়, তাহলে জবরদখলকারীরা এর মধ্য দিয়ে একটা বৈধতা পেয়ে যেতে পারে। কাজেই অনেক প্রত্যাশার এই প্রকল্পগুলো যেন শেষ পর্যন্ত দখলবাজদের বৈধতা দেওয়ার প্রকল্পে রূপ না নেয়, সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে বলছেন নদীতীরের মানুষেরা।
দ্বিতীয়ত, নদীতীরের মানুষের সব থেকে বড় শঙ্কা হলো, নদী খনন করার পর তাতে পানি থাকবে কি না। পানির প্রাপ্যতা নিয়ে এই আশঙ্কা একেবারে অমূলক নয়। যেমন রাজশাহীর চারঘাটে বড়াল নদের জলকপাট খোলার সিদ্ধান্ত হয়েছে এবং এর উৎসমুখে ভরাট হওয়া ১ দশমিক ৮ কিলোমিটার নদী খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এ কাজ সম্পন্ন হলেও পানি পাওয়ার নিশ্চয়তা কোথায়? বড়াল হলো পদ্মার (গঙ্গা) শাখা নদ। উজানে ভারতের ফারাক্কায় নির্মিত ব্যারাজের মাধ্যমে পদ্মার পানির স্বাভাবিক প্রবাহের বিরাট অংশই নিয়ে ফেলা হচ্ছে ভাগিরথিতে। ফলে পানি চুক্তি কার্যকর হওয়ার পরও শুষ্ক মৌসুমে পর্যাপ্ত পানি থাকছে না পদ্মায়।
৮৯ কিলোমিটার দীর্ঘ বড়াল নদের প্রায় পুরোটাই গেছে দেশের সব থেকে বড় জলাশয় চলনবিলের মধ্য দিয়ে। এ বিলের মধ্যে ছোট-বড় ১০টির মতো নদ–নদী প্রবাহিত হলেও চলনবিলের মূল পানির উৎস হলো আত্রাই ও বড়াল। নৌপরিবহনমন্ত্রী ও নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান বড়াল নদের উৎসমুখ পরিদর্শন করেন ৯ অক্টোবর। ১০ অক্টোবর একটি কাজে আমি মধ্য চলনবিলের উপজেলা সিংড়ায় যাই। রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁ, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার বিশাল এলাকায় বিস্তৃত চলনবিল। এর মধ্যে বিলের একেবারে ভেতরে যে কটি উপজেলা রয়েছে, নাটোরের সিংড়া তার একটি। সিংড়া উপজেলা সদর আত্রাই নদের তীরে। আবার ‘বিলের নাম চলন, গ্রামের নাম কলম’ খ্যাত কলম গ্রামটিও সিংড়া সদরের সঙ্গেই। সিংড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট ওহিদুর রহমান শেখ, চলনবিল মহিলা কলেজের অধ্যাপক মো. আমির হামজা, মোহম্মদ রোকনুজ্জামান ও মো. গোলাম মোস্তফার সঙ্গে বড়াল নদের জলকপাট খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত বিষয়ে কথা হয়। এর সুফল সম্পর্কে আমি তাঁদের মতামত জানতে চাই। সবাই বড়াল নদে, বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে পানির প্রাপ্যতা নিয়ে আশঙ্কার কথা জানান। অবশ্য তাঁরা এ ব্যাপারে একমত হন যে বড়াল খনন করা হলে বর্ষা মৌসুমে অতিবৃষ্টিতে ইদানীং যে ‘পকেট বন্যা’ (বিভিন্ন পকেটে পানি আটকে থাকা) হচ্ছে, তার হাত থেকে কিছুটা রেহাই মিলতে পারে। কেননা, নদে প্রতিবন্ধকতা না থাকলে দ্রুত পানি ভাটিতে নেমে যাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
বড়াল নদ নিয়ে ইতিপূর্বে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকাণ্ডে চলনবিলের মানুষের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ রয়েছে। ‘বড়াল-ক্লোজার’ বা বড়ালের উৎসমুখে স্লুইসগেট নির্মাণ করা হয় ১৯৮২ থেকে ১৯৮৪ সালের মধ্যে। আশ্চর্য হওয়ার মতো ব্যাপার হলো, ফারাক্কা ব্যারাজ নির্মাণের মাধ্যমে পদ্মার পানি প্রত্যাহার শুরু হয় ১৯৭৩ সাল থেকে। পানি প্রত্যাহার শুরুর দশ-এগারো বছর পর পদ্মা যখন মৃতপ্রায়, তখন ঠিক কী কারণে রাজশাহীর চারঘাটে উৎসমুখে বড়াল-ক্লোজার নির্মাণ করা হলো, তা কারও কাছেই বোধগম্য ছিল না। পদ্মার পানিতেই বড়াল সচল থাকত। সেই পদ্মায় যখন পানি নেই, তখন বড়ালের মুখ বেঁধে ফেলার অর্থ হলো বড়াল প্রবাহের শরীরে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেওয়া। অনেকেই বিশ্বাস করেন, নদী দখলদারদের সুযোগ করে দেওয়া অথবা প্রকল্পের মাধ্যমে কাউকে কাউকে ‘করে খাওয়া’র সুবিধা করে দেওয়ার জন্যই আত্মঘাতী এই কর্মকাণ্ডটি হাতে নেওয়া হয়েছিল।
বড়াল-ক্লোজার নির্মাণের কারণে গত তিন দশকে কেবল বড়াল নদই কঙ্কালসার হয়নি, ফসল ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হয়েছে, উধাও হয়েছে মাছের অভয়াশ্রম। এমনিতেই সময়ের বিবর্তনে চলনবিল ঐতিহ্য হারাচ্ছিল, এর মধ্যে বড়াল-ক্লোজারের ধাক্কায় সেখানকার মানুষ আজ এক ভিন্ন জীবন-জীবিকায় অভ্যস্ত হয়ে উঠতে বাধ্য হয়েছে।
চলনবিলের এক প্রান্তে বাড়ি হলেও ওই বিলের মধ্যাঞ্চলে আমি প্রথম যাই ১৯৭০ সালে। আমি সে সময় নবম শ্রেণির ছাত্র। শীতকালে চাটমোহর উপজেলার অষ্টমনিষা গ্রামে এক আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে গেলাম। ট্রেনে চড়ে নামতে হলো বড়াল ব্রিজ স্টেশনে। বোঝাই যাচ্ছে স্টেশনটির নামকরণ হয়েছে বড়াল নদের নামানুসারে। বড়াল অষ্টমনিষা গ্রামের বুক চিরে বেরিয়ে গেছে। শীতকালেও ওই নদের ভয়াল রূপ উজ্জ্বল হয়ে আছে আমার স্মৃতিতে। অবশ্য পলি জমায় এ সময়ের আগে থেকেই চলনবিল অনেক স্থানে জেগে উঠতে শুরু করেছিল। উত্তরাঞ্চলে খরিপ মৌসুমে ইরি-বোরোর আবাদ শুরু হয় এই সময় থেকেই। বড়ালের দুই পারে ইরি-বোরোর আবাদও আমার চোখে পড়েছে।
১৯৮৫-৮৬ সালে দেশব্যাপী মুক্ত নাটক আন্দোলন গড়ে তোলার কাজের অংশ হিসেবে আমাদের চলনবিল এলাকায় অনেকবার যেতে হয়। নাট্যকার মামুনুর রশীদ, মান্নান হীরা, অভিনেতা আজিজুল হাকিম, মাসুম রেজা, তপন দাশ, স্বদেশবন্ধু সরকারসহ অনেকেই আমরা চলনবিল এলাকায় কার্যকর মুক্ত নাটক আন্দোলন গড়ে তুলতে সক্ষম হই। এ সময় আমাদের সঙ্গে মাঝেমধ্যেই শামিল হতেন চারণ সাংবাদিক মোনাজাতউদ্দিন। চলনবিলের করতকান্দি গ্রাম নিয়ে দৈনিক সংবাদ-এ প্রকাশিত তাঁর সিরিজ প্রতিবেদনের কথা অনেকেরই মনে থাকতে পারে। আমরা চাটমোহর ও ভাঙ্গুড়া উপজেলার গ্রামগুলোতে যখন কাজ করছিলাম, তখন বড়ালের উৎসমুখে দেওয়া জলকপাটের প্রতিক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। ওই সময়ে প্রথম যে সমস্যাটি আমাদের চোখে পড়ে, তা হলো যাতায়াত ও পরিবহনব্যবস্থার প্রতিবন্ধকতা। আগে চলনবিলে সারা বছর পানি থাকায় নৌকায় এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাওয়া যেত, কিন্তু বড়াল-ক্লোজার নির্মাণের পর সেই সুবিধাও বন্ধ হয়ে গেল। না নৌকা, না পায়ে হাঁটার সুবিধা। সব মিলিয়ে এলাকার মানুষের এক দুর্বিষহ অবস্থা আমাদের চোখে পড়ে।
ত্রিশ-বত্রিশ বছর পর আজ চলনবিলের পেট চিরে অনেক পাকা রাস্তা হয়েছে। জীবন-জীবিকায় এসেছে পরিবর্তন। নতুনভাবে অভ্যস্ত হওয়া জীবনে তাই বড়ালের জলকপাট খোলার ঘোষণা ওই এলাকার মানুষের মধ্যে বড় কোনো বার্তা নয়। বরং মানুষের মাঝে বাড়ছে সন্দেহ। এ সন্দেহ নদী রক্ষা কমিশনকেই দূর করতে হবে।
একদা চলনবিলই ছিল দেশে সব থেকে বড় মাছের অভয়াশ্রম। চলনবিলের বিরাট একটা অংশে সারা বছর পানি থাকায় এবং সেই পানিতে জলজ উদ্ভিদ শাখা-প্রশাখা বিস্তার করায় জাল ফেলা সম্ভব হতো না। মা-মাছ নিরাপদে ডিম ছাড়তে পারত। এখন প্রাকৃতিক সেই অভয়াশ্রম নেই। সিংড়া থেকে ফেরার সময় অনেক হতাশার মধ্যেও আশার বাণী শোনান চলনবিল মহিলা কলেজের অধ্যাপক তেলিগ্রামের আমির হামজা। তিনি জানান, সিংড়ায় ‘সিংড়াদহ’ ছাড়াও কড়েরগ্রাম এবং গুড় নদ এলাকার স্থানীয় মানুষের প্রচেষ্টায় ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি মাছের অভয়াশ্রম গড়ে উঠেছে নতুন করে। ছোট ছোট এই অভয়াশ্রমে সারা বছরই মাছ ধরা নিষেধ। বর্তমান সরকারও এ ব্যাপারে বাড়িয়ে দিয়েছে সহায়তার হাত।
মলয় ভৌমিক: অধ্যাপক, ব্যবস্থাপনা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। নাট্যকার।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘ভারত সরকার হিন্দু স্বৈরতন্ত্রের পথে হাঁটছে’
ভারতের একজন নেতৃস্থানীয় বিজ্ঞানী পি এম ভার্গব বৃহস্পতিবার তার পদ্মভূষণ পুরস্কার ফিরিয়ে দেয়ার কথা ঘোষণা করেন।
পদ্মভূষণ ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার।
মিস্টার ভার্গব এবং তার ১০৭ জন সহকর্মী এ বিষয়ে একটি বিবৃতিও দিয়েছেন।
বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে পি এম ভার্গব বলেন, তিনি রাষ্ট্রীয় পুরস্কার পদ্মভূষণ ফিরিয়ে দিচ্ছেন, কারণ তার আশঙ্কা ভারত সরকার গণতন্ত্রের পথ ছেড়ে হিন্দু স্বৈরতন্ত্রের পথে হাঁটছে। তিনি আরো বলেন, ভারতের বর্তমান বিজেপি সরকার পরিচালিত হচ্ছে ডানপন্থী হিন্দু সংগঠন আরএসএস দ্বারা। তিনি আরো অভিযোগ করেছেন, সরকার জনগণকে এখন বিজ্ঞানমনস্কতা থেকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে।
এদিকে দশ জন চলচ্চিত্র নির্মাতা তাদের জাতীয় পুরস্কার ফিরিয়ে দিয়েছেন।
জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত এই চলচ্চিত্র নির্মাতাদের মধ্যে আছেন দিবাকর ব্যানার্জি এবং অনন্ত পট্টবর্ধন।
মুম্বাইতে এক সংবাদ সম্মেলনে তারা পুরস্কার ফিরিয়ে দেয়ার কথা ঘোষণা করেন। ভারতে মত প্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় অঙ্গীকার ঘোষণার জন্য তারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
এর আগে বহু নামকরা ভারতীয় লেখকও তাদের জাতীয় পুরস্কার ফিরিয়ে দিয়ে ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার প্রতিবাদ জানান। সূত্র : বিবিসি বাংলা
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চাকরি দেয়ার নামে ধর্ষণ টাকা আত্মসাৎ by বকুল আহমেদ
তবে তার মতো অনেকেই প্রতারক চক্রের হাত থেকে নিজেকে বাঁচাতে পারেননি। যেমন একই চক্রের হাতে ধর্ষিত হয়ে একই দিনে থানায় মামলা করেছেন ৮ম শ্রেণীর এক ছাত্রী। মামলা প্রত্যাহার করে নিতে দুজনকেই হুমকিও দিচ্ছে প্রতারক চক্র।
যুগান্তরের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এমনি আরও অর্ধশতাধিক তরুণী চাকরির ফাঁদে পড়ে শিকার হয়েছেন যৌন নিপীড়নের। খুইয়েছেন টাকা। অনেককে ধর্ষণের পর দেহ ব্যবসায় নামানোর চেষ্টা চলছে। আর চাকরি দেয়ার নামে ১৫-২০ হাজার করে টাকা নেয়ার পর অযোগ্য আখ্যা দিয়ে ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে বহু যুবককে।
রাজধানীর মগবাজারে এমন এক প্রতারক প্রতিষ্ঠান নিরাপদ ফোর্সগার্ড সিকিউরিটি সার্ভিস কোম্পানি লিমিটেড। তাদের প্রতারণার শিকার কয়েকজন তরুণী ও যুবকের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে। প্রতারক চক্রের প্রধান জহিরুল ইসলাম মঞ্জুসহ চারজনকে গ্রেফতারের পর তদন্তেও এমন তথ্য পেয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ-ডিবি।
নিরাপদ ফোর্সগার্ডের অফিস মগবাজার রেলক্রসিং সংলগ্ন ১৫ নম্বর ভবনের ৪র্থ তলায়। প্রতিষ্ঠানটির মালিক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জহিরুল ইসলাম মঞ্জু। এক সময় ছিলেন চা দোকানদার। কয়েকজন সহযোগীকে নিয়ে গড়ে তোলেন শক্তিশালী প্রতারক বাহিনী। তার প্রধান সহযোগী সুমন। তিনি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চটকদার বিজ্ঞাপন দিতেন। চাকরি দেয়ার নামে তরুণীদের ধর্ষণ করত মঞ্জু ও সুমন। চাকরির জন্য মৌখিক পরীক্ষা দেয়ার নামে পাঠানো হতো বিভিন্ন স্থানে। সেখানেও তরুণীদের যৌন নির্যাতনের শিকার হতে হতো।
২৫ অক্টোবর ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে কথা হয় নেত্রকোনার ওই তরুণীর সঙ্গে। তিনি বলেন, ১৫ জুলাই বাড়িতে বসে ডিশ চ্যানেলে চাকরির বিজ্ঞাপন দেখেন। তাতে বলা হয়, থাকা-খাওয়া ফ্রি। পড়াশোনার সুব্যবস্থা আছে। দুই ঈদে বোনাস। আকর্ষণীয় বেতন। রিসিপসনিস্টসহ বিভিন্ন পদে চাকরির সুযোগ। যোগাযোগের ঠিকানার সঙ্গে দেয়া হয় মোবাইল নম্বরও (০১৭৫৩১৩২৯০৯)। তরুণী বলেন, ওই নম্বরে যোগাযোগ করি। আমাকে চাকরি দেয়ার আশ্বাস দেয় এবং ২ সেট ইউনিফর্ম তৈরির জন্য ৩ হাজার টাকা বিকাশ করতে বলে। অফিস থেকে দেয়া ০১৯৬৭৭৯১২৮০ নম্বরে বিকাশ করি। ২ অক্টোবর মগবাজারের অফিসে চাকরিতে যোগ দিতে বলে। ওইদিন বিকালে সেখানে আসি। ৪র্থ তলায় এক ম্যাডামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করি। ম্যাডাম এমডি জহিরুল ইসলাম মঞ্জুর রুমে নিয়ে যায় আমাকে। সেখানে ১০০ টাকার স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয় এবং সার্ভিস চার্জ বাবদ সাড়ে ৫ হাজার টাকা নিয়ে পরদিন অফিসে আসতে বলে। পরদিন এলে এক নারীর নির্দেশে মঞ্জুর রুমে ঢোকেন তিনি। তরুণী বলেন, রুমে ঢুকে সুমন নামে একজনের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়ে মঞ্জু বলে, ইনি তোমার স্যার। স্যারকে খুশি কর। তাহলে চাকরি করতে সমস্যা হবে না। এরপরই সুমন আমার হাত ধরে। বলে, ঢাকায় চাকরি করতে হলে বসদের খুশি করতে হবে। আমি হাত ছাড়ানোর চেষ্টা করলে পেছন থেকে মঞ্জু আমাকে জাপটে ধরে। আমি কৌশলে পালিয়ে আসি।
ধর্ষণের শিকার ছাত্রী জানান, বিজ্ঞাপন দেখে ২৫ জুলাই সে চাকরির জন্য যায়। মঞ্জু তাকে রুমে নিয়ে ধর্ষণ করে। বাইরে বেরিয়ে মানসম্মানের ভয়ে মুখ খোলেনি সে। চাকরি হয়ে গেছে প্রলোভন দেখিয়ে তাকে ২৬ আগস্ট অফিসে নিয়ে আবারও ধর্ষণ করে মঞ্জু। পরে সে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।
তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলের ১৮ বছর বয়সী এক তরুণী যুগান্তরকে জানান, বিজ্ঞাপন দেখে চাকরি নেয়ার উদ্দেশে ২৫ মে মঞ্জুর অফিসে যাই। ভালো কোম্পানিতে রিসিপসনিস্ট পদে তাকে চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে জামানত হিসেবে অগ্রিম ২০ হাজার টাকা নেয় মঞ্জু ও সুমন। সপ্তাহ পার হলেও তাকে চাকরি দেয়া হয় না। দেব দিচ্ছি করে ঘোরাতে থাকে। একদিন দুপুরে মঞ্জু অফিসে ডাকে। আমি তার কক্ষে গেলে মঞ্জু আমাকে কুপ্রস্তাব দেয়। সঙ্গে সঙ্গে সুমন আমার হাত ধরে। আমাকে বলে, চাকরি করতে হলে এসব কাজে রাজি হতে হয়। আমি চিৎকার করে অফিস থেকে বেরিয়ে আসি। ২০ হাজার টাকা এখনও ফেরত দেয়নি। আমার এক বান্ধবীও ২০ হাজার টাকা দিয়েছে। তাকেও শ্লীলতাহানি করেছে মঞ্জু ও সুমন। টাকাও ফেরত দেয়নি।
কিশোরগঞ্জ বাজিতপুরের বাগলপুর গ্রামের শামীম জানান, নিরাপত্তারক্ষী হিসেবে চাকরি দেয়ার নামে জুন মাসে ৫ হাজার টাকা নিয়েছে। অথচ আমাকে চাকরি দেয়নি। কয়েকবার টাকা ফেরত নেয়ার জন্য গেলে আমাকে দরখাস্ত করতে বলে। দরখাস্ত করেও তারা টাকা দেয়নি। মাত্র ৫ হাজার টাকা তাই মামলা করিনি। শামীম জানান, তিনি যেদিন টাকা দিয়েছিলেন, সেদিন আরও ১৫ জনের কাছ থেকে মঞ্জুকে টাকা নিতে দেখেন তিনি। রাজবাড়ীর মাহাবুবুল হক, মাগুরার ঝুমপুরের জুয়েল ও চাঁদপুরের শাহীন মৃধাও একই অভিযোগ করেন।
মঞ্জুর প্রতিষ্ঠানে চার মাস কর্মরত ছিলেন এমন দুজন জানান, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রতিদিন ৩০ থেকে ৪০ জন আসত চাকরির জন্য। এর মধ্যে নারী ৪-৫ জন। তাদের কাছ থেকে চাকরি অনুযায়ী জামানত ও ইউনিফর্ম তৈরি বাবদ অগ্রিম ৩ হাজার থেকে শুরু করে ৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত দাবি করা হত। প্রতিদিন অন্তত ২০ জন এ ফাঁদে পা দিয়ে টাকা দিত। প্রায় ২ বছর ধরে তারা এভাবে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
মঙ্গলবার দুপুরে মগবজারের অফিসে গিয়ে দেখা যায়, বাইরে থেকে তালাবদ্ধ। ওই ভবনের অপর এক অফিসের এক কর্মচারী বলেন, মঞ্জু গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে অফিস বন্ধ আছে।
১৩ অক্টোবর প্রতিষ্ঠানের কথিত এমডি জহিরুল ইসলাম মঞ্জু, তার সহযোগী শারকিম আনোয়ার রেজা ও শফিককে গ্রেফতার করে ডিবি। তাদের স্বীকারোক্তিতে পরে খলিল নামে আরেক সদস্যকেও গ্রেফতার করা হয়।
ডিবির সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার মাহমুদা আফরোজ লাকী যুগান্তরকে বলেন, মঞ্জু প্রতারক চক্রের প্রধান। চাকরি দেয়ার নামে তরুণীদের শ্লীলতাহানি, যৌন নিপীড়ন করত। কয়েক হাজার বেকার তরুণ-তরুণীর কাছ থেকে কৌশলে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। চক্রের চার সদস্য গ্রেফতার হয়েছে। অন্যদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1403)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
October
(966)
-
▼
Oct 31
(39)
- কার্যালয়ে ঢুকে জাগৃতির প্রকাশককে কুপিয়ে হত্যা
- প্রবাসী বাংলাদেশিদের সাথে রোববার খালেদা জিয়ার মতবি...
- জাসদকে যারা বাদ দিতে চান তারা ভুল করছেন : ইনু
- বিমান টিকিটের টোপেই ‘বাঘিনি’ খাঁচায়
- রাশিয়ার কাঁধে সিরিয়ার বোঝা by আলী রীয়াজ
- যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধের হুমকি চীনের
- মিয়ানমারে মুসলিমদের ভোটার করতে আহ্বান জাতিসংঘের
- আসাদকে সিরিয়ার ক্ষমতা ছাড়তেই হবে : সৌদি
- নীড়হারা পাখি ইমরান খানের দ্বিতীয় ঘরও ভাঙল
- ফুটবলের জনপ্রিয়তা ফিরিয়ে এনেছে এই টুর্নামেন্ট
- ছোটপর্দা থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছা নেই
- টিভি শোই শিল্পার ভরসা!
- হামলার গোয়েন্দা তথ্য ছিল পাঁচ দেশীয় জোটের কাছে
- রাজনৈতিক সংকট থেকেই সমস্যার শুরু by সিরাজুস সালেকিন
- বন্যেরা বনে সুন্দর শিশুরা মাতৃক্রোড়ে by সৈয়দ আবু...
- খুলছে জলকপাট, হচ্ছে কোথাও ভরাট by মলয় ভৌমিক
- ‘ভারত সরকার হিন্দু স্বৈরতন্ত্রের পথে হাঁটছে’
- চাকরি দেয়ার নামে ধর্ষণ টাকা আত্মসাৎ by বকুল আহমেদ
- কূটনীতিক পাড়ায় সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থা
- আরও ১৭ বছর ছাড় পাচ্ছে এলডিসির ওষুধশিল্প by রাহীদ এজাজ
- ‘পোকায় খাওয়া’ বিভাগেও খুশি ময়মনসিংহবাসী by সোহর...
- ৪৪ বছর পর কবর খুঁজে পেলেন স্বজনরা
- শতাধিক রেলস্টেশন বন্ধের আশংকা by শিপন হাবীব
- জাপানের নিরাপত্তা বিল by এম বজলুর রহমান
- জোর জুলুমের বাসভাড়া by এ কে এম জাকারিয়া
- আলোচনায় সমশের
- ইন্টারনেট সার্ভিস দিবে গুগলের বেলুন
- মশা থেকে বাঁচতে ৬টি খাবারের ব্যাপারে সাবধান থাকুন
- ‘দেশকে গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে সরকার’ -আসম আবদ...
- পুলিশ পরিচয়ে ঘরে ঢুকে স্কুল ছাত্রীকে জবাই
- গুয়ান্তানামো বে’ থেকে মুক্তি পেলেন সর্বশেষ বৃটিশ ব...
- ‘ঘুম থেকে জেগে দেখি খুন হয়ে গেছি’ -আহমেদুর রশীদ টু...
- চট্টগ্রাম আবাহনীর ইতিহাস by সামন হোসেন
- নানা চাপে পদত্যাগ শমসের মবিনের by হাবিবুর রহমান খা...
- পার্লারের আড়ালে... by রুদ্র মিজান
- যুক্তরাষ্ট্র-চীন যুদ্ধাবস্থা : ম্যানিলাকে বেইজিংয়ে...
- ব্যর্থ হলে ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়বে ইউরোপীয় ইউনিয়ন -শর...
- প্রধানমন্ত্রীর কাছে ১০ মিনিট চান মেডিকেল ভর্তি-ইচ্...
- হরিয়ানায় গরুর গোশত খাওয়ার উপকারিতা ছাপানোয় সম্পা...
-
▼
Oct 31
(39)
-
▼
October
(966)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...


















