Tuesday, July 1, 2014
তখন ম্যারাডোনা ছিল, এখন মেসি!
সূত্র- আনন্দবাজার
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চটকদার আয়োজন দাম আকাশছোঁয়া
বড় বাপের পোলায় খায়: ‘বড় বাপের পোলায় খায়, ঠোঙ্গায় ভইরা লইয়া যায়, ধনী-গরিব সবায় খায়, মজা পাইয়া লইয়া যায়। ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে এমন হাঁক-ডাক প্রায় প্রতিটি দোকানেই। এ আইটেমের পাশাপাশি রয়েছে রকমারি মুখরোচক ইফতারের পসরা। চকের ইফতার বাজারের একটি জনপ্রিয় আইটেম ‘বড় বাপের পোলায় খায়’। যার হাত দিয়ে এ আইটেমটির উৎপত্তি তিনি হলেন পুরান ঢাকার বাসিন্দা দাতা মোহাম্মদ কামাল মাহমুদ। যিনি কামেল মিয়া নামে পরিচিত ছিলেন। তিনি বরাবরই ছিলেন একজন ভোজনরসিক মানুষ। তিনি নানা ধরনের মুখরোচক খাবার তৈরি করতে জানতেন। ৭০ থেকে ৭৫ বছর আগে তিনিই প্রথম খাবারটি তৈরি করে এখানে বিক্রি শুরু করেন।
বটপাতার ডালায় করে তিনি বিক্রি করতেন ‘বড় বাপের পোলায় খায়’। বংশানুক্রমে তার ছেলে জানে আলম থেকে সালেকিন মিয়ার হাত পেরিয়ে এখন চলছে সেন্টু মিয়ার যুগ। সেন্টু মিয়া বলেন, আমি এ কাজ করছি প্রায় ৩২ বছর ধরে। পাকিস্তান আমলে এর নাম ছিল শিক চূড়ার ভর্তা। স্বাধীন বাংলাদেশে এর নাম হয় বড় বাপের পোলায় খায়।’ তিনি বলেন, এটি তৈরিতে ডিম, গরুর মগজ, আলু, ঘি, কাঁচা ও শুকনা মরিচ, গরুর কলিজা, মুরগির মাংসের কুচি, মুরগির গিলা-কলিজা, সুতি কাবাব, মাংসের কিমা, চিড়া, ডাবলি, বুটের ডাল, মিষ্টি কুমড়াসহ ২০ পদের খাবার আইটেম ও ১০-১২ ধরনের মসলা প্রয়োজন। একটি পিতলের বড় থালায় সব কিছু দুই হাতে ভালভাবে মাখিয়ে তারপর ঠোঙ্গায় করে বিক্রি করা হয়। সেন্টু বলেন, তিনি ছোট থাকতে ‘বড় বাপের পোলায় খায়’-এর দাম ছিল প্রতি কেজি ৩২ টাকা। এ বছর দাম ধরা হয়েছে ৩৬০ টাকায়। গত বছরও একই দাম ছিল। তবে তার আগের বছর এর দাম ছিল ৩০০ টাকা। তবে এ পরিবার ছাড়াও প্রায়ই সব ব্যবসায়ীই এখন তৈরি করছে ‘বড় বাপের পোলায় খায়’।
বিক্রেতারা জানান এখানে যেসব ইফতারি সামগ্রী আনা হয় তা তৈরি করতে বিভিন্ন আইটেম লাগে। বর্তমান ওই সব জিনিসপত্রের দাম বেশি হওয়ায় ইফতারির দামও বেড়েছে। তবে লাভ আগের মতোই রয়েছে। চক বাজার সার্কুলার রোডের নাজিম উদ্দিনের দোকানে পাওয়া যাচ্ছে মিষ্টি সামগ্রী। তার দোকানে পাওয়া যাচ্ছে শাহী জিলাপি। যেগুলোর একেকটির ওজন ১ থেকে ৫ কেজি পর্যন্ত। এগুলো বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১৬০ টাকা করে। গতবার এর দাম ছিল ১২০ টাকা কেজি। দইবড়ার দাম ১২০ টাকা কেজি। সিদ্দিকুর রহমানের দোকানে পাওয়া যাচ্ছে নানান পদের আচার। তিনি বিক্রি করছেন জলপাই, ত্রিফলা, আম, তেতুল, বরই, চালতার আচার, আমের কাসন্দি ইত্যাদি। প্রতিটি প্যাকেট বিক্রি করছেন ২০ টাকা করে। তাল, বেশম, চিনি দিয়ে তৈরি বিশেষ প্রকারের তালের রসডুবি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা কেজি। আলু, গাজর, পেঁপে, পুদিনা পাতা, ধনিয়া, কাঁচামরিচ দিয়ে তৈরি পাকুরা বিক্রি হচ্ছে প্রতি পিস ৬ টাকা করে। ফলের মধ্যে বিক্রি হচ্ছে পেঁপে ও বাঙি, দেশী আতা, আনারস। এছাড়া শসা, ধনেপাতা, ছোলা, বুট, শিঙ্গাড়া, সমুচা, নিমকি, আলুর চপ, ঘুগনি, মুড়ি, চানাচুরসহ মিষ্টি জাতীয় বিভিন্ন মুখরোচক খাবার তো আছেই। চক বাজারের ইফতার বিক্রেতা রমিজ উদ্দীন জানান, উত্তরাধিকার সূত্রে এ ব্যবসা করে আসছে তার পরিবার। তিনি নিজে চকবাজারে ইফতার বিক্রি করছেন ৩৫ বছর ধরে। অন্যবারের মতো এবারো ভাল বিক্রি হবে বলেই তার আশা।
বেইলি রোডে যতো আয়োজন: রমজান মাসে পুরান ঢাকার চকবাজারের নাম শুনলে মুখে জল আসে। সেখানে রকমারি ইফতারের পসরা সাজিয়ে বসেন দোকানিরা। বেইলি রোডে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বাহারি আইটেমে তাদের পসরা সাজিয়েছেন। দুপুরের পর থেকেই ইফতার কেনাবেচা শুরু হয়। বিকাল হতে হতে ভিড়ও বাড়ে। বেইলি রোড়ে সবচেয়ে বড়ো ইফতারের বাজার ক্যাপিটাল কনফেকশনারী। প্রতিবারের ন্যায় এবারও তারা ১০০ আইটেমের আয়োজন করেছে। মাংসের পদের মধ্যে আছে গরুর চপ, খাসির চপ, খাসির আস্ত রানের রোস্ট, খাসির কাচ্চি, মুরগির রোস্ট, ফ্রাই, দোপিয়াজি, মগজ ভুনা, সুতি কাবাব, শিক কাবাব, টিক্কা, জালি কাবাব, রেশমি কাবাবসহ হরেক রকমের কাবাব। তাছাড়াও রয়েছে ইলিশ মাছের পোলাও, ফিরনি, জিলাপি, হালিম, দইবড়া, মাছের কাচ্চি, টানা পরটা, লটা, পনির পরটা, বোরহানি। অধিকাংশ পদ গতবারের দামেই বিক্রি হচ্ছে বলে দাবি করেছেন ক্যাপিটাল কর্তৃপক্ষ। পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্য সম্মত খাবার পরিবেশন করার লক্ষ্য নিয়ে ইফতারের হরেক রকম আইটেম নিয়ে পসরা সাজিয়েছেন জেরিনস ফ্রেশ ফুড। তাদের আইটেমের মধ্যে রয়েছে চিকেন ফিংগার স্টিক পিস প্রতি ২০ টাকা, চিকেন খারাগি ৩০ টাকা, চিকেন সামলিক ১০০ টাকা, জালি কাবাব ২০ টাকা, বাদশা রোল ৫০ টাকা, প্রণবল ৩৫ টাকা, ডিম চপ ১৫ টাকা, চিকেন তন্দুরি কোয়াটার ১২০ টাকা, লুচি ২৫ টাকা, ছোলা কারি প্যাকেট ৪০ টাকা, জিলাপি কেজি ২০০ টাকা ও বুন্দিয়া ১৮০ টাকা। জেরিনস ফ্রেশ ফুডের স্বাত্বাধিকারী সৈয়দা জেরিন ইয়াসমিন বলেন, মানুষের ক্রয় সীমার কথা চিন্তা করে দাম ঠিক করা হয়েছে। কোন আইটেমের দাম বাড়ানো হয়নি বলে তিনি মন্তব্য করেন। ফখরুদ্দিন ইফতারি বাজারে রয়েছে অর্ধশতাধিক পদ। তাদের কাচ্চি বিরিয়ানি, গরুর তেহারি, হালিম, বোরহানি, কাবাব, দইবড়া, লটা, পরটা বেশ সমাদৃত। হক কনফেকশনারিতে আয়োজন করা হয়েছে অর্ধশতাধিক পদের। ইফতারি স্বাদের বিভিন্নতা আনতে রয়েছে বিদেশী খাবারের দোকান।
ফুটপাতেও বেশি দাম: নিম্নবিত্ত মানুষদের ইফতারের প্রধান ভরসা ফুটপাতের দোকান। কিন্তু স্বস্তি নেই সেখানেও। নিত্যপণ্যের লাগামহীন উচ্চমূল্যের প্রভাব পড়েছে ফুটপাতের ইফতার সামগ্রীর দোকানগুলোতে। ইফতার সামগ্রীর মূল্য নিয়ে চলছে কারসাজি। কে কতো বেশি দামে বিক্রি করে বেশি মুনাফা করবেন এ নিয়ে চলছে প্রতিযোগিতা। দামের মিল নেই কোন দোকানেই। কোথাও দাম বেশি আবার কোথাও কিছুটা কম। রাজধানীর ফার্মগেট, তেজগাঁও, কাওরান বাজার, শাহবাগ, পল্টন, গুলিস্তানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েণ্টে ঘুরে ফুটপাতের ইফতার ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে পাওয়া গেছে এমন চিত্র। ফার্মগেট ও কাওরান বাজারের বেশ কিছু ইফতার সামগ্রীর দোকানে খোঁজ নিয়ে জানা গেল, প্রতি কেজি ছোলা বিক্রি হচ্ছে ১শ’ টাকা কেজিতে। এছাড়া বুরিন্দা ১শ’ (কোথাও ১২০), ছোট আকারের জিলাপি ১শ’ নিমকি ১শ’, মুড়ি ৬০ থেকে ১শ’ টাকা করে বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। বাজাগুলোতে বিভিন্ন আকারের আলুর চপ ৩-৫, বেগুনি ৩-৫, পিয়াজু ৩-৫, সমুচা ৫-১০, শিঙ্গাড়া ৫-১০ কাবাব ১০-১৫ ভেজিটাবল রোল ১০-১৫ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। প্রায় একই দামে ইফতার বিক্রি করছেন শাহবাগ, পল্টন ও গুলিস্তানের ইফতার বিক্রেতারা। শাহবাগ আজিজ মার্কেট এলাকার ফুটপাতে ইফতার কিনতে আসা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী জামাল মিয়া বলেন, ৩ টাকার পিয়াজু হয়েছে ৫ টাকা। ৪৫ টাকার মুড়ি কিনেছি ৬০ টাকা কেজি। কাওরান বাজারের মসজিদ মার্কেটের নিচতলার ইফতার দোকানদার মো. মইনুদ্দিন মিয়া জানান, গতবারের চাইতে ইফতার সামগ্রীর দাম বেড়েছে। গত রমজানে তিনি ছোলা বিক্রি করেছেন ৮০ টাকা। এবার তা ১শ’ টাকায় বিক্রি করছেন। ৫০ টাকার ঘুগনি বুট বিক্রি করছেন ৭০ টাকা কেজিতে। মইনুদ্দিন বলেন, আলুর চপ, পিয়াজু, বেগুনি এগুলো বিক্রি করেছিলেন ৪ টাকা প্রতি পিস। তিনি বলেন, এবার নিত্যপণ্যের মূল্য বেড়েছে। বেগুন হয়েছে ১শ’ টাকা কেজি। ৮০ টাকার খোলা সয়াবিন হয়েছে ১২০ টাকা। তাই বাধ্য হয়ে দাম বাড়াতে হচ্ছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অপেক্ষায় সোহানা সাবা

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জামায়াতের সঙ্গে আদর্শগত কোনো মিল নেই: খালেদা জিয়া
বিএনপির সঙ্গে জামায়াতের সম্পর্ক কী—ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এই প্রশ্নের জবাবে খালেদা জিয়া বলেন, ‘আদর্শগত কোনো মিল নেই।আমরা মধ্যপন্থী। আমরা উগ্র ডানপন্থী নই, উগ্র বামপন্থীও নই। আপনি যদি ইতিহাসের দিকে তাকান তাহলে দেখবেন, আওয়ামী লীগই জামায়াতের সঙ্গে হাত মিলিয়েছিল ... ১৯৮৬ সালে এরশাদ যখন নির্বাচন করতে গেল। জামায়াতের সঙ্গে আমাদের নির্বাচনকালীন একটা বন্দোবস্ত। ওরা কিছু জায়গা থেকে নির্বাচন করেছিল, আমরা কিছু জায়গা থেকে। এর বাইরে কিছু না। ওরা ওদের আদর্শ অনুসরণ করে, আমরা আমাদের।’

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে দেওয়া ওই সাক্ষাত্কারে খালেদা জিয়া ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের সঙ্গে তাঁর বৈঠক, ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে ভারতের ভূমিকাসহ বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিবদমান কিছু অমীমাংসিত বিষয় নিয়ে কথা বলেন। সাক্ষাত্কারে বাংলাদেশের রাজনীতিতে দুটি পরিবারের প্রভাব প্রসঙ্গে খালেদা জিয়া বলেন, ‘দুটিই সম্মানিত পরিবার। মুজিবুর রহমানের ভূমিকা আছে, জিয়াউর রহমানেরও ভূমিকা আছে। এ দুটি পরিবারের ওপর মানুষের বিশ্বাস জন্মেছে। মানুষ না চাইলে পরিবার দুটি রাজনীতি থেকে সরে যাবে।’
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে খালেদা জিয়া বলেন, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার তাঁদের বলছে, প্রথমে সরকারকে বৈধতা দিতে তারপর সংলাপে বসতে। তাঁর মতে, এতেই বোঝা যায় সরকার অবৈধ। নির্বাচনে বিপুল সংখ্যক সাংসদ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়লাভের বিষয়টি খালেদা জিয়া ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে জানিয়েছেন বলে সাক্ষাত্কারে উল্লেখ করেন।
নির্বাচনের সময় কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন সরকার বিএনপিকে সমর্থন না দেওয়ায় তিনি হতাশ হয়েছিলেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে খালেদা জিয়া বলেন, ‘আমি জানি না আদপেই কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন সরকার বাংলাদেশের নির্বাচনে কোনো ভূমিকা রেখেছিল কি না। তবে অনেকেরই বিশ্বাস, এর একটা ভূমিকা ছিল।’ এরশাদকে উদ্ধৃত করে সুজাতা সিং (ভারতের পররাষ্ট্রসচিব) নির্বাচন নিয়ে কী কী বলেছিলেন, তা-ও উল্লেখ করেন বিএনপির চেয়ারপারসন।

বিএনপির শাসনামলে বাংলাদেশের মাটিতে সন্ত্রাসীদের তত্পরতা চলা নিয়ে ভারতের উদ্বেগ আছে বলে উল্লেখ করে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস। ভারতকে আশ্বস্ত করতে বিএনপি কী করতে পারে, জানতে চাইলে খালেদা জিয়া বলেন, ‘এটা একটা ভ্রান্ত ধারণা। উদ্দেশ্যমূলকভাবে এ ধরনের প্রচার চালানো হয়, বিএনপি সম্পর্কে একটি মিথ্যে ধারণা প্রতিষ্ঠা করতে। ভারত ও প্রতিবেশী কোনো দেশের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের মাটিকে ব্যবহার করতে না দেওয়ার ব্যাপারে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা আমাদের এ প্রতিশ্রুতির স্বাক্ষরও রেখেছি।’
সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন প্রসঙ্গে খালেদা জিয়া বলেন, আওয়ামী লীগ আমলেই অত্যাচার নির্যাতন বেশি হয়। তিনি বলেন, বাবরি মসজিদ যখন ভাঙা হয় তখন তিনি প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। দেশে যারা অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করেছিল, তখন তাদের কঠোর হাতে দমন করেছেন। যেসব চ্যানেলে বাবরি মসজিদ ভাঙার ছবি দেখাচ্ছিল, সেসব চ্যানেলের প্রচার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল বলেও তিনি জানান।
ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের নিয়ে নির্বাচনী প্রচারের সময় নরেন্দ্র মোদী যেসব মন্তব্য করেছেন, সেটি তাঁকে উদ্বিগ্ন করেছে কি না, জানতে চাইলে খালেদা জিয়া বলেন, নির্বাচনে জেতার জন্য অনেক কিছুই বলা হয়। তার অর্থ এই নয় যে এগুলো বাস্তবায়ন হবে। খালেদা আরও বলেন, তিনি মনে করেন না অনেক বাংলাদেশি সেখানে যাচ্ছে। কারণ দেশেই বাংলাদেশিরা অনেক ভালো করছে।

খালেদা জিয়া বলেছেন, সুষমা স্বরাজের সঙ্গে তাঁর বৈঠকটি ছিল খুবই সৌহার্দ্যপূর্ণ। বৈঠকে সুষমা সীমান্তে হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনার উদ্যোগ নেবেন বলে জানিয়েছেন। এ ছাড়া তিস্তা চুক্তি ও সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন খালেদা। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নরেন্দ্র মোদী তাঁকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। কিন্তু দেশের পরিস্থিতি অনুকূল না হওয়ায় এখনই তিনি যাচ্ছেন না। তবে মোদী সরকার কেমন সে সম্পর্কে তিনি বলেছেন, এখনই কোনো মন্তব্য করা ঠিক হবে না।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্লেবয় যুদ্ধে নেইমার
ব্রাজিলের প্লেবয়ের সম্পাদক সের্গিও হাভিয়ার এক ই-মেইল প্রতিক্রিয়ায় এপিকে বলেন, কোন আইনি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এখন পর্যন্ত তারা কোন ফরমান পাননি। তাই জুন সংখ্যা সারা দেশের বাজারে আগের মতোই সহজলভ্য থাকবে। জুনের গোড়ায় প্লেবয় নিউজস্ট্যান্ডে হিট করার পর প্যাট্রিসিয়া বলেন, নেইমারের সঙ্গে তিনি একদা রোমান্টিক সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন। ২০১৩ সালে তারা দুজনে একসঙ্গে তিন মাস ডেটিং করেছেন। এর অবসান ঘটেছিল যখন নেইমার তার বর্তমান বান্ধবী ব্রাজিলীয় টিভি তারকা ব্রুনা মার্কেজিনের প্রেমে পড়েন। অবশ্য ব্রুনোর সঙ্গে গত জানুয়ারিতে তার সম্পর্ক ভেঙে পড়ার খবর বেরিয়েছিল।
গত ১২ই জুন ব্রাজিল ও ক্রোয়েশিয়ার ম্যাচের আগে নেইমার দু’জনের একটি ছবি অনলাইনে পোস্ট করলে অনুমান করা হয় যে, তারা আবারও জুটি বেঁধেছেন। অষ্টাদশী ব্রুনোকে অবশ্য প্যাট্রিসিয়া ঈর্ষা করেন। কারণ ‘ড্যান্সিং উইথ দ্যা টিয়ার্স’’ তারকা ব্রুনোর ৩০ লাখ ফ্যান রয়েছে তার ইন্সট্রাগ্রাম অ্যাকাউন্টে।
২১ বছর বয়সী জর্দান প্লেবয়কে বলেন, নেইমার মানুষ হিসেবে চমৎকার। তাঁর হাস্যরসবোধ অসামান্য। ওঁর সঙ্গে রিও তে আমার প্রথম চোখাচোখি হয়। সেটা ২০১২ সালের ডিসেম্বরের কথা। তখন কিছুই ঘটেনি। এরপর ওঁর সঙ্গে আবার সাক্ষাৎ হয় একটি সমুদ্র সৈকতে। কাকতালীয়ভাবে সেটা ছিল বর্ষবরণের উপলক্ষ। প্লোরিয়ানপলিসের বীচে দেখা হলো। কথা হলো। এরপর থেকে আমরা নিয়মিতভাবে মিলিত হতে থাকি। ব্রুনো ওর জীবনে প্রবেশের আগ পর্যন্ত আমরা ভালই ছিলাম।’
জর্দান আরও বলেন, খেলার মাঠে একটি বাধা-ধরা নিয়ম মেনে খেলতে হয়। কিন্তু শয্যায় কোন বাধা-ধরা নিয়ম নেই। যাকে তুমি পছন্দ করো তার সঙ্গে কোন রাখঢাক নেই। কোন নিয়ন্ত্রণ নেই। সমালোচকরা বলছেন, ব্রাজিলীয় মিডিয়ার অনেকেই বলছেন, নেইমারের সঙ্গে ওর ঘনিষ্ঠতা বানানো, অতিরঞ্জিত।
তারা বলছেন, নেইমার কেবল মাঠের লড়াইয়ে জয় পাচ্ছেন তাই নয়, তিনি অব্যর্থ গোল করতে পেরেছেন আইনি লড়াইয়েও। ফুটবল প্লেবয় নেইমার ব্রাজিলের সাময়িকী প্লেবয়ের সঙ্গে যুদ্ধে আছেন। তবে এতে তিনি যে জয় পাবেনই সেটা বলা কঠিন।
আদালতে নেইমার আর্জি দিয়েছিলেন ব্রাজিল থেকে প্রকাশিত প্লেবয়ের চলতি সংখ্যা বাজার থেকে তুলে নিতে হবে। কারণ এতে তার সাবেক বান্ধবী, না ঠিক হলো না, কারণ নেইমার ভুলেও স্বীকার করেননি যে, মেয়েটি তার সাবেক বান্ধবী, বরং নেইমারের ফুটবল কেরিয়ারের আইনি অভিভাবক এন আর স্পোর্টস প্যাট্রিসিয়া জর্দানকে নেইমারের ইমপোস্টার গার্লফ্রেন্ড বা স্বঘোষিত বান্ধবী হিসেবে চিহ্নিত করেছে। কিন্তু স্বঘোষিত বলে দিলেই তো হলো না। নেইমারের অসংখ্য রোমান্টিক ছবি রয়েছে প্যাট্রিসিয়ার সঙ্গে।

প্লেবয়ের কভারে তাকে দেখা যাচ্ছে সেক্সি ভঙ্গিতে। শরীরের বিশেষ ভাঁজে লেখা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, ‘‘প্যাট্রিসিয়া জর্দান, দি ব্রান্টি দ্যাট এনচ্যান্টেড নেইমার’’। এই আলোকচিত্র প্রকাশ করে প্লেবয় কোন অন্যায় করেনি। কারণ এটা মিথ্যা নয়। আর আদালত প্লেবয়ের এই সংখ্যাটি তুলে নিতে বললেও এই সংখ্যাটি যেভাবে ঝড় তুলেছে সে তুলনায় প্রতিদিন ৪৫০০ ডলারের জরিমানা তুচ্ছ মনে করা হচ্ছে। এমনকি মনে করা হচ্ছে প্লেবয় বাজার থেকে একটি কপিও না সরিয়ে তার পক্ষে পরবর্তী আইনি লড়াইয়ের প্রস্তুতি লাভজনক মনে হতে পারে। ৪৫০০ ডলার করে জরিমানা অন্তত বিশ্বকাপ ফাইনাল পর্যন্ত ধরে রাখা হতে পারে। গত বুধবার আদালত ওই আদেশ দিলেও প্লেবয় এখনও পর্যন্ত তা তামিল করার কোন মনোভাব দেখাচ্ছে না।
নেইমারের পক্ষে প্রচারিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নেইমার জুনিয়রের ব্যক্তি জীবন সম্পর্কে প্লেবয় মিথ্যা ছড়িয়েছে। এটা করতে গিয়ে তারা নেইমারের আইনি অভিভাবক এন আর স্পোর্টের কাছ থেকে কোন অনুমতি নেয়নি। এতে আইনের লঙ্ঘন ঘটেছে। কারণ নেইমারের সুনাম, যশ, প্রভাব, প্রেস্টিজ সব কিছুই এন আর স্পোর্টের সঙ্গে বাঁধা। তারা অবশ্য বিস্তারিত আর কিছুই বলেনি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শুভেচ্ছা, নাকি চাণক্যের কৌটিল্যশাস্ত্র? by ড. মাহবুব উল্লাহ্

নরেন্দ্র মোদি তার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে একটি ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছেন। এ শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিবেশী দক্ষিণ এশিয়ার রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছাড়া অন্য দেশগুলোর সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানরা এ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর পূর্বনির্ধারিত থাকায় তিনি দিল্লি যেতে পারেননি। এ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। তিনি সরকার বা রাষ্ট্রপ্রধান না হওয়ায় ভারতীয় মিডিয়া তাকে তেমন গুরুত্ব দেয়নি। মিডিয়ার দৃষ্টিতে যার আগমন সর্বাধিক গুরুত্ব পেয়েছে, তিনি হলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। এ অনুষ্ঠানে কারা গেলেন বা কে যেতে পারেননি তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হল, এমন একটি অনুষ্ঠানে নরেন্দ্র মোদির প্রয়াস ছিল প্রতিবেশী দেশগুলোর সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানদের নিয়ে শুভ সূচনা ঘটানো। ভারতের সঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলোর সম্পর্ক সুখকর নয়। ভারত এখন বিশ্বশক্তিতে পরিণত হওয়ার আশা পোষণ করছে। কিন্তু প্রতিবেশীদের অসন্তুষ্ট রেখে এ আকাক্সক্ষা পূরণ করা দুরূহ। সে কারণে নরেন্দ্র মোদি একটি ভিন্ন সংকেত দিতে চেয়েছেন। সংকেতটি হল, ভারত প্রতিবেশীদের সঙ্গে নিয়ে এগোতে চায়। এ চাওয়া কতটুকু আন্তরিক কিংবা আনুষ্ঠানিকতা মাত্র সেটা ভবিষ্যৎই বলে দেবে। কিন্তু বাংলাদেশসহ কোনো প্রতিবেশীর সঙ্গেই ভারতের সম্পর্ক সুখকর ছিল না। ভারতের জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের সাবেক ডিন প্রফেসর অনুরাধা গুপ্ত আশির দশকের শেষ দিকে বিখ্যাত সাপ্তাহিক ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি পত্রিকায় এক প্রবন্ধে লিখেছিলেন, ভারতের পররাষ্ট্রনীতিতে প্রতিবেশীদের ক্ষেত্রে ব্রাহ্মণ্যবাদী চিন্তা অনুসরণ করা হয়। ভারত হল এতদঞ্চলের ব্রাহ্মণ। নেপাল, বাংলাদেশ ও শ্রীলংকার মতো দেশগুলো হল নিু বর্ণভুক্ত। এর মধ্যে পাকিস্তান হল অসুর। একটু ভেবে দেখলে বোঝা যায়, ভারত এ মানসকাঠামো থেকে বের হয়ে আসতে পারেনি। বর্ণভেদ প্রথায় উচ্চ বর্ণীয়দের কাছে নিু বর্ণীয়রা যেভাবে অচ্ছুত, ঠিক সেভাবেই ভারত প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রতি আচরণ করেছে। এর জন্য খুব বেশি তথ্য প্রমাণ উপস্থাপন করার প্রয়োজন নেই। কিন্তু এবার নরেন্দ্র মোদির মতো ব্যক্তি তার শপথ অনুষ্ঠানে প্রতিবেশীদের শামিল করে হয়তো একটি ভিন্ন ইঙ্গিত দিতে চেয়েছেন। এ ইঙ্গিত সত্যিকার অর্থে কতটুকু ইতিবাচক, সেটা ভবিষ্যতের দিনগুলো বলে দেবে। এ নিয়ে সাবধানী আশাবাদ পোষণ করাই শ্রেয়। একটি রাষ্ট্র শুধু সরকার পরিবর্তনের মাধ্যমে তার চরিত্র পাল্টাতে পারে কি-না রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অতি পুরনো এ প্রশ্নটির পরীক্ষা হবে মোদির নেতৃত্বাধীন ভারতকে দিয়ে।
গত সপ্তাহে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন। একটি প্রতিবেশী দেশে ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এটাই প্রথম সফর। এটি ভারতের দিক থেকে একটি উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ। হিন্দুত্ববাদী ভারতের নতুন সরকারের পক্ষ থেকে একটি মুসলিমপ্রধান দেশে তার পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত ঔৎসুক্য জাগায় বৈকি। সুষমা স্বরাজ তার সফরকে একটি শুভেচ্ছা সফর বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে বিদ্যমান সমস্যাগুলোর সমাধান এ মুহূর্তে দিতে আসেননি। তিস্তার পানি বণ্টন নিয়ে তার অবস্থান হল, ভারতের নতুন সরকার এ বিষয়ে অভ্যন্তরীণ ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। দৃষ্টান্তস্বরূপ ঢাকায় আসার আগে তিনি টেলিফোনে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে কথা বলেছেন। জানি না এ ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হতে কত বছর লাগবে? কিন্তু বার্তাটি অত্যন্ত স্পষ্ট যে, ঐকমত্য না হলে তিস্তার পানি বণ্টন নিয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু হচ্ছে না। এছাড়াও রয়ে গেছে সর্বমোট ৫৪টি অভিন্ন নদীর পানি বণ্টনের সমস্যা। সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। সুষমা স্বরাজ ৫ জানুয়ারির ভোটারবিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়া বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও সরাসরি কিছু বলতে চাননি। তার কথা হল অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে ভারত হস্তক্ষেপ করতে চায় না। তবে ভারতের বর্তমান সরকারের পূর্বসূরি মনমোহন সিংয়ের সরকার ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের ব্যাপারে নাক গলিয়েছিলেন। এ নির্বাচনের আগেই ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বাংলাদেশ সফরে এসে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে নির্বাচনে অংশ নিতে এক ধরনের চাপ দিয়েছিলেন। এর পরপরই দেখা গেল র্যাব এরশাদকে তার বাসভবন থেকে তুলে নিয়ে যাচ্ছে। তারপর বলা হল এরশাদ অসুস্থ এবং তিনি সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। অথচ ওই সময় তাকে গলফ খেলতেও দেখা গেছে। আমরা বিশ্বাস করতে চাই, ভারতের বর্তমান সরকার সত্যিকার অর্থে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে নাক গলানোর নীতি থেকে সরে আসবে। Bangladesh Institute of International studies আয়োজিত সেমিনারে সুষমা স্বরাজ বলেছেন, গণতন্ত্রের ব্যাপারে ভারত তার অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের সঙ্গে বিনিময় করতে চায়। এখানেও সুষমা স্বরাজ একটি ভিন্ন ইঙ্গিত দিলেন। এ মুহূর্তে বাংলাদেশে Inclusive democrac নেই। অথচ ভারতীয় গণতন্ত্রের সব দুর্বলতা সত্ত্বেও সেখানে সব রাজনৈতিক দল উৎসাহের সঙ্গে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। সুষমা স্বরাজ কি বলতে চেয়েছেন এমন ধরনের গণতন্ত্র চর্চা বাংলাদেশেও হওয়া উচিত?
সুষমা স্বরাজ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি, বিরোধীদলীয় নেত্রী এবং বিএনপি চেয়ারপারসনের সঙ্গে কথা বলেছেন। এ মুহূর্তে বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রটোকলগত অবস্থান নেই। তা সত্ত্বেও সুষমা স্বরাজের সঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ৪০ মিনিটব্যাপী বৈঠক হয়েছে। এ বৈঠকে বাংলাদেশ সরকারের আপত্তি ছিল বলে সংবাদমাধ্যম থেকে আমরা জেনেছি। কিন্তু ভারতের বর্তমান সরকারের বিঘোষিত নীতি হল, ভারত সরকার বাংলাদেশের কোনো নির্দিষ্ট দলের সঙ্গে নয়, বরং বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে চায়। সেই বিবেচনায় বিএনপির মতো একটি বড় দলকে হিসাবের বাইরে রাখা যায় না। সুষমা স্বরাজ বাংলাদেশ সফরে এসে ভিন্ন রকমের এ নজির স্থাপন করে বাংলাদেশের জনগণকে জানান দিয়ে গেলেন বিজেপি সরকার কংগ্রেসের পথে হাঁটতে চায় না। এ ক্ষেত্রেও ভবিষ্যৎই বলে দেবে বিজেপির সরকার সত্যিকার অর্থে কংগ্রেস থেকে কতটা ভিন্ন। সুষমা স্বরাজের সফর উপলক্ষে শাড়ি কূটনীতি হয়েছে বলে বাংলাদেশের কোনো কোনো পর্যবেক্ষক মন্তব্য করেছেন। শাড়ি নারীর বহিরাঙ্গের ভূষণ। মানুষের ভেতরে অন্তর বলে যে জিনিসটি থাকে, সেখানে পরিবর্তন এলেই বাংলাদেশের জনগণের জন্য সেটা হবে বড় পাওয়া। সেজন্য অনেক পথ হাঁটতে হবে।
ভারতের রাষ্ট্রদর্শনে কৌটিল্য এবং মনুসংহিতার বিরাট প্রভাব। মনুসংহিতায় বলা হয়েছে, প্রতিবেশী দেশ রাষ্ট্রের শত্র“। প্রাচীন দর্শনের এ প্রভাব থেকে ভারতের মোদি সরকার কতটা বেরিয়ে আসতে পারবে, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করা অযৌক্তিক নয়। ভারতের আমলাতন্ত্রের ইস্পাত কাঠামো নির্বাচিত সরকারগুলোকে ব্যতিক্রমধর্মী পদক্ষেপ নিতে বাধা দেয়। এটাও ভারতের রাষ্ট্রচরিত্রের একটি বড় বৈশিষ্ট্য। এতদসত্ত্বেও আমরা দেখেছি, অকংগ্রেস সরকারের আমলে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের কিছু কিছু অগ্রগতি হয়েছিল। মোদির সরকারের বিশাল শক্তিমত্তা থাকার ফলে অতীতের অকংগ্রেস সরকারগুলোর তুলনায় বর্তমানের অকংগ্রেস সরকারের অধিকতর গতিশীল নীতি গ্রহণ করতে পারার কথা। কিন্তু কৌটিল্য ও মনুসংহিতার নির্দেশিত পথ থেকে ভারতের বর্তমান সরকার কতটুকু বেরিয়ে আসতে পারবে সে ব্যাপারে সংশয় থেকে যায়। তবে সীমান্তের এপারে এবং ওপারে সব যুক্তিবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষই অনুভব করেন, কোটি কোটি মানুষের কল্যাণের জন্য অতীতাশ্রয়ী না হয়ে ভবিষ্যতের দিকে তাকানোই মঙ্গলজনক।
ড. মাহবুব উল্লাহ : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিলেটে পুলিশ-অপরাধী সখ্য- দুই মাসে ৩৫ ছিনতাই by ওয়েছ খছরু
এক সাব ইন্সপেক্টরের নাম জোরেশোরেই শোনা যায়। দু’টি
ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে কেউ কেউ পুলিশ পরিবারের সদস্য। সিলেটে অপরাধীদের সঙ্গে পুলিশের এমন সম্পৃক্ততার ইতিহাস নতুন নয়। অনেক দিনের পুরনো সে ইতিহাস। সিলেটের অপরাধ বাড়াতো পুলিশ। আবার অপরাধ কমাতোও পুলিশ। যখন বড় কর্তারা ক্ষেপে যান তখনই মাঠ পর্যায়ে অপরাধ কমে আসে। সিলেট মহানগর পুলিশের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সিলেটের বিভিন্ন থানা ও ফাঁড়ির বিতর্কিত পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রত্যাহার করে মেট্রোপুলিশের রিজার্ভ কিংবা গোয়েন্দা শাখায় নিয়ে আসা হয়। ওখানে তারা দায়িত্ব পালন করলেও পুরনো কর্তব্যরত এলাকায় তাদের আধিপত্য রয়ে যায়। সিলেটের লামাবাজার পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বে ছিলেন দারোগা মনির। তিনি বর্তমানে মেট্রোপুলিশে রয়েছেন। পুলিশেরই একটি সূত্র জানিয়েছে, লামাবাজার ফাঁড়ির অধীনস্থ এলাকাগুলোর অপরাধের নিয়ন্ত্রণদাতা দারোগা মনির। তিনি ফাঁড়িতে থাকা অবস্থায় ওই এলাকার অপরাধীদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরপর তিনি বদলি হয়ে যাওয়ার পর ওই এলাকার অপরাধের নিয়ন্ত্রক হয়ে উঠেছেন। সিলেট নগরীর শেখঘাটে নাট্যনির্মাতার সাড়ে তিন লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনার পর পুলিশ এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারজনকে আটক করে। এই চারজনের মধ্যে দু’জন ছিনতাইয়ের সঙ্গে সরাসরি জড়িত বলে অভিযোগ ওঠে। কিন্তু তাদের থানা পর্যন্ত ধরে নেয়া হলেও পরবর্তীতে রহস্যজনক কারণে ছেড়ে দেয়া হয়। আর পুলিশের পক্ষ থেকেও বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। সিলেটের শাহপরান এলাকায় অপরাধের নিয়ন্ত্রণদাতা ছিলেন সাব ইন্সপেক্টর বেণু। অপরাধ নির্বিঘ্ন করতে রাজনৈতিক শেল্টারে থাকা অপরাধীরাই তাকে স্থানীয় ফাঁড়িতে বদলি করে নিয়ে আসে। মেজরটিলা এলাকায় এক পেট্রোল পাম্প ব্যবসায়ীর সাড়ে ৬ লাখ টাকা ছিনতাই ঘটনায় বেণুকে প্রত্যাহার করা হয়। কিন্তু ওই এলাকার অপরাধীদের সঙ্গে তার সম্পর্ক রয়েই গেছে। দক্ষিণ সুরমা থানায় ওসি রঞ্জন সামন্তের বিচরণ দীর্ঘ দিনের। চাকরির সুবাদে ওই এলাকার অপরাধীদের সঙ্গে তার ভাল সম্পর্ক। এ কারণে ওপেন হাউজ ডেতে আলটিমেটামের পর কমিশনারের রোষানলে পড়েন তিনি। এছাড়া বিমানবন্দর ও জালালাবাদ থানার বেশ কয়েকজন এএসআইর বিরুদ্ধে অভিযোগের অন্ত নেই। বাদাঘাট ও বিমানবন্দর এলাকার মাদক আস্তানার নিয়ন্ত্রণ তারা সরাসরি করছেন বলে স্থানীয়ভাবে অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে এএসআই হেলালের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বাগান এলাকার মাদকের আস্তানা। সন্ধ্যা হলেই তাকে অতন্ত্র প্রহরীর মতো দেখা যায় ওই এলাকায়। অপরাধের সঙ্গে পুলিশের সখ্য থাকায় সিলেটের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কোন ভাবেই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না। গত দুই মাসে সিলেট নগরীর কমপক্ষে ৩০ থেকে ৩৫টি ছিনতাই ঘটেছে। রাজপথ থেকে শুরু করে পাড়ার গলিপথ রয়েছে ছিনতাইকারীদের বিচরণ। কিন্তু ছিনতাইয়ের পর পুলিশ অ্যাকশনে গেলেও টাকা কিংবা ছিনতাইকারী কাউকেই গ্রেপ্তার করতে পারেনি। তবে, নগরীর মানিকপীর রোডে বাগানের কর্মচারীদের বেতনের ২২ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের পর পুলিশ বেশ কয়েক দফা অভিযান চালিয়ে টাকা উদ্ধার করেছে। সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মিজানুর রহমান রমজানের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে মতবিনিময় সভায় জানিয়েছেন, সমপ্রতি চা বাগানের ছিনতাই হওয়া ২২ লাখ টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ। ছিনতাইকারীও ধরেছে। তিনি জানিয়েছেন, ছিনতাই রোধে সিলেটে কাজ শুরু করেছে পুলিশ। ইতিমধ্যে পুলিশের পক্ষ থেকে সব ছক সাজানো হয়েছে। একই সঙ্গে চলছে অভিযানও।
ব্যবসায়ীদের উদ্বেগ: নগরীতে ছিনতাই বৃদ্ধিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ব্যবসায়ীরা। রমজান মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও তারা শঙ্কিত। ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা রমজানে ছিনতাইকারীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠতে পারে। ঈদের বাজারে বখাটেরা প্রতিবছর নারীক্রেতাদের উত্ত্যক্ত করে। ফুটপাত ও রাস্তায় ভ্যান গাড়িতে করে হকাররা পসরা সাজিয়ে বসে। এছাড়া সিএনজি ও ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা যত্রতত্র রেখে নগরীতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি করা হয় রমজানে। রোববার বিকালে সিলেট মহানগর পুলিশের সদর দপ্তরে পুলিশের সঙ্গে ব্যবসায়ী ও সাংবাদিকদের মতবিনিময়কালে ব্যবসায়ী নেতারা তাদের শঙ্কার কথা এভাবেই তুলে ধরেন। এ সময় তারা ছিনতাই, ইভটিজিং ও যানজটকে সিলেট নগরবাসীর অভিশাপ হিসেবে উল্লেখ করেন। ব্যবসায়ীদের বক্তব্যের পর সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মিজানুর রহমান বলেন, রমজানে যাতে ব্যবসায়ীসহ নগরবাসী ছিনতাই, যানজট ও ইভটিজিং থেকে রক্ষা পায় এ জন্যই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়েছে। রমজানে বড় অঙ্কের টাকা লেনদেন ও পরিবহনে পুলিশের সহযোগিতা নিতে ব্যবসায়ীদের অনুরোধ জানান তিনি। টাকা পরিবহনে সহযোগিতার জন্য পুলিশের একটি টিম ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত থাকবে বলে জানান কমিশনার। ইভটিজিং প্রতিরোধে পুলিশ সব ধরনের সহযোগিতা করবে এবং বখাটেদের গ্রেপ্তারে মাঠে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন পুলিশ কমিশনার। যানজট নিরসনে পুলিশ কমিশনার তাৎক্ষণিক ট্রাফিকের সহকারী কমিশনারকে নির্দেশ দেন। যে সব পয়েন্টে বেশি যানজট হয় ওই সব পয়েন্ট শনাক্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়ে কমিশনার বলেন, কোন পুলিশ কর্মকর্তাও অবৈধ পার্কিং করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার রুকন উদ্দিন আহমদ, ডিসি উত্তর এজাজ আহমদ, ডিসি দক্ষিণ মো. মুশফেকুর রহমান, ব্যবসায়ী নেতা হাসিন আহমদ, হান্নান চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা তুরন মিয়া, নাজমূল ইসলাম, সিলেট প্রেস ক্লাব ফাউন্ডেশনের সভাপতি আল আজাদ, সিলেট প্রেস ক্লাবের সভাপতি ইকবাল সিদ্দিকী, টেলিভিশন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ইকরামুল কবির ইকু, ব্যবসায়ী আমির উদ্দিন, চৌধুরী মোহাম্মদ সোহেল, আবদুল মুকিত, সিরাজুল ইসলাম সিরাজী, আলা মিয়া, গুলজার আহমদ, শুয়েব আহমদ প্রমুখ।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশী অনুপ্রবেশ না থামালে আসাম হবে বসনিয়া-কাশ্মীর- বিএসএফ-এর সাবেক কর্মকর্তার দৃষ্টিতে...

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিশ্বকাপের প্রলোভনে প্রায় ২ কোটি পাউন্ড বৃথা বিনিয়োগ

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার উদ্দেশে তসলিমা নাসরিন

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্ত্রীর দাবি, ১০ লাখ টাকা নিয়ে জাবেদকে হত্যা করেছে ডিবি by আল আমিন

পুলিশের খাতায় জাবেদ একজন শীর্ষ ডাকাত এবং তার নামে অসংখ্য মামলা রয়েছে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, তার স্বামী থাকতেন কদমতলীর রায়েরবাগের দোতালা মসজিদের পাশের একটি বাসায়। ওই থানায় তার নামে কোন মামলা নেই। অথচ এখন বলা হচ্ছে রাজধানীর প্রায় থানায় জাবেদের নামে অনেকগুলো মামলা আছে। এ হত্যাকা-কে ধামা চাপা দেয়ার কারণে এসব কথা বলা হচ্ছে। তিনি রূপা ও কানিজকে গ্রেপ্তারের দাবি জানান। রূপা ও কানিজ নিহত জাবেদের স্ত্রী কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, তা আমার জানা নেই। শুধু জানি আমিই জাবেদের একমাত্র স্ত্রী। যোগাযোগ করা হলে ঢাকা পরিবহন শ্রমিক কমিটির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মোস্তফা কামাল জানান, নিহত জাবেদের আগের কমিটির নেতা ছিলেন তিনি। শ্যামপুর ধোলাইপাড়ের টুটুলের অফিসে প্রায় দু’মাস আগে খাইরুল ইসলাম খায়েরের সঙ্গে জাবেদের হাতাহাতি হয়। এ সময় খাইরুলকে জাবেদ একটি থাপ্পর মারেন। তখন খাইরুল বলেন, র্যাব, থানা ও ডিবি আমার। যত টাকা খরচ হবে হোক, কিন্তু তোকে যে কোন মুহূর্তে সাইজ করে দিবো। এসময় খাইরুল একটি মোটরসাইকেল নিয়ে চলে যান। আমরা এখন শুনতে পাচ্ছি, খাইরুল ও তার লোকজন ডিবি পুলিশকে প্রায় ১০ লাখ টাকা দিয়ে এ খুন করিয়েছে।
তিনি আরও জানান, খায়ের ও তার লোকজন প্রকৃত শ্রমিক নেতা নন। তারা চাঁদাবাজ। শ্রমিক লীগের নাম ভাঙিয়ে নারায়ণগঞ্জ ও তার আশপাশে পরিবহন থেকে চাঁদাবাজি করে অবৈধ অর্থে ফুলে ফেঁপে উঠেছে। কিছুদিন আগে তাদের নুন আনতে পান্তা ফুরাতো। তারা এখন কোটি কোটি টাকার মালিক। তিনি তাদেরকে গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
এ ঘটনায় জড়িত থাকায় যার নাম শীর্ষ উঠে আসছে সেই খাইরুল ইসলাম খায়েরের সঙ্গে কথা হয় গুলিস্তানের গজারিয়া বাস কাউন্টারে। অনেক খোঁজাখুঁজির পর তার সন্ধান পাওয়া যায়। তিনি বলেন, জাবেদ একজন শীর্ষ ছিনতাইকারী ও চাঁদাবাজ। তাকে সবাই রমজান ডাকাত বলে চিনে। তার নামে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় অসংখ্য মামলা রয়েছে। জাবেদ পরিবহন শ্রমিক নেতা বটে। কিন্তু, নেতার নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি করে সে লাখ লাখ টাকার মালিক হয়েছে। তিনি দাবি করেন, জাবেদের সঙ্গে তার কোন দ্বন্দ্ব ছিল না। মতিঝিল এলাকায় ছিনতাই করতে গিয়ে সে ডিবি পুলিশের গুলিতে মারা গেছে। জাবেদকে খুন করার জন্য রূপা নামে একজন মেয়েকে ব্যবহার করা হয়েছে জানালে তিনি বলেন, রূপা হচ্ছে জাবেদের তৃতীয় স্ত্রী। প্রথম স্ত্রী ঝর্ণা, দ্বিতীয় স্ত্রী কানিজ। কানিজের সংসারে এক ছেলে সন্তান রয়েছে। জাবেদের কর্মকা- নিয়ে খোদ তার প্রথম স্ত্রী ঝর্ণাই বিরক্ত ছিল। এ ঘটনার সঙ্গে ঝর্ণায় জড়িত কিনা কে জানে! এ বিষয়ে কানিজের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি রমজান আলী জাবেদের স্ত্রী। প্রায় দু’বছর আগে আমার সঙ্গে তার কোর্ট ম্যারেজ হয়। আমাদের সংসারে একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। কানিজ যাত্রাবাড়ীর কাজলা এলাকায় থাকেন। অপরদিকে রূপার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি জাবেদ নামে কাউকে আমি চিনি না। প্রতিবেদককে পাল্টা প্রশ্ন করে তিনি বলেন, এ নম্বর পেলেন কোথায়। নিহত জাবেদের শ্বশুর জমি ব্যবসায়ী জয়নাল আবেদীন জানান, খায়েরের সঙ্গে দ্বন্দ্বের কথা জামাই জাভেদ কয়েক দিন আগে আমাকে জানায়। কয়েক দিন আগে খায়েরের সঙ্গে আমারও উত্তপ্ত ব্যাক্যবিনিময় হয়। খায়ের আমাকেও দেখে নেয়ার হুমকি দিয়েছিল। তিনি আরও বলেন, আমার পরিবার এখন নিরাপত্তাহীনতায়। ঘটনার সময় আমি ঢাকায় ছিলাম না। তাবলীগ জামাতে নীলফামারী গিয়েছিলাম। আমার মেয়েকে তারা অল্প বয়সে বিধবা বানিয়েছে। সব তথ্য প্রমাণ নিয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে আমি সাংবাদিকদের খুনের ঘটনায় বিস্তারিত জানিয়ে খুনিদের মুখোশ উন্মোচন করবো।
কন্টাক্ট কিলিংয়ের কথা অস্বীকার পুলিশের: জাবেদ ও আকমলকে অর্থের বিনিময়ে হত্যার অভিযোগ প্রত্যাখান করেছে পুলিশ। গতকাল রাজধানীর মতিঝিলে ফরমালিন বিরোধী প্রচারণা চালাতে গিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার বেনজীর আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, পুলিশ কন্ট্যাক্ট কিলিং করে না। তারা (নিহতের পরিবার) তো এমন কথা বলবেই। কেননা তাদের সংসার চলে সন্ত্রাসীদের আয়ে। কমিশনার বলেন, সন্ত্রাসীরা গুলি করে ছিনতাই করবে আর পুলিশ বসে থাকবে- এটা হতে পারে না। সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষায় যা যা করণীয়, পুলিশ সবই করবে। আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের অর্থায়নে ফরমালিন বিরোধী প্রচারণায় ব্যাংকটির এমডি হাবিবুর রহমান ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মাসুম মিজান উপস্থিত ছিলেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তাপস পালের ধর্ষণের হুমকি, পশ্চিমবঙ্গে আলোড়ন

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘কালো টাকা নিয়ে ভুল রিপোর্ট হচ্ছে, অল আর রাবিশ’

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রয়টার্সের চোখে- ২০২৫ সালের পৃথিবী

থম্পসন রয়টার্সের আইপি অ্যান্ড সায়েন্স বিভাগের প্রেসিডেন্ট বাসিল মোফতাহ জানিয়েছেন, বর্তমান সময়ের বিভিন্ন গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম ও ব্যবসায়িক বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করে আমরা চমত্কার কিছু বিষয়ের ওপর আলোকপাত করতে পেরেছি যা আগামী এক দশকে বাস্তবে দেখা যাবে।
মোফতাহ আরও জানিয়েছেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে সারা বিশ্বে এখন অঢেল বিনিয়োগ হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গবেষণা চলছে। এসবের মধ্যে থেকে শীর্ষ ১০টি বিষয় আমরা তুলে এনেছি।
রয়টার্সের চোখে ২০২৫
সবকিছুই হবে ডিজিটাল
গাড়ি থেকে শুরু করে বাড়ি পর্যন্ত স্মার্ট হয়ে যাবে। ব্যবহারকারীর সঙ্গে প্রয়োজন অনুসারে গাড়ি ও বাড়ি যোগাযোগ রাখতে পারবে। গেরস্থালি যন্ত্রপাতিও বুদ্ধিমান হবে, নিজে থেকে চিন্তা করতে পারবে। প্রত্যেক যন্ত্র পরস্পরের ভাষা বুঝবে এবং ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে।
বিলুপ্ত হবে ডিমেনশিয়া
জেনেটিকস বা বংশগতির গবেষণার ক্ষেত্রে উন্নতির ফলে আগামী এক দশকেই ডিমেনশিয়া রোগটি বিলুপ্ত করা সম্ভব হতে পারে। আগেভাগে রোগ শনাক্ত ও উন্নত প্রতিরোধ ব্যবস্থার ফলে এই রোগ থেকে মুক্তি মিলবে।
বিশ্বের বৃহত্তম শক্তি উত্স হবে সোলার
সোলার বা সৌরশক্তি হবে বিশ্বের অন্যতম শক্তির উত্স। সৌরশক্তি সংরক্ষণ, সংগ্রহ করার পদ্ধতি ও সৌরশক্তিকে অন্য শক্তিতে রূপান্তর প্রক্রিয়ার উন্নয়নের ফলে বিশ্বের প্রাথমিক শক্তির উত্স হবে সোলার।
টাইপ ১ ডায়াবেটিস প্রতিরোধ সম্ভব হবে
মানুষের জিনগত পরিবর্তন আনা বাস্তবে সম্ভব হবে ফলে ডায়াবেটিস ১ টাইপের রোগ নির্মূল করা যাবে| অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসরণ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেলে ইনসুলিন নির্ভর (ইনসুলিন ডিপেনডেন্ট ডায়াবেটিস মেলাইটাস) ডায়াবেটিস মেলিটাস বা টাইপ ১ ডায়াবেটিস হয়।
খাদ্য ঘাটতি কমে যাবে
বজ্র বিদ্যুত্ প্রযুক্তি, জেনেটিক ক্রপ মডিফিকেশন প্রযুক্তির মতো উন্নত প্রযুক্তির কল্যাণে বিশ্বে খাদ্য ঘাটতি কমে যাবে এবং দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির বিষয়টি অতীতের বিষয় হয়ে দাঁড়াবে।
ইলেকট্রিক এয়ার ট্রান্সপোর্টেশন শুরু হবে
হালকা পাতলা নভোযান তৈরির প্রকৌশল ও নতুন ব্যাটারি প্রযুক্তির কল্যাণে বৈদ্যুতিক গাড়ি মাটিতে চলবে আবার আকাশেও উড়তে পারবে। ছোট ছোট আকাশযান স্বল্প খরচে যাত্রী বহন করবে। নতুন ধরনের এই বিমানগুলো খুব অল্প জায়গার মধ্যে ওঠানামা করতে সক্ষম হবে বলে লাইসেন্স পাওয়ার বিষয়টি সবার অধিকার হিসেবে গণ্য করা হবে।
পেট্রোলিয়ামভিত্তিক প্যাকেজিং অতীত হবে
সেলুলোজ ভিত্তিক প্যাকেজিং ব্যবস্থা চালু হবে। শতভাগ পচনশীল এই প্যাকেজিং ব্যবস্থার ব্যবহার বেড়ে যাওয়ার ফলে পেট্রোলিয়ামভিত্তিক প্যাকেজিং ব্যবস্থার সমাপ্তি ঘটবে।
ক্যানসার চিকিত্সার বিপদ কমবে
ক্যানসার চিকিত্সার জন্য কার্যকর ওষুধ তৈরি হবে যার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকবে সামান্য। নির্দিষ্ট প্রোটিন ও অ্যান্টিবডির ব্যবহারের ফলে ক্যানসারের ওষুধের বিষাক্ত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কমানো সম্ভব হবে।
জন্মের সময় ডিএনএ ম্যাপিং নিয়ম হয়ে দাঁড়াবে
ন্যানো-টেকনোলজি ও বিগ ডাটা টেকনোলজির ব্যবহারে শিশুর জন্মের সময় ডিএনএ ম্যাপিং করাটা সাধারণ নিয়ম হয়ে দাঁড়াবে। আগে থেকে ডিএনএ ম্যাপ থাকায় পরবর্তীতে শিশুর রোগ নির্ণয় করা সহজ হবে এবং রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাও গ্রহণ করা যাবে।
কোয়ান্টাম টেলিপোর্টেশন সহজ হবে
২০২৫ সাল নাগাদ হয়তো মানুষকে মহাকাশে টেলিপোর্ট করা বা তাত্ক্ষণিকভাবে পাঠিয়ে দেওয়া সম্ভব হবে না তারপরও এক্ষেত্রে গবেষণায় যথেষ্ট উন্নতি হবে যাতে কোয়ান্টাম টেলিপোর্টেশন (কোয়ান্টাম তথ্যের স্থানান্তর) সহজ হবে। বর্তমানে এই ক্ষেত্রটিতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান প্রচুর বিনিয়োগ করছে এবং কোয়ান্টাম টেলিপোর্টেশন বিষয়টি নিয়ে পরীক্ষা চালাচ্ছে। এই ধারণাটি সম্ভব ও প্রয়োজনীয় বলেই ধারণা বিজ্ঞানীদের। (ডেইলি মেইল)
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতের প্রতিরক্ষা খাত ‘দখল’–এর লড়াইয়ে পশ্চিমারা
![]() |
| নরেন্দ্র মোদি |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাশারের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এল ইরাকে জঙ্গি উত্থান!
![]() |
| বাশার আল–আসাদ |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অঢেল সম্পদ, ঘরে নেই বউ
![]() |
| ড্রিউ হিউসটন, এদুয়ার্দো সেভারিন, ইয়োশিকাজু তানাকা, আলবার্ট |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রভার মধুর সংসারে আগুন জ্বলছে- সন্তান হবে না
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ক্ষতিকর ফরমালিন অপব্যবহারে শাস্তি যাবজ্জীবন- মন্ত্রিসভায় আইনের খসড়া
ফরমালিন অপব্যবহারের এই কঠিন শাস্তির বিধান রেখে ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৪-এর চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সচিবালয়ে গতকাল সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়। এই আইনে লাইসেন্স ছাড়া ফরমালিনের উৎপাদন, আমদানি, পরিবহন, মজুত, বিক্রয় ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. নাজমা শাহীন এ ব্যাপারে প্রথম আলোকে বলেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে যে ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৪ মন্ত্রিসভায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, তা একটি ভালো উদ্যোগ। তবে নিরাপদ খাদ্যের জন্য এই আইন যথেষ্ট নয়। খাদ্যে যেসব বিষাক্ত রাসায়নিক প্রয়োগ করা হয়, তার মধ্যে ফরমালিন মাত্র একটি। ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ হলেও অন্য রাসায়নিকগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে খাদ্য থেকে স্বাস্থ্যঝুঁকি রয়েই যাবে।
মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা সাংবাদিকদের সভার সিদ্ধান্তের কথা জানান। এখন জাতীয় সংসদে এটি পাস হলেই আইনে পরিণত হবে। সরকারি সূত্রগুলো জানিয়েছে, সংসদের চলতি অধিবেশনেই বিলটি উপস্থাপন করা হতে পারে। প্রস্তাবিত আইনে ফরমালিন বলতে ফরমালিন, ফরমালডিহাইড, প্যারাফরমালডিহাইড এবং এর যেকোনো মাত্রার দ্রবণ এবং সরকার-নির্ধারিত ফরমালিন উৎপন্নকারী অন্য কোনো পদার্থকে বোঝাবে।
আইনটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে হচ্ছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলছে, ফরমালিন জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ। খাদ্যদ্রব্যের সংরক্ষণ ও পচনরোধে ফরমালিন মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে সামগ্রিকভাবে জনস্বাস্থ্য হুমকির সম্মুখীন হচ্ছে। তাই প্রাণঘাতী ফরমালিন নিয়ন্ত্রণে এই আইন প্রণয়নের কাজ হাতে নেওয়া হয়।
সম্প্রতি মৌসুমি ফলে ফরমালিন নিয়ে জনমনে আতঙ্ক দেখা দেয়। বিষয়টি নিয়ে কিছুদিন ধরে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশন (এফবিসিসিআই) সরকারের এই উদ্যোগ নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে। গতকাল সংগঠনটির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই আইনের বাস্তবায়ন ফরমালিনের ভয়াবহ ক্ষতি থেকে দেশ ও সমাজকে রক্ষা করতে পারে।
মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পাওয়া এই আইনের চূড়ান্ত খসড়ায় মোট ছয়টি অধ্যায় ও ৩৭টি ধারা রয়েছে। আইনে লাইসেন্স ছাড়া ফরমালিন আমদানি, উৎপাদন, পরিবহন, মজুত, বিক্রয় ও ব্যবহার করা যাবে না। এ জন্য লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ থাকবে। লাইসেন্স পাওয়া ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ফরমালিন-সংক্রান্ত হিসাব সংরক্ষণ করবে এবং তা কর্তৃপক্ষকে দেখাতে বাধ্য থাকবে। প্রতি জেলা ও উপজেলায় ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ কমিটি গঠন করা হবে।
অপরাধ ও দণ্ড: কোনো ব্যক্তি লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ করলে অনধিক সাত বছরের কারাদণ্ড হবে। তবে তা দুই বছরের নিচে হবে না বা অনধিক পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড হবে। আর লাইসেন্স নেই এমন কারও কাছে বা তাঁর দখলভুক্ত কোনো স্থানে ফরমালিন উৎপাদনের ব্যবহারযোগ্য কোনো যন্ত্রপাতি, সাজসরঞ্জাম বা উপকরণ পাওয়া গেলে তা হবে অপরাধ। এ জন্য অনধিক ১০ বছর (দুই বছরে নিচে নয়) কারাদণ্ড এবং এর অতিরিক্ত অনধিক ২০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড হবে (পাঁচ লাখের নিচে নয়)। আবার এ কাজের জন্য কেউ সজ্ঞানে তাঁর মালিকানাধীন বা দখলে থাকা কোনো বাড়িঘর, জায়গা-জমি, যানবাহন, যন্ত্রপাতি বা সাজসরঞ্জাম ব্যবহার করতে অনুমতি দিলে অনধিক সাত বছরের কারাদণ্ড বা পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড হবে।
আবার কেউ কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা বা হয়রানিমূলক মামলা করলে শাস্তি হবে অনধিক চার বছরের কারাদণ্ড (এক বছরের নিচে নয়) বা সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ড।
বাণিজ্যসচিব মাহবুব আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ফরমালিনের বিষয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত আগের মতোই চলবে। তবে তাঁদের যতটুকু ক্ষমতা আছে, ততটুকু প্রয়োগ করবেন এবং তা সঙ্গে সঙ্গে বিচারিক আদালতে পাঠানোর ব্যবস্থা করবেন।
রাসায়নিক পরীক্ষাগার স্থাপন: আইন অনুযায়ী সরকার ফরমালিনের প্রকার, পরিমাণ, মাত্রা বা কোনো উপাদানের রাসায়নিক পরীক্ষার জন্য পরীক্ষাগার স্থাপন এবং এর জন্য রাসায়নিক পরীক্ষক নিয়োগ করা যাবে। আর পরীক্ষাগার স্থাপিত না হওয়া পর্যন্ত সরকার-নির্ধারিত যেকোনো পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করা যাবে। আইনটি বাস্তবায়নের জন্য সরকার বিধি করবে।
মন্ত্রিসভায় উপস্থিত একটি সূত্র জানায়, খাদ্যে কোন মাত্রার ফরমালিন থাকবে, সেটি আইনে না থাকার কারণ জানতে চান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তখন তাঁকে বলা হয়, এটি বিধিতে উল্লেখ করা হবে।
আন্তর্জাতিক কলচার্জ কমানো উচিত: অবৈধ ভিওআইপি (ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রটোকল) বন্ধে আন্তর্জাতিক ইনকামিং কল টার্মিনেশন রেট কমানো যায় কি না, সেটি নিয়ে আলোচনা হয় সভায়। অনির্ধারিত আলোচনায় বিষয়টি তোলেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। তাঁর দাবি, এই রেট কমলে অবৈধ ভিওআইপির চাহিদা কমে যাবে এবং অবৈধ ব্যবসায়ীরা নিরুৎসাহিত হবেন।
বর্তমানে প্রতি আন্তর্জাতিক কলে তিন সেন্ট রাজস্ব পায় সরকার। এটাকে দেড় সেন্ট করা যায় কি না, তা নিয়ে আলোচনা হয়।
সভার একটি সূত্র জানায়, ভিওআইপির প্রসঙ্গটি উঠলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কার ছেলে বা মেয়ের জামাই এর সঙ্গে জড়িত, সব তথ্য তাঁর কাছে আছে। তাই এ বিষয়ে ব্যবস্থা না নেওয়া হলে তিনি নিজেই নেবেন বলে উল্লেখ করেন।
বৈঠকে সমুদ্র গবেষণা বিল, ২০১৪ অনুমোদন দেওয়া হয়। এ ছাড়া আরও তিনটি আইনের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরাকে ইসলামিক স্টেট অব ইরাক অ্যান্ড দি লেভান্ট'র ‘খিলাফত’ প্রতিষ্ঠার ঘোষণা

>>বাগদাদের কাছে জারফ আল-শাখার শহরে গতকাল জঙ্গিদের সঙ্গে সংঘর্ষের একপর্যায়ে দেয়ালঘেরা জায়গায় আশ্রয় নেন ইরাকি বাহিনীর সদস্যরা l রয়টার্স
সর্বশেষ গত রোববার তারা ইন্টারনেটে প্রকাশিত একটি অডিওবার্তার মাধ্যমে খিলাফত প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিল। পাশাপাশি এখন থেকে আইএসআইএলের নাম পরিবর্তনেরও ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। জঙ্গি সংগঠনটি বলেছে, এখন থেকে তারা কেবল ‘ইসলামি রাষ্ট্র’ হিসেবে পরিচিতি পাবে।
বিবিসির মধ্যপ্রাচ্য সম্পাদক জেরেমি বাউন বলছেন, আইএসআইএলের এই ঘোষণা বিংশ শতাব্দীতে মুসলমানদের অটোমান সাম্রাজ্যের পতনের পর যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স প্রতিষ্ঠিত সীমানাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে।
আইএসআইএলের অডিওবার্তায় বলা হয়, তাদের ইসলামি রাষ্ট্রের বিস্তৃতি হবে সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় এলাকা আলেপ্পো থেকে পূর্ব ইরাকের দিইয়ালা প্রদেশ পর্যন্ত। বর্তমানে ওই এলাকা জঙ্গিদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আর সংগঠনের নেতা আবু বকর আল-বাগদাদি হবেন এই রাষ্ট্রের খলিফা। তিনি পরিচিতি পাবেন ‘খলিফা ইব্রাহিম’ নামে। অডিওবার্তায় দাবি করা হয়, এখন থেকে বিশ্বের সব মুসলমানকে এই নতুন নেতার প্রতি ‘আনুগত্য প্রদর্শন’ এবং ‘গণতন্ত্রসহ পাশ্চাত্যের সব ময়লা-আবর্জনা’ প্রত্যাখ্যান করতে হবে।
আল-কায়েদার জন্য চ্যালেঞ্জ: বাস্তব ময়দানে আইএসআইএলের এই ঘোষণার তাৎক্ষণিক কোনো প্রভাব না থাকলেও, এটা জঙ্গিগোষ্ঠীর আত্মবিশ্বাস কতটা বেড়েছে, তার ইঙ্গিত বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। পাশাপাশি এটা আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী সংগঠন আল-কায়েদার জন্যও সুস্পষ্ট চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন তাঁরা। এই আল-কায়েদা থেকেই বেরিয়ে প্রতিষ্ঠা করা হয় আইএসআইএল।
কাতারের দোহাভিত্তিক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের গবেষক চার্লস লিস্টারের মতে, খিলাফত প্রতিষ্ঠার এই ঘোষণা আন্তর্জাতিক জিহাদের ক্ষেত্রে ২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার পর সবচেয়ে বড় ঘটনা। তিনি বলেন, ‘এটা আন্তদেশীয় জিহাদবাদের নতুন যুগ শুরুর ইঙ্গিত হতে পারে...।’ আইএসআইএলই এখন সবচেয়ে ধনী জিহাদি গোষ্ঠী। বিভিন্ন দেশে তাদের সদস্য রয়েছে।
নানা ঘটনা পরিক্রমায় আয়মান আল-জাওয়াহিরির নেতৃত্বাধীন আল-কায়েদা এখন অনেকটা কোণঠাসা। এমন প্রেক্ষাপটে বাগদাদির নেতৃত্বাধীন আইএসআইএলই বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী জিহাদি সংগঠনে পরিণত হয়েছে। হাজার হাজার বিদেশি যোদ্ধা থাকা গোষ্ঠীটি অস্ত্রশস্ত্র ও যুদ্ধের কলাকৌশলের দিক দিয়ে এগিয়ে রয়েছে। অত্যাধুনিক প্রচারণায়ও তারা সমান পারদর্শী।
তিকরিতে লড়াই অব্যাহত: তিকরিত শহর থেকে জঙ্গিদের হটাতে সরকারি বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে। কর্মকর্তারা জানান, বিভিন্ন দিক দিয়ে হাজার হাজার সেনাসদস্য তিকরিত অভিমুখে রওনা হয়েছেন। যুদ্ধবিমান থেকে শহরটি বিভিন্ন জঙ্গি অবস্থানে বোমা ফেলা হচ্ছে। এ ছাড়া শহরটির চারপাশে সম্মুখযুদ্ধ চলছে। তবে প্রচণ্ড প্রতিরোধের মুখে কাছের দিজালা শহর থেকে সেনাদের প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। গত ১১ জুন তিকরিতের দখল নেয় জঙ্গিরা।
এদিকে ইরাকের বিভিন্ন এলাকা সুন্নি জঙ্গিদের নিয়ন্ত্রণে চলে যাওয়ায় ইরাকে একটি স্বাধীন কুর্দি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। রাজধানী তেল আবিবে দেওয়া এক ভাষণে তিনি বলেন, কুর্দিরা যোদ্ধা জাতি। তারা রাজনৈতিক দায়বদ্ধতার প্রমাণ দিয়েছে। তাই তারা স্বাধীনতা পাওয়ার যোগ্য।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভুল ও ক্ষতিকর বার্তা পৌঁছে দেবে- স্বাস্থ্যমন্ত্রীর উদ্ভট উক্তি
চিকিৎসাসেবা একটি সার্বক্ষণিক ব্যবস্থা, যার সঙ্গে মানুষের জীবন–মরণের প্রশ্ন জড়িত। এ ব্যবস্থা নিরবচ্ছিন্ন; ব্যক্তি চিকিৎসকদের ছুটি মানে গোটা চিকিৎসাব্যবস্থার বিরাম নয়। চিকিৎসক, সেবক, সেবিকা ও অন্য কর্মীরা পালাক্রমে এই ব্যবস্থাকে সার্বক্ষণিকভাবে সচল রাখেন। এটাই সারা পৃথিবীর সাধারণ রীতি। এ ব্যাপারে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর অজ্ঞতা অবিশ্বাস্য। তিনি যদি দায়িত্ব পালনে অবহেলাপ্রবণ সরকারি চিকিৎসকদের প্রীতি লাভের উদ্দেশ্যে এই উক্তি করে থাকেন, যে সারা দুনিয়ায় যা নেই, শুধু বাংলাদেশেই তা আছে, ছুটির দিনে জরুরি চিকিৎসাসেবা চালু থাকে শুধুই বাংলাদেশের হাসপাতালগুলোতেই, তাহলে এটা ভীষণ উদ্বেগের বিষয়। কারণ তাঁর এই উক্তি সরকারি চিকিৎসকদের মধ্যে ভুল বার্তা পৌঁছে দেবে। তাঁদের মধ্যে যাঁরা এমনিতেই কর্মস্থলে উপস্থিত থেকে দায়িত্ব পালনে অনীহা বোধ করেন, তাঁরা আরও উৎসাহিত হবেন।
দ্বিতীয়ত, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বক্তব্য ভুল বার্তা নিয়ে যাবে সাধারণ মানুষের মধ্যেও। এখন তাঁরা মনে করবেন, ছুটির দিনে সরকারি হাসপাতালে গিয়ে কোনো চিকিৎসা মিলবে না। তাঁরা ছুটবেন বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকে। কিন্তু সেখানেও যে সঠিক ও পর্যাপ্ত চিকিৎসাসেবা পাবেন, তারও নিশ্চয়তা নেই। কারণ ছুটির দিনে সরকারি-বেসরকারি নির্বিশেষে অধিকাংশ হাসপাতালেই জ্যেষ্ঠ ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পাওয়া যায় না। দায়িত্ব পালন করেন কনিষ্ঠ ও শিক্ষানবিশ চিকিৎসকেরা। সরকারি হাসপাতালগুলোর ব্যাপারে সাধারণ রোগীদের এটাই সবচেয়ে বড় অভিযোগ। আসলে এটি একটি প্রবণতাগত জটিল সমস্যা, যা দূর করার জন্য সরকারের সচেষ্ট হওয়া উচিত। কিন্তু স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বক্তব্যটি গেল এর সম্পূর্ণ বিপরীতে। এটা যারপরনাই হতাশাব্যঞ্জক। এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন ও ক্ষতিকর বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে, এ ব্যাপারে তাঁর সতর্ক থাকা উচিত।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুদকের তদন্তের ফের তদন্ত হোক- অভিনব অভিযোগপত্র
এখানে উল্লেখ করা জরুরি যে, সাবেক মহাব্যবস্থাপক ২০১২ সালের ৯ এপ্রিল তৎকালীন রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের বাসায় যাওয়ার পথে টাকার বস্তাসহ ধরা পড়েছিলেন। সেই ঘটনা নিয়ে দেশব্যাপী তোলপাড় হলে মন্ত্রীকেও বিদায় নিতে হয়। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ একাধিক মামলা দায়েরসহ দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়। এত কিছুর পরও দুদকের তদন্তে ইউসুফ আলী মৃধার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের ভিত্তি খুঁজে না পাওয়া রহস্যজনক। প্রশ্ন উঠেছে, আসলেই দুদকের তদন্ত দল সত্য উদ্ঘাটনে সচেষ্ট ছিল, না নামকাওয়াস্তে অভিযোগপত্র দাখিল করে দায়িত্ব শেষ করেছে।
রেলওয়ের যে কর্মকর্তা ইতিমধ্যে বমাল ধরা পড়ে বর্তমানে জেলখানায় আটক আছেন, দুদকের এই ভূমিকা তাঁকে বাঁচানোর চেষ্টা কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। একজন চিহ্নিত দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা নিশ্চয়ই অতটা নির্বোধ নন যে তিনি নিজের টেবিলের দেরাজে দুর্নীতির তথ্য-প্রমাণ রেখে দিয়েছেন, আর দুদক কর্মকর্তারা গিয়ে সেসব তাঁর সাবেক অফিস থেকে নিয়ে আসবেন? যেকোনো দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে প্রয়োজন সংশ্লিষ্ট সবার কথা শোনা। এ ক্ষেত্রে যেসব প্রার্থী চাকরি পাওয়ার জন্য উৎকোচ দিয়েছিলেন, তাঁদের সবার জবানবন্দি নিলে বিষয়টি পরিষ্কার হতো।
এ প্রসঙ্গে টাকার বস্তা আটক গাড়ির চালককে খুঁজে বের করার বিষয়টিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যে গাড়িচালকের সততা ও সাহসের জন্য রেলওয়ের এত বড় একটি কেলেঙ্কারি ধরা পড়ল, প্রায় দুই বছর ধরে তাঁর নিখোঁজ থাকা যেকোনো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্যই লজ্জাজনক। তিনি স্বেচ্ছায়, না দুর্নীতিবাজদের হুমকির কারণে পালিয়ে আছেন, সেটি জনগণকে জানানোও সরকারের দায়িত্ব।
রেলের কালো বিড়াল ধরতে গিয়ে সাবেক রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত নিজেই কালো বিড়াল হয়ে গিয়েছিলেন। সেই ঘটনার সঙ্গে আরও যারা জড়িত, তাদের সবার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত। দুদক যদি অভিযোগ থেকে রাঘববোয়ালদের ছেড়ে দিয়ে সব দায় চুনোপুঁটিদের ওপর চাপায়, তাহলে কোনো দিনই রেলওয়ে তথা সরকারি প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতি কমবে না; বরং এই দুর্নীতিবাজরাই আশকারা পাবে।
তাই দুদক উল্লিখিত মামলায় যে তদন্তের ভিত্তিতে রেলওয়ের সাবেক মহাব্যবস্থাপককে অভিযোগ থেকে খালাস দিয়েছে, আমরা সেই তদন্তেরই পুনঃ তদন্ত দাবি করছি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কালোটাকা সাদা করা- কর ফাঁকি ও অর্থ পাচারই উৎসাহিত হবে
বস্তুত কালোটাকা সাদা করার বিষয়টি বছরের পর বছর চলে আসছে। আর গত কয়েক বছরে অর্থমন্ত্রী বিভিন্ন সময়ে এই কালোটাকার বিরুদ্ধে নিজের অবস্থানের কথা ঘোষণা করেছেন। আবার কখনো কখনো কালোটাকার পক্ষেও কথা বলেছেন। ফলে, কালোটাকা বা কর ফাঁকি দেওয়া অর্থের বিষয়ে তাঁর অবস্থানের দোদুল্যমানতা নতুন কিছু নয়। আর অর্থমন্ত্রীর এহেন অবস্থান যে সরকারের নীতিরই প্রতিফলন, সেটাও তো এখন স্পষ্ট।
প্রথম আলোসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে যখন কয়েক দিন ধরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের তিন হাজার কোটি টাকা গচ্ছিত থাকা ও গত চার দশকে দেশ থেকে প্রায় তিন লাখ কোটি টাকা পাচার হয়ে যাওয়ার খবর প্রকাশিত হলো, তখন কালোটাকার পক্ষে অর্থমন্ত্রী, তথা সরকারের অবস্থান নেওয়া জনমনেও নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। অথচ প্রধানমন্ত্রী বলছেন যে পাচার হয়ে যাওয়া টাকা ফিরিয়ে আনা হবে। বিপুল পরিমাণ টাকা যে দেশ থেকে পাচার হচ্ছে, তা তো নীতিনির্ধারকেরা স্বীকারই করতে চাননি। কিছুদিন আগে খোদ বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার হওয়ার ধারণাটি নিয়েই প্রশ্ন তুলেছিলেন।
কালোটাকা সাদা করার সুযোগ প্রকারান্তরে কর ফাঁকিকে উৎসাহিত করবে। আর এই কর ফাঁকি দেবেন তাঁরাই, যাঁরা বিপুল পরিমাণ অর্থ বৈধ-অবৈধ পথে উপার্জন করেন। নতুন বাজেটে অর্থমন্ত্রী মধ্যবিত্ত ও নির্দিষ্ট আয়ের মানুষের বাড়তি করের বোঝা চাপিয়ে দিয়েছেন, আর ছাড় দিচ্ছেন কালোটাকার মালিকদের। অতীতে দেখা গেছে যে কালোটাকা সাদা করার সুযোগ দিয়েও তেমন রাজস্ব আসেনি, বেশি পরিমাণ অর্থও কথিত মূলধারায় আসেনি; বরং দেশ থেকে প্রতিবছরই টাকা পাচার বাড়ছে। তাই এই ধরনের সুযোগের কোনো নৈতিক ও অর্থনৈতিক ভিত্তি খুঁজে পাওয়া যায় না। সরকারের বরং উচিত হবে কর ফাঁকি রোধে কার্যকর ও অর্থবহ পদক্ষেপ নেওয়া, যেন কালোটাকা সৃষ্টি নিরুৎসাহিত হয়, যেন মানুষজন আয় অনুসারে যথাযথভাবে কর দেয়, যেন করের টাকার অপচয় না হয়, যেন সমাজে আয়বৈষম্য বেড়ে চলার গতি রোধ হয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দায় চিকিৎসকের, চিকিৎসাপদ্ধতিরও by তুহিন ওয়াদুদ

সারা দেশে যখন চিকিৎসকদের আচরণ-কর্মকাণ্ড নিয়ে নেতিবাচক সমালোচনা চলছে, তখন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) উদ্যোগ নিয়েছে এক গুরুত্বপূর্ণ ব্যতক্রমধর্মী কাজের—আস্থা ফেরানোর উদ্যোগ, আত্মশুদ্ধির উদ্যোগ। চিকিৎসকদের যেমন ত্রুটি আছে, তেমনি অনেক সীমাবদ্ধতার কারণেও তাঁরা বিভিন্ন সমালোচনামূলক পরিস্থিতির শিকার হন। বিএমডিসি যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, তা আমাদের দেশে বিরল। এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানানো উচিত। বিএমডিসির উদ্যোগ হচ্ছে চিকিৎসকদের শোধরানোর একটি উপায় বের করা। সেই উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় রংপুরে ২৬ জুন আয়োজন করা হয় ‘ইথিক্যাল গাইডলাইনস ফর মেডিকেল প্রাকটিস’ শীর্ষক এক কর্মশালার। এখানে রংপুর বিভাগের সুশীল সমাজের অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তি, শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসক, চিকিৎসক নেতা ও সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন। রংপুর মেডিকেল কলেজের সভাকক্ষে ÿপ্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ আবদুর রউফের সঞ্চালনায় কর্মশালায় আয়োজকেরা সবার উদ্দেশে চিকিৎসকদের ভুলত্রুটিগুলো তুলে ধরতে অনুরোধ করেন। তাঁরা চিকিৎসকদের কী কী ভুলত্রুটি আছে, কীভাবে সেগুলো সংশোধন করা যায়, সে বিষয়ে সবার মতামত চান।
কর্মশালায় শুধু নীতিকথা বলে নয়, শক্ত আইন প্রণয়ন করে তা প্রয়োগ করা, প্রাইভেট মেডিকেল কলেজে এক্সটারনালদের টাকাভর্তি খাম দিয়ে শিক্ষার্থীদের পাস করানোসহ চিকিৎসকদের অনেক ত্রুটির কথা যেমন উঠে এসেছে, তেমনি সরকার প্রকৃত অর্থে সাধারণ জনগণকে চিকিৎসাসেবা দিতে চায় কি না, সেই প্রশ্নও উত্থাপিত হয়েছে। এর মধ্যে যে কথাটি বারবার আলোচিত হয়েছে, সেটা হলো চিকিৎসকদের আচরণ। অনেকেই চিকিৎসকদের আচরণ বন্ধুসুলভ করার পরামর্শ দেন।
সিপিবির রংপুর জেলা সভাপতি শাহাদৎ হোসেন চিকিৎসকদের সারা রাত ধরে রোগী দেখার বিরুদ্ধে আইন থাকা উচিত বলে মত দেন। বিএমডিসির সভাপতি আবু শাফি আহমেদ আমিন সাধারণ মানুষ রোগের স্বীকার হলে কীভাবে গরিব হয়, সেই বাস্তবতা ব্যাখ্যা করে এটাকে গরিবি চক্র বলে উল্লেখ করেন। সরকারি কলেজের অধ্যাপক মোজাহার আলী চিকিৎসাকেন্দ্রগুলো দালালমুক্ত করার কথা বলেন। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক কোষাধ্য মোজাম্মেল হক চিকিৎসকদের অন্তর্কোন্দল দূর করে সেবক-চিকিৎসকদের পুরস্কৃত করার কথা বলেন। প্রাইভেট মেডিকেল প্র্যাকটিশনারস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক অশোক ভদ্র মেডিকেল শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন এবং সনদ প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করে তাঁদের ইথিকস সম্পর্কে ধারণা দেওয়া প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন। লাইজু চিকিৎসকদের নৈতিকতা শিক্ষার ওপর প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা বলেন। সেই সঙ্গে ভুল চিকিৎসা আস্থা কমায় বলে তা প্রচারণা বন্ধ করার পরামর্শ দেন, ভুল চিকিৎসা হয়েছে কি না, তা নির্ধারণ করার জন্য বোর্ড থাকা উচিত বলে মনে করেন। সাধারণ মানুষের চিকিৎসক সম্পর্কে ধারণা খুবই খারাপ বলে উল্লেখ করেন বিএমএর সভাপতি দেলোয়ার হোসেন। ওষুধ কোম্পানি প্যাথলজি চিকিৎকদের নষ্ট হওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত বলে উল্লেখ করেন।
চিকিৎসাসেবা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে সরকারের পদ্ধতিগত ত্রুটিও কম নয়। আমাদের চিকিৎসাপদ্ধতিতে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয় উপজেলা হাসপাতালে। উপজেলা হাসপাতালে জরুরি বিভাগের জন্য কোনো চিকিৎসক দেওয়া নেই। এ কারণে যে কয়েকজন চিকিৎসক আছেন, তাঁদের দিয়েই চলে জরুরি সেবার কাজও। উপজেলা হাসপাতালগুলো আগে ছিল ৩১ শয্যার। সেগুলোর অধিকাংশই এখন ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়েছে। চিকিৎসকের সংখ্যা নয়জনের স্থানে ২২ জন করার কথা থাকলেও সেই সংখ্যা নয়জনই আছে। জেলা শহরের সবচেয়ে নিকটবর্তী উপজেলা ছাড়া কোনো উপজেলায় পূর্ণসংখ্যক চিকিৎসক থাকেন না। কখনো কখনো আবাসিক চিকিৎসক এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ছাড়া মাত্র একজন মেডিকেল কর্মকর্তা দিয়েই চালানো হয়
একটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। পূর্ণসংখ্যক চিকিৎসক থাকলেও একেকজন মেডিকেল অফিসারকে দৈনিক গড়ে ১৪ থেকে ১৬ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করতে হয়। একজন চিকিৎসক নিয়মিত দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যখন আর কোনো কাজ করতে পারেন না, তখন তাঁরা ফাঁকির আশ্রয় নেন।
চিকিৎসক ছাড়া দেশের আর কোনো ক্যাডার নেই, যেখানে পদোন্নতির জন্য স্নাতক পাসের পর আরও কোনো ডিগ্রি প্রয়োজন হয়। অন্য সব পেশার জন্য কাজের চাপ কম, আবার পদোন্নতির জন্য কোনো ডিগ্রির প্রয়োজন হয় না। চিকিৎসকদের যেহেতু পদোন্নতির জন্য আরও ডিগ্রির প্রয়োজন আছে, তাই তাঁদের সেই ডিগ্রি অর্জনের জন্য কাজ ফাঁকি দিয়ে ডিগ্রি অর্জনের জন্য লেখাপড়া শুরু করেন। দেশে এখন পর্যন্ত তুলনামূলক মেধাবী শিক্ষার্থীরা চিকিৎসা বিষয়ে পড়তে যান। কিন্তু রাজনৈতিক ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে তাঁরা পদোন্নতি-বৈষম্যের শিকার হন। অথচ অন্য যেকোনো ক্যাডারের চেয়ে রাজনীতির প্রশ্নে চিকিৎসকেরা সবচেয়ে প্রকাশ্যে যুক্ত।
অনেকগুলো উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরি প্রসূতিসেবা পদ্ধতি সরকার চালু করলেও তা বাস্তবে অকার্যকর হয়ে আছে। প্রসূতি বিশেষজ্ঞ ও অবেদনবিদকে বেলা দুইটার পরও জরুরি সেবা দিতে হবে বলে তাঁরা প্রসূতিসেবার কোনো কাজই করেন না।
এ ছাড়া ইউনিয়ন পর্যায়ে অনেকগুলো উপস্বাস্থ্যকেন্দ্র খোলা হয়েছে। খুবই ভালো উদ্যোগ। কিন্তু ইউনিয়ন পর্যায়ে একজন চিকিৎসকের থাকার অবকাঠামোগত এবং নিরাপত্তাগত কোনো ব্যবস্থা নেই। তাই ইউনিয়ন পর্যায়ে কোনো চিকিৎসক থাকতে চান না।
অনেক সময় তাই চিকিৎসা কর্মকর্তা ইউনিয়ন পর্যায়ে পদায়ন করা থাকলেও উপজেলা হাসপাতালে তাঁদের সংযুক্তি হিসেবে কাজ করানো হয়। উপজেলা পর্যায়ে রাজনীতিকদের কিংবা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মিথ্যা মেডিকেল সার্টিফিকেটের এবং জোর করে রোগী ভর্তি করিয়ে রাখার জন্য চাপ থাকে।
জেলা পর্যায়ের হাসপাতালেও জরুরি বিভাগে কোনো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক থাকেন না। এমনকি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও জরুরি বিভাগে কোনো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক থাকেন না। দেশের সব চিকিৎসাকেন্দ্রে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে অন্তর্বিভাগ এবং জরুরি বিভাগেও ২৪ ঘণ্টা রাখার ব্যবস্থা করা অত্যন্ত জরুরি। নন–প্র্যাকটিসিং চিকিৎসকদের জন্য বিশেষ ভাতা থাকা জরুরি। তা না হলে ব্যাসিক বিষয়ে পড়ানোর জন্য এখন যে চিকিৎসক-সংকট রয়েছে, তা দূর হবে না।
হাসপাতালগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য সরকারের প্রয়োজনীয় অর্থ ও জনবল অপর্যাপ্ত। যে জনবল আছে, তাদের দিয়েও পরিষ্কার-পচ্ছিন্নতার কাজ ঠিকভাবে করানো সম্ভব হয় না, যার দায় বর্তায় চিকিৎসকদের ওপর। হাসপাতাল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য বেসরকারি সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া যেতে পারে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ও বারডেম হাসপাতালে এই পদ্ধতি চালু আছে। হাসপাতালগুলোয় রোগীদের অপেক্ষা করার মতো কোনো ব্যবস্থা না থাকার কারণে চিকিৎসা নিতে এসে তারা অপেক্ষা করতে চায় না। সে জন্য রোগীরা একটুতেই উত্তেজিত হয় এবং চিকিৎসাপদ্ধতি সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা পোষণ করে। হাসপাতালগুলোয় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ–ব্যবস্থা রাখা জরুরি।
বর্তমান চিকিৎসা-সংকট কাটাতে তাই চিকিৎসকদের যেমন নৈতিকতায় ফিরতে হবে, তেমনি সরকারি সীমাবদ্ধতা দূরীকরণে প্রয়োজনীয় উদ্যোগও জরুরি। তা না হলে রোগীবান্ধব চিকিৎসাপদ্ধতি প্রতিষ্ঠা করা যাবে না।
তুহিন ওয়াদুদ, শিক্ষক, বাংলা বিভাগ, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর
wadudtuhin@gmail.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দেশে দেশে উচ্চশিক্ষা নিয়ে প্রতারণা by আবদুল মান্নান

এখন এসবের ওপর বেশি জোর দেওয়া হয় না। বলে, ঘাটতি থাকলে তাতে সমস্যা নেই। যুক্তরাষ্ট্রে আসতে পারলে আমরাই তোমাদের ঘাটতি পুষিয়ে দেব। তবে ঢালতে হবে এক কাঁড়ি ডলার। গত শনিবার পত্রিকান্তরে যুক্তরাষ্ট্রের ৩৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে একটি এদেশীয় এজেন্ট বিজ্ঞাপন দিয়ে বলেছে, তারা এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোসহ যুক্তরাষ্ট্রের ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য সব ধরনের সহযোগিতা করবে। এগুলোর প্রায় সবই প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়।
যুক্তরাজ্যে ৬০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিষিদ্ধ করা হয়েছে সম্প্রতি, কারণ তারা ভর্তি-বাণিজ্য করছিল। এ দুটি দেশের উচ্চশিক্ষা সম্পর্কে আলোচনায় পরে আসছি। আগে নজর ফেরাই নিজের দেশের দিকে।
কয়েক দিন আগে একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন উপাচার্যের সঙ্গে কথা হচ্ছিল। নিয়োগ পেয়েছেন বেশি দিন হয়নি। জানতে চাই, কেমন চলছে তাঁর বিশ্ববিদ্যালয়। জবাবে বললেন, চেষ্টা করছেন, কিন্তু তেমন ভালোভাবে চালাতে পারছেন না। প্রথমে ছাত্রলীগ নামধারী মাস্তানরা নানা অজুহাতে প্রায়ই ক্যাম্পাস অচল করে দেয়। আগে তাদের সঙ্গে অন্য ছাত্রসংগঠনগুলোর সংঘাত হতো। বর্তমানে ক্যাম্পাসে বিরোধী ছাত্রসংগঠনগুলোর তেমন তৎপরতা নেই। ফলে ছাত্রলীগ নিজেরাই ভাগ হয়ে একে অন্যের প্রতিপক্ষ হয় আর হানাহানি করে।
উপাচার্য জানালেন, তাঁর এলাকায় নতুন উপদ্রব রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা। সাংসদ থেকে উপজেলা পরিষদের সদস্য—কেউ বাদ যাচ্ছেন না। সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকাণ্ডে নাক গলাতে চান। পদ না থাকলেও বলেন, তাঁর পছন্দ মাফিক লোকজনকে চাকরি দিতে হবে। না দিলে দেখে নেওয়ার হুমকি। সবাই মনে করেন, বিশ্ববিদ্যালয়টি যেহেতু তাঁর এলাকায় প্রতিষ্ঠিত, সেহেতু এটি তাঁর পৈতৃক সম্পত্তি। বুঝতে চান না যে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার জন্য একটি নিজস্ব আইন আছে। এটি মনে করিয়ে দিলে তাঁরা ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, ‘আমাকে আইন দেখাবেন না।’
উপাচার্যদের এমন অসহায় অবস্থা আগে কখনো দেখা যায়নি। কদিন আগে আমার আগের কর্মক্ষেত্র চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়েছিলাম চ্যান্সেলরের মনোনীত সদস্য হিসেবে বার্ষিক বাজেট অধিবেশনে অংশ নিতে। অস্বীকার করার উপায় নেই, এই বিশ্ববিদ্যালয় আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে ভালো চলছে। সেশনজট থেকে অনেকটা মুক্ত। প্রচুর উন্নয়নের কাজ হচ্ছে। মাঝেমধ্যে উল্লিখিত ওই ছাত্রসংগঠনের নিজেদের মধ্যে সৃষ্ট হানাহানির কারণে বিশ্ববিদ্যালয় অচল থাকে। একবার এ বিষয়ে লিখেছিলাম বলে আমি সেখানে অবাঞ্ছিত ঘোষিত হয়েছিলাম।
সিনেট অধিবেশনে একজন সদস্য জানতে চাইলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অফিস কেন ভারপ্রাপ্তদের দিয়ে চলছে? অবাক করার বিষয় হচ্ছে, এই বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় দুই দশকের বেশি সময় ধরে কোনো দপ্তরেই পূর্ণকালীন অফিসপ্রধান নেই। এই না থাকার কারণ, বিভিন্ন সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মকর্তা পর্যায়ে যেসব নিয়োগ হয়েছিল, তা সব সময় যোগ্যতার ভিত্তিতে হয়নি। শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রেও এই অনিয়ম অনেক সময় হয়েছে। কেন কোনো অফিসে পূর্ণকালীন অফিসপ্রধান নেই, তা নিশ্চয় সবাই অনুমান করতে পেরেছেন। ভারতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পাবলিক সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে অফিসপ্রধান নিয়োগের ব্যবস্থা আছে, বিশেষ করে রেজিস্ট্রার পদে। অনেক সময় প্রেষণেও আনা হয়। প্রয়োজনে বাংলাদেশেও এই ব্যবস্থা প্রবর্তনের চিন্তা করা যেতে পারে।
বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষার নজরদারি করার জন্য আছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আর বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন। দুটিরই কর্ণধার দুজন যোগ্য ও বিচক্ষণ ব্যক্তি। কিন্তু তাঁদের পক্ষে সব সময় উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাপনা প্রত্যাশা অনুযায়ী করা সম্ভব হয় না। শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের অনেকটা ব্যক্তিগত উদ্যোগে নতুন শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা হয়েছিল, যদিও তা বাস্তবায়নের গতি অত্যন্ত ধীর। এই প্রথমবার একটি শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা হলো, যাকে নিয়ে তেমন বিতর্ক ওঠেনি।
২০১০ সালে নতুন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন প্রণয়ন করা হয়েছিল। এটিও নিঃসন্দেহে ভালো উদ্যোগ৷ কিন্তু সেই আইনে অনেক অসংগতি আর অবাস্তব ধারা রয়ে গেছে, যা অনেকবার উল্লেখ করেছি। যেমন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে হলে এক একর অখণ্ড জমির বাধ্যবাধকতা। এমন অবাস্তব শর্ত বিশ্বের অন্য কোনো দেশে আছে বলে জানা নেই। হওয়া উচিত ছিল ছাত্র অনুপাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের জায়গার প্রাপ্যতা। ঢাকা শহরে একাধিক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আছে, যেখানে ১৫ থেকে ২০ হাজার ছাত্র ভর্তি আছেন। তাঁরা কোথায় বসে ক্লাস করেন, কারা পড়ান, তার খোঁজ কি শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন কখনো নেওয়ার চেষ্টা করেছে? প্রায়ই মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান এ কে আজাদ চৌধুরী বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থা দেখে অনেকটা আহাজারি করেন, কিন্তু কাজ হয় না। সম্প্রতি কমিশন ১০টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে শনাক্ত করে বলেছে, এগুলো অবৈধভাবে তাদের কার্যক্রম চালু রেখেছে। এরপর কিন্তু মঞ্জুরি কমিশনের আর কিছু করার থাকে না কারণ তাদের নানা সীমাবদ্ধতা আছে। আর যেসব বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে এই কথাগুলো বলা হচ্ছে, দেখা যাবে সেগুলোর সঙ্গে অনেক ক্ষমতাধর ব্যক্তি জড়িত আছেন।
অথচ এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে হাজার হাজার ছাত্রছাত্রী নিয়মিত প্রতারিত হচ্ছেন। ভর্তি-বাণিজ্য কথাটি বহুল প্রচলিত। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অথবা কলেজে ছাত্রনেতারা এই বাণিজ্য করেন।কিন্তু কজনে জানেন, কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে এই বাণিজ্যের সঙ্গে বোর্ড অব ট্রাস্টিজের বেশ কিছু সদস্যও জড়িত আছেন? শিক্ষক পদেও নিয়োগের বাছাইপর্বে বোর্ড সদস্যদের কোনো ভূমিকা থাকা উচিত নয়। কিন্তু কিছু হাইপ্রোফাইল বিশ্ববিদ্যালয় আছে, যেগুলোয় বোর্ড সদস্য যাকে নিয়োগ দিতে বলেন, তার বাইরে যাওয়ার ক্ষমতা উপাচার্য বা নির্বাচনী বোর্ডের নেই।এখানেও বাণিজ্য হয় বলে অভিযোগ আছে।
মঞ্জুরি কমিশন বলছে, তারা অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিল করবে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পড়ালেখার মান পরিমাপ করার জন্য। ভালো উদ্যোগ নিঃসন্দেহে, কিন্তু সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কেন বাদ যাবে? অনেক সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো কোনো বিভাগ আছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থার চেয়ে খারাপ। অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিল হলে তা সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হওয়া উচিত। আর বর্তমান অবস্থায় মঞ্জুরি কমিশন এই কাজটুকু কতটা সাফল্যের সঙ্গে করতে পারবে, তা নিয়ে আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে। কমিশনকে উচ্চশিক্ষা কমিশনে রূপান্তর করার দাবি বহু পুরোনো। সম্ভবত ২০০৭ সালেই আমি প্রথমবার এ বিষয়ে লিখেছিলাম। এ পর্যন্ত কাজ হয়নি কিছু। তবে যেসব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় উচ্চশিক্ষার নামে সরাক্ষণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণা করছে, তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নিতে হবে। আর যারা ভালো করার চেষ্টা করছে, তাদের উৎসাহিত করতে হবে। মনে রাখা ভালো, বর্তমানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫৫ শতাংশ শিক্ষার্থী ভর্তি আছেন। আর সরকার বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বাংলাদেশে চরম বৈষম্যমূলক শর্তে যে স্টাডি সেন্টার খোলার অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা পুনরায় ভেবে দেখতে বলব। এটি হতে পারে একটি আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত।
যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে আলোচনা শুরু করেছিলাম। উচ্চশিক্ষা নিয়ে সেই দেশে যে বাণিজ্য হয়, তা অন্য কোনো দেশে চিন্তাও করা যায় না। পাঁচ থেকে সাত হাজার ডলার খরচ করলে দেশের একটি অদৃশ্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যে কেউ পিএচডি ডিগ্রি পর্যন্ত পেয়ে যেতে পারেন। বাংলাদেশে এমন পিএইচডি শ খানেক তো আছে। এসব বিশ্ববিদ্যালয়কে সে দেশে বলা হয় ‘ব্রিফকেস বিশ্ববিদ্যালয়’। সে দেশের সমস্যা হচ্ছে, তাদের ভ্রান্ত ভিসানীতির ফলে সে দেশে বি দেশি ছাত্রের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়া। আর তাদের দেশের ছেলেমেয়েদের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের প্রবণতা বর্তমানে তেমন নেই।
যুক্তরাজ্যে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষা নিতে হলে আগের চেয়ে তিন গুণ অর্থ খরচ করতে হয়। সে দেশের ছাত্রছাত্রীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে তেমন আসছেন না। তাঁদের ভর করতে হচ্ছে বাংলাদেশের মতো গরিব দেশের ছাত্রছাত্রীদের ওপর। সেই সুযোগে প্রতারণা করার উদ্দেশ্যে উচ্চশিক্ষার নামে সেখানে গড়ে উঠেছে অনেক কলেজ আর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। প্রতারিত হচ্ছেন লাখ লাখ টাকা খরচ করে যাওয়া এ দেশের মতো অনেক দেশের ছাত্রছাত্রীরা। তাঁদেরটা তাঁরা দেখবেন। এখন সময় আমাদের নিজেদেরটার দিকে নজর দেওয়ার। এই নজর কে বা কারা দেবেন, তা দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। তা না হলে এ ক্ষেত্রে নৈরাজ্য চলতেই থাকবে।
লেখক: সাবেক উপাচার্য, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1330)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
-
▼
2014
(9799)
-
▼
July
(592)
-
▼
Jul 01
(39)
- তখন ম্যারাডোনা ছিল, এখন মেসি!
- চটকদার আয়োজন দাম আকাশছোঁয়া
- অপেক্ষায় সোহানা সাবা
- জামায়াতের সঙ্গে আদর্শগত কোনো মিল নেই: খালেদা জিয়া
- প্লেবয় যুদ্ধে নেইমার
- শুভেচ্ছা, নাকি চাণক্যের কৌটিল্যশাস্ত্র? by ড. মাহব...
- সিলেটে পুলিশ-অপরাধী সখ্য- দুই মাসে ৩৫ ছিনতাই by ওয়...
- বাংলাদেশী অনুপ্রবেশ না থামালে আসাম হবে বসনিয়া-কাশ্...
- বিশ্বকাপের প্রলোভনে প্রায় ২ কোটি পাউন্ড বৃথা বিনিয়োগ
- প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার উদ্দেশে তসলিমা নাসরিন
- স্ত্রীর দাবি, ১০ লাখ টাকা নিয়ে জাবেদকে হত্যা করেছে...
- তাপস পালের ধর্ষণের হুমকি, পশ্চিমবঙ্গে আলোড়ন
- ‘কালো টাকা নিয়ে ভুল রিপোর্ট হচ্ছে, অল আর রাবিশ’
- রয়টার্সের চোখে- ২০২৫ সালের পৃথিবী
- ভারতের প্রতিরক্ষা খাত ‘দখল’–এর লড়াইয়ে পশ্চিমারা
- বাশারের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এল ইরাকে জঙ্গি উত্থান!
- অঢেল সম্পদ, ঘরে নেই বউ
- প্রভার মধুর সংসারে আগুন জ্বলছে- সন্তান হবে না
- ক্ষতিকর ফরমালিন অপব্যবহারে শাস্তি যাবজ্জীবন- মন্ত্...
- ইরাকে ইসলামিক স্টেট অব ইরাক অ্যান্ড দি লেভান্ট'র ‘...
- ভুল ও ক্ষতিকর বার্তা পৌঁছে দেবে- স্বাস্থ্যমন্ত্রী...
- দুদকের তদন্তের ফের তদন্ত হোক- অভিনব অভিযোগপত্র
- কালোটাকা সাদা করা- কর ফাঁকি ও অর্থ পাচারই উৎসাহিত...
- দায় চিকিৎসকের, চিকিৎসাপদ্ধতিরও by তুহিন ওয়াদুদ
- দেশে দেশে উচ্চশিক্ষা নিয়ে প্রতারণা by আবদুল মান্নান
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ১০০ বছর- গাভ্রিলো প্রিন্সিপ: ন...
- গণতন্ত্র, রাজনীতি ও বিরাজনীতি by সৈয়দ আবুল মকসুদ
- সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধে ফিরছে বাতিল আইন! by শরিফুজ্...
- টাকা দিলে মেলে সনদ, পদে পদে লেনদেন- বেসরকারি বিশ্ব...
- শুধু বক্তব্য প্রত্যাহার যথেষ্ট নয় by কাজল ঘোষ
- দুর্নীতি ও রাজনীতি :: জিম্মি জনগণ? by ইফতেখারুজ্জামান
- জাতীয় ঐক্যচেতনার দৃঢ় ভিত্তি কোথায়? by ড. মাহফুজ পা...
- পাঠ্যবইয়ে বন্দি ‘নীতি’ by আলী ইদরিস
- কথার যুদ্ধ by শামীমুল হক
- ঢাকায় সুষমা স্বরাজের দু’টি কাজ by সি. রাজা মোহন
- মগজ হবে খোলতাই স্বাস্থ্যকর চর্বি চাই by অধ্যাপক শু...
- স্বাগত সুষমা স্বরাজ by সাযযাদ কাদির
- বিপর্যয় এবং বিপর্যয় by ড. মাহফুজ পারভেজ
- সরদার স্যারের শিক্ষা by কাজল ঘোষ
-
▼
Jul 01
(39)
-
▼
July
(592)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...


