Saturday, April 14, 2018
কক্সবাজারে তানিয়াকে পুরুষের হাতে তুলে দেন রোকেয়া by ওয়েছ খছরু

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আজ খুলছে উত্তর সিলেটের সম্ভাবনার নতুন দুয়ার by মিনহাজ উদ্দিন

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিলেটে ডাক্তারের অবহেলায় দুই প্রসূতির মৃত্যু, উত্তেজনা

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সেই ‘হালখাতা’ আর নেই

ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও চলছে হালখাতা উৎসব। পুরনো হিসেব চুকিয়ে নতুন হিসেব খোলা মানেই হালখাতা। পুরনো পাওনা আদায় খুশির ব্যাপারই তো বটে। এ নিয়ে চলে মিষ্টিমুখও।
চট্টগ্রামের বাণিজ্যকেন্দ্র খ্যাত চাক্তাই-খাতুনগঞ্জে হাজার বছর ধরে এ ঐতিহ্য চলে আসলেও বর্তমানে সে আনন্দ আর নেই। ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে হালখাতার জৌলুস।
এমন কথাই জানিয়েছেন দুই বাণিজ্য কেন্দ্রের ব্যবসায়ীদের অনেকেই।
খাতুনগঞ্জ ট্রেড এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ছগীর আহম্মদ বলেন, নতুন বছরের শুরুতে পুরনো পাওনা আদায় হলেও এখন আর হালখাতা উৎসব হয় না। তথ্য-প্রযুক্তির এ যুগে ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রে আদায় হচ্ছে পুরনো লেনদেন। তবে এ ঐতিহ্য এখনো ধরে রাখার চেষ্টা করছেন কিছু ব্যবসায়ী।
তিনি বলেন, ১৫-১৬ বছর আগেও চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীরা হালখাতা করতেন বাংলা নববর্ষে। পুরনো রীতিতে নতুন বছরে নতুন খাতায় হিসাব খোলেন তারা। যথাসম্ভব আদায় করে নেন পাওনা টাকা। দোকান সাজাতেন বর্ণিল সাজে। পাওনাদার এলেও হাসিমুখে তুলে দিতেন মিষ্টি। এদিন তারা বেচাকেনা ভুলে মেতে উঠতেন নানা আনন্দ-উৎসবে।
তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রামের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র চাক্তাই, খাতুনগঞ্জ ও আছাদগঞ্জে তিন হাজার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয় প্রায় ১৫০০ থেকে ১৭০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে মৌখিক চুক্তির ভিত্তিতে ৮০ শতাংশ লেনদেনই হয় বাকিতে। কিন্তু তারপরও বর্তমানে সেই ঐতিহ্য এখন তেমন চোখে পড়ে না। সীমিত পরিসরে কিছু প্রতিষ্ঠান হালখাতা করে থাকে।
সৈয়দ ছগির আহমেদ বলেন, ‘গুটিকয়েক হিন্দু ব্যবসায়ীরা লাল কাপড়ে বাঁধানো খাতায় এখনো হালখাতার রেওয়াজ ধরে রেখেছেন। তবে কয়েক বছর আগেও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে যেভাবে জাঁকজমকভাবে হালখাতার অনুষ্ঠান হতো তা এখন আর নেই।
এ প্রসঙ্গে কাঁচামাল আড়ৎদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. ইদ্রিস বলেন, এক সময় খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীরা পহেলা বৈশাখে হালখাতা খোলার উৎসব জমজমাট করে পালন করতেন। ব্যবসা-বাণিজ্য মন্দায় এখন এ ঐতিহ্য প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছে।
খাতুনগঞ্জের মেসার্স সততা বাণিজ্যালয়ের স্বত্বাধিকারী রতন রায় বলেন, নতুন বছরটা ভালোভাবে যাবে এমন আশা নিয়ে ব্যবসায়ীরা হালখাতা খোলেন। তবে একসময় বৈশাখের প্রথম দিনটি খাতুনগঞ্জে উৎসবের সঙ্গে পালন করতেন ব্যবসায়ীরা। তবে একের পর এক চেক প্রতারণা, বিশ্বাস ভঙ্গ ও অর্থনৈতিক মন্দাভাবের কারণে এখন আর হালখাতা সেভাবে উদযাপন করা হয় না।
অন্যদিকে প্রযুক্তির ছোঁয়ায় এখন ব্যবসায়িক কাজের বেশির ভাগই সম্পন্ন হচ্ছে কম্পিউটারের মাধ্যমে। টাকা-পয়সার লেনদেনও হচ্ছে ব্যাংকিং চ্যানেলে। এছাড়া দেনা-পাওনার হিসাবও হচ্ছে নির্দিষ্ট সময়ে। দেশে অর্থবছরের হিসাবের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ব্যবসায়ীরাও এখন হিসাব বর্ষ শেষ করেন জুন অথবা ডিসেম্বর। তবে খাতুনগঞ্জের কিছু ব্যবসায়ীরা এখনো বংশপরমপরায় চেষ্টা করছেন হালখাতা উৎসব ধরে রাখতে।
নগরীর চাক্তায়ের শত বছরের পুরনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বাবা লোকনাথ ট্রেডার্সের মালিক হরিপদ দাশ (৭৬) জানান, হিসাব হালনাগাদ করা থেকেই হালখাতা শব্দের উদ্ভব। ভারতবর্ষে মোগল সাম্রাজ্যের তৃতীয় সম্রাট জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ আকবরের শাসনামল থেকে নতুন বছরের শুরুতে হালখাতার প্রচলন শুরু হয়। আর আমাদের দেশে বাংলা সালের প্রথম দিনে আনুষ্ঠানিকভাবে দোকানপাটের হিসাব হালনাগাদ করার প্রক্রিয়াই ব্যবসায়ীদের কাছে পরিচিত হালখাতা হিসেবে।
বছরের প্রথম দিনে দেশের গ্রামাঞ্চলসহ বিভিন্ন স্থানের পাইকারি বাজার ও আড়তে আগের বছরের হিসাব-নিকাশের ফয়সালা করেন ব্যবসায়ীরা। একই সঙ্গে নববর্ষের দিন থেকে নতুন খাতায় লেনদেনের তথ্য টুকে রাখতে শুরু করেন। তবে ঐতিহ্যবাহী এ প্রথার জৌলুস এখন আর আগের মতো নেই।
ঢাকাসহ দেশের বড় নগরী ও শহরগুলোর পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলের হাট-বাজারগুলোতে আগের মতো হালখাতা নিয়ে মাতামাতি হয় না। দোকান বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত ক্রেতাদের মিষ্টিমুখ করাতে আলাদা আয়োজনের দৃশ্য চোখে পড়ে না। কিন্তু সেই পুরনো জৌলুস এখন আর নেই। দিনে দিনে বাংলার ঐতিহ্যবাহী এ প্রথার প্রচলন কমে যাচ্ছে।
ক্রেতাদেরও পরিবারের কনিষ্ঠ সদস্যদের নিয়ে দোকানে দোকানে গিয়ে লেনদেনের হিসাব চুকিয়ে দিতে দেখা যায় না। তবুও পুরান ঢাকা ও চট্টগ্রামের পাইকারি বাজার এবং আড়তের কিছু দোকানে সীমিত পরিসরে হলেও অনেকে ধরে রেখেছেন এ রীতি।
তিনি বলেন, দেনা-পাওনার হিসাব সমন্বয় করে নববর্ষে হিসাবের নতুন খাতা এখনো খোলা হয় আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে। দেনাদার ও পাওনাদারদের মুখরোচক মিষ্টি ও ঠাণ্ডাপানীয় দিয়ে আপ্যায়ন করে পাওনা শোধ করার কথা বিনীতভাবে মনে করিয়ে দেয়া হয় এ দিনে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিঃ উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘ

এদিকে, এই মাসের শেষের দিকে একটি তথ্য অনুসন্ধানী অভিযানের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সফর করবেন জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যরা। ২৬শে এপ্রিল থেকে ২রা মে পর্যন্ত এই সফর করবেন তারা। এ সময় রোহিঙ্গা সংকট গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন তারা। এ বিষয়ে ডুজাররিক বলেন, এটি আন্তর্জাতিক মহলের মনোযোগ পুনরায় বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের দুর্দশা ও এই মানবিক অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য প্রতিনিয়ত প্রয়োজনীয় তহবিলের দিকে ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঢাবিতে হলে হলে আতঙ্ক, ইশার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার by ফররুখ মাহমুদ ও মুনির হোসাইন

ইশার ছাত্রত্ব ফিরিয়ে দেয়ার বিষয়ে ওই টেলিভিশন চ্যানেলকে ভিসি বলেন, ‘শুধু ছাত্রত্ব ফিরে পাবে না, বরং সম্মানিত হবে এবং সেটি উচিত হবে। বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও সেটি হবে। কারণ আমরা তো কোনো শিক্ষার্থীর প্রতি অবিচার করতে পারি না। ওই মেয়েটির কাছ থেকে আমরা যেটি শুনেছি যে ওই মেয়ে একটি দরজায় পা দিয়ে আঘাত হানার কারণে তার পা কেটে গেছে।’ এদিকে ইশাকে ছাত্রত্ব ফিরে দেয়ার বিষয়ে ভিসির দেয়া বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. একেএম গোলাম রব্বানী বলেন, ‘এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত আমি জানি না। ছাত্রত্ব ফিরে দেয়ার বিষয়ে কেউ আমার সঙ্গে আলোচনাও করেনি। আমি জানিও না। তবে ভিসি স্যার যদি বলে থাকেন, তাহলে তো তিনি তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কথা বলবেন।’
এদিকে ইশার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারে ছাত্রলীগের দেয়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সংগঠটির চার সদস্যের তদন্ত কমিটির রিপোর্টে নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন ইশা। তাই তাকে স্বপদে বহাল করা হলো। এর আগে গত বৃহস্পতিবার দুপুরে কোটা সংস্কার আন্দোলন স্থগিত ঘোষণা করার পর থেকেই ছাত্রলীগের একটি অংশ ইশাকে নির্দোষ প্রমাণে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্ট্যাটাস দেন। যাদের অনেকে ওইদিনের সংঘটিত ঘটনার পর ইশার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন। ইশার বাসায় গিয়ে তাকে ফুলের মালা পরিয়েছেন সাবেক ও বর্তমান ছাত্রলীগের নেতা-নেত্রীরা। অন্যদিকে ইশা হলে ফিরছেন এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে রাতেই হল ছেড়েছেন সুফিয়া কামাল হলের প্রায় দেড় ডজন ছাত্রী। আতঙ্ক বিরাজ করছে হলটির সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে। যারা কোটা সংস্কার আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন। হলটির একাধিক ছাত্রী জানান, ইশা হলটির নেতৃত্বে আসার পর থেকে সাধারণ ছাত্রীদের ওপর নানা ধরনের নির্যাতন করে থাকেন। বিভিন্ন সময় মারধরও করা হয়েছে অনেককে। কোটা সংস্কার আন্দোলনে যারা সক্রিয় তাদের নানা ধরনের হুমকি দিয়েছেন তিনি। কিন্তু এত দিন কেউ ভয়ে মুখ খুলেননি। সর্বশেষ গত সোমবারের ঘটনার পর অনেকে ইশার নানা ধরনের অনিয়মের বিষয়ে মুখ খুলেছেন, তাই এখন ইশা হলে ফিরলে আগের চেয়েও বেশি নির্যাতন শুরু হবে সাধারণ ছাত্রীদের ওপর। তাই আমরা হলে এখন অনিরাপদ বোধ করছি। গতকাল সন্ধ্যায় হল ছাড়ার সময় এক ছাত্রী বলেন, ‘হলের সভাপতি হলে আসছেন শুনে আমরা হল ছাড়ছি। তিনি আমাদের মারধর করেন। সেদিন এক ছাত্রীর পা কেটে দেয়ায় আমরা তার প্রতিবাদ করি। তিনি হলে আসলে আমরা আবারো নির্যাতিত হবো। তাই চলে যাচ্ছি।’ অন্য এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘তিনি আমাকে মারধর করেছেন। গেস্টরুমে নির্যাতন করতেন। তিনি হলে আসলে আবারো এই কাজ করবেন বলে আমি হল ছাড়ছি।’ তবে হলটির প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সাবিতা রেজওয়ানা রহমান বলেন, ‘সে বহিষ্কৃত। তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত হলে উঠতে পারবে না। আর যেসব মেয়েরা হল ছাড়ছে তাদের বিষয়ে আমি অবগত নই।’
এদিকে গত বৃহস্পতিবার রাতে হলটির প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক সাবিতা রেজওয়ানা রহমান হলের ছাত্রীদের নিয়ে এক সাধারণ সভার আয়োজন করেন। যেখানে শিক্ষার্থীরা ইশার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ উত্থাপন করে। সাধারণ সভায় হলটির এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘ম্যাম আমরা সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক হল চাই। সেখানে কেন সিট বাণিজ্য থাকবে? কেন পলিটিক্যাল ফ্লোর এবং নন পলিটিক্যাল ফ্লোর থাকবে। আমরা এখানে সিটের আশায় উঠেছি, রাজনীতি করার জন্য উঠি নাই। একজন পদত্যাগ করেছে। আরো একজন হলে আছে। তারা আমাদের সমস্যা করবে। আমাদের দায়ভার কে নেবে।’ আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমরা রাজনীতি মুক্ত হল চাই। মেয়েরা যেটার জন্য এত ভয় পায় সেটা হলো নোংরা সিট পলিটিক্স। যার হুমকি দিয়ে মেয়েদের নির্যাতন করা হয়। পলিটিক্যাল মেয়েদের দায়িত্বও প্রশাসন নিক। অন্য কেউ অভিভাবক নয়।’
এদিকে কোটা সংস্কার আন্দোলনে সক্রিয় থাকা অন্যান্য হলের ছাত্রছাত্রীদেরও নানা ধরনের হুমকি দিচ্ছে ছাত্রলীগ- এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিরোধী দলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে দাবি করা হচ্ছে কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খানসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। ফেসবুকে ছড়ানো হচ্ছে বিভিন্ন ‘অপপ্রচার’। ইতিমধ্যে হল ছেড়েছে অনেকে। গতকাল দুপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অপপ্রচার চালানোর প্রতিবাদ ও হয়রানি অভিযোগ করে আন্দোলনকারীদের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খান কোটা সংস্কার আন্দোলনের ফেসবুক গ্রুপ থেকে লাইভে বক্তব্য রাখেন। এসময় রাশেদ তার বক্তব্যে নিজের ও আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ভাইয়েরা আমাকে এখন বিরোধী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ও ভিসি স্যারের বাসায় হামলা করেছি বলে অভিযুক্ত করা হচ্ছে। আমি বলতে চাই, আমি এসবের কিছুর সঙ্গে সম্পৃক্ত নই। যদি সম্পৃক্ত থাকতাম তাহলে গত দুই মাস যাবৎ গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরা আমার পরিবার ও বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব খোঁজাখুঁজি করেও কিছু পায়নি কেন? আপনারা কী গোয়েন্দা সংস্থা থেকেও বেশি এক্সপার্ট ও আইটি বিশেষজ্ঞ হয়ে গেছেন? এসময় রাশেদ বলেন, যারা এখন অপপ্রচার চালাচ্ছেন, তারা চাচ্ছেন জননেত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তকে বানচাল করতে। আমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শে সত্যের পক্ষে ছিলাম। এখনো আছি। আর আমাদের কেন্দ্রীয় কমিটি ও আন্দোলনকারীদের ওপর যদি কোনো ধরনের হয়রানি না হয় সে বিষয়ে সবাই সজাগ থাকবেন। রাশেদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের প্রতিক্রিয়ায় আরেক যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক হাসান ওই গ্রুপে লেখেন, ‘আমরা কেন্দ্রীয় কমিটি এক আছি। আমাদের ওপর ভরসা রাখুন। যে কোনো অন্যায়ের দাঁত ভাঙা জবাব দেয়া হবে।’ আর যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক নুর বলেন, ‘নতুন নাটক তৈরি করে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বোকা বানাতে চেষ্টা করবেন না। শিক্ষার্থীরা আবার রাজপথে নামলে কিন্তু পালাবার পথ পাবেন না।’
এদিকে আন্দোলকারীদের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতারা গত বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সেখানে তারা ভিসির বাসভবনে হামলার সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি চেয়েছেন। দাবি করেছেন হলে যেন আন্দোলনে অংশ নেয়া শিক্ষার্থীরা নিরাপদে থাকতে পারে। কাউকে যেন হয়রানি না করা হয়। ভিসি তখন তাদের কোনো সংগঠন কর্তৃক কাউকে হয়রানি যেন না করা হয় সে বিষয়ে প্রশাসনের সজাগ থাকার বিষয়ে আশ্বস্ত করেন। এছাড়াও আন্দোলনকারীরা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকেও অবহিত করেছেন যেন কাউকে সারা দেশের আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের কোনো ধরনের হয়রানি না করা হয়। মন্ত্রীও তাদের আশ্বস্ত করেছেন বলে জানিয়েছেন যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক হাসান। জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সারা দেশে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের যেন কোনো ধরনের হয়রানি না করা হয়, সে বিষয়ে আমরা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও আমাদের ভিসি স্যারের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা আমাদের আশ্বস্ত করেছেন যে কাউকে কোনো ধরনের হয়রানি করা হবে না।’ তিনি বলেন, ‘এরপরও যদি কাউকে হয়রানি করা হয়, তাহলে আমরা কেন্দ্রীয় কমিটি ব্যবস্থা নিবো।’ অন্যদিক ছাত্রলীগ নেত্রীর ইশার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের বিষয়ে ফারুক হাসান বলেন, ‘এ বিষয়টি আমরা পর্যবেক্ষণ করছি। এই ইস্যুতে এখনো আমাদের কেন্দ্রীয় কমিটির কোনো বক্তব্য নেই। যদি কোনো ধরনের সিদ্ধান্ত থাকে তাহলে গণমাধ্যমকে জানানো হবে।’
সে রাতে ঢাবির ছাত্রী হলে যা ঘটেছে
রাত সাড়ে ৯টায় হলে আসি। এ সময় অনেকে সর্তক করছিল, তোমাদের ওপর হামলা হতে পারে। যারা আন্দোলনে গেছো তাদের ওপর গোপন হামলা হতে পারে। সবাই সাবধানে থেকো। পরে ফ্রেশ হয়ে খাওয়া-দাওয়া করে দরজা আটকে শুয়ে পড়েছি। হঠাৎ করে শুনি চিৎকার। অনেক জোরে চিৎকার। একটা আপু দরজা ধাক্কা দিয়ে বললো হলের নিচে নামো। কাউকে মারছে মনে হয়। আমরা দৌড়ে নিচে নামলাম। পরে কয়েকজন ইশার রুমের সামনে গেলাম। সেখান থেকেই চিৎকার এসেছিল। রুমের সামনে গিয়ে দেখি কয়েকটা পলিটিক্যাল মেয়ে দাঁড়ানো। তারা নিজেদের মধ্যে ফান করছে। আমরা তাদের জিজ্ঞেস করলাম এত জোরে চিৎকার করলো কে? তখন তারা বললো গায়ের ওপর একটা পোকা পড়েছিল তাই চিৎকার দিচ্ছে। এ কথা শুনে আমরা চলে আসছিলাম। পরে বড় আপুরা বলতেছে, পোকার কারণে এত জোরে চিৎকার করবে কেন? এসময় আমরা ইশার রুম থেকে সিঁড়ি পর্যন্ত রক্তের ছোপ ছোপ দাগ দেখি। কয়েকজন বললো বেসিনেও দাগ দেখেছে তারা। এরপর মেয়েরা একত্রিত হয়ে ইশার রুমের সামনে যায় এবং দরজা খোলার জন্য বলে। একপর্যায়ে ইশা দরজা খুলে। একসঙ্গে এত মেয়েকে দেখে সে ভয় পেয়ে যায়। কান্না করে দেয়। তাকে মারধর যাতে না করে সেজন্য অনুরোধ করতে থাকে। মেয়েরা জানতে পারে ৫-৬ জনকে মারধর করেছে ইশা। এর মধ্যে দুজনের পা কেটে যায়। ছাত্রীরা ইশাকে নিচে নামিয়ে আনতে চাইলে সে দৌঁড় দেয়। একপর্যায় উত্তেজিত হয়ে কিছু মেয়ে তার গায়ে হাত তুলে। মারধর করে। নিচে নামিয়ে আনে। খবর পেয়ে প্রক্টর ও হল কর্তৃপক্ষ আসে। তাদের সামনে ইশা নিজের দোষ স্বীকার করে। সবার কাছে ক্ষমা চায়। কিন্তু মেয়েরা তাকে গ্রেপ্তার ও বহিষ্কারের দাবি জানায়। জুতোর মালা পরিয়ে দেয়। টেলিভিশনে দেখি তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে তারপর রুমে চলে আসি। গত ১০ই এপ্রিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি সুফিয়া কামাল হলে সংঘটিত ঘটনার বর্ণনা দিচ্ছিলেন একজন প্রত্যক্ষদর্শী। বর্ণনারত ওই ছাত্রী বলেন, হলের মেয়েরা ইশার ওপর আগে থেকেই ক্ষুব্ধ ছিল। কারণ, ইশা মেয়েদের নানাভাবে কষ্ট দিতো। তাদের সঙ্গে খুব খারাপ ব্যবহার করতো। আগে থেকেই মেয়েরা তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ ছিল। কিছু হলেই মেয়েদের মারধর করতো। হুমকি দিতো।
ওই রাতে হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ইফফাত জাহান ইশা কোটা সংস্কার আন্দোলনে অংশ নেয়ায় বেশ কয়েকজন ছাত্রীকে মারধর করে। এদের মধ্যে একজন ছাত্রীর পায়ের গোড়ালির ওপরের অংশ কেটে যায়। খবরটি জানাজানি হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সুফিয়া কামাল হলের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করে। মেয়েরা হলের ভেতরে অবস্থান করে। ছাত্রীরা দাবি জানায়, ইশাকে হল, ছাত্রলীগ ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করতে হবে। তাৎক্ষণিকভাবে বহিষ্কারও করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান ও প্রক্টর অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ইশাকে বহিষ্কার করেন। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরাও এই বহিষ্কারাদেশকে স্বাগত জানিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়। পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোটা পদ্ধতি বাতিলের ঘোষণা দেন। এরপর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরাই আবার ইশার বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহারের জন্য আন্দোলনে নামেন। গতকাল রাজু ভাস্কর্যে মানববন্ধন করেন। আগের দিন ছাত্রলীগের সাবেক নেতারা বিবৃতিতে দেন এবং রাতে ইশাকে ফুলের মালা পরিয়ে দেন। ছাত্রলীগ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তাদের প্রতিবেদনে ইশা সম্পূর্ণভাবে নির্দোষ প্রমাণিত হয়। যার ওপর ভিত্তি করে ইশার বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার করে ছাত্রলীগ। এদিকে ওই দিন রাতে ইশার রুমের ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি অডিও ছড়িয়ে পড়ে। অডিওতে আন্দোলনে যাওয়া মেয়েদের সঙ্গে ইশার কথোপকথন শোনা যায়। সেখানে ইশা মেয়েদের উদ্দেশ্য করে বলছেন, “এত কুরকুরানি না। যারা যারা প্রোগ্রামে গেছে কাল এবং আজ তারা ছাড়া সবাই চলে যা। অথবা পেছন থেকে সামনে আয়। এক মেয়েকে ইঙ্গিত করে ইশা বলেন, এই তুই সামনে আয়। মোবাইল দে। আমি কি বলছি। নাটক... (প্রকাশের অযোগ্য)। হুম। ওরা কি খুব সংস্কার করে দিছে। হলের মধ্যে তোমার ভাইয়েরা এসে ঠেকাবে না। বুজছো। ওই পাওয়ারগিরি দেখাতে আসবা না। পিছনে কে আছে দেখা যাচ্ছে না, সর। আরেক মেয়েকে বলে, তুইও গেছিলি। আমি তোকে নিজে নিষেধ করছিলাম। পাশের জনকে উদ্দেশ্য করে ইশা বলেন, জিজ্ঞেস কর। আমি নিজে নিষেধ করেছি। কেন গেছিলি? আমি নিষেধ করার পরও কেন গেছিলি? মুন আপু (খালেদা হোসাইন মুন, ওই হলের ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি) তোকে গালি দিসিলো না। বেয়াদব বলেছিল না। তুই আসলেই একটা বেয়াদব। সোজা হয়ে দাঁড়া। তোদের চেহারাগুলো দেখি। তোদের মধ্যে গডফাদার পল? এই তুই, তুই। তুই তো যাবি। তুই তো হাড়েহাড়ে শয়তান। মিনমিনে শয়তান। চেহারাটা দেখ কি সুন্দর করে রাখে। মনে হয় পৃথিবীর একটা ইনোসেন্ট। আর ভিতরে ভিতরে এত রস। তুই গণরুমে চলে যাবি। রুমে থাকতে পারবি না। সব গোছাইছিস। গোছাইসনি কেন? আমি এখন চারটা মেয়ে পাঠাবো। তোরা গণরুমে চলে যাবি। তিনজনের জন্য এই শাস্তি। তোরা সবাইরে নিয়ে গেছিলি। তোদের পদে পদে কঠিন শাস্তি দিতে হবে। আন্দোলনে যাওয়ার আগে আমার সঙ্গে কথা বলিসনি কেন? এখন থেকে হলে থাকতে হলে প্রতিদিন আমার সঙ্গে কথা বলবি। তুই, তুই আর তুই। এই তিনজন। আর কেউ না। এক মেয়েকে ইঙ্গিত করে ইশা আরো বলেন, এই তুই তোর আব্বুকে কল দে। মেয়েটি দিতে অস্বীকৃতি জানালে ইশা বলে না হলে আমি কল দিবো। তখন অনেক খারাপ হবে। তুই কল দে। আমি যেটা বলি সেটা করেই ছাড়ি। হলের গেট ভেঙে তোরা আন্দোলনে যাস। এটা তোর আব্বুকে বলে দিবো। তখন তোর পরিবারের সবাই বিষয়টি জানবে। কাল থেকে কেউ আমাকে না বলে কোথাও বের হবি না।’ এদিকে ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কারাদাশে প্রত্যাহার করায় হলে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। ১২ই এপ্রিল রাতেই হল থেকে ১৫/২০ জন ছাত্রী বাড়ি চলে যায়। হলে অবস্থানরতদের মধ্যেও আতঙ্ক বিরাজ করছে। এদিকে ইশার ওপর থেকে বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার করবে বলে ঘোষণা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ভিসি ড. আখতারুজ্জামান বলেন, শুধু ছাত্রত্ব ফিরে পাবে না। বরং সম্মানিত হবে। সেটি উচিত হবে। কারণ, আমরা তো কোনো শিক্ষার্থীর প্রতি অবিচার করতে পারি না। যদিও ঘটনার দিন রাতেই ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছিলেন তিনি। ওই দিন তিনি বলেন, তাকে শারীরিকভাবে আহত করেছে। এটা জানার পর আমি দুই দিক থেকে ভেরিফাই করলাম। প্রক্টর এবং হল প্রশাসন বললো। তখন আমি সিদ্ধান্ত নিলাম যেহেতু ওই মেয়ে আরেকজনকে আঘাত করেছে তাই তাকে বহিষ্কার করলাম।”
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এ কেমন মা? মায়ের নির্মমতার শিকার ২ শিশু

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহত হৃদয়ের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। খবর পেয়ে গতকাল বিকালে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মতিউর রহমান, সিনিয়র এএসপি রশীদ ও আড়াইহাজার থানার ওসি এমএ হক ঘটনাস্থল পরির্দশন করেন।
৩৫নং বাড়ৈপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও বাড়ৈপাড়া এলাকার জয়নাল আবেদীন জানান, নিহত হৃদয় পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র ছিল। প্রায় ১১ বছর আগে ঢাকার কেরানীগঞ্জের ইসলামপুর এলাকার সুন্দর আলীর মেয়ে শেফালীর সঙ্গে স্থানীয় বিল্লাল টেইলারের ছেলে আনোয়ার হোসেনের বিয়ে হয়। জীবিকার তাগিদে দীর্ঘদিন ধরেই আনোয়ার হোসেন বাহরাইন প্রবাসী। উচিৎপুরা ইউনিয়নের বাড়ৈপাড়া এলাকায় শ্বশুরবাড়িতেই দুই সন্তানকে নিয়ে বসবাস করতেন শেফালী। এরই মধ্যে একই এলাকার জনৈক মোমেনের সঙ্গে শেফালীর পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে উঠে। এরই জের ধরে তিন মাস আগে আনোয়ারের সঙ্গে শেফালীর বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যায়। কিন্তু দুই সন্তান নিয়ে শেফালী ওই বাড়িতে থাকতে শুরু করেন। ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার দিন শেষে রাতে মোমেন শেফালীর ঘরে অবস্থান করছিল। মায়ের সঙ্গে অন্যপুরুষের অনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি দেখে ফেলায় দুই সন্তানকে ঘুমের ট্যাবলেট সেবন করিয়ে ঘুমন্ত অবস্থায় তাদের গায়ে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। এ সময় ঘটনাস্থলেই হৃদয় মারা যায়। অপর সন্তান জিহাদও ঝলসে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডাক্তার উত্তম জানান, শিশু জিহাদের এক হাত ও দু’পা ঝলসে গেছে। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়েছে। তবে, তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
স্থানীয় এক যুবক জানান, মোমেনের সঙ্গে শেফালীর দীর্ঘদিন ধরেই পরকীয়া সম্পর্কের কারণে তার প্রবাসী স্বামী বিবাহ বিচ্ছেদ করেন। কিন্তু এরপরও সে সন্তানদের নিয়ে এখানেই বসবাস করতে থাকেন।
আড়াইহাজার থানার ওসি এমএ হক বলেন, ঘটনাস্থল থেকে শিশু হৃদয়ের পুড়ে যাওয়া লাশ উদ্ধার করা হয়েছে ও জিহাদকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। মা শেফালীকে আটক করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আজ বর্ষবরণে জল-স্থল আকাশে কঠোর নিরাপত্তা

এছাড়া মঙ্গল শোভাযাত্রা ও ছায়ানটের বর্ষবরণ হবে পুলিশ বেষ্টনীর মধ্যে। থাকছে পুলিশের ওয়াচ টাওয়ার, আর্চওয়ে, ডগ স্কোয়াড, সোয়াট টিম, বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল, গোয়েন্দা সদস্য ও মোবাইল কোর্ট। যান চলাচল বন্ধ ও নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে বহু সড়কে। এদিকে গতকাল রমনার বটমূলে র্যাবের বিভিন্ন প্রস্তুতির কথা জানান এলিট ফোর্সটির মহাপরিচালক (ডিজি) বেনজীর আহমদ। এ সময় তিনি বলেন, দেশবাসী বর্ষবরণের জন্য উন্মুখ। আগামীকাল উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি বজায় রাখতে দেশব্যাপী নিরাপত্তা পরিকল্পনা নিয়েছে র্যাব। উৎসবের প্রাণকেন্দ্র রমনা হলেও গত কয়েক বছর ধরে রাজধানীর হাতিরঝিল, রবীন্দ্র সরোবর, উত্তরাসহ বিভিন্নস্থানে অনুষ্ঠান হয়। বেশি জায়গায় অনুষ্ঠান হলে নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ বেড়ে গেলেও রমনায় জনসমাগমটা কম হয় না। জনগণের উৎসব আনন্দমুখর করতে আমরা যে কোনো চ্যালেঞ্জ গ্রহণে প্রস্তুত। রমনাসহ অন্যান্য জায়গায় সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিশ্চিত করবে র্যাব।
তিনি আরো জানান, রমনায় প্রতিবার র্যাবের কন্ট্রোলরুম থাকলেও এবার প্রথমবারের মতো হাতিরঝিলেও তা খোলা হবে। রমনা পার্ক এলাকায় পেট্রোল করা হবে। রমনা পার্ক ও মঙ্গল শোভাযাত্রা এলাকায় আকাশ থেকে হেলিকপ্টারসহ বিভিন্ন মাধ্যমে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে। পেট্রোল টিমের পাশাপাশি থাকবে র্যাবের চেকপোস্ট। তিনি আরো বলেন, প্রথমবারের মতো র্যাব শিশু ও বৃদ্ধদের বিশ্রামের জন্য রমনা ও হাতিরঝিলে বৈশাখী লাউঞ্জ করছে। সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে পুরো অনুষ্ঠানস্থল নজরদারিতে রয়েছে।
অবশ্য নববর্ষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গতকাল আশেপাশের বস্তি ও আবাসিক হোটেলে অভিযান চালায় এবং সন্দেহভাজন ও জঙ্গিগোষ্ঠীর উপর নজরদারি থাকছে বলেও জানান তিনি।
রাজধানীজুড়ে পুলিশের নিরাপত্তা বলয়: এ উপলক্ষে রাজধানীতে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) আরো ব্যাপক ও বহুমুখী নিরাপত্তা জোরদার করেছে। এ উপলক্ষে গত বৃহস্পতিবার ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, একই দিন মুসলমানদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান শবে মেরাজ থাকায় রাজধানীর উন্মুক্ত স্থানে বর্ষবরণের অনুষ্ঠান বিকাল ৫টার মধ্যে শেষ করতে হবে। সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে সবাইকে ভেন্যু ছাড়তে হবে। তবে রবীন্দ্র সরোবরে অনুষ্ঠান ৭টা পর্যন্ত চলবে। আর উন্মুক্ত স্থানে বর্ষবরণের সব অনুষ্ঠান ঘিরে থাকছে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। প্রতিটি অনুষ্ঠান স্থলে দর্শনার্থীদের প্রবেশ করতে হবে আর্চওয়ে দিয়ে তল্লাশির মাধ্যমে। ওয়াচ টাওয়ারে পর্যবেক্ষণ করা হবে পরিস্থিতি। ধূমপান ও ইভটিজিং রোধে মাঠে থাকছে মোবাইল কোর্ট। মুখে নয়, মুখোশ রাখতে হবে হাতে। বাজবে না ভুভুজেলা। পুরো রাজধানীতে থাকছে পুলিশের সমন্বিত ও সুশৃঙ্খল নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ইউনিফর্ম ও সাদা পোশাকে দায়িত্ব পালন করবে পুলিশ সদস্যরা। ইতিমধ্যে ডগ স্কোয়াড দিয়ে সুইপ করা হয়েছে বহু ভেন্যু। কোনো ধাতব বস্তু দা, নেইল কাটার, ব্লেড ও দাহ্য পদার্থ যেমন দিয়াশলাই ইত্যাদি বহনে নিষেধ রয়েছে। দমকল বাহিনী, অ্যাম্বুলেন্স এবং বিভিন্ন এলাকার হাসপাতালগুলো প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পুলিশ বেষ্টনীর মধ্যে অনুষ্ঠিত হওয়া মঙ্গল শোভাযাত্রার মধ্যে মাঝপথে কেউ ঢুকতে পারবে না।
রমনা পার্ক ও সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যানে প্রবেশ ও বের হওয়ার গেট: মূল অনুষ্ঠানস্থল রমনা পার্কে শুধু প্রবেশের জন্য তিনটি গেট উন্মুক্ত থাকবে। তা হলো, রমনা রেস্তরাঁ গেট, অস্তাচল গেট (শিশু পার্কের বিপরীতে) ও অরুণোদয় গেট (সুগন্ধার বিপরীতে)। দর্শনার্থীদের বের হওয়ার দু’টি গেট হলো, উত্তরায়ণ গেট (মিন্টু রোডের পশ্চিম প্রান্ত) ও বৈশাখী গেট (আইইবির বিপরীতে)। একই সঙ্গে প্রবেশ ও বের হওয়ার জন্য খোলা থাকবে শ্যামলীমা গেট (কাকরাইল মসজিদের দক্ষিণে) ও স্টার গেট (মৎস্য ভবন ক্রসিং)। অপর দিকে সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যানে প্রবেশ ও বের হওয়ার জন্য ব্যবহার হবে ৫টি গেট। প্রবেশ পথগুলো হলো, শিখা চিরন্তন গেট, বাংলা একাডেমির বিপরীতে নতুন গেট ও তিন নেতার মাজার সংলগ্ন গেট। বের হওয়ার জন্য খোলা থাকবে কালী মন্দির গেট ও আইইবি গেট। তবে সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যানের টিএসসি ও ছবিরহাট গেট দু’টি বন্ধ থাকবে।
আজ বন্ধ থাকবে যেসব রাস্তা: পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রমনা পার্ক ও সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যান ও পার্শ্ববর্তী এলাকা এবং রবীন্দ্র সরোবরে গাড়ি নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না। বন্ধ থাকবে বাংলা মটর-রূপসী বাংলা-শাহবাগ-টিএসসি-দোয়েল চত্বর রোড, রূপসী বাংলা-কাকরাইল-মৎস্য ভবন-কদম ফোয়ারা রোড, মৎস্য ভবন-শাহবাগ-কাঁটাবন রোড, পলাশী-শহীদ মিনার-দোয়েল চত্বর-হাইকোর্ট ক্রসিং রোড, বকশী বাজার-শহীদ মিনার-টিএসসি রোড, শহীদুল্লাহ হল ক্রসিং-দোয়েল চত্বর রোড এবং নীলক্ষেত-টিএসসি রোড।
বিকল্প রোড: তবে যান চলাচলের জন্য কিছু বিকল্প রোড হিসেবে আজ ব্যবহারের অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ। এগুলো হচ্ছে, মিরপুর রোড-সায়েন্স ল্যাবরেটরি-নিউ মার্কেট-আজিমপুর-বকশী বাজার-চাঁনখার পুল-গুলিস্তান রোড, রাসেল স্কোয়ার-সোনারগাঁও-রেইনবো-মগবাজার-মালিবাগ-রাজমনি-ইউবিএল-গুলিস্তান রোড, মহাখালী-সাতরাস্তা-মগবাজার-কাকরাইল-রাজমনি-ইউবিএল-গুলিস্তান রোড, ফার্মগেট-সোনারগাঁও-বাংলা মটর-মগবাজার-মৌচাক-মালিবাগ-খিলগাঁও রোড এবং ফার্মগেট-সোনারগাঁও-বাংলা মটর-মগবাজার-কাকরাইল চার্চ-রাজমনি-পল্টন-মতিঝিল রোড।
রমনা পার্ক ও সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যান কেন্দ্রিক ডাইভারশন পয়েন্টগুলো: পহেলা বৈশাখের মূল অনুষ্ঠানস্থল রমনা পার্ক ও সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যানমুখী যানবাহনগুলোকে অন্যপথ দিয়ে ঘুরে যেতে বেশ কিছু পয়েন্ট নির্ধারণ করছে ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগ। তা হলো, সোনারগাঁও ক্রসিং, বাংলা মটর ক্রসিং, পরিবাগ গ্যাপ, নেভাল চীফ গলি, সাকুরার গলি, পুলিশ ভবন ক্রসিং, সবজি বাগান ক্রসিং, মিন্টো রোড পূর্ব প্রান্ত, অফিসার্স ক্লাব ক্রসিং, সুগন্ধা ক্রসিং, কাকরাইল চার্চ ক্রসিং, শিল্পকলা একাডেমি গলি, দুদকের গলি, কার্পেট গলি, মৎস্য ভবন ক্রসিং, ইউবিএল ক্রসিং, জিরো পয়েন্ট ক্রসিং, হাইকোর্ট ক্রসিং, রোমানা চত্বর ক্রসিং, বকশী বাজার ক্রসিং, পলাশী ক্রসিং, নীলক্ষেত ক্রসিং, কাঁটাবন ক্রসিং, আজিজ সুপার মার্কেট ক্রসিং, প্রশাসন একাডেমি গলি ও শাহবাগ ক্রসিং।
গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থা: আজ গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য যে সড়কগুলোর এক লেন ব্যবহার করা যাবে সে সড়কগুলো হলো, হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল রোড (উত্তর হতে আগত), পুরাতন এলিফ্যান্ট রোড (উত্তর হতে আগত), আবদুল গণি রোড (পূর্ব-দক্ষিণ দিকের গাড়িসমূহ), কার্জন হল হতে বঙ্গ বাজার হয়ে ফুলবাড়িয়া (দক্ষিণ দিকের গাড়িসমূহ), মৎস্য ভবন থেকে কার্পেট গলি (আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গাড়িসমূহ), শিল্পকলা একাডেমি গলি (আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গাড়িসমূহ), সুগন্ধা হতে অফিসার্স ক্লাব (ভিআইপি ও মিডিয়ার গাড়িসমূহ) ও কাঁটাবন হতে নীলক্ষেত হয়ে পলাশী পর্যন্ত (দক্ষিণ-পশ্চিম দিকের গাড়িসমূহ)
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পরিচ্ছন্নতায় রেকর্ড গড়েছে ঢাকা, স্বীকৃতির অপেক্ষা

স্বচ্ছ ঢাকা গড়তে এ আয়োজন করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। সহযোগিতা করেছে ডেটল। আতশবাজি, জাতীয় সংগীতের পরে বেলা পৌনে ১১টায় মেয়র সাঈদ খোকন ডেটল পরিচ্ছন্ন ঢাকার উদ্বোধন করেন। পরে ১ মিনিট প্রত্যেকের অবস্থান থেকে ঝাড়ু দেয়া হয়। এসময় সেখানে মেয়রের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন গাজী গ্রুপের চেয়ারম্যান গাজী গোলাম দস্তগীর, সানজিদা খানম, প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নুরুল হুদা, ডিএমপি কমিশানার আছাদুজ্জামন মিয়া, আওয়ামী লীগ দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম মুরাদ, দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, রেকিট বেনজিকারের মার্কেটিং ডিরেক্টর সৈয়দ তানজিম রেজওয়ান, জিটিভির মার্কেটিং ডিরেক্টের আমান আশরাফ ফায়েজ, চিত্রনায়ক রিয়াজ, ডিএনসির প্রয়াত মেয়র আনিসুল হকের ছেলে নাভিদুল হক প্রমুখ। এসময় অতিথিরা মেয়রের এই উদ্যেগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা বলেছেন, এই শহর আমাদের। এই শহরকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব আমাদের। এই কর্মসূচির মাধ্যমে আজ বিশ্ব রেকর্ড তৈরি হলো। অনুষ্ঠান শেষে মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, আমরা হয়তো পুরো ঢাকাকে আজ পরিষ্কার করতে পারি নাই। তবে এখান থেকে একটা সচেতনতা তৈরি হবে। কারণ মন সুন্দর যার, সে রাখে দেশ পরিষ্কার। আমার ডাকে সাড়া দিয়ে যারা এখানে উপস্থিত হয়েছেন তারা সুন্দর মনের মানুষ। মেয়র বলেন, ঢাকাবাসী বিশ্ব রেকর্ড গড়েছে। আর তার সাক্ষী হয়ে থাকলেন আপনারা। এই রেকর্ডটি আমি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে উৎসর্গ করলাম।
উল্লেখ্য, ভারতের গুজরাটে ২০১৭ সালের ২৮ মে বদোধারা শহরে মিউনিসিপ্যাল করপোরেশন পাঁচ হাজার ৫৮ জন কর্মী নিয়ে এক কিলোমিটার রাস্তা পরিষ্কার করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড বুকে নাম ওঠায়। শহরের একতা ডান্ডিয়া বাজার রোড পরিষ্কার করে এ রেকর্ড গড়া হয়। সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন রেকর্ড গড়ার পরিকল্পনা ডিএসসিসির। কর্মসূচি সফল করতে ডিএসসিসির মেয়র সাঈদ খোকন বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের সঙ্গে মতবিনিময়ও করেছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নবযাত্রার স্বপ্ন by কাফি কামাল
![]() |
| পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে রমনায় র্যাবের নিরাপত্তা মহড়া |
পয়লা বৈশাখ আমাদের প্রাণের উৎসব। এ উৎসবের সার্বজনীনতা অসাধারণ। বাঙালি জাতি তার নববর্ষের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বহন করে চলেছে, আর এ ধারা চলে আসছে গানে-কবিতায়, লোকাচারের নানা অনুষঙ্গে, পোশাক-পরিচ্ছদ এবং সাংস্কৃতিক অঙ্গনে। দেশের বৃহত্তম অসামপ্রদায়িক উৎসব হিসেবে সর্বস্তরের মানুষের কাছে বাংলা নববর্ষ বহুকাল ধরে বরণীয়। পহেলা বৈশাখ বা নববর্ষের সঙ্গে বাংলার সাহিত্য, বাংলাদেশের সামাজিক-সাংস্কৃতিক সম্পর্ক যেমন নিবিড়, তেমনি অর্থনৈতিক সম্পর্কও তাৎপর্যপূর্ণ। পৃথিবীতে প্রচলিত অধিকাংশ বর্ষপঞ্জির উৎপত্তি কোনো না কোনো ধর্মের সঙ্গে সম্পর্কিত, কিন্তু বাংলা নববর্ষের সঙ্গে ধর্মীয় অনুষঙ্গ নেই। কৃষিকাজ ও খাজনা সংগ্রহের ব্যবস্থাকে কেন্দ্র করেই বাংলা সন গণনার শুরু মোগল সম্রাট আকবরের সময়ে। হিজরি চান্দ্রসন ও বাংলা সৌরসন ভিত্তি করে প্রবর্তন হয় নতুন এই বাংলা সন। পরে যুক্ত হয়েছে ব্যবসা-বাণিজ্যের দেনা-পাওনার হিসাব মেটানো। অমর্ত্য সেন তার আর্গুমেন্টিভ ইন্ডিয়ানে বলেছেন, ‘আকবর সব ধর্মবিশ্বাসীর সমান উপযোগী একটি বর্ষপঞ্জি তৈরি করতে চেয়েছিলেন।’ আকবরের মন্ত্রী আবুল ফজল আকবরনামায় লিখেছেন, ‘ফসল সংগৃহীত হয় সৌর বর্ষপঞ্জি অনুসারে। তাই হিজরি সালের পাশাপাশি একটি সৌর বর্ষপঞ্জির প্রয়োজন ছিল। দ্বীন-এ-ইলাহির মতো আকবর সেটির নাম দিয়েছিলেন তারিখ-ই-ইলাহি। বঙ্গাব্দের গণনা শুরু হয় ১৫৫৬ সালে। মাসের নামগুলো নেয়া হয় নক্ষত্রের নাম থেকে। তারিখ-ই-ইলাহি চালুর পর ১৪টি নতুন উৎসবের কথা ঘোষণা করেন আকবর। এই রকম এক নওরোজেই শাহজাদা খুররমের সঙ্গে দেখা হয়েছিল মমতাজের। এ কারণে অনেকে বলতে চান, পহেলা বৈশাখ না হলে সৃষ্টি হতো না প্রেমের অমর স্মৃতি তাজমহল।
বাংলা সন প্রথমদিকে পরিচিত ছিল ফসলি সন নামে, পরে তা পরিচিত হয় বঙ্গাব্দ নামে। পয়লা বৈশাখ এখন সব বাঙালির সার্বজনীন সাংস্কৃতিক আনন্দ-উৎসব। ধর্ম-সমপ্রদায়নির্বিশেষে বাংলা ভূখণ্ডের সব মানুষের প্রাণের উৎসব। কৃষকসমাজ আজও অনুসরণ করছে বাংলা বর্ষপঞ্জি। কৃষিভিত্তিক গ্রামীণ সমাজের সঙ্গে বাংলাবর্ষের ইতিহাস জড়িয়ে থাকলেও পরে সংযোগ ঘটে রাজনৈতিক ইতিহাসের। আমাদের পরাধীনতার কালে এই উৎসব আয়োজনে নানা প্রতিবন্ধকতা তৈরি করতো পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী। বাঙালিও সোচ্চার ছিল প্রতিবাদে। ষাটের দশকে রমনা বটমূলে সূচিত ছায়ানটের বর্ষবরণ উৎসব বাঙালির আত্মপরিচয়ের আন্দোলন-সংগ্রামকে করেছে বেগবান। দেশ স্বাধীনের পর বাঙালির অসামপ্রদায়িক চেতনার প্রতীকে পরিণত হয় বাংলা বর্ষবরণ অনুষ্ঠান। উৎসবের পাশাপাশি স্ব্বৈরাচার-অপশক্তির বিরুদ্ধে প্রতিবাদও এসেছে পয়লা বৈশাখের আয়োজনে। ১৯৮৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে বের হয় প্রথম মঙ্গল শোভাযাত্রা। ২০১৬ সালের ৩০শে নভেম্বর ইউনেসকো এ শোভাযাত্রাকে দিয়েছে বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মর্যাদা। প্রথমদিকে পয়লা বৈশাখের উৎসব ছিল মূলত গ্রামাঞ্চলকেন্দ্রিক। শহরে-বন্দরেও তা সীমিত ছিল হালখাতায়। বর্তমানে গ্রামাঞ্চলের চেয়ে বর্ণিল, বর্ণাঢ্য আয়োজনে এ উৎসব পালিত হয় রাজধানী ঢাকাসহ দেশের প্রতিটি নগর-মহানগরে। ঢাকায় রমনা বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণের আদলে প্রায় সর্বত্র আয়োজিত হয় এ অনুষ্ঠান। বাংলা নববর্ষে ব্যবসায়ীদের ‘হালখাতা’ রীতি এখনো এ দেশের নিজস্ব সংস্কৃতির আমেজ নিয়ে উৎসবের পরিধির বিস্তার ঘটিয়েছে। আধুনিক বাঙালি তাদের বাংলা নববর্ষকে সাজিয়ে তুলছে মাতৃভূমির প্রতিটি আঙিনায় আরো বেশি উজ্জ্বলতায়। দেশের পথেঘাটে, মাঠে-মেলায়, অনুষ্ঠানে থাকবে কোটি মানুষের প্রাণের চাঞ্চল্য, আর উৎসবমুখরতার বিহ্বলতা। পয়লা বৈশাখের ভোরে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর আয়োজনে মেতে ওঠে সারা দেশ। বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশ নেয় বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষ। সর্বত্র দেখা যায় নতুন প্রাণের উচ্ছ্বাস। কবির ভাষায়- ‘অনাগত আগামীর অফুরান বাদ্য/নতুনের আবাহনে হয়’।
পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় বসবাসকারী ১১টি জাতিসত্তার মধ্যে চাকমা, ত্রিপুরা এবং তঞ্চঙ্গ্যা জনজাতি বছরের হিসাব করে বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী। নববর্ষে পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রধান উৎসব বৈসাবি। ত্রিপুরা জনজাতির বৈসু, মারমাদের সাংগ্রাইং, চাকমাদের বিজু মিলিয়ে এ বৈসাবি। বাংলা নববর্ষকে উপলক্ষ করে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, বাংলা ভাষাভাষি মুসলমান, হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের সহাবস্থানে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাংশের পাহাড়ি জনপদে এখন উৎসবের অনিন্দ্য আমেজ। শুধু বাংলাদেশেই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা বাঙালিও মেতে উঠবে বর্ষবরণের নানা আয়োজনে। নববর্ষে উৎসব-পার্বণে ভোজনপ্রিয় বাঙালির খাদ্যতালিকায় রসগোল্লা, নকশিপিঠা, কদমা-বাতাসা, ভর্তা, আচার, খই, মুড়ি-মুড়কি, পায়েস অনিবার্য। পালা-পার্বণ, সামাজিক কিংবা ধর্মীয় উৎসবে এসব সুস্বাদু খাবার শত বছর ধরে বাঙালির ইতিহাস-ঐতিহ্য ধরে রেখেছে। দেশের সীমানা ছাড়িয়ে ছড়িয়ে পড়েছে সারা বিশ্বে। নববর্ষ উপলক্ষে চারদিকে ধুম পড়বে বাঙালির বাংলা খাবার আস্বাদনে।
নববর্ষকে স্বাগত জানিয়ে প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। এছাড়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন জানিয়েছেন। পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বিশ্বের বাঙালিদের প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন।
নববর্ষ উপলক্ষে আজ সরকারি ছুটির দিন। জাতীয় সংবাদপত্রগুলো বাংলা নববর্ষের বিশেষ দিক তুলে ধরে ক্রোড়পত্র বের করবে। সরকারি ও বেসরকারি টিভি চ্যানেলে নববর্ষকে ঘিরে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানমালা প্রচার করা হবে। বাঙালির এই প্রাণের উৎসবকে ঘিরে রমনা পার্কসহ বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার পুরোটাই ঢেকে দেয়া হয়েছে নিরাপত্তা চাদরে। কেবল রাজধানী ঢাকাই নয় এ উপলক্ষে সারাদেশেই নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ ও র্যাবের পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থা ও তাদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে যৌথভাবে কাজ করছে সব সংস্থা। সার্বিক নিরাপত্তা ও নজরদারি নিশ্চিত করতে বসানো হয়েছে কন্ট্রোল রুম, অবজারভেশন পোস্ট ও চেক পোস্ট। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি থাকছে গোয়েন্দা দলের সদস্য, বোমা ডিসপোজাল টিম ও মেডিক্যাল টিম।
বর্ষ আবাহনে মূল অনুষ্ঠান: বর্ষবরণে রাজধানীজুড়ে বিভিন্ন সংগঠনের নানা আয়োজন থাকবে। দিনের প্রথম প্রভাতেই রমনার বটমূলের ঐতিহ্যবাহী সংগঠন ‘ছায়ানট’ ভোরের সূর্যের আলো দেখার সঙ্গে সঙ্গেই সরোদবাদন দিয়ে শুরু করবে বর্ষবরণের মূল অনুষ্ঠান। বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ উদযাপন ১৪২৫ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ, ইনস্টিটিউট এবং ক্যাম্পাসের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বর্ণাঢ্য কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। পহেলা বৈশাখ সকাল ৯টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মো. আখতারুজ্জামানের নেতৃত্বে চারুকলা অনুষদ থেকে বের করা হবে মঙ্গল শোভাযাত্রা। ‘মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি’- প্রতিপাদ্য ও মর্মবাণী ধারণ করে অনুষ্ঠিত হবে এবারের মঙ্গল শোভাযাত্রা। সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট দুই বছর বিরতি দিয়ে এবার বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে পহেলা বৈশাখে। বাংলা একাডেমি সকালে সাংস্কৃৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। দিবসটি উপলক্ষে বইমেলাসহ বৈশাখী মেলার আয়োজন করেছে একাডেমি চত্বরে। বর্ষবরণ উপলক্ষে চ্যানেল আই ও সুরের ধারা বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র প্রাঙ্গণে আয়োজন করেছে হাজারো কণ্ঠে’ বর্ষবরণের অনুষ্ঠান। বিকাল তিনটায় নয়াপল্টনে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বর্ষবরণের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা-জাসাস। মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সকাল নয়টায় বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। জাতীয় প্রেস ক্লাব ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি বর্ষবরণে তাদের সদস্য ও পরিবারবর্গের জন্য সকাল থেকেই খৈ, মুড়ি-মুড়কি, বাতাসা ও বাঙালি খাবারের আয়োজন রেখেছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঘুষের টাকাসহ গ্রেপ্তার প্রধান নৌ-প্রকৌশলী কারাগারে

এর আগে বৃহস্পতিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় সেগুন রেস্তোরাঁ থেকে দুদকের উপ-পরিচালক নাসিম আনোয়ারের নেতৃত্বে একটি দল গ্রেপ্তার করে নৌ-প্রকৌশলী নাজমুল হককে। সৈয়দ শিপিং লাইন নামের একটি শিপিং প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেয়ে সব আইনগত প্রক্রিয়া শেষে ফাঁদ পাতে দুদক। পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে ওই প্রতিষ্ঠানের এক কর্মীকে সেগুন রেস্তোরাঁয় আসার কথা বলেন নাজমুল হক। সেখানে আগে থেকেই ওঁৎ পেতে ছিল দুদকের দলটি। ঘুষ নেয়ার পররপরই দুদকের দলটি হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে নাজমুল হককে। সৈয়দ শিপিং লাইনের জাহাজের রিসিভ নকশা অনুমোদন ও নতুন জাহাজের নামকরণের অনুমোদনের জন্য ১৫ লাখ টাকা ঘুষ চান নাজমুল। এর মধ্য থেকে পাঁচ লাখ টাকা আগেই নিয়েছিলেন। দ্বিতীয় কিস্তির পাঁচ লাখ টাকা নিতে গিয়ে দুদকের ফাঁদে পড়লেন তিনি। দুদক সূত্র জানায়, এ প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। দুদক তার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ অনুসন্ধান করছে।
এর আগে গত বছরের জুলাই মাসে একই দপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী কে এম ফখরুল ইসলামকে ঘুষের টাকাসহ গ্রেপ্তার করেছিল দুদক। একটি জাহাজের নকশা অনুমোদন করতে মতিঝিলে বিআইডব্লিউটিএ ভবনে অধিদপ্তরের কার্যালয়ে পাঁচ লাখ টাকা ঘুষ নেয়ার সময় তাকে হাতেনাতে তখন গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর এ ঘটনায় দুদকের সহকারী পরিচালক মো. আবদুল ওয়াদুদ বাদী হয়ে ফখরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মতিঝিল থানায় মামলা করেন। পরে তিনি জামিন নিয়ে মুক্তি পান। তবে নৌপরিবহন অধিদপ্তর থেকে তাকে বরখাস্ত করা হয়। তার বিরুদ্ধে করা মামলাটি বিচারাধীন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বৈশাখ উদযাপন: ১২০ টন ইলিশ মজুত by মোরশেদ আলম

চাঁদপুর জেলার একমাত্র ইলিশ মজুত করার বেসরকারি কোল্ড স্টোরেজ খন্দকার ফিশ প্রসেসিংয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল মালেক খন্দকার জানান, সরকারি অনুমতি নিয়ে তিনি এ বছর ১২০ টন ইলিশ মজুত করেছেন। পহেলা বৈশাখকে সামনে রেখে চাঁদপুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মজুত করা ইলিশ সরবরাহ করা হচ্ছে। ১০ কেজি করে প্যাকেটজাত করা হয়েছে এসব ইলিশ। এর মধ্যে ৩০০ থেকে ৪০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের কেজি ২৫০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। এছাড়া ৪০০ থেকে ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৩৫০ টাকা কেজি, ৫০০ গ্রাম থেকে কেজি পর্যন্ত ৮০০ থেকে ১ হাজার পর্যন্ত কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছে। গত বছর চাহিদা বেশি থাকলেও এ বছর কিছুটা কম। তাই দামও কিছুটা কম রয়েছে।
চাঁদপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আসাদুল বাকী জানান, জাটকা ধরা প্রতিরোধে চাঁদপুরের এই এলাকা অভয়াশ্রমের মধ্যে রয়েছে। তাই এবছর খন্দকার ফিশ প্রসেসিং কর্তৃপক্ষ প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে ১২০ টন বাইরের ইলিশ মজুত করেছে।
সরজমিনে চাঁদপুরের ইলিশের মাছঘাট বড়স্টেশন এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, এ রকম চিত্র। ইলিশ মাছ নেই। তাই মাছের আড়ৎদাররা শরীয়তপুরসহ বিভিন্ন স্থান থেকে আসা রুই কাতলাসহ বিভিন্ন মাছ নিয়ে কিছুটা সময় কাটাচ্ছে। আবার কেউ কেউ নিষেধাজ্ঞা কেটে যাওয়ার আগেই নিজেদের আড়ৎ ও আশপাশের এলাকা অবকাঠামো নতুন করে মেরামত করছেন। ব্যস্ত মাছ ঘাট অনেকটাই নীরব। চৈত্র পেরিয়ে বৈশাখ আসার সময় হয়েছে, তাই ব্যবসায়ীরা তাদের অভ্যন্তরীণ হিসাব মেলাতে ব্যস্ত।
মাছঘাটে উপস্থিত মাছের ক্রেতা প্রফেসর অরুন চন্দ্র সরকার জানান, পহেলা বৈশাখে ইলিশ খেতে হবে, তা কেন। আমরা অন্য কিছু খাবো। জাটকা রক্ষা করতে পারলে আমরা বড় ইলিশ খেতে পারবো। তাছাড়া দামও হাতের নাগালে থাকবে। পহেলা বৈশাখে না হয় দুধের স্বাদ ঘোলেই মেটাবো।
চাঁদপুর মৎস্য বণিক সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক শবে বরাত জানান, ইলিশ মাছ চাঁদপুরের ব্র্যান্ডিং হওয়ায় এখন আমাদেরকে অনেক নিয়ম মেনে চলতে হয়। মাছ ঘাটে পৌঁছার পর থেকে প্রক্রিয়াজাতকরণ পর্যন্ত সবকিছুই এখন তদারকির আওতায়। আন্তর্জাতিক সংগঠন হেসাফও আমাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। তারা বছরে কয়েকবার চাঁদপুর মাছঘাট পরিদর্শন করে। এ সময় তিনি ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ায় ইলিশ রপ্তানির দ্বার খুলে দেয়ার দাবি জানান।
চাঁদপুর মৎস্য বণিক সমবায় সমিতির সভাপতি আঃ খালেক মাল জানান, ২ মাসের নিষেধাজ্ঞার কারণে বেকার এখানকার ব্যবসায়ীরা। বৈশাখে মজুত ইলিশের উপরই আমাদের ভরসা করতে হবে। তিনি জানান, অন্যবারের তুলনায় এবার ইলিশের চাহিদা কম।
মৎস্যজীবী ও ব্যবসায়ী আলী আকবরের দোকানে গিয়ে দেখা গেল, ফ্রিজে ইলিশ মাছ। এই ইলিশ মাছের কথা জিজ্ঞেস করতেই জানালেন, এগুলো অনুমতিপ্রাপ্ত বেসরকারি কোল্ড স্টোরেজ খন্দকার ফিশ প্রসেসিং থেকে সরবরাহকৃত। তিনি জানান, এখানে ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ হলেও সুরেশ্বরসহ বিভিন্ন স্থানে অবাধে বড় ও জাটকা ইলিশ ধরা হচ্ছে। এগুলো রুখবে কে?
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
April
(710)
-
▼
Apr 14
(12)
- কক্সবাজারে তানিয়াকে পুরুষের হাতে তুলে দেন রোকেয়া b...
- আজ খুলছে উত্তর সিলেটের সম্ভাবনার নতুন দুয়ার by মিন...
- সিলেটে ডাক্তারের অবহেলায় দুই প্রসূতির মৃত্যু, উত্ত...
- সেই ‘হালখাতা’ আর নেই
- বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিঃ উদ্বেগ জানিয়েছে জাত...
- ঢাবিতে হলে হলে আতঙ্ক, ইশার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার...
- এ কেমন মা? মায়ের নির্মমতার শিকার ২ শিশু
- আজ বর্ষবরণে জল-স্থল আকাশে কঠোর নিরাপত্তা
- পরিচ্ছন্নতায় রেকর্ড গড়েছে ঢাকা, স্বীকৃতির অপেক্ষা
- নবযাত্রার স্বপ্ন by কাফি কামাল
- ঘুষের টাকাসহ গ্রেপ্তার প্রধান নৌ-প্রকৌশলী কারাগারে
- বৈশাখ উদযাপন: ১২০ টন ইলিশ মজুত by মোরশেদ আলম
-
▼
Apr 14
(12)
-
▼
April
(710)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
