Thursday, October 25, 2018
‘তনুশ্রী সমকামী। ও আমাকে ধর্ষণ করেছে।’

তবে এবার রাখি সাংবাদিক ডেকে বোমা ফাটালেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘তনুশ্রী সমকামী। ও আমাকে ধর্ষণ করেছে।’
সম্প্রতি মুম্বাইতে এক বৈঠকে সাংবাদিকদের সামনে রাখি জানান, সমকামী তনুশ্রী তাকে অসংখ্যবার ধর্ষণ করেছেন। এমনকি শরীরে নারীদের মতো দেখতে হলেও তনুশ্রী ভিতরে ভিতরে পুরুষ বলে দাবি করেন রাখি।
তিনি আরও বলেন, ‘১২ বছর আগে তনুশ্রী আমার প্রিয় বন্ধু ছিল।
বিভিন্ন রেভ পার্টিতে আমরা একসঙ্গে যেতাম। সেসব পার্টিতে তনুশ্রী প্রচুর ড্রাগ নিত। আমাকেও ড্রাগ নিতে বাধ্য করত। এমনকি আমার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় খারাপ ভাবে হাত দিত। বলিউডে এমন অনেক সমকামী রয়েছে। তনুশ্রীও একজন সমকামী।’
প্রসঙ্গত, নানা পাটেকারের বিরুদ্ধে অভিযোগের ঘটনায় ক্রমাগত রাখি বিভিন্ন বক্তব্যের দ্বারা এর বিরোধিতা করায় তার বিরুদ্ধে ১০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করেন তনুশ্রী। তার প্রেক্ষিতে তনুশ্রীর বিরুদ্ধেও সম্প্রতি ৫০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করেন রাখি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সৌদিতে ‘যৌনদাসী’ হিসেবে বিক্রি হচ্ছে বাংলাদেশি নারীরা by ওয়েছ খছরু

হাতেগোনা কয়েকজন যাত্রী ওমরাহ পালনে যাচ্ছেন। বাকি পুরুষরা যাচ্ছেন কাজের সন্ধানে। যাত্রী লাউঞ্জে কথা হলো এক তরুণীর সঙ্গে। বয়স উনিশ কিংবা বিশ বছর। বিয়ে হয়েছে দুই বছর আগে। স্বামীর সঙ্গে সংসার টেকেনি। সাভারে ফিরে পিতার ঘরেও ঠাঁই হয়নি। কোথায় যাচ্ছেন- প্রশ্ন করা হলে জানালেন- ‘সৌদি যাচ্ছি’। সৌদিতে কী কাজ করবেন জানেন কী- উত্তরে না সূচক মাথা নাড়ালেন মেয়েটি। জানালেন- ‘আমরা কয়েক জন যাচ্ছি। দেশে তো কাজ পাচ্ছি না। দেখি সৌদিতে গিয়ে খেয়ে-পরে বেঁচে থাকতে পারি কি না?’
তার মতো বহু নারী ওই দিন ফ্লাইটে সৌদিতে আরবে যাচ্ছেন। অনেকেই চোখে-মুখে খুশির ছাপ। তাদের নিয়ে যাচ্ছে কয়েকজন বাংলাদেশি পুরুষ। যাত্রী লাউঞ্জ থেকেই তাদের চোখে চোখে রাখছে দালালরা। মধ্য বয়সী এক নারীর বাড়ি মানিকগঞ্জ এলাকায়। কথা হয় তার সঙ্গে। তিনি বলেন, দেশে তার স্বামী ও সন্তান সবই রয়েছে। জমি বিক্রি করে দেড় লাখ টাকা তুলে দিয়েছেন এলাকার এক যুবকের হাতে। এরপর ওই যুবকই তাকে সৌদি পাঠানোর ব্যবস্থা করেছে। ওখানে গিয়ে কী করবেন- প্রশ্ন করা হলে জানান- জানি না। তবে জেনেশুনেই আগুনে ঝাঁপ দিচ্ছি। কেউ নেই ওখানে। কিছু করার নেই। পরিবারের ভাগ্য উন্নয়নে এর চেয়ে বেশি তার আর কিছুই করার নেই। ওই দিন ফ্লাইটে যেসব মহিলা জেদ্দা পৌঁছলেন তাদের সবাই কাজের সন্ধানে সৌদি যাচ্ছেন।
সৌদি আরবের জেদ্দা, মক্কা ও মদিনায় বসবাসকারী বাংলাদেশিদের সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে আসা নারীদের সম্পর্কে কথা বলতে গেলেই তাদের মুখ কালো হয়ে যায়। তারা জানালেন, বিমানবন্দর এলাকা পাড়ি দেয়ার পর তাদের আর দেখা মিলে না। তাদের কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়, সেটিও জানি না। তবে মাঝেমধ্যে কিছু নারীর করুণ কাহিনী প্রবাসের মাটিতে তাদের আলোড়িত করে। বাসা-বাড়িতে আটকে রেখে তাদের সঙ্গে অমানুষিক আচরণ করা হয়। এসব কাহিনী সৌদিতে বসবাসকারী প্রায় সব বাংলাদেশিই জানেন। কিন্তু মুখ ফুটে কেউ কিছু বলেন না। মক্কা এলাকায় বসবাস করেন বাংলাদেশি সাংবাদিক সেলিম আহমদ। তার সঙ্গে কথা হয় কাজের সন্ধানে আসা নারীদের নিয়ে।
তিনি জানালেন, গেলো কয়েক মাসে ৪-৫ জন নারীর সঙ্গে তার নিজেরও কথা হয়েছে। যতটুকু পেরেছেন সাহায্য করেছেন। সৌদি আরবে আসার পর দালালরা তাদের বিক্রি করে দেয়। এভাবে কয়েক ধাপে বিক্রি হওয়ার পর সৌদির নাগরিকদের হাতে গিয়ে পড়ে। দাসদের মতো তাদের সঙ্গে বাসাবাড়িতে নির্যাতন করা হয়। আর এসব নির্যাতনে বাংলাদেশ থেকে আগত নারীদের কেউ কেউ মুমূর্ষু হয়ে পড়েন। তাদের সাহায্য করার মতো পরিবেশও থাকে না।
সৌদি আরবে বাংলাদেশি বেশির ভাগ নারীদের ভোগের পণ্য হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ওখানে বসবাসকারী বাংলাদেশিরা। তারা জানান, জেদ্দা বিমানবন্দর পাড়ি দেয়ার পরপরই তাদের পাসপোর্ট কেড়ে নেয়া হয়।
এরপরও তাদের বিক্রি করে দালালরা। ফলে বাংলাদেশ থেকে আসা নারী যারা নির্যাতন সহ্য করে টিকে থাকে তারা পরবর্তীকালে নিজেদের খাপ খাইয়ে নিতে পারে। কিন্তু বেশির ভাগ নারীই সেটি পারেন না। জেদ্দায় বসবাসকারী সিলেটের কাজিটুলা এলাকার বাসিন্দা আশিক উদ্দিন জানালেন, জেনেশুনে বাংলাদেশের দালালরা দেশ থেকে নারীদের এনে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বেহাত হতে হতে অনেক বাংলাদেশি নারী কোথায় চলে যায় শেষে তাদের হদিসই মিলে না। ভাগ্যবান যারা তারা কখনো কখনো বাংলাদেশ কনস্যুলেটের সাহায্য পেয়ে থাকেন। কিন্তু অনেকেরই ভাগ্যে সেটি জুটে না। তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে আসা নারীদের খুব কমসংখ্যক মক্কা ও মদিনা আসেন। যারা আসেন তারা জেদ্দা, রিয়াদ, দাম্মামসহ কয়েকটি এলাকায় বেশি থাকেন এবং সৌদিয়ান শেখরাই তাদের কিনে নেন। এছাড়া দালালদের দ্বারাও তারা প্রায় সময় নির্যাতিত হয়ে থাকেন।
প্রতি মাসে বাংলাদেশ থেকে কতজন নারী সৌদিতে আসেন- তার কোনো সঠিক পরিসংখ্যান মেলে না। তবে জেদ্দা বিমানবন্দরে জমজম হাউস, ট্রলিম্যানের দায়িত্বে থাকা কয়েকজন বাংলাদেশি শ্রমিক জানালেন, প্রতি মাসে কম করে হলেও ৪০০ থেকে ৫০০ নারী কাজের সন্ধানে সৌদি আরবে আসেন। দালালদের মারফতেই তারা আসেন। কিন্তু ফেরার সংখ্যা কম। কাউকে কাউকে সৌদি আরব থেকে দুবাইয়েও নিয়ে যাওয়া হয়। দুলাল নামের এক ট্রলিম্যান জানান- যেসব নারী কাজের সন্ধানে আসেন তাদের ব্যবহার করা হয় যৌনদাসী হিসেবে। অথচ সৌদি আরবে আসার আগে এসব নারী কাজ সম্পর্কে কিছুই জানতেন না। তাদের জানানো হতো, গৃহকর্মী হিসেবে কাজ দেয়া হবে।
১৮ই অক্টোবর মধ্যরাত। জেদ্দা এয়াপোর্ট। বোডিং, ইমিগ্রেশন শেষ। জেদ্দা থেকে সিলেট হয়ে ঢাকাগামী বাংলাদেশ বিমানের অপেক্ষায় যাত্রীরা। ওই ফ্লাইটে বেশিরভাগই পুরুষ যাত্রী। নারীদের সংখ্যা খুবই কম। হাতেগোনা কয়েকজন নারী যাত্রী আছেন। এর মধ্যে ওমরাহ পালনে যাওয়া যাত্রীরাও রয়েছেন। জোৎস্না বেগম নামের এক মধ্য বয়সী নারী ৪-৫ জন মহিলা নিয়ে যাত্রী লাউঞ্জে অপেক্ষায় ছিলেন। জানালেন, কয়েক মাস আগে তারা কাজের সন্ধানে সৌদি আরবে এসেছিলেন। সৌদিতে পা রাখার পরপরই তাদের বিক্রি করে দেয়া হয়েছিল। মাসে মাসে তারা বিক্রি হয়েছেন। আর যেখানেই তাদের নিয়ে যাওয়া হয়েছে, সেখানেই তাদের ওপর নির্যাতন চলে। বললেন, তাদের ওপর যে নির্যাতন হয়েছে, সেটি ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। আর ফিরবেন না এই দেশে। নিজের দেশে না খেয়েই মারা যাবেন। এরপরও সৌদি আরবমুখী হবেন না তারা। কথা যখন বলছিলেন তখন জোৎস্নার চোখের কোনায় জল জমে ওঠে। গলায় যেন আটকে যাচ্ছিল তার মুখের কথা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এমন নির্বাচন হওয়া উচিত যাতে বৈধতার সংকট থেকে শাসনব্যবস্থা মুক্ত হয় by মরিয়ম চম্পা

সরকারের মধ্যে এক ধরনের দ্বিধা কাজ করছে যে, পরিপূর্ণ প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনের ফলাফল কি হতে পারে? আওয়ামী লীগ যদি বিএনপিকে দুর্বল করার পরেও বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে তাহলে আওয়ামী লীগের জন্য ইতিবাচক। এতে তাদের বিজয়টা আরো নিশ্চিত হতে পারে। কিন্তু এক্ষেত্রে তারা এখনো সার্বিকভাবে নিজেদের সফল মনে করতে পারছে না। কারণ প্রধান বিরোধী দল বিএনপিকে ওভাবে ভাঙা বা দুর্বল করা যায় নি।
বরং উল্টো আমরা সম্প্রতি দেখেছি যে, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠন হয়েছে। আমাদের মতো দেশে রাজনৈতিক অঙ্গনে মূলত দুইটা শক্তি থাকে।
একটি রাজনৈতিক শক্তি আরেকটি সামাজিক শক্তি। দুইটা মিলে রাজনৈতিক শক্তিটা আরো বেড়ে যায়। ঐক্যফ্রন্ট হওয়ার ফলে মনে হচ্ছে প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনাটা একটু বেড়েছে।
সম্প্রতি ধানমন্ডির পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) কার্যালয়ে মানবজমিনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। পিপিআরসি’র নির্বাহী চেয়ারম্যান, লেখক, গবেষক ড. হোসেন জিল্লুর রহমান দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, সামাজিক সংকটসহ নানা ইস্যুতে খোলামেলা আলোচনা করেন।
হোসেন জিল্লুর বলেন, বর্তমান সরকার আইনসম্মত নির্বাচিত সরকার। সেই অর্থে সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন আছে। কিন্তু ২০১৪ সালের নির্বাচনের সমস্যা সাংবিধানিক বা আইনি সমস্যা নয়। ওটা ছিল একধরনের বৈধতার সংকট। অংশগ্রহণ অনেক কম ছিল। ১৫৩ জন বিনা নির্বাচনে সংসদ সদস্য হয়ে গেছেন। সব মিলিয়ে আগামী নির্বাচনটা এমন হওয়া উচিত যাতে করে বৈধতার সংকট থেকে বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থা ভালোভাবে মুক্ত হয়। সেই ধরনের একটি নির্বাচন হওয়া উচিত। যারা প্রতিযোগিতা করতে চায় তারা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডে থেকে যেন প্রতিযোগিতা করতে পারে। আবার প্রতিযোগী যারা তাদের বিষয়ে বলতে চাই যে, নিছক ক্ষমতার পালাবদলের জন্য যেন নির্বাচনটা না হয়। ওই ধরনের প্রতিযোগীদের সামনে আশা উচিত যারা এটাকে একটি সুযোগ হিসেবে দেখবে। এবং বিভিন্ন খাতে প্রবাহিত বিচ্যুতিগুলোকে পাশ কাটিয়ে সঠিক পথে যেন বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে পারে।
ঐক্যফ্রন্ট গঠনের কারণে প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনের সম্ভাবনা তৈরি হওয়ার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ফলাফল কোন্ দিকে যাবে সেটা অনেক পরের বিষয়। তবে ক্ষমতাসীন দল এই প্রতিযোগিতার বিষয় নিয়ে কতটুকু স্বস্তির মধ্যে থাকবে বা সাহস করে এগিয়ে যাবে এই অনিশ্চয়তা কাজ করছে। ইতিমধ্যে প্রতিযোগিতামূলক একটি আবহাওয়া তৈরি হয়েছে। এতে ক্ষমতাসীনরা বিজয়ী হতে পারে আবার নাও হতে পারে। আরেকটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে ক্ষমতাসীনরা নির্বাচন ইস্যুতে কতটুকু বদ্ধপরিকর থাকবে। প্রথমে আমরা শুনেছি ডিসেম্বরে নির্বাচন হবে। আবার শুনেছি নাও হতে পারে। তার মানে এখনো আমরা একটি দ্বিধাদ্বন্দ্ব এবং অনিশ্চয়তার জায়গায় আছি। অর্থাৎ প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা যেমন বেড়েছে আবার দ্বিধাদ্বন্দ্ব অনিশ্চয়তাও বেড়েছে।
স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচনে সাধারণ জনগণের ভোটাধিকার ফিরে পাওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মানুষ যাদের ভোট দেবে সেই ধরনের প্রতিদ্বন্দ্বী সবাই অংশগ্রহণ করতে পারছে না। অনেক সময় মূল প্রতিদ্বন্দ্বীদের অংশগ্রহণই করতে দিচ্ছে না। ভোট দেয়ার প্রক্রিয়ার মধ্যে নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা দেখা যায়। সেখানে সন্ত্রাসীমূলক কর্মকাণ্ড দেখা যায়। ’৮০-র দশকে এই সংস্কৃতিটা ছিল। সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি, দখল, জালভোট ইত্যাদির একটি সংস্কৃতি ছিল। মাঝের দুই দশকে আমরা এগুলোকে বিতাড়িত করতে পেরেছিলাম। কিন্তু এখন আবার সেগুলো পুরোদমে ফিরে এসেছে। গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে দেখা যায় ইদানীং নির্বাচনগুলোতে জালভোট পড়েছে। কেন্দ্রে যেতে দেয়া হয়নি। এজেন্ট বের করে দেয়া হয়েছে। এগুলোর অন্যতম উপসর্গ হচ্ছে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা। সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন করার সাংবিধানিক দায়িত্ব হচ্ছে নির্বাচন কমিশনের। কিন্তু তাদের ভূমিকাটা আমরা দেখি যে অত্যন্ত প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে গেছে। নির্বাচন কমিশন হয় আগ বাড়িয়ে ক্ষমতাসীন গোষ্ঠীকে সহায়তার চেষ্টা করে। অথবা তাদের যে সাংবিধানিক দায়িত্ব সেটা পালন না করে স্বেচ্ছা নিষ্ক্রিয় হয়ে বসে থাকে। চোখ-কান বন্ধ করে কিছু শুনবে না, দেখবে না। তিনি বলেন, ভোটাধিকারের একটি ক্রাইসিস তৈরি হয়েছে। এটার কু-প্রভাব কিন্তু রাজনৈতিক অঙ্গন ছাড়িয়ে পেশাজীবী অঙ্গনেও ছড়িয়ে পড়েছে। বিজনেস চেম্বারগুলোতে এখন আর ভোট হয় না। যেটা হয় তার নাম হচ্ছে সমঝোতা।
অর্থনৈতিক অগ্রগতি প্রসঙ্গে প্রখ্যাত এই অর্থনীতিবিদ বলেন, আমরা যে অর্থনৈতিক অগ্রগতির কথা চিন্তা করি তার নানা সূচক আছে। একটি হচ্ছে খণ্ডিত সূচক আরেকটি হচ্ছে সার্বিকভাবে মূল্যায়ন করা। সার্বিক মূল্যায়নে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের বিষয়ে বলতে গেলে বলা যায় যে, স্বাধীনতার সময়ে আমাদের অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি ছিল। সে অবস্থা থেকে এক ধরনের টেকসই ভিত্তি তৈরি করা গেছে বর্তমান অর্থনীতিতে। যার ফলে আমাদের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি দিক তৈরি হয়েছে। যেমন প্রবৃদ্ধির মাত্রাগুলো কোনো সময় ঠিক ওলটপালটের দিকে যায় নি। মোটামুটি একটি গতি ধরে এগিয়েছে। স্বাধীনতার ৪৭ বছর পরে আমাদের চাওয়ার জায়গাটায় একটি পরিবর্তন এসেছে। এক্ষেত্রে যে অবস্থা থেকে শুরু করেছিলাম সেটা দিয়ে অর্থনীতি কীভাবে চলছে তা পরিমাপ করা যাবে না। ৭০ দশকে আমাদের প্রবৃদ্ধি ১ থেকে ২ শতাংশে ছিল। এখন সেটা ৬ থেকে ৭-এর দিকে চলে গেছে। সরকারি এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, এত কিছুর পরেও ২০১৮তে প্রায় ৩৯ মিলিয়ন মানুষ দরিদ্রসীমার নিচে বসবাস করছে। আমরা এগিয়েছি কিন্তু চার কোটি মানুষ এখনো দরিদ্রসীমার নিচে। এই বিষয়গুলো আমাদের জানান দেয় যে, এগিয়েছে কিন্তু চ্যালেঞ্জটা কি পর্যায়ে সেটা জানা বা বোঝা দরকার। এক্ষেত্রে গতি বাড়ানো প্রয়োজন এবং এগুবার ধরনটাও উন্নত করা দরকার।
তিনি বলেন, টেকসই উন্নয়নে বেশি উন্নয়ন কম গণতন্ত্র- এই কথাটিই আসলে সঠিক নয়। গণতন্ত্রের অন্যতম সূচক যেটা অর্থনীতির ওপর নির্ভর করে। যেমন ধরে নিলাম কম গণতন্ত্র তার মানে নির্বাচন হচ্ছে না। কিন্তু গণতন্ত্রের আরেকটি অন্যতম সূচক হচ্ছে জবাবদিহিতা। জবাবদিহিতা নেই সে জন্য এখন ব্যাংক কলাপস করছে। সেটার প্রভাব কিন্তু সরাসরি অর্থনীতির ওপর পড়ছে। সুতরাং গণতন্ত্রে জবাবদিহিতার অভাবে আমাদের প্রকল্পগুলো সঠিক সময়ে শেষ হচ্ছে না। জবাবদিহিতার অভাবকে যদি আমরা গণতন্ত্রের অন্যতম সূচক ধরি তাহলে বুঝতে পারছি উন্নয়নের জন্য এটা অত্যাবশ্যক। অন্যথায় প্রকল্প বিলম্ব, অযৌক্তিক প্রকল্প ব্যয় হতেই থাকবে। এগুলোর জন্য ব্যাংকিং ক্রাইসিস হতেই থাকবে। সুতরাং উন্নয়ন দরকার, গণতন্ত্রের দরকার নেই- এগুলো হচ্ছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থেকে এক ধরনের ব্যাখ্যা চালু করার চেষ্টা।
ডিজিটাল নিরাপত্তা ও সম্প্রচার নীতিমালা আইন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা দেখেছি যে, সম্পাদক পরিষদসহ সচেতন নাগরিকরা এটা নিয়ে উদ্বিগ্ন। সম্প্রতি সম্পাদক পরিষদের মানববন্ধন ছিল নজিরবিহীন। এটাও দেখছি যে, তুচ্ছ অজুহাতে আজকাল মানুষকে হয়রানি ও ধরপাকড় করা হচ্ছে। আমরা সবাই আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। কিন্তু নিরাপত্তার অজুহাতে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করা তো ঠিক নয়।
ক্ষমতা হস্তান্তরের শান্তিপূর্ণ উপায় সম্পর্কে তিনি বলেন, আমরা দেখতে পাই যে, একটার পর একটা রাজনৈতিক সংকট হচ্ছে। কিন্তু তার সমাধান হচ্ছে না। এখন এই মুহূর্তে আমরা একটি বিশাল সংকটের মধ্যে আছি। এই সংকটের অন্যতম বিষয়গুলো হচ্ছে আমাদের এখানে একচ্ছত্র ক্ষমতার ধারণাটি ক্ষমতাসীন গোষ্ঠীর মধ্যে জেঁকে বসেছে। এবং চ্যালেঞ্জের জায়গাটা কিন্তু বৃহত্তর জনগণেরও ব্যর্থতার জায়গা বলা যেতে পারে। শিক্ষাঙ্গনে যে বিশৃঙ্খলা সেখানে শিক্ষক সম্প্রদায় কেনো দাঁড়ায় না। আইনজীবীরা সবাই এক বাক্যে কেনো দাঁড়ায় না। এখানে ব্যর্থতাটা দুটি জায়গায়। একটি হচ্ছে রাজনৈতিক অঙ্গনে যারা বিচরণ করছেন সেখানের ব্যর্থতা। অন্যতম আরেকটি সমস্যা হচ্ছে মূল্যবোধ সংবলিত নতুন নেতৃত্ব তৈরি করা। এ বিষয়টি গৌণ হয়ে গেছে।
কোটা সংস্কার ও নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের বিষয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে সুষ্ঠু ছাত্র রাজনীতি হচ্ছে না এ বিষয় থেকে আমাদের একধরনের ধারণা ছিল যে, এই ছাত্ররা কোনো ধরনের সমাজ সচেতনবিহীন একটি গোষ্ঠী হিসেবে গড়ে উঠছে। কিন্তু দুইটা আন্দোলনই নতুন করে সমাজ সচেতনতার বিস্তার ঘটিয়েছে এই যুব সমাজের মধ্যে। কোটা সংস্কার আন্দোলন বেকারত্ব বা তাদের অর্থনৈতিক প্রয়োজনে করেছে। নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে সার্বিক জনগণের একটি ইস্যু আছে। কিন্তু এই দুটি আন্দোলনের মাধ্যমে যে রাজনীতিবিমুখ কিশোর তরুণ একটি সম্প্রদায় গড়ে উঠছিল তাদের মধ্যে নতুন করে সমাজ সচেতনতার একটি ঢেউ উঠেছে। সেদিক থেকে এটি অত্যন্ত ইতিবাচক দিক। দুটি আন্দোলনের প্রতিক্রিয়াস্বরূপ রাষ্ট্রযন্ত্রের প্রতিক্রিয়া হয়েছে নিপীড়নমুখী। এটা কাঙ্ক্ষিত ছিল না।
গায়েবি মামলার বিষয়ে তিনি বলেন, গায়েবি মামলাটা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে যে, এটা রাষ্ট্রযন্ত্রের অপব্যবহার। মূলত রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে রাজনৈতিক প্রতিযোগীকে প্রতিহত করার জন্য গায়েবি মামলা করা হচ্ছে। এটা ক্ষমতাসীনদের প্রতিপক্ষকে দুর্বল করার একটি কৌশল। যেটা থেকে রেহাই পাচ্ছে না শিশু এমনকি মৃত ব্যক্তিও। দুঃখের বিষয় হচ্ছে রাষ্ট্রযন্ত্র এবং এর বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় বিশ্বাস যোগ্যতা কমে গেছে। যেটা কাম্য নয়। আসলে এটা যেহেতু জনসম্মুখে চলে এসেছে তাই ‘শেষ বিচারে জনগণের ওপর আস্থা রাখাটাই শ্রেয়’। সেটাই হচ্ছে টেকসই, দীর্ঘমেয়াদি, বৈধ নেতৃত্বের একটি রক্ষাকবজ।
সিভিল সোসাইটি সম্পর্কে তিনি বলেন, এখন সিভিল সোসাইটি কথাটা উইদইন কোড ব্যবহারের সময় হয়ে গেছে। এখানে দুটি বিষয় আছে। এক. ক্ষমতাসীন গোষ্ঠীর একচ্ছত্র ক্ষমতার আকাঙ্ক্ষাটা তাদের রাজনৈতিক অঙ্গন পেরিয়ে পেশাজীবী এবং সিভিল জগৎ দুটিতেই ঢুকে গেছে। সিভিল সোসাইটিও এখন দু’ভাবে বিভক্ত। একটি গোষ্ঠী মূলত শ্রদ্ধার জায়গা থেকে সরে গিয়ে ক্ষমতার সুযোগ-সুবিধা ও তোষামোদকারী হিসেবে প্রতিযোগিতায় নেমে গেছে। আরেকটি গোষ্ঠীর চ্যালেঞ্জ হচ্ছে দক্ষভাবে সমাজের বিষয়গুলো তুলে ধরা। ছাত্র আন্দোলন, সম্পাদকমণ্ডলীর কর্মসূচি এখানে সিভিল সোসাইটির একধরনের একটিভিটি রয়েছে। এখানে মূলত যেটা দরকার তা হলো সিভিল সোসাইটি আরো কার্যকরভাবে পরিবর্তনের জায়গায় নিজেকে সম্পৃক্ত করতে পারে। এখানে ঝুঁকি নেয়ার বিষয় থাকতে পারে। সাহসের বিষয় আছে। এখানে লেগে থাকার বিষয় আছে। এগুলো সিভিল সোসাইটির জন্য একটি চ্যালেঞ্জ। উৎপাদনশীল কর্মক্ষম শ্রমবাজার তৈরি করাও সিভিল সোসাইটির একটি বৃহৎ চ্যালেঞ্জ। চ্যালেঞ্জটা একাধারে নাগরিক সমাজেরও যেমন একইভাবে রাজনৈতিক সমাজেরও সমান চ্যালেঞ্জ। কারণ বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে আমরা আছি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সেপ্টেম্বরে খাসোগি হত্যার নীলনকশা তৈরি হয়

কনস্যুলেট থেকে ৫০০ মিটার দূরে সৌদি কনসাল জেনারেলের বাসার ভিতরকার বাগানে খাসোগির মৃতদেহ পাওয়ার কথা জানিয়েছে স্কাই নিউজ। এ হত্যায় জড়িতদের তুরস্কের হাতে তুলে দেয়ার দাবি জানিয়েছেন এরদোগান।
তিনি আরো বলেছেন, আমরা শুরুতেই বলেছিলাম ইস্তাম্বুলে সৌদি আরবের কন্স্যুলেটের ভেতরেই খাসোগিকে হত্যা করা হয়েছে।
এ নিয়ে আমরা তদন্ত অব্যাহত রাখবো। তা থেকে আমাদেরকে কেউ থামাতে পারবে না। এরদোগান আরও বলেন, খাসোগি হত্যার আগে ইস্তাম্বুলের বাইরে জঙ্গল এলাকা ঘুরে আসেন সৌদি আরবের ৩ কর্মকর্তা। এমন হত্যার মধ্য দিয়ে মানব জাতির বিবেককে এভাবে আহত করা যাবে না। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক কোনো আইন এমন হত্যাকাণ্ডকে সমর্থন করতে পারে না। তিনি এ বক্তব্য রাখার সময়ে তুরস্কের পার্লামেন্ট ছিল কানায় কানায় পূর্ণ।
এ সময় তিনি বলেন, আমরা সৌদি আরবের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলাম এ হত্যায় যারা জড়িত তাদের নাম প্রকাশ করতে। এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে কেন এত সাংঘর্ষিক বক্তব্য দেয়া হচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। জানতে চান, নিহত সাংবাদিক খাসোগির মৃতদেহটি কোথায়? আমাদেরকে বলা হয়েছে, মৃতদেহ স্থানীয় একজনকে দেয়া হয়েছে। কে সেই স্থানীয় ব্যক্তি? প্রশ্ন করেন এরদোগান। তিনি বলেন, আমাদের এসব প্রশ্ন করার ও তার উত্তর পাওয়ার অধিকার আছে।
তিনি যখন এ বক্তব্য রাখছিলেন তখন পার্লামেন্ট সদস্যদেরকে বার বার হাততালি দিয়ে তাকে উজ্জীবিত করতে দেখা যায়। তিনি বলেন, সৌদি বাদশাহ’র বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই। তবে আমি এ ঘটনায় একটি নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করি। তুরস্কে আমরা এ ঘটনা নিয়ে তদন্ত করবো। কারণ, এর আদ্যোপান্ত মানুষ জানতে চান। এরদোগান বলেন, হত্যাকাণ্ড নিশ্চিত করতে সৌদি কর্তৃপক্ষ গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। তাই এখন আমরা তাদের কাছে জোর আহ্বান জানাচ্ছি এতে জড়িতদের নাম শীর্ষ স্থান থেকে নিম্নতম পদের অধিকারী কে কে জড়িত তা প্রকাশ করতে। এ ছাড়া প্রতিটি মানুষের মনেই প্রশ্ন রয়েছে যে, যেদিন অপরাধ সংঘটিত হলো সেদিন কেন ওই ১৫ সদস্যের টিম ইস্তাম্বুলে একত্রিত হয়েছিল? তাদেরকে কে এমন নির্দেশনা দিয়েছিল? এসব আমাদেরকে জানতে হবে। উল্লেখ্য, বক্তব্যে তিনি সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স সালমানের জড়িত থাকার কথা উচ্চারণ করেননি। ধারণা করা হয়, এ ক্ষেত্রে পর্দার আড়ালে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ থাকতে পারে। তবে তিনি ‘নগ্ন সত্য’ প্রকাশের যে ঘোষণা দিয়েছিলেন, তেমন নতুন কোন বিস্ফোরক তথ্য দিতে পারেননি। দেশের মিডিয়ায় যা এতদিনে প্রকাশ পেয়েছে তিনি শুধু তারই আনুষ্ঠানিক রূপ দিয়েছেন।
খাসোগিকে মারবে ভেবে ‘বডি ডাবল’ নিয়ে আসে সৌদি ঘাতক দল!
তুরস্কে অবস্থিত সৌদি কন্স্যুলেটের অভ্যন্তরে মার্কিন প্রভাবশালী পত্রিকা ওয়াশিংটন পত্রিকার কলামিস্ট ও সৌদি ভিন্নমতাবলম্বী সাংবাদিক জামাল খাসোগির হত্যাকাণ্ডের নতুন বিস্ফোরক তথ্য উন্মোচন করেছে সিএনএন। তুরস্কের তদন্তকারীদের কাছ থেকে পাওয়া সিসিটিভি ফুটেজ দেখিয়ে চ্যানেলটি প্রকাশ করেছে যে, সৌদি যেই ঘাতক দল খাসোগিকে হত্যা করে, তাদের মধ্যে খাসোগির মতো দেখতে একজন ‘বডি ডাবল’ও ছিলেন। খাসোগিকে হত্যার পর এই ‘বডি ডাবল’ তারই জামাকাপড় পরিধান করে ও গালে খাসোগির মতো দাড়ি (আলগা দাড়ি) লাগিয়ে কন্স্যুলেট থেকে বের হয়। কিন্তু অন্যান্য সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ওই লোক বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে পরবর্তীতে একটি পার্কের টয়লেটে ঢুকে সব জামাকাপড় পরিবর্তন করে স্বাভাবিক অবস্থায় বের হয়। এরপর আরেকটি জায়গায় গিয়ে খাসোগির জামাকাপড় দ্রুত ডাস্টবিনে ফেলে স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে শুরু করে। ওই লোকই সৌদি বিশেষ বিমানে করে তুরস্কে প্রবেশ করা সন্দেহভাজন ১৫ সদস্যবিশিষ্ট ঘাতক দলের একজন। এ থেকে ইঙ্গিত মিলে, খাসোগিকে হত্যা করার প্রস্তুতি নিয়েই তুরস্কে প্রবেশ করে ১৫ সদস্যবিশিষ্ট সৌদি ঘাতক দল।
প্রসঙ্গত, খাসোগি নথিপত্র উত্তোলনের জন্য সৌদি কন্স্যুলেটে প্রবেশ করার পর আর না ফিরলে তার নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়। তুরস্ক দ্রুত তদন্ত শুরু করে জানায় তাকে কন্স্যুলেটের ভেতরই হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু তখন সৌদি আরব বিষয়টি অস্বীকার করে জানায়, জামাল খাসোগি কন্স্যুলেটে প্রবেশের কিছুক্ষণ পরই বের হয়ে গেছেন।
তুরস্কের তদন্তকারীদের ধারণা, জামাল খাসোগির ‘বের হয়ে যাওয়া’র প্রমাণ দেখাতেই ওই বডি ডাবলকে তারই জামাকাপড় পরিয়ে ও আলগা দাড়ি লাগিয়ে কন্স্যুলেট থেকে বের করা হয়। কিন্তু পরে ওই ফুটেজ সৌদি কর্তৃপক্ষ আর প্রকাশ করেনি। তদন্তকারীরা ধারণা করছেন, সৌদি ততক্ষণে বুঝে গেছে তুরস্কের কর্তৃপক্ষের কাছে অনেক প্রমাণ হস্তগত হয়ে গেছে। তাই আর মিথ্যা প্রমাণ হাজির করে পরিস্থিতি আরো বৈরী না করার সিদ্ধান্ত নেয় তারা। কিন্তু তুরস্কের কর্তৃপক্ষ নিজেরাই বিভিন্ন সিসিটিভি ফুটেজ মিলিয়ে বিষয়টি পুরোদমে উদ্ঘাটন করে ফেলে।
প্রথমে পুরোপুরি অস্বীকার করলেও, তীব্র আন্তর্জাতিক চাপের মুখে সৌদি আরব খাসোগিকে হত্যার কথা স্বীকার করে। তবে দেশটির দাবি, জামাল খাসোগিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ফেরত আনতে চাইলে ‘হাতাহাতি’ ঘটে। এক পর্যায়ে তাকে হত্যা করা হয়। দেশটির দাবি, তাকে হত্যা করার কোনো আদেশ শীর্ষ পর্যায় থেকে দেয়া হয়নি। যেই এজেন্টরা তাকে হত্যা করেছে তাদের ওপর এমন কোনো নির্দেশনাই ছিল না। সৌদি রাজপরিবার ও নেতৃত্ব বিষয়টি সম্পর্কে একেবারেই ওয়াকিবহাল ছিল না বলেই দেশটির দাবি।
কিন্তু এখন দৃশ্যত দেখা যাচ্ছে, তাকে হত্যা করার পুরো পরিকল্পনাই আগে থেকে ছিল। এমন নয় যে, দুর্ঘটনাবশত ওই ঘটনা ঘটে গেছে। সুতরাং, যে-ই নেতৃত্ব এই অভিযান অনুমোদন দিয়েছিল, তারা নিশ্চয়ই এই পরিকল্পনা সম্পর্কেও অবগত।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অবাধ, বিশ্বাসযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের বার্তা দিয়েছি -সংবাদ সম্মেলনে এলিস ওয়েলস

সংবাদ সম্মেলনের প্রশ্নোত্তর পর্বে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনীতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের কথা জানতে চান গণমাধ্যমকর্মীরা। সম্প্রতি ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন দিচ্ছে এমন ধারণা আছে এ ধরনের প্রশ্নে বিস্ময় প্রকাশ করে তিনি বলেন, আমরা কোনো রাজনৈতিক দল বা রাজনৈতিক ফ্রন্টকে সমর্থন করছি না। বরং, যুক্তরাষ্ট্র গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে সমর্থন করছে। পৃথক প্রশ্নের জবাবে তিনি এও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র চায় বাংলাদেশে একটা প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন হোক।
সব রাজনৈতিক দল শান্তিপূর্ণভাবে এবং স্বাধীনভাবে তার রাজনৈতিক ভিশন ও নির্বাচনী ইশতেহার জনগণের সামনে প্রদর্শন করতে পারে। সরকার ও নির্বাচন প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত যারা তারা যেন এ সুযোগ নিশ্চিত করে। যুক্তরাষ্ট্র মনে করে বাংলাদেশের মানুষই চূড়ান্তভাবে সিদ্ধান্ত নেবে কোন দল বা জোট তার নেতৃত্ব দেবে। যুক্তরাষ্ট্র চায় বাংলাদেশে এমন একটা নির্বাচন হোক যার মধ্য দিয়ে জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রকৃত বা সত্যিকার প্রতিফলন ঘটে। তার কাছে প্রশ্ন ছিল, নির্বাচন কমিশন পুরোপুরি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে কিনা এ নিয়ে বিতর্ক আছে। সংসদের বাইরে থাকা প্রধান বিরোধী দলের শীর্ষ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া জেলে আছেন। এ অবস্থায় অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব কিনা জানতে চাইলে তিনি সরাসরি কোনো মন্তব্য না করে আগের বক্তব্যের পুনরুল্লেখ করে বলেন, আমরা এমন একটা পরিবেশ দেখতে চাই যাতে সব রাজনৈতিক দল মুক্তভাবে তার দলের বক্তব্য প্রকাশ করতে পারে। ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ডিজিটাল সিকিউরিটির ক্ষেত্রে সুরক্ষা জরুরি। একই সঙ্গে ভাবতে হবে এটা যেন মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে ক্ষুণ্ন না করে।
এই আইনের ব্যাপারে বাংলাদেশের সিভিল সোসাইটি যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সেটা তারা দেখেছে। যুক্তরাষ্ট্রও এ নিয়ে উদ্বিগ্ন। তারা মনে করে এ উদ্বেগ নিরসনের জন্য সরকার এবং সিভিল সোসাইটির মধ্যে সংলাপ হওয়াটা জরুরি। ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশল চীনের আধিপত্য রোধ বিশেষ করে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিং পিং রোড অ্যান্ড বেল্ট ইনিশিয়েটিভ এর মোকাবিলায় পাল্টা কৌশল কিনা জবাবে তিনি বলেন, তাদের কৌশলটা হচ্ছে একটা বিস্তৃত এবং সমন্বিত উন্নয়ন কর্মসূচি। এর আওতায় ট্রিলিয়ন ডলারের উন্নয়ন পরিকল্পনা রয়েছে। যে পরিকল্পনা বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে শেয়ার করেছে। তার এই সফরে বাংলাদেশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সেখানে বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্র এই পদক্ষেপের ব্যাপারে কাছাকাছি অবস্থানে আছে।
সম্প্রতি ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলের অধীনে বাংলাদেশে ৪ কোটি ডলার দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ প্রসঙ্গে এলিস ওয়েলস বলেন, বৈদেশিক সামরিক সহায়তা হিসেবে দেয়া এ অর্থে বাংলাদেশের উপকূলীয় রাডারের ব্যবস্থার মানোন্নয়ন, টহল নৌযান বহরের আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ এবং সম্প্রসারিত সামুদ্রিক কার্যক্রম পরিচালনায় প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। এ সবগুলোই আমাদের ‘বঙ্গোপসাগর উদ্যোগ’ এর অংশ। তিনি আরো বলেন, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সন্ধিস্থলে অবস্থিত বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ভারত-প্রশান্ত মহসাগরীয় কৌশলের মধ্যেও গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকগুলোতে এটা স্পষ্ট ছিল যে, একটি অবাধ, মুক্ত, বিধিসম্মত ও আন্তঃসংযুক্ত অঞ্চলের রূপকল্পের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের দৃষ্টিভঙ্গি খুবই কাছাকাছি। সফরকালে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনের পর নিজের অভিজ্ঞতার কথা সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরেন মার্কিন উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
তিনি বলেন, রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকটের মাত্রা ও বিশালতা গভীরভাবে অনুভব করেছি আমি। এই মানবিক সংকট মোকাবিলায় অব্যাহতভাবে সহৃদয়তা দেখানো এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছানো নিশ্চিত করার প্রচেষ্টার জন্য বাংলাদেশ সরকার ও এদেশের জনগণকে ব্যক্তিগতভাবে ধন্যবাদ জানান তিনি। সংকটের একেবারে মুখোমুখি দাঁড়িয়ে নতুন শরণার্থীদের গ্রহণ, খাবার বিতরণ এবং রোহিঙ্গা শিশুদের শিক্ষা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা যুগিয়ে যাওয়াসহ অনেক দায়িত্ব পালন করা জাতিসংঘ ও অন্যান্য বেসরকারি সংগঠনের কাজেও সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। বেহাল অবস্থায়ও রোহিঙ্গারা নিজেদের আত্মপরিচয় ও ঐক্য ধরে রাখায় বিস্ময় প্রকাশ করেন এলিস ওয়েলস। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিজেদের শক্তি ও অদম্য চেতনা দেখেও আমি বিস্মিত। তারা নিজেরা মারাত্মক নিষ্ঠুরতার শিকার হয়েছে বা প্রত্যক্ষ করেছে। এরপরও তারা আত্মপরিচয় ও ঐক্য ধরে রাখতে সচেষ্ট রয়েছে। রোহিঙ্গারা যাতে স্বেচ্ছায় নিজ দেশে নিরাপদে ও মর্যাদার সঙ্গে ফিরে যেতে পারে সেরকম অনুকূল পরিবেশ তৈরি করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র মিয়ানমার সরকারকে আহ্বান জানানো অব্যাহত রেখেছে বলে জানান মার্কিন মন্ত্রী। তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে আনান কমিশনের সুপারিশ পরিপূর্ণভাবে বাস্তবায়নের জন্য দেশটির সরকারকে তাগিদ দিয়ে আসছি আমরা।
বিশেষ করে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব পাওয়া ও স্বাধীনভাবে চলাফেরার অধিকার সংক্রান্ত সুপারিশগুলো। আর তা করতে আমরা সাহায্যেরও আশ্বাস দিয়েছি। আমরা বার্মার নিরাপত্তা বাহিনীর যে সদস্যরা সহিংসতার জন্য দায়ী তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনারও তাগিদ দিয়ে যাচ্ছি। সংবাদ সম্মেলনের পরে মার্কিন মুখ্য উপ-সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকাস্থ মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বাসায় বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সঙ্গে ভোজ বৈঠকে মিলিত হন। সেখানে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গেও তার পৃথক বৈঠক হয় বলে জানা গেছে।
প্রসঙ্গত, শনিবার বিকালে বাংলাদেশ সফরে আসেন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক মুখ্য উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী এলিস ওয়েলস। সোমবার মধ্যরাতে তার ছেড়ে যাওয়ার কথা। এ সফরে সরকারের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাতের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বৈঠক করেন মার্কিন মন্ত্রী। এ ছাড়া কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পও পরিদর্শন করেন তিনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তালেবানের সাথে মার্কিন কূটনীতিকদের আলোচনায় কি শান্তি ফিরবে আফগানিস্তানে?
![]() |
| আফগানিস্তানের একটি শরণার্থী শিবির |
তালেবান কী চায়?
![]() |
| আফগানিস্তানে চলমান অস্থিরতায় সবচেয়ে বেশি ভুগতে হচ্ছে শিশুদের |
![]() |
| আফগানিস্তানের ভেতরে যুদ্ধে যুদ্ধে বাস্তুচ্যুত হওয়া একটি শরণার্থী শিবিরের |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1421)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ▼ 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...


