Saturday, May 12, 2018
জিন্নাহকে ‘মহাপুরুষ’ বললেন বিজেপি এমপি সাবিত্রী বাই, মিশ্র প্রতিক্রিয়া

| ডা. মশিহুর রহমান |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভাগ্য ফেরাবে ভুট্টা by রফিকুল ইসলাম

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্রিটেনে দুর্দশার মুখে হাজারো বাংলাদেশি শিক্ষার্থী by মুনজের আহমদ চৌধুরী
![]() |
| নাফিস করিমের পরিবার (ছবি-ফিনান্সিয়াল টাইমস) |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘সত্য প্রকাশ’ করে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর টার্গেটে চার রোহিঙ্গা
![]() |
| সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে মিয়ানমানের সেনা নিপীড়নের মুখে বাংলাদেশে পালিয়ে আছেন জামালিদা বেগম |
গত আগস্টে রাখাইনে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর রোহিঙ্গা বিরোধি পূর্ব পরিকল্পিত ও কাঠামোবদ্ধ অভিযান জোরালো হওয়ার পর গত সপ্তাহে প্রথমবারের মতো সেখানে জাতিসংঘের প্রতিনিধিদের ঢুকতে দেওয়া হয়। ১ মে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিরা দিনব্যাপী রাখাইন সফর করেন। জাতিগত নিধনের প্রত্যক্ষ আলামত পেতে রোহিঙ্গা অধ্যুষিত গ্রামগুলোতে সফর করেন তারা। কথা বলতে চান সেখানকার মানুষের সঙ্গে।
স্থানীয় এক রোহিঙ্গা সাংবাদিক গার্ডিয়ানকে বলেছেন, নিরাপত্তা পরিষদের প্রতিনিধিদের রাখাইন সফরের কয়েকদিন আগে মংডু শহর এলাকার আশেপাশের রোহিঙ্গাদের ওই প্রতিনিধের কাছে সরকার ও নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে কিছ না বলতে সতর্ক করে দেয় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। ওই সাংবাদিক বলেন, ‘এই সতর্কতা অমান্যকারীদের কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে হুমকি দেয় কর্তৃপক্ষ।’ হুমকির পর বেশির ভাগ রোহিঙ্গা জাতিসংঘ প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানায়। তবে নলবোনিয়া গ্রামে তিন কিশোর ও এক মধ্যবয়সী নারী কর্তৃপক্ষের হুমকি উপেক্ষা করে নিরাপত্তা পরিষদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলেন।
গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিরাপত্তা পরিষদের প্রতিনিধি দলটি নলবোনিয়া ত্যাগ করার মিয়ানমারের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা সা রা পা এর এজেন্ট এবং বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) সদস্যরা সেখানে পৌঁছায়। খুঁজতে সেই চার রোহিঙ্গাকে। স্থানীয়দের উদ্ধৃত করে গার্ডিয়ান জানিয়েছে, এখন নিজেদের নিরাপত্তার জন্য পালিয়ে বেড়াচ্ছে ওই তিন কিশোর ও এক মধ্যবয়সী নারী। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক রোহিঙ্গা নারী সাংবাদিকদের বলেছেন, জাতিসংঘের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে কথা বলার সময় কয়েকজন গোয়েন্দা এজেন্ট তাদের ভিডিও ধারণ করেন। তিনি বলেন, সা রা পা এজেন্টরা সেই ভিডিও ক্লিপ গ্রাম প্রশাসক ও নলবোনিয়ার অন্য গ্রামবাসীদের দেখিয়ে চার রোহিঙ্গাকে খুঁজতে সহযোগিতা চেয়েছে। এটা পরিষ্কার যে সরকার বা নিরাপত্তা বাহিনীর ভয়েই তারা পালিয়ে গেছেন। আমরা জানি না এখনও তারা মিয়ানমারে আছে নাকি বাংলাদেশে পালিয়ে গেছে।
বাংলাদেশের রোহিঙ্গাদের নিয়ে কাজ করছেন সৌদি আরবে থাকা রোহিঙ্গা অ্যাকটিভিস্ট কো কো লিন। তিনি গার্ডিয়ানকে বলেছেন, গ্রাম প্রশাসক এবং অন্যান্য গ্রামবাসী সেনা সদস্যদের বলেছেন, তারা ওই চার জনকে চেনেন না। তবে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা তাদের খোঁজে আশেপাশের গ্রামগুলোতেও তল্লাশি চালাচ্ছে। তিনি বলেন, সত্য বলার ফল ভোগ করছে তারা। অতীতেও এমন ঘটনা ঘটেছে। একই ধরনের ঘটনার কারণে রোহিঙ্গাদের সেনাবাহিনীর রোষানলে পড়তে হয়েছে।
উল্লেখ্য, অতীতেও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের সঙ্গে নির্যাতন ও সহিংসতা নিয়ে কথা বলা রোহিঙ্গা গ্রামবাসী মিয়ানমার বাহিনীর লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে নুর জাহান ও জামালিদা বেগম নামে দুই বিধবা রোহিঙ্গা নারী সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বাংলাদেশে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। সাবেক জাতিসংঘ মহাসচিব কফি আনানের নেতৃত্বে গঠিত কমিশনের কাছে স্বাক্ষ্য দেওয়া চার রোহিঙ্গা এখনও কারাগারে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্র বিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল ইরান

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কোরিয়া সংলাপে ইরান ইস্যু প্রভাব ফেলবে না: জন বোল্টন
![]() |
| যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা |
ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের মধ্যকার আসন্ন বৈঠকের আগে ইরানের সঙ্গে চুক্তি থেকে বের হয়ে আসায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে। উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সামনের চুক্তিতেও বিষয়টি প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতির ব্যাপারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিশ্বস্ত কেউ না বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্ট জন বোল্টন বলেছেন, ইরান চুক্তি থেকে বের হয়ে আসার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে। এতে সবাই বু্ঝে গেছে অসন্তোষজনক কোনও প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্র মেনে নেবে না।
জন বোল্টন সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার মতে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে প্রেসিডেন্টের আসল চুক্তি করতে চান।’ তিনি আরও বলেন, ‘ইরান চুক্তির মাধ্যমে খুব পরিষ্কার সংকেত দেওয়া হয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র কোনও অযোগ্য চুক্তি মেনে নেবে না। বোল্টন আরও বলেন, ‘যেকোনও জাতি তাদের আগের ভুল সংশোধন করার অধিকার রাখে।’
ট্রাম্পের এই জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ইরাকে আগ্রাসনের মূল পরামর্শক ছিলেন। এমনকি উত্তর কোরিয়া ও ইরানের বিরুদ্ধে অভিযানের ব্যাপারেও তিনি আগ্রহী। তবে চুক্তি থেকে সরে আসার পর ইরানের সঙ্গে কোনও ধরনের সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা বাতিল করে দিয়েছেন তিনি।
রুশ আইনপ্রণেতা ইয়েভগেনি সেরেব্রিননিকোভকে উদ্ধৃত করে দেশটির বার্তা সংস্থা আরআইএ বলেছেন, ইরান চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বের হয়ে আসার ঘটনায় কোরিয়ান শান্তি প্রক্রিয়ায় সন্দেহ সৃষ্টি করবে। ইউরোপীয় ইউনিয়নে রুশ দূত ভ্লাদিমির চিঝোভ বলেন, ইরান চুক্তি টিকিয়ে রাখতে তারা কাজ করে যাবেন।
ইরান ঘোষণার পরও উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সমঝোতার প্রচেষ্টা চলার প্রমাণ দিতেই ট্রাম্পের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও কোরিয়া সফর করেছেন। ট্রাম্পের সঙ্গে কিমের বৈঠকের বিষয়টি সহজ করার লক্ষ্যেই তিনি সেখানে দেশটি সফর করেন।
বিষয়টি নিয়ে ট্রাম্প বলেছেন, পরিকল্পনা তৈরি করা হচ্ছে। সম্পর্ক গড়ে তোল হচ্ছে। আশা করছি, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের সহায়তায় একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে সবার জন্য ব্যাপক সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তা অর্জিত হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাকিস্তান-যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক সঙ্কটে!

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরান পরমাণু চুক্তি রক্ষায় মরিয়া ইউরোপীয়রা

মঙ্গলবার এ বিষয়ে ইউরোপীয় ৪ টি দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রীদের সভা অনুষ্ঠিত হবে তার নেতৃত্বে। পরমাণু চুক্তি রক্ষায় দেশগুলোর নেতৃবৃন্দ পরস্পরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রেখেছেন। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল ইরান পরমাণু চুক্তির বিষয়ে কথা বলেছেন শুক্রবার। তার দুজনই চুক্তিটি কার্যকর রাখার বিষয়ে একমত হয়েছেন। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁও রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ম্যাখোঁ এর আগে ট্রাম্পকেও বোঝাবার চেষ্টা করেছিলেন। ইরান পরমাণু চুক্তি থেকে সরে না আসার অনুরোধ জানাতে ম্যাখোঁ ও মার্কেলের যুক্তরাষ্ট্র সফরেকে নিউ ইয়র্ক টাইমস ‘তীর্থযাত্রা’ আখ্যা দিয়েছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলেছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মেও। ট্রাম্প শেষ পর্যন্ত সমঝোতা রক্ষায় রাজি না হওয়াতে ডাউনিং স্ট্রিট থেকে বলা হয়েছে, ইরান পরমাণু চুক্তির পক্ষে যুক্তরাজ্যের অবস্থান সুদৃঢ়। ইউরোপীয় সহযোগীরাও চুক্তিটি কার্যকর রাখার বিষয়ে বদ্ধপরিকর। তারা সবাই মনে করেন পরমাণু অস্ত্র উৎপাদন থেকে ইরানকে বিরত রাখার জন্য ওই চুক্তিটিরই প্রয়োজন।
তুরস্ক ইরান পরমাণু চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী দেশ না হলেও বিষয়টি নিয়ে এরদোয়ানের সঙ্গে কথা বলেছেন রাশিয়ার পুতিনে। চুক্তিটি কার্যকর রাখার জন্য ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রী মোহাম্মাদ জাভেদ জারিফ শনিবার থেকে চীন, রাশিয়া ও বেলজিয়াম সফর শুরু করবেন।
ট্রাম্প ইরান পরমাণু চুক্তি থেকে সরে আসার ঘোষণা দিলেও চুক্তির প্রতি এখনও নিজেদের দৃঢ় সমর্থনের কথা নিশ্চিত করেছে ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া ও চীন। চুক্তি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার কারণে যুক্তরাষ্ট্র আগামী আগস্ট ও নভেম্বরে ইরানের ওপর আবার অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার সুযোগ পাবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কীটনাশকে নষ্ট ১২০ বিঘা জমির কলা

সরজমিন ক্ষতিগ্রস্ত কলা বাগানে গিয়ে দেখা যায়, হৃষ্টপুষ্ট কলা গাছে কলাগুলো ছোট হয়ে পড়ে যাচ্ছে। এলাকাবাসী জানান, শামসুল আলম মধুপুর উপজেলার সবচেয়ে বড় কলা চাষি। সে উপজেলার কালার পাহাড়ে (নয়নপুর) ২০ বিঘা, মুইনাটেকিতে (আঙ্গারিয়া) ৪০ বিঘা, চাঁদপুরে ২৮ বিঘা, বাঙালপাড়ায় ৩২ বিঘা জমি লিজ নিয়ে কলা চাষ করেছেন।
শামসুল আলম জানান, সুইট এগ্রোভেট লিমিটেডের ল্যামিরন ও সুইট স্টার নামের কীটনাশক ও ছত্রাকনাশক প্রয়োগের ফলে আমার ১২০ বিঘা জমির কলার মোচা ও কাঁদিগুলো অস্বাভাবিকভাবে নষ্ট হয়ে বেরোচ্ছে। বাগানের প্রায় সবগুলো কলার ছড়িই নষ্ট হয়ে গেছে। কলা বাগান নষ্ট হওয়ার ফলে আমি অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছি। সুইট এগ্রোভেট লিমিটেডের মাকেটিং অফিসার মো. আক্তারুজ্জামান জানান, শামসুল আলম সুইটের ২১০০ লিটার ল্যামিরন ও সুইট স্টার নিয়ে অন্য চাষিদের দিয়েছেন। কিন্তু তাদের কারো কোনো প্রকার ক্ষতি হয়নি শুধু তার বাগানেরই কলা নষ্ট হয়েছে, এটা বিশ্বাসযোগ্য নয়। সুইট এগ্রোভেট লিমিটেডের রিজিয়নাল ম্যানেজার ইমরান আলী খান (রতন) জানান, শামসুল আলম শুধু সুইটের কীটনাশক প্রয়োগ করেনি অন্য কোম্পানিরও ওষুধ প্রয়োগ করেছেন। তাছাড়া তিনি আমাদের সুইট এগ্রোভেটের পরিবেশক ছিলেন, তার কাছে কোম্পানি ২৫ লাখ টাকা পান। ওই টাকা আত্মসাৎ করার জন্যই এমন অভিযোগ করেছেন। মধুপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল হাসান জানান, অভিযোগ পেয়ে আমি কলাবাগান দেখতে গিয়েছিলাম। তবে, কেন কলাগুলো নষ্ট হয়েছে তা নির্ণয় করতে সময় লাগবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মমতার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ: আমাকে খুন করতে সুপারি দেওয়া হয়েছে

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ধানের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত কৃষক by মোশাহিদ আহমদ

স্থানীয় সূত্র জানায়, এ বছর এক কিয়ার (৩০ শতাংশ) জমিতে ধান চাষ করতে ব্যয় হয়েছে ১২ হাজার ৫শ’ টাকা। এক বিঘা জমির বিচালির মূল্য দুই হাজার টাকা বাদ দিলে খরচ এসে দাঁড়ায় ১০ হাজার ৫শ’ টাকা। এক কিয়ার (৩০ শতাংশ) জমির গড় ফলন ২০ মণ হলে এক মণ ধানের উৎপাদন খরচ এসে দাঁড়ায় ৫২৫ টাকা। অথচ এখন বাজার মূল্য ৬৫০ থেকে ৭শ’ টাকার মধ্যে। অর্থাৎ প্রতিমণ ধান উৎপাদন করে কৃষকের ১২৫ থেকে ১৭৫ টাকা লাভ হচ্ছে। অথচ সরকার প্রতিমণ ধানের মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে ১ হাজার ৪০ টাকা। সরকার ঘোষিত মূল্য যদি ন্যায্যমূল্য হয় তাহলে প্রতিমণ ধানে কৃষকের লোকসান হচ্ছে ৩৯০ টাকা থেকে ৩৪০ টাকা। ধান চালের বাজার মন্দা দেখিয়ে ব্যবসায়ীরা কৃষকদের কম মূল্যে ধান বিক্রি করতে বাধ্য করছে। সরকার ধানের যে মূল্য নির্ধারণ করেছে, তা এক সময়ে কার্যকর হবে বা ওই মূল্য ছাড়িয়ে ১২শ’ টাকা মণ দরেও ধান বিক্রি হবে। ততদিনে কৃষকের গোলায় ধান থাকবে না। লাভের সবটুকু রস লুট করবে ব্যবসায়ীরা। সরকার ধান-চালের ক্রয় মূল্য নির্ধারণ করেছে। তবে কৃষকদের কাছ থেকে ধান না কিনে মিল মালিক বা ডিলার নিয়োগের মাধ্যমে ধান চাল কিনে থাকে। আর এ কারণে লোকসানের শিকার হয় কৃষক আর মুনাফা লুটে নেয় মধ্যস্বত্ত্বভোগীরা। এভাবে লোকসান গুনে ধান চাষ করতে করতে একপর্যায়ে কৃষক দেউলিয়া হবে। তখন হয়তো ধান চাষে আগ্রহ হারাবে কৃষক। সরকার ধান-চালের যে মূল্য নির্ধারণ করেছে তা কৃষকের জন্য লাভজনক না হলেও এটি সহনশীল মাত্রার মূল্য বলে ধরে নিয়েছে কৃষক। তবে, মূল্য ঘোষণার পর থেকে যথাযথ কার্যকর হচ্ছে কি না তা তদারকি আবশ্যক।
উপজেলার ছয়হারা গ্রামের আলা উদ্দিন জানান, চলতি বছর তিনি ছয় কিয়ার জমিতে ধান চাষ করেছেন। এর মধ্যে তিন কিয়ার তার নিজের বাকি তিন কিয়ার লিজ নেয়া। ধান চাষ করতে গিয়ে গত তিন মাসে সারের দোকানে বাকি হয়েছে ১৫ হাজার টাকা, এ সময় সংসার চালাতে দোকানে বাকি পড়েছে ১৩ হাজার টাকা। আবার কৃষি শ্রমিকের পারিশ্রমিক দিতে গিয়ে ধারও করেছেন পাঁচ হাজার টাকা। অর্থাৎ এই ৩৩ হাজার টাকা তাকে এখনই পরিশোধ করতে হবে। দেনা পরিশোধ করতে তাকে এখনই অর্ধেক ধান বিক্রি করতে হবে। বাকি অর্ধেক ধান দিয়ে আগামী চার মাস কিভাবে সংসার চালাবেন।
উপজেলার কৃষকদের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, ধান চালের মূল্য নিয়ে সরকারের মাথাব্যথা নেই। তা থাকলে ব্যবসায়ীরা এভাবে কৃষকদের ঠকাতে পারত না। সরকার ধান-চালের বাজার নির্ধারণ করে দিয়েছে। সরকার ঘোষিত মূল্যে কৃষক তার ফসলের মূল্য পাচ্ছে কি না তা খতিয়ে দেখার দায়িত্ব বাজার মনিটরিং কর্মকর্তাদের। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের উদাসীনতার কারণে কৃষকদের যাঁতাকলে নিষ্পেষিত করছে ব্যবসায়ীরা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ওয়াশিংটন থেকে দূতাবাস সরিয়ে ফেলুন: মুসলিম বিশ্বকে নাবি বেরি

লেবাননের সংসদ স্পিকার আরও বলেন, দখলদার ইসরাইল গোটা ফিলিস্তিনকে একটি বিশাল জেলখানায় পরিণত করেছে। সম্মিলিতভাবে এই দখলদার শক্তিকে মোকাবিলা করতে হবে।
তেহরান সম্মেলনে আলজেরিয়ার সংসদ স্পিকার আলসাঈদ বুহজেহ বলেছেন, আমেরিকা সব আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে করে চলেছে। মার্কিন দূতাবাস তেল আবিব থেকে বায়তুল মুকাদ্দাসে সরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত বাতিলের আহ্বান জানান তিনি। আলসাঈদ আবুজেহ বলেন, ফিলিস্তিনিদের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলা চলবে না।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসরাইলের হুমকি মোকাবেলা করা হবে: লেবাননের তিন শীর্ষ নেতা
![]() |
| লেবানন-ইহুদিবাদী ইসরাইল সীমান্ত |
তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, ইসরাইল দেওয়াল নির্মাণের মাধ্যমে লেবাননের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করছে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী ও লেবাননের সেনাবাহিনী সীমান্তে যে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা করেছে ইসরাইলের এ পদক্ষেপের মাধ্যমে তা বিনষ্ট হবে বলে তারা আশঙ্কা করছেন।
ভূমধ্যসাগরে লেবাননের একটি গ্যাসক্ষেত্রের মালিকানা নিয়ে ইহুদিবাদী ইসরাইলের সঙ্গে বৈরুতের টানাপড়েনের মধ্যে সীমান্তে দেওয়াল নির্মাণের বিষয়টি নতুন করে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
গত বছর ভূমধ্যসাগরে লেবানন তার ১০টি গ্যাসব্লকের দু’টির উন্নয়নের জন্য আন্তর্জাতিক টেন্ডার আহ্বান করে। ডিসেম্বর মাসে প্রধানমন্ত্রী সা’দ হারিরি’র সরকার তিনটি আন্তর্জাতিক কোম্পানির সমন্বয়ে গঠিত একটি কনসোর্টিয়ামকে ব্লক-৪ ও ব্লক-৯ উন্নয়নের দায়িত্ব দেয়।
লেবাননের ব্লক-৯ গ্যাসক্ষেত্রের ওপর মালিকানা দাবি করে ইহুদিবাদী যুদ্ধমন্ত্রী এভিগদোর লিবারম্যান বলেন, ব্লক-৯ ইসরাইলি ভূখণ্ডের অংশ এবং সেটির ব্যাপারে লেবাননের টেন্ডার ইস্যু করা ‘উসকানিমূলক’ পদক্ষেপ। ইসরাইলের এ দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে লেবানন।
লেবাননের তিন নেতা এসব ইস্যুতে মতবিনিময়ের পর বলেছেন, তারা ইসরাইলি হুমকি মোকাবিলায় আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মুসলমানদের অর্জন কাজে লাগিয়ে আজকের অবস্থায় এসেছে পাশ্চাত্য: সর্বোচ্চ নেতা

সর্বোচ্চ নেতা আরও বলেছেন, বর্তমানে মুসলিম বিশ্বের জন্য যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তাহলো ঐক্য ও সংহতি এবং বিজ্ঞানের সব অঙ্গনে সাফল্য ও অগ্রগতি। আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ি বলেন, বর্তমানে মুসলিম বিশ্বে জাগরণ সৃষ্টি হয়েছে এবং পাশ্চাত্যের বিরোধিতা সত্ত্বেও এ জাগরণ ইসলাম ধর্মের প্রতি আকর্ষণ বৃদ্ধি ও সুন্দর ভবিষ্যতের ক্ষেত্র সৃষ্টি করছে।
আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ি বলেন, বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ার কারণেই মুসলিম বিশ্বের ওপর অন্যরা আধিপত্য প্রতিষ্ঠার সুযোগ পেয়েছে। তিনি বলেন, পাশ্চাত্য শত শত বছর ধরে বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্রে পিছিয়ে ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে তারা মুসলমানদের বৈজ্ঞানিক সাফল্যকে কাজে লাগিয়ে অর্থ-সম্পদ এবং বৈজ্ঞানিক, সামরিক, রাজনৈতিক ও প্রচারণাগত ক্ষেত্রে শক্তি বাড়াতে সক্ষম হয়েছে। এভাবেই পাশ্চাত্য ঔপনিবেশিক তৎপরতার মাধ্যমে মুসলিম বিশ্বকে বর্তমান খারাপ অবস্থায় ঠেলে দিয়েছে।
আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ি বলেন, বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্রে উন্নয়ন ও অগ্রগতির মাধ্যমে বর্তমান এ পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে এবং মুসলিম বিশ্বকে আবারও মানব সভ্যতার সর্বোচ্চ শিখরে আরোহণ করতে হবে। তিনি বলেন, জ্ঞান-বিজ্ঞানে উন্নয়নের ক্ষেত্রে ইরান আদর্শ সৃষ্টি করেছে এবং ইরানের এ অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে। পাশ্চাত্যের দেশগুলোর বিপরীতে ইসলামি ইরান নিজের বৈজ্ঞানিক সাফল্য ও অর্জন অন্য মুসলিমগুলোকে দিতে প্রস্তুত রয়েছে বলে সর্বোচ্চ নেতা জানান।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
টানা বৃষ্টিতে পচে গেল সয়াবিন ক্ষেত

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দল ও জোট থেকে পদত্যাগ করলেন নাজিব

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রিকশাচালকদের আয় কত? by পিয়াস সরকার

ইয়াকুব হোসেন সকাল ৬টায় ঘুম থেকে ওঠেন। খাওয়া শেষে ৭টার দিকে বের হন রিকশা নিয়ে। উদ্দেশ্য অফিস, স্কুল, কলেজগামী যাত্রী নেয়া। দুপুর ২টা পর্যন্ত রিকশা চালিয়ে ফেরেন গ্যারেজে। গোসল খাওয়া শেষে আবার ৪টার দিকে বের হন রিকশা নিয়ে। ফেরেন রাত ১০টা ১১টার দিকে। আবারো গোসল শেষে খাওয়া দাওয়া, ঘুম। এভাবেই চলে ইয়াকুব আলীর জীবন। তিনি জানান, গ্রামে তার মা, বৌ ও দুই সন্তান আছে। মেয়ে রিক্তা পড়ে ক্লাস এইটে, ছোট ছেলে রবিন মাদরাসায়। সারা দিনে আয় হয় ৮শ’ থেকে হাজার টাকা। কোনো দিন বেশি- আবার ছুটির দিনে কম হয়। গ্যারেজে রিকশা ভাড়া দেয়া লাগে ১২০ টাকা। দিনে তিনবার খাওয়ার জন্য দিতে হয় ১২০ টাকা। অন্যান্য খরচ দিনে লাগে ১০০ টাকার মতো। দিন শেষে হাতে থাকে ৪ থেকে ৫শ’ টাকা। ঢাকায় তিনি রিকশা চালান মাস খানেকের মতো। তারপর আবার চলে যান গ্রামে। সেখানে করেন বর্গা চাষ। তিনি বলেন, এ্যামনে সংসার চলতোচে টানিটুনি। বয়স হওচে, জানো না কতদিন রিশকা চালবার পাইম। গ্রামোত একখ্যান দোকান দিবার ইচ্ছা আচে।
ইলিয়াস মোল্লার বাড়ি গাইবান্ধা জেলার ঢোলভাঙ্গায়। বয়স আনুমানিক ৫০। নদীভাঙনে বাড়ি জমিজমা হারিয়েছেন। নিরুপায় পরিবারটি এখন থাকেন মোহাম্মদপুর বেড়িবাঁধে। শরীর ছেড়ে দেয়ায় অন্য রিকশা চালকের তুলনায় ১৫০ থেকে ২০০ টাকা কম আয় হয় তার। স্ত্রী কাজ করেন মানুষের বাসায়, চার মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। কোনো রকম খেয়ে না খেয়ে চলছে তাদের পরিবার।
রিকশার শহর ঢাকা। এই তিন চাকার বাহন ২০১৫ সালে স্থান করে নিয়েছে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে। রাজধানীর ৪০ শতাংশ মানুষ চলাচল করে রিক্সায়। ১৮৬০ সালে মার্কিন নাগরিক জোনাথন স্কোবি জাপানে পালকির বিকল্প হিসেবে রিকশার প্রবর্তন করেন। জাপানি জিনরিকিশা থেকে এসেছে রিকশার নাম। জিন শব্দের অর্থ মানুষ, রিকি অর্থ শক্তি এবং শা অর্থ বাহন। ১৯০০ সালে মালপত্র পরিবহনের জন্য রিকশার প্রচলন ভারত উপমহাদেশে শুরু হলেও ১৯১৪ সালে প্রথম কলকাতায় যাত্রী পরিবহন শুরু হয়। ১৯১৯ সালে চট্টগ্রামে প্রথম রিকশা আসে। ঢাকায় রিকশা আসে নারায়ণগঞ্জ ও ময়মনসিংহের পাট ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে ১৯৪৪ সালে। শুরুতে রিকশা ছিল মাত্র ৩৭টি। এই শহরে বর্তমানে রিকশা চলে ৬ থেকে ৭ লাখ।
রিকশাচালক মিজানুর রহমান বলেন, আমরাতো মানুষ না, যে পারে সে আমাদের গায়ে হাত তোলে। কালকে একজন মোটরসাইকেলওয়ালার রিকশার সামনে হঠাৎ ব্রেক ধরে। কোনো কথা বলার আগেই চড় মেরে বসে। ওই সময় আমার কানে তালি লেগে যায়। মাথাঘুরে রাস্তার পাশে বসেছিলাম আধা ঘণ্টা।
রিকশাচালক ওমর বলেন, একদিন শিয়া মসজিদ পর্যন্ত রিকশা ঠিক করে ছিলেন একজন। কিন্তু সে যায় মোহাম্মদপুর হাউজিং সোসাইটিতে। অতিরিক্ত ভাড়া চাইলে গালাগালির সঙ্গে গায়ে হাত তুলে। একটা ঘুষি এসে লাগে ঠোটে। এত রক্ত বের হয়েছিল। বলতে বলতে অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন তিনি।
বৃষ্টি হলে ভাড়া বেশি, গরম হলে ভাড়া বেশি, ঈদে ভাড়া বেশি- এসব হচ্ছে রিকশাচালকদের প্রতিদিনের ঘটনা। এমন করে চলাচল করা যায় নাকি? তাদের বাড়তি ভাড়া দেব কোথা থেকে? বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রোমানা রতি খান। শুধু দিনেই নয় রাতেও ঢাকার সড়কে চলে প্রচুর রিকশা। এসব রিকশা বের হয় রাত ১১টার দিকে আর চালানো শেষ করে সকাল ৭টার দিকে। গ্যারেজ ভাড়া দিতে হয় ১০০ টাকা। রিকশাচালক মিষ্টি বলেন, আমার চোখে সমস্যা, দিনের আলোতে সমস্যা হয় তাই রাতে রিকশা চালাই। রাতে চালানোর পরিশ্রম কম। যানজট থাকে না আরামে চালানো যায়। আবার দিনে যেখানে ভাড়া পাওয়া যায় ২০ টাকা রাতের ভাড়া ৩০ টাকা।
এসব রিকশা চালকরা কঠোর পরিশ্রম করে আয় করেন আবার চাইলেও করতে পারেন না সব সময় কাজ। পায়ের পেশিতে টান পড়ে তাদের। আবার রোদে পুড়তে হয়, বৃষ্টিতে ভিজতে হয়। তাই বিভিন্ন স্থান থেকে আসা এসব রিক্সাচালক অধিকাংশই ৪০-৫০ দিন কাজ করে চলে যান বাড়িতে। নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলার রিকশাচালক মালেক মিয়া বলেন, একবার আসি দুই মাসের মত থাকি। ১৮ হাজার ২০ হাজার টাকা নিয়ে বাড়ি যাই। বাড়িতে ক্ষেত আছে চাষ করি। ঢাকায় রিকশা চালাতে আসি বছরে ৩ থেকে ৪ বার।
৭০ট াকা ভাড়া ঠিক করে ধানমন্ডি ২৭ থেকে রিং রোডে নিয়ে আসি। যাত্রী বলেন, একটু দাঁড়াও আমি ৫ মিনিটে আসতেছি। তোমার রিকশায় শ্যামলী যাব। এক ঘণ্টার উপরে দাঁড়িয়ে ছিলাম, বাড়ির দারোয়ান বাড়িতেও ঢুকতে দেয় নাই। জানান, রিক্সা চালক মোখলেসুর রহমান। তিনি জানান, একবার রাত ৯টার দিকে অস্ত্র ঠেকিয়ে যাত্রীর মোবাইল, টাকা পয়সা নিয়ে যায়। আমার সারা দিনের কামাই ৭৮০ টাকাও নিয়ে যায়। পা ধরে বলেছিলাম, ২০০ টাকা দেন, গ্যারেজ ভাড়া দিব তাও দেয় নাই তারা।
শিক্ষার্থী অনামিকা প্রধান বলেন, একবার টাকা না নিয়ে বেরিয়েছিলাম হোস্টেল থেকে। পরীক্ষার তাড়া ছিল তাই আবার ফেরত আসতেও পারছিলাম না। রিকশাওয়ালা চাচাকে বললে বলেন, কোনো সমস্যা নাই মা। আবার কাল এই সময় আপনার হোস্টেলের সামনে দাঁড়াবো তখন একবারে দিয়েন। আমাকে অবাক করে যাবার সময় হাতে ১০০ টাকা ধরিয়ে দিয়ে বলেন, দুপুর হয়ে গেছে পরীক্ষা শেষে কিছু খাইয়েন আর বাকী টাকা দিয়ে যাওয়ার রিকশা ভাড়া দিয়েন। কিন্তু আর দেখা পাই নাই তার। প্রতিদিন তাকে খুঁজি।
আবার রিকশাচালক নিয়েই তার আছে ভিন্ন অভিজ্ঞতার গল্প। তিনি বলেন, বাজার করে রিকশায় ফিরে ব্যাগ নামাচ্ছিলাম। দুটা ব্যাগ ভেতরে নিতেই আরেকটি ব্যাগ নিয়ে পালিয়ে যায় রিকশাচালক।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যেভাবে কক্ষপথে যাবে লাল-সবুজের স্যাটেলাইট by কাজী সোহাগ

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ফ্যালকন-৯ রকেটে চারটি অংশ রয়েছে। ওপরের অংশে থাকবে স্যাটেলাইট, তারপর অ্যাডাপটর। এরপর স্টেজ-২ এবং সবচেয়ে নিচে থাকে স্টেজ-১। নির্ধারিত সময়ে রকেটটি সব ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরই উৎক্ষেপণ করা হয়। এরপরই স্টেজ ওয়ান চালু হয়ে ওপরের দিকে উঠতে শুরু করবে রকেট। প্রচ- শক্তিতে ধাবিত হবে মহাকাশের দিকে। এ উৎক্ষেপণ দেখতে হলে আগ্রহীদের উৎক্ষেপণ স্থান থেকে তিন থেকে চার কিলোমিটার দূরে অবস্থান নিতে হবে। সাত মিনিটের কম সময় দেখা যাবে। তার পরপরই উচ্চগতির রকেট চলে যাবে দৃষ্টিসীমার বাইরে। একটি নির্দিষ্ট সময়ের পর রকেটের স্টেজ-১ খুলে নিচের দিকে নামতে থাকে। এরপর চালু হয় স্টেজ-২। পুনরায় ব্যবহারযোগ্য স্টেজ-১ পৃথিবীতে এলেও স্টেজ-২ একটি নির্দিষ্ট দূরত্ব পর্যন্ত স্যাটেলাইটকে নিয়ে গিয়ে মহাকাশেই থেকে যায়। দুটি ধাপে এই উৎক্ষেপণ প্রক্রিয়া শেষ হয় জানিয়ে সংশ্লিষ্টরা বলেন, প্রথম ধাপটি হল লঞ্চ অ্যান্ড আরলি অরবিট ফেইজ (এলইওপি) এবং দ্বিতীয় ধাপ হচ্ছে স্যাটেলাইট ইন অরবিট। এলইওপি ধাপে ১০ দিন এবং পরের ধাপে ২০ দিন লাগবে।
উৎক্ষেপণ স্থান থেকে ৩৬ হাজার কিলোমিটার দূরে যাবে এই স্যাটেলাইট। ৩৫ হাজার ৭০০ কিলোমিটার যাওয়ার পর রকেটের স্টেজ-২ খুলে যাবে। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের জন্য গাজীপুর ও বেতবুনিয়ায় নির্মিত হয়েছে গ্রাউন্ড স্টেশন বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের জন্য গাজীপুর ও বেতবুনিয়ায় নির্মিত হয়েছে গ্রাউন্ড স্টেশন স্যাটেলাইট উম্মুক্ত হওয়ার পরপর এর নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি এবং কোরিয়ার তিনটি গ্রাউন্ড স্টেশনে চলে যাবে। এই তিন স্টেশন থেকে স্যাটেলাইটটিকে নিয়ন্ত্রণ করে এর নিজস্ব কক্ষপথে (১১৯.১ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অরবিটাল স্লট) স্থাপন করা হবে। স্যাটেলাইটটি পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রায় ২০ দিন লাগবে জানিয়ে তিনি আরো বলেন, স্যাটেলাইটটি সম্পূর্ণ চালু হওয়ার পর এর নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশের গ্রাউন্ড স্টেশনে হস্তান্তর করা হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যৌন অপরাধের মহামারি জোরালো প্রতিবাদ নেই by মরিয়ম চম্পা

২০১৭ সালে প্রতিদিন গড়ে তিনজনেরও বেশি ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। চলতি বছরেও এ ধারা অব্যাহত রয়েছে।
গত ৮ই এপ্রিল দিনাজপুরের বীরগঞ্জে মোবাইলফোনে পরিচয়ের পর বন্ধুত্বের ফাঁদে ফেলে এক কিশোরীকে ডেকে এনে দলবেঁধে ধর্ষণের অভিযোগে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ৬ই এপ্রিল ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় স্বামীকে ঘরে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে তুলে নিয়ে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় মামলার পর দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ৫ই এপ্রিল লক্ষ্মীপুরে ১৩ বছরের এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। একই দিনে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে এক প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণের অভিযোগে স্বপন নামের এক যুবককে আটক করে শাহ্বাগ থানা পুলিশ।
২রা এপ্রিল সাভারের ভাকুর্তার চাইরা গুদারাঘাট এলাকায় এক বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণ করে চার যুবক। এ ঘটনায় পুলিশ একজনকে আটক করেছে। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার ভজনপুর ডাঙ্গাপড়া এলাকার এক কিশোরীকে ৬ মাস ধরে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। বর্তমানে ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা। এ ঘটনায় ৩রা এপ্রিল কিশোরীর মা বাদী হয়ে ধর্ষকসহ চারজনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা করেছেন। ১লা এপ্রিল চট্টগ্রামের বাঁশখালী ইকোপার্কে এক স্কুলছাত্রী গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। ধর্ষিতার চিৎকারে উপস্থিত পর্যটক ও বন কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় পুলিশ তিন ধর্ষককে গ্রেপ্তার করেছে। একইদিনে লক্ষ্মীপুরে সাত বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে এক শিক্ষককে আটক করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ পরিসংখ্যান গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ নির্ভর। এর বাইরের চিত্র আরো ভয়াবহ।
আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) মানবাধিকার লঙ্ঘনের সংখ্যাগত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৮ সালের প্রথম তিন মাসে সারা দেশে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ১৮৭ নারী। এর মধ্যে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে ১৯ জনকে আর আত্মহত্যা করেছেন দু’জন। এছাড়া ধর্ষণের চেষ্টা চালানো হয়েছে ২১ নারীর ওপর।
গত সাড়ে ৫ বছরে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) সারা দেশে ধর্ষণের যে চিত্র তুলে ধরেছে তা রীতিমতো ভয়াবহ। তাদের দেয়া পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গত সাড়ে ৫ বছরে দেশে ৫ হাজার ২৪৮টি ধর্ষণ ও গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা (বিএমবিএস) বলছে, গত ৬ মাসে ১৪১ নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে ১৪ জনকে আর গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৪৩ নারী। সবচেয়ে বেশি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ঢাকা জেলায়। ঢাকায় ২৫টি, চট্টগ্রামে এবং নারায়ণগঞ্জে ৯টি করে, খুলনায় ৬টি এবং যশোর ও সিলেটে ৫টি করে।
আসকের ভিন্ন এক পরিসংখ্যান থেকে জানা গেছে, ২০১৫ সালে সবচেয়ে বেশি ২০৫ নারী লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন। বাকি চার বছরের মধ্যে ২০১২ সালে ১৮৩ জন, ২০১৩ সালে ১২০, ২০১৪ সালে ১১৫, ২০১৬ সালে ১৩৮ এবং ২০১৭ সালে ১৫১ জন লাঞ্ছনার শিকার হন। ২০১৮ সালের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে ১৯ নারী লাঞ্ছনার শিকার হন। এ ছাড়া যৌন হায়রানির কারণে এ পর্যন্ত ৪৬ জন মেয়ের স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে।
বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরামের তথ্য অনুযায়ী, ২০১২ সালে ৮৬ জন, ২০১৩ সালে ১৭৯, ২০১৪ সালে ১৯৯, ২০১৫ সালে ৫২১, ২০১৬ সালে ৪৪৬ এবং ২০১৭ তে ৫৯৩ শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। গত বছর প্রতি মাসে গড়ে ২৮ শিশুকে হত্যা এবং ৪৯ শিশু ধর্ষণের শিকার হয়।
বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরামের পরিচালক আবদুস শহীদ মাহমুদ বলেন, ২০১৭ সালে ৫৯৩ শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে যার মধ্যে ৭০ শিশু গণধর্ষিত হয়েছে। ৪৪ প্রতিবন্ধী বা বিশেষ শিশু ধর্ষিত হয়েছে। ২২ শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে এবং সাত জন ধর্ষণের অপমান সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করেছে। এ ছাড়াও ৭২ শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে। শুধুমাত্র ২০১৭ সালে ৫১ শিশু ইভটিজিং এবং ৯০ শিশু যৌন নিপীড়ন-হয়রানির শিকার হয়েছে। যার মধ্যে ২৫ শিশু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের দ্বারা যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে। সেইসঙ্গে অব্যাহতভাবে বেড়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াতকালে বখাটেদের উৎপাত এবং পর্নোগ্রাফির শিকারের ঘটনা। ২০১৭ সালে বখাটেদের হাতে লাঞ্ছনা, মারধর এমনকি হামলায় জখম হয়েছে ৬২ শিশু এবং প্রতিবাদ বা প্রতিহত করতে গিয়ে বখাটেদের হামলায় আহত হয়েছে ৫০-এর বেশি অভিভাবক।
২০১৬ সালে ৩৫৮৯ শিশু বিভিন্ন ধরনের সহিংসতা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিল, যার মধ্যে ১৪৪১ শিশু অপমৃত্যু এবং ৬৮৬ শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছিল। যেটা ২০১৭ সালে সামগ্রিকভাবে শিশু নির্যাতন-নিপীড়নের ঘটনা বেড়েছে ৭ দশমিক ১৩ শতাংশ, যার মধ্যে শিশু অপমৃত্যু এবং যৌন নির্যাতন বেড়েছে যথাক্রমে ১৮ দশমিক ৬৭ শতাংশ এবং ৩০ দশমিক ৩২ শতাংশ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. গীতি আরা নাসরীন বলেন, নারী নির্যাতনের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, এর সংখ্যাগত ও মাত্রাগত পরিবর্তন হয়েছে। নারীকে আক্রমণের ধরন আরও হিংস্র হয়ে উঠেছে। ব্লেড দিয়ে পোশাক কেটে দেয়া বা গায়ে জ্বলন্ত সিগারেট ফেলে দেয়াসহ বিভিন্ন ভাবে তা প্রকাশ পাচ্ছে।
বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী ও মানবাধিকার কর্মী এডভোকেট এলিনা খান বলেন, ধর্ষণের যে প্রতিবাদ নেই এটা বলা যাবে না। প্রতিবাদ আছে। তবে সেটা কনটিনিউয়াস প্রসেসে না হওয়ায় খুব একটা জোরালো দেখায় না। কারণ ধর্ষণের ঘটনা ধারাবাহিকভাবে একটার পর একটা ঘটেই যাচ্ছে। প্রথম একটি ঘটনা নিয়ে যখন ভিক্টিম ও সাধারণ মানুষ ভয়েস রেইস করে তার রেস কাটতে না কাটতে আবার নতুন কোন ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে চাপ ও ক্ষোভ থাকলেও সেটা তারা অনুকূল পরিবেশের অভাবে প্রকাশ করতে পারে না। ফলে আন্দোলন, বিচার কার্যক্রম, গ্রেপ্তার, সবকিছুতেই ঢিলেঢালা ভাব দেখা যায় এবং ভিক্টিম সঠিক বিচার পায় না। কখনো কখনো রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাবে দোষীরা পার পেয়ে যায়।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী ব্যারিস্টার সারা হোসেন বলেন, ধর্ষণের প্রতিবাদ হচ্ছে। তবে ধর্ষণটা হচ্ছে অনেকটা ক্ষমতাহীনদের উপর ক্ষমতাসীনদের শক্তি খাটানোর মতো। ধর্ষণ বন্ধে বিচারিক তদন্ত প্রক্রিয়ায় মধ্যে কোনো সমস্যা আছে কি না এবং ধর্ষণের শিকার ব্যক্তিকে কেমন আইনি সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে তার উপর নির্ভর করে। ধর্ষণের প্রতিবাদটা শুরুতে হলেও শেষ পর্যন্ত আর থাকে না। একটা পর্যায়ে গিয়ে থেমে যায়। এক্ষেত্রে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রতিবাদ বা আন্দোলনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে।
বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মোস্তফা সোহেল বলেন, ধর্ষণের বিরুদ্ধে দেশের সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলো ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে সম্প্রতি পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে যেভাবে আইন হয়েছে যে, শিশু ধর্ষণের একমাত্র শাস্তি হচ্ছে ধর্ষককে সঙ্গে সঙ্গে ফাঁসি দেয়া। একইভাবে বাংলাদেশেও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।
বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট ব্লাস্ট-এ কর্মরত আইনজীবী শারমিন আক্তার বলেন, ধর্ষণের বিষয়ে কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রতিবাদ থাকলেও পাবলিকলি সেটা নেই। অনেকেই এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে চাইলেও সাহস পায় না। সাধারণ মেয়েরা রাস্তায় না নামলেও ইদানীং ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সোচ্চার হয়ে উঠেছে। ধর্ষণ নামক ব্যাধি দূর করার জন্য সর্বপ্রথম যে বিষয়টা বেশি দরকার তা হলো পারিবারিক শিক্ষা। শিশু বয়স থেকেই যদি নারীদের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ তৈরি করতে পারিবারিক শিক্ষায় উদ্বদ্ধ করা হয় তাহলে হয়তো ধর্ষণ বহুলাংশে কমে আসবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইতিহাসের সাক্ষী হতে নির্ঘুম রাত by কাজী সোহাগ

তাদের কেউ যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী, আবার কেউ বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন। তারা জানান, কেনেডি স্পেস সেন্টারের দু’টি স্থান থেকে দর্শনার্থীদের জন্য স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ সরাসরি দেখার ব্যবস্থা ছিল। একটি স্থান অ্যাপোলো বা স্যাটার্ন-৫ সেন্টার, উৎক্ষেপণস্থল থেকে যার দূরত্ব ৬ দশমিক ২৭ কিলোমিটার। এ ছাড়া কেনেডি স্পেস সেন্টারের মূল দর্শনার্থী ভবন (মেইন ভিজিটর কমপ্লেক্স) থেকেও স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ দেখার ব্যবস্থা ছিল। উৎক্ষেপণস্থল থেকে এটির দূরত্ব ১২ কিলোমিটার। গণমাধ্যমকর্মীরা জানান, বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় সকালে বাংলাদেশের গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে যাওয়া হয় লঞ্চিং প্যাড, স্যাটেলাইট ও রকেট পরিদর্শনে। একই সময়ে লঞ্চিং প্যাড দেখতে আসেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়, তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদসহ বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিদলের সদস্যরা। এদিকে, বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের উৎক্ষেপণ স্থগিত হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি-বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। উৎক্ষেপণের মোক্ষম সময়ের জন্য অপেক্ষা করা খুবই সাধারণ বিষয় এবং এ নিয়ে চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই বলে তিনি জানান ওই পোস্টে।
বাংলায় দেয়া পোস্টে সজীব ওয়াজেদ জয় লিখেছেন, উৎক্ষেপণের শেষ মুহূর্তগুলো কম্পিউটার দ্বারা সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়। হিসাবে যদি একটুও এদিক-সেদিক পাওয়া যায়, তাহলে কম্পিউটার উৎক্ষেপণ থেকে বিরত থাকে। আজ যেমন নির্ধারিত সময়ের ঠিক ৪২ সেকেন্ড আগে নিয়ন্ত্রণকারী কম্পিউটার উৎক্ষেপণের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে। স্পেসএক্স সবকিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে আগামীকাল (শুক্রবার) একই সময়ে আবারও আমাদের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ বহনকারী রকেটটি উৎক্ষেপণের চেষ্টা চালাবে। যেহেতু এই ধরনের বিষয়ে কোনো ঝুঁকি নেয়া যায় না, সেহেতু উৎক্ষেপণের মোক্ষম সময়ের জন্য অপেক্ষা করা খুবই সাধারণ বিষয়, চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। তিনি এ নিয়ে ইংরেজিতেও পোস্ট দিয়েছেন। বিটিআরসি জানিয়েছে, সাধারণত স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠানোর ক্ষেত্রে সব সময়ই একটি অতিরিক্ত দিন হাতে রাখা হয়। কারণ, প্রথম দিন কোনো সমস্যা হলে যাতে দ্বিতীয় দিনটি কাজে লাগানো যায়। আগে থেকেই স্পেসএক্স জানিয়ে রেখেছিল, দ্বিতীয় দিনটি (ব্যাকআপ ডে) শুক্রবার। এদিকে উৎক্ষেপণ স্থগিতের পর পরই সংবাদ সম্মেলন করেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ।
তিনি বলেন, আপনাদের মনে রাখতে হবে স্যাটেলাইট ও রকেট সবকিছু কম্পিউটার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। এখানে মানুষের হাত দেয়ার কোনো উপায় নাই। কম্পিউটারেই বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। সেই সিস্টেমের মধ্যেই হঠাৎ সামান্য ত্রুটি দেখা দেয়। স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের দায়িত্বে থাকা স্পেসএক্স-এর বরাত দিয়ে জানানো হয়, ভালো খবর হলো- স্যাটেলাইটও ঠিক আছে, রকেটও ঠিক আছে, সেখানে কোনো সমস্যা নেই। তবে গ্রাউন্ড সিস্টেমে সামান্য একটু ত্রুটি দেখা গেছে। এ কারণে রিজার্ভ ডে শুক্রবার আবার তারা উৎক্ষেপণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মহাকাশে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট উড়ানোর প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছিলো। বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের মধ্যদিয়ে ৫৭তম দেশ হিসেবে স্যাটেলাইটের মালিক দেশগুলোর অভিজাত ক্লাবে যুক্ত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। স্পেসএক্সের যে মহাকাশযানে করে স্যাটেলাইটটি মহাকাশে যাবে, সেটি হলো ফ্যালকন ৯ ব্লক ৫। দু’টি পর্যায়ে এ উৎক্ষেপণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার কথা। প্রথম পর্যায়টি সম্পন্ন হতে সময় লাগবে ১০ দিন এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে লাগবে ২০ দিনের মতো। বিটিআরসি জানিয়েছে, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ইন্টারনেট ও টেলিযোগাযোগ সেবার সমপ্রসারণ করা সম্ভব হবে। দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবিলা ও ব্যবস্থাপনায় নতুন মাত্রা যোগ হবে। স্যাটেলাইটভিত্তিক টেলিভিশন সেবা ডিটিএইচ (ডিরেক্ট টু হোম) ও জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কাজেও এ স্যাটেলাইটকে কাজে লাগানো যাবে। মহাকাশে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের অবস্থান হবে ১১৯ দশমিক ১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে। এই কক্ষপথ থেকে বাংলাদেশ ছাড়াও সার্কভুক্ত সব দেশ, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, মিয়ানমার, তাজিকিস্তান, কিরগিজস্তান, উজবেকিস্তান, তুর্কমিনস্তান ও কাজাখস্তানের কিছু অংশ এই স্যাটেলাইটের আওতায় আসবে। দেশের প্রথম এ স্যাটেলাইট তৈরিতে খরচ ধরা হয় ২ হাজার ৯৬৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে ১ হাজার ৩১৫ কোটি টাকা বাংলাদেশ সরকার ও বাকি ১ হাজার ৬৫২ কোটি টাকা ঋণ হিসেবে নেয়া হয়েছে। এ ঋণ দিয়েছে বহুজাতিক ব্যাংক এইচএসবিসি। তবে শেষ পর্যন্ত প্রকল্পটি বাস্তবায়নে খরচ হয়েছে ২ হাজার ৭৬৫ কোটি টাকা।
বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের মূল অবকাঠামো তৈরি করেছে ফ্রান্সের মহাকাশ সংস্থা থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেস। স্যাটেলাইট তৈরির কাজ শেষে গত ৩০শে মার্চ এটি উৎক্ষেপণের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় পাঠানো হয়। সেখানে আরেক মহাকাশ গবেষণা সংস্থা স্পেসএক্সের রকেটে করে স্যাটেলাইটটি শুক্রবার রাতে মহাকাশে যেতে পারে। স্যাটেলাইট তৈরি এবং ওড়ানোর কাজটি বিদেশে হলেও এটি নিয়ন্ত্রণ করা হবে বাংলাদেশ থেকেই। এজন্য গাজীপুরের জয়দেবপুরে তৈরি গ্রাউন্ড কনট্রোল স্টেশন (ভূমি থেকে নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা) স্যাটেলাইট নিয়ন্ত্রণের মূল কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে। আর বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হবে রাঙ্গামাটির বেতবুনিয়া গ্রাউন্ড স্টেশন। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটে ৪০টি ট্রান্সপন্ডার থাকবে, যার ২০টি বাংলাদেশের ব্যবহারের জন্য রাখা হবে এবং বাকিগুলো ভাড়া দিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব হবে। এক্ষেত্রে নেপাল, মিয়ানমার ও ভুটানের কাছে স্যাটেলাইট সেবা দিয়ে প্রায় পাঁচ কোটি টাকা আয়ের সম্ভাবনা দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজকীয় ক্ষমা পাচ্ছেন আনোয়ার ইব্রাহীম

খবরে বলা হয়, মালেশিয়ায় মাহাথির মোহাম্মদের ঐতিহাসিক বিজয়ের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। ২০১৫ সালে আনোয়ার ইব্রাহিমকে উদ্দেশ্যমূলক একটি মামলায় কারাগারে পাঠান প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজ্জাক। সাজা শেষে এ বছরের জুনে তার মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু মাহাথিরের রাজনীতিতে প্রত্যাবর্তন ও নজিরবিহীনভাবে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার ফলে নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই মুক্তি পেতে যাচ্ছেন আনোয়ার।
শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে মাহাথির বলেন, বিরোধী জোটের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের সময় রাজা আভাস দিয়েছেন যে, আনোয়ার ইব্রাহীমের সাজা দ্রুতই মওকুফ করা হবে। আর রাজার পক্ষ থেকে ক্ষমা ঘোষণার অর্থ হলো, তিনি আবারো রাজনীতিতে অংশ নিতে পারবেন। রাজকীয় ক্ষমা না পেলে তাকে কমপক্ষে পাঁচ বছর রাজনীতিতে নিষিদ্ধ থাকতে হতো। মাহাথির বলেন, তার ক্ষমা প্রাপ্তির প্রক্রিয়া আমরা দ্রুতই শুরু করবো। ক্ষমার পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি মুক্তি পাবেন। এছাড়া, শনিবারের মধ্যে ১০ সদস্যের মন্ত্রিসভা চূড়ান্ত করা হবে বলে জানান মাহাথির।
উল্লেখ্য, আগের মেয়াদে মাহাথিরের উপপ্রধানমন্ত্রী ছিলেন আনোয়ার ইব্রাহীম। পরে তাদের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়। ১৯৯৮ সালে দুর্নীতি ও সমকামিতার অভিযোগে আনোয়ারকে জেলে প্রেরণ করেন মাহাথির। কিন্তু দুর্নীতিগ্রস্ত নাজিব রাজ্জাককে উৎখাত করতে আবারো মিত্রে পরিণত হন আনোয়ার ও মাহাথির। ঐতিহাসিক নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজ্জাককে পরাজিত করেন তারা। বৃহস্পতিবার রাতে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন মাহাথির। বন্দী অবস্থায় হাসপাতালের বেডে শুয়ে টেলিভিশনে মাহাথিরের শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠান দেখেন আনোয়ার। রাজকীয় ক্ষমা পেলে তার হাতেই প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব অর্পণ করবেন প্রবীণ মাহাথির মোহাম্মদ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দেশে দুই লাখ নার্সের ঘাটতি by ফরিদ উদ্দিন আহমেদ

দিবসটি সামনে রেখে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ নার্সেস অ্যাসোসিয়েশন বলেছে, স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে নার্স হচ্ছে একক ও সর্ববৃহৎ পেশা। দক্ষ নার্সদের গুরুত্ব অপরিহার্য। নার্সদের বিদ্যমান সমস্যা সমাধানে সরকারকে জরুরি উদ্যোগ নেয়ার কথাও বলেছে সংগঠনটি। সূত্র মতে, দেশে ২০১০ সালে প্রায় দুই হাজার জন নার্স, ২০১৩ সালে ৪১শ’ জন, এবং ২০১৬ সালে প্রায় ১০ হাজার নার্সকে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ দেয়া হলেও এখনো রোগীর তুলনায় নার্সের সংখ্যা কম রয়েছে। আরো প্রায় ৫ হাজার সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। যে হারে দিন দিন রোগী বাড়ছে সে অনুযায়ী হাসপাতালগুলোতে নার্স নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রায় দুই লাখ নার্সের ঘাটতি রয়েছে। স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোতে চিকিৎসক ও নার্সের আনুপাতিক হার হওয়ার কথা একজন চিকিৎসক থাকলে নার্স থাকবেন তিনজন। কিন্তু আমাদের দেশে চিকিৎসকের তুলনায় নার্সের সংখ্যা অনেক কম। তিনজন রোগীর বিপরীতে একজন নার্স থাকার কথা। সেখানে চিত্র উল্টো। কোনো কোনো হাসপাতালে ২০ জন রোগীর বিপরীতে নার্স মাত্র একজন। এ ছাড়া নার্সদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে প্রশিক্ষণ প্রদান ব্যবস্থা খুবই নগণ্য। তাদের আবাসনের ব্যবস্থা, ট্রান্সপোর্ট সুবিধা, ভালো কাজের মূল্যায়ন ও মনিটরিংয়ের ভিত্তিতে অনিয়মের জন্য কোনো শান্তির ব্যবস্থা না থাকার কারণে রোগীরা তাদের কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। একই সঙ্গে নার্সরা তাদের এ পেশাকে সেবা নয় চাকরি হিসেবে গণ্য করছেন। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, নার্স সংকট সমাধানে সরকার একযোগে যে নার্স নিয়োগ দিয়েছে তা অনেক প্রশংসনীয়। নার্সিং পেশা অনেক বড় মহৎ পেশা। তবে নার্স হিসেবে দায়িত্ব পালনকারীরা এ পেশাকে সেবা নয়, ‘চাকরি’ হিসেবে গণ্য করছেন। এ সমস্যার উত্তরণে নার্সিং শিক্ষা কোর্সে বিহেভিআর চেঞ্জ কমিউনিকেশন (বিসিসি) বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা দরকার। কারণ, পেশাগত জীবনে দায়িত্ব ও যথোচিত আচার-আচরণ সম্পর্কেও শিক্ষাগ্রহণ করতে হবে নার্সদের।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সূত্র মতে, সারা দেশে সরকারি পর্যায়ে ৬০৩টি এবং বেসরকারি পর্যায়ে ৪ হাজার ২৮০টি হাসপাতাল রয়েছে। এর মধ্যে সরকারি হাসপাতালে ৪৮ হাজার ৮৮১টি, বেসরকারি হাসপাতালে ৭৬ হাজার ৬২০টিসহ মোট এক লাখ ২৩ হাজার ৪৯১টি শয্যা রয়েছে। সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাসেবা নিয়ে থাকেন শয্যার অতিরিক্ত রোগী। কিন্তু সেই তুলনায় দেশে পর্যাপ্তসংখ্যক নার্স নেই।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রোগীদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রয়োজনের সময় নার্সদের ডেকেও সাড়া পাওয়া যায় না। অনেক সময় তারা গল্পগুজব নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। নিজেদের কাজ করতে ওয়ার্ডবয়-আয়াদের নির্দেশ দেয়া হয়। এ ছাড়া আরো নানা অভিযোগ রয়েছে এ মহৎ এই পেশায় নিযুক্ত অনেকের বিরুদ্ধে। তবে কিছু নার্স আছেন তাদের কাজ মহৎ ব্যক্তিদের মতোই। বাংলাদেশ নার্সেস অ্যাসোসিয়েশন (বিএনএ) ১৯৭৪ সাল থেকে বাংলাদেশে দিবসটি পালন করে আসছে। অতীতে ঢাকায় স্বল্প পরিসরে দিবসটি পালিত হলেও বর্তমানে সরকারি বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন ইনস্টিটিউশনে দিবসটি উদযাপন করছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং ঢাকা নার্সিং কলেজের সঙ্গে প্রশংসা সমন্বয় করে বাংলাদেশ নার্সেস অ্যাসোসিয়েশন (বিএনএ) সার্বিক সহযোগিতার দিবসটি পালনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। আধুনিক নার্সিংয়ের প্রবর্তক ফ্লোরেন্স নাইটিংগেলের সেবাকর্মের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তারই জন্মদিন ১২ই মে আন্তর্জাতিক নার্স দিবস পালন করা হয়। ১৮২০ সালের এই দিনে ইতালীর ফ্লোরেন্স শহরে সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন তিনি।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল হাসপাতালের একাধিক চিকিৎসক বলেন, দেশে নার্সিংয়ে শিক্ষার্থীদের আচার-আচরণে পারিবারিক শিক্ষারও অভাব রয়েছে। নার্সিং পেশায় আসা উচিত সেবার লক্ষ্য নিয়ে। কিন্তু আমাদের দেশে যারা আসছেন, তারা চাকরির লক্ষ্য নিয়ে আসছেন। এ ছাড়া এখানে নার্সিং পেশাটি এখনো অনেক অবহেলিত। দক্ষতা ও জ্ঞানের অভাবও রয়েছে। এমনও দেখা গেছে, একজন নার্স একটি বিভাগে কিছু দিন কাজ করার পর যখন দক্ষ হয়ে ওঠেন, তখন তাকে অন্য কোনো বিভাগে সরিয়ে দেয়া হয়। প্রত্যাশিত সেবাপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে শুধু নার্সদের দোষ দিলেই হবে না। রোগী ও স্বজনদেরও দায়িত্ব আছে। কিন্তু তারা অনেক সময়ই নার্সদের তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করেন। একজন নার্সের মেজাজ খারাপ থাকলে ভালো সেবা মিলবে না।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ নার্সেস অ্যাসোসিয়েশন ঢাকা মেডিকেলে কলেজ হাসপাতাল শাখার সভাপতি মোহাম্মদ কামাল হোসেন পাটোয়ারী মানবজমিনকে বলেন, বাংলাদেশে এখনও নার্সের সংকট রয়েছে। চিকিৎসক অনুপাতে দেশে প্রায় দু’লাখ নার্সের সংকট রয়েছে। সংগঠনটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পদক মোহাম্মদ আসাদুজ্জানান জুয়েল বলেন, বাংলাদেশের নার্সদের উন্নয়নে সবচেয়ে বেশি আন্তরিক, নার্স দরদি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তারা আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী আজ জাতীয় নার্সিং উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান, মুগদা-এর শুভ উদ্বোধন করবেন। নেতৃবৃন্দ একই সঙ্গে নার্সদের জন্য একটি বিশ্ববিদ্যালয়েরও দাবি করেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খুলনায় গ্রেপ্তারে নাজেহাল বিএনপি by রোকনুজ্জামান পিয়াস

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দিনের বেলায় প্রচারণায় ব্যস্ত থাকলেও গ্রেপ্তার এড়াতে রাতে আত্মগোপনে থাকছেন নেতাকর্মীরা। এই গ্রেপ্তার অভিযানের বিরুদ্ধে বরাবরই অভিযোগ করে আসছে খুলনা বিএনপিসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। বলছেন, গত একমাসে তাদের প্রায় আড়াই শতাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। এরমধ্যে গত ৪-৫ দিনেই গ্রেপ্তার হয়েছেন শতাধিক নেতাকর্মী। পাশাপাশি বাড়িঘরে তাণ্ডব চালানোর অভিযোগও করছেন তারা। এ ব্যাপারে প্রতিদিনই নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দেয়া হচ্ছে। কিন্তু কোনো প্রতিকার মিলছে না। এ বিষয়ে খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ইউনুচ আলী বলেন, আমরা ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা পুলিশ কমিশনারকে জানিয়ে দিয়েছি। আমরা বলেছি, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছাড়া যেন কাউকে গ্রেপ্তার করা না হয়। অহেতুক হয়রানি করার জন্য যেন কাউকে আটক করা না হয়। এভাবে যাদের আটক করা হয়েছে তাদের যেন ছেড়ে দেয়া হয়। এখন আমরা দেখব পুলিশ কি ভূমিকা পালন করে। খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. হুমায়ুন কবীর দাবি করেছেন, যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তারা মাদকসহ বিভিন্ন মামলার আসামি। তিনি বলেন, হয়রানি করার জন্য পুলিশ কাউকে আটক করছে না।
সূত্র জানিয়েছে, খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে বিএনপি নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার অভিযান চালানো হয়। তবে, সে সময় অভিযান খুব বেশি জোরদার ছিল না। এরপর মনোনয়নপত্র দাখিলের পর গ্রেপ্তার অভিযান কিছুটা জোরদার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। মনোনয়ন প্রত্যাহার, প্রতীক বরাদ্দ ও আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরুর পর অভিযানে আরো গতি আসে। আর নির্বাচনের ঠিক আগ মুহূর্তে বর্তমানে প্রতিদিনই গ্রেপ্তার হচ্ছেন নেতাকর্মীরা। বিএনপি এই গ্রেপ্তারকে গণগ্রেপ্তার বলে আখ্যায়িত করছে। শুধু মহানগরই নয়, জেলা থেকে যেসব নেতাকর্মী শহরে এসে ধানের শীষের পক্ষে প্রচারণায় অংশ নিচ্ছে, নিজ নিজ থানা ও গোয়েন্দা পুলিশ তাদেরকেও গ্রেপ্তার করেছে।
২২শে এপ্রিল থেকে উল্লেখযোগ্য যেসব নেতাকর্মী গ্রেপ্তার হয়েছেন তাদের একটি তালিকা এই প্রতিবেদকের কাছে এসেছে। তবে, মহানগর বিএনপি বলছে, এই তালিকার বাইরেও তাদের অনেক নেতাকর্মী গ্রেপ্তার হয়েছেন। এ ছাড়া মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুর পক্ষে প্রচারণার দায়ে অনেক অরাজনৈতিক ব্যক্তিকেও হুমকি-ধামকি ও মামলা-হামলার ভয় দেখানো হচ্ছে বলে তারা দাবি করেছেন।
২২শে এপ্রিল গ্রেপ্তার হন খুলনা মহানগর বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুদ পারভেজ বাবু। ৩০শে এপ্রিল প্রচারণায় অংশ নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে নগরীর গল্লামারী থেকে ডিবির হাতে গ্রেপ্তার হন বাগেরহাট জেলা যুবদল সভাপতি মেহবুবুল হক কিশোর। ২রা মে রাতে নিজ বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার হন মহানগর বিএনপির প্রচার সম্পাদক ও সোনাডাঙ্গা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মুরাদ। একই রাতে গ্রেপ্তার হন মহানগর যুবদলের সভাপতি মাহবুব হাসান পিয়ারু, সোনাডাঙ্গা থানা বিএনপি নেতা মো. অহেদুজ্জামান, দৌলতপুর থানা বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম মিঠু, দৌলতপুর থানা যুবদল নেতা মো. ফারুক, সদর থানা শ্রমিক দল নেতা আবু তালেব, সদর থানা শ্রমিক দল নেতা ফারুক হোসেন, সদর থানা শ্রমিক দল নেতা গাউস হোসেন, লবনচরা থানা বিএনপি নেতা নাসির হোসেন, খালিশপুর থানার ১০নং ওয়ার্ড বাস্তুহারা ইউনিট বিএনপি নেতা গোলাম মোস্তফা ভূট্টো, খালিশপুর থানা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সান্টু, খালিশপুর থানা যুবদল নেতা শুকুর আলী, খালিশপুর থানা বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম, খালিশপুর থানা যুবদল নেতা সুমন। ৮ই মে রাতে গ্রেপ্তার হন মহানগর বিএনপির সহ-ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক একরামুল কবির মিল্টন, সোনাডাঙ্গা থানার ২০নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন টারজান, সদর থানার ৩০নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আলম হাওলাদার, দৌলতপুর থানা শ্রমিক দল নেতা লোকমান হোসেন।
৯ই মে দুপুরে গোয়েন্দা পুলিশ নিজ বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করে মহানগর বিএনপির সহ-শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আবদুল আজিজ সুমনকে। একইদিন রাতে খালিশপুর থানা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন মহানগর যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুর রহমান রিপন, খালিশপুর থানার ১০নং ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জোহা জিহাদ, খালিশপুর থানার ৯নং ওয়ার্ডের বাস্তহারা ইউনিট বিএনপি নেতা ও মেয়র প্রার্থীর পোলিং এজেন্ট ইকবাল হোসেন, সদর থানার ২৯নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা কামরুল বিশ্বাস, সদর থানার ৩০নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা শুকুর আলী।
৩১নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর হোসেন, খানজাহান আলী থানার ২নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আলী আকবর, মুন্না ও শহিদুল ইসলাম, দৌলতপুর থানার ৩নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা মো. ডালিম ও মো. মাসুদ। বৃহস্পতিবার দিনের বেলা গ্রেপ্তার হন সদর থানার ৩০নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম খোকন, ২৯নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মাহাদী হাসান সুমন, ২২নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা সাহারুজ্জামান মুকুল, সোনাডাঙ্গা থানার ২৬নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা সাজ্জাদ আলী, সদর থানার ২৭নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা গোলাম মোস্তফা মোস্তফা, ৩০নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা শাহ আলম, ২৮নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা তানভীরুল আযম, সোনাডাঙ্গা থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম সাগর, ২৫নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা মোহাম্মদ আরিফ, ২৬নং ওয়ার্ড ছাত্রদল কর্মী শাকিল, ২০নং ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আবু ওয়ারা, ১৮নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা রিয়াজুল কবির, দৌলতপুর থানা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক জাহিদ হাসান খসরু, দৌলতপুর থানা যুবদল নেতা এসএম জসিম, খালিশপুর থানা ছাত্রদল নেতা মামুন পাটোয়ারী, ১৪নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা তৈয়ব আলী, ১০নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোহাম্মদ আবদুল হাই কালু। এ ছাড়া নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেয়ার কারণে রূপসা থানা থেকে গ্রেপ্তার হয়েছেন, জেলা বিএনপির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সাইফুল হাসান রবি, নৈহাটি ৫নং ওয়ার্ড বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মুজিবর রহমান ঝলু, নৈহাটি ১নং ওয়ার্ড বিএনপি সহ-সভাপতি শামসুদ্দোহা জহর, নৈহাটি ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি মো. ইবাদুল, মাহবুবুল আলম মনা, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মোস্তফা উল বারী লাভলু, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা তুহিন, আইচগাতি ইউনিয়ন বিএনপি কর্মী আবদুর রহমান, নৈহাটি ইউনিয়ন বিএনপি কর্মী ফরহাদ, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা জাহাঙ্গীর আহমেদ, বিএনপি নেতা আবদুল আজিজ, জাবুসা ওয়ার্ড বিএনপির সহ-প্রচার সম্পাদক জিয়া সরদার। দিঘলিয়া থানায় গ্রেপ্তার হয়েছেন, ইউপি সদস্য ও থানা বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মোহাম্মদ আলী মিন্টু, ইউপি সদস্য ও বারাকপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক কামাল হোসেন বিশ্বাস, ইউপি মেম্বার ও সাবেক যুবদল নেতা মো. জাকির শিকদার। ডুমুরিয়া থানায় গ্রেপ্তার হয়েছেন, মাগুরঘোনা ইউপি বিএনপি সহ-সভাপতি সরদার আব্দুল মালেক, ইউপি সদস্য ও জেলা বিএনপির স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক বিএম হাবিবুর রহমান হবি, আটলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবদুস সালাম মহলদার, ইউপি সদস্য ও শোভনা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আবদুল কাদের, সাবেক ইউপি সদস্য ও শোভনা ইউপির যুবদলের সাবেক সভাপতি শেখ আবদুর রশিদ, বিএনপি নেতা মহসিন।
দাকোপ থানায় গ্রেপ্তার হয়েছেন চালনা পৌর বিএনপির সভাপতি শেখ আবদুল মান্নান, থানা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক পাপ্পু সাহা, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ননী গোপাল। বটিয়াঘাটা থানা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন, জলমা ইউপি বিএনপির যুুগ্ম সম্পাদক বাদশা।
পাইকগাছায় থানায় গ্রেপ্তার হয়েছেন, ৬নং ওয়ার্ড কপিলমুনি বিএনপি সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হালিম, ৪নং ওয়ার্ড হরিঢালী ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি সাইফুল ইসলাম শফি, ১নং ওয়ার্ড রাঢ়ুলী ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি পীর আলী, ৪নং ওয়ার্ড হরিঢালী ইউনিয়ন বিএনপি নেতা মো. নূর ইসলাম। কয়রা থানা পুলশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন থানা ছাত্রদল যুগ্ম আহ্বায়ক সম্পাদক মো. লিটন প্রমুখ।
খুলনা মহানগর বিএনপির অভিযোগ এর বাইরে আরো অনেক নেতাকর্মী গ্রেপ্তার হয়েছেন নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেয়ার কারণে। এ ব্যাপারে জেলা বিএনপি সভাপতি ও বিএনপির মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুর নির্বাচন সমন্বয়ক শফিকুল ইসলাম মনা বলেন, গ্রেপ্তারের ভয়ে আমাদের অনেক নেতাকর্মী মাঠে নামতে পারছে না। এমনকি নির্বাচনী এজেন্টরাও ভয়ে আত্মগোপনে রয়েছেন। তিনি বলেন, গত একমাসে খুলনার বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রায় আড়াইশ’ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। আর গত ৪-৫ দিনেই গ্রেপ্তার হয়েছেন শতাধিক নেতাকর্মী। মনা বলেন, প্রতিরাতেই থানা পুলিশ ও সাদা পোশাকের পুলিশ নেতাকর্মীদের বাড়িতে হানা দিচ্ছে। অনেক সময় তাদের না পেয়ে তাণ্ডব চালাচ্ছে, পরিবারের সদস্যদের নানারকম হুমকি-ধামকি দিচ্ছে। জেলা বিএনপির শীর্ষ এই নেতা বলেন, এ ব্যাপারে আমরা প্রতিদিনই নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দিচ্ছি, কিন্তু ফলাফল শূন্য।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিলেটের ‘জাপটা সিন্ডিকেট’ by ওয়েছ খছরু

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
May
(700)
-
▼
May 12
(27)
- জিন্নাহকে ‘মহাপুরুষ’ বললেন বিজেপি এমপি সাবিত্রী বা...
- ভাগ্য ফেরাবে ভুট্টা by রফিকুল ইসলাম
- ব্রিটেনে দুর্দশার মুখে হাজারো বাংলাদেশি শিক্ষার্থ...
- ‘সত্য প্রকাশ’ করে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর টার্গেটে চা...
- যুক্তরাষ্ট্র বিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল ইরান
- কোরিয়া সংলাপে ইরান ইস্যু প্রভাব ফেলবে না: জন বোল্টন
- পাকিস্তান-যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক সঙ্কটে!
- ইরান পরমাণু চুক্তি রক্ষায় মরিয়া ইউরোপীয়রা
- কীটনাশকে নষ্ট ১২০ বিঘা জমির কলা
- মমতার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ: আমাকে খুন করতে সুপারি দেও...
- ধানের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত কৃষক by মোশাহিদ আহমদ
- ওয়াশিংটন থেকে দূতাবাস সরিয়ে ফেলুন: মুসলিম বিশ্বকে ...
- ইসরাইলের হুমকি মোকাবেলা করা হবে: লেবাননের তিন শীর্...
- মুসলমানদের অর্জন কাজে লাগিয়ে আজকের অবস্থায় এসেছে প...
- টানা বৃষ্টিতে পচে গেল সয়াবিন ক্ষেত
- দল ও জোট থেকে পদত্যাগ করলেন নাজিব
- রিকশাচালকদের আয় কত? by পিয়াস সরকার
- যেভাবে কক্ষপথে যাবে লাল-সবুজের স্যাটেলাইট by কাজী ...
- যৌন অপরাধের মহামারি জোরালো প্রতিবাদ নেই by মরিয়ম চ...
- ইতিহাসের সাক্ষী হতে নির্ঘুম রাত by কাজী সোহাগ
- রাজকীয় ক্ষমা পাচ্ছেন আনোয়ার ইব্রাহীম
- দেশে দুই লাখ নার্সের ঘাটতি by ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
- খুলনায় গ্রেপ্তারে নাজেহাল বিএনপি by রোকনুজ্জামান প...
- সিলেটের ‘জাপটা সিন্ডিকেট’ by ওয়েছ খছরু
- রাজধানীতে হঠাৎ বেড়েছে খুনাখুনি by শুভ্র দেব
- দেশের প্রতিটি অর্জনে ছাত্রলীগের ভূমিকা রয়েছে
- আরো বেড়েছে পিয়াজের দাম
-
▼
May 12
(27)
-
▼
May
(700)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...



