Monday, November 11, 2019
জাপানে কার্টুন চরিত্রকে বিয়ে করার প্রবণতা বাড়ছে তরুনদের মধ্যে
![]() |
| আকিহিকো এবং মিকু |
কার্টুন চরিত্রের সঙ্গে বিয়ে
![]() |
| ঘরের এক পাশে গ্লাস ক্যাপসুলের ভেতরে থাকে মিকু |
![]() |
| ওটাকু হ'ল একটি জাপানি শব্দ, যার মাধ্যমে সেইসব মানুষকে বোঝানো হয় যারা ভিডিও গেমস এবং অ্যানাইম চরিত্রের প্রতি আসক্ত |
বাস্তব সম্পর্ক থেকে দূরত্ব ক্রমেই বাড়ছে
![]() |
| মিকুর হলোগ্রাফিক অবয়ব |
যেভাবে এই প্রবণতার সূত্রপাত
![]() |
| মিকুর পুতুলকে পাশে নিয়ে ঘুমান আকিহিকো |
আকিহিকো যেভাবে বাস্তব সম্পর্ক থেকে বিচ্ছিন্ন হলেন
![]() |
| মিকুকে দেখার পর যেন প্রাণ ফিরে পান আকিহিকো |
মিকুর আবির্ভাব হল যেভাবে
![]() |
| বিয়ের সার্টিফিকেট হাতে আকিহিকো |
মিকো এবং আকিহিকোর বৈবাহিক সম্পর্ক
আকিহিকো একা ছিলেন না
![]() |
| আকিহিকোর গল্প গণমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার পর অনেক মানুষ একই ধরণের প্রবণতা থাকার কথা জানান |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ক্ষুদে বয়স থেকেই যেসব শিশুরা উপার্জন করছে কোটি কোটি অর্থ

১. রায়ান কাজী
![]() |
| শীর্ষে উঠে এসেছে রায়ান কাজির নাম |
২. কাইল গিয়ার্সডর্ফ
![]() |
| কাইলি গিয়ার্সডর্ফ |
৩. এভারলেয় রোজ সুটাস
![]() |
| মায়ের সঙ্গে এভারলেয় রোজ সুটাস |
৪. সোফিয়া গ্রেস ব্রাউনলি
![]() |
| সোফিয়া গ্রেস ব্রাউনলি |
৫. মিলা ও এমা স্টাফার
![]() |
| মিলা এবং এমা স্টাফার বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সাথে কাজ করেন |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তাইজুদ্দিনের হালচাল by তারিক ফিজার

বাবা! আমার পোলাটা না খেয়ে মরবে। সের আধেক চাউল দাও না। কাজ নিব সামনে, মাইনে পেয়ে সুদসহ দিব খুব আকুল স্বরে বলল তাইজুদ্দিন।
শোনা মাত্রই তালুকদার ভ্রু কুঁচকে তাচ্ছিল্যের সুরে বলল, ‘অ্যা, সুদ সহ দিবে! সালা, গত মাসের পাঁচশ টাকা বাকি! টাকা শোধ করবি কবে? ট্যাকনিক তো ভালোই শিখছিস। জমাজমি নাই? জমাজমি থাকলে কিছু, বল।’
খুব অবাক হলো তাইজুদ্দিন। বলে উঠল, ‘পাঁচশ টাকা মানে! আমি তো পাঁচশ টাকার জিনিস নেই নাই।’ তালুকদার চোখ লাল করে রাগান্বিত হয়ে উত্তর দিল, ‘সাড়ে তিনশ টাকার সুদ দেড়শ টাকা। এই হলো হিসাব। সালা, মুর্খের বাচ্চা।’
তাইজুদ্দিন কাঁদো কাঁদো চোখে দোকানের সামনে থেকে চলে গেল। সন্ধ্যার আজান পড়ে গেছে। তাইজুদ্দিন শত চেষ্টা করেও রান্নার জন্য কিছু চাউল সংগ্রহ করতে পারল না। বাড়ি ফেরার পথে করিম ব্যাপারীর সঙ্গে দেখা। তাইজুদ্দিনের ছেলে বেলার বন্ধু। তাইজুদ্দিন বলল, কোথায় যাচ্ছো, করিম?
করিম ব্যাপারী উত্তর দিল, ‘এই তো নামাজ পড়লাম, ভাই। কিছু বলবা?’
তাইজুদ্দিন কিছু না ভেবে হুটহাট বলে ফেলল, ‘কিছু চাউল কর্য দিতে পারবা, করিম? পোলাডার খুব অসুখ।’
করিম ব্যাপারীর মুখে মুচকি হাসি।
‘দিন কাল যা পড়ছে, এই সন্ধ্যা বেলায় চাউল দিতে হবে অন্যের ঘরে। সমাজ, ধর্ম বলে কিছু নাই দুনিয়ায়, বলল করিম ব্যাপারী। তাইজুদ্দিন আবারো বলে উঠল, আমার পোলাডার অসুখ, না খাইলে মইরা যাবে। যদি পারো...
করিম ব্যাপারী মুখ কালো করে উত্তর দিল, সন্ধ্যায় চাউল কর্য দিবে কে? অন্য সময় কইতে পারো নাই, মিয়া?
তাইজুদ্দিনের বুকের ভেতর হাহাকার করে উঠল। খালি হাতে বাড়ি যেতে হচ্ছে তাকে। ছেলেকে কি বলবে, বুঝে আসছে না। বাবা হিসাবে নিজেকে খুব অপরাধী মনে হচ্ছে। তাইজুদ্দিন বাড়ি এসে দেখে ছেলে ঘুমিয়ে পড়েছে। বিছানার সঙ্গে মিশে যাওয়া সন্তানের কোমল দেহখানা দেখে তাইজুদ্দিনের মনটা বিষণ্নতায় ভরে উঠল। অতীতের কথা মনে হলো তার। মনে হতে লাগল জীবনের সবচেয়ে করুণ মুহূর্তের কথা। তাইজুদ্দিন তখন যুবক। সবেমাত্র বিয়ে করে স্ত্রীকে নিয়ে নতুন সংসার গড়েছে। নিজের নামে দুই বিঘা আবাদি জমি, বাড়ি ভিটে এবং গোয়ালভরা গরু। খুব ভালোভাবেই কাটছিল জীবন। একদিন সন্ধ্যায় মাঠের কাজ শেষ তাইজুদ্দিন বাড়ি ফিরেছে। ঘরে ঢুকতেই দেখতে পেল তাইজুদ্দিনের এক দূর সম্পর্কের বোন তাইজুদ্দিনের স্ত্রীর মাথায় পানি ঢালছে।
তাইজুদ্দিন বলে উঠল, ‘কি হইছে? এই দুপুরেই তো ভাল দেইখা গেলাম।’ বোন উত্তর দিল, ‘পোয়াতি মাইয়া, কখন কি হইয়া যায় বলা যায় নাকি? কবিরাজ রে খবর দেন। অবস্থা ভাল না। খুব জ্বর গায়ে, পুইড়া যাইতাছে শরীল।’
তাইজুদ্দিন দেরি না করে কবিরাজ কে খবর দিল। কবিরাজ কিছুক্ষণ ঝাড়ফুঁক করে ভালো হবে এই আশ্বাস দিয়ে চলে গেল। কিন্তু কবিরাজের ঝাড়ফুঁক কোনো কাজে দিল না। অসুস্থতা যেন আরো দ্বিগুণ হারে বাড়তে লাগল। শেষমেশ ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হল। গরু পাঁচেক বিক্রি করে ভালো একটা হাসপাতালে ভর্তি করানো হলো স্ত্রীকে। এভাবে কিছুদিন চলার পর ডাক্তার বলে দিল ক্যান্সার হয়েছে, লাখ দুই টাকা লাগবে। তাইজুদ্দিন মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ল। তালুকদারের কাছে টাকা চাইল। তালুকদার বলল, ‘টাকা দিব কিন্তু জমি দিতে হবে।’ তাইজুদ্দিন বলল, ‘ওই দুই বিঘা ছাড়া কিছু নাই আমার। বিক্রি করলে খাব কি?’
‘আমি অতকিছু বুঝি নে। টাকা নাই আমার কাছে’, তালুকদার নির্দয় ভাবে বলল। অনেক কাকুতিমিনতি করেও কাজ হলো না। জমি বিক্রি করে টাকা নিয়ে শহরের দিয়ে রওনা হলো। হাসপাতালে গিয়ে টাকা দিলে সেই রাতেই অপারেশন হয়। সকালে খবর পেল অপারেশন করেও নাকি কোনো লাভ হয়নি। তাইজুদ্দিনের স্ত্রী মারা গেছে।
হাসপাতালের মধ্যেই তাইজুদ্দিনের সে কি চিত্কার! তাইজুদ্দিন লাশ নিয়ে চলে আসে গ্রামে। গ্রামের মুরব্বিরা বলে, আহারে! একটা পোলা রাইখা চইলে গেল! তাইজুদ্দিন উত্তর দেয়, হ, এখন আমি এই পোলাডারে নিয়া কই যামু। আমার আর কেউ থাকল না। সেই দুঃখের ইতিহাস তাইজুদ্দিন আজও ভুলতে পারে না। বুকের মধ্যে যেন বার বার বেজে ওঠে তার। ভোর ছয়টা। তাইজুদ্দিন ঘুম থেকে উঠেছে। ছেলেটার কথা চিন্তা করে সারারাত ঘুম হয়নি তার। গোয়াল থেকে গরু বের করে তাইজুদ্দিন। গরুগুলো অন্যের থেকে নেয়া। গাই থেকে বাছুর জন্ম নিলে, বাছুরের অর্ধেক ভাগ তাইজুদ্দিনের। তাইজুদ্দিন হঠাত্ টের পায় ছেলেটা ঘুম থেকে উঠে পড়েছে। তড়িঘড়ি করে ছেলের কাছে যায় সে। বলে উঠে, বাবা, ঘুম শেষ হইছে?
তাইজুদ্দিনের ছেলে উত্তর দেয়, ‘আব্বা,ভাত খাব।’
তাইজুদ্দিনের মুখটা কালো হয়ে যায় ছেলের কথায়। তাইজুদ্দিন বলে, বাবা, এত সকালে ভাত খাওয়া ঠিক না। ঘরে মুড়ি আছে। মুড়ি দেব?
না, খাব না মুড়ি, উত্তর দেয় ছেলেটা। তাইজুদ্দিন বলে, আজ দিনমজুরি দিব। ভাত খাইতে পারবা, বাবা। তুমি ঘুমাও এখন। আমি কামে গেলাম, ঘুম থেকে উইঠা তোমার কাগজী খালার বাড়ি যাবা। সন্ধ্যা হইলেই বাড়ি ফিরবা কিন্তু তাইজুদ্দিনের ছেলে উত্তর দেয়, ঠিক আছে, আব্বা।
তাইজুদ্দিন ছেলেকে সান্ত্বনা দিয়ে ছুটতে থাকে গঞ্জের বাজারে। যেভাবেই হোক টাকা জোগাড় করতেই হবে। কাজ একটা পেয়েও যায়। বিল্ডিং এ ইট টানার কাজ। সারাদিন কাজ করে দুইশ টাকা নিয়ে বাড়ির দিকে রওনা হয় তাইজুদ্দিন। যাওয়ার পথে তালুকদারের দোকান থেকে চাউল, ডাল নেয়।
তালুকদার বলে, ‘আজ না হয় কাম পাইছো। পরে কি করবা!’
তাইজুদ্দিন উত্তর দেয়, গরিব মানুষের আল্লা আছে। তাইজুদ্দিন ঘরে ফেরে। গিয়ে দেখে ছেলেটা নেই। মনে মনে বলে, এখনো ফেরে নাই কাগজীদের বাড়ি থাইকা! এক দৌড়ে কাগজীদের বাড়ি যায় তাইজুদ্দিন। গিয়ে দেখে কাজ করছে কাগজী। তাইজুদ্দিনকে দূর থেকে দেখেই জিজ্ঞাস করে, কেমন আছেন, ভাই?
তাইজুদ্দিন বলে ওঠে, আমি ভাল। আমার পোলাডা তো বাড়ি যায় নাই এখনো। কই গেছে?
কাগজী জবাব দেয়, কই! ও তো আসে নাই আজ। কথা শুনে তাইজুদ্দিনের পা থেকে যেন মাটি সরে গেল।
তাইজুদ্দিন আবারও বাড়ি যায়। আশপাশের সব বাড়িতে খোঁজ নেয়। কোথাও নেই। মাথায় কিছুই কাজ করছে না তাইজুদ্দিনের। প্রতিবেশী কিছু বয়োজ্যেষ্ঠ মহিলা এসে সান্ত্বনা দেয়ার চেষ্টা করে। কেউ বলে, কাল সকালে মাইক মারতে হবে। এছাড়া উপায় নাই। পরদিন সকালে বিছানা থেকে উঠেই কেমন যেন হৈহুল্লোড় শুনতে পায় তাইজুদ্দিন। কিছু বুঝে ওঠার আগেই একজন তাইজুদ্দিনকে বলে, ‘ভাই, পুকুর ঘাটে যান।’
তাইজুদ্দিন এক দৌড়ে পুকুর ঘাটে যায়, গিয়ে দেখে সহস্র মানুষের ঢল। তাইজুদ্দিনের মায়ের বয়সী একজন মহিলা তাইজুদ্দিনের দিকে তাকিয়ে বলে, ‘হায় হায়, একটা মাত্র পোলা! কই যাস ওরে রাইখা? শুনলাম, দুইবেলা ভাত খাওয়াইতেও নাকি পারস নাই। এখন আর ভাত ভাত করবে না।’
তাইজুদ্দিনের মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ে। মহিলার কথাগুলো ঘোড়ার ক্ষুরের মতো বুকে এসে বিধে তার।
‘আমার বাবা!’ বলে জোরে একটা চিত্কার দেয় তাইজুদ্দিন। আকাশ বাতাস যেন থমকে যায় তাইজুদ্দিনের চিত্কারে। তাইজুদ্দিনের বন্ধু করিম ব্যাপারী এসে তাইজুদ্দিনকে বলে, ‘পা পিছলে হয়তো পুকুরে পড়ে গেছে। সবই খোদার ইচ্ছে। কখন যে কারে নেয়, কেউ জানে না।’
মুখে কোন কথা নাই, পাথর হয়ে গেছে তাইজুদ্দিন। তাড়াতাড়ি করে কয়েকটা যুবক লাশটা পানি থেকে ডাঙায় নিয়ে আসে, গোসল করায়। দুপুরেই জানাজা পড়ে, তারপর গোরস্থানে। তাইজুদ্দিন তখনও নিস্তব্ধ, কোন কথা নেই মুখে। চোখ বেয়ে শুধু অশ্রু ঝরে অবিরত। অবশেষে ছেলের কবরে মাটি দিয়ে বাড়ি ফেরে তাইজুদ্দিন।
সেই রাতে অদ্ভুত এক স্বপ্ন দেখে তাইজুদ্দিন। দেখে, ছেলেটা তাইজুদ্দিনের হাত ধরে গঞ্জের বাজারে যাচ্ছে। যাওয়ার পথে কোমল মুখে বলতে বলতে যাচ্ছে, ‘আব্বা, আজকে আমরা মাছের ঝোল দিয়ে ভাত খাইমু, পোলাও খাইমু, মাংস খাইমু’। ঘুম ভেঙে যায় তাইজুদ্দিনের। টের পায় চোখ বেয়ে দর দর করে অশ্রু ঝরছে।
কারও কাছেই যেন পৌঁছায় না তার এই কান্নার স্বর। কোন এক গহিন অরণ্যে মিলিয়ে যায় তাইজুদ্দিন এবং তার জীবনের এই দুঃখময় হালচাল।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গুপ্তচর কবুতর, কাক আর ডলফিনের কথা শুনেছেন?
![]() |
| কবুতর ছিল সবচাইতে কার্যকর গুপ্তচর |
কী করতো এই গুপ্তচরেরা?
![]() |
| কাক প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছিলো জানালায় গোপন মাইক ফেলে আসার জন্য |
সবচেয়ে সফল গুপ্তচর কবুতর
![]() |
| যুদ্ধ চলাকালীন তথ্য আদান প্রদানে হাজার বছর ধরে কবুতর ব্যবহৃত হচ্ছে। |
![]() |
| সাম্প্রতিক সময় মার্কিন নৌবাহিনী মাইন অপসারণের ডলফিন ব্যবহার করেছে |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্কুলের দারোয়ান থেকে যেভাবে প্রধান শিক্ষক হলেন তিনি
তার যাত্রা সবসময় এতোটা সোজাসাপ্টা ছিল না, তবে কিছু বন্ধুত্বপূর্ণ নির্দেশনার জন্য তিনি এখনও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। যেই দরজা তিনি এক সময় পরিষ্কার করতেন, আজ সেই দরজাই তার জন্য খুলে দেয়া হয়েছে শিক্ষা বিস্তারের জন্য। ডেনভারের লোয়ারি এলমেন্টারি স্কুলে চাকরির আগে, মাইকেল স্থানীয় কয়েকটি স্কুলের রক্ষী বা কেয়ারটেকার হিসেবে কাজ করতেন।
তিনি যে এলাকায় বড় হয়েছেন এখন তিনি সেখানকারই একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষক হয়েছেন। তিনি যখন স্কুলে পড়তেন তখন পড়ালেখা করাটা তিনি উপভোগ করলেও কিছু বিষয় মানিয়ে চলা তার জন্য কঠিন হয়ে পড়ে।
কারণ তিনি বুঝতে পারতেন যে কিছু শিক্ষক ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে ভেদাভেদ করতেন। তারা কোথা থেকে এসেছে, তারা দেখতে কেমন, এমন কিছু বিষয়ের ভিত্তিতে তারা শিক্ষার্থীদের মধ্যেই পার্থক্য করতেন।
"স্কুলিং আমার জন্য অনেকটা মাথা নিচু করে সব সহ্য করার মতো বিষয় ছিল," এমনটাই জানান মাইকেল। হাইস্কুল ছাড়ার পর যথাযথ নির্দেশনার অভাবে দিশাহারা হয়ে পড়েন মাইকেল।
"উচ্চশিক্ষা কিভাবে গ্রহণ করতে হয় সেটা দেখানোর জন্য কেউ ছিল না। আমার পরিবারেরও আমাকে গাইড করার মতো অবস্থা ছিল না।"
কাজেই তিনি চাকরির পাশাপাশি স্টেট কলেজে ভর্তি হন। তার দ্রুত অর্থ উপার্জন করা জরুরি হয়ে পড়ে। কেননা তিনি ১৯ বছর বয়সেই বাবা হয়েছিলেন। তিনি একটা কাজ খুব ভাল পারতেন। সেটা হল শিশুদের সঙ্গে তিনি সহজেই মিশে যেতে পারতেন।
এই দক্ষতা তিনি শিখেছেন তার মায়ের কাছ থেকে। কারণ তার মা, ডে কেয়ার সেন্টারে কাজ করতেন। এজন্য তিনি কাছের একটি স্কুলে পার্টটাইম ব্যবসা শিক্ষার ক্লাস করতে যান। সেইসঙ্গে সেখানকার সহকারী শিক্ষক পদে চাকরির আবেদনও করেন।
তিনি শিক্ষকের পদে চাকরিটা না পেলেও কোনভাবে বিভিন্ন স্কুলের তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে কাজ শুরু করেন। এমন একটি স্কুলের প্রিন্সিপাল ছিলেন তার দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষিকা।
"তিনি আমাকে দেখেই আলিঙ্গন করেন, আমার পরিবারের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন। আমি তাকে বললাম আমি বাচ্চাদের সাথে কাজ করতে চাই।"
সেখানে থেকে, ক্যারোলিন রেইডলিন - যাকে স্কুলে থাকাকালীন মিসেস ব্রাউন বলে ডাকা হত - তিনি, মাইকেলের জন্য স্কুলের রিডিং ও রাইটিং প্যারা প্রফেশনালের পদ তৈরি করেন।
"তিনি আমার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাওয়া শিক্ষকদের মধ্যে এমন একজন ছিলেন, যিনি আমার মধ্যে কয়েকটি ভাল জিনিস বপন করতে পেরেছেন।"
"তার মধ্যে দুটি হল - আত্মসম্মানবোধ এবং ভালবাসা। তিনি খুব যত্নশীল ছিলেন। তিনি স্কুলের তথাকথিত পড়ালেখার বাইরেও অনেক প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতেন। যেগুলো অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিল," বলেন মাইকেল।
তিনি বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার মতো সামাজিক ও মানসিক বিকাশ এবং কল্যাণের শিক্ষাও গুরুত্বপূর্ণ।
"যদি আমাদের সন্তানদের, তাদের পরিচয়, সংস্কৃতি, আত্মসম্মানের সঙ্গে লড়াই করে চলতে হয় তবে তাদের পক্ষে পড়ালেখা করাটা কঠিন হয়ে পড়ে।"
"যে শিশুটিকে খারাপ অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে বা যার বড় ধরণের ট্রমা কাজ করে তাকে বসিয়ে একাডেমিক বিষয়ে আর দশটা বাচ্চার মতো শেখানো এতোটা সহজ হয় না।"
মাইকেল চলতি মাস থেকেই স্টেডম্যান এলমেন্টারি স্কুলের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করছেন। তারপর থেকে অসংখ্য মানুষ তাকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অভিনন্দন জানাতে শুরু করে।
মাইকেল মনে করেন, তার প্রথম সন্তান সেই সঙ্গে তার অতীতের অভিজ্ঞতা কাজ তাকে সফলতার পথে হাঁটতে ও আরও সংগ্রাম করার ক্ষেত্রে সাহায্য করেছে।
"মাঝে মাঝে ভাগ্য আমাদের সহায় হয় না। কিন্তু কঠোর পরিশ্রম ও মনোযোগের মাধ্যমে সবই সম্ভব। সেক্ষেত্রে শুধুমাত্র নিজের মনের কথাই শুনতে হয়," -এমনটাই বলেন মাইকেল।
এখন যুক্তরাষ্ট্রের নানা প্রান্তের শিক্ষকরা মাইকেলের স্কুল ঘুরে দেখতে চান। তারা মাইকেলের কাছে পরামর্শ চান যে, কোন ছাত্রকে সংগ্রাম করতে দেখলে তারা কি করবেন।
জবাবে মাইকেল বলেন, যে কঠিন সময় পার করছে তার আশেপাশে যারা আছে, তাদের টার্গেট করা উচিত। তাদের আচরণ লক্ষ্য করতে হবে।
"আমি শিক্ষার্থীদের বাবা-মা এবং শিক্ষকদেরকে বলবো তারা যেন শিশুদের নিজেদের মূল্যায়ন করার শিক্ষা দেন, যেন তারা শিক্ষা জীবন ও সংস্কৃতি উপভোগ করতে পারে।" >>>নয়া দিগন্ত,
![]() |
| যেই দরজা তিনি এক সময় পরিষ্কার করতেন, আজ সেই দরজায় মাইকেল এটকিন্সের জন্য খুলে দেয়া হয়েছে শিক্ষা বিস্তারের উদ্দেশ্যে - সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভিয়েতনামের যুদ্ধ জাদুঘর, ঘুরে দাঁড়ানোর সাক্ষী by তপন চক্রবর্তী

বহুতল জাদুঘরের ভেতরে বাইরে ভয়ংকর সব মারণাস্ত্র সাজানো। অস্ত্র, গোলাবারুদ তো আছে। চোখে পড়লো আস্ত ট্যাংকার আর যুদ্ধবিমানও। জাদুঘরের মূল ভবনের ভেতরে বন্দিদের অত্যাচারের নমুনা রাখা আছে। শত শত যুদ্ধকালীন ছবি। ভাস্কর্য, দলিল-দস্তাবেজ, পোস্টার, লিফলেটের সংগ্রহও বেশ।একটি বাংলা পোস্টারও আছে- ‘বিজয়ী ভিয়েতনাম লাল সেলাম, হো চি মিন লাল সেলাম’ লেখা। পুলক অনুভব করলাম বিদেশের মাটিতে।
![]() |
| ভিয়েতনামের যুদ্ধ জাদুঘর, ধ্বংসস্তূপে ঘুরে দাঁড়ানোর সাক্ষী। ছবি: বাংলানিউজ |
রাজধানী হ্যানয়, কুচি গুহাসহ অনেক দর্শনীয় স্থান রয়েছে পর্যটকদের জন্য। সব কিছু সাজানো গোছানো পরিপাটি। বিশ্ব অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ আসন দখলে মরিয়া ভিয়েতনামের মানুষ। পর্যটন, উৎপাদন, রফতানি, পরিবেশ, আতিথ্য, সেবা সব কিছুতে নজরদারি প্রশাসনের। সব মিলে মুগ্ধ করার মতো দেশ ভিয়েতনাম।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ড্রাগন-লেবু চাষে সফল শামসুল by মাহমুদ কামাল, টাঙ্গাইল ও মো. নজরুল ইসলাম

সঙ্গে রয়েছে পেয়ারা, আম, লিচু, কুল, পেঁপে, মাল্টা ও কফি। একসময়ের ব্যাংক কর্মকর্তা এস এম শামসুল আলম এখন সফল কৃষি উদ্যোক্তা।
এস এম শামসুল আলম ১৯৪৯ সালে ঘাটাইল উপজেলার দিগর ইউনিয়নের কাঁশতলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
পিতা তোরাব আলী মৌলভী ছিলেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। ৫ ভাই ও ৫ বোনের মধ্যে শামসুল আলম তৃতীয়। করটিয়া সা’দত কলেজ থেকে লেখাপড়া শেষে ১৯৭২ সালে সিদ্ধিরগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন উচ্চ বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান বিষয়ে শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরে বিভিন্ন ব্যাংকে চাকরি করেছেন। তার দুই মেয়ে ও এক ছেলে। বড় মেয়ে ড. নাজমুন্নাহার শামস ইঞ্জিনিয়র, ছোট মেয়ে ডা. নুসরাত শামস শিশু বিশেষজ্ঞ এবং ছেলে নাজমুছ শামস ও পুত্রবধূও ইঞ্জিনিয়ার। প্রতিষ্ঠিত এই পরিবারের সান্নিধ্য ছেড়ে পাহাড়ে সমন্বিত কৃষি প্রকল্পে তিনি আত্মনিয়োগ করেছেন। বয়স হলেও এখনও নিজেই রান্না করে খান।
এস এম শামসুল আলম মনে করেন, জীবনে অবসর বলতে কিছু নেই। জন্মের পর থেকে মৃত্যু পর্যন্ত কোনো না কোনো কাজ মানুষকে করতেই হয়। তা পেশাই হোক কিংবা নেশাই থেকে। তিনি ব্যাংকের উচ্চপদের চাকরি শেষে শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন কৃষিতে। তিনি মনে করেন বেকার তরুণেরা ৫-৭ লাখ টাকা খরচ করে দেশ ছেড়ে বিদেশে গিয়ে জীবনের ঝুঁকি নেয়ার চেয়ে যদি সমন্বিত কৃষি কাজ করে তবে তারা যেমন উপকৃত হবে পাশাপাশি দেশও এগিয়ে যাবে।
গত বৃহস্পতিবার তার বাগানে গিয়ে দেখা যায়, গাছে গাছে ঝুলে আছে অসংখ্য কাঁচাপাকা ড্রাগন ফল, লেবু, পেঁপে, মাল্টা এবং কফি।
বাগানে বেশ কয়েকজন শ্রমিক কাজ করছেন। এস এম শামসুল আলম জানান, ছেলেবেলায় স্কুলে যাওয়ার পথে দু’পাশে কৃষি জমি দেখে তার ভালো লাগতো। তখন ভাবতেন, বড় হয়ে সুযোগ হলে তিনি কৃষিচাষ করবেন। তারপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা শেষ করে ব্যাংকে চাকরি নেন। এক সময় তিনি ন্যাশনাল ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে রাজশাহীর বরেন্দ্র এলাকায় কাজ করেন। তখন তিনি সেখানে ধান আবাদের জন্য কৃষিঋণ কার্যক্রম শুরু করেন। এজন্য কৃষকের সঙ্গে তার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এভাবেই ছোটবেলার কৃষিপ্রেম আরো গভীর হয়। অফিসে বসেই তিনি সিদ্ধান্ত নেন ভবিষ্যতে তিনি কৃষির সঙ্গে যুক্ত হবেন।
২০১৫ সালের দিকে নিজের সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে ঘাটাইলের মধুপুরচালা এলাকায় একটু একটু করে জায়গা কিনে বাগান গড়তে শুরু করেন। ২০১৪ সালে চাকরি থেকে অবসর নিয়ে তিনি যোগাযোগ করেন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে। কি ধরনের গাছ, কীভাবে লাগালে ভালো ফলন পাওয়া যাবে, তা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে পরামর্শ করেন। পরের বছরে তিনি একই এলাকায় ৬০০ শতাংশ জায়গা কিনে ফেলেন। ২০১৫ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত পার্শ্ববর্তী ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া ও সাপমারা এলাকায় পর্যাক্রমে ২২০০ শতাংশ জায়গা লিজ নেন শামসুল আলম। অপরদিকে রসুলপুর ইউনিয়নের ধলী বিলের প্রায় ১০ একর জমি লিজ নিয়ে মাছ চাষ করছেন। প্রায় ৫০ একর জমিতে মিশ্র ফল এবং মাছ চাষ করছেন। বাণিজ্যিকভাবে সুবিধা ও লাভবান হতে তিনি লেবুর প্রতি আগ্রহী হন বেশি। তার বাগানে সব সময় প্রায় ৪০ জন শ্রমিক কাজ করেন। বিশেষ সময় আরো অন্তত ৫০ জন শ্রমিক নিয়ে কাজ করতে হয় তাকে। গত বছর এক বিঘা জমির ১৮০টি ড্রাগন গাছে ফল উৎপাদন হয়েছে। খরচ বাদে সাড়ে চার লাখ টাকা আয় হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন্ত ওই এক বিঘা জমির ড্রগন ফল বাজারে তোলা হবে। খরচ বাদে এবারও প্রায় পাঁচ লাখ টাকা লাভ হবে বলে ধারণা করছেন শামসুল তিনি। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত প্রতি বিঘায় ৪০ হাজার লেবু বাগান থেকে তোলা হয়েছে যার দাম প্রায় এক লাখ টাকা। খরচ বাদে লাভ হয়েছ ৫০ হাজার টাকা। এক বিঘা জমিতে পরীক্ষামূলক কফি চাষ করেছেন। ইতিমধ্যে গাছে কফি ফল আসা শুরু করেছে। আগামী বছর পুরোপুরি কফি উৎপাদন এবং প্রক্রিয়াজাত করা যাবে বলে তিনি আশা করছেন । তিনি মনে করেন, কৃষিচাষ করে মানুষের জীবনমান পরিবর্তন করা সম্ভব। দেশীয় ফল আবাদ করলে আমদানি নির্ভরতাও কমে যাবে। নতুন প্রজন্মের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, চাকরি নির্ভর মনোবৃত্তি থেকে নিজেকে সরিয়ে আত্মনির্ভর হতে হবে। এজন্য কৃষি সবচেয়ে উপযুক্ত মাধ্যম।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নিরামিষভোজীরা যে ডায়েট অনুসরণ করেন তা স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে

গবেষণায় নতুন কি পাওয়া গেছে?
তার মানে কি নিরামিষভোজী অস্বাস্থ্যকর?
গবেষণা শুরুর পর থেকে কি মানুষের খাবারে পরিবর্তন এসেছে?
তাহলে কি খাওয়া উচিত?
- •দিনে কমপক্ষে ৫ ভাগ ফল এবং শাক-সবজি খান।
- •মূল খাবার হিসেবে উচ্চ মাত্রায় আঁশ সম্পন্ন এবং শ্বেতসার বহুল খাবার যেমন আলু, রুটি, ভাত কিংবা পাস্তা রাখা উচিত।
- •প্রোটিন ভুলে গেলে হবে না- চর্বিহীন মাংস, মাছ, সামুদ্রিক খাবার, ডাল, তফু কিংবা লবণহীন বাদাম খেতে হবে।
- •দুধ এবং দুগ্ধজাত খাবার থাকতে হবে।
- •উচ্চ মাত্রায় চর্বিযুক্ত খাবার, চিনি কিংবা লবণ যত কমানো যায় ততই ভালো।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1372)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
November
(177)
-
▼
Nov 11
(8)
- জাপানে কার্টুন চরিত্রকে বিয়ে করার প্রবণতা বাড়ছে ...
- ক্ষুদে বয়স থেকেই যেসব শিশুরা উপার্জন করছে কোটি কো...
- তাইজুদ্দিনের হালচাল by তারিক ফিজার
- গুপ্তচর কবুতর, কাক আর ডলফিনের কথা শুনেছেন?
- স্কুলের দারোয়ান থেকে যেভাবে প্রধান শিক্ষক হলেন তিনি
- ভিয়েতনামের যুদ্ধ জাদুঘর, ঘুরে দাঁড়ানোর সাক্ষী by ত...
- ড্রাগন-লেবু চাষে সফল শামসুল by মাহমুদ কামাল, টাঙ্গ...
- নিরামিষভোজীরা যে ডায়েট অনুসরণ করেন তা স্ট্রোকের ঝ...
-
▼
Nov 11
(8)
-
▼
November
(177)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...


















