Thursday, May 29, 2014
শেখ হাসিনার জাপান সফর
তবে প্রধানমন্ত্রীর এ সফরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, জাপানের কাছ থেকে অবকাঠামো উন্নয়নে আরও ৬০০ কোটি ডলার সহায়তার ঘোষণা৷ দেশটি গঙ্গা ব্যারেজ নির্মাণ, যমুনার নিচ দিয়ে বহুমুখী টানেল নির্মাণ, যমুনায় পৃথক রেলসেতু নির্মাণ, ঢাকায় ইস্টার্ন বাইপাস নির্মাণ প্রভৃতি প্রকল্পে এই সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে, যদিও এর বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শেষ হতে চার থেকে পাঁচ বছর লেগে যাবে৷ স্মরণীয় যে বর্তমান যুগে কেবল বিদেশি সহায়তা দিয়ে কোনো দেশ স্বাবলম্বী হতে পারে না৷ এ জন্য প্রধানমন্ত্রী যথার্থই জাপানের ব্যবসায়ীদের প্রতি অধিক হারে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করার আহ্বান জানিয়েছেন৷ তিনি জাপানি ব্যবসায়ীদের জন্য রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকায় ৪০টি শিল্প প্লট নির্দিষ্ট রাখারও ঘোষণা দেন৷ কিন্তু যে বিষয়টি এখানে গুরুত্বপূর্ণ সেটি হলো, জাপানের এই সহায়তা পেতে বাংলাদেশকে উন্নয়ন ও বিনিয়োগ অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে৷ যেকোনো প্রকল্প বাস্তবায়নে যে অবকাঠামোগত সুবিধা, তথা বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ প্রয়োজন, সেটি সরকারকেই নিশ্চিত করতে হবে৷
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হান নদীর গল্পগাথা
![]() |
| শহরের বুক চিরে চলে গেছে হান নদী |
সোউল, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে
lসাজ্জাদ শরিফ: কবি, সাংবাদিক৷
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফেনীর রাজনৈতিক বাদশা নিজাম by কাফি কামাল

ঐক্যের বাতাবরণে আওয়ামী লীগ: প্রকাশ্যে ঐক্যের বাতাবরণ থাকলেও ভেতরে ভেতরে দারুণ কোন্দল বিরাজ করছে ফেনী জেলা আওয়ামী লীগে। এক হাজারী থেকে আরেক হাজারীর কাছে নেতৃত্বের হাতবদল হলেও প্রকৃত নেতাকর্মীরা থেকেছেন উপেক্ষিত। সর্বশেষ সে কোন্দলের শিকার হয়েছেন ফুলগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা একরামুল হক। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা জানান, ১৯৯৮ সালে আবুল কাশেমকে সভাপতি ও জয়নাল হাজারীকে সম্পাদক করে ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় কমিটি। কিন্তু রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে ২০০১ সালে জয়নাল হাজারী দেশ ছাড়লে ভারপ্রাপ্ত দিয়ে দলের কার্যক্রম চলে প্রায় এক যুগ। ফেনীর আলোচিত ও সমালোচিত নেতা জয়নাল হাজারীর রাজনৈতিক পরাজয়ের পর অনেকটা ভেঙে পড়া জেলা আওয়ামী লীগকে ধরে রাখেন নিজাম উদ্দিন হাজারী ও একরামুল হক। এ সুযোগে জয়নাল হাজারীর এককালের শিষ্য নিজাম উদ্দিন হাজারী নিজের অবস্থান শক্ত করে নেন। নিজামকে শক্ত অবস্থানে প্রতিষ্ঠিত করতে নেপথ্যে ভূমিকা পালন করেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক প্রোটোকল অফিসার আলাউদ্দিন নাসিম। জেলা আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক মেরুকরণে আবদুর রহমান বিকম, ফুলগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান একরামুল হক, জেলা যুবলীগ সভাপতি ও দাগনভূঞা উপজেলা চেয়ারম্যান দিদারুল কবির রতন, যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সুশেন চন্দ্র শীল, পরশুরাম উপজেলা চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন মজুমদার, ছাগলনাইয়া উপজেলা চেয়ারম্যান মেজবাহুল হায়দার সোহেল চৌধুরীসহ অধিকাংশ নেতাকর্মী নিজাম হাজারীর পক্ষ নেন। নিজাম-একরাম দুই সাবেক শীর্ষ ক্যাডারের হাতে শক্ত ভিত পায় জেলা আওয়ামী লীগ। অন্যদিকে জয়নাল হাজারীর গ্রুপের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আজিজ আহাম্মদ চৌধুরী, সহসভাপতি মীর হোসেন ভূঞা, যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক আজহারুল হক আরজু, যুগ্ম আহ্বায়ক শাহজাহান সাজু, যুগ্ম আহ্বায়ক শাখাওয়াত হোসেনসহ জেলা যুবলীগের একাংশ হয়ে পড়ে কোণঠাসা। ২০১৩ সালে জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে আবদুর রহমান বিকম জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও নিজাম উদ্দিন হাজারী সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। কমিটির অনুমোদন নিয়ে গণভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে আমন্ত্রণ পর্যন্ত পাননি ১৯৭৫ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের একক নিয়ন্ত্রণকর্তা জয়নাল হাজারী। নিজামকে ফেনীতে প্রতিষ্ঠিত করতে যে একরামের সবচেয়ে বেশি ভূমিকা ছিল তাকেই রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা করা হয়। বিএনপি থেকে আওয়ামী লীগে যোগ দেয়া এক ব্যক্তিকে জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয় নিজাম হাজারীর ব্যক্তিগত পছন্দে। ইতিমধ্যে নিজাম হাজারী ফেনী সদর আসনের এমপি নির্বাচিত হলে ফেনীতে শুরু হয় নিজাম হাজারীর একক কর্তৃত্ব। সাংগঠনিক পদ ও টেন্ডার নিয়ে বিরোধের জের ধরে নিজাম-একরামের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। গত সংসদ নির্বাচনে ফেনীর দু’টি আসন থেকে নিজাম হাজারী ও একরামুল হক মনোনয়ন চান। নিজাম মনোনয়ন পেলেও একরামুল হক পাননি। একরামের সমর্থকদের ধারণা এতেও নিজাম হাজারীর হাত ছিল। একসময়ের সন্ত্রাসের গডফাদার হিসেবে পরিচিত জয়নাল হাজারীকে ফেনীর আওয়ামী লীগের রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেয়ার ক্ষেত্রে নিজাম ও একরাম ছিলেন এককাট্টা। তার পরও উপজেলা নির্বাচনে ফুলগাজী উপজেলায় একরামকে পরাজিত করতে দলীয় স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে মিনারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন নিজাম উদ্দিন হাজারী। এ নিয়ে ফেনীতে বিএনপি দলীয় একজন সাবেক এমপির বাসায় বৈঠকেও অংশ নিয়েছিলেন। তবে দলের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে শেষ মুহূর্তে তিনি নীরব হয়ে যান। তবে ফুলগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কিলিংয়ে নেতৃত্ব দেয়া জিহাদ চৌধুরী প্রকাশ্যে মিনারের পক্ষ নিয়েছিলেন। সম্প্রতি নিজামের জেল-জালিয়াতির প্রতিবেদন প্রকাশ হলে তিনি তার দোষ চাপান একরামের ওপর। সর্বশেষ দিনদুপুরে একরাম হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন নিজামের মামাতো ভাই আবিদ, জেলা আওয়ামী লীগের তার ঘনিষ্ঠ নেতা জাহাঙ্গীর আদেল, কমিশনার শিবলু, জিহাদ চৌধুরীসহ অনুগত ক্যাডাররা। একরাম হত্যার নেতৃত্ব দেয়া আবিদের মা লায়লা জেসমিন বড়মণি জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। আলোচনায় উঠে এসেছে কিলিং মিশনে অর্থের যোগানদাতা আওয়ামী লীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমান দুলালের নাম। অস্ত্রের যোগানদাতা হিসেবে উঠে এসেছে আওয়ামী লীগ নেতা আদেল ও জিয়াউল আলম মিস্টারের নাম। জেলা নেতারা এ অসন্তোষ প্রকাশ করতে না পারলেও ঢাকায় অবস্থান করে নিজামের নানা অপকর্মের ব্যাপারে কথা বলেন সাবেক এমপি জয়নাল হাজারী। এ নিয়ে বিরোধের অংশ হিসেবে একরাম হত্যা ঘটনায় জয়নাল হাজারীকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের দাবি জানান নিজাম হাজারী। নানা রাজনৈতিক, সাংগঠনিক নানা বিষয়ে করা আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করলেও প্রকাশ্যে মুখ খোলার উপায় নেই। তবে ইতিমধ্যে একরাম সমর্থকরা বিক্ষোভ মিছিল করে নিজাম হাজারীর ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন। উপজেলা চেয়ারম্যান ফাউন্ডেশনের নেতারা মামলার তদন্তভার সিআইডির কাছে হস্তান্তরের দাবি জানিয়েছেন।
নিজামের ইশারায় চলে ফেনী বিএনপি: বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিজ জেলা ফেনী। দলের কেন্দ্রীয় রাজনীতিতেও এ জেলার নেতাকর্মীদের একটি অঘোষিত প্রভাব রয়েছে। চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ছাড়াও কেন্দ্রীয় কমিটিতে রয়েছেন চেয়ারপারসনের দুই উপদেষ্টা আবদুল আউয়াল মিন্টু ও মোশাররফ হোসেন, সহ-দপ্তর সম্পাদক আবদুল লতিফ জনি এবং নির্বাহী কমিটির সাত সদস্য জয়নাল আবেদিন ভিপি, রেহেনা আক্তার রানু, সাহেনা আক্তার শানু, বেলাল আহমদ, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জিয়া উদ্দিন মিস্টার ও সাংগঠনিক সম্পাদক মেছবাহউদ্দিন। কিন্তু জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর আসনের এমপি নিজাম হাজারীর ইশারায় চলে ফেনী বিএনপির কার্যক্রম। তার ইশারার বাইরে কেউ সরকারবিরোধী জোরালো অবস্থান নিতে গেলেই তার ওপর নেমে আসে খড়গ। বিএনপি নেতাকর্মীদের অভিযোগ, জেলা বিএনপির বর্তমান কমিটির একটি অংশের সঙ্গে রয়েছে আওয়ামী লীগ নেতাদের সখ্য। সমঝোতা করে চলছেন তারা। জেলার শীর্ষ নেতারা নিজাম হাজারীর এতটাই অনুগত, একটি মিছিল করতেও তার অনুমতি নেন। এ কারণে দলীয় একটি অংশের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অসংখ্য মামলা-নির্যাতন হলেও তাদের বিরুদ্ধে কোন মামলা হয়নি। সম্প্রতি ফুলগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান একরাম হত্যাকাণ্ডে বিএনপি নেতা মিনার চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা করা হলেও কার্যকর কোন প্রতিবাদ কর্মসূচি দেয়নি জেলা বিএনপি। এমনকি খোদ আওয়ামী লীগসহ নিহতের পরিবারের তরফে যে নিজাম হাজারীর বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তোলা হচ্ছে তার ব্যাপারেও নীরব দলটির নেতারা। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ভাই সাঈদ এস্কান্দরের মৃত্যুর পর জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন আবু তাহের। তার ব্যাপারে নেতাকর্মীদের মন্তব্য, তিনি নীরবতার রাজনীতি করেন। জিয়াউদ্দিন মিস্টার এমন নিঝর্ঞ্ঝাট নেতা যে তাকে দিয়ে বিরোধী দলের আন্দোলন আশা করা আকাশকুসুম কল্পনা মাত্র। মিস্টারের বিরুদ্ধে কর্মীদের অভিযোগ, তিনি নিজাম হাজারীর সঙ্গে লাগতে যান না মোটেই। অন্যদিকে নিজামের ক্লাসমেট সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ মিজানুর রহমান। রাজনীতিতে নিরাপদ থাকতে তিনি সহপাঠী হওয়ার সে সুযোগ নেন। জাতীয়তাবাদী অধ্যুষিত এলাকা হলেও বিগত সময়ে বর্তমান সরকারবিরোধী আন্দোলন জোরদার করতে পারেনি ফেনী বিএনপি। দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিজ জেলা হলেও দলীয় কোন্দলে দিশাহারা ফেনী বিএনপি। ফেনীতে রয়েছে বিএনপির একাধিক গ্রুপ। দলীয় সূত্র জানায়, খালেদা জিয়ার ভাই মরহুম মেজর (অব.) সাঈদ এস্কান্দরের অনুসারীদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সাবেক এমপি রেহানা আক্তার রানু। এ ছাড়া চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মোশাররফ হোসেন ও সাবেক এমপি জয়নাল আবদীন ভিপি, যুবদল কেন্দ্রীয় নেতা গাজী হাবিবুল্লাহ মানিকের নেতৃত্বে রয়েছে আরও দু’টি গ্রুপ। অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর অবস্থাও তথৈবচ। আন্দোলন কর্মসূচিতে যারা সক্রিয় থাকে তাদের ওপর নেমে আসে নির্যাতনের খড়গ। আবার বিএনপি আহূত হরতালগুলোতেও অঙ্গসংগঠনের শীর্ষ নেতাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোও তারা খোলা রাখেন। এমনকি সরকারি দলের সে নির্যাতনের সময় তারা পাশে পান না দলের নেতাদেরও। জেলা যুবদল সভাপতি গাজী হাবিবুল্লাহ মানিকের বিরুদ্ধে মামলা-হামলার অব্যাহত থাকলেও সমঝোতায় নিঝর্ঞ্ঝাট রয়েছেন জেলা যুবদল সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারী। ৫ই জানুয়ারির একতরফা নির্বাচনের আগে মানিকের নেতৃত্বে একটি কর্মী-সমাবেশের আয়োজন করলে বিএনপিরই আরেকটি অংশ সে সমাবেশে সংঘর্ষ বাধায়। এতে ফরহাদনগর ইউনিয়ন যুবদল নেতা হারুনের মৃত্যু হলে মামলা করা হয় গাজী মানিকের বিরুদ্ধেই। রাজপথে সক্রিয় থাকলেও দলীয় গ্রুপিংয়ের কারণে জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক গাজী হাবিবুল্লাহ মানিকের পদ নিয়ে হয়েছে অব্যাহতি ও প্রত্যাহারের নাটক। এ ছাড়াও বর্তমান সরকারের আমলে যুবদল নেতা রিপন গুম, যুবদল নেতা মানিক, সরওয়ার, লেমুয়ার আবুল কালাম ক্রসফায়ার ও রাজনৈতিক সহিংসতায় হত্যাকাণ্ডের শিকার হলেও এ নিয়ে সরব হয়নি জেলা বিএনপি। চার বছর আগে গঠিত ছাত্রদলের ৭ সদস্যের কমিটির সভাপতি আমানউদ্দিন কায়সার সাব্বির সাধারণ সম্পাদক নঈমুদ্দিন চৌধুরীর যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছিলেন। সম্প্রতি মিনার চৌধুরী ইস্যুতে পৌর বিএনপির সভাপতি আলালউদ্দিন আলালের মধ্যস্থতায় ছাত্রদলের উভয় অংশের নেতারা একটি সংবাদ সম্মেলন করেন। অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে সব ক’টি উপজেলায় হেরেছে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী। নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীরাও পাশে পাননি স্থানীয় বিএনপিকে। ফেনী সদর পৌর নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী আলালউদ্দিনকে হারিয়ে দিতে নিজাম হাজারীর নির্দেশে আগের রাতে ব্যালটে সিল মেরে বাক্স ভরা হলেও বিএনপি নেতারা ছিলেন নীরব। ফুলগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান মনোনয়ন নিয়ে মিনার চৌধুরী ও নূরুন্নবী মাস্টারে মধ্যে যে লড়াই ছিল তা প্রভাব ফেলে নির্বাচনে। এমনকি সে নির্বাচনে যাননি জেলা বিএনপির সহসভাপতি হাবিবুর রহমান নান্টু। আওয়ামী লীগকে খুশি রাখতে গিয়ে সোনাগাজী উপজেলা নির্বাচনে বিএনপি থেকেই চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী করা হয় দু’জনকে। আবার নির্বাচনের আগে তারা কখনও এক না হলেও নির্বাচনের দিন যৌথভাবে সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন বয়কটের ঘোষণা দেন।
মিনার চৌধুরীসহ তিন আসামি রিমান্ডে- পুলিশ সুপার ও ওসির প্রত্যাহার দাবি
ফেনীর ফুলগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি একরামুল হক হত্যা মামলার প্রধান আসামি জেলা তাঁতী দলের আহ্বায়ক মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী মিনারকে ৭ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। গতকাল ফেনীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ খায়রুল আমিনের আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ফেনী সদর থানা পুলিশের ওসি তদন্ত আবুল কালাম আজাদ আদালতে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। আদালত উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনে ৭ দিনের রিমান্ড আদেশ দেন। এর আগে হত্যা মামলায় মঙ্গলবার গ্রেপ্তারকৃত ফেনী সদরের কাজীরবাগ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুর রউফকে ৫ দিন ও যুবলীগ ক্যাডার সজীবকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র রাখার দায়ে ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে একই আদালত। এর আগে সকালে ফেনী পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর কহিনূর আলমের ভাগিনা যুবলীগ ক্যাডার জিয়াউল হক বাপ্পীকে জেলার দাগনভূঞার সিলোনিয়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বাড়ি কিলিং স্পটের পাশে বিরিঞ্চি এলাকায়। বাপ্পী হত্যাকাণ্ডের দিন ঘটনাস্থলে কিলারদের সহযোগী ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে। এ ছাড়া সকাল ১০টায় একরাম হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আদেলকে গ্রেপ্তার ও ফেনী পুলিশ সুপার পরিতোষ ঘোষ এবং ফেনী সদর থানা ওসি মাহবুব মোর্শেদের প্রত্যাহারের দাবিতে ফুলগাজীর বন্ধুয়ায় মানববন্ধন করে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও একরাম সমর্থকরা। এ দিকে একরাম হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আদেল এখনও গ্রেপ্তার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে নিহতের স্বজনরা। তারা জানান, আদেল কোথায় আছে তা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানে। তবে ফেনী সদর থানা পুলিশের ওসি তদন্ত আবুল কালাম আজাদ জানান, আদেলকে গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আওয়ামী লীগ জনআতঙ্কে ভুগছে by কাজী সুমন ও মোজাম্মেল হোসেন সজল

র্যাব এখন ক্যানসার হয়ে গেছে: গুম-খুনসহ অপহরণে র্যাবের সংশ্লিষ্টতার কথা উল্লেখ করে খালেদা জিয়া বলেন, র্যাব এখন এক আতঙ্কের নাম। অথচ জঙ্গি ও সন্ত্রাসীদের ধরার জন্যই একদিন আমরা র্যাব গঠন করেছিলাম। র্যাবকে সংস্কার করে কোন লাভ হবে না। র্যাব ক্যানসার হয়ে গেছে, এটি বাতিল করতে হবে। নারায়ণগঞ্জের ঘটনায় জড়িতদের স্ব-স্ব বাহিনী থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে, কোর্ট মার্শাল করতে দেয়া হয়নি। তাদের অবসরকালীন সুবিধা বাতিল ও খুনের বাংলাদেশের আইনে সর্বোচ্চ শাস্তি দিতে হবে। এ সরকার তাদের শাস্তি না দিলে পরে যে সরকার আসবে তারা তাদের শাস্তির ব্যবস্থা করবে। তারা কার জামাই তা দেখা হবে না। তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ নেতা মির্জা আজমের বোনজামাই দুর্ধর্ষ জঙ্গি শায়খ আবদুর রহমান। এ আবদুর রহমান ও বাংলা ভাইকে আমরা জীবিত অবস্থায় ধরেছিলাম। আমরা তাদের গুলি করে হত্যা করিনি। কিন্তু এখন র্যাব টাকার বিনিময়ে মানুষ খুন করছে। তারা এখন পেশাদার খুনি হয়েছে। এ জন্য র্যাব এখন বাতিল করতেই হবে। সুশীল সমাজের কেউ কেউ না বুঝে র্যাব সংস্কারের কথা বলছেন। সংস্কার-টংস্কার দিয়ে কিছুই হবে না। এদের ভেতরে ক্যানসার হয়ে গেছে। লক্ষ্মীপুরের যুবদল নেতা সোলায়মানকে উত্তরা থেকে কোলের বাচ্চা ছুড়ে ফেলে দিয়ে লক্ষ্মীপুরে নিয়ে গিয়ে গুলি করে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে। লাকসামের মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক এমপি সাইফুল ইসলাম হিরুকে র্যাব-১১’র তারেক সাঈদ গুম করেছে। নারায়ণগঞ্জের ঘটনা আপনারা দেখেছেন। কাউন্সিলর নজরুলের গুমের ঘটনা দেখে ফেলায় আইনজীবী চন্দন সরকারকে ড্রাইভারসহ কিভাবে অপহরণ করে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনা দেখে ফেলায় আরও ৪ জন দরিদ্র মাঝিকেও হত্যা করা হয়েছে। তাদের লাশ পরে শীতলক্ষ্যায় পাওয়া গেছে। কাজেই এ র্যাবকে বাতিল করতেই হবে। এর পরিবর্তে সবার সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে র্যাবের পরিবর্তে নতুন আরেকটি বাহিনী গঠন করা যেতে পারে। তিনি এসব গুম-খুনের ঘটনার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনাকে আইনের আওতায় এনে জবাবদিহির সম্মুখীন করা হবে বলে উল্লেখ করেন। সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে এখন কারও কোন নিরাপত্তা নেই। আমি নিজেও নিরাপদ নই। কোন ধর্মের মানুষেরই আজ কোন নিরাপত্তা নেই। বরং মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ সব ধর্মের মানুষই এ সরকারের হাতে নির্যাতিত ও নিগৃহীত হয়েছে। শাপলা চত্বরে আলেম-ওলামাদের হত্যা করে লাশ গুম করেছে। সারা দেশের মন্দির ও মূর্তি ভেঙেছে। হিন্দুদের যত জমি ও সম্পদ আওয়ামী লীগ দখল করেছে। এ সরকারকে সরিয়ে দেশে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এ জন্যই যুবসমাজসহ সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনে নামতে হবে।
থিয়েটার রোডের মুক্তিযোদ্ধার দল আওয়ামী লীগ: বিরোধী জোট নেতা খালেদা জিয়া বলেন, আওয়ামী লীগ নিজেদের মুক্তিযুদ্ধের দল দাবি করলেও তারা হলো সীমান্ত পাড়ি দেয়া থিয়েটার রোডের মুক্তিযোদ্ধা। স্বাধীনতার ঘোষণাটা দিতে সাহস পায়নি। তাজউদ্দীনের মেয়ে তার বইয়ে পরিষ্কারভাবে লিখেছেন, ‘তাদের নেতা তাজউদ্দীন সাহেবকে বলেছিলেন, ২৭ তারিখ (মার্চ) হরতাল ডেকেছি। বাসায় গিয়ে নাকে তেল দিয়ে ঘুমাও।’ আওয়ামী লীগের দুর্নীতি ও লুটপাটের জন্য মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী দলটির নাম দিয়েছিলেন ‘নিখিল বাংলার লুটপাট সমিতি’। এখন থেকে আওয়ামী লীগকে সেই নামেই ডাকা হবে। ১৯ দলীয় জোট নেতা খালেদা জিয়া বলেন, শেখ হাসিনা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানিয়ে পাঠানো চিঠিতে বলেছিলেন, আপনিও দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। আমিও দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে প্রধানমন্ত্রী হয়েছি। কিন্তু শেখ হাসিনা জনগণের ভোটে প্রধানমন্ত্রী হননি। আওয়ামী লীগের এ মিথ্যাচার বন্ধ করতে হবে। ৫ই জানুয়ারি কোন ভোট হয়নি। সেদিন ভোটকেন্দ্রে কোন মানুষ ছিল না। কুকুর পাহারা দিয়েছে। বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, আওয়ামী লীগ কাউকে সম্মান দিতে জানে না। আমাদের দেশে একজন নোবেল বিজয়ী সম্মানিত ব্যক্তি রয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তার কাছ থেকে গ্রামীণ ব্যাংক কেড়ে নেয়া হয়েছে। আমরা ক্ষমতায় এলে তাকে যথাযথ সম্মান দেবো এবং গ্রামীণ ব্যাংক ফিরিয়ে দেবো। গুম-খুন সম্পর্কে তিনি আরও বলেন, এসব আওয়ামী লীগের কাছে নতুন কিছু নয়। একাত্তরের পর রক্ষীবাহিনী দিয়ে যা করেছিল এখন র্যাব দিয়ে তা করছে। বিএনপির ৩১০ জন নেতাকর্মীকে হত্যা করেছে। ৬৫ জনকে গুম করেছে। এসব গুম-হত্যার বিচার করা হবে। তিনি বলেন, সরকার নিজেই দুর্নীতি-হত্যা-গুমে জড়িত। সরকারের বিরুদ্ধে জোরালো বক্তব্য দেয়ার কারণে সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি ইলিয়াস আলীকে গুম করা হয়েছে। তাকে গুমের ঘটনা যে দেখেছে তাকেও গুম করা হয়েছে। শ্রমিক নেতা আমিনুল ইসলামকেও র্যাব গুম করেছে। খালেদা জিয়া বলেন, ফেনীর ফুলগাজীতে আওয়ামী লীগের দুই হাজারীকে আড়াল করতে বিএনপি নেতার নামে মামলা দেয়া হয়েছে। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সম্পর্কে তিনি বলেন, তিনিও একজন খুনি। তারও একদিন বিচার করা হবে। সেই খুনিকে এখন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টা বানানো হয়েছে। তিনি কি উপদেশ দেবেন? বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, মুন্সীগঞ্জ বিএনপির ঘাঁটি। এখানকার জনগণ চেনে শুধু ধানের শীষ। তাই এখানকার একটি আসন কেটে নেয়া হয়েছে। এখান থেকে বিএনপির কোন নেতা কখনও ফেল করতেন না। আওয়ামী লীগের কারসাজিতে সবাই ফেল করেছেন। এবারও ডেকেছিল কয়েকটি আসন দেয়ার জন্য। কিন্তু আমরা ভাগবাটোয়ারার রাজনীতি করি না। আমরা বলেছি জনগণকে নিয়ে রাজনীতি করবো। তারা সেই রাজনীতি করে না।
দীর্ঘ ১৪ বছর পর গতকাল মুন্সীগঞ্জ শহরে জনসভায় বক্তব্য রাখেন খালেদা জিয়া। এর আগে ২০০১ সালে নির্বাচনী প্রচারণার সময় সর্বশেষ মুন্সীগঞ্জ শহরের লঞ্চঘাটের এ মাঠে বক্তব্য রাখেন খালেদা জিয়া। তবে ২০০৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মুন্সীগঞ্জের মুক্তারপুর ব্রিজ উদ্বোধনের সময় বালুর মাঠে বক্তব্য রেখেছিলেন। তা ছাড়া ২০১৩ সালে লৌহজংয়ের গোয়ালিমান্দ্রায় হিন্দু মন্দির ভাঙচুর পরিদর্শনে এক জনসভায় বক্তব্য রেখেছিলেন তিনি। জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল হাইয়ের সভাপতিত্বে জনসভায় বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, সেলিমা রহমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু, গাজীপুর সিটি মেয়র প্রফেসর এমএ মান্নান, ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল মান্নান, ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব আমানউল্লাহ আমান, বরকতউল্লা বুলু, ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন, কোষাধ্যক্ষ মিজানুর রহমান সিনহা, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন, নাজিমউদ্দিন আলম, শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবির খোকন, যুবদল সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, সাধারণ সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম নিরব, সাংগঠনিক সম্পাদক আকম মোজাম্মেল হক, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা ও ছাত্রদল সভাপতি আবদুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল বক্তব্য দেন। স্থানীয় নেতাদের মধ্যে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী আজগর মল্লিক রিপন, পৌর মেয়র ইরাদুত মানু, টঙ্গীবাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি খান মনিরুল মনি পল্টন, শ্রীনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মমিন আলী, লৌহজং উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. শাহজাহান খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। জনসভা পরিচালনা করেন জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আতোয়ার হোসেন বাবুল। এর আগে বেলা ২টায় পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে জনসভা শুরু হয়। বিকাল সাড়ে ৪টায় মুন্সীগঞ্জের জনসভামঞ্চে পৌঁছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। এরপর জাসাসের শিল্পীরা দলীয় সংগীত পরিবেশন করেন। জনসভাকে কেন্দ্র করে শহরজুড়ে শতাধিক মাইক টাঙানো হয়।
জনসমুদ্র মুন্সীগঞ্জ শহর: খালেদা জিয়ার জনসভাকে কেন্দ্র করে মুন্সীগঞ্জ শহর জনসমুদ্রে পরিণত হয়। দুপুর ১২টা থেকেই জনসভাস্থলে জড়ো হতে থাকেন মানুষ। মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া, লৌহজং, শ্রীনগর, টঙ্গীবাড়ী, সিরাজদিখান, নারায়ণগঞ্জসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাস, ট্রাক, নসিমন, করিমন, লঞ্চ ও ট্রলারযোগে জনসভায় আসেন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। বেলা ২টার দিকেই জনসভাস্থল লোকারণ্য হয়ে পড়ে। জনসভাস্থল থেকে ১ কিলোমিটারজুড়ে মানুষের এ সমাগম ঘটে। বক্তব্যের পর মুন্সীগঞ্জ জেলা সার্কিট হাউসে পৌঁছে কিছু সময় বিশ্রাম নেন তিনি। এরপর রাত সোয়া ৮টায় ঢাকার গুলশানের বাসার উদ্দেশে রওনা হন বিএনপি চেয়ারপারসন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সন্ত্রাস বন্ধ আর আলোচনায় জোর
![]() |
| নয়াদিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে গতকাল পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের সঙ্গে বৈঠক করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এএফপি |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বোমা নিয়ে পার্লামেন্টে সিনেটর!
![]() |
| ‘বোমা’ হাতে সিনেটর বিল হেফারন্যান |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ▼ 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...


