Monday, August 3, 2026

‘নারী হয়ে আরেক নারীকে তিনি ট্রল করছেন’ by মুজাহিদ সামিউল্লাহ

৮০ এবং ৯০ দশকের জনপ্রিয় নায়িকা নূতন। সম্প্রতি একটি অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে নিজের পোশাক ও মেকআপ নিয়ে কথা বলে সামাজিক মাধ্যমে বেশ ট্রলের মুখে পড়েছেন তিনি। মেকআপের কথা বলতে গিয়ে নূতন বলেছিলেন, আমি সাধারণত মেকআপ খুব একটা ব্যবহার করি না। করলেও হালকা মেকআপ করি। তার এই কথা কোড করে সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা রকমের হাস্যরসাত্মক পোস্ট ও ভিডিও তৈরি করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বেশ বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছেন নূতন। যা তার নিজেরও দৃষ্টিগোচর হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে মানবজমিনের সঙ্গে আলাপকালে নূতন বলেন, আমি শোবিজ অঙ্গনের মানুষ। অতীতে দর্শকরা আমাকে পর্দায় যেভাবে দেখেছেন, আমার ভক্ত হয়েছেন, তারা কিন্তু পর্দার বাইরেও আমাকে গ্ল্যামারাস একজন শিল্পী হিসেবেই কল্পনা করেন। এই বিষয়টা মাথায় রেখেই আমি সচেতনভাবে একটু পরিপাটিভাবে চলাফেলা করি ও সাজসজ্জা করি।

নূতন বলেন, প্রতিটি বয়সের আলাদা সৌন্দর্য রয়েছে। আমার একটি কথাকে কোড করে বিভিন্নজন মিমিক্রি তৈরি করছেন, কৌতুক করছেন। তাদের মধ্যে একজন অল্প বয়সের নারীও রয়েছেন। অবাক হয়েছি নারী হয়ে আরেক নারীকে তিনি ট্রল করছেন। রাষ্ট্র যেখানে আমাকে জাতীয় পুরস্কারে সম্মানিত করেছে, দেশ ও জাতি এত সম্মান ও ভালোবাসা দিয়েছেন, ওই ভদ্রমহিলা কি শুধু আমার মেকআপই দেখেছেন, আমার অর্জিত সম্মান সম্পর্কে কিছুই জানেন না! নূতন ক্ষোভের সুরে ট্রলকারীদের উদ্দেশ্যে বলেন, এসব করে সাময়িক বাহ্‌বা পাওয়া যায়। কিন্তু একজন অভিনেত্রী নূতন হতে হলে আপনাকে শতবার জন্ম নিতে হবে। কারও সম্পর্কে নেতিবাচক মন্তব্য করার আগে নিজ যোগ্যতা সম্পর্কে ভাবা উচিত। এখন সোশ্যাল মিডিয়া হাতের মুঠোয়। যেকোনো বিষয় নিয়ে যে কেউই কথা বলতে পারছে। আমি অনুরোধ করবো, সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করার আগে চিন্তা করবেন কাকে নিয়ে মন্তব্য করছেন। আমি জানি না আমাকে নিয়ে যারা ট্রল করছেন, তারা কোন ধর্মে বিশ্বাসী। যদি মুসলিম হন তাহলে তো জানা দরকার যে, মৃত্যুর পর গিবতকারীর পরিণাম কী হবে। নূতন আরও জানান, ভবিষ্যতে কেউ যদি এমন করে তবে তার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করতেও পিছপা হবেন না তিনি।

mzamin

গাজায় আবারও রক্তঝরা দিন, ইসরাইলি হামলায় প্রাণ গেল অনাগত শিশুসহ ১২ জনের

গত ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি বারবার লঙ্ঘন করে আবার গাজা উপত্যকা জুড়ে বিমান ও কামান হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। রোববার চালানো এসব হামলায় দুই শিশু ও এক অনাগত শিশুসহ অন্তত ১২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ‘বোর্ড অব পিস’ গাজা যুদ্ধবিরতির পরবর্তী ধাপ বাস্তবায়নের ঘোষণা দেওয়ার মাত্র দুই দিন পরই নতুন করে এই হামলা চালাল ইসরাইল।

উপত্যকাজুড়ে যা ঘটেছে—

দক্ষিণ গাজা (খান ইউনিস): খান ইউনিসের উত্তর-পশ্চিমের আল-কারারা এলাকায় একটি অ্যাপার্টমেন্ট লক্ষ্য করে ইসরাইলি বিমান হামলায় একই পরিবারের তিনজন নিহত হন। নিহতরা হলেন—মাহমুদ জাকি আল-হামস (৩৮), তার স্ত্রী ফাতিমা আল-হামস (৩৭) এবং তাদের ছোট মেয়ে। এ ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন। এছাড়া খান ইউনিসের কেন্দ্রে দার আল-সালাম এলাকায় ইসরাইলি গোলন্দাজ বাহিনী গোলাবর্ষণ করলেও সেখানে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

মধ্য গাজা (দেইর আল-বালাহ): দেইর আল-বালাহর আল-মাশালা এলাকায় একটি বাড়িতে ইসরাইলি হেলিকপ্টার হামলায় কামাল আবু মুয়াইলিক (৬৮) এবং তার স্ত্রী হুদা (৫৯) নিহত হন। একই শহরে একটি মোটরসাইকেলে পৃথক বিমান হামলায় আরও দুইজন প্রাণ হারান।

গাজা সিটি: গাজা সিটির আল-সুসি টাওয়ারের একটি অ্যাপার্টমেন্টে ইসরাইলি হামলায় আব্দুল্লাহ আবু তাইফ (৩৩), তার স্ত্রী আবীর আনান (২৯), তাদের ৫ বছরের ছেলে আজ্জাম এবং তাদের অনাগত শিশু নিহত হয়। অন্যদিকে, শহরের পশ্চিমের আল-নাসর এলাকায় ফিলিস্তিন মসজিদের কাছে একটি অ্যাপার্টমেন্টে হামলায় একজন গুরুতর আহত হন এবং আল-তুফাহ এলাকায় ইসরাইলি সামরিক যান থেকে গুলিবর্ষণ করা হয়।

উত্তর গাজা: জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে সরাসরি হামলায় এক ফিলিস্তিনি নিহত এবং অপরজন আশঙ্কাজনকভাবে আহত হন।

যুদ্ধবিরতি ও বর্তমান পরিস্থিতি:

গত শুক্রবার ট্রাম্প ও বোর্ড অব পিস যুদ্ধবিরতির নতুন রোডম্যাপে হামাসের সম্মতির কথা জানালেও ইসরাইল এ নিয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি। ফিলিস্তিনিদের অভিযোগ, অব্যাহত হামলা এবং ত্রাণ সরবরাহে বিধিনিষেধের কারণে এই যুদ্ধবিরতি কেবল একটি ‘মরীচিকা’ বা প্রতারণায় পরিণত হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর প্রথম ধাপের যুদ্ধবিরতি চালুর পর থেকে ইসরাইল হাজার হাজার বার চুক্তি লঙ্ঘন করেছে বলে দাবি ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাদের। তাদের মতে, যুদ্ধবিরতি চলাকালীন ইসরাইলি হামলায় ইতিমধ্যে ১,২২২ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৪,০৫৩ জন আহত হয়েছেন। ২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর শুরু হওয়া এই দুই বছরের টানা সংঘর্ষে এ পর্যন্ত ৭৩,০০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১৭৪,০০০-এর বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।

গাজায় আবারও রক্তঝরা দিন, ইসরাইলি হামলায় প্রাণ গেল অনাগত শিশুসহ ১২ জনের
ছবি: সংগৃহীত।

ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে জনপ্রিয়তার শীর্ষে জোহরান মামদানি

যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সমর্থক ও ডেমোক্র্যাট-ঘেঁষা ভোটারদের মধ্যে পরিচালিত সিএনএনের এক নতুন জনমত জরিপে নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি দলটির সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা হিসেবে উঠে এসেছেন। জরিপে দেখা গেছে, জনপ্রিয়তার দিক থেকে তিনি শুধু দলের শীর্ষ নেতৃত্বকেই নয়, ডেমোক্র্যাটিক পার্টিকেও ছাড়িয়ে গেছেন।

জরিপ অনুযায়ী, জোহরান মামদানির নেট ফেভারেবিলিটি দাঁড়িয়েছে ৫৪ শতাংশ। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন কংগ্রেস সদস্য আলেক্সান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্টেজ (এওসি), যার নেট জনপ্রিয়তা ৪৫ শতাংশ।

অন্যদিকে, প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্র্যাট নেতা হাকিম জেফ্রিজের নেট ফেভারেবিলিটি ২২ শতাংশ, আর সিনেটের সংখ্যালঘু নেতা চাক শুমারের জনপ্রিয়তা নেমে এসেছে মাত্র ১ শতাংশে।

জরিপের ফলাফল বিশ্লেষণে বলা হচ্ছে, ডেমোক্র্যাট ভোটাররা দলের দীর্ঘদিনের নেতৃত্বের তুলনায় নতুন প্রজন্মের নেতাদের প্রতি বেশি আস্থা প্রকাশ করছেন। বিশেষ করে মাত্র সাত মাস আগে নিউইয়র্কের মেয়রের দায়িত্ব নেওয়া জোহরান মামদানি অল্প সময়ের মধ্যেই দলের অভ্যন্তরে শক্তিশালী জনসমর্থন গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই জরিপ ডেমোক্র্যাটিক পার্টির নেতৃত্বের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে। দলের তৃণমূল সমর্থকরা কাদের ওপর বেশি আস্থা রাখছেন, সে বিষয়ে বর্তমান নেতৃত্বকে নতুন করে ভাবতে হতে পারে।

ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে জনপ্রিয়তার শীর্ষে জোহরান মামদানি

সমুদ্রে ভেসে থেকে কীভাবে ৪০ ঘণ্টা বেঁচে ফিরলেন রাফি?

ভূমধ্যসাগরে একটি ভাসমান রিং আর ফ্লিপারের সাহায্যে টানা ৪০ ঘণ্টারও বেশি সময় ভেসেছিলেন তিনি। মৃত্যুভয় তাকে গ্রাস করেছিল। কয়েকটি জাহাজ তার পাশ দিয়ে গেলেও কেউ তাকে উদ্ধার করেনি। ২৩ বছর বয়সী রাফি নাদি শেষ পর্যন্ত বেঁচে থাকলেন শুধুই আশা আর প্রার্থনার ওপর ভর করে। পাঁচ বছর আগে তিনি পরিবারকে সাহায্য করার জন্য মিশর ছাড়েন। এবার তিনি প্রাণপণে প্রার্থনা করেন যেন ইউরোপে পৌঁছাতে পারেন এবং জীবিত অবস্থায় আবারও মায়ের মুখ দেখতে পান। রাফি নাদি’র এই চিত্র তুলে ধরেছে লন্ডনের অনলাইন গার্ডিয়ান। এতে আরও বলা হয়, জুলাই মাসে তার উদ্ধার আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের শিরোনামে উঠে আসে। অতিরিক্ত রোদ আর লবণাক্ত পানিতে ঝলসে যাওয়া চামড়া, পানিশূন্যতা ও ভীষণ ক্লান্ত শরীর নিয়ে তাকে দেখা যায় এক নৌকার ডেকে লুটিয়ে পড়তে।

স্পেনের বালিয়ারিক দ্বীপপুঞ্জে যাচ্ছিল একটি পরিবারের নৌকা। তারা তাকে দেখে প্রথমে তাকে টেনে তোলে। পরে স্পেনের সামুদ্রিক উদ্ধারকারী জাহাজ এসে তাকে মালাগার বন্দরে নিয়ে যায় এবং সেখান থেকে পুলিশ ও রেডক্রসের কাছে হস্তান্তর করে। এই ঘটনা আবারও দেখিয়ে দেয়, ইউরোপ সীমান্ত বন্ধ করতে থাকায় অভিবাসীরা কতটা ঝুঁকিপূর্ণ পথ বেছে নিচ্ছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার তথ্যমতে, শুধু গত বছরই কমপক্ষে ৫৭২ জন মানুষ উত্তর আফ্রিকা থেকে স্পেনে পৌঁছাতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছে। রাফি নাদি জানান, ১৭ জুলাই ২০২৫ রাতে মরক্কোর ফনিদেক উপকূল থেকে তিনি ও তার ১৭ বছর বয়সী এক বন্ধু সমুদ্রপথে সেউতা পৌঁছানোর চেষ্টা করেন। পরিকল্পনা ছিল ৫-৬ ঘণ্টায় সেউতায় পৌঁছে যাবেন। কিন্তু ভোরে সূর্য ওঠার পরও তারা গন্তব্যে পৌঁছাতে না পেরে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। এর আগে  রাফি নাদি চারবার সেউতার সীমান্ত প্রাচীর টপকাতে ব্যর্থ হন। তাই তারা বিকল্প পরিকল্পনা করেন- অল্প টাকায় ভাসমান রিং, ফ্লিপার আর ডাইভিং স্যুট কিনে নেন। দু’জনেই ভালো সাঁতার জানতেন। তাই পাচারকারীদের ৩-৪ হাজার ইউরো দেয়ার সামর্থ্য না থাকায় এই পথই তাদের কাছে ভরসা মনে হয়।

রাত ১২টার দিকে সেনাদের চোখ এড়িয়ে তারা পানিতে নামে। বলেন, আমরা সাঁতার কাটলাম, কাটলাম আর কাটলাম। কিন্তু পূর্বাভাসে শান্ত সমুদ্রের কথা বলা হলেও সেদিন ঢেউ খুব উঁচু ছিল। সকালে টানা আট ঘণ্টা সাঁতার কাটার পর ঢেউয়ের তোড়ে তার বন্ধুর সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটে। রাফি নাদি বলেন, আমি আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। তখন চারপাশে শুধু পানি আর পানি। মৃত্যুভয়ে কাঁপছিলাম। ভেবেছিলাম হয়তো কোনো বোট আমাকে টেনে তুলবে। আমি আল্লাহকে ডাকছিলাম, যেন মায়ের কষ্ট না বাড়ে। অন্তত পাঁচটি জাহাজের কাছে সাহায্য চাইতে চেষ্টা করেন তিনি। বলেন, আমি হাত নেড়ে, চিৎকার করে বলেছি- ‘হেল্প, হেল্প’। একটি জাহাজ এতটাই কাছে এসেছিল যে লোকজন স্পষ্টই দেখতে পাচ্ছিল। কিন্তু কেউ সাড়া দেয়নি। জীবনের লড়াই চালিয়ে গেছেন তিনি শুধু ভেসে থাকার শক্তি জোগাড় করতে। দুই রাত আরও একটি দিন কেটে যাওয়ার পর দূরে একটি বোট দেখতে পান। তিনি মরিয়া হয়ে হাত নাড়তে থাকেন। অবশেষে নৌকার মানুষরা দূরবীন দিয়ে তাকে দেখে দড়ি ছুড়ে দেয়। রাফি আবেগভরা কণ্ঠে বলেন, আমি দড়িটা আঁকড়ে ধরি। তারা আমাকে ওপরে তোলে, খাবার, পানি ও পোশাক দেয়।

উদ্ধার মুহূর্তটি ভিডিওতে ধরা পড়ে। স্পেনের বেনালমাদেনা উপকূল থেকে প্রায় ১৩ নটিক্যাল মাইল দক্ষিণে, অর্থাৎ শুরুর স্থান থেকে প্রায় ১০০ কিমি দূরে তাকে পাওয়া যায়। রাফি নাদি বলেন, যদি ওই বোট আমাকে না তুলত, আমি হয়তো আর বাঁচতে পারতাম না। আরও খুশির খবর পান পরে- তার বন্ধু মালাগার কাছাকাছি সমুদ্রতটে নিরাপদে উদ্ধার হয়েছে। রাফি বলেন, আমি তার কণ্ঠ শুনে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করেছি।
দুই সপ্তাহ রেডক্রস শিবিরে থাকার পর তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। কারণ স্পেন ও মিশরের মধ্যে ফেরত পাঠানোর কোনো চুক্তি নেই। আন্তর্জাতিক আইনে তিনি আশ্রয়ের আবেদন করতে পারবেন, যদিও মিশরীয় নাগরিক হিসেবে তার সুযোগ খুবই কম। এখন তার চিন্তা নতুন জীবনের। বলেন, ভাবছিলাম স্পেনে এসে সাথে সাথেই কাজ শুরু করব। কিন্তু আসলে কাগজপত্র ছাড়া এখানে খুব কঠিন। কোনো কাজ পেলেই করতে চাই।
সমুদ্রে ভেসে থাকার সেই ভয়ংকর অভিজ্ঞতা এখনো তাকে তাড়া করে। বলেন, প্রতিবার ভিডিওটা দেখি, আমি বাঁচতে পেরেছি ভেবে আনন্দ পাই। কিন্তু আমি চাই না আর কেউ আমার মতো অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাক।

mzamin