Showing posts with label আলম শাইন. Show all posts
Showing posts with label আলম শাইন. Show all posts

Wednesday, March 4, 2015

আইনটি বাস্তবায়িত হলে অনেক বিপন্ন প্রাণী রক্ষা পাবে by আলম শাইন

আজ ৩ মার্চ। দিনটি বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে সমগ্র বিশ্বে। এ উপলক্ষে দেশের বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় কিছু কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এর উদ্দেশ্য মানুষের মধ্যে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা। দিবসটি বিশ্বে ও বাংলাদেশে দ্বিতীয়বারের মতো পালিত হচ্ছে। ২০১৩ সালের ২৩ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভায় ৩ মার্চ বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস পালনের ঘোষণা দেয়া হয়। এ পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস পালন করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশের পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়।
বিভিন্ন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য থেকে জানা যায়, দেশে মোট বন্যপ্রাণী প্রজাতির সংখ্যা ১ হাজার ৫৯ (মাছ ছাড়া)। এর মধ্যে পাখির প্রজাতি ৭৩৬, স্তন্যপায়ী প্রাণী ১২৪, সরীসৃপ ১৫৭ এবং উভচর প্রাণীর প্রজাতির সংখ্যা ৪২। এদের মধ্যে বন ও বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস, বন্যপ্রাণীর অবৈধ ব্যবসা এবং পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণে হুমকির মুখে রয়েছে ২১৯ প্রজাতির প্রাণী। অপরদিকে মহাবিপন্ন ৬৫টি প্রজাতি। বিপন্ন ৯৫, সংকটাপন্ন ৫৯ এবং বিলুপ্ত প্রাণীর সংখ্যা ১৩। বিলুপ্ত প্রাণীগুলোর মধ্যে গোলাপি শির হাঁস, বাদি হাঁস, একশিঙা গণ্ডার, বারশিঙ্গা, প্যারা হরিণ, রাজশকুন, মিঠা পানির কুমির এবং হকস বিল্ড টারটল অন্যতম।
পরিবেশগত সমস্যা বা বন্যপ্রাণীর আবাস সংকটের কারণ ছাড়াও বন্যপ্রাণীর বিলুপ্তির আরেকটি বিষয় আমরা লক্ষ্য করছি, তা হচ্ছে দেশের বিভিন্ন হাটে-বাজারে বিভিন্ন ধরনের বন্য পশুপাখির মাংস প্রকাশ্যে বিক্রি করছে কবিরাজ নামক এক ধরনের অপচিকিৎসক। তারা এসব মাংস বাত, ব্যথা ও যৌন শক্তিবর্ধক বলে চালিয়ে দিচ্ছে।
এ ধরনের অপতৎপরতার কারণে বন্যপ্রাণীর বেশ কিছু প্রজাতি এ দেশ থেকে হারিয়ে গেছে। কিছু প্রজাতি রয়েছে বিপন্নের পথে। তেমনি একটি প্রাণী হচ্ছে রয়েল বেঙ্গল টাইগার। সুন্দরবনজুড়ে সাড়ে চারশর মতো রয়েল বেঙ্গল টাইগারের বসবাস। এত বিশাল আয়তনের বনে মাত্র এ কটি বাঘের বাস বড়ই বেমানান মনে হয়। দেশের পরিবেশবাদীরা জানিয়েছেন, সুন্দরবন অনেক আগেই ধ্বংস হয়ে যেত, যদি রয়েল বেঙ্গল টাইগার না থাকত। বলা যায়, এ ভয়ংকর প্রাণীর কারণেই চোরাই কাঠ চোরদের তৎপরতায় কিছুটা বিঘ্ন ঘটছে। বিঘ্ন ঘটছে বিষধর সাপের কারণেও। চোরাই মৎস্য শিকারীকে পাহারা দিয়ে রেখেছে কুমির ও হাঙ্গর। তারপরও এসব প্রাণী নিধন থেমে নেই। কেউ ভয় পেয়ে বন্যপ্রাণী পিটিয়ে নিধন করছে, কেউবা নিধন করছে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে। এছাড়াও মানুষের বিলাসিতা ও রসনা বিলাসের শিকার হচ্ছে সুন্দরবনের চিত্রল হরিণগুলো।
যারা পরোক্ষভাবে সুন্দরবনের পরিবেশকে বাঁচিয়ে রেখেছে, তাদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে বনের পাখিরা। ওরা শুধু ভারসাম্যই রক্ষা করছে না, আমাদের প্রকৃতির কঠিন পরিবেশে খাপ খাইয়ে রাখতেও সহায়তা করছে। অনেকে অভিযোগ করেন, পাখিরা আমাদের ফল-শস্যাদি খেয়ে ফেলছে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, পাখিরা গাছের ফল খেয়ে দূরে কোথাও গিয়ে মলত্যাগের মাধ্যমে বনায়ন সৃষ্টি করে অক্সিজেন ফ্যাক্টরি তৈরি করছে। হাওরাঞ্চলের মানুষের ধারণা, অতিথি পাখিরা শুধু তাদের ফসল খেয়েই বিনষ্ট করছে। অথচ সেই অতিথি পাখিরা হাওরেই প্রতিদিন এক টন বিষ্ঠা ত্যাগ করে। এর ফলে গাছগাছালি ও মাছেরা পাচ্ছে উপযুক্ত খাবার। অথচ এ উপকারী বন্ধু অতিথি পাখিসহ অন্যান্য পাখি নিধন করা আমাদের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। আমরা ওদের খাবারে বিষ মাখিয়ে, বিভিন্ন ধরনের ফাঁদ পেতে অতিথি পাখি শিকার করছি। এ অপরিণামদর্শিতার ফলে আজ দেশ থেকে অনেক প্রজাতির পাখি হারিয়ে গেছে।
যে কোনো ধরনের প্রাণীর প্রজাতি যদি প্রকৃতি থেকে বছর দশেকের মধ্যে শতকরা ৫০ ভাগ বা তারও বেশি বিলুপ্ত হওয়ার আশংকা থাকে, সাধারণত সেই প্রজাতি মহাবিপন্নের তালিকায় স্থান পায়। আগেই উল্লেখ করেছি, আমাদের দেশে বেশ কিছু প্রজাতির প্রাণী আজ মহাবিপন্নের তালিকায় রয়েছে। এর মধ্যে লজ্জাবতী বানর অন্যতম। প্রাণী বিজ্ঞানীদের আশংকা, এটি দ্রুত হারিয়ে যাবে এ দেশ থেকে। লজ্জাবতী বানর রেড সিগন্যালের আওতায় রয়েছে। এর অন্যতম কারণ অবাধে বনভূমি উজাড় হওয়া। লজ্জাবতী বানরের বাসযোগ্য স্থান হচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম ও লাউয়াছড়ার গভীর জঙ্গল। উঁচু গাছের মগডালে থাকতে পছন্দ করে এরা। জনমানবের পদচিহ্ন নেই যেখানে, সেখানেই ওদের বাস। অন্য কারণটি হচ্ছে, এদের প্রজনন হার সন্তোষজনক নয়। বছরে মাত্র একটি বাচ্চা প্রসব করে মাদী বানরটি। সন্তোষজনক নয় গড় আয়ুও। যদি অনুকূল পরিবেশ পায়, তাহলে এরা মাত্র ১০-১২ বছর বাঁচে।
এসব বিষয় চিন্তা করে আমাদের উচিত প্রকাশ্যে-অপ্রকাশ্যে বন্যপ্রাণীদের ওপর যেন নির্যাতন না হয় সেদিকে খেয়াল দেয়া। বন্যপ্রাণী রক্ষার জন্য আমাদের প্রচার-প্রচারণাসহ ব্যাপকভাবে সংশ্লিষ্ট আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। যাতে কেউ বন্যপ্রাণী নিধন করতে না পারে।
সরকার ইতিমধ্যে বন্যপ্রাণী রক্ষার্থে কিছু ভালো পদক্ষেপ নিয়েছে। এর মধ্যে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন ২০১২ পাস হয়েছে। এ আইনের ১নং ও ২নং তফসিলে ৬৫০ প্রজাতির পাখিকে প্রোটেক্টেড বার্ড হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পরিযায়ী পাখি শিকারের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। সুন্দরবন ও টাঙ্গুয়ার হাওরকে রামসার সাইট ঘোষণা করেছে ইউনেস্কো। অপরদিকে টাঙ্গুয়ার হাওর, হাইল হাওর, হাকালুকি হাওর, নিঝুম দ্বীপ ও সোনাদিয়া দ্বীপকে ফ্লাইওয়ে সাইট ঘোষণা করা হয়েছে। এসব এলাকায় বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত স্ট্রেংদেনিং রিজিওনাল কো-অপারেশন ফর ওয়াইল্ডলাইফ প্রোটেকশন প্রকল্পের আওতায় বনবিভাগ-এনজিও-বিশ্ববিদ্যালয় যৌথভাবে কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। শকুনের মরণঘাতী ওষুধ ডাইক্লোফেনাক উৎপাদন নিষিদ্ধ করেছে সরকার। পাখিপ্রেমীদের উৎসাহিত করতে বঙ্গবন্ধু অ্যাওয়ার্ড ফর ওয়াইল্ডলাইফ কনজারভেশন প্রদান করছে সরকার। উদ্ধারকৃত ও আহত পাখির সেবাদানে সারা দেশে চারটি অঞ্চলে বন্যপ্রাণী উদ্ধার কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। পাখি সমৃদ্ধ এলাকাকে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় ইকোলজি ক্রিটিক্যাল এরিয়া ঘোষণা করেছে। এছাড়াও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন ২০১২-এ বাঘ বা হাতি হত্যা করলে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা জরিমানা ও ৭ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। অন্যসব বন্যপ্রাণী শিকার করলে অথবা আইন লংঘন করলে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা জরিমানা এবং এক বছরের কারাদণ্ডের কথা বলা আছে। আইনটি বাস্তবায়ন হলে অনেক বিপন্ন বন্যপ্রাণী রক্ষা পাবে। সেক্ষেত্রে শুধু আইন পাস হলেই চলবে না, তার প্রয়োগও হতে হবে যথাযথ, যা হচ্ছে না অদ্যাবধি আমাদের দেশে। তাই কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি, বন্যপ্রাণী নিধন আইন দ্রুত বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নিয়ে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এগিয়ে আসুন।
আলম শাইন : বন্যপ্রাণী ও পরিবেশবিষয়ক লেখক
alamshine@gmail.com

Friday, September 7, 2012

চরাচর-বিনষ্ট হচ্ছে সর্পগন্ধা by আলম শাইন

আয়ুর্বেদ গ্রন্থে একটি উক্তি লক্ষ করা যায়। উক্তিটি হচ্ছে- 'সর্পানং বিষস্য গন্ধ'। আমরা মনে করি বাক্যটির অর্থটি, 'সাপের বিষের গন্ধ'। আসলে অর্থটি সঠিক নয়। ওই বাক্যে গন্ধ অর্থ ধরা হয়েছে 'হিংসা'। সে মতে বলা হয়েছে, 'সাপকে হিংসা করা'। আর সাপকে হিংসা করা মানেই হচ্ছে ওটার বিষক্রিয়াকে জব্দ করা অথবা বিষকে হরণ করে নেওয়া।

Sunday, August 26, 2012

চরাচর-বিপন্ন লজ্জাবতী বানর by আলম শাইন

যেকোনো ধরনের প্রাণী প্রজাতির যদি প্রকৃতি থেকে বছর দশেকের মধ্যে ৫০ শতাংশ বা তারও অধিক বিলুপ্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে, সাধারণত সে প্রজাতি মহাবিপন্নের তালিকায় স্থান পায়। আমাদের দেশে বেশ কয়েক প্রজাতির প্রাণী আজ মহাবিপন্নের তালিকায় রয়েছে। লজ্জাবতী বানর তার অন্যতম।

Wednesday, July 18, 2012

চরাচর-অতীশ দীপংকরের স্মৃতিসৌধ by আলম শাইন

প্রাচীন বাংলার রাজধানীর নাম বিক্রমপুর। দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দী পর্যন্ত বিক্রমপুর ছিল বাংলার রাজধানী। পরবর্তী সময়ে তা কালের গর্ভে বিলীন হয়ে যায় এবং মুছে যায় বাংলার বেশির ভাগ মানুষের হৃদয় থেকে। শুধু ছাপার অক্ষরে থেকে যায় ইতিহাসের শুকনো পাতায়।

Sunday, July 8, 2012

চরাচর-জপমালা রানীর গির্জা by আলম শাইন

উপমহাদেশের ভাগ্যটা কখনো ভালো যায়নি। এ উপমহাদেশের অধিবাসীরা একসময় ছিল সহজ-সরল বা বোকা কিসিমের। আর তাদের সে সরলতার সুযোগ নিয়েছে ভিনদেশিরা। বিভিন্ন সময়ে বাণিজ্যের সুবিধা নিয়ে উপমহাদেশে এসে শত শত বছর শাসন-শোষণ দুটিই করে গেছে। এ থেকে পরিত্রাণ পেতে কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে প্রচুর।

Saturday, June 30, 2012

নদীদূষণের আরেক চিত্র by আলম শাইন

বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। যদিও সত্যতা প্রমাণের জন্য দলিল-দস্তাবেজ নিষ্প্র্রয়োজন, তথাপি সংক্ষেপে সারকথাটা জানাতে হয়। আমরা জানি, এ দেশে ছোট-বড় মিলিয়ে মোট ৩৫০টি নদী বহমান। অপরদিকে শাখা-প্রশাখা মিলিয়ে নদ-নদীর সংখ্যা প্রায় ৮শ'।

Monday, June 18, 2012

চরাচর-কুয়াকাটা সৈকত by আলম শাইন

সাগরকন্যা' খ্যাত কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতের অবস্থান দেশের দক্ষিণাঞ্চলে। ঢাকা থেকে এ স্থানের দূরত্ব ৩২০ কিলোমিটার। পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার লতাচাপলি ইউনিয়নে সৈকতটির অবস্থান। এ স্থানের নামকরণ নিয়ে আছে চমকপ্রদ তথ্য।

Wednesday, May 23, 2012

চরাচর-হারিয়ে যাচ্ছে কালমেঘ by আলম শাইন

স্বল্প আয়তনের এ দেশটিতে প্রচুর ঔষধি গাছগাছড়া জন্মে থাকে। যার অধিকাংশ মাঠে-ঘাটে কিংবা বনবাদাড়ে অবহেলায়-অযত্নে বেড়ে ওঠে। কোনো ধরনের পরিচর্যা না থাকায় এসব ভেষজ উদ্ভিদ দ্রুত হারিয়ে যাচ্ছে। যেমন হারিয়ে যেতে বসেছে কালমেঘ নামের ভেষজ উদ্ভিদটি।

Monday, May 21, 2012

গাছ কেটে প্রতিশোধ! by আলম শাইন

গাছ প্রকৃতির বধির সন্তান। আমাদের বন্ধু। আত্মার আত্মীয়। গাছ দিতে জানে; নেওয়ার অভ্যাস নেই। একজন মানুষের জন্ম থেকে মৃত্যু অবধি গাছের প্রয়োজনীয়তা বলার মতো নয়। যে কেউই বলে দিতে পারেন। কাজেই ও সব নিয়ে সাফাই গাওয়ার প্রয়োজনবোধ করছি না। প্রয়োজনবোধ করছি গাছপালা বিনষ্টকারীদের কথা জানানোর।

Saturday, May 19, 2012

চরাচর-সোনারঙের যমজ মঠ by আলম শাইন

সোনারং একটি গ্রামের নাম। প্রাচীন বাংলার রাজধানী বিক্রমপুরে অবস্থিত এ গ্রামটি। বিশেষ একটি কারণে এ গ্রামটি ইতিহাসের পাতায় স্থান করে নিয়েছে। সেই বিশেষ কারণটি হচ্ছে, সোনারঙের টুইন টাওয়ার বা যমজ মঠ। যা দর্শন করতে এসেছিলেন সাবেক বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট সমর সেন।

Wednesday, May 9, 2012

চরাচর-ঐতিহ্যবাহী ক্যাসেল পার্ক by আলম শাইন

১৯১১ সালে অর্থাৎ ব্রিটিশ আমলে নওগাঁ শহরে একটি বিনোদন পার্ক তৈরি করা হয়। লর্ড ক্যাসেলের নামানুসারে পার্কটির নামকরণ করা হয় 'ক্যাসেল পার্ক'। মূলত তৎকালীন রাজশাহী জেলা বোর্ডের উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পরপরই পার্কটির নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় 'রাজশাহী জেলা বোর্ড উদ্যান'।

Monday, May 7, 2012

চরাচর-কার্পাস তুলার দ্যুতি by আলম শাইন

পৃথিবীকে বেষ্টন করে যে বলয়াকার এলাকা ৩৭ ডিগ্রি উত্তরে এবং ৩৭ ডিগ্রি দক্ষিণ অক্ষাংশের [লেটিচুড (Latitude)com] মধ্যে অবস্থিত, সেই এলাকায় তুলাগাছ বেশি উৎপন্ন হয়। সাধারণত উষ্ণমণ্ডল ও তার কাছাকাছি অঞ্চলে প্রচুর তুলা চাষ হয়। তুলাগাছকে প্রাচীনকালে 'সূর্যকন্যা' নামে ডাকা হতো।

Monday, April 30, 2012

চরাচর-গুরুদুয়ারা নানক শাহী by আলম শাইন

যত দূর জানা যায়, বাংলাদেশে শিখ সম্প্রদায়ের লোকজনের বাস খুব একটা নেই। বলা যায় তাঁদের সংখ্যা একেবারেই সীমিত। যাঁরা বাস করছেন তাঁদের বেশির ভাগই শহরকেন্দ্রিক আবাস গড়েছেন। এর অবশ্য বিবিধ কারণ রয়েছে। প্রধান কারণটি হচ্ছে নিরাপত্তাজনিত বিষয়।

Wednesday, April 25, 2012

চরাচর-ঐতিহ্যবাহী বলীখেলা by আলম শাইন

'বলি' এবং 'বলী' শব্দ দুটির উচ্চারণ প্রায় একই হলেও আলাদা অর্থ বহন করে। যেমন_যজ্ঞাদিতে হত্যাযোগ্য প্রাণী হচ্ছে 'বলি'। অন্যদিকে 'বলী' হচ্ছে শক্তিশালী বা বলশালী। যার অর্থ অনেকেই বুঝতে সক্ষম হননি। ফলে বলীখেলাকে 'বলি' মনে করে ভুলটি করে থাকেন।

Monday, April 23, 2012

চরাচর-সীতাকোট বৌদ্ধবিহার by আলম শাইন

আমাদের দেশে এ পর্যন্ত যত বৌদ্ধবিহারের সন্ধান পাওয়া গেছে, তার মধ্যে সীতাকোট বৌদ্ধবিহার সবচেয়ে প্রাচীন। এটি দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত। নবাবগঞ্জ সদর থেকে আড়াই কিলোমিটার পশ্চিমে প্রায় এক একর জমির ওপর সীতাকোট বৌদ্ধবিহারের অবস্থান। এ বিহারের নামকরণ নিয়ে কিছু তথ্য পাওয়া যায়।

Friday, April 20, 2012

চরাচর-পোড়াবাড়ীর চমচম by আলম শাইন

মিষ্টির বিপরীত শব্দ টক। শুধু শব্দের ক্ষেত্রেই নয়, মিষ্টি এবং টক-জাতীয় খাবারও একটি অন্যটির চেয়ে আলাদা বৈশিষ্ট্যের দাবি রাখে। অর্থাৎ খাবার হিসেবেও এ দুটির সম্পর্ক সম্পূর্ণ বিপরীত। এ মূল্যবান খাবার এবং শব্দদ্বয়ের মধ্যে মিল খুঁজে পাওয়া না গেলেও একটি জায়গায় শতভাগ মিল খুঁজে পাওয়া যায়।

Tuesday, April 10, 2012

চরাচর-গান্ধীজির কেরোয়াগ্রাম by আলম শাইন

মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীজিকে চেনেন না এমন লোক এ দেশে খুব কমই আছেন। তবে এই নামে তাঁকে কেউ না চিনলেও 'মহাত্মা গান্ধী' নামে ঠিকই চেনেন। তাঁকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার কিছুই নেই। তবে এটুকু বলা যায়, তিনি ছিলেন একজন অহিংসবাদের প্রবাদপুরুষ এবং একজন শুদ্ধ রাজনীতিবিদ।

Monday, April 9, 2012

চরাচর-মুড়াপাড়া জমিদারবাড়ি by আলম শাইন

রাজধানী ঢাকার কাছেই নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলা। এখানে মুড়াপাড়া নামক স্থানে রয়েছে ঐতিহাসিক এক জমিদারবাড়ি। বাড়িটি বানিয়েছিলেন জমিদার রামরতন ব্যানার্জি। মুড়াপাড়ায় শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে প্রায় ৫০ বিঘা জমির ওপর এই জমিদারবাড়ির অবস্থান। ১৮৮৯ সালে জমিদার রামরতন ব্যানার্জির উত্তরসূরি প্রতাপ চন্দ্র ব্যানার্জির

Sunday, April 1, 2012

চরাচর-আর্সেনিকের ভয়াবহতা by আলম শাইন

আর্সেনিক একধরনের ধূসর ধাতব পদার্থ। একে সহজেই ভেঙে গুঁড়ো করা যায়। এর রাসায়নিক সংকেত অঝ। সাধারণত দুই রকম আর্সেনিক বিদ্যমান। জৈব ও অজৈব আর্সেনিক। জৈব অপেক্ষা অজৈব আর্সেনিক বেশি ক্ষতিকর। পানিতে প্রধানত অজৈব আর্সেনিক বেশি পাওয়া যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে পানিতে আর্সেনিকের সহনীয় মাত্রা ০.০৫ পিপিএম।

Sunday, March 18, 2012

চরাচর-হারিয়ে যাচ্ছে নৌকাবাইচ by আলম শাইন

বাংলা ও ফরাসি শব্দের সংমিশ্রণে 'নৌকাবাইচ' শব্দের উৎপত্তি। 'নৌকা' বাংলা শব্দ, অন্যদিকে 'বাইচ' ফরাসি শব্দ। বাইচ শব্দের অর্থ হচ্ছে 'বাজি'। সে অনুযায়ী পুরো শব্দের অর্থ দাঁড়ায় নৌকার বাজিখেলা। নিঃসন্দেহে বলা যায়, খেলাটা বেশ রোমাঞ্চকর ও আনন্দদায়ক। সেই সঙ্গে বলা যায়, এটি আমাদের আবহমান গ্রামবাংলার একটি ঐতিহ্যবাহী খেলা।