Saturday, July 25, 2015
সংযোগে লাভ বেশি না ক্ষতি? by আনু মুহাম্মদ
ভারতের এক অঞ্চলের সঙ্গে অন্য অঞ্চলের যে করিডরের ব্যবস্থা করা হচ্ছে, তাকে কানেকটিভিটি বা সংযুক্ততা নামক শব্দ দিয়ে আসলে অস্পষ্টই করা হয়। এক দশক ধরে এফক্যাব, এডিবিসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে একে বলা হচ্ছিল ট্রানজিট। এখন সেটা নতুন নামে এসেছে। চূড়ান্ত পর্যায়ে বাংলাদেশ কতগুলো চুক্তি স্বাক্ষর করলেও এ সম্পর্কে বাংলাদেশের নাগরিকেরা বিশদভাবে অবগত নন। আমরা জানি না, সরকারের কাছে কী কী সমীক্ষা আছে এবং এসব চুক্তির ধারা-উপধারায় বাংলাদেশের স্বার্থ কোথায় কতটা রক্ষা পাবে বা পাবে না, তা-ও জনগণ জানতে পারেনি।
বাংলাদেশের সঙ্গে কলকাতা, আসাম, শিলিগুড়ি বা মিয়ানমারের যোগাযোগ তো ইতিমধ্যেই আছে। যেটা নেই, সেটা হলো ভারতের এক অঞ্চলের সঙ্গে অন্য অঞ্চলের সরাসরি সহজ ও ব্যয়সাশ্রয়ী যোগাযোগের ব্যবস্থা। এটা পেয়ে গেলে ভারতের ওই সব অঞ্চলের জনবিন্যাস, স্থানিক বিন্যাস, অর্থনৈতিক বিন্যাসে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। তাদের যোগাযোগ খরচ ও সময় আগের তুলনায় শতকরা ২০ থেকে ২৫ ভাগে নেমে আসবে। সুতরাং এটা ভারতের জন্য বিরাট সুফলদায়ক পরিবর্তন। কিন্তু আমাদের ক্ষতির চেয়ে লাভ বেশি, না লাভের চেয়ে ক্ষতি বেশি, তা সরকার দেশবাসীকে জানাচ্ছে না। এই রহস্যের কারণ কী?
আমাদের সড়কপথ ইতিমধ্যেই অতিরিক্ত যানের ভারে ধুঁকছে। ভারতীয় যান চলাচল শুরু হলে এর ওপর চাপ বেড়ে যাবে অনেক। নতুন যোগাযোগ তৈরি করতে কতটা কৃষিজমি, জলাশয়, অরণ্য যাবে, সেটার হিসাব আমাদের কাছে আছে কি? এই প্রতিটির জন্য বাংলাদেশের জনগণকে বিভিন্নভাবে ভুগতে হবে। এর জন্য কী পরিমাণ শুল্ক পাওয়া যাবে, তা-ও নিশ্চিত নয়। এর আগে মানবিক কারণের কথা বলে ভারতীয় পণ্য চলাচল হয়েছে বিনা শুল্কে, ভবিষ্যতেও কি সে রকমই হবে?
অনেকে এ ধরনের যোগাযোগকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে তুলনা করেন। প্রথমত, এই যোগাযোগ ভারত থেকে ভারতে। দ্বিতীয়ত, ইউরোপের প্রতিটি দেশের সঙ্গে প্রতিটি দেশের স্বার্থ স্বচ্ছ চুক্তির মাধ্যমে সুরক্ষিত। বাংলাদেশের তুলনায় ভারত যে ক্ষমতা ও সুবিধা ভোগ করে, সে রকম অবস্থা সেখানে নেই। আসলে এর সঙ্গে তুলনীয় দক্ষিণ আফ্রিকা দিয়ে চার দিকে ঘেরাও থাকা দেশ লেসেথোর সঙ্গে। ভবিষ্যতে এর প্রতিক্রিয়া নিয়ে আশঙ্কিত হওয়ার কারণ রয়েছে।
আমরা ভুলতে পারি না, পানি মানবিকতার বা দয়াদাক্ষিণ্যের বিষয় নয়, আন্তর্জাতিক আইনস্বীকৃত অধিকার। আমরা ভুলতে পারি না, ভারত তার ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে তিন দিকে কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘিরে রেখেছে। বিশেষজ্ঞরা দাবি করেন, সীমান্ত চুক্তি সম্পন্ন হওয়ায় কাঁটাতারের বেড়া সম্পূর্ণ করা নিশ্চিত হলো। আমরা যখন কাঁটাতারের বেড়ায় ঘেরা, তখন ভারতীয় পরিবহন বাংলাদেশের বুকের ওপর দিয়ে অবাধে চলাচল করবে!
কাঁটাতারের পেছনে বড় যুক্তি, বাংলাদেশ থেকে সন্ত্রাসী-জঙ্গি হুমকি ঠেকানো। আমাদের নেতা-নেত্রী ও মন্ত্রীদের কারও কারও মুখেও এ কথা উচ্চারিত হয়। প্রথমত, কাঁটাতার রেখে কীভাবে কানেকটিভিটি সম্ভব? দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশের সন্ত্রাসীদের থেকে ভারতকে নিরাপদ করাই যদি কাঁটাতারের উদ্দেশ্য হয়, তাহলে সেই সন্ত্রাসের উৎস দেশের মধ্যে দিয়ে ভারতের পণ্য ও যাত্রীবাহী যান চলাচল কীভাবে নিরাপদ হবে? কে নিশ্চয়তা দেবে? এই প্রশ্নের উত্তর নেই। বাংলাদেশের অনেক পুরোনো ইচ্ছা, নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো। কয়েক বছর আগে ভারতের সঙ্গে এ ব্যাপারে সমঝোতা হলেও কার্যত নেপাল ও বাংলাদেশের মধ্যে মাত্র ৩৪ কিলোমিটার ভারতীয় ভূখণ্ড পেরোনোর বন্দোবস্ত হয়নি।
বলা হচ্ছে, কানেকটিভিটির মাধ্যমে বাণিজ্য ঘাটতি কমবে। ভারত বড় অর্থনীতির দেশ। এ ধরনের দেশের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি থাকতেই পারে। সমস্যাটা হচ্ছে, ভারতের বাজারে বাংলাদেশ যেসব পণ্য নিয়ে যেতে সক্ষম, সেগুলোও আটকে থাকছে। নানা রকম প্রত্যক্ষ-অপ্রত্যক্ষ বাধা তৈরি করে রাখা হয়েছে। এসব প্রতিবন্ধকতা না থাকলে ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানি বর্তমানের দ্বিগুণ হতে পারত। এ ক্ষেত্রে কোনো মৌলিক পরিবর্তনের লক্ষণ কোনো চুক্তিতেই নেই। সে ধরনের পরিবর্তন আনতে হলে বাংলাদেশের শিল্প বিনিয়োগকারীদের ভারতের বাজারে সুযোগ দিতে হবে। আমাদের পুঁজিপতিদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে, তাঁরা স্বাধীন দেশের শিল্পপতি হিসেবে লেনদেন করবেন, নাকি ভারতীয় পুঁজির কনিষ্ঠ অংশীদার হিসেবেই সন্তুষ্ট থাকবেন? ভারতীয় বিনিয়োগের ধরনও হলো, ভারতের পণ্যই ভারতে রপ্তানির ব্যবস্থা করা। এতে করে ভারতে বাংলাদেশের বর্তমান বাজার যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হবে, তেমনি দেশের টেকসই শিল্পভিত্তি তৈরি হওয়াও বিঘ্নিত হবে। এহেন বিনিয়োগে আমাদের শিল্পপতিদের স্বার্থের ক্ষতি হওয়ার কথা।
অভিন্ন নদী, বিশাল পানিসম্পদ, খনিজ সম্পদ ও মানবসম্পদ নিয়ে দক্ষিণ এশিয়াজুড়ে সহযোগিতার পরিকল্পনা গ্রহণের বিরাট সুযোগ আছে। কিন্তু করপোরেট স্বার্থ, আঞ্চলিক আধিপত্য ও বৈষম্যের দৃষ্টিভঙ্গি এসব অভিন্ন স্বার্থকে খর্ব করছে। উন্নয়ন যদি এ অঞ্চলের স্বার্থেই হয়, তাহলে সবকিছু অন্ধকারে রাখার দরকার কী?
আনু মুহাম্মদ: অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এখন দল বদলের দিন by আব্দুল কাইয়ুম
![]() |
| রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ও নাশকতার আসামিকে ফুল দিয়ে দলে বরণ করছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী |
তবে এখন দিন বদলে একটা নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে—দল বদল। ‘দিন বদল’-এর প্রথম শব্দটা বদলে গেছে। দিন-এর হ্রস্ব ই-কার বাদ পড়ে গেছে, আর শেষ অক্ষর, ন-এর পরিবর্তে ‘ল’ হয়ে গেছে। ফলে দিন বদলের পাশাপাশি শুরু হয়ে গেছে দল বদল!
চট্টগ্রামের রাউজানে বিএনপির উপজেলা পর্যায়ের একজন নেতাকে গত রোববার পুলিশ গ্রেপ্তার করেছিল। তিনি রাউজানের একজন যুবলীগের কর্মী হত্যার আসামি। পুলিশ জানায়, তাঁর বিরুদ্ধে নাকি আরও অনেক মামলা রয়েছে। কিন্তু পরদিন সকালে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। আর বিকেলে তাঁকে উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ফুলের তোড়ায় তিনি দল বদল করেন। বলা হয়, তিনি স্বেচ্ছায় আওয়ামী লীগে যোগদান করেছেন!
এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাজশাহীর চারঘাটে ভোটকেন্দ্র পোড়ানো মামলার আসামি ও কৃষক দলের এক নেতা পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের হাতে ফুল দিয়ে আওয়ামী লীগে যোগ দেন। শুধু বিএনপির নয়, জামায়াতের একজন সমর্থক-কর্মীও একই সময়ে তাঁদের দল ছেড়ে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন।
যেখানে সরকার পেট্রলবোমা-ককটেল, জ্বালাও-পোড়াওয়ের বিরুদ্ধে এত সোচ্চার, সেখানে সরকারের একজন প্রতিমন্ত্রী কীভাবে বিএনপি ও জামায়াতের লোকজনের যোগদান অনুমোদন করলেন?
অবশ্য দল থেকে বলা হচ্ছে, মামলা থাকলে তা নিজস্ব গতিতে চলবে। তাহলে কিসের আশায় ওরা বিএনপি ছেড়ে আওয়ামী লীগে যাচ্ছে? আইন তো নিজস্ব গতিতে চলবেই। কিন্তু সরকারপক্ষ যদি উৎসাহী না হয়, তাহলে সেই মামলার ভবিষ্যৎ নিয়ে কি কারও সন্দেহ থাকতে পারে? শেষ পর্যন্ত মামলাগুলো ফাইল-চাপা পড়ে যায়।
এর আগে বিভিন্ন সময়ে পত্রপত্রিকায় এ রকম দল বদলের আরও খবর পাওয়া গেছে। মামলা, গ্রেপ্তারের হুমকি-ধমকি, স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক মহলের চাপ এবং এ রকম আরও অনেক সমস্যার মুখে বিএনপি ও জামায়াত থেকে স্থানীয় পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা আওয়ামী লীগে যাচ্ছেন। এভাবে তাঁরা আপাতত গা বাঁচানোর চেষ্টা করছেন।
সবচেয়ে অবাক ব্যাপার হলো, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো অবস্থান নেওয়া হচ্ছে না। অবশ্য প্রধানমন্ত্রী কিছুদিন আগে এসব বিষয়ে সাবধান থাকার কথা বলেছিলেন। ওই পর্যন্তই। এটা যে খারাপ, আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ঐতিহ্যবাহী একটি দল যে এ রকম সুবিধাবাদকে প্রশ্রয় দিতে পারে না, এ বিষয়ে তো দলের সব পর্যায়ের নেতৃত্বের সচেতন থাকার কথা। কিন্তু না, সে রকম কিছু গভীর চিন্তাভাবনা চোখে পড়ল না।
প্রথম আলোর রাজশাহী প্রতিনিধির কাছে টেলিফোনে জানতে চাইলাম, এসব দল বদলের প্রতিক্রিয়া কী? তিনি জানালেন, স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা দারুণ হতাশ ও ক্ষুব্ধ। তাঁরা বলছেন, যেখানে বিএনপি-জামায়াত এত সন্ত্রাস করল, বোমা মেরে আওয়ামী লীগের লোকজনকে মারাত্মকভাবে আহত করল, সেখানে আজ আবার তাঁদেরই কেন দলে টেনে নেওয়া হচ্ছে? সে সময় একজন ভ্যানচালকের ওপর হামলা চালিয়ে তাঁর হাত ও ঘাড়ের হাড় ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। তিনি এখনো পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠেননি। প্রতিমন্ত্রী অবশ্য চিকিৎসার জন্য ৫০ হাজার টাকা দিয়ে তাঁকে সাহায্য করেছিলেন। সে জন্য তিনি কৃতজ্ঞ। কিন্তু এখন তো তিনি ভালোভাবে ভ্যান চালিয়ে উপার্জন করতে পারছেন না। এ অবস্থায় তিনি দেখছেন, তাঁর জীবনটা নষ্ট করে দেওয়ার জন্য দায়ী ব্যক্তিরা সরকারি দলের আনুকূল্য পাচ্ছেন। সেই ভ্যানচালকের মনের অবস্থাটা ভেবে দেখুন! সহিংসতার শিকার এই ভ্যানচালককে কী সান্ত্বনা দেবে আওয়ামী লীগ?
দল বদল নতুন কিছু নয়। প্রচলিত রাজনীতিতে মাঝেমধ্যে বিভিন্ন দলের কিছু নেতা-কর্মী দল বদলান। নিশ্চয়ই কিছু সুবিধা পান। না হলে কেন যাবেন এক দল ছেড়ে অন্য দলে। কিন্তু দল বদলেরও কিছু নিয়ম আছে। অন্য দল ছেড়ে আসা একজন কর্মীকে চট করে দলে নেওয়া যায় না। আওয়ামী লীগেরই গঠনতন্ত্রে বলা আছে, শুধু ফুলের তোড়া দিয়েই কাজ হাসিল হবে না, তাঁকে প্রাথমিক সদস্যপদ নিতে হবে। ভিন্ন দল থেকে এসে কমিটিতে যেতে হলে তাঁকে অন্তত দুই বছর দলের কর্মী হিসেবে কাজ করতে হবে। ওপরের কমিটির অনুমোদন লাগবে ইত্যাদি। কিন্তু নিচের দিকে কে মানেন এসব নীতিমালা? বরং দলের মধ্যে নাম কেনার জন্য স্থানীয় পর্যায়ের অনেক নেতা-কর্মী অন্য দলের নেতাদের টানেন। দল ভারী করার কথা বলেন। আবার বিএনপি-জামায়াতের লোকজন এখন বিপদে আছেন বলে সুযোগ নেন। কদিনের জন্য দল বদল করেন। অবস্থা ঘুরে গেলে হয়তো তাঁরাও আবার ঘুরে যাবেন।
ষাটের দশকে দেখেছি, আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা আইয়ুব-মোনায়েমের শাসনে অনেক নির্যাতন, জেল-জুলুম সহ্য করে রাজনীতি করে গেছেন। দলের ও দেশের জন্য তাঁদের অবদান ছিল অসামান্য। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জীবনের বেশির ভাগ সময়ই জেল-জুলুম সহ্য করে বাঙালির স্বাধিকারের জন্য লড়াই করে গেছেন। তাঁর নেতৃত্বে এসেছে আমাদের স্বাধীনতা। তাঁর হাতে গড়া দলের আদর্শ ও ত্যাগের কথাগুলো এখন দলের অনেক নেতা-কর্মী হারিয়ে ফেলছেন। যখন জামায়াতের লোকজনকে দলে স্বাগত জানিয়ে নিয়ে আসা হয়, তখন আদর্শ কোথায় থাকে?
আদর্শের সংকট দেখা দিলে আদর্শবাদী নেতা-কর্মীরা পেছনের সারিতে পড়ে যান। এটা দলের জন্য বিপর্যয় ডেকে আনে। দলে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। সুযোগ–সন্ধানীরা তখন দলের মধ্যে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠেন। আজ যে বুয়েট ক্যানটিনে ছাত্রলীগের নেতারা চাঁদাবাজি করতে যান, তিতুমীর কলেজের ছাত্রলীগের কর্মীরা ফাউ খাওয়া নিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মারামারি বাধান। গাড়ি ভাঙচুর করে সাধারণ মানুষের ক্ষতি করেন। এগুলো সেই ধরনের বিপর্যয়ের লক্ষণ। তাই দলকে এসব ব্যাপারে খুব দৃঢ় অবস্থান নিতে হবে।
আজ দেশে কার্যকর বিরোধী দলকে বলতে গেলে অস্তিত্বহীন করে ফেলা হয়েছে। বিএনপির মূল নেতাদের কেউই আজ সক্রিয় রাজনীতি করতে পারছেন না। বেশির ভাগ নেতাকেই বিভিন্ন মামলায় জড়িয়ে জেলে আটকে রাখা হয়েছে। অন্য যে কজন বাইরে আছেন, তাঁদের ওপরও রয়েছে নানা চাপ। ভয়ভীতি। তাঁদের কেউই প্রকাশ্যে কোনো অবস্থান নিতে পারছেন না। আর সংসদের কথা না বলাই ভালো। সেখানে যে বিরোধী দল আছে, তা তো সরকারেরই আশীর্বাদপুষ্ট, সরকারেরই বর্ধিতাংশ মাত্র।
ফলে বিএনপির মধ্যে নেমেছে হতাশা। জেলা-উপজেলা পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের মধ্যে এ রকম হতাশা বেশি। তাঁদের কেউ কেউ হয়তো আপাতত আওয়ামী লীগে যোগদান করাকেই শ্রেয় মনে করছেন।
দমন-পীড়ন করে বিরোধী দলকে কোণঠাসা করে রাখার চেষ্টা বাংলাদেশে কখনো টেকেনি। বিএনপিও ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে আওয়ামী লীগের ওপর চরম দমন-পীড়ন চালিয়ে নিষ্ক্রিয় করে ফেলার ব্যর্থ চেষ্টা চালিয়েছিল। কিন্তু তার ফল কী হয়েছে? আওয়ামী লীগের মতো এ রকম একটা দল, তৃণমূল পর্যায়ে যাদের রয়েছে দৃঢ় ভিত্তি, তাদের শুধু জেল-জুলুম-হত্যা করে নিশ্চিহ্ন করা যায় না।
আজ আওয়ামী লীগ সরকারের হাতে নিরঙ্কুশ ক্ষমতা। তারা যদি বিএনপির মতো একই কায়দা অনুসরণ করে, তা যে বুমেরাং হবে না, তা কে বলতে পারে? বিএনপির কিছু নেতা-কর্মীকে দলে ভিড়িয়ে আওয়ামী লীগ দল ভারী করতে পারবে না। বরং এরা একদিন দলের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়াবে।
দল বদল যে দিন বদলের পথে বাধা, আওয়ামী লীগ সেটা যত দ্রুত উপলব্ধি করবে, ততই মঙ্গল।
আব্দুল কাইয়ুম: সাংবাদিক।
quayum@gmail.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনা অনেক, বাধা দুর্নীতি -যুক্তরাজ্য সরকারের প্রতিবেদন
![]() |
| বাংলাদেশে বিনিয়োগের অপার সম্ভাবনা নিয়ে যুক্তরাজ্য সরকারের প্রতিবেদন। ছবি: যুক্তরাজ্য সরকারের ওয়েবসাইট থেকে নেওয়া। |
গত বৃহস্পতিবার দেশটির সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয় এই প্রতিবেদনটি। এটি তৈরি করা হয়েছে বাংলাদেশে ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশ সম্পর্কে ব্রিটিশ বিনিয়োগকারীদের ধারণা ও পরামর্শ দিতে।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা, স্থিতিশীল ক্রেডিট রেটিং এবং প্রতিযোগিতামূলক শ্রমবাজার রয়েছে। এর ফলে দেশটিতে বিনিয়োগের ভালো সম্ভাবনা আছে। এ ক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তি, জ্বালানি, জলবায়ু পরিবর্তন রোধ কার্যক্রম, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবাকে সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এর কারণ হিসেবে এ খাতগুলোতে ভবিষ্যৎ চাহিদার কথা উল্লেখ করা হয়।
তবে প্রতিবেদনে ব্রিটিশ বিনিয়োগকারীদের জন্য ‘স্পিড মানি’কে (অনানুষ্ঠানিক অর্থ প্রদান বা ঘুষ) বড় ধরনের বাধা বলে উল্লেখ করা হয়। এতে বলা হয়, বাংলাদেশে দুর্নীতি নিত্যদিনের সমস্যা। দেশটির রাজনীতিবিদ, আমলা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রায়ই ক্ষমতার অপব্যবহার করে। এ ছাড়া স্বচ্ছতার অভাব এবং আমলাতন্ত্রের বাড়াবাড়ি রয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
ব্রিটিশ কোম্পানিগুলোর জন্য যেকোনো অবস্থায় ঘুষ লেনদেন যে যুক্তরাজ্যের আইনে অপরাধ-এ বিষয়টিও প্রতিবেদনে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়। এ ছাড়াও বাংলাদেশের বাজারকে মূল্য সংবেদনশীল উল্লেখ করে একে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জের তালিকায় রাখা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, চীন ও ভারত থেকে আসা স্বল্পদামের পণ্য অনেক সময় বাংলাদেশের বাজারে প্রভাব বিস্তার করে।
এতে পণ্যের গুণগত মান, স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়, প্রশিক্ষণ এবং বিক্রয়োত্তর সেবার মতো বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে ব্রিটিশ কোম্পানিগুলোকে ব্যবসার পরামর্শ দেওয়া হয়। পাশাপাশি বাংলাদেশে ব্যবসার ক্ষেত্রে ইংরেজি ভাষার প্রচলন, মাত্র ১১ দিনে ব্যবসা শুরু করার সুযোগ এবং ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার পরিকল্পনাকে—বিনিয়োগের জন্য ইতিবাচক হিসেবে তুলে ধরা হয়।
ওই প্রতিবেদনে ব্রিটিশ বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের কৃষ্টি সম্পর্কেও সতর্ক করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কারও প্রতি অনাকাঙ্ক্ষিত আঘাত এড়াতে ব্রিটিশ নারীরা যাতে বাংলাদেশে ভ্রমণের সময় হাত-পা ঢাকা পোশাক পরিধান এবং আঁটসাঁট পোশাক পরিহার করেন। এ ছাড়া ব্যবসায়িক বৈঠকগুলোতে মোবাইল ফোন কল কিংবা কর্মকর্তাদের হাঁটাহাঁটি ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। কেননা, বিষয়টি সেখানকার স্বাভাবিক রীতি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। তা ছাড়া দেশটিতে কারও ফোন কলের দ্রুত জবাব না দেওয়া অভদ্র আচরণ হিসেবে বিবেচিত হয় বলেও এতে উল্লেখ করা হয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নান্নু–আকরামদের পথ ধরে তামিম, কিন্তু এর পর...? by রানা আব্বাস
![]() |
| নান্নু-আকরামদের দেখানো পথ ধরে উঠে এসেছেন তামিম। কিন্তু চট্টগ্রাম থেকে কেন উঠে আসছে না আর কোনো প্রতিভা? |
নোবেল-নান্নু-আকরামদের সেই মশাল পরে টেনে বয়েছেন আরও অনেকে। চট্টগ্রাম থেকে উঠে এসেছেন এহসানুল হক, তারেক আজিজ, নাফিস ইকবাল, আফতাব আহমেদ, তামিম ইকবালদের মতো প্রতিভা। কিন্তু আশি-নব্বইয়ের দশকে জাতীয় দলে যেখানে একসঙ্গে চার-পাঁচজন চট্টগ্রামের খেলোয়াড় খেলেছেন, এখান মাত্র একজন। চট্টলার সবেধন নীলমণি ওই এক তামিম। এক সময় চট্টগ্রামবাসী গর্ব করে বলতে পারত, ‘জাতীয় দলের অর্ধেকই তো আমাদের।’ সেই চট্টগ্রামে এখন হাহাকার। বয়সভিত্তিক দলগুলোতেও চট্টলার নাম উজ্জ্বল করছে তেমন কোনো খেলোয়াড় নেই।
প্রশ্নটা তাই ওঠেই। এক সময় যে চট্টগ্রাম একের পর এক তারকার জোগান দিয়ে গেছে বাংলাদেশের ক্রিকেটে, সেই চট্টগ্রামের প্রতিভার স্রোতোধারা এমন শুকিয়ে গেল কেন হঠাৎ?
‘সেই এক সময় ছিল চট্টগ্রামের’—সোনালি দিনগুলোর কথা বৃষ্টিমুখর বিকেলে রোমন্থন করলেন বাংলাদেশের আইসিসি-জয়ী অধিনায়ক আকরাম খান, ‘চট্টগ্রাম থেকে যখন অনেক খেলোয়াড় একসঙ্গে জাতীয় দলে খেলেছে, তখন বাংলাদেশে ক্রিকেট অতটা জনপ্রিয় ছিল না। তবে চট্টগ্রামে বেশ জনপ্রিয় ছিল। জমজমাট ক্রিকেট টুর্নামেন্ট হতো। যখন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডই স্পনসর পেত না, তখনো চট্টগ্রামে লিগে অনেক স্পনসর পাওয়া যেত। এলিট পেইন্ট, ইস্পাহানি এমন নানা প্রতিষ্ঠান এগিয়ে এসেছে সহযোগিতা করতে। স্টার সামার টুর্নামেন্ট ছিল, যেখানে থেকে আমরা উঠে এসেছি। আরেকটি পথ ছিল, রেলওয়ের দল। চট্টগ্রামের ছেলেরা ওখানে খেলত। সেখানে দারুণ পারফর্ম করে জাতীয় দলে আসার সুযোগ ছিল। চট্টগ্রামে পঞ্জিকা অনুযায়ী খেলাটা নিয়মিত হতো।’
চট্টগ্রামের আরেক সন্তান, বর্তমান জাতীয় দলের নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন মনে করেন সত্তর-আশির দশকে চট্টলার উন্নত লিগগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে এ ক্ষেত্রে। ১৯৯৯ বিশ্বকাপে জনদাবির মুখে স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত হয়ে বাংলাদেশের প্রথম বিশ্বকাপের নায়ক নান্নু বললেন, ‘বড় দৈর্ঘ্যের ক্রিকেট বেশি হতো তখন। এখনো মনে আছে, ১৯৭৯ সালের কথা। ক্লাস সেভেনে পড়তাম। প্রথম ক্রিকেট খেলতে নামি, তখন লিগগুলোর সেমিফাইনাল-ফাইনালই হতো তিন দিনের। স্টার সামার, স্টার যুব ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ছিল। স্কুল ক্রিকেট ছিল। সব কিছু একটা কাঠামোর মধ্যে ছিল। এ কারণে প্রচুর খেলোয়াড় উঠে আসত।’
প্রশ্নটা অবধারিতভাবেই আসত। আসার আগেই আকরাম নিজেই তুললেন প্রসঙ্গটি। ভেতর থেকে একটা দীর্ঘশ্বাসই যেন বেরিয়ে এল বাংলাদেশ দলের এ সাবেক অধিনায়কের, ‘এখন চট্টগ্রাম থেকে খুবই কম খেলোয়াড় উঠে আসছে। ঢাকায় রেলওয়ের মতো একটা দল নেই; যেখানে চট্টগ্রামের ছেলেরা খেলবে। পঞ্জিকা অনুযায়ী খেলাটা হচ্ছে না। যে স্টার সামারে আমরা খেলতাম, ওই ধরনের টুর্নামেন্ট থেকেও বঞ্চিত এখনকার ছেলেরা। কীভাবে ভালো মানের খেলোয়াড় উঠে আসবে বলেন?’
![]() |
| তামিম ইকবাল । ফাইল ছবি |
তবে হতাশার আঁধারেই দেখা মেলে আশার আলোকরেখা। চট্টগ্রাম টেস্টের এই বৃষ্টিবিঘ্নিত সময়ে আকরাম-নান্নু আশার কথাই শোনালেন। জানালেন, আবারও ফিরবে চট্টলার সুদিন। আকরাম বললেন, ‘প্রতিটি বিভাগেই বিসিবি ক্রিকেট উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। এ কারণেই মুমিনুল-মুস্তাফিজের মতো নতুন প্রতিভারা উঠে আসতে পেরেছে। চট্টগ্রামে যাঁরা নীতিনির্ধারক আছেন, আর আমরা যারা সিনিয়র খেলোয়াড়েরা আছি, সবাই মিলে যথাযথ উদ্যোগ নিতে হবে। নাসির ভাই (চট্টগ্রামে নতুন মেয়র) আসার পর কিছু বদল আমরা দেখতে পাচ্ছি। তিনি কিছু উদ্যোগ নিতে শুরু করেছেন।’
চট্টগ্রামের ক্রিকেট উন্নয়নে বিসিবির বর্তমান ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান আকরাম জানালেন আরও কিছু পরিকল্পনার কথা, ‘নাসির ভাই (মেয়র) ঢাকা ব্রাদার্সের দায়িত্বে আছেন। ওনার সঙ্গে কথা হয়েছে। পরিকল্পনা করেছি, আগের সেই রেলওয়ের সিস্টেমে ওখানে চট্টগ্রামের ছেলেদের সুযোগ করে দেওয়ার। স্টার সামারের মতো সিজেকেএসের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে টুর্নামেন্ট আয়োজনের কথাও ভাবা হচ্ছে।’
নান্নু ও আকরাম দুজনই একই সুরে সুর মিলিয়ে বললেন, ‘আশা করি তিন-চার বছরের মধ্যে আমরা একটা সুফল পাব। বাংলাদেশ ক্রিকেট আবারও ফিরবে চট্টগ্রামের সুদিন।’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রেম, কোর্টে বিয়ে; অতঃপর বাসরঘরেই লাশ
এমনই ঘটনা ঘটেছে শুক্রবার রাতে নাটোররে সিংড়া উপজেলার ঢাকঢোর গ্রামে। যেখানে সকালে বাসরঘর থেকে মরিয়ম খাতুন নামে এক নববধূর মৃতদহে উদ্ধার করে পুলিশ। একইসঙ্গে নববধূর স্বামী জাহাঙ্গীর আলমকেও আটক করা হয়।
সিংড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবু তাহের বাংলামেইলকে জানান, উপজলোর ঢাকঢোর গ্রামের হুমায়ুন কবিরের মেয়ে নাটোর নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা সরকারি কলেজে রাষ্ট্রবজ্ঞিান বিভাগের মার্স্টাসের ছাত্রী মরিয়ম খাতুন সঙ্গে তার সহপাঠী পাশ্বর্বতী গোয়ালবাতান গ্রামের মোবারক আলীর ছেলে জাহাঙ্গীর আলমের প্রেমের সর্ম্পক গড়ে উঠে। এ সম্পর্কের জেরেই বৃহস্পতিবার নাটোর কোর্টে জাহাঙ্গীর ও মরিয়মের বিয়ে হয়। এরপর তারা মরিয়মের বাড়িতেই অবস্থান করে।
শুক্রবার সকালে মরিয়ম বাসরঘর থেকে বের না হওয়ায় ডাকাডাকির একপর্যায়ে বাড়ির লোকজন বাসরঘর থেকে ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে। পরে এলাকাবাসী পুলিশে খবর দিলে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় নববধূ মরিয়মের বাবা হুমায়ুন কবির বাদী হয়ে সিংড়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

এলাকাবাসী জানায়, প্রেম সর্ম্পক থাকায় মাঝে মধ্যেই মাস্টার্সের ছাত্রী মরিয়মের বাড়িতে যাতায়াত করতো সহপাঠী জাহাঙ্গীর। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার সকালে জাহাঙ্গীর মরিয়মের সঙ্গে দেখা করতে এলে মরিয়মের পরিবারের লোকজন জাহাঙ্গীরকে আটক করে জোর করে দু’জনকে নাটোর জজকোর্টে নিয়ে এফিডেভিটের মাধ্যমে বিয়ে দেয়। পরে মরিয়মের বাড়িতেই তাদের বাসরঘরের ব্যবস্থা করা হয়।
এদিকে জোর করে বিয়ে দেয়ায় জাহাঙ্গীর রাগ করেন। এতে বাসররাতেই তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। পরে সকালে বাসরঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচালো মরিয়মের ঝুলন্ত লাশ পাওয়া যায়।
মরিয়মের বাবা হুমায়ুন কবির জানান, জাহাঙ্গীর তার মেয়েকে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়ার জন্য লাশ ঝুলিয়ে রেখেছন।
তবে অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর এ ব্যাপারে বলেন, ‘জোর করে বিয়ে পড়ানো নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তিনি ঘুমিয়ে পড়েন। রাতের কোনো এক সময় অভিমানে মরিয়ম গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে থাকতে পারে।’
এ ব্যাপারে সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দিন মন্ডল জানান, খবর পেয়ে পুলিশ মরিয়মের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে। এ ঘটনায় নববধূর স্বামী জাহাঙ্গীর হোসেনকে আটক করা হয়েছে। ময়না তদন্ত প্রতিবেদন পেলে হত্যা না আত্মহত্যা সে বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিদেশ ভ্রমণের জন্য জিও না পেলে মিলবে না অফিশিয়াল পাসপোর্ট! by রোজিনা ইসলাম
অফিশিয়াল পাসপোর্ট দেওয়ার নীতিমালায় এই পরিবর্তন আনছে সরকার। এ জন্য অফিশিয়াল পাসপোর্টের প্রাধিকার পুনর্নির্ধারণ করা হচ্ছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র বলেছে, অফিশিয়াল পাসপোর্টের অপব্যবহার, এই পাসপোর্টে বিদেশ গিয়ে ফিরে না আসা এবং সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী সাজিয়ে মানব পাচার রোধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ ব্যবস্থার ফলে অফিশিয়াল পাসপোর্ট পাওয়ার সুযোগ সংকুচিত হয়ে যাবে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র বলেছে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা সব মিলে প্রায় ১৩ লাখ। বর্তমানে সরকারি দপ্তরের পিয়ন থেকে শুরু করে অতিরিক্ত সচিব পর্যন্ত কর্মকর্তারা অফিশিয়াল পাসপোর্ট পেয়ে থাকেন। সচিবেরা ব্যবহার করেন কূটনৈতিক পাসপোর্ট। ২০১১ সাল থেকে অফিশিয়াল পাসপোর্টের প্রাধিকারের গণ্ডি বাড়ানো হয়। অফিশিয়াল পাসপোর্টে প্রতিবছর প্রায় দেড় লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী বিদেশে যান। এই পাসপোর্টে বিদেশ যাওয়া সহজ। কিন্তু বিদেশে যাওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি অংশ দেশে ফেরেন না। বর্তমানে অফিশিয়াল পাসপোর্টের ব্যবহার আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। বিশেষ করে সরকারি চাকরিতে নেই এমন ব্যক্তিরাও অফিশিয়াল পাসপোর্ট ব্যবহার করছেন। এতে বহির্বিশ্বে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল গতকাল বুধবার প্রথম আলোকে বলেন, ‘সরকারি কর্মকর্তা সাজিয়ে “অফিশিয়াল পাসপোর্টে” বিভিন্ন দেশে মানব পাচারের ঘটনার পর আমরা এ পর্যন্ত কয়েক হাজার পাসপোর্ট বাতিল করেছি। এ ছাড়া বেশ কয়েকটি দেশ থেকে অফিশিয়াল পাসপোর্ট কমানোর অনুরোধ এসেছে। এ কারণে আমরা অফিশিয়াল পাসপোর্টের শ্রেণি পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এখন থেকে গণহারে নয়, জিওর ভিত্তিতে অফিশিয়াল পাসপোর্ট দেওয়া হবে।’
মন্ত্রণালয়ের সূত্র বলেছে, পরিবর্তিত নীতিমালায় সাধারণ পাসপোর্টকে দুই শ্রেণিতে ভাগ করা হবে। সাধারণ জনগণকে সবুজ রঙের যে পাসপোর্ট দেওয়া হয়, তেমন পাসপোর্টই দেওয়া হবে প্রথম শ্রেণির নিচের কর্মকর্তাদের। তবে তাঁদের পাসপোর্টে লেখা থাকবে পিজি (পাসপোর্ট গভর্নমেন্ট)। আর অফিশিয়াল পাসপোর্টের নম্বরের আগে লেখা থাকবে ওসি (অফিশিয়াল ক্যাটাগরি)। বর্তমানে অফিশিয়াল পাসপোর্টধারীরা কেবল জিও নিয়ে বিদেশ যেতে পারেন। কিন্তু নতুন নিয়মে তাঁদের আগে জিও নিতে হবে এবং সেই জিও দেখিয়ে অফিশিয়াল পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে।
বর্তমানে সচিব থেকে তদূর্ধ্ব পর্যায়ের কর্মকর্তা, সংসদ সদস্য ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা কূটনৈতিক পাসপোর্ট বা লাল রঙের পাসপোর্ট পান। অফিশিয়াল পাসপোর্টের রং নীল। এ ছাড়া অন্যান্য সাধারণ পাসপোর্টের রং সবুজ। প্রাধিকার পুনর্নির্ধারণ করা হলে সরকারি কর্মকর্তাদের দুই ধরনের পাসপোর্ট থাকবে। যাঁরা অফিশিয়াল পাসপোর্টের জন্য প্রাধিকার পাবেন তাঁরা সরকারি সফরের ক্ষেত্রে নীল রঙের অফিশিয়াল পাসপোর্ট ব্যবহার করবেন। এর বাইরে প্রাধিকার/নন-প্রাধিকার নির্বিশেষে অন্য সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সবুজ রঙের পাসপোর্ট ব্যবহার করবেন। সরকারি কাজে বিদেশ ভ্রমণের জিও পেলে তাঁরা অফিশিয়াল পাসপোর্ট পাওয়ার যোগ্য হবেন।
বর্তমানে যেসব অফিশিয়াল পাসপোর্ট আছে, প্রাধিকার পুনর্নির্ধারণ হলে সেগুলো অকার্যকর হয়ে যাবে। এ ছাড়া বর্তমানে থাকা অফিশিয়াল পাসপোর্টের অনেকগুলোর মেয়াদও শেষ হয়ে যাবে। বিভিন্ন দেশে থাকা সরকারি কর্মকর্তা যাঁরা এর আওতায় পড়বেন, তাঁদের পাসপোর্টের শ্রেণি পরিবর্তন করতে হবে।
অফিশিয়াল পাসপোর্টের নীতিমালা বদলাচ্ছে, সরকারি আদেশ জারি করবে কেবল মন্ত্রণালয় ও বিভাগ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কর্মকর্তারা বলেছেন, সম্প্রতি পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থা, পাসপোর্ট অধিদপ্তরের কর্মকর্তাসহ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বৈঠকে অফিশিয়াল পাসপোর্ট নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অফিশিয়াল পাসপোর্টের অপব্যবহার রোধে শুধু সরকারি কাজে যেসব কর্মকর্তা বা কর্মচারী বিদেশ যাবেন, তাঁদের জিওর ভিত্তিতে পাসপোর্ট দেওয়ার ব্যাপারে সুপারিশ করেন।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বহিরাগমন শাখার অতিরিক্ত সচিব জ্যোতির্ময় দত্ত বলেন, অফিশিয়াল পাসপোর্টের গণ্ডি যেভাবে দিন দিন বাড়ছে তাতে সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে কোনো পার্থক্য থাকবে না। অবশ্য আলোচনায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের এক কর্মকর্তা বলেন, অফিশিয়াল পাসপোর্টের প্রাধিকারের পরিধি হঠাৎ করে সংকুচিত হলে এর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। এ ক্ষেত্রে পাশের দেশগুলো এই পাসপোর্ট দেওয়ার ক্ষেত্রে কী নীতি অনুসরণ করে এবং কোন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের প্রাধিকারভুক্ত করে, তা পর্যালোচনা করা যেতে পারে।
মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের মতে, অফিশিয়াল পাসপোর্ট নিয়ে জালিয়াতি বন্ধ করতে হলে ভালোভাবে যাচাই করতে হবে। জিও ও এনওসি (অনাপত্তি সনদ) অফিসের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হলে জালিয়াতির মাধ্যমে অফিশিয়াল পাসপোর্ট দেওয়া বন্ধ হবে।
অফিশিয়াল পাসপোর্টধারীদের বাংলাদেশের সঙ্গে ‘অন অ্যারাইভাল ভিসা’ চুক্তি থাকা দেশগুলোতে ভিসা নিয়ে যেতে হয় না। ওই দেশে যাওয়ার পর ভিসা নিতে হয়। বর্তমানে সিঙ্গাপুর, চীন, তুরস্কসহ ১৩টি দেশের সঙ্গে এই চুক্তি রয়েছে। সম্প্রতি মালয়েশিয়ার সঙ্গে এ চুক্তি হলেও তা এখনো কার্যকর হয়নি। এই চুক্তির সুবিধা নিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারী সাজিয়ে মানব পাচারের ঘটনা ঘটেছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, অভিযোগ রয়েছে, অফিশিয়াল পাসপোর্ট নিয়ে সবচেয়ে বেশি বিদেশে চলে যাচ্ছেন বিসিএস চিকিৎসকেরা। প্রথমে সিঙ্গাপুরে গিয়ে এমন পাসপোর্টধারীদের বেশির ভাগ অন্য দেশে চলে যাচ্ছেন, আর দেশে ফিরছেন না। অফিশিয়াল পাসপোর্টে তুরস্কে গিয়েও অন্য দেশে চলে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তুরস্ক থেকে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে এবং লিবিয়া থেকে ভূমধ্যসাগর পেরিয়ে ইতালি, স্পেনে যাওয়া যায়। সরকারি কর্মকর্তা সাজিয়ে অফিশিয়াল পাসপোর্টে এসব পথে মানব পাচার হয়েছে। সম্প্রতি তুরস্ক সরকারের দেওয়া চিঠিতে কয়েকটি মানব পাচারের ঘটনা প্রকাশ পায়। এরপরই অফিশিয়াল পাসপোর্ট দেওয়ার ক্ষেত্রে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়।
মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, উন্নত দেশগুলোতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়া কাউকে অফিশিয়াল পাসপোর্ট দেওয়া হয় না। অফিশিয়াল পাসপোর্টের বিপরীতে দ্রুত ভিসা পাওয়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যায় বলে সেখানে এই ব্যবস্থা। কিন্তু বাংলাদেশে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গড়ে সবাই অফিশিয়াল পাসপোর্ট পেয়ে থাকেন। এ কারণে উন্নত কয়েকটি দেশ বাংলাদেশের অফিশিয়াল পাসপোর্টের বিষয়ে আপত্তি জানাচ্ছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পবিত্র কোরআনের প্রাচীনতম পাণ্ডুলিপির দুটি পাতার সন্ধান
![]() |
| পবিত্র কোরআনের পাণ্ডুলিপি |
বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারে প্রায় ১০০ বছর ধরে মধ্যপ্রাচ্যের তিন হাজারের বেশি বিভিন্ন ধরনের বইপত্র ও নথির সঙ্গে ওই পাণ্ডুলিপিও সংরক্ষিত ছিল। সম্প্রতি পাণ্ডুলিপিটি পিএইচডি গবেষক আলবা ফেদেলির নজরে আসে। তিনি সেটা খুব ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। পরে এটি ঠিক কত বছরের পুরোনো, তা জানতে রেডিওকার্বন পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেন।
ব্রিটিশ লাইব্রেরির এমন অনেক পাণ্ডুলিপির বিশেষজ্ঞ মোহাম্মদ ইসা ওয়ালি বলেন, এটা ‘দারুণ এক আবিষ্কার’, যা সারা বিশ্বের মুসলমানদের ‘উদ্বেলিত’ করবে।
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের রেডিওকার্বন অ্যাক্সেলেরেটর ইউনিট ওই পাণ্ডুলিপি পরীক্ষা করার পর জানায়, পাণ্ডুলিপিটি ছাগলের বা ভেড়ার চামড়ার ওপর লেখা হয়েছে। এটা কোরআন শরিফের সবচেয়ে পুরোনো পাণ্ডুলিপি।
ইসলাম ধর্মমতে, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর মাধ্যমে পবিত্র কোরআন ধাপে ধাপে নাজিল হয় ৬১০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ৬৩২ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত। ৬৩২ খ্রিষ্টাব্দে মহানবী (সা.) ইন্তেকাল করেন।
ব্রিটিশ ব্যবসায়ী এডওয়ার্ড ক্যাডবেরির পৃষ্ঠপোষকতায় বর্তমান ইরাকের মসুলে জন্ম নেওয়া খ্রিষ্টান যাজক অ্যালফন্স মিনগানা গত শতাব্দীর বিশের দশকে মধ্যপ্রাচ্য থেকে স্থানীয় নানা বিষয়ের প্রায় তিন হাজার পাণ্ডুলিপি সংগ্রহ করেছিলেন। সেগুলো বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারে রাখা ছিল। বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ সংগ্রহবিষয়ক পরিচালক সুসান ওরাল বলেন, ‘এটা যে এত বেশি পুরোনো, তা গবেষকেরাও ভাবতে পারেননি। আমরা সবচেয়ে পুরোনো কোরআনের পাণ্ডুলিপিগুলোর মধ্যে একটি পাণ্ডুলিপির অংশবিশেষ পেয়েছি, সারা বিশ্ব ভীষণ খুশি।’
বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিশ্চিয়ানিটি অ্যান্ড ইসলামের অধ্যাপক ডেভিড টমাস বলেন, ‘ওই পাণ্ডুলিপি আমাদের ইসলাম প্রতিষ্ঠার প্রকৃত সময়ের কাছাকাছি বছরগুলোতে নিয়ে যায়।’ তিনি বলেন, খোঁজ পাওয়া পাণ্ডুলিপির অংশবিশেষ যিনি লিখেছেন, তিনি সম্ভবত মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর সময় বেঁচে ছিলেন। হয়তো তিনি মহানবী (সা.)-কে চিনতেন। হয়তো মহানবী (সা.)-এর বাণী তিনি সরাসরি শুনেছেন।
অধ্যাপক টমাস বলেন, শুরুর দিকে পবিত্র কোরআন শরিফের আয়াতগুলো পশুর চামড়া, পাথর, খেঁজুরগাছের পাতা ইত্যাদিতে লেখা হতো। ৬৫০ খ্রিষ্টাব্দের দিকে পবিত্র কোরআন শরিফের চূড়ান্ত সংস্করণ সংকলিত হয়। তিনি বলেন, পাণ্ডুলিপির যে অংশটি পাওয়া গেছে, তা মহানবী (সা.)-এর ইন্তেকালের পর দুই দশকের কম সময়কালের হতে পারে।
সন্ধান পাওয়া পাণ্ডুলিপিটি লেখা হয়েছে ‘হিজাজি লিপিতে’; যা আরবি লেখার প্রথম দিকের রূপ। এ বিষয়টিও পাণ্ডুলিপির অংশটি সবচেয়ে পুরোনো হওয়ার পক্ষে যুক্তি দেয়।
ব্রিটিশ লাইব্রেরির পাণ্ডুলিপি বিশেষজ্ঞ মোহাম্মদ ইসা ওয়ালি বলেন, সুন্দর ও স্পষ্টভাবে হিজাজি লিপিতে লেখা ওই দুটি পৃষ্ঠা ইসলামের প্রথম তিন খলিফার সময়ের। ইসলামের প্রথম তিন খলিফা ৬৩২ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ৬৫৬ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত মুসলমানদের নেতা ছিলেন। তৃতীয় খলিফা হজরত ওসমান (রা.)-এর সময় পবিত্র কোরআন শরিফের ‘চূড়ান্ত সংস্করণ’ বিতরণ করা হয়। ইসা ওয়ালি পাণ্ডুলিপির অংশবিশেষকে ওই যুগের বা তার আগের সময়ের ‘মূল্যবান আবিষ্কার’ বলে অভিহিত করেন।
এই আবিষ্কারে উচ্ছ্বসিত প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্যের মুসলিম সম্প্রদায়। বার্মিংহাম কেন্দ্রীয় মসজিদের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আফজাল বলেন, ‘পাণ্ডুলিপির অংশবিশেষ দেখে আমি আনন্দে-আবেগে কেঁদে ফেলি। আমি নিশ্চিত, এটা একনজর দেখতে পুরো যুক্তরাজ্য থেকে মানুষ বার্মিংহামে আসবে।’
বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সন্ধান পাওয়া পাণ্ডুলিপির অংশবিশেষ সর্বসাধারণের জন্য প্রদর্শিত হবে। আগামী অক্টোবরে বার্মিংহামের বারবার ইনস্টিটিউটে প্রদর্শনের জন্য রাখা হবে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ছাত্রলীগের নেতা হতে বয়স চুরি!
![]() |
| কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক পদে বাতিলকৃত প্রার্থীদের তালিকা। ছবি: প্রথম আলো |
আজ শুক্রবার মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বাদ পড়াদের তালিকা টানিয়ে দেওয়া হয়। দুই বছর মেয়াদে বর্তমান কমিটি গঠিত হলেও এটি চার বছর পার করায় কমিটির কেন্দ্রীয় বেশির ভাগ নেতাই বয়সের কারণে বাদ পড়েছেন।
আগামীকাল শনিবার ও পরদিন রোববার ছাত্রলীগের ২৮ তম জাতীয় সম্মেলন।
ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, এই ছাত্র সংগঠনটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হতে হলে প্রার্থীদের বয়স ২৭ বছরের বেশি হওয়া যাবে না। প্রার্থীদের অবিবাহিত ও নিয়মিত ছাত্র হতে হবে। সর্বশেষ দুটি সম্মেলনে এই বয়স মৌখিকভাবে ২৯ রয়েছে।
নির্বাচন কমিশনার মোস্তাফিজুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, মনোনয়ন ফরমে বয়স কমিয়ে প্রার্থিতা চাওয়ায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের কৃষি সম্পাদক রাইসুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সহসভাপতি এনায়েত হোসেন এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলামের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। এই তিনজনই সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক দুটি পদের জন্য আলাদা ফরম কিনেছিলেন।
মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, মনোনয়নপত্রে উল্লিখিত জন্ম তারিখের সঙ্গে অ্যাকাডেমিক সনদের মিল না থাকায় তাদের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে।
প্রার্থিতা বাতিল হওয়াদের তালিকায় দেখা যায়, রাইসুল ইসলামের জন্ম তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে ১৯৮৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর। এনায়েতের ১৯৮৬ সালের ২৫ নভেম্বর ও সিরাজুল ইসলামের জন্ম তারিখ ১৯৮৬ সালের ১০ জুন।
নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, এই তিনজনই কমপক্ষে এক বছর করে কম দেখিয়ে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে সনদ জমা দিয়েছেন। তাই তাঁদের তিনজনের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে।
![]() |
| কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক পদে বাতিলকৃত প্রার্থীদের তালিকা। ছবি: প্রথম আলো |
এর মধ্যে বয়স না থাকার কারণে বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামসুল কবির, সাংগঠনিক সম্পাদক মশিউর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ওমর শরীফ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ আনিসুজ্জামানের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে।
এঁদের একজন প্রথম আলোকে বলেন, ‘দুই বছরের কমিটি চার বছর পার করায় আমরা বাদ পড়েছি। এখন আমরা নেত্রীর (প্রধানমন্ত্রী) দিকে তাকিয়ে। তিনি যা করবেন, সেটাই হবে।’
এ ছাড়া, ইসলামী ছাত্র সেনার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কারণে হিরণ আহমেদ ও ইসলামী ছাত্রফ্রন্টের সঙ্গে জড়িত থাকার জন্য মাসুদ রানার প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নাহিদ মিয়ার ছাত্রলীগে আগে কোনো পদ না থাকায় তাঁর প্রার্থিতাও বাতিল করা হয়। এ ছাড়া বাকিরা কয়েকজন শিক্ষা সনদ জমা দেননি কিংবা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেননি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পুলিশে-পুলিশে মারামারি
গত বৃহস্পতিবার রাতে নগরের তেরখাদিয়া এলাকায় বোয়ালিয়া থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মোহাম্মদ মজনু ও শাহমখদুম থানার কনস্টেবল উজির উদ্দিনের মধ্যে এই মারামারির ঘটনা ঘটে। আহত উজির উদ্দিনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও আজ শুক্রবার সকালে তিনি হাসপাতালে থেকে কাউকে কিছু না বলে চলে যান।
রাজশাহী মহানগর পুলিশের একটি সূত্র জানায়, বোয়ালিয়া থানার এএসআই মোহাম্মদ মজনু কাল রাতে তেরখাদিয়া এলাকায় মনিরুল ইসলাম নামের একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করতে যান। এ সময় মনিরুল দাবি করেন, তিনি আদালত থেকে জামিন নিয়েছেন। কিন্তু থানায় ‘রিকল’ জমা দেননি। তাই তাঁকে গ্রেপ্তার না করার জন্য তিনি অনুরোধ করেন। কিন্তু তারপরও পুলিশ মনিরুলকে গ্রেপ্তার করতে গেলে পাশের বাসায় ভাড়া থাকা শাহমখদুম থানার কনস্টেবল উজির উদ্দিন তাঁর স্ত্রীসহ বেরিয়ে আসেন। তিনি এএসআই মজনুর কাছে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দেখতে চাইলে মজনু উজিরের স্ত্রীকে মারতে উদ্যত হন। উজির এতে বাধা দিলে মজনুর সঙ্গে তাঁর ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে এএসআই মজনুর ঘুষিতে উজির উদ্দিনের নাক ফেটে যায়। পরে মজনু আসামি মনিরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেন। আজ আদালতের মাধ্যমে মনিরুলকে জেল হাজতে পাঠানো হয়।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ভোর চারটার দিকে কনস্টেবল উজির উদ্দিনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে (নাক, কান ও গলা বিভাগে) ভর্তি করানো হয়। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে কনস্টেবল উজিরকে হাসপাতাল ছেড়ে আসার জন্য থানা থেকে চাপ দেওয়া হয়। সকাল সাতটার দিকে উজির উদ্দিন হাসপাতালের কাউকে না জানিয়েই পালিয়ে যান।
এ ব্যাপারে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে উজির উদ্দিন বলেন, এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি।
জানতে চাইলে এএসআই মজনু বলেন, মনিরুলকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে আসার সময় উজির উদ্দিন তাঁকে পেছন থেকে জাপটে ধরেন। এ সময় উজিরকে ছাড়ানোর চেষ্টা করলে হাতকড়ার আঘাতে তিনি কিছুটা আহত হয়েছেন। মজনু বলেন, আগেই যদি উজির উদ্দিন নিজের পরিচয় দিয়ে কথা বলতেন তাহলে এই ভুল বোঝাবুঝি হতো না। এটা তেমন কিছু নয়। উজির তাঁর ভুল বুঝতে পেরে অনুতপ্ত হয়ে তাঁকে ফোনে ‘সরি’ বলেছেন।
উজিরের স্ত্রীকে মারতে যাওয়ার ঘটনা প্রসঙ্গে এএসআই মজনু অস্বীকার করে বলেন, ‘ছিঃ ছিঃ আমার কি মা বোন নেই।’
এ ব্যাপারে শাহমখদুম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রউফের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোনটি অন্য একজন পুলিশ সদস্য ধরেন। তিনি পরিচয় না দিয়ে বলেন, তিনি সন্ধ্যা থেকে দায়িত্বে রয়েছেন। এ বিষয়ে তিনি কিছু বলতে পারবেন না।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এলিয়েন খুঁজতে হকিংয়ের উদ্যোগ
সিলিকন ভ্যালির রাশিয়াভিত্তিক উদ্যোক্তা উইরি মিলনার এই উদ্যোগটির সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। উদ্যোগটির নাম ‘ব্রেকথ্রু লিসেন’। বুদ্ধিমান এলিয়েন খোঁজার ক্ষেত্রে এযাবৎকালের মধ্যে নেওয়া বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানগুলোর মধ্যে এটিই হবে সবচেয়ে নিবিড় অনুসন্ধান।
যুক্তরাজ্যের লন্ডনে রয়্যাল সোসাইটি সায়েন্স একাডেমিতে উদ্যোগটির ঘোষণা অনুষ্ঠানে হকিং বলেন, ‘এই অসীম বিশ্বে, অবশ্যই জীবনের অন্যান্য ঘটনাও ঘটেছে। এই মহাবিশ্বে কোথাও বুদ্ধিমান প্রাণীর দেখা মিলবে। এখন পৃথিবীর বাইরে তাদের খুঁজে বের করার সময়।’
গবেষকেরা বলেন, এলিয়েন খুঁজতে বেতার তরঙ্গ ও লেজার সংকেতের পাশাপাশি এই উদ্যোগটির মাধ্যমে বিশ্বের বড় বড় টেলিস্কোপগুলোকেও কাজে লাগানো হবে।
উদ্যোক্তা মিলনার বলেন, ‘আমরা ব্যাপক অনুসন্ধান কার্যক্রম চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ‘ব্রেকথ্রু লিসেন’ উদ্যোগটির মাধ্যমে বুদ্ধিমান প্রাণী খোঁজার বিষয়টিকে সম্পূর্ণ নতুন একটি স্তরে নিয়ে যাওয়া হবে।’
মিলনার আরও বলেন, আগে এক বছরে যে পরিমাণ তথ্য স্ক্যান করা সম্ভব হতো এখন তা একদিনেই সম্ভব হবে। মিল্কিওয়ে ছায়াপথে থাকা লাখো নিকটতম নক্ষত্র এবং এর পাশে থাকা আরও শত ছায়াপথে এলিয়েনের সন্ধান চালানো হবে।
এই ছায়াপথের কোথাও উন্নত প্রযুক্তি থেকে যদি সংকেত পাঠানো হয় পৃথিবীর টেলিস্কোপগুলো যে সংকেত শনাক্ত করতে সক্ষম হবে।
অবশ্য মিলনার বলেন, আমাদের চেয়েও উন্নত সভ্যতা গড়ে তুলেছে এমন কথা ভাবার অবকাশ নেই।
বিশাল জুয়া
যুক্তরাজ্যের গবেষক মার্টিন রিজ বলেন, আধুনিক প্রযুক্তির কল্যাণে আগের চেয়ে হয়তো আরও উন্নতভাবে অনুসন্ধান চালানো যাবে তবে বুদ্ধিমান এলিয়েনের আশায় বুক বাধা ঠিক হবে না।
রিজ বলেন, ‘এটা বিশাল এক জুয়া। তবে সাফল্যের সম্ভাবনা যতই অল্প হোক না কেন তবে এর প্রভাব হবে অসামান্য। মিল্কিওয়ে ছায়াপথে কয়েকশ কোটি কোটি পৃথিবী সদৃশ গ্রহ থাকায় এলিয়েন খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনা কয়েশ কোটি গুণ বেড়ে গেছে।’
গবেষক রিজ বলেন, পৃথিবীর বাইরে কী প্রাণ আছে? এ প্রশ্নটির উত্তর এখন নেই; তবে আমাদের জীবদ্দশায় এ প্রশ্নের উত্তর দিয়ে যেতে পারব আশা করি।
মানুষের চন্দ্রাভিযানের ৪৬ তম বার্ষিকীতে এই উদ্যোগটির ঘোষণা দিলেন হকিং। এর পাশাপাশি ব্রেকথ্রু মেসেজ প্রোজেক্টের ঘোষণাও এসেছে উদ্যোক্তাদের কাছ থেকে।
ব্রেকথ্রু মেসেজের মাধ্যমে মানবতার প্রতিনিধিত্বকারী ডিজিটাল মেসেজ তৈরির আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা হবে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মোদির বিরুদ্ধে ‘ব্যক্তিগত প্রতিহিংসার’ অভিযোগ
১৩ বছর আগে সংঘটিত গুজরাট দাঙ্গার অভিযোগে মোদির কট্টর সমালোচক সেতালবাদ। সম্প্রতি তাঁর বিরুদ্ধে অবৈধ অর্থায়নের অভিযোগ এনেছে ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা (সিবিআই)। এমন অবস্থায় সেতালবাদের দাবি, মোদির সমালোচনা বন্ধ করতেই পরিকল্পিতভাবে এ অভিযোগ আনা হয়েছে। আজ শুক্রবার বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে জানানো হয়, সেতালবাদের দাবি, ২০০২ সালে নরেন্দ্র মোদি গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালে সংঘটিত রক্তক্ষয়ী দাঙ্গার কট্টর সমালোচক হওয়ায় তিনি সরকারের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছেন।
সেতালবাদ বলেন, ‘এটি ব্যক্তিগত প্রতিহিংসার চেয়ে কম নয়। যদি এটি অপরাধ হয়, আদৌ যদি আর্থিক অপরাধ হয়, তাহলে আদালতের মাধ্যমে বিষয়টি খতিয়ে দেখা উচিত।’
সেতালবাদ বেসরকারি সংস্থা ‘সাবরাং’ ও তাঁর আরেকটি সংগঠন ‘সিটিজেনস ফর জাস্টিস অ্যান্ড পিস’-এর মাধ্যমে ওই দাঙ্গায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।
গত ৮ জুলাই সিবিআই সেতালবাদ ও তাঁর জাভেদ আনন্দের বিরুদ্ধে একটি মামলা করে। এর এক সপ্তাহ পর তাঁদের বাড়ি ও কর্মস্থলে তল্লাশি চালানো হয়।
সেতালবাদের বেসরকারি সংস্থা সাবরাংয়ের সরকারের অনুমতি না নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ফ্রড ফাউন্ডেশন থেকে অর্থসহায়তা নেওয়ার বিষয়টি সিবিআই তদন্ত করছে।
২০০২ সালের দাঙ্গায় প্রাণ হারান কংগ্রেসের তৎকালীন সাংসদ এহসান জাফরি। তাঁর বিধবা স্ত্রীকে আইনি সহায়তা প্রদানে বাধা দেওয়া ও সিবিআইয়ের তল্লাশি ‘রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন সেতালবাদ।
তাঁর প্রশ্ন, ‘কেন এ ধরনের ব্যক্তিগত জ্বালাতন? আমাদের জেলে নিতে কেন এই প্রচেষ্টা? জাকিয়া জাফরির মামলা যখন শুরু হতে যাচ্ছে, ঠিক তখনই গুজরাটে আমাদের কর্মকাণ্ড বন্ধ করার প্রয়াস?’
গুজরাটের ওই দাঙ্গায় প্রায় দুই হাজার লোক প্রাণ হারায়। নিহত ব্যক্তিদের বেশির ভাগই ছিল মুসলমান। ওই দাঙ্গা নিয়ে জাকিয়ার মামলার রায় ২০১৩ সালে ঘোষণা করেন আদালত। এতে মোদিসহ উচ্চপর্যায়ের গুজরাটের কর্মকর্তাদের নির্দোষ ঘোষণা করা হয়। এরপর জাকিয়া আদালতের ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ করেন।
দাঙ্গার সময় আহমেদাবাদে গুলবার্গ সোসাইটিতে উত্তেজিত হিন্দুরা আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে কয়েক শ মুসলমানের সঙ্গে এহসান জাফরি জীবন্ত দগ্ধ হয়ে মারা যান।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গণিত অলিম্পিয়াডের তারকারা কে কোথায়? by মুনির হাসান
![]() |
| আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে দেশের পক্ষে প্রথম ব্রোঞ্জজয়ী দল। ছবি: প্রথম আলো |
বলছিলাম ২০০৫ সালের দলের কথা। সেই দলের ছয় সদস্যের বর্তমান অবস্থান দেখলেই আমরা বুঝতে পারব দলটি কেমন ছিল। মাহবুবুল হাসান বুয়েটে পড়ে সেখানকার শিক্ষক হয়ে এখন গুগলের জেনেভা অফিসে কাজ করছেন। শাহরিয়ার রউফ গুগলের আমেরিকা অফিসে আছেন। তাহমিদ রাফি বুয়েট থেকে ডিগ্রি করে গড়ে তুলেছেন দ্বিমিক কম্পিউটিং স্কুল নামে একটি প্রতিষ্ঠান। সেটির প্রধান নির্বাহী তিনি। সৈয়দ মোস্তফা তাহসিন চুয়েটের ডিগ্রি করে এখন চাকরি করছেন। দলের দুই মেয়ের একজন রাফাতুল ফারিয়া বুয়েট থেকে পাশ করে প্রথম শিক্ষকতা করেছেন আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে। এখন পিএইচডি করার জন্য রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পার্দু বিশ্ববিদ্যালয়ে। আর সাবরিনা তাবাসসুম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসা প্রশাসন থেকে এমবিএ করে এখন উচ্চশিক্ষার জন্য গেছেন অস্ট্রেলিয়ায়।
২০০৫ সালে যখন আমরা গণিত ক্যাম্প করি তখন আমাদের সঙ্গে যুক্ত হন ড. মাহবুব মজুমদার। মাহবুব স্ট্যানফোর্ডের গ্র্যাজুয়েট, এমআইটির মাস্টার্স এবং কেমব্রিজের পিএইচডি। মাহবুব আমাকে বললেন, আইএমওর পাশাপাশি আমাদের শিক্ষার্থীদের বিদেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া দরকার। আমার একটা ধারণা ছিল, স্নাতক পর্যায়ে এমআইটি-হার্ভার্ডে বাংলা মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের পাঠানো অসম্ভব একটা কাজ। কিন্তু মাহবুব বললেন, ওদের যে মেধা, তাতে রাস্তা দেখিয়ে দিলেই হবে। এবং কেবল আইওমও দলের সদস্যরা নয়, যারা গণিত ক্যাম্প পর্যন্ত আসতে পারে তারা সবাই আসলে যোগ্য।
এরপর থেকে আমাদের আইওমও দলের সদস্যরা বুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি বিদেশের প্রথম শ্রেণির বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে শুরু করেছে। এরই মধ্য ২০০৬ সালে স্লোভেনিয়া থেকে দেশের জন্য প্রথম সম্মানজনক স্বীকৃতি বয়ে আনা সৌমেন দাশ টোকিও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক করে এখন আমেরিকায় পিএইচডি করছেন। তাঁর সঙ্গে আছেন তাঁর সহপাঠী তানভীর আহমেদ ভূঞা। তানভীর আছেন ক্যালটেকে। সৌমেনের সঙ্গে সম্মানজনক স্বীকৃতি পাওয়া শহিদুল ইসলাম বুয়েটের শিক্ষক হয়ে এখন পিএইচডি করছেন। আমাদের প্রথম ব্রোঞ্জ পদক (২০০৯, ব্রেমেন) জয়ী সামিন রিয়াসাত কেমব্রিজ থেকে গণিতে স্নাতক হয়ে দেশে ফিরে এক বছর শিক্ষকতা করেছেন এশিয়া প্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয়। এখন যোগ দিয়েছেন কানাডার ওয়াটারলু বিশ্ববিদ্যালয়ে। উদ্দেশ্য পিএইচডি। আমরা যখন থাইল্যান্ডের চিয়ানমাই শহরে এবারের আইওমওর খাতা দেখা নিয়ে ব্যস্ত তখন সামিন ছিলেন আমেরিকার গণিত ক্যাম্পে। সেখানকার গণিত সমিতি তাঁকে দাওয়াত দিয়েছে আমেরিকার আগামী দিনের গণিত দলের সঙ্গে নিজের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের। সামিনের সঙ্গে ব্রোঞ্জ জয়ী নাজিয়া চৌধুরী এমআইটি থেকে ডিগ্রি নিয়ে দেশে কিছুদিন কাটিয়েছেন। আগামী ২১ জুলাই তিনি চলে যাবেন সিঙ্গাপুরে মেডিসিনে উচ্চতর ডিগ্রির অন্বেষণে। পরের বছর কাজাখস্তানে ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছিলেন তারিক আদনান। এবার হার্ভার্ড থেকে পড়া শেষ করে এখন ই-বে তে কাজ করছেন। কিছুদিন আগে তৈরি করছেন স্বল্পমূল্যের কম্পিউটিং ডিভাইস বাংলা পাই কম্পিউটার। সেই দলের অন্যতম সদস্য হক মোহাম্মদ ইশফাক স্ট্যানফোর্ড থেকে ডিগ্রি শেষ করে সেখানেই পিএইচডি করবেন বলে ঠিক করেছেন। দেশে তারিকের পড়ালেখা কুষ্টিয়ায় আর ইশফাকের ময়মনসিংহে। ২০১১-তে ব্রোঞ্জ এবং ২০১২তে দেশের জন্য প্রথম রূপার পদক নিয়ে আসা ধনঞ্জয় বিশ্বাস এখন পড়ছেন সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে। তাঁর সহপাঠী হাসান জুবায়ের পড়ছে বুয়েটে। পড়ালেখার পাশাপাশি তারা দুজনই এখন সিলিকনভ্যালীর কোম্পানি ব্যাকপেকে হ্যাকার হিসেবে কাজ করছে। বুয়েটেই পড়ছে নাফিজা আঞ্জুম ও প্রাণন রহমান খান। ২০১১ সাল থেকে আমরা মেয়েদের জন্য আলাদা গণিত ক্যাম্পের আয়োজন করি। প্রথম লীলাবতী ক্যাম্পে এসেছিলেন শিঞ্জিনি সাহা। তিনি এখন পড়ছেন এমআইটিতে। সেখানে আরও পড়ছেন তামান্না ইসলাম উর্মি, সৌরভ দাশ (দুইটি ব্রোঞ্জ পদক), বৃষ্টি শিকদার। এ বছর সেখানে যোগ দেবে আর এক রূপাজয়ী নূর মোহাম্মদ শফিউল্লাহ।
![]() |
| ২০১১-তে ব্রোঞ্জ এবং ২০১২-তে দেশের জন্য প্রথম রুপার পদক নিয়ে আসা ধনঞ্জয় বিশ্বাস এখন পড়ছেন সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে। ছবি: প্রথম আলো |
অনেকেই লেখাপড়ার পাঠ চুকিয়ে যোগ দিয়েছেন কর্মক্ষেত্রে। কিন্তু মনের গভীরে লালন করে যাচ্ছে গণিত অলিম্পিয়াডকে। কারণ তাঁরা সবাই নাজিয়া চৌধুরীর মতো বিশ্বাস করে, “আমার আজকের ‘আমি’র মধ্যে বিশাল একটা অংশ জুড়ে আছে বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড। এই গণিত অলিম্পিয়াড আমাকে গণিতের পাশাপাশি শিখিয়েছে স্বপ্ন দেখতে, স্বপ্নটা পাওয়ার জন্য লড়তে, ভালোবাসতে, বড় আশা রাখতে, ধৈর্য ধরতে। গণিত অলিম্পিয়াডের সঙ্গেই আমার এই ছোট জীবনের খুশির মুহূর্ত যেমন এসেছে, তেমনি এসেছে ব্যর্থতার মুহূর্তও। ব্যর্থ যখন হয়েছি, পরীক্ষায় যখন শূন্য পেয়েছি, তখন মনে হয়েছে পুরা আকাশটা যেন মাথায় ভেঙে পড়ল। কিন্তু গণিত অলিম্পিয়াডের স্বপ্নালু মানুষগুলো আমাকে বারবার করে বলেছেন, লেগে থাক, লেগে থাক। এটাই এখন আমার জীবনে চলার মন্ত্র-লেগে থাক। এই মন্ত্রটা শেখানোর জন্য, এই ‘আমি’টাকে গড়ে দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াডের কাছে আমি ঋণী।”
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মংলা-ঘষিয়াখালী চ্যানেল, এখনো শেষ হয়নি খননকাজ by সুমেল সারাফাত
![]() |
| চলতি বছরের জুনের মধ্যে মংলা-ঘষিয়াখালী চ্যানেলে খননকাজ শেষ করার কথা থাকলেও এখনো তা চলছে। ছবিটি সম্প্রতি তোলা l প্রথম আলো |
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) বলছে, চ্যানেলটি এখন আংশিক খুলে দেওয়া হয়েছে। আগস্ট মাসের মধ্যে খনন শেষ করে এ চ্যানেল পুরোপুরি খুলে দেওয়া সম্ভব হবে।
বিআইডব্লিউটিএ সূত্রে জানা গেছে, মংলা বন্দরের সঙ্গে সারা দেশের দূরত্ব কমানোর জন্য ১৯৭৪ সালে প্রায় সাড়ে ৬ কিলোমিটার কৃত্রিম পথ খনন করে প্রায় ৩১ কিলোমিটার দীর্ঘ মংলা-ঘষিয়াখালী নৌপথটি চালু করা হয়। এটি ‘বাংলাদেশ-ভারত’ নৌ-প্রটোকলভুক্ত ও বাংলাদেশ-ভারত ট্রানজিট পথের প্রধান অংশ। চট্টগ্রাম, ঢাকা, বরিশাল, নারায়ণগঞ্জ, উত্তরাঞ্চল ও সিলেট অঞ্চল থেকে খুলনা, নোয়াপাড়া, আংটিহারা হয়ে ভারতগামী পণ্যবাহী সব জাহাজ এ নৌপথ দিয়ে চলাচল করে থাকে। মংলা সমুদ্রবন্দর ও খুলনার সঙ্গে দেশের অন্যান্য জেলার নৌ-যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম মংলা-ঘষিয়াখালী পথ।
২০১০ সাল থেকে এ নৌপথে জাহাজ চলাচলে চরম অসুবিধার সৃষ্টি হয়। চ্যানেলের ২২ কিলোমিটার অংশে পলি পড়ে নাব্যতা সংকট দেখা দেয়। একই বছরের মে মাসে বিআইডব্লিউটিএ প্রায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে এখানে পুনঃখনন (ড্রেজিং) কাজ শুরু করে। তবে কার্যকারিতা না পাওয়ায় ১৫ দিনের মধ্যে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়। বিআইডব্লিউটিএ ২০১১ সালের ২৮ মার্চ থেকে ১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নদী খননকাজ আবার শুরু করে। সেবারও কার্যকারিতা না পেয়ে এক মাসের মধ্যে খননকাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়। তখন খুলনা, মংলাসহ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যোগাযোগের বিকল্প পথ হিসেবে সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে ভোলা নদী হয়ে নৌযান চলাচল শুরু করে। এতে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য চরম হুমকির মুখে পড়ে।
গত বছরের ২২ মে থেকে তৃতীয় দফায় বিআইডব্লিউটিএ প্রায় ২৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে এ নৌপথে ১ কোটি ঘনমিটার পলি অপসারণের কাজ শুরু করে। গত জুনের মধ্যে খননকাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এ পর্যন্ত প্রায় ৭০ শতাংশ কাজ হয়েছে।
গত জুন মাস পর্যন্ত ওই চ্যানেলে প্রায় ৭০ লাখ ঘনমিটার খনন করা হয়েছে। চারটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দুটি কাজ শেষ করেছে। বিআইডব্লিউটিএসহ অন্য দুটি প্রতিষ্ঠান এখনো কাজ করছে।
সম্প্রতি চ্যানেল ঘুরে দেখা যায়, নয়টি খননযন্ত্র (ড্রেজার) দিয়ে একযোগে খননকাজ চালানো হচ্ছে। কোথাও নদীর প্রস্থ ১২০ ফুট, কোথাও ২০০ ফুটের কাছাকাছি। তবে স্থানীয়রা জানিয়েছেন, শুধু জোয়ারের সময় এ পথ দিয়ে ছোট ছোট জাহাজ চলাচল করতে পারে। ভাটার সময় চলাচলে খুব সমস্যা হয়।
মংলা-ঘষিয়াখালী চ্যানেল খননের পরামর্শক প্রতিষ্ঠান সিইজিআইএসের রিভার ডেল্টা অ্যান্ড কোস্টাল মরফোলজি ডিভিশনের বিশেষজ্ঞ এ টি এম কামাল হোসেন বলেন, ‘প্রাথমিক সমীক্ষা শেষে আমরা সরকারকে বেশ কিছু পরামর্শ দিই। এ চ্যানেলটি দীর্ঘ মেয়াদে চালু রাখার জন্য আমাদের প্রথম ও প্রধান প্রস্তাব ছিল ওড়াবুনিয়া, পেড়িখালী ও হোগলডাঙ্গা বিলে তিনটি টাইডাল বেসিন ( নদী অববাহিকা) নির্মাণ। অন্যান্য প্রস্তাবের মধ্যে ছিল দাউদখালী নদীর ১৫ কিলোমিটার ও আরও ২০টি খালের ৬০ কিলোমিটার অংশ খনন করা। তবে টাইডাল বেসিন নির্মাণের কাজ এখনো শুরু হয়নি। নদী ও খাল খননের কাজ এখনো শেষ হয়নি। এসব কাজ আগামী তিন মাসের মধ্যেও শেষ করা সম্ভব হবে না বলে আমার ধারণা।’
বিআইডব্লিউটিএর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এ এইচ মো. ফরহাদুজ্জামান বলেন, ‘আমরা খনন দ্রুত শেষ করে চ্যানেল যথাসময়ে চালু করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু খননকৃত জায়গায় নতুন করে পলি জমা হওয়া ও খননকৃত পলি ফেলার জায়গার অভাবে কাজ বিলম্বিত হচ্ছে। মে মাসের প্রথম সপ্তাহে আমরা এ চ্যানেলটি আংশিক খুলে দিয়েছি। আশা করছি, এ মাসের শেষ নাগাদ খননকাজ শেষ করতে পারব। তবে সবখানে চ্যানেলের প্রস্থ (চওড়া) ৩০০ ফুট করতে আরও সময় লাগবে। এ কাজ চলবে। নতুন করে পলি ভরাট হয়ে যাওয়া অংশেও ড্রেজিং চালু থাকবে।’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঝুঁকি নিয়েই রাস্তা পারাপার, পথচারীদের পদচারী-সেতু ব্যবহারে আগ্রহ কম by মোছাব্বের হোসেন
ট্রাফিক-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, পথচারীদের পদচারী-সেতু ব্যবহারে আগ্রহ কম। এ ছাড়া রাজধানীর রাস্তায় যানজট বাড়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে এটি। যানজট ও দুর্ঘটনা কমাতে ট্রাফিক বিভাগ গত বছর পরীক্ষামূলকভাবে বাধ্যতামূলক পদচারী-সেতু ব্যবহারের নিয়ম করে। শুরুর কয়েক দিন পদচারী-সেতু ব্যবহার না করার কারণে কয়েকজনকে জরিমানাও করা হয়। কিন্তু বর্তমানে এ তৎপরতা আর দেখা যাচ্ছে না।
সরেজমিনে বাংলামোটর, শাহবাগ, কারওয়ান বাজার আন্ডারপাস, শুক্রাবাদ, আসাদগেট, আজিমপুর, বুয়েট, খিলক্ষেত, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়াসহ মিরপুরের বিভিন্ন পদচারী-সেতু ঘুরে দেখা গেছে, পথচারীরা রাস্তার ওপর দিয়ে পার হচ্ছে বেশি আর পদচারী-সেতু ব্যবহার করছে কম।
সরেজমিনে ঈদের কয়েক দিন ধারাবাহিকভাবে বাংলামোটর পদচারী-সেতুতে গিয়ে দেখা গেছে, এতে তেমন লোকজনের যাতায়াত নেই। তবে এর নিচেই রাস্তা পারাপার করছে শত শত মানুষ। রাস্তা পারাপারের জন্য সংকেত বাতি জ্বললেই অপেক্ষমাণ মানুষ রাস্তা পারাপার হচ্ছে। অথচ সবুজ সংকেত বাতির জন্য পথচারীদের যে সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে, এই সময়ে অনায়াসে পদচারী-সেতু দিয়ে পারাপার করা যেত। এভাবে রাস্তা পার হচ্ছিলেন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মোস্তামিন বিল্লাহ। পদচারী-সেতু ব্যবহার না করে এভাবে ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পারাপারের কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, পদচারী-সেতু ব্যবহারের অভ্যাস নেই তাঁর। এ ছাড়া তিনি দাবি করেন, রাস্তা দিয়ে পারাপারে কিছুটা ঝুঁকি থাকলেও এতে পদচারী-সেতু দিয়ে যাওয়ার থেকে সময় কম লাগে। একই স্থানে পদচারী-সেতু ব্যবহার না করে রাস্তা পার হচ্ছিলেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাব্বির হোসেন। তিনি বলেন, ‘আসলে পদচারী-সেতু দিয়েই পার হওয়া উচিত, হাতে সময় কম তো, তাই রাস্তা দিয়েই পার হলাম।’
এই স্থানে দায়িত্ব পালন করছিলেন ট্রাফিক সার্জেন্ট সারওয়ার ও শাহ আলম। সারওয়ার জানান, মানুষের পদচারী-সেতু ব্যবহারের আগ্রহ কম। পদচারী-সেতু ব্যবহার না করে রাস্তা দিয়েই পারাপারের প্রবণতা বেশি। যে সময় তারা সবুজ সংকেতের জন্য অপেক্ষা করছে, সেই সময়ই তারা অনায়াসে পদচারী-সেতু ব্যবহার করতে পারে। এতে দুর্ঘটনা এড়ানো যায় আর তাঁদের ওপর চাপ কম থাকে। এ ছাড়া পথচারী পারাপারের বিষয়টি আলাদা করে নজর দিতে হয় বলে তাঁদের অন্যান্য কাজেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে বলে জানান তিনি।
শাহ আলম জোর দিলেন এই কারণে সৃষ্ট যানজটের কথায়। তিনি জানান, প্রতিবার সবুজ সংকেতের সময় মানুষ যেভাবে রাস্তা পারাপার হচ্ছে, তাতে বাড়তি ৩০ থেকে ৪০ সেকেন্ড অতিরিক্ত সময় লাগে। এতে আশপাশের অন্য পথের সংকেতের ওপর চাপ পড়ছে। আর এভাবেই সারা ঢাকা শহরের যানজট বাড়ছে। অথচ মানুষ যদি রাস্তা দিয়ে পারাপার না হয়ে পদচারী-সেতু ব্যবহার করত, তাহলে এই বাড়তি চাপ পড়ে না যানজটেও এর প্রভাব পড়বে না।
পদচারী-সেতু ব্যবহার না করার এমন চিত্র দেখা গেল শাহবাগেও। বিএসএমএমইউ হাসপাতালের সামনের পদচারী-সেতু থাকলেও সেখান দিয়ে যেসব মানুষ যাতায়াত করছে, তার থেকে তিন গুণ বেশি মানুষ রাস্তা দিয়ে পারাপার হচ্ছে। এখানের রাস্তা দিয়ে বারডেম হাসপাতাল থেকে বিএসএমএমইউ হাসপাতালের দিকে আসার সময় কথা হয় বেসরকারি চাকুরে মইনুল ইসলামের সঙ্গে। তিনি বলেন, পদচারী-সেতু দিয়ে পার হতে সময় বেশি লাগে। তাই এভাবেই রাস্তা পার হন। তিনি স্বীকার করেন, এভাবে রাস্তা পার হওয়া ঝুঁকিপূর্ণ। গত বছরের ২৬ নভেম্বর প্রথমবারের মতো পদচারী-সেতু ও পাতালপথ ব্যবহার না করে রাস্তা পার হওয়ার চেষ্টা করায় ৩৩১ জন পথচারীকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। ডিএমপির উদ্যোগে এই অভিযান চলে। ২০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানাও করা হয়।
ঢাকা মহানগর ট্রাফিক বিভাগের যুগ্ম কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ জানান, পদচারী-সেতু ব্যবহার না করে পথচারীরা রাস্তা ব্যবহারের কারণে যানজট বাড়ে। তিনি জানান, ওভারব্রিজ ও পাতালপথ ব্যবহার না করলে জরিমানার ওই কার্যক্রম ছিল পরীক্ষামূলক ও সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য। এটি বন্ধ থাকলেও বর্তমানে ট্রাফিক বিভাগ নানাভাবে সচেতনতা বাড়াতে কাজ করে যাচ্ছে।
![]() |
| পদচারী–সেতুর নিচ দিয়ে এভাবেই পথচারীরা রাস্তা পার হয়ে থাকেন। ছবিটি শাহবাগ এলাকা থেকে তোলা l প্রথম আলো |
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বরিশাল সিটি করপোরেশনের ময়লা আর ইজিবাইকের দখলে রাস্তা by সাইফুর রহমান
শুধু এই রাস্তা নয়, নগরের অনেক রাস্তাই এখন ময়লা-আবর্জনার দখলে চলে গেছে। নিয়মিত অপসারণ না করায় অনেকটা বর্জ্যের নগরে পরিণত হয়েছে বরিশাল।
এ তো গেল ময়লা-আবর্জনার ভোগান্তি। রাস্তায় যত্রতত্র ইজিবাইক পার্কিংয়েও ত্যক্ত-বিরক্ত নগরবাসী। এই দুই কারণে রাস্তার প্রশস্ততা কমে গিয়ে যেখানে-সেখানে সৃষ্টি হচ্ছে যানজট। দিনে দিনে এই দুর্ভোগ বেড়ে চলেছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, দিনের বেলা নগরের অধিকাংশ রাস্তার ওপর জমা থাকে ময়লা-আবর্জনা। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা নৌবন্দর এলাকার। সেখানে ময়লার স্তূপ অর্ধেক রাস্তাজুড়ে। বাকি অংশ দখল করে আছে ইজিবাইক। ফলে এই রাস্তায় যানজট লেগেই থাকে। দিনরাত সব সময় গাড়ির জট দেখা যায় সেখানে।
এ ছাড়া হাসপাতাল রোড, অমৃত লাল দে কলেজ, জেলা প্রশাসকের বাসভবন, কালীবাড়ি রোড, বিএম স্কুল, সরকারি বালিকা বিদ্যালয়, বটতলা, ব্রজমোহন কলেজ, শীতলাখোলা, নতুন বাজার, বাংলাবাজার, আমতলা ও নবগ্রাম রোডের অবস্থাও খারাপ। এসব এলাকার রাস্তায় প্রায় সর্বক্ষণ ময়লা পড়ে থাকে।
ইজিবাইক নিয়ে সমস্যার কথা বললেই সবার আগে নগরের চৌমাথা-নথুল্লাবাদ, রূপাতলী, সদর রোড-জেলখানার মোড়, বাসস্ট্যান্ড, নৌবন্দর, নগর ভবন ও ফজলুল হক অ্যাভিনিউর নাম চলে আসবে। এসব এলাকায় বেপরোয়াভাবে ইজিবাইক রাখা হয়। ফলে যানজট লেগেই থাকে।
নগরবাসীর অভিযোগ, অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে নগর অপরিচ্ছন্ন হয়ে গেছে। সব সময় সড়কের ওপর ময়লা পড়ে থাকে। এ বিষয়ে সিটি করপোরেশনের নজরদারি নেই বললেই চলে।
বরিশাল সচেতন নাগরিক কমিটির সভাপতি এম মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, নগরবাসীর দুর্ভোগ নিয়ে দায়িত্বশীলদের মাথাব্যথা নেই। তাঁরা আত্মসেবায় মগ্ন। কাজ করার সদিচ্ছা থাকলে নগরে এভাবে ময়লা-আবর্জনা জমতে পারে না। সিটি করপোরেশন একটা হ-য-ব-র–ল অবস্থার মধ্যে চলছে।
বরিশাল নগর সৌন্দর্যরক্ষা আন্দোলনের সদস্যসচিব কাজী এনায়েত হোসেনের অভিযোগ, নগরে অবৈধ যান বেড়ে গেছে। এর সঠিক পরিসংখ্যান সিটি করপোরেশনে নেই। তা ছাড়া তারা কোনো আইনগত ব্যবস্থাও নিচ্ছে না। তিনি বলেন, ‘আগে সূর্য ওঠার আগে আবর্জনা অপসারণ করা হতো। বর্তমানে সেভাবে ময়লা অপসারণ হচ্ছে না। যেটুকু হচ্ছে তা দিনের বেলায় হওয়ায় নাগরিকেরা সমস্যায় পড়েছেন।’
জানতে চাইলে বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র আহসান হাবিব কামাল বলেন, বৃষ্টির কারণে সড়কে ময়লা বেশি দেখা যাচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তাঁদের দ্রুত ময়লা-আবর্জনা অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পোর্ট রোড এলাকার ময়লা ও ইজিবাইক নিয়ে সৃষ্ট সমস্যা প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, নৌবন্দর এলাকার হোটেল ও কাঁচামালের ব্যবসায়ীরা সেখানে ময়লা-আবর্জনা ফেলছেন। সকালে পরিচ্ছন্ন করা হলেও মুহূর্তে আবার ভরে যাচ্ছে। এর সঙ্গে বেপরোয়াভাবে ইজিবাইক রাখায় ওই এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।
যত্রতত্র ইজিবাইক পার্কিংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে মেয়র জানান।
![]() |
| ময়লা–আবর্জনায় দুর্গন্ধময় হয়ে উঠেছে নগর। ছবিটি বরিশাল নগরের লঞ্চঘাট–পোর্ট রোড সড়ক থেকে মঙ্গলবার দুপুরে তোলা l প্রথম আলো |
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ছাত্রলীগের সম্মেলন সামনে রেখে পদধারীদের বাদ দিয়ে ভোটার করা হচ্ছে ‘অনুগত’ কর্মীদের by আসিফুর রহমান
ছাত্রলীগের আসন্ন জাতীয় সম্মেলন সামনে রেখে এভাবে ‘অনুগত কর্মীদের’ ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগ উঠেছে। শুধু তা-ই নয়, যেসব স্থানে কমিটি নেই বা মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি রয়েছে, সেসব স্থানে তড়িঘড়ি করে কমিটি দেওয়া হচ্ছে। তাতেও কথিত ‘সিন্ডিকেটের’ অনুগতরা ঠাঁই পাচ্ছেন বলে সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায় থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে কেবল গত রবি ও সোমবারই ২৪টি কমিটি অনুমোদন দিয়েছেন কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।
রংপুর জেলা কমিটির পদধারী এমন চারজন নেতার সঙ্গে এই প্রতিবেদকের কথা হয়। তাঁদের মধ্যে দুজন দাবি করেন, তাঁরা ভোটার তালিকা দেখেছেন, তাতে তাঁদের নাম নেই। অপর দুজন বলেন, তাঁদের কাছ থেকে ব্যক্তিগত তথ্য ও ছবি নেওয়া হয়নি। এমনকি সম্মেলনের দাওয়াতপত্রও পাননি।
জানতে চাইলে রংপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান ও সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল হাসান প্রথম আলোর কাছে দাবি করেন, কমিটির পদধারী সবাইকে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
ছাত্রলীগের নেতাদের এ দাবি ঠিক কি না, তা জানতে চাওয়া হয়েছিল আগামীকাল শনিবার ও পরদিন রোববার ছাত্রলীগের ২৮তম জাতীয় সম্মেলনের জন্য গঠিত নির্বাচন কমিশনের সদস্য মোস্তাফিজুর রহমানের কাছে। তিনি বলেন, যেসব তালিকা জমা পড়েছে, তা কোনো কাটাছেঁড়া ছাড়াই বুধবার রাতে ভোটার তালিকা অনুমোদন করা হয়েছে। কিন্তু সেটা প্রকাশ করা হবে না। তিনি বলেন, ‘ভোটার তালিকা আমাদের কাছে থাকবে। যাঁরা ভোটার তাঁদের ছবির সঙ্গে মিলিয়ে ভোট নেওয়া হবে।’
রংপুরের মতো শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির পাঠানো ভোটার তালিকায়ও পদধারী নেতাদের মধ্যে কেবল চারজনের নাম রয়েছে। বাকি ২১ জনের পরিচয় ‘ছাত্রলীগ কর্মী’। কমিটির সভাপতি সঞ্জীবন চক্রবর্তী প্রথম আলোকে বলেন, যাঁরা সংগঠনের নিয়ম-শৃঙ্খলা ও নেতৃত্ব মেনে চলেন এবং যাঁদের গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে তাঁদের ভোটার তালিকায় রাখা হয়েছে।
গত বছরের ২ ডিসেম্বর ১০ সদস্যবিশিষ্ট ঝিনাইদহ জেলা কমিটি ঘোষণা করা হয়। তাঁদের মধ্যে চারজনকে ভোটার করা হয়েছে। এ বিষয়ে ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শাকিল আহমেদ বলেন, ১০ জনের কমিটি পরে বর্ধিত করে ১৪১ সদস্য করা হয়। সেখান থেকেই পছন্দ অনুযায়ী ২৫ জনকে ভোটার করেছেন। তাঁর দাবি, নির্বাচন কমিশন থেকে তাঁকে পছন্দমতো ভোটার তালিকা করতে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার মোস্তাফিজুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, গঠনতন্ত্রে এ বিষয়ে কোনো দিকনির্দেশনা না থাকায় জেলার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সুপারিশের ভিত্তিতেই ভোটার তালিকা করা হয়ে থাকে।
ঢাকা বিভাগের চারটি জেলার ভোটার তালিকা সংগ্রহ করে দেখা গেছে, পদধারী নেতাদের না রেখে কলেজ শাখার সদস্য পর্যায়ের কিংবা কর্মীদের ভোটার করা হয়েছে। ঢাকা জেলা কমিটির একজন সাংগঠনিক সম্পাদক প্রথম আলোকে বলেন, ‘ছাত্রলীগ কর্মী হিসেবে যাঁদের পরিচয় দেওয়া হয়েছে, তাঁরা প্রত্যেকেই সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের অনুগত। আমি সিন্ডিকেটের বাইরের নেতার অনুসারী। তাই ভোটার তালিকায় আমার নাম নেই।’
সংগঠনের একাধিক সূত্র থেকে জানা গেছে, নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে আগের সম্মেলনগুলোর মতো এবারও একটি মহল সক্রিয় রয়েছে। যা নেতা-কর্মীদের কাছে ‘সিন্ডিকেট’ হিসেবে পরিচিত। অনেক জেলা কমিটিতেই এই কথিত সিন্ডিকেটের অনুগত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক রয়েছেন বলে প্রচার আছে। তাঁরা অনুগতদের ভোটার করেছেন বলে অভিযোগ আছে।
গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, বর্তমান কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ ও কেন্দ্রীয় কমিটির সব সদস্য, প্রতিটি জেলা কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ ২৫ জন ‘কাউন্সিলরের’ ভোটে পরবর্তী দুই বছরের জন্য ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ার বিধান রয়েছে।
একটি পূর্ণাঙ্গ জেলা কমিটির সদস্য থাকেন ১২১ জন। এঁদের মধ্যে কারা ভোটার হবেন, সেটা গঠনতন্ত্রে স্পষ্ট করে বলা নেই। আবার বেশির ভাগ জেলায়ই পূর্ণাঙ্গ কমিটি নেই। এখন আবার নতুন কমিটি দেওয়া হচ্ছে। যার সবগুলোই আংশিক কমিটি। ফলে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পছন্দমতো ব্যক্তিদের ভোটার করার সুযোগ পাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ছাত্রলীগের সভাপতি এইচ এম বদিউজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, কারা ভোটার হবেন, তা জেলা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের এখতিয়ার। এ ক্ষেত্রে কেন্দ্র থেকে কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। তাঁর দাবি, কথিত সিন্ডিকেট বা বিশেষ কোনো গোষ্ঠীর স্বার্থে অনুগতদের নিয়ে ভোটার তালিকা করা হচ্ছে, এমন অভিযোগ তিনি এ প্রথম শুনেছেন। এ সম্পর্কে তাঁর কিছু জানা নেই।
এদিকে সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক জয়দেব নন্দী প্রথম আলোকে বলেন, সম্মেলনে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনে ভোট গ্রহণ হবে কি না, এ বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। যদি ভোট হয়, তবে সারা দেশের ১০১টি জেলা শাখা ও বিদেশের ১১টি শাখার ভোটাররা গোপন ব্যালটে নতুন নেতা নির্বাচন করবেন। ভোটার তালিকা প্রণয়নের কাজ শেষ হয়েছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বগুড়ায় ‘লোক দেখানো’ উচ্ছেদ অভিযান
অবশ্য হাবিবুল হাসান প্রথম আলোকে বলেন, করতোয়ার অবৈধ দখলদার চিহ্নিত করে ইতিমধ্যেই ২৮ জনের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ মামলা করা হয়েছে। উচ্ছেদ মামলার নিষ্পত্তির ভিত্তিতে প্রথম ধাপে ছয়জন দখলদারের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, এ অভিযান অব্যাহত থাকবে ও পর্যায়ক্রমে সব দখলদার উচ্ছেদ এবং নদীর সীমানায় সব ধরনের অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করা হবে।
নদীর সীমানার ভেতরে অবৈধ স্থাপনা থাকলেও এসব স্থাপনার সামান্য অংশ ভেঙে ফেলার ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘আমি শুধু অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করছি, নকশা অনুসরণ করে নদীর সীমানা নির্ধারণ করছেন ভূমি কার্যালয়ের সার্ভেয়ার। তিনি যেভাবে সীমানা দেখে দিচ্ছেন, সেভাবেই স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।’
জেলা প্রশাসন যে ছয়জন অবৈধ দখলদার উচ্ছেদে অভিযান শুরু করেছে, তাঁরা হলেন আনন্দ কুমার, সঞ্জীব কুমার বিহানী, জোবাইদুল ইসলাম, মাজেদ হোসেন, মতিয়ার রহমান ও ফরিদ উদ্দিন। উচ্ছেদ অভিযানের বাইরে জেলা প্রশাসন করতোয়া নদী দখলদার আরও যেসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ মামলা করেছে, সেগুলো হলো টিএমএসএস ও বিসিএল, বগুড়া ডায়াবেটিক সমিতি, ব্যবসায়ী শংকর প্রসাদ (শংকর বাবু), আরাবিয়াতুল সালাফিয়া ওয়া হাফেজিয়া মাদরাসা ও মসজিদ মোবারক ফতেহ আলী, আবুল কালাম আজাদ, খয়রতুজ্জামান, রাধা প্রসাদ (রাধা বাবু), আবদুস সোবহান, কানাইলাল বসাক, এ কে এম ফজলুর রহমান, মুক্তার হোসেন, প্রদীপ কুমার রায়, আবদুল জলিল, সাইফুল ইসলাম, লাভলী বেগম, আবুল হোসেন, বজলার রহমান, কাশেম আলী, গোলাম মোস্তফা, কৃষ্ণা সাহা ও আরতি রানী।
গত ২৭ জানুয়ারি বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) করতোয়া নদী দখলমুক্ত করে পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে বগুড়ার জেলা প্রশাসকসহ ২২ জনকে আইনি নোটিশ পাঠায়। ১৫ দিনের মধ্যে নোটিশের জবাব চাওয়া হলেও তাতে কেউ সাড়া না দেওয়ায় গত ২২ জুন হাইকোর্টের বিচারপতি মির্জা হোসাইন হায়দার ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে রিট মামলা করে। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে করতোয়া দখলমুক্ত এবং নদীতে সব ধরনের বর্জ্য ফেলা বন্ধসহ দূষণরোধ ও নদীর গতিপথে পানিপ্রবাহে বাধা সৃষ্টিকারী গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের কাটাখালীতে নির্মিত জলকপাট উন্মুক্ত করে নদীর পানিপ্রবাহ আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে রুল জারি করেন আদালত।
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের বগুড়া জেলা কমিটির সভাপতি সামির হোসেন বলেন, করতোয়ার দখলদারের সংখ্যা অনেক। জেলা প্রশাসন কিসের ভিত্তিতে ২৮ জনের তালিকা করেছে, সেটা তারাই ভালো বলতে পারবে। শুধু চুনোপুঁটি নয়, প্রভাবশালী দখলদারদেরও উচ্ছেদ করে করতোয়ার প্রাণ ফিরিয়ে দিতে হবে।
জানতে চাইলে বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) হায়াত-উদ-দৌলা খান প্রথম আলোকে বলেন, করতোয়ার ২৮ দখলদারের বিরুদ্ধে হওয়া উচ্ছেদ মামলার শুনানি অব্যাহত রয়েছে। ইতিমধ্যে ছয়টি মামলা নিষ্পত্তি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উচ্ছেদ অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অবশিষ্ট মামলা নিষ্পত্তি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে। ‘লোক দেখানো অভিযান’ বিষয়ে তিনি বলেন, সদর উপজেলা ভূমি কার্যালয় থেকে মাপজোখ করে ২৮ দখলদারকে চিহ্নিত করেছে। আপাতত ওই ২৮ জনের বিরুদ্ধেই উচ্ছেদ প্রক্রিয়া চলছে। এর বাইরে অন্য কোনো অবৈধ দখলদার থাকলে চিহ্নিতকরণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। আর উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনাকালে ভূমি কার্যালয়ের সার্ভেয়াররা যেভাবে সীমানা নির্ধারণ করে দিচ্ছেন, ওই সীমানার মধ্যে থাকা অবৈধ স্থাপনা সেভাবেই ভেঙে ফেলা হচ্ছে। হাইকোর্টের রিট সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘হাইকোর্ট থেকে এখনো কোনো নির্দেশনা আমরা পাইনি।’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দ্বিতীয় তিস্তা সড়কসেতুর নির্মাণকাজের মেয়াদ আবারও বাড়ল
![]() |
| তিস্তা সড়কসেতুর কাজ আবারও পেছাল। -প্রথম আলো |
সেতুর এক প্রান্তে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার মহিপুর ও অন্যপ্রান্তে লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার কাকিনা এলাকা। সেতুটি হলে লালমনিরহাট জেলার সদর, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা ও পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী স্থলবন্দরের সঙ্গে সড়কপথে রংপুরের দূরত্ব কমে আসবে প্রায় ৫০ কিলোমিটার। এর পাশাপাশি সময় ও জ্বালানি খরচসহ কমবে মানুষের ভোগান্তি।
২০১২ সালের ২০ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় দ্বিতীয় তিস্তা সড়কসেতু নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন। লালমনিরহাট এলজিইডির অধীনে এই সেতুর নির্মাণকাজের দায়িত্ব পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘ডব্লিউ এমসিজি-নাভনা গ্রুপ।’ সেতু নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে মালামাল পরিবহনে সমস্যা হওয়ায় সময় বাড়ানো হয়েছে।
দ্বিতীয় দফায় মেয়াদ বাড়ানো হলেও এবারের নির্ধারিত সময়েও সেতুর কাজ শেষ হবে কি না তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন আমদানিকারকেরা।
আমদানিকারক তোজাম্মেল হোসেন বলেন, ‘সেতুটি নির্মাণ হলে মালামাল পরিবহনে ব্যবসায়ীদের অনেক সুবিধা হবে। কিন্তু সেতু নির্মাণে সময় বেশি নেওয়ায় আমরা হতাশ।’
এলজিইডি লালমনিরহাট কার্যালয় সূত্র জানায়, বিগত ২০১০ সালের ২২ এপ্রিল জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় সেতুটি নির্মাণের সিদ্ধান্ত হয়। স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে বৃহত্তর-রংপুর দিনাজপুরে গ্রামীণ যোগাযোগ ও অন্যান্য অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প হিসেবে এটিকে অনুমোদন দেওয়া হয়। ১২১ কোটি টাকা ব্যয়ে ৮৫০ মিটার দীর্ঘ ও ৯ দশমিক ৫ মিটার প্রস্থসম্পন্ন এই সেতু নির্মিত হবে। এ ছাড়া সংযোগসড়ক এবং ওই সড়কে তিনটি কালভার্ট নির্মাণ করা হবে।
এলজিইডি সূত্র আরও জানায়, ২০১৪ সালের জুনে সেতুর ৪৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হওয়ায় পর প্রথম দফায় কাজের মেয়াদ বাড়ানো হয়। বর্ধিত সময়ে আরও ২০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রকল্প ব্যবস্থাপক প্রদীপ কুমার বলেন, সেতুর কাজ সম্পন্ন করতে সময় বাড়াতে আবেদন করা হয়। সে পরিপ্রেক্ষিতেই সময় বাড়ানো হয়েছে।
লালমনিরহাট এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী আল আমিন খান বলেন, রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে আমদানি করা মালামাল চট্টগ্রাম বন্দরে দেরিতে পৌঁছানো ও পড়ে থাকায় সেতুটির নির্মাণকাজের গতি কিছুটা কমে যায়। তবে ইতিমধ্যে সেতুর শতকরা ৬৫ ভাগ কাজ শেষ হয়ে গেছে। সম্প্রতি কাজটি শেষ করার মেয়াদ দ্বিতীয় দফায় বাড়ানো হয়েছে। এর পর আর সময় বাড়ানো হবে না বলে জানান তিনি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1421)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
July
(1347)
-
▼
Jul 25
(27)
- সংযোগে লাভ বেশি না ক্ষতি? by আনু মুহাম্মদ
- এখন দল বদলের দিন by আব্দুল কাইয়ুম
- বাংলাদেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনা অনেক, বাধা দুর্নীতি -...
- নান্নু–আকরামদের পথ ধরে তামিম, কিন্তু এর পর...? by ...
- প্রেম, কোর্টে বিয়ে; অতঃপর বাসরঘরেই লাশ
- বিদেশ ভ্রমণের জন্য জিও না পেলে মিলবে না অফিশিয়াল প...
- পবিত্র কোরআনের প্রাচীনতম পাণ্ডুলিপির দুটি পাতার স...
- ছাত্রলীগের নেতা হতে বয়স চুরি!
- পুলিশে-পুলিশে মারামারি
- এলিয়েন খুঁজতে হকিংয়ের উদ্যোগ
- মোদির বিরুদ্ধে ‘ব্যক্তিগত প্রতিহিংসার’ অভিযোগ
- গণিত অলিম্পিয়াডের তারকারা কে কোথায়? by মুনির হাসান
- মংলা-ঘষিয়াখালী চ্যানেল, এখনো শেষ হয়নি খননকাজ by ...
- ঝুঁকি নিয়েই রাস্তা পারাপার, পথচারীদের পদচারী-সেতু ...
- বরিশাল সিটি করপোরেশনের ময়লা আর ইজিবাইকের দখলে রাস...
- ছাত্রলীগের সম্মেলন সামনে রেখে পদধারীদের বাদ দিয়ে ভ...
- বগুড়ায় ‘লোক দেখানো’ উচ্ছেদ অভিযান
- দ্বিতীয় তিস্তা সড়কসেতুর নির্মাণকাজের মেয়াদ আবার...
- ময়মনসিংহে যানজটে নাকাল মানুষ
- স্বেচ্ছাশ্রমে রাস্তা নির্মাণ
- ভেঙে পড়া সেতুটি তিন মাসেও মেরামত হয়নি
- সওজের জায়গা দখল করে যুবলীগের কার্যালয়
- নালা না থাকায় সড়কে খানাখন্দ
- আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে নদী দখলের অভিযোগ
- নেশার টাকার জন্য শ্যালককে অপহরণ
- সুখীর পাশে থাকার প্রত্যয়
- ভাঙনে বিলীন হচ্ছে শালবন
-
▼
Jul 25
(27)
-
▼
July
(1347)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...



















