Thursday, June 29, 2017
এই চোখ ধাঁধানো সেন্টারে হবে মেসির বিয়ে
![]() |
| পাখির চোখে রোসারিওর হোটেল সিটি সেন্টার ক্যাসিনো। এখানেই রাত ১০টায় অতিথিরা জড়ো হবেন। বিয়ের অনুষ্ঠান ও এর পরের উৎসব এই হোটেলেই অনুষ্ঠিত হবে। |
![]() |
| পাঁচ তারকা সিটি সেন্টারে অতিথিদের জন্য থাকছে সুইমিংপুল ও স্পা। তবে এ ঝরনা শুধু শোভাবর্ধনের জন্য। |
![]() |
| এই সেই বিশাল সুইমিংপুল, যেখানে অতিথিদের জন্য রাখা হয়েছে বিনোদনের নানা ব্যবস্থা। |
![]() |
| সময় কাটানোর জন্য চাইলে ক্যাসিনোতেও যেতে পারবেন। |
![]() |
| এ রকম বিলাসবহুল সব রুমেই ক্ষণিক আবাস করবেন মেসি ও তাঁর বন্ধুরা। |
![]() |
| মেসি শুধু রুম নয়, পুরো রিসোর্ট ভাড়া করেছেন। সেখানে আছে বেশ কিছু রেস্তোরাঁ ও বার, যা শুধু মেসিদের জন্য খোলা থাকবে। |
![]() |
| বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়ে কারও একটু টেনিস খেলার ইচ্ছা জাগলে তা পূরণের ব্যবস্থাও আছে সিটি সেন্টারে। |
![]() |
| পাখির চোখে রোসারিওর হোটেল সিটি সেন্টার ক্যাসিনো। এখানেই রাত ১০টায় অতিথিরা জড়ো হবেন। বিয়ের অনুষ্ঠান ও এর পরের উৎসব এই হোটেলেই অনুষ্ঠিত হবে। |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সম্পত্তি রক্ষায় মমতাকে এরশাদের চিঠি

গত ফেব্রুয়ারিতে মমতার কাছে লেখা আবেগী এক চিঠিতে এরশাদ দাবি করেন, কোচবিহার জেলায় তাঁর পরিবারের পৈতৃক সম্পত্তি (যেখানে তাঁর দুই চাচাতো ভাই ও তাঁদের পরিবার বাস করছে) বেদখল হয়ে যাচ্ছে। সেখানে অবৈধভাবে মন্দির নির্মাণ করা হচ্ছে। এটা বন্ধের জন্য চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রীর সাহায্য চান তিনি।
কোচবিহারের দিনহাটা এলাকার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে এরশাদের পৈতৃক সম্পত্তির অবস্থান। এরশাদ চিঠিতে উল্লেখ করেছেন, তাঁর স্বজনেরা এ ব্যাপারে পুলিশের কাছে অভিযোগ দাখিল করেছেন। তবে তাঁরা অসহায় হয়ে পড়েছেন।
এরশাদ সম্প্রতি ফোনে ভারতের দৈনিক দ্য হিন্দুকে বলেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর চিঠির কোনো উত্তর দেননি। এরশাদ বলেন, ‘তবে আমার কাছে মনে হচ্ছে তিনি (মমতা) এই বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছেন। কারণ, আমার পরিবারকে এখন কেউ বিরক্ত করছে না। আমার মনে হয় মন্দির নির্মাণের কাজ স্থগিত করা হয়েছে।’
যদিও জাকারিয়া হোসেন নামে এরশাদের এক ভাতিজা বলেছেন, তাঁরা এখনো হুমকির মধ্যে রয়েছেন। জাকারিয়া বলেন, ‘এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তিরা সম্পত্তিটি দখল করতে চান। ওই জমির পরিমাণ ৭০ শতাংশ। ওই ব্যক্তিরা স্থানীয় একটি বয়েজ ক্লাবের মাধ্যমে সম্পত্তিটি দখলের চেষ্টা চালাচ্ছেন। এর আগে তাঁরা সামান্য অর্থের বিনিময়ে জমিটি ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। আমরা তা গ্রহণ করিনি। এখনো আমরা পরোক্ষভাবে হুমকি পাচ্ছি।’
জাকারিয়া পেশায় আইনজীবী। তিনি অভিযোগ করেন, ক্লাবের সদস্যদের উদ্দেশ্য ওই সম্পত্তিতে একটি রেসিডেনসিয়াল কমপ্লেক্স গড়ে তোলা। এ বিষয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
এ অভিযোগের বিষয়ে দ্য হিন্দুর পক্ষ থেকে কোচবিহারের পুলিশ সুপারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান। ওই ক্লাবের সদস্যদেরও মন্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
প্রায় ৭০ বছর আগে কোচবিহারের ওই পৈতৃক এলাকা ছাড়েন এরশাদ। তবে প্রায় প্রতিবছরই তিনি স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে সেখানে যান। স্থানীয় রাজনীতিবিদ ও সুশীল সমাজের নেতাদের সঙ্গেও তাঁর যোগাযোগ রয়েছে। সর্বশেষ সফরে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লেখেন।
সূত্র: দ্য হিন্দু।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘পুলিশ হয়্যা গুন্ডাক ধরিম’ by গোলাম মোর্তুজা
![]() |
| দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া নয়ন। ছবি: গোলাম মোর্তুজা |
নয়নের হাসিটাই ওর সঙ্গে কথা বলার আগ্রহটা বাড়িয়ে দিল। জিজ্ঞেস করলাম বড় হয়ে সে কী হতে চায়। উত্তর এল, ‘পুলিশ’। কেন রে, এত কিছু রেখে কেন পুলিশ হতে ইচ্ছে হলো। উত্তর এল, ‘পুলিশ হয়্যা গুন্ডাক ধরিম।’ জানতে চাইলাম নয়নের বাবা কী করে। নিমাই জানাল, তার বাবা ইটের ভাটায় কাজ করে। আর মা ঘরের কাজ করে।
মনে মনে শঙ্কা হয়, এই নয়ন-নিমাইয়ের মনের ইচ্ছে কি আদৌ পূরণ হবে! ভাবছিলাম বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর অধ্যাপক আতিউর রহমানের কথা। দারিদ্র্যকে জয় করে পড়াশোনা শেষ করতে কঠোর সংগ্রাম করতে হয়েছে তাঁকে।
শুধু অধ্যাপক আতিউরই নন, তাঁর সমবয়সী যাঁরা এখন দেশের প্রশাসন, শিক্ষা, চিকিৎসা বা ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে সফল, তাঁদের বেশির ভাগেরই অতীতটা সংগ্রামের। আর তাঁদের বেশির ভাগই এসেছেন গ্রাম থেকে। হাল চাষ করে কাদা মাখা পায়ে স্কুলে যাওয়া, কিংবা স্কুল থেকে ফেরার পরে ধান-পাট নিয়ে হাটে যাওয়ার গল্প শোনা যায় অধ্যাপক আতিউরদের প্রজন্মের বেশির ভাগের মুখ থেকে।
কিন্তু এখন যখন ঢাকা শহরে একেকটি বাচ্চার স্কুলে যাতায়াতের জন্যই মধ্যবিত্ত বা উচ্চ মধ্যবিত্তদের মাসে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা খরচ করে গাড়ি পালতে হচ্ছে, আছে কোচিং আর টিউটরের খরচ। এই আমলে নয়ন আর নিমাইরা কি এই শহুরে সুবিধাপ্রাপ্ত শিশুদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে টিকতে পারবে। হয়তো তাদের জীবনও তাদের বাবা-কাকাদের মতোই ইটের ভাটায় কাটবে।
নিমাইয়ের হাতে খুটসহ গরুর রশি। সন্ধ্যার আগেই গরু নিয়ে ঘরে ফিরতে হবে। অবশ্য তখনো সূর্য লাল হয়নি। মানে দুজনের হাতে খেলাধুলা করার আরও কিছু সময় আছে। আলাপ করার ইচ্ছে মোটেই নেই নয়নের। তরতর করে গাছে উঠে যাচ্ছে। এদিকে নিমাই গরুর রশি গাছের ডালে বেঁধে চমৎকার দোলনা বানিয়ে বসেছে। বললাম পড়ে গেলে মজাটা টের পাবে। কিন্তু নিমাই আত্মবিশ্বাসী।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সড়কে ঝরল স্বামী-স্ত্রী-সন্তানসহ ছয়জনের প্রাণ

দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিরা হলেন সৌদিপ্রবাসী হালিম আকন্দ (৪৯), তাঁর স্ত্রী আসমা বানু (৪২), তাদের দুই ছেলে সুমন আকন্দ (১৮) ও সিহাব আকন্দ (৬), হালিম আকন্দের শ্যালক বাদল হাওলাদার (৪৫) ও তাঁদের বহনকারী প্রাইভেটকারের চালক। এক পরিবারের সদস্যদের বাড়ি বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলায়। তবে চালকের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বাগেরহাটগামী প্রাইভেটকারের সঙ্গে ঢাকাগামী সেবা গ্রিন লাইন পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে প্রাইভেটকারটি দুমড়ে মুচড়ে বাসের নিচে চলে যায়। এতে প্রাইভেটকারের যাত্রী ও চালকসহ ছয়জন নিহত এবং ১০ জন আহত হন। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের দল গিয়ে উদ্ধার কাজ শুরু করে।
নিহত বাদল হাওলাদারের বড় ভাই হালিম হাওলাদার প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল বুধবার রাতে হালিম আকন্দ সৌদি আরব থেকে ঢাকায় পৌঁছান। তাঁকে স্বাগত জানাতে তাঁর ছোট ভাই, বোন ও ভাগনেরা ঢাকায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যান। সেখান থেকে আজ ভোররাতে তাঁরা বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন।
কাশিয়ানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম আলী নূর হোসেন দুর্ঘটনায় এক পরিবারের পাঁচজনসহ ছয়জনের মৃত্যুর খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
![]() |
| গোপালগঞ্জে আজ বৃহস্পতিবার সকালে প্রাইভেটকার ও বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে প্রাইভেটকারটি দুমড়ে মুচড়ে বাসের নিচে চলে যায়। ছবি: প্রথম আলো |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গো-ভক্তির নামে মানুষ খুন মেনে নেয়া যায় না : নরেন্দ্র মোদি

গো-রক্ষার নামে একের পর এক খুনের বিরুদ্ধে অবশেষে মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী। গো-ভক্তির নামে যেভাবে একের পর এক হিংসাত্মক ঘটনা ঘটছে দেশে, তার বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দিলেন ফশফনএ
সবরমতী শতবার্ষিকী উদযাপনের সূচনা করতে গিয়ে নরেন্দ্র মোদি বৃহস্পতিবার বলেছেন, ‘গো-ভক্তির নামে মানুষকে খুন করা মেনে নেয়া যায় না। মহাত্মা গান্ধী কখনোই একে সমর্থন করতেন না।’
গো-রক্ষার নামে বা গোমাংস বিতর্ককে কেন্দ্র করে সারা দেশেই একের পর হিংসাত্মক ঘটনা সামনে আসছে।
প্রতিটি ঘটনাতেই নাম জড়াচ্ছে বিজেপির বা কট্টর হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলোর। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নীরব কেন? প্রশ্ন উঠছিল বিভিন্ন শিবির থেকে। অবশেষে প্রধানমন্ত্রী সে বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন।
মহাত্মা গাঁধীর সবরমতী আশ্রম প্রতিষ্ঠার শতবার্ষিকী উদযাপনের জন্য বিশেষ কর্মসূচি আয়োজিত হয়েছে গুজরাতে। নরেন্দ্র মোদি বৃহস্পতিবার সেই কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন। সেখানে নিজের ভাষণে তিনি গান্ধীর অহিংস নীতির পক্ষেই বলেছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গো-রক্ষার অর্থ কি একজন মানুষকে খুন করা? কখনোই নয়। অহিংসাই আমাদের জীবনের পথ।’
গো-সম্পদ রক্ষার জন্য হিংসাত্মক পথ নেয়ার প্রয়োজন পড়ে না বলে এ দিন বার বার বার্তা দেয়ার চেষ্টা করেছেন মোদি।
গান্ধীর জীবনদর্শন স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘গো-রক্ষার কথা মহাত্মা গান্ধী বা বিনোবা ভাবের চেয়ে বেশি আর কেউ বলেননি।’
হরিয়ানায় ও ঝাড়খণ্ডে গো-রক্ষার নামে সদ্য দু’টি ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটে গেছে। তা নিয়ে গোটা দেশে গো-রক্ষা বিতর্ক ফের তুঙ্গে। ‘নট ইন মাই নেম’-এর ডাকে দেশ জুড়ে আন্দোলন শুরু হয়েছে। এ বার প্রধানমন্ত্রী নিজেও মুখ খুললেন। গো-রক্ষার নামে কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নেয়ার চেষ্টা করলে বরদাস্ত করা হবে না বলে তিনি বার্তা দিলেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যেভাবে আড়াল পড়ে যায় ঐতিহাসিক এক অধ্যায় by চৌধুরী মুমতাজ আহমদ

সোয়া দুই শ’ বছরে তারা আড়াল হয়ে গেছেন ইতিহাসের পাতা থেকে। অথচ কি দোর্দণ্ড প্রতাপে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন বৃটিশ রাজের বিরুদ্ধে। বৃটিশের শোষণ, অন্যায় ও নিপীড়নের প্রতিবাদে অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিলেন হাদা মিয়া ও মাদা মিয়া। তখনকার বৃটিশ কর্মকর্তা রবার্ট লিন্ডসের জবানে সে লড়াইয়ের বর্ণনা মেলে। ১৭৮২ সালে আশুরা উপলক্ষে ইংরেজ রাজের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন হাদা মিয়া ও মাদা মিয়া। তারা পরিকল্পনা করেছিলেন আশুরার মিছিল থেকেই সিলেটের মাটি থেকে বিতাড়িত করবেন বৃটিশ রাজত্ব। তবে সে পরিকল্পনা ফাঁস হয়ে যায়। সিলেটে শাহী ঈদগাহ ময়দানে আশুরার মিছিলগুলো জড়ো হওয়ার সঙ্গেই বাধা আসে বৃটিশ রাজের তরফ থেকে।
সিলেটের তৎকালীন কালেক্টর রবার্ট লিন্ডসের নেতৃত্বে বৃটিশবাহিনী বাধা দেয় বিদ্রোহীদের। হাদা মিয়া ও মাদা মিয়া দুজনে বাধা ভেঙে সামনে এগিয়ে আসতে চাইলে লিন্ডসের গুলিতে নিহত হন দুই ভাই। ‘রাষ্ট্রদ্রোহিতা’র অপরাধে দুই ভাইয়ের লাশ সমাধিস্থ না করে ফেলে রাখা হয়েছিল ঈদগাহ’র ময়দানে। পরে স্থানীয়দের অনুরোধে লাশগুলো অযত্নে সমাধিস্থ করা হয় পাশের একটি টিলায়। যা পরে হাদা মিয়া মাদা মিয়ার টিলা নামে পরিচিতি পায়। আরো পরে ঐ টিলার কাছে চার্চ নির্মাণ হওয়ায় তা পরিচিত হয় পাদ্রির টিলা নামে। আড়াল পড়ে যায় ঐতিহাসিক এক অধ্যায়। বৃটিশ আমলের পর, পাকিস্তান আমল পেরিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হলেও সে ইতিহাস রক্ষায় তেমন কোনো উদ্যোগ আর নেয়া হয়নি। উল্টো বেদখল হয়ে পড়ে দুই বীরের সমাধিস্থলের ১০.৮১ শতক ভূমি। পাশের একটি মাদরাসার দখলে চলে যায় কবরস্থানের ভূমি। বিষয়টি পরে ইতিহাস সচেতন কিছু ব্যক্তির নজরে পড়লে গঠিত হয় সৈয়দ হাদী ও সৈয়দ মাহদী স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদ। ঐ পরিষদের তৎপরতায় গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় প্রশাসন কবর এলাকার ভূমি দখলমুক্ত করে। পরবর্তীতে কবরস্থানের সীমানা চিহ্নিত করে দেয়াল নির্মাণের উদ্যোগ নেয় সিলেট সিটি কর্পোরেশন। সিটি কর্পোরেশনের দীর্ঘসূত্রতার সুযোগে কবরস্থানের ভূমি আবারো দখলে চলে যায় পাশের মাদরাসার দখলে। আবারো আড়ালে পড়ে যায় উপমহাদেশে বৃটিশবিরোধী আন্দোলনের প্রথম শহীদ সৈয়দ মোহাম্মদ হাদী ও সৈয়দ মোহাম্মদ মাহদীর স্মৃতি।
হাদা মিয়া ও মাদা মিয়ার মাজার রক্ষায় তৎপরতা অব্যাহত থাকে সৈয়দ হাদী ও সৈয়দ মাহদী স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদের উদ্যোগে। তাদের প্রচেষ্টায় ২০১৫ সালের ২৫শে জুন আবারও শুরু হয় কবরস্থানের সীমানা নির্ধারণের কার্যক্রম। সরকারি ভূমি অফিস ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের যৌথ উদ্যোগে চিহ্নিত করা হয় কবরস্থানের সীমানা। সিলেট মিউনিসিপ্যালিটি মৌজার ৮২৯৭ নং দাগে কবর এলাকার প্রায় নয় শতক ভূমি চিহ্নিত করা হয়। পরবর্তীতে কবর এলাকার এক দিকে দেয়াল তোলা হলে তিন দিক এখনও অরক্ষিতই রয়ে গেছে।
সিলেট ইতিহাস ঐতিহ্য সংরক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মুজিবুর রহমান চৌধুরী মানবজমিনকে বলেন, নগরীর মীরবক্সটুলায় বৃটিশবিরোধী আন্দোলনের প্রথম শহীদ হাদা মিয়া ও মাদা মিয়ার কবর বেদখল করার জন্য একটি মহল দীর্ঘদিন ধরে পাঁয়তারা চালাচ্ছে। তিনি বলেন, প্রায় ৯ শতক জায়গার এই কবরস্থানের এক দিকে দেয়াল নির্মিত হলেও তিন দিকে কোনো দেয়াল নেই। ফলে অরক্ষিত অবস্থায় থাকা কবরস্থানের ভূমি দখলের অপচেষ্টা চালাচ্ছে একটি প্রভাবশালী মহল। তিনি ঐতিহাসিক গুরত্বপূর্ণ কবরস্থানটি রক্ষায় যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মৃত্যুর ভয়ে টয়লেট তৈরি করেন না এ গ্রামের মানুষরা!

বিহারের এই গ্রামের নাম গাজিপুর। গাজিপুরে সকলের পাকা বাড়ি রয়েছে। কিন্তু শৌচালয়েই ‘না’। গ্রাম পঞ্চায়েত পুরুষ ও মহিলাদের জন্য পৃথক শৌচকর্মের স্থান নির্ধারিত করে দিয়েছে মাঠে। সেখানেই গোটা গ্রাম শৌচকর্ম সারেন। সকাল-বিকেল-সন্ধে-রাত, শৌচকর্ম মানেই প্লাস্টিকের বোতলে জল ভরে সবাই মাঠমুখী।
কেন এই অবস্থা?
এ অবস্থার পেছনে রয়েছে একটি কুসংস্কার। আসলে ওই গ্রামের মানুষের ধারণা, পাকা শৌচালয় তৈরি করলেই পরিবারের কারও মৃত্যু হবে। ১৯৮৮ সালে এরকম দুটি ঘটনা ঘটেছিল। সেই ভয়েই কেউ শৌচালয় তৈরি করেন না।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নারী সাংবাদিকের ‘সুন্দর হাসি’র প্রশংসা ট্রাম্পের

মঙ্গলবার ওভাল অফিসে বসে টেলিফোনে আয়ারল্যান্ডের নতুন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর তখনই আইরিশ একটি বার্তা সংস্থার এক সাংবাদিক তার নজরে পড়েন।
আইরিশ প্রধানমন্ত্রী লিও ভারাদকারকে ট্রাম্প বলছিলেন, আইরিশ অনেক সংবাদমাধ্যম আমাদের দেখছে। এরপরই তার নজরে পড়া সাংবাদিক ক্যাট্রিওনা পেরিকে তার কাছে আসতে বলেন ট্রাম্প।
এরপর তার কাছে পরিচয় জানতে চান ট্রাম্প। পেরি নিজের পরিচয় দেয়ার পর ট্রাম্প আইরিশ প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, ওর হাসিটা খুব সুন্দর, আমি নিশ্চিত সে আপনাকে ভালো চোখেই দেখে।
এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে অনেকে ট্রাম্পের সমালোচনা করেন। নারীদের প্রতি ট্রাম্পের দৃষ্টিভঙ্গির বিষয়টি নিয়ে তার সমালোচনা চলছে।
ইন্টারন্যাশনাল উইমেন্স মিডিয়া ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক এলিসা লিস মুনজ এ বিষয়ে বলছেন, কখনো পুরুষ সহকর্মীদের সঙ্গে এমন হয় না। এর সমাধান কী আমার জানা নেই।
সূত্র: নিউ ইয়র্ক টাইমস
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আল জাজিরা গুড়িয়ে দিতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জানান আমিরাতি যুবরাজ

উইকিলিকসের ফাঁস করা তারবার্তায় দেখা যায়, জায়েদ মার্কিন প্রশাসনকে ইরাক যুদ্ধ নিয়ে আরব জনমত সামলাতে আল জাজিরা নেটওয়ার্কে ‘তাণ্ডব চালানো’র গুরুত্ব বোঝাচ্ছিলেন। তারবার্তায় একটি কথোপকথন উদ্ধৃত করা হয়। এতে দেখা যায়, সাবেক কাতারি আমির হামাদ বিন খলিফা আল-থানি একবার তৎকালীন আমিরাতি প্রেসিডেন্ট (প্রিন্স জায়েদের পিতা)-এর কাছে অভিযোগ করেছিলেন যে, মার্কিন জেনারেল ফ্রাঙ্কসকে জায়েদ আল জাজিরায় বোমা মারতে বলেছিলেন।
প্রিন্স জায়েদ মার্কিন কূটনীতিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় ওই কথা হেসে হেসে মনে করেন। জায়েদ বলেন, তার পিতা তখন কাতারের আমিরকে কটাক্ষের সুরে পাল্টা প্রশ্ন করেন, ‘আপনি কি তাকে (জায়েদ) দোষ দিতে পারেন?’
একই তারবার্তায় বলা হয়, জায়েদ যুক্তরাষ্ট্রকে ইরাক হামলার সময় সাংবাদিকদের নিষিদ্ধ করারও আহ্বান জানান। এতে বলা হয়, ‘তিনি যোদ্ধাদের সঙ্গে সাংবাদিক পাঠানোর বিরুদ্ধে সুপারিশ করেন, অন্তত শুরুর দিকে। কারণ, বেসামরিক মানুষ হতাহত হওয়ার দৃশ্য টেলিভিশনে দেখানো হলে তা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যেতে পারে।’
উল্লেখ্য, আফগানিস্তান ও ইরাকে আল জাজিরা অফিসে সত্যি সত্যি মার্কিন বাহিনী হামলা চালিয়েছিল। তবে উভয় হামলায় উদ্দেশ্যমূলক ছিল না বলে দাবি করে যুক্তরাষ্ট্র।
২০০১ সালে চালানো একটি মিশাইল হামলায় আল জাজিরার কাবুল কার্যালয় সম্পূর্ণ ধসে যায়। অপরদিকে ২০০৩ সালে আল জাজিরার বাগদাদ অফিসে চালানো হামলায় এক সাংবাদিক নিহত ও অন্য কয়েকজন আহত হয়।
উইকিলিকসের এই ফাঁস করা তারবার্তা এমন সময় সামনে এল যখন কাতারের বিরুদ্ধে সৌদি আরব ও আমিরাত নেতৃত্বে কয়েকটি দেশ অবরোধ আরোপ করেছে। এই অবরোধের নেপথ্যে আমিরাতের প্রিন্স মোহাম্মদ বিন জায়েদের বড় ভূমিকা ছিল বলে ধারণা করা হয়। কাতারি কর্তৃপক্ষকে ১৩ দফা দাবি সম্বলিত একটি তালিকা দিয়েছে সৌদি আরব ও আমিরাত। এসব দাবি পূরণ না হলে সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। এ দাবির একটি হলো আল জাজিরা টিভি স্টেশনটি বন্ধ করে দেওয়া।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মাদকের রমরমা বাণিজ্য- দেশে মাদক ব্যবসায়ী ১,৬০,০০০ by আল-আমিন

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের গোয়েন্দা বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, অধিকাংশ মাদক বিদেশ থেকে পাচার হয়ে দেশে প্রবেশ করে। মিয়ানমার ও ভারতের সীমান্ত এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে মাদক প্রবেশ করে। মাদক ব্যবসায়ীদের চোরাচালানের বড় রুট হচ্ছে কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত। প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের সঙ্গে রয়েছে বাংলাদেশের বড় সীমান্ত এলাকা।
দেশে মাদকের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। এতে মাদক ব্যবসায়ীর সংখ্যাও বাড়ছে। এছাড়াও মাদক চোরাচালানিদের নেটওয়ার্ক শক্তিশালী হওয়ার কারণে তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে একস্থান থেকে আরেকস্থানে মাদক পৌঁছে দিচ্ছে।
সূত্র জানায়, দেশে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতরা মাদক সরবরাহে নারী ও পুরুষদের ব্যবহার করে। যারা মাদক বহন করে তাদের ব্যবসায়ীরা মোটা অঙ্কের টাকা দেয়। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, মাদক ব্যবসায়ীদের প্রায় ৪৫ শতাংশ বেকারত্ব সমস্যায় ভুগছিলো। তারা নির্দিষ্ট কোনো কর্মক্ষেত্র না পাওয়ার কারণে এই অবৈধ পেশায় জড়িয়ে পড়েছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সীমান্ত এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীর সংখ্যা বেশি। তারা ওই এলাকার বাসিন্দা হওয়ার কারণে সহজেই সীমান্তের ওপারের লোকদের সঙ্গে লিয়াজোঁ করে বাংলাদেশে মাদক নিয়ে আসে। তারা সীমান্ত প্রহরীদের হাত করে এ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এছাড়াও ঢাকা এবং বিভাগীয় শহর এলাকা থেকে জেলা ও থানা এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীর সংখ্যা বেশি। মোট ব্যবসায়ীর প্রায় ৭০ শতাংশ জেলা ও থানায় মাদক ব্যবসা করে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালে দেশে মাদক ব্যবসায়ীর সংখ্যা ছিল ৯৫ হাজার ৪০০ জন। ২০১৬ সালে এই সংখ্যা দাঁড়ায় ১ লাখ ৩০ হাজার ১০ জনে। ২০১৭ সালে এই সংখ্যা বেড়ে ১ লাখ ৬০ হাজারে দাঁড়িয়েছে। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, গত ১ বছরে দেশে মাদক ব্যবসায়ীর সংখ্যা বেড়েছে ২৯ হাজার ৯ শ’ ৯০ জন।
এ বিষয়ে মাদকদ্রব্য ও নেশা নিরোধ সংস্থার (মানস) সভাপতি অধ্যাপক ডা. অরূপ রতন চৌধুরী বলেন, দেশে মাদক ব্যবসায়ীর সংখ্যা অনেক। সঠিক পরিসংখ্যান করলে ভয়াবহ তথ্য বের হয়ে আসবে। এটা নির্ণয় জরুরি। সরকারের কাছে একটি পরিসংখ্যান থাকা দরকার।
তিনি বলেন, মাদক লাভজনক ব্যবসা। এ কারণে ব্যবসায়ীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। মাদক ব্যবসায়ীদের দমনের জন্য যেমন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কাজ করতে হবে পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়া হবে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের জনবল বাড়াতে হবে। এছাড়াও ১৯৯০ সালের যে অধ্যাদেশ আছে এটির সংশোধন করতে হবে। যাতে মাদক ব্যবসায়ীরা কোনোভাবেই দ্রুত জামিন না পেয়ে যায়।
এদিকে, ২০১৭ সালের এপ্রিলের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী সারা দেশে মাদকাসক্ত হচ্ছে ৫০ লাখ। এর মধ্যে নারী মাদকসেবী ৫ লাখ ৯০ হাজার। এছাড়াও শিশু ও কিশোর মাদকাসক্ত রয়েছে ৩ লাখ ২৪ হাজার। যা মাদকাসক্তের শতকরা ৪০ ভাগই শিশু ও কিশোর। সারা দেশে ইয়াবাসেবী রয়েছে প্রায় ২ লাখ। যা মোট মাদকসেবীর ২.৫০ শতাংশ। তার মধ্যে প্রায় ৯০ হাজার শিক্ষার্থী মরণ নেশা ইয়াবাতে আসক্ত। তারা অধিকাংশ প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া। আবার ইয়াবাসেবীর মধ্যে রয়েছে ১০ হাজার নারী শিক্ষার্থী।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতের যৌনপল্লিতে বাড়ছে বাংলাদেশি নারী-শিশু

ভারতে মানব পাচার বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকে লেখা এক চিঠিতে এমন অভিমত দিয়েছেন দিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী।
আজ বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ঈদের ছুটির আগে দিল্লি থেকে চিঠিটি ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। মে মাসে মুম্বাইতে সরেজমিনে বেশ কয়েকটি আশ্রয়কেন্দ্রে জনা পঞ্চাশেক বাংলাদেশি নারী ও শিশুর সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি সম্পর্কে ঢাকার কাছে পর্যবেক্ষণ পাঠানো হয়েছে।
দিল্লি ও মুম্বাইয়ের কূটনীতিক সূত্রে সম্প্রতি যোগাযোগ করে জানা গেছে, ভারতের পতিতালয়গুলোতে বাংলাদেশের শিশু, কিশোরী ও নারীর সংখ্যা যথেষ্ট বাড়ছে। বেশ কয়েক মাস ধরে এমন তথ্য পাওয়ার পর গত মে মাসে দিল্লি ও মুম্বাইতে কর্মরত বাংলাদেশের কূটনীতিকেরা মুম্বাইয়ের বেশ কয়েকটি আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নেওয়া শিশু, কিশোরী ও নারীর সঙ্গে কথা বলেন। এদের সঙ্গে কথা বলে ভারতে পৌঁছানোর রহস্য জানতে পারেন কূটনীতিকেরা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কূটনীতিক এই প্রতিবেদককে বলেন, একটি আশ্রয়কেন্দ্রের ৪০ জন বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলে দেখা গেছে, এদের ২৯ জনই এসেছে বাংলাদেশ থেকে। পরিস্থিতি যে কতটা খারাপ এ থেকে একটা ধারণা পাওয়া যেতে পারে।
সরেজমিনে পরিদর্শনের পর পাওয়া পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে ঢাকায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে চিঠি পাঠান হাইকমিশনার। চিঠিতে বলা হয়েছে, দরিদ্র মা-বাবা অভাবের কারণে সন্তানকে অপরিচিত লোকের হাতে তুলে দিচ্ছেন। আবার কেউ বিয়ে বা বিদেশে চাকরির ফাঁদে পা দিয়ে মানব পাচারকারীদের খপ্পরে পড়ছেন। আবার উন্নত জীবনের আশায় নিম্নবিত্ত নারীরা পাচারকারীদের শিকারে পরিণত হচ্ছেন। চূড়ান্তভাবে তাঁদের ঠাঁই হচ্ছে ভারতের যৌনপল্লিগুলোতে। একই সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে থাকার পরও ভারতের যৌনপল্লিগুলোতে পশ্চিমবঙ্গ ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোর নারী ও শিশুর সংখ্যা যথেষ্ট কম। ভারতের গণমাধ্যমে মানব পাচার নিয়ে সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের প্রচার এবং মানব পাচার রোধের আইনের কঠোর প্রয়োগ বড় ভূমিকা রাখছে বলে মত দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশে মানব পাচার রোধের আইন প্রয়োগের শিথিলতা ও সচেতনতার অভাবে ভারতে মানব পাচারের পথ করে দিচ্ছে। তাই আইনের কঠোর প্রয়োগ ও সীমান্তে পাহারা জোরদারের সুপারিশ করা হয়েছে। এ ছাড়া মানব পাচার রোধে জনসচেতনতার জন্য গণমাধ্যমে নিয়মিত প্রামাণ্যচিত্র, নাটক ও বিজ্ঞাপন প্রচারের কথাও চিঠিতে বলা হয়েছে।
এদিকে মুম্বাইয়ের আশ্রয়কেন্দ্র ঘুরে আসা একাধিক কূটনীতিক প্রথম আলোকে জানান, মুম্বাই ছাড়াও গোয়া, পুনে এই শহরগুলোর যৌনপল্লিগুলোতে উদ্বেগজনক হারে বাংলাদেশিদের সংখ্যা বাড়ছে।
জানতে চাইলে মুম্বাইতে বাংলাদেশের উপহাইকমিশনার সামিনা নাজ গতকাল বিকেলে প্রথম আলোকে বলেন, ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০১৬ সালে ডিসেম্বর পর্যন্ত মুম্বাই, গোয়া, পুনে, কেরালা, দামান ও তামিলনাড়ু থেকে উদ্ধারের পর অন্তত ৩৭০ জন নারী ও শিশুকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
'নট ইন মাই নেম' : মুসলিম হত্যার বিরুদ্ধে ভারতজুড়ে নাগরিক বিক্ষোভ

একটি বেসরকারি হিসাবে বলা হচ্ছে ২০১৫ থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৩টি এধরণের ঘটনা হয়েছে, যেখানে মুসলমান কোনো ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে মারধর করা হয়েছে।
গত তিন মাসে এধরণের গণপিটুনিতে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৬জন মুসলমানের। এধরণের ঘটনাগুলোর বিরুদ্ধেই আজ দিল্লিসহ ভারতের নানা জায়গাতেই সামাজিক মাধ্যমে খবর ছড়িয়ে দিয়ে 'নট ইন মাই নেম' নাম দিয়ে প্রতিবাদে নেমেছিলেন সাধারণ মানুষ। প্রতিবাদ সমাবেশ হয়েছে কলকাতাতেও।
দক্ষিণ কলকাতার একটি খোলামেলা বিপনি বিতান চত্বরে কয়েক শ' মানুষ জড়ো হয়েছিলেন শুধুমাত্র একটি হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ বা ফেসবুক পোস্ট দেখে। 'নট ইন মাই নেম' হ্যাশ ট্যাগও চালু হয়েছে মুসলমানদের চিহ্নিত করে গণপিটুনির ঘটনাগুলির বিরুদ্ধে।
কলকাতায় যারা এই প্রতিবাদ সমাবেশের উদ্যোগটা নিয়েছিলেন, তাদেরই অন্যতম অঞ্চিতা ঘটক বলছিলেন, "চতুর্দিকে যেসব ঘটনা হচ্ছে, তাতে সত্যিই আমরা বিচলিত। আমাদের মনে হচ্ছে দেশে হিন্দুত্বের একটা আগ্রাসন শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে খুবই উগ্র জাতীয়তাবাদও তৈরী করা হচ্ছে, যার সঙ্গে আবার হিন্দু ধর্মকে জুড়ে দেওয়া হচ্ছে।"
কলেজ শিক্ষক সম্রাট সেনগুপ্ত বলছিলেন কেন তার মতে, সাম্প্রতিক সময়ে মুসলমানদের চিহ্নিত করে গণপিটুনি দিয়ে আহত - এমনকি মেরে ফেলার ঘটনাও খুব বেশি ঘটতে শুরু করেছে।
"একটা শ্রেণীর মানুষের হাতে একরকম ক্ষমতায়ন হয়েছে, যাদের মধ্যে প্রচন্ড শক্তিশালী মুসলিম বিদ্বেষ আগে থেকেই ছিল। কেন্দ্রে যে দল এখন ক্ষমতায় রয়েছে, তাদের বলে বলীয়ান হয়ে ওই শ্রেণীর মানুষ নিজেদের বিদ্বেষটাকে উগরে দিতে শুরু করেছে," বলছিলেন সেনগুপ্ত।
সমাবেশে প্রগতিশীল লেখক-বুদ্ধিজীবি, কবি, গায়ক, ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গেই হাজির ছিলেন কলকাতার বেশ কিছু মুসলমান যুবক। তাদেরই একজন মুহম্মদ রাফে সিদ্দিকির কাছে জানতে চেয়েছিলাম সম্প্রতি মুসলমানদের পিটিয়ে মারার যেসব ঘটনা হচ্ছে ভারতে, তাতে তারা কতটা আতঙ্কিত।
সিদ্দিকির কথায়, "পশ্চিমবঙ্গে অন্তত আমাদের সেই ভয়টা নেই। কিন্তু উত্তরপ্রদেশ বা মধ্যপ্রদেশে আত্মীয়-বন্ধুদের কাছ থেকে যা খবর পাই, তাতে ওরা খুবই আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে। গোরক্ষার নাম করে হোক বা অন্য যে কোনও নামেই, কেন্দ্রীয় সরকারের তো দায়িত্ব এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়ার। এই পরিস্থিতি মেনে নেওয়া যায় না, এটা আনএক্সেপ্টেবল।"
ভারতের অন্যান্য অঞ্চলে আজ যে নাগরিক প্রতিবাদ হয়েছে, কলকাতার সমাবেশের খবরও সামাজিক মাধ্যম দিয়েই ছড়িয়েছিল প্রথমে। আইনজীবি অধিরাজ রায় ফেসবুকের একটি পোস্ট দেখেই প্রতিবাদে যোগ দিতে এসেছিলেন।
তিনি বলছিলেন, "এরকম একটা নাগরিক এবং গণতান্ত্রিক জমায়েতের খুব দরকার ছিল, যেখানে কোনও রাজনৈতিক বা সাংগঠনিক ব্যানার ছাড়া সমাজের নানা মানুষ এক জায়গায় জড়ো হবেন, একটাই দাবী নিয়ে, একটাই বিষয়ে প্রতিবাদ জানাতে। সেদিক থেকে এটা নিঃসন্দেহে একটা ভাল উদ্যোগ।"
ঘটনাচক্রে, আজকের প্রতিবাদ সমাবেশগুলি কোনও রাজনৈতিক অথবা অরাজনৈতিক সংগঠন আয়োজন করে নি। কোথাও কোনও সংগঠনের প্রতিনিধিত্বকারী ব্যানার পোস্টারও ছিল না - একটাই কথা প্রতিবাদে সামিল সকলের বুকে ঝোলানো প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল - নট ইন মাই নেম - যেরকমটা যুক্তরাষ্ট্রে ভিয়েতনাম যুদ্ধবিরোধী প্রতিবাদ সভাগুলিতে বলা হতো একটা সময়ে।
সূত্র : বিবিসি
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1403)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
-
▼
2017
(8870)
-
▼
June
(1181)
-
▼
Jun 29
(12)
- এই চোখ ধাঁধানো সেন্টারে হবে মেসির বিয়ে
- সম্পত্তি রক্ষায় মমতাকে এরশাদের চিঠি
- ‘পুলিশ হয়্যা গুন্ডাক ধরিম’ by গোলাম মোর্তুজা
- সড়কে ঝরল স্বামী-স্ত্রী-সন্তানসহ ছয়জনের প্রাণ
- গো-ভক্তির নামে মানুষ খুন মেনে নেয়া যায় না : নরেন্দ...
- যেভাবে আড়াল পড়ে যায় ঐতিহাসিক এক অধ্যায় by চৌধুরী ম...
- মৃত্যুর ভয়ে টয়লেট তৈরি করেন না এ গ্রামের মানুষরা!
- নারী সাংবাদিকের ‘সুন্দর হাসি’র প্রশংসা ট্রাম্পের
- আল জাজিরা গুড়িয়ে দিতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জানান ...
- মাদকের রমরমা বাণিজ্য- দেশে মাদক ব্যবসায়ী ১,৬০,০০০ ...
- ভারতের যৌনপল্লিতে বাড়ছে বাংলাদেশি নারী-শিশু
- 'নট ইন মাই নেম' : মুসলিম হত্যার বিরুদ্ধে ভারতজুড়ে...
-
▼
Jun 29
(12)
-
▼
June
(1181)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...








