Thursday, September 26, 2019
এপস্টেইন যেভাবে ধর্ষণ করে আমাকে

আনুশকা ডি জর্জিউ বলেন, যদি আপনি একজন তরুণী হন এবং কারো বাসায় বা দ্বীপে তার বাড়িতে যান, সেখানে যারা উপস্থিত আছেন তারা যদি এমন ভাব দেখান যে এসব ঠিক আছে, তবে সেখানে আপনি একা। শুধু আপনিই ভাববেন উদ্ভট ঘটনা ঘটছে। সেখানে কোনো কথা বলা খুবই কঠিন। একজন টিনেজার হিসেবে সে আমাকে যখন যৌন নির্যাতন করতো তখন তার দৃষ্টিভঙ্গিতে কোনো অপরাধ বোধ কাজ করতো না। আমাকে দেখেই তার শরীরের মধ্যে ঝাঁকুনি দিয়ে উঠতো। আমাকে কাছে পেতে উদগ্রিব হয়ে পড়তো। বিষয়টি আমার স্নায়ুকে ঠান্ডা করে দিতো। এসব করতে সে একজন কিশোরীরি দুর্বল স্থানগুলো বেছে নিতো। সে কোনদিক থেকে অনিরাপদ, ঝুঁকিতে সেগুলোতে টার্গেট করতো। আমি এমনই অবস্থায় নিজেকে কোনোমতে মানিয়ে নিয়েছিলাম। মনে করেছিলাম আমি লড়াই করতে পারবো।
এপস্টেইনের যৌন নির্যাতন প্রত্যক্ষ করতে হয়েছে আনুশকা ডি জর্জিউকে। তিনি দেখেছেন এপস্টেইনের ক্যারিবিয়ান দ্বীপের বাড়িতে আরো স্বর্ণালী চুলের কিশোরীদের। এমনি একজন বালিকা আনুশকা ডি জর্জিউয়ের চেয়ে কয়েক বছরের ছোট। তাকে দেখে কিছু বলতে চেয়েছিলেন আনুশকা ডি জর্জিউ। তার ভাষায়, তখন আমি ছিলাম সমুদ্রের মাঝে। আর ওই কিশোরী ছিলেন একটি প্যাডেলবোর্ডে। তাকে বলতে চেয়েছিলাম, তুমি পালাও। কিন্তু পারিনি।
বর্তমানে দ্য কিনটসুগি ফাউন্ডেশনে কাজ করেন আনুশকা ডি জর্জিউ। এটি মানসিক ক্ষত বা কোনো আসক্তিতে আক্রান্তদের সেবাদানকারী একটি প্রতিষ্ঠান।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পৃথিবীর চেয়ে বাসযোগ্য গ্রহ
![]() |
| শিল্পীর তুলিতে অন্য মহাবিশ্বের গ্রহ। |
সম্প্রতি এই গবেষণাপত্র স্পেনের বার্সেলোনায় গোল্ডস্মিথ ভূ-রসায়ন কংগ্রেসে উপস্থাপন করা হয়েছে। গবেষণা দলের প্রধান স্টেফানি ওলসন বলেন, ‘আমরা গবেষণার মাধ্যমে একটা চমকপ্রদ উপসংহারে এসেছি। আর তা হলো, পৃথিবীর বাইরে কোনো কোনো গ্রহের পরিবেশ জীবের টিকে থাকার জন্য দারুণ অনুকূলে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেসব গ্রহে মহাসাগরের মতো ঘূর্ণন প্যাটার্ন দেখা গেছে। সেসব ঘূর্ণন প্যাটার্নের কোনো কোনোটি প্রাণের বিকাশের জন্য পৃথিবীর চেয়েও বেশি অনুকূল বলে প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে মনে হচ্ছে। এটি আরও দেখাচ্ছে, ওই সব গ্রহের মহাসাগরে জীবের টিকে থাকার উপাদানের প্রাচুর্য আমাদের পৃথিবীর চেয়েও বেশি।’
বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন পর্যবেক্ষণের সমন্বয় করে এখন বোঝার চেষ্টা করছেন, দূরবর্তী সেসব গ্রহের কোনোটিতে এলিয়েন রয়েছে কি না। নাসার সফটওয়্যার ব্যবহার করে একটি ভার্চ্যুয়াল মডেল তৈরি করে গ্রহগুলোর ঘূর্ণন গতির সাহায্যে তার বায়ুমণ্ডল ও জলবায়ু বাসযোগ্য কি না, তা বুঝতে চেষ্টা করা হচ্ছে।
ওলসন বলেন, ‘পৃথিবীর মহাসাগরগুলোতে জীবন নির্ভর করে সাগরের পানির ওপরে উঠে আসার প্রবাহ বা আপওয়েলিংয়ের ওপর। এর মাধ্যমে মহাসাগরের গভীর অন্ধকার অংশ থেকে পুষ্টি উপাদান ওপরে সূর্যালোক পৌঁছাতে সক্ষম এমন অংশে উঠে আসে। এই অংশেই সালোকসংশ্লেষী জীবেরা থাকে। মহাসাগরের এই আপওয়েলিং পরিবেশই আমরা এক্সোপ্লানেটে খুঁজে দেখছি। প্রাণের বিকাশ সেখানে বেশি, যেখানে বায়ুমণ্ডলের ঘনত্ব বেশি, ঘূর্ণন গতি কম ও আপওয়েলিং হার বেশি।’
এদিকে পৃথক একটি গবেষণা জানিয়েছে, পৃথিবীর বাইরে অন্য ছায়াপথ থেকে পৃথিবীতে বেতার সংকেত আসছে। বাইরের মহাবিশ্ব থেকে পৃথিবীতে অসংখ্য সংকেত পাঠানো হচ্ছে, যেগুলোর মধ্যে বেশ কয়েকটির আবার পুনরাবৃত্তি (রিপিটিং) হচ্ছে। গবেষকেরা এ রকম আটটি ‘রিপিটিং শক্তিপ্রবাহ’ শনাক্ত করেছেন, যা প্রবাহিত হচ্ছে অন্য মহাবিশ্ব থেকে। কানাডীয় হাইড্রোজেন ইনটেনসিটি ম্যাপিং এক্সপেরিমেন্ট টেলিস্কোপে নতুন এই তথ্য ধরা পড়েছে। এ-সংক্রান্ত গবেষণাটি আর্কিভ গবেষণা সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে গত সপ্তাহে।
এই বেতার সংকেতগুলোকে ফাস্ট রেডিও বার্স্টস (এফআরবি) বলা হচ্ছে। এসব রেডিও সংকেতের উৎস জানা গেলে সেটা এলিয়েনের পৃথিবী সম্পর্কে জানার ক্ষেত্রে একটি বড় অগ্রগতি হবে। যেসব এফআরবি পুনরাবৃত্তি হয়েছে, সেসব খুবই মূল্যবান সংকেত। কারণ, এর মাধ্যমেই গবেষকেরা এর উৎস শনাক্ত করতে পারবেন। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এসব এফআরবির তীক্ষ্ণতার প্রাবল্য দেখে বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, এগুলো কোনো বিশাল উৎস থেকেই আসছে। হতে পারে এটা কৃষ্ণগহ্বরে পতিত কোনো নক্ষত্র থেকে আসছে। হতে পারে এলিয়েনদের পাঠানো কোনো বার্তাও।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে স্থায়ী হলে কি ঘটবে? by জোশুয়া কুরলানতিক

রোহিঙ্গারা যে মিয়ানমারে ফেরত যেতে চাইবে না, এতে বিস্মিত হওয়ার কিছু নেই। রাখাইন রাজ্যে ভয়াবহ নৃশংসতার মাত্র দু’বছর অতিক্রান্ত হয়েছে। বেশির ভাগ রোহিঙ্গার বসবাস মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে।
ওই রাজ্যটিতে এখনও সহিংসতা রয়েছে এবং তা একটি অস্থিতিশীল স্থানে পরিণত হয়েছে।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রাখাইন রাজ্যে সহিংসতা আবার বৃদ্ধি পেয়েছে। সেখানে জাতিগত রাখাইন আরাকান আর্মির সঙ্গে লড়াই করছে সেনাবাহিনী। জবাবে প্রচলিত ভয়াবহ কৌশল অবলম্বন করছে সেনারা। এই লড়াইয়ে বেসামরিক লোকজনের বিরুদ্ধে সেনারা হামলা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক অফিস। এ বিষয়ে আরো রিপোর্ট প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। তারা দাবি করেছে, রাখাইনে জাতিগত রাখাইন ও রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে নতুন করে বিচারবহির্ভূত হত্যাকা-সহ নৃশংসতা চালিয়ে যাচ্ছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী।
ওদিকে মিয়ানমার সরকার যখন রোহিঙ্গাদের বলছে যে, তারা নিরাপত্তার সঙ্গে ফিরে যেতে পারেন, ঠিক তখনই দেখা যাচ্ছে রোহিঙ্গাদের ফেরত যাওয়ার জন্য তারা প্রকৃতপক্ষে নিরাপদ, আস্থা অর্জনের মতো পরিবেশ সৃষ্টি করেনি। রাখাইনে এখনও যে সহিংসতা চলমান তা নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের পক্ষে কোনো শক্তিশালী সংকেত দেয় না। রোহিঙ্গাদের অবমাননা এবং তাদেরকে এখনও মিয়ানমারে অবৈধ হিসেবে অব্যাহতভাবে অভিহিত করছেন মিয়ানমার সরকারের সিনিয়র নেতারা। মানবাধিকার বিষয়ক ও অনুসন্ধানী গ্রুপ ফোর্টিফাই রাইটস রোহিঙ্গাদের পরিস্থিতিতে ঘনিষ্ঠভাবে নজরদারি করে যাচ্ছে। এ সপ্তাহে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে তারা। ফোর্টিফাই রাইটস দেখতে পেয়েছে যে, এখনও দেশের ভিতরে বসবাস করছেন যেসব রোহিঙ্গা তাদেরকে ন্যাশনাল ভেরিফিকেশন কার্ড গ্রহণ করতে অব্যাহতভাবে শক্তি প্রয়োগ করে বাধ্য করছে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ। এই ভেরিফিকেশন কার্ডে তাদেরকে ‘বিদেশী’ হিসেবেই চিহ্নিত করা হয় এবং তাদের নাগরিকত্বের অধিকারকে অস্বীকার করা হয়। যেসব রোহিঙ্গার নাম প্রত্যাবর্তনের তালিকায় ছিল অথবা যাদের নিজদেশে তাদের জীবন নতুন করে সাজানোর কথা ছিল তাদের সঙ্গে দৃশ্যত শলাপরামর্শ করেনি মিয়ানমার ও বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ। জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন দেখতে পেয়েছে যে, যেখানে রোহিঙ্গারা বসবাস করতেন সেই এলাকাগুলোকে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিয়ে সমান করে দিয়েছে মিয়ানমার সরকার। উত্তর রাখাইনে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তনের প্রস্তুতি, অবকাঠামো অথবা সামাজিক সেবার জন্য কোনো প্রস্তুতি ন্যাপিড গ্রহণ করেইনি বলা যায়।
পক্ষান্তরে, রোহিঙ্গাদের দখলে থাকা জমিগুলোতে ডেভলপমেন্ট কাজ করছে মিয়ানমারের কোম্পানিগুলো। আগস্টের শুরুর দিকে জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। তাতে দেখা গেছে, সেনাবাহিনীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কযুক্ত কোম্পানিগুলো রাখাইন রাজ্যের প্রকল্পগুলোতে অর্থায়ন করছে। বর্তমানে ওই রাজ্যে জাতিগত বিন্যাস ঢেলে সাজানোর জন্য এবং মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের উপস্থিতির প্রমাণ মুছে দেয়ার চেষ্টা চলছে।
এর পরিবর্তে, বাংলাদেশে অবস্থান করা কমপক্ষে ১০ লাখ রোহিঙ্গা অনির্দিষ্টকালের জন্য বাংলাদেশে অবস্থান করার চেষ্টা করতে পারে। এমন একটি চিত্রপট ক্রমশ যুক্তিগ্রাহ্য হয়ে উঠছে, যদিও সুইডিশ সাংবাদিক ও লেখক বারটিল লিন্টনারের নোট বলছে, বাংলাদেশ সরকার মরিয়া হয়ে চায় না যে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে থাকুক। এরই মধ্যে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সীমান্তের এই আশ্রয়শিবির বিশ্বের সবচেয়ে বৃহৎ শরণার্থী শিবিরে পরিণত হয়েছে। সেখানে মানুষ উপচে পড়ছে। গাদাগাদি করে অবস্থান করছে তারা। আছে রোগ ছড়িয়ে পড়া ও মানব পাচারের বড় ঝুঁকি। লিন্টনার যেমনটা বলেছেন, শরণার্থীদের নিয়ে ক্রমশ অসহিষ্ণু হয়ে উঠছেন বাংলাদেশী নাগরিকরা। তারা উদ্বিগ্ন এ জন্য যে, তারা মনে করছেন রোহিঙ্গারা স্থানীয়দের কাছ থেকে কর্মসংস্থান কেড়ে নিতে পারে। বিশাল আকারের এই শরণার্থী শিবির পরিবেশের ক্ষতির কারণ। বাস্তবেই এ নিয়ে আশঙ্কা আছে যে, এই দুর্দশাগ্রস্ত অবস্থার মধ্যে বাংলাদেশে যত বেশিদিন এত বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী থাকবেন, ততই বেশি উগ্রপন্থি গ্রুপগুলোর উগ্রবাদের টার্গেটে পরিণত হতে পারেন তারা। মিয়ানমারে ফিরে গেলে রোহিঙ্গারা যে ভয়াবহ দুর্দশায় পড়বেন, সে কথা বিবেচনায় হয়তো তিনি (লিন্টনার) যথার্থই বলেছেন- রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে ন্যূনতম দীর্ঘ সময় অবস্থান করতে যাচ্ছে।
যদি এটাই হয় বাস্তবতা, তাহলে বাংলাদেশ, অন্য দেশগুলো ও দাতা এজেন্সিগুলো এ নিয়ে কি করতে পারে? রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে নিরাপদে ফিরে যাবেন এটা ধরে নিয়ে যখন প্রস্তুতি অব্যাহত থাকবে, তখন অন্তত কিছু রোহিঙ্গাকে এই সমস্যা সমাধানের জন্য তৃতীয় কোনো দেশে স্থানান্তরে জোরালোভাবে চাপ দিতে পারে জাতিসংঘ ও অন্য তৃতীয় পক্ষগুলো। অন্তত এমন কিছু নজির আছে। যেমন, নেপালে অবস্থান করা ভুটানের শরণার্থীদের প্রায় সবাই তৃতীয় একটি দেশে পুনর্বাসন হয়েছেন, যদিও বর্তমান বৈশ্বিক পরিবেশে বিপুল পরিমাণে শরণার্থী গ্রহণ করাটা অবশ্যই একটি কঠিন বিষয় এবং শরণার্থী গ্রহণ করতে নেতারা ক্রমবর্ধমান হারে বিরোধিতা করে আসছেন। এখনও আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পর্যায়ে কিছু তৃতীয় দেশ আছে। সেখানে অধিক পরিমাণে রোহিঙ্গাকে পুনর্বাসন সম্ভব হতে পারে, কমপক্ষে একটি বড় সংখ্যায়। এমন দেশের মধ্যে রয়েছে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও কানাডা। তবুও এটাই সম্ভাবনা যে, রোহিঙ্গারা বাংলাদেশেই থাকতে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকার ও বাইরে থেকে ভূমিকা রাখা দেশ বা সংস্থাগুলোকে সেই সম্ভাবনার জন্য প্রস্তুত থাকা প্রয়োজন।
(অনলাইন কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনস-এ প্রকাশিত ‘হোয়াট হ্যাপেনস ইফ রোহিঙ্গা স্টে ইন বাংলাদেশ ফরএভার?’ শীর্ষক নিবন্ধের অনুবাদ)
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যে কারণে সরে যেতে হলো আলজেরিয়া ও সুদানের দুই স্বৈরশাসককে by অর্ণব সান্যাল

গবেষকেরা বলছেন, বিশ্বব্যাপী স্বৈরাচারী একনায়কদের পতনের পেছনে কিছু সুনির্দিষ্ট বিষয় কারণ হিসেবে কাজ করে। ক্যু ও বিপ্লব—বিশ্বরাজনীতিতে এই দুটি বিষয় বেশ দুর্লভ। ক্যু ও বিপ্লব কখনোই বলেকয়ে আসে না, অকস্মাৎ ঘটে। তবে এগুলো ঘটার আশঙ্কা আঁচ করা যায়।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বেসরকারি সংস্থা ওয়ান আর্থ ফিউচার (ওইএফ) গবেষণা করে ক্যু সংঘটনের বা সামরিক বাহিনীর ক্ষমতা দখলের ধারণাগত একটি মডেল তৈরি করেছে। এই মডেলের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ক্যুকাস্ট’। এই মডেল অনুযায়ী ক্যু সংঘটনের কিছু অনুঘটক আছে। এগুলো হলো: ক্যুর ঝুঁকিতে থাকা কোনো দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার, কোনো একনায়ক কত দিন ধরে শাসনক্ষমতায় আছেন, ওই দেশে সাম্প্রতিক সময়ে কোনো ক্যু হয়েছে কি না বা হলে কবে হয়েছে এবং সম্প্রতি ওই দেশ বন্যা বা দুর্ভিক্ষের মতো কোনো দুর্যোগে আক্রান্ত হয়েছে কি না।
আলজেরিয়ায় প্রবল জনবিক্ষোভের মুখে সরে দাঁড়ান বুতেফ্লিকা। অন্যদিকে সুদানে সেনাবাহিনী সরিয়ে দিয়েছে ওমর আল-বশিরকে। ওই দুজনের বিরুদ্ধেই দেশের অর্থনৈতিক দুরবস্থা প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। গত পাঁচ বছর ধরে আলজেরিয়ার বার্ষিক জিডিপি প্রবৃদ্ধির গড় হলো ২ দশমিক ৮ শতাংশ। এই সময়ে পুরো পুরো আফ্রিকায় গড় প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৩ দশমিক ৩ শতাংশ। আর একই সময়ে সুদানের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ছিল মাত্র ১ দশমিক ৮ শতাংশ। দেশটির মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৩ শতাংশে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পূর্বাভাস, ২০১৯ সালে সুদানের অর্থনীতি ২ দশমিক ৩ শতাংশ পর্যন্ত সংকুচিত হতে পারে।
![]() |
| আলজেরিয়ায় তীব্র জনবিক্ষোভের মুখে গদি ছেড়েছেন আবদেল আজিজ বুতেফ্লিকা। ছবি: এএফপি |
তাহলে ঘাপলা কোথায়? ২০০০ সালের পর হওয়া বিভিন্ন জরিপের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্ট বলছে, আরব অঞ্চলের অধিবাসীরা তাঁদের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন। বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, এই অঞ্চলের নিম্নআয়ের মানুষের আয় বাড়ছে। কিন্তু মধ্যবিত্ত শ্রেণিভুক্ত ৪০ শতাংশ মানুষের জীবনমানের কোনো উন্নতি হচ্ছে না। অর্থাৎ একটি শ্রেণির মানুষ লাভবান হলেও আরেকটি শ্রেণি বঞ্চিত হচ্ছে। এর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে শিক্ষিত বেকারের উচ্চ হার। ২০১০ সালে তিউনিসিয়ায় আরব বসন্তের আগুন ছড়িয়ে পড়ার সময় শিক্ষিত স্নাতকদের মধ্যে প্রায় ২৩ শতাংশ ছিল বেকার। অথচ পুরো জনসংখ্যায় এর হার ছিল মোটে ১৩ শতাংশ। অর্থাৎ, বিক্ষোভ সৃষ্টির ক্ষেত্রে দারিদ্র্যের চেয়ে সুযোগের অভাব বেশি ভূমিকা রাখে।
আবার ক্যু সংঘটনের ইতিহাসও এ ক্ষেত্রে একটি বড় অনুঘটক হিসেবে কাজ করে। কোনো দেশে যত বেশি ক্যু সংঘটনের নজির আছে, সেই দেশে এমন অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির আশঙ্কাও বেশি থাকে। বেসরকারি সংস্থা ওয়ান আর্থ ফিউচারের (ওইএফ) তৈরি ‘ক্যুকাস্ট’ মডেল অনুযায়ী, যেসব রাষ্ট্রে স্বৈরাচারী শাসন লম্বা সময় ধরে চলছে, সেসব দেশে ক্যু হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। আবার যেসব দেশে কিছুদিন হলো স্বৈরাচারী শাসন শুরু হয়েছে, সেসব দেশেও পাল্টা ক্যু হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ক্ষমতা কুক্ষিগত করার জন্য সদ্য প্রতিষ্ঠিত একনায়ক শাসকের সময় প্রয়োজন হয়। আবার বুতেফ্লিকা বা বশিরের মতো যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে শাসনক্ষমতা দখল করে থাকেন, তাঁদের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়ায় বয়স। বয়স যত বাড়ে, জনমনে তাঁদের আবেদন তত কমতে থাকে।
ওওইএফের কর্মকর্তা ক্লেটন বিসো বলেন, বিশ্বব্যাপী একনায়কেরা এখন নির্বাচন ঠেকিয়ে রেখে ক্ষমতায় টিকে থাকার চেষ্টা করেন। কিন্তু এটি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ কাজ। নির্বাচনে জিতে তাঁরা নিজেদের ক্ষমতাকে বৈধ করার সুযোগ পান। কিন্তু নির্বাচনে হেরেও যখন তাঁরা জোর করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চান, তখনই অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
একনায়কের ক্ষমতা কুক্ষিগত করার অন্যতম অস্ত্র হলো সেনাবাহিনী। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সশস্ত্র বাহিনী দিয়ে ক্ষমতা দখলের উদাহরণ বিশ্বের ইতিহাসে ঢের পাওয়া যায়। থাইল্যান্ডে ১৯৩২ সালে রাজতন্ত্রের একচ্ছত্র শাসনের অবসানের পর আজ পর্যন্ত মোট ১৯টি ক্যু করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। সর্বশেষ ২০১৪ সালে থাইল্যান্ডে ক্যু হয়। এখন সংবিধান বদলে নিজেদের ক্ষমতা চিরস্থায়ী করতে চাইছে থাই সেনাবাহিনী। মিয়ানমারে ২০১৫ সালে নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সেনাবাহিনীর কাছ থেকে ক্ষমতা যায় বেসামরিক সরকারের হাতে। তবে সেখানকার সরকার কাঠামোতে এখনো সেনাবাহিনী অত্যন্ত শক্তিশালী এবং পার্লামেন্টেও তাদের প্রতিনিধিত্ব রয়েছে। বেসামরিক সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ও নিয়ন্ত্রণ করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। ওদিকে পাকিস্তানে ১৯৯৯ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত সরাসরি সামরিক শাসন বলবৎ ছিল। যদিও ইমরান খানের নেতৃত্বে এখন পাকিস্তানে বেসামরিক সরকার কাজ করছে, কিন্তু বলা হয়ে থাকে দেশটির পররাষ্ট্রনীতি থেকে শুরু করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিয়ে থাকে সেনাবাহিনী। সরকারি কাজে জড়িত থাকার পাশাপাশি একই সঙ্গে নিজেদের অর্থনৈতিক স্বার্থও রক্ষা করে থাকে এসব দেশের সেনাবাহিনী।
![]() |
| সুদানে সেনাবাহিনী সরিয়ে দিয়েছে ওমর আল-বশিরকে। ছবি: এএফপি |
তারপরও অবশ্য সেনাবাহিনীর চাপেই সরে যেতে হয়েছে সুদানের প্রেসিডেন্ট ওমর আল-বশিরকে। কিন্তু বশির সরে যাওয়ার পরও রাস্তা থেকে বিক্ষোভরত মানুষ সরছে না। কারণ, বশিরের বিদায়ের পরও স্থিতিশীল হতে পারেনি সুদান। উল্টো একের পর এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সরে যাওয়ার ঘটনা ঘটছে।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, এসব একনায়ক মূলত ব্যক্তিগত সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে একেক ব্যক্তিকে সরকারের উচ্চাসনে বসান। এসবের মূলে থাকে পারস্পরিক স্বার্থ ও নগদ অর্থ পাওয়ার লোভ। ফলে ক্যুর ফলে সৃষ্ট সংকটজনক পরিস্থিতিতে পুরো সরকার কাঠামোতেই ধস নামে। কিন্তু বিক্ষোভরত জনতা বশিরের মতো একনায়ককে বিদায় করতে পারলেও তাঁর তৈরি স্বৈরাচারী রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে উৎখাত করতে পারে না। ফলে, বুতেফ্লিকা বা বশিরেরা সরে গেলেও, ফের নতুন একনায়ক সৃষ্টি হয় এসব দেশে। স্বার্থ সিদ্ধির জন্য এসবের পেছনে সমর্থন জোগায় প্রতিবেশী শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলোও। যেমনটা সৌদি আরব বা সংযুক্ত আরব আমিরাত করছে ইয়েমেনে ও সুদানে।
অর্থাৎ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নের একটি দুষ্টচক্র এসব দেশে চলতেই থাকে। এভাবেই তৈরি হতে থাকে একনায়ক। স্বৈরাচারী শাসনে থাকা এই দেশগুলোর জনগণ তখন ‘ফাঁদে’ আটকে পড়ে। ‘বিশ্বাসে মিলায় বস্তু...’ —এই প্রবাদ সেখানে অচল। কারণ, বিশ্বাস করে কারও হাতে দেশ পরিচালনার ক্ষমতা তুলে দিয়ে স্বস্তি মেলে না তাদের।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানে নতুন চার দফা প্রস্তাব দিচ্ছেন

জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন এবং ওআইসি সেক্রেটারিয়েট যৌথভাবে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। উল্লেখ্য, আগামীকাল শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘে ভাষণ দিবেন। ২০১৭ সালে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭২তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা সংকট নিরসরনে পাঁচ দফা প্রস্তাব উত্থাপন করেছিলেন। ওআইসি ও বাংলাদেশের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত মঙ্গলবারের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী দু’বছর আগে দেয়া রাখাইন পরিস্থিতির উন্নয়নে ৫ দফা প্রস্তাবের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, সেই প্রস্তাবে কফি আনান কমিশনের সুপারিশসমূহের পরিপূর্ণ বাস্তবায়নসহ রাখাইন রাজ্যে একটি বেসামরিক নিরাপদ পর্যবেক্ষণ এলাকা প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবও ছিল। প্রধানমন্ত্রী পুনর্ব্যক্ত করেন, রোহিঙ্গা সংকট একটি রাজনৈতিক সমস্যা। এর মূল মিয়ানমারে প্রথিত। সুতরাং এ সংকটের সমাধান মিয়ানমারের ভেতরেই খুঁজে পেতে হবে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ড.মাহাথির মোহাম্মদ, ওআইসি মহাসচিব ড. ইউসেফ বিন আহমেদ আল-ওথাইমিন এবং সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড.ইব্রাহিম বিন আব্দুল আজিজ আল-আসাফও অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী এবং প্রতিনিধিরা যোগদান করেন। যার মধ্যে রয়েছে- যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, জার্মানী, বেলজিয়াম, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, সুইডেন, নেদারল্যান্ডস, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর, কুয়েত, সার্বিয়া, ফিলিপাইন এবং গাম্বিয়ার প্রতিনিধিরা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মানবিক সহায়তা এবং অন্যান্য সহযোগিতা রোহিঙ্গাদের তাৎক্ষণিক প্রয়োজনগুলো সমাধান করে। তবে, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে এর স্থায়ী সমাধান বের করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’ তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের অবশ্যই তাদের মাতৃভূমিতে ফেরত পাঠাতে হবে, যেখানে তারা শতাব্দির পর শতাব্দি বসবাস করেছিল। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি অত্যন্ত দুঃখজনক যে, রোহিঙ্গা সমস্যার কোনরকম সমাধান ছাড়াই আমরা আরো একটি বছর পার করে দিয়েছি। মিয়ানমারের উত্তর রাখাইন রাজ্যে নিপীড়িত রোহিঙ্গাদের দুর্দশা নিরবচ্ছিন্নভাবে অব্যাহত রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুযায়ী রোহিঙ্গারা নৃশংস অপরাধের শিকার হচ্ছে। টেকসই, নিরাপদ এবং স্বেচ্ছা প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করার জন্য রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের জবাবদিহিতার বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এক্ষেত্রে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের চলমান কার্যক্রম অনুসরণ করছে। আমরা বিশ্বাস করি যে, ওআইসি তাঁর জবাবদিহিতা সম্পর্কিত অ্যাডহক মন্ত্রিপরিষদ কমিটির মাধ্যমে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা পূরণেও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারে। শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ এ বছরের ৩১শে মে মক্কা আল মুকাররমায় অনুষ্ঠিত ১৪ তম ওআইসি সম্মেলনের যৌথ ঘোষণা’র প্রশংসা করে। তিনি বলেন, এতে বলা হয় গাম্বিয়ার নেতৃত্বাধীন অ্যাডহক মন্ত্রিপরিষদ কমিটি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে ওআইসি’র পক্ষে মামলা করার তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেবে। আমরা বিশ্বাস করি ওআইসি’র যৌথ ঘোষণা অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণের এটাই সময়। শেখ হাসিনা বলেন, জোরপূর্বক নির্বাসিত ১১ লাখ মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিককে আশ্রয় দিয়েছে বাংলাদেশ। মানবিক দিক বিবেচনা করে আমরা আমাদের সীমান্ত খুলে দিয়েছিলাম, যা ইসলামের নৈতিক শিক্ষা। আশ্রয় গ্রহণকারী রোহিঙ্গাদের মৌলিক প্রয়োজনগুলো মেটাতে এবং তাদের দেশে ফেরত না যাওয়া অবদি সম্ভব সকল ধরনের পদক্ষেপ অব্যাহত রাখবে বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অধিক ঘনবসতির সমস্যা সমাধান এবং মানবিক সেবার সুবিধার্থে সুরক্ষার সমস্ত বিধান রেখে রোহিঙ্গাদের জন্য আমরা ভাসানচরের উন্নয়ন করেছি। মিয়ানমারে ফিরে না যাওয়া পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের জন্য ভাসানচরে উন্নত আবাসন এবং জীবিকার সুযোগও থাকছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সেই পুলিশ কর্মকর্তা বরখাস্ত

পুলিশ সদরদপ্তর থেকে জারিকৃত এক আদেশে বলা হয়েছে, ঢাকায় কর্মরত নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক মাহমুদ সাইফুল আমিনকে বিভাগীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি’ কার্যকলাপ ও জনসম্মুখে পুলিশ বিভাগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করায় সরকারি কর্মচারি (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা মোতাবেক তাকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো। এআইজি (পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট-২) এর পক্ষে এআইজি (পিআইও-১) আনোয়ার হোসেন খান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই আদেশ দেয়া হয়। পুলিশ সদর দপ্তরের ওই চিঠিতে বলা হয়, বিভাগীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কার্যকলাপ, জনসম্মুখে পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি ব্যাপকভাবে ক্ষণ্ন করা তথা অসদাচরণের দায়ে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর বিধি ১২(১) মোতাবেক এতদ্বারা চাকরি হতে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হলো। সাময়িক বরখাস্তকালীন তিনি ডিআইজি, রংপুর রেঞ্জ, বাংলাদেশ পুলিশ, রংপুরের কার্যালয়ে সংযুক্ত থাকবেন এবং প্রচলিত বিধি মোতাবেক খোরাকি ভাতা প্রাপ্য হবেন। পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) মো. সোহেল রানা মানবজমিনকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
চট্টগ্রাম আবাহনী ক্লাবের মহাসচিব ও জাতীয় সংসদের সরকার দলীয় হুইপ জুয়ার আসর থেকে গত ৫ বছরে ১৮০ কোটি টাকা আয় করেছেন দাবি করেন সাইফ আমিন। গেল ২০শে সেপ্টেম্বর রাত ১টা ৫৭ মিনিটে পরিদর্শক সাইফ আমিন তার নিজের ফেইসবুক ওয়ালে এ সংক্রান্ত একটি স্ট্যাটাস দেন। ‘ক্লাব-জুয়া-সাংসদ এবং ওসি’ শিরোনামে দেয়া স্ট্যাটাসে পরিদর্শক সাইফ আমিন লেখেন, ‘ক্যাসিনো, ফ্লাশ, হাউজি, হাজারি, কাইট, পয়শা (চাঁন তারা) এগুলো আবহমান কাল থেকেই মহানগর ও জেলা সদরের ওসিদের বিনা ঝামেলায় মোটা টাকা পাওয়ার পথ।
মহানগরের ফ্ল্যাটকেন্দ্রিক দেহব্যবসা, ম্যাসাজ পার্লারগুলো ওসি সাহেবদের দ্বিতীয় ইনকাম জেনারেটিং এসিসট্যান্স করে, থানার ক্যাশিয়ার কালেকশন করে ওসির প্রতিনিধি হিসেবে। ক্লাবপাড়ার ওসিরা এই দুই খাত থেকেই দৈনিক ৫ লাখ টাকা করে নিলেও মাসে সেটা দেড় কোটিতে পৌঁছায়। এবার আছে থানার সিভিল টিম, সিয়েরা ডে/নাইট, লিমা ডে/নাইট, গলফ ডে/নাইট।‘ এরপর, ডিবি। ডিবি কালেকটিভ নেয় না, লিস্ট অনুযায়ী ইন্ডিভিজুয়াল কালেকশন। প্রতি মাসেই স্ব স্ব ইউনিট থেকে কর্মরত অফিসারদের তালিকা আপডেট করে হাউজগুলোতে পাঠানো হয়। বাকি থাকে মাদক, ওসিরা এখন মাদকের টাকা নেয় না। মফস্বলের ওসিরা চায় সারাবছর মেলা। মেলা মানে ধামাকা নৃত্য, জুয়া, হাউজি, ওয়ান/ টেন আর ডাব্বা খেলা। দৈনিক ওসির ৫০ হাজার, মাসান্তে ১৫ লক্ষ, তিন মাস চললে ৪৫। ব্যস! আগের পোস্টিং ফ্রি আর পরেরটা মজুত। বাকি দিনে যা পান সব বোনাস।
পরিদর্শক সাইফ আমিন এক সময় চট্টগ্রামের হালিশহর থানার সেকেন্ড অফিসার, চট্টগ্রাম মহানগর আদালতের হাজতখানার ইনচার্জসহ বিভিন্ন থানায় কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে তিনি ঢাকায় কর্মরত ছিলেন।
এদিকে, ক্যাসিনো বিরোধী অভিযান শুরুর পর চট্টগ্রামের এমপি সামশুল হক চৌধুরী এ অভিযানের সমালোচনা করে বক্তব্য দেন। এতে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় আওয়ামী লীগেই। ওদিকে স্ট্যাটাস দেয়া পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন হুইপ সামশুল হক।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শুদ্ধি অভিযান শুদ্ধ করেনি করেছে উন্মোচন by ব্যারিস্টার রুমীন ফারহানা

বাংলাদেশের বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকারকে দেখলে গোয়েবলস নিজের এই তত্ত্ব সম্পর্কে পুরোপুরি বিশ্বাসী হতে পারতেন না। অথবা তিনি বেঁধে দিতেন মিথ্যার একটা সীমা। বলাবাহুল্য সেরকম একটা সীমা থাকলেও সেটা এই সরকার অনেক আগেই ছাড়িয়ে গেছে বহুগুণে। সরকারের মিথ্যা প্রপাগান্ডা এখন আর মানুষ ‘খায় না’। অনুমান করি সরকার সেটা বোঝেও। তবুও তারা করে যায়, সম্ভবত উক্তিটির দ্বিতীয় অংশটার জন্য- বারবার বলে নিজের মিথ্যা এখন সরকারি দল নিজেই বিশ্বাস করতে চাইছে সম্ভবত।
আসা যাক সাম্প্রতিক ভয়ঙ্কর মিথ্যাটির কথায়। দুর্নীতি-অনিয়মের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করে দলের ভেতরে শুদ্ধি অভিযান চালানো হচ্ছে- প্রতিদিন সরকারি দলের বড় নেতা এবং তাদের পক্ষীয় সুশীলগণ বারবার এই কথাটি আমাদের সামনে বলে যাচ্ছেন। ভোটের আগের দিন রাতেই ব্যালট বাক্স ভরে ফেলে নির্বাচন শেষ করে ফেলার মতো ঘটনা ঘটিয়ে এই পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে বড় দুর্নীতিটি যারা করেছে তারা বলছেন তারা দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করেছেন। স্বাভাবিকভাবেই মানুষ এই কথা ‘খায়নি’। মানুষ সরকারের ঘোষিত শুদ্ধি অভিযানকে একটা তুচ্ছ আইওয়াশ এর বেশি কিছু মনে করেনি।
এই তথাকথিত শুদ্ধি অভিযান দলকে শুদ্ধ করার ইচ্ছে নিয়ে করাই হয়নি, তাই সেটা দলকে শুদ্ধ করার কোনো কারণই নেই। তবে এটা কতগুলো বাস্তবতা আমাদের সামনে নিয়ে এসেছে যেগুলো আমরা দীর্ঘদিন থেকে জানি, এখন সেটা এভাবে উন্মোচিত হলো মাত্র। আমরা জানতাম উন্নয়নের নামে কী অবিশ্বাস্য লুটপাট চলছে এই দেশে। যুবলীগের জি কে শামীম গ্রেপ্তার হয়ে সত্য উন্মোচন করলো যুবলীগের একজন সম্পাদকের ব্যাংকে টাকাই আছে ৩০০ কোটি। আছে ঢাকা শহরের বিভিন্ন জায়গায় ৭-৮টি বাড়ি, অনেকগুলো ফ্ল্যাট, ঢাকার আশেপাশে শত শত বিঘা জমি। বলাবাহুল্য এগুলো তার দেশে থাকা সম্পদ। প্রতি বছর এদেশ থেকে কমপক্ষে যে ৭৫ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়, তার মধ্যেও এই ভদ্রলোকের টাকা থাকারই কথা। মালয়েশিয়ার সেকেন্ড হোম কিংবা কানাডার বেগম পাড়ায় তার সম্পত্তি যোগ করলে কত হতে পারে সেটা? ‘এবার যুবলীগের একজন সম্পাদকের সম্পদকে পদ অনুযায়ী উপযুক্ত কোনো সংখ্যা দিয়ে গুণ করলে আপনি পেয়ে যেতে পারেন মূল সংগঠনের একজন নেতার সম্পদের পরিমাণ কী হতে পারে।’
একটা অনির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় থাকার জন্য প্রশাসনকে যাচ্ছেতাইভাবে ব্যবহার করে, তাই প্রশাসনের লুটপাটও হয়ে যায় গগনচুম্বী- এটাও আমাদের জানা ছিল। কিন্তু জনাব শামীমের ঘটনায় দেখলাম তিনি তার কাজের জন্য দুইজন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাকে ঘুষই দিয়েছেন ১৫০০ কোটি টাকা। বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাকেও মোটা অঙ্কের ঘুষ দেয়ার তথ্য পত্রিকায় এসেছে। আমাদের জানা তথ্যটা স্পষ্টভাবে উন্মোচিত হলো।
এটাও আমাদের অজানা ছিল, এই রাষ্ট্রের যেখানেই কোনো কাজ হোক না কেন সেখানেই আওয়ামী লীগ বা তার যেকোনো অঙ্গ অথবা সহযোগী সংগঠনের ‘ন্যায্য হিস্যা’ থাকে। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাধারণ সম্পাদককে বহিষ্কারের আইওয়াশ দেখালেও, আমাদের সামনে উন্মোচিত হলো তারা তাদের ‘ন্যায্য পাওনা’ চেয়েছিল মাত্র।
আমরা জানতাম বিরোধীদলকে ভয়ঙ্কর নির্যাতন করে একেবারে কোণঠাসা করে ফেলার পর খেয়োখেয়ি নিয়ে সরকারি দলের মধ্যে দ্বন্দ্ব চরমে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনায় ভিসি শোভন-রাব্বানীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ যেমন করেছেন, তেমনি ওই দু’জন দুর্নীতির অভিযোগ করেছেন উপাচার্যের বিরুদ্ধে। জাবি ছাত্রলীগকে উপাচার্য ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা ‘ঈদ বকশিস’ দিয়েছেন, এই কথা প্রমাণিত হয়েছে। উন্মোচিত হলো আমরা যা ভেবেছি তাই, লুটপাট নিয়ে এখন আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব চরমে।
চট্টগ্রামের এক পুলিশ পরিদর্শক প্রকাশ্যে জানান, চট্টগ্রামের জুয়ার কেন্দ্রগুলো হতে সরকারি দলের হুইপ থেকে পাঁচ বছরে কমপক্ষে ১৮০ কোটি টাকা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন। শুধু সেটাও না তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে আরো অনেকের অবৈধ উপার্জন সম্পর্কে ধারণা দেয় আছে। আবার ওদিকে মতিঝিল থানার ওসি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন রাজনৈতিক নেতাদের ছত্রছায়ায় ওখানকার ক্লাব পাড়ায় বহু আগে থেকেই জুয়া চলছে। ক্ষমতা কে বেশি উপভোগ করবে, লুটপাট কে বেশি করবে, সেটা নিয়ে সরকারি দল আর পুলিশসহ প্রশাসনের মধ্যে দ্বন্দ্বের কথা আমরা শুনতাম। এটা এবার উন্মোচিত হলো।
ঢাকার যাবতীয় জুয়ার নিয়ন্ত্রণ যার হাতে, যিনি প্রতি মাসে ১০ দিন টাকার বস্তা নিয়ে সিঙ্গাপুরে থাকেন জুয়া খেলার জন্য, সেই ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট গ্রেপ্তার হননি। নিজ কার্যালয়ে বহু নেতাকর্মী পরিবেষ্টিত হয়ে গ্রেপ্তার প্রক্রিয়াকে পরাজিত করার অপেক্ষায় আছেন তিনি। এই রাষ্ট্রে বসবাস করে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছেন তিনি। যেই রাষ্ট্রে বিচার বিভাগের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়ে যায়, সেখানে প্রশাসন তো কিছুই না। জনাব সম্রাটের এই ঘটনা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলো এই রাষ্ট্রে কোনো প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব আর নেই। ও হ্যাঁ, আর সব বিষয়ের মতো এটাও জানতাম আমরা।
>>>লেখক: সংসদ সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৭৫ লাখ রুপিতে বিক্রি হয়েছিল কাশ্মীর

১৮৪৬ সালের ১৬ই মার্চ একটি জাতি, একটি জনগোষ্ঠী। গরু যেভাবে বিক্রি হয় সেভাবেই বিক্রি করে দিয়েছিল ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গোলাপ সিং এর কাছে। কাশ্মীরের মোট আয়তন, যা বিক্রি হয়েছিল, তা ছিল ৮৪ হাজার ৪৭১ বর্গ মাইল।
এবং মানুষ ছিল ২৫ লাখ।
জম্মুর বাসিন্দা ছিলেন গোলাপ সিং। তরুণ বয়সে মহারাজা রঞ্জিত সিং এর দরবারে যোগ দেন। এবং শিগগিরই তিনি সেই দরবারের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হিসেবে নিজেকে উন্নীত করতে সক্ষম হয়েছিলেন। শিখ মহারাজা রঞ্জিত সিংহ ১৮৩৯ সালে মারা যান। তার দরবার ছিল লাহোরে। কিন্তু লাহোর দরবার তার মৃত্যুর পর শিগগিরই অভ্যন্তরীণ কোন্দলে জড়িয়ে পড়ে। এই অবস্থায় নিজেকে কিংডম এর রাজা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার স্বপ্ন দেখেন গুলাপ সিং। তিনি হাত মেলান ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সঙ্গে।
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি তখন ওই এলাকা নিজেদের অধীনে আনার জন্য পলাশীর আম্রকাননের মতোই নানা ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করে চলছিল। সেই সময়ে একজন গোলাপ সিং নিজকে বৃটিশ অনুগত হিসেবে প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখেন।
১৮৪১ সালের উত্তর-পশ্চিম সীমান্তে আফগানদের বিরুদ্ধে বৃটিশরা যুদ্ধ করেছিল। আর সেই যুদ্ধে বৃটিশদের পক্ষ অবলম্বন করেন তিনি। এরপর এলো তারই স্বজাতি শিখদের বিরুদ্ধে বৃটিশ যুদ্ধের দামামা। আর সেক্ষেত্রেও গুলাপকে দেখা গেল রাজাকারের ভূমিকায়।
১৮৪৫ সালের নভেম্বর মাস। বৃটিশদের মধ্যে যুদ্ধ হলো সোবরানে। পলাশীর যুদ্ধের মতোই এটা শিখদের জীবনে সোবরান যুদ্ধ হিসেবে পরিচিত। হয়তো সেকারণেই পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী গতকাল ভারতে বিজিপির দ্বারা কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা খর্ব করার বিরুদ্ধে সোচ্চার। কারণ তাদের ইতিহাসের সঙ্গে কাশ্মীরের সম্পর্ক আছে।
১৮৪৫ সালে শিখ মুক্তিযোদ্ধারা গুলাব সিংকে অনুরোধ করেছিলেন তাদেরকে আসন্ন যুদ্ধে সাহায্য করতে। কিন্তু গোলাব সিং কুটবুদ্ধির মানুষ। তিনি নানা ফন্দি-ফিকির করে তাদের সহযোগিতা থেকে বিরত থাকলেন। মীরজাফরের ভূমিকায় অবতীর্ণ হলেন।
উইলিয়াম এডওয়ার্ড লিখেছেন, গুলাব সিং সেনাবাহিনীকে অনুরোধ করেছিলেন যাতে তিনি তাদের সঙ্গে যোগ না দেয়ার আগ পর্যন্ত বৃটিশদের বিরুদ্ধে হামলা না চালায়। কিন্তু তিনি সেই যোগদান আর কখনো করেননি। নানা অজুহাতে তিনি সেটা এড়িয়ে চলেন। কারণ, তিনি জানতেন কালক্ষেপণ করলে বৃটিশরা শিখদের পরাস্ত করতে পারবে। এবং বাস্তবে তাই ঘটলো। আর সেজন্য গুলাব ব্যক্তিগতভাবে পুরস্কৃত হয়েছিলেন। তিনি তার বিশ্বাসঘাতকতার জন্য লাহোর দরবারের ক্ষমতা পেলেন আর সেটাই তাকে উত্তর ভারতে ডোগরা কিংডম প্রতিষ্ঠার সুযোগ এনে দিল।
বৃটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি শিখদেরকেই দায়ী করলো যুদ্ধ বাধানোর জন্য। আর যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ দাবি করলো দেড় কোটি রুপি।
তাদের পক্ষে সেটা দেয়া সম্ভব ছিল না। তখন লাহোরের দরবারের রাজা ছিলেন দুলীপ সিং। দুর্বল। তাই সহজেই তাকে অপসারণ করে বৃটিশরা লাহোর চুক্তির আওতায় গোলাপ সিংকে সার্বভৌম স্বাধীন সার্বভৌম নৃপতি হিসেবে ঘোষণা করা হলো। ১৮৪৬ সালের ৯ই মার্চ সই করা চুক্তির আওতায় নয়নাভিরাম কাশ্মীরের পাহাড়গুলো ছিল না। পরে তা পার্শ্বচুক্তি করে বৃটিশরা তার দখলদারিত্ব তুলে দেয়।
এর সাত দিন পরেই সেই কুখ্যাত কাশ্মীর বিক্রি চুক্তি হলো।
এ রকমের চুক্তির কথা ইতিহাসে কেউ কখনো শোনেনি যে, একটি জনগোষ্ঠীকে তার নদী-নালা খাল-বিল ক্ষেত-খামার সহ একজন মাত্র ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে দেয়া সম্ভব। এটি হয়তো পৃথিবীর ইতিহাসের একমাত্র কুখ্যাত চুক্তি যা দিয়ে একটা জাতি রাষ্ট্রকে বিক্রি করে দিয়েছিল বৃটিশ সরকার।
তার ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে বহু ধরনের অভিযোগের কথা, বহু কাহিনীর কথা বিশ্বের দেশে দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। কিন্তু কাশ্মীরি চুক্তির মতো লজ্জাজনক বিক্রি আর কেউ কখনও শোনেনি ইতিহাসে।
কিন্তু বৃটিশ সরকার তাদের অতীতের কৃতকমের্র বহু কিছুর জন্য তারা ক্ষমা প্রার্থনা করলেও এই কাশ্মীর বিষয়ে তারা নীরব। ৭৫ লাখ রুপিতে বিক্রি করে দেয়ার জন্য তারা কোনোদিন অনুশোচনা করেনি।
ডোগরা শাসনে কাশ্মীরি জনগণের উপরে বিরাট নির্যাতন ও নিপীড়নের ইতিহাস সকলের কাছে সুবিদিত। কাশ্মীরের মুসলমানরা নিষ্ঠুরতার শিকার হয়েছিল। মুসলমানদের বিরুদ্ধে অন্যায় অত্যাচার নির্যাতন ছিল ডোগরা শাসনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
এরপর এলো ১৯৪৭ সালের দেশভাগ। দেশভাগের মূলমন্ত্র ছিল হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল ভারতে যাবে। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকাগুলো পাকিস্তানে যাবে। আর সে কারণে খুব স্বাভাবিকভাবেই জম্মু-কাশ্মীরের মুসলমানরা পাকিস্তানের পক্ষ অবলম্বন করেছিলেন। কিন্তু এখানেও আবার ষড়যন্ত্রমূলকভাবে রাজা হরি সিং তখন জম্মু-কাশ্মীরের শাসক। তিনি ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু এবং লর্ড মাউন্টব্যাটেনের সঙ্গে যোগসাজশ করলেন। কাশ্মীরিরা না যেতে পারল পাকিস্তানে, না পেল আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাতারে সাদামনের এক বাংলাদেশি

গরিব ও অসহায় ছাত্রছাত্রীদের আর্থিক সহায়তা দেন। যেসব হতদরিদ্র পরিবার সন্তানদের পোশাক ও খাদ্য যোগাড় করতে পারে না তাদের তা দেয়াসহ তিনি নিম্ন আয়ের রোগীদের দেন ওষুধপত্র ও চিকিৎসা সহায়তা। এমন উদার মনের মুহাম্মদ আবদুস সাত্তারকে নিয়ে অনলাইন গালফ নিউজ একটি ফিচার প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
সাংবাদিক মুদাস্সির রাজা লিখেছেন, তিনি ৪০ বছরের ওপরে সামাজিক ও সমাজকল্যাণমূলক কাজে যুক্ত। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের কাছে তিনি একজন নম্র ও জ্ঞানী মানুষ হয়ে উঠেছেন। কাজের টানে তিনি কাতার গিয়েছিলেন। ১৯৭৮ সালে পা রাখেন রাজধানী দোহায়। সেখানে কাজ করতে করতে এখন তিনি অবসরের পথে। বিদায় নেবেন তার দ্বিতীয় বাড়ি কাতার থেকে। তবে সামাজিক কর্মকাণ্ডের ওপর একটি বই লেখার বাসনা আছে তার। কিন্তু ভারাক্রান্ত হৃদয়ে তাকে ছাড়তে হচ্ছে কাতার। তিনি বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের কথা উল্লেখ করে এ সম্পর্কে বলেন, মনে হচ্ছে ৪০ বছরেরও বেশি সময় কাতারে অবস্থান করার পর আমার বাড়ি আর পরিবারের প্রিয়জনদের ছেড়ে যাচ্ছি।
প্রথম যখন কাতার যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, তখন তিনি বাংলাদেশে একটি সরকারি চাকরি করতেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চমৎকার একটি দিনে আমার পিতা আমাকে বললেন তিনি আমার জন্য ভিসা সংগ্রহ করেছেন এবং আমাকে কাতার যেতে হবে। কাতারে আমার প্রথম কাজ ছিল মাঠপর্যায়ে সেলস ও মার্কেটিংয়ে। বিভিন্ন সংগঠনে কাজ করেছি। এখন ৪০ বছর পরে যখন কাতার ছেড়ে যেতে হচ্ছে, তখন আমার জীবনে কোনো অনুতাপ নেই। আমার একমাত্র মেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে একাউন্টিংয়ে পড়াশোনা করছে।
আবদুস সাত্তার একজন উদ্দীপ্ত ও প্রতিশ্রুতিশীল সামাজিক কর্মী। স্বদেশিদের কল্যাণে তিনি বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করা শুরু করেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, আমি দুর্বার যুব সংঘের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। এ ছাড়া আমি বাংলাদেশ এডুকেশন সোসাইটির স্পোর্টস শাখার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছি। ১৯৯৮ সালে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে যোগ দিয়েছিলাম জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশে। ৬ বছর এর প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেছি। এর প্রেসিডেন্ট পদ থেকে বিদায় নেয়ার পথে আমি। ১৯৪৮ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয় জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ। আর দোহায় তা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৪ সালে।
তিনি বলেন, যেসব সামাজিক কল্যাণমূলক কাজ করেছি তার বেশির ভাগই করতে পেরেছি জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের অংশ হওয়ার জন্য। এর কারণ হলো, এই সংগঠনে রয়েছেন বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি অভিবাসী। বাংলাদেশি অভাবী অভিবাসীদের আর্থিক ও লজিস্টিক সমর্থন দেয়া ছাড়াও আমরা নিয়মিতভাবে কাতারের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে নানা রকম অনুষ্ঠান আয়োজন করি। তাতে কাতারের বিভিন্ন অর্জন আমরা সেলিব্রেট করি। জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ থেকে আমরা যে প্রধান সেবাটি দিয়ে থাকি তা হলো, কোনো বাংলাদেশি অভিবাসী মারা গেলে তার দেহ দেশে যথাযথ স্থানে পৌঁছে দিতে আমরা আর্থিক সহায়তা দিয়ে থাকি। বাংলাদেশী অভিবাসীদের জন্য আমরা আয়োজন করে যাচ্ছি নানা রকম সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড। তাতে কাতারে অবস্থানরত বাংলাদেশি শিল্পীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়।
নিরভিমান, সাদামনের এই মানুষটি শৃঙ্খলা ও সমন্বয়ের মূল্যায়ন করেছেন, যখনই তিনি সামাজিক কল্যাণমূলক সংগঠনের হয়ে কাজ করেছেন। তিনি বলেছেন, এতটা বছর সামাজিক কাজের মাধ্যমে আমি যা কিছু শিখেছি, তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো- কিভাবে বড়দের ও সিনিয়রদের সম্মান করতে হয়, কিভাবে ছোটদের যত্ন নিতে হয়। এজন্যই সব সময় কাতারে নিযুক্ত বাংলাদেশি প্রতি জন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আমার রয়েছে আন্তরিক সম্পর্ক। কাতারে বর্তমানে বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত আশহুদ আহমেদ। তার সঙ্গে কাজ করে আমি পুলকিত বোধ করি। বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের সেবার বিষয় এলেই তিনি অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ ও সহযোগিতাপরায়ণ হয়ে ওঠেন। বিভিন্ন সংগঠনকে তিনি মূল্যবান উপদেশ দিয়ে থাকেন।
মুহম্মদ আবদুস সাত্তার বলেন, আমি শুধু বাংলাদেশি অভিবাসীদের সাহায্য করার চেষ্টা করেছি। অন্যদের করতে এটা করতে বলার চেয়ে আমি নিজে কাজ করতে ভালোবাসি। বাংলাদেশে মেয়েদের একটি স্কুলে আর্থিক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছি। সাদাসিধে এই মানুষটি কাতারের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, কাতারের মানুষকে আমি অত্যন্ত বন্ধুত্বপরায়ণ ও সহযোগিতাকারী হিসেবে দেখতে পেয়েছি। আমাকে যে দেশ এতকিছু দিয়েছে তার কাছে আমি অনেক ঋণী। কাতারের অনেক মধুর ও মনোরম স্মৃতি বুকে ধরে নিয়ে যাবো।
কাতারে বসবাসকারী বাংলাদেশিদের প্রতি তার পরামর্শ হলো, উত্তম চরিত্র দেশের জন্য সুনাম তৈরি করে। তিনি বলেন, যেহেতু আমরা কাতারে বসবাস করি, তাই আমাদের উচিত এই দেশের আইন ও বিধিবিধান মেনে চলা। বিদেশি অভিবাসী হিসেবে আমাদের উচিত স্থানীয় জনগণ ও আমাদের নিজেদের মধ্যে শক্তিশালী বন্ধন সৃষ্টি করা। বাংলাদেশি যুবাদের প্রতি সব সময়ই আমার উপদেশ- সামাজিক কল্যাণমূলক সংগঠনের কাছ থেকে আমাদের যেন কোনো কিছু প্রত্যাশা না করতে হয়। উল্টো অন্যদের সহায়তা করার জন্য এমন কল্যাণমূলক সংগঠনে সময় ও সেবা দেয়া উচিত। পাশাপাশি আর্থিক অনুদান দেয়াও উচিত আমাদের।
আবদুস সাত্তার বলেন, বাংলাদেশে ফেরত এসে তিনি অলস বসে থাকবেন না। তার ভাষায়, অবসরের জীবনটাকে আমি উপভোগ করতে চাই। সামাজিক কল্যাণ বিষয়ে একটি বই লেখার পরিকল্পনা আছে আমার। কাতারে বাংলাদেশি অভিবাসী সম্প্রদায় আমার পরিবার। এই পরিবারকে অবশ্যই আমি মিস করবো। মিস করবো আমার কাতারি বন্ধুদের। ভারাক্রান্ত হৃদয়ে কাতার ছেড়ে যেতে হচ্ছে। একটি প্রিয় দেশ ও সহযোগীদের অংশ হয়ে এটা আমার কাছে এখন খুব বেদনার।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যখন-তখন ব্যক্তিগত ঋণ by সানাউল্লাহ সাকিব
![]() |
| অলংকরণ: আরাফাত করিম |
এমন সব ব্যক্তিগত ও সাংসারিক প্রয়োজনে আপনিও নিতে পারেন ব্যক্তিগত ঋণ। দেশের সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান এমন ঋণ দিয়ে থাকে। এ জন্য আপনাকে হতে হবে চাকরিজীবী অথবা ব্যবসায়ী। আপনার নিয়মিত মাসিক আয় থাকতে হবে। সাধারণত বেতনের সর্বোচ্চ ১০ গুণ পর্যন্ত ঋণ পাওয়া যায়। আর সুদের হার হবে আপনার পেশার ওপর নির্ভর করে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো এখন গ্রাহকভেদে ১০ থেকে ১৮ শতাংশ পর্যন্ত সুদ নিচ্ছে। যেমন ব্যাংকারদের জন্য সুদহার একটু কম, সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবীর জন্য একটু বেশি। এর চেয়ে বেশি সুদ নেয় বাড়ির মালিক ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে। সঙ্গে রয়েছে ১-২ শতাংশ সেবা মাশুল। এ ঋণের মেয়াদ সর্বোচ্চ পাঁচ বছর।
প্রাইম ব্যাংকের ভোক্তা ঋণ বিভাগের প্রধান এ এস এম মাহফুজ প্রথম আলোকে বলেন, ঋণের সুদহার পেশার ওপর নির্ভর করে। তবে চাকরিজীবীরাই বেশি ব্যক্তিগত ঋণের জন্য আসেন। জরুরি প্রয়োজনে এ ঋণটি বেশ কাজে দেয়।
কী কী প্রয়োজনে আপনি ব্যক্তিগত ঋণ নিতে পারেন, তার একটা তালিকা দেওয়া যেতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে গৃহস্থালি সরঞ্জাম, টেলিভিশন, ল্যাপটপ, মুঠোফোন ও আসবাব কেনাকাটা, বাসার অভ্যন্তরীণ সাজসজ্জা, অন্য কারও ঋণ পরিশোধ, ঘোরাঘুরির খরচ মেটানোসহ ব্যক্তিগত নানা খরচ। পরিবারের অন্য কোনো সদস্যের প্রয়োজনেও আপনি এ ঋণ নিতে পারেন।
ঋণ পেতে আপনাকে যা যা করতে হবে, তা দেখে নেওয়া যাক। প্রথমে কোনো শাখায় গিয়ে খোঁজখবর নিয়ে ঋণের জন্য আবেদন করতে হবে। সব ঠিক থাকলে এক মাসের মধ্যে ঋণ অনুমোদন হয়। ব্যক্তিগত ঋণের সুদহার সময়ে সময়ে পরিবর্তন হয়। আবেদনের সঙ্গে দিতে হবে আপনার ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্র, ইলেকট্রনিক কর শনাক্তকরণ সনদ (ইটিআইএন), বেতনের সনদ, মাসিক পে স্লিপ। আর যে ব্যাংকের যে হিসাবে আপনার বেতন দেওয়া হয়, সেই হিসাবের ছয় মাসের লেনদেন বিবরণীও দিতে হবে। আপনার আবাসিক পরিচয় নিশ্চিত হতে দিতে হবে বাসার পরিষেবা বিলের কপি। ঋণের জন্য লাগবে একজন জামিনদার। তাঁরও পরিচয়পত্র, ছবি জমা দিতে হবে। এর সবই যাচাই করবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। আপনার পরিচয় নিশ্চিত হতে আবাসিক ঠিকানাতেও যাবে। তাই ঋণের আবেদনের সঙ্গে কোনো ভুল তথ্য দেওয়া যাবে না। আর ঋণের আবেদনের সময় নিশ্চিত হতে হবে সুদহার সময়ে সময়ে পরিবর্তন হবে নাকি নির্দিষ্ট। সময়ে সময়ে পরিবর্তন হলে বেড়ে যাবে কিস্তির পরিমাণ।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকগুলোতে ব্যক্তিগত ঋণের সুদহার ১৩ শতাংশের মধ্যে। বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মধ্যে ব্যাংক এশিয়ায় সুদহার ১০ থেকে ১৩ শতাংশ, ব্র্যাক ও ঢাকা ব্যাংকে ১১ থেকে ১৪ শতাংশ, ডাচ্–বাংলা ও ইউসিবিএল সাড়ে ১০ থেকে সাড়ে ১৩ শতাংশ, ইস্টার্নে ১০ থেকে সাড়ে ১১ শতাংশ, এক্সিমে ১৩ থেকে ১৬ শতাংশ, আইএফআইসিতে ১৩ থেকে ১৬ শতাংশ, মার্কেন্টাইলে ১০ থেকে ১৩ শতাংশ, মিউচুয়াল ট্রাস্টে ১১ থেকে ১৪ শতাংশ, ওয়ান ব্যাংকে ১১ থেকে ১৫ শতাংশ, প্রাইমে সাড়ে ১০ থেকে সাড়ে ১৩ শতাংশ, সিটি ব্যাংকে ১৩ শতাংশ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গুম, হত্যা আর মৃতদেহ উদ্ধারের একের পর এক ঘটনা ভীতিকর করে তুলেছে মেক্সিকোর যে শহরকে
"আপনি ভয় অনুভব করতে পারবেন"
![]() |
| মাদক গ্যাং গুলো মৃতদেহ গুম করতে এসব জায়গা ব্যবহার করে |
'মৃতের জন্য খনন'
যুদ্ধের শহর
![]() |
| আট বছর ধরে সন্তানকে খুঁজছেন এই মা |
কেউ দেখছেনা
![]() |
| কোনো বাড়িতে মৃতদেহ পেলে এভাবে বন্ধ করে দেয় পুলিশ |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঝুঁকিপূর্ণ কাজে ৬০ ভাগ শিশুশ্রমিক হাতে আঘাত পায় by সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক মুহাম্মদ মাইনউদ্দিন মোল্লার এক গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে। ঢাকা শহরে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত শিশুশ্রমিকদের কর্ম ও জীবন সম্পর্কিত তথ্যাদি অনুসন্ধান করতে গিয়ে এ গবেষণায় তিনি এসব তথ্য পেয়েছেন। ঢাকা শহরকেন্দ্রিক এ সামাজিক জরিপে দেখা গেছে ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করতে গিয়ে ৫২.২৬ শতাংশ পায়ে আঘাত পেয়ে বা ভেঙে গেছে। ৩২.৪৬ শতাংশ চোখে আঘাত লাগে। ৩১.৫৮ শতাংশ মাথায় আঘাত পায়। অপর দিকে ২২.৮১ শতাংশ ঘাড়ে আঘাত পেয়েছে। ২০.১৮ শতাংশ আগুনে পুরো শরীর বা শরীরের অংশবিশেষ পুড়েছে এবং ১৪.০৪ শতাংশ বুকে আঘাত পেয়েছে।
গবেষণায় দেখা গেছে ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত শিশুশ্রমিকদের গড় বয়স ১৪.০৭ বছর। এসব ঝঁকিপূর্ণ কাজগুলো হচ্ছে ওয়েল্ডিং, ট্যানারি, পরিবহন (মিনিবাস ও টেম্পো হেলপার) ও বিভিন্ন ক্ষতিকর রাসায়নিক ফ্যাক্টরির কাজ।
অধ্যাপক মোল্লার গবেষণায় দেখা গেছে সর্বাধিক সংখ্যক (৪৪.১৭ শতাংশ) শিশুশ্রমিকের বয়স ১৪-১৬ বছরের মধ্যে। সবচেয়ে কমসংখ্যক (৫ শতাংশ) শিশুশ্রমিকের বয়স ৮-১০ বছরের মধ্যে। অপর দিকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত শিশুশ্রমিকদের মধ্যে বেশির ভাগই (৭১.৬৭ শতাংশ) গ্রাম বা অন্য শহর থেকে ঢাকায় এসেছে। আরো দেখা গেছে দুর্ঘটনা বা অসুস্থতার শিকার শিশুশ্রমিকদের মধ্যে ৮৭.৭২ শতাংশ চিকিৎসার সুযোগ গ্রহণ করলেও ১২.২৮ শতাংশ কোনো ধরনের চিকিৎসা গ্রহণ করেনি।
দেশের মধ্যে শিশুশ্রমের এমন পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস পালিত হয়েছে। শিশু অধিকার সুরক্ষা ও ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম নিরসনের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক শিশুশ্রম সংস্থা (আইএলও) ২০০২ সাল থেকে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতি বছর দিবসটি পালন করে আসছে। এবারের স্লোগান হচ্ছে ‘চিলড্রেন শুড নট ওয়ার্ক ইন ফিল্ড, বাপ অন ড্রিমস।’
আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা আইএলওর সর্বশেষ পরিসংখ্যানে দেখা যায় সারা বিশ্বে প্রায় ১৬ কোটি ৮০ লাখ শিশুশ্রম বিক্রি করে দিনাতিপাত করছে। এদের মধ্যে প্রায় সাড়ে ৮ কোটি শিশু নানা ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমে নিজেদের নিয়োজিত রেখেছে। বাংলাদেশে ‘জাতীয় শিশুশ্রম জরিপ-২০১৩’ এর জরিপে দেখা গেছে প্রায় ৩৪ লাখ ৫০ হাজার শিশু কোনো না কোনো শ্রমে নিয়োজিত। এদের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত শিশুর সংখ্যা ধারণা করা হচ্ছে ১২ লাখ ৮০ হাজার। শিশুশ্রম নিরসনে সরকার ৩৮টি ঝুঁকিপূর্ণ শ্রম নির্ধারণ করে ২০২১ সালের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম বন্ধের অঙ্গীকার করেছে।
দেশে শিশুশ্রমিকের সংখ্যা নিয়ে মতভেদ রয়েছে। ২০১১ সালে সরকারি এক জরিপে দেখা যায়, বাংলাদেশে শিশুশ্রমিকের সংখ্যা প্রায় ৭৯ লাখ। অপর দিকে জাতীয় শিশুশ্রম জরিপ ২০১৩-এ দেশে প্রায় ৩৪ লাখ ৫০ হাজার শিশু বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে শ্রমে নিয়োজিত।
২০১৩ সালের শ্রমজরিপে দেখা যায় ৫ থেকে ১৭ বছর বয়সের কর্মজীবী শিশুর সংখ্যা প্রায় ৭৫ লাখ। বিবিএসের প্রকাশিত জাতীয় শিশুশ্রম জরিপ ২০১৫ সালের হিসাব অনুযায়ী, শিশুশ্রমের সাথে জড়িত ১৭ লাখ শিশু। এর মধ্যে ১২ লাখ শিশু ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করছে।
![]() |
| ঝুঁকিপূর্ণ কাজে ৬০ ভাগ শিশুশ্রমিক হাতে আঘাত পায় |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
একজন নারীর এগিয়ে যাওয়ার গল্প by নিপা আহমেদ

হাবস কেয়ার প্রসঙ্গে শায়লা বলেন, আমার ছোটবেলা থেকেই চুলের গ্রোথ ভালো ছিল না। নানা ধরনের বিড়ম্বনার স্বীকারও হয়েছি। বড় হওয়ার সাথে সাথে সচেতনতাও বাড়ল। কেমিক্যালের মিশ্রিত পণ্য ব্যবহারে অনিচ্ছা থেকেই খোঁজ পাই হেকিম ড. ইবনে আখতারের। এটা ২০১৩ সালের কথা। আয়ুর্বেদ ও বোটানিক্যাল বিশেষজ্ঞ ড. ইবনে আখতারের ফর্মুলার মাধ্যমে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপাদান সংগ্রহ করে পণ্য বানানো শুরু করি। প্রতিটি কাঁচামাল আমি নিজে সংগ্রহ করি। বর্তমানে বিক্রীত পণ্যের মধ্যে রয়েছে হেয়ার কেয়ার অয়েল, হেনা ট্রিটমেন্ট, প্রোটিন ট্রিটমেন্ট, ক্লেনজার অ্যান্ড সাইনার, রোজি গ্লোসি, তুলসী সফট রিমোভার, সুথিং নিম, সান ট্যান প্রটেক্টর। হাবস কেয়ারের এই প্রোডাক্টগুলো নারীদের কাছে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে, যা আমাকে আমার উদ্যোকে এগিয়ে নিয়ে যেতে উদ্দীপ্ত করে।
হাবস কেয়ার বিডি মূলত অনলাইন বিজনেস। বিভিন্ন মেলায় নিজের প্রডাক্টের স্টল দেন তিনি। এতে ক্রেতার সংখ্যাও বাড়ছে দিন দিন। দেশের বাইরেও এর চাহিদা প্রচুর। শায়লার কাছে এটি কোনো পণ্য নয়, নারীর এগিয়ে যাওয়ার গল্প। তার এই স্বপ্ন বুকে ধারণ করে এগিয়ে চলেছে তার প্রতিষ্ঠান।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশের বিলিয়ন ডলার রফতানি, কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ ভারতের শিল্প মহলে by শুভজ্যোতি ঘোষ
![]() |
| বিপুল রফতানি বৃদ্ধির পেছনে কৃতিত্ব মূলত বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতেরই |
![]() |
| দক্ষিণ ভারতের তিরুপুরে ভারতের একটি গার্মেন্ট কারখানা |
![]() |
| ভারতে বাংলাদেশ থেকে রফতানির পরিসংখ্যান |
![]() |
| বাংলাদেশে তৈরি জিনস ভারতের বাজার ছেয়ে ফেলছে বলে ভারতীয় শিল্প মালিকদের বক্তব্য |
![]() |
| ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল |
![]() |
| অর্থনীতিবিদ ড: প্রবীর দে |
![]() |
| অরবিন্দ মিলসের কর্ণধার সঞ্জয় লালভাই, যিনি বাংলাদেশে কারখানা চালু করেছেন |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডোমেইন বাণিজ্যে চরম নৈরাজ্য: কোটি কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার by মোহাম্মদ ওমর ফারুক

একটি ওয়েবসাইট এর সকল ফাইল একটি সার্ভার (কম্পিউটার) এ থাকে। প্রত্যেক সার্ভার এর একটি নির্দিষ্ট IP Address (Internet Protocol Address) থাকে।
যার মাধ্যমে ঐ সার্ভারকে ইন্টারনেট এ খুঁজে পাওয়া যায়। যেমন একটি ওয়েবসাইট এর সার্ভার এর IP Address হতে পারে: ১৯২.১৬৮.০.১ কিন্তু এভাবে তো আর সব ওয়েবসাইট এর IP Address মনে রাখা সম্ভব না। এই সমস্যা দূর করে দেয় Domain।
কোনো ওয়েবসাইট যে জায়গা জুড়ে থাকবে সেটাই ওই সাইটের হোস্টিং। দেখা যায়, যেকোনো ওয়েবসাইট কিছু টেক্সট এবং মাল্টিমিডিয়া (Picture / Video) দিয়ে তৈরি হয়ে থাকে। এইগুলো যে জায়গা বা BIT দখল করে তাকে ওই সাইটের হোস্টিং বলে।
দেশের স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ সরকারি-বেসরকারি সব ওয়েবসাইটেরই রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন ডোমেইন ও হোস্টিং সার্ভিস প্রদানকারী কোম্পানি। এসব কোম্পানি নিয়মিত বিশ্ববাজার থেকে ডোমেইনগুলো কিনে গ্রাহকের কাছে বিক্রি করে থাকে। বিশ্ববাজারে বর্তমানে ১৫০০ এর অধিক ডোমেইন টিএলডি পাওয়া যায়, এর মধ্যে বাংলাদেশে সবচেয়ে জনপ্রিয় কয়েকটি টিএলডি হচ্ছে: .COM, .NET, .INFO, .ORG, .ME, .BIZ, .TV, .CO ইত্যাদি। এক একটি টিএলডি এর দাম এক এক রকম। যেমন ডট কম ৮-২০ ডলার, ডট নেট ৯-২৫ ডলার, ডট ইনফো ১৩-৩০ ডলার, ডট অর্গ ১২-৩০ ডলার, ডট বিজ ১৩-৩০ ডলার, ডট মি ২৪-৫০ ডলার, ডট টিভি ৩২-৬০ ডলার। প্রতিটি ডোমেইন ক্রয় করার সময় যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে হয়, প্রায় সমপরিমাণ অর্থ খরচ করে প্রতি বছর ডোমেইন রিনিউও করতে হয়।
হোস্টিং ট্রিবিউলনাল নামে একটি ওয়েবসাইটের ব্লগের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বাংলাদেশে প্রায় ষাট লাখেরও বেশি ডোমেইন কেনা হয়েছে, যার মধ্যে ৩০ লাখেরও অধিক ডোমেইন সচল আছে বা রিনিউ হয়। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৩ কোটি ৬১ লাখ ডলার যা বাংলাদেশি অর্থে ৩০৬ কোটি টাকা। এই সম পরিমাণ অর্থ প্রতিবছর লেনদেন করছে দেশের ডোমেইন ও হোস্টিং সেবা প্রদানকারী কোম্পানিগুলো। শুধু তাই নয়, কোম্পানিগুলো ডোমেইন পার্কিং করেও পরে চড়া দামে ক্রেতাদের কাছে এসব ডোমেইন বা ওয়েব ঠিকানা বিক্রি করছে। তবে আইটি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডোমেইন পার্কিং করতে আইনগত কোনো বাধা নেই। তবে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ডোমেইন ও ওয়েব হোস্টিং এর বিক্রি দিন দিন বাড়লেও ডোমেইন বা হোস্টিং বেচাকেনার কোনো রাজস্ব পাচ্ছে না সরকার। শুধু তাই নয়, ডোমেইন বেচাকেনার কোনো অর্থই সরকার পায় না। ডোমেইন ও হোস্টিং সেবা প্রদানকারী দেশীয় কোম্পানিগুলো বিদেশি কোম্পানি থেকে রিসেলার হয়ে ডোমেইন ও ওয়েব হোস্টিং প্রদান করে তারা মাস্টারকার্ড বা ভিসা কার্ডের পাশাপাশি পেপাল/পেওয়নিয়ার বা অন্য কোনো অবৈধ মানি ট্রান্সফারিং এর মাধ্যমে বিদেশি কোম্পানিগুলোকে তাদের টাকা পরিশোধ করে থাকে, এসব টাকার কোনো হিসাবও নেই কারো কাছে।
বাংলাদেশ ডোমেইন হোস্টিং প্রোভাইডারস অ্যাসোসিয়েশন বলছে, শুধুমাত্র তাদের সদস্য কোম্পানির কাছে দেশের ১ লাখ চল্লিশ হাজার ডোমেইন সচল আছে। এই ডোমেইনগুলোর গ্রাহকগণ গড়ে প্রতিবছর বিশ থেকে ত্রিশ ভাগ ডোমেইন নবায়ন করেন, তবে অন্য কোম্পানির সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শতকরা ৭০-৮০ ভাগ ডোমেইন রিনিউ বা নবায়ন হয় এবং সমপরিমাণ নতুন ডোমেইনও কেনা হয়। সংগঠনটির নিবন্ধন না থাকলেও, বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৭০টিরও বেশি ডোমেইন-হোস্টিং সেবা প্রদানকারী কোম্পানি। এই কোম্পানিগুলোর সবাই ডোমেইন কেনাবেচা ও ওয়েব হোস্টিং সার্ভিস দিয়ে থাকে। সংগঠনটির তথ্যমতে, ডোমেইন কেনাবেচা বেশির ভাগই করে থাকেন ফ্রিল্যান্সাররা।
যেকোনো ডোমেইন নেমের শুরু ww w দিয়ে, এবং .com .net .info ইত্যাদি হচ্ছে এক্সটেনশন বা টিএলডি। প্রত্যেকটি টিএলডি বা এক্সটেনশন এর নিজস্ব মানে রয়েছে যেমন com-কমার্শিয়াল, edu-এডুকেশন, net-নেটওয়ার্কিং ইত্যাদিসহ বর্তমানে ১৫০০টিরও বেশি ডোমেইন এক্সটেনশন রয়েছে সারা বিশ্বে। বাংলাদেশেরও নিজস্ব এক্সটেনশন রয়েছে। ডট .bd, এটি শুধু বাংলাদেশের এক্সটেনশন হিসেবে সারা বিশ্বে ব্যবহার হয়। বিশ্বে ডোমেইন নেম নিয়ন্ত্রণের জন্য আলাদা একটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর নাম ICANN (ইন্টারনেট করপোরেশন ফর অ্যাসাইনড নেমস অ্যান্ড নামবারস)।
বাংলাদেশে যেসব প্রতিষ্ঠান হোস্টিং ব্যবসা করে তারা বেশির ভাগই তৃতীয় পক্ষ। জানা যায়, এ প্রতিষ্ঠানগুলো ক্রেতাদের বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে তাদের কাছে চড়া দামে ডোমেইন-হোস্টিং বিক্রি করে থাকে। বেশি দামে ডোমেইন ও ওয়েব হোস্টিং বিক্রি করলেও গ্রাহকরা ভালো মানের সেবা পায় না এসব কোম্পানি থেকে। দেশীয় প্রভাইডার এর ওয়েবসাইটে ২৪/৭ ঘণ্টা সাপোর্ট এর কথা বলা থাকলেও হাতেগোনা কয়েকটি কোম্পানি ছাড়া কেউই তা কখনই প্রদান করে না। এ কোম্পানিগুলো সার্ভিস হোল্ডারদের/ক্রেতার সরলতার সুযোগ নিয়ে নানানভাবে প্রতারিত করে আসছে। ফলে যেসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ক্রেতারা ডোমেইন ক্রয় করে, সেসব প্রতিষ্ঠানের ক্রেতাদের সার্ভিস দেয়ার কথা থাকলেও এসব সার্ভিস দিতে নানান সময় তালবাহানা করে প্রতিষ্ঠানগুলো।
শুধু তাই নয়, কিছু কিছু কোম্পানি থেকে ডোমেইন কিনতে চাইলে ওই কোম্পানি ডোমেইনটি কিনে তাদের নিজস্ব নামে। ফলে, মূল ক্রেতার কোনো কর্তৃত্ব থাকে না তারই নিজের ক্রয়কৃত ডোমেইনে। যার কারণে মূল ক্রেতারা এসব কোম্পানির কাছে প্রায় জিম্মি থাকে। যার ফলে ক্রেতাদের অজ্ঞতাসহ নানান কারণে বছরে অনেক পরিমাণ ডোমেইন বাতিল হয়ে যায়। শুধু তাই নয় দেশীয় বেশকিছু প্রতিষ্ঠান আছে যারা ডোমেইন কেনার সময় মিথ্যা তথ্য দিয়ে ডোমেইন কিনে থাকে। এমনটা শুধু মাত্র ক্রেতা পক্ষ না জানার কারণে হয়ে থাকে। ফলে ভোক্তভোগী ক্রেতাই হয়।
ওয়েবসাইট ও ডোমেইন হোস্টিং জরিপ প্রতিষ্ঠান ওয়েবহোস্টিংয়ের তথ্যমতে, বাংলাদেশে ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ ওয়েবসাইট চালু হওয়ার পর ডোমেইন নবায়ন করা হয়নি। ফলে প্রতি বছরেই বিভিন্ন ওয়েবসাইট বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়াও ডোমেইন ও হোস্টিংবিষয়ক খুঁটিনাটি অনেক তথ্য-উপাত্ত না জানায় অনেক ওয়েবসাইট বন্ধ হচ্ছে। ওয়েবসাইট বন্ধ হয়ে যাওয়ার পেছনে কারণ হিসেবে আরো জানা যায়, সঠিক বা রেজিস্ট্রার্ড কোম্পানি থেকে ডোমেইন না কেনা। বেশির ভাগ ডোমেইন নবায়ন না হওয়ার পেছনে একটি উল্লেখ কারণ হচ্ছে গ্রাহক ডোমেইন নেম রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে সঠিক কোম্পানি সিলেকশন করতে পারে না। অনেক সময় ক্রেতারা ডোমেইন নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে না নেয়ায় ওই কোম্পানি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরই নিজের ডোমেইন, ওয়েবসাইটটি বন্ধ হয়ে যায়। প্রতিষ্ঠান বা কোনো কোম্পানি থেকে ডোমেইন-হোস্টিং না কিনে পার্সোনাল/একক প্রভাইডার কারও কাছ থেকে ডোমেইন-হোস্টিং কিনলে এ ধরনের সমস্যা বেশি হতে পারে। তাছাড়া ডোমেইন কেনার বছরের পর দ্বিতীয় বছর ফি ইচ্ছেমতো বাড়িয়ে দেয় ডোমেইন রিসেলাররা, এই বাড়তি টাকা না দেয়ায় ডোমেইন বন্ধ হয়ে যায়। অনেকে গ্রাহকই বর্তমানে এ ধরনের সমস্যার শিকার হচ্ছেন। প্রথম বছর কম টাকা দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করলেও পরের বছর দ্বিগুণ বা তিনগুণ চার্জ দাবি করা হয় গ্রাহককে। ফলে ভোক্তা আর নবায়নে আগ্রহী হয় না। আর এসবের পুরোটাই পরামর্শ দিয়ে থাকে বাংলাদেশি স্থানীয় ডোমেইন হোস্টিং সেবা বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানগুলো। অনেক ক্ষেত্রে ওয়েবসাইট কোম্পানি ও সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের কাজ পরবর্তী লেনদেন ঠিকমতো না হওয়ার ফলেও অনেক ওয়েবসাইট বন্ধ হয়ে যায়।
প্রতারণার শিকার দর্পণ বিডি নামের একটি ওয়েবের মালিক মো. রুবেল হোসেন বলেন, আমি একজন ফ্রিল্যান্সারের কাছ থেকে হোস্টিং সেবা নিয়েছিলাম। ওই ব্যক্তি যখন ডোমেইনটা কিনেছিল নেইম শেপের কাছ থেকে, তখন সে তার ব্যক্তিগত ইমেল এবং আরো অন্য বিষয়গুলো তার নামে করেছিল। ফলে ওই ডোমেইনটার কোনো কর্তৃত্ব আমার কাছে ছিল না। যার কারণে আমি তার কাছে জিম্মি ছিলাম। শুধু তাই নয় সি-প্যানেল পাসওয়ার্ডও আমার কাছে ছিল না। ফলে প্রতিনিয়ত তার কাছে আমার যেতে হতো। আমার কাছ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কথা বলে প্রচুর টাকা নিয়েছে। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি।
বাংলাদেশ ডোমেইন হোস্টিং প্রোভাইডারস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন ভূঁইয়া বলেন, সরকার এই সম্ভাবনাময় ডোমেইন-হোস্টিংকে আলাদা খাত হিসেবে এখনো ঘোষণা করেনি। এই জায়গাটি অনেক ছোট তবে সম্ভাবনা অনেক। মানুষ এখনো সচেতন হয়নি, আমরা ইতিমধ্যে এসব বিষয় নিয়ে বেসিস এর সঙ্গে কথা বলেছি কিভাবে এটাকে কি করা যায় সেসব বিষয়ে। সার্ভিস হোল্ডারদের সঙ্গে প্রতারণার ব্যাপারে তিনি সার্ভিস হোল্ডারদেরই দোষারূপ করেন। তিনি বলেন, যারা সার্ভিস নেয় তারা অনেক সময় সচেতন না। কোনোরকম একটি ওয়েব খুলতে পারলেই হলো। এর পর নিজে আর দয়িত্ব নিতে চান না। যার কারণে এই ধরনের সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়। আর এসব প্রতারণা করছে ছোট ছোট প্রতিষ্ঠান। ভালো এবং বড় প্রতিষ্ঠান এই ধরনের প্রতারণা করবে না।
বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস বেসিস এর সভাপতি আলমাস কবির বলেন, ইন্টারন্যাশাল ডোমেইন কেনার ওপর কোনো ধরনের ভ্যাট টেক্স দেয়ার কোনো নিয়ম নেই সেটা যে কেউ কিনতে পারে। তবে কেউ যদি ডোমেইন কিনে কারো কাছে বিক্রি করে এবং সার্ভিস প্রদান করে সেক্ষেত্রে পাঁচ শতাংশ ভ্যাট দিতে হবে। তবে ইন্টারন্যাশনাল বাজার ডোমেইন কেনাবেচা করার জন্য বেসিস মেম্বারদের একটি কার্ড দেয়া আছে। যেখানে কার্ড হোল্ডার প্রতিবছর ত্রিশ হাজার ডলার পর্যন্ত খরচ করতে পারে, এই নিয়ে আমাদের ব্র্যাক ব্যাংক, ইবিএল এর সঙ্গে চুক্তি আছে। বেসিস মেম্বারদের বাইরে যারা কেনাবেচা করে তারা কিভাবে করে এই বিষয় তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে প্রতারণার ব্যাপারে তিনি বলেন, এই ধরনের অভিযোগ থাকলে অবশ্যই আমরা ব্যবস্থা নেব।
ই-কর্মাস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট শমি কায়সার বলেন, ডোমেইন ক্রয় বিক্রয় বা হোস্টিং সার্ভিস বিষয়টি এখনো আলাদা খাত হিসেবে দাঁড়ায়নি। তবে এই জায়গাটি বিশাল একটি খাত হতে পারে। কারণ যে পরিমাণ দেশ দিনে দিনে ডিজিটাল হচ্ছে, সেই প্রেক্ষাপটে ওয়েব সাইটের ব্যবহার বাড়ছে। তবে তারা রাজস্ব দিচ্ছে কিনা এই নিয়ে আমার কাছে কোনো ডাটা নেই। প্রতারণার ব্যাপারে তিনি বলেন, এটা খুবই দুঃখজনক। এই সেক্টরটি নতুন দাঁড়াচ্ছে, সে সুবাধে সরকারও তাদেরকে অনেক সুবিধা দিয়ে আসছে। এই জায়গায় যদি এরকম কিছু করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আব্বা আমাদের ছয় ভাইবোনকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বাসায় ফেরার কথা বলতেন : ববিতা

সেখান থেকেই কিন্তু অভিনয়ে আমার অনুপ্রেরণা আসা। পরে যখন আমি সিনেমার নায়িকা হিসেবে কাজ শুরু করি, তখনো আব্বা আমাকে অনেক অনুপ্রেরণা দিতেন। সত্যজিৎ রায়ের ‘অশনি সংকেত’ সিনেমায় অভিনয়ের আগে আব্বাই সত্যজিৎ রায়ের সাথে চিঠি আদান-প্রদান করতেন ইংরেজিতে। শুটিংয়ের সময় সত্যজিৎ রায়ের সাথে আব্বার চমৎকার সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। আমার ইংরেজি শেখার খুব শখ ছিল বিধায় আব্বা আমাকে ছোটবেলায় একটি ডিকশনারি কিনে দিয়েছিলেন। আমি তখন প্রথম শ্রেণীতে পড়ি। বাগেরহাটে থাকি সবাই। সবাই আমাকে রেখে মামার বাড়ি যাবে বেড়াতে। আমি বুদ্ধি করলাম কিভাবে আব্বাকে রাজি করানো যায়। আব্বা সন্ধ্যা নাগাদ বাসায় ফেরার সময় আমিই হারিকেন নিয়ে আব্বাকে এগিয়ে আনতে গেলাম। আমাকে দেখে আব্বা ভীষণ খুশি, কারণ তখন বিদ্যুৎ ছিল না। অন্ধকারে আব্বাকে এগিয়ে আনতে গিয়েছিলাম। আব্বা তখন খুশি হয়ে বললেন, কী চাও মা? আমি বললাম, আমাকেও সাথে করে মামার বাড়িতে বেড়াতে নিয়ে যেতে হবে। আব্বা রাজি হলেন। আমার পপি নামটি আব্বা এবং মা ডা: বেগম জাহানারা উভয়ে মিলেই রেখেছিলেন। আব্বা আমার জীবনের আদর্শ। তাই আমার ইচ্ছে, আমার মৃত্যুর পর যেন বনানী কবরস্থানে আব্বার কবরেই যেন দাফন করা হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কুমারের শিল্প by হাসান মাহমুদ
![]() |
| মাটি দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে বিশাল হাঁড়ি |
![]() |
| হাঁড়িতে চলছে কারুকাজ |
![]() |
| রোদে শুকানোর পর আগুনে পোড়াতে নেওয়া হচ্ছে |
![]() |
| আগুনে পোড়ানোর জন্য প্রস্তুত কাঁচা মাটির হাঁড়ি |
![]() |
| প্রস্তুত মাটির হাঁড়ি |
![]() |
| বিক্রয়ের জন্য নৌপথে নেওয়ার প্রস্তুতি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
September
(820)
-
▼
Sep 26
(22)
- এপস্টেইন যেভাবে ধর্ষণ করে আমাকে
- পৃথিবীর চেয়ে বাসযোগ্য গ্রহ
- রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে স্থায়ী হলে কি ঘটবে? by জোশুয়া...
- যে কারণে সরে যেতে হলো আলজেরিয়া ও সুদানের দুই স্বৈর...
- রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানে নতুন চার দফা প্রস্তাব দিচ্ছেন
- সেই পুলিশ কর্মকর্তা বরখাস্ত
- শুদ্ধি অভিযান শুদ্ধ করেনি করেছে উন্মোচন by ব্যারিস...
- ৭৫ লাখ রুপিতে বিক্রি হয়েছিল কাশ্মীর
- কাতারে সাদামনের এক বাংলাদেশি
- যখন-তখন ব্যক্তিগত ঋণ by সানাউল্লাহ সাকিব
- গুম, হত্যা আর মৃতদেহ উদ্ধারের একের পর এক ঘটনা ভীতি...
- ঝুঁকিপূর্ণ কাজে ৬০ ভাগ শিশুশ্রমিক হাতে আঘাত পায় by...
- একজন নারীর এগিয়ে যাওয়ার গল্প by নিপা আহমেদ
- বাংলাদেশের বিলিয়ন ডলার রফতানি, কপালে দুশ্চিন্তার ...
- ডোমেইন বাণিজ্যে চরম নৈরাজ্য: কোটি কোটি টাকা রাজস্ব...
- আব্বা আমাদের ছয় ভাইবোনকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বাসায় ...
- কুমারের শিল্প by হাসান মাহমুদ
- মুখ খুললেন সুরভিন
- সন্তানের জন্য মায়ের আইনি লড়াই by রাশিম মোল্লা
- চমকের রাতে এমিতে সেরা ‘গেম অব থ্রোনস’ ও ‘ফ্লিব্যাগ...
- স্থবির সংগীতাঙ্গন: হতাশ সংশ্লিষ্টরা by ফয়সাল রাব্ব...
- নায়িকা থেকে গায়িকা আলিয়া
-
▼
Sep 26
(22)
-
▼
September
(820)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...




















