Sunday, January 19, 2014
কুষ্টিয়ায় শতাধিক চাতাল বন্ধ ক্ষতি ২০০ কোটি টাকা
খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, টানা অবরোধের মধ্যে ব্যবসায়ীদের অর্ডার পেয়েও চাল সরবারহ করতে পারেননি চাতাল মালিকরা। বাইরে থেকে ধান কিনেও আনতে পারেননি তারা। অবরোধের মধ্যে রাজশাহী থেকে ধান আনতে গিয়ে অবরোধকারীদের দেওয়া আগুনে পুড়ে গেছে কুষ্টিয়াসহ দেশের অন্যতম বৃহৎ চাল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রশিদ অ্যাগ্রো ফুডের ধানবোঝাই ৪টি ট্রাক। এতেই তার প্রায় এক কোটি টাকা লোকসান গুনতে হয়েছে। স্বর্ণ অটো রাইস মিলের একটি ট্রাক পুড়িয়ে দেয় অবরোধকারীরা। এর পর ভয়ে অর্ডার পেয়েও অনেকে চাল সরবরাহ করেননি। দাদা রাইস মিলের মালিক জানান, গত দুই মাসে এখানকার ব্যসায়ীদের প্রতিদিন কয়েক কোটি টাকা লোকসান হয়েছে। একই রকম কথা বলেন, ভাই ভাই, বিসমিল্লাহ ও থ্রি-স্টার রাইস মিলের মালিক। রশিদ অ্যাগ্রো ফুডের ম্যানেজার আবদুর রহমান বলেন, রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে তাদের ব্যবসা ভেঙে পড়েছে। কোটি কোটি টাকা লোকসান হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা ব্যবসার জন্য ভালো পরিবেশ চাই। হরতাল-অবরোধের কারণে চালের দাম কিছুটা বেড়েছে। কুষ্টিয়া জেলা চালকল মালিক সমিতির সভাপতি আবদুল মজিদ বাবুল বলেন, চাতাল মালিকরা দেউলিয়া হওয়ার পথে। তিনি বলেন, সরকারের কাছে আমাদের দাবি, ব্যাংকের সুদ যেন মওকুফ করা হয়। ব্যাংক সুদ মওকুফ করা না হলে অনেকের প্রতিষ্ঠান বিক্রি করে দেনা শোধ করতে হবে। এ ছাড়া হরতাল ও অবরোধের মতো কর্মসূচিও আমরা চাই না।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাজের জবাবদিহি কোথায়?
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে নজর দিন
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মিত্র দেশের নেতাদের ফোনে আড়িপাতা হবে না :ওবামা
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাকিস্তানে বোমা হামলায় ২০ সেনা নিহত
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এলাকার উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করবেন চট্টগ্রামের চার মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী
তবে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেননি প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর। দেখা যায়নি মন্ত্রিপরিষদ থেকে বাদ পড়া সাবেক বন ও পরিবেশমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এবং সাবেক প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ডা. আফছারুল আমীনসহ চট্টগ্রামের কয়েক সাংসদকেও। চট্টগ্রাম থেকে দায়িত্ব পাওয়া মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা অনুষ্ঠানে চট্টগ্রামের উন্নয়নে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার বিষয়ে দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।সংবর্ধনা সভায় বিএনপি চেয়ারপাসন বেগম খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ করে ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বলেন, 'আপনি স্বপ্ন দেখছেন_ আবার সংলাপ হবে, আবার নির্বাচন হবে। কিন্তু সেই স্বপ্ন ভুলে যান। আমরা পাঁচ বছরের জন্য ক্ষমতায় এসেছি। এর পর কীভাবে নির্বাচন হবে সে বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। খালেদা জিয়া নির্বাচনে অংশ না নিয়ে একুল-ওকুল দু'কুলই হারিয়েছেন বলে মন্তব্য করেন এবং কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণসহ চট্টগ্রামের উন্নয়নে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিয়ে মাসের এক সপ্তাহ প্রয়োজনে চট্টগ্রামে অফিস করবেন বলেও এ মন্ত্রী ঘোষণা দেন।
নগর আওয়ামী লীগ সভাপতি এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংবর্ধনা সভায় সংবর্ধিত মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ছাড়াও বক্তব্য রাখেন জাসদের কার্যকরী সভাপতি মইনউদ্দীন খান বাদল এমপি, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য জিয়াউদ্দিন বাবলু এমপি, সাবেক গণপরিষদ সদস্য ইসহাক মিয়া, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমদ, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি নুরুল আলম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক এমএ ছালাম, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির এবং সাংসদ দিদারুল আলম, মাহফুজুর রহমান মিতা, আবু রেজা মো. নদভী, আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আমিনুল ইসলাম আমিন প্রমুখ।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জিয়াউর রহমানের ৭৮তম জন্মবার্ষিকী আজ
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এখনই এসো, কাল যদি ভালো না থাকি by মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
ভাইপো অভিষেককে ডেকে নিয়ে পাঁচ মিনিটের মধ্যে বেরিয়ে পড়লাম। মনে অদ্ভুত এক অনুভূতি কাজ করছিল। এর আগে কোনো দিন তাকে সামনে থেকে দেখিনি। পরিচয় যা, সেটা পর্দায় দেখে। এবং যে কোনো বাঙালির মতোই উত্তম-সুচিত্রা জুটি সম্পর্কে চিরাচরিত আবেগের আমিও শরিক। সেই সুচিত্রার সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছি! সুচিত্রা সেন, আমাদের বিশ্বজয়ী দেবকন্যা!
ঠিক দু'দিন আগেই জানতে পারি, মহানায়িকা বেলভিউতে সুব্রত মৈত্রের চিকিৎসাধীন। সে দিনই নার্সিং হোমে খোঁজ নিতে গিয়েছিলাম। তবে তিনি যেহেতু দীর্ঘদিন স্বেচ্ছায় নিজেকে আড়ালে সরিয়ে রেখেছিলেন, তাই তার সেই ইচ্ছাকে মর্যাদা দিয়ে দেখা করার চেষ্টা করিনি। বাইরে থেকে মুনমুন, রাইমা, রিয়ার সঙ্গে কথা বলে ডাক্তার মৈত্র, ডাক্তার সমরজিৎ নস্কর, বেলভিউর সিইও প্রদীপ টন্ডনের কাছে সব খবরাখবর নিয়ে ফিরে আসি। শুধু প্রার্থনা ছিল, ঈশ্বর ওনাকে দ্রুত সুস্থ করে তুলুন। এবার দেখা করার ডাক পাঠালেন 'স্বপনচারিণী' নিজেই। মুনমুন, রাইমা, ডাক্তার মৈত্র আমাকে নিয়ে গেলেন। মনে হলো, যেন আমারই জন্য অপেক্ষা করছিলেন। প্রথম দেখা! সেই অনুভবটা ঠিক বলে বোঝানোর নয়। তার কেবিনে ঢুকতেই কাছে ডাকলেন। আমার হাত দুটো নিজের হাতের মধ্যে নিয়ে কত আদর করলেন, মাথায় হাত বুলিয়ে দিলেন। বললেন, 'খুব ভালো থেকো।' সেদিন আমারও সুযোগ হয়েছিল তার হাতে-পায়ে-গায়ে হাত বুলিয়ে দেওয়ার। অনেকক্ষণ কথাও হয়েছিল। খানিকটা সময় তো একেবারে একান্তে আমরা দু'জন। বেশ হাসিখুশি সুচিত্রা সেনকে দেখে ফিরে এলাম। আসার আগে বললেন, 'আবার এসো কিন্তু।'
এর পরে ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত তার নার্সিংহোমে থাকাকালীন আমি রোজ গিয়েছি, শুধু এক দিন কলকাতায় ছিলাম না বলে যেতে পারিনি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায়ও দেখা করে এসেছিলাম। শুক্রবার সকালে গিয়ে দাঁড়ালাম তার নিথর দেহের সামনে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে। তাকে দেখতে গিয়ে কোনো দিন ঘণ্টা দু'-তিন থাকতাম আমি। সেই থেকে যতবার গিয়েছি, উনি কথা বলতে না পারলেও ইশারায় কাছে ডেকেছেন। হাত ধরে থেকেছেন। মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়েছেন। চা-কফি খেতে বলেছেন। গত পরশুও যখন গেলাম মুনমুনের সামনেই উনি হাত বাড়ালেন। হাতে সুচ ফুটিয়ে নানা রকম ডাক্তারি পরীক্ষা-নিরীক্ষা, টিউব-পাইপ ইত্যাদি লাগানোর জন্য তার হাতের বহু জায়গায় কালশিটের মতো হয়ে গিয়েছিল। আমি সেখানে হাত বুলিয়ে দিতাম। উনি ভালোবাসতেন সেটা। নার্সকে বলেছিলাম ভালো করে তিনবার মলম লাগিয়ে দিতে। জানতে চেয়েছিলাম, 'খুব ব্যথা?' উনি বলেছিলেন, 'হ্যাঁ, খুব।' কিন্তু নিজের রোগযন্ত্রণা নিয়ে কখনও কাউকে বেশি বিরক্ত করতে চাননি। অথচ মুনমুন-রাইমা-রিয়া এবং চিকিৎসকরা যে কী আন্তরিক পরিশ্রম করেছেন ওনাকে সুস্থ করে বাড়ি ফেরানোর জন্য, তা আমি কাছ থেকে দেখেছি।
এই তো কয়েক দিন আগেই আমরা নিজেরা বলাবলি করলাম, উনি নিজেই যখন আর হাসপাতালে থাকতে চাইছেন না, তখন রোববার বাড়ি নিয়ে যাওয়াই ভালো। দরকারে বাড়িতে হাসপাতালের মতো সব বন্দোবস্ত করে দেওয়া যাবে। তার আগে এক দিন খিচুড়ি খাওয়ার কথাও হলো। উনি খিচুড়ি খেতে ভালোবাসতেন। বললাম, এই শীতেই এক দিন খিচুড়ি রান্না করে আপনার বাড়ি নিয়ে গিয়ে সবাই মিলে মজা করে খাব। উনি শুনে হেসেছিলেন। দুর্ভাগ্য, কোনোটাই হলো না।
তার আরও একটি ভালো লাগার কথা জেনেছি। 'হসপিটাল' ছবিতে তার লিপে গীতা দত্তের গাওয়া 'এই সুন্দর স্বর্ণালি সন্ধ্যায়, এ কী বন্ধনে জড়ালে গো বন্ধু ...' গানটি খুব প্রিয় ছিল তার। বলেছিলাম, সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলে এক দিন আপনার বাড়ি গিয়ে ওই গানটি শুনিয়ে আসব। সব কথাই এখন স্মৃতি! আমাদের সুন্দর বন্ধনে জড়িয়ে রেখে তিনি আকাশ মায়ের কোলে অন্য শান্তির নীড় খুঁজে নিলেন। কয়েক দিন ধরেই তার শারীরিক অবস্থা খুব স্থিতিশীল ছিল না। সেটা চিকিৎসকরা তো বটেই, আমরাও বুঝতে পারছিলাম। তবু চেষ্টার ত্রুটি হয়নি। শেষের ক'দিন কথা বিশেষ বলছিলেন না। তারই মধ্যে তার মন ভালো করার জন্য মজা করতে চাইতাম, খিচুড়ি খাওয়ানোর মতো হাল্কা প্রসঙ্গ তুলতাম। কিন্তু মনের কোনায় একটা দুশ্চিন্তা দানা বাঁধছিল। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নবান্ন থেকে বেরিয়ে বেলভিউ যাওয়ার পথেই ফোনে জানতে পারলাম, তার অবস্থা বেশ খারাপ। ডাক্তার মৈত্র, ডাক্তার নস্কর সবাই ভেঙে পড়েছেন। তবু গিয়ে তাদের সবার সঙ্গে কথা বলে আমার মতো করে জোর দেওয়ার চেষ্টা করলাম। তার পরে ঢুকলাম মহানায়িকার কেবিনে। তিনি চোখ খোলার চেষ্টা করছিলেন। হাত ধরলেন। চোখের কোল বেয়ে এক ফোঁটা জল গড়িয়ে এলো। চিকিৎসক সুব্রত মৈত্র তাকে বললেন, 'চিকিৎসার কারণে আপনাকে অনেক কষ্ট দিয়েছি। ক্ষমা চাইছি। আমাকে ক্ষমা করে দেবেন।' আসলে মহানায়িকা নিজেও আর চাইছিলেন না কষ্ট পেতে। বরং স্বমর্যাদায় শান্তিতে তার অভীষ্টলোকে চলে যেতে চেয়েছিলেন দ্রুত। তাই রক্ত পরীক্ষার জন্য সুচ ফোটালে বিরক্ত হতেন। নন ইনভেসিভ ভেন্টিলেশন বা বাই-প্যাপ লাগাতে গেলে হাত সরিয়ে দিতেন। ভেন্টিলেশনে না দেওয়ার কথাও জানিয়ে দিয়েছিলেন আগেই।
এই অবস্থায় আমরাও জেনে গিয়েছিলাম, আর বেশি সময় নেই। তিনি আমাদের ছেড়ে চিরতরে চলে যাবেন যে কোনো সময়। দু'দিন আগে থেকেই তাই পুলিশ কমিশনার, চিকিৎসক সবার সঙ্গে কথা বলে একটা ব্যবস্থা করে রাখতে উদ্যোগী হই। সবই গোপনে। কারণ কাজটি বড় নির্মম। তবু কর্তব্য তো করতেই হবে। আমরা চাইনি তার শেষ ইচ্ছার কোনোরকম অমর্যাদা করতে। তার পরিবার যেমন বলবেন, সেভাবে সব করাটাই লক্ষ্য ছিল। মহানায়িকা নিজেকে জনবিরলে রেখেছিলেন। তাই শেষযাত্রা ও অন্ত্যেষ্টির ব্যবস্থা আগে থেকেই এমনভাবে তৈরি ছিল যাতে তার মুখ প্রকাশ্যে না আসে।
সুচিত্রা মানে কি শুধুই রোম্যান্টিক নায়িকা? গত কয়েক দিন তাকে কাছ থেকে দেখার পর আমি কিন্তু এক অন্য সুচিত্রা সেনকেও আবিষ্কার করেছি। আমাকে কেউ কেউ প্রশ্ন করেছেন, 'অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের জায়গা থেকে সুচিত্রা সেন কি আপনাকে বিশেষ নজরে দেখেছেন'? সে উত্তর তো আমার কাছে থাকার কথা নয়। যিনি জানেন, তিনি আজ অন্য লোকের যাত্রী। তবে এটা বলব, আমাকে ডেকে পাঠানোর আগে তিনি নিশ্চয় আমার কাজের ধারা সম্পর্কে একটু-আধটু জেনেছিলেন। আমার মাথায় তার আশীর্বাদের হাত তো আমি পেয়েছি! সর্বোপরি তার মনের দৃঢ়তা ছিল বলে মৃত্যু সম্পর্কেও এত উদাসীন হতে পেরেছেন তিনি।
আর ছিল ধর্মের প্রতি অগাধ আস্থা। তিনি রামকৃষ্ণ মঠের দীক্ষিত ছিলেন, সবাই জানি। কিন্তু তার প্রতিদিনের কত সময় তিনি ধর্মাচরণে কাটাতেন, নিজের ঠাকুরঘরে একান্তে পুজো-অর্চনায় নিজেকে ডুবিয়ে রাখতেন সেটা বলার মতো। এই অসুস্থতার মধ্যেও নার্সিংহোমে মঠ থেকে ফুল ও চরণামৃত এসেছে তার জন্য। তার শেষযাত্রার আগে এসেছেন মঠের সাধুরা। তবে 'মুডি' ছিলেন খুব। মেজাজ খুশি থাকলে একেবারে হাসির ধারা। আবার কোনো কারণে মুড ভালো না থাকলে বা বিরক্ত হলে মুখের রেখায় চরম অভিমানের প্রকাশ। আমি নিজেই এটা দেখেছি। যদিও সৌজন্যের মাত্রা কখনও ছাড়াতেন না। মৃত্যুর দু'দিন আগেও আমাকে হাত তুলে নমস্কার জানাতে ভোলেননি। আর ফিটফাট ছিলেন এতটাই যে, ঠোঁটের ক্রিমটাও ঠিকঠাক মাখিয়ে দিতে হতো। সব শেষে সেই অনিবার্য প্রশ্ন। কেমন দেখতে ছিলেন এখনকার সুচিত্রা সেন? কেমন চেহারা ছিল তার? এই লেখার সেই গোড়ার প্রসঙ্গে ফিরি। আমাদের সবার স্বপ্নের নায়িকাকে প্রথম দেখতে যাওয়ার দিনে আমার মনেও এই কৌতূহল যে ছিল না, বলি কী করে! আর গিয়ে কী দেখলাম? শুনলে আশ্চর্য হবেন, ওনার চেহারা একেবারে আগের মতোই আঁটোসাঁটো। বয়স ছাড়া ভাঙনের ছাপ নেই। কারণ যাঁরা মাথা উঁচু করে চলেন, তারা তো ভাঙতে জানেন না। তার মরদেহের সামনে দাঁড়িয়েও সেই কথাটি বারবার মনে হচ্ছিল। একেবারে শান্ত, সুন্দর মুখ, যেন নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে রয়েছেন। নিজস্বতায় অনড় থেকে এই চলে যাওয়া তাকে চিরজয়ী করে রাখল। আমরা শুধু সেই জয়ের সাক্ষী থাকলাম।
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী
সূত্র :আনন্দবাজার পত্রিকা
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তখন ড্রিমগার্ল আর এখন? by প্রসেনজিৎ
না, মিসেস সেনের কোনো পরামর্শ বা টিপস সরাসরি পাইনি আমি। তবে বাবার কাছেই শোনা একটা গল্প, সেটাই আমার জীবনে পরোক্ষে তার থেকে পাওয়া বিরাট পরামর্শ। বাবা তখন সবে পা রেখেছেন ইন্ডাস্ট্রিতে। 'হসপিটাল' ছবিতে সুচিত্রা সেনের বিপরীতে অভিনয়ের অফার এলো। মিসেস সেন তখন তার ক্যারিয়ারের শীর্ষে। একটা দৃশ্য ছিল যেখানে বাবা বলবেন, তাকে কতটা ভালোবাসেন এবং সুচিত্রা সটান প্রত্যাখ্যান করে বলবেন, এ সম্পর্ক হতে পারে না। পরের দৃশ্যে বাবা শক্ত করে ধরবেন সুচিত্রার হাত। বুঝিয়ে দিতে চাইবেন তার ভালোবাসা কতখানি এবং এ সম্পর্ক সফল হতেই পারে। কিন্তু বাবা এতটাই নার্ভাস যে, কিছুতেই হাতটা ধরে উঠতে পারছেন না। শেষমেশ মিসেস সেনই বাবাকে ডাকলেন। বোঝালেন, এ মুহূর্তটার জন্য ভুলে যাও, তুমি আমার সামনে দাঁড়িয়ে আছ। ভাব, তুমি তোমার প্রেমিকার সামনে দাঁড়িয়ে। তাকেই বোঝাচ্ছ নিজের ভালোবাসার কথা। শটটি দেওয়ার পর দেখা গেল কাচের চুড়ি আটকে রয়েছে মিসেস সেনের হাতে। গড়িয়ে পড়ছে রক্ত। সুচিত্রা অবশ্য নির্বিকার। বাবাকে বলেছিলেন, 'গুড শট অ্যান্ড প্যাক আপ।' বাবার কাছে শোনা এ গল্পটাই আমার কাছে সুচিত্রা সেনের পরামর্শ। আমিও তাই সবসময় আমার জুনিয়রদের সঙ্গে খুব খোলাখুলি মিশি। তাদের জড়তা কাটিয়ে অভিনয় করতে সাহায্য করি। হলে গিয়ে তার কোন ছবি প্রথম দেখেছিলাম, মনে পড়ছে না এখন। তবে টিভিতে দেখা প্রথম ছবি 'উত্তরফাল্গুনী'। এ ছবি দেখেই প্রথম বুঝেছিলাম, সুচিত্রা সেনকে। একটা সময় ছিল যখন আমি, শুধু আমি কেন, সবাই টিভির সামনে বসে পড়ত উত্তম জেঠু আর মিসেস সেনের ক্ল্যাসিক ছবিগুলোর টানে। ওই ছবিগুলো গিলেছি-টা বোধহয় সঠিক শব্দ! রিনা ব্রাউন সে সময়কার কত ছেলের ড্রিমগার্ল। বাজি রেখে বলতে পারি, এই প্রজন্মের বহু ছেলের কাছেও তিনি ড্রিমগার্লই।
মিসেস সেনের সঙ্গে অভিনয় করার সুযোগ তো আর হয়নি। তবে মুনমুন এবং পরে রাইমা-রিয়া সবার সঙ্গেই কাজ করেছি। রাইমার সঙ্গে যখন 'চোখের বালি' করি, ওর মুখেই শুনেছিলাম, মিসেস সেন গোটা ছবিটা খুঁটিয়ে দেখেছেন। আমার কাজও তার ভালো লেগেছে। একই কথা 'নৌকাডুবি' সম্পর্কেও প্রযোজ্য। ওতে রাইমা-রিয়া দু'বোনই ছিল। তাই ছবিটা ওদের দিদার কেমন লেগেছে, জানার ইচ্ছে ছিল খুব। তখনও শুনেছি, আমার অভিনয়ে খুব খুশি হয়েছিলেন তিনি। তার প্রশংসাই আমার কাছে অনেকখানি। কৃষ্ণা দাশগুপ্ত সাধারণ মেয়ে থেকে মহানায়িকা। বিয়ের পর অভিনয়ে এসেছিলেন। কিন্তু তা তার ক্যারিয়ারে কোনো বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। সত্যজিৎ রায়ের ইচ্ছা ছিল 'দেবী চৌধুরানী' করার। ডেটের সমস্যায় সুচিত্রা সময় দিতে পারেননি। ছবিটা হলে নিশ্চিতভাবে আরেকটা মাইলফলক হতো।
সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লাইনচ্যুত গণতন্ত্রের ট্রেন by আলী ইদ্রিস
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লাইনচ্যুত গণতন্ত্রের ট্রেন by আলী ইদ্রিস

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রতারণার ফাঁদ পেতেছে ফরাজী হাসপাতাল by রাজবংশী রায়
![]() |
| রাজধানীর বনশ্রীতে এই হাসপাতালে গিয়ে প্রতারণার শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ |
স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. খন্দকার সিফায়েত উল্লাহ সমকালকে বলেন, বিএমডিসি আইন অনুযায়ী মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন দিয়ে চিকিৎসা সেবা বা পরামর্শ দেওয়ার সুযোগ নেই। যারা এ ধরনের কাজ করছে তারা নিশ্চিতভাবে প্রতারক চক্র। এ ধরনের চক্রের বিরুদ্ধে আগে কয়েকবার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। চিকিৎসার নামে প্রতারণার অভিযোগ পেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি জনসাধারণকে এ চক্রের ফাঁদে পা না দেওয়ার আহ্বান জানান স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক।
ফরাজী ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে বাণিজ্যের অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী রোগী ও তাদের স্বজনরা। ফ্রি চিকিৎসা সেবা পরামর্শ দেওয়ার কথা বলে অসুস্থ রোগীদের প্রতারণার ফাঁদে ফেলে বড় অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে চক্রটি। বিদেশি ডাক্তার দেখানোর চটকদার বিজ্ঞাপন দেখে অনেক অসুস্থ রোগী রামপুরা থানার ১৬-১৯ হোল্ডিংয়ের ব্লক-ই বনশ্রী এলাকার ওই হাসপাতালটিতে পরামর্শের জন্য গেছেন। এর পর তারা হয়েছেন নাজেহাল। বিজ্ঞাপনে দেওয়া বক্তব্যের সঙ্গে বাস্তবতার মিল খুঁজে পাননি তারা।
ভুক্তভোগী কয়েকজন রোগীর স্বজন সমকালকে জানান, ফ্রি চিকিৎসা পরামর্শের জন্য ফরাজী হাসপাতালে গেলে প্রথমে পাঁচশ' টাকা জমা দিয়ে তাদের নাম রেজিস্ট্রেশন করতে বলা হয়। এরপর ডাক্তার দেখানোর আগেই পাঁচ থেকে ছয় ধরনের প্যাথলজিক্যাল টেস্ট করতে বলা হয়। ফরাজী হাসপাতালেই ওই টেস্ট করতে রোগীদের বাধ্য করে কর্তৃপক্ষ। এসব টেস্ট করতে ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা ব্যয় দেখানো হয়। এরপরই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়ার সুযোগ মেলে। ডাক্তার দেখানোর পর বিভিন্ন সমস্যার কথা বলে আরেক দফা টেস্টের কথা বলে প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়।
গত শুক্রবার দুপুরে সরেজমিন হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, অভ্যর্থনা কক্ষে ২০ থেকে ২২ বছর বয়সী এক যুবক বসে আছেন। বিদেশি ডাক্তারের পরামর্শের জন্য কার সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে জানতে চাইলে ওই যুবক একটু অপেক্ষা করতে বলে ভেতরে চলে যান। তিন থেকে চার মিনিট পর একটি কক্ষ থেকে বের হয়ে এ প্রতিবেদককে ওই কক্ষের দিকে আঙ্গুল নির্দেশ করে বলেন, 'ওই রুমে যান, স্যার আছেন। তার সঙ্গে আলাপ করুন।' যুবকের কথামতো অভ্যর্থনা কক্ষলাগোয়া পেছনের একটি কক্ষে গিয়ে কথা হয় আবদুর রব নামে একজনের সঙ্গে। তিনি নিজেকে অ্যাপোলো হসপিটালস ইন্ডিয়ার আবাসিক প্রতিনিধি বলে পরিচয় দেন। রোগী সেজে চিকিৎসা সেবা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'প্রতি মাসে একবার করে ইন্ডিয়া থেকে ডাক্তার এসে ফ্রি চিকিৎসা পরামর্শ প্রদান করেন। এজন্য রোগীদের মাত্র পাঁচশ' টাকা জমা দিয়ে নাম রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।' বিদেশ থেকে চিকিৎসক এসে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করবে তাতে ওই চিকিৎসকদের লাভ কী_ এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'লাভ তো আছেই, লাভ ছাড়া কেউ কি কাজ করে?' পাঁচশ' টাকা রেজিস্ট্রেশন ফি কেন নেওয়া হয় এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'এই যে রোগীদের ফোন করা হয়, লোকজন নিয়োগ করে খাতায় নাম এন্ট্রি করতে হয়, খাতা-কলম খরচ হয়। এসবের খরচ হিসেবে ওই পাঁচশ' টাকা নেওয়া হয়।' একটি ভিজিটিং কার্ড ধরিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, 'যে কোনো রোগের সমস্যার জন্য আমার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। বিদেশি ভালো ডাক্তার দেখিয়ে দেব।'
পরে ওইদিন সন্ধ্যায় সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে আবদুর রবকে ফোন করা হয়। বিদেশি ডাক্তার তাদের হাসপাতালে চিকিৎসা পরামর্শ দিচ্ছেন এমন কোনো অনুমতি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে নেওয়া হয়েছে কি-না এমন প্রশ্ন করলে বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে তিনি বলেন, 'চার থেকে পাঁচ বছর ধরে আমরা এ সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছি। আপনার যদি কোনো রোগী থাকে নিয়ে আসুন, আমরা ফ্রি সব ব্যবস্থা করে দেব।' ফ্রি চিকিৎসা নামে রোগীদের কাছ থেকে বিভিন্ন প্যাথলজিক্যাল টেস্টের কথা বলে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, 'রোগ নিরূপণ করতে হলে প্যাথলজিক্যাল টেস্ট তো করতেই হবে। আমাদের হাসপাতালে যেহেতু টেস্ট আছে তাই রোগীদের এখানেই সব টেস্ট করা হয়। এছাড়া কারও কাছে টাকা না থাকলে আমরা ফ্রি টেস্টের ব্যবস্থা করে দিই।'
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তদন্ত নিয়ে তদন্ত সংস্থাও 'হতাশ' by আতাউর রহমান
তদন্তসংশ্লিষ্ট ডিবির এক কর্মকর্তা সমকালকে বলেন, শুরুতে তাদের ধারণা ছিল, খুনিদের দ্রুতই শনাক্ত করা সম্ভব হবে। এ জন্য সন্দেহভাজনদের একটি তালিকাও তৈরি করা হয়। সে অনুযায়ী বেশ কয়েকজনকে ডিবি কার্যালয়ে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। কয়েকজন সন্দেহভাজনকে গোয়েন্দা নজরদারিতে রাখা হয়। তবে হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে উল্লেখ করার মতো কোনো তথ্য পায়নি তদন্ত সংস্থা। ফলে তদন্ত কর্মকর্তারা হতাশ হয়ে পড়েন। এর পর ভিন্ন পন্থায় তদন্ত শুরু করেছে ডিবি পুলিশ।
আলোচিত এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের ইন্সপেক্টর আবু আল খায়ের মাতুব্বর সমকালকে বলেন, এ পর্যন্ত নিহত লুৎফোরের পরিবারের সদস্য, স্বজন ও অনুসারী মিলিয়ে অন্তত অর্ধশত লোককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে উল্লেখ করার মতো কিছু পাওয়া যায়নি। তাই সন্দেহজনক সব বিষয় মাথায় রেখেই তদন্ত কার্যক্রম চলছে। এই তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, তাদের ধারণা ছিল, হয়তো খুনিরা লুৎফোরকে ফোন দিয়েই বাসায় ঢুকেছিল। হত্যাকাণ্ডের পরও ওই বাসা থেকে খুনিরা ফোনে কথা বলেছে_ এমন ধারণা থাকলেও এখনও এ ধরনের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি, যা থেকে হত্যাকারীরা শনাক্ত হতে পারে। হত্যাকারীরা উল্লেখ করার মতো কোনো আলামত ফেলে রেখে যায়নি, যা দিয়ে তদন্ত সামনের দিকে নেওয়া যেতে পারে। নিহত লুৎফোর রহমান ইমাম মাহদীর (আ.) নাম ব্যবহার করে ধর্মীয় বিভিন্ন 'বিভ্রান্তিকর' মতবাদ প্রচার করতেন। এসব মতবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার কোনো উগ্র গোষ্ঠী সিক্স মার্ডারের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে বলে নিহতের পরিবার ও তদন্ত সংস্থা ডিবি পুলিশের সন্দেহ। তবে হত্যাকাণ্ডের ২৬ দিন পার হলেও তদন্তে অগ্রগতি না হওয়ায় নিহতের পরিবারের মধ্যে নানা শঙ্কা তৈরি হয়েছে। নিহত লুৎফোরের ছেলে আবদুল্লাহ আল ফারুক, লুৎফোরের স্ত্রী সালমা বেগম ও নিহত সারোয়ারের স্ত্রী ফেরদৌসী তালুকদার বীথি গোপীবাগের বাসা ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন। তাদের চলাফেরাও সীমিত হয়ে গেছে। আবদুল্লাহ আল ফারুক সমকালকে বলেন, খুনিরা তার বাবা, ভাইসহ ছয়জনকে খুন করার পর তাকে হত্যা করার জন্য বাসায় খুঁজেছে। তিনি ওই সময় বাসায় না থাকায় বেঁচে গেলেও এখন প্রতিমুহূর্তে মৃত্যু-আতঙ্কে ভুগছেন। খুনিরা গ্রেফতার না হওয়ায় তাদের পুরো পরিবারই আতঙ্কে রয়েছে। ডিবি পুলিশের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা সমকালকে বলেন, ছয়জনকে একই কায়দায় গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। এর আগে ধর্মীয় উগ্র গোষ্ঠীর যারা এ ধরনের হত্যাকাণ্ডে জড়িত_ এমন কয়েকজনকে নজরদারির মধ্যে রাখা হয়েছে। এসব উগ্র গোষ্ঠীর সদস্যরা কে, কোথায়_ সে তথ্যও সংগ্রহ করা হচ্ছে। এ ধরনের কেউ কারাগারে থাকলে প্রয়োজনে আদালতের অনুমতি নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘এখুনি এসো কাল যদি ভাল না থাকি’ by মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
উপজেলা নির্বাচনে দলের একক প্রার্থী বাছাইয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
দলীয় প্রধানের এ নির্দেশ কার্যকর করতে সাংগঠনিক সম্পাদকরা দ্রুত দল গুছিয়ে নিতে তৃণমূল পর্যায়ে বর্ধিত সভা-সম্মেলন, সদস্য সংগ্রহ ও সদস্য নবায়নের কর্মসূচি শুরু করবেন। দশম সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরুর আগেই এসব কর্মসূচি শুরু হবে। এ ব্যাপারে কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে বিশেষ পরামর্শ দিয়েছেন দলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। তিনি দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে সংলাপ নিয়ে মন্তব্য করায় দলের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্তসহ কয়েকজন নেতার সমালোচনা করেন। সৈয়দ আশরাফ বলেছেন, কথা কম বলা ভালো। বেশি কথা বললে বিরোধী দলসহ বিদেশিরা সুযোগ পায়।
বৈঠকে তৃতীয় দফায় প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ায় শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন এবং নবীন-প্রবীণের সমন্বয়ে মন্ত্রিসভা গঠন করায় স্বাগত জানানো হয়েছে। কার্যনির্বাহী সদস্য আবদুর রহমান সাম্প্রতিক সময়ে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা ও নির্যাতনকারীদের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচারের পাশাপাশি নতুন মন্ত্রিসভাকে দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সতর্ক থাকার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান। জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, একজন নেতা একই সঙ্গে মন্ত্রী হলে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে গতি আসে না। এবারকার মন্ত্রিসভা গঠনের সময় এ দিকটি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেছেন, অস্বাভাবিক পরিবেশে নির্বাচন হয়েছে। সভায় শোক প্রস্তাব উপস্থাপন করেন দলের দফতর সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান খান। সদ্যপ্রয়াত সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব গৃহীত হয়। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ঠাঁই নেই :দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থীরা আওয়ামী লীগে যোগদানের জন্য দেনদরবার করছেন। তাদের জন্য দুঃসংবাদ, আওয়ামী লীগে তাদের যোগ দেওয়া হবে না। এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, স্বতন্ত্র এমপিরা স্বতন্ত্র হিসেবেই থাকবেন। তাদের আওয়ামী লীগে ঠাঁই হবে না। অব্যাহতি :গতকালের বৈঠকে কার্যনির্বাহী সদস্য ড. আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিমকে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এ পদে আসার পর তিনি কখনোই কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে উপস্থিত হননি। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় কমিটির শূন্য পদগুলো পূরণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনাকে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে বৈঠকে অন্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন দলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, ড. হাছান মাহমুদ, আহমদ হোসেন, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, অধ্যক্ষ মতিউর রহমান, অ্যাডভোকেট সুভাষ চন্দ্র বোস প্রমুখ।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘এখুনি এসো কাল যদি ভাল না থাকি’ by মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

ভাইপো অভিষেককে ডেকে নিয়ে পাঁচ মিনিটের মধ্যে বেরিয়ে পড়লাম। মনে অদ্ভুত এক অনুভূতি কাজ করছিল। এর আগে কোনদিন তাকে সামনে থেকে দেখিনি। পরিচয় যা, সেটা পর্দায় দেখে। এবং যে কোন বাঙালির মতোই উত্তম-সুচিত্রা জুটি সম্পর্কে চিরাচরিত আবেগের আমিও শরিক। সেই সুচিত্রার সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছি! সুচিত্রা সেন, আমাদের বিশ্বজয়ী দেবকন্যা!
ঠিক দু’দিন আগেই জানতে পারি, মহানায়িকা বেলভিউতে সুব্রত মৈত্রের চিকিৎসাধীন। সেদিনই নার্সিংহোমে খোঁজ নিতে গিয়েছিলাম। তবে তিনি যেহেতু দীর্ঘদিন স্বেচ্ছায় নিজেকে আড়ালে সরিয়ে রেখেছিলেন, তাই তার সেই ইচ্ছাকে মর্যাদা দিয়ে দেখা করার চেষ্টা করিনি। বাইরে থেকে মুনমুন, রাইমা, রিয়ার সঙ্গে কথা বলে ডাক্তার মৈত্র, ডাক্তার সমরজিৎ নস্কর, বেলভিউয়ের সিইও প্রদীপ টন্ডনের কাছে সব খবরাখবর নিয়ে ফিরে আসি। শুধু প্রার্থনা ছিল, ঈশ্বর ওনাকে দ্রুত সুস্থ করে তুলুন। এবার দেখা করার ডাক পাঠালেন ‘স্বপনচারিণী’ নিজেই।
মুনমুন, রাইমা, ডাক্তার মৈত্র আমাকে নিয়ে গেলেন। মনে হলো, যেন আমারই জন্য অপেক্ষা করছিলেন। প্রথম দেখা! সেই অনুভবটা ঠিক বলে বোঝানোর নয়। তার কেবিনে ঢুকতেই কাছে ডাকলেন। আমার হাত দুটো নিজের হাতের মধ্যে নিয়ে কত আদর করলেন, মাথায় হাত বুলিয়ে দিলেন। বললেন, ‘খুব ভাল থেকো।’ সেদিন আমারও সুযোগ হয়েছিল তাঁর হাতে-পায়ে-গায়ে হাত বুলিয়ে দেয়ার। অনেকক্ষণ কথাও হয়েছিল। খানিকটা সময় তো একেবারে একান্তে আমরা দু’জনে। বেশ হাসিখুশি সুচিত্রা সেনকে দেখে ফিরে এলাম। আসার আগে বললেন, ‘আবার এসো কিন্তু।’
এরপরে ১৬ই জানুয়ারি পর্যন্ত তার নার্সিংহোমে থাকাকালীন আমি রোজ গিয়েছি। শুধু একদিন কলকাতায় ছিলাম না বলে যেতে পারিনি। বৃহস্পতিবারও সন্ধ্যায় দেখা করে এসেছিলাম। শুক্রবার সকালে গিয়ে দাঁড়ালাম তার নিথর দেহের সামনে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে।
তাকে দেখতে গিয়ে কোনদিন ঘণ্টা দু’-তিন থাকতাম আমি। দ্বিতীয় যে দিন তার কাছে যাই, সেদিন তুলনামূলকভাবে শ্বাসকষ্ট একটু বেশি। চিকিৎসকেরা বললেন, আমি থাকতে থাকতেই তার রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা বেড়ে গিয়েছে। কেন জানি না, আমি কাছে গেলে তার রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা অর্থাৎ স্যাচুরেশন বেড়ে প্রায় স্বাভাবিক হয়ে যেত। এমন কথা ডাক্তার মৈত্র বৃহস্পতিবারও বলেছেন। মুনমুন বলত, এটা কি মমতা-ম্যাজিক! তবে সে সবের মধ্যে আমি যাচ্ছি না। আমার কাছে অনেক বড় পাওনা হলো তার সেদিনের একটি কথা: ‘তুমি আমার কে হও?’ কোন কোন সংবাদপত্র ও সংবাদ মাধ্যমে কোনভাবে একথাটি প্রকাশিত হয়ে যায় বিকৃত এক ইঙ্গিত দিয়ে। যাতে মনে হতে পারে, সুচিত্রা সেন সেদিন এতোই গুরুতর অবস্থায় ছিলেন যে, লোক চিনতে পারছিলেন না। খবর দেখে হেসেছিলাম। কাকে কি বোঝাব! কিন্তু আজ বলছি, এটা অতি বড় ভুল ব্যাখ্যা। আসলে স্নেহ-ভালবাসার কোন গভীর স্তর থেকে এমন কথা সেদিন তিনি বলেছিলেন, আমি সেটা জানি। তাই উত্তরে আমিও বলেছিলাম, ‘আমি তো আপনার পরিবারেরই একজন, একেবারে আপনজন।’ উনি হাসলেন। সারা মুখে শান্তির ছাপ।
সেই থেকে যত বার গিয়েছি, তিনি কখনও কথা বলতে না-পারলেও ইশারায় কাছে ডেকেছেন। হাত ধরে থেকেছেন। মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়েছেন। চা-কফি খেতে বলেছেন। গত পরশুও যখন গেলাম মুনমুনের সামনেই তিনি হাত বাড়ালেন। হাতে সুচ ফুটিয়ে নানারকম ডাক্তারি পরীক্ষা-নিরীক্ষা, টিউব-পাইপ ইত্যাদি লাগানোর জন্য তার হাতের বহু জায়গায় কালশিটের মতো হয়ে গিয়েছিল। আমি সেখানে হাত বুলিয়ে দিতাম। তিনি ভালবাসতেন সেটা। নার্সকে বলেছিলাম ভাল করে তিনবার মলম লাগিয়ে দিতে। জানতে চেয়েছিলাম, ‘খুব ব্যথা?’ তিনি বলেছিলেন, ‘হ্যাঁ, খুব।’ কিন্তু নিজের রোগ যন্ত্রণা নিয়ে কখনও কাউকে বেশি বিরক্ত করতে চাননি। অথচ মুনমুন-রাইমা-রিয়া এবং চিকিৎসকরা যে কি আন্তরিক পরিশ্রম করেছেন ওনাকে সুস্থ করে বাড়িতে ফেরানোর জন্য, তা আমি কাছ থেকে দেখেছি।
এই তো কয়েক দিন আগেই আমরা নিজেরা বলাবলি করলাম, তিনি নিজেই যখন আর হাসপাতালে থাকতে চাইছেন না, তখন রোববার বাড়ি নিয়ে যাওয়াই ভাল। দরকারে বাড়িতে হাসপাতালের মতো সব বন্দোবস্ত করে দেয়া যাবে। তার আগে একদিন খিচুড়ি খাওয়ার কথাও হলো। তিনি খিচুড়ি খেতে ভালবাসতেন। বললাম, এই শীতেই একদিন খিচুড়ি রান্না করে আপনার বাড়ি নিয়ে গিয়ে সবাই মিলে মজা করে খাবো। তিনি শুনে হেসেছিলেন। দুর্ভাগ্য, কোনটাই হলো না।
তার আরও একটি ভাল লাগার কথা জেনেছি। ‘হসপিটাল’ ছবিতে তার লিপে গীতা দত্তের গাওয়া ‘এই সুন্দর স্বর্ণালী সন্ধ্যায়, এ কি বন্ধনে জড়ালে গো বন্ধু’ খুব প্রিয় ছিল তার। বলেছিলাম, সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলে একদিন আপনার বাড়ি গিয়ে ওই গানটি শুনিয়ে আসবো। সব কথাই এখন স্মৃতি! আমাদের সুন্দর বন্ধনে জড়িয়ে রেখে তিনি আকাশ মায়ের কোলে অন্য শান্তির নীড় খুঁজে নিলেন।
গত কয়েক দিন ধরেই তার শারীরিক অবস্থা খুব স্থিতিশীল ছিল না। সেটা চিকিৎসকেরা তো বটেই, আমরাও বুঝতে পারছিলাম। তবু চেষ্টার ত্রুটি হয়নি। শেষের ক’দিন কথা বিশেষ বলছিলেন না। এর মধ্যেই তার মন ভাল করার জন্য মজা করতে চাইতাম। খিচুড়ি খাওয়ানোর মতো হাল্কা প্রসঙ্গ তুলতাম। কিন্তু মনের কোণায় একটি দুশ্চিন্তা দানা বাঁধছিল।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যাবেলা নবান্ন থেকে বেরিয়ে বেলভিউ যাওয়ার পথেই ফোনে জানতে পারলাম তার অবস্থা বেশ খারাপ। ডাক্তার মৈত্র, ডাক্তার নস্কর সবাই ভেঙে পড়েছেন। তবু গিয়ে তাদের সবার সঙ্গে কথা বলে আমার মতো করে জোর দেয়ার চেষ্টা করলাম। তার পরে ঢুকলাম মহানায়িকার কেবিনে। তিনি চোখ খোলার চেষ্টা করছিলেন। হাত ধরলেন। চোখের কোণ বেয়ে এক ফোঁটা জল গড়িয়ে এলো। চিকিৎসক সুব্রত মৈত্র তাকে বললেন, ‘চিকিৎসার কারণে আপনাকে অনেক কষ্ট দিয়েছি। ক্ষমা চাইছি। আমাকে ক্ষমা করে দেবেন।’ আসলে মহানায়িকা নিজেও আর চাইছিলেন না কষ্ট পেতে। বরং স্বমর্যাদায় শান্তিতে তার অভীষ্টলোকে চলে যেতে চেয়েছিলেন দ্রুত। তাই রক্ত পরীক্ষার জন্য সুচ ফোটালে বিরক্ত হতেন। নন ইনভেসিভ ভেন্টিলেশন বা বাইপ্যাপ লাগাতে গেলে হাত সরিয়ে দিতেন। ভেন্টিলেশনে না-দেয়ার কথাও জানিয়ে দিয়েছিলেন আগেই।
এ অবস্থায় আমরাও জেনে গিয়েছিলাম, আর বেশি সময় নেই। তিনি আমাদের ছেড়ে চিরতরে চলে যাবেন যে কোন সময়। দু’দিন আগে থেকেই তাই পুলিশ কমিশনার, চিকিৎসক সবার সঙ্গে কথা বলে একটা ব্যবস্থা করে রাখতে উদ্যোগী হই। সবটাই গোপনে। কারণ কাজটি বড় নির্মম। তবু কর্তব্য তো করতেই হবে। আমরা চাইনি তার শেষ ইচ্ছার কোনরকম অমর্যাদা করতে। তার পরিবার যেমন বলবেন, সেভাবে সব করাটাই লক্ষ্য ছিল। মহানায়িকা নিজেকে জনবিরলে রেখেছিলেন। তাই শেষযাত্রা ও অন্ত্যেষ্টির ব্যবস্থা আগে থেকেই এমনভাবে তৈরি ছিল যাতে তার মুখ প্রকাশ্যে না আসে।
সুচিত্রা মানে কি শুধুই রোমান্টিক নায়িকা? গত কয়েকদিন তাকে কাছ থেকে দেখার পরে আমি কিন্তু এক অন্য সুচিত্রা সেনকেও আবিষ্কার করেছি। রোমান্টিক সুচিত্রা আমাদের সবার মনের মণিকোঠায় চিরভাস্বর হয়ে আছেন, থাকবেন। আমরা যুগ যুগ ধরে তার সেই চাহনি, সেই প্রেমের আবেগ, সেই মিষ্টতায় আচ্ছন্ন হয়ে আছি এবং থাকবো। কিন্তু রোমান্টিক সুচিত্রা সেনের মধ্যে আরও একজন আছেন। যিনি তেজস্বীতায় ভরপুর, প্রতিবাদী, অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা তুলে দাঁড়ানোর সুচিত্রা সেন। তার অভিনীত ‘দেবী চৌধুরাণী’তে সুচিত্রার চরিত্রের এদিকটি এমনভাবে ধরা পড়েছে, যেটা কখনই অভিনয় বলে মনে হয়নি। আসলে নিজের মধ্যে সেই মানসিক দৃঢ়তা ছিল বলেই অতো প্রাণবন্ত হয়েছে তার অভিনয়। একই কথা বলবো হিন্দি ‘আঁধি’ ছবি সম্পর্কেও। সেখানেও ইন্দিরা গান্ধীর চরিত্রের দৃপ্ত দিকগুলো নিজের মানসিক গঠনের ছকে ফেলে জীবন্ত করে তুলেছেন সুচিত্রা সেন। আমাকে কেউ কেউ প্রশ্ন করেছেন, ‘অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের জায়গা থেকে সুচিত্রা সেন কি আপনাকে বিশেষ নজরে দেখেছেন’? সেই উত্তর তো আমার কাছে থাকার কথা নয়। যিনি জানেন, তিনি আজ অন্য লোকের যাত্রী। তবে এটা বলবো, আমাকে ডেকে পাঠানোর আগে তিনি নিশ্চয় আমার কাজের ধারা সম্পর্কে একটু আধটু জেনেছিলেন। আমার মাথায় তার আশীর্বাদের হাত তো আমি পেয়েছি! সর্বোপরি তার মনের দৃঢ়তা ছিল বলে মৃত্যু সম্পর্কেও এতো উদাসীন হতে পেরেছেন তিনি।
আর ছিল ধর্মের প্রতি অগাধ আস্থা। তিনি রামকৃষ্ণ মঠের দীক্ষিত ছিলেন, সবাই জানি। কিন্তু তার প্রতিদিনের কতটা সময় তিনি ধর্মাচরণে কাটাতেন, নিজের ঠাকুরঘরে একান্তে পূজা-অর্চনায় নিজেকে ডুবিয়ে রাখতেন সেটা বলার মতো। এই অসুস্থতার মধ্যেও নার্সিংহোমে মঠ থেকে ফুল ও চরণামৃত এসেছে তার জন্য। তার শেষযাত্রার আগে এসেছেন মঠের সাধুরা।
তবে ‘মুডি’ ছিলেন খুব। মেজাজ খুশি থাকলে একেবারে হাসির ধারা। আবার কোন কারণে মুড ভাল না থাকলে বা বিরক্ত হলে মুখের রেখায় চরম অভিমানের প্রকাশ। আমি নিজেই এটা দেখেছি। যদিও সৌজন্যের মাত্রা কখনও ছাড়তেন না। মৃত্যুর দু’দিন আগেও আমাকে হাত তুলে নমস্কার জানাতে ভোলেননি। আর ফিটফাট ছিলেন এতোটাই যে, ঠোঁটের ক্রিমটাও ঠিকঠাক মাখিয়ে দিতে হতো।
সব শেষে সেই অনিবার্য প্রশ্ন। কেমন দেখতে ছিলেন এখনকার সুচিত্রা সেন? কেমন চেহারা ছিল তার? এই লেখার সেই গোড়ার প্রসঙ্গে ফিরি। আমাদের সবার স্বপ্নের নায়িকাকে প্রথম দেখতে যাওয়ার দিনে আমার মনেও এই কৌতূহল যে ছিল না, বলি কি করে! আর গিয়ে কি দেখলাম? শুনলে আশ্চর্য হবেন, ওনার চেহারা একেবারে আগের মতোই আটোসাঁটো। বয়স ছাড়া ভাঙনের ছাপ নেই। কারণ, যারা মাথা উঁচু করে চলেন, তারা তো ভাঙতে জানেন না। তার মরদেহের সামনে দাঁড়িয়েও সেই কথাটি বারবার মনে হচ্ছিল। একেবারে শান্ত, সুন্দর মুখ, যেন নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে রয়েছেন।
নিজস্বতায় অনড় থেকে এই চলে যাওয়া তাকে চিরজয়ী করে রাখল। আমরা শুধু সেই জয়ের সাক্ষী থাকলাম।
আনন্দবাজার পত্রিকার সৌজন্যে
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজনীতি করতে হলে সন্ত্রাস বন্ধ করতে হবে :প্রধানমন্ত্রী
নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা ও নির্যাতনের ঘটনা তুলে ধরেন এবং বিএনপি-জামায়াত এতে জড়িত অভিযোগ করে তিনি বলেন, সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনা দেখে ২০০১ সালের কথা মনে পড়ে যায়। তারা এবার নির্বাচনে আসেনি, তাতেই এ অবস্থা। নির্বাচনে এলে এবং আল্লাহ না করুক, তারা ক্ষমতায় এলে ২০০১ সালের চেয়েও দ্বিগুণ হামলা ও নির্যাতন হতো। তাই তারা নির্বাচনে না আসায় একদিক দিয়ে ভালোই হয়েছে। তিনি বলেন, এই যে নিরীহ মানুষগুলো, তাদের অপরাধ কী? ভোট দেওয়াই কী তাদের অপরাধ? বিএনপির সঙ্গে জামায়াত আছে। বিএনপি অপরাধীদের সঙ্গে আছে। অপরাধ সংঘটনই তাদের কাজ। সুতরাং তারা অপরাধ করবে এটাই স্বাভাবিক।
নির্যাতিত সংখ্যালঘুদের ক্ষতিপূরণ ও তাদের পুনর্বাসনে সরকারের উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, হামলার ৫ ঘণ্টার মধ্যে সংশ্লিষ্টদের ব্যবস্থা নিতে বলেছি। ক্ষতিগ্রস্তদের ঘরবাড়ি তৈরি করে দেওয়ার জন্য বিজিবিকে নির্দেশ দিয়েছি। ঘরের ডিজাইনও করে দিয়েছি। তাদের স্যানিটারি ল্যাট্রিনও করে দেওয়া হবে। নির্বাচন বর্জন ও তা প্রতিহতে আন্দোলনের নামে বিএনপি-জামায়াতের নৈরাজ্য ও মানুষ হত্যার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন প্রতিহত করার ডাক দিয়ে ভোটাররা যাতে ভোটকেন্দ্রে আসতে না পারে, সেজন্য তারা পেট্রোল ঢেলে মানুষ হত্যা করেছে। কেউ তাদের হাত থেকে রেহাই পায়নি। এমনকি গরুভর্তি গাড়িতেও তারা আগুন দিয়েছে।
তিনি বলেন, এটি কোনো আন্দোলন নয়। জনগণকে সম্পৃক্ত করে তারা এ আন্দোলন করতে পারেনি। আন্দোলনের নামে সাধারণ মানুষ হত্যার উৎসব শুরু করেছিল তারা। এটি সম্পূর্ণ জঙ্গিবাদী সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড। তবে সব প্রতিকূলতা উপেক্ষা করেই দেশের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়েছে এমন দাবিও করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, এত বাধা সত্ত্বেও ৪০ থেকে ৪৫ শতাংশ মানুষ ভোট দিয়েছে। তারা যে বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে, তারই প্রমাণ রেখেছে। ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে অংশগ্রহণ ও সহযোগিতার জন্য দেশের জনগণ এবং প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দনও জানান তিনি। নতুন সরকার শপথ গ্রহণের পর দেশে স্বস্তি ফিরে এসেছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একটি গণতান্ত্রিক নির্বাচিত সরকার আরেকটি নির্বাচিত সরকারের হাত থেকে ক্ষমতা গ্রহণ করেছে। অতীতের সব নির্বাচনেই কোনো না কোনো সমস্যা হয়েছে। আমরা সরকার গঠনের পর দেশে শান্তি ফিরে এসেছে। যদিও জনগণের শান্তি দেখলে বিএনপিনেত্রীর ভালো লাগে না। তবে দেশের জনগণ আমাদের পাশে আছে। তাদের সঙ্গে নিয়েই আমরা এগিয়ে যাব। ২০২১ সালের মধ্যে দেশকে সুখী, সমৃদ্ধ আধুনিক মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করার অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এ বৈঠকে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ নেতারা যোগ দেন।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অর্থনীতির গতি ফেরানো
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শেখ হাসিনার যোগ-বিয়োগ
সোহরাব হাসান: কবি, সাংবাদিক।
sohrab03@dhaka.net
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চাল আর চক্রান্তের খেলায় জয়-পরাজয়
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘ডিসেম্বর অন যশোর রোড’
রাজীব নূর: সাংবাদিক।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এবারের লড়াই ধর্মনিরপেক্ষ ও সাম্প্রদায়িক শক্তির মধ্যে
![]() |
| নয়াদিল্লিতে গতকাল কংগ্রেসের অধিবেশনে বিশাল ফুলের মালা দিয়ে স্বাগত জানানো হয় (বাঁ থেকে) দলীয় প্রধান সোনিয়া, প্রধানমন্ত্রী মনমোহন ও দলের সহসভাপতি রাহুলকে । এএফপি |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নজরদারি নিয়ন্ত্রণে পরিকল্পনা ঘোষণা করছেন ওবামা
![]() |
| বারাক ওবামা |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতের মন্ত্রী শশী থারুর স্ত্রী সুনন্দার লাশ উদ্ধার
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
-
▼
2014
(9799)
-
▼
January
(1176)
-
▼
Jan 19
(24)
- কুষ্টিয়ায় শতাধিক চাতাল বন্ধ ক্ষতি ২০০ কোটি টাকা
- কাজের জবাবদিহি কোথায়?
- অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে নজর দিন
- মিত্র দেশের নেতাদের ফোনে আড়িপাতা হবে না :ওবামা
- পাকিস্তানে বোমা হামলায় ২০ সেনা নিহত
- এলাকার উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করবেন চট্টগ্রামের চার ম...
- জিয়াউর রহমানের ৭৮তম জন্মবার্ষিকী আজ
- এখনই এসো, কাল যদি ভালো না থাকি by মমতা বন্দ্যোপাধ...
- তখন ড্রিমগার্ল আর এখন? by প্রসেনজিৎ
- লাইনচ্যুত গণতন্ত্রের ট্রেন by আলী ইদ্রিস
- লাইনচ্যুত গণতন্ত্রের ট্রেন by আলী ইদ্রিস
- প্রতারণার ফাঁদ পেতেছে ফরাজী হাসপাতাল by রাজবংশী রায়
- তদন্ত নিয়ে তদন্ত সংস্থাও 'হতাশ' by আতাউর রহমান
- ‘এখুনি এসো কাল যদি ভাল না থাকি’ by মমতা বন্দ্যোপাধ...
- উপজেলা নির্বাচনে দলের একক প্রার্থী বাছাইয়ের নির্দে...
- ‘এখুনি এসো কাল যদি ভাল না থাকি’ by মমতা বন্দ্যোপাধ...
- রাজনীতি করতে হলে সন্ত্রাস বন্ধ করতে হবে :প্রধানমন্...
- অর্থনীতির গতি ফেরানো
- শেখ হাসিনার যোগ-বিয়োগ
- চাল আর চক্রান্তের খেলায় জয়-পরাজয়
- ‘ডিসেম্বর অন যশোর রোড’
- এবারের লড়াই ধর্মনিরপেক্ষ ও সাম্প্রদায়িক শক্তির মধ্যে
- নজরদারি নিয়ন্ত্রণে পরিকল্পনা ঘোষণা করছেন ওবামা
- ভারতের মন্ত্রী শশী থারুর স্ত্রী সুনন্দার লাশ উদ্ধার
-
▼
Jan 19
(24)
-
▼
January
(1176)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...








