Wednesday, June 5, 2019
কারাগারে যেমন কাটলো খালেদা জিয়ার ঈদ

জানা গেছে হাসপাতালে খালেদার সঙ্গে আছেন গৃহকর্মী ফাতেমা। তার তৈরি খাবার ও পরিবার থেকে পাঠানো খাবার ঈদের দিন খেয়েছেন খালেদা জিয়া।
ঈদের আগের দিন মঙ্গলবার ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মাহবুব আলম গণমাধ্যমকে বলেন, একজন বন্দির মতোই খালেদা জিয়া কারা জেল কোড অনুযায়ী খাবার পাবেন। ঈদের দিন অনুমতি সাপেক্ষে পরিবারের সদস্যরা তার সঙ্গে দেখা করতে পারবেন। সেদিন তারা বেগম জিয়ার জন্য খাবারও নিয়ে আসতে পারবেন। কারা কর্তৃপক্ষ সেসব খাবার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে খেতে দেবে।
এদিকে কারাগারের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, ঈদের দিন সকালে খালেদা জিয়াকে ঢাকা কেন্দ্রীয় (কেরানীগঞ্জ) কারাগারের কারারক্ষীদের তৈরি পায়েস, সেমাই ও মুড়ি দেয়া হয়। চিকিৎসকের পরামর্শ ও ডায়েট চার্ট অনুযায়ী তার খাবার তৈরি করা হয়।
এছাড়াও এসব মেন্যুর বাইরে খালেদা জিয়া অন্য কোনো খাবার খেতে চাইলে তা কারা কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে পারবেন। কিন্তু সেসব খাবার তাকে সরবরাহ করতে কারা কর্তৃপক্ষ বাধ্য নয় বলে জানিয়েছে কারা সূত্র।
এদিকে ঈদের দিন বুধবার সকালে বিএনপির সিনিয়র নেতারা রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করেন। এরপর কারাবন্দি খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে বিএসএমএমইউ হাসপাতালে যান। সেখান থেকে বনানীতে বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর কবর জিয়ারত করেন তারা।
এদিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার স্বজনরাা। ঈদের দিন দুপুর দেড়টার দিকে খালেদা জিয়ার সাত জন স্বজন তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আসেন। এ সময় তারা প্রায় একঘণ্টা সেখানে অবস্থান করেন। বিএনপির চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ‘ঈদের দিন দুপুরে খালেদা জিয়ার সাত স্বজন দেখা করেছেন। খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তনীয়।’
বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, দলের নেতারাও খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য সময় চেয়েছিলেন। কিন্তু তাদের দেখা করার অনুমতি দেয়া হয়নি।
বুধবার সকালে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, তারা ঈদের দিনে দলীয় চেয়ারপারসনের সাক্ষাত চেয়েছিলেন। কিন্তু অনুমতি দেয়া হয়নি।
উল্লেখ্য, এবার নিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কারাগারে পঞ্চমবারের মতো ঈদ উদযাপন করছেন। এর আগে ২০০৭ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দু’টি ঈদ কারাগারে করেন বিএনপি চেয়ারপাসন খালেদা জিয়া।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এই ঈদ আমাদের কাছে একটা নতুন সূর্যোদয়ের মতো : মমতা
| ঈদের নামাজে ক্বারি ফজলুর রহমানের সঙ্গে মমতা |
তিনি আজ (বুধবার) পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কোলকাতার ঐতিহ্যবাহী রেড রোডের ঈদের জামাতে উপস্থিত হয়ে সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে দেয়া ভাষণে ওই মন্তব্য করেন।
মমতা বিজেপির নাম না করে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করে বলেন, ‘ইতনা ডরনেকা বাত নেহি হ্যায়। এত ভয় পাওয়ার কিছু নেই। সূর্যের তেজ কখনো কখনো খুব বেড়ে যায়। কিন্তু পরে কমেও যায়। টাইম বিইং, যত দ্রুত ইভিএম (ইলেকট্রনিক ভোট যন্ত্র) ক্যাপচার করেছিল, তত দ্রুত চলেও যাবে। ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। যে ভয় পায়, সে মরে যায়। যে লড়ে, সেই সফল হয়।’
মমতা সবাইকে অভয় দিয়ে বলেন, ‘সর্বধর্ম সমন্বয় বজায় রাখার ক্ষেত্রে আমরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই চালিয়ে যাব। কোনো কিছুতে আপনারা ভয় পাবেন না।’
মমতা বলেন, ‘আপনারা ভালো থাকুন, সুন্দর থাকুন। ইনশাআল্লাহ্ মানুষের জয় হোক। জয়হিন্দ, জয় বাংলা, জয় ভারত।’
তিনি বলেন, ‘যে আমাদের সঙ্গে সংঘর্ষে নামবে সে চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যাবে। এত ভয় পাওয়ার কিছু নেই। মুরদই লাখ্ বুরা চাহে তো কেয়া হোতা হ্যায়, ওহি হোতা হ্যায় যো মঞ্জুরে খোদা হোতা হ্যায়। অর্থাৎ শত্রুরা লাখো অমঙ্গল কামনা করুক তাতে কিছুই হবে না। সেটাই ঘটবে যা খোদাতালা নির্ধারন করেছেন।’ তিনি বলেন, ‘তুমমে অউর মুঝমে তো ফরখ হ্যায় হি, কিঁউ কি তুম কবর সে ডরতে হো। অউর কাফন মেরা ইন্তেজার করতি হ্যায়!’ অর্থাৎ ‘তোমার ও আমার মধ্যে ফারাক তো আছেই। তুমি কবরে যেতে ভয় পাও আর কাফন আমার প্রতীক্ষা করে।’
মমতা বলেন,‘সবাই আমরা এক। ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। আল্লাহতায়ালা আপনাদের ভালো রাখুক।
আপনাদের ঘরে আলোর রোশনি আসুক। আপনারা সবাই খুশিতে ঈদ যাপন করুন।’ আপনাদের পরিবার, আপনাদের ভবিষ্যৎ, আপনাদের সমাজ, আপনাদের সংস্কার, আপনার রাজ্য, আপনার দেশ, সারা বিশ্বে ইনশাআল্লাহ আপনাদের জন্য ঈদ খুশির হয়ে উঠুক বলেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মন্তব্য করেন।
| ঈদের নামাজে মমতার ভাষণ |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নিউজিল্যান্ডকে ২৪৫ রানের টার্গেট দিল বাংলাদেশ

সাকিব মুশফিকের বিদায়ের পর মাহমুদুল্লাহকে সঙ্গে নিয়ে ভালোই ব্যাট করছিলেন মোহাম্মদ মিঠুন। এ দু’জনের ব্যাট চড়ে যখনই বড় স্কোরের স্বপ্ন দেখছিল বাংলাদেশ, তখনই আঘাত হানেন মার্ক হেনরি।
২৬ রান করা মিঠুনকে গ্রান্ডহোমের ক্যাচে পরিনত করেন এই পেসার। ১৭৯ রানে মিঠুনের বিদায়ে আবরো ধাক্কা বাংলাদেশ। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৩৭ ওভারে ১৮১ রান সংগ্রহ করেছে টাইগাররা। মাহমুদুল্লাহ ১১ রানে মোসাদ্দেক ১ রানে ব্যাট করছেন।
শুরুর ধাক্কা সামলে দারুন ব্যাট করছিলেন সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহীম। তৃতীয় উইকেটে ৫০ রানের জুটি গড়ে বড় স্কোরের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন এই দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান। হঠাৎ করে রান আউটে কাটা পরেন মুশফিকুর রহীম। দলীয় ১৫১ রানে ব্যক্তিগত ৬৪ রানে ফেরেন সাকিব আল হাসানও। ৬৮ বলে ৬৪ রানের ইংনিস খেলেন সাকিব। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষেও ৭৫ রানের ঝকঝকে ইংনিস খেলেছিলেন বিশ্ব সেরা এই অলরাউন্ডার। সাকিবের বিদায়ের পর মোহাম্মদ মিঠুনের সঙ্গে জুটি বাধেন মাহামুদুল্লাহ রিয়াদ। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৩১ ওভারে ১৫৪ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ। মিঠুন ১২ রানে মাহামুদুল্লাহ ২ রানে ব্যাট করছেন।
তামিম সৌমের বিদায়ের পর ইংনিস গড়ার দায়িত্ব নিয়েছেন দলের দুই অভিজ্ঞ কান্ডারি মুশফিকুর রহীম ও সাকিব আল হাসান। তৃতীয় উইকেটে দ্রুত ৫০ রানের জুটি গড়েন এরা। কিন্তু হঠাৎ করে ভুল বোজাবুঝিতে রানআউটে কাটা পরেন মুশফিকু রহীম। ১১০ রানে তৃতীয় উইকেট হারিয়ে আবারো বিপদে পরে বাংলাদেশ। আগের ম্যাচে ৭৮ রান করা মুশফিক ফেরেন ১৯ রানে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সাকিব ৪৩ রানে মিঠুন ২ রানে ব্যাট করছেন। তিন উইকেটে ২৫ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১২০।
টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা বেশ সাবধানী ব্যাটিং করেছিলেন তামিম ইকবাল ও সৌম্য সরকার। দুই কিউই পেসার ট্রেন্ট বোর্ড ও মার্ক হেনরিকে দেখে শুনে আট ওভারে স্কোর বোর্ডে ৪৫ রান জমাও করেছিলেন। শুরুর কঠিন সময় পার করার পর ফেরেন সৌম্য সরকার। ম্যাট হেনরিকে ক্রস ব্যাটে খেলতে গিয়ে হলেন বোল্ড।
হেনরির আগের ওভারে অফ দিয়ে দুটি বাউন্ডারি হাঁকিয়েছিলেন সৌম্য। পরের ওভারে লক্ষ্য করেছিলেন লেগ সাইড। ক্রস ব্যাটে খেলতে গিয়ে ঠিক মতো পারেননি। ব্যাটের কানা ছুঁয়ে বল আঘাত হানে স্টাম্পে। ভাঙে ৪৫ রানের উদ্বোধনী জুটি। নিজের দ্বিতীয় ওভারে বাংলাদেশকে বড় একটা ধাক্কা দিলেন লকি ফার্গুসন। তামিম ইকবালকে শর্ট বলে ফিরিয়ে দিলেন গতিময় এই পেসার। ২৫ বলে তিন চারে ২৫ রান করেন সৌম্য। ৩৮ বলে ২৪ রান করেছেন তামিম।
বিশ্বকাপের দ্বিতীয় ম্যাচে আজ নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি বাংলদেশ। এ ম্যাচে টস হেরে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ পেয়েছেন মাশরাফিরা। নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন।
এর আগে ২রা জুন দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে ২১ রানে জয় লাভ করে বাংলাদেশ। ইংল্যান্ডের ওভালেই আজ নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে নেমেছে টাইগাররা। এদিকে চলতি বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কাকে প্রথম ম্যাচে হারিয়ে দুর্দান্ত সূচনা করেছে নিউজিল্যান্ডও। জয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে দুই দলই মাঠে নেমেছে আজ।
একাদশ :
বাংলাদেশ : তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহীম, মোহাম্মদ মিঠুন, মাহমুদউল্লাহ, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, মোহাম্মদ সাইফউদ্দীন, মেহেদী হাসান মিরাজ, মাশরাফি বিন মুর্তজা, মোস্তাফিজুর রহমান।
নিউজিল্যান্ড : মার্টিন গাপটিল, কলিন মুনরো, কেন উইলিয়ামসন, রস টেইলর, টম ল্যাথাম, জেমস নিশাম, কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম, মিচেল সান্টনার, ম্যাট হেনরি, লোকি ফার্গুসন, ট্রেন্ট বোল্ট
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঈদ আনন্দে নতুন জামা by কবীর হোসাইন
আয়োজকেরা এসে পৌঁছাতেই হইহই করে উঠল সারিবদ্ধ শিশুরা। খুব স্বল্প পরিসরে হলেও স্বপ্নের মতো একটি সকালের মধ্য দিয়ে দিন শুরু করতে যাচ্ছে সমাজের এই স্বপ্নহীন অংশ। আর এই স্বপ্নের সকালটি উপহার দিচ্ছে ‘স্বপ্নের দোকান’ নামের একটি উদ্যোগ। কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট ফর পিসের (সিডিপি) এই উদ্যোগ দেশের বিভিন্ন জায়গায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাস্তবায়নে মূল ভূমিকায় ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীরা। আর্থিক সহায়তার মূল অংশটিও এসেছে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকেই। বেশ কয়েকজন শিক্ষকও অর্থ-সহায়তা দিয়েছেন। আনুষঙ্গিক সহায়তার পাশাপাশি সিডিপি কিছু আর্থিক প্রণোদনাও প্রদান করে।
সেই দোকানে প্রায় ২০০ নতুন পোশাক থরে থরে সাজানো। সারিবদ্ধ শিশুরা একে একে এসে জামা পছন্দ করছে। আয়োজকেরা অতি যত্নে গায়ে পরিয়ে দিচ্ছেন ওদের। এই আয়োজনের অন্যতম আয়োজক লোকপ্রশাসন বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী শাহ সাকিব সাদমান। ‘চাইল্ড লেবার ইন ঢাকা ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাস’ শিরোনামে একটি একাডেমিক অভিসন্দর্ভ তৈরি করতে গিয়ে খুব কাছ থেকে দেখেছিলেন ওদের জীবনপ্রবাহের নানা দিক। তখন থেকেই সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য কিছু একটা করার ভাবনা আসে। বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলার সঙ্গে সঙ্গেই এগিয়ে আসেন নিজ বিভাগের বন্ধু পল্লব রানা পারভেজ, সানজিদা ইসলাম, তৃষা হালদার, বৈশাখী, মনোবিজ্ঞান বিভাগের ফাতেমা ইসলামসহ বিভিন্ন বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পোশাক বিতরণের উদ্যোক্তা শাহ সাকিব সাদমান বলেন, ‘আমাদের ইচ্ছা ছিল নতুন কাপড় বিতরণের। সে লক্ষ্যেই কাজ করছিলাম। অর্থ সংগ্রহ করছিলাম। এমন সময় সিডিপির স্বপ্নের দোকানের ভাবনাটা ভালো লেগে যায়। ওদের সঙ্গে যুক্ত হই। সিডিপির সহায়তা পেয়ে আমাদের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে সুবিধা হয়েছে।’
আয়োজকদের ইচ্ছা, প্রতিবছরই আয়োজিত হবে স্বপ্ন বিক্রির এই ‘স্বপ্নের দোকান’। মুখে লেগে থাকা স্বর্গীয় হাসিটুকুর বিনিময় মূল্য হিসেবে আয়োজকদের ফিরিয়ে দিয়ে ফের কোলাহলে মিশে যাবে এই অসহায় শিশুরা।
![]() |
| ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী উদ্যোগ নিয়েছিল নতুন পোশাক বিতরণের |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘এখন ঈদের আয়োজন বেশি, আন্তরিকতা কম’ -অধ্যাপক আবুল কাশেম ফজলুল হক by মুনির হোসাইন

তখন যেভাবে দেখেছি যে ঈদ আসার অনেক আগ থেকেই আমরা ছোটরা বাবা মাকে বড়দেরকে ঈদ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতাম। তাছাড়া ঈদের সময় একটু খাওয়া দাওয়ার আয়োজন করা হয় সেগুলো সম্পর্কে আমরা জানতে চেয়েছি। আত্মীয় স্বজন আসছে কিনা তা নিয়ে জানতে চাইতাম। ছোটরা আসবে কিনা এবং আমরা নিজেদেরও ঈদ উপলক্ষে আত্মীয়দের বাড়িতে যাওয়ার সীমাহীন আগ্রহ ছিল।
তিনি বলেন, ঈদ উৎসবে আগে আন্তরিকতা ছিল কিন্তু আয়োজন কম ছিল। কিন্তু এখনতো অনেক বেশি আয়োজন হয়, আগে ধর্মীয় উৎসব হিসেবে ঈদটা উদযাপন করা হতো। কিন্তু এখন ঈদ মানে মুসলমান পরিবারের উৎসব। কিন্তু এখন ধর্মীয় দিক থেকে ঈদকে কম বিবেচনা করা হয়। গত কয়েক বছরের মধ্যে ধর্ম আবার পুনরুজ্জীবিত হচ্ছে। অনেক সাধারণ পরিবারে ঈদ সম্পর্কে পবিত্রতার বোধ জাগ্রত হয়েছে।
তিনি বলেন, ঈদ মানে আনন্দ এবং আনন্দের মধ্যে দিয়ে ঈদ উদযাপন করা এবং ঈদের দিন বিষণœতা না রাখা এটি হওয়া উচিত। সকলের সঙ্গে কোলাকুলি করা। ঈদ জামাতে নামাজ পড়া এগুলোতো একই রকমেই আছে। উৎসব এখন অনেক বেশি ব্যায় বহুল হয়েছে। আগে অতটা ব্যায় বহুল ছিল না।
নিজের ঈদ প্রস্তুতি সম্পর্কে তিনি বলেন, ঈদের দিন এখন সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে যাই। এবং সকালে গোসল করে ঈদের জন্য নির্ধারিত পাঞ্জাবি পায়জামা পড়ে ঈদ জামাতে যাই। আমার সঙ্গে আমার নাতিদেরও নিয়ে যেতে চেষ্টা করি। এভাবে ঈদ উদযাপন করি। এবং ঈদের জামাত থেকে আসার পরে সকলে মিলে সেমাই খাই। খাওয়ার পরে আমি সাধারণত অন্যদের বাড়িতে যাই না। কিন্তু আত্মীয় স্বজন আসলে তাদের সময় দিয়ে থাকি। ছোটরা সালাম করে থাকে। তাদের ঈদ সালামি দেই।
তিনি বলেন, আমার উপলব্ধি অনুযায়ী রাজনীতির যদি উন্নত হয় তাহলে ঈদ সম্পর্কে যে আনন্দের কথা বলা হয় সম্প্রীতির কথা বলা হয় সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব এ বিষয়গুলো সাফল্যের দিকে যেতে পারে। আমরা চেষ্টা করি কিন্তু কার্যক্ষেত্রে খুনাখুনি মারামারি এবং আমরা চাই না এমন অনেক ঘটনা ঘটে। তো সমাজের ভেতর থেকে সমাজকে ভালো করা যায় কিন্তু বেশি ভালো করা যায় না। যদি দেশে সার্বজনীন কল্যাণে কাজ করার মতো সরকার থাকে। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যদি পারস্পরিক সম্প্রীতির মনোভাব থাকে তাহলে দেখা যায় গোটা সমাজের মধ্যে এ ব্যাপারগুলো কার্যকর হয়। আমরা চাই আমাদের দেশের রাজনীতির উন্নতি ঘটুক। আমরা চাই আমাদের গণতন্ত্রকে জনগণের প্রকৃত গণতন্ত্র রূপে নতুন করে আমাদের জনগণ উপলব্ধি করতে শিখুক এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের চর্চা নতুন করে গড়ে উঠুক। এবং তার মধ্যে ঈদের সম্প্রীতি গড়ে উঠুক। এবং সারা বছরই এ সম্প্রীতির মনোভাব আমাদের মধ্যে থাকুক এটাই প্রত্যাশা করি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শোলাকিয়ায় বৃষ্টিস্নাত জনসমুদ্র by আশরাফুল ইসলাম

জামাত শুরুর আগেই সাত একর আয়তনের শোলাকিয়া মাঠ পূর্ণ হয়ে যায়। আগত মুসল্লিদের অনেকে মাঠে জায়গা না পেয়ে পার্শ্ববতী রাস্তা, তিনপাশের ফাঁকা জায়গা, নদীর পাড় ও শোলাকিয়া সেতুতে জায়গা করে নিয়ে জামাতের জন্য দাঁড়িয়ে পড়েন। রাতের টানা বৃষ্টির পর সকালে শুরু হয় অঝর ধারায় বৃষ্টি। এতে ঈদগাহ ময়দান, রাস্তা ও আশেপাশের এলাকা কর্দমাক্ত হলেও এর উপর পলিথিন ও জায়নামাজ বিছিয়ে মুসল্লিরা প্রস্তুতি নেন জামাতের।
দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানের ইমাম মাওলানা ফরিদ উদ্দিন মাসঊদ ২২ মিনিট দেরিতে ঈদগাহ ময়দানে পৌঁছান। কর্দমাক্ত মাঠ আর কয়েক ঘন্টার টানা বৃষ্টিতে মুসল্লিরা ¯œাত হলেও আল্লাহর সান্নিধ্য ও অনুকম্পা পেতে ব্যাকুল ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য তা বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। বৃষ্টিতে ভিজেই বৃহত্তম এ ঈদ জামাতের নামাজ আদায় করেছেন। সকাল ১০টা ২৪ মিনিটে প্রতিকূল পরিবেশ ও বৃষ্টি উপেক্ষা করে শোলাকিয়ার দেশের সর্ববৃহৎ এ ঈদ জামাতে নামাজে শরিক হন তাঁরা।
জনশ্রুতি রয়েছে যে, এ মাঠে পরপর সাতটি ঈদের জামাত আদায় করলে এক কবুল হজ্বের সওয়াব পাওয়া যায়। সে জন্য শোলাকিয়া মাঠ গরীবের মক্কা নামেও পরিচিত। মাঠের সুনাম ও জনশ্রুতির কারণে ঈদের বেশ কয়েক দিন আগে থেকেই কিশোরগঞ্জের প্রত্যন্ত অঞ্চল ও সারাদেশের বিভিন্ন জেলা তথা ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, রাজশাহী, কুষ্টিয়া, গাজীপুর, নরসিংদী, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, সিলেট, জামালপুর, খাগড়াছড়ি, শেরপুর, যশোর, খুলনা ও চট্রগ্রামসহ অধিকাংশ জেলা থেকে শোলাকিয়ায় মুসল্লিদের সমাগম ঘটে। এদের অনেকে ওঠেন হোটেলে, কেউবা আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে ও মাঠ পরিচালনা কমিটির ব্যবস্থাপনায় শোলাকিয়া ঈদগাহ সংলগ্ন কুমুদিনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। আবার অনেকেই কোথাও জায়গা না পেয়ে রাত কাটান জেলা সদরের বিভিন্ন মসজিদে। ঈদের দিন শোলাকিয়ায় ঈদের জামাতে অংশগ্রহণকারী মুসল্লিদের যাতায়াতের সুবিধার্থে চলাচল করেছে ২টি স্পেশাল ট্রেন। একটি ট্রেন ভৈরব থেকে সকাল ৬টায় ছেড়ে আসে এবং অন্যটি ময়মনসিংহ থেকে সকাল পৌনে ৬টায় ছেড়ে আসে।
১৮২৮ সালে অনুষ্ঠিত ঈদের প্রথম বড় জামাতের হিসাব অনুযায়ী শোলাকিয়া ময়দানে এবার ছিল ১৯২তম ঈদ জামাত। জামাতকে কেন্দ্র করে নেওয়া হয় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। বিপুল সংখ্যক পুলিশ, আর্মড পুলিশ, র্যাব ও বিজিবি সদস্যদের কঠোর নিরাপত্তা ও নজরদারিতে শান্তিপূর্ণভাবে ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। মাঠের চারপাশে বসানো হয় নিরাপত্তা চৌকি। মাঠের ৩২টি প্রবেশ পথে চেকপয়েন্ট বসিয়ে মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে মুসল্লিদের দেহ তল্লাশি করা হয়। সকাল ১০টায় জামাত শুরু হওয়ার কথা থাকায় রেওয়াজ অনুযায়ী ১৫, ৫ ও ১ মিনিট আগে শর্টগানের ফাঁকা গুলির আওয়াজ করে নামাজের প্রস্তুতির সংকেত দেওয়া হয়। কিন্তু ইমামের বিলম্বে পৌঁছার কারণে জামাত শুরু হয় ১০টা ২৪ মিনিটে। জামাতে এবারও ইমামতি করেন মাওলানা ফরিদ উদ্দিন মাসঊদ। জামাত শেষে ইমাম তাঁর বয়ানে দেশ ও জাতির উন্নতি, সমৃদ্ধি এবং মুসলিম উম্মাহর সংহতি ও ঐক্য কামনা করেন। এছাড়া দেশ-জাতি ও মুসলিম উম্মাহর জন্য মঙ্গল কামনা এবং পাপ থেকে মুক্তির জন্য বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন তিনি। লাখো মুসল্লিদের উচ্চকিত হাত আর আবাল-বৃদ্ধ-বনিতার আমীন, আমীন ধ্বনিতে এ সময় মুখরিত হয়ে উঠে পুরো ঈদগাহ এলাকা।
ঈদ জামাত শুরুর আগে ঈদগাহ মাঠ পরিচালনা কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী, পুলিশ সুপার মো. মাশরুকুর রহমান খালেদ বিপিএম (বার), কিশোরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মাহমুদ পারভেজ ও ঈদগাহ মাঠ পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাহদী হাসান মুসল্লিদের স্বাগত ও শুভেচ্ছা জানিয়ে বক্তব্য রাখেন।
জনশ্রুতি রয়েছে যে, ১৮২৮ সালে প্রথম বড় জামাতে এই মাঠে একসঙ্গে ১ লাখ ২৫ হাজার অর্থাৎ সোয়ালাখ মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায় করেন। এই সোয়ালাখ থেকে এ মাঠের নাম হয় ‘সোয়ালাখিয়া’, যা উচ্চারণ বিবর্তনে হয়েছে শোলাকিয়া। অপর একটি ধারণা হচ্ছে, মোগল আমলে এখানে পরগনার রাজস্ব আদায়ের একটি অফিস ছিল। সেই অফিসের অধীন পরগণার রাজস্বের পরিমাণ ছিল সোয়া লাখ টাকা। এটাও ‘শোলাকিয়া’ নামকরণের উৎস হতে পারে। তবে প্রথম ধারণাটি জনসাধারণের মাঝে অধিক প্রচলিত রয়েছে।
এ ঈদ জামাতকে উপলক্ষ করে জেলা প্রশাসন, পৌর প্রশাসন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মুসল্লিদের শুভেচ্ছা জানিয়ে মাঠ সংলগ্ন রাস্তায় তোরণ নির্মাণ, ব্যানার-ফেস্টুন টানানো, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, জরুরী স্বাস্থ্য সেবা প্রদান, আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতাসহ বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়ার সংবাদকর্মীদের উপস্থিতি ও কর্মব্যস্ততা ছিল চোখে পড়ার মত।
শত ব্যস্ততা, নানা সমস্যা আর প্রাকৃতিক বৈরিতাকে উপেক্ষা করে এক কাতারে দাঁড়িয়ে ধনী-গরীব সকলে নামাজ আদায় করেন শোলাকিয়া ঈদ জামাতে। তাঁদের সবার উদ্দেশ্য একটাই যেন কোন অবস্থাতেই হাত ছাড়া হয়ে না যায় জামাতে অংশগ্রহণ, পাপ থেকে মুক্তি আর আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের সুযোগ। ধনী-গরীবের ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে সাম্য ও সুন্দরের ভিত্তিতে এক নতুন সমাজ গড়ার এই শিক্ষা নিয়েই জামাত শেষে বাড়ির পথে শোলকিয়া ছাড়েন তাঁরা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
একে অপরকে নয় ফিলিস্তিনের শত্রুদের রুখে দিন: মুসলিম বিশ্বের প্রতি সর্বোচ্চ নেতা

সর্বোচ্চ নেতা সবাইকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়ে আবারও বলেন, ফিলিস্তিন ইস্যুই হচ্ছে মুসলিম বিশ্বের এক নম্বর ইস্যু। যেসব মুসলিম দেশ আমেরিকা ও ইহুদিবাদী ইসরাইলের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য কাজ করছে তাদের সমালোচনা করেন সর্বোচ্চ নেতা।
আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী বলেন, ইসলামী ইরানের দৃষ্টিভঙ্গি ওই সব প্রাচীন আরব নেতার মতো নয় যারা মনে করত সব ইহুদিকে সাগরে নিক্ষেপ করতে হবে বরং ইসলামী ইরান গোটা ফিলিস্তিনি জাতিকে রক্ষার পক্ষে। ইরান প্রথম থেকেই ফিলিস্তিনিদের রক্ষায় কাজ করছে এবং সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এই অবস্থান অব্যাহত থাকবে ।
ফিলিস্তিনি সে মুসলমান হোক, আর খ্রিষ্টান বা ইহুদিই হোক তাদের সবার মতামত এবং ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের রায়ের ভিত্তিতে দেশটির শাসনব্যবস্থা নির্ধারণের যে প্রস্তাব ইরান অতীতে দিয়ে রেখেছে সে বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিয়ে সর্বোচ্চ নেতা বলেন, ফিলিস্তিনি জাতির মতামত মেনে না নেওয়া পর্যন্ত সামরিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিকভাবে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে যাতে দখলদাররা ফিলিস্তিনিদের মতামত মেনে নিতে বাধ্য হয়। যেসব মুসলিম দেশ ইহুদিবাদী ইসরাইলের সঙ্গে আপোষ এবং মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ উসকে দেয়ার চেষ্টা করছে তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা তওবা করে এই ভুল পথ থেকে সরে আসুন।
তিনি মুসলিম ঐক্যের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রশ্ন তোলেন, লিবিয়ার মতো একটি মুসলিম দেশে কেন একটি গোষ্ঠী অপর গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লড়বে, কেন তারা রক্তক্ষরণ ঘটাবে, কেন ইসলামী রাষ্ট্র হিসেবে দাবিদার একটি দেশ ইয়েমেনের মুসলিম জনগণের উপর হামলা চালাবে,তাদের অবকাঠামো বোমা মেরে ধ্বংস করে দেবে এবং শত্রুরা যেভাবে চাইছে সেভাবে কাজ করবে।
তিনি বলেন, পবিত্র ঈদুল ফিতরের বার্তা হচ্ছে মুসলিম ঐক্য ও সংহতি। মুসলমানদেরকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে সর্বোচ্চ নেতা বলেন, পবিত্র কুরআনের এই আহ্বানে সাড়া দিলেই মুসলমানদের বর্তমান সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। তিনি কুরআনের এই আহ্বান বাস্তবায়নে আলেম ও মুসলিম চিন্তাবিদদেরকে অনেক বেশি দায়িত্ব রয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনে বাংলাদেশ কোনো সহযোগিতা করছে না, চুক্তিতে সম্মান দেখাচ্ছে না’

এতে তিনি অভিযোগ করেন, মিয়ানমারের পশ্চিমাঞ্চল থেকে যেসব মানুষ পালিয়ে গিয়ে শরণার্থী হয়েছে তাদেরকে ফেরত পাঠানো এবং আবাসিক কার্ড দেয়ার বিষয়ে কোনো সহযোগিতা করছে না বাংলাদেশ। এখানেই শেষ নয়। তিনি আরো অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশের বিরুদ্ধে। বলেছেন, ২০১৭ সালের নভেম্বরে প্রত্যাবর্তন নিয়ে দুই দেশের মধ্যে যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল তার প্রতি কোনোই সম্মান দেখাচ্ছে না বাংলাদেশ।
ওই চুক্তির অধীনে রোহিঙ্গা ও অন্য যেসব সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ রাখাইন থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছেন, তাদের ফেরত পাঠানোর কথা বলা হয়েছে। তিনি বলেন, এই প্রত্যাবর্তন শুরু হওয়া উচিত ছিল ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে। কিন্তু সরকারি চ্যানেলের মাধ্যমে কোনো রোহিঙ্গা এখন পর্যন্ত ফেরত আসে নি।
নিক্কি’র আয়োজনে বসেছিল এবার ২৫তম ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অব দা ফিউচার অব এশিয়া শীর্ষক সম্মেলন। এতে মিয়ানমারের ওই মন্ত্রী আরো বলেন, প্রায় ২০০ মানুষ তাদের নিজেদের ইচ্ছায় বাংলাদেশ থেকে ফিরে এসেছে। তারা এসেছে অত্যন্ত কঠিন সফরের মাধ্যমে।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তন বিষয়ক চুক্তি বার বার বিলম্বিত হয়েছে, যদিও এ নিয়ে জাতিসংঘের দুটি সংস্থার সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে গত বছর। উদ্দেশ্য, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিরাপদ ও স্বেচ্ছাভিত্তিক নিশ্চিত করা। তবে মানবাধিকার বিষয়ক গ্রুপগুলো বলছে, নাগরিকত্বের মতো আইনগত সুরক্ষা ছাড়া রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে ফিরে গেলে তারা সেখানে অব্যাহত নির্যাতনের মুখে পড়বে, যেখানে তাদের অবাধ চলাফেরা, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার অধিকার দেয়া হয় না।
মন্ত্রী কাইওয়া টিন্ট সয়ে বলেছেন, যেসব মানুষ ‘সার্টিফিকেট অব রেসিডেন্স’ নিয়ে ফিরে আসবে তাদের সবাইকে গ্রহণ করতে প্রস্তুত মিয়ানমার সরকার। এ ছাড়া যারা বৈধ তারা নাগরিকতের জন্য আবেদন করতে পারবে। মন্ত্রী আরো বলেন, রোহিঙ্গা বাদেও কক্সবাজার সীমান্তে আটকা পড়ে আছেন ৪৪৪ জন হিন্দু। মিয়ানমার তাদেরকে ছেড়ে দেয়ার আনুষ্ঠানিক আবেদন করা সত্ত্বেও বাংলাদেশ তাদেরকে ছেড়ে দেয় নি। তিনি আরো বলেন, যে ২০ জনের মতো হিন্দু ফিরে এসেছেন, তারা এসেছেন স্বেচ্ছায়। নিজেদের আয়োজনে। তাদের কেউই সরকারি চ্যানেলের মাধ্যমে আসেন নি।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট রাখাইনে মুসলিম রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নৃশংস নির্যাতন শুরুর পর কমপক্ষে ৭ লাখ ২০ হাজার রোহিঙ্গা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পালিয়ে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। জাতিসংঘ একে গণহত্যা হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। তবে মিয়ানমার এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, তারা সন্ত্রাসী বিরোধী অভিযান চালিয়েছে রাখাইনে। এই নৃশংসতার বিরুদ্ধে কড়া নিন্দা জানিয়েছে আসিয়ান। কড়া সমালোচিত হয়েছেন মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সুচি। তার নোবেল শান্তি পুরস্কার ফেরত নেয়ার দাবি উঠেছে। কেড়ে নেয়া হয়েছে তাকে দেয়া অভিজাত সব পুরস্কার ও খেতাবের বেশির ভাগই।
এ অবস্থায় মিয়ানমারকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে চীন। দেশটির সঙ্গে নিজেদের সম্পর্ককে মন্ত্রী কাইওয়া টিন্ট সয়ে ‘অত্যন্ত ভাল’ বলে আখ্যাযিত করেছেন। বলেছেন, তার সরকার সব প্রতিবেশীর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অব্যাহত রাখতে চায়। তিনি বলেন, চীন ও মিয়ানমার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অব্যাহত রেখেছে। দু’দেশের মধ্যে রয়েছে পারস্পরিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ। তিনি বলেন, মিয়ানমারে প্রচুর বিনিয়োগ রয়েছে চীনের। তবে এতে মিয়ানমার যে ঋণের ফাঁদে পড়বে বলে আশঙ্কার কথা বলা হয়েছে, এর স্বপক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় নি।
অবকাঠামো খাতে আর্থিক বিনিয়োগ নিয়ে চীনের সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে মন্ত্রী কাইওয়া টিন্ট সয়ে ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, চীনের সঙ্গে এ সংক্রান্ত চুক্তি করেছে আগের সরকার। সেটা নিয়ে শুধু নতুন করে সমঝোতা করেছেন অং সান সুচির নেতৃত্বাধীন সরকার, যাতে কোনো ঋণের ফাঁদে না পড়ে মিয়ানমার। এ সময় মন্ত্রী জাপান সহ সকল বাণিজ্যিক অংশীদাদের বিনিয়োগ প্রত্যাশা করেন। বলেন, বিদেশী বিনিয়োগকে আরো বন্ধুত্বপূর্ণ করার জন্য তার সরকার বিনিয়োগ বিষয়ক নীতিকে পুনর্গঠন করেছে। তার ভাষায়, আমরা এরই মধ্যে জাপানকে বিনিয়োগ করতে আহ্বান জানিয়েছি। আমি এটা ঘোষণা করতে পেরে খুশি লাগছে যে, সম্প্রতি ঘোষণা করা হয়েছে টয়োটা মিয়ানমারে বিনিয়োগ করতে আসছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভুতুড়ে মামলার আসামি খুঁজছে পুলিশ by মোহাম্মদ ওমর ফারুক

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক খতিবুর রহমান খোকন। গত বছরের ১০ই আগস্ট থেকে ২৩শে সেপ্টেম্বর ছিলেন হজে। অথচ পুলিশের ভাষ্যে, এই সময়ে তিনি বিভিন্ন জায়গায় নাশকতা চালানোর চেষ্টা করেছেন,পুলিশের উপর ককটলে ছুড়ে মেরেছেন। চকবাজার থানার ৪৪ নম্বর মামলার একটি এজাহার থেকে জানা যায়, মামলাটি করা হয় ১৮ই সেপ্টেম্বর। এতে বলা হয়, ওই দিন তিনি চকবাজার থানার বিএনপির সেক্রেটারি হাজী টিপু সুলতানের নেতেৃত্বে খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে ইসলামবাগ থেকে ওয়ার্কস রোড হাজী বালুগেট দিয়ে আসছেন এবং নাশকতা চালাবেন, এমন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ যখন ওয়ালটনের শো রুমের সামনে যায় তখন বিএনপির কর্মীরা পুলিশের উপর ককটেল এবং ইটপাটকেল ছুড়ে মারেন। এতে বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন। অথচ এই মামলার ২৯ নম্বর আসামি খতিবুর রহমান ছিলেন হজে।
তিনি দেশে ফিরেছেন ২৩শে সেপ্টেম্বর। তার বিরুদ্ধে হজে থাকার সময় মামলা হয়েছিল মোট ৬টি। এই মামলায় তিনি জেলও খেটেছেন। নভেম্বর থেকে এ বছরের মার্চ পর্যন্ত তিনি জেলে ছিলেন। খতিবুর রহমান বলেন, এসব মামলা শুধুমাত্র আমাদের হয়রানী করার জন্য দিয়েছে। আমি যখন হজে ছিলাম এসব মামলা তখনই হয়েছে। পরে আমি নিজেও খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছি সেই দিন এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। তারপরও এই মামলায় আমাদের ৫৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। বিনা কারণে পাঁচ মাস জেল খেটেছি। এখনো ভয়ে এলাকায় যাই না। যদিও কিছু মামলায় জামিন নেয়া আছে। তারপরও পুলিশ বলে কথা। পুলিশ এখন আর তেমন হয়রানি করছে না বলেও জানা তিনি। পুলিশের তদন্তের ব্যপারে তিনি বলেন, আমি মামলার সময় কোথায় ছিলাম, কী করছিলাম এসব তখন পুলিশ জানতে চায়নি । তবে দুই একদিন আগে থানা থেকে ফোন দিয়েছিল, হজের কাগজপত্রগুলো দিয়ে আসার জন্য। আমি লোক দিয়ে পাঠিয়ে দিয়েছি।
রাজধানীর চকবাজার থানা বিএনপির আহ্বায়ক ও ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আজিজুল্লাহ মারা গেছেন ২০১৬ সালের ৩রা মে মাসে। মৃত্যুর প্রায় আড়াই বছর পর তার বিরুদ্ধে নাশকতার মামলা দেয় চকবাজার থানা পুলিশ। মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, গত বছরের ৫ই সেপ্টেম্বর ঢাকার পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগার এলাকায় পুলিশকে লক্ষ্য করে তিনি ইটপাটকেল ছুড়েছেন। এমনকি অন্য নেতা-কর্মীদের সঙ্গে ককটেলের বিস্ফোরণও ঘটিয়েছেন। এই মামলার আরেক আসামি বিএনপির সমর্থক আব্দুল মান্নাফ ওরফে চাঁন মিয়া গত ৪ঠা আগস্ট হজ করতে সৌদি আরবে যান। তাকেও এই মামলার চার নম্বর আসামি করা হয়।
চকবাজার থানায় দায়ের করা এমন একটি মামলার একজন আসামি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, এসব মামলা নির্বাচনের আগে শুধু মাত্র নেতাকর্মীদের হয়রানী এবং বাড়ি ছাড়া করার উদ্দেশ্যই করা হয়েছিল। এখন পুলিশ তেমন একটা হয়রানী করে না। যা করার তো আগেই করেছে। কিন্তু আমাদের হাজার হাজার নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে এসব মামলার মূল উদ্দেশ্যই ছিল হয়রানী। প্রাপ্ত তথ্য মতে, গত বছরের ১লা সেপ্টেম্ব্বর থেকে নভেম্ব্বর পর্যন্ত সারা দেশে ভাঙ্গচুর অগ্নিসংযোগসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা হয়েছে ৪ হাজার ৪২৯টি। এসব মামলায় ১ লাখ ৯ হাজার ৪৪১ জন আসামির নাম উল্লেখ করা হয়। রয়েছেন জ্ঞাত ও অজ্ঞাত আসামির সংখ্যা ৪ লাখ ৩৪ লাখ ৯৭৫ জন। যার অধিকাংশ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী। এসব মামলা হওয়ার পর দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও তদন্তে কোনো অগ্রগতি দেখাতে পারেনি পুলিশ। তদন্তেও নেই কোনো গতি। ফলে রাজনৈতিক কর্মীদের পাশাপাশি ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে সাধারন মানুষকে। কিছুদিন আগেও উচ্চ আদালতে এসব মামলার আগাম জামিন নেয়ার জন্য আসামিদের ভিড় দেখা গেছে। এত সংখ্যক মামলার হাজার হাজার আসামিদের যাচাই বাছাই করতে গিয়ে বিপাকে পড়তে হচ্ছে তদন্তকারী কর্মকর্তাদের। শুধু তাই নয়, নামে বেনামে এসব মামলার আসামিদের শনাক্ত করতেও বেশ বেগ পোহাতে হচ্ছে তাদের।
একাধিক তদন্তকারী কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মামলাগুলো তদন্ত করতে গিয়ে নানা ধরনের সমস্যার মুখে পড়ছেন তারা। ঘটনাস্থলে ঘটনা না ঘটা, দুর্বল সাক্ষী, নিরপরাধ মানুষকে মামলায় জড়ানোসহ নানান অসঙ্গতির কারণে তদন্ত ঠিকমতো এগুচ্ছে না। রাজধানীর বিভিন্ন থানায় হওয়া মামলাগুলো ঘেটে দেখা যায়, বেশির ভাগ মামলাই নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে দায়ের করা। আর এসব মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এক থানা থেকে আরেক থানায় বদলি হয়ে যাওয়ার কারণে পরিবর্তন হচ্ছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। বেশ কয়েকজন তদন্তকারী কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে এমনটা জানা যায়। তবে তদন্তে এত ধীরগতি কেন জানতে চাইলে তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানান, একটি মামলায় শতাধিক আসামি থাকে। প্রতিটি আসামি যাচাই বাছাই করতে সময় লাগে। বাড়ি,নাম,ঠিকানা একেকজন করে তদন্ত করতে হয়। সেটা তো অনেক সময় লাগার কথা।
চকবাজার থানায় দায়ের করা এমন একটি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা অতিব চন্দ্র দরজী। তিনি এ থানার ১৫ নম্বর মামলার তদন্ত করার কথা থাকলেও মাস তিনেক আগে বদলি হয়ে যান লালবাগ থানায়। ফলে মামলাটি তদন্ত করছেন আরেক কর্মকর্তা। অতীব চন্দ্র বলেন, তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিবর্তন হলে কোনো সমস্যা থাকার কথা না। পরে যিনি আসবেন, তিনি আবার তার মতো করে তদন্ত করবেন। তার তদন্তধীন মামলাটিতে আজিজুল্লাহ নামে একজন মৃত ব্যক্তি আসামি আছেন এ ব্যপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা কম্পিউটারের মিসটেক ছিল। ফলে এমনটা হয়েছে। আরেক আসামি হজে থাকার সময় কিভাবে আসামি হয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, যদি এমনটা হয় তাহলে কাগজপত্র নিয়ে থানায় যোগাযোগ করতে বলেন। চকবাজার থানার ৪৪ নম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাব-ইন্সপেক্টর মো.জিহাদ হোসেন বলেন, ঘটনা ঘটেছে তাই তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তদন্তে ধীরগতি কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, কোনো ধীরগতি নেই। আমরা আমাদের মতো কাজ করছি। তার তদন্তধীন মামলায় হজে থাকার সময় এক ব্যাক্তির বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে কেন জানতে চাইলে তিনি এর কোনো উত্তর না দিয়ে এ প্রতিবেদকে থানা থেকে বিস্তারিত জেনে নিতে বলেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বৃদ্ধাশ্রমে অসহায়দের সঙ্গে পূর্ণিমার এক দুপুর








About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিশ্বকাপের ইতিহাস by পিন্টু আনোয়ার

এর আগে ক্রিকেটের জনপ্রিয়তা বাড়াতে একটি বিশ্বকাপ আয়োজনের অনেক চেষ্টাই করেছে আইসিসি। ১৮৭৭ সালে অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার প্রথম টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার প্রায় দুই যুগ পর ১৯০০ সালে অলিম্পিকে ক্রিকেটকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সে আসরে গ্রেট ব্রিটেন ও ফ্রান্স অংশ নেয়। ফ্রান্সকে ১৫৮ রানে হারিয়ে স্বর্ণপদক জিতে নেয় ব্রিটেন। কিন্তু এক আসর না যেতেই ক্রিকেটকে বাদ দেয় অলিম্পিক কমিটি। বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা চিন্তায় পড়ে যায়। খেলাটিকে বৈশ্বিক করতে একটি জমজমাট আসর যে চাই।
সে ভাবনা থেকে ১৯১২ সালে ওই সময়ের তিনটি টেস্ট খেলুড়ে দেশ ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকাকে নিয়ে ত্রিদেশীয় প্রতিযোগিতা আয়োজনের প্রথম প্রচেষ্টাও চালানো হয়। কিন্তু প্রতিকূল আবহাওয়া ও দর্শকদের অনাগ্রহের মুখে থুবড়ে পড়ে সে আসর। তখন থেকেই টেস্ট ক্রিকেট দ্বিপক্ষীয় সিরিজে পরিণত হয়। তখন আইসিসি যেন একটু ব্যাকফুটে চলে যায়।
অন্যদিকে ফুটবল, আইস হকি এমনকি টেবিল টেনিস বিশ্বকাপেরও তখন রমরমা অবস্থা। তাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে বাস্কেটবল, ব্যাডমিন্টন, রাগবি ও ভলিবলও বিশ্বকাপ আয়োজন শুরু করে। পড়ে থাকে অভিজাত খেলা ক্রিকেট। কালক্রমে নিউজিল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ভারত ও পাকিস্তানের আবির্ভাব টেস্ট আঙিনায়। ‘টাইমলেস’ যুগ থেকে পাঁচদিনের জামানায় যাত্রা করে খেলাটি। তারপরও এক একটি ম্যাচ পাঁচ দিনের হলে তো বিশ্বকাপ আয়োজনে লেগে যাবে লম্বা সময়।
সব সমস্যার সমাধান করে দেয় মেলবোর্নের সেই পরিত্যক্ত ম্যাচটি। ১৯৭১ সালের ১লা জানুয়ারি শুরু হওয়ার কথা ছিল টেস্ট ম্যাচটির। কিন্তু ম্যাচের শুরুর চার দিনে টানা বৃষ্টিতে একটি বলও মাঠে গড়ানো সম্ভব হয়নি। পঞ্চম দিনে মেলবোর্নে ঝকঝকে রোদ ওঠে। মজার ব্যাপার সে দিনও স্টেডিয়ামের গ্যালারি ছিল দর্শকে পরিপূর্ণ। অথচ সেদিন তাপমাত্রা ছিল ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মতো। কনকনে শীতেও প্রিয় দলের খেলা দেখতে মাঠে উপস্থিত সমর্থকরা। আগের দু’টি টেস্ট ড্র হওয়ায় আগ্রহটা অনেক। এদিকে দোটানায় পড়ে যায় মেলবোর্ন কর্তৃপক্ষ। একদিনে টেস্ট ম্যাচ শেষ হওয়া কোনোভাবেই সম্ভব না। আর টেস্ট ড্র হলে একটি অতিরিক্ত ম্যাচ আয়োজন করতে গচ্চা দিতে হবে ৮০ হাজার পাউন্ড। কারণ ইংল্যান্ড দলকে নিজ দেশে রাখতে খরচ ছাড়াও তাদের অতিরিক্ত অর্থ দিতে হবে। এছাড়া শিডিউল করা টেস্ট শেষ হতেই সময় লাগবে ৪০ দিন। অন্যদিকে ৪৮ দিনের মধ্যে পাকিস্তান দলও আসছিল অস্ট্রেলিয়া সফরে। আর আগের দুই টেস্ট ড্র হওয়ায় দর্শকরাও হতাশ ও উত্তেজিত। স্বল্প সময়ে সমর্থকদের দেখার মতো কিছু তো দিতে হবে! অবশেষে ইংল্যান্ড একাদশ ও অস্ট্রেলিয়া একাদশ নামে একটি একদিনের সীমিত ওভারের ম্যাচ আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয় তারা। ৪০ ওভারে ম্যাচটি আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তখন ৮ বলে ওভার হতো।
শেষ মুহূর্তে সিগারেট কোম্পানি রথম্যান্স ম্যাচটির পৃষ্ঠপোষকতা করে ৫০০০ পাউন্ড দেয় ম্যাচটি আয়োজনের জন্য এবং ম্যান অব দ্য ম্যাচের জন্য দেয়া হয় ৯০ পাউন্ড।
ঐতিহাসিক ম্যাচটি ৪২ বল হাতে রেখে ৫ উইকেটে জিতে নেয় অস্ট্রেলিয়া। তবে সে ম্যাচের আবহ নিয়ে অধিনায়ক রে ইলিংওয়ার্থ ১৯৯৪ সালে এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘আমি অনেকক্ষণ ধরে ড্রেসিং রুমে অপেক্ষা করি। শেষ পর্যন্ত খেলতে পেরেই কৃতজ্ঞ ছিলাম। এটা শুধুমাত্র বাণিজ্যিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য আয়োজিত হয়েছিল। আমি বলতে পারবো না, আমি নিজের সেরাটা দিয়ে খেলেছি কি না।’ অনেকটা মজার ছলেই প্রথম ওয়ানডে ম্যাচটি খেলেছিলেন ক্রিকেটাররা। অস্ট্রেলিয়ার অফস্পিনার অ্যাশলে মালে বলেছিলেন, ‘তারা সেটাকে প্রথম আন্তর্জাতিক একদিনের ক্রিকেট ম্যাচ বলে, সেটা আমাকে অনেক বছর বিস্মিত করেছে। এখন ভাবি, আমিও এই ইতিহাসের অংশ। কিন্তু এক সময় এটাকে আমি স্রেফ কৌতুক হিসেবেই মনে করতাম।’
তবে তার উত্তরসূরিরা ইতিহাস যে গড়ে ফেলেছেন তা বুঝতে পেরেছিলেন সর্বকালের সেরা ক্রিকেটার স্যার ডন ব্র্যাডম্যান। সে ম্যাচের আগে অসি দলের সব খেলোয়াড়কে একত্রিত করে একটি বেঞ্চের উপর দাঁড়িয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা দিয়েছিলেন। সবশেষে দর্শকদের দেখিয়ে বলেছিলেন, ‘তোমরা দেখতে পাচ্ছ, একটা ইতিহাস তৈরি হতে যাচ্ছে।’
সে ম্যাচে দিনের শুরুতে স্টেডিয়ামে উপস্থিত ছিল ২০ হাজার দর্শক। ম্যাচের সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা গিয়ে ঠেকে ৪৬ হাজার ৬ জনে। সে ধারায় এ সফলতা ও জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে ইংল্যান্ডসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশে ঘরোয়া ভিত্তিতে একদিনের প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়। তার পরিপ্রেক্ষিতে আইসিসি আবার নড়েচড়ে বসে। ১৯৭৫ সালে আয়োজন করে ক্রিকেট বিশ্বকাপের প্রথম আসর। তবে তখনও ঠিকভাবে হাঁটা শিখতে পারেনি ওয়ানডে ক্রিকেট। বিশ্বকাপের আগে মোটে ওয়ানডে ম্যাচ হয়েছে ১৮টি। যে আট দল নিয়ে আয়োজিত হয় বিশ্বকাপ, তাদের মধ্যে বেশ কিছু দলের এ সংস্করণে খেলার অভিজ্ঞতা ছিল শূন্যের কোঠায়। তখন ক্রিকেটের সবকিছুই ইংল্যান্ড কেন্দ্রিক। তাই স্বাগতিক দেশ বাছাই করতে খুব একটা বেগ পেতে হয়নি আয়োজকদের। ইংল্যান্ডে সেবছর ৭ই জুন মাঠে গড়ায় বিশ্বকাপ ক্রিকেটের প্রথম বল। ইংল্যান্ডের ৬টি ভেন্যুতে হয় খেলাগুলো। আসরের প্রধান পৃষ্ঠপোষক প্রুডেন্সিয়াল অ্যাসিউরেন্স কোম্পানির নামে আসরের নামকরণ করা হয় প্রুডেন্সিয়াল কাপ! আর ফাইনালে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে প্রথম বিশ্বকাপ জিতে নেয় অধিনায়ক ক্লাইভ লয়েডের ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মিলেমিশে তাদের পাশে by আশরাফ উল্লাহ
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি সদরের একটি বিপণিবিতানে জেরিনের মতো আরও অনেক সুবিধাবঞ্চিত শিশুর মধ্যে আনন্দের ফোয়ারা এনে দিয়েছেন একদল তরুণ। তাঁরা সবাই কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া। এই তরুণদের সাংগঠনিক রূপ—এক টাকায় শিক্ষা। মূলত শিক্ষা নিয়ে কাজ করলেও ঈদে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মধ্যে বিতরণ করে নতুন পোশাক।
২৯ মে ফটিকছড়ির বিভিন্ন এলাকার ৬৫ সুবিধাবঞ্চিত শিশুকে নিজেদের পছন্দমতো পোশাক কেনার সুযোগ করে দেন সংগঠনটির সদস্যরা। উপজেলা সদরের বাবুনগর গ্রাম থেকে আসে জেরিন। তারা দুই ভাইবোন। জেরিনের বয়স যখন দুই বছর আর ভাই জিসাদের বয়স কেবল এক মাস, তখন মা মারা যায়। কিছুদিন পর বাবা আবার বিয়ে করে আলাদা হয়ে যান। এরপর থেকে দিনমজুর চাচার ঘরে তাদের ঠাঁই হয়। দেখাশোনা করেন দাদি। দিনমজুর চাচার অভাবের সংসার। সেখানে পছন্দমতো নতুন জামা কেনা স্বপ্নের মতো। সেই স্বপ্ন পূরণ করলেন এই তরুণেরা।
২০১৭ সালে যাত্রা শুরু করে সংগঠনটি। প্রধান কাজ শিক্ষা নিয়ে। সংগঠনের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে সব সদস্য দিনে দেবেন এক টাকা করে। তা মাস শেষে দিলেও হয়। এই টাকা খরচ হয় সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষাসহ নানা কাজে।
সংগঠনের মূল উদ্যোক্তা ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র মো. রিজুয়ান বলেন, বর্তমানে সংগঠনের সদস্যসংখ্যা দুই হাজারের বেশি, যাঁরা প্রতিদিন এক টাকা করে দিয়ে আমাদের সঙ্গে যুক্ত আছেন। আর দুই হাজার জন প্রতিদিন এক টাকা করে দিলে মাস শেষে বেশ ভালো একটা অর্থ আমাদের কাছে আসে; যা দিয়ে আমরা বিভিন্ন জায়গার শিক্ষার্থীদের দায়িত্ব নিয়ে থাকি। ইতিমধ্যে আমরা সাতটা স্কুল ইভেন্ট করেছি, যার ১ হাজার জন ছাত্রছাত্রী আমাদের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। এ ছাড়া আমাদের চট্টগ্রামের বাইরে ফাউন্ডেশনের আরও দুটি শাখা রয়েছে ‘এক টাকায় আলোকিত ফেনী’ এবং ‘এক টাকায় আলোকিত বরিশাল’। বরিশালের একটি মাদ্রাসার ২০ জনের জন্যও আমরা ঈদের জামার ব্যবস্থা করছি।
ফটিকছড়িতে ২৯ মে বিবিরহাট, নাজিরহাট ও সরকারহাট—তিনটি জায়গায় শিশুদের নতুন পোশাক কিনে দেওয়া হয়েছে। আরও শতাধিক শিশুকে নতুন পোশাক কিনে দেওয়া হবে। মো. রিজুয়ান বলেন, ঈদে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নতুন পোশাক কিনে দিতে তহবিল গঠন করা হয়। এতে সংগঠনের সদস্য ও শুভানুধ্যায়ীরা অনুদান দিয়েছেন। প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজার টাকার তহবিল হয়েছে।
শিশুদের নিয়ে কাজ করতে কেমন লাগে? এমন প্রশ্নে রিজুয়ানের উত্তর, শিশুদের মুখে হাসি ফোটানোর আনন্দই অন্য রকম।
![]() |
| ‘এক টাকায় শিক্ষা’ সংগঠন শিশুদের কাছে হাজির নতুন জামা নিয়ে। ছবি: সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মক্কা বিজয়: বিশ্বনবীর (সা) দূরদর্শিতা, বিচক্ষণতা ও শান্তিকামীতার সাক্ষ্য

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
June
(697)
-
▼
Jun 05
(17)
- কারাগারে যেমন কাটলো খালেদা জিয়ার ঈদ
- এই ঈদ আমাদের কাছে একটা নতুন সূর্যোদয়ের মতো : মমতা
- নিউজিল্যান্ডকে ২৪৫ রানের টার্গেট দিল বাংলাদেশ
- ঈদ আনন্দে নতুন জামা by কবীর হোসাইন
- ‘এখন ঈদের আয়োজন বেশি, আন্তরিকতা কম’ -অধ্যাপক আবুল ...
- শোলাকিয়ায় বৃষ্টিস্নাত জনসমুদ্র by আশরাফুল ইসলাম
- একে অপরকে নয় ফিলিস্তিনের শত্রুদের রুখে দিন: মুসলিম...
- ‘রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনে বাংলাদেশ কোনো সহযোগিতা করছ...
- ভুতুড়ে মামলার আসামি খুঁজছে পুলিশ by মোহাম্মদ ওমর ফ...
- বৃদ্ধাশ্রমে অসহায়দের সঙ্গে পূর্ণিমার এক দুপুর
- বিশ্বকাপের ইতিহাস by পিন্টু আনোয়ার
- মিলেমিশে তাদের পাশে by আশরাফ উল্লাহ
- মক্কা বিজয়: বিশ্বনবীর (সা) দূরদর্শিতা, বিচক্ষণতা ও...
- অজ্ঞাত রোগে আক্রান্ত বাবা-মেয়ে by শংকর দুলাল দেব
- সিলেটের শাহি ঈদগাহ by আনিস মাহমুদ
- আড়ং বন্ধের পর কর্মকর্তার বদলি নাটক নিয়ে সামাজিক ...
- ৩০ বছর সেনাবাহিনীতে চাকরি করেও আসামে ‘বিদেশী’ সানা...
-
▼
Jun 05
(17)
-
▼
June
(697)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

