Saturday, September 15, 2018
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে হুমকির মুখে পড়বে স্বাধীন সাংবাদিকতা by উৎপল রায়

এ বিষয়ে ‘ডেইলি স্টার’ সম্পাদক মাহ্্ফুজ আনাম মানবজমিনকে বলেন, ‘সংসদীয় কমিটি, আইনমন্ত্রীর সঙ্গে আমাদের ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছিল। দুই দফা আলোচনায় আমরা যে আভাস-ইঙ্গিত পেয়েছিলাম বিশেষ করে আইনমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার পর আমরা আশান্বিত হয়েছিলাম এবং পরবর্তীকালে আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস ছিল যে, এই প্রতিবেদন চূড়ান্ত করার আগে সংশ্লিষ্ট সংসদীয় স্থায়ী কমিটি আমাদের সঙ্গে বসবে। কিন্তু পত্রিকায় দেখলাম প্রতিবেদন চূড়ান্ত হয়ে গেছে। কিন্তু সেখানে আমাদের যে মূল দাবিগুলো ছিল সেগুলো বিকৃত হয়েছে বলে আমি মনে করি। এখানে সাংবাদিকদের স্বাধীনতা, সংবাদপত্র, টেলিভিশন ও অনলাইন মিডিয়ার স্বাধীনতা একেবারেই সুরক্ষিত হয়নি।’ তিনি বলেন, ‘আমরা মনে করি যে এভাবে একটি ব্যুরোক্রেসি স্ট্রাকচারের মধ্যে গণমাধ্যমের পুরো স্বাধীনতা শৃঙ্খলিত হচ্ছে। এই আইনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কম্পিউটার তল্লাশি করা, সিজ করা, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বন্ধ করা এবং প্রয়োজনবোধে গ্রেপ্তারের অধিকার দেয়া হয়েছে। এটি খুবই দুশ্চিন্তার বিষয়।’
তিনি বলেন, ‘প্রতিষ্ঠিত গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আগে সংশ্লিষ্ট বিষয়টি প্রেস কাউন্সিলে পাঠানোর প্রস্তাব আমরা দিয়েছিলাম। প্রেস কাউন্সিল একটি প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান। তার আইনি কাঠামো আছে। যা কিছু হবে ওখানে শুনানি হবে। প্রেস কাউন্সিল থেকে যদি অনুমতি দেয়া হয় যে নিয়মের লঙ্ঘন হয়েছে তাহলে পদক্ষেপের ব্যাপার হতে পারে। আরেকটি প্রস্তাব করেছিলাম যে, দেশে যে তথ্য অধিকার আইন আছে, সেই আইনে গণমাধ্যমের জন্য যে ধরনের স্বার্থরক্ষা হয়েছে সেগুলো যেন সমুন্নত থাকে। একই সঙ্গে তথ্য অধিকার আইন এবং এই আইনে কোথাও যদি সাংঘর্ষিক হয় তাহলে তথ্য অধিকার আইন প্রাধ্যান্য পাবে। কিন্তু এগুলোর কোনো কিছুই রক্ষিত হয়নি বলে আমাদের ধারণা। আমি মনে করি এভাবে বাংলাদেশের সাংবাদিকদের স্বাধীনতা হুমকির মুখে পড়বে।’
‘বাংলাদেশ প্রতিদিন’ সম্পাদক নঈম নিজাম বলেন, ‘এ বিষয়ে সম্পাদক পরিষদ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন এবং অন্যান্য সাংবাদিক ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে যে প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল তার একটিও গ্রহণ না করা খুবই দুঃখজনক। সেই সময় আমাদের আশ্বস্ত করা হয়েছিল যে, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অসঙ্গতিপূর্ণ ধারাগুলো বাদ দেয়া হবে। কিন্তু এর একটিও বাদ না দিয়ে শুধু শব্দগত পরিবর্তন আনা হয়েছে। যেটি সাংবাদিকদের অধিকারের জায়গাটুকু হরণ করার মতো, সেগুলো বহাল রেখে এই আইন পাস করার যে প্রক্রিয়া তৈরি করা হচ্ছে এবং সংসদীয় কমিটির যে প্রতিবেদন চূড়ান্ত করা হয়েছে আমি এটিকে দুর্ভাগ্যজনক বলে মনে করছি। তিনি বলেন, ‘আমরা অতীতেও দেখেছি, এধরনের কালাকানুন পাস হয়েছে। যার পরিণতি শুভকর হয়নি।’ নঈম নিজাম বলেন, সামাজিক গণমাধ্যমের জন্য সরকার আলাদা আইন করতে পারতো এবং ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারতো। কিন্তু সেটি না করে মূলধারার গণমাধ্যমকে আরো কঠিনভাবে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য এই আইন পাস করা হচ্ছে। আমি আশা করবো, এখনো সময় আছে আইনটি সংসদে পাস হওয়ার আগে সংশোধনী এনে এ জায়গাগুলো সরকার পরিবর্তনের ব্যবস্থা করবে। এর অন্যথা হলে বাংলাদেশের আগামী দিনের গণমাধ্যম হুমকির মুখে পড়বে।’
ডিজিটাল নিরাপত্তা বিল সংক্রান্ত প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটি চূড়ান্ত করায় হতাশা প্রকাশ করেছেন টিআইবি’র (ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা বিল সংবিধানের মূলনীতির পরিপন্থি। অংশীজনদের মতামত অগ্রাহ্য করে গণমাধ্যম ও বাকস্বাধীনতা হরণের ঝুঁকিপূর্ণ ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা বিল’-এর বিতর্কিত ধারাসমূহ অপরিবর্তিত রেখে সংসদীয় কমিটি কর্তৃক প্রতিবেদন চূড়ান্ত করার ঘটনা খুবই উদ্বেগজনক। এই আইন প্রণয়নে সরকারকে আরো দূরদর্শী হওয়ার আহবান জানান ইফতেখারুজ্জামান। তিনি বলেন, একদিকে প্রস্তাবিত বিলের ৮, ২৮, ২৯ ও ৩১ ধারাগুলোর ব্যাপারে গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্বেগ ও মতামতকে উপেক্ষা করা হয়েছে, যা তাদের স্বাধীনভাবে পেশাগত দায়িত্ব পালনে ঝুঁকি সৃষ্টি করবে। অন্যদিকে বিতর্কিত ৩২ ধারার ডিজিটাল গুপ্তচরবৃত্তির ক্ষেত্রে ঔপনিবেশিক আমলের অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট, ১৯২৩ অনুসরণের সুপারিশ করার দৃষ্টান্ত অত্যন্ত হতাশা ও দুঃখজনক।
তিনি বলেন, সরকারের ঘোষিত ডিজিটাল বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তির কল্যাণে দুর্নীতি প্রতিরোধ সুশাসন নিশ্চিত হওয়ার যে সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে প্রস্তাবিত আইনটি সেক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করবে। ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, প্রস্তাবিত আইনের ৩২ ধারার অপপ্রয়োগের ফলে তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ অনুযায়ী দুর্নীতি ও মানবাধিকার লঙ্ঘন সংক্রান্ত তথ্য জানার আইনি অধিকার ব্যাপকভাবে রুদ্ধ হবে। এছাড়া এই ধারাটি অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা এবং যেকোনো ধরনের গবেষণামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় প্রধান প্রতিবন্ধক হিসেবে কাজ করবে, যা সংবিধানের মূল চেতনা, বিশেষ করে মুক্তচিন্তা বাকস্বাধীনতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীন বিকাশের পথ ব্যাপকভাবে রুদ্ধ করবে।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এক শান্তি যোদ্ধার পাণ্ডুলিপি by শরিফুল ইসলাম

জাতিসংঘের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাজেট কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেয়ার মাধ্যমেই জাতিসংঘে তার কর্মজীবন শুরু হয়। তারপর কর্মজীবনের প্রায় পুরো সময় তিনি জাতিসংঘে বিভিন্ন সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। কফি আনানই প্রথম জাতিসংঘে কর্মরত কোনো ব্যক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির সর্বোচ্চ পদ মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করার বিরল কৃতিত্ব অর্জন করেন। আপাদমস্তক সৃজনশীল এই মানুষটি জীবনভর বিশ্ব শান্তির জন্য কাজ করেছেন। তার এই মানবিক কর্মকাণ্ডই ২০০১ সালে এনে দেয় শান্তিতে নোবেল পুরস্কার। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মানুষের মহান আত্মত্যাগ, স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে নিরলস এগিয়ে চলায় নজর এড়াইনি কফি আনানের। জাতিসংঘ মহাসচিব হওয়ার ঠিক আগেই তিনি শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের প্রধান ছিলেন। শান্তিরক্ষী বাহিনীতে বাংলাদেশের অবদান তাকে আগ্রহী করে তোলে। কফি আনানের সময়েই নিয়মিতভাবেই শান্তিরক্ষী মিশনে যোগ দেয়ার সুযোগ পায় বাংলাদেশ। যা বাংলাদেশকে নিয়ে যায় তালিকার শীর্ষে।
১৯৯৯ সালে জাতিসংঘে বাংলাদেশের যোগদানের রজতজয়ন্তী পালনসহ ২০০১ সালে এসেছিলেন বাংলাদেশ সফরে। উত্তাল এক সময়ে বিশ্বের সর্বোচ্চ সংস্থার দায়িত্ব নিতে হয়েছিল তাকে। তার সময়ের অসাধারণ প্রজ্ঞার সুফল এখনো পাচ্ছে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো। তার মেয়াদকালের সবচেয়ে বড় অর্জন ছিল দারিদ্র আর শিশু মৃত্যু কমাতে বিশ্বব্যাপী ‘সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ’। ২০০৬ সালে অবসর নেন তিনি। কিন্তু থেমে যায়নি তার পথচলা। বিশ্বব্যাপী অসহায় মানুষগুলোর পাশে দাঁড়ানোর জন্য গড়ে তোলেন ‘কফি আনান ফাউন্ডেশন’, ২০০৭ সালে। টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত ও শান্তি প্রতিষ্ঠাই যার প্রধান কাজ। পরবর্তীতে সিরিয়া সংকট মেটাতে জাতিসংঘের বিশেষ দূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সিরিয়ার সংকট সমাধানে তার উদ্যোগ ছিল প্রশংসনীয়। তবে, কফি আনানের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত না হওয়ায় অব্যাহতি নিয়েছিলেন সে দায়িত্ব থেকে।
শেষ জীবনে রোহিঙ্গাদের নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করার পক্ষেও সোচ্চার ছিলেন। জড়িত ছিলেন মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নিধনসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সমস্যার সমধান প্রক্রিয়ায়। যেখানেই সমস্যার খোঁজ পেতেন, সেখানেই পৌঁছে যেতেন তিনি। গভীর সমবেদনায় জয় করেন হাজারো মানুষের জীবন। অকৃত্রিম ভালোবাসা নিয়ে কাজ করে গেছেন অন্যের জন্য। তার জীবনের পাণ্ডুলিপি বন্ধ হয়ে যায় ১৮ই আগস্ট ২০১৮ সালে। লোকচক্ষুর আড়াল হয়ে গেলেও কিংবদন্তিতুল্য এই মহান ব্যক্তিটি আজীবন বেঁচে থাকবেন শান্তিকামী মানুষের মনে।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৪ বছরের পরিশ্রম ৪ মিনিটেই সমাধান by পিয়াস সরকার

অনার্স পাসের আগে এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাড়ি দিতে হয় ইন্টার্নশিপের ধাক্কা। এই ইন্টার্নশিপ শেষে দিতে হয় ভাইভা বা ডিফেন্স। পুরো চার বছরের লেখাপড়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। শিক্ষালব্ধ জ্ঞান এই সময় কোনো একটি প্রতিষ্ঠানে গিয়ে কাজে লাগানোর সময়। সেই কাজের অভিজ্ঞতার পরিপ্রেক্ষিতে তাদের তৈরি করতে হয় একটি ইন্টার্নশিপ পেপার। এই পেপার তৈরিতে যেমন প্রয়োজন পরিশ্রম তেমনি সময়সাপেক্ষ ব্যাপার।
এই শিক্ষার্থীদের ত্রাতা হয়ে সামনে আসেন নীলক্ষেতের কিছু দোকান। তারা বিভিন্ন ব্যাংক, বীমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, এনজিও ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানের ইন্টার্ন পেপার তৈরি করে রাখেন তারা। তারা এমনভাবে ইন্টার্ন পেপারগুলো তৈরি করে থাকেন যেখানে যুক্ত থাকে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের সর্বশেষ তথ্য, আয়-ব্যয়ের হিসাবসহ ইন্টার্ন পেপারে যা প্রয়োজন সকল তথ্য।
আমাদের একটা অন্যতম ব্যবসা হচ্ছে ইন্টার্ন পেপার তৈরি। আমাদের কাছে শিক্ষার্থীরা আসে শুধু তাদের নাম, আইডি, কোন প্রতিষ্ঠানে কী হিসেবে ইন্টার্ন করেছে তা বললেই শুধু বসিয়ে দিয়ে তৈরি করে ফেলা হয় ইন্টার্ন। এসব তথ্য জানান নীলক্ষেতের ‘সেবা প্রকাশ’-এর স্বত্বাধিকারী নিলয় রহমান। নীলক্ষেতে প্রয়াশে কর্মরত ইবাদত আলীর কাছে জানতে চেয়েছিলাম কীভাবে সংগ্রহ করেন এসব তথ্য। তিনি জবাবে বলেন, আমাদের কাছে পুরানো যেসব তথ্য থাকে সেগুলোই একটু পরিবর্তন করে নতুন করে দিই। আবার কেউ পেপার নিজে তৈরি করে নিয়ে আসলে আমাদের কাছে কাজের একটা কপি রয়ে যায় তা দেখেও আপডেট করা হয়।
নীলক্ষেতে দেখা যায় বেশ কিছু শিক্ষার্থী বসে থেকে বানিয়ে নিচ্ছেন তাদের ইন্টার্ন পেপার। আশা ইউনির্ভাসিটির ব্যাচেলর অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (বিবিএ) তিন শিক্ষার্থী। তারা ভিন্ন ভিন্ন তিন ব্যাংকের (মেঘনা, প্রাইম ও পূবালী ব্যাংকের) ইন্টার্ন পেপার বানিয়ে নিলেন মাত্র কয়েক মিনিটের মাথায়। এতে শুধু তাদের গুনতে হল মাত্র ৫০০ টাকা প্রতিজন। আরেকটি দোকানের সামনে দেখা যায় শেখ বোরহান উদ্দিন কলেজের বেশ কিছু শিক্ষার্থীকে। তারাও বানিয়ে নিলেন তাদের ইন্টার্ন পেপার। মূল্য নির্ধারণ করাই আছে।
জেনে অবাক হবেন যে, সেসব ইন্টার্ন পেপারের উপর আবার প্রেজেন্টেশন স্লাইড মেলে সেসব দোকানে। পূর্ণাঙ্গভাবে তৈরি সেসব স্লাইডের জন্য গুনতে হয় ২০০ টাকা।
এরপর এক দোকানে প্রস্তাব দেয়া হয়, ভাই আমিতো কোথাও ইন্টার্ন করিনি। ভার্সিটিতে বলেছি আমি ‘এনসিবি ব্যাংক’ এ ইন্টার্ন করেছি। আমার ভাইবা দু’দিন পর। তিনি আমাকে আশ্বস্ত করে বলেন, আরে ভাই এটা কোন ব্যাপার না। মানুষ আমাদের কাছে আসে কয়েক ঘণ্টা আগে আপনি তো এসেছেন দু’দিন আগে। তখন দৃষ্টিগোচর হয়, প্রতিটি ব্যাংকের দু-একজন কর্তকর্তার স্বাক্ষর পর্যন্ত সংগ্রহ করা আছে তাদের।
বিশ্ববিদ্যালয়ের চার বছরের শিক্ষালব্ধ ফল এই ইন্টার্ন পেপার, আর এই ইন্টার্নশিপ পেপার তারা তৈরি করে দিচ্ছেন মাত্র ৪-৫ মিনিটেই। এ যেন ৪ বছরের পরিশ্রম নামিয়ে এনেছেন ৪ মিনিটে। সকলের সামনে চলছে এই অন্যায় কাজ। দেখার যেমন কেউ নেই তেমনি, শিক্ষার্থীরাও নিচ্ছেন অন্যায়ের আশ্রয়।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হাতে নিলেই গলে যায়, নতুন মাছ নিয়ে হইচই

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘কোয়ার্টজ’-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, নিউ ক্যাসল ইউনিভার্সিটি আয়োজিত ২০১৮ চ্যালেঞ্জার কনফারেন্স নামের একটি সম্মেলনে এই মাছটির কথা সকলকে জানানো হয়। সারা পৃথিবীতে ৪০০-রও বেশি স্নেইল ফিশের প্রজাতি রয়েছে। কিন্তু এই আটাকামা স্নেইল ফিশ সত্যিই আলাদা। ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষক থমাস লিনলে জানিয়েছেন, এই মাছ খুবই নরম। দাঁত আর কানের ভিতরে থাকা হাড়, যার সাহায্যে এরা দেহের ভারসাম্য রক্ষা করে সেই দু’টি অংশ সবচেয়ে কঠিন। পৃথিবীর গভীর তলদেশে বাস করা এই মাছেরা মোটামুটি তিন রংয়ের হয়— নীল, গোলাপি ও পার্পল। তাদের এই নরম শরীরই তাদের প্রতিবন্ধক হয়ে ওঠে সমুদ্রের উপরে। দেখা গিয়েছে, সমুদ্রপৃষ্ঠে আনা হলে সেখানকার তাপমাত্রায় এরা গলে যায়! আপাতত বিজ্ঞানীরা একটি মাছকে আলাদা করে সংরক্ষণ করেছেন। সেটিকে বাঁচানো না গেলেও, তার শরীরকে গলে যাওয়া থেকে আটকানো হয়েছে। সেটিকে নিয়ে গবেষকরা পরীক্ষা করে দেখছেন। এমন আশ্চর্য শারীরিক গঠনের প্রাণীকে ঘিরে তাঁরা উত্তেজিত। এই গ্রহের জীবজগতে এ যে এক বিপুল বিস্ময়ের খনি, তাতে সন্দেহ নেই।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসরাইলকে রক্ষার জন্য ট্রাম্পের 'শতাব্দির সেরা চুক্তি' পরিকল্পনায় যা আছে: পর্ব-দুই

দখলদার ইসরাইল, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্দান ও মিশর মার্কিন এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রধান সহযোগী। 'শতাব্দীর সেরা চুক্তি' নামক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মূল ভূমিকায় রয়েছে আমেরিকা। পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে বায়তুল মোকাদ্দাসকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া, ফিলিস্তিন শরণার্থীদের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ও বায়তুল মোকাদ্দাস নিয়ে বিতর্কের পুরোপুরি অবসান ঘটানো এবং ইসরাইল ও ফিলিস্তিনিদের জন্য আলাদা দুই রাষ্ট্র গঠন আমেরিকার প্রধান উদ্দেশ্য। চলতি বছর ড্যাভোসে অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, "মার্কিন দূতাবাস তেলআবিব থেকে বায়তুল মোকাদ্দাসে স্থানান্তরের অর্থ হচ্ছে ওই শহরের ভাগ্য নির্ধারণের বিষয়ে ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে ইসরাইলের আলোচনার আর কোনো সুযোগ নেই।"
বলা হচ্ছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ইহুদি জামাতা ও উপদেষ্টা জেরাড কুশনার, মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক মার্কিন বিশেষ দূত জেইসন গ্রিনবালাত এবং ইসরাইলে আমেরিকার সাবেক রাষ্ট্রদূত ডেভিড ফ্রেডম্যান 'শতাব্দীর সেরা চুক্তি' নামক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের দায়িত্বে রয়েছেন। জেরাড কুশনার ও জেইসন গ্রিনবালাত বেশ কয়েকটি আরব দেশ বিশেষ করে জর্দান সফরে গিয়ে সেদেশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে 'শতাব্দীর সেরা চুক্তি' নামক পরিকল্পনার বিষয়ে কথাবার্তা বলেছেন। এ ক্ষেত্রে তারা হুমকি ও প্রলোভন দেখানোর কৌশল অবলম্বন করেছেন। ইসরাইলে সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিড ফ্রেডম্যান মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইলি সম্প্রসারণকামী পরিকল্পনার বড় সমর্থক। এ কারণে ইসরাইল দ্রুত ইহুদি উপশহর নির্মাণ অব্যাহত রাখা এবং আরো ফিলিস্তিন ভূখণ্ড দখল করে চলেছে। কাতারের দৈনিক আল আরাবি আল জাদিদের সাংবাদিক সালেহ আল নাআমি লিখেছেন, ইসরাইলের সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিড ফ্রেডম্যান জর্দান নদীর পশ্চিম তীর ও বায়তুল মোকাদ্দাসে ইসরাইলি আগ্রাসন রোধে কোনো পদক্ষেপতো নেয়নি এমনকি ইহুদি উপশহর নির্মাণ বন্ধের জন্য যারা দাবি জানাচ্ছে তিনি তাদেরও সমালোচনা করছেন।
'শতাব্দীর সেরা চুক্তি' নামক পরিকল্পনার আওতায় পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের আরব দেশগুলোর সঙ্গে ইসরাইলের সম্পর্ক স্বাভাবিক করা, ইরান ও শিয়া মুসলমানদের প্রভাব বিস্তারকে বিপদ হিসেবে তুলে ধরা, আরব দেশগুলোর দুশ্চিন্তা ও উদ্বেগকে আমেরিকার স্বার্থে কাজে লাগানো এবং এ দেশগুলোকে ইরানের বিরুদ্ধে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের উদ্দেশ্য। এ কারণেই দেখা গেছে, সৌদি আরব, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাত তড়িঘড়ি করে ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার পদক্ষেপ নিয়েছে। মিশর ও জর্দান বহু দশক আগেই ইসরাইলের সঙ্গে শান্তি চুক্তি সই করেছে। আমেরিকা সবসময়ই মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও শিয়া মুসলমানদের প্রভাব বিস্তারের বিপদের বিষয়টিকে প্রচারণার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে এসেছে। বর্তমানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ও সৌদি যুবরাজ সালমান ঐক্যবদ্ধ হয়ে কথিত ওই বিপদের বিষয়টিকে জোরেসরে প্রচার করছেন।
ইরান ও শিয়া বিরোধী প্রচারণাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সৌদি আরব, ইসরাইল ও আমেরিকা প্রচুর অর্থ ব্যয় করে জর্দান, মিশর ও ফিলিস্তিনকেও ব্যবহারের চেষ্টা চালাচ্ছে। সম্প্রতি জর্দানে ইসরাইল বিরোধী যে বিক্ষোভ হয়েছে তা থামানোর জন্য সৌদি আরব ও সংযুক্ত আমিরাত জর্দান সরকারকে বিপুল অর্থ সহায়তা দিয়েছে। গাজায় অবকাঠামো পুনর্গঠন ও জর্দান নদীর পশ্চিম তীরের মানুষের জীবন মান উন্নয়নের জন্য অর্থ সহায়তার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া, মিশরের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অর্থ সহায়তা দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এভাবে আর্থিক সহায়তার বিনিময়ে ইরানের বিরুদ্ধে এই তিন দেশকে নিজেদের পক্ষে রাখার চিন্তাভাবনা রয়েছে ট্রাম্পের 'শতাব্দীর সেরা চুক্তি' নামক পরিকল্পনায়।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের 'শতাব্দীর সেরা চুক্তি' নামক পরিকল্পনার প্রধান উদ্দেশ্য দখলদার ইসরাইলের স্বার্থ রক্ষা করা। কারণ পবিত্র বায়তুল মোকাদ্দাসকে পুরোপুরি ইহুদিকরণ, বায়তুল মোকাদ্দাসকে রাজধানী করে ইসরাইল রাষ্ট্র সৃষ্টি, ইহুদি উপশহর নির্মাণের জন্য আন্তর্জাতিক সমাজের কাছ থেকে স্বীকৃতি আদায় করা এবং তথাকথিত শান্তি আলোচনা থেকে বায়তুল মোকাদ্দাস ও শরণার্থী ইস্যুটি পুরোপুরি বাদ দেয়ার কথা বলা হয়েছে 'শতাব্দীর সেরা চুক্তি' পরিকল্পনায়। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সৌদি যুবরাজ সালমান হচ্ছেন ইসরাইলের প্রধান সহযোগী। ইসরাইল সৌদি আরবকে এ অঞ্চলের সবচেয়ে বিশ্বস্ত বন্ধু বলে মনে করে। এ কারণে ইসরাইলও সৌদি আরবে যুবরাজ সালমানের সংস্কার প্রক্রিয়ার প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। এ সংস্কারের ফলে একদিকে সৌদি আরবে ধর্মীয় মূল্যবোধ ম্লান হয়ে পড়ছে অন্যদিকে দেশটির জনগণ পাশ্চাত্য স্টাইলে জীবন যাপন শুরু করেছে। নিঃসন্দেহে, সৌদি আরবের এই পরিবর্তন ইসরাইলের স্বার্থের অনুকূলে। এ ছাড়া, সৌদি রাজা সালমান বিন আব্দুল আজিজ ও তার পুত্র যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ইরান ও এ অঞ্চলের সশস্ত্র প্রতিরোধ সংগ্রামীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে যা ইসরাইলের স্বার্থের অনুকূলে।
এভাবে দখলদার ইসরাইল ও সৌদি আরবের মধ্যে গড়ে উঠেছে অনানুষ্ঠানিক জোট। এদিকে, ব্যাপক প্রতিবাদ সত্বেও আমেরিকার পূর্ণ সমর্থন নিয়ে ইসরাইল ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে অবৈধভাবে ইহুদি বসতি নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। ইহুদি বসতি নির্মাণের অর্থ হচ্ছে আরো অধিক সংখ্যক ইহুদিদের এখানে এনে জড়ো করা এবং এই ভূখণ্ডের মূল মালিক অর্থাৎ ফিলিস্তিনিদেরকে মাতৃভূমি থেকে বিতাড়িত করা। তাই উপশহর নির্মাণের বিষয়টি 'শতাব্দীর সেরা চুক্তি' পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহায়তা করবে।
ইসরাইলকে নতুন নতুন আইন তৈরির সুযোগ করে দেয়াও 'শতাব্দীর সেরা চুক্তি' পরিকল্পনার আরেকটি উদ্দেশ্য। এরই অংশ হিসেবে দখলদার ইসরাইলের সংসদ 'নেসেট' গত ১৯ জুলাই গোটা অধিকৃত ফিলিস্তিনকে ইহুদি জাতির রাষ্ট্র বলে ঘোষণা দিয়ে এ ঘোষণাকে আইন হিসেবে অনুমোদন করেছে। প্রস্তাবের পক্ষে ৬২টি ভোট ও বিপক্ষে ৫৫ টি ভোট পড়ে এবং দু জন ভোট দানে বিরত ছিল। এ আইন অনুমোদনের ফলে ফিলিস্তিন ভূখণ্ড কেবল ইহুদিদের ভূখণ্ড হিসেবে বিবেচিত হবে। এ ছাড়াও হিব্রু ভাষাই হবে একমাত্র রাষ্ট্র-ভাষা। চরম বর্ণবাদী বা ইহুদিবাদী এ আইনের কারণে ফিলিস্তিনিদের কোনো নাগরিক ও মানবিক-অধিকার থাকবে না। এ আইনের ফলে একদিকে বায়তুল মোকাদ্দাসকে রাজধানী করে ইসরাইল রাষ্ট্র গঠন অন্যদিকে নতুন নতুন ইহুদি উপশহর নির্মাণের কাজ তরান্বিত হবে।
ইন্টারনেট ভিত্তিক বার্তা সংস্থা মিডিলইস্ট আই এক প্রতিবেদনে ইসরাইলি সংসদে পাশ হওয়া এ আইনকে অধিকৃত ভূখণ্ডে বর্ণবাদের বাস্তবায়ন হিসেবে অভিহিত করেছে যার লক্ষ ফিলিস্তিনিদের অস্তিত্ব ও পরিচিতিকে ধ্বংস করে ফেলা। ইসরাইলের এ আইনে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ব্যাপক দমন অভিযান চালানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
'আসগর সব দেবো বাচ্চারে কোরবান / জালিমের দাদ নিব, দেবো আজ গোর জান'

About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৫ দাবি ও ৯ লক্ষ্যে জাতীয় ঐক্যের ঘোষণা আসছে

যুক্তফ্রন্ট ও গণফোরামের এই জাতীয় ঐক্যে প্রাথমিকভাবে দলের সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে চার। তবে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ স্বাধীনতাবিরোধী রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তিরা ছাড়া এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী রাজনৈতিক দল, সামাজিক শক্তি ও নাগরিক সমাজ এই ঐক্য প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। জাতীয় ঐক্য জনগণকে সুসংগঠিত করে অভিন্ন দাবি আদায় ও লক্ষ্য বাস্তবায়নে শান্তিপূর্ণ এবং অহিংস গণআন্দোলন গড়ে তুলবে।
যুক্তফ্রন্টের নেতারা বলছেন, বর্তমানে একটি জনসমর্থনহীন, অনির্বাচিত সরকার দেশ শাসন করছে। সন্ত্রাস, গ্রেপ্তার, মিথ্যা মামলা ও পুলিশ প্রশাসন ব্যবহার করে ক্ষমতায় টিকে আছে সরকার। জনসমর্থন নিয়ে কেউ যাতে ক্ষমতায় না আসতে পারে, সে জন্য তারা কেড়ে নিয়েছে জনগণের অবাধ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের অধিকারসহ গণতান্ত্রিক ও ভোটাধিকার। আগামী নির্বাচনে যেকোনো ভাবে জয়লাভের জন্য ইভিএম পদ্ধতি প্রবর্তন, ক্ষমতায় থেকে নির্বাচন অনুষ্ঠানসহ অবলম্বন করছে একের পর এক ক্টূকৌশল। সন্ত্রাস, গুম, খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যা এবং নির্বিচারে জেল-জুলুম ও নির্যাতনের মাধ্যমে জনগণের ভোটাধিকারসহ, মৌলিক, মানবাধিকার ও সাংবিধানিক অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে। সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার এবং নিরাপদ সড়কের দাবিতে ছাত্রসমাজের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন পুলিশ ও সরকারি নামধারী ছাত্রসংগঠন অত্যন্ত ন্যক্কারজনকভাবে দমনে লিপ্ত হয়েছে। যুক্তফ্রন্ট নেতারা বলছেন, দেশে বর্তমানে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নেই।
ভিন্নমতের কাউকে নির্বিঘ্নে সভা-সমাবেশ করতে দেয়া হয় না। রাষ্ট্রের আইন বিভাগ, শাসন বিভাগ, বিচার বিভাগসহ পুরো রাষ্ট্রযন্ত্রকে এক ব্যক্তিকেন্দ্রিক স্বেচ্ছাচারী নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে কেড়ে নেয়া হয়েছে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার। যুক্তফ্রন্টের শীর্ষ নেতারা মনে করেন, বর্তমান পরিস্থিতি থেকে দেশ, জাতি ও জনগণকে মুক্ত করে রাষ্ট্র ও সমাজের সর্বত্র কার্যকর গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও আইনের নিরপেক্ষ প্রয়োগ সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গড়ার কোনো বিকল্প নেই।
৫ দফা দাবিতে জাতীয় ঐক্যের আন্দোলন:
জাতীয় ঐক্য যে ৫ দফা দাবিতে আন্দোলন গড়ে তুলবে সেগুলো হচ্ছে-
১. জাতীয় একাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই বর্তমান সংসদ ভেঙে দিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার গঠন করতে হবে। ওই সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না।
২. অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাক্, ব্যক্তি, সংবাদপত্র, টেলিভিশন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সব রাজনৈতিক দলের সভা-সমাবেশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে। আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের নিয়ে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করতে হবে।
৩. কোটা সংস্কার ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রছাত্রীসহ সব রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে আনা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের মুক্তি দিতে হবে। এখন থেকে নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার করা যাবে না।
৪. নির্বাচনের এক মাস আগে থেকে নির্বাচনের পর ১০ দিন পর্যন্ত সর্বমোট ৪০ দিন প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় বিচারিক ক্ষমতাসহ সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়োজিত ও নিয়ন্ত্রণের পূর্ণ ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনকে দিতে হবে।
৫. নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের চিন্তা ও পরিকল্পনা বাদ দিতে হবে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২-এর যুগোপযোগী সংশোধন করতে হবে।
জাতীয় ঐক্যের ৯ লক্ষ্য:
জাতীয় ঐক্য তাদের ঘোষণাপত্রে প্রণয়ন করেছে ৯টি লক্ষ্যের ওপর ভিত্তি করে। রাষ্ট্র ক্ষমতায় গেলে তারা কী করবে, সেগুলোই রয়েছে এ লক্ষ্যে। তাদের লক্ষ্য হলো:
১. বাংলাদেশে স্বেচ্ছাচারী শাসন ব্যবস্থা থেকে পরিত্রাণ এবং একব্যক্তি কেন্দ্রীক নির্বাহী ক্ষমতা অবসানের লক্ষ্যে এক ব্যক্তিকেন্দ্রিক নির্বাহী ক্ষমতা অবসানের জন্য সংসদে ও সরকারে, প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য আনা এবং প্রশাসন বিকেন্দ্রীকরণ, ন্যায়পাল নিয়োগ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা কার্যকর করা। সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ পদে নির্দলীয়, নিরপেক্ষ ও সৎ যোগ্য ব্যক্তিদের নিয়োগের জন্য সাংবিধানিক কমিশন গঠন করা।
২. দুর্নীতি দমন কমিশনকে যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সংস্কার নিশ্চিত করা হবে। দুর্নীতিমুক্ত, দক্ষ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন গড়ে তুলে সুশাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে দুর্নীতি কঠোর হাতে দমন ও দুর্নীতির দায়ে জড়িত ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনা।
৩. বিনিয়োগ বৃদ্ধির পরিবেশ সৃষ্টি, বেকারত্বের অবসান ও শিক্ষিত যুবসমাজের সৃজনশীলতা ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধাকে একমাত্র যোগ্যতা হিসেবে বিবেচনা করা।
৪. কৃষক-শ্রমিক ও দরিদ্র মানুষের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সরকারি অর্থায়নে সুনিশ্চিত করা।
৫. জনপ্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, স্থানীয় সরকারসহ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে দুর্নীতি ও দলীয়করণ থেকে মুক্ত করা।
৬. রাষ্ট্রের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, জনগণের আর্থিক স্বচ্ছলতা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা আনা, সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার, সুষম বণ্টন ও জনকল্যাণমুখী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করা।
৭. জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে জাতীয় ঐকমত্য গঠন এবং প্রতিশোধ, প্রতিহিংসা ও নেতিবাচক রাজনীতির বিপরীতে ইতিবাচক সৃজনশীল এবং কার্যকর ভারসাম্যের রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করা।
৮. ‘সকল দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে শত্রুতা নয়’-এই নীতির আলোকে পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করা। প্রতিবেশী দেশসমূহের সাথে পারস্পারিক সৎ প্রতিবেশীসুলভ বন্ধুত্ব ও সমতার ভিত্তিতে ব্যবসা-বাণিজ্য, যোগাযোগ ও বিনিয়োগ ইত্যাদির ক্ষেত্রে আন্তরিকতাপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার কার্যকর উদ্যোাগ ও পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
৯. বিশ্বের সকল নিপীড়িত মানুষের ন্যায়সংঙ্গত অধিকার ও সংগ্রামের প্রতি পূর্ণ সমর্থন, মিয়ানমারের রোহিঙ্গা শরণার্থীদের তাদের দেশে ফেরত ও পূনর্বাসনের কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার এবং দেশের সার্বভৌমত্ব, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা সুরক্ষার লক্ষ্যে প্রতিরক্ষা বাহিনীকে আধুনিক প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি ও সমরসম্ভারে সুসজ্জিত, সুসংগঠিত ও যুগোপযোগী করা।
যুক্তফ্রন্টের নেতারা জানান, অভিন্ন দাবী আদায়ে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন এবং লক্ষ্যসমূহ বাস্তবায়নে জোটবদ্ধ নির্বাচন ও সৎ, যোগ্য ব্যক্তিদের নেতৃত্বে সরকার গঠন করে রাষ্ট্রের আইন প্রণয়ন ও শাসনকার্য পরিচালনা স্পষ্ট অঙ্গীকারসহ জাতীয় নেতৃবৃন্দ আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে বিস্তারিত লক্ষ্য ও কর্মসূচী প্রণয়ন করে জনসম্মুখে প্রকাশ, প্রচার ও বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যের ভিত্তি হিসাবে গ্রহণ করতে হবে। আজই জাতীয় ঐক্যের ঘোষণাপত্রটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে। সেখানে দাবি আদায়ে কী ধরনের কর্মসূচি দেওয়া যায়, সে ব্যাপারে ফ্রন্টের শীর্ষ দুই নেতা প্রফেসর ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরী ও ড. কামাল হোসেন কথা বলবেন। একটি সুষ্ঠু রাজনৈতিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনা, মানুষের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে আনতে জাতীয় ঐক্য হবে। এখানে কারা আসতে পারবেন আর কারা আসতে পারবেন না, তা ঘোষণা স্পষ্ট করা হবে।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চীনের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের ওপরে চাপ নেই: ট্রাম্প

খবরে বলা হয়েছে, বাণিজ্য যুদ্ধের মাঝে আলোচনায় বসার প্রস্তাবকে অনেকেই সম্ভাবনাময় মনে করছেন। কিন্তু এরই মধ্যে ট্রাম্পের এ টুইট জন্ম দিয়েছে নতুন উৎকণ্ঠার। টুইটে ট্রাম্প বলেছেন, চীনের সঙ্গে কোনো চুক্তিতে আমাদের উপরে কোনো চাপ নেই বরং তাদের জন্যেই চুক্তিটি জরুরি। বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার বড় হচ্ছে আর তাদেরটা কমতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যে, দেশ দুটি পরস্পরের সব ধরনের পণ্যে শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছে। পৃথিবীর বৃহৎ অর্থনীতির দুই দেশ নিজেদের মধ্যকার বাণিজ্যে ৫০ বিলিয়ন ডলারের শুল্কও আরোপ করেছে। নির্দিষ্ট কোনো দেশ থেকে আমদানি করা পণ্যে শুল্ক আরোপ করা ডনাল্ড ট্রাম্প সরকারের নতুন নীতি। তার এ নীতি দীর্ঘদিন ধরে সফলভাবে চলে আসা মুক্তবাজার অর্থনীতিকে হুমকির মুখে ফেলছে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের উস্কে দেয়া বাণিজ্য যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করেছে দেশ দুটির বিভিন্ন কোম্পানি। গাড়ি বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিক্রি কমে যাচ্ছে। গত সপ্তাহে ডনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছিলেন, চীনের আরো ২০০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যে নতুন করে শুল্ক আরোপ করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। যদি তাই হয় তাহলে, যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করা সকল পণ্যের উপরই অতিরিক্ত শুল্ক দিতে হবে চীনকে।
এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বিবিসির সাবেক বাণিজ্য প্রতিনিধি মাইকেল ফ্রোম্যান জানান, ট্রাম্প শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়ে মূলত চীনের সর্বোচ্চ নেতাদের মনোযোগ পেতে চাইছেন। একইসঙ্গে তিনি আশা করছেন এটি হয়ত দরকষাকষিতে সাহায্য করবে। তিনি বলেন, আমি মনে করি না এরকম শুল্ক আরোপ কোনো বুদ্ধিমানের কাজ। কারণ, দিনশেষে এটি একটি কর যা ঘুরেফিরে ক্রেতাকেই পরিষোধ করতে হবে। তা ছাড়া যে কোম্পানিগুলো বিশ্বজুড়ে সেবা নিশ্চিত করছে তাদের জন্যও এটি হতাশাজনক।
হোয়াইট হাউজের অর্থনীতি বিষয়ক উপদেষ্টা ল্যারি কুডলো বলেছেন, চীনের সঙ্গে আলোচনা পরিস্থিতির উন্নয়নে সহায়তা করবে। ফক্স বিজনেস নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বুধবার তিনি জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে আলোচনার জন্য চীনের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এ সময় তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমি এখনি বিস্তারিত কিছু বলতে পারবো না। কারণ আসলেই বলার বেশি কিছু নেই। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই আমি বিশ্বাস করি কোনো সমস্যা নিয়ে চুপ থাকার থেকে অন্তত কথা বলাটা সুবিধাজনক। তাই আপাতত আমরা এ আলোচনাকে অগ্রগতি হিসেবেই ধরে নিচ্ছি। এরপরে বৃহস্পতিবার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্রের এ আলোচনার আমন্ত্রণকে স্বাগত জানিয়েছে। তারা জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা চলছে।
এর আগে, হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, চীনের আগ্রাসী বাজারনীতির কারণেই তাদের পণ্যে শুল্ক আরোপে বাধ্য হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির দাবি দীর্ঘদিন ধরে তারা এ বাণিজ্য ঘাটতির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে আসছে। অপরদিকে চীনের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রই ইতিহাসের সবথেকে বড় বাণিজ্য যুদ্ধ শুরু করেছে।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সেই দিনগুলোর জন্য অপেক্ষা করে আছি by মুহম্মদ জাফর ইকবাল

অন্য দুটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা, দু’জায়গাতেই ইলিশ মাছের জিনোম বের করা হয়েছে। আমাদের ইলিশ মাছের জিনোম যদি আমরা বের না করি তাহলে কে বের করবে?
আমার মনে আছে ২০১০ সালে আমার প্রিয় একজন মানুষ মাকসুদুল আলম পাটের জিনোম বের করেছিলেন। আমরা আগেই খবর পেয়েছি, পরেরদিন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদে এর ঘোষণা দিবেন। কিন্তু আমাদের দেশের খবরের কাগজগুলো কী খবরটা ঠিক করে ছাপাবে?
আমার মনে আছে এর আগের দিন আমরা দেশের সবগুলো খবরের কাগজের সম্পাদকদের সাথে দেখা করে তাদের বলেছি, “আগামী কাল সংসদে বিজ্ঞানের অনেক বড় একটা খবর ঘোষণা করা হবে। আপনারা প্লিজ খবরের কাগজের প্রথম পৃষ্ঠায় খবরটা বড় করে ছাপাবেন।”
খবরের কাগজগুলো আমাদের অনুরোধ রেখেছিল, সব খবরের কাগজ বড় বড় করে খবরটা ছাপিয়েছিল। দেশের বাইরে থেকে দেশে গবেষণার জন্যে মাকসুদুল আলম অনেক চেষ্টা করতেন, হঠাৎ করে সবাইকে ছেড়ে একদিন চলে গেলেন।
আমাদের দেশের অনেকের ধারণা এই দেশে বুঝি বিজ্ঞানের বড় গবেষণা হতে পারে না। সেজন্যে জুট জিনোমের খবরটা আমরা অনেক বড় করে সবাইকে জানাতে চেয়েছিলাম। গত সপ্তাহে একইভাবে তিনটি বড় গবেষণার খবর এসেছে, যারা নিজের দেশের বিজ্ঞানীদের উপর বিশ্বাস রাখে না, তারা নিশ্চয়ই এবারে নূতন করে ভাববে। আমি যতটুকু জানি, আরো কিছুদিনের ভেতর পেটেন্টের আরো কিছু খবর আসবে। পেটেন্টের জন্যে আবেদন করার আগে যেহেতু কোনো তথ্য জানাতে হয় না তাই আমরা এই মূহুর্তে সেই গবেষণাগুলোর খবর সম্পর্কে এখনো কিছু জানতে পারছি না।
পেটেন্টের বিষয়টা সবাই ঠিকভাবে জানে কীনা আমার জানা নেই। এটি হচ্ছে আবিষ্কারের স্বত্ত্ব রক্ষা করার পদ্ধতি। পৃথিবীর যে কোনো মানুষকে যদি জিজ্ঞেস করা হয় রেডিও কে আবিষ্কার করেছে, সেই মানুষটি মার্কোনির নাম বলবে। আমিও ছোটবেলায় তার নাম মুখস্ত করে এসেছি। অথচ বিজ্ঞান জগতের ইতিহাস যদি বিশ্লেষণ করা হয় তাহলে দেখা যাবে আমাদের বাঙালি বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসু রেডিও প্রযুক্তির খুঁটিনাটি মার্কোনির সমসাময়িককালে আবিষ্কার করেছিলেন। জগদীশ চন্দ্র বসু কিছুতেই তার আবিষ্কার পেটেন্ট করতে রাজী হননি, (এই ব্যাপারে তার একটা চমৎকার চিঠি আছে, তিনি কতোটা নির্লোভ মানুষ এবং জ্ঞানের ব্যাপারে কতোটা উদার সেই চিঠি পড়লে বোঝা যায়।) মার্কোনি তার উল্টো, প্রথম সুযোগে তিনি তার কাজ পেটেন্ট করে ফেলেছিলেন, সে জন্যে সারা পৃথিবী রেডিও এর আবিষ্কারক হিসেবে মার্কোনির নাম জানে, জগদীশ চন্দ্র বসুর কথা কেউ জানে না। (তবে অতি সাম্প্রতিককালে জগদীশ চন্দ্র বসুকে ইতিহাসে তার যোগ্য স্থান দেওয়ার জন্যে অনেক কাজ শুরু হয়েছে।)
পেটেন্ট করা হয় একটা আবিষ্কারের স্বত্ত্বকে রক্ষা করার জন্য। কাজেই পেটেন্টটি কোন দেশে করা হচ্ছে সেটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্রের পেটেন্ট সম্পর্কে আমার অল্প কিছু ধারণা আছে। আমি যখন বেল কমিউনিকেশন্স রিসার্চ ল্যাবরেটরিতে যোগ দিই একেবারে প্রথম দিনেই সেই ল্যাবরেটরি আমার সমস্ত মেধাস্বত্ত্ব এক ডলার দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিনে নিয়েছিল! হ্যাঁ, লিখতে ভুল হয়নি, পরিমাণটা এক ডলার। আমাকে দেওয়ার জন্যে তারা নূতন ঝকঝকে একটি এক ডলারের নোট নিয়ে এসেছিল।
বেল কমিউনিকেশন্স ল্যাবরেটরিতে থাকার সময় আমরা যে বিষয় নিয়ে কাজ করেছি সেগুলো নিয়ে গোটা তিনেক পেটেন্ট হয়েছে- তবে তার কোনটারই মেধাস্বত্ত্ব আমার নিজের না, ল্যাবরেটরি প্রথমদিনই এক ডলার দিয়ে কিনে রেখেছে! মজার ব্যাপার হলো যুক্তরাষ্ট্রে পেটেন্ট করতে অনেক টাকা লাগে। পরিমানটা একশ হাজার ডলারও হতে পারে! যার আবিষ্কার পেটেন্ট হয়েছে সে চাইলে তাকে খুব সুন্দর করে ফ্রেম করে পেটেন্টের একটা কপি তৈরি করে দেয়- তার বেশী কিছু নয়!
তবে পেটেন্ট নিয়ে আমার একটা মজার স্মৃতি আছে। আমি যখন বেল কমিউনিকেশন্স ল্যাবরেটরিতে ফাইবার অপটিক সংক্রান্ত একটা বিষয় নিয়ে কাজ করছি তখন ইতালি থেকে একজন বিজ্ঞানী আমার সাথে কাজ করতে এসেছে। আমি একটি এক্সপেরিমেন্ট করছি, এক্সপেরিমেন্টটি ঠিক করে করার জন্য আমি সেখানে দুটি অপটিক্যাল আইসোলেটর নামে ডিভাইস লাগিয়েছি। ইতালির বিজ্ঞানী আমাকে জিজ্ঞেস করল, “তুমি ঐ দুটো কেন লাগিয়েছো? আমি তাকে কারণটা ব্যাখ্যা করে বললাম আমাদের এক্সপেরিমেন্টে এগুলো সব সময় ব্যবহার করতে হয়।”
ইতালির বিজ্ঞানীর চোখ চক চক করে উঠল! সে বলল, “এই বিষয়টা পেটেন্ট করে ফেলি!”
আমি অবাক হয়ে তার মুখের দিকে তাকালাম সে নূতন এসেছে বলে জানে না, আমরা যারা এই ধরনের এক্সপেরিমেন্ট করে আসছি তারা জানি বিষয়টা একটা কমন সেন্স ছাড়া কিছু না।
আমি বললাম, “তুমি এটা পেটেন্ট করতে চাও? এটা হচ্ছে- ‘সদা সত্য কথা বলিবে’ এর মতো একটা কমন সেন্স। কেউ কখনো একশ হাজার ডলার খরচ করে ‘সদা সত্য কথা বলিবে’ কে পেটেন্ট করে?”
ইতালীর বিজ্ঞানী ‘পিরেলি’ নামে অনেক বড় একটা কোম্পানি থেকে এসেছে তাদের টাকার অভাব নেই। সে আমার কথায় বিচলিত হলো না, আমাকে জানাল সে আসলেই এটা পেটেন্ট করে ফেলবে!
বলাই বাহুল্য আমি তার ছেলেমানুষী কাজকর্ম দেখে খুবই হতাশ! তাকে বললাম, “তোমার যা ইচ্ছে হয় কর! আমি এর মাঝে নেই।”
বিজ্ঞানী মানুষটি শেষ পর্যন্ত কী করেছে আমি সেটা নিয়ে মাথা ঘামালাম না।
তারপর কয়েক বছর কেটে গেছে। আমি দেশে চলে এসে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দিয়েছি। যুক্তরাষ্ট্রের জীবনের সাথে আর বিশেষ সম্পর্ক নেই।
তখন হঠাৎ একদিন আমি আমার প্রাক্তন বসের কাছে থেকে একটা টেলিফোন পেলাম। বেচারা প্রায় পাগলের মত আমাকে ফোন করেছে, চিৎকার করে বলল, “তুমি জান এখানে কী হয়েছে?” আমি বললাম, “কী হয়েছে?”
“মনে আছে তোমার সাথে ইতালীর একজন বিজ্ঞানী কাজ করছিল?”
আমি বললাম, “মনে আছে।”
“সে অপটিক্যাল আইসোলেটর ব্যবহার করার বিষয়টা পেটেন্ট করে ফেলেছে। এখন আমরা আর এক্সপেরিমেন্ট করতে পারি না- সেই কোম্পানি আমাদের কাছে লাইসেন্সিং ফি চায়!”
আমি শুনে হাসব না কাঁদব বুঝতে পারি না। আমার কাছে ব্যাপারটা অনেকটা এরকম, ‘সদা সত্য কথা বলিবে’ বিষয়টা কেউ পেটেন্ট করে ফেলেছে, এখন সত্যি কথা বললেই তাকে টাকা দিতে হচ্ছে!
যাই হোক, আমার বস আমাকে অনুরোধ করল আমার সব ল্যাবরেটরি নোট বুক যেন ফটোকপি করে তার কাছে পাঠাই। এগুলো দেখিয়ে তারা দাবি করবে যেহেতু গবেষণার কাজে আমারও অবদান আছে, অন্তত আমাদের কাছে যেন লাইসেন্সের ফি দাবি না করে।
আমি সব কাগজপত্র পাঠিয়েছিলাম, শেষ পর্যন্ত কী হয়েছিল আমার জানা নেই।
আমাদের দেশের জন্যে পেটেন্ট বিষয়টি নতুন। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার যে বিষয়টির জন্যে পেটেন্টের আবেদন করা হয়েছে আমার জানা মতে এটি এই দেশের প্রথম আন্তর্জাতিক পেটেন্ট। ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের বড় কর্মকর্তার নিজের মুখে শুনেও আমি বিশ্বাস করতে পারি না যে এর আগে এই দেশ থেকে পেটেন্টের আবেদন করা হয়নি। পেটেন্ট আসলে এক ধরনের সম্পদ। সব পেটেন্টই যে বড় সম্পদ তার কোনো গ্যারান্টি নেই।
কিন্তু কোনো আবিষ্কার যদি হঠাৎ করে বড় কোনো কাজে লেগে যায় তখন সেটি অনেক বড় সম্পদ হতে পারে। নূতন পৃথিবীটিতে জ্ঞান হচ্ছে সম্পদ এবং সেই সম্পদের পরিমাপ করা হয় পেটেন্ট দিয়ে। আমাদের দেশে বিজ্ঞানীদের যেহেতু গবেষণা করার ক্ষমতা আছে, তারা তাদের আবিষ্কারগুলো পেটেন্ট করে দেশের জন্যে সম্পদ সৃষ্টি করবে সেটি তো আমরা আশা করতেই পারি। ঘটনাটি এই দেশে আগে ঘটেনি, এই প্রথমবার শুরু হলো।
বাংলাদেশ যে এগিয়ে যাচ্ছে সেটি একেকজন একেকভাবে অনুভব করেন। আমি সেটা অনুভব করি এই দেশে বিজ্ঞানের গবেষণার বিষয়টি দিয়ে। গবেষণা কিন্তু খরচ সাপেক্ষ, সব গবেষণা যে সফল হয়, তাও নয়। অনেক গবেষণারই ফলাফল হয় শূন্য। কিন্তু তারপরেও গবেষণায় লেগে থাকতে হয়।
গবেষণার পরিমাপের সবচেয়ে নিখুঁত সূচক হচ্ছে পিএইচডি শিক্ষার্থীর সংখ্যা। আমার মনে আছে বেশ কয়েক বছর আগে আমরা আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়েছিলাম, সেই একটি বিশ্ববিদ্যালয়েই পিএইচডি শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল বারোশত থেকে বেশি। অথচ আমাদের সারা দেশ মিলিয়েও সংখ্যাটি তার ধরে কাছে নয়। আমার মনে আছে ফিরে এসে আমি পত্রিকায় একটা লেখা লিখেছিলাম যে ‘এক হাজার পিএইইডি চাই’। আমার সেই লেখা পড়ে কেউ কেউ পিএইচডি নিয়ে অনেক নেতিবাচক কথা লিখেছিলেন। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো কানাডা প্রবাসী একজন প্রাক্তন কূটনীতিক একজনের পিএইচডি গবেষণার জন্যে প্রয়োজনীয় অর্থের একটা চেক আমাকে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। এদিক দিয়ে আমি খুবই সৌভাগ্যবান সারাটি জীবনই আমি চমৎকার হৃদয়বান মানুষের দেখা পেয়েছি।
আমাদের দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এখনো মূলত আন্ডার গ্রাজুয়েট বিশ্ববিদ্যালয়- অর্থাৎ আমরা ছেলেমেয়েদের পড়িয়ে একটা ব্যাচেলর ডিগ্রি দিই। সোজা বাংলায় জ্ঞান বিতরণ করি। শুধু জ্ঞান বিতরণ করা হলে কিন্তু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সত্যিকারের বিশ্ববিদ্যালয় হতে পারে না। সত্যিকারের বিশ্ববিদ্যালয় হতে হলে তাকে জ্ঞান সৃষ্টি করতে হয়। জ্ঞান সৃষ্টি করার জন্যে গবেষণা করতে হয় এবং গবেষণা করার সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি হচ্ছে পিএইচডি প্রোগ্রাম। কারণ পিএইচডি করার সময় শিক্ষার্থীরা টানা কয়েক বছর নিরবিচ্ছিন্নভাবে সময় দেয়।
একটা সময় ছিল যখন পিএইচডি শিক্ষার্থীদের কোনো স্কলারশিপ দেওয়ার উপায় ছিল না, যদি বা দেওয়া হতো তার পরিমান এত কম ছিল যে কোনো শিক্ষার্থীর যদি নিজের আলাদা উপার্জন না থাকতো তার পক্ষে পিএইচডি গবেষণা করার কোনো উপায় ছিল না।
গত কয়েক বছর থেকে আমি লক্ষ্য করছি যে পিএইচডি গবেষণার জন্যে স্কলারশিপ বাড়ছে এবং সেটি মোটামুটি একটা সম্মানজনক পরিমানে পৌঁছে গেছে। আমার কাছে মনে হয় দেশ যে এগিয়ে যাচ্ছে এটি তার একটা বড় প্রমাণ। আমরা গবেষণার জন্য টাকা খরচ করতে প্রস্তুত হয়েছি।
তবে এখনো কিছু কিছু বিষয় নিষ্পত্তি হয়নি। আমাদের দেশের ছেলে মেয়েরা এখনো নিজ দেশে পিএইচডি করার বিষয়টি অন্তর থেকে গ্রহণ করেনি। এই দেশের বেশিরভাগ ছাত্র-ছাত্রীরা পিএইচডি করার জন্যে দেশের বাইরে যাচ্ছে। একবার দেশের বাইরে গেলে তাদের খুব ছোট একটা অংশ দেশে ফিরে আসছে। আমরা যদি আমাদের দেশের ল্যাবরেটরিতে সত্যিকারের গবেষণা করতে পারি, তাহলে হয়তো এই নতুন প্রজন্মকে বোঝানো সম্ভব হবে দেশেও সত্যিকারের গবেষণা করা সম্ভব। যারা দেশ ছেড়ে গিয়ে দেশের কথা স্মরণ করে লম্বা লম্বা দীর্ঘশ্বাস ফেলছে তাদের কাউকে কাউকে হয়তো তখন দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।
যেদিন আমরা আবিষ্কার করব আমাদের দেশের ছেলেমেয়েরা বিদেশে গিয়ে তাদের লেখাপড়া গবেষণা শেষ করে আবার দেশে ফিরে আসতে শুরু করেছে সেদিন বুঝতে পারব যে আমাদের দেশটি এবারে সত্যি সত্যি নিজের পায়ের উপর দাঁড়াতে শুরু করেছে।
অনেক আশা নিয়ে সেই দিনগুলোর জন্যে অপেক্ষা করে আছি।
(ফেসবুক থেকে)
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাইড শেয়ারিং: অনিয়মের বেড়াজালে চালক, বিপাকে যাত্রী by মারুফ কিবরিয়া

গতকাল পাঠাও রাইডে চড়ে আসা এক যাত্রীর সঙ্গে এমনই বাক্য বিনিময় হচ্ছিল রাইডারের। জামাল উদ্দিন চৌধুরী নামের ওই রাইডার রায়েরবাগ থেকে যাত্রী নিয়ে আসেন কাওরানবাজার মসজিদ রোডে। সোনারগাঁ হোটেলের উল্টো পাশে পেট্রোবাংলার সামনে দিয়ে বাঁয়ে যেতে বলতেই তিনি রেগে যান। ভেতরে যেতে পারবেন না বলে জানান।
এ সময় যাত্রীর সঙ্গে রাইডারের এমন তর্ক হয়। একপর্যায়ে বিরক্ত হয়ে নেমে যান যাত্রী। অথচ নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছে দেয়াই রাইডারের কাজ। আরেক ঘটনা- রাজধানীর গুলশান-২ এ বৃহস্পতিবার ৮টায় অফিসে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছেন ব্যাংক কর্মকর্তা সাঈদ হোসেন। হাতে থাকা মুঠোফোন বের করে পাঠাও অ্যাপে রাইডার খুঁজছেন। যাবেন মিরপুর-১০। কিন্তু কোনো রাইডার পাচ্ছেন না। তবে কিছুক্ষণ পর পর একজন করে মোটরসাইকেল চালক সামনে এসে বলছেন, ভাই কোথায় যাবেন? খুব বিব্রত হচ্ছেন সাঈদ হোসেন। অফিসের দেরি হয়ে যাচ্ছে।
এদিকে কোনো রাইডার পাচ্ছেন না। আবার কিছু রাইডার অ্যাপ অফলাইন করে তাকে চুক্তির ভিত্তিতে যেতে ডাকাডাকি করছেন। রাইড শেয়ারিং সেবা নিয়ে ইদানীং এমন অনিয়মের অভিযোগ শুধু এই ব্যাংক কর্মকর্তার নয়, ঢাকা শহরে যারা সার্ভিসটি নিত্য ব্যবহার করে অভ্যস্ত তাদের অনেকেরই। শুরুর দিকে ভালো সেবা পাওয়ার ফলে পাঠাও, উবার, সহজসহ প্রতিষ্ঠানগুলো জনপ্রিয়তা পেলেও এখন তাদের নিয়ে অভিযোগের অন্ত নেই। রাস্তায় চলতে ফিরতে কিংবা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমের বিভিন্ন গ্রুপে গেলে পাঠাও-উবার চালকদের বিরুদ্ধে প্রায়ই অভিযোগ করছেন যাত্রীরা।
নির্দিষ্ট গন্তব্যে যেতে না চাওয়া, রিকোয়েস্ট বাতিল করে দেয়া, যাত্রীর ডিসকাউন্ট আছে শুনে রাইডারের যেতে না চাওয়া, চালকের খারাপ আচরণসহ অনেক অভিযোগ করছেন সাধারণ যাত্রীরা। আর এর মধ্যেই নতুন করে যোগ হয়েছে চালকদের অ্যাপ বন্ধ করে দিয়ে ‘চুক্তিতে’ যাত্রী খোঁজা। বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ড, অফিসপাড়ায় সকাল-সন্ধ্যায় মোটরসাইকেল চালকরা দাঁড়িয়ে থাকেন চুক্তিতে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছে দেয়ার জন্য। গত বুধবার বিকালে কাওরান বাজার পেট্রো বাংলার সামনে দাঁড়িয়ে রাইড খুঁজছেন রফিক নামের এক যুবক। যাবেন বাড্ডায়। কিন্তু কোনো রাইড পাচ্ছেন না। অথচ সেখানেই কিছু মোটরসাইকেল চালক দাঁড়িয়ে যাত্রী ডাকাডাকি করছেন। রফিক বলেন, আধা ঘণ্টার ওপর রাইড খুঁজছি।
সামনে এতগুলো বাইক থাকতে অনেক দূরে রিকোয়েস্ট চলে যাচ্ছে। তারা আসতে পারছেন না। আর এই জায়গাটিতে যত মোটরসাইকেল আছে সবাই চুক্তিতে যেতে চান। দু-একজন আমাকে জিজ্ঞাসাও করেছেন ‘কোথায় যাবেন’?।
আমি তাতে সাড়া দিইনি। কারণ যাত্রাপথে কোনো অঘটন হলে সে দায় কে নেবে? এটা মোটেও নিরাপদ না। যেকোনো সমস্যায় পড়তে হবে। অ্যাপ বন্ধ করে দিয়ে চালকের কাছ থেকে চুক্তিতে বাসায় পৌঁছে দেয়ার প্রস্তাব পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের মেহেরুন নামের এক শিক্ষার্থীও। তিনি জানান, ক্লাস শেষে শাহবাগ মোড় থেকে বাসায় ফেরার জন্য অ্যাপে রাইডার খুঁজছিলেন সোমবার দুপুরে। কিন্তু অনেকক্ষণ চেষ্টার পর কোনো মোটরসাইকেল পাচ্ছিলেন না। মানবজমিনকে ওই শিক্ষার্থী বলেন, অ্যাপে কোনো রাইডার পাচ্ছি না।
এমন সময় পেছন থেকে এক মোটরসাইকেল চালক এসে বললেন, আপা কোথায় যাবেন? বুঝতে আর বাকি থাকলো না তিনি পাঠাও উবারের মতো কোনো রাইড শেয়ারিং কোম্পানির চালক। আমি তাকে জিজ্ঞাস করলাম অ্যাপে না গিয়ে চুক্তিতে কেন যেতে চাইছেন? মুচকি হেসে ওই মোটরসাইকেল চালক জবাবে বললেন, আমার মোবাইল ফোনের চার্জ শেষ।
তাই ভাবলাম আপনাকে বাসায় পৌঁছে দিয়ে আমি বাসায় গিয়ে মোবাইল ফোনের চার্জ দেবো। মেহেরুণ আরো বলেন, তার অযৌক্তিক কথাটা আমার কাছে হাস্যকর মনে হয়েছে। মোবাইলে চার্জ না থাকলে চুক্তিতে কেন যাবেন? এ ধরনের কোনো সিস্টেম আছে নাকি? আর এটা তো কোনো গণপরিবহন নয়। তাহলে কেন তারা স্বেচ্ছায় যাত্রীসেবা দিতে আসছেন? কিছু মানুষকে দেখছি তাদের ডাকে সাড়াও দিচ্ছেন। কিন্তু এটা তো নিরাপদ নয়। অ্যাপস ছাড়া ভাড়ায় মোটরসাইকেলে যাত্রীসেবা দেয়ার কোনো নিয়ম তো নেই। আমাদের প্রশাসনও তো এসব বিষয়গুলো নজরদারিতে আনছে না।
এদিকে যাত্রী কোথায় যাবেন তা শুনে রিকোয়েস্ট বাতিল করে দেয়ার অভিযোগও রয়েছে চালকদের বিরুদ্ধে। আবার অনেক চালকের রিকোয়েস্ট বাতিল করে দেয়ার মতো ঘটনাও ঘটছে প্রতিনিয়ত। ইসমাইল নামের এক শিক্ষার্থী জানান, কোথাও যেতে চাইলেই রিকোয়েস্ট পাঠানোর পর তা বাতিল করে দেয়। আমার সঙ্গে এমন ঘটনা প্রায়ই ঘটছে।
আবার অনেকে কোথায় যাবো সেটা শুনে যাবেন না বলে রিকোয়েস্ট বাতিল করে দেন। এসব করলে সিএনজি চালিত অটোরিকশা আর রাইড শেয়ারিংয়ের মধ্যে পার্থক্য কোথায় থাকলো? আমরা তো রাইড শেয়ারিংয়ের ব্যাপারটা ইতিবাচকভাবেই নিয়েছি। যখন সিএনজি চালকরা উবার পাঠাওয়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেছিল তখন এ আন্দোলনের বিরোধিতা করেছি। এখন দেখছি সিএনজিই আমাদের জন্য ভালো।
যাত্রীর কাছে আকর্ষণ বাড়ানোর জন্য প্রায়ই কোম্পানিগুলো ‘ডিসকাউন্ট’ দিয়ে থাকে। তবে সেটা ব্যবহার করতে গিয়েও যাত্রীদের শিকার হতে হয় নানা হয়রানিতে। কোনো যাত্রীর ডিসকাউন্ট আছে শুনলে রাইডার তাকে নিতে আগ্রহী হন না। অনেকে সরাসরি বলেই দেন ডিসকাউন্ট আছে, তো যাবো না। এমন অভিযোগও করেছেন বেশ কজন যাত্রী। শিহাব নামের এক যাত্রী বলেন, আমি নিয়মিত রাইড শেয়ারিং কোম্পানির অ্যাপসের সুবিধা ভোগ করছি। মাঝেমধ্যে ডিসকাউন্ট দেয় কোম্পানিগুলো।
সেগুলো ব্যবহারও করি। কিন্তু চালকরা ডিসকাউন্টের কথা শুনলে আর যেতে চান না। কী আজব! ডিসকাউন্টের টাকা তো কোম্পানি দিয়ে দেয়। তাহলে যেতে সমস্যা কোথায়? চালকদের নিয়ে অভিযোগ সরাসরি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকেও করছেন অনেকে। পাঠাও ইউজারস অব বাংলাদেশ নামের গ্রুপটিতে অনেক ইউজার তাদের সুবিধা-অসুবিধার কথা পোস্ট করছেন নিয়মিত। এর মধ্যে আহমেদ জুনায়েদ নামের একজন লিখেছেন ‘পাঠাও পে’তে সমস্যা কি রাইডারদের কেউই পেমেন্ট নিতে চায় না পাঠাও পে’তে। লাস্ট ১০টা রাইডের মধ্যে মাত্র একজন রাজি ছিল। আবদুস সালাম নামের একজন যাত্রী হিসেবে হয়রানির শিকার হয়ে লিখেছেন, ‘ভাই সাহেব রিকুয়েস্ট অ্যাকসেপ্ট করলেন! তারপর বললেন, আমিতো দূরে চলে আসছি। আপনি একটা কাজ করেন। রিকুয়েস্ট ক্যানসেল করে আরেকটা পাঠাও ডাকেন।
কিন্তু আমি শেষ নবাবের কথা না শুনে বললাম, রিকুয়েস্ট যেহেতু অ্যাকসেপ্ট করছেন লোকেশন না দেখে, সেহেতু আপনিই ক্যানসেল করেন। ও মা শেষ নবাব কহিলেন, আপনিই করেন। নইলে আপনি থাকেন আপনার কানেকশন নিয়ে... এখন বাকিটা আপনারা ভাববেন।’
যাত্রীদের এসব অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে গেলে পাঠাওয়ের বিপণন কর্মকর্তা নাবিলা মাহবুব মানবজমিনকে বলেন, যারা চুক্তিতে রাইড দিচ্ছেন তাদের ব্যাপারে আমরা অভিযোগ পাওয়া মাত্রই ব্যবস্থা নিচ্ছি। আমরাও শুনেছি কিছু কিছু রাইডার অ্যাপ বন্ধ রেখে চুক্তিতে যাত্রী সেবা দিচ্ছেন। রিকোয়েস্ট বাতিল করে দেয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রিকোয়েস্ট অ্যাকসেপ্ট করে বাতিল করার নিয়ম নেই।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফিলিস্তিনের নানা অঞ্চল গিলেই চলছে ইসরাইল, নিস্ক্রিয় বিশ্ব!

ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর ভেঙ্গে দিয়ে সেখান থেকে তাদেরকে জোর করে উচ্ছেদ করতে চায় ইসরাইল। আর এ জন্যই সেখানে সেনা অভিযান জোরদার করছে বর্ণবাদী ইসরাইল। ইউরোপীয় সংসদ বলেছে, ফিলিস্তিনিদের জোর করে বিতাড়িত করার অভিযান ইসরাইলকে অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। ফিলিস্তিনের যে পরিস্থিতি ছিল তা বদলে দেয়ার জন্য যেসব পদক্ষেপ ইসরাইল নিচ্ছে সেসবই বন্ধ করার দাবি জানিয়েছে এই সংসদ।
ইসরাইলের কথিত এক আদালত মুসলমানদের প্রথম কিবলার শহর পূর্ব বায়তুল মুকাদ্দাসে অবস্থিত খান আল আহমার মহল্লাটির ৩৫ পরিবারকে ওই মহল্লা থেকে বহিষ্কারের নির্দেশ দিয়েছে। গত মে মাসের ওই নির্দেশের পর ইসরাইলি সশস্ত্র বাহিনী খান আল আহমারকে সামরিক নিষিদ্ধ অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করেছে এবং সেখানে ভারী সামরিক সাজ-সরঞ্জাম ও বুলডজার নিয়ে প্রবেশ করেছে। কিন্তু ওই মহল্লার ৩৫ পরিবারের মোট ২০০ সদস্যসহ আশপাশের ফিলিস্তিনিরা ইসরাইলের এই অন্যায় উচ্ছেদ অভিযানের মোকাবেলায় প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে।
ফিলিস্তিনকে পর্যায়ক্রমে গ্রাস করার বা গিলে ফেলায় দানবীয় ইসরাইলি নীতি জেনেভা কনভেনশনসহ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে গৃহীত প্রস্তাবগুলোর লঙ্ঘন।
ইউরোপীয় জোটের পররাষ্ট্র বিভাগের প্রধান ফেডেরিকা মোগেরিনি অবৈধ ইসরাইলি বসতি বিস্তারের বিরোধিতা করে বলেছেন, এসব পদক্ষেপ শান্তি প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী 'জ্যাঁ ইভ লা দ্রিয়ান'ও ইসরাইলের খান আল আহমারকে গ্রাস করার ইসরাইলি পদক্ষেপের বিরোধিতা করেছেন। তিনি বলেছেন, এসব পদক্ষেপ স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনাকে নষ্ট করবে।
কিন্তু মার্কিন সরকারের সর্বাত্মক মদদপুষ্ট দখলদার ইসরাইল বিশ্বব্যাপী নিন্দা ও প্রতিবাদ সত্ত্বেও ফিলিস্তিনি অঞ্চলগুলোতে জনসংখ্যার কাঠামো বদলে দিতে ফিলিস্তিনিদের বাড়ি-ঘর ধ্বংস করা ও তাদেরকে বিতাড়িত করার অভিযান অব্যাহত রেখেছে।পশ্চিম তীরের দক্ষিণাঞ্চলকে এ অঞ্চলের কেন্দ্রীয় এলাকাগুলো থেকে আলাদা করার জন্য বায়তুল মুকাদ্দাস থেকে বাহরালমাইত অঞ্চল পর্যন্ত ১২ লাখ বর্গমিটার ভূমি দখল করে এ অঞ্চলে অবৈধ বসতি নির্মাণের ষড়যন্ত্র করছে দখলদার ও অবৈধ ইসরাইল সরকার।
ইসরাইল গাজায় অবরোধ জোরদারসহ এমন সময় ফিলিস্তিনের বিরুদ্ধে ধ্বংসাত্মক তৎপরতা তীব্রতর করছে যখন মার্কিন সরকার ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য ত্রাণ সরবরাহকারী জাতিসংঘের সংস্থা আনরাওয়াকে অর্থ দেয়া বন্ধ করে দিয়েছে। ইসরাইলের সংসদ সম্প্রতি ইসরাইলকে একমাত্র কথিত ইহুদিদের রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করে আইন পাশ করেছে। আর সেই থেকে ইসরাইল ফিলিস্তিনিদের স্বদেশে ফেরা সংক্রান্ত শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ আন্দোলনকে টার্গেট করে প্রায় দেড়শ ফিলিস্তিনিকে শহীদ করেছে।
মনে হচ্ছে ইসরাইল ও মার্কিন সরকার ফিলিস্তিনিদেরকে কথিত শতাব্দির চুক্তি সংক্রান্ত আলোচনায় বসতে বাধ্য করার জন্যই সম্প্রতি এইসব ধ্বংসাত্মক পদক্ষেপ জোরদার করেছে। কিন্তু সংগ্রামী ফিলিস্তিনিরা বলছেন, আমরা ইসরাইলের সঙ্গে আপোষ করব না, হয় সসম্মানে বাঁচব অথবা মৃত্যু বরণ করব।
এ অবস্থায় বিশ্ব সমাজের উচিত ইসরাইলি আগ্রাসনগুলো বন্ধের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সোচ্চার ও সক্রিয় হওয়া।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বৃহত্তর ঐক্যের দিকে যাচ্ছি by মহিউদ্দিন অদুল

একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, দেশের বর্তমান অবস্থা তো সবাই দেখতে পাচ্ছে। গণতন্ত্র, আইনের শাসন, মানবাধিকার পরিস্থিতির করুণ দশা। মানুষ চায় শান্তি। আইনের শাসন। হানাহানি নয়। একটি নিরপেক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন সবাই চায়। এ বিষয়ে তো কারো মধ্যে মতবিরোধ নেই। সেই জায়গায় তো সবার ঐকমত্য রয়েছে। তাছাড়া জাতীয় সংকটে সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়। আমরা একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলছি। প্রক্রিয়া শুরু করেছি। এখন ঐক্যের আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে আমরা আ স ম আবদুর রবের বাসায় বসেছিলাম। সেখানে বি. চৌধুরী, মান্নাসহ অনেকে বসেন। শনিবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ঐক্যের ঘোষণা হবে। আমার সঙ্গে সরাসরি কথা না হলেও বিএনপি এ ঐক্য প্রক্রিয়ার প্রতি ইতিবাচক বলে জানা গেছে। ঐক্যের পরিধি বাড়ছে। বৃহত্তর ঐক্যের দিকে যাচ্ছি। শুধু রাজনীতিবিদ নয়। পেশাজীবী, ব্যবসায়ীসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষ এগিয়ে আসুন।
এক প্রশ্নের উত্তরে ড. কামাল বলেন, সরকার ক্ষমতায় থেকে নির্বাচন করতে চায়। বিএনপিও তো একবার ক্ষমতায় থেকে নির্বাচন করেছিল। আমরা কী মেনে নিয়েছি। নির্বাচন করতে হবে তো প্রহরী হয়ে। প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ক্ষমতায় থেকে নির্বাচন করলে কী নিরপেক্ষ হয়? বৃটেনসহ কোনো কোনো দেশে সরকার ক্ষমতায় থেকে নির্বাচন করে। তাদের অবস্থা ওই স্তরে চলে গেছে যে, তারা নির্বাচন নিয়ে কোনো অভিযোগ তোলে না। তাদের নিরপেক্ষতার প্রমাণ নিয়ে কেউ কোনো প্রশ্ন তোলে না। কিন্তু আমাদের দেশের বাস্তবতা তো ভিন্ন। বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার তো নিজেই মন্তব্য করেছেন যে, নিরপেক্ষ নির্বাচন করা সম্ভব হচ্ছে না। সরকার বলছে তার তা বলা উচিত হয়নি। নির্বাচন কমিশনকে সরকারের পক্ষ নিতে বাধ্য করছে। স্থানীয় নির্বাচনগুলো কী নিরপেক্ষ হয়েছে। তাহলে জাতীয় নির্বাচন কীভাবে নিরপেক্ষ হবে। তখনকার ঘটনাগুলো দেখুন। পত্রপত্রিকা দেখুন নির্বাচনের নামে কী হয়েছে? তাহলে ভবিষ্যৎ কী হবে? এসব সংকট থেকে উত্তরণের উপায় খুঁজতে আমরা ঐক্যের আবেদন রাখছি। এ ঐক্য শুধু নিরপেক্ষ নির্বাচন নয়। নির্বাচন-পরবর্তী আইনের শাসন বজায় রাখার জন্যও কাজ করবে।
অপর এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সরকার কী করতে চায় তা তো বিভিন্ন ঘটনা দেখে বোঝা যায়। নির্বাচনগুলোর চিত্র লক্ষ্য করুন। প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীদের কাছে জিজ্ঞাসা করুন। এখন সহজে সব কথা বলতে পারছে না। কাউকে ধরে নিয়ে যাচ্ছে। কেউ রেহাই পেয়ে এলেও ভয়ে মুখ খুলছে না। সমাজ আক্রান্ত হচ্ছে। এতে দেশের ক্ষতি হচ্ছে।
দেশের বর্তমান পরিস্থিতির চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন- শান্তি, স্থিতিশীলতা, দেশ গড়ার পরিবেশ, পড়াশোনার পরিবেশ, তরুণদের পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা ইত্যাদি বজায় রাখতে হবে। ইতিবাচক পরিবেশ গড়ে তোলা উচিত। কিন্তু বাস্তবতা কী। চিত্র এর বিপরীত। তবে ইতিবাচক কথা হলো- সংবিধান এখনো বলবত আছে। সংবিধানের চার মূলনীতির একটি হলো গণতন্ত্র। এখনো সবাই সংবিধান অনুযায়ী শপথ নিয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। কিন্তু তারপরও ঘাটতি হচ্ছে কেন।
আমরা কিছু করতে পারছি না কেন। তার উত্তর হচ্ছে- সুষ্ঠু রাজনীতি হচ্ছে না বলে। ঐকমত্য গড়ে তুলে আমরা গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে পারি। সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান আছে। কিন্তু তা ধ্বংস করা হয়েছে। রুগ্ন রাজনীতির কারণে তা সংবিধান অনুযায়ী চলছে না। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্ব পালনের লক্ষ্য হওয়া উচিত। আমরা সবাই তাই চাই।
দেশের বর্তমান মানবাধিকার পরিস্থিতির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মানবাধিকার তো লঙ্ঘন হচ্ছেই। যারা সরকারে থাকে তাদের তো ক্ষমতা, পুলিশ, বিডিআর, আর্মি আছে। তারা কেন মানবাধিকার লঙ্ঘন করবে। আর কারা লঙ্ঘন করছে। দেখেন সরকারি দলের ভূমিকা। বিনা ওয়ারেন্টে- অপরাধে পুলিশ থানায় ধরে নিয়ে যাচ্ছে। থানায় কয়েকদিন রেখে দিচ্ছে। নিখোঁজ হচ্ছে, গুম হচ্ছে। মানবাধিকারের বিষয়ে সংবিধানে স্পষ্ট বিধান রয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের ভিত্তিতে মানুষের মানবিক অধিকার রক্ষার বিধান রয়েছে। কার্যকরের বিধান রয়েছে। এ বিষয়ে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান মানবাধিকার কমিশনও আছে। এখন তাদের কাছে জিজ্ঞাসা করুন তারা আইন অনুযায়ী তাদের অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে পারছে কিনা। মাঠে-ময়দানে যারা মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হচ্ছে তাদের কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করুন। কারা পুলিশের পাশে দাঁড়িয়ে লাঠিয়ালের দায়িত্ব পালন করছে। দেখুন তারা কী বলে। সরকার, পুলিশ ও মানবাধিকার কমিশনের দায়িত্ব তো আছে। আইনের আশ্রয় পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। পুলিশের কাছে আইনি সহায়তা না পেলে তার প্রতিকারও পেয়েছে কিনা। দেশের অবস্থা দেখুন। সংবিধান মেনে সবাই দায়িত্ব পালন করছে কি-না দেখুন।
তিনি তার ঐক্যের লক্ষ্য সম্পর্কে বলেন, একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে এই ঐক্য প্রক্রিয়ার লক্ষ্য শেষ হয়ে যাবে না। বরং নির্বাচনের পর সাংবিধানিক শাসনকে অর্থপূর্ণভাবে কার্যকর করা। বাস্তব অবস্থা থেকে মূল্যায়ন করে সে দিকে যেতে চাই। শান্তি-শৃঙ্খলা চাই। যাতে সরকার সংবিধানকে রক্ষা করবে। শপথের প্রতি শ্রদ্ধা রাখবে। দলীয় প্রভাব থেকে প্রশাসনকে মুক্ত রাখবে।
দেশের দুর্নীতির নানা চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, এখনকার দুর্নীতি তো এরশাদের সময়কালকেও হার মানাচ্ছে। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত তো বললেন, চার হাজার কোটি টাকা- টাকাই না। এক বিদেশি আমাকে ওই চার হাজার কোটি টাকাকে ডলারে হিসাব করে বলেছিলেন, এত মিলিয়ন ডলার যদি ডলারই না হয় তোমাদের দেশে তাহলে কত ডলারকে তোমরা ডলার বলবে? কারণ ওই ডলার তাদের কাছেও অনেক টাকার সমান।
সবশেষে মানবজমিন-এর পাঠকদের উদ্দেশে ড. কামাল বলেন, পাঠকরা দেশের নাগরিক। দেশের নাগরিকরাই দেশের মালিক। মালিক হিসেবে তাদের দায়িত্ববোধের উন্মেষ ঘটাতে হবে। সবাইকে সজাগ হতে হবে। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তখন সরকার বুঝতে বাধ্য হবে।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পদ্মায় ৫১ বছরে বিলীন একটি শিকাগো শহর বা আড়াই গুন আয়তনের ঢাকা

সম্প্রতি, যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা পদ্মার আয়তন, আকৃতি বদল আর স্থান পরিবর্তন নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। আর এসব তথ্য জানানো হয় সংস্থাটির অনলাইন প্রচারমাধ্যম ‘আর্থ অবজারভেটরি’তে।
১৯৮৮ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত স্যাটেলাইটে ধারণকৃত ১৪টি ছবি নিরীক্ষা করে প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হয়, বিগত ৩০ বছর ধরে পদ্মার আয়তন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্থান পরিবর্তন হচ্ছে বিভিন্ন আকৃতিতে। আর এ কারণেই দেখা দেয় ভূমিক্ষয়।
প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, ১৪টি ছবিই নেওয়া হয়েছে প্রত্যেক বছরের শুষ্ক মৌসুম জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসে। স্যাটেলাটের ব্যবহারকৃত ল্যান্ডস্যাট ৫ ছিল থিমেটিক ম্যাপারের, ল্যান্ডস্যাট ৭ ছিল বৃদ্ধি পাওয়া থিমেটিক ম্যাপারের এবং ল্যান্ডস্যাট ৮ ছিল প্রয়োগগত ভূমির ছবির জন্য।
নাসার প্রতিবেদনে জানানো হয়, লক্ষাধিক কৃষিজীবী মানুষকে নদীটির ১৩০ কিলোমিটার উপকূলের পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে চলতে হয়।
১৯৬৭ সাল থেকে আজ অবধি ৬৬ হাজার হেক্টরের বেশি ভূমি পদ্মায় হারিয়ে আয়তন বিচারে যা যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বড় শহর শিকাগোর সমান। ভয়াবহ মাত্রার এ ভূমিক্ষয়ের অন্যতম কারণ হচ্ছে, উত্তাল নদী প্রবাহের মধ্যে উপকূল সুরক্ষা কর্মসূচিতে খুব কম এলাকা থাকা এবং নদীর তীরে বিশাল বালুচর থাকা।
দীর্ঘদিন যাবত পদ্মা নদীর প্রশস্ততা, গভীরতা, আকৃতি নিয়ে কাজ করা বিজ্ঞানীরা নাসার স্যাটেলাইটে ধারণকৃত ছবিকে ব্যাখ্যা করে বলেন, ১৯৮৮ সাল থেকে পদ্মার আকৃতি ও প্রশস্ততার পরিবর্তন হচ্ছে ব্যাপক। এমনকি বিজ্ঞানীদের কাছে নদীটির আঁকা-বাঁকা গতিপথ সহ ভিন্নমাত্রার ভূ-তাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গি নীরিক্ষামূলক উপাদান হিসেবে সামনে উঠে এসেছে।

About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
২৬ বছর বয়সে ৪১ সন্তানের জননী by নিলয় বিশ্বাস নীল

রিবন নামে এক প্রকার পুতুল আছে, যা দেখতে প্রায় আসল বাচ্চার মতো। এন্ড্রুস এই রিবন পুতুলে সাজিয়ে ফেলেন তার পুরো ঘর। সংগ্রহ করতে করতে এর সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায় প্রায় শতকের কাছাকাছি। আর এই পুতুল কিনতে তার খরচ হয়েছে প্রায় ৬০ লাখ টাকা।
নকল বাচ্চা পালতে পালতে কখন যে আসল বাচ্চার মা হতে চলেছেন সেটা খেয়াল-ই করেননি। গত মে মাসে এই ভদ্রমহিলা ‘টোবাইস’ নামে এক পুত্র সন্তানের জননী হয়েছেন।
হঠাৎ করে পেটে ব্যথা অনুভব করেন। ভেবেছিলেন পেটে আলসার হয়েছে। সপ্তাহ খানেক বাদে ডাক্তারের কাছে গেলে ডাক্তার রক্ত পরীক্ষা করতে বলেন। রিপোর্ট দেখে ডাক্তার অভিনন্দন জানিয়ে বলেন ‘আপনি সাত সপ্তাহের গর্ভবতী’। একদম বিশ্বাস করতে পারছিলেন না তিনি। এর পরে আবারো আল্ট্রাসনোগ্রাম করান নিশ্চিত হওয়ার জন্য। সেখানকার রিপোর্ট থেকেও একই তথ্য আসে।
টোবাইস’র জন্মের পর এখন পুতুলের সংখ্যা কমে গিয়েছে। বাচ্চার খরচ মেটাতে ৪০টির মতো পুতুল প্রায় ১০ লাখ টাকায় বিক্রি করেন। এখন টোবাইস’র আরো ৪০টি ভাইবোন বাড়িতে আছে। এদের মধ্যে একজনকে টোবাইস নিজের খেলার সঙ্গী বানিয়ে নিয়েছেন। বাকিদের স্থান হয়েছে সেলফে।
এন্ড্রুস বলেন, ‘আমার জীবনে সন্তানের মা হওয়ার ইচ্ছা আছে, হয়তো আরো চার সন্তানের মা হবো। যদিও এখন আমি ৪১ সন্তানের মা’।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাখাইনে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘন অব্যাহত রয়েছে: ইইউ
![]() |
| রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করছেন মোগেরিনি (মাঝে সবুজ জামা) -ফাইল ফটো |
ফেডেরিকা মোগেরিনি মিয়ানমারে দুইজন সাংবাদিকের বিচার প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। দণ্ডপ্রাপ্ত দুই সাংবাদিকের বিচার ন্যায়সঙ্গত হয় নি বলে তিনি জানান।
সম্প্রতি দুই সাংবাদিককে সাত বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছে মিয়ানমারের আদালত। রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে করা মামলায় তাদেরকে এ কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রয়টার্সের দুই সাংবাদিক ওয়া লন ও কিয় সোয়ে ও-কে গত ১২ই ডিসেম্বর ইয়াঙ্গুনের কাছের একটি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। দু'জনই রাখাইনে মুসলমানদের উপর মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর অভিযান সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করছিলেন।
তারা বলেছেন, কেবল পেশাগত দায়িত্ব পালন করছিলেন তারা৷ রাখাইনের একটি গ্রামে গত বছরের সেপ্টেম্বরে ১০ জন রোহিঙ্গা মুসলমানকে হত্যার ঘটনা অনুসন্ধান করছিলেন তারা। সেখানে গিয়েছিলেন পুলিশের আমন্ত্রণে এবং নৈশভোজের সময় তাদের হাতে কিছু নথিপত্র তুলে দিয়েছিল পুলিশ৷ সেই রেস্তোরাঁ ত্যাগ করার পরপরই ওই নথিসহ তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে নতুনকরে রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর হত্যা-নির্যাতন শুরু করেছে মিয়ানমার সরকার ও তাদের মদদপুষ্ট কিছু গোষ্ঠী। এর ফলে এ পর্যন্ত হাজার হাজার রোহিঙ্গা নিহত হয়েছে। এছাড়া লাখ লাখ রোহিঙ্গা ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মুসল্লিদের বাধায় সাতক্ষীরায় ‘জান্নাত’ সিনেমার প্রদর্শনী বন্ধ

ছবিটির পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান মানিক প্রদর্শনী বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বিষয়টি আমিও শুনেছি। বিস্মিত ও হতাশ হয়েছি। এ ছবিতে কিন্তু ইসলামের মাহাত্ম্য তুলে ধরা হয়েছে। বলা হয়েছে, ইসলাম শান্তির ধর্ম। আমাদের জীবনকে ইসলামের শান্তির পথে চালিত করতে হবে। এ রকম একটি চলচ্চিত্র না দেখে, না বুঝে অনুমাননির্ভর হয়ে বন্ধ করে দেয়াটা সত্যিই দুঃখজনক।
এদিকে সদর থানার পুলিশ সুপার সাজ্জাদুর রহমান বলেন, স্থানীয় কয়েকজন অভিযোগ করেছেন, ‘জান্নাত’ ছবিটি ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানতে পারে। এতে করে বিশৃঙ্খলা ঘটতে পারে। এর আগেও এখানে একাধিকবার ধর্মীয় বিষয় নিয়ে হানাহানি হয়েছে। তাই এমন অভিযোগের ভিত্তিতে ছবিটির প্রদর্শনী বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
জানা যায়, জেলা সদরের কিছু মুসল্লি ‘জান্নাত’ ছবির নাম, পোস্টার ও ইসলামবিরোধী বক্তব্যের অভিযোগ তুলে একটি মিছিল করেন। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসার পর ছবিটির প্রদর্শনী বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়। এরপর প্রেক্ষাগৃহ থেকে ছবিটির ব্যানার নামিয়ে ফেলা হয়। গেল ঈদুল আজহায় মুক্তি পায় সাইমন-মাহি অভিনীত ‘জান্নাত’। ছবির বিভিন্ন চরিত্রে আরও অভিনয় করেছেন মিশা সওদাগর, আলী রাজ প্রমুখ।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরানে দুধের শিশুদের ব্যতিক্রমী মহাসমাবেশ

মায়েদের উপস্থিতিতে এই সমাবেশে হযরত আলী আসগরের হৃদয়-বিদারক শাহাদতকে স্মরণ করা হয়। এবারের সমাবেশে লাখ লাখ দুধের শিশু অংশ নেয়। শূন্য ও রক্তমাখা দোলনা দুলিয়ে শোকার্ত মায়েরা তাদের শিশুকে কোলে নিয়ে এই শোকানুষ্ঠানে অংশ নেন। ফলে সৃষ্টি হয় হৃদয়-বিদারী শোকের পরিবেশ। এ ছাড়াও তারা এ সময় শিশু ও অন্যদের মধ্যে দুধ বিতরণ করে থাকেন।
৬৮০ খ্রিস্টাব্দে বা ৬১ হিজরির দশই মহররম কারবালায় ইয়াজিদ বাহিনীর পানি-অবরোধের কারণে এই শিশু যখন তৃষ্ণায় ছটফট করছিলেন তখন ইমাম হুসাইন (আ.) এই শিশুকে কোলে নিয়ে তাঁর জন্য পানি চান। এসময় পাষাণ-হৃদয় ইয়াজিদি সেনা হারমালা বিন কাহিল তিন শাখা-বিশিষ্ট একটি তীর নিক্ষেপ করলে তা তাঁর নরম গলা ভেদ করে। ফলে সঙ্গে সঙ্গে প্রাণ হারায় ওই কচি শিশু। শাহাদতের সময় তার বয়স ছিল মাত্র ছয় মাস। কারবালায় তাঁকে দাফন করা হয়েছিল পিতার সঙ্গেই।
বলা হয়ে থাকে ইমাম হুসাইন তার শিশুপুত্র আলী আসগরে কয়েক ফোঁটা রক্ত আকাশের দিকে নিক্ষেপ করলে তা কখনও মাটিতে ফিরে আসেনি। বীর মুখতার সাকাফি কয়েক বছর পর হারমালাকে হত্যা করেছিলেন দূর থেকে গলায় ছুরি নিক্ষেপ করে যা এই পাষণ্ডের গলা বিদ্ধ করেছিল।
আলী আসগর (আ) বিশ্ব-সংস্থার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতি বছর মহররম মাসের প্রথম শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয় ওই মর্মান্তিক ঘটনা স্মরণে ইরানসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শিশুদের এই ব্যতিক্রমী মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পূর্বাচলে ৩ গুলিবিদ্ধ লাশ, পরিবার বলছে ডিবি পরিচয়ে তুলে নেয়ার পর হত্যা

রূপগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুজ্জামান জানান, শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে রূপগঞ্জের পূর্বাচল উপশহরের কাঞ্চন-কুড়িল বিশ্বরোড সড়কের আলমপুর এলাকার ১১নং সেতুর নিচে পাশাপাশি গুলিবিদ্ধ ৩ যুবকের লাশ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশগুলো উদ্ধার করে। এ সময় লাশের দেহ তল্লাশি করে একজনের পকেট থেকে একটি ভিজিটিং কার্ড উদ্ধার করে লাশের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। তাদের মধ্যে মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলার বিক্রমপুর গ্রামের মৃত আবদুল ওহাবের ছেলে নুর হোসেন বাবু (২৯) তার ভায়রা ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার গুড়েলা এলাকার আবদুল মান্নানের ছেলে শিমুল আজাদ (২৬) বর্তমানে রাজধানীর মুগদা মান্ডা এলাকার হাজীর বাড়ির ভাড়াটিয়া এবং তাদের বন্ধু ও ব্যবসায়িক অংশীদার রাজধানীর মহাখালী দক্ষিণপাড়া এলাকার মৃত শহিদুল্লাহর ছেলে সোহাগ ভূইয়া (৩৪)। তারা ৩ জনই মুগদা এলাকায় অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে গার্মেন্ট পণ্যের ব্যবসা করতেন। এদের মধ্যে নিহত শিমুলের প্যান্টের পকেট থেকে ৬৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। নিহত প্রত্যেককেই মাথায় বুকেসহ একাধিকস্থানে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানান ওসি।
নিহত ব্যবসায়ী শিমুলের স্ত্রী নীপা ইসলাম জানান, আমার স্বামী শিমুল ভগ্নিপতি নুর হোসেন বাবু ও তাদের ব্যবসার পার্টনার সোহাগ মিলে গত ১২ই সেপ্টেম্বর বুধবার সকালে তাদের গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহের সদর থানাধীন মহারাজপুর ইউনিয়নের গুড়েলা গ্রামে বেড়াতে যায়। জরুরি কাজে সেদিন রাতেই আবার তারা ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়। ১৩ই সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার ভোরে গাড়িতে থাকা অবস্থায় সবার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে গাড়ির সুপারভাইজারের মাধ্যমে জানতে পারেন পাটুরিয়া ফেরিঘাটের সামনে থেকে ১৩ই সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার ভোরে ডিবি পুলিশের জ্যাকেটপরা ১৫-১৬ জন ব্যক্তি তাদের আটক করে নিয়ে গেছেন। নিহতের আত্মীয়স্বজনরা মানিকগঞ্জ গোয়েন্দা পুলিশ, র্যাব কার্যালয় ও স্থানীয় থানা-হাসপাতালগুলোতে তাদের সন্ধান করেও পাননি। শুক্রবার সকালে রূপগঞ্জ থানা পুলিশের মাধ্যমে তার স্বামীসহ ৩ জন নিহতের সংবাদ পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে এসে লাশগুলো শনাক্ত করেন। নিপা ইসলাম দাবি করেন, তার স্বামীসহ নিহত কারো বিরুদ্ধে থানায় কোনো ধরনের মামলা এমনকি সাধারণ ডায়রি পর্যন্ত নেই।
তিনি বলেন, পুলিশ আটক করে তাদের অজ্ঞাত কারণে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। এ ব্যাপারে ঢাকা-ঝিনাইদহ রুটের পূর্বাশা বাস সার্ভিসের সুপারভাইজার আশরাফুল ইসলাম মানবজমিনকে বলেন, ১২ই সেপ্টেম্বর বুধবার রাতে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার লাউতলা বাসস্ট্যান্ড থেকে ওই তিনজন গাড়িতে ওঠেন। ১৩ই সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার ভোরে গাড়িটি ফেরি পার হয়ে পাটুরিয়া ঘাটে আসার পর ডিবি লেখা জ্যাকেটপরা ১৫-১৬ জন ব্যক্তি দুটি হায়েস প্রাইভেটকার নিয়ে আমার গাড়িকে ব্যারিকেড দেয়। এ সময় ২৯ জন যাত্রীর মধ্যে থেকে তাদের তিনজনকে নামিয়ে নিয়ে যায় তারা। আমি তাদের পরিচয় জিজ্ঞাসা করলে তারা নিজেদের মানিকগঞ্জ জেলা ডিবি পুলিশ পরিচয় দেয় এবং আটকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে বলে আমাদের জানানো হয়।
এ ব্যাপারে মানিকগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, ১৩ই সেপ্টেম্বর ভোরে পাটুরিয়া ঘাটে মাদকদ্রব্য উদ্ধারের জন্য আমাদের বিশেষ অভিযান চলছিল। আমি নিজে সে অভিযানে উপস্থিত ছিলাম। আমরা কাউকে আটক করিনি। ক্রসফায়ারের তো প্রশ্নই ওঠে না। নিহতদের লাশ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে রূপগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইয়েমেন এখন শিশুদের জন্য জাহান্নাম: ইউনিসেফ

এছাড়া আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থা 'সেভ দ্য চিলড্রেন' বলেছে, প্রায় ৪০ লাখ শিশু এতোটাই খাদ্য সংকটে রয়েছে যে, তাদের খাদ্যের ব্যবস্থা করতে না পারলে মৃত্যুর ঝুঁকি থেকে যাবে। হুদায়দা বন্দরে সামরিক সংঘাত ইয়েমেনের লাখ লাখ শিশুর খাদ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে হুমকি হয়ে উঠেছে।
গত ১৩ জুন থেকে হুদায়দা বন্দর দখলের লক্ষ্যে ব্যাপক হামলা শুরু করেছে। ইয়েমেন মানবিক ত্রাণ সরবরাহের প্রধান পথ হচ্ছে হুদায়দা বন্দর।
আমেরিকা ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ আরও কয়েকটি দেশের সহযোগিতায় ২০১৫ সালের মার্চ থেকে দরিদ্র প্রতিবেশী দেশ ইয়েমেনে হামলা শুরু করেছে সৌদি আরব। তাদের হামলায় এ পর্যন্ত শিশুসহ ১৪ হাজারের বেশি ইয়েমেনি নিহত হয়েছেন। সম্প্রতি শিশুদের বহনকারী একটি বাসে হামলা চালিয়ে স্কুলগামী বহু শিশুকে হত্যা করেছে সৌদি বাহিনী।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৮ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরি প্রত্যাখ্যান, বিক্ষোভ

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে শ্রম মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৫,৩০০ টাকা বা ৫১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৮ হাজার টাকা ঘোষণা করেন। ঘোষণা অনুযায়ী, শ্রমিকের মূল বেতন ৪,১০০ টাকা, বাড়ি ভাড়া ১,০৫০ টাকা, চিকিৎসা ভাতা ৬০০ টাকা, যাতায়াত ৬০০ টাকা এবং বাকি টাকা খাদ্য ও অন্য খাতে ধরা হয়েছে। সরকারের এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করেছে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন ও বাম ধারার রাজনৈতিক দলগুলো। সরকারের ঘোষণার পর পরই তাৎক্ষণিক সমাবেশ ও বিবৃতির মাধ্যমে এর প্রতিবাদ জানায় তারা।
এদিকে বেতন বাড়ানোর সিদ্ধান্তে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন কিছু কিছু শ্রমিক নেতা। তবে বেশিরভাগ শ্রমিক এবং শ্রমিক সংগঠন বলছে, ‘মন্দের ভালো’ সিদ্ধান্ত। ইতিমধ্যে গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতিসহ বেশি কিছু শ্রমিক সংগঠন বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। সরকার সমর্থিত শ্রমিক সংগঠনগুলো নতুন কাঠামোকে স্বাগত জানালেও প্রত্যাখ্যান করেছে বামপন্থি সংগঠনগুলো।
মজুরি বোর্ডে থাকা শ্রমিক পক্ষের অস্থায়ী প্রতিনিধি বেগম শামসুন্নাহার ভূঁইয়া মনে করেন, ১৬ হাজার টাকা মজুরি দাবি আদায় না হওয়ার জন্য শ্রমিক সংগঠনগুলোর অনৈক্যই দায়ী। আওয়ামী লীগের শ্রমিক সংগঠন জাতীয় শ্রমিক লীগের এই নেতা মজুরি বোর্ডে আলোচনার সময় ১২ হাজার টাকা মজুরির প্রস্তাব তুলে অন্য সংগঠনগুলোর তোপের মুখে পড়েছিলেন। শামসুন্নাহারকে মজুরি বোর্ডে নেয়া নিয়ে তখন আপত্তিও জানিয়েছিলেন বামপন্থি শ্রমিক নেতারা। তিনি বলেন, মজুরি বোর্ডে আমরা ১২ হাজার টাকার প্রস্তাব দিলেও মালিক পক্ষ ৭ হাজার টাকার উপরে উঠতে রাজি হয়নি। পরে সরকারের হস্তক্ষেপে ৮ হাজার টাকা করায় আমরা তা মেনে নিয়েছি। তবে বেতন আর একটু বেশি হলে আমরা খুশি হতাম।
মজুরি বোর্ডে থাকা আরেক শ্রমিক প্রতিনিধি ও আওয়ামী লীগপন্থি শ্রমিক নেতা ফজলুল হক মন্টু সরকারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, পোশাক শ্রমিকদের মজুরি বাড়ানোয় আমরা খুশি। পোশাক শ্রমিকদের পক্ষ থেকে এ জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই।
গার্মেন্ট শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক জলি তালুকদার বলেন, ন্যূনতম মজুরি ৮ হাজার টাকার সিদ্ধান্তকে আমরা প্রত্যাখ্যান করেছি। মজুরির নতুন এই প্রস্তাব অমানবিক, অন্যায্য এবং প্রতারণামূলক। বর্তমান বাজার বিবেচনায় এটা সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এর মাধ্যমে সরকার মালিকদের পক্ষ নিয়েছে। আমরা ১৬ হাজার টাকা দাবি করেছি।
একই মন্তব্য করেন গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরামের সভাপতি মোশরেফা মিশু। তিনি বলেন, আমরা সরকারের বেঁধে দেয়া ন্যূনতম মজুরি ৮ হাজার টাকা মানি না। এ মজুরি নির্ধারণে আমরা ক্ষুব্ধ। কারণ সরকার শ্রমিকবান্ধব দাবি করলেও মালিকপক্ষের কাছে তারা অসহায়। মালিকদের স্বার্থই সরকার বেশি দেখেছে। অথচ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির দাম যে হারে বেড়েছে তাতে একজন শ্রমিকের এ মজুরিতে টিকে থাকা অসম্ভব। তিনি বলেন, আমরা ১৬ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে অটল। আগামী ৩০শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আমরা সরকারকে সময় সীমা বেঁধে দেবো। সরকার দাবি না মানলে অক্টোবরে কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার হুমকি দেন এই শ্রমিক নেত্রী।
বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, নতুন মজুরি কাঠামো বাস্তবায়নই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। গত কয়েক বছর ধরে পোশাকের মূল্য দিন দিন কমছে। বেতন বাড়ছে। প্রতি বছর ৫ শতাংশ হারে আমরা বেতন বাড়িয়ে যাচ্ছি। মূল্য না বাড়লে এই টাকা কোথায় থেকে আসবে। এখন তো আমি ভয় পাচ্ছি এ বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন হবে একটা বড় চ্যালেঞ্জ। অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে যাবে। বায়ার, শ্রমিক, সরকার এবং সবাই মিলে যদি এগিয়ে না আসে তাহলে আমাদের এই শিল্প ধরে রাখা কষ্টকর হবে। তিনি বলেন, নতুন কাঠামোতে বেতন বেড়েছে ২,৭০০ টাকা।
গতকাল রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে সরকার ঘোষিত সর্বনিম্ন মজুরি প্রত্যাখ্যান করে পোশাক শ্রমিকরা তা ১৬ হাজার টাকা করার দাবি জানান। সকাল সাড়ে ১১টার দিকে গার্মেন্ট ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের ব্যানারে কয়েকশ’ শ্রমিক রাস্তা বন্ধ করে সরকারেরর সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানায়। এর ফলে সেই এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। একই সময়ে একইস্থানে আয়োজিত অপর এক প্রতিবাদ সমাবেশে গার্মেস্ট শ্রমিক ফ্রন্টের পক্ষ থেকে ন্যূনতম মাসিক বেতন ৮,০০০ টাকা প্রত্যাখ্যান করে তা ১৮ হাজার টাকা করার দাবি জানানো হয়।
সিপিবি’র মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম এ সময় তাদের আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করে বলেন, ভিক্ষা চাইতে আসিনি, মেহনতি মানুষের শ্রমের মজুরি চাইতে রাস্তায় এসেছি। শ্রমিকের দাবি ন্যূনতম ১৬ হাজার টাকা মেনে নিতে হবে। নইলে আগামী নির্বাচনে শ্রমিকরা আপনাকে ক্ষমতা থেকে নামিয়ে দেবে। তিনি বলেন, সুইপারের বেতন ১৭ হাজার টাকা অথচ পোশাক শ্রমিকদের বেতন ৮ হাজার টাকা এটা মানা যায় না। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বিবেচনা করলে গার্মেন্ট শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ২১ হাজার টাকা হওয়া উচিত।
গার্মেন্ট শ্রমিক ফ্রন্টের ব্যানারে আয়োজিত সমাবেশে সংগঠনটির নেতারা বলেন, শ্রমিক সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরে ১৮ হাজার টাকা মজুরি নির্ধারণের দাবি জানিয়ে আসছিল। সরকার মালিকদের চাপের কাছে নতি স্বীকার করে শ্রমিকদের দাবির সঙ্গে প্রহসনমূলক মজুরি ঘোষণা করেছে। তাদের দাবি, মজুরি নির্ধারণের এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে রাষ্ট্রীয় শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের মজুরির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে নিম্নতম মজুরি ১৮ হাজার টাকা ঘোষণা করতে হবে। সরকার তাদের দাবি না মানলে তারা কঠোর আন্দোলনে যাবে।
তারা বলেন, সরকার ৮ হাজার টাকার যে মজুরি ঘোষণা করেছে তার মধ্যে মূল মজুরি ৪১০০ টাকা। ২০১৩ সালে পোশাক শ্রমিকদের জন্য ঘোষিত নিম্নতম মূল মজুরি ৩০০০ টাকা ৫ শতাংশ হারে বাৎসরিক বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে ৫ বছর পরে বিদ্যমান মূল মজুরি ৩৮২৮ টাকা। অর্থাৎ মজুরি ঘোষণায় শ্রমিকদের মূল মজুরি মাত্র ২৭২ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে। যা প্রমাণ করে মজুরি বোর্ড শ্রম আইন ২০০৬ এর ১৪১ নম্বর ধারায় উল্লেখিত মানদণ্ড কিংবা আইএলও কনভেনশন ১৩১ এর মজুরির মাপকাঠিকে কোনো মূল্য দেয়নি।
গার্মেন্ট শ্রমিক ফ্রন্টের সভাপতি আহসান হাবিব বুলবুলের সভাপতিত্বে বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবদুর রাজ্জাক, গার্মেন্ট শ্রমিক ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক সেলিম মাহমুদ, যুগ্ম সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম গোলক, সাংগঠনিক সম্পাদক সৌমিত্র কুমার দাস।
এদিকে ইন্ডাস্ট্রিয়াল বাংলাদেশ কাউন্সিলের (আইবিসি) চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন আহমেদ ও মহাসচিব সালাউদ্দিন স্বপন এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেছেন, গার্মেন্ট শ্রমিকদের জন্য নিম্নতম মজুরি ৮ হাজার টাকা ঘোষণা, শ্রমিকদের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে, অবিলম্বে ঘোষিত মজুরি পুনর্বিবেচনা করতে হবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ঘোষিত ৮ হাজার টাকা নিম্নতম মজুরি দেশের গার্মেন্টস শ্রমিক ও শ্রমিক সংগঠনসমূহের মজুরি বোর্ডের নিকট যে প্রত্যাশা ছিল তা পূরণে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে। বাড়ি ভাড়া ৪০% থেকে বাড়িয়ে ৫০% করে এবং অন্যান্য ভাতা বাড়িয়ে শ্রমিকদের মূল মজুরিকেও পূর্বের হারের থেকে আরো কমিয়ে দেয়া হয়েছে। এ শিল্পের শ্রমিকদের জন্য সবসময়ই ওভারটাইম ভাতা গুরুত্বপূর্ণ, শ্রমিকদের মূল মজুরি কমিয়ে দিয়ে ওভারটাইম ভাতা ও চাকরি অবসানের ক্ষেত্রে অন্য পাওনাদির হার কমিয়ে দেয়া কোনভাবেই কাম্য নয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, গার্মেন্ট শ্রমিকদের প্রত্যাশা ছিল ইতিপূর্বে ঘোষিত রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প কারখানার শ্রমিকদের জন্য যে মজুরি ঘোষণা হয়েছে গার্মেন্ট শ্রমিকদের মজুরিও তার চাইতে কম হবে না। কিন্তু বর্তমান ঘোষিত মজুরি, রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প কারখানার শ্রমিকদের জন্য ঘোষিত মজুরির অর্ধেক, যা শ্রমিকদের জন্য খুবই হতাশাজনক। বিবৃতিতে সরকার ঘোষিত নিম্নতম মজুরি ৮ হাজার টাকা পুনর্বিবচেনা করার দাবি জানায় আইবিসি।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শরীর রক্তাক্ত করে শোক পালন হারাম: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বলেছেন, এ ধরনের কাজ শোক-প্রকাশ নয় বরং শোক-প্রকাশের ধ্বংস সাধন। এ ছাড়া তিনি পোশাক খুলে বা খালি-গা হয়ে শোক প্রকাশ করারও বিরোধিতা করেছেন।
বিশ্বের কোনো কোনো অঞ্চলে আশুরা ও মহররমের শোক প্রকাশের নামে অনেকেই নানা পন্থায় শরীরকে রক্তাক্ত করেন। আর এ বিষয়টি মহররমের পবিত্রতা ও শোক-প্রকাশকারীদের সম্পর্কে নানা নেতিবাচক ধারণা সৃষ্টি করছে অনেকের মধ্যেই।
এ ধরনের তৎপরতার ফলে ইসলামের শত্রুরা এই মহান ধর্ম সম্পর্কে নানা ধরনের অপপ্রচার চালানোর সুযোগ নিচ্ছে বলে ইরানের শীর্ষস্থানীয় অন্য অনেক আলেমও মনে করেন এবং তাই তারা শোক-প্রকাশের ক্ষেত্রে এসব বাড়াবাড়ি পরিহার করতে মুসলমানদের সতর্ক করে আসছেন।
ইসলামের বিধান অনুযায়ী ইবাদতের জন্য পোশাক, শরীর ও স্থান পবিত্র হওয়া জরুরি। কিন্তু রক্ত অপবিত্র হওয়ায় এর স্পর্শে স্থান, দেহ ও পোশাক অপবিত্র হয়ে যায়। তাই ইবাদতের স্বার্থে মসজিদ ও ইমামবাড়ার মত পবিত্র স্থানকে ইচ্ছাকৃতভাবে মানুষের রক্ত দিয়ে অপবিত্র করা নিষিদ্ধ বলে ইরানের আলেম সমাজ ফতোয়া দিয়ে এসেছেন।
যারা কারবালার শোকাবহ ঘ্টনার জন্য শোক প্রকাশ করতে চান তারা অপাত্রে রক্ত অপচয় না করে রোগিদের জন্য হাসপাতালে রক্ত দান করলে অনেক সাওয়াবের অধিকারী হবেন বলেও ইরানি আলেম সমাজ মনে করেন।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
September
(317)
-
▼
Sep 15
(21)
- ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে হুমকির মুখে পড়বে স্বাধীন সা...
- এক শান্তি যোদ্ধার পাণ্ডুলিপি by শরিফুল ইসলাম
- ৪ বছরের পরিশ্রম ৪ মিনিটেই সমাধান by পিয়াস সরকার
- হাতে নিলেই গলে যায়, নতুন মাছ নিয়ে হইচই
- ইসরাইলকে রক্ষার জন্য ট্রাম্পের 'শতাব্দির সেরা চুক্...
- 'আসগর সব দেবো বাচ্চারে কোরবান / জালিমের দাদ নিব, দ...
- ৫ দাবি ও ৯ লক্ষ্যে জাতীয় ঐক্যের ঘোষণা আসছে
- চীনের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের ওপরে চ...
- সেই দিনগুলোর জন্য অপেক্ষা করে আছি by মুহম্মদ জাফর ...
- রাইড শেয়ারিং: অনিয়মের বেড়াজালে চালক, বিপাকে যাত্রী...
- ফিলিস্তিনের নানা অঞ্চল গিলেই চলছে ইসরাইল, নিস্ক্রি...
- বৃহত্তর ঐক্যের দিকে যাচ্ছি by মহিউদ্দিন অদুল
- পদ্মায় ৫১ বছরে বিলীন একটি শিকাগো শহর বা আড়াই গুন আ...
- ২৬ বছর বয়সে ৪১ সন্তানের জননী by নিলয় বিশ্বাস নীল
- রাখাইনে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘন অব্য...
- মুসল্লিদের বাধায় সাতক্ষীরায় ‘জান্নাত’ সিনেমার প্রদ...
- ইরানে দুধের শিশুদের ব্যতিক্রমী মহাসমাবেশ
- পূর্বাচলে ৩ গুলিবিদ্ধ লাশ, পরিবার বলছে ডিবি পরিচয়ে...
- ইয়েমেন এখন শিশুদের জন্য জাহান্নাম: ইউনিসেফ
- ৮ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরি প্রত্যাখ্যান, বিক্ষোভ
- শরীর রক্তাক্ত করে শোক পালন হারাম: ইরানের সর্বোচ্চ ...
-
▼
Sep 15
(21)
-
▼
September
(317)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...




















