Wednesday, December 9, 2015
রামদা নিয়ে কেন্দ্রকে স্বাগত জানাল সিলেট ছাত্রলীগ
![]() |
| সিলেট জেলা ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগকে ধন্যবাদ জানিয়ে নগরে মিছিল বের করে সিলেট জেলা ছাত্রলীগ। এ সময় অনেক কর্মী প্রকাশ্যে রামদা বহন করেন l প্রথম আলো |
২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে কেন্দ্র থেকে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ আরও ছয়টি পদ ঘোষণা করে সিলেট জেলা ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। প্রায় এক বছর পর ৫ ডিসেম্বর জেলা ছাত্রলীগের বিভিন্ন সম্পাদকীয় পদে আরও ১৩২ জনের নাম ঘোষণা করে কেন্দ্র থেকে ১৪১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা হয়। পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা উপলক্ষে কেন্দ্রকে স্বাগত জানাতে গতকাল জেলা ছাত্রলীগ মিছিল করে। বিকেলে সিলেটের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকা থেকে মিছিল বের করে জিন্দাবাজার ও চৌহাট্টার এলাকা প্রদক্ষিণ করে ছাত্রলীগ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, পূর্ণাঙ্গ কমিটিকে নিয়ে সভাপতি শাহরিয়ার হোসেন সামাদ ও সাধারণ সম্পাদক রায়হান হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করেন। পরে সেখান থেকে কয়েকটি খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে তাঁরা বিকেল চারটার দিকে নগরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে একত্র হন। এ সময় তাঁরা সঙ্গে থাকা চটের ব্যাগ থেকে রামদা বের করেন। প্রায় ৪০ জনকে তখন রামদা বহন করতে দেখা যায়। কেউ হাতে, আবার কেউ মোটরসাইকেলে বসা অবস্থায় রামদা নিয়ে ঘোরাফেরা করছিলেন। পরে জিন্দাবাজার ও চৌহাট্টার দিকে মিছিল বের করেন নেতা-কর্মীরা। এ সময় সামনে থাকা তিনটি মোটরসাইকেলে ছয়জন ও পেছনে আরও নয়টি মোটরসাইকেলে তিনজন করে থাকা ২৭ জনের হাতে রামদা দেখা যায়। অনেকে রামদা উঁচিয়ে মিছিল করেন।
রামদা হাতে থাকা কর্মীদের তদারক করতে দেখা যায় জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি আলী হোসেনকে। মিছিল শেষে তাঁর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আত্মরক্ষার্থে কয়েকজন রামদা এনেছিল। পরে অবশ্য আমরা সেগুলো সরিয়ে ফেলেছি।’
তবে এ ব্যাপারে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, কেন্দ্র থেকে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার পরে সিলেট থেকে একটি পক্ষ কমিটির বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। গত সোমবার বিকেলে ওই পক্ষ নগরে একটি মিছিলও করে। পূর্ণাঙ্গ কমিটির বিরুদ্ধে থাকা সবাই সন্ত্রাসী প্রকৃতির হওয়ায় আত্মরক্ষার্থে এমন প্রস্তুতি ছিল।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, ছাত্রলীগের সশস্ত্র মিছিলের সময় জিন্দাবাজার ও চৌহাট্টা মোড়ে পুলিশের তিনটি দল ছিল। পুলিশের সামনেই রামদা নিয়ে মিছিল করে ছাত্রলীগ। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ছিল নিষ্ক্রিয়।
এ ব্যাপারে সিলেট কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল আহমদ বলেন, ‘মিছিল থেকে দূরে ছিল পুলিশের দল। এ কারণে রামদা বহনকারী কাউকে দেখেনি পুলিশ।’
জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শাহরিয়ার আলম সামাদ অবশ্য প্রথম আলোকে বলেন, রামদা নিয়ে কেউ মিছিল করেনি। ছবি আছে বলে তাঁকে জানালেও তিনি বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বলেন, ‘এটি কোনো মিছিল ছিল না। সিলেটের ইতিহাসে কেন্দ্র থেকে এই প্রথম পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশ হয়েছে। ওই কমিটিকে নিয়ে আমরা মাজার জিয়ারত করেছি। জড়ো হওয়া ও ফেরার পথে মিছিল হয়েছে। সেখানে বিচ্ছিন্নভাবে কিছু হলে সেটার জন্য নেতৃত্ব দায়ী হতে পারে না।’
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধে চাই সমষ্টিগত পদক্ষেপ
নয়টি জাতির প্রতিনিধিত্ব করে বাংলাদেশে নিযুক্ত নয় জাতির নারী রাষ্ট্রদূত হিসেবে আমরা অবশ্যই অনেক বিষয় নিয়ে কাজ করছি। তবু আমরা এ ব্যাপারে একমত যে সারা বিশ্বে, আমাদের দেশে এবং বাংলাদেশে নারীর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে সাড়া দেওয়া ও এর প্রতিরোধের প্রয়োজনীয়তা জরুরি ভিত্তিতে আমলে নেওয়া উচিত।
গবেষণায় দেখা গেছে যে নারীর প্রতি সহিংসতা (জেন্ডার-বেজড ভায়োলেন্স-জিবিভি) ভয়ানক আকারে সারা বিশ্বে বিস্তৃত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী প্রতি তিনজনের একজন নারী তাঁর জীবনে সঙ্গীর দ্বারা শারীরিক বা যৌন নিপীড়নের শিকার হন। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো পরিচালিত নারীর প্রতি সহিংসতা জরিপ ২০১১ অনুযায়ী বাংলাদেশে ৮৭ শতাংশ বিবাহিত নারী তাঁদের স্বামীর হাতে নিগৃহীত হন।
![]() |
| পেমা শোডেন, ওয়ানজা ক্যাম্পোস দ্য নব্রেগা, হ্যান ফুগল এস্কেয়ার |
‘ইউএন উইমেন’ অনুযায়ী, ১৫ থেকে ৪৪ বছর বয়স পর্যন্ত নারী ও মেয়েশিশুদের ক্ষেত্রে সমষ্টিগতভাবে ক্যানসার, সড়ক দুর্ঘটনা, ম্যালেরিয়া এবং যুদ্ধের কারণে মৃত্যুর চেয়েও নারীর প্রতি সহিংসতা অধিকতর মৃত্যু ও শারীরিক অক্ষমতার কারণ।
![]() |
| সোফি অবেয়ার, নোরলিন বিন্তি ওসমান, লিওনি মার্গারিটা কুয়েলেনায়ের |
নারীর প্রতি সহিংসতা রুখতে আমরা প্রত্যেকেই আমাদের জীবনে পদক্ষেপ নিতে পারি। ভুক্তভোগীদের কথা শুনে ও বিশ্বাস করে আমরা তাদের সহায়তা করতে পারি। পুরুষ ও ছেলেদের শেখাতে পারি যেন তারা নারী ও মেয়েদের সহযোগিতা করে এবং তাদের প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়।
![]() |
| মেরেটে লুন্ডিমো, ইয়াসোজা গুনাসেকেরা, মার্শা বার্নিকাট |
আমরা এই উদ্যোগের সঙ্গে জড়িত হয়েছি, কারণ আরও একটি বিষয়ে আমরা সবাই একমত যে শুধু সমষ্টিগত পদক্ষেপের মাধ্যমেই নারী ও মেয়েদের প্রতি সহিংসতা চিরতরে নির্মূল করা সম্ভব।
৮ ডিসেম্বর, ২০১৫
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পোশাকশ্রমিকদের অবরোধ, ভাঙচুর- কমলাপুরে আকলিমা হত্যার ক্ষতিপূরণ দাবি
![]() |
| রাজধানীর কমলাপুর-সংলগ্ন মুগদায় বাস ভাঙচুরের সময় আহত এক নারী যাত্রী আতঙ্কিত শিশুকে কোলে নিয়ে যানটি থেকে নামছেন। ছবিঃ সাজিদ হোসেন |
গত শুক্রবার রাতে কমলাপুরে বাসস্ট্যান্ডের কাছে বলাকা পরিবহনের একটি বাসের ধাক্কায় আকলিমা ঘটনাস্থলে মারা যান। তাঁর সহকর্মী রহিমা বলেন, কাজ শেষে রাতে বাড়ি ফেরার সময় বাসের ধাক্কায় নিহত হন আকলিমা। তিনি কমলাপুরের অলিও অ্যাপারেলস লিমিটেড নামে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। এ ঘটনায় একই কারখানার শ্রমিক হাজেরা (৩২) ও ভ্যানচালক জসিম (৩০) নামে আরও দুজন আহত হন। আশপাশের লোকজন বলাকা পরিবহনের চালক আরিফকে বাসটিসহ আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। এরপর গতকাল সকাল নয়টার দিকে কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে নটর ডেম কলেজের মোড় পর্যন্ত সড়ক অবরোধ করেন পোশাকশ্রমিকেরা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, আশপাশের ছয়-সাতটি পোশাক কারখানার হাজার খানেক শ্রমিক সড়কটিতে জড়ো হন। তাঁরা লাঠি নিয়ে সড়কটির বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়েন। টায়ার জ্বালিয়ে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে শ্রমিক নিহত হওয়ার ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে থাকেন। এ সময় বাসচাপায় নিহত শ্রমিকের পরিবার ও আহত ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ, বাসচালকের বিচার এবং দুর্ঘটনাস্থলে পদচারীসেতু স্থাপনের দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন শ্রমিকেরা। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ হয়ে তাঁরা বেশ কয়েকটি বাস ভাঙচুর করেন। টানা কয়েক ঘণ্টা অবরোধে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় কমলাপুর, মুগদাপাড়া, আরামবাগ, ফকিরাপুলসহ কয়েকটি এলাকার সড়কগুলোতে যানজট ছড়িয়ে পড়ে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ওই এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। ঘটনাস্থলের আশপাশে ব্যারিকেড দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে পুলিশ। পরে ঘটনাস্থলে এসে আন্দোলনকারী শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেন বিজিএমইএর জ্যেষ্ঠ অতিরিক্ত সচিব মনসুর খালেদ, অলিও অ্যাপারেলস লিমিটেডের কর্মকর্তা কাজী তসলিম উদ্দিন ও পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) আনোয়ার হোসেন।
নিহত আকলিমার পরিবারকে দুই লাখ টাকা এবং আহত শ্রমিকদের চিকিৎসার খরচ, চিকিৎসাকালীন ছুটি ও অন্যান্য ভাতা দেওয়ার আশ্বাস দেন কাজী তসলিম উদ্দিন। এ ছাড়া আকলিমার লাশ দাফনের জন্য ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার আশ্বাস দেয় বিজিএমইএ কর্তৃপক্ষ। এরপর বেলা পৌনে দুইটার দিকে অবরোধ তুলে নেন শ্রমিকেরা।
পুলিশের মতিঝিল বিভাগের ডিসি আনোয়ার হোসেন বলেন, বাসচাপায় নিহত নারী শ্রমিক ও আহত দুজনকে ক্ষতিপূরণের আশ্বাস দিয়েছে পোশাক কারখানার মালিকপক্ষ। এ ছাড়া পদচারীসেতু স্থাপনের জন্য ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে অনুরোধ করা হবে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
'রাজপুত্রের' মৃত্যু কুঁড়ে ঘরে!
![]() |
| উড়িষ্যার ব্রিটিশ রাজ-যুগের 'প্রিন্সলি স্টেটের' সবশেষ রাজকুমার, ব্রাজরাজ শত্রিয়া বীরবর চামুপাতি সিং মহাপাত্রা |
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মুসলিমদের নিষিদ্ধ করতে বলে তোপের মুখে ট্রাম্প- ট্রাম্প ‘বিকৃত মস্তিষ্কসম্পন্ন’: জেব বুশ by হাসান ফেরদৌস
![]() |
| ডোনাল্ড ট্রাম্প l এএফপি |
ট্রাম্পের ওই বক্তব্যের জন্য তাঁকে ‘বিকৃত মস্তিষ্কসম্পন্ন’ আখ্যা দিয়েছেন তাঁর দলের আরেক মনোনয়নপ্রার্থী ও ফ্লোরিডার সাবেক গভর্নর জেব বুশ। হোয়াইট হাউস এবং মুসলিম নেতাদের পক্ষ থেকেও ট্রাম্পের ওই বিতর্কিত মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করা হয়েছে। আর সাবেক মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট ডিক চেনি বলেছেন, ট্রাম্পের ওই মন্তব্য রিপাবলিকান পার্টির আদর্শবিরোধী।
এর আগে নির্বাচনী দপ্তর থেকে প্রচারিত এক তথ্য বিবরণীতে ট্রাম্প বলেন, আমেরিকার প্রতি মুসলিমদের বিদ্বেষ এত তীব্র যে তা ‘ধারণারও বাইরে’। এই ঘৃণার উৎস কী এবং আমেরিকার জন্য তা কী হুমকি সৃষ্টি করেছে, তা পুরোপুরি বুঝে না ওঠা পর্যন্ত মুসলিমদের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা চালু রাখতে হবে।
ট্রাম্প আরও বলেন, ‘যারা জিহাদে বিশ্বাস করে ও মানবজীবনের প্রতি বিন্দুমাত্র শ্রদ্ধা পোষণ করে না, এমন মানুষের কাছ থেকে আমরা অব্যাহত হামলার শিকার হতে পারি না।’
ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে গত মাসে সন্ত্রাসী হামলার পর থেকেই ট্রাম্প একের পর এক মুসলিমবিদ্বেষী বক্তব্য দিচ্ছেন। এর আগে তিনি আমেরিকার সব মুসলিমের তালিকাভুক্তি, মসজিদে নজরদারি প্রতিষ্ঠা এবং দরকার হলে মসজিদ বন্ধ করে দেওয়ারও প্রস্তাব করেন। সিরিয়া থেকে আসা কোনো মুসলিম উদ্বাস্তুকে আশ্রয় দেওয়ার বিরুদ্ধেও কথা বলেন তিনি।
মুসলিমবিরোধী বক্তব্যের জন্য সমালোচিত হলেও ট্রাম্প তাঁর উত্তেজক বক্তব্য দেওয়া বন্ধ করেননি। অনেক পর্যবেক্ষক ভেবেছিলেন, মার্কিন নির্বাচকেরা তাঁর এই বিদ্বেষপূর্ণ অবস্থানের প্রতি সমর্থন দেবেন না। কার্যত দেখা যাচ্ছে, তিনি মুসলিমদের প্রতি ঘৃণার মাত্রা যত চড়াচ্ছেন, রিপাবলিকান ভোটারদের মধ্যে তাঁর সমর্থন তত বাড়ছে। সবশেষ জনমত জরিপে তিনি নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বেন কারসনের চেয়ে ১৫ শতাংশ ভোটে এগিয়ে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা গত রোববার ওভাল অফিস থেকে জাতির উদ্দেশে ভাষণে ইসলাম বা মুসলমানদের ঢালাওভাবে শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করার বিরুদ্ধে সাবধান করে দিয়ে বলেন, সব মুসলমানকে শত্রু চিহ্নিত করলে শুধু লাভবান হবে আইএস। কারণ, তারা বর্তমান লড়াইকে ইসলামের সঙ্গে পশ্চিমের লড়াই হিসেবে চিহ্নিত করতে চায়।
মুসলমানদের আমেরিকার মিত্র হিসেবে আখ্যা দেন ওবামা। যেকোনো ধরনের ‘ইসলামভীতির’ বিরুদ্ধে সচেতন থাকার আহ্বানও জানান তিনি। রিপাবলিকান পার্টির অন্য প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীরা এত দিন পর্যন্ত মুসলিমদের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের কথা-যুদ্ধের প্রতি নমনীয় মনোভাব দেখিয়ে আসছিলেন। কিন্তু তাঁরা সবাই ট্রাম্পের সর্বশেষ বক্তব্যটি প্রত্যাখ্যান করেছেন। নিউ জার্সির গভর্নর ক্রিস ক্রিস্টি বলেছেন, শুধু অনভিজ্ঞ ব্যক্তিদের পক্ষেই এমন আজেবাজে কথা বলা সম্ভব।
টেক্সাসের অতিরক্ষণশীল সিনেটর টেড ক্রুজ এত দিন ট্রাম্পের বক্তব্যের প্রতি সহানুভূতিশীল ছিলেন। সেই তিনিও ট্রাম্পের মুসলিম নিষিদ্ধকরণের প্রশ্নে দ্বিমত পোষণ করেছেন। ক্রুজ বলেন, ‘আমি এমন নীতি সমর্থন করতে পারি না।’ তবে সিরিয়া থেকে শুধু খ্রিষ্টান উদ্বাস্তুদের আসতে দেওয়ার যে প্রস্তাব তিনি আগে করেছেন, সে কথার পুনরাবৃত্তি করেছেন।
প্রেসিডেন্ট ওবামা থেকে শুরু করে ডেমোক্রেটিক পার্টির সব প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ও অধিকাংশ কংগ্রেস সদস্য তীব্র ভাষায় ট্রাম্পের বক্তব্যের নিন্দা করেছেন। উদারনৈতিক মহলও ট্রাম্পের বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছে। কোনো কোনো ভাষ্যকার ট্রাম্পের বক্তব্যকে সরাসরি ফ্যাসিবাদী হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। নিউইয়র্ক টাইমস লিখেছে, মুসলিমদের ওপর এ রকম ঢালাওভাবে নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব শুধু কট্টর ডানপন্থী ‘হেইট গ্রুপ’-এর কাছ থেকেই আসা সম্ভব।
মুসলিমদের আমেরিকায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তাব করলেও কীভাবে তা কার্যকর হবে অথবা কত দিন পর্যন্ত তা বলবৎ থাকবে, ট্রাম্প সে কথা বিস্তারিত বলেননি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কার্বন মাত্রা কিঞ্চিৎ কমার আশা
জাতিসংঘের জলবায়ু তহবিলে অর্থায়নের ঘোষণা দিয়েছে বিভিন্ন উন্নত দেশের সরকার, বহুজাতিক উন্নয়ন ব্যাংক ও অন্যান্য সংস্থা। জাতিসংঘের তথ্যমতে, ২০২০ সাল পর্যন্ত প্রতিবছর ১০০ বিলিয়ন ডলার (১০ হাজার কোটি ডলার) প্রয়োজন হলেও সংগ্রহ হয়েছে ৬৭ বিলিয়ন ডলার (৬৭০০ কোটি ডলার)। নিচে দাতাদের তালিকা দেয়া হল
উন্নত দেশগুলোর প্রতিশ্রুতি
অস্ট্রিয়া : ৫০ কোটি ইউরো (২০১৫-২০)
বেলজিয়াম : ৫ কোটি ইউরো (২০২০ সাল পর্যন্ত প্রতিবছর)
কানাডা : ২৬৫ কোটি কানাডিয়ান ডলার (৫ বছরের জন্য)
চেকপ্রজাতন্ত্র : ৫৩ লাখ ডলার (এছাড়া ২০ লাখ ডলার)
ডেনমার্ক : ৩ কোটি ৮০ লাখ ডলার
এস্তোনিয়া : ৬০ লাখ ইউরো (২০১৫-২০)
ইউরোপীয় কমিশন : ২০০ কোটি ইউরো (বার্ষিক)
ফিনল্যান্ড : ৫০ কোটি ইউরো (৪ বছরের জন্য)
ফ্রান্স : ৫০০ কোটি ইউরো (২০২০ সাল পর্যন্ত বার্ষিক)
জার্মানি : ৪০০ কোটি ইউরো (২০২০ সাল পর্যন্ত বার্ষিক)
আইসল্যান্ড : ১ কোটি ডলার (বার্ষিক)
আয়ারল্যান্ড : ১৮ কোটি ইউরো (বার্ষিক)
ইতালি : ৪০০ কোটি ডলার (২০১৫-২০)
জাপান : ১.৩ ট্রিলিয়ন ইয়েন (২০২০ সাল পর্যন্ত)
লিথুনিয়া : ১ লাখ ইউরো (২০১৫)
লুক্সেমবার্গ : ৩৭ কোটি ইউরো (২০১৪-২০)
নেদারল্যান্ডস : ৪৪ কোটি ইউরো (২০১৫)
নিউজিল্যান্ড : ২০ কোটি এনজে ডলার (পাঁচ বছরের জন্য)
নরওয়ে : ৪০ কোটি ডলার (বার্ষিক)
পোল্যান্ড : ৮০ কোটি ডলার (২০২০ সাল পর্যন্ত)
স্লোভেনিয়া : আগের তুলনায় ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি
সুইডেন : বার্ষিক অনুদান দ্বিগুণ করবে
স্পেন : ৯০ কোটি ইউরো (২০২০ পর্যন্ত বার্ষিক)
যুক্তরাজ্য : ৫৮০ কোটি পাউন্ড (২০২০ পর্যন্ত বার্ষিক)
বহুজাতিক উন্নয়ন ব্যাংক
আফ্রিকান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক : ৫০০ কোটি ডলার (বার্ষিক)
এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক : ৬০০ কোটি ডলার (বার্ষিক)
ইউরোপীয় ব্যাংক : ২০০০ কোটি ডলার (পাঁচ বছরের জন্য)
ইউরোপিয়ান ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক : ২০০০ কোটি ডলার (বার্ষিক)
আন্তঃআমেরিকা উন্নয়ন ব্যাংক : আগের তুলনায় ১৪ শতাংশ বৃদ্ধি
বিশ্বব্যাংক : ১৬০০ কোটি ডলার (বার্ষিক)
অন্যান্য
উন্নত দেশগুলোর একত্রিত ঘোষণা : ১০১০ কোটি ডলার (প্রাথমিক)
১১ দেশের গ্রুপ : ২৪ কোটি ৮০ লাখ ডলার
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আইএসের বিদেশী যোদ্ধা বেড়েছে দ্বিগুণ
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘সর্বত্র এক ধরনের নীরবতা মানুষকে গ্রাস করেছে’ -মাহফুজউল্লাহ
About: mid tip
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশে দুর্নীতি প্রতিরোধে কতটা কার্যকর দুদক?
তবে প্রতিষ্ঠানটির ক্ষমতা, নিরপেক্ষতা এবং কার্যকারিতা নিয়ে নানা প্রশ্ন রয়েছে জনমনে। এমনকি এই প্রতিষ্ঠানেরই একজন সাবেক প্রধান একে ‘দন্ত বিহীন বাঘ’ বলে বর্ণনা করেছিলেন। এমন প্রেক্ষাপটে দুর্নীতি প্রতিরোধে দুর্নীতি দমন কমিশন আসলে কতটা কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারছে ?
এ প্রশ্নে দুর্নীতি বিরোধী আন্তর্জাতিক সংস্থা টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন “খুব যে প্রত্যাশা পূরণ করতে পেরেছে তা বলা যাবে না”।
কিন্তু এর মাধ্যমে দুর্নীতি দমনের যে আশাবাদ ছিল তা ক্রমাগত বাড়ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি কমিশনে সরকার দলীয় মন্ত্রী, জনপ্রতিনিধি এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনার বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেন। কিন্তু এর মধ্য দিয়ে খুব একটা সুফল পাওয়া যায়নি বলেও জানান।
মিস্টার জামান বলেন, “তাদের বিচারের আওতায় আনার ক্ষেত্রে দুয়েকটি অত্যন্ত ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত ছাড়া সত্যিকার অর্থে তাদের বিচারের সম্মুখীন করার ক্ষেত্রে দুর্নীতি দমন কমিশন কিন্তু খুব সক্রিয় ভূমিকা দেখাতে পারেনি। কমিশন নিজেই অনেক সময় বলছে তাদের ‘দায়মুক্তি’ দেয়া হচ্ছে।”
বিভিন্ন অজুহাতে বা কোনও কোনও ক্ষেত্রে ব্যাখ্যা ছাড়াই অনেককেই মওকুফ করে দেয়া হয়েছিল বলে তিনি জানান।
এর কারণ হিসেবে প্রতিষ্ঠানের ওপর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রভাব, নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা এবং প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বের মধ্যে দৃঢ়তার ঘাটতির কথা উল্লেখ করেন মিস্টার ইফতেখারুজ্জামান।
মিস্টার জামান বলেন, অনেক দেশে এ ধরনের আলাদা কমিশন না থাকলেও যেসব প্রতিষ্ঠানের ওপর এ সংক্রান্ত দায়িত্ব রয়েছে, তারা আইনগত ভাবে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতা ও স্বাধীনতার সাথে কাজ করতে পারে কারও প্রতি ভয়-ভীতি না রেখে। যেটা বাংলাদেশের মত দেশে সম্ভব হচ্ছে না।
টিআইবির এই কর্মকর্তা জানান, পৃথিবীর একশোটির মত দেশে এধরনের প্রতিষ্ঠান রয়েছে এবং সব প্রতিষ্ঠানই যে ব্যর্থ হচ্ছে তেমনটি নয়।
সুত্রঃ বিবিসি
About: mid tip
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্যুয়ারেজ লাইনে জীবন-মৃত্যু by সাজেদুল হক
জিহাদের কথা নিশ্চয়ই আমরা ভুলে গেছি। রাজনৈতিক উত্তেজনার একদিনে ওয়াসার পরিত্যাক্ত খোলা পাইপের মুখ দিয়ে পড়ে গিয়েছিল শিশুটি। চার বছর বয়সের দুরন্ত শিশুটির এভাবে পড়ে যাওয়া সেসময় তোলপাড় তৈরি করেছিল। তারপর পাওয়া গিয়েছিল তার লাশ। না সে লাশও রাষ্ট্রীয় কোন সংস্থা তুলতে পারেনি। কয়েক তরুণ নিজস্ব পদ্ধতিতে জিহাদের লাশ উপরে তুলেছিল। এ নির্মম মৃত্যু কিছুদিন আমাদের ব্যথিত করেছে। কিন্তু ম্যানহোলের মুখ বন্ধ হয়নি। এ রাজধানী শহরে এখনও বহু ম্যানহোলের মুখ খোলা। কারণ এখানে জীবনের দাম সর্বনিম্ন। এ মাতৃভূমিতে সব জিনিসেরই দাম বেড়েছে, শুধু কমেছে জীবনের দাম। মৃত্যুর আমরা নানা নাম দিই। ধর্ম আর রাজনীতিভেদে শোককেও করি আলাদা। সব শোক এখানে এক নয়। সব মৃত্যুও এক নয়। যেমন আলাদা বৈরুত আর প্যারিসের মানুষের জীবনের দাম।
আরও একটি মর্মান্তিক মৃত্যু আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে এই উপত্যকায় জীবনের দাম কত। ছোট্ট শিশু নীরব। ছেলটি চিরতরে নীরব হয়ে গেল ম্যানহোলে পড়ে। স্যুয়ারেজ লাইন হয়ে তার লাশ ভেসে উঠেছে বুড়িগঙ্গায়। এ বুড়িগঙ্গায় এখন কত মানুষের লাশই না ভেসে ওঠে। প্রায়শই পত্রিকায় খবর আসে। কখনও খবর আসে না। জীবন আর মৃত্যুর গল্প যেন একই। না নীরবের জন্য তেমন কোন শোকগাঁথা রচিত হয়নি। সবটিভি চ্যানেল সমান গুরুত্ব দিয়ে এ সংবাদ প্রকাশ করেনি। সব পত্রিকায়ও পায়নি গুরুত্ব। ভাবমূর্তির প্রশ্নটি এখন খুব গুরুত্বপূর্ণ। জরুরি জমানায় একবার মূর্তি চুরি হয়েছিল। সেসময় এক জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক বলেছিলেন, ভাবতো আগেই গিয়েছিল। এবার মূর্তিও গেল।
যাক সে কথা। বলছিলাম জীবন আর মৃত্যুর কথা। নীরবের স্যুয়ারেজ মৃত্যুতে শোক জানাতে কোন প্রভাবশালী যাননি। এ মৃত্যুর দায় এখনও কেউ স্বীকার করেননি। তার মৃত্যুতে শোক জানিয়ে কেউ কোন বিবৃতিও দেননি। আশার কথা অবশ্য আছে। কেউ এখনও বলেননি, এই আর এমন কি? যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যে বন্দুকদারীদের আক্রমণে আরও ঢের বেশি মানুষ মারা যায়।
অ্যাকোরিয়াম পিস হিসেবে আমরাও খুব বেশি দিন মনে রাখবো না নীরবকে। অচিরেই সে চলে যাবে বিস্মৃতির খাতায়। নতুন কোন ঘটনা ঘটবে। আমরা আবার লিখতে বসবো, নতুন কোন বিষয় নিয়ে। কিন্তু একটি প্রশ্ন রয়েই যাবেÑ কবে থামবে এমন মৃত্যু।
About: mid tip
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাদ্দাফি ছিলেন আফ্রিকার ত্রাতা!
![]() |
| মুয়াম্মার গাদ্দাফি। ছবি: রয়টার্স |
২০১১ সালের অক্টোবরে পশ্চিমাদের সহায়তায় লিবিয়ার চার দশকের শাসক গাদ্দাফিকে ক্ষমতাচ্যুত ও হত্যা করে দেশটির বিদ্রোহীরা। গাদ্দাফির পতনের সময় লিবিয়ায় উৎসবের দৃশ্য দেখা যায়। লিবিয়ার অধিবাসীরা ভেবেছিল, নির্দয় স্বৈরশাসক গাদ্দাফি উৎখাত ও নিহত হওয়ায় তাঁদের জীবনে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে। কিন্তু তাদের সেই আশা দুরাশায় পরিণত হয়। সেখানে শুরু হয় সহিংসতা ও রাজনৈতিক সংকট।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে লিবিয়া থেকে ঘানায় ফেরত যায় অনেক অভিবাসী শ্রমিক। কিন্তু তাদের মনে এখনো গাদ্দাফির স্মৃতি অমলিন। গাদ্দাফির জন্য তাদের মনে এখনো বেদনা জাগে।
গাদ্দাফির পতনের আগে তিন বছর লিবিয়ায় ছিলেন ঘানার অধিবাসী করিম মোহাম্মদ (৪৫)। লিবিয়ায় কাজ করে ভালো অর্থকড়ি করেন তিনি। তা দিয়ে বড়সড় বাড়িও তৈরি করেন। তাঁর চোখে গাদ্দাফি ছিলেন আফ্রিকার ত্রাতা।
লিবিয়ার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে করিম বলেন, ‘লিবিয়ায় সবাই সুখী ছিল। আমেরিকার মতো দেশে মানুষ সেতুর নিচে ঘুমায়। কিন্তু লিবিয়ায় তেমনটা কখনো দেখিনি। সেখানে কোনো বৈষম্য ছিল না, ছিল না কোনো সমস্যা। ভালো কাজ ছিল, ছিল অর্থ। গাদ্দাফির কাছে আমি কৃতজ্ঞ। তিনি ছিলেন আফ্রিকার ত্রাতা।’
৩৫ বছর বয়সী নির্মাণশ্রমিক মুস্তাফা আবেদল মোমিন সাত বছর লিবিয়ায় কাজ করেছেন। গাদ্দাফি সম্পর্কে তাঁর মূল্যায়ন, গাদ্দাফি চমৎকার মানুষ ছিলেন। তিনি কারও সঙ্গে প্রতারণা করেননি। তিনি ছিলেন নিখুঁত। সবচেয়ে ভালো।
গাদ্দাফিকে হত্যার কোনো যুক্তি খুঁজে পান না স্থানীয় ইমাম ইলিয়াস ইয়াহ্ইয়া। তিনি বলেন, ‘সমস্যার সমাধানে কাউকে হত্যা করা হলো। কিন্তু এখন পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। তাহলে গাদ্দাফিকে কেন হত্যা করা হলো?’
স্বৈরশাসক গাদ্দাফির বিরুদ্ধে দমন-পীড়নসহ ভূরি ভূরি অভিযোগ ছিল। এ কথাও সত্যি যে তাঁর আমলে লিবিয়ায় স্থিতিশীলতা ছিল। ছিল কর্মসংস্থান। আফ্রিকা তো বটেই, এশিয়ার বিভিন্ন দেশের অভিবাসী শ্রমিকদের কাছে লিবিয়া ছিল লোভনীয় কর্মক্ষেত্র। দেশটিতে গিয়ে তারা বিপুল অর্থ আয় করেছে। জীবনমানের উন্নয়ন করেছে। অনেকে দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র থেকে বেরিয়ে এসেছে।
লিবিয়া-ফেরত ঘানার অভিবাসী শ্রমিকদের অভিজ্ঞতাও একই। তারা জানায়, গাদ্দাফি না থাকলে তাদের জীবনে পরিবর্তন আসত না। গাদ্দাফির পতন তাদের জন্য দুর্ভাগ্য বয়ে এনেছে। কারণ, এরপরই লিবিয়ায় অস্থিরতা শুরু হয়। প্রাণের ভয়ে অভিবাসী শ্রমিকেরা লিবিয়া ছাড়ে।
৩৬ বছর বয়সী আমাদু জানান, অনেক কষ্ট করে ২০১০ সালে লিবিয়ায় যান তিনি। অবৈধপথে সেখানে গিয়ে কাজও পান। ২০১১ সালে দেশটিতে গাদ্দাফিবিরোধী সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে। পরে অর্থকড়ি ফেলেই কোনো মতে ঘানায় ফেরেন তিনি। এভাবেই তাঁর স্বপ্নের মৃত্যু হয়।
মুস্তাফা বলেন, ঘানায় তরুণদের জন্য কিছুই নেই। গাদ্দাফির পতনের পর তাঁরা পুরোপুরি সংকটে জর্জরিত। যুবদের বেকারত্ব আকাশসম। তাঁদের কোনো কাজ নেই। অনেকে অর্থের জন্য অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। অথবা ইউরোপে যাওয়া চেষ্টা করছে।
মুস্তাফার এমন কথায় অন্যদেরও সমর্থন পাওয়া গেল। স্বরটা উঁচু করে ইলিয়াস বলেন, ‘এখন তো চারদিকে সবাই ইউরোপ-ইউরোপ করছে। সামর্থ্য থাকলে কেউ কেউ অবশ্য ব্রাজিল যাচ্ছে। কিন্তু বাকি সবাই ইউরোপে যাচ্ছে।’
গাদ্দাফি তাঁর পতনের আগে আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরোপকে সতর্ক করে বলেছিলেন, তাঁর শাসন ভেঙে পড়লে লাখো অভিবাসী ইউরোপের উপকূলে হাজির হবে। সৃষ্টি হবে অরাজকতা।
গাদ্দাফি আজ নেই। কিন্তু তাঁর ভবিষ্যদ্বাণী সত্যি হয়েছে।
আশার কথা হলো, লিবিয়ার বিবদমান দুই পক্ষ এ মাসেই জানিয়েছে, দেশটিতে চলমান অচলাবস্থা নিরসনে তারা মতৈক্যে পৌঁছেছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রুশ বিমান ভূপাতিত: সিরিয়ার শান্তি–প্রক্রিয়া ব্যাহত হবে কি? by ম্যারি দাইয়েফস্কি
একটি ঝুঁকি ছিল এ রকম যে রাশিয়া ও সিরিয়ার আকাশে অভিযান চালানোরত অন্যান্য শক্তির মধ্যে সমন্বয়ের অভাবের কারণে এমন অঘটন ঘটতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার বিমান ভূপাতিত করতে পারে কিংবা তার উল্টোটাও হতে পারে। যদিও দেশ দুটি বলছে, তারা এক অভিন্ন শত্রু—ইসলামিক স্টেটের (আইএস) বিরুদ্ধে লড়াই করছে। বস্তুত, দুই দেশের প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা দ্রুত একত্র হয়ে কিছু নিয়মকানুন প্রণয়ন করেন, অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়েছে, তারা সেটা মেনেও চলছে। তবে এই ব্যাপারটি দ্বিপক্ষীয় বিষয় হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় আমরা একরকম বেঁচে গেছি, এর কোনো জোটগত তাৎপর্য খুঁজে বের করার চেষ্টা হয়নি। অন্য কথায়, সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর এটাকে প্রথম ন্যাটো-রাশিয়া দ্বৈরথ হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়নি।
মার্কিন ভাষ্যমতে, রাশিয়ার লক্ষ্যবস্তুতে হামলা করার ক্ষেত্রে উচ্চপর্যায়ের নির্ভুলত্ব না থাকায় এবং যে এলাকায় তারা হামলা চালাচ্ছে, তাতে এমন ঝুঁকি ছিল যে তারা সিরিয়ার আকাশপথে না থেকে ভুল পথে চলে যেতে পারে অথবা বিপুলসংখ্যক বেসামরিক নাগরিককে হত্যা করতে পারে। এর আগে রাশিয়া সিরিয়ায় বোমা হামলা চালানোর আগে তুরস্ক অভিযোগ করেছিল, রাশিয়ার বিমান তাদের আকাশসীমা লঙ্ঘন করেছে। সেবার তারা রাশিয়াকে সতর্ক করে দিয়েছিল, এরপরও এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটলে পাইলটকে গুলি করা হবে। আর এবার ঠিক সেটাই ঘটল।
আগের ঘটনার মতো এবারও বিমান কোথায় উড়ছে, সে বিষয়ে কোনো সমন্বয় হয়নি। আর বিশেষ করে সীমান্ত লঙ্ঘন করা হয়েছে। তুরস্ক বলেছে, তারা কয়েকবার সতর্কসংকেত দিয়েছে, কিন্তু তা সত্ত্বেও বিমানটি তাদের আকাশসীমায় ঢুকে পড়ায় তাদের পদক্ষেপ নেওয়া ছাড়া উপায়ান্তর ছিল না।
রাশিয়া সঙ্গে সঙ্গে উত্তর দিয়েছে, বিমানটি তুরস্কের আকাশসীমায় ঢোকেনি। তারা জোর দিয়ে বলেছে, বিমানটি পুরো সময় সিরিয়ার আকাশসীমার এক কিলোমিটার ভেতরেই ছিল। ওদিকে সিরিয়ার মধ্যেও কিন্তু বিমানটির ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে। ধারণা করা হয়, বিমানটি মাটিতে আছড়ে পড়ার আগেই একজন পাইলট মারা গেছেন, আর আরেকজন গ্রেপ্তার হতেও পারেন, আবার না–ও হতে পারেন—সৌভাগ্যবশত, সেই পাইলট ধরা পড়লেও আইএসের হাতে ধরা পড়েননি, স্থানীয় কোনো তুর্কি বাহিনীর হাতে ধরা পড়েছেন।
কথা হচ্ছে, সত্য যা-ই হোক না কেন, এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটলে তা সিরিয়া-বিষয়ক যে শান্তি আলোচনা হচ্ছে, তার জন্য ক্ষতিকর হবে, যেখানে রাশিয়া ও তুরস্ক উভয়ই খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। আর তদন্ত যা হচ্ছে, তা এখনো কাদা-ছোড়াছুড়ির পর্যায়েই রয়েছে।
এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটলে তা সিরিয়া-বিষয়ক যে শান্তি আলোচনা হচ্ছে, তার জন্য ক্ষতিকর হবে, যেখানে রাশিয়া ও তুরস্ক উভয়েই খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে যদিও তুরস্ক ও রাশিয়া সম্প্রতি খুবই বাস্তবসম্মত সম্পর্ক সৃষ্টি করেছে, তা সত্ত্বেও দুই দেশই যেন কিছু উত্তেজনা জিইয়ে রাখছে, এ ব্যাপারে তারা এককাট্টা। স্নায়ুযুদ্ধের সময় বার্লিনের সীমান্তের মতোই সোভিয়েত-তুরস্ক সীমান্ত পাহারা দেওয়া হয়েছে, সে সময় যারা আর্মেনিয়া থেকে ট্রেনে জর্জিয়া গিয়েছে, তারা সেটা জানে। নতুন ও পুরোনো নানা কারণেই সেই সতর্কতার পরিবেশ এখনো রয়েছে, এটা যেন বদ্ধমূল হয়ে গেছে।
সিরিয়ার যুদ্ধ ও সেখানে রাশিয়ার অংশগ্রহণের কারণে এই সম্পর্ক আরও জটিল হয়ে গেছে। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে রাশিয়া ও তুরস্ক এখন একই সঙ্গে এক পক্ষ হয়ে যুদ্ধ করছে, আবার একে অপরের বিরুদ্ধেও যুদ্ধ করছে। যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের মতো তুরস্ক বাশার আল-আসাদকে সরানোর ব্যাপারে আগ্রহী ছিল, বা তাদের চেয়ে আরও বেশি আগ্রহী ছিল, তবে এই ঘটনা তাকে সেই লক্ষ্য থেকে সরাতে পারেনি। এই ক্ষেত্রে তার লক্ষ্য রাশিয়ার বিপরীত। দুটি দেশই আইএসের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য বদ্ধপরিকর, যদিও তুরস্ক বিমান হামলা চালিয়েছে মূলত কুর্দি বিদ্রোহীদের ওপর, অন্যদিকে রাশিয়া যেমন বাশারের বিরোধীদের ওপর হামলা চালাচ্ছে, তেমনি আইএসের শক্তিশালী ঘাঁটিতেও হামলা করছে।
তুরস্কের এই রহস্যময় অবস্থানের কারণে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট খেপে গিয়ে বলেছেন, এই বিমান ভূপাতিত করার ঘটনা ‘সন্ত্রাসের সহযোগীদের দ্বারা আমাদের পিঠে ছুরি মারার মতো’। তাঁকে অবশ্যই অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলোও আমলে নিতে হবে। রাশিয়ার এই যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হলো এমন এক সময়, যখন তার মাত্র তিন সপ্তাহ আগে তাদের এক বাণিজ্যিক বিমান ভূপাতিত হয়েছিল। পুতিন ক্রিমিয়া অধিগ্রহণের পর যে বিপুল জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন, এই দুটি ঘটনা তাতে চিড় ধরাতে পারে।
আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সিরিয়া-বিষয়ক যে আলোচনা চলছে, সেটাও কিন্তু পুতিনের জন্য একই রকম উদ্বেগের কারণ, যদিও সেটা শান্তি–প্রক্রিয়ার মানদণ্ড তেমন একটা পূরণ করছে না। এগুলো অবশ্যই ভালো হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। আর এটা বলাও ন্যায্য যে সিরিয়ার যুদ্ধে রাশিয়ার অংশগ্রহণ এবং বাশার ও কিছু বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সঙ্গে তাঁর পেছনের দরজার সম্পর্কের কারণে আলোচনা শুরু করার ক্ষেত্রে সে এক অনন্য অবস্থানে ছিল।
কিন্তু মস্কো ও ব্যক্তিগতভাবে পুতিন শান্তি আলোচনার চেয়ে ভিয়েনার আলোচনায় বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। ক্রিমিয়ার বিষয়ে পশ্চিম ক্রেমলিনকে বিচ্ছিন্ন করতে চেয়েছিল। কিন্তু ওই কারণে রাশিয়া পশ্চিমের এই প্রচেষ্টাকে পাশ কাটিয়ে আন্তর্জাতিক পরিসরে আবারও শ্রদ্ধার জায়গা ফিরে পেতে পারে। যেকোনো চুক্তিতে তুরস্কের সই অন্য কারও সইয়ের মতোই গুরুত্বপূর্ণ। এই অর্থে রাশিয়ার জ্বলন্ত বিমানের ভূপাতিত হওয়ার দৃশ্য সিরিয়ার শান্তি আলোচনার তাৎক্ষণিক সম্ভাবনার রূপক হিসেবে দেখা যায়, বা রাশিয়াকে বৈশ্বিক কূটনৈতিক শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার পুতিনের আশাবাদের রূপক হিসেবেও এটাকে দেখা যায়।
দ্য গার্ডিয়ান থেকে নেওয়া
অনুবাদ: প্রতীক বর্ধন
ম্যারি দাইয়েফস্কি: সাংবাদিক ও লেখক।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিলেটে অস্ত্র হাতে ছাত্রলীগের মহড়া
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বগুড়ার শিয়া মসজিদে হামলা by আলী রীয়াজ
বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপরে হামলা, তাদের সম্পত্তি দখল, ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদের ঘটনা এখন অহরহই ঘটে। দেশের হিন্দু জনগোষ্ঠী এই অবস্থার মধ্যে কয়েক দশক ধরেই জীবন যাপন করছে। কয়েক দশক আগে অবস্থা ছিল এই যে বড় বড় জাতীয় ঘটনার আড়ালে রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জনের জন্য, শক্তি প্রদর্শনের জন্য, ক্ষমতাসীন দল ও রাষ্ট্রের আনুকূল্যে এসব ঘটনা ঘটত; এই নিয়ে গণমাধ্যমে বিস্তর আলোচনা হতো। আমরা ২০০১ সালের নির্বাচনের পরে সংঘটিত অত্যাচারের ঘটনাবলি বিস্মৃত হইনি; বিএনপি-জামায়াতের জোটকর্মীরা ত্রাসের রাজত্ব তৈরি করেছিল। কিন্তু ২০০৮ সালের পর থেকে এই ধরনের ‘বিচ্ছিন্ন’, ‘বিক্ষিপ্ত’ ঘটনা নিয়মিত ঘটেই চলেছে, এই নিয়ে প্রতিবাদের কণ্ঠস্বর ক্ষীণতর হয়েছে, গণমাধ্যমে তার খবর যা আসে তা সীমিত মাত্র। ক্ষমতাসীনদের আনুকূল্য ছাড়া এই ধরনের ঘটনা ঘটছে এমন মনে করার কারণ নেই; ফলে তারাই ওইসব ঘটনার সুবিধাভোগী। একইভাবে দেশের বৌদ্ধ জনগোষ্ঠী—যাদের এক বড় অংশ থাকে পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায়, বিভিন্নভাবে আক্রান্ত হয়, বৌদ্ধ উপাসনালয়ে হামলা ঘটে এবং তা নিয়ে আলোচনা হয়; কিন্তু এর বেশি কিছু নয়, যতক্ষণ না আমরা আরেক ঘটনার মধ্য দিয়ে এই বৃত্তচক্রে শামিল হই।
শিয়া সম্প্রদায়ের ওপরে হামলার ঘটনাগুলোকে আমরা দেশে ‘সংখ্যালঘু’ জনগোষ্ঠীর সদস্যদের ওপরে হামলার অংশ বলে বিবেচনা করতে পারি। কেননা, শিয়া সম্প্রদায়ের সদস্যরা সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনগোষ্ঠীর সদস্য হলেও ধর্মীয় সম্প্রদায়গত বিবেচনায় তারা সংখ্যালঘু। সুন্নি সম্প্রদায়ের কেউ কেউ শিয়াদের ধর্মবিশ্বাস ও ধর্মীয় আচরণ বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং তাদের ইসলাম থেকে বাতিল করে দেওয়ার মত সমর্থন করেন। একই বিবেচনায় দেশের আহমদিয়া সম্প্রদায়ের সদস্যরাও সংখ্যালঘু। বাংলাদেশে আহমদিয়া সম্প্রদায়ের সূচনা হয় ১৯১২ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আহমদিয়া মুসলিম জামাত প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে। সেই থেকেই আহমদিয়াদের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালু রয়েছে। ১৯১৪ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দেওবন্দ ধারা অনুসারীরা জামিয়া ইউনুসিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন, এই মাদ্রাসার প্রধান উদ্দেশ্যই হচ্ছে আহমদিয়া সম্প্রদায়ের মতের প্রসার বন্ধ করা। ২০১৩ সালে হেফাজতে ইসলামের ১৩ দফা দাবি যাঁরা পাঠ করেছেন, তাঁরা জানেন যে এতে আহমদিয়াদের অমুসলিম ঘোষণার দাবি করা হয়েছিল। হেফাজতের বিরুদ্ধে যে সংগঠন আমাদের মনোযোগ আকর্ষণ করে, সেই আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের পক্ষ থেকে যে দাবিদাওয়া তোলা হয়েছিল, তাতেও এই দাবি ছিল। জামায়াতে ইসলামীর নেতা ও যুদ্ধাপরাধী হিসেবে সাজাপ্রাপ্ত দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ২০০৩ সালে এই বিষয়ে একটি পুস্তিকা লিখে উত্তেজনা সৃষ্টির চেষ্টা করেন। ক্ষমতাসীন দলের অনুসারী বা সহযোগী সংগঠন ওলামা লীগের দুই অংশই আহমদিয়াদের অমুসলিম ঘোষণার দাবি করে আসছে।
আহমদিয়ারা ১৯৯০-এর দশক থেকেই বিভিন্ন রকম হামলা ও নিপীড়নের শিকার হয়েছে, তাদের প্রকাশনা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ১৯৯৯ সালের ৮ অক্টোবর খুলনায় জুমার নামাজের সময় এক বোমা বিস্ফোরণে নিহত হয় তাদের সাতজন। পাকিস্তানভিত্তিক খতমে নবুয়ত আন্দোলনের প্রভাব বাংলাদেশে বিস্তার লাভ করার পর থেকে আহমদিয়ারা বিভিন্নভাবে আক্রান্ত হয়েছে। ২০০৩ সালের ৩১ অক্টোবর যশোরের ঝিকরগাছায় আহমদিয়া সম্প্রদায়ের একজন ইমাম মোহাম্মদ শাহ আলমকে হত্যা করা হয় (এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা দেখুন আমার গ্রন্থ ইসলামিক মিলিট্যান্সি ইন বাংলাদেশ: আ কমপ্লেক্স ওয়েব, লন্ডনের রাউটলেজ, ২০০৮, পৃ ৩৫-৩৬)। লক্ষণীয়, আহমদিয়াদের ওপরে এই ধরনের হামলা সত্ত্বেও শিয়া সম্প্রদায়ের সদস্যদের ওপরে হামলার ঘটনা ঘটেনি।
শিয়া সম্প্রদায়ের সদস্যদের ওপরে হামলার যেসব ঘটনা, সেগুলোকে একাদিক্রমে সাধারণভাবে সংখ্যালঘুদের ওপরে হামলার ও সংখ্যাগুরু ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের মধ্যকার সম্প্রদায়গত বিভাজনের প্রেক্ষাপটে বিবেচনা করতে হবে। বাংলাদেশে ধর্মীয় সম্প্রদায়গত সহিংসতার একটি ধারা যে একেবারেই ছিল না তা নয়, আহমদিয়াদের ব্যাপারে অসহিষ্ণুতা ও প্রচার তার প্রমাণ। কিন্তু শিয়া সম্প্রদায়ের ওপরে উপর্যুপরি হামলা প্রমাণ করেছে যে এখন এই বিভাজনকে সামনে নিয়ে আসার চেষ্টা হচ্ছে। কিন্তু এই হামলাগুলোকে কেবল এভাবে বিবেচনা করলে তার সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপট, বিশেষ করে এই হামলা ও হত্যাকাণ্ডগুলোর অধিকতর উদ্বেগের দিকটি আমাদের বিবেচনার বাইরে থেকে যাবে।
সেই বৃহত্তর প্রেক্ষাপট হচ্ছে দেশে জঙ্গিবাদের বিস্তার, জঙ্গিগোষ্ঠীগুলোর শক্তি সঞ্চয়, আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আইএসের উপস্থিতির দাবি এবং দেশের অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতি। এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে দেশে জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো কয়েক দশক ধরেই উপস্থিত, তাদের আঞ্চলিক যোগাযোগও অতীতেই সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে। কিন্তু দেশে আইএসের উপস্থিতির বিষয় নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া বক্তব্য বিভ্রান্তি তৈরি করেছে। গত কয়েক সপ্তাহের ঘটনাবলি এই বিষয়ে অবস্থার একধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। কয়েক মাস আগেও সাংগঠনিকভাবে আইএসের উপস্থিতি যতটা নিশ্চিতভাবে নাকচ করে দেওয়া সম্ভব হতো, এখন তা সম্ভব নয় বলেই মনে হচ্ছে। আইএস তার কৌশল পরিবর্তন করেছে, যা সাম্প্রতিক বৈশ্বিক ঘটনাগুলোতে স্পষ্ট। আইএসের সাম্প্রতিক প্রকাশনা দাবিক-এ বাংলাদেশ বিষয়ে প্রকাশিত নিবন্ধে এটা দাবি করা হয়েছে যে বাংলাদেশের জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো তাদের অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য আপাতত হলেও মেটাতে পেরেছে, শুধু তা-ই নয়, তারা নিজেদের মধ্য থেকে নেতা নির্বাচন করতেও সক্ষম হয়েছে। সর্বোপরি এই রচনায় বলা হচ্ছে বাংলাদেশের জঙ্গিরাই যে আইএসের আহ্বানে সাড়া দিয়ে এগিয়ে এসেছে এবং ‘দ্রুততার সঙ্গে’ আইএসের ডাকে সাড়া দিয়ে ‘সামরিক অভিযানগুলো’ চালাচ্ছে। নিঃসন্দেহে আমরা এগুলোর আত্মপ্রচার বা প্রোপাগান্ডার দিক বিবেচনায় রাখব। কিন্তু আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আইএসের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও সংগঠনের উপস্থিতির বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়, যখন আমরা এই ধরনের হামলা দেখতে পাই, যা বাংলাদেশের জঙ্গি সংগঠনগুলোর অতীত আক্রমণের ধারা থেকে আলাদা। শুধু তা-ই নয়, খ্রিষ্টান ধর্মযাজকদেরও আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশে আইএসের উপস্থিতির বিষয়ে ভারতের পক্ষ থেকে এ বছরের মে মাস থেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করে বলা হয়েছিল যে আইএসের প্রতিনিধি চট্টগ্রামে জেএমবির নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। কিন্তু দুজন বিদেশি নাগরিক হত্যার ঘটনার পর ভারতীয় গণমাধ্যমে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে উদ্ধৃত করে এর জন্য আইএস নয়, জামায়াতে ইসলামী দায়ী বলে বলা হয়। ভারতীয় সংবাদপত্র দ্য হিন্দুতে ২৫ নভেম্বর প্রকাশিত এক খবরে বলা হচ্ছে যে জাপানি নাগরিকের হত্যাকারী আইএসের সঙ্গে যুক্ত দুজন ভারতে পালিয়ে গেছে এবং তাদের বিষয়ে বাংলাদেশ ভারতকে তথ্য দিয়েছে এবং ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তাদের অনুসরণ করছে। বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অবশ্য দ্য হিন্দুকে এ ধরেনর কোেনা তথ্য দেওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন। সম্প্রতি নদীয়া ও মুর্শিদাবাদে আইএসের পোস্টার পাওয়া বিষয়ে ভারতীয় গোয়েন্দাদের তথ্যে আস্থা রাখলে এই বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের অস্বীকারের প্রবণতাকে সন্দেহের চোখেই দেখতে হবে। একই সঙ্গে এটাও বিস্ময়ের উদ্রেক করে যে এই সপ্তাহে ঢাকার এক আদালতে এক মামলা শুরু হয়েছে, যেখানে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের আইএসের সদস্য বলে বলা হচ্ছে এবং তাদের একজনকে ‘আইএসের সমন্বয়কারী’ বলে বর্ণনা করা হয়েছে।
এই পরিস্থিতির আরেকটি প্রেক্ষাপট হচ্ছে দেশে বিরাজমান রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা। অনেকেই বলবেন যে দেশে যেখানে কার্যত কোনো বিরোধী দল উপস্থিত নেই এবং সর্বত্রই ক্ষমতাসীন দলের নিরঙ্কুশ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত, সেখানে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার প্রশ্ন উঠছে কেন। উঠছে কেননা, এখন দেশে কার্যত রাজনীতিই অনুপস্থিত হয়ে গেছে। রাজনীতির অনুপস্থিতি, মৌলিক অধিকারগুলো ক্রমাগত সংকুচিত হওয়া, মত প্রকাশের ক্ষেত্রগুলো সীমিত হওয়া, আইনবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের উপস্থিতি—এসবই এ ধরনের জঙ্গিবাদ বিকাশের পথে অবদান রাখছে। মনে রাখতে হবে যে এই ঘটনাবলি ঘটছে এমন সময়ে, যখন বৈশ্বিকভাবে উত্তেজনা তুঙ্গে এবং আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী সংগঠনগুলো তাদের প্রভাবের পরিধি বাড়াতে চাইছে। দেশের অস্থিতিশীল রাজনীতির সুযোগে উগ্র সহিংস চরমপন্থার বিস্তার একবার শুরু হলে তার রাশ টেনে ধরা সম্ভব হয় না। জাতীয় স্বার্থের বিবেচনায় জাতীয় নিরাপত্তা, সহিংস চরমপন্থা মোকাবিলা ও তার অনুকূল রাজনৈতিক পরিস্থিতির অবসানের জন্য সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার বিকল্প নেই। তার জন্য উদ্যোগ আসতে হবে ক্ষমতাসীনদের কাছ থেকেই, কিন্তু তারা এই বিষয়ে কতটা আগ্রহী, সেটাই প্রশ্ন।
আলী রীয়াজ: যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির রাজনীতি ও সরকার বিভাগের অধ্যাপক।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সোনিয়া-রাহুলের সাময়িক স্বস্তি, পার্লামেন্ট উত্তাল by সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
![]() |
| কংগ্রেস সভাপতি সোনিয়া গান্ধী ও তাঁর ছেলে রাহুল গান্ধী |
আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি কংগ্রেস এই লড়াইকে রাজনৈতিক আঙিনায় টেনে এনেছে। সোনিয়া ও রাহুল দুজনেই আজ বলেছেন, বিজেপি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে নেমেছে। সোনিয়া পার্লামেন্ট ভবন চত্বরে বলেছেন, ‘আমি ইন্দিরা গান্ধীর পুত্রবধূ। আমি কাউকেই ভয় পাই না।’ দক্ষিণে বন্যাবিধ্বস্ত তামিলনাড়ুর লাগোয়া কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরি ঘোরার পর রাহুল বলেছেন, ‘এটা সম্পূর্ণভাবেই একটা রাজনৈতিক বিষয়। পার্লামেন্টে আমি এর জবাব দেব। বিজেপি যদি ভেবে থাকে এইভাবে সংসদে অপ্রিয় প্রশ্ন তোলা থেকে আমাকে বিরত রাখা যাবে, তবে তারা ভুল ভাবছে।’
কংগ্রেসের এই অভিযোগের জবাবে অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি আজ বলেন, এটা আদৌ রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বিষয় নয়। একজন ব্যক্তিগত স্তরে একটি মামলা করেছেন। তার জবাব আইনিভাবেই দিতে হবে। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনো সম্পর্ক নেই। পার্লামেন্টবিষয়ক মন্ত্রী ভেঙ্কাইয়া নাইডুও বলেছেন, এই মামলার সঙ্গে সরকারের কোনো সম্পর্ক নেই। কংগ্রেস কোন যুক্তিতে ও কোন দাবি নিয়ে পার্লামেন্ট অচল করছে তা বোধগম্য নয়।
হেরাল্ড মামলার জেরে আজ মঙ্গলবার পার্লামেন্টের উভয় কক্ষ দফায় দফায় মুলতবি হয়ে যায়। তার ইঙ্গিত অবশ্য সকালেই পাওয়া গিয়েছিল। সোনিয়া গান্ধী তাঁর দলের পার্লামেন্ট সদস্যদের জরুরি বৈঠক ডাকেন। নির্দেশ দেন, তাঁদের পরিবারের বিরুদ্ধে বিজেপি যে রাজনৈতিক লড়াই শুরু করেছে, তার জবাব পার্লামেন্টেই দিতে হবে। নির্দেশ অনুযায়ী লোকসভা ও রাজ্যসভার অধিবেশন শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই কংগ্রেসের সদস্যরা ওয়েলে নেমে এই ‘রাজনৈতিক অভিসন্ধির’ বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান। ফলে দফায় দফায় সভা মুলতবি হয়। এক সময় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি রাজ্যসভায় বলেন, সরকার সব রকমের আলোচনার জন্য প্রস্তুত। এখনই সেই আলোচনা শুরু হোক। কিন্তু তাঁর কথায় কংগ্রেস গুরুত্ব দেয়নি। তাদের কৌশলই ছিল আজকের অধিবেশন চলতে না দেওয়া। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বিকেলে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কে বিক্ষোভ মিছিলও বের করা হয়। সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কপিল সিবালের অভিযোগ, কংগ্রেসকে বিব্রত ও ব্যতিব্যস্ত করার বিশেষ দায়িত্ব সুব্রক্ষ্মণ্যম স্বামীকে দিয়েছে বিজেপি। সুব্রক্ষ্মণ্যম সেই দায়িত্ব পালন করছেন।
নিম্ন আদালত সোনিয়া-রাহুলদের ১৯ তারিখে হাজিরার নির্দেশ দিলেও কংগ্রেস নিশ্চিতভাবেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হবে। সোনিয়া-রাহুলের পক্ষে আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি আজ নিম্ন আদালতে বলেন, অন্য যেকোনো দিনে হাজিরার অনুমতি দেওয়া হোক। বিচারপতির নির্দেশের পর সিংভি বলেন, তাঁরা সব ধরনের আইনি বিকল্প খোলা রাখছেন।
জওহরলাল নেহরুর শুরু করা ন্যাশনাল হেরাল্ড পত্রিকাকে বাঁচাতে কংগ্রেস ৯০ কোটি রুপি ঋণ দিয়েছিল। সেই ঋণের দায় নিয়ে ইয়ং ইন্ডিয়া লিমিটেড নামে অন্য একটি কোম্পানি ন্যাশনাল হেরাল্ড কোম্পানি অধিগ্রহণ করে। এই কোম্পানির ৭৬ শতাংশ শেয়ার সোনিয়া ও রাহুলের। বিজেপি নেতা সুব্রক্ষ্মণ্যম স্বামী এর বিরুদ্ধেই মামলা করেন। তাঁর অভিযোগ, হেরাল্ড হাউসের সব সম্পত্তি এইভাবে গান্ধী পরিবার কুক্ষিগত করেছেন। নিম্ন আদালত এই মামলায় সোনিয়া, রাহুল, মোতিলাল ভোরা (কংগ্রেসের কোষাধ্যক্ষ), অস্কার ফার্নান্দেজ, প্রযুক্তিবিদ স্যাম পিত্রোদা ও প্রয়াত রাজীব গান্ধীর বন্ধু সুমন দুবেকে মঙ্গলবার হাজিরার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কোন পথে ভেনেজুয়েলা? -এএফপির বিশ্লেষণ
বিশ্লেষকেরা বলছেন, প্রয়াত প্রেসিডেন্ট হুগো চাভেজ যে সমাজতান্ত্রিক ‘বিপ্লব’ শুরু করেছেন, তাতে বিরতি চাইলে মধ্য-ডানপন্থী জোটকে (এমইউডি) আগামী দিনগুলোয় রাজনৈতিক লড়াইয়ের মুখোমুখি হতে হবে। এমইউডির শরিক দল অনেক। চাভেজের উত্তরসূরি প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে চাপে ফেলতে চাইলে এমইউডিকে অবশ্যই ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
পার্লামেন্ট নির্বাচনে পরাজয় মেনে নিয়েছেন মাদুরো। নিজ দল পিএসইউভি এবং বিরোধী এমইউডির মধ্যে ‘সহাবস্থান’ চান তিনি। অভ্যন্তরীণ সংস্কারের লক্ষ্যে নিজ দলের সম্মেলন ডেকেছেন। বলেছেন, ‘কীভাবে আমরা আরও জোরালো বিপ্লবের পথে এগিয়ে যাব, তা নিয়ে বিতর্ক হবে।’
এমইউডির নৈতিক শক্তি হিসেবে কাজ করছেন মানবাধিকারকর্মী লিলিয়ান তিন্তোরি। তিনি এবং জোটের জ্যেষ্ঠ নেতা হেসুস তোরেয়ালবা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তাঁরা প্রতিপক্ষের ওপর ‘প্রতিশোধ’ বা সহিংসতার পথে যাবেন না। তাঁদের দায়িত্বশীলতা আছে।
পার্লামেন্টের ১৬৭ আসনের মধ্যে এমইউডি অন্তত ৯৯টি জয় করেছে। আর পিএসইউভি পেয়েছে ৪৬টি। তোরেয়ালবা বলেছেন, নির্বাচনী সুনামি ঘটে গেছে। তবে ঐক্যবদ্ধভাবে সরকারের বিরোধিতা করা এবং ঐক্যবদ্ধ হয়ে সরকার গঠন করা এক বিষয় নয়।
কারাবন্দী বিরোধীদলীয় নেতা লেওপোলদো লোপেসের স্ত্রী এবং মানবাধিকারকর্মী তিন্তোরির হাস্যোজ্জ্বল ছবি সোমবার বিশ্ব গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। নির্বাচনে এমইউডির বিজয়ের পর তিনি বলেন, এটা ভেনেজুয়েলার জন্য এক ঐতিহাসিক দিন। রাজবন্দীরা মুক্তি না পাওয়া পর্যন্ত তিনি বিশ্রাম নেবেন না।
ভেনেজুয়েলায় মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলো আগে থেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে। পার্লামেন্ট নির্বাচনে ফলাফলকে তারা স্বাগত জানিয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রধান ফেদেরিকা মগেরিনি—দুজনেই বলেছেন, ভেনেজুয়েলার জনগণ পরিবর্তনের পক্ষে ভোট দিয়েছে। দেশটির সরকার এবং বিরোধী দলের মধ্যে গঠনমূলক সংলাপের আয়োজন করা উচিত।
জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুনের মুখপাত্র ফারহান হক বলেন, ভেনেজুয়েলার মানুষ নিজেদের মতামত দিয়েছে। আশা করা যায়, নির্বাচনের এই ফলাফলের প্রতি সবাই সম্মান দেখাবে।
তেলের দাম কমে যাওয়ায় ভেনেজুয়েলার অর্থনীতি সংকটের মুখোমুখি হয়েছে। দেশটিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। সরবরাহও কমে গেছে। ডাটাঅ্যানালিসিস নামের একটি জরিপ প্রতিষ্ঠানের প্রধান গবেষক লুইস ভিসেন্তে লেওন বলেন, অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় মাদুরো ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন। পার্লামেন্ট নির্বাচনে তারই জবাব দিয়েছে জনগণ।
২২টি আসনের ফলাফল এখনো প্রকাশ হয়নি। বিরোধীদলীয় নেতারা অবশ্য দাবি করছেন, ১১২টি আসন এমইউডির দখলে থাকবে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জলবায়ু পরিবর্তন জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি -বিশেষ সাক্ষাৎকারে : এ এন এম মুনিরুজ্জামান by মিজানুর রহমান খান
প্রথম আলো : জলবায়ু পরিবর্তন বাংলাদেশের সার্বিক জাতীয় নিরাপত্তার ওপর কী ধরনের চাপ সৃষ্টি করছে?
মুনিরুজ্জামান : জলবায়ু পরিবর্তন যেসব দেশকে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় ফেলবে, তার মধ্যে প্রথম সারিতে আছে বাংলাদেশ। আমরা যে বদ্বীপে আছি এবং সমুদ্রের সঙ্গে যে সম্পর্ক, তাতে আমরা খুব নাজুক পরিস্থিতিতে আছি। এর বিরূপ প্রভাব এমন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে যাচ্ছে, যা জাতীয় নিরাপত্তায় হুমকি হিসেবে দেখা দিতে পারে। বাংলাদেশের দক্ষিণে সমুদ্রের স্তর যদি এক মিটার বাড়ে, তাহলে আইপিসিসির প্রাক্কলন অনুযায়ী বাংলাদেশের ১৭ থেকে ২০ শতাংশ জমি সমুদ্রে বিলীন হয়ে যাবে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে যে জাতীয় কৌশলপত্র প্রণয়ন করা হয়, তাতে প্রায় ২ কোটি জলবায়ু উদ্বাস্তু হওয়ার কথা বলা হয়েছে। আমরা অনুমান করতে পারি, এত ছোট দেশে যদি ২০ শতাংশ জমি সমুদ্রে চলে যায়, এবং যদি প্রায় ২ কোটি মানুষ উদ্বাস্তুতে পরিণত হয়, তাহলে তাদের দেশের মধ্যে অন্যত্র স্থানান্তরের সুযোগ নেই। শহর এলাকায় জনসংখ্যার চাপ আরও বাড়বে। সামাজিক মৈত্রী ভেঙে পড়তে পারে। ঢাকায় দেড় কোটি লোক আছে। এখানে যদি আরও ২০ লাখ লোক আসার চেষ্টা করে, তাহলে ঢাকা এটা সহ্য করতে পারবে না। তাই সামাজিক শৃঙ্খলা ভেঙে পড়ার হুমকি দেখা দেবে।
প্রথম আলো : বাংলাদেশিদের বিদেশে যাওয়ার মরণপণ চেষ্টা আমরা দেখতে পাই। থাইল্যান্ডের গণকবর, ভূমধ্যসাগর থেকে সার্বিয়া সীমান্ত—সর্বত্র তারা ইতিমধ্যে বেপরোয়া।
মুনিরুজ্জামান : তারা প্রথমে আমাদের প্রায় তিন দিক থেকে ঘিরে থাকা ভারতে যাওয়ার প্রবণতা দেখাবে। কিন্তু ভারত কাঁটাতারের বেড়া দিয়েছে এবং সীমান্তে মানুষ হত্যার ঘটনা ঘটছে, তারপরও যদি কেউ দেশটিতে প্রবেশের চেষ্টা করে, তখন তারা সশস্ত্রভাবে প্রতিহত করতে পারে। আর বিদেশে যারা যাচ্ছে, সেই স্তরের লোকেরা এখনো জলবায়ু পরিবর্তনের কথা চিন্তায় আনতে পারছে বলে মনে হয় না। যারা যাচ্ছে, তারা অর্থনৈতিক অভিবাসী।
প্রথম আলো : যেভাবে ভারত সীমান্ত চলাচলকে প্রতিহত করে চলছে, তাতে এই বার্তাই স্পষ্ট কি না যে বাংলাদেশ যেন ভুলেও যেকোনো উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ভারতকে সম্ভাব্য আশ্রয়স্থল হিসেবে না ভাবে।
মুনিরুজ্জামান : তারা ভবিষ্যতে যে সমস্যাটা আসতে পারে, সেটা এখন থেকেই বুঝতে পারছে। সেটা ভেবেই প্রতিনিয়ত তারা সীমান্তে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করার মাধ্যমে বিষয়টা বুঝিয়ে দিচ্ছে। সমস্যাটা যাতে কখনো তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে না যায়, সে জন্য তারা এখন থেকে শক্ত অবস্থান নিয়েছে। এ ছাড়া আমরা এখন ইউরোপে যে ধরনের উদ্বাস্তু-সমস্যা দেখতে পাচ্ছি, তাতে বোঝা যায়, কোনো দেশই ভিন্ন কোনো দেশের উদ্বাস্তুকে গ্রহণ করতে চাইবে না। উপরন্তু, বাংলাদেশে যখন উদ্বাস্তু সংকট তৈরি হবে, তখন ভারতেরও বহু অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বিরূপ প্রভাব সৃষ্টি হবে। ভারতের নিম্ন ও প্লাবনভূমিতে বিরাট বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়বে।
প্রথম আলো : মিয়ানমারে কি প্রভাব পড়তে পারে? সেখানেও এমনটা ঘটলে আরও রোহিঙ্গা কি বাংলাদেশে আশ্রয় নেবে?
মুনিরুজ্জামান : সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যাওয়ার কারণে আরাকানসহ মিয়ানমারের বহু এলাকা সমুদ্রে তলিয়ে যাবে। বাংলাদেশেরটা হবে অনেক বড়। কারণ দেশ ছোট, মানুষ বেশি। বহু দেশ যারা একইভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে, তারা বড় দেশ হওয়ার কারণে অভ্যন্তরীণ স্থানান্তরের মাধ্যমে সমস্যা মোকাবিলা করবে, যা বাংলাদেশ পারবে না।
প্রথম আলো : জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবকে মূলত কীভাবে বিবেচনায় নেওয়া সমীচীন হবে?
মুনিরুজ্জামান : একে সম্পূর্ণভাবে নিরাপত্তা ঝুঁকি হিসেবে দেখতে হবে। বিশ্বে কয়েক হাজার উদ্বাস্তু সৃষ্টি হলেই নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়ে যায়। যেটা আমরা সিরিয়ার ক্ষেত্রেও দেখতে পাচ্ছি। এটা নতুন মাত্রা। আর এভাবে বিশ্বের বেশির ভাগ দেশ তাদের কৌশলে পরিবর্তন আনছে। চোখের সামনে এটা ঘটতে যাচ্ছে। কিন্তু প্রস্তুতি নেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখনো পিছিয়ে আছে। খাদ্যনিরাপত্তায় বড় চাপ আসছে। ২০ শতাংশ জমি যাবে, জনসংখ্যা বাড়বে। আর লবণাক্ততা যেটা বাড়বে, তার ফলে উৎপাদনশীলতা হ্রাস পাবে। ইতিমধ্যে মিঠা পানির জলাধারেও লবণাক্ততা এসে যাচ্ছে। তাই খাদ্য উৎপাদনে যে সক্ষমতা এখন আছে, সেখানে বিরাট চাপ সৃষ্টি হবে। ২০৫০ সালের মধ্যে যে চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা আছে, সেটা ৮ শতাংশ কমে যাবে। গম উৎপাদন কমবে ৩২ শতাংশ। তখন এর ওপরে কৃষিজমি কমবে, মানুষ বাড়বে। সুতরাং খাদ্যনিরাপত্তা যেটা এখন আছে, সেটা জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আমরা হয়তো ধরে রাখতে পারব না। আর বিভিন্ন সমীক্ষা ও গবেষণা থেকে পরিষ্কার যে খাদ্যনিরাপত্তাহীনতার কারণে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা, এমনকি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত হয়ে যায়।
প্রথম আলো : এর পক্ষে কোনো উদাহরণ দেওয়া যায়?
মুনিরুজ্জামান : তিউনিসিয়ায় যখন বিপ্লবটা শুরু হলো, তার প্রধান কারণ দেশটির খাদ্যনিরাপত্তায় বিরাট চাপ সৃষ্টি হয়েছিল। আমি কৌতূহলোদ্দীপক একটি গবেষণার কথা বলতে চাই; যাতে বলা হয়েছে, এর শুরুটা হয়েছিল রাশিয়াতে। খরার কারণে রাশিয়ার গম উৎপাদন কমে গিয়েছিল। তখন তারা গম রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এর ফলে তিউনিসিয়ার গম আমদানি হঠাৎ করে কমে যায়। এবং সেখানে খাদ্যের দাম বেড়ে যায়। যার কারণে সেখানে খাদ্যদাঙ্গা বাধে। আর তাতে যে অস্থিতিশীলতা দেখা দেয়, সরকার তা কঠোরভাবে প্রতিহত করার চেষ্টা করে। এবং সেই অসন্তোষের সূত্রেই সেখানে সরকারবিরোধী আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। তাই গবেষকেরা বলছেন, আরব বসন্তের সূচনার পেছনে কাজ করেছে খাদ্যনিরাপত্তাহীনতা। আর সেই আরব বসন্তই গোটা মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে গিয়ে সিরিয়ায় ভয়ংকর রূপ নিয়েছে।
প্রথম আলো : বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আপনি কী ধরনের পূর্বাভাস দিতে চান?
মুনিরুজ্জামান : এখানে খাদ্যনিরাপত্তায় চাপ সৃষ্টি হলে অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা ধরে রাখা কঠিন হবে। কারণ, খাদ্য মানুষের মৌলিক প্রয়োজন। তখন তারা প্রতিবাদ করে এবং বিভিন্নভাবে রিক্রুট হয়ে যেতে পারে। পরিসংখ্যানগত দিক দিয়ে এটা প্রমাণিত যে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের খাদ্যনিরাপত্তা নষ্ট হবে, সেটার জন্য আমাদের ওপর বড় ধরনের নিরাপত্তা চাপ আসবে, যা আর খাদ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। এর ওপরে পানির নিরাপত্তায় বিরাট চাপ আসবে। বাংলাদেশে সুপেয় পানির বিরাট ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেই পানির চক্রগুলো বদলে যাচ্ছে। যখন পানি আসার কথা, তখন পর্যাপ্ত পানি আসছে না। একই সঙ্গে নিম্ন অববাহিকার দেশ হওয়ার কারণে উজান থেকে যে প্রবাহ আসার কথা, সেটাও আসছে না। সেখানে নানা বাধা সৃষ্টি হয়েছে এবং আরও হতে যাচ্ছে। আন্তনদীসংযোগ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে তার আরও অবনতি ঘটাবে। বড় একটা এলাকায় মরুকরণ ঘটাবে। আমরা বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম নদীমাতৃক বদ্বীপ। পানি শুধু মানুষের জীবন–জীবিকার জন্য নয়, পুরো ইকোসিস্টেমকে বাঁচাতে লাগে। এটা বেশি দিনের ব্যাপার নয়, খুব অল্প সময়ের মধ্যে পরিবেশে মারাত্মক বিপর্যয় ঘটতে পারে। সুন্দরবনে লোনা পানি ভেতরে চলে আসছে, এ কারণে অনেক গাছ মরে যাচ্ছে, সমুদ্রের স্তর বাড়ার কারণে এর একটা অংশ তলিয়ে যাবে এবং যাচ্ছেও। সুন্দরবন দুর্যোগ ঠেকায়, তখন আর ঠেকাবে না। সিডর, আইলা হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ আরও বাড়বে। মানুষের জীবন, জীবিকা ও স্বাস্থ্যের ওপর চাপ বাড়তে থাকবে। পানিবাহিত রোগ বাড়ছে। জনগণের জীবন ও মানের ওপর চাপ বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে। চিকিৎসা সাময়িকী ল্যানসেট বলছে, সাত কোটির বেশি মানুষ আর্সেনিকে আক্রান্ত হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, এটা বিশ্বের বৃহত্তম গণবিষক্রিয়ার ঘটনা। দুর্ভাগ্য হলো, আমরা এর গভীরে যাচ্ছি না। কারণ, আপাতদৃষ্টিতে আমরা ভালো আছি।
প্রথম আলো : জনজীবন এভাবে ভঙ্গুর হয়ে পড়া কী করে জঙ্গিবাদ বা সন্ত্রাসবাদ বৃদ্ধিতে প্রভাব ফেলতে পারে?
মুনিরুজ্জামান : মানুষের জীবন যখন ভঙ্গুর ও নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়ে, তখন তাদের বিভিন্ন ধরনের অবৈধ তৎপরতার সঙ্গে যুক্ত করা সহজ হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধী গোষ্ঠীগুলো তাদের নিয়োগ করার প্রবণতা দেখিয়ে থাকে, যার আলামত ইতিমধ্যে দেখতে পাচ্ছি। যেমন রোহিঙ্গারা নিয়োগ পেতে শুরু করেছে। মাদক ও আদম পাচারে তারা যুক্ত হচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তন যত বেশি লোককে নিরাপত্তাহীন করবে, তত বেশি লোককে বেআইনি কাজে নিয়োগের আশঙ্কা বাড়বে। যেহেতু আমরা উদ্বাস্তু পুনর্বাসন করতে পারব না, তাই সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো তাদের ভাড়া করবে, এটা ঠেকানোর বাইরে চলে যাবে। রাষ্ট্রের নিরাপত্তায় জলবায়ু পরিবর্তন তাই বিরাট হুমকি হিসেবে আসছে। ফলে রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত হতে পারে। অন্য যেকোনো দেশের চেয়ে বাংলাদেশে এটা আগে ঘটার আশঙ্কা বেশি। বিশ্বের যেখানেই জলবায়ু নিয়ে আলোচনা হয়, সেখানেই বাংলাদেশ থাকে। সম্প্রতি প্যারিসে ৮০টির বেশি দেশের প্রতিনিধিরা এসেছিলেন; সেখানেও বাংলাদেশ আলোচনার শীর্ষে ছিল। সামনে যে সম্মেলনে শুরু হচ্ছে, সেখানেও সবার নজরে আমরা থাকব। এবং আমিও তাতে যোগ দিচ্ছি।
প্রথম আলো : আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বিষয়টিকে কীভাবে দেখে?
মুনিরুজ্জামান : তারা কাগজে-কলমে বাংলাদেশ যে প্রস্তুতি বা রূপকল্প নিয়েছে, তাকে ইতিবাচক হিসেবে মনে করে। কিন্তু তা বাস্তবায়নে যত অর্থসম্পদ দরকার, তা আমাদের হাতে নেই। এটা রাষ্ট্রের ক্ষমতার বাইরে। এ জন্য বৈশ্বিক যে সহায়তাকাঠামো তৈরির কথা, তা এখনো আমরা দেখতে পাই না। এটা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বড় ব্যর্থতা।
প্রথম আলো : সরকারের কী করা উচিত?
মুনিরুজ্জামান : তার এ ব্যাপারে আরও সোচ্চার হওয়া উচিত। মানবিক বিপর্যয় বললে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় অনেক সময় গা করে না। কিন্তু রাষ্ট্রীয় ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার কথা বললে তারা সক্রিয়তা দেখায়। সরকারকে বোঝাতে হবে, এখানে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে তা কেবল দেশে আটকে থাকবে না, সীমান্তের বাইরে যাবে। বিশ্বের বহু স্থানে তা দ্রুত পৌঁছে যেতে পারে। একটা ছোট রোগ মহামারির রূপ নিতে পারে আর তা বিশ্বের বিমান রুট থেকে অনেক কিছুকেই নিরাপত্তাহীন করে দিতে পারে। আফ্রিকায় ছোট আকারে দেখা দেওয়া ইবোলা সমগ্র বিশ্বের যাতায়াতব্যবস্থাকে অচল করে দিয়েছিল। বাংলাদেশের বড় ভয় জনগোষ্ঠী, এখানে যা-ই হবে, মেগা স্কেলে হবে। হাজার লাখে নয়, যা-ই ঘটবে, কোটির হিসাবে হবে। সামাল দেওয়া যাবে না। সে কারণেই সব ফোরামে বাংলাদেশ থাকছে।
প্রথম আলো : বাংলাদেশের কি কোনো জলবায়ু-বিষয়ক বিশেষ রাষ্ট্রদূত আছেন? প্রধানমন্ত্রীর প্যারিস সফর বাতিল করা কি ঠিক ছিল?
মুনিরুজ্জামান : না, নেই। নিয়োগ দেওয়া উচিত। বিশ্বের বহু দেশ এটা দিয়েছে। প্যারিসে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি খুবই দরকার ছিল। জাতীয় কৌশলপত্র যেটা আছে, সেখানে নিরাপত্তার হুমকিগুলো যথাযথভাবে আসেনি। যেমন ২ কোটি মানুষের উদ্বাস্তু হওয়ার কথা আছে, কিন্তু তার প্রভাব কী হবে, দেশের ওপর কী চাপ আসবে, তার উল্লেখ সেখানে নেই। বিশ্বের অন্যত্র আলোচনা ও উদ্বেগ আছে, কিন্তু বাংলাদেশে এমন কোনো দলিলপত্র আমি দেখিনি, যেখানে এর উল্লেখ আছে।
প্রথম আলো : আপনাকে ধন্যবাদ।
মুনিরুজ্জামান : ধন্যবাদ।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বুড়িগঙ্গায় মিলল নীরবের নিথর দেহ
![]() |
| নীরব |
![]() |
| শিশু নীরব |
নীরব রেজাউল ইসলাম ও নাজমা বেগমের একমাত্র সন্তান। তাঁরা শ্যামপুরের পালাপাড়ার বরইতলা এলাকায় একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। নীরবের বাবা-মা ও প্রতিবেশীরা জানান, আজ মঙ্গলবার বিকেল চারটার দিকে নীরব স্থানীয় দুটি শিশুর সঙ্গে খেলছিল। একপর্যায়ে সে ওই স্যুয়ারেজের লাইনের পানিতে পড়ে যায়। তখন অন্য শিশুদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে স্যুয়ারেজের লাইনের পানিতে নেমে নীরবকে খোঁজাখুঁজি করতে থাকে। কিন্তু পাওয়া যায়নি। এরপর স্থানীয় লোকজন ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়। ফায়ার সার্ভিসের লোকজন গিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।
রাত আটটার পর পর নীরবকে অচেতন অবস্থায় ঘটনাস্থল থেকে প্রায় এক মাইল দূরে বুড়িগঙ্গা নদীর তীর থেকে উদ্ধার করা হয়। কদমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী ওয়াজেদ আলী জানান, বুড়িগঙ্গার তীর থেকে নীরবকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) খাজা আবদুল গফুর জানান, হাসপাতালে আনার আগেই শিশু নীরব মারা গেছে। এ ঘটনায় আলাউদ্দীন নামের ফায়ার সার্ভিসের এক ডুবুরি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছেন।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত একজন চিকিৎসক বলেন, ‘রাত পৌনে নয়টার দিকে নীরবকে হাসপাতালে আনা হয়। তার স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর নয়টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।’
রাজধানীর শাহজাহানপুরের রেল কলোনিতে গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর ওয়াসার একটি পরিত্যক্ত পাইপে পড়ে জিহাদ নামের একটি শিশু মারা যায়। ফায়ার সার্ভিস চেষ্টা চালিয়ে জিহাদকে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হয়। পরে কয়েকজন তরুণের চেষ্টায় পাইপের ভেতর থেকে জিহাদের লাশ তুলে আনা হয়।
![]() |
| রাজধানীর শ্যামপুরে আজ মঙ্গলবার বিকেলে নীরব নামের পাঁচ বছরের একটি শিশু পয়োনিষ্কাশন নালায় পড়ে গেছে। শিশুটিকে উদ্ধারে চেষ্টা চলছে। ছবি: প্রথম আলো |
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
December
(688)
-
▼
Dec 09
(24)
- রামদা নিয়ে কেন্দ্রকে স্বাগত জানাল সিলেট ছাত্রলীগ
- নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধে চাই সমষ্টিগত পদক্ষেপ
- পোশাকশ্রমিকদের অবরোধ, ভাঙচুর- কমলাপুরে আকলিমা হত...
- 'রাজপুত্রের' মৃত্যু কুঁড়ে ঘরে!
- মুসলিমদের নিষিদ্ধ করতে বলে তোপের মুখে ট্রাম্প- ট্...
- কার্বন মাত্রা কিঞ্চিৎ কমার আশা
- আইএসের বিদেশী যোদ্ধা বেড়েছে দ্বিগুণ
- ‘সর্বত্র এক ধরনের নীরবতা মানুষকে গ্রাস করেছে’ -মাহ...
- বাংলাদেশে দুর্নীতি প্রতিরোধে কতটা কার্যকর দুদক?
- স্যুয়ারেজ লাইনে জীবন-মৃত্যু by সাজেদুল হক
- গাদ্দাফি ছিলেন আফ্রিকার ত্রাতা!
- রুশ বিমান ভূপাতিত: সিরিয়ার শান্তি–প্রক্রিয়া ব্যাহত...
- সিলেটে অস্ত্র হাতে ছাত্রলীগের মহড়া
- বগুড়ার শিয়া মসজিদে হামলা by আলী রীয়াজ
- সোনিয়া-রাহুলের সাময়িক স্বস্তি, পার্লামেন্ট উত্তাল...
- কোন পথে ভেনেজুয়েলা? -এএফপির বিশ্লেষণ
- জলবায়ু পরিবর্তন জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি -বিশেষ...
- বুড়িগঙ্গায় মিলল নীরবের নিথর দেহ
- নিবন্ধন ছাড়াই চলছে অর্ধলক্ষাধিক কিন্ডারগার্টেন
- দেশজুড়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হাজারো চাকুরির বিজ্ঞা...
- ডোনাল্ডকে অভিযোগ করা বন্ধ করতে বললেন আমেরিকান মুসল...
- সৌদিতে বৈঠকে বসছে সিরিয়াবিরোধী গ্রুপগুলো
- ট্রাম্পের মুসলিম-বিদ্বেষ আমেরিকায় নিন্দার ঝড়, আলোচ...
- স্যুয়ারেজ লাইনে শিশু ৪ ঘণ্টা পর লাশ উদ্ধার
-
▼
Dec 09
(24)
-
▼
December
(688)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...






















