Friday, July 7, 2017
ত্বকে হঠাৎ চুলকানি

শরীরের ভেতরে- যেমন ঠোঁটে বা চোখের ভেতরেও এ সমস্যা হতে পারে। সবচেয়ে মারাত্মক হয় যখন এটি শ্বাসনালির ভেতর হয়। একে অ্যানজিওইডিকা বলে।
একিউট আটিকেরিয়া : এতে দ্রুত উপসর্গ দেখা যায় আবার দ্রুতই মিলিয়ে যায়। সাধারণত ৬ সপ্তাহের কম এর স্থায়িত্ব হয় এবং শিশুদের এটি বেশি হয়ে থাকে।
ক্রনিক আটিকেরিয়া : এ ক্ষেত্রে বারবার এ চুলকানি হয় এবং ৬ সপ্তাহের বেশি থেকে বছরের পর বছর চলতে থাকে। শতকরা ৮০ ভাগ ক্ষেত্রে এর সুনির্দিষ্ট কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না।
কারণ : সম্ভাব্য কারণ হচ্ছে খাদ্য- বিশেষ করে গরুর গোশত, চিংড়ি, ইলিশ, পুঁটি, বোয়াল, শৈল, বেগুন, কুমড়া, কচু খেলে।
কিছু ওষুধ যেমন পেনিসিলিন, সালফার গ্রুপ, ব্যথানাশক ওষুধ, উচ্চরক্তচাপ কমানো ও ঘুমের ওষুধ, ইনসুলিন, থাইরয়েডের ওষুধ, হরমোন, জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি, মাসেল রিলাকজেন্ট, ক্যান্সারের ওষুধ। এছাড়াও সূর্যরশ্মি, ঠাণ্ডা থেকেও এ সমস্যা হতে পারে।
চিকিৎসা : সমন্বিত চিকিৎসা হল, যে কারণে এমন হচ্ছে তা খুঁজে বের করে পরিহার করা, অ্যালার্জির ওষুধ প্রয়োগ করা, অ্যালার্জি ভ্যাকসিন বা ইমুনোথেরাপি নেয়া, বর্তমানে বাংলাদেশে এর সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসা বিদ্যমান আছে।
অ্যালার্জি ও অ্যাজমা রোগ বিশেষজ্ঞ
দি অ্যালার্জি ও অ্যাজমা সেন্টার
পান্থপথ, ঢাকা।
মোবাইল ফোন : ০১৭২১৮৬৮৬০৬
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নেটদুনিয়া কাঁপাচ্ছে দীপিকার ফটোশুট

কিছুদিন আগেই ফটোশুটের ছবি আপলোড করে বিতর্কের মুখে পড়েছিলেন দীপিকা। সাদা ওয়েস্টার্নে দীপিকার লাস্যময়ী সেই ছবি ভাইরাল হয়ে পড়েছিল নেটদুনিয়ায়। নেটিজেনদের অনেকেই পছন্দ করেননি সেই ছবি। তবে নিজের সাহসী ফটোশুটের ছবি আপলোড করতে পিছপা হননি দীপিকা। ভ্যানিটি ফেয়ার ম্যাগাজিনের জুয়েলারী সংখ্যার কভারগার্ল দীপিকা, আর এবারের ফটোশুটেও ধরা দিলেন মোহময়ীরূপে। তবে শুধু কভারফটোই নয়, ফটোশুটের বেশ কয়েকটি ছবি টুইটারে পোস্ট করে দীপিকা লেখেন, বুম। সত্যিই দীপিকার এই ছবি বোমার মতোই বিস্ফোরক। যা থেকে নজর ফেরানো প্রায় অসম্ভব।
আপাতত বলিউডে নিজের পরবর্তী ছবি পদ্মাবতী-র শুটিংএ ব্যস্ত তিনি। কাজের পাশাপাশি শুটিং সেটে কতটা মজা চলছে তা বোঝা যায় দীপিকার ইনস্টাগ্রাম পোস্ট দেখেই। চলতি বছেরের ১৭ নভেম্বর মুক্তি পেতে চলেছে এই ছবি। তাই এখন জোড়কদমে চলছে শুটিং। এখানে কাজ শেয করেই আবারও হলিউডে পাড়ি দেবেন দীপিকা। কারণ সেখানে শুরু হতে চলেছে তাঁর আগামী হলিউড প্রোজেক্ট। ট্রিপল এক্সের চতুর্থ ইনস্টমেন্টে আবারও ভিন ডিজেলের বিপরীতে দেখা যাবে দীপিকা পাড়ুকোনকে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
করমর্দনের জন্য হাত বাড়ালেন ট্রাম্প, প্রত্যাখ্যান পোলিশ ফার্স্টলেডির

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও ফার্স্টলেডি মেলানিয়া ট্রাম্প ছিলেন পোলিশ প্রেসিডেন্ট আন্দ্রজেজ দুদা ও তার স্ত্রী আগাতা দুদার সঙ্গে একই মঞ্চে। মঞ্চত্যাগের সময় দুই প্রেসিডেন্ট করমর্দন করেন। এরপর যখন ফার্স্টলেডি আগাতা দুদার সঙ্গে করমর্দনের পালা আসে, ট্রাম্প তখন তার হাত বাড়িয়ে দেন। কিন্তু আগাতা দৃশ্যত তা এড়িয়ে যান আগাতা। তিনি বরং পাশে দাঁড়ানো মার্কিন ফার্স্টলেডি মেলানিয়ার সঙ্গে করমর্দন করেন। পরে অবশ্য ফিরে এসে আবার ট্রাম্পের সঙ্গে করমর্দন করেন আগাতা।
পুরো ঘটনার ভিডিওচিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যপক হাস্যরসের জন্ম দিয়েছে। উল্লেখ্য, ট্রাম্পের করমর্দনের অদ্ভুত কায়দা নিয়ে আগেও আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের সঙ্গে তিনি যেন সর্বশক্তি প্রয়োগ করে করমর্দন করেন। তখন জেরবার আবের চেহারা ছিল দেখার মতো। পরে দেখা গেলো, অনেকের সঙ্গেই এমন অদ্ভুতভাবে হাত মিলিয়েছেন তিনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বৃটেনে শাসক দলের চেয়ে ৮ পয়েন্টে এগিয়ে লেবার পার্টি

দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট পত্রিকার এক খবরে বলা হয়, জেরেমি করবিনের নেতৃত্বাধীন লেবার পার্টির জনসমর্থন ৪৬ শতাংশ। আর ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভদের (টোরি) সমর্থন ৩৮ শতাংশ। লিবারেল ডেমোক্রেট দল পেয়েছে ৬ শতাংশ সমর্থন। ইউকিপের সমর্থন কমে দাঁড়িয়েছে ৪ শতাংশে।
এর আগে গত মাসে আইসিএম নামে আরেক প্রতিষ্ঠানের জরিপে লেবার দল এগিয়ে ছিল ২ পয়েন্টে। অপিনিয়াম নামে আরেকটি প্রতিষ্ঠান লেবারকে এগিয়ে রেখেছিল ৬ পয়েন্টের ব্যবধানে। জরিপে লেবার দলের এই উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি এসেছে সাধারণ নির্বাচন শেষের মাত্র ১ মাস শেষে। নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি আসন জিতেছে কনজারভেটিভ দল। কিন্তু প্রত্যাশার চেয়ে অনেক খারাপ ফল করে দলটি নিজেদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা খুইয়েছে। ফলে উত্তর আয়ারল্যান্ডের একটি আঞ্চলিক দলের সঙ্গে জোট বাধতে হয়েছে প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মেকে। বিনিময়ে উত্তর আয়ারল্যান্ডের জন্য অতিরিক্ত ১০০ কোটি পাউন্ড বরাদ্দের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
কিন্তু ২ মাস আগে যখন প্রধানমন্ত্রী আগাম নির্বাচনের ডাক দেন, তখন জরিপে ব্যাপক ভালো অবস্থানে ছিল টোরি দল। লেবার দলের চেয়ে প্রায় ২৮ পয়েন্টে এগিয়ে ছিল তারা! কিন্তু নির্বাচনী প্রচারাভিযান চলাকালে ধীরে ধীরে অবনমন ঘটতে থাকে রক্ষণশীলদের। সমর্থন বাড়তে থাকে করবিনের লেবার দলের। এক পর্যায়ে যেখানে লেবার দলের ভরাঢুবির কথা ভাবা হচ্ছিল, সেখানে উল্টো টোরি দল ১৩টি আসন হারায়!
নির্বাচনের পরে স্ট্যারভাশনের করা একটি জরিপে ৪৯ শতাংশ ভোটার বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উচিৎ পদত্যাগ করা। গার্ডিয়ান পত্রিকার জন্য আইসিএম’র পৃথক একটি জরিপে দেখা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রিয়তা যেখানে নেতিবাচক সূচকে, করবিনের এখন ইতিবাচক সূচকের ঘরে। জরিপ বলছে, ৪৪ শতাংশ লেবার নেতার কর্মকান্ডে সন্তুষ্ট। কিন্তু বিপরীতে মাত্র ২৮ শতাংশ প্রধানমন্ত্রীর কাজে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আপত্তি নেই...

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্ব হারানোর সূচনা! by গার্ডিয়ান

বিশ্ব নেতৃত্বে পরিবর্তনের উপযুক্ত সময় হয়তো এটি নয়। বিশ্ব সম্প্রদায়ের মাথার ওপর এখন বেশ কয়েকটি বিষয় দুর্যোগের মতো ঝুলে আছে- জলবায়ু পরিবর্তন, উত্তর কোরিয়া সঙ্কট, বিশ্ব বাণিজ্য, ইউক্রেন সঙ্কট, অভিবাসন সঙ্কট এবং সর্বশেষ উপসাগরীয় সঙ্কট।
সম্মেলনের আয়োজক দেশ জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মারকেল চাইছেন সম্মেলন উপলক্ষে আফ্রিকা থেকে আসা অভিবাসীর ঢল নিয়ে দীর্ঘ দিনের সমস্যার বিষয়ে বিশ্ব সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে। যদিও তাকে এখনো নিজস্ব সমস্যার সমাধানেই বেশি মনোযোগী হতে হচ্ছে। গত রাতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে মার্কেলের বৈঠক হওয়ার কথা, যেখানে আফ্রিকা মহাদেশ নিয়ে পরিকল্পনা ও জলবায়ু সমস্যা নিয়ে আলোচনা করার কথা। কিন্তু সম্মেলনের আগেই বুধবার সকালে ডোনাল্ড ট্রাম্প টুইটারে লিখেছেন, ‘বিশ্ব ইতিহাসে সবচেয়ে খারাপ কিছু বাণিজ্য চুক্তি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। আমাদের কেন এসব দেশের সাথে চুক্তি বজায় রাখতে হবে, যারা আমাদের সাহায্য করবে না’। এর মাধ্যমে তিনি বিভিন্ন দেশের সাথে বাণ্যিজ্য চুক্তি অবসানের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তবে যথাযথ জবাব দিতেও ছাড়েননি অ্যাঞ্জেলা মারকেল। ট্রাম্পকে উদ্দেশ্য করে মারকেল বলেন, ‘যদি কেউ মনে করেন বিশ্বের সমস্যাগুলো সংরক্ষণবাদ ও বিচ্ছিন্ন করণের মাধ্যমে সমাধান করার সম্ভব, তবে তিনি ভয়াবহ ভুল করছেন’।
হামবুর্গে ট্রাম্প-পুতিন বৈঠকরে দিকেও চোখ থাকবে বিশ্বের। এ ছাড়া ট্রাম্পের সাথে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বৈঠকেরও রয়েছে বিশ্বে গুরুত্ব। বিশেষ করে গত মঙ্গলবার উত্তর কোরিয়া আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করার পর। উত্তর কোরিয়ার প্রতি চাপ দিতে চীনকে আহ্বান জানিয়েছে ট্রাম্প। ট্রাম্পের আহ্বানে সাড়া দিয়ে দেশটিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করতেও রাজি হয়নি চীন। কাজেই এই সমস্যার সহজ কোনো সমাধান নেই সেটি বোঝাই যাচ্ছে।
বিশ্ব নেতাদের এই সম্মেলনে শি জিনপিংও তাই দর্শক হয়ে থাকবেন না। ইতোমধ্যে মারকেলের সাথে তার মিত্রতার প্রমাণ দিয়েছেন তিনি। উত্তর কোরিয়া ইস্যুতে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কথা শুনবেন না সেটিই মনে হচ্ছে। তাই এই সম্মেলনেই চীন যুক্তরাষ্ট্রের শূন্যস্থান পূরণ করবে না হয়তো, তবে সেই সময় আসছে।বিশ্বকে নেতৃত্ব দেয়ার জন্য এখনো যুক্তরাষ্ট্রের দিকেই তাকিয়ে আছে কিংবা থাকা উচিত কি না এই প্রশ্ন সামনে নিয়ে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির ২০টি দেশ জার্মানির হামবুর্গে সমবেত হয়েছে দুই দিনব্যাপী জি-২০ সম্মেলনের জন্য। দৃশ্যত এই সম্মেলনটি অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য হলেও এটি হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্ব হারানোর উপলক্ষ। আর বিশ্ব মোড়লের আসন থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে হটানো হলে সেই ক্ষমতা যে একক কোনো রাষ্ট্রের হাতে যাচ্ছে না সেটিও অনেকটাই নিশ্চিত। সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশ চীন নিজে থেকেই এই পদে আসতে চায় না। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অস্থির মানসিকতার সুযোগে শি জিনপিং, ভ্লাদিমির পুতিন ও অ্যাঞ্জেলো মার্কেলের সমন্বিত নেতৃত্ব আসতে পারে বিশ্বে। বিশ্ব নেতৃত্বে পরিবর্তনের উপযুক্ত সময় হয়তো এটি নয়। বিশ্ব সম্প্রদায়ের মাথার ওপর এখন বেশ কয়েকটি বিষয় দুর্যোগের মতো ঝুলে আছে- জলবায়ু পরিবর্তন, উত্তর কোরিয়া সঙ্কট, বিশ্ব বাণিজ্য, ইউক্রেন সঙ্কট, অভিবাসন সঙ্কট এবং সর্বশেষ উপসাগরীয় সঙ্কট। সম্মেলনের আয়োজক দেশ জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মারকেল চাইছেন সম্মেলন উপলক্ষে আফ্রিকা থেকে আসা অভিবাসীর ঢল নিয়ে দীর্ঘ দিনের সমস্যার বিষয়ে বিশ্ব সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে। যদিও তাকে এখনো নিজস্ব সমস্যার সমাধানেই বেশি মনোযোগী হতে হচ্ছে। গত রাতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে মার্কেলের বৈঠক হওয়ার কথা, যেখানে আফ্রিকা মহাদেশ নিয়ে পরিকল্পনা ও জলবায়ু সমস্যা নিয়ে আলোচনা করার কথা। কিন্তু সম্মেলনের আগেই বুধবার সকালে ডোনাল্ড ট্রাম্প টুইটারে লিখেছেন, ‘বিশ্ব ইতিহাসে সবচেয়ে খারাপ কিছু বাণিজ্য চুক্তি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। আমাদের কেন এসব দেশের সাথে চুক্তি বজায় রাখতে হবে, যারা আমাদের সাহায্য করবে না’। এর মাধ্যমে তিনি বিভিন্ন দেশের সাথে বাণ্যিজ্য চুক্তি অবসানের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তবে যথাযথ জবাব দিতেও ছাড়েননি অ্যাঞ্জেলা মারকেল। ট্রাম্পকে উদ্দেশ্য করে মারকেল বলেন, ‘যদি কেউ মনে করেন বিশ্বের সমস্যাগুলো সংরক্ষণবাদ ও বিচ্ছিন্ন করণের মাধ্যমে সমাধান করার সম্ভব, তবে তিনি ভয়াবহ ভুল করছেন’। হামবুর্গে ট্রাম্প-পুতিন বৈঠকরে দিকেও চোখ থাকবে বিশ্বের। এ ছাড়া ট্রাম্পের সাথে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বৈঠকেরও রয়েছে বিশ্বে গুরুত্ব। বিশেষ করে গত মঙ্গলবার উত্তর কোরিয়া আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করার পর। উত্তর কোরিয়ার প্রতি চাপ দিতে চীনকে আহ্বান জানিয়েছে ট্রাম্প। ট্রাম্পের আহ্বানে সাড়া দিয়ে দেশটিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করতেও রাজি হয়নি চীন। কাজেই এই সমস্যার সহজ কোনো সমাধান নেই সেটি বোঝাই যাচ্ছে। বিশ্ব নেতাদের এই সম্মেলনে শি জিনপিংও তাই দর্শক হয়ে থাকবেন না। ইতোমধ্যে মারকেলের সাথে তার মিত্রতার প্রমাণ দিয়েছেন তিনি। উত্তর কোরিয়া ইস্যুতে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কথা শুনবেন না সেটিই মনে হচ্ছে। তাই এই সম্মেলনেই চীন যুক্তরাষ্ট্রের শূন্যস্থান পূরণ করবে না হয়তো, তবে সেই সময় আসছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এদেশের এরা এবং ওদেশের ওরা by মশিউর রহমান তৌহিদ

অনেক বছর ভারতে ছিলাম, তাই ভারতের রাজনীতি, কূটনীতি ও সামরিকনীতি অনেকটা বুঝি। ফলে বিভিন্ন ক্যালকুলেশনে ২০১৪ সালের ভারতের সাধারণ নির্বাচনে আমার মনে হয়েছিল- বিজেপি এবং মোদি ঠেকানোর একমাত্র সহজ উপায় হলো- একটি মাত্র স্পষ্ট ঘোষণা, ‘নির্বাচনে জিতে অকংগ্রেসি নেতার নেতৃত্বে কংগ্রেসের কোয়ালিশন সরকার। যে অকংগ্রেসি ও আঞ্চলিক দল লোকসভা নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি আসন পাবে, সে দলের এবং তার নেতার নেতৃত্বেই গঠিত হবে ভারত সরকার।’ এতেই হয়তো টনিকের মতো কাজ হতো সে সময়। তাহলে মোদি ও হিন্দুত্ববাদীরা উড়ে যেত, পাত্তাই পেত না বেশির ভাগ রাজ্যগুলোতে।
আশ্চর্য হয়েছিলাম কংগ্রেসের দীর্ঘ দিনের বন্ধু এবং রাজনীতির চুলচেরা বিশ্লেষণকারী বামদের থেকেও ওই রকম কোনো প্রস্তাব সে সময় না ওঠায়। হিন্দুত্ব ঠেকাতে অতীতে বামেরা চেষ্টার কোনো ত্রুটি রাখেনি। এতে বামেরা যেমন লাভবান হয়েছে তেমনি তাদের কম ত্যাগ স্বীকার করতে হয়নি। আসলে কট্টর হিন্দুত্ববিরোধী ইস্যুতে বাম-কংগ্রেসের সর্বভারতীয় পরস্পর নির্ভরশীলতার কারণেই মমতার যাত্রা শুরু হয়েছিল। অথবা বলা যায়, মমতার নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেসের জন্ম হয়। মমতা হিন্দুত্ববাদে সমর্থক ছিলেন না। বরং সে সময়কার পশ্চিমবঙ্গ যুব কংগ্রেস প্রধান মমতার অভিযোগ ছিল- সর্বভারতীয় ইস্যুতে কংগ্রেস-বামদের ঐকমত্যের কারণে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের রাজনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কংগ্রেস হাইকমান্ডের নির্দেশে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতাসীন বামদের বিভিন্ন ইস্যুতে শুধুই ছাড় দেয়া হচ্ছে। এ কারণে রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্রের নেতৃত্বে কংগ্রেস যেমন বামদের ‘বি’ টিমে পরিণত হয়েছে, তেমনি রাজ্য রাজনীতিতে বামেরা হয়ে পড়েছে বেপরোয়া ও উদ্ধত।’
মমতার কথা ছিল- এসব চলবে না, প্রতিরোধ করতে হবে এবং তিনি প্রতিরোধে নেমে পড়েন তরুণ সমর্থকদের সাথে নিয়ে। মমতার ওই প্রতিরোধের রাজনীতি শুরু হয় আমার কলকাতায় উপস্থিতিতে এবং চোখের সামনে। ১৯৯৩ সালের ২৫ মে কলকাতা যাওয়ার পর, দিন কয়েকের মধ্যে যে দু’টি উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটেছিল তার মধ্যে একটি হচ্ছে- কংগ্রেস হাইকমান্ডের নির্দেশ অমান্য করে কলকাতায় মমতার বাম ফ্রন্টবিরোধী ধারণা, অন্যটি হচ্ছে- তৎকালীন ভারতের লোকসভার বিরোধী দলের নেতা, বিজেপির এল কে আদভানির নেতৃত্বে বাংলাদেশের চাকমাদের জন্য ‘স্বাধীন জুম্মল্যান্ডের’ দাবিতে কলকাতার রবীন্দ্রসদন থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল।
যদ্দূর জানি, পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন ক্ষমতাসীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বাবু রাজনীতিবিদ মমতাকে খুব স্নেহ করতেন। হয়তো তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, রাজ্যে একটি শক্তিশালী বিরোধী দল দরকার। সে রকম না হলে পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজ্যে বিজেপি ও অন্য মৌলবাদীরা থাবা বসিয়ে দিতে পারে। তবে পশ্চিমবঙ্গে সে রকম কিছু না হওয়ার মূল কৃতিত্ব যার তিনি হচ্ছেন ঝাঁঝালো রাজনীতিবিদ মমতা ব্যানার্জি। মমতা কোনো মতেই জায়গা ছেড়ে দেননি বরং যে জায়গা অধিকার করার পণ করেছিলেন তা করে দেখিয়ে দিয়েছেন। এখানেই তার কৃতিত্ব। একটি কথা বলে রাখি- ১৯৯৬ সালে বাজপেয়ির নেতৃত্বে বিজেপি ভারতের ক্ষমতায় আসার প্রধান কারণ ছিল ভারতের মুসলিমদের একচেটিয়া ভোট। বাবরি মসজিদ রক্ষায় ও মুসলিমবিরোধী দাঙ্গায় কংগ্রেসের ব্যর্থতা; সেই সাথে অবিরলভাবে চলতে থাকা বঞ্চনা ও সীমাহীন বৈষম্যের কারণে ভারতের মুসলিম ভোটাররা বিজেপিকে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় এনে কংগ্রেসকে শিক্ষা দিয়েছিল। কিন্তু সোনিয়ার ভুলে এবারে ক্ষমতায় এসে গো-রক্ষার নামে বিজেপির কেউ কেউ সীমালঙ্ঘন করে যাচ্ছে। তাই গো-মাংস খাওয়ার অধিকারে হস্তক্ষেপ করে মুসলিম নির্যাতন বিজেপি সরকারের মুখ্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ পরিস্থিতিতে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ করার সাহসী নেতৃত্ব অনেকটাই দিচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।
‘এদেশের এরা’ কোনো দিন বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে ভারত সরকারের গণহত্যার প্রতিবাদ করেননি; অসংখ্য গরিব সাধারণ মানুষের হত্যাকাণ্ডের জন্য ভারত সরকারের কাছে ক্ষতিপূরণ চাননি। অথচ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তার বিদেশ সফরকালে কৌশলে ভারত সরকারের কাছে বার্তা পাঠিয়েছিলেন কাশ্মিরের সেনাঘাঁটিতে হামলার নিন্দা জানিয়ে। সে দিনই লালমনিরহাট সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষীরা এক বাংলাদেশীকে গুলি করে হত্যা করেছে। বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের স্বার্থে ভারত সরকার বাংলাদেশ সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করে থাকে প্রায়ই। কিন্তু ভারতে গো-মাংস নিয়ে মুসলিমদের ওপর চলমান অত্যাচার-নির্যাতনের প্রতিবাদ এ দেশে দেখা যায় না। তা করেন মমতা ব্যানার্জি।
অথচ মমতা ব্যানার্জি এশিয়ার আদর্শ মহিলা রাজনীতিবিদ কিংবা বিশ্বের ক্ষমতাশালী মহিলা রাজনীতিবিদ হিসেবে কারো লিস্টে আসেননি। পাননি কোনো আন্তর্জাতিক পুরস্কার। এর কারণ অনেকের মতে, ওই সব বিষয়ে মমতা পশ্চিমা কোনো সংস্থা কিংবা কোনো বিখ্যাত ম্যাগাজিনকে গোপনে লাখ লাখ ডলার ঘুষ-ডোনেশন দেন না। দেয়ার দরকার মনে করেন না। তার মনোযোগ তার জনগণের দিকে। লন্ডন, কানাডা এবং নিউ ইয়র্কের চার দিনের সফরকে অযথা ১৭ দিন বানিয়ে ফেলার কথা তিনি কল্পনা করতে পারেন না। তাই তার পুরস্কার ও স্বীকৃতি জনগণ দেন। ভালোবাসায় এবং শ্রদ্ধায়। গত নির্বাচনে মমতার বিজয় এরই প্রমাণ। অন্য দিকে, ‘এদেশের এরা’ সব সময় জনবিচ্ছিন্ন ও নির্বাচন চুরিতে ওস্তাদ। ওস্তাদ জনগণের অধিকার হরণ করতে।
পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজ্যের অনেক সীমাবদ্ধতা আছে এবং এটাই স্বাভাবিক। তা সত্ত্বেও মমতা তার রাজ্যের সাত কোটির বেশি দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের লোকদের দুই টাকা কেজি দরে চাল-আটা দিচ্ছেন। কল্পনা করতে পারেন? সে হিসাবে বাংলাদেশে ৫০ লাখ দরিদ্র লোককে ১০ টাকা কেজি দরে চাল দেয়ার প্রতিশ্রুতির বিষয়টি- ‘শৈবাল দীঘিরে বলে ঊর্ধ্ব করে শির, লিখে রাখ এক ফোঁটা দিলেম শিশির’, এ রকমই মনে হয়। আবার এর বাস্তবায়ন হতে কত সময় লাগে এবং কারা কারা পাবেন সে অনিশ্চয়তা তো আছেই।
কিছু লোককে ১০ টাকা সের দরে চাল দেয়া হবে এ ঘোষণা দেয়ার পর অনেক দিন কেটে গেছে। কিন্তু এরই মধ্যে সারা বছরের ঊর্ধ্বগামী বাজারের অবস্থা কী দাঁড়িয়েছে তা কি খোঁজ নিয়ে দেখেছেন? গত কয়েক মাসে সবচেয়ে নিম্নমানের চাল ৩০ টাকা থেকে দাম বেড়ে আজ প্রায় ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রগুলোর দাম আগেও বাড়তি ছিল, আজো বেড়েই যাচ্ছে। কিন্তু ‘এদেশের এরা’ তার খোঁজ রাখেন না। নিজেদের খাওয়া-পাওয়ার সব কিছু ভালো চললেই মনে করেন, দেশের মানুষ অনেক সুখে আছে।
এখানেই ওপারের মমতার সাথে এপারের ফারাক। এদেশের ‘এরা’ যতটুকু না রাজনীতিবিদ, তার চেয়ে যেন অনেক বেশি ব্যবসায়ী ও ধান্দাবাজ। শুধুই তেলা মাথায় তেল দিয়ে যান। গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের ধার ধারেন না। পুলিশ দিয়ে বিরোধী নেতাকর্মীদের নির্যাতন করান। আর ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট দিয়ে নির্যাতন করান জনগণকে। কারণ দেশে কার্যত গণতন্ত্র নেই। নেই জনগণের ভোটাধিকার।রাজনীতির বর্তমান জায়গাটায় মমতা ব্যানার্জি স্বামী বা বাবার হাত ধরে কিংবা স্বামী বা বাবার উত্তরাধিকার হয়ে আসেননি। এসেছেন নিজের চেষ্টায়; তৃণমূল থেকে রাজনীতি করে; প্রতিনিয়ত আন্দোলন-প্রতিবাদ করে এবং যথেষ্ট পরিশ্রম করে। সবসময় সাধারণ মানুষের কাছাকাছি থেকেছেন। তাই তিনি সাধারণ মানুষের মনের এবং হাঁড়ির ভাষা যতটা বোঝেন এপারের নেত্রীরা কিংবা দিল্লির সোনিয়া ও চেন্নাইয়ের ললিতারাও ততটা বোঝেন না। যদি ২০১৪ সালে সোনিয়া ষড়যন্ত্র কিংবা বোকামি না করতেন তাহলে দিল্লিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী পদে গুজরাটি মোদি নন, হয়তো বাংলার মেয়ে মমতাই বসতেন। প্রণব বাবুর মতো অন্যের হুকুম তামিল করে নয় বরং মেজাজি, সাহসী ও স্বাধীন রাজনীতিবিদ হিসেবে। অনেক বছর ভারতে ছিলাম, তাই ভারতের রাজনীতি, কূটনীতি ও সামরিকনীতি অনেকটা বুঝি। ফলে বিভিন্ন ক্যালকুলেশনে ২০১৪ সালের ভারতের সাধারণ নির্বাচনে আমার মনে হয়েছিল- বিজেপি এবং মোদি ঠেকানোর একমাত্র সহজ উপায় হলো- একটি মাত্র স্পষ্ট ঘোষণা, ‘নির্বাচনে জিতে অকংগ্রেসি নেতার নেতৃত্বে কংগ্রেসের কোয়ালিশন সরকার। যে অকংগ্রেসি ও আঞ্চলিক দল লোকসভা নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি আসন পাবে, সে দলের এবং তার নেতার নেতৃত্বেই গঠিত হবে ভারত সরকার।’ এতেই হয়তো টনিকের মতো কাজ হতো সে সময়। তাহলে মোদি ও হিন্দুত্ববাদীরা উড়ে যেত, পাত্তাই পেত না বেশির ভাগ রাজ্যগুলোতে। আশ্চর্য হয়েছিলাম কংগ্রেসের দীর্ঘ দিনের বন্ধু এবং রাজনীতির চুলচেরা বিশ্লেষণকারী বামদের থেকেও ওই রকম কোনো প্রস্তাব সে সময় না ওঠায়। হিন্দুত্ব ঠেকাতে অতীতে বামেরা চেষ্টার কোনো ত্রুটি রাখেনি। এতে বামেরা যেমন লাভবান হয়েছে তেমনি তাদের কম ত্যাগ স্বীকার করতে হয়নি। আসলে কট্টর হিন্দুত্ববিরোধী ইস্যুতে বাম-কংগ্রেসের সর্বভারতীয় পরস্পর নির্ভরশীলতার কারণেই মমতার যাত্রা শুরু হয়েছিল। অথবা বলা যায়, মমতার নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেসের জন্ম হয়। মমতা হিন্দুত্ববাদে সমর্থক ছিলেন না। বরং সে সময়কার পশ্চিমবঙ্গ যুব কংগ্রেস প্রধান মমতার অভিযোগ ছিল- সর্বভারতীয় ইস্যুতে কংগ্রেস-বামদের ঐকমত্যের কারণে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের রাজনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কংগ্রেস হাইকমান্ডের নির্দেশে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতাসীন বামদের বিভিন্ন ইস্যুতে শুধুই ছাড় দেয়া হচ্ছে। এ কারণে রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্রের নেতৃত্বে কংগ্রেস যেমন বামদের ‘বি’ টিমে পরিণত হয়েছে, তেমনি রাজ্য রাজনীতিতে বামেরা হয়ে পড়েছে বেপরোয়া ও উদ্ধত।’ মমতার কথা ছিল- এসব চলবে না, প্রতিরোধ করতে হবে এবং তিনি প্রতিরোধে নেমে পড়েন তরুণ সমর্থকদের সাথে নিয়ে। মমতার ওই প্রতিরোধের রাজনীতি শুরু হয় আমার কলকাতায় উপস্থিতিতে এবং চোখের সামনে। ১৯৯৩ সালের ২৫ মে কলকাতা যাওয়ার পর, দিন কয়েকের মধ্যে যে দু’টি উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটেছিল তার মধ্যে একটি হচ্ছে- কংগ্রেস হাইকমান্ডের নির্দেশ অমান্য করে কলকাতায় মমতার বাম ফ্রন্টবিরোধী ধারণা, অন্যটি হচ্ছে- তৎকালীন ভারতের লোকসভার বিরোধী দলের নেতা, বিজেপির এল কে আদভানির নেতৃত্বে বাংলাদেশের চাকমাদের জন্য ‘স্বাধীন জুম্মল্যান্ডের’ দাবিতে কলকাতার রবীন্দ্রসদন থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল। যদ্দূর জানি, পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন ক্ষমতাসীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বাবু রাজনীতিবিদ মমতাকে খুব স্নেহ করতেন। হয়তো তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, রাজ্যে একটি শক্তিশালী বিরোধী দল দরকার। সে রকম না হলে পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজ্যে বিজেপি ও অন্য মৌলবাদীরা থাবা বসিয়ে দিতে পারে। তবে পশ্চিমবঙ্গে সে রকম কিছু না হওয়ার মূল কৃতিত্ব যার তিনি হচ্ছেন ঝাঁঝালো রাজনীতিবিদ মমতা ব্যানার্জি। মমতা কোনো মতেই জায়গা ছেড়ে দেননি বরং যে জায়গা অধিকার করার পণ করেছিলেন তা করে দেখিয়ে দিয়েছেন। এখানেই তার কৃতিত্ব। একটি কথা বলে রাখি- ১৯৯৬ সালে বাজপেয়ির নেতৃত্বে বিজেপি ভারতের ক্ষমতায় আসার প্রধান কারণ ছিল ভারতের মুসলিমদের একচেটিয়া ভোট। বাবরি মসজিদ রক্ষায় ও মুসলিমবিরোধী দাঙ্গায় কংগ্রেসের ব্যর্থতা; সেই সাথে অবিরলভাবে চলতে থাকা বঞ্চনা ও সীমাহীন বৈষম্যের কারণে ভারতের মুসলিম ভোটাররা বিজেপিকে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় এনে কংগ্রেসকে শিক্ষা দিয়েছিল। কিন্তু সোনিয়ার ভুলে এবারে ক্ষমতায় এসে গো-রক্ষার নামে বিজেপির কেউ কেউ সীমালঙ্ঘন করে যাচ্ছে। তাই গো-মাংস খাওয়ার অধিকারে হস্তক্ষেপ করে মুসলিম নির্যাতন বিজেপি সরকারের মুখ্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ পরিস্থিতিতে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ করার সাহসী নেতৃত্ব অনেকটাই দিচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। ‘এদেশের এরা’ কোনো দিন বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে ভারত সরকারের গণহত্যার প্রতিবাদ করেননি; অসংখ্য গরিব সাধারণ মানুষের হত্যাকাণ্ডের জন্য ভারত সরকারের কাছে ক্ষতিপূরণ চাননি। অথচ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তার বিদেশ সফরকালে কৌশলে ভারত সরকারের কাছে বার্তা পাঠিয়েছিলেন কাশ্মিরের সেনাঘাঁটিতে হামলার নিন্দা জানিয়ে। সে দিনই লালমনিরহাট সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষীরা এক বাংলাদেশীকে গুলি করে হত্যা করেছে। বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের স্বার্থে ভারত সরকার বাংলাদেশ সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করে থাকে প্রায়ই। কিন্তু ভারতে গো-মাংস নিয়ে মুসলিমদের ওপর চলমান অত্যাচার-নির্যাতনের প্রতিবাদ এ দেশে দেখা যায় না। তা করেন মমতা ব্যানার্জি। অথচ মমতা ব্যানার্জি এশিয়ার আদর্শ মহিলা রাজনীতিবিদ কিংবা বিশ্বের ক্ষমতাশালী মহিলা রাজনীতিবিদ হিসেবে কারো লিস্টে আসেননি। পাননি কোনো আন্তর্জাতিক পুরস্কার। এর কারণ অনেকের মতে, ওই সব বিষয়ে মমতা পশ্চিমা কোনো সংস্থা কিংবা কোনো বিখ্যাত ম্যাগাজিনকে গোপনে লাখ লাখ ডলার ঘুষ-ডোনেশন দেন না। দেয়ার দরকার মনে করেন না। তার মনোযোগ তার জনগণের দিকে। লন্ডন, কানাডা এবং নিউ ইয়র্কের চার দিনের সফরকে অযথা ১৭ দিন বানিয়ে ফেলার কথা তিনি কল্পনা করতে পারেন না। তাই তার পুরস্কার ও স্বীকৃতি জনগণ দেন। ভালোবাসায় এবং শ্রদ্ধায়। গত নির্বাচনে মমতার বিজয় এরই প্রমাণ। অন্য দিকে, ‘এদেশের এরা’ সব সময় জনবিচ্ছিন্ন ও নির্বাচন চুরিতে ওস্তাদ। ওস্তাদ জনগণের অধিকার হরণ করতে। পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজ্যের অনেক সীমাবদ্ধতা আছে এবং এটাই স্বাভাবিক। তা সত্ত্বেও মমতা তার রাজ্যের সাত কোটির বেশি দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের লোকদের দুই টাকা কেজি দরে চাল-আটা দিচ্ছেন। কল্পনা করতে পারেন? সে হিসাবে বাংলাদেশে ৫০ লাখ দরিদ্র লোককে ১০ টাকা কেজি দরে চাল দেয়ার প্রতিশ্রুতির বিষয়টি- ‘শৈবাল দীঘিরে বলে ঊর্ধ্ব করে শির, লিখে রাখ এক ফোঁটা দিলেম শিশির’, এ রকমই মনে হয়। আবার এর বাস্তবায়ন হতে কত সময় লাগে এবং কারা কারা পাবেন সে অনিশ্চয়তা তো আছেই। কিছু লোককে ১০ টাকা সের দরে চাল দেয়া হবে এ ঘোষণা দেয়ার পর অনেক দিন কেটে গেছে। কিন্তু এরই মধ্যে সারা বছরের ঊর্ধ্বগামী বাজারের অবস্থা কী দাঁড়িয়েছে তা কি খোঁজ নিয়ে দেখেছেন? গত কয়েক মাসে সবচেয়ে নিম্নমানের চাল ৩০ টাকা থেকে দাম বেড়ে আজ প্রায় ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রগুলোর দাম আগেও বাড়তি ছিল, আজো বেড়েই যাচ্ছে। কিন্তু ‘এদেশের এরা’ তার খোঁজ রাখেন না। নিজেদের খাওয়া-পাওয়ার সব কিছু ভালো চললেই মনে করেন, দেশের মানুষ অনেক সুখে আছে। এখানেই ওপারের মমতার সাথে এপারের ফারাক। এদেশের ‘এরা’ যতটুকু না রাজনীতিবিদ, তার চেয়ে যেন অনেক বেশি ব্যবসায়ী ও ধান্দাবাজ। শুধুই তেলা মাথায় তেল দিয়ে যান। গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের ধার ধারেন না। পুলিশ দিয়ে বিরোধী নেতাকর্মীদের নির্যাতন করান। আর ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট দিয়ে নির্যাতন করান জনগণকে। কারণ দেশে কার্যত গণতন্ত্র নেই। নেই জনগণের ভোটাধিকার।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যৌনতায় আগ্রহ হারাচ্ছেন জাপানের যুবক-যুবতীরা

সরকারিভাবে যে সতর্কবার্তা দেয়া হচ্ছে তাও কোনো সহায়ক হিসেবে কাজ করছে না। যেকোনো বছরের তুলনায় ২০১২ সালে খুবই কম সংখ্যক শিশু জন্ম নিয়েছে সেখানে। এটাই এক নতুন রেকর্ড গড়েছে। তাই জেএফপিএ’র প্রধান কুনিও কিতামুরা বলেছেন, জনসংখ্যাতত্ত্বে এতটাই সংকট সৃষ্টি হয়েছে যে, এতে জাপান একরকম অস্তিত্ব সংকটে পড়তে পারে। যুদ্ধপরবর্তী প্রজন্মের মতো ৪০ বছরের নিচে বয়সী জাপানিরা বেশি কাজ করতে চায় না। ২০ বছরের অর্থনৈতিক স্থবিরতার পর জাপানে বড় ধরনের সামাজিক বিবর্তন হতে যাচ্ছে। ২০১১ সালের ভূমিকম্প, সুনামি ও তেজস্ক্রিয় পদার্থের গলনের ফলে যে প্রভাব সৃষ্টি হয়েছে তার বিরুদ্ধে লড়াই করছে জাপান। তবে তারা পশ্চাৎদিকে ধাবিত হচ্ছে না। আয়োয়ামা বলেন, নারী এবং পুরুষরা আমাকে বলেন, তারা ভালোবাসার কোনো কারণ খুঁজে পান না। তারা মনে করেন না, ভালোবাসা কোনো ভালো কিছুর দিকে ধাবিত করবে। এই জাপানে ভালোবাসা, প্রেম খুব কঠিন হয়ে পড়েছে।
বিয়ে হয়ে পড়েছে খুব বেশি অনাকর্ষণীয় বিষয়। পুরুষরা খুব বেশি ক্যারিয়ারহীনতার দিকে ঝুঁকে পড়েছেন। তাদের আর্থিক সক্ষমতা কমেছে। সেখানে লাইফটাইম চাকরির নিশ্চয়তা কমে গেছে। উল্টোটা ঘটেছে নারীদের ক্ষেত্রে। তারা বেশি বেশি আত্মনির্ভরশীল ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী হয়ে উঠছেন। তবে কর্মক্ষেত্রে ও বাড়িতে রয়েছে রক্ষণশীল আবহ। আয়োয়ামা বলেন, জাপানের বড় বড় শহরগুলোতে নারী-পুরুষের মাঝ থেকে যৌন আকাঙ্ক্ষা উবে যাচ্ছে। তাদের মধ্যে দীর্ঘ সময় শারীরিক সম্পর্ক স্থাপিত হয় না। তারা এক্ষেত্রে বেছে নেন ক্যাজুয়াল সেক্স। এক্ষেত্রে তাদের ভরসা হয় অনলাইন পর্নোগ্রাফি, ভার্চুয়াল গার্লফ্রেন্ড, অ্যানিমেশন করা কার্টুন। জাপানে এখন প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ অবিবাহিত যুবক, যুবতী আছেন। তারা বর্তমানে বসবাস করেন পিতা-মাতাদের সঙ্গে। এর মধ্যে আবার প্রায় ৩০ লাখের বয়স ৩৫ বছরের ওপরে। এমন অনেক পুরুষ যান আয়োয়ামার কাছে। তাদের একজন ৩০ বছর বয়স্ক। তিনি কুমার। তিনি কোনো নারী রোবট না দেখা পর্যন্ত তার মধ্যে পুরুষত্ব জাগে না। তার বিষয়ে আয়োয়ামা বলেন, তাকে আমি মানব শরীরের স্বাভাবিক ক্রিয়াকর্ম বোঝাই। বাড়তি ফি’র বিনিময়ে এমন ব্যক্তিদের সামনে নগ্ন হয়ে শারীরিক উত্তেজনা সৃষ্টি করেন আয়োয়ামা। তবে অবশ্যই তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন না। তাকে শুধু নারী দেহের প্রতি তার দায়িত্ব সম্পর্কে বোঝান।
রিপোর্টে ইরি তোমিতা (৩২) নামে এক যুবতীর কথা বলা হয়েছে। তার বাস টোকিওর ইবিসু’তে। তিনি ফরাসি একটি ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাবে চাকরি করেন। ভালো ফরাসি ভাষা বলতে পারেন। আছে দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি। তিনি কাজে মনোযোগ দেয়ার জন্য যেকোনো রোমান্টিক বা প্রেমময় সম্পর্ক এড়িয়ে চলেন। ইরি তোমিতা বলেন, তিন বছর আগে এক বয়ফ্রেন্ড আমাকে প্রোপোজ করেছিল। আমি তা প্রত্যাখ্যান করেছি। কারণ, আমার মনে হয়েছিল আমাকে আমার চাকরির প্রতি বেশি যত্নবান হতে হবে। তারপর আমি প্রেমের আগ্রহ হারিয়ে ফেলি। তবে আমি সচেতন হয়ে উঠেছি যখন আমার সামনে ভবিষ্যতের চিন্তা এলো। তিনি বলেন, জাপানে একজন যুবতী যখনই বিয়ে করে ফেলেন তখনই তার পদোন্নতির সুযোগ বন্ধ হয়ে যায়। আর যখন একটি সন্তানের মা হন ওই নারী তখন তার কাছে সবকিছু ম্যানেজ করা কঠিন হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় একজন নারীকে চাকরিতে রিজাইন করতে হয়। তখন তাকে হয়ে পড়তে হয় একজন গৃহবধূ বা হাউজওয়াইফ। তার কোনো ব্যক্তিগত আয় থাকে না। আমার মতো একজন নারীর এ পথটা বেছে নেয়ার কথা নয়।
গার্ডিয়ান লিখেছে, জাপানের শতকরা ৭০ ভাগ নারী তাদের প্রথম সন্তান জন্ম দেয়ার পর চাকরি ছেড়ে দেন। বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম বা ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম এরই মধ্যে কর্মক্ষেত্রে অসমতার দিক দিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ দেশের মধ্যে জাপানকে রেখেছে। এক্ষেত্রে সামাজিকতাও সহায়ক নয়। বিবাহিত ও কর্মজীবী নারীদেরকে মাঝে মাঝে ‘ডেভিল ওয়াইভস’ বা অশুভ স্ত্রী হিসেবে দেখা হয়। তাই প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে সম্প্রতি কর্মক্ষেত্রের পরিবেশ উন্নত করে এবং ডে কেয়ার সেন্টার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে নারীদের অর্থনৈতিক অংশগ্রহণকে উৎসাহী করার উদ্যোগ নিয়েছেন। তোমিতা বলেছেন, তিনি যদি একই সঙ্গে একজন বিবাহিত স্ত্রী এবং একজন মা হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারতেন তাহলে নাটকীয়ভাবে তার উন্নতি ঘটতো। তিনি বলেন, আমার একটা গ্রেট জীবন আছে। মেয়ে বন্ধুদের সঙ্গে আমি বাইরে যাই। তারা আমার মতোই চাকরিজীবী। আমরা ফ্রেঞ্চ বা ইতালিয়ান রেস্তরাঁয় যাই। ইচ্ছে হলেই স্টাইল করা পোশাক কিনি। ছুটি কাটাতে যাই। এখন আমি আমার স্বাধীনতাকে ভীষণ পছন্দ করছি। কখনো কখনো বার-এ রাত কাটান তোমিতা। তবে সেখানে যৌনতাকে অগ্রাধিকার দেন না তিনি। তিনি বলেন, অফিসে অনেক বিবাহিত পুরুষ আমাকে বাইরে যাওয়ার আহ্বান জানান। তারা মনে করেন, আমি অবিবাহিত। তাই আমি সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়ে যাবো। এটা খুব বিরক্তিকর। আমি অন্যের দ্বারা বিরক্ত হতে চাই না।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারত নিয়ে বিতর্কে পাকিস্তানি উপস্থাপিকা বীণা

তিনি দেশটিকে ‘শয়তান জাতি’ হিসেবে বলে উল্লেখ করেন। এর আগে বলিউডে অভিনয়ের সময়ে ভারতের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলেন। বলিউডে খোলামেলা দৃশ্যে অভিনয়ের জন্য পাকিস্তান থেকে তাকে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়তে হয়। কিন্তু দমে যাননি তিনি। বলিউডে অভিনয় চালিয়ে যান। তবে মাত্রই ভারত থেকে দেশে ফিরে নতুন এ কাণ্ড করলেন বীণা।
বিরূপ মন্তব্যটি করেছেন পাকিস্তানি এক টেলিভিশনে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ইসরায়েল সফরকে কেন্দ্র করে এক প্রতিবেদনে তিনি দুই দেশকেই ‘শয়তান জাতি’ (এভিল নেশন) হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ব্যক্তিগত আক্রমণ করেছেন দুই প্রধানমন্ত্রীকেই। আর তাতেই এখন চটেছে ভারতীয় মিডিয়া।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যৌন হয়রানি প্রসঙ্গে ইলিয়ানা

তার মা সেই উত্যক্তকারী কিশোরকে ডেকে কথা বলেন। পুলিশের সঙ্গেও কথা বলেন। পুলিশ তাকে জানিয়েছিলো এমন অনেক ঘটনায় মেয়েরা আত্মহত্যাও করে থাকেন।
সম্প্রতি এক ভারতীয় তরুণীর যৌন হয়রানির শিকার হওয়ার বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেই প্রেক্ষিতেই নিজের জীবনের এই ঘটনার কথা জানালেন ইলিয়ানা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বলিউডে কম স্বীকৃতি পান অক্ষয়

রণবীর কাপুর, প্রিয়াংকা চোপড়া, সাইফ আলি খান ও বরুণ ধাওয়ানের মতো তারকাদের সঙ্গে কাজ করেছেন ইলিয়েনা। কিন্তু অক্ষয়ের সঙ্গে কাজ করেই না-কি সবচেয়ে বেশি আনন্দ পেয়েছেন তিনি।
অক্ষয়ের কাজের প্রশংসা করে ইলিয়েনা বলেন, তার (অক্ষয়) সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা বিস্ময়কর। আমি ভাবতেই পারিনি এতো আনন্দ পাবো। আমি এর আগে ‘খিলাড়ি’খ্যাত এই তারকার অনেক হাসির ছবিই দেখেছিলাম। ওকে এই ধরনের চরিত্রে ভালো লাগে। ও বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয় করেছে। কিন্তু সবাই ওর কমিক টাইমিং, অ্যাকশনের দৃশ্যে অভিনয়ের কথা বলে। তবে আমার মতে, ও সব ধরনের চরিত্রেই ভালো মানিয়ে নিতে পারে। কিন্তু তা সত্ত্বেও বলিউডে সবচেয়ে কম স্বীকৃতি পাওয়া অভিনেতাদের একজন।
১৯৫৯ সালের নানাবতীর মামলা অবলম্বনে তৈরি হয়েছে ‘রুস্তম’। নৌবাহিনীর অফিসার কাভাস মানেকশ নানাবতী তার স্ত্রীর প্রেমিক প্রেম আহুজাকে খুন করেন। এটি পরিচালনা করেছেন টিনু দেশাই। ছবিতে অক্ষয়কে নানাবতীর ভূমিকায় দেখা যাবে। তার স্ত্রীর চরিত্রে রয়েছেন ইলিয়েনা। আগামী ১২ অগাস্ট মুক্তি পাবে এটি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘আজীবন অভিনয় নয়, বড় ক্যারিয়ার গড়তে চাই’

এরপর দক্ষিণী চলচ্চিত্রের পাশাপাশি পা রাখেন বলিউডে। উপহার দেন বারফি, রুস্তমের মতো বেশ কিছু জনপ্রিয় চলচ্চিত্রও।
সম্প্রতি ইলিয়েনা ডি ক্রুজ জানান, সিনেমা জগতের তারকারা সাধারণত জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত অভিনয় করে যেতে চান। কিন্তু তিনি তা করবেন না।
এক সাক্ষাৎকারে ইলিয়েনা বলেন, ‘আমি আজীবন অভিনয় করব না। তবে বড় একটি ক্যারিয়ার গড়তে চাই। আমি যে কাজটি করার সুযোগ পাই তা ভালোবেসে করি এবং তা খুব উপভোগ করি।
আর ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করতে চাই না। কারণ যখন এ বিষয়ে ভাবি তখন অধৈর্য হয়ে পড়ি, চিন্তা চলে আসে। আমি টাকা নিয়েও ভাবি না। যতটা পারি ভালো কাজ করার চেষ্টা করি। ’
ইলিয়েনা ডিক্রুজ অভিনীত সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘রুস্তম’। ২০১৬ সালে মুক্তি পায় এটি। চলতি বছর বলিউডের ‘মুবারাকা’ ও ‘বাদশাহো’ সিনেমায় অভিনয় করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন তিনি। বর্তমানে সিনেমা দুটির পোস্ট প্রোডাকশনের কাজ চলছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রিক্তার ‘আলতাবানু’

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মুখ খুললে ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখায় ধর্ষক

ঘটনার পরপর পালিয়ে যায় ইভান। ঢাকা থেকে পালিয়ে নারায়ণগঞ্জের মাসদাইর বাজারে তার খালা শান্তার বাসায় গিয়ে ওঠে। সেখান থেকেই তাকে গতকাল গ্রেপ্তার করে র্যাব-১।
এদিকে গতকাল সকালে বনানীর ২ নম্বর সড়কের ন্যাম ভিলেজের সেই ৫/এ নম্বর বাসা ছাড়েন তার বাবা ব্যবসায়ী মো. বোরহান উদ্দিন বেলাল ও মা ইতি। মামলার পর থেকে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে ওই তরুণী। গতকাল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ফরেনসিক বিভাগে তার শারীরিক ও বয়স নির্ধারণী পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। তাকে নেশা করানো হয়েছিল কি না সে পরীক্ষাও হতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ দিকে মঙ্গলবার দিবাগত শেষরাতে বাসা থেকে বের করে দেয়ার পর গত বুধবার বনানী থানায় ইভানকে আসামি করে মামলা করেন তরুণী। মামলার এজাহারে ধর্ষিতা তরুণীর মুখ বন্ধ করার জন্য ধর্ষণের ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেয় বলে উল্লেখ করেন। তাতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘ওই আসামি আমাকে ইতিপূর্বেও বিবাহের প্রলোভনে ধর্ষণ করেছে। আসামি আমাকে বিভিন্নভাবে ভয় দেখাতো। আমি মুখ খুললে সে তার কাছে আছে এমন খারাপ ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেবে’ বলে হুমকি দিত।
গত মঙ্গলবার রাতে ওই তরুণী সে বাসায় যায়। ইভান তাকে ‘অতিথি’ বলে রিসিভ করে বাসার ভেতরে নিয়ে যায়। এরপর নেশা খাইয়ে তাকে ধর্ষণ করে। রাত সাড়ে তিনটার দিকে ইভান প্রথমে ওই তরুণীকে দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাট থেকে বের করে দেয়। তখন তরুণী চিৎকার চেঁচামেচি করতে থাকে। এ সময় ইভান দারোয়ান মাসুদকে তাকে ফটকের বাইরে বের করে দিতে বলে। ফোন করে বাসার ব্যবস্থাপক শওকত আকবরকেও একই কথা বলে। তারা কথা না রেখে ইভানকেই বের করে দিতে বললে সে নিজেই নিচে নেমে আসে। জোর করে তরুণীকে গেটের বাইরে বের করে দেয়। এরপর সকালে ওই তরুণী প্রথমে বনানী থানায় গিয়ে দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তাকে মৌখিকভাবে বিষয়টি অবগত করেন। বনানী থানা পুলিশের একটি টিম তাকে সঙ্গে নিয়ে সে বাসায় যান। তখন বাসায় ইভানের মা, ছোট ভাই ও কাজের মেয়েদের পেলেও ইভানকে পাওয়া যায়নি। তার আগেই পালায় ইভান। পরে বনানী থানায় লিখিত অভিযোগ করেন তরুণী। এরপর থেকে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে তরুণী।
মামলার এজাহারে ঘটনার বর্ণনায় তরুণী উল্লেখ করেন, ‘ইভানের সঙ্গে ১১ মাস ধরে ফেসবুকে বন্ধুত্ব হয়। এ বন্ধুত্বের সূত্র ধরে দুজনের ঘুরাঘুরি, দেখা সাক্ষাৎ হতো। এ বন্ধুত্ব থেকেই ৪ মাস আগে প্রেমের সম্পর্ক শুরু হয়। এ সম্পর্কের সূত্র ধরে গত ৪ঠা জুলাই ওই আসামি আমাকে রাত ৯টার সময় ফোন করে জানায় যে, তার জন্ম দিন এবং ওই জন্মদিনে আমাকে তার বাসায় যেতে বলে এবং তার মায়ের সঙ্গে আমাকে পরিচয় করিয়ে দেবে। আমাদের সম্পর্কের বিষয়টি তার মাকে জানাবে বলে জানায়। এবং টেলিফোনে মায়ের পরিচয় দিয়ে এক মহিলা আমার সঙ্গে কথা বলে, আর আমি তাকে তার মা মনে করি। তার পর আমি আমার আপুর সঙ্গে কথা বলে ওই দিন রিকশা যোগে রাত ১০টা ৩০ মিনিটে তার বাসার সামনে পৌঁছলে সে আমাকে রিসিভ করে বাসায় নিয়ে যায়। আমি যাওয়ার পর বাসায় কাউকে দেখতে পাইনি। সে আমাকে তার ঘরে নিয়ে যায়। তার মার কথা জিজ্ঞেস করলে সে জানায়, বাবা-মা অসুস্থ। ঘুমিয়ে আছে। জোরে কথা বলা যাবে না। সকাল বেলা পরিচয় করিয়ে দেবে। বাসায় জন্মদিনের অনুষ্ঠানের কোনো আলামত দেখি না। আমি ভয় পাই এবং বাসায় চলে আসতে চাই। কিন্তু সে বাসায় আসতে দেয় না। সে আমাকে রাতের খাবার খাওয়ায় এবং নেশা জাতীয় দ্রব্য খাওয়ায়। আমি তাকে নিষেধ করলে, সে একদিন খেলে কিছু হবে না বলে জানায়। এরপর ৫ই জুলাই (মঙ্গলবার দিবাগত রাত) ১টা ৩০ মিনিটে আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। আমি চিৎকার চেচামেচি করতে থাকলে সে রাত সাড়ে ৩টায় আমার ব্যাগ রেখে আমাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। ব্যাগের মধ্যে আমার ৩টা ড্রেস, ২টা জিনস, ১টা কুর্তা, ৩টি মোবাইল, চার্জার, সিমকার্ড, মেমোরিকার্ড, নগদ ১৫ হাজার টাকা ছিল। তারপর আমি পথচারী ভদ্রলোকের সহায়তায় থানায় আসি। আসামি আমাকে ইতিপূর্বেও বিবাহের প্রলোভনে ধর্ষণ করেছে...।’
ইভানের পিতা বোরহান উদ্দিন মানবজমিনকে বলেন, কথিত ঘটনার দিন আমি বাসায় ছিলাম। তার মাও ছিল। তিনজন কাজের মেয়েও ছিল। কিন্তু আমরা ওই রাতে কেউ কিছুই জানি নি। তাছাড়া সংসদ সদস্যদের জন্য তৈরি করা ওই বাসার কক্ষগুলো এমন যে, এক কক্ষের শব্দ অন্য কক্ষে শোনা যায় না। বুধবার সকালে আমি হাঁটতে বের হই। তখন ছেলের মায়ের ও পরে পুলিশের ফোন পেয়ে বাসায় আসি। এসেই দেখি এক মেয়েকে নিয়ে পুলিশ এমন ঘটনা বলছে। আমার ছেলে অপরাধ করলে তার বিচার হোক। অপরাধ না করলে সে মুক্তি পাক। আমি তা-ই চাই। এজন্য ছেলেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিই। আমার ছেলেকে দুটি স্থানে যেতে পারে ভেবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে খোঁজতে রওনা দিই। নারায়ণগঞ্জের মাসদাইর এলাকা থেকে গতকাল বিকাল ৪টার দিকে ইভানের মা তাকে র্যাব-১ এর হাতে তুলে দিয়েছে।
জানা যায়, মুন্সিগঞ্জের এক সংসদ সদস্যের জন্য বরাদ্দ দেয়া ওই ফ্ল্যাটে বোরহান উদ্দিন ভাড়ায় ওঠেন কয়েক মাস আগে। সেই ভবন সংলগ্ন উত্তর পাশের প্লটটি বোরহান উদ্দিনের। টিনশেড প্লটটিতে তিনি ছোট ছোট বেশ কিছু পরিবার ও একটি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানকে ভাড়া দিয়েছেন। বনানীতে তার একটি দোকানও রয়েছে। ইভান তার বাবার সঙ্গে সে ব্যবসা দেখেন। পাশাপাশি নিজেরও ব্যবসা আছে। বোরহান নিজ ও ছেলের পরিবার নিয়ে কয়েক মাস আগে ১০ নম্বর সড়কের অপর বাসা থেকে ওই বাসায় ওঠেন। ইভান দুই সন্তানের জনক। তার পাঁচ বছরের ছেলে আবরান (৫) একটি স্কুলে পড়ে। তার তিন বছরের কন্যা অলিভিয়া এখনও স্কুলে যায় না। দুই সন্তানকে নিয়ে গত ঈদের দু’দিন পর স্ত্রী টুম্পা পুরান ঢাকায় বাপের বাড়ি যান। তার অনুপস্থিতিতে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে বুধবার দুই সন্তানকে নানার বাড়ি রেখে ছুটে আসেন নিজ বাসায়। পরে আবার শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে বাসা ছাড়েন।
ওই বাসার দারোয়ান মাসুদ বলেন, মঙ্গলবার মধ্যরাতের দিকে বৃষ্টি হচ্ছিল। তখন ওই মেয়ে রিকশা নিয়ে বাসার সামনে আসে। ইভান মামা তাকে রিসিভ করে। আমাদের বলেন ‘গেস্ট’ এসেছে। তারপর বাসায় নিয়ে যান। রাত সাড়ে তিনটার দিকে ওই মেয়ের চিৎকার-চেচামেচি শুনি। ইভান মামা বলে তাকে বের করে দিতে। তখন বলি, আমরা ওই মেয়েকে কীভাবে বের করে দেবো। আপনিই বের করে দেন। এরপর তিনি এসে ওই মেয়েকে ধরে জোর করে বাসা থেকে বের করে দেন।
ওই বাসার ব্যবস্থাপক শওকত আকবর বলেন, ইভান আমাকে ফোন করে সেই মেয়েকে গেটের বাইরে বের করে দিতে বলেন। তখন আমি তাকেই তা করতে বলি। শেষে তিনি এসে তাকে বের করে দেন।
বোরহানের বাসার দুই কাজের মেয়ে আসমা ও আয়েশা বলেন, ওই রাতে ১১টার দিকে খেয়ে শুয়ে পড়ি। বাসায় কোনো মেয়ে আসতে দেখিনি। সকালে পুলিশসহ ওই মেয়েকে এসে অভিযোগ করতে শুনি।
চাঞ্চল্যকর এ ঘটনায় ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য গঠিত হয় ৫ সদস্যের কমিটি। কমিটি এবং ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহামুদ বলেন, ধর্ষণের শিকার হওয়ার পর ওই তরুণী শর্ট টাইমের মধ্যে আমাদের কাছে এসেছেন। তিনি ধর্ষণের শিকার হওয়ার পর ৩৬ ঘণ্টার মতো সময় পার হয়েছে। যেহেতু ৪৮ ঘণ্টা এখনও পার হয়নি, তাই এর মধ্যে কোনো কিছু ঘটে থাকলে আমরা পজিটিভ রিপোর্ট পাবো।’
ওই বোর্ডের অন্য সদস্যরা হলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক ডা. প্রদীপ বিশ্বাস, ডা. মমতাজ আরা, ডা. রেজোয়ানা শারমিন ও ডা. কবীর সোহেল। পরীক্ষার পর কমিটির প্রধান আরো বলেন, ‘ধর্ষণের শিকার ওই তরুণীর বেশ কয়েকটি শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। বয়স নির্ধারণের জন্য এক্সরে এবং ধর্ষণের আগে তাকে নেশাজাতীয় ওষুধ খাওয়ানো হয়েছিল কি না তা জানতে ব্লাড ও ইউরিন সংগ্রহ করে মহাখালীতে অবস্থিত রাসায়নিক পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া তার ডিএনএ পরীক্ষার জন্য হাইটেজোনাল সফট সংগ্রহ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মেয়েটি আমাদের ফিজিক্যাল অ্যাসল্টের কথা বলেনি। আমরা তার শরীরেও এমন কিছু পাইনি। তবে কেমিক্যাল রিপোর্ট, রেডিওলজি রিপোর্ট এবং মাইক্রো-বাইলোজির রিপোর্ট আসার পরে ওই তরুণীর ফিজিক্যাল ফাইন্ডিংস (শারীরিক আলামত) যেগুলো পেয়েছি, সেগুলো মিলিয়ে আমরা চূড়ান্ত মতামত জানাবো। সে জন্য তিন-চার সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হবে বলে জানান তিনি।
বনানী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) সুলতানা আক্তার বলেন, মামলার পর থেকে তদন্ত চলছে। শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়েছে। এখন মামলার অন্যান্য দিকগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এর আগে গত ২৮শে মার্চ বনানীর রেইনট্রি হোটেলে জন্মদিনের দাওয়াতে ডেকে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের ছেলে শাফাত আহমেদ, শাফাতের বন্ধু নাঈম আশরাফ ওরফে আবদুল হালিমসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। বাকি তিন আসামি হলেন, শাফাতের বন্ধু সাদমান সাকিফ, গাড়িচালক বিল্লাল হোসেন ও দেহরক্ষী রহমত আলী ওরফে আজাদ। শাফাতসহ সব আসামি বর্তমানে কারাগারে। এ মামলায় ওই পাঁচজনের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে অভিযোগপত্র দেয়া হয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশে গোপনে আটক করে রাখা হয়েছে অনেককে -এইচআরডব্লিউ’র রিপোর্ট

ওই রিপোর্টে বলা হয়, ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়া এমন গুম অবিলম্বে বন্ধ করা উচিত বাংলাদেশ সরকারের। একই সঙ্গে এসব অভিযোগের দ্রুততার সঙ্গে পক্ষপাতহীন, নিরপেক্ষ তদন্ত করা উচিত। সংশ্লিষ্টদের পরিবারের কাছে এ বিষয়ে জবাব দেয়া উচিত। এরকমভাবে অধিকার লঙ্ঘনের জন্য দায়ী আইনপ্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষের সদস্যদের বিচার করারও দাবি জানানো হয়েছে ওই রিপোর্টে। ৯১ পৃষ্ঠার রিপোর্টের শিরোনাম ‘উই ডোন্ট হ্যাভ হিম’: সিক্রেট ডিটেনশনস অ্যান্ড এনফোর্সড ডিজঅ্যাপিয়ারেন্সেস ইন বাংলাদেশ’। এতে বলা হয়, শুধু ২০১৬ সালেই বাংলাদেশে গুম হয়েছেন কমপক্ষে ৯০ জন। অনেককে সিক্রেটভাবে কয়েক সপ্তাহ বা মাস আটক রাখার পর তাদেরকে আদালতে তোলা হয়েছে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ২১টি ঘটনা প্রামাণ্য হিসেবে উপস্থাপন করেছে, যেখানে বন্দিদের পরে হত্যা করা হয়েছে। ৯ জন কোথায় আছেন এখনো জানা যায় নি। এতে আরো বলা হয়েছে, ২০১৬ সালের আগস্টে বিরোধীদলীয় প্রথম সারির রাজনীতিকদের তিনজন ছেলেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। সিক্রেটভাবে আটক রাখার ৬ মাস পরে তাদের একজনকে মুক্তি দেয়া হয়েছে। তবে অন্য দুজন রয়েছেন নিখোঁজ। ২০১৭ সালের প্রথম ৫ মাসে ৪৮ জন মানুষ নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সিক্রেট কারাগারে আটক রাখার সময়ে অনেককে নির্যাতন ও অশোভন আচরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ আছে। এ বিষয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়া বিষয়ক পরিচালক ব্রাড এডামস বলেছেন, গুমের ঘটনা প্রামাণ্য এবং এ বিষয়ে রিপোর্ট হয়েছে। কিন্তু সরকার আইনের প্রতি তোয়াক্কা না করে এই চর্চা চালিয়ে যাচ্ছে। লোকজনকে আটক, তাদেরকে দোষী বা নির্দোষ সাব্যস্ত করা, তাদের শাস্তি নিশ্চিত করা এমনকি তাদের বেঁচে থাকার অধিকার আছে কিনা সে বিষয়ে দৃশ্যত মুক্তভাবে ভূমিকা রাখছে বাংলাদেশের নিরাপত্তা রক্ষাকারীরা। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ তাদের রিপোর্টে বিরোধী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ১৯ নেতাকর্মীকে গুম করে দেয়ার অব্যাহত প্রক্রিয়া প্রামাণ্য আকারে রিপোর্টে উপস্থাপন করেছে। এতে বলা হয়, ২০১৪ সালের জানুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের কয়েক সপ্তাহ আগে ঢাকার ভেতর থেকে অথবা এর আশপাশ থেকে দু’সপ্তাহে আটটি ঘটনায় আইনপ্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষ তুলে নিয়ে গেছেন ওই ১৯ জনকে। এ ঘটনাকে প্রামাণ্য আকারে তুলে ধরতে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ওইসব ব্যক্তির পরিবারের সদস্য সহ শতাধিক মানুষের সাক্ষাৎকার নিয়েছে। সেই সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে বিস্তারিত অভিযোগ ও অন্যান্য আইনি ডকুমেন্ট। এসব ঘটনায় চিঠির জবাব দিতে ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশ। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলেছে, প্রত্যক্ষদর্শী ও পরিবারের সদস্যরা বলেছেন, বেশির ভাগ ঘটনা ঘটিয়েছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) অথবা পুলিশের ডিটেক্টিভ ব্রাঞ্চ বা ডিবি। অথবা দু’পক্ষই। তাদের এমন নিয়ম ভঙ্গের দীর্ঘ ইতিহাস আছে। বিরোধী দলের ১৯ সদস্যের বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেছেন, তাদের ৮ জনকে নিয়ে গেছে র্যাব, ৬ জনকে ডিবি। বাকিদের নিয়ে গেছে নিরাপত্তা বাহিনীর অজ্ঞাত সদস্যরা। রুহুল আমিন চৌধুরী বলেছেন, তিনি দেখেছেন ২০১৩ সালের ৫ই ডিসেম্বর তার ছেলে আদনান চৌধুরীকে নিয়ে যাচ্ছে র্যাব। তিনি বলেছেন, র্যাব কথা দিয়েছিল তাকে পরের দিনই ছেড়ে দেয়া হবে। তিনি তাদের সেই কথায় বিশ্বাস করেছিলেন। রুহুল আমিন চৌধুরী বলেন, কিন্তু তারা আমার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। বিএনপির স্থানীয় পর্যায়ে সুপরিচিত একজন নেতা সিরাজুল ইসলাম সুমন। তিনি নিখোঁজ রয়েছেন ২০১৩ সালের ৪ঠা ডিসেম্বর থেকে। র্যাবের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা ব্যক্তিগতভাবে তার পরিবারের সদস্যদের কাছে স্বীকার করেছিলেন যে, সুমন ও অন্য ৫ জন তার জিম্মায় আছেন। তিনি তাদেরকে হত্যা করার নির্দেশ প্রত্যাখ্যান করার পর তাদেরকে তার কাছ থেকে নিয়ে যাওয়া হয়। ওই কর্মকর্তা মনে করছেন ওই ৬ জনকেই হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। কিন্তু এমন আটকের কথা বরাবরের মতো অস্বীকার করছে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলো। তাদের এ দাবিকে সমর্থন দিচ্ছেন সরকারি কর্মকর্তারা। কখনো কখনো বলা হচ্ছে, এসব মানুষ স্বেচ্ছায় আত্মগোপন করেছেন। আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা এসব স্বজনকে তুলে নিয়ে গেছে এমন অভিযোগ করছেন সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলো। কিন্তু পুলিশ এমন অভিযোগ অনুমোদন (এলাউ) করে না। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ তার রিপোর্টে লিখেছে, রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের অধীনে গোপন কারাগারে আটক থাকা অবস্থায় এমন মৃত্যু উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। ২০১৬ সালের ১৩ই জুলাই জামায়াতে ইসলামীর ছাত্র বিষয়ক একজন কর্মী শাহিদ আল মাহমুদকে বাসা থেকে টেনে হিঁচড়ে বের করে নেয়া হয়। এরপর তাকে একটি কালো মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের কাছে এ কথা বলেছেন তার পিতা রজব আলী। তিনি বলেছেন, তার ছেলেকে আটক করার সময় সেখানে পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তবে পরে তাদের কাছে রজব আলীর ছেলে থাকার কথা অস্বীকার করেন তারা। এর দু’সপ্তাহ পরে ১লা জুলাই পুলিশ বলে যে, তারা অপরাধীদের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধের পর শাহিদের মৃতদেহ খুঁজে পেয়েছেন। তার পিতা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের কাছে বলেন, এক্ষেত্রে পুলিশ মিথ্যা বলেছে। তার ভাষায়- ‘পুলিশ আমার ছেলেকে অপহরণ করেছে। তাকে হত্যার ঘটনাকে বৈধতা দেয়ার ক্ষেত্রে তারা বন্দুকযুদ্ধের নাটক সাজিয়েছে।’
হিউম্যান রাইটস ওয়াচ লিখেছে, যদিও ২০০৯ সালে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুমের বিষয়ে শূন্য সহনশীলতার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসেছে, তা সত্ত্বেও এসব বিদ্যমান আছে। ২০০৯ সাল থেকে কমপক্ষে ৩২০টি গুমের ঘটনা ঘটেছে বলে মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠনগুলো রিপোর্ট করেছে। এর মধ্যে রয়েছে সন্ত্রাসী কাজে লিপ্ত সন্দেহভাজন ব্যক্তি, জঙ্গি। এছাড়া রয়েছেন বিরোধীদলীয় সদস্যরাও। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ রিপোর্টে লিখেছে, এসব অভিযোগ তদন্ত করা ও যথাযথ ন্যায়বিচার, জবাবদিহিতা ও নিরাপত্তা বাহিনীতে সংস্কার নিশ্চিত করতে, বাংলাদেশ সরকারের উচিত জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনারের অফিসকে আমন্ত্রণ জানানো। পাশাপাশি বাংলাদেশ সরকারের উচিত এক্ষেত্রে জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞদের আমন্ত্রণ জানানো। এর মধ্যে থাকতে পারে ওয়ার্কিং গ্রুপ অন এনফোর্সড অর ইনভলান্টারি ডিজঅ্যাপেয়ারেন্সেস, স্পেশাল র্যাপোর্টিউর অন টর্চার। তাদেরকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানানো যেতে পারে। এবং এক্ষেত্রে তারা যেসব জায়গায় যেতে চান এবং যেসব লোকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চান তাদেরকে পূর্ণাঙ্গভাবে সেই সুবিধা দেয়া উচিত। ব্রাড এডামস বলেছেন, মানবাধিকার, মানুষের জীবন ও আইনের শাসনের প্রতি পুরোপুরি অবজ্ঞামূলক স্বভাব দেখাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। এমনকি সরকার এসব অনিয়ম প্রত্যাখ্যান করতে বিব্রতবোধ করছে না। এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক মহল থেকে যেসব কথা বলা হচ্ছে সে বিষয়ে তারা রয়েছে নীরব, নীরবতাই যেন ভর করেছে। এই নীরবতার শেষ হওয়া উচিত।
ওই রিপোর্টে প্রামাণ্য হিসেবে কয়েকটি গুমের তথ্য তুলে ধরা হয়। ২০১৬ সালের ১৮ই মার্চ তুলে নেয়া হয় আবুজর গিফারি নামে একজনকে। ২০১৬ সালের ১৩ই এপ্রিল গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয় তার। এ বিষয়ে তার পিতা নূর ইসলাম বলেছেন, ঘটনার দিন জুমার নামাজ আদায় করে মসজিদ থেকে বের হয় আমার ছেলে। এ সময় দুটি মোটরসাইকেলে করে কয়েকজন মানুষ তার দিকে অগ্রসর হয়। সে তার নাম জানানোর পর পরই তার দু’হাতে হ্যান্ডকাফ পরানো হয়। অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তাকে টেনেহিঁচড়ে একটি মোটরসাইকেলে তোলা হয়। স্থানীয় অনেকে তাদেরকে থামানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু তাদের দিকে অস্ত্র তাক করে ওইসব ব্যক্তি। পাশাপাশি এ বিষয়ে তাদেরকে হস্তক্ষেপ না করতে শাসিয়ে যায় এবং বলে যে, তারা প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করছে।
২০১৬ সালে তুলে নেয়া হয় শাহিদ আল মাহমুদকে। ওই বছরেই ১৩ই জুন দু’সপ্তাহ পরে তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। তার পিতা রজব আলী বলেন, ঘটনার দিন মধ্যরাতের সামান্য পরে দু’ব্যক্তি বাঁশে তৈরি সীমানা ভেঙে বাসার সীমানায় প্রবেশ করে। তারা শাহিদের নাম ধরে ডাকতে থাকে, যেন তারা তার রাজনৈতিক সহযোগী। আমার স্ত্রী ও আমি জেগে যাই। গেটের কাছে ছুটে যাই। দেখতে পাই ওই দু’ব্যক্তিই সিভিল পোশাকে। তাদের একজন অস্ত্র ধরে আমাদেরকে হুমকি দিচ্ছে। ফলে আমি দরজা খুলে দেই। তারা ভেতরে প্রবেশ করে। নিজের রুম থেকে শাহিদকে তারা নিয়ে যায়। তারা এ সময় শাহিদকে তার পোশাক পরিবর্তন করতে দেয়। এরপর তাকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যায় বাইরে। সেখানে একটি কালো মাইক্রোবাসে করে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আরো মানুষ উপস্থিত ছিল। তাদের অনেকের পরনে ছিল পুলিশের পোশাক।
হিউম্যান রাইটস ওয়াচ লিখেছে, ২০১৩ সালের শেষের দিকে দু’সপ্তাহ সময়ের মধ্যে ঢাকার চারপাশ থেকে আইনপ্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষ বিরোধী দলের ১৯ জন নেতাকর্মীকে তুলে নিয়ে যায়। এখনো তাদের কোনো খোঁজ মেলে নি। ২০১৬ সালের ২৬শে জানুয়ারি থেকে নিখোঁজ রয়েছেন মোয়াজ্জেম হোসেন তপু। তার ভাই মইনুল হোসেন অপু বলেন, তাৎক্ষণিকভাবে আমরা অ্যাপার্টমেন্টে ছুটে যাই। সেখানে একজন প্রহরী আমাদেরকে বলেন যে, অ্যাপার্টমেন্টের ভেতরে সাদা পোশাকে তিনজন ব্যক্তি প্রবেশ করেছিলেন এবং মধ্যরাতের দিকে আমার ভাইকে তুলে নিয়ে গেছেন। ওই প্রহরী তাদের থামানোর চেষ্টা করছে তারা নিজেদেরকে ডিবির সদস্য বলে পরিচয় দেন। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ লিখেছে, ২০১৬ সালের ৯ই আগস্ট থেকে নিখোঁজ রয়েছেন মীর আহমেদ বিন কাশেম। তার বোন তাহেরা তাসনিম বলেন, দরজা খুলে দিতেই লোকগুলো আমার ভাবীর কাছে জানতে চান- আপনার স্বামী কোথায়? এরপর আমার ভাই দরজায় যান। তখন তাকে ওইসব লোক বলেন যে, আপনাকে আমাদের সঙ্গে যেতে হবে। এ সময় আমার ভাই জানতে চান- আপনাদের পরিচয় কি জানতে পারি? আপনারা কোন্ বাহিনীর? আপনারা কি র্যাব, সিআইডি, ডিবি? এ সময় তারা তাদের পরিচয় দেয় নি। তবু কয়েকবার একই প্রশ্ন করেন আমার ভাই। ওইসব লোকের পরনে কোনো ইউনিফর্ম ছিল না। তাদের কাছে কোনো বৈধ গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও ছিল না। কিছুই নয়। তারা শুধু বলেছিল- আমাদের সঙ্গে চলুন। আমার ভাই তখন বলেন, আমি একজন আইনজীবী। আমার তো এর কারণ সম্পর্কে জানতে হবে। তখন তারা বলেছিল, আপনাকে প্রস্তুত হওয়ার জন্য আমরা ৫ মিনিট সময় দেবো। রেডি হয়ে আমাদের সঙ্গে চলুন। এ সময় আমি আমার ভাইয়ের সামনে দাঁড়ানো ছিলাম। আমি ওইসব ব্যক্তির একজনের হাত ধরে রেখেছিলাম। তিনি আমার হাত ছুড়ে ফেলে দিয়ে আমার ভাইকে আঁকড়ে ধরেন। আমরা তার পেছনে পেছনে ছুটতে থাকি। পুরো এক দ্বিধাদ্বন্দ্বের মধ্যে ছিলাম আমরা। বাইরে একটি সাদা মাইক্রোবাস ছিল। তারা তাকে এর ভেতর পুরে দিলো। তারপরই ওই গাড়িটি স্থান ত্যাগ করে। ২০১৩ সালের ৪ঠা ডিসেম্বর রাজধানীর বসুন্ধরা থেকে নিখোঁজ হন ৬ জন। সেখানকার প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেছেন, অকস্মাৎ আমরা দেখতে পাই কয়েকটি গাড়ি এগিয়ে আসছে। একাধিক গাড়ি। তবে সঠিক করে বলতে পারবো না কতগুলো। তার ভেতর কালো পোশাক পরা কিছু মানুষ ছিল। তারা গাড়ি থেকে নামলো। তাদের হাতে ছিল অস্ত্র। গাড়িতে তখনো আলো জ্বলছে। ফলে লোকগুলোকে আমি দেখতে পেয়েছি। তাদের পোশাকের রঙ দেখতে পেয়েছি। একটি গাড়িতে লেখা ছিল র্যাব-১। তাই আমি নিশ্চিত ছিলাম যে এরা নিশ্চয় র্যাবের সদস্য। কারণ, তাদের পোশাক ও গাড়িতে র্যাব-১ লেখা লোগো দেখতে পেয়েছি। ২০১৩ সালের ৬ই ডিসেম্বর থেকে নিখোঁজ নিজাম উদ্দিন মুন্না। তার পিতা শামসুদ্দিন বলেন, আমি স্থানীয় পুলিশ স্টেশনে গেলাম। ডিউটি অফিসার আমাকে বললেন, র্যাব বা আইন প্রয়োগকারী কোনো সংস্থার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করতে দেবে না তারা। ২০১৩ সালের ১২ই ডিসেম্বর থেকে নিখোঁজ সেলিম রেজা পিন্টু। তার স্ত্রী তারান্নুম নাবাস বলেন, দরজা খুলতেই তারা জানতে চায় আমার স্বামীই কি পিন্টু কিনা। জবাবে সে বলে- হ্যাঁ, আমিই পিন্টু। এরপরই দু’জন ব্যক্তি তাকে জাপটে ধরে। এ সময় পিন্টু তাদের পরিচয় জানতে চায়। জবাবে তারা বলে, তারা প্রশাসনের। পিন্টু তাদের আইডি কার্ড দেখতে চায়। তারা বলেন, কোনো সমস্যা হবে না। আপনি আমাদের কাছে নিরাপদ থাকবেন। এ সময় আমার স্বামী কোনো বাধা দেন নি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গভীর রাতে রণবীরের সঙ্গে দীপিকা

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘জঘন্য’ বিজ্ঞাপন করে সমালোচনার মুখে কেটি পেরি

‘যা, কোয়ালাদের ধাওয়া কর।’ পোষা কুকুর নাগেটকে নির্দেশ দেন পেরি। এই সংলাপে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছে পশুপ্রেমী অস্ট্রেলীয়বাসী। বিজ্ঞাপনটিকে ‘জঘন্য’ বলে আখ্যা দিচ্ছেন তাঁরা। কেননা, কোয়ালা অস্ট্রেলিয়ার বিলুপ্তপ্রায় বন্য প্রাণী। আর প্রতিবছর কুকুরের আক্রমণে আহত হয় অসংখ্য কোয়ালা। অস্ট্রেলিয়ার পশুচিকিৎসক ক্ল্যারি মেডেন ক্ষিপ্ত হয়ে চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন কেটি পেরিকে। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘কেটি পেরি, আমি আপনাকে চ্যালেঞ্জ করছি। আসুন, একটা দিন আমার সঙ্গে কাটান এবং হাতে–কলমে জানুন, কেন আপনার মন্তব্যটি সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া উচিত না।’ তিনি আরও লেখেন, ‘আসুন, আমার সঙ্গে দেখা করে যান। আপনি শিগগিরই জানতে পারবেন, আমাদের কোয়ালা কতটা আদরের ও মূল্যবান এবং আপনার মন্তব্য কতটা অগ্রহণযোগ্য।’
তাঁর এই মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঝড় তোলে। নজরে আসে মেয়ারের। এরপর মেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বিজ্ঞাপনে পরিবর্তন আনার। তাতে খুশি হন ক্ল্যারি। তবে বলেন, ‘আমি এখনো অবাক হচ্ছি কী করে বিপণন বিভাগ এই মন্তব্য বিজ্ঞাপনে প্রচার হতে দিল। এটা নিছক অবহেলা।’
দ্য কুরিয়ার মেইল
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1372)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
-
▼
2017
(8870)
-
▼
July
(892)
-
▼
Jul 07
(17)
- ত্বকে হঠাৎ চুলকানি
- নেটদুনিয়া কাঁপাচ্ছে দীপিকার ফটোশুট
- করমর্দনের জন্য হাত বাড়ালেন ট্রাম্প, প্রত্যাখ্যান প...
- বৃটেনে শাসক দলের চেয়ে ৮ পয়েন্টে এগিয়ে লেবার পার্টি
- আপত্তি নেই...
- যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্ব হারানোর সূচনা! by গার্ডিয়ান
- এদেশের এরা এবং ওদেশের ওরা by মশিউর রহমান তৌহিদ
- যৌনতায় আগ্রহ হারাচ্ছেন জাপানের যুবক-যুবতীরা
- ভারত নিয়ে বিতর্কে পাকিস্তানি উপস্থাপিকা বীণা
- যৌন হয়রানি প্রসঙ্গে ইলিয়ানা
- বলিউডে কম স্বীকৃতি পান অক্ষয়
- ‘আজীবন অভিনয় নয়, বড় ক্যারিয়ার গড়তে চাই’
- রিক্তার ‘আলতাবানু’
- মুখ খুললে ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখায় ধর্ষক
- বাংলাদেশে গোপনে আটক করে রাখা হয়েছে অনেককে -এইচআরডব...
- গভীর রাতে রণবীরের সঙ্গে দীপিকা
- ‘জঘন্য’ বিজ্ঞাপন করে সমালোচনার মুখে কেটি পেরি
-
▼
Jul 07
(17)
-
▼
July
(892)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...