Friday, March 16, 2018
খালেদার দীর্ঘ যাত্রা by সাজেদুল হক

সে যাই হোক গত কয়েকদিনে বেশ কয়েকবার ‘বিস্ময়ের’ মুখোমুখি হয়েছেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। প্রথমবার তারা বিস্মিত হন যখন হাইকোর্ট জানায়, নথি দেখে জামিন আবেদনের ব্যাপারে আদেশ দেয়া হবে। এ ধরনের আদেশের জন্য তারা প্রস্তুত ছিলেন না। পরে অবশ্য হাইকোর্ট জামিন দিলে তাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে। বিএনপির আইনজীবীদের কেউ কেউ আশা করেছিলেন, হাইকোর্ট জামিন আবেদন মঞ্জুর করার পর শিগগিরই খালেদা জিয়া মুক্তি পাবেন। কিন্তু দ্রুতই তাদের সে ভুল ভাঙে। যখন জামিন মঞ্জুরের দিনই কুমিল্লার একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তবে তাদের জন্য আরো বিস্ময় অপেক্ষা করেছিল। যখন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ খালেদা জিয়ার জামিন স্থগিত করে দেয় তখন আক্ষরিক অর্থেই হতবাক হয়ে পড়েন তার আইনজীবীরা। শুনানির সুযোগ না পাওয়ায় এজলাস কক্ষেই তারা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
এখন খালেদা জিয়ার জন্য কী অপেক্ষা করছে? জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় তার জামিনের বিরুদ্ধে দুদক ও সরকারের লিভ টু আপিলের ওপর আপিল বিভাগে শুনানির দিন ধার্য রয়েছে রোববার। এ মামলায় আপিল বিভাগ কী সিদ্ধান্ত দেয় তার ওপর নির্ভর করছে বহু কিছু। তবে এ মামলায় জামিন বহাল থাকলেও সহসাই তার কারামুক্তি ঘটছে না। কারণ, কুমিল্লার সহিংসতার মামলায় তাকে জামিন পেতে হবে। ২৮শে মার্চ কুমিল্লার আদালতে ওই মামলার শুনানির কথা রয়েছে। এছাড়া, আরো অন্তত পাঁচটি মামলা রয়েছে যেসব মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হতে পারে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, কারাগারে খালেদা জিয়ার পথ বেশ দীর্ঘ।
ঢাকার একজন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়টি আইনি নয়, বরং রাজনৈতিক। রাজনীতির গতিপথই ঠিক করবে শেষ পর্যন্ত তিনি কোথায় থাকবেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিজ্ঞানে স্টিফেন উইলিয়াম হকিংয়ের আগ্রহ ছিল সহজাত

মহান বিজ্ঞানী গ্যালিলিও গ্যালিলাই-এর মৃত্যুর ঠিক তিনশত বছর পরে, ১৯৪২ সালের ৮ই জানুয়ারি স্টিভেন হকিংয়ের জন্ম, অক্সফোর্ডে। হকিংয়ের পিতা ড. ফ্রাঙ্ক হকিং একজন জীববিজ্ঞান গবেষক ও মা ইসাবেল হকিং একজন রাজনৈতিক কর্মী। হকিংয়ের বাবা-মা উত্তর লন্ডনে থাকতেন। লন্ডনে তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দামামা বাজছে। হকিং গর্ভে আসার পর নিরাপত্তার খাতিরে তারা অক্সফোর্ডে চলে যান। হকিংয়ের জন্মের পর তারা আবার লল্ডনে ফিরে আসেন। ফিলিপ্পা ও মেরি নামে হকিংয়ের দুই বোন রয়েছে। এছাড়া হকিং পরিবারে এডওয়ার্ড নামে এক পালকপুত্রও ছিল। হকিংয়ের বাবা-মা পূর্ব লন্ডনে বসবাস করলেও ইসাবেল গর্ভবতী থাকার সময় তারা অক্সফোর্ডে চলে যান। সে সময় জার্মানরা নিয়মিতভাবে লন্ডনে বোমাবর্ষণ করতো। হকিংয়ের একটি প্রকাশনা থেকে জানা গেছে, তাদের বসতবাড়ির কয়েকটি গলি পরেই জার্মানির ভি-২ মিসাইল আঘাত হানে।
স্টিফেনের জন্মের পর তারা আবার লন্ডনে ফিরে আসেন। সেখানে স্টিফেনের পিতা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর মেডিক্যাল রিসার্চের প্যারাসাইটোলজি বিভাগের প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৫০ সালে হকিংদের পরিবার হার্টফোর্ডশায়ারের সেন্ট অ্যালবাতে চলে যান। ১৯৫০ থেকে ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত হকিং সেন্ট অ্যালবার মেয়েদের স্কুলে পড়েন। সে সময় ১০ বছর বয়স পর্যন্ত ছেলেরা মেয়েদের স্কুলে পড়তে পারতো। পরে সেখান থেকে ছেলেদের স্কুলে চলে যান। স্কুলে তার রেজাল্ট ভালো ছিল বটে তবে অসাধারণ ছিল না। স্কুলের শিক্ষকদের মধ্যে গণিত শিক্ষক ডিকরান তাহতার অনুপ্রেরণার কথা হকিং পরবর্তী জীবনে স্মরণ করেন। পরবর্তী সময়ে হকিং স্কুলের সঙ্গে তার সম্পর্ক বজায় রাখেন। নিজের নামে স্কুলের চারটি হাউসের একটি ও সহপাঠের লেকচার সিরিজের নাম দেন। স্কুল ম্যাগাজিন “দি অ্যালবানিয়ান”-এ দীর্ঘ সাক্ষাৎকার দেন।
বিজ্ঞানে হকিংয়ের সহজাত আগ্রহ ছিল। হকিংয়ের পিতার ইচ্ছে ছিল হকিং যেন তার মতো ডাক্তার হন। কিন্তু হকিং গণিত পড়ার জন্য অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনিভার্সিটি কলেজে ভর্তি হন। কিন্তু যেহেতু সেখানে গণিতের কোর্স পড়ানো হতো না, সেজন্য হকিং পদার্থবিজ্ঞান বিষয় নিয়ে পড়া শুরু করেন। সে সময়ে তার আগ্রহের বিষয় ছিল তাপগতিবিদ্যা, আপেক্ষিকতা এবং কোয়ান্টাম বলবিদ্যা।
তত্ত্বীয় পদার্থবিজ্ঞানে ক্যারিয়ার
কেমব্রিজে আসার পরপরই হকিং মটর নিউরন ডিজিজে আক্রান্ত হন। এ কারণে তার প্রায় সকল মাংসপেশী ধীরে ধীরে অবশ হয়ে আসে। কেমব্রিজে প্রথম দুইবছর তার কাজ তেমন বৈশিষ্ট্যপূর্ণ ছিল না। কিন্তু, রোগের প্রকোপ কিছুটা থামলে, হকিং তার সুপারভাইজার ডেনিশ উইলিয়াম শিয়ামার সাহায্য নিয়ে পিএইচডি অভিসন্দর্ভের কাজে এগিয়ে যান। ১৯৭৪ সালে হকিং রয়েল সোসাইটির অন্যতম কনিষ্ঠ ফেলো নির্বাচিত হন।
গবেষণার ক্ষেত্রসমূহ
তত্ত্বীয় কসমোলজি আর কোয়ান্টাম মধ্যাকর্ষ হকিংয়ের প্রধান গবেষণা ক্ষেত্র। ১৯৬০ এর দশকে ক্যামব্রিজের বন্ধু ও সহকর্মী রজার পেনরোজের সঙ্গে মিলে আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতার তত্ত্ব থেকে একটি নতুন মডেল তৈরি করেন হকিং। সেই মডেলের উপর ভিত্তি করে ১৯৭০ এর দশকে হকিং প্রথম তাদের (পেনরোজ-হকিং তত্ত্ব নামে পরিচিত) তত্ত্বের প্রথমটি প্রমাণ করেন। এই তত্ত্বগুলো প্রথমবারের মতো কোয়ান্টাম মহাকর্ষে এককত্বের পর্যাপ্ত শর্তসমূহ পূরণ করে। আগে যেমনটি ভাবা হতো এককত্ব কেবল একটি গাণিতিক বিষয়। এই তত্ত্বের পর প্রথম বোঝা গেল, এককত্বের বীজ লুকোনো ছিল আপেক্ষিকতার সাধারণ তত্ত্বে।
১৯৮৫ সালে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসেন হকিং। ১৯৮৫ সালের গ্রীষ্মে জেনেভার CERN এ অবস্থানকালে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। চিকিৎসকরাও তার কষ্ট দেখে একসময় লাইফ সাপোর্ট সিস্টেম বন্ধ করে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন ৷ সম্প্রতি হকিংয়ের জীবন নিয়ে তৈরি হয়েছে এক তথ্যচিত্র। সেখানেই এই তথ্য জানিয়েছেন হকিং। তিনি বলেছেন, ‘নিউমোনিয়ার ধকল আমি সহ্য করতে পারি নি, কোমায় চলে গিয়েছিলাম। তবে চিকিৎসকরা শেষ অবধি চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছিলেন , হাল ছাড়েননি।’ কিন্তু চেষ্টা সত্ত্বেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিতে চিকিৎসকরা হকিংয়ের স্ত্রী জেনকেও লাইফ সাপোর্ট সিস্টেম বন্ধ করে দেওয়ার কথা জানান। তবে সে প্রস্তাবে অবশ্য রাজি হন নি জেন। পাঁচ দশক ধরে মোটর নিউরোনের ব্যাধির শিকার জগৎখ্যাত এই পদার্থবিদ। বিশেষজ্ঞদের মত, এই রোগে আক্রান্তরা বড়জোর বছর পাঁচেক বাঁচেন। তথ্যচিত্রে তুলে ধরা হয়েছে রোগের সঙ্গে হকিংয়ের লড়াইয়ের কাহিনি। বেঁচে থাকার জন্য হকিংয়ের আর্তিও ফিরে এসেছে বারে বারে ৷
গত দু’দশকের সঙ্গী জেন বলেছেন, ‘হকিংয়ের এই ব্যাধি আমাদের ব্যক্তিজীবনের ব্ল্যাকহোল। যে গহ্বরে বাঁচার আশা হয়ত তলিয়ে যেতে পারত অনেক আগেই। কিন্তু সম্পর্কে আস্থা আর পরস্পরের প্রতি অগাধ ভালোবাসা তলিয়ে যেতে দেয় নি।’ তথ্যচিত্রে কর্মজীবনের চেয়ে হকিংয়ের ব্যক্তিজীবনকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ায় বিজ্ঞানীদের একাংশ অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, বিজ্ঞানে অবদান ছাড়া হকিংয়ের জীবনকে দেখানো মানে তাকেই গুরুত্বহীন করে তোলা। তবে তথ্যচিত্রে এমন কিছু তথ্যও পরিবেশিত হয়েছে, যা হকিংয়ের একটা অদেখা দিক আমাদের সামনে তুলে ধরে।
একটা পুরানো বাজিতে পরাজয়
১৯৯৭ সালে ব্ল্যাকহোল বা কৃষ্ণ গহ্বরের বিষয়ে বাজি ধরেছিলেন স্টিফেন হকিং। বাজিতে তার পক্ষে ছিলেন আর এক পদার্থবিজ্ঞানী কিপ থ্রোন এবং অন্য পক্ষে ছিলেন জন প্রেসকিল। পদার্থবিজ্ঞানের ইতিহাসে এই বাজি Thorne–Hawking–Preskill bet নামে পরিচিত। প্রফেসর হকিং এবং থ্রোন যুক্তি দেখালেন যে, যেহেতু সাধারণ আপেক্ষবাদ অনুসারে ব্ল্যাকহোল বা কৃষ্ণ গহ্বর তার ইভেন্ট হরাইজনের ভেতরের কোনো কিছুই বাইরে আসতে দেয় না, এমনকি সেখান থেকে আলো পর্যন্ত বের হতে পারে না সেহেতু হকিং বিকিরণের মাধ্যমে বস্তুর ভর-শক্তির যে তথ্য পাওয়া যায় তা কোনো ক্রমেই ব্ল্যাকহোলের ভেতরের তথ্য নয়, তা নতুন, এবং যেহেতু এটি আবার Quantum Mechanics এর সাথে সাংঘর্ষিক সেহেতু Quantum Mechanics নতুন করে লেখা প্রয়োজন। অপরপক্ষে জন প্রেসকিল যুক্তি দেখালেন , যেহেতু Quantum Mechanics বলে যে, এই তথ্য ব্ল্যাক হোল দ্বারা উৎসারিত এমন তথ্য যা ব্ল্যাকহোলের প্রথম দিককার কোনো অবস্থা নির্দেশ করে এবং সেহেতু সাধারণ আপেক্ষবাদ দ্বারা নির্ণীত ব্ল্যাকহোলের চলতি ধারণায় পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। দীর্ঘদিন পরে ২০০৪ সালে হকিং স্বীকার করেন যে, তিনি বাজিতে হেরেছেন এবং মন্তব্য করেন যে, ব্ল্যাকহোলের উচিত তার দিগন্ত ভেঙে তথ্য নির্গমন করা এবং এটা করার জন্য তিনি মজা করে জন প্রেসকিলকে বেসবল সম্পর্কিত একটি সম্পূর্ণ বিশ্বকোষ উপহার দিয়েছিলেন যা প্রেসকিলের কাছে হকিংয়ের মতে ব্ল্যাকহোল থেকে পাওয়া তথাকথিত তথ্যের মত অকাজের ঈঙ্গিতবহ। তবে কিপ থ্রোন পরাজয় মানেন নি এবং বাজিতে তার অংশের পুরস্কার দিতে রাজি হন নি।
কম্পিউটার simulation এর মাধ্যমে দেখা গেছে যে পঞ্চম বা ততোধিকমুখী একধরনের চিকন বৃত্তাকৃতির ব্ল্যাকহোল কালক্রমে তার বৃত্তের ওপর অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ব্ল্যাকহোলের জন্ম দিচ্ছে যার ফলে আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষবাদ ভেঙে পড়েছে। event Hori“on এর বাইরে অবস্থিত ব্ল্যাকহোলের এ ধরণের উপসর্গ খুবই গুরুত্বপূর্ণ , কেননা বাইরে থেকে তা পর্যবেক্ষণ করা যাবে। ধর্ম বিশ্বাস
নিজের বই বা বক্তৃতায় নানা প্রসঙ্গে হকিং ‘ঈশ্বর’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন। তার স্ত্রীসহ অনেকে তাকে একজন নাস্তিক হিসাবে বর্ণনা করলেও হকিং নিজে মনে করেন তিনি ‘সাধারণ অর্থে ধার্মিক নন’ এবং তিনি বিশ্বাস করেন ‘দুনিয়া বিজ্ঞানের নিয়ম মেনেই চলে। এমন হতে পারে নিয়মগুলো ঈশ্বর সৃষ্টি করেছেন। কিন্তু তিনি নিয়মের ব্যত্যয় ঘটানোর জন্য কখনো হস্তক্ষেপ করেন না’।
সম্মাননা
২০০৭ সালের ১৯ ডিসেম্বর কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্ত্বীয় কসমোলজি কেন্দ্রে হকিংয়ের একটি মূর্তি স্থাপন করা হয়। প্রয়াত শিল্পী আয়ান ওয়াল্টার এটি তৈরি করেন। ২০০৮ সালের মে মাসে হকিংয়ের আর একটি আবক্ষ মূর্তি উন্মোচন করা হয় দক্ষিণ আফ্রিকার কেপ টাউনে অবস্থিত আফ্রিকান ইনস্টিটিউট অব ম্যাথমেটিক্যাল সায়েন্সের সামনে। মধ্য আমেরিকার দেশ এল সালভাদর তাদের রাজধানী সান সালভাদরে বিজ্ঞান জাদুঘরটির নাম হকিংয়ের নামে রেখেছে।
(উইকিপিডিয়া অবলম্বনে)
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যৌনতার বিনিময়ে খাদ্য: সিরিয়ার আলেপ্পোতে ত্রাণকর্মীদের নির্যাতনের শিকার নারীরা

যুদ্ধ শুরুর পূর্বে সিরিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম এই শহরে প্রায় ১৫ লাখ মানুষ বসবাস করতো। আর বর্তমানে শহরটিতে ১ থেকে ৩ লাখ মানুষ রয়েছে। সিরিয়ার মানবাধিকার বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, গত দুই বছরে আলেপ্পোর প্রতি ৫টি পরিবারের মধ্যে দু’টি পরিবারেই নারীরা পুরো পরিবারের জীবিকা নির্বাহ করেছে। এখানে ‘জীবিকানির্বাহক’ শব্দটির ব্যবহার বিভ্রান্তিকর। কেননা ত্রাণ সংস্থাগুলোর সহায়তা ছাড়া এসব নারীর কোনো রোজগার বা কর্মক্ষেত্র ছিল না। ত্রাণ সংস্থাগুলো তাদেরকে কাপড় ও খাবার সরবরাহ করতো। বেশির ভাগ পরিবারেই বিদ্যুৎ ও বিশুদ্ধ পানি নেই। জেনারেটর মালিকদের থেকে চড়া দামে বিদ্যুৎ কিনতে হয় তাদের। দোকান থেকে পানিও কিনতে হয় চড়া দামে।
কিছু পরিবার সৌভাগ্যবান যে তাদের পরিবারে সিরিয়ার সেনাবাহিনীতে কর্মরত সদস্য রয়েছে। অনিয়মিত হলেও তারা সেখান থেকে কিছু পারিশ্রমিক পায়। শহরে বসবাসকারী তরুণরা সপ্তাহে সর্বোচ্চ ১০ ডলার রোজগার করে। একজন নারী বলেন, এই অর্থে চা, চিনি ও রুটির খরচই হয় না। দুধ তো সেখানে বিলাসিতা। ছয় সন্তানের অভিভাবক এক নারী জানান, তার সন্তানদের মধ্যে কয়েকজন পুনরায় স্কুলে যাওয়া শুরু করেছে। ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবনের কয়েকটি কক্ষ সংস্কার করে স্কুলের পাঠদান চলছে। আরেকটি সমস্যা হলো, যুদ্ধের সময়ে জন্ম নেয়া শিশুরা কোথাও নিবন্ধিত হয়নি। কেন না এই সময়ে সরকারি কর্মকর্তারা অবসরে ছিলেন। নিবন্ধিত না হওয়ায় সেসব শিশুরা কিন্ডারগার্টেনে ভর্তি হতে পারছে না। এমন প্রত্যেক শিশুর নিবন্ধনের জন্য কর্তৃপক্ষ ৭ ডলার (৫৮০.৬০ টাকা) দাবি করছে। এ ছাড়া নিবন্ধনের জন্য সরকারি অফিসে যাতায়াতের জন্যও প্রায় ২২ সেন্ট (১৮.২৫ টাকা) খরচ হয়। আলেপ্পোর নারীদের কাছে এই অর্থ অনেক বড় বিষয়।
ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রে গেলে পতিতা মনে করা হতো
এদিকে, আলেপ্পোতে বিধবা মায়েরা তুলনামূলক ভালো পরিস্থিতিতে রয়েছেন। কেননা ত্রাণ সংস্থাগুলোর কাছ থেকে ত্রাণ নেয়ার জন্য অনেককে নিজেদের শরীর বিক্রি করতে হচ্ছে। ত্রাণ সংস্থাগুলো স্থানীয় কর্মীদের দিয়ে ত্রাণ বিতরণ করেছে। আর এরা খাদ্যের বিনিময়ে নারীদের থেকে যৌন সুবিধা নিচ্ছে। এমন ঘটনার শিকার এক নারী বলেন, এক সংগঠনের কর্মকর্তা তাকে অস্থায়ী বিয়ে করার প্রস্তাব দেয়। এর বিনিময়ে তাকে নিয়মিত খাদ্য সরবরাহ করার অঙ্গীকার করে। ওই নারী যখন প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন, তখন তাকে আর ত্রাণ না দেয়ার কথা বলা হয়। আরো কয়েকজন নারী বলেন ধর্ষণ, হয়রানি ও অপমানের ভয়ে তারা ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্র এড়িয়ে চলতেন। এক নারী বলেন, ত্রাণের বিনিময়ে যৌন হয়রানির ঘটনা এতই বৃদ্ধি পেয়েছিল যে, কোনো নারী ত্রাণ বিতরণকেন্দ্রে গেলে তাকে পতিতা মনে করা হতো। এই ভয়ে নারীরা বিতরণকেন্দ্র এড়িয়ে চলতো।
জাতিসংঘের বৈশ্বিক সংকট ও দুর্যোগ বিষয়ক সেন্টার রিলিফ ওয়েব ‘ভয়েস ফ্রম সিরিয়া’ নামক একটি বিস্তারিত গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এই প্রতিবেদনে সিরিয়ায় নারীদের যৌন হয়রানি ও নির্যাতনের বর্ণনা দেয়া হয়েছে। ১৫৮ পৃষ্ঠার ওই প্রতিবেদন দেশটির বিভিন্ন স্থাপনা ও শরণার্থী শিবিরগুলোতে নারী, কিশোরী ও আরো কম বয়সী মেয়েদের ওপর যৌন হামলা, নির্যাতন ও হয়রানির বিবরণ দিয়ে ভর্তি। আলেপ্পোর নারী, মেয়েদের জন্য সবচেয়ে অনিরাপদ জায়গা হচ্ছে ওই স্থাপনা ও শিবিরগুলো। অর্থ ছাড়া সহায়তা পাওয়ার ঘটনা খুবই বিরল। বেশির ভাগ সময় ত্রাণ বা সহায়তা দেয়া হয় অর্থ বা যৌন সেবার বিনিময়ে। দামেস্কের নিকটবর্তী গ্রাম কাফর বাতনা’র এক নারীর দেয় সাক্ষ্য অনুসারে, একবেলা খাবার পাওয়ার বদলে কখনো অল্পসময়ের জন্য বিয়ে করতে হয়। দু’টি দাতব্য সংস্থা স্বীকার করেছে, তারা এরকম ঘটনার বিষয়ে অবগত। তারা জানিয়েছে, এরকম কর্মকা-ের সঙ্গে জড়িত ত্রাণকর্মীদের তারা বরখাস্ত করে দিয়েছে। আলেপ্পোর নারীরা ত্রাণ প্যাকেজগুলোর ওপর নির্ভর করে জীবন যাপন করছে। অনেক নারী এরকম নির্যাতনের স্বীকার হলেও সে বিষয়ে অভিযোগ করে না। এক্ষেত্রে সমাজের চোখে কলঙ্কিত হওয়ার ভয়ও কাজ করে।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ব্যর্থতা
এতসব সত্ত্বেও এই অসহায় নারীদের দুর্দশার মাত্রা, সিরিয়ার সরকারি বাহিনীর হাতে বন্দি নারীদের দুর্দশার চেয়ে অপেক্ষাকৃত কম। আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে সিরিয়ান নেটওয়ার্ক ফর হিউম্যান রাইটস এর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ওইসব বন্দি নারীদের পরিস্থিতি কিছুটা তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনটিতে, সরকারি বাহিনীর হাতে এইসব নারীদের যৌন নির্যাতনের শিকার হওয়ার ৭ হাজার ৬৯৯টি ঘটনার কথা উল্লেখ করা হয়। এর মধ্যে ৮৬৪টি ঘটনা ঘটে ২০০৮ থেকে ২০১১ সালে-সরকারি বন্দিশালায়। এ ছাড়া, মিলিশিয়া যোদ্ধা, আইএস ও অপরাধী চক্রের হাতে নির্যাতিত হওয়ার হাজার হাজার ঘটনাতো রয়েছেই। প্রতিবেদনটিতে উত্তরাঞ্চলের কুর্দি শাসিত অঞ্চলগুলোরও ব্যাপক সমালোচনা করা হয়। বলা হয়, নারীদের ও মেয়েদের কুর্দি যোদ্ধাদের বাহিনীতে যোগ দেয়ার জন্য বাধ্য করা হয়েছে।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়-নিঃসন্দেহে সবচেয়ে নিকৃষ্টতম বিষয়টি হচ্ছে, যেভাবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সিরীয় নারীদের হতাশ করেছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় স¤পূর্ণভাবে ওই নারীদের মৌলিক অধিকারগুলো রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে। যেমন, জীবনের অধিকার, বাসস্থানের অধিকার, নির্যাতন বন্ধ করা ও বন্দি নারীদের মুক্ত করা। এই নারীদের জন্য আন্তর্জাতিক নারী দিবস হচ্ছে আরো নির্যাতন। কেননা এই দিনটি ‘বেঁচে থাকার জন্য অবিরাম সংগ্রামরত এই নারীদেরকে তাদের ও পশ্চিমা নারীদের পরিস্থিতির মধ্যকার পার্থক্যটা আবারো মনে করিয়ে দেয়।
(হারেৎস’এ প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে)
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কৃষ্ণগহ্বর অত কালো নয়, তিনিই বলেছিলেন by বিকাশ সিংহ

ওঁর চরিত্রের মধ্যে একটা দুষ্টু বালকের প্রবণতা ছিল, নেপথ্যে উনি বলে উঠলেন, “ইটস বেটার দ্যান সেক্স।” কিন্তু হকিং রেডিয়েশন এতই ক্ষীণ, যে সেটা হাতে কলমে আজও আবিষ্কার হয়ে ওঠেনি এবং সেই জন্যই স্টিফেন নোবেল প্রাইজ পাননি। নোবেলের উইলে পরিষ্কার লেখা আছে যে, পদার্থবিদ্যার আবিষ্কার যদি পরীক্ষা নিরীক্ষায় প্রমাণ করা যায়, তা হলেই তাঁকে প্রাইজ দেওয়া হবে।
এই আবিষ্কারের বেশ কয়েক বছর আগেই আইনস্টাইনের ‘জেনারেল থিওরি অব রিলেটিভিটি’ সমীকরণ সমাধান করে আবিষ্কার হয়েছিল ‘পেনরোজ হকিং সিঙ্গুলারিটি’, যেখানে না আছে ‘স্থান’ না আছে ‘কাল’, কেবল মাত্র বিন্দু।কেমব্রিজে ছাত্র অবস্থায় তখন আমি, স্টিফেন হকিংয়ের আবির্ভাব হল অক্সফোর্ড থেকে, পরনে স্টাইলের জামাকাপড়, বো টাই, কর্ডুরয় প্যান্টুলুন আর কোট, অনেকটা চিত্রতারকার মতো। কিন্তু এই মানুষটির মধ্যে যে এক যুগান্তকারী প্রতিভার মশাল জ্বলছে সেটা আমরা, ছাত্ররা অন্তত বুঝতে পারিনি। উনি তখন অধ্যাপক সিয়ামার সঙ্গে গবেষণা করতেন। অধ্যাপক সিয়ামা আমাদের অঙ্ক পড়াতেন। নিপুণ শিক্ষক, প্রাঞ্জল ভাষা। তখন কিন্তু ব্যক্তিগত ভাবে আমি স্টিফেনকে ওপর ওপরই চিনতাম। হৃদ্যতা বা অন্তরঙ্গতার কোনও সুযোগ হয়নি।১৯৭৪ সালে আমি তখন ক্যাল টেকে, কয়েক মাসের জন্য গিয়েছিলাম, দেশে ফিরে আসার আগে। সেখানে দুই তারকার বাস। এক জন রিচার্ড ফাইনম্যান, আর এক জন মারে গেল ম্যাল। দু’জনেই জগতপ্রসিদ্ধ, তবে ফাইনম্যানের নামডাক অনেক বেশি। সুপুরুষ, জ্বলজ্বলে চোখ, বোর্ডে চক দিয়ে পড়াতেন। তাঁরই অতিথি ছিলেন স্টিফেন হকিং। তখন থেকেই হুইল চেয়ারে। একটি চৌখস যুবক (ছাত্র) ঠেলে ঠেলে নিয়ে যেত। যত দূর মনে আছে, অধ্যাপক কিপ থর্নের আহ্বানে স্টিফেন ক্যালিফোর্নিয়ার ক্যাল টেকে (প্যাসাডিনা) এসেছিলেন। তখনই স্টিফেন হকিংয়ের সঙ্গে ভাল করে আলাপ হয়। কথাবার্তা চেষ্টা করে বোঝা যেত তখন। মনে রাখবেন সেটা ১৯৭৪ সাল, স্টিফেন হকিংয়ের কৃষ্ণগহ্বরের বিকিরণ তখনও পদার্থবিদ্যার জগতকে কাঁপাচ্ছে।
তারপর বহু দিন দেখা হয়নি। শেষ দেখা হয়েছিল ওই ডিপার্টমেন্ট অব অ্যাপ্লায়েড ম্যাথামেটিক্স এবং থিওরিটিক্যাল ফিজিক্সের উত্সবের সন্ধ্যায় নৈশভোজ উপলক্ষে কেমব্রিজের কিঙ্গস কলেজে। ভোজের শেষে ওঁর টেবিলের কাছে সাহস করে গেছিলুম। টেবিলের শেষের দিকে হুইল চেয়ারে আধ শোয়া। কথা বলতে পারতেন না, চোখের ইশারা থেকে কম্পিউটার বুঝতে পারত কী বলার চেষ্টা করছেন। খুব ধীরে ১৯৭৪ সালের কথাটা তুললাম। অনেক ক্ষণ চেষ্টা করে বোঝাবার চেষ্টা করলেন— “সে তো বহু কাল আগে।” বেরিয়ে এসে খোলা আকাশের তলায় আমার একটি ভাবনা এল মনে। এই বিরাট আবিষ্কারের সঙ্গে ‘কাল’-এর কি কোনও সম্পর্ক আছে? মনটা একটু আচ্ছন্নই হল বটে।
আর একটি বিরাট এবং কঠিন কাজ স্টিফেন হকিং করেছিলেন। সেটা হল ওই বইটি লেখা— ‘দ্য ব্রিফ হিস্ট্রি অব টাইম’। সময়ের তো আদিও নেই, অন্তও নেই। তা হলে ‘ব্রিফ’ কেন? আমার মনে হয়, উনি বোঝাবার চেষ্টা করছেন যে, অনন্ত কালের মতো আমাদের জীবিত কাল তো ক্ষণস্থায়ীই।
যেটুকু জেনেছি বা বুঝেছি, তাতে এই মনে হয়, আজকে, যে এই কঠিন রোগকে জয় করে জ্ঞানের ভান্ডারে যে ওঁর দান, সেটা আজ থেকে বহু বছর পরেও ম্লান হবে না। যেমন হবে না নিউটন, আইনস্টাইনের মতো বহু মহা চিন্তাশীল মানুষগুলির। স্টিফেন হকিংয়ের স্মৃতিতে শ্রদ্ধা জানানোর সব চেয়ে উপযুক্ত কাজ হবে এই ‘দ্য ব্রিফ হিস্ট্রি অব টাইম’ পড়া। কেবল বইয়ের আলমারিতে সাজিয়ে রাখলে চলবে না।
(লেখক আইএনএসএ-র এমেরিটাস বিজ্ঞানী, ডিপার্টমেন্ট অব অ্যাটমিক এনার্জির প্রাক্তন হোমি ভাবা অধ্যাপক, সাহা ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার ফিজিক্স অ্যান্ড ভ্যারিয়েবল এনার্জি সাইক্লোট্রন সেন্টারের প্রাক্তন অধিকর্তা)
সূত্রঃ আনন্দবাজার পত্রিকা
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তিনি মানবজাতিকে বিজ্ঞানের নতুন স্তরে নিয়ে গেছেন by ড. আলী আসগর

পদার্থবিজ্ঞানী
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্টিভেন হকিং দেখিয়েছিলন শারীরিক প্রতিবন্ধকতা কোন সমস্যা নয়

একদিকে তাঁর ছিল অসাধারণ মেধা এবং অন্যদিকে ছিল অচল দেহ।
তাঁর বয়স যখন ২২ বছর তখন তিনি বিরল মোটর নিউরন রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন।
শরীরের যেসব শীরা মাংসপেশিকে নিয়ন্ত্রণ করে সেগুলো ধীরে-ধীরে অকেজো হয়ে যেতে থাকে।
ফলে তিনি তাঁর নিজের দেহের কাছে বন্দি হয়ে পড়েন। কিন্তু মি: হকিং-এর চিন্তার জগত ছিল অবারিত। হুইল চেয়ার বসে এবং কৃত্রিম কণ্ঠে কথা বলে মি: হকিং পৌঁছে যান তাঁর চিন্তার সর্বোচ্চ শিখরে।
শারীরিক প্রতিবন্ধীদের নিয়ে যে ধারণা প্রচলিত আছে সে বিষয়টি কি মি: হকিং বদলে দিয়েছিলেন?
হেনরি ফ্রেসার নামে একজন লিখেছেন, " মি: হকিং ছিলেন শারীরিক প্রতিবন্ধী কিংবা সক্ষম - সবার জন্যই এক সত্যিকারের অনুপ্রেরণা। তিনি ছিলেন এমন অসাধারণ প্রতিভাবান ব্যক্তি যিনি অসাধ্য সাধন করেছেন।"
অধ্যাপক হকিং-এর ছাত্র অধ্যাপক পল শেরার্ড মনে করেন, তিনি অন্য যে কারো চেয়ে বেশি কিছু করে দেখিয়েছেন।
মি: হকিং প্রমাণ করেছেন মানুষের চেষ্টার কোন সীমা-পরিসীমা থাকে না।
মি: হকিং যে কাজ করতে পারবেন বলে মনে করতেন সেটিকে তার তীক্ষ দৃষ্টি থাকতো।
এ কারণেই তিনি সবার কাছে অনুকরণীয় হয়ে উঠেছিলেন বলে উল্লেখ করেন মি: হকিং-এর ছাত্র অধ্যাপক শেরার্ড।
মোটর নিউরন রোগ নিয়ে সচেতনতা গড়ে তুলেছিলেন মি: হকিং।
শারীরিক প্রতিবন্ধকতা নিয়ে যে ধারনা প্রচলিত আছে সেটিকে বদলে দিয়েছে মি: হকিং-এর জীবন।
ডাক্তাররা যা ধারণা করেছিলেন, মি: হকিং তার চেয়ে প্রায় ৫০ বছর বেশি বেঁচে ছিলেন।
সাধারণত মোটর নিউরন রোগে যারা আক্রান্ত হয় তারা দ্রুত মারা যায়।
একজন তাত্ত্বিক পদার্থবিদ হিসেবে মি: হকিং -এর মন ছিল তাঁর গবেষণাগার।
তবে একটা প্রশ্ন থেকে যায়।
অক্সফোর্ড থেকে স্নাতক হওয়ার পর শারীরিক প্রতিবন্ধী না হয়ে মি: হকিং যদি জন্মগত-ভাবে শারীরিক প্রতিবন্ধী হতেন তাহলে কী হতো?
বর্তমানে শারীরিকভাবে যারা প্রতিবন্ধী নয়, তারা যে সংখ্যায় বেকার আছে তার চেয়ে দ্বিগুণ সংখ্যায় বেকার হচ্ছে শারীরিক প্রতিবন্ধীরা।
যারা শারীরিক প্রতিবন্ধী তাদের প্রতি অধ্যাপক হকিং-এর পরামর্শ ছিল - যেটা অর্জন করা যাবে সেটিকেই দৃষ্টি দাও।
নিউইয়র্ক টাইমসের সাথে এক সাক্ষাৎকারে অধ্যাপক হকিং বলেছিলেন, "যারা শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী তাদের প্রতি আমার উপদেশ হলো, তুমি এমন কাজের প্রতি দৃষ্টি দাও যেখানে ভালো করতে হলে শারীরিক প্রতিবন্ধকতা কোন প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবে না। মানসিক দিক থেকে তুমি কখনো প্রতিবন্ধী হবে না।"
সূত্রঃ বিবিসি
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অষ্টম বছরে সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ

অভ্যুথানের নেপথ্যে: ২০১১ সালে বিভিন্ন আরব দেশে সফল কয়েকটি অভ্যুথানের ঘটনা একসঙ্গে আরব বসন্ত নামে পরিচিত। এসব অভ্যুথানে পতন হয়েছিল তিউনিশিয়া ও মিশরের প্রেসিডেন্টের। সিরিয়ায় তখন স্বাধীনতার অভাব ও অর্থনৈতিক মন্দা বেশ প্রকট আকার ধারণ করেছিল। তিউনিশিয়া ও মিশরে প্রতিবাদকারীদের সফলতা সিরিয়ার গণতন্ত্রপন্থি কর্মীদের আশা জুগিয়েছিল। ওই বছরের মার্চ মাসে সিরিয়ায় শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ শুরু হয়। এর সূত্রপাত ঘটে, ১৫ বালককে আরব বসন্তের পক্ষে ‘গ্রাফিতি’ আকার দায়ে গ্রেপ্তার ও নির্যাতন করার পর। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে এক ১৩ বয়সী বালকও ছিল। সিরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর ডেরায় তাকে নির্মমভাবে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়। সিরিয়া সরকার হাজার হাজার প্রতিবাদকারীকে হত্যা করে। বন্দি করা হয় অনেককে। জুলাই মাসে গঠিত হয় বিদ্রোহী দল ফ্রি সিরিয়ান আর্মি। সামরিক বাহিনীর মধ্যে যারা অভ্যুথানের সমর্থনে ছিলেন তারাই এই বিদ্রোহী দলের নেতৃত্ব দেন। শুরু হয় গৃহযুদ্ধ।
আন্তর্জাতিক সমপ্রদায়ের অংশগ্রহণ: সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপ তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ২০১৫ সালে এই যুদ্ধে আসাদ সরকারের পক্ষ হয়ে অংশ নেয় রাশিয়া। এছাড়া ইরান, লেবাননের হিজবুল্লাহও আসাদকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে আসাদ-বিরোধী বিদ্রোহীদের সমর্থন করছে তুরস্ক, কাতার ও সৌদি আরব। ২০১৬ সাল থেকে সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন নিয়ে আইএস ও কুর্দি মিলিশিয়ার বিরুদ্ধে হামলা চালাচ্ছে তুরস্ক। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র আসাদ-বিরোধী দলকে অস্ত্র সরবরাহ করেছে। এছাড়া, হিজবুল্লাহকে টার্গেট করে সিরিয়ায় বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইল।
যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া: যুক্তরাষ্ট্র বেশ কয়েকবার তাদের আসাদ সরকার বিরোধী অবস্থানের কথা নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে রাশিয়া আসাদ সরকারের প্রতি নিজেদের সমর্থনের বিষয়টিও বেশ কয়েকবার সপষ্টভাবে বুঝিয়ে দিয়েছে রাশিয়া। বারাক ওবামার প্রশাসন সিরিয়া সরকারকে সতর্ক করে বলেছিল, যুদ্ধে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার হবে চূড়ান্ত সীমা অতিক্রম করা। অবশ্য সিরিয়ায় আসাদ বাহিনীর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র প্রথম সরাসরি হামলা চালায় গত বছরের এপ্রিলে। খান শেইখুনে এক রাসায়নিক হামলা চালানোর জবাবে যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়ার এক সামরিক ঘাঁটিতে ৫৯টি টোমাহক ক্রুজ মিসাইল দিয়ে হামলা চালায়। ২০১৩ সালে সিআইএ আসাদ-বিরোধী বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য একটি প্রোগ্রাম খুলে। তবে পরবর্তীতে তা বন্ধ করে দেয়া হয়। অন্যদিকে, সিরিয়ায় আইএস, আসাদ-বিরোধী বিদ্রোহী দলের ওপর হামলা চালানোসহ সরকারি বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতেও সরাসরি ভূমিকা রেখেছে রাশিয়া।
বিদ্রোহী গোষ্ঠী: সংঘাত শুরু হওয়ার পর সিরিয়ায় বেশ কয়েকটি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর আবির্ভাব ঘটেছে। এর মধ্যে প্রথমেই আছে দ্য ফ্রি সিরিয়ান আর্মি। যুক্তরাষ্ট্র, তুরস্ক ও কয়েকটি উপসাগরীয় দেশ সমর্থিত সামরিক বাহিনীর সাবেক সশস্ত্র ও বেসামরিক নাগরিক নিয়ে গঠিত একটি দল। ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে সরকারি বাহিনী বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক জয়লাভ করে। আলেপ্পো পুনর্দখল করে। তারপর থেকে সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের খুব অল্প সংখ্যক জায়গাতেই প্রভাব রয়েছে ফ্রি সিরিয়ান আর্মির। এই বছরের শুরু থেকে দলটি তুরস্কের সঙ্গে মিলে আফরিন দখল অভিযানে কুর্দি মিলিশিয়াদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে। এছাড়া আইএসসহ অন্যান্য বিভিন্ন দলের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- জাবহাত ফতেহ আল-শাম, ইরানসমর্থিত হিজবুল্লাহ ও দ্য সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেস।
বর্তমান পরিস্থিতি: বর্তমানে সিরিয়ায় লড়াই চলছে প্রধানত দু’টি জায়গায়- ইস্টার্ন ঘৌটা ও আফরিন। এই বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে রুশ যুদ্ধ বিমানসমর্থিত সিরিয়ার সরকারি বাহিনী ইস্টার্ন ঘৌটায় নতুন করে তীব্র আকারে বোমা হামলা চালানো শুরু করে। এতে নিহত হয় হাজারেরও বেশি বেসামরিক নাগরিক। এই অঞ্চলটিই বিদ্রহীদের সর্বশেষ প্রধান ঘাঁটি। অন্যদিকে আফরিনে কুর্দিশ পিপল’স প্রটেকশন ইউনিটস’র বিরুদ্ধে লড়াই করছে তুরস্ক ও দ্য ফ্রি সিরিয়ান আর্মি।
সিরীয় শরণার্থী: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর লম্বা সময় অতিক্রান্ত হয়েছে। সিরিয়ার যুদ্ধ সীমান্ত অতিক্রম করে বাইরেও প্রভাব ফেলছে। সিরিয়ার বহু নাগরিক নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে নিজেদের ঘরবাড়ি ত্যাগ করেছে। তারা সিরিয়ার অভ্যন্তরে বা বাইরে কোনো নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নিয়েছে। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর-এর তথ্য অনুযায়ী, সিরিয়ায় ৫৫ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। ২০১৭ সালে প্রায় ৬৬ হাজার শরণার্থী সিরিয়ায় ফিরে গেছে। সিরিয়ার বেশির ভাগ অঞ্চল ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং এর অধিবাসীরা স্থানান্তরিত হয়েছে। তাই একটি বিষয় মোটামুটি নিশ্চিত, তা হলো যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে সিরিয়া পুনঃনির্মাণ সময়সাপেক্ষ ও জটিল বিষয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঐতিহাসিক ‘মসজিদে খায়েফ’ যেখানে সত্তরজন নবী সমাহিত হয়েছেন

বিশাল মসজিদটি কঙ্কর নিক্ষেপ করতে আসা হাজিদের মনে করিয়ে দেয় ইতিহাসের অনেক ঘটনাকে।
বৃহদাকার মসজিদের উচুঁ মিনারগুলো বেশ দূর থেকে পাহাড়ের চূড়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। বর্ণিত আছে, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) এই মসজিদে নামাজ আদায় করছেন এবং বলেছেন, এখানে সত্তরজন নবী সমাহিত হয়েছেন। নবী করিম (সা.) বিদায় হজে মসজিদে খায়েফে নামাজ পড়েছেন। এই মসজিদের অনেক ফজিলত হাদিস ও ইতিহাসের গ্রন্থসমূহে উল্লেখ আছে।
পাহাড়ের চেয়ে নিচু এবং সমূদ্রপৃষ্ঠ থেকে উঁচু স্থানকে আরবি পরিভাষায় খায়েফ বলা হয়। আবার দুই পাহাড়ের মধ্যবর্তী উপত্যকাসম ভূমিকেও খায়েফ বলে আরবরা।
অপরদিকে, খায়েফ মসজিদ হচ্ছে মক্কার কাফেরদের বিরুদ্ধে মুসলমানদের বিজয়ের এক স্মৃতিচিহ্ন। ইতিহাসে এসেছে, পঞ্চম হিজরিতে ইহুদিদের প্ররোচনায় মক্কার কাফেররা মদিনায় হামলা করার সিদ্ধান্ত নেয়। এ লক্ষ্যে তারা কিছু আরব গোত্রের সঙ্গে সন্ধি চুক্তি করে। এই সন্ধি চুক্তি করার জন্য মক্কার কাফেররা যে স্থানটি বেছে নেয় পরে সেখানেই খায়েফ মসজিদ নির্মিত হয়। মূলত মুসলমানদের বিরুদ্ধে কাফের গোত্রগুলোর ঐক্যের ব্যর্থতার নিদর্শন হিসেবে মসজিদটি দাঁড়িয়ে প্রতিনিয়ত ঘোষণা করছে, ইসলামের বিজয়গাঁথা ইতিহাসকে।
হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) খায়েফ মসজিদের যে জায়গায় দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করেছিলেন ওসমানিয় শাসনামলে সেখানে একটি বড় গম্বুজ ও মেহরাব তৈরি করা হয়।এখন অবশ্য সেটি আর নেই। ঐতিহাসিক বর্ণনায় এসেছে, ২৪০ হিজরিতে এক প্রলয়ঙ্করী বন্যায় খায়েফ মসজিদ ধসে পড়ে।
তবে বন্যা শেষ হওয়ার পরপরই মসজিদটি আবার নির্মাণ করা হয় এবং এর চারপাশে বন্যা প্রতিরোধ ব্যবস্থাও গড়ে তোলা হয়। সে সময় এই মসজিদের দৈর্ঘ্য ছিল ১২০ মিটার এবং প্রস্ত ছিল ৫৫ মিটার। সে হিসাবে এটি ছিল ওই সময় আরব অঞ্চলের সবচেয়ে বড় মসজিদ। এমনকি তখন মসজিদে হারামের চেয়েও বড় ছিল এই মসজিদের আয়তন।
৮৭৪ হিজরিতে মিসরের মামলুকি সুলতান কাইতবা এই মসজিদ পুননির্মাণ করেন। মসজিদের ওই স্থাপনাটি কয়েক দশক আগ পযন্ত বিদ্যমান ছিল। এখন থেকে তিন দশক আগে ১৪০৭ হিজরিতে এই মসজিদ পরিবধন ও পুননির্মাণের এক বিশাল পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মসজিদের আয়তন আগের চেয়ে চারগুণ বাড়িয়ে প্রায় ২৫ হাজার বর্গমিটার করা হয়। খায়েফ মসজিদে এখন ৩০ হাজার মুসল্লি একত্রে নামাজ আদায় করতে পারেন। মসজিদের চারকোণায় অবস্থিত চারটি সুউচ্চ মিনার মসজিদটিকে দান করেছে অপার সৌন্দর্য।
হজের মৌসুমে মিনায় শয়তানের প্রতীকী স্তম্ভে পাথর নিক্ষেপের সময়টাতে মসজিদটি মুসল্লিদের প্রচুর ভিড় দেখা যায়। মসজিদের সামনে স্থাপিত সাইনবোডে বেশ ৭টি ভাষায় লেখা রয়েছে মসজিদের নাম। সেখানে বাংলাতেও লেখা আছে- আল খায়েফ মসজিদ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সফল ব্যক্তিরা যে ১২টি কাজ করেন

সফল মানুষরা কিন্তু কেবল জন্মসূত্রে কিংবা ভাগ্যবলে সফল নন। সাফল্যের পেছনে থাকে বিস্তর পরিশ্রম, ত্যাগ, অধ্যবসায় ও ঝুঁকি গ্রহণের গল্প। বিশ্বখ্যাত ফোর্বস ম্যাগাজিনে সফল ব্যক্তিদের মধ্যে পরিলক্ষিত ১২টি কমন বা সাধারণ গুণাবলির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সাফল্যের জন্য ক্ষুধার্ত? তাহলে নিচের তালিকাটি পড়ে নিতে পারেন। সফল ব্যক্তিরা সাধারণত-
১. সাহসিকতার সঙ্গে ব্যর্থ হন: ব্যর্থতা আসবেই। তা আপনি যতই গুণান্বিত হন না কেন। সফল মানুষরা এই সহজ সত্যটাকে মেনে নেন। তারা ব্যর্থতার ভেতর দিয়েই সাফল্যের অন্বেষণ চালিয়ে যান। যখন সাধারণ মানুষ হাল ছেড়ে দেন, তখনও তারা চেষ্টা চালিয়ে যান। একই ব্যর্থতার বৃত্তে জড়ান না বারবার । জীবন থেকে শিক্ষা নেন।
২. লক্ষ্য নির্ধারণ করেন: কেবলমাত্র ‘লং টার্ম’ গোল বা লক্ষ্য নয়, সফল ব্যক্তিরা সচেতন হন ‘শর্ট টার্ম’ বা প্রাত্যহিক লক্ষ্য অর্জনে। প্রতিদিনকার বিন্দু বিন্দু জমিয়ে তারা তৈরি করে নিতে জানেন সিন্ধু।
৩. শুধুমাত্র ভাগ্যে বিশ্বাসী হন না: সাফল্য কদাচিৎ ভাগ্যের দান। যদিও সাফল্যে ভাগ্যের সহায়তা দরকার পড়ে। তবে একনিষ্ঠতা, শ্রম আর ঘামের মূল্যেই মূলত সাফল্য অর্জন করে নিতে হয়। অনেক সময় ভাগ্য বিরূপ হতেই পারে। তবে পরিশ্রম দিয়ে তা অতিক্রম করে ছিনিয়ে আনা যায় সাফল্য। সফলরা তা-ই করেন।
৪. পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখেন: সচেতন পর্যবেক্ষণ সার্বিক পরিস্থিতির পরিষ্কার চিত্র তুলে ধরে। কোথায় কি ঘাটতি, তা পুরনে কি যা করণীয়; যা করণীয় তার সঠিক বাস্তবায়ন হচ্ছে কিনা এই সব কিছু বুঝতে পারা যায় সচেতন পর্যবেক্ষণে।
৫. কাজে দেরি করেন না: সফল ব্যক্তিরা যে সব প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানেন, এমনটা নয়। তবে তারা যে কোনো প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পেতে সিদ্ধান্ত গ্রহণে তৎপর হন। ভয়ে কিংবা নিশ্চয়তার চিন্তায় পিছু হটেন না।
৬. দৃষ্টিপাত করেন সামগ্রিক চিত্রে: শুধু অতীত, বর্তমান বা ভবিষ্যৎ নয়, সফল ব্যক্তিরা চোখ রাখেন সার্বিক পরিস্থিতিতে। দেখতে চেষ্টা করেন সামগ্রিক ফলাফল। অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ- এই তিনকে এক সুতোয় গেঁথে তৈরি করেন সাফল্যের বরমাল্য।
৭. নিজের প্রতি আস্থা রাখেন: সফল ব্যক্তিরা নিজের প্রতি আস্থাশীল হন। নিজের শক্তি এবং দুর্বলতার ব্যাপারে ওয়াকিবহাল হন। নিজেকে দিয়ে কি সম্ভব আর কি সম্ভব না এ ব্যাপারে স্বচ্ছ ধারণা থাকায় তারা সুসিদ্ধান্ত নিতে পারেন বেশিরভাগ সময়।
৮. নিবেদিত হন: লক্ষ্যের প্রতি আত্মনিয়োগ ব্যতীত সাফল্য অর্জন কঠিন। সবচেয়ে সফল মানুষেরা সবচেয়ে নিবেদিত-ও হন।
৯. সাবধানতা অবলম্বন করেন: সফল হতে হলে সাবধানতা প্রয়োজন। চোখ কান খোলা রেখে চারপাশের পরিবেশ বোঝার চেষ্টা না করার মানে হলো- সুযোগ হাতছাড়া করা। সফল ব্যক্তিরা সাবধানতার সঙ্গে শোনেন, ভাবেন ও বোঝেন।
১০. হাল ছাড়েন না: সফল ব্যক্তিরা হাল ছাড়েন না। তারা কি ব্যর্থ হন? অবশ্যই। তবে ব্যর্থতা এলেই তাদের জীবনীশক্তি ফুরিয়ে যায় না। প্রতিকূলতার মধ্যেও কাজ চালিয়ে যান।
১১. যোগাযোগে তুখোড় হন: সফল ব্যক্তিরা শাণিত যোগাযোগ দক্ষতার অধিকারী হন। সহজেই মানুষকে বুঝতে এবং বোঝাতে পারেন। সমঝোতায় পটু হন। বাচনভঙ্গিতে হন আত্মবিশ্বাসী।
১২. বিনয়ী হন: সাফল্যের সঙ্গে সঙ্গে অহঙ্কার চলে আসা ভালো না। অনেক সফল ব্যক্তির মধ্যে অহঙ্কারের ছিটেফোঁটাও দেখা যায় না। তারা নিজের সীমাবদ্ধতা বোঝেন। বোঝেন অন্যেরটাও। ক্ষমা চাইতে জানেন। করতেও জানেন।
সফলতার খোঁজে বিভোর হলে-
উপরোক্ত অভ্যাসগুলো চর্চা করুন।
সফলতা আপনাকে খুঁজে নিবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্টিফেন হকিংয়ের পূর্বাভাস: ২০০ বছরের মধ্যে পৃথিবী ছাড়তে হবে মানুষকে, নাহলে বিলুপ্তি ঘটবে

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিনা সুতায় নেটওয়ার্ক

কীভাবে মাথায় এলো গ্রাম-পাঠাগার আন্দোলনের চিন্তা? আবদুস ছাত্তার খান বলেন, ২০০৬ সালে সাতজন মিলে শুরু করি অর্জুনা অন্বেষা পাঠাগারের কার্যক্রম। পরে যোগ দেন আরো অনেকে। এরই মাঝে আসে বর্ষা মৌসুম। শুরু হয় যমুনার ভাঙন। নদীভাঙনে তলিয়ে যায় অনেকের জমিজমা ও সহায়সম্বল। আমরা তাদের সহায়তার উদ্যোগ নেই। পাঠাগারের সদস্যরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তালিকা করেন। সংগৃহীত সাহায্য টাকার পরিমাণে ছিল পঞ্চান্ন হাজার। আমরা ভেবে বের করি যদি প্রতি পরিবারকে ৫০০ টাকা করে দিই তাহলে ১১০টি পরিবারকে সহযোগিতা করতে পারবো এবং এ টাকা তাদের কাজেও আসবে। যেমন তখন বাজারদর অনুযায়ী ৩০০ টাকায় ৫ কেজি জালা (ধানের চারা) পাওয়া যেত। যা থেকে ৮-১০ মণ ধান পাওয়া যাবে। চার সদস্যের একটি পরিবার- যা দিয়ে অনায়াসে এক মাস চালিয়ে নিতে পারবে। বাকি ২০০ টাকা সার ও জমি পরিচর্যার কাজে লাগবে। আমাদের কঠিন শর্ত ছিল এ টাকা দিয়ে অবশ্যই কৃষিকাজ করতে হবে। ফসল ওঠার পরে কৃষক নিজেরাই জানান, তারা গড়ে ১০ মণ করে ধান পেয়েছেন। ধান থেকে যে খড় হয়েছিল তার মূল্যই হবে প্রায় ৫০০ টাকা। ২০০৭ সালে সিডর আঘাত হানে বিস্তীর্ণ দক্ষিণ অঞ্চলে। এ সময় ত্রাণ সংগ্রহ করে বিতরণ করতে গিয়ে অনুধাবন করি যে, যদি ওই এলাকায় আমাদের পাঠাগারের মতো একটা সংগঠন থাকতো আর তাদের সঙ্গে যদি আমাদের যোগাযোগ থাকতো তাহলে এই সামান্য কটা জিনিসই এই বিপদের দিনে কত না কাজে আসতো। আমাদের এই ভাবনা শেয়ার করি ঢাকার র্যামন পাবলিকেশনের রাজন ভাইয়ের সঙ্গে। তিনি আমাদের আশ্বাস দেন। বলেন, পাঠাগার করতে যত বই লাগবে নিয়ে যাবেন। লজ্জা করবেন না। পরে আমরা লেগে যাই নানা জায়গায় পাঠাগার দেয়ার কাজে। কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, চাঁদপুর, নাটোর, বদলগাছী, মধুপুর, সখিপুর, ভূঞাপুরসহ নানা জায়গায় আমাদের প্রচেষ্টায় গড়ে উঠতে থাকে পাঠাগার। বিছিন্নভাবে যে পাঠাগারগুলো গড়ে উঠছে, আমরা তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে থাকি। যূথবদ্ধভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য একটি নাম নিই ‘গ্রাম-পাঠাগার আন্দোলন’। গ্রাম-পাঠাগার আন্দোলনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী? উত্তরে বলেন, আমরা স্বপ্ন দেখি গ্রামে গ্রামে পাঠাগার স্থাপনের মধ্যদিয়ে বিনা সুতায় একটা নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে, আপদে-বিপদে একজন আরেকজনের পাশে দাঁড়াতে, নিজেদের ইতিহাস-সংস্কৃতি রক্ষায় ভূমিকা রাখতে। ২০২১ সালের মধ্যে প্রতিটি উপজেলার কোনো না কোনো গ্রামে আর ২০২৬ সালের মধ্যে প্রতিটি ইউনিয়নের কোনো না কোনো গ্রামে একটি করে পাঠাগার স্থাপিত হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যৌন উত্তেজক হালুয়া খেয়ে দুই যুবকের মৃত্যু

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হাত ও কব্জি নিয়ে শঙ্কায় মিন্নত আলী by ওয়েছ খছরু

উপস্থিত লোকজন জানিয়েছেন, মিন্নতের বাম হাতের কব্জি পুরোটা কেটে যায়। শুধুমাত্র একটু চামড়া লাগানো ছিল। কব্জি তার হাত থেকে ঝুলছিলো। এরপর তাকে আরো কয়েকটি ছেদ দেয়া হয়। তার ডানহাত সহ শরীরের বিভিন্ন অংশ জখমপ্রাপ্ত হয়। পরে কয়েকটি গুলি ছোড়া হলে হাত ও পায়ে লাগে। মিন্নতের বড় বোন তাসলিমা বেগম মানবজমিনকে জানিয়েছেন, ঘটনার সময় তিনি চিৎকার শুনে ছুটে আসেন এলাকায়। এসে দেখেন তার ভাই মিন্নত গড়াগড়ি খাচ্ছে। আর সাব্বির ও মামুন তার লোকজন নিয়ে অস্ত্র হাতে দাঁড়িয়ে আছে। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে মিন্নতকে উদ্ধার করে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তাসলিমা জানান, সেখানে ডাক্তাররা প্রথমে মিন্নতকে সমঝে নেননি। তাকে রাতেই পাঠিয়ে দেন ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে। সেখানে ডাক্তাররা বুধবার তার হাতে অস্ত্রোপচার করেন। তারা হাত সেলাই করে ব্যান্ডেজ করে দিয়েছে। এরপর তাকে পাঠিয়ে দেয়া হয় সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। বৃহস্পতিবার ভোররাতে মিন্নতকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৩য় তলার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ২ নম্বর বেডে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি থাকা মিন্নত আলী জানিয়েছেন, তিনি ঘটনার কিছুই জানতেন না। অথচ তার ওপর হঠাৎ করে হামলার ঘটনা ঘটে। তিনি প্রায় ২৪ ঘণ্টার মতো অজ্ঞান ছিলেন। এরপর অস্ত্রোপচারের পর তার জ্ঞান ফিরে। এখনো ডাক্তাররা তার কব্জি টিকবে কিনা তার নিশ্চয়তা দেননি। তিনি বলেন, হামলাকারীদের হাতে ধারালো অস্ত্র ছাড়া বন্দুক ছিল। সেই বন্দুক দিয়ে তারা গুলিও ছুড়েছে। সিলেটের শাহপরান থানা পুলিশ জানিয়েছে, মিন্নতের ওপর হামলার ঘটনায় এখনো কেউ মামলা নিয়ে আসেনি। এজাহার পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মিন্নতের বোন তাসলিমা জানিয়েছেন, তার ভাইকে নিয়ে তারা ঢাকা ও সিলেটে দৌড়াদৌড়িতে ব্যস্ত ছিলেন। এখন তিনি মামলার এজাহার নিয়ে থানায় যাবেন। সাব্বির ও মামুনসহ তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করবেন। সিলেটের উপশহর এখন পরিণত হয়েছে অন্যতম ক্রাইম জোনে। ছাত্রলীগ ও যুবলীগের দুটি গ্রুপ একাধিক উপ-গ্রুপের আড্ডাস্থল উপশহর। ফলে সন্ধ্যা হলেই উপশহরের বাসিন্দারা থাকেন আতঙ্কে। কয়েক মাস আগে উপশহরের রোজভিউ হোটেলের সামনে আরেক ছাত্রলীগ নেতা শাহীনের হাত কর্তন করা হয়েছিল। ওই ছাত্রলীগ নেতাও এখন হাত হারিয়ে নির্বাক। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন উপশহরে অস্ত্রবাজি চলছে। পুলিশও তাদের কাছে অসহায় হয়ে পড়েছে। প্রায় সময় গুলিবিনিময়ের ঘটনা ঘটলেও অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। অথচ ওই উপশহর হচ্ছে সিলেটের অভিজাত এলাকা। এখানে প্রবাসীদের বাসা বাড়ি বেশি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তেরেসা মে-পুতিন মুখোমুখি : কূটনৈতিক বহিষ্কারের পাল্টাপাল্টি হুমকি

খবরে বলা হয়, বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে সোমবার গুপ্তচর স্ক্রিপালকে বিষপ্রয়োগের পেছনে রাশিয়া জড়িত থাকার কথা বলেন। পাশাপাশি স্থানীয় সময় মঙ্গলবার মধ্যরাতের মধ্যে মস্কোকে এই ঘটনার গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা দিতে সময় বেঁধে দেন। তিনি হুমকি দিয়েছিলেন, অন্যথায় রাশিয়ার বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়া হবে। আল জাজিরার এক খবরে বলা হয়, ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য রুশ রাষ্ট্রদূতকে তলব করা হয়েছিল। তবে সেই তলব উপেক্ষা করেছে রুশ দূতাবাস। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা না পাওয়ায়, যুক্তরাজ্যে নিয়োজিত ২৩ রুশ কূটনীতিককে বহিষ্কার করা হয়েছে। তাদেরকে এক সপ্তাহের মধ্যে যুক্তরাজ্য ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
রুশ কূটনীতিক বহিষ্কারের বিষয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শীতল যুদ্ধের পরে সবচেয়ে বড় সংখ্যায় কূটনীতিক বহিষ্কারের ঘটনা এটি। তবে রাশিয়ার বিরুদ্ধে আরো পদক্ষেপ নেয়া হতে পারে বলেও জানিয়েছেন মে। তিনি বলেছেন, রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সম্পদগুলো জব্দ করা হতে পারে, যেসব প্রতিষ্ঠান নিরাপত্তার জন্য হুমকি হবে। যারা রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড চালাবে তাদের বিরুদ্ধে নতুন আইন হবে। এ ছাড়া আর কয়েকদিন পরে রাশিয়ায় অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপ ফুটবলে বৃটেনের উপস্থিতির সম্ভাবনা কম বলেও তিনি ঘোষণা দেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রাশিয়ার কাছ থেকে বিষপ্রয়োগ নিয়ে যথাযথ জবাব না পাওয়ায় বুধবার পার্লামেন্টে দেয়া বক্তব্যে তেরেসা মে বলেন, তাদের যে প্রতিক্রিয়া তাতে পুরোপুরি তাদের জড়িত থাকার বিষয়টি ফুটে উঠেছে। তারা সেনাবাহিনীর জন্য প্রস্তুত নার্ভ এজেন্ট ইউরোপে ছড়িয়ে দিচ্ছে ব্যঙ্গ, ঘৃণা ছড়াতে ও দ্বন্দ্ব সৃষ্টির জন্য। তাই এর একটিই উপসংহার। তা হলো স্ক্রিপাল ও তার মেয়েকে হত্যার চেষ্টায় ছিল রাষ্ট্র হিসেবে রাশিয়া। এতে প্রমাণ করে বৃটেনের বিরুদ্ধে রাশিয়া অন্যায়ভাবে শক্তি প্রয়োগ করছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিয়ানীবাজারে জয়িতাদের অন্ধকার অতীত by মিলাদ জয়নুল

বিয়ানীবাজার উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকতার কার্যালয় এবার তিন নারীকে জয়িতা পুরস্কারে ভূষিত করেছে। এখন ওই তিন নারীর প্রত্যেকেই স্বাবলম্বী। চরম অর্থসংকটেও স্নাতক পর্যন্ত লেখাপড়া চালিয়ে নিয়ে এখন শিক্ষিকা পেশায় সম্পৃক্ত হয়েছেন শাহজাদী খালেদা আক্তার, পরকীয়ায় আসক্ত স্বামী তালাক দেয়ার পর ঘুরে দাঁড়ানো মরিয়ম বেগম এবং কন্যাদায়ের চাপ কমাতে স্বামীকে না দেখিয়ে বিয়ে দেয়া হেলনা বেগম জানিয়েছেন তাদের পিছনের গল্প।
শাহজাদী খালেদা আক্তার জানান, মুক্তিযুদ্ধের পরের বছর জন্ম হয় তার। উপজেলার দুবাগ ইউনিয়নের বাঙ্গালহুদা গ্রামের পিতা মৃত আবু ইউসুফ সিদ্দিকী ছিলেন সামান্য বেতনের সরকারি কর্মচারী। জন্মের পর অভাবের সঙ্গে সংগ্রাম করে বেঁচে থাকা শাহজাদী খালেদা নিজের মানসিক জোরে স্নাতক পর্যন্ত লেখাপড়া করেন। মাত্র ১০৫০ টাকা বেতন স্কেলে সহকারী শিক্ষক পদে চাকরি নেন তিনি। অসুস্থতায় কাবু হয়ে মা রহিমা খাতুন মারা যান। অসুস্থ পিতা, ছোট ৩ বোন, ২ ভাই নিয়ে সামনের পথে ছুটে চলেন শাহজাদী খালেদা। প্রাইভেট টিউশনি পড়ানোর পাশাপাশি হাঁস-মুরগির খামার প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। আর এতে ধীরে ধীরে সচ্ছলতা আসতে থাকে তার। নিজের আয়ে ৩ বোনকে বিয়ে দেন, ২ ভাইকে প্রবাসে পাঠান খালেদা। বর্তমানে তিনি কাকরদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা।
মরিয়ম বেগম জানান, মাথিউরা ইউনিয়নের নিজগ্রাম মিনারাইয়ের পাশে পুরুষপালে বিয়ে হয় মরিয়ম বেগমের। তাদের দুই সন্তানের জন্মের পর প্রবাসী দেবরকে বেশ ঘটা করে বিয়ে দেন তিনি। বিয়ের পর দেবর চলে যান ফের প্রবাসে। এই সুযোগে স্বামী ছোট ভাইয়ের বউয়ের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। ২০০১সালে এই পরকীয়ার জের ধরে স্বামী তাকে তালাক দেন। দুই সন্তান নিয়ে মরিয়ম চলে আসেন বাপের বাড়ি। ৬ ভাই বোনের সংসারে খেটে খাওয়া শুরু করেন। পিতা ফয়জুর রহমানের আর্থিক অবস্থাও ভালো ছিল না। বিপথগামী স্বামীর দেয়া মোহরানার টাকায় কয়েকটি হাঁস-মুরগি কিনেন। বাড়ির পাশে পুকুরে মাছ চাষ করেন। আর এভাবে তার হাতে আসতে থাকে পরিশ্রমের উপার্জন। বড় ছেলে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করার পর নিজের উপার্জিত টাকায় দুবাইতে পাঠান মরিয়ম বেগম। ছোট ছেলে বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজের স্নাতক শ্রেণিতে লেখাপড়া করে।
হেলনা বেগম জানান, অভাবী পিতা মনোহর আলীর মাথা থেকে কন্যাদায়ের চাপ কমাতে বিয়ে দেয়া হয় তাঁকে। বিয়ে অনুষ্ঠানের আগে একনজরও স্বামী জামিল আহমদকে দেখেননি তিনি। এখন ওই স্বামীকে অটোরিকশা কিনে দিয়েছেন হেলনা। আরেকটি অটোরিকশা ভাড়ায় চালায় চালক। দু’টি অটোরিকশাই হেলনের নিজের আয়ে কেনা। অথচ বিয়ের পর একটি ঝুপড়ি ঘরে তাকে নিয়ে রাখা হয়। সেখানে কেটেছে বহুদিন। শাশুড়ি-জা’র সংসারে সকল কাজ নিজেই করতে হয় তার। সংসারের দৈনন্দিন কাজ শেষে ভাত জুটত না হেলনা বেগমের। ভাত খেতে বসলে জা নিজে এসে তরকারি বেটে দিতেন। একপর্যায়ে বেকার স্বামীকে আলাদা করে দেন শাশুড়ি ও জা। তখন দিন বদলানোর প্রতিজ্ঞা করেন হেলনা বেগম। এখন ওই নারী মাথিউরা ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত ওয়ার্ডের সদস্য। সন্তানদের নিজে পড়ান। তার স্বামীর বাড়ি দুধবকসি গ্রামে। পুরণো বিভীষিকা মুছে ফেলে নতুন উদ্যমে জীবন শুরু করা এ নারী ‘জয়িতা’র স্বীকৃতি পেয়েছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সরজমিন: বিহারি ক্যাম্প by এনা হাসান

জেনেভা ক্যাম্পের সরু রাস্তা দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করলে চোখে পড়বে একটার সঙ্গে একটা লাগানো শ’ খানেক ঘর। যাতে বাস করছে প্রায় ৪০ হাজার মানুষ। এদের মধ্যে ৫৫০০ পরিবারই বড় পরিবার। ক্যামেপর ভেতরে প্রবেশ পথে কিছুক্ষণ পরে পরেই ময়লা আবর্জনার স্তূপ। নোংরা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পরিবারের ছয়-আট জন মিলে এক রুমেই থাকছেন অনেকে। আবার অনেকে অপরিকল্পিতভাবেই আটফুট বাই আটফুটের এই জায়গাতে গড়ে তুলছে তৃতীয় চতুর্থ তলা। অনেকটা ঝুঁকিপূর্ণভাবেই বসবাস করছে তারা। জাফর আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে এই ক্যাম্পে বসবাসরত। তিনি বলেন, আমার পরিবারে আমরা আট জন আছি। আমি, আমার স্ত্রী, তিন ছেলে ও তাদের স্ত্রী। এই অবস্থায় একরুমে থাকা একেবারেই অসম্ভব। আমি কী পারবো বলেন আমার ছেলের বউয়ের সামনে আমার স্ত্রীকে নিয়ে ঘুমাতে? নিজেদের প্রাইভেসি বলে কিছু থাকে বলেন? তাই কিছুটা বাধ্য হয়েই উপরে দুইটা রুম উঠালাম।
মোহাম্মদপুরে অবস্থিত বিহারি ক্যামপগুলোর মধ্যে রয়েছে শুধুমাত্র একটি স্কুল। অবাট হেল্পারস দ্বারা পরিচালিত এই স্কুলটি সরকারি সহায়তার বাইরে। সরকারের কাছ থেকে শুধুমাত্র বই ছাড়া শিক্ষাক্ষেত্রে আর কোনো সহায়তা পাচ্ছে না তারা। ক্ষুদ্র পরিসরে পরিচালিত এই স্কুলের পাবলিক পরীক্ষায় পাসের হার ৭০ শতাংশ। এর পেছনে পারিপার্শ্বিক পরিবেশকে দায়ী করেছেন স্কুলটির প্রধান শিক্ষক এম শাওকত আলী। এ ছাড়া ক্যামেপর এই পরিবেশকে ঘিরে চলে নানা অবৈধ ব্যবসা। মাদক, ছিনতাই, চুরি-ডাকাতিসহ নানা অপকর্মে জড়াচ্ছে এখানকার বাসিন্দারা। তাদের একজন বলেন, আসলে আপা অভাবে স্বভাব নষ্ট হয়। এখন আমার হাতে টাকা নাই, কাজ নাই, আমাদের ক্যাম্পের বাইরে কাজের কোনো সুযোগ দেয়া হয় না। বউ বাচ্চা নিয়ে পরিবার চালাতে হিমশিম খাচ্ছি। এ অবস্থায় যদি কেউ আমাকে বলে যে তোমাকে দুইশ’ টাকা দেবো তার বদলে এই কাজটা করে দাও তখন বাধ্য হয়েই এসব অবৈধ কাজে জড়াতে হয়। বিহারী ক্যাম্পে বসবাসরতরা বেশিরভাগই কাজ করে দর্জির দোকানে, রেস্তোরাঁয়, দিন-মজুর কিংবা মেকানিক হিসেবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাঠমান্ডু ট্র্যাজেডি: দেশব্যাপী শোক তদন্তে লাগবে দীর্ঘ সময়

ওদিকে গতকাল বাংলাদেশের চিকিৎসক দল নেপাল পৌঁছে কাজ শুরু করেছেন। তারা আহতদের চিকিৎসার খোঁজ নেয়া এবং নিহতদের লাশ শনাক্তে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহে কাজ করবেন বলে কাঠমান্ডুর বাংলাদেশ দূতাবাসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন। এদিকে দুর্ঘটনার বিষয়ে পুরো তদন্ত শেষ করতে দীর্ঘ সময় লাগবে বলে জানিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। সংস্থার চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল নাইম হাসান গতকাল নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, সাধারণ এমন ঘটনায় তদন্তে এক বছর লাগে। এ ঘটনায় এর চেয়ে বেশি সময়ও লাগতে পারে।
নেপালে বাংলাদেশ দূতাবাস সর্বশেষ তথ্যে জানিয়েছে, নিহত ১৯ জনের লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। বাকিদের প্রক্রিয়া চলছে। অন্যদিকে আহত ১০ বাংলাদেশির মধ্যে এক জনের অবস্থা গুরুতর ও বাকি ৯ জনের অবস্থা স্থিতিশীল। বুধবার রাতে ডা. রেজওয়ানুল হককে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর নেয়া হয়েছে। চিকিৎসাধীন আরো ছয় জনকে কাঠমান্ডু ছাড়ার অনাপত্তিপত্র দেয়া হয়েছে।
গতকাল বিকালে নেপালের কাঠমান্ডুতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন সেখানকার রাষ্ট্রদূত ও অবস্থানরত চিকিৎসক ও সিআইডি দলের সদস্যরা। সেখানে বাংলাদেশি চিকিৎসকরা বলেন, রোগীদের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। কার কী অবস্থা তাও জানা গেছে। প্রায় সবার অবস্থা স্থিতিশীল। নেপালের চিকিৎসক ও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে তাদেরকে দেশে নেয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. সোহেল মাহমুদ নেপালে অবস্থানরত বাংলাদেশি সাংবাদিকদের বলেন, আমরা চিকিৎসক দল দু’ভাগ হয়ে কাজ করবো। একদল রোগীর চিকিৎসায় নেপালের চিকিৎসকদের সঙ্গে কাজ করবেন। আমরা ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসকরা লাশের ময়নাতদন্তে কাজ করবো। তবে এ ক্ষেত্রে এদেশের (নেপাল) আইন মেনে এখানকার চিকিৎসকদের সঙ্গে সহযোগী হয়ে কাজ করা হবে। আর লাশ শনাক্তে ডিএনএ টেস্টের জন্য নমুনা হিসেবে চুল, হাড় বা শরীরের প্রয়োজনীয় অংশ সংগ্রহ করা হবে। সিআইডির প্রতিনিধি বলেন, আমরা লাশের নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে যাব। ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে প্রত্যেক লাশ শনাক্ত করা হবে। তারপর দগ্ধ লাশগুলোর পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যাবে। এজন্য কিছু দিন সময় লাগবে বলেও জানান তিনি।
তদন্তে দীর্ঘ সময় লাগবে: ফ্লাইট বিএস-২১১ বিধ্বস্তের ঘটনা তদন্তে ১ বছর বা তার চেয়ে বেশি সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল নাইম হাসান। গতকাল দুপুরে বেবিচকের কনফারেন্স রুমে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নাইম হাসান এ কথা বলেন। তিনি বলেন, প্লেন দুর্ঘটনা তদন্তে দীর্ঘ সময় লাগতে পারে। দুর্ঘটনার পর থেকে তদন্ত শুরু হয়েছে। কিন্তু এটা দীর্ঘ সময়ের ব্যাপার। ব্ল্যাক বক্স বা ফ্লাইটের ডাটা রেকর্ডার কানাডায় পাঠানো হবে, ইকুপমেন্ট টেস্টের বিষয় আছে। ৩৬৫ দিনও লাগতে পারে, তবে ফিক্সড কোনো সময় নেই। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে নাইম হাসান বলেন, ঘটনা যেহেতু নেপালে ঘটেছে, সে হিসেবে তদন্তের এখতিয়ার পুরোপুরি নেপালের। আমরা সহযোগিতা করতে পারি, আমাদের টিম আসা-যাওয়া করবে।
তিনি জানান, বেবিচকের পক্ষ থেকে নেপালে পাঠানো টিম জানিয়েছে, বিএস-২১১ উড়োজাহাজ বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহতদের মধ্যে ১৯ জন মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। ৪-৫ দিনের মধ্যে বাকিগুলোর হয়ে যাবে আশা করছি। এরপর থেকে আহতদের সঙ্গে দু’একটা করে মরদেহ আসতে থাকবে। তখন সেখানে বেবিচকের পরিচালক (ফ্লাইট সেফটি) চৌধুরী জিয়াউল কবির ও সদস্য (পরিকল্পনা ও পরিচালনা) মোস্তাফিজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
গতকাল রাজধানীর বারিধারায় ইউএস-বাংলা কার্যালয়ে বিমান সংস্থাটির মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) কামরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, রেজওয়ানুল হক নামের অপর একজনকে ইতিমধ্যে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বাকি দুইজনকে ভারতে নিয়ে যাওয়ার আনুষ্ঠানিকতা চলছে।
এর মধ্যে শাহরিন আহমেদকে বিকাল ৪টা ৩০ মিনিটের দিকে ঢাকায় আনা হয়েছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটে তাকে সরকারি খরচে সকল চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হবে। মো. রেজওয়ানুল হককে তার বাবা মো. মোজাম্মেল হক সিঙ্গাপুরে নিয়ে যান। ইয়াকুব আলী ও এমরানা কবির হাসিকে চিকিৎসার জন্য ভারতে নিয়ে যাওয়া হবে। বাকিদেরও যেকোনো সময় বাংলাদেশে নিয়ে আসা হতে পারে।
এছাড়া গুরুতর আহত মো. শাহীন ব্যাপারী কাঠমান্ডু মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে এবং মো. কবীর হোসাইন ও শেখ রাশেদ রুবায়েত একই হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের এখনো নেপালের হাসপাতাল ছাড়ার অনুমতি দেয়া হয়নি।
শাহরিন শঙ্কামুক্ত: কাঠমান্ডু থেকে জীবন নিয়ে ফেরা শাহরিন আহমেদের শারীরিক অবস্থ স্থিতিশীল এবং তিনি শঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেডিকেলের বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের চিকিৎসকরা। তারা জানিয়েছেন, শাহরিনের শরীরের পাঁচ শতাংশ ডিপবার্ন হয়েছে। বিকালে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের প্রধান সমন্বয়কারী ডা. সামন্তলাল সেন। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসচিব সিরাজুল হক খান, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম নাছির উদ্দিন, বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক আবুল কালাম, সাজ্জাদ খন্দকার প্রমুখ। শাহরিনকে বার্ন ইউনিটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করানোর পর সামন্তলাল বলেন, শাহরিনকে বার্ন ইউনিটের ৫ নম্বর বেডে রাখা হয়েছে। সেখানে তাঁর শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হবে। এ ছাড়া বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। তিনি বলেন, ‘বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার মতো এত বড় একটি দুর্ঘটনার ধকল শাহরিনের ওপর দিয়ে বয়ে গেছে। তাই তিনি মেন্টালি ট্রমায় রয়েছেন। তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। শরীরের ৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। এ ছাড়া ডান পায়ে আঘাত রয়েছে। আহত শাহরিনের ভাই লে. কর্নেল সরফরাজ আহমেদ বলেন, শাহরিনের ডান পায়ের একটি হাড় ভেঙ্গে গেছে। তবে সে সাপোর্ট নিয়ে হাঁটতে পারে। অন্যদের তুলনায় তার শরীরের অবস্থা এখন অনেক ভালো। বিমান দুর্ঘটনার ঠিক আধা ঘণ্টা পরে শাহরিন নিজেই আমাকে ফোন করে তার আহত হওয়ার খবর জানিয়েছে বলে জানান সরফরাজ। শাহরিন বলেছিলেন, ভাইয়া নেপালের সেনাবাহিনীর লোকেরা যদি আমাকে সাহায্য না করতেন তাহলে হয়তো আমিও অন্যদের মতো মারা যেতাম। সরফরাজ বলেন, এ ছাড়া বাংলাদেশ সরকার, বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয় শাহরিনের যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে সকল প্রকার সহায়তা প্রদান করেছে। দুর্ঘটনার সময় শাহরিনসহ আরো যারা সামনের সিটে বসেছিলেন তারা সবাই বেঁচে গেছেন। ঢাকার স্কলাস্টিকার জুনিয়র প্রোগ্রামার শাহরিন তার বন্ধুদের সঙ্গে একটি প্যাকেজ ট্যুরে নেপাল বেড়াতে গিয়েছিলেন। বাংলাদেশ বিমানের একটি নিয়মিত ফ্লাইটে গতকাল বিকাল ৩টা ৪৮ মিনিটে কাঠমান্ডু থেকে ফেরেন শাহরিন। সঙ্গে ছিলেন তার দুই ভাই। শাহরিনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসার জন্য হাসপাতালের একটি দল আগে থেকেই বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছিলেন। তিনি কাঠমান্ডু মেডিকেল কলেজে ভর্তি ছিলেন। হাসপাতাল থেকে শাহরিনের বিদায়ের সময় সেখানকার চিকিৎসক ও নার্সরা তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন। নেপালের ঐতিহ্য অনুযায়ী তাকে উত্তরীয় পরিয়ে ফুল উপহার দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যম।
এদিকে ইউএস-বাংলার বিমান বিধ্বস্তে ২৬ বাংলাদেশিসহ নিহত ৫১ জনের স্মরণে গতকাল সারা দেশে রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হয়েছে। নিহতদের প্রতি শোক প্রকাশ করতে কালো ব্যাচ ধারণ করে মানুষ। সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অর্ধনমিত রাখা হয় জাতীয় পতাকা। পাশাপাশি কালো পতাকাও উড়ানো হয়। আজ শুক্রবার সারা দেশের মসজিদ, মন্দির, গির্জা, প্যাগোডাসহ সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও উপাসনালয়ে দোয়া ও প্রার্থনা করার কর্মসূচিও রয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এমপি’র বাড়িতে ২৬ দিন বন্দি

নিহত স্বেচ্ছাসেবক লীগ কর্মী সুমন মিয়া হত্যা মামলার বাদী ও নিহত সুমনের শাশুড়ি কাজল রেখা জানান, গত ৮ই ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার মামলার রায়কে কেন্দ্র করে বিএনপির নাশকতা ঠেকাতে উপজেলা কাঞ্চন সেতুর পশ্চিমপাড় হাবিব নগর এলাকার ৩শ’ ফিট সড়কে আওয়ামী লীগের দু’পক্ষ অবস্থান নেয়। এক সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে পাঁচ শতাধিক রাউন্ড রাবার বুলেট, টিয়ার শেল ও গুলি ছুড়ে। এতে তারাব পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগ কর্মী সুমনসহ ১৫ জন গুলিবিদ্ধ ও অর্ধশতাধিক আহত হয়। হাসপাতালে নেয়ার পর সুমন মিয়াকে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় ওই রাতে রূপগঞ্জের সংসদ সদস্য গোলাম দস্তগীর গাজী তার বাড়িতে লোক মারফত সুমনের পিতা মনু মিয়া ও তাকে এমপির রুপসীর বাসভবনে ডেকে নেন। পরে আওয়ামী লীগ নেতা কায়েতপাড়া ইউনিয়ন ও রংধনু গ্রুপের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রফিকসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করার জন্য মনু মিয়াকে নির্দেশ দেয়। অবস্থা বুঝতে পেরে সুমনের পিতা মনু মিয়া কৌশলে পালিয়ে যায়। এরপর নিহত সুমনের শাশুড়ি কাজল রেখাকে এমপি থানায় পাঠায় মর্গ থেকে সুমনের লাশ ফেরত আনার জন্য কাগজে স্বাক্ষর দিতে হবে এমন কথা বলে। পড়াশোনা না জানা কাজল রেখাকে একটি লিখিত কাগজে স্বাক্ষর করায় রূপগঞ্জের তৎকালীন ওসি ইসমাইল হোসেন। এরপর থেকে চলতি মাসের ৪ তারিখ অবধি এমপির বাড়িতে বন্দি করে রাখে কাজল রেখাকে। ৪ঠা মার্চ নিহত সুমনের স্ত্রী ফারজানা আক্তার জর্ডান থেকে দেশে ফিরলে তার সঙ্গে দেখা করার কথা বলে কৌশলে কাজল রেখাকে এমপির বাড়ি থেকে নিয়ে আসেন তার ছেলে রুহুল আমিন। বের হয়ে এসে কাজল রেখা জানতে পারেন তাকে বাদী করে রফিকুল ইসলাম রফিকসহ আওয়ামী লীগের ১৭ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। তিনি এ মামলায় নিজের অজ্ঞাতে স্বাক্ষর করেছেন এমন কথা স্থানীয়দের জানালে বিভিন্ন মহল থেকে তাকে খুন গুমসহ পুরো পরিবারকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেয়া হচ্ছে। এরপর থেকে নিজেদের জীবন বাঁচাতে পুরো পরিবার বিভিন্ন জায়গায় পালিয়ে বেড়াচ্ছে। এই ঘটনায় বাদীর ছেলে রুহুল আমিন বুধবার রাজধানীর ভাটারা ও রূপগঞ্জ থানায় পৃথক দুটি ডায়েরি করেন। এ ব্যাপারে রূপগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুজ্জামান বলেন, মামলার বাদীর ছেলে রুহুল আমিনের কাছ থেকে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত পূর্বক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডিএসই’র অংশীদার বাছাই নিয়ে জটিলতা by এমএম মাসুদ

সূত্র জানায়, গত ৪ঠা মার্চ কমিশনের চিঠির জবাবে ডিএসই জানায়, বিএসইসি’র তোলা আপত্তির জায়গাগুলো সংশোধনে সম্মত হয়েছে চীনা কনসোর্টিয়াম। বিনামূল্যের এ সুবিধা নেয়ার সময় আর্থিকমূল্য নির্ধারণ করা হবে।
প্রতিটি শেয়ারের ধার্যমূল্য ২২ টাকা, এটি আর কমানোর কোনো প্রয়োজন পড়বে না বলে জানিয়েছে ডিএসই। এদিকে আর্থিকভাবে বড় বড় চুক্তিসহ বেশ কিছু সিদ্ধান্ত সাধারণ সভায় পেশ করার আগেই, লিখিত অনুমোদনের শর্ত দিয়েছিল চীনা কনসোর্টিয়াম, যা নিয়েও আপত্তি তোলে বিএসইসি। ডিএসই বলছে, এ শর্ত শিথিল করতেও সম্মত চীনা কনসোর্টিয়াম। সেই সঙ্গে রাজি হয়েছে, দেশীয় আইনে চুক্তি করতে। তবে বিবাদ হলে তৃতীয় দেশের সালিশি আদালতের শর্ত বহাল থাকবে। জানা গেছে, প্রস্তাবের খুঁটিনাটি বিভিন্ন বিষয়ে ডিএসই’র কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করে বিএসইসি। তবে এখনো ডিএসই’র ব্যাখ্যায় পুরোপুরি সন্তুষ্ট নয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
বিশ্লেষকরা বলছেন, বিএসইসি’র উদ্বেগ যথার্থ। তবে আন্তর্জাতিক চুক্তির ক্ষেত্রে কিছু ছাড়ের বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে।
বিএসইসি’র নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান বলেন, ডিএসই’র কৌশলগত বিনিয়োগকারী নিয়ে এক ধরনের অস্পষ্টতা বাজারে তৈরি হয়েছে। সঠিক কথা হলো- কৌশলগত বিনিয়োগকারী ইস্যুতে ডিএসইর দেয়া চীনা কনসোর্টিয়ামের প্রস্তাবের ওপরেই কাজ করছে বিএসইসি’র কমিটি। এখানে অন্য কোনো প্রস্তাব বিএসইসি’র কাছে নেই। তবে সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়া সময় সাপেক্ষ। এটা রাতারাতি হয়ে যাবে এমনটি ভাবা ঠিক নয়। কৌশলগত বিনিয়োগকারী নেয়ার বিষয়টাই দীর্ঘমেয়াদি। আইনের মধ্য থেকে ডিএসই’র প্রস্তাব খতিয়ে দেখছে কমিটি। তাই এ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ারও কিছু নেই বলে মনে করেন তিনি। বিএসইসি’র এই মুখপাত্র বলেন, পুঁজিবাজার নিয়ে আমাদের সবার অবস্থান থেকে ইতিবাচক হতে হবে। বিনিয়োগকারীদের বুঝাতে হবে; নিজেদের এগিয়ে আসতে হবে।
ডিএসই’র কৌশলগত বিনিয়োগকারীর সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রথম দফায় এক বছর সময় দিয়ে কৌশলগত বিনিয়োগকারীর সঙ্গে চুক্তি করার জন্য ডিএসইকে চিঠি ইস্যু করে বিএসইসি। ওই সময়ে কৌশলগত বিনিয়োগকারী ঠিক করতে না পারায় আরো ৬ মাস সময় বৃদ্ধি করে কমিশন। বাড়তি ৬ মাসেও কৌশলগত বিনিয়োগকারী ঠিক করতে পারেনি ডিএসই। পরে ফের ৬ মাসের সময় দিয়ে চিঠি ইস্যু করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। যার মেয়াদও শেষ হয় ৮ই মার্চ। এ সময়ের মধ্যে ডিএসই কৌশলগত বিনিয়োগকারী খুঁজে পেলেও চুক্তি করতে পারেনি। ফলে আবারও সময় বাড়ানোর জন্য আবেদন করে ডিএসই।
তবে ইতিমধ্যে চীনের সাংহাই ও সেনজান স্টক একচেঞ্জ নিয়ে গঠিত কনসোর্টিয়ামকে চূড়ান্ত করেছে ডিএসই পরিচালনা পর্ষদ। চূড়ান্ত করার প্রস্তাব বিএসইতে জমা দেয়ার পর সংস্থাটি একটি পর্যালোচনা কমিটি গঠন করেছে। কমিটি বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। চূড়ান্ত হতে আরো সময় লাগতে পারে এই আশঙ্কা থেকে সময় বাড়ানো হয়েছে। আগামী ৮ই জুনের মধ্যে চুক্তি করার জন্য নির্দেশ দিয়েছে বিএসইসি।
এদিকে ডিএসই’র কৌশলগত বিনিয়োগকারী ইস্যুতে গঠিত পর্যালোচনা কমিটির সময়ও বাড়ানো হয়েছে ১৫ই মার্চ পর্যন্ত। এ সময়ে তারা কৌশলগত বিনিয়োগকারীর ডিএসই’র প্রস্তাব পর্যালোচনা করে কমিশনে রিপোর্ট জমা দেবেন।
এর আগে কৌশলগত বিনিয়োগকারী ইস্যুতে ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের নেয়া সিদ্ধান্তের প্রস্তাব গত ২২শে ফেব্রুয়ারি বিএসইসিতে জমা দেয়া হয়। ওই দিন বিএসইসি এই প্রস্তাব যাচাই-বাছাই করার জন্য ৪ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। গঠিত কমিটি কিছু বিষয়ে পরিষ্কার হওয়ার জন্য গত ২৮শে ফেব্রুয়ারি ডিএসইর দেয়া প্রস্তাবের ওপর বেশ কিছু বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে চিঠি ইস্যু করেছিল বিএসইসি। এই চিঠির ব্যাখ্যা দেয়ার জন্য ৪ঠা মার্চ বিএসইসিকে জবাব পাঠায় ডিএসই কর্তৃপক্ষ।
বিএসইসি’র চিঠিতে বলা হয়েছে, সাংহাই স্টক এক্সচেঞ্জ এবং সেনজেন স্টক এক্সচেঞ্জকে নিয়ে গঠিত কনসোর্টিয়াম ডিএসইর শেয়ার ২২ টাকা দরে কিনতে চেয়েছে। একই সঙ্গে কিছু টেকনিক্যাল সাপোর্টের কথা বলেছে। ডিএসইর ভাষ্য অনুযায়ী, এই টাকার পরিমাণ হবে ৩০০ কোটি টাকা। এর নিরপেক্ষ মূল্যায়ন নেই। এ ছাড়া চীনের বিনিয়োগের প্রস্তাবে কিছু শর্ত জুড়ে দেয়া হয়েছে।
শর্তগুলো হলো- প্রথমত এই চুক্তিটি হতে হবে যুক্তরাজ্যের আইন অনুযায়ী। দ্বিতীয়ত, এ বিষয়ে কোনো বিভেদ দেখা দিলে তার সমাধানের জন্য লন্ডনের আরবিট্রেশন অনুযায়ী হতে হবে। তৃতীয়ত, ডিএসইর আর্টিকেল পরিবর্তন করে কিছু বিষয় যুক্ত করতে হবে। যুক্ত করা বিষয় পরিবর্তন করতে হলে ডিএসই’র বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) পাস করার পূর্বে তাদের অনুমোদন নিতে হবে।
ডিএসই’র পরিচালক শাকিল রিজভী বলেন, পুঁজিবাজারের বিকাশের স্বার্থে কৌশলগত বিনিয়োগকারী নির্ধারণে ন্যায়সঙ্গত সিদ্ধান্ত নেবে বিএসইসি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লন্ডন থেকে সিলেটগামী বিমানে জঙ্গি আতঙ্ক, ওসমানীতে ডগ স্কোয়াডের তল্লাশি

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সুখী দেশের তালিকায় বাংলাদেশ ১১৫তম

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভোটছাড়া এমপি বাপছাড়া সন্তানের মতো- কাদের সিদ্দিকী

আজ দেশের অবস্থা খারাপ। খালেদা জিয়াকে জেলে দিয়েছে। তার সাড়ে ৭৩ বছর বয়স। বাসাই তো সাব-জেল করা যেত। শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী, তিনিও প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। শেখ হাসিনা বরিশালে বলেছেন, চুরির বিচার হইছে। যেখানে কিছু করে নাই, সেখানে ২ কোটি টাকা চুরির অভিযোগে জেলে দিলেন। আর আপনি ২ হাজার কোটি টাকা চুরি কইরা বুক ফুলাইয়া হাঁটতাছেন। দেশের মানুষ তাকে জেলে দেয়া পছন্দ করে নাই। পছন্দ করতো যদি ২ হাজার ১০ হাজার ২০ হাজার কোটি টাকার বিচার করা হতো। তার মুখে এসব কথা শোভা পায় না। সেদিন বলছে, বিএনপি চোরের পক্ষে আন্দোলন করতেছে। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, আপনারা যা করতাছেন তা কি সাউধের পক্ষে? বিএনপি বলে আওয়ামী লীগ চোর। আওয়ামী লীগ বলে বিএনপি চোর। তাহলে দেশে কি চোরে চোরে চুলাচুলি করতাছে? আমরা সেইখান থেকে মুক্তি চাই। এরকম হতে হলে পুরুষের শাসন দরকার। সেখান থেকে মুক্তি চাইলে গামছা ধরেন। যতদিন বেঁচে থাকব অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলব।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1403)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
March
(1701)
-
▼
Mar 16
(25)
- খালেদার দীর্ঘ যাত্রা by সাজেদুল হক
- বিজ্ঞানে স্টিফেন উইলিয়াম হকিংয়ের আগ্রহ ছিল সহজাত
- যৌনতার বিনিময়ে খাদ্য: সিরিয়ার আলেপ্পোতে ত্রাণকর্মী...
- কৃষ্ণগহ্বর অত কালো নয়, তিনিই বলেছিলেন by বিকাশ সিংহ
- তিনি মানবজাতিকে বিজ্ঞানের নতুন স্তরে নিয়ে গেছেন by...
- স্টিভেন হকিং দেখিয়েছিলন শারীরিক প্রতিবন্ধকতা কোন ...
- অষ্টম বছরে সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ
- ঐতিহাসিক ‘মসজিদে খায়েফ’ যেখানে সত্তরজন নবী সমাহিত ...
- সফল ব্যক্তিরা যে ১২টি কাজ করেন
- স্টিফেন হকিংয়ের পূর্বাভাস: ২০০ বছরের মধ্যে পৃথিবী ...
- বিনা সুতায় নেটওয়ার্ক
- যৌন উত্তেজক হালুয়া খেয়ে দুই যুবকের মৃত্যু
- হাত ও কব্জি নিয়ে শঙ্কায় মিন্নত আলী by ওয়েছ খছরু
- তেরেসা মে-পুতিন মুখোমুখি : কূটনৈতিক বহিষ্কারের পাল...
- বিয়ানীবাজারে জয়িতাদের অন্ধকার অতীত by মিলাদ জয়নুল
- সরজমিন: বিহারি ক্যাম্প by এনা হাসান
- কাঠমান্ডু ট্র্যাজেডি: দেশব্যাপী শোক তদন্তে লাগবে দ...
- এমপি’র বাড়িতে ২৬ দিন বন্দি
- ডিএসই’র অংশীদার বাছাই নিয়ে জটিলতা by এমএম মাসুদ
- লন্ডন থেকে সিলেটগামী বিমানে জঙ্গি আতঙ্ক, ওসমানীতে ...
- সুখী দেশের তালিকায় বাংলাদেশ ১১৫তম
- ভোটছাড়া এমপি বাপছাড়া সন্তানের মতো- কাদের সিদ্দিকী
- ‘আওয়ামী লীগই দেউলিয়া হয়ে গেছে’ -চট্টগ্রামে মির্জা ...
- বিশ্বে ‘সবচেয়ে সুখী’ এখন ফিনল্যান্ডের মানুষ
- ‘সময়ের সঙ্গে আমাদেরও আধুনিক হতে হবে’ by এন আই বুলবুল
-
▼
Mar 16
(25)
-
▼
March
(1701)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...