Sunday, May 29, 2016

বুশের চেয়েও বেশি ভোগাবেন ট্রাম্প

আকস্মিকভাবে ক্যাসিনো ব্যবসায়ী থেকে রাজনীতিতে পা দিলেন তিনি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ইতিমধ্যে রিপাবলিকান দলের প্রার্থী হিসেবে নিজের অবস্থানও পাকাপোক্ত করে ফেলেছেন অল্প ক’দিনে ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন মুলুকসহ সারা বিশ্বে তাকে ঘিরে এখন জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই। ভক্ত-সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটালেও প্রার্থিতা নিশ্চিত করেই ভয় ধরিয়ে দিয়েছেন বিশ্বনেতাদের মনে। আসছে ৮ নভেম্বরের নির্বাচনে যদি প্রেসিডেন্টের চাবিকাঠি চলে যায় ট্রাম্পের হাতে, তবে দারুণভাবে বিশ্বকে ভোগাবেন তিনি। সেই ভোগান্তির মাত্রা ‘বিশ্ব অস্থিরতা’র কর্ণধার জর্জ বুশকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে। শনিবার দি ইকোনমিক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এমনটাই দাবি করা হয়েছে। নএতে বলা হয়েছে, যদি ট্রাম্প মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে পারেন, তার উচিত হবে বুশকে ধন্যবাদ জানানো। কারণ, তার আগেই বিশ্ব অরাজকতা সৃষ্টির পথ দেখিয়ে গেছেন বুশ। সেই পথ বেয়ে না চললেও তার থেকে ঊর্ধ্বে উঠে বিশ্বকে নাচাবেন ট্রাম্প।
প্রাথমিক নির্বাচনের প্রচারণায় তার বিতর্কিত বাচনভঙ্গির সূত্র ধরে এমনটাই আঁচ করছেন বিশ্লেষকরা। এমনকি অনেকেই ট্রাম্পকে ‘বুশ ব্রান্ড’-এর প্রোডাক্ট বলেও সম্বোধন করেছেন। বলা হয়েছে, যদি বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ মানুষের দিকে চোখ রাখতে বলা হয়, তবে অধিকাংশের মনে জর্জ ডব্লিউ বুশের নাম ভেসে উঠবে। বুশকে বিশ্বমঞ্চের খলনায়ক হিসেবেও মূল্যায়ন করেন অনেকে। অসচেতনভাবে হোক আর জেনে-শুনে হোক পৃথিবীটাকে তপ্ত কড়াইয়ে পরিণত করেছেন তিনি। আর অধিকাংশ মার্কিনিও মনে করেন, একরোখা বুশ বিশ্বব্যাপী আমেরিকার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করেছেন। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার বিধ্বস্ত হওয়ার পর ওসামা বিন লাদেনকে বধের নামে ইরাক আগ্রাসন থেকে শুরু করে সাদ্দামের পতন পর্যন্ত সব কাজে সমানভাবে সমালোচিত বুশ। এমনিভাবে বুশের পাশে খলনায়কের তালিকায় ট্রাম্পের নামটিও যোগ হতে পারে বলে বিশ্বাস বিশ্লেষকদের। ইসলাম নিয়ে কটূক্তি, মুসলিমদের যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে না দেয়া, মেক্সিকান ও নারীদের প্রতি বিদ্বেষমূলক মন্তব্যের কারণে এমন উপাধি পাওয়ার যোগ্য ট্রাম্প। এদিকে উগ্রপন্থী মনোভাবের দিক দিয়ে ট্রাম্প এগিয়ে বলে মনে করেন অধিকাংশ বিশ্লেষক। অন্যদিকে ফিলিপাইনের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছে রড্রিগো দুতেরতো, যাকে অপরাধীর যম নামে অ্যাখ্যা দেয়া হয়েছে। নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি অপরাধী ও মাদকসেবীদের ধ্বংস করে দেবেন বলে ঘোষণা দেন। এমনকি এক অস্ট্রেলীয় মিশনারি কর্মীকে ধর্ষণ নিয়ে মজা করে এ নেতা বলেন, এ ধর্ষণে আমারই নেতৃত্ব দেয়া উচিত ছিল। এমন বিতর্কিত মন্তব্য করার পরও প্রেসিডেন্ট হয়েছেন তিনি। তবে আমেরিকাতে নয় কেন?

মালদ্বীপ স্টাইলে পর্যটন কেন্দ্র বানাবে চীন

দক্ষিণ চীন সাগরে মালদ্বীপের আদলে পর্যটন কেন্দ্র বানানোর পরিকল্পনা নিয়েছে চীন। একাধিক বিতর্কিত দ্বীপে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছে দেশটি। শুক্রবার চীনের এক পদস্থ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এ কথা জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম চায়না ডেইলি। জিয়াও জিও নামের ওই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্যারাসেলস দ্বীপপুঞ্জের উডি আইল্যান্ডকে পর্যটকদের আকর্ষণ, সৌন্দর্যের লীলাভূমি মালদ্বীপের আদলে গড়ে তোলা হবে। তিনি আরও বলেন, এই দ্বীপপুঞ্জের আরও বেশকিছু দ্বীপকে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে। সেখানে কোনো সামরিক বাহিনীর মহড়ার প্রয়োজন হবে না।
এ ছাড়া চীনের এই পর্যটন কেন্দ্র তৈরির ফলে সমুদ্রসীমানায় সিল্ক রোড প্রকল্প বাস্তবায়নও সহজ হবে। এসব কেন্দ্রগুলোতে পর্যটকদের জন্য মাছ ধরা, ডাইভিংসহ নানা ব্যবস্থা রাখা হবে। থাকবে সি-প্লেনে করে যাতায়াতের ব্যবস্থাও। এমনকি সমুদ্রের নির্মল বায়ুর পাশে প্রাকৃতিক পরিবেশে বিয়ের জমকালো আয়োজন করারও ব্যবস্থা রাখা হবে বলে জানান জিয়াও। ২০১৩ সাল থেকে বেইজিং পরীক্ষামূলকভাবে জাহাজে করে ভ্রমণের ব্যবস্থা করেছে। এটি খুবই জনপ্রিয় হয়েছে। খবরে বলা হয়েছে, প্রতিবছর ৬৫টি ভ্রমণ যাত্রায় প্রায় ১৬ হাজার পর্যটক এখানে এসেছেন। এবার দ্বিতীয় প্রমোদ ভ্রমণের পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। উডি আইল্যান্ড চীনের মূল প্রশাসনিক দ্বীপ, যেটি দক্ষিণ চীন সাগরের মধ্যে অবস্থিত। দীর্ঘদিন ধরে দক্ষিণ চীন সাগরের বিতর্কিত এলাকাগুলো নিজেদের বলে দাবি করে আসছে চীন। এ সাগরের পথ দিয়ে বছরে ৫০০ কোটি ডলারের সমপরিমাণ বাণিজ্য জাহাজ চলাচল করে। ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, তাইওয়ান, ব্র“নাই এবং মালয়েশিয়াও দক্ষিণ চীন সাগরের অংশবিশেষের ওপর নিজেদের অধিকার দাবি করছে। এদিকে দক্ষিণ চীন সাগরে প্রথমবারের মতো ড্রোন মোতায়েন করেছে চীন। রাডার ফাঁকি দিতে সক্ষম এমন ড্রোন হারবিন বিজেডকে-০০৫’র উপস্থিতি উপগ্রহ থেকে তোলা ছবিতে ধরা পড়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। ইমেজস্যাট ইন্টারন্যাশনাল (আইএসআই) এ ছবি তুলেছে।
বিরোধপূর্ণ চীন সাগরের উডি আইল্যান্ড নিয়ে যখন তাইওয়ান ও ভিয়েতনামের সঙ্গে উত্তেজনা তুঙ্গে তখন ওই এলাকায় এই নজরদারি বা গোয়েন্দা ড্রোন মোতায়েন করল দেশটি। দূরপাল্লার ড্রোন হারবিন বিজেডকে-০০৫’র ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার সক্ষমতা নেই। গত মাসে উপগ্রহ থেকে তোলা ছবিতে ড্রোনে অস্ত্র বহনের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি বলে জানানো হয়েছে। অবশ্য এ ড্রোন এক নাগাড়ে ৪০ ঘণ্টা আকাশে থাকতে পারে। এদিকে এর আগে উডি আইল্যান্ডে যে ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র বসানো হয়েছিল তার অবস্থান পাল্টানো হয়েছে বলে উপগ্রহ থেকে তোলা ছবিতে দেখা গেছে। ওদিকে দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা-চেষ্টার সমালোচনা করে তা বন্ধ না করলে, ভবিষ্যতে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে চীন সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে বলে হুশিয়ার করেছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী অ্যাশটন কার্টার। একই সঙ্গে সাইবার স্পেসে অবাধ তথ্য সরবরাহে বিধিনিষেধ আরোপেরও সমালোচনা করেন তিনি। শুক্রবার ওয়াশিংটনের মেরিল্যান্ডে মার্কিন নৌবাহিনীর একটি ব্যাচের স্নাতক শিক্ষা সমাপনী অনুষ্ঠানে দেয়া এক ভাষণে এ কথা বলেন তিনি।

দ্রুততম কিশোর-কিশোরী উজ্জ্বল ও তানজিলা

হাজী নুরুল ইসলাম মুন্সি স্মৃতি জাতীয় জুনিয়র অ্যাথলেটিক্সের দ্রুততম কিশোর নরসিংদীর উজ্জ্বল চন্দ্র সূত্রধর এবং দ্রুততম কিশোরী তানজিলা আক্তার। শনিবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ১০০ মিটার স্প্রিন্টে সেরা হওয়ার দৌড়ে উজ্জ্বল ১০.৮৩ সেকেন্ড এবং তানজিলা ১৩.১০ সেকেন্ড সময় নেয়। সব অ্যাথলেটেরই স্বপ্ন থাকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্য অর্জন করা। সেই অধরা স্বপ্ন আরও একবার ধরা দিল নরসিংদীর উজ্জ্বল চন্দ্র সূত্রধরের হাতে। এর আগে ২০১৩ সালে জুনিয়রদের এ মঞ্চে দ্রুততম বালকের খেতাব অর্জনের পাশাপাশি লং জাম্পেও স্বর্ণপদক জিতেছিলেন। পরের বছর জাতীয় জুনিয়র চ্যাম্পিয়নশিপে ১০০ মিটার স্প্রিন্ট ও লংজাম্পে দ্বিতীয় হন।
গেল বছর এ আসরের লং জাম্পে ৭.০৯ সেন্টিমিটার উচ্চতায় লাফিয়ে জাতীয় রেকর্ড গড়েন তিনি। পর্যাপ্ত অনুশীলনের অভাবে সেবার প্রিয় ইভেন্টে অংশ নেননি উজ্জ্বল। এবার তার আশা ছিল ১০০ মিটার স্প্রিন্টের পাশাপাশি লং জাম্পেও জাতীয় রেকর্ড গড়বেন। কিন্তু জ্বরের কারণে তা আর হয়নি। লং জাম্পে রুপা জিতেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে তাকে। যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র উজ্জ্বল দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে সবার বড়। কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী থানার গচিহাটা গ্রামের বাসিন্দা উজ্জ্বলের বাবা পেশায় কাঠমিস্ত্রি এবং মা গৃহিণী। দিনহীন পরিবারে থেকেও সাফল্য ছিনিয়ে আনায় খুব খুশি তিনি। উজ্জ্বলের কথায়, ‘জুনিয়র মিটে সবাইকে পেছনে ফেলতে পেরে খুব ভালো লাগছে। এজন্য আখতারুজ্জামান স্যারকে ধন্যবাদ জানাই। ওনার সহযোগিতার কারণেই এত পর্যন্ত আসতে পেরেছি।’ ভবিষ্যতের লক্ষ্য সম্পর্কে উজ্জ্বলের কথা, ‘ভবিষ্যতে সাউথ এশিয়ান গেমসে স্বর্ণ জিতে দেশের মুখ উজ্জ্বল করতে চাই। আর এজন্য দরকার দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণের। আমি অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনকে অনুরোধ করব এ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে দিতে।’ অন্যদিকে বিকেএসপির উচ্চমাধ্যমিকের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী তানজিলার কথা, ‘এর আগেও জাতীয় জুনিয়র অ্যাথলেটিক্সে তিনবার অংশ নিয়েছি। তবে ১০০ মিটারে প্রথম হলাম এবারই।
সেরা হওয়ার স্বপ্ন আমার অনেকদিনেরই। সেটা এবার পূর্ণ হওয়ায় খুবই খুশি।’ এর আগে এ আসরে ২০১৩ সালে তিনটি ইভেন্টে রুপা পেয়েছিল তানজিলা। ‘২০১৪ ও ২০১৫ সালে চোটের কারণে (লিগামেন্ট ইনজুরি) খেলতে পারিনি। এ প্রতিযোগিতার জন্য আমার প্রস্তুতি ছিল প্রায় তিন মাসের। ২০১৩ সালের আসরে ১০০ মিটার ও ২০০ মিটার দৌড়ে এবং লং জাম্পে রুপা জিতেছিলাম। আমার কোচ আমাকে এবার যেভাবে ও যতটুকু অনুশীলন করিয়েছেন, তাতে আমি আÍবিশ্বাসী ছিলাম, এবার আমি কিছু একটা করতে পারব।’ কৃষক বাবা শামসুল ইসলামের সুযোগ্য কন্যা তানজিলা যোগ করে, ‘তবে কিছুটা সংশয়েও ছিলাম। কারণ অনেকদিন খেলায় ছিলাম না এবং বেশিদিন অনুশীলনও করতে পারিনি।’ অতীতে ফিরে গিয়ে তানজিলা বলল, ‘যখন হাইস্কুলে যাই, তখন আন্তঃস্কুল অ্যাথলেটিক্সে অনেক পুরস্কার জিতেছি। আর তখন থেকেই আমার খেলাধুলার প্রতি বাবার নেতিবাচক মনোভাব বদলে যেতে থাকে। স্কুল পর্যায়ে পুরস্কার হিসেবে জিতেছি ৪৫ প্লেট এবং ২৫টির বেশি মেডেল। তিন মাস ক্যাম্প করার পর ২০১২ সালে বিকেএসপিতে ভর্তি হই। ভবিষ্যতে আমি বিউটি আপার (নাজমুন নাহার বিউটি) মতো ১০০ মিটারে এবং সুবর্ণা আপার (সুবর্ণা আক্তার) ২০০ মিটার স্প্রিন্টের বাংলাদেশ গেমসের রেকর্ডটা ভাঙতে চাই।’ এ আসরে ১০০ মিটার স্প্রিন্টে স্বর্ণ জেতার পাশাপাশি ২০০ মিটার স্প্রিন্ট এবং হাই জাম্পে রুপা জিতেছে তানজিলা।

আজ ঢাকা মাতাবেন আতিফ আসলাম

আবারও ঢাকায় এসেছেন পাকিস্তানি সঙ্গীতশিল্পী আতিফ আসলাম। এবার তার সঙ্গে রয়েছেন দুই ভারতীয় গায়িকা মমতা শর্মা ও আকৃতি কাক্কার। আজ সন্ধ্যায় রাজধানীর বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারের নবরাত্রি হলে গান গাইবেন তারা। এ প্রসঙ্গে আয়োজক প্রতিষ্ঠান এটিএন এন্টারটেইনমেন্টে পরিচালক অনন্যা রুমা বলেন, আমরা সবসময় শ্রোতা-দর্শক চাহিদা মাথায় রেখেই অনুষ্ঠান আয়োজন করি। আতিফ আসলামের প্রচুর শ্রোতা রয়েছে বাংলাদেশে।
তাদের জন্যই মূলত এ অনুষ্ঠান। পাশাপাশি মমতা ও আকৃতি বলিউডের ছবিতে গান গাওয়ার সুবাদে বাংলাদেশে পরিচিত। তাদের গানও আশা করি শ্রোতাদের ভালো লাগবে।’ কনসার্টের পাশাপাশি নৃত্যশিল্পীদের পরিবেশনা থাকবে বলেও আয়োজকরা জানিয়েছেন। কনসার্টে অংশ নিতে এ মুহূর্তে ঢাকায় অবস্থান করছেন আতিফ আসলাম, মমতা শর্মা ও আকৃতি কাক্কার।