Wednesday, September 11, 2024
ভোটের প্রচারে ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’ সংসদ সদস্যের জামিন ঘিরে কাশ্মীরে নতুন বিতর্ক
জম্মু-কাশ্মীরের দুই প্রধান দল ন্যাশনাল কনফারেন্স (এনসি) ও পিডিপির অভিযোগ, বিজেপিকে সাহায্য করতেই রশিদসহ অন্যান্য সন্ত্রাসবাদীদের ভোটে নামানো হয়েছে, যাতে তাঁদের সমর্থনে কেন্দ্রের শাসক দল সরকার গড়তে পারে।
এনসি নেতা ওমর আবদুল্লাহ ও পিডিপি নেত্রী মেহবুবা মুফতির প্রশ্ন, নির্বাচিত সংসদ সদস্যকে যখন সংসদীয় কাজ করতে দেওয়া হয় না, সংসদের অধিবেশনেও যোগ দিতে দেওয়া হয় না, তখন কেন রশিদকে জামিন দেওয়া হলো? ভোটে প্রচারের জন্য? তাঁদের মতে, উত্তর একটাই, বিজেপির সুবিধা করে দেওয়া।
জম্মু–কাশ্মীর বিধাসভার ভোট হতে চলেছে দীর্ঘ ১০ বছর পর। তিন দফার ভোটের প্রথম পর্ব ১৮ সেপ্টেম্বর। শেষ পর্ব ১ অক্টোবর। দিল্লির নিম্ন আদালত রশিদকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত জামিন দিয়েছেন, যাতে তিনি তাঁর দলের প্রার্থীদের হয়ে প্রচার করতে পারেন।
ইঞ্জিনিয়ার রশিদ গত লোকসভা ভোটে কাশ্মীর উপত্যকার বারামুল্লা কেন্দ্রে ওমর আবদুল্লাহকে ২ লাখের বেশি ভোটে হারিয়ে দেন। নিজের ভোটে আদালত তাঁকে প্রচারের অনুমতি দেয়নি। দিল্লির তিহার জেলে বন্দী থেকেও জনগণের বিপুল সমর্থন তিনি পান। এরপর তিনি গড়ে তোলেন রাজনৈতিক দল আওয়ামি ইত্তেহাদ পার্টি। বিধানসভা ভোটে এই দল এখন পর্যন্ত ৩৪ জনকে মনোনয়ন দিয়েছে। রশিদের ভাইও ভোটে দাঁড়িয়েছেন, সরকারি স্কুলশিক্ষকের চাকরি ছেড়ে।
সন্ত্রাসবাদী কাজকর্মের অভিযোগে ইউএপিএ আইনে ২০১৯ সাল থেকে রশিদ বন্দী। লোকসভা ভোটে জেতার পর শপথ গ্রহণের জন্য মাত্র ছয় ঘণ্টা তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল।
বস্তুত এবার জম্মু-কাশ্মীরের ভোটে সরকারের চোখে ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’ বলে চিহ্নিত ও পরিচিতরাই বড় আকর্ষণ। রশিদের দল ছাড়াও ভোটে দাঁড়িয়েছে নিষিদ্ধ জামায়াতে ইসলামির (জেআই) সঙ্গে যুক্তরাও।
কেন্দ্রীয় সরকার চেয়েছিল, জেআইয়ের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নিতে, যাতে তারা রাজনীতির মূল স্রোতে ফিরতে পারে। আরএসএসের আপত্তির কারণে তা তারা পারেনি। জেআই তাই নিজেদের ব্যানারে ভোটে লড়ছে না। প্রার্থী করা হয়েছে ‘সাবেক’ নেতাদের। প্রত্যেকেই স্বতন্ত্র প্রার্থী।
ওমর আবদুল্লাহ, মেহবুবা মুফতিসহ অন্য স্বীকৃত দলের নেতারাও মনে করছেন, এই প্রার্থীদের ওপর ভরসা করেই বিজেপি ক্ষমতায় আসতে চাইছে। মুসলমান ভোটে বিভাজন ঘটিয়ে উপত্যকা থেকে স্বতন্ত্র এইসব প্রার্থীর কেউ কেউ জয়ী হলে তাঁদের সমর্থন নিয়ে বিজেপি সরকার গড়তে চায়। বিজেপির ধারণা, জম্মু থেকে যথাসম্ভব বেশি আসন জিততে পারলে এই লক্ষ্য পূরণ হতে পারে।
ভোট শান্তিপূর্ণ ও অবাধ করতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) তৎপর। গত মঙ্গলবার রশিদের জামিন গ্রাহ্য হওয়ার দিনই ইসি নির্দেশ দিয়েছে, রাজনৈতিক নেতাদের অযথা ধরপাকড় করা যাবে না। নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে বুথ বদল করা যাবে না। শেষ মুহূর্তে কোনো রাজনৈতিক সমাবেশ বন্ধ করা যাবে না।
জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসনকে বলা হয়েছে, শুধু যাঁদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট অভিযোগ আছে, শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের স্বার্থে একমাত্র তাঁদেরই ভোটের আগে আটক করা যেতে পারে। তবে আটকের ক্ষেত্রে প্রশাসনকে নিরপেক্ষ থাকতে হবে।
নির্বাচন কমিশন জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসনকে নিরপেক্ষ থাকার নির্দেশ দিলেও ভোট-আবহে কেন্দ্রীয় সরকার বিরোধীদের দমনে তৎপর হয়ে উঠেছে। এনসি নেতা ফারুক আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) অর্থ নয়ছয়ের নতুন অভিযোগ দাখিল করেছে শ্রীনগরের বিশেষ আদালতে। ভোটের মুখে ইডির এই আচরণ বিরোধীদের চাপে রাখতে বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের পুরনো খেলা বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রতিবার ভোটের আগে বিভিন্ন রাজ্যের বিরোধীদের এই আচরণ সহ্য করতে হয়। ফারুক আবদুল্লাহকেও করতে হচ্ছে। অথচ গত ১৪ আগস্ট জম্মু-কাশ্মীর-লাদাখ হাইকোর্ট ফারুক ও অন্যদের বিরুদ্ধে এই একই অভিযোগে দায়ের করা ইডির চার্জশিট খারিজ করে দিয়েছিলেন। সেই রায়ে অবশ্য বলা হয়েছিল, ইডি চাইলে নতুন তদন্ত শুরু করতে পারে।
২০০২ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত ফারুক আবদুল্লাহ ছিলেন জম্মু-কাশ্মীর ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি। ইডির অভিযোগ, সভাপতি থাকাকালীন ফারুক ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের ১১৩ কোটি টাকা নানাভাবে নয়ছয় করেছিলেন। ব্যক্তিগত ব্যাংক খাতাতেও রেখেছিলেন তিনি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যখন রাষ্ট্র গঠনের সময়, তখন ‘মব’ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে: ফরহাদ মজহার
আজ শনিবার ‘অভ্যুত্থান–পরবর্তী কেমন বাংলাদেশ চাই?’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় ফরহাদ মজহার কথাগুলো বলেন। ঢাকা কলেজ মিলনায়তনে ওই আলোচনার আয়োজন করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ঢাকা কলেজ।
কলেজ মিলনায়তনভর্তি শ্রোতাদের উদ্দেশে ফরহাদ মজহার প্রশ্ন রাখেন, গণ–অভ্যুত্থানের বিজয় কি হয়েছে, না হয়নি? অনেকে তখন ‘না’ আবার অনেকে ‘হ্যাঁ’ বলে জবাব দেন। পরে ফরহাদ মজহার বলেন, ‘না, আমরা জয়ী হইনি। আমরা ব্যর্থ হয়েছি। ব্যর্থ হওয়ার কারণটা কী? কারণ, আমরা এখনো মব। কোনো একটা ঘটনা ঘটলে আমরা ঝাঁপিয়ে পড়ি, আবেগের দ্বারা। আবেগের দ্বারা কখনো কোনো বড় কাজ করা যায় না।’
মাজার ভাঙার সমালোচনা করে ফরহাদ মজহার বলেন, ‘মাজার সম্পর্কে আপনি সমালোচনা করতে পারেন, আপনি ফতোয়া দিতে পারেন, নিন্দা করতে পারেন...। কিন্তু আপনাকে তো ফতোয়া বাস্তবায়িত করার অধিকার ইসলাম দেয়নি।’
ফরহাদ মজহার বলেন, গণ–অভ্যুত্থানের অর্থ হলো পুরোনো ব্যবস্থাকে উৎখাত করে নতুন ব্যবস্থার পত্তন। রাষ্ট্র, রাজনীতি, আইন না বোঝার কারণে শত্রুপক্ষ সংবিধান ও আইনের নামে প্রতিবিপ্লব ঘটিয়েছে। বর্তমান সংবিধানে ফ্যাসিস্ট শক্তি নিজেকে হাজির রেখেছে। গণ–অভ্যুত্থানের পর সে সংবিধানের ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রপতির কাছে উপদেষ্টারা শপথ নিয়েছেন এই সংবিধান রক্ষা করার।
ফরহাদ মজহার বলেন, আয়নাঘর, গুম-খুনে জড়িত ব্যক্তিরা পালিয়ে গেছে। বিপ্লব কোনো ডিনার পার্টি নয়। এখন উল্লাস করার সময় নেই।
ব্যক্তিকে সরানো হলে ব্যবস্থা আপনা–আপনি বদলে যায় না—এমন মন্তব্য করে ফরহাদ মজহার বলেন, বিজয়কে পূর্ণতার দিকে নিয়ে যেতে হলে অবশ্যই ‘আমাদের প্রেসিডেন্ট’ নিয়োগ করতে হবে। তিনি জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তি হিসেবে হাজির হবেন। তাঁর প্রধান কাজ হবে জনগণের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে একটি নতুন গঠনতন্ত্র প্রণয়ন করা।
নতুন যে সংবিধান হবে, সেখানে অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে প্রধান তিনটি বিষয় থাকা জরুরি বলে মনে করেন ফরহাদ মজহার। সেগুলো হলো রাষ্ট্রের কোনো অধিকার থাকবে না ব্যক্তির স্বাধীনতা ও মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার, রাষ্ট্রের ওপর থাকবে জনগণ। ব্যক্তিস্বার্থের চেয়ে গোষ্ঠীস্বার্থ রক্ষা করা হবে রাষ্ট্রের দায়িত্ব। রাষ্ট্র প্রাণ, প্রকৃতি, পরিবেশ ও প্রাণবৈচিত্র্য–সংশ্লিষ্ট জ্ঞান ও ঐতিহ্য ধ্বংস করতে পারবে না।
ফরহাদ মজহার বলেন, বর্তমান সরকারের প্রথম কাজ জনগণের অভিপ্রায় শোনা। তারা কি শুনছে, তাহলে গণতন্ত্র কোথায়—এমন প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, ‘কথা শোনা তো দূরের কথা, তারা তাদের পছন্দের লোক বিভিন্ন জায়গায় বসিয়ে দিচ্ছে। আপত্তি নেই, ভালো লোক থাকতে পারে, খারাপ লোক থাকতে পারে। কিন্তু কিসের ভিত্তিতে, কোন মানদণ্ডের ভিত্তিতে এই লোকগুলো বসছে, সে ব্যাপারে স্বচ্ছতা নেই।’
এ মুহূর্তে নির্বাচন দাবির সমালোচনা করে ফরহাদ মজহার বলেন, ‘আমরা গণতন্ত্র বলতে বুঝি নির্বাচন দাও, নির্বাচন দাও। যেন আমি আগামী ১৫ বছর লুটপাট করতে পারি।’
একই সঙ্গে যাঁরা বিএনপির বিরোধিতা করছেন, তাঁদেরও সমালোচনা করেন ফরহাদ মজহার। তিনি বলেন, বিএনপি ভুল করতে পারে। তার সমালোচনা করা যায়। বিএনপির কি কোনো অবদান নেই আন্দোলনে—এমন প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, খালেদা জিয়া যদি ফ্যাসিস্ট শক্তির সাজানো নির্বাচনকে প্রত্যাখ্যান না করতেন, তাহলে এই গণ–অভ্যুত্থান ঘটত না।
আমান আযমীর জাতীয় সংগীত পরিবর্তনের দাবিরও সমালোচনা করে ফরহাদ মজহার বলেন, জাতীয় সংগীত এখন সমস্যা নয়। রবীন্দ্রনাথ একটি ইতিহাসের অংশ। রবীন্দ্রনাথ, নজরুল ঐতিহ্যের অংশ। রবীন্দ্রনাথকে বাদ দেওয়া যাবে না। ঐতিহ্য ভুলে গেলে সমাজ ফ্যাসিস্ট হয়ে থাকে।
ফরহাদ মজহার বলেন, ‘কেমন বাংলাদেশ চাই, এটা নির্ভর করবে আপনি কেমন...। যেমন প্রজা, তেমন কিন্তু রাজা। ভাববেন না যে শেখ হাসিনা একমাত্র দায়ী, আপনারাও কিন্তু সমানভাবে দায়ী।’
অন্যদের মধ্যে আন্দোলনে নিহত সাব্বির হোসেনের বাবা মহিউদ্দীন, কবি আবদুল হাই শিকদার, ইসলামিক স্কলার মূসা আল হাফিজ, মানবাধিকারকর্মী সাইয়েদ আবদুল্লাহ প্রমুখ বক্তব্য দেন। মুঈনুল ইসলাম ও নাহিয়ান রেহমান অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘ছেলে এত লম্বা না হলে হয়তো গুলিটা মাথায় লাগত না, বেঁচে যেত’
সাবরিনা আফরোজ ফেসবুকে সাবরিনা শাবন্তি নামে পরিচিত। তিনি মাহামুদুর রহমানের বড় বোন। তিনি ও তাঁর বোন শাহরিনা আফরোজ তাঁদের আদরের একমাত্র ভাইকে টুনা, টুনাপোকা বলে ডাকতেন। এ নিয়ে ভাই অভিমানও করতেন।
কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় গত ১৯ জুলাই রাজধানীর মোহাম্মদপুরের নূরজাহান রোডে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের সড়কে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষের সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন মাহামুদুর রহমান।
মাহামুদুরের বড় বোন স্নাতকপড়ুয়া সাবরিনা আফরোজের সঙ্গে আজ বুধবার মুঠোফোনে কথা হয়। তিনি বলেন, ‘আমি যখন থেকে কেক বানানো শিখেছি, তখন থেকে ভাইয়ের জন্মদিনের কেকটা আমি বানাতাম। ও কেকের জন্য বসে থাকত। কেক বানানোর আগেই বাটিতে লেগে থাকা চকলেট চেটে চেটে খেত। কিন্তু গত বছর ব্যস্ততার জন্য কেকটা বানাতে পারিনি। এক বাটি আইসক্রিম কিনে দিয়েছিলাম। আজ খুব আফসোস হচ্ছে, গতবার কেকটা কেন বানালাম না। এই জীবনে হয়তো আমি আর কখনোই কেক বানাতে পারব না।’
সাবরিনা বলেন, ভাইয়ের জন্মদিন সেভাবে ঘটা করে আয়োজন করা হতো না। তবে পারিবারিকভাবে নিজেরাই ভাইয়ের জন্মদিন উদ্যাপন করতেন। বেশি করে চকলেট দেওয়া কেক তার পছন্দের ছিল। আর ঈদ বা অন্য সময়ও কিছু কেনার জন্য এক হাজার টাকা দিলে ৫০০ টাকা চেয়ে নিয়ে বলত, এটা তার জন্মদিনের গিফট। মারা যাওয়ার আগেও এবার তার জন্মদিনে কেমন কেক বানাব, তা জানতে চাইত।
আজ সাবরিনার কেক বানানোর কোনো আয়োজন নেই। জানালেন, ভাইয়ের জন্মদিনে তাঁদের কান্নাকাটি করা ছাড়া আর তো কিছু করার নেই। একবার ভাইয়ের কবরে যাবেন। ভাইয়ের স্মৃতি হিসেবে তার রক্তমাখা পোশাকগুলোও হয়তো নেড়েচেড়ে দেখবেন।
সরকারি মোহাম্মদপুর মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেছিলেন মাহামুদুর রহমান। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সাত কলেজের ভর্তি পরীক্ষায়ও উত্তীর্ণ হয়েছিলেন। বেঁচে থাকলে এখন কোনো এক বিশ্ববিদ্যালয় দাপিয়ে বেড়াতেন তিনি।
১৯ জুলাই স্বজনেরা শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে মাহামুদুরের মাথায় ব্যান্ডেজ বাঁধা রক্তাক্ত লাশ পেয়েছিলেন। মৃত্যুর কারণ হিসেবে লেখা ছিল ‘গান শট’।
মাহামুদুর রহমানের বাবা মাহাবুবের রহমান ও মা আফরোজা রহমান ছেলে মারা যাওয়ার পর থেকে স্বাভাবিক হতে পারছেন না। নূরজাহান রোডে বাসার কাছেই ‘দই ঘর’ নামের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান আছে মাহাবুবের রহমানের। ছেলে তাঁকে ব্যবসায় সহায়তা করতেন। দোকানে বসতেন। ১৯ জুলাই পারিবারিক কাজে মাহাবুবের রহমান চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে গ্রামের বাড়িতে ছিলেন। সেদিনও মাহামুদুর সকাল থেকে দোকান সামলান। দুপুরে জানতে পারেন তাঁর এক বন্ধু গুলিবিদ্ধ হয়েছে। পরে বাসায় গিয়ে মাকে সে কথা জানিয়ে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন। বেলা ৩টা ৩৭ মিনিটের দিকে তিনি গুলিবিদ্ধ হন।
সাবরিনা আফরোজের মুঠোফোনে অনেকের কাছ থেকে পাওয়া ১৯ জুলাইয়ের ছোট ছোট কয়েকটি ভিডিও ফুটেজ জমা হয়েছে। সেই ভিডিও ফুটেজ অনুযায়ী, মাহামুদুর বেলা ৩টা ৩৭ মিনিটের দিকে মারা গেছেন। তাঁর কানের পাশ দিয়ে গুলি লেগে মাথার পেছন দিয়ে বের হয়ে যায়। গুলি লাগার সঙ্গে সঙ্গে মাহামুদুর রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন। আন্দোলনকারীদের কয়েকজন ধরাধরি করে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যান।
সাবরিনা জানালেন, তাঁর ভাই মারা যাওয়ার পর থেকে বাবা দোকানে গেলেও সেখানে বসেই কান্নাকাটি করতে থাকেন। দোকান থেকে ভাই যে জায়গায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছে, সেই জায়গায় গিয়ে একা দাঁড়িয়ে থাকেন।
১৯ জুলাই ৬৪ বছর বয়সী মাহাবুবের রহমান সন্দ্বীপ থেকে বারবার ছেলেকে ফোন করে খবর নিচ্ছিলেন। একসময় অচেনা একজন ছেলের ফোন ধরে মৃত্যুর সংবাদ দিয়েছিলেন। ফোন ধরে বলেছিলেন, ‘আপনার ছেলে মরে গেছে।’ এই খবর পেয়েই সন্দ্বীপ থেকে ঢাকায় রওনা দিয়েছিলেন তিনি। ছেলের ৬ ফুট ২ ইঞ্চি উচ্চতা নিয়ে একসময় গর্ব করলেও ছেলের মাথায় গুলি লাগার পর এই বাবার মনে হয়েছে, ছেলে এত লম্বা না হলে হয়তো গুলিটা মাথায় লাগত না। শরীরের অন্য কোনো জায়গায় গুলিটা লাগলে হয়তো ছেলেটা বেঁচে যেত।
মাহামুদুর রহমানের জন্মদিনে এমন কেক তৈরি করতেন বড় বোন সাবরিনা আফরোজ। এবার আর এসবের কিছু করছেন না
এ ঘটনা নিয়ে ২৮ জুলাই প্রথম আলো অনলাইনে ‘একজন ফোন ধরে বলল, আপনার ছেলে মরে গেছে’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন ছাপা হয়।
হয়রানির শিকার হওয়ার ভয়ে ছেলে মারা যাওয়ার পর প্রথম দিকে মাহাবুবের রহমান মামলা করতে চাননি। তবে আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হওয়ায় গত ২৫ আগস্ট এই বাবা বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় ছেলের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলা করেছেন। এ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও পুলিশ সদস্যদের আসামি করা হয়েছে।
এখন পর্যন্ত এ মামলার তেমন কোনো অগ্রগতি নেই জানিয়ে সাবরিনা আফরোজ বলেন, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে নিহত ব্যক্তিদের স্মরণে আগামী শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) যে সভা হবে, সেখান থেকে যদি মামলাগুলো ত্বরান্বিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়, পরিবারগুলো কেমন আছে, তা জানার চেষ্টা করা হয়, তাহলে ভালো হবে। তবে সভা যদি লোক দেখানো বা টাকা খরচের উপলক্ষ হিসেবে করা হয়, তা কখনোই মেনে নেওয়া যাবে না।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিতর্কে ট্রাম্প ও হ্যারিসের যত সত্য-মিথ্যা -আল জাজিরা
বিতর্কে দুই প্রার্থী একে অপরের বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ তুলেছেন, কথা বলেছেন অনেক বিষয় নিয়ে। বিতর্কে তাঁরা কোনটা সত্য বলেছেন আর কোনটা মিথ্যা, তা নিয়ে নিচে আলোচনা করা হলো।
‘হ্যারিস নেতানিয়াহুর সঙ্গে দেখা করেননি’
বিতর্কে ট্রাম্প বলেন, মার্কিন কংগ্রেসে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যখন গুরুত্বপূর্ণ একটি বক্তৃতা দিচ্ছিলেন, তখন তাঁর সঙ্গে দেখাও করেননি কমলা হ্যারিস। তিনি সেখানে ছিলেন না। কারণ, নারী শিক্ষার্থীদের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন তিনি।
বিষয়টি নিয়ে একটি ব্যাখ্যা আছে। এটা ঠিক, কমলা হ্যারিস গত ২৪ জুলাই মার্কিন কংগ্রেসের এক যৌথ অধিবেশনে নেতানিয়াহুর বক্তব্যের সময় উপস্থিত ছিলেন না। আগে থেকে নির্ধারিত একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিতে হয়েছিল তাঁকে। তবে এর পরদিনই নেতানিয়াহুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি।
আফগানিস্তান নিয়ে ভুল তথ্য
বিতর্কের সময়ে ট্রাম্প দাবি করেছেন, আফগানিস্তানে ৮ হাজার ৫০০ কোটি ডলার মূল্যের একেবারে নতুন সমরাস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম ফেলে এসেছিল যুক্তরাষ্ট্র। তবে ট্রাম্পের দেওয়া এ তথ্য ভুল।
২০২১ সালে আফগানিস্তানে সরকার পতনের পর সেই সরকারকে যেসব অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র, সেসব উত্তরাধিকার সূত্রে পায় তালেবান। এ নিয়ে কংগ্রেসে দাখিল হওয়া একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, আফগানিস্তানে ফেলে আসা যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামের মূল্য ৭০০ কোটি ডলারের মতো।
হাইতির অভিবাসীরা ‘বিড়াল ধরে খাচ্ছেন’
ট্রাম্প দাবি করেন, সীমান্ত পেরিয়ে যেসব মানুষ ওহাইও অঙ্গরাজ্যের স্প্রিংফিল্ড শহরে এসেছেন, তাঁরা বিড়াল ধরে খাচ্ছেন। বিড়ালসহ সেখানকার বাসিন্দাদের পোষা প্রাণী খেয়ে ফেলছেন এসব মানুষ।
ট্রাম্পের এমন দাবি মিথ্যা। স্প্রিংফিল্ড শহর কর্তৃপক্ষের একজন মুখপাত্র স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, হাইতির অভিবাসীরা স্থানীয় লোকজনের পোষা প্রাণী চুরি করে খেয়ে ফেলছেন বলে যে দাবি করা হচ্ছে, এর কোনো ভিত্তি পাওয়া যায়নি।
‘মহামন্দার পর সর্বোচ্চ বেকারত্ব’
বিতর্কের সময় কমলা হ্যারিস দাবি করেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতা ছাড়ার সময় যুক্তরাষ্ট্রে বেকারত্বের হার ছিল মহামন্দার পর সবচেয়ে বেশি। বর্তমান মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের এমন দাবি মিথ্যা।
এটা ঠিক যে ২০২০ সালের এপ্রিলে ট্রাম্প যখন ক্ষমতায়, তখন যুক্তরাষ্ট্রের বেকারত্বের হার বেড়ে হয় ১৪ দশমিক ৮, যা ছিল গত শতকের ত্রিশের দশকের বৈশ্বিক মহামন্দার পর সর্বোচ্চ। তখন করোনা মহামারি চলছিল। তবে একই বছরের ডিসেম্বরে ট্রাম্প যখন ক্ষমতা হস্তান্তর করেন, তখন দেশটিতে বেকারত্বের হার ছিল ৬ দশমিক ৪।
কর্মসংস্থানের পরিসংখ্যান ‘ভুয়া’
হ্যারিসের সঙ্গে বিতর্ক ট্রাম্প দাবি করেন, বাইডেন–হ্যারিস প্রশাসন বলছে, নতুন করে ৮ লাখ ১৮ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে তারা। নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির যে পরিসংখ্যান দেওয়া হচ্ছে, তা ভুয়া।
তবে ট্রাম্পের এমন দাবি ভিত্তিহীন। কেননা, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় যে সংস্থা কর্মসংস্থান সৃষ্টির পরিসংখ্যান তৈরি করে সেই সংস্থার হিসাবে, গত বছর দেশটিতে নতুন করে ৮ লাখ ১৮ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। এক বছরের চেষ্টার পর কয়েক দফা যাচাই–বাছাই করে এই হিসাব পরিসংখ্যান তৈরি করেছে সংস্থাটি।
‘জলবায়ু পরিবর্তন একটা ধাপ্পাবাজি’
বিতর্কের সময় কমলা হ্যারিস বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টি ধাপ্পাবাজি হিসেবে বর্ণনা করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু আমরা জানি, এটা খুবই সত্যিকারের একটি বিষয়।’
কমলা হ্যারিসের এ দাবি সত্য। ট্রাম্প একাধিকবার জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক উষ্ণায়নের বিষয়টিকে একটা ধাপ্পাবাজি হিসেবে বর্ণনা করেছেন। শুধু বক্তৃতা নয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্ট ও বিভিন্ন সাক্ষাৎকারেও একই কথা বলেছেন তিনি।
পুতিন–ইউক্রেন সমঝোতার চেষ্টা
ট্রাম্পের দাবি, ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরুই হতো না। কমলা হ্যারিস ছিলেন দূত। জেলেনস্কি ও পুতিনের সঙ্গে সমঝোতার জন্য তাঁকে পাঠানো হয়েছিল। কমলা গিয়েছিলেনও এবং এর তিন দিন পরই যুদ্ধ শুরু হয়।
ট্রাম্পের এ দাবি মিথ্যা। রাশিয়া ইউক্রেনে সামরিক হামলা শুরুর কয়েক দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে কমলা ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন; কিন্তু রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে তাঁর কোনো সাক্ষাৎ হয়নি। আর এই তিনজনের মধ্যে সমঝোতার বিষয়ে কোনো আলোচনাও হয়নি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পুতিনের কঠিন শর্ত মানতে রাজি নয় তুরস্ক
কেউ কেউ বলছেন, ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত ছিল না এমন দেশ এড়িয়ে চলছেন পুতিন। আবার কারও কারও মতে, চলতি বছর নির্বাচনের কারণে পুতিনের তুরস্ক সফর হয়ে ওঠেনি।
রাশিয়ার কাছ থেকে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তুরস্কের সম্পর্ক খারাপ হয়। তবে ন্যাটো সদস্যভুক্ত তুরস্ক ওয়াশিংটন ও মস্কোর সঙ্গে সম্পর্কে ভারসাম্য বজায় রাখতে ঠিকই সক্ষম হয়েছে। এরইমধ্যে রাষ্ট্রীয় সফরে পুতিনের তুরস্ক যাওয়ার কথা থাকলেও তা বারবার পিছিয়ে গেছে। এবার ওই সফর পিছিয়ে যাওয়ার কারণ জানা গেল। মিডল ইস্ট আইকে ওই সফর সম্পর্কে অবগত সূত্রগুলো জানিয়েছে, পুতিনের শর্তের কারণেই বারবার পিছিয়েছে এ সফর।
সূত্রগুলো জানিয়েছে, পুতিন চাইছেন রাশিয়ার যুদ্ধবিমানের পাহারা নিয়ে তুরস্কের আকাশে প্রবেশ করতে। ইউক্রেন পুতিনকে বহনকারী বিমানকে ভূপাতিত করতে পারে, এমন শঙ্কা থেকেই রুশ প্রেসিডেন্ট এমন শর্ত জুড়ে দিয়েছেন। শুধু তুরস্কের আকাশে প্রবেশই নয়, দেশটির মাটিতে রুশ যুদ্ধবিমান অবতরণ করাতে চান পুতিন। আর এ নিয়েই যত জটিলতা। ন্যাটোভুক্ত হওয়ায় এ ধরনের যুদ্ধবিমান তুরস্কে প্রবেশ করলে তা শত্রু টার্গেট হিসেবে বিবেচিত হবে।
বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একজন জানিয়েছেন, রাশিয়ার অনুরোধ রাখতে গিয়ে নিজ দেশে থাকা ন্যাটোর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বন্ধ করতে চায় না তুরস্ক। যদিও অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে পুতিনের আঙ্কারা সফরের একটি সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ করেছেন রুশ ও তুর্কি কর্মকর্তারা। তবে পুতিন যদি তার দাবি থেকে না সরে আসেন, তাহলে এই সফর নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিতে পারে। সবশেষ ২০১৪ সালে তুরস্ক গিয়েছিলেন পুতিন।
তুরস্কের সাবেক দুজন রাষ্ট্রদূত বলেছেন, রাশিয়ার অনুরোধ খুবই অস্বাভাবিক। বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধানকে পাহারা দিয়ে নিয়ে আসার জন্য তুরস্কের সরকার হয়তো যুদ্ধবিমান পাঠাতে পারে। তবে কোনো রাষ্ট্রপ্রধান তার দেশের যুদ্ধবিমান নিয়ে অন্য কোনো দেশে গেছে, এমনটা আমি মনে করতে পারছি না। তৃতীয় আরেকজন সাবেক তুর্কি রাষ্ট্রদূত বলেন, এ ধরনের দাবি নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রটোকল নেই, বিতর্কের তৈরি হয়েছে।
অবশ্য যুদ্ধবিমান ছাড়াও অন্য দাবি আছে রাশিয়ার। আঙ্কারায় মার্কিন ব্যবসায়ীদের মালিকানাধীন দ্য হিলটন, শেরাটন ও জেডব্লিউ ম্যারিয়ট হোটেল নিয়েও আপত্তি আছে মস্কোর। তাদের দাবি, এসব হোটেলে থাকা পুতিনের জন্য অনিরাপদ। এখন প্রশ্ন দাঁড়িয়েছে, তাহলে পুতিনকে কী সরকারি অতিথি ভবনে রাখবে তুরস্ক। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে এমন কোনো কিছুর নজির নেই। শেষ পর্যন্ত, হয়তো নিরাপত্তার কারণেই বারবার পিছিয়ে যাচ্ছে পুতিনের তুরস্ক সফর।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরানের কাছে পরমাণুচালিত সাবমেরিন মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র
ইউএসএস জর্জিয়ার মোতায়েনের বিষয়টি মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) নিশ্চিত করেছেন মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা। এর আগে ওই সাবমেরিন মোতায়েন নিয়ে খবর প্রকাশ করেছিল আল আরাবিয়া। ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধের শঙ্কায় মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক তৎপরতা বাড়িয়েছে। এরই অংশ হিসেবে এবার সেখানে পরমাণুচালিত সাবমেরিন পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র।
ইসরায়েলের সঙ্গে ইরান ও লেবাননের সম্ভাব্য যুদ্ধ ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্য। নিজেদের পরম মিত্র ইসরায়েলকে বাঁচাতে এরই মধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে তাতেও স্বস্তি পাচ্ছে না ওয়াশিংটন। তাই গেল আগস্টে মধ্যপ্রাচ্যে গাইডেড মিসাইল সাবমেরিন মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছিলেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন।
ইরান ও লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় তেহরানের ঘনিষ্ঠ কয়েকজন কর্মকর্তা ও কমান্ডার নিহত হয়। এরপর পাল্টা হামলা চালায় লেবানন। চরম প্রতিশোধের হুমকি দিয়ে রেখেছে ইরানও। তবে এখনো পর্যন্ত ইরানের দিক থেকে তেমন কোনো হামলা বা সামরিক কর্মকাণ্ড দেখা যায়নি। তবে মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, ইসরায়েলে ইরানের হামলার হুমকি রয়েছে।
পেন্টাগন বলছে, তাদের এমন কৌশল খুব কার্যকর হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে একের পর এক সামরিক অ্যাসেট পাঠিয়ে ইরানের মনস্তাত্ত্বিক জায়গাটা দখল করে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। মাত্র দুই সপ্তাহ আগেই মধ্যপ্রাচ্যে জলসীমায় ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনকে পাঠায় ওয়াশিংটন। ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপকেও ওই অঞ্চলে উপস্থিতি বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন লয়েড অস্টিন।
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেন্টকমে প্রায় ৪০ হাজার মার্কিন সেনা রয়েছে। এটি স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে ১০ হাজার বেশি বলে জানা গেছে। এ ছাড়াও ব্যালিস্টিক মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম, ডেস্ট্রয়ার, অতিরিক্ত যুদ্ধবিমানসহ বিভিন্ন ধরনের সামরিক অ্যাসেটের মোতায়েনের মাধ্যমে ইসরায়েল এবং এই অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে থাকা নিজেদের সেনাদের রক্ষায় সচেষ্ট হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
সামরিক অ্যাসেট মোতায়েনের পাশাপাশি ইসরায়েলের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলছে যুক্তরাষ্ট্র। ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের সর্বশেষ পরিস্থিতি জানতে সপ্তাহান্তে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন অস্টিন। যুক্তরাষ্ট্র বলছে, তারা গাজায় যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত ও উত্তেজনা প্রশমন নিয়ে আপাতত মনোযোগী। তবে গাজায় বার বার বেসামরিক ব্যক্তিদের ওপর হামলা নিয়েও তাদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কমলার বাক্যবাণে খেই হারালেন ট্রাম্প
বিতর্ক মঞ্চে প্রবেশ করেই ট্রাম্পের দিকে এগিয়ে গিয়ে হাত বাড়িয়ে দেন কমলা। দুজনের করমর্দন শেষে কমলার বক্তব্য দিয়ে শুরু হয় বিতর্ক। এদিন উভয় নেতা গাজা যুদ্ধ, অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্যসেবা, মূল্যস্ফীতি, অভিবাসন নীতি ও গর্ভপাতসহ নানা বিষয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছেন। তবে কমলার সামনে পাত্তাই পাননি সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। শেষমেশ একপর্যায়ে কমলাকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে খারাপ ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে বর্ণনা করেন তিনি।
বিতর্কের প্রথম প্রশ্নই ছিল অর্থনৈতিক পরিকল্পনা ও মূল্যস্ফীতি নিয়ে। এই ইস্যুতে কমলা বলেন, তিনি মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে এসেছেন। তাই, তিনি তাদের কষ্ট বোঝেন। এজন্য মধ্যবিত্তদের জন্য কর কর্তনের পরিকল্পনার কথা জানান কমলা। আর ট্রাম্প ক্ষমতায় গেলে ধনীদের কর কর্তন করা হবে বলে উল্লেখ করেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট। জবাবে ট্রাম্প বলেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে দেশটির ইতিহাসের সেরা অর্থনীতি বানিয়েছিলেন। আর মূল্যস্ফীতির জন্য বাইডেন প্রশাসনকেই দায়ী করেন তিনি।
ক্ষমতায় যেতে দুই নেতাই ইসরায়েলকে তোষণ করেছে। ট্রাম্প অভিযোগ করে বলেন, কমলা ইসরায়েলকে ঘৃণা করেন। তিনি আরব জনগণকেও ঘৃণা করেন বলে দাবি করেন ট্রাম্প। গাজা যুদ্ধ নিয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট থাকলে এ যুদ্ধ হতোই না। এই যুদ্ধের সমাপ্তি হওয়া উচিত উল্লেখ করে কমলা বলেন, ইসরায়েলের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে, তবে এটি কীভাবে করছে তা গুরুত্বপূর্ণ।
বিতর্কে বাইডেনকে অস্তিত্বহীন প্রেসিডেন্ট বলে কমলার তোপের মুখে পড়েন ট্রাম্প। ওই মন্তব্যের জের ধরে কমলা বলেন, নির্বাচনে আপনি বাইডেনের বিরুদ্ধে লড়ছেন না, আপনি লড়ছেন আমার বিরুদ্ধে। একপর্যায়ে রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত প্রসঙ্গে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে বলেন, আপনি এখন আর প্রেসিডেন্ট নেই- এতে আমাদের ন্যাটো মিত্ররা খুবই কৃতজ্ঞ। পুতিন ট্রাম্পকে সহজেই কবজা করে ফেলতেন বলেও উল্লেখ করেন কমলা।
অবৈধ অভিবাসীদের ঠেকাতে বাইডেন প্রশাসনে নিজের ভূমিকার কথা তুলে ধরেন কমলা। তিনি বলেন, কংগ্রেসে এ নিয়ে একটি বিল উত্থাপন করা হয়েছিল, সেটিতে সমর্থন জানিয়েছিলাম। এর মাধ্যমে সীমান্তে আরও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হবে, যা সীমান্ত এলাকা সুরক্ষা দেবে। তবে ট্রাম্প কড়া ভাষায় বাইডেন প্রশাসনের সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, দেশটির সীমান্ত দাগি অপরাধীদের জন্য খুলে দিয়েছে বাইডেন প্রশাসন।
আফগানিস্তানে তালেবানদের সঙ্গে ট্রাম্পের আলোচনা, গর্ভপাত, ট্রাম্পের বিতর্কিত বিভিন্ন মন্তব্য নিয়েও প্রশ্ন করা হয় বিতর্কে। এসব প্রশ্নের কোনো কোনোটির ক্ষেত্রে ক্রেডিট নিয়েছেন ট্রাম্প। কিছু প্রশ্নের ক্ষেত্রে উত্তর দেওয়া এড়িয়ে গেছেন তিনি। বিতর্ক শেষে কমলা শিবিরের ধারণা এতে জয়ী হয়েছেন। ট্রাম্প শিবিরও একই ধরনের দাবি করলেও বিশ্লেষকরা বলছেন, কমলাই বিতর্কে এগিয়ে ছিলেন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ওপারে গোলাগুলি, ফের ঢুকছে হাজার হাজার রোহিঙ্গা
সোমবার (১০ই সেপ্টেম্বর) স্থানীয় ও রোহিঙ্গা ক্যাম্প (নং ২৬ ও ২৭) সরজমিন ঘুরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতিদিন টেকনাফ সীমান্তে মিয়ানমার থেকে আসা বিকট আওয়াজে এদেশের বাড়িঘরগুলো থর থর করে কেঁপে ওঠে। মুহুর্মুহু এ শব্দে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে সীমান্তবাসীর মধ্যে। রাখাইনের মংডুতে সামরিক বাহিনীর সঙ্গে দেশটির সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির চলমান সংঘাত দিন দিন আরও তীব্র থেকে তীব্রতর হয়েছে। এ সংঘর্ষকে ঘিরে সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে দালালদের মাধ্যমে বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে বিচ্ছিন্নভাবে এদেশে অনুপ্রবেশ করছে শত শত রোহিঙ্গা। রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে নতুনভাবে ঘর নির্মাণ করে বসবাস করছে নতুন আসা রোহিঙ্গারা। আবারো রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের ফলে সীমান্তে বসবাসরত এদেশের বাসিন্দাদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
কয়েকজন নতুন আসা ক্যাম্পে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গারা জানিয়েছেন, সেনা ও আরাকান আর্মির মধ্যে দুই পক্ষের গোলাগুলিতে অনেক রোহিঙ্গা মারা যাচ্ছে। মংডু টাউন দখলে নিয়েছে আরাকান আর্মি। মংডু টাউনসহ আশপাশের গ্রামের মানুষ অন্য এলাকায় চলে গেছে। হঠাৎ করে গোলাগুলি ও বোমার আঘাতে অনেকে মৃত্যুবরণ করেছে। এখন জনশূন্য মংডু। যে এলাকায় লোকজন চলে গিয়ে আশ্রয় নেয়, সেই এলাকায় নতুন করে শুরু হয় গোলাগুলি ও বোমা নিক্ষেপ। ফলে প্রাণ হারায় অনেকে। তাই প্রাণ বাঁচাতে পাশের দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ছাড়া তাদের যাওয়ার মতো কোনো জায়গা নেই। দালালদের মাথাপিছু ২০-২৫ হাজার টাকা দিয়ে এপারে পরিবার নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে এসেছে বলেও জানান ওই রোহিঙ্গারা।
অনেক পরিবার এপারে চলে আসলেও নৌকার জন্য ওপারে অপেক্ষা করছে শত শত রোহিঙ্গা পরিবার। বর্তমানে সেখানে অবস্থানরত রোহিঙ্গারা মানবেতর জীবনযাপন করছে। দেখা দিয়েছে খাদ্যের তীব্র সংকট। যেকোনো সময় তারা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করতে অপেক্ষায় রয়েছেন বলেও জানান।
সীমান্তের বাসিন্দা আরেফ আহমেদ বলেন, রাতভর মিয়ানমারে বিকট আওয়াজে আমরা সীমান্তের মানুষ ঘুমাতে পারেনি। অনেকে ঘরের বাইরে রাত কেটেছে। একটু পরপরই বিকট গুলির শব্দে সীমান্ত কেঁপে ওঠে। এ পরিস্থিতিতে যেকোনো মুহূর্তে সীমান্তে আবারো অনুপ্রবেশ ঘটতে পারে।
টেকনাফ সীমান্ত এলাকার বাসিন্দারা আরও জানান, গত নভেম্বর থেকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে বিদ্রোহী আরাকান আর্মির সংঘাত তীব্র হয়েছে। প্রায় প্রতিদিন ওপার থেকে গোলাগুলির শব্দ ভেসে আসছে।
চলমান সংঘাতের মধ্যে সীমান্তে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে, নাফ নদ পার হয়ে প্রতিদিন বাংলাদেশে ঢুকে পড়ছেন রোহিঙ্গারা। পরে তারা চলে যাচ্ছেন উখিয়া-টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা শিবিরে। এ ছাড়া মিয়ানমারের মংডু, মগনিপাড়া, সিকদারপাড়া, ফয়েজিপাড়া, নুরুল্লাহপাড়া, সুদাপাড়া ও আইরপাড়া এলাকায় অন্তত ৩০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। স্থানীয়রা বলছেন, গত এক মাসে কয়েক হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে ঢুকে পড়েছে।
বিজিবি ও কোস্টগার্ড সদা সীমান্ত পাহারা এবং নাফ নদে টহল জোরদার করলেও রাতের আঁধারে তাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে একশ্রেণির দালাল রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ করাচ্ছে। তাদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অর্থ ও স্বর্ণালংকার। বিশেষ করে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের জালিয়াপাড়া, মিস্ত্রি পাড়া, সাবরাং, টেকনাফের কেরুনতলী, হাবিরছড়া, রাজারছড়া, হ্নীলার, নাইট্যংপাড়া, দমদমিয়া, জাদিমুড়া, মোছনী, নয়াপাড়া, মোছনী, লেদার কয়েকটি সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে এসব রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করছে। এসময় বিজিবি ও কোস্টগার্ডের হাতে আটক হয়েছে অনেকে। পরে তাদেরকে পুশব্যাক করা হয়েছে। এব্যাপারে জানতে চাইলে টেকনাফ ২ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মহিউদ্দীন আহমেদ বলেন, বিচ্ছিন্ন ভাবে কিছু রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করেছে। তবে বিজিবি অনুপ্রবেশ প্রতিনিয়ত প্রতিহত করে যাচ্ছে। সোমবারও বিজিবি এবং কোস্টগার্ড সমন্বয়ে যৌথ টহল দেয়া হয়েছে। এ ছাড়াও অনুপ্রবেশ প্রতিহত করতে টহল জোরদার করা হয়েছে। কিছু দেশীয় দালাল মিয়ানমারের দালালদের সঙ্গে মিলে রোহিঙ্গা নিয়ে আসার চেষ্টা করছে। তাদের ব্যাপারেও আমরা আইনগত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাকিস্তান ভারতের মাটিতে সন্ত্রাসে মদদ দিচ্ছে: রাহুল গান্ধী
ওয়াশিংটন ডিসিতে এক অনুষ্ঠানে রাহুল বলেন, ‘পাকিস্তান সন্ত্রাসের মদতদাতা। ভারতের মাটিতে হিংসা ছড়াতে লাগাতার সন্ত্রাসে মদদ যুগিয়ে চলেছে প্রতিবেশী দেশ। ভারত এটা কোনোভাবেই সহ্য করবে না। যতক্ষণ না তারা (পাকিস্তান) এটি বন্ধ করছে, ততক্ষণ সমস্যা থাকবে।
আগামী মাসে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও) সরকারি প্রধানদের বৈঠকের ঠিক আগে এমন মন্তব্য করলেন এই কংগ্রেস নেতা। এদিকে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য ইসলামাবাদ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণপত্র পাঠিয়েছে।
মোদি পাকিস্তান সফরকারী শেষ ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী। ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে তার তৎকালীন প্রতিপক্ষ নওয়াজ শরিফের সঙ্গে দেখা করার জন্য লাহোরে গিয়েছিলেন। ভারতে আসা শেষ পাকিস্তানি নেতা ছিলেন তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি, যিনি গত বছরের মে মাসে গোয়ায় অনুষ্ঠিত এসসিও-এর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন।
২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে জম্মু ও কাশ্মীরের পুলওয়ামায় সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স (সিআরপিএফ) কর্মীদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার পর নয়াদিল্লি তার প্রতিবেশীকে দেওয়া ‘মোস্ট ফেভারড নেশন’ তকমা প্রত্যাহার করে। ১৯৯৯ সালের কার্গিল যুদ্ধের পর দুই দেশের মধ্যে টানটান উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। একই বছর আগস্টে ভারত ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল করার পরে ইসলামাবাদ তীব্র প্রতিবাদ করেছিল।
পাশাপাশি আমেরিকা ও চীনের সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্ক নিয়েও মুখ খোলেন রাহুল গান্ধী।
আমেরিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ভারত ও আমেরিকার কূটনৈতিক সম্পর্কে দু’টি মুখ্য বিষয় রয়েছে প্রথমটি হলো প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং আমি মনে করি আমরা উভয়েই এই বিষয়ে ভালো কাজ করছি। আর দ্বিতীয়টি হলো চীন।’
বর্তমানে প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে চীনের আগ্রাসী নীতির বিরোধিতা ও দক্ষিণ চিন সাগরে চিনের আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টায় বিরুদ্ধে ভারত ও আমেরিকার কাছে আসার বিষয়টি উল্লেখযোগ্য বলে মনে করেন রাহুল।
সূত্র: হিন্দুস্থান টাইমস

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফের মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় ইরান

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এফবিসিসিআই সভাপতি মাহবুবুল আলমের পদত্যাগ
সূত্র জানায়, মাহবুবুল আলম সিঙ্গাপুরে মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সেখান থেকেই তিনি পদত্যাগপত্র পাঠান।
গত ৫ই আগস্ট পর এফবিসিসিআইয়ের বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ বাতিল করে প্রশাসক নিয়োগ করার দাবি জানিয়ে গত ১৮ই আগস্ট অর্থ ও বাণিজ্য উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদকে চিঠি দেন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সহসভাপতি আবুল কাসেম হায়দারসহ বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ী।
ওই চিঠিতে বলা হয়, গত ১৫ই বছরে এফবিসিসিআইয়ের কার্যক্রম ব্যবসা, শিল্প-বাণিজ্য ও সেবা খাতের স্বার্থে পরিচালিত হয়নি। বরং অনির্বাচিত, একদলীয় স্বৈরাচারী সরকারের তোষামোদি, ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলসহ রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নে তৎপর ছিল। রাজনৈতিক মদদপুষ্ট কিছু অসাধু, অব্যবসায়ী পর্ষদের নেতৃত্বে এসে এফবিসিসিআই অফিসকে দলীয় কার্যালয়ে পরিণত করেছে। বিভিন্ন বাজার সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের মূল্য অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি করে তারা দেশের সাধারণ মানুষের জীবন দুর্বিষহ করে তুলেছিল।
এ ছাড়া গত ৪ঠা সেপ্টেম্বর ও ২১শে আগস্ট এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মাহবুবুল আলমসহ পরিচালনা পর্ষদের পদত্যাগের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি ও মানববন্ধন পালন করেছেন ফেডারেশনের সদস্যদের একাংশ।
এফবিসিসিআইয়ের একাংশের সদস্যদের প্রশাসক নিয়োগের আবেদনের প্রেক্ষিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডিটিও কার্যালয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিতে অংশ নিতে এফবিসিসিআই সভাপতি মাহবুবুল আলম বরাবর নোটিশ পাঠানো হয়।
শুনানিতে এফবিসিসিআইয়ের একাংশের সদস্যরা ডিটিও মহাপরিচালককে বলেন, এফবিসিসিআই সভাপতি মাহবুবুল আলম সহ পরিচালনা পর্ষদের ৭৯ জন পরিচালক এফবিসিসিআইয়ের কার্যালয়ে আসছেন না। এতে এফবিসিসিআইয়ের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে।
দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে এর প্রভাব পড়েছে। ব্যবসায়ীরা নানা প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হচ্ছেন। এ অবস্থায় এফবিসিসিআইয়ের বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ বাতিল করে একজন প্রশাসক নিয়োগ দেয়া হোক।
উল্লেখ্য, গত বছরের ২রা আগস্ট ২০২৩-২০২৫ মেয়াদের পরিচালনা পর্ষদে একক প্রার্থী হিসেবে এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি নির্বাচিত হন মাহবুবুল আলম। পরিচালনা পর্ষদের মধ্যে চেম্বার ও এসোসিয়েশন থেকে ৪০ জন করে মোট ৮০ জন পরিচালক নির্বাচিত হন। নির্বাচিত পরিচালকদের মধ্য থেকে একজন সভাপতি, একজন সিনিয়র সহসভাপতি এবং ছয়জন সহসভাপতি নির্বাচিত হন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হামাসের সঙ্গে সাময়িক যুদ্ধবিরতি সম্ভব: ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী
হামাস এবং ইসরাইলের মধ্যে চলমান ভয়াবহ যুদ্ধের ইতি টানতে মিশর এবং কাতারের মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র গত এক মাসের বেশি সময় ধরে কাজ করছে। যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ সত্ত্বেও গাজায় যুদ্ধ বিরাজমান। হামাসের দাবি হচ্ছে অনতিবিলম্বে গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে হবে এবং উপত্যকা থেকে ইসরাইলি সেনাদের প্রত্যাহার করে নিতে হবে। তবে ইসরাইল মাত্র দেড় মাসের জন্য অস্থায়ীভাবে তাদের সেনা প্রত্যাহারের কথা জানিয়েছে। উভয় পক্ষের ভিন্ন দাবির ফলে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর আলোচনা বাস্তবে রূপ পাচ্ছে না। ইসরাইলের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব নিয়ে ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটি তিন পর্বে এই যুদ্ধবিরতি কার্যকরের একটি খসড়া প্রস্তুত করেছে। সেখানে ছয় সপ্তাহের মধ্যে ৭০ জন জিম্মির মুক্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ইসরাইলের ধারণা এসব জিম্মি এখনও জীবিত রয়েছেন। বিনিময়ে ইসরাইলের কারাগার থেকে কয়েক ডজন ফিলিস্তিনিকে মুক্তির পাশাপাশি দেশটির জনবহুল এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহারের কথা জানিয়েছে ইসরাইল। এছাড়া গাজায় যারা বাস্তুচ্যুত হয়েছে তাদের নিজ বাসস্থানে ফিরিয়ে আনার সুযোগ দেয়া হবে। অস্থায়ী এই যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে গাজাবাসীর জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ সহায়তার সুযোগ দেয়া হবে বলে জানিয়েছে তেল আবিব।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিনেট বক্তব্যে ড. ইউনূস সম্পর্কে যা বললেন ডিক ডারবিন
ড. ইউনূসের এসব কর্মসূচি উন্নয়নশীল দেশগুলোতে নিম্ন আয়ের মানুষদের দারিদ্রতা থেকে মুক্তি পেতে সহায়তা করেছে। ড. ইউনূসের সঙ্গে বাংলাদেশে প্রথম সফরে প্রথমবার সাক্ষাতের বিষয় ভাষণের শুরুতে তুলে ধরেন ডিক ডারবান। তিনি বলেন, ওই সফরের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতির একজন প্রফেসরের (ড.ইউনূস) সঙ্গে আমাকে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়েছিল। তিনি ছিলেন চমৎকার চরিত্রের একজন মানুষ। তিনি এমন একটি তত্ত্ব নিয়ে সামনে এগিয়েছেন, যা পৃথিবীর সবচেয়ে দরিদ্র মানুষগুলোকে সহায়তা করবে।
এর নাম ক্ষুদ্রঋণ। তিনি ‘গ্রামীণ ব্যাংক’ নামে জনগণের একটি ব্যাংক সৃষ্টি করেছেন। তিনি এটা প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন যে, পৃথিবীতে সবচেয়ে দরিদ্র মানুষগুলোকে আপনি ক্ষুদ্র পরিমাণে ঋণ দিয়ে তাদের জীবনে নাটকীয় পরিবর্তন আনতে পারেন। ঋণ নিয়ে তারা তা ফেরত দেবেন। এর মাধ্যমে তারা অধিক গঠনমূলক ও অধিক লাভজনকভাবে সামনে এগুতে পারবেন।
ওই সফরের পর তার সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছি আমরা। ডিক ডারবিন আরও বলেন, আমি মনে করি তিনি (ড. ইউনূস) ব্যতিক্রমী, অসাধারণ। তাকে এখানেও (যুক্তরাষ্ট্রে) স্বীকৃতি দেয়া উচিত। তাই প্রয়াত সিনেটর মাইক এনজি এবং কংগ্রেসম্যান রাশ হোল্টের সঙ্গে আমি উদ্যোগ নিলাম এই বিস্ময়রকর অর্থনীতির প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে কংগ্রেসশনাল গোল্ড মেডেল দেয়ার। নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পর তিনি ‘গরীবের ব্যাংকার’ হিসেবেও পরিচিতি পান। তিনি ক্ষুদ্রঋণের প্রবক্তা। এটা বিস্ময়করভাবে বিশ্বের সবচেয়ে দরিদ্র মানুষদের সহায়তার একটি পদ্ধতি। তিনি স্বীকার করেন হাতে সামান্য পরিমাণ অর্থ থাকলেও মানুষ নিজেকে দারিদ্র্য থেকে মুক্ত করতে পারে। ডিক ডারবিন আরও বলেন, তার গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে তিনি (ড. ইউনূস) প্রমাণ করেছেন যে, ক্ষুদ্রঋণ কোনোরকম গ্যারান্টার ছাড়াই দরিদ্র নারীদের মধ্যে বিনিয়োগ করতে পারে। গ্রামীণ ব্যাংকের বেশির ভাগ ঋণ দেয়া হয়েছে নারীদের। তারা ভয়াবহ দারিদ্র থেকে ছোট ছোট ব্যবসায়ী হয়েছেন।
এরপর উগান্ডায় একজন নারীর ক্ষুদ্রঋণ নেয়ার কথা তুলে ধরেন ডিক ডারবিন। সেই নারীর সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হয়েছে। সেই কাহিনী বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, উগান্ডার এক ভাঙাচোরা কুড়েঘর সহ আমি এখন সারাবিশ্বে এই উদ্ভাবনী পদক্ষেপের ফল দেখতে পাচ্ছি। উগান্ডায় আমি তিনজন মায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। তারা স্থানীয় বাজারে কাজ করেন। তাদেরকে দোভাষীর মাধ্যমে জিজ্ঞাসা করেছিলাম- ক্ষুদ্রঋণ কিভাবে তাদের জীবনকে বদলে দিয়েছে। একজন নারী বললেন- আমার হাঁটু এখন নরম হয়েছে। তার কথার অর্থ বুঝতে পারলাম না। তাকে ব্যাখ্যা করতে বললাম। তিনি বললেন- ক্ষুদ্রঋণ আমাকে বাজারে একটা সুযোগ করে দিয়েছে। তা থেকে কিছু অর্থও বানাতে পেরেছি। এই ঋণ নেয়ার আগে আমার বাচ্চাদের খাওয়ানোর জন্য হাঁটুর ওপর ভর করে ভিক্ষা করতাম। এখন আমাকে আর সেটা করতে হয় না। তাই আমার হাঁটু স্বস্তি পেয়েছে।
ডিক ডারবিন বলেন, ড. ইউনূসের ধারণা বিশ্বকে বদলে দিয়েছে। একই সঙ্গে এটা তাকে শান্তিতে নোবেল প্রাইজ এনে দিয়েছে। কিন্তু দুর্ভাগ্য হলো, তার এই ধারণা বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে ক্রোধ এনে দিয়েছে। শেখ হাসিনার সরকার ড. ইউনূসকে প্রশ্নবিদ্ধ আইনি অভিযোগে হয়রানি করেছে। তাকে জেলে পাঠানোর হুমকি দিয়েছে। ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক অস্থিরতায় আগস্টে পদত্যাগ করেন শেখ হাসিনা। তার কয়েকদিন পরেই দেশে একটি নতুন নির্বাচনের জন্য ড. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার শপথ নেয়। ডিক ডারবিন বলেন, গত মাসে আমার বিস্ময়ের ব্যাপারটা কল্পনা করুন! হাসিনা শেষ পর্যন্ত জনবিক্ষোভের মুখে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পদ ত্যাগ করেন। এই আন্দোলনের বিক্ষোভকারীদের দাবি ছিল ড. মুহাম্মদ ইউনূসের চেয়ে ভাল কেউ করতে পারবেন না। এই সেই অর্থনীতির প্রফেসর, যার সঙ্গে ২০ বছরেরও বেশি সময় আগে আমার সাক্ষাৎ হয়েছে। তার এই সুখবর শোনার পর তাকে ফোন করেছি। তিনি উচ্ছ্বসিত ছিলেন এবং বিশ্বাস করেন যে, দেশের মানুষ এখন ঐতিহাসিক এক সুযোগের জন্য প্রস্তুত। তাকে আমার পূর্ণাঙ্গ সমর্থন জানাচ্ছি। তাকে বিশ্বাস করি আমি। ২০ বছর আগে যেমন বিশ্বাস করেছি, আজও তেমনি বিশ্বাস করি। পাশাপাশি আমি তাকে সমর্থন দেয়ার জন্য প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রতি আহ্বান জানাই। আমি জানি বাংলাদেশি জনগণের স্বার্থই ড. ইউনূসের হৃদয়ে। এই চ্যালেঞ্জিং সময়ে তিনি সর্বোচ্চ করবেন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বৃটেনের কারাগারে জায়গা না থাকায় ছেড়ে দেয়া হয়েছে ১৭৫০ জন বন্দিকে by আরিফ মাহফুজ
গত সপ্তাহের পরিসংখ্যান মতে বৃটেনের সর্বশেষ বন্দির সংখ্যা ছিল ৮৮,৫২১ জন, যা ছিল বৃটেনের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক জেল কয়েদি। লেবার সরকার ক্ষমতায় এসেই ঘোষণা দিয়েছিলো যে কিছু বন্দিদের মুক্তি দেয়া হবে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ ছেড়ে দেয়া হয়েছে ১৭৫০ জনকে।
গত সপ্তাহে, বিবিসির একজন সাংবাদিক ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের কারাগারগুলোতে বন্দিদের অধিক সংখ্যক ভিড় ও তাঁদের নিম্নতর জীবন মান নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেন, প্রতিবেদনে দেখা যায় অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে জেলগুলোতে মারাত্মক শারীরিক ও মানসিক সমস্যায় পতিত হচ্ছেন বন্দিরা। অনেকেই মানসিকভাবে বিকারগ্রস্থ হয়ে নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হচ্ছে। নানা বিশৃখলার মধ্যে জীবন কাটানো বন্দিরা হিংস্র আচরণ করেছেন কারা রক্ষীদের সাথেও। বাসস্থান পরিবেশ জরাজীর্ণ ও স্বাস্থ্যসম্মত নয়। এ প্রতিবেদন প্রকাশের পর এটিকেও আমলে নেয় সরকার, যার ফলশ্রুতিতে আজ মুক্তি দেয়া হয় দেড় হাজারের উপর বন্দিকে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সৌদি আরবের চার বিচিত্র শহর, মরুর বুকে নৈসর্গিক প্রকৃতি
কল্পনার এক রাজ্যের বাস্তব নাম তায়িফ। সৌদি আরবের হিজাজ পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত শীতল একটি জায়গা। গোলাপের স্বর্গরাজ্য এ শহরে আছে দুই হাজারেরও বেশি গোলাপ খামার। ফুলেল প্রকৃতির সঙ্গে এখানে মিশে রয়েছে আরবের অনন্য ইতিহাস। বছরের প্রায় বেশিরভাগ সময়ই এখানে চমৎকার ঠান্ডার অনন্য আবেশ পাওয়া যায়।
সৌদি আরবের আসির প্রদেশের রাজধানী আভা। পাহাড়ঘেরা এই শহরে গরম খুব একটা অনুভূত হয় না। এখানকার তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি পেরোয় না খুব একটা। অন্যদিকে পাহাড়ি বাতাসও শীতল। আর বছরজুড়ে বৃষ্টি তো আছেই। এমন সতেজ আবহাওয়ায় ঘুরে বেড়াতে পারেন আবহার আলবাস্তা জেলার ঐতিহ্যবাহী বাজার আর আসির জাতীয় উদ্যানে।
রিজাল আলমা বিশ্বের অন্যতম সেরা একটি পর্যটন গ্রাম। আবহা থেকে মাত্র ৪৫ কিলোমিটারের দূরত্বে অবস্থিত রিজাল আলমা। আসির প্রদেশের এই গ্রামে ফুল-মানবদের বসবাস। বলা হয়ে থাকে এখানে সারা বছর ঠান্ডা উপভোগ করা যায়।
আল নামাস নামক এক শহর সৌদির এক কোণে অবস্থিত। জায়গাটির আরেক নাম, কুয়াশার শহর। এর অবস্থান সারাওয়াত পাহাড়ের চূড়ায়। আবহা থেকে দুই ঘণ্টার পথ। কোলাহলমুক্ত সবুজ শহর আল নামাস, পাহাড়ি সতেজতার জন্য পর্যটকদের কাছে অন্যতম আকর্ষণকেন্দ্র হয়ে উঠেছে। সারা বছরই ঠান্ডা থাকে এখানকার আবহাওয়া।
পাহাড়ি ঝরনা, নৈসর্গিক প্রকৃতি, শান্ত পরিবেশ, অসাধারণ আতিথেয়তা, ঐতিহাসিক স্থাপত্য, ইতিহাস সংবলিত জাদুঘর, আর সবুজ উদ্যান, ইত্যাদি মিলিয়ে আল নামাস দেখার মতো এক জায়গা।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাশিয়ার রাজধানীতে এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় ড্রোন হামলা
প্রতিবেদনে বলা হয়, এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় ড্রোন হামলার সম্মুখীন হলো রাশিয়া। মঙ্গলবার মস্কোর পরিস্থিতি ছিল ভয়াবহ। এ দিন মস্কোর আশপাশের বিমানবন্দর থেকে প্রায় ৫০টি ফ্লাইটকে কর্তৃপক্ষ সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়।
রাশিয়া জানিয়েছে, তারা কমপক্ষে ২০টি ইউক্রেনীয় আক্রমণকারী ড্রোন ধ্বংস করেছে। এ ছাড়া অন্য ৮টি অঞ্চলে ১২৪টিরও বেশি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়। এগুলোও মস্কোতে আঘাত হানার চেষ্টায় ছিল।
বিশ্বের অন্যতম ক্ষমতাশালী দেশ রাশিয়া। দেশটির রাজধানী মস্কোয় ২১ মিলিয়নেরও বেশি জনসংখ্যার বাস। রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর, বাণিজ্য কেন্দ্র, হাসপাতাল এ শহরে অবস্থিত। তবে সবচেয়ে আশঙ্কার বিষয় হলো, পারমাণবিক অস্ত্র শহরটিতে মোতায়েন থাকতে পারে।
ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ সাংবাদিকদের বলেছেন, ড্রোন হামলা ইউক্রেনের রাজনৈতিক নেতৃত্বের আসল প্রকৃতির আরেকটি অনুস্মারক। তারা যে রাশিয়ার শত্রু সেটি আবারও প্রমাণিত। রাতের আঁধারে আবাসিক এলাকাগুলোতে হামলা সামরিক পদক্ষেপ হতে পারে না।
তিনি আরও বলেন, কিয়েভ সরকার তার প্রকৃতি প্রদর্শন করে চলেছে। তারা আমাদের শত্রু এবং আমাদের অবশ্যই এই ধরনের কর্ম থেকে নিজেদের রক্ষা করার জন্য বিশেষ সামরিক অভিযান চালিয়ে যেতে হবে।
রাশিয়া ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে কয়েক হাজার সৈন্য পাঠিয়ে হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে। এর জবাবেই হামলা ইঙ্গিত করে কিয়েভ বলেছে, ৪৬টি ড্রোন দিয়ে আক্রমণ করেছে তারা। কিন্তু ৩৮টি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার আগে ধ্বংস হয়।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মণিপুরে কারফিউ জারি, ইন্টারনেট বন্ধ
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, মণিপুরে নতুন করে সহিংসতার মধ্যে রাজ্যের ইম্ফল পশ্চিম, ইম্ফল পূর্ব এবং মণিপুরের থাউবাল জেলায় মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা থেকে সর্বাত্মক কারফিউ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে স্বাস্থ্য, বিদ্যুৎ, পিএইচইডি, প্রেস এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং আদালতের মতো প্রয়োজনীয় পরিষেবার সঙ্গে জড়িতরা কারফিউয়ের আওতামুক্ত থাকবেন। এ ছাড়া পৌরসভার কর্মকর্তা, বিদ্যুৎ কর্মী, পেট্রোল পাম্পের কর্মী, ফ্লাইটের যাত্রী এবং মিডিয়া কর্মীরাও নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবেন।
দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, পাঁচ দিনের জন্য মণিপুরে মোবাইল ইন্টারনেট, ব্রডব্যান্ড ও ভিপিএন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নতুন করে শুরু হওয়া সহিংসতার কারণে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে হেইট স্পিচ ও হেইচ ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া হতে পারে, এমন শঙ্কা থেকে রাজ্য সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই আদেশ দিয়েছে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘শেখ হাসিনাকে দেশে এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে’
মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সিলেট জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে ছাত্র-জনতার মৈত্রী সফর উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে সব সময় আগ্রাসী আচরণ করে। এগুলো বন্ধ না করলে বাংলাদেশের ছাত্র-সমাজ এগুলো বন্ধ করতে ভিন্নভাবে চিন্তা করবে। ভারতের সঙ্গে যত অবৈধ চুক্তি হয়েছে সেগুলো বাতিল করতে হবে। ভারত আওয়ামী লীগকে অবৈধভাবে ক্ষমতায় রেখেছিল। আর এখন ভারত আগ্রাসী মনোভাব দেখাচ্ছে। তাদের মনে রাখতে হবে বাংলাদেশের বর্তমান সরকার ছাত্র-জনতার সরকার।
হাসিব আল ইসলাম বলেন, সীমান্তে নির্বিচারে বিএসএফ আমার ভাইবোনদের গুলি করে মেরে ফেলতেছে অথচ আমরা কিছুই করতে পারেনি। আমরা বলে দিতে চাই বাংলাদেশের বর্তমান সরকার ছাত্র-জনতার সরকার। সুতরাং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) সক্রিয়ভাবে ভূমিকা পালন করতে হবে। ওইদিক থেকে যদি একটা গুলি ছুড়ে এদিক থেকে ১০টা গুলি চালাতে হবে।
তিনি আরো বলেন, নতুন বাংলাদেশে সকল ধর্ম ও মতের মানুষের। সকল ক্ষেত্রে দুর্নীতি ও চাঁদবাজ সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সবাইকে রুখে দাঁড়াতে হবে।
এদিকে, ধারাবাহিক সফরের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সিলেট সফরকালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক দল ছাত্র আন্দোলনে গুলিতে নিহত সাংবাদিক এ টি এম আবু তুরাবের বাসায় যান।
এ সময় তুরাবের মা মমতাজ বেগম ও ভাই আবুল আহসান মো. আজরফের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সান্ত্বনা দেন তারা। তুরাবের হত্যাকারীদের বিচারের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় সমন্বয়করা।
সমন্বয়ক দলের সদস্যরা তুরাবের মা মমতাজ বেগমের উদ্দেশে বলেন, এক ছেলে নিজের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে শহীদ হয়েছে। এখন লাখো ছেলে তাদের পাশে আছে। তুরাবের পরিবারের যেকোনো ধরনের প্রয়োজনে তারা পাশে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
২০২৭ সালের মধ্যে বিশ্বের প্রথম ট্রিলিওনেয়ার হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে ইলন মাস্ক

সূত্র : হিন্দুস্থান টাইমস
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইউপি চেয়ারম্যান সুরুদ্দীনের এত সম্পদ
মাত্র দশ বছর ইউপি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে এই বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন এই চেয়ারম্যান। মানবজমিনের অনুসন্ধানে এসব তথ্য উঠে এসেছে। অনুসন্ধান করে দেখা গেছে, সোহরাব নব্বইয়ের দশকে শ্বশুরবাড়ি এলাকা মনোহরপুর গ্রামে দুই শতক জমির উপরে টিনের তৈরি দুই কক্ষবিশিষ্ট বাড়িতে বসবাস করতেন। একপর্যায়ে তিনি ভারত থেকে অবৈধভাবে লবণও আনতেন। পরবর্তীতে জীবননগর উপজেলার উথুলী ইউনিয়ন পরিষদের ওয়ার্ড সদস্য পদে নির্বাচিত হন। পাশাপাশি তিনি জীবননগর বাজারে একটি জুয়েলারি ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। ওয়ার্ড সদস্য হওয়াতে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলী আজগর টগরের সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরি হয়। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। শুরু হয় সংসদ সদস্যের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি আর ভূমি দখল। পরবর্তীতে এমপি টগরের সহযোগিতায় নৌকা প্রতীক নিয়ে বিনা ভোটের নির্বাচনে মনোহরপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হন তিনি। এরপর তার ক্ষমতার দাপট আরও বেড়ে যায়। তিনি শুরু করেন মাদক ব্যবসা। এ ছাড়াও উপজেলার শিয়ালমারীর বিশাল গরু-ছাগল কেনাবেচার হাটটি নিয়ন্ত্রণ করে প্রতি মাসে হাতিয়ে নেন লাখ লাখ টাকা। অবৈধভাবে ভৈরব নদীর বালিও বিক্রি করেছে এই ইউপি চেয়ারম্যান। এদিকে সংসদ সদস্য টগরের ভাই দামুড়হুদা উপজেলা চেয়ারম্যান আলী মুনসুর বাবুসহ তাদের রয়েছে স্বর্ণ চোরাচালানের সিন্ডিকেট। রয়েছে এলাকার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিয়োগ বাণিজ্য। অবৈধভাবে এত সম্পদের মালিক হলেও সংসদ সদস্য টগরের কাছের মানুষ হওয়ায় কেউ ভয়ে কিছু বলতে সাহস করতেন না, এমনকি প্রশাসনও তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। কিছুদিন আগেও নারী কেলেঙ্কারির ঘটনা মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে ধামাচাপা দিতে গিয়ে জনগণের রোষানলে পড়েন সুরুদ্দীন। এ ছাড়া এলাকায় রয়েছে তার একটি সালিশ বাহিনী, যাদের মাধ্যমে সালিশ পরিচালনা করে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন।
এদিকে মনোহরপুর টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ নির্মাণের সময় টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ইউনিয়নে স্বজনপ্রীতি করে কয়েকজনকে চাকরিও দিয়েছেন তিনি। শ্যালক-শ্যালিকার নামেও কিনেছেন জমিজমা, আছে ছাদ খোলা প্রাইভেট কার। উপজেলার মহেশপুর একাশিপাড়ায় আসাদ ব্রিকস নামের প্রায় দেড় কোটি টাকা মূল্যের একটি ইটভাটা রয়েছে তার। ৫ই আগস্ট শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর তার বাড়িতে হামলা হয়। এরপর এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান।
এদিকে ঢাকার মোহাম্মদপুরের ঢাকা উদ্যানে রয়েছে একটি ২২০০ স্কয়ার ফুটের ফ্ল্যাট। ঢাকার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত উক্ত বাড়ির ঠিকানা: রোড-৪, ব্লক-বি, হাউজ-৫, ঢাকা উদ্যান আবাসিক এলাকা, মোহাম্মদপুর, ঢাকা। এই ফ্ল্যাটটি তার নিজ নামেই কেনা। মোহাম্মদপুরে ঢাকা উদ্যানের রোড-৩, ব্লক-ই, বাড়ি-৬ ঠিকানায়ও তার আলাদা একটি ফ্ল্যাট রয়েছে। এ ছাড়াও তার কাছে রয়েছে লাইসেন্স করা দুটো আগ্নেয়াস্ত্র। মনোহরপুর ইউনিয়নের বাসিন্দারা বলেন, স্বর্ণ ও মাদক চোরাচালান, জমি দখল ও চাঁদা তুলে বিপুল সম্পদের মালিক বনে গেছেন সুরুদ্দীন চেয়ারম্যান। একসময় তার কিছুই ছিল না। শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন। ১০-১২ বছরের ব্যবধানে একজন ইউপি চেয়ারম্যান কীভাবে এত সম্পদের মালিক হন। অবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার এবং তার বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পত্তি উদ্ধার করে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে নেয়া উচিত বলে মনে করেন এলাকাবাসী।
অঢেল সম্পদের বিষয়ে জানতে সোহরাব উদ্দীন খানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি ঢাকাতে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছি। অঢেল সম্পদের তথ্য সঠিক নয় জানিয়ে তিনি ফোন রেখে দেন। এরপর আর ফোন ধরেননি তিনি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আশুলিয়ায় পোশাক কারখানার বেশির ভাগ স্বাভাবিক, ৪০টিতে ছুটি
সরজমিন খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত কয়েকদিনে যেসব এলাকায় শ্রমিক বিক্ষোভের ঘটনা ঘটছে, সেসব এলাকায় মোতায়েন রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সকাল থেকে বেশ কয়েকটি কারখানায় কাজ বন্ধ রেখে বিক্ষোভ করেছে শ্রমিকরা। ঝুঁকিপূর্ণ বিভিন্ন কারখানার সামনে মোতায়েন করা হয়েছে সেনাবাহিনীর সাঁজোয়া যান, র্যাব, পুলিশের রায়টকার। এ সময় কারখানাগুলোর নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থায় থাকতে দেখা গেছে। দুপুর পর্যন্ত কারখানা-সংলগ্ন কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আশুলিয়ার বিভিন্ন সড়কে সেনাবাহিনী, র্যাব ও পুলিশ সদস্যরা টহল দিচ্ছে। শিল্প পুলিশ জানায়, সকালে শ্রমিকরা নির্ধারিত সময়ে কারখানায় উপস্থিত হয়।
কিন্তু পরে কিছু কারখানায় কাজ বন্ধ করে বসে থাকায় ছুটি ঘোষণা করা হয়। আশপাশের কারখানায় ছুটি দেয়ার পর নিরাপত্তার স্বার্থে আরও কিছু কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়। তবে শিল্পাঞ্চলের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। জনরন সোয়েটার কারখানার এইচআর এডমিন অ্যান্ড কমপ্লায়েন্স ম্যানেজার মো. মনিরুজ্জামান বলেন, বিজিএমইএ’র নির্দেশনা মেনে আমরা কারখানা পরিচালনা করছি। এরমধ্যে হঠাৎ করে বহিরাগত কিছু লোকজন কারখানায় ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আমাদের লিঙ্কিং এবং ট্রিমিং শাখা ছুটি ঘোষণা করা হলেও অন্যান্য শাখায় কাজ চলছে। তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন সময়ে কারখানায় হামলা, ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দেয়া হলেও কোনো প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না। শিল্প রক্ষায় শ্রমিকরা সচেতন হলে কারখানা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা সম্ভব। অন্যথায় এই শিল্প মুখ থুবড়ে পড়বে। সময়মতো পোশাক উৎপাদন এবং রপ্তানি করতে না পারলে বায়াররা আমাদের দেশ থেকে অন্যত্র চলে গেলে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা কষ্টকর হয়ে যাবে।
বাংলাদেশ গামের্ন্ট ও সোয়েটার্স শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের আইন বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল মামুন বলেন, সোমবার তৈরি পোশাক খাতের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সন্ধ্যায় বিজিএমইএ কারখানামালিক, শ্রমিকনেতা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে কিছু দাবির বিষয়ে সিদ্ধান্ত হওয়ার পর মঙ্গলবার অধিকাংশ কারখানা সচল রয়েছে। তবে কিছু কারখানা আগে থেকে বন্ধ এবং কিছু কারখানায় শ্রমিকেরা অভ্যন্তরীণ কিছু দাবিতে কর্মবিরতি পালন করেছে। তিনি আরও বলেন, বিজিএমইএ থেকে হাজিরা বোনাস ও টিফিন বিল বৃদ্ধি, শ্রমিকদের কালো তালিকাভুক্ত না করা, নারী-পুরুষের বৈষম্য করা হবে না এমন সিদ্ধান্তের ঘোষণা দেয়া হয়েছে, যা খুবই ইতিবাচক। পাশাপাশি শ্রমিকদের অন্য যেসব দাবি রয়েছে, সেগুলোর বিষয়ে শ্রমিকদের সঙ্গে কারখানার মালিকপক্ষ আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে। এখন এ বিষয়টির সমাধান হলে পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়ে যাবে। আশুলিয়ার ফাউন্টেইন গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেড কারখানার এমব্রয়ডারি অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার মিজানুর রহমান সুমন বলেন, এতদিন অস্থিরতা বিরাজ করছিল, আমরাও উৎকণ্ঠার মধ্যে ছিলাম। বিজিএমইএ ইতিমধ্যেই শ্রমিকদের যৌক্তিক দাবিগুলো মেনে নিয়েছে, শ্রমিকরাও ভালো সাড়া দিয়েছেন। আমাদের কারখানাসহ বেশির ভাগ কারখানা চালু রয়েছে। পোশাক শিল্প নিয়ে বড় ধরনের ষড়যন্ত্র ছিল, আমার মনে হয় সেটা কেটে গিয়েছে। এখন আমরা পূর্ণোদ্যমে কাজ করতে পারবো। শিল্প পুলিশ-১-এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারোয়ার আলম বলেন, বেশকিছু দিন ধরেই বিভিন্ন দাবি আদায়ে আন্দোলন করে আসছে শ্রমিকরা। আমরা তাদের সঙ্গে মালিকপক্ষকে নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করছি। কিছু কারখানায় আবার নতুন করে দাবি আদায়ে আন্দোলন শুরু করায় মঙ্গলবারও ৪০টি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। তবে অন্যান্য কারখানায় স্বাভাবিক কার্যক্রম চলছে। এ ছাড়া যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে শিল্প পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব ও পুলিশের রায়টকার প্রস্তুত রয়েছে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তিতাসের হারুন: ৫০০ কোটি টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ
এদিকে তিতাস গ্যাসের দুর্নীতিবাজ এক শ্রেণির কর্মকর্তার উস্কানিতে গতকাল পেট্রোবাংলায় বিক্ষোভ, হামলা ও ভাঙচুর করে কোম্পানির একদল কর্মকর্তা-কর্মচারী। তিতাস গ্যাসে নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগের প্রতিবাদে এ বিক্ষোভ বলে জানিয়েছেন তারা। এ বিষয়ে পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান জনেন্দ্র নাথ সরকার সাংবাদিকদের বলেন, তিতাসের লোকজনের দাবি হচ্ছে তাদের কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে এমডি করতে হবে। কিন্তু পেট্রোবাংলার সিনিয়রিটির তালিকায় তিতাস গ্যাসের শীর্ষ ৫০-৬০ এর মধ্যেও কেউ নেই। আবার অনেকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। এটা করে একশ্রেণির লোকজন দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেয়ার চেষ্টা করছে। অন্তর্বর্তী সরকারের নীতি হচ্ছে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। তিনি বলেন, আমরা পুলিশ ও সেনাবাহিনীকে অবহিত করেছি। যারা শৃঙ্খলা ভঙ্গ করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তিতাস গ্যাস সূত্র জানিয়েছে, শাহনেওয়াজ পারভেজকে দায়িত্ব দেয়ার পর থেকে তিতাসের জিএম (জিএম ইএসডি) হেলাল তালুকদার, জিএম (অডিট) মো. রাশিদুল আলম, ডিজিএম (পিসিডি) ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক, প্রিপেইড মিটার প্রকল্পের পিডি কাওসার আলম সুমন অন্যদের উস্কানি দিতে শুরু করেন। অন্যদের ফুঁসলিয়ে পেট্রোবাংলায় গিয়ে হামলার নেতৃত্ব দেন। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে বিক্ষুব্ধরা রাজধানীর কাওরান বাজারে পেট্রোবাংলার প্রধান কার্যালয় পেট্রো সেন্টারের নিচতলার রিসিপশনের গ্লাস ভাঙচুর করেন। এর পৌনে এক ঘণ্টা পর তারা তিতাস গ্যাসে ফিরে যান। চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী হারুনুর রশীদ মোল্লাহ’র চুক্তি ৯ই সেপ্টেম্বর বাতিল করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। এরপর গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহনেওয়াজ পারভেজকে তিতাস গ্যাসে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের চলতি দায়িত্ব দেয়া হয়। শাহনেওয়াজ পারভেজ সৎ ও দক্ষ হিসেবে সবার কাছে পরিচিত। যা তিতাস গ্যাসের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের জন্য শঙ্কার অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন অনেকে।
এদিকে, হারুনুর রশীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তিন বছর ধরে তিনি তিতাস গ্যাস কোম্পানিতে এক ধরনের রামরাজত্ব কায়েম করেছিলেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ হচ্ছে তিনি আইনকানুনের তোয়াক্কা না করে তিন বছরে ১৫০টি প্রতিষ্ঠানকে গ্যাসের নতুন সংযোগ ও লোড বৃদ্ধি করে অন্তত ৫৫০ কোটি টাকা ঘুষ নিয়েছেন। প্রতিটি সংযোগ ও লোড বৃদ্ধির ক্ষেত্রে ঘুষের রেট ছিল ৫ কোটি থেকে ১০ কোটি টাকা। তার সময়ে অন্তত ১ হাজার ৪০০টি অবৈধ গ্যাস-সংযোগ দেয়া হয়। এসব অবৈধ সংযোগ থেকে মাসে ২০ কোটি থেকে ৩০ কোটি টাকা ঘুষ আদায় করতো তার সিন্ডিকেট।
হারুনুর রশীদ মোল্লাহ’র বিরুদ্ধে আরও অভিযোগের মধ্যে রয়েছে-তিনি কেরানীগঞ্জ এলাকায় কয়েক শ’ ছোট-বড় শিল্পকারখানায় অবৈধ সংযোগ দিয়ে প্রতিমাসে কোটি কোটি টাকা মাসোহারা নিতেন। গত তিন বছরে এসব কারখানায় একবারের জন্যও অভিযান চালানো হয়নি। সমপ্রতি জ্বালানি বিভাগ থেকে ওই এলাকায় গোপনে অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত হয়। দায়িত্ব দেয়া হয় জ্বালানি খাতের সবচেয়ে সৎ ও দক্ষ অফিসার হিসেবে পরিচিত গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেডের (জিটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহনেওয়াজ পারভেজকে। এরপর গত দু’দিনের ঝটিকা অভিযানে ওই এলাকায় অসংখ্য অবৈধ শিল্পকারখানার সন্ধান পাওয়া গেছে।
২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে হারুনুর রশীদ মোল্লাহ তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের এমডি পদে পদোন্নতি পান। দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই তার বিরুদ্ধে একের পর এক ঘুষ ও অনিয়মের অভিযোগ উঠতে থাকে। প্রায় দুই বছরে এমডি থাকাকালীন তিনি অবৈধভাবে ১০০ কোটি টাকার বেশি অর্থ হাতিয়ে নেন এই খাত থেকে। এই অর্থের একটা অংশ তুলে দিতেন সিন্ডিকেটের হাতে। বিনিময় হিসেবে ২০২৩ সালের আগস্টে তিতাসের এমডি পদে এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পান তিনি। হারুনুর রশীদ মোল্লাহ এতটাই প্রভাবশালী ছিলেন যে, যত বড় অনিয়ম-দুর্নীতি করুক না কেন প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদের ঘনিষ্ঠ হওয়ায় বারবার ছাড় পেয়ে যান। সাবেক প্রতিমন্ত্রীর ছত্রছায়ায় মন্ত্রণালয়ের অনুমতি না নিয়ে ক্যাপটিভ পাওয়ারে গ্যাস-সংযোগ, গ্যাসের নতুন সংযোগ ও অবৈধ সংযোগের রমরমা বাণিজ্য করেছেন তিনি। চুক্তি নবায়ন হওয়ার পর তিনি এতটাই বেপরোয়া হয়ে পড়েছিলেন, বড় বড় শিল্পকারখানার মালিকদের কাছে প্রতিমাসে ৫ কোটি থেকে ১০ কোটি টাকা ঘুষ দাবি করতেন। যারা তাকে ঘুষ দিতেন না, তাদের নানাভাবে হয়রানি করতেন। কোনো কারণ ছাড়াই তাদের শিল্পকারখানার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিতেন। এরপর নানাভাবে করতেন হয়রানি।
তিতাসের কর্মকর্তারা বলছেন, দেশের কোনো গ্যাস বিতরণ সংস্থা ১০ মেগাওয়াটের বেশি কোনো ক্যাপটিভ পাওয়ার কেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহ করতে চাইলে এজন্য জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অনুমতি নিতে হয়। ১০ মেগাওয়াটের বেশি এমন অন্তত ২০টি ক্যাপটিভ বিদ্যুৎকেন্দ্রকে গ্যাস-সংযোগ দিয়েছেন তিতাসের বর্তমান এমডি হারুন, যেগুলোর একটিরও অনুমতি নেয়া হয়নি। জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের অনুমতি ছাড়াই গ্যাস সরবরাহ করা প্রতিটি ক্যাপটিভ কেন্দ্র থেকে ৫ থেকে ১০ কোটি টাকা নেয়া হয়েছে। বেশকিছু ক্ষেত্রে তিতাসের এমডি ১০ মেগাওয়াটকে ভেঙে একাধিক ভাগে লোড দিয়েছেন। এতে কৌশলে এড়ানো গেছে মন্ত্রণালয়ের অনুমতি। এ ছাড়া অন্তত ১০০ ক্যাপটিভ কেন্দ্রকে গ্যাস সংযোগ দেয়া হয়েছে ঘুষের বিনিময়ে।
অভিযোগ আছে, সিএনজি স্টেশনে গ্যাস সংযোগে প্রতিটির কাছ থেকে ৫০ লাখ টাকা করে ঘুষ নিয়েছেন তিতাসের এমডি। সিএনজি স্টেশনে গ্যাস সংযোগ নিতে হলে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) লাইসেন্স নেয়া বাধ্যতামূলক। এই লাইসেন্স না থাকলেও একের পর এক নতুন গ্যাস সংযোগ দিয়েছেন তিতাস গ্যাসের এমডি হারুন। তিতাস সূত্র বলছে, ঢাকায় লাইসেন্সবিহীন সিএনজি স্টেশন রয়েছে ৪০টি। এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জে ১৫টি, নরসিংদীতে ১০টি, গাজীপুরে ১০টি, মুন্সীগঞ্জে ২টিসহ মোট ৭৯টি লাইসেন্সবিহীন গ্যাস সংযোগ রয়েছে তিতাসের।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হঠাৎ কেন এত লোডশেডিং
বিশেষজ্ঞরা বলেন, জ্বালানি নিশ্চিত না করেই একের পর এক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করেছে বিগত আওয়ামী লীগ সরকার। চাহিদাকেও বিবেচনায় নেয়া হয়নি। ফলে প্রতি বছর বড় সময় অলস বসিয়ে রাখতে হয়েছে বিদ্যুৎকেন্দ্র। দিতে হয়েছে অলস কেন্দ্রের ভাড়া। খরচের চাপ সামলাতে ভোক্তা পর্যায়ে দাম বেড়েছে। সরকারের দায় বেড়েছে। অথচ তিন বছর ধরে গরম বাড়লেই লোডশেডিংয়ে ভুগতে হচ্ছে মানুষকে। নতুন অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিয়েও পড়েছে একই সমস্যায়। বিদ্যুৎকেন্দ্র চালানোর জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি নেই। ফলে বেড়েছে লোডশেডিং। সোমবার গড়ে ২ হাজার মেগাওয়াটের বেশি লোডশেডিং করতে হয়েছে।
বিদ্যুৎ বিতরণের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দৈনিক প্রায় আড়াই হাজার মেগাওয়াট লোডশেডিং হচ্ছে। পাওয়ার গ্রিড কোম্পানির (পিজিসিবি) ওয়েবসাইটের তথ্য বলছে, সোমবার বেলা ৩টায় ১ হাজার ৮৭৪ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়। গত রোববারও দেশে গড়ে ১ হাজার ২৯১ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়। মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ৩ হাজার ৫৯৬ মেগাওয়াট ক্ষমতার বেশ কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ আছে। জ্বালানি সংকটে দেশে ৬ হাজার ২৮৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে। বিদ্যুতে প্রতিদিন গড়ে ৮৮ কোটি ঘনফুট গ্যাস দেয়া হচ্ছে, যা এপ্রিলে ছিল ১৩৫ কোটি ঘনফুট।
বিগত সরকারের আমলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বড় সুবিধাভোগী ছিল সামিট গ্রুপ। এ গ্রুপটির এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ থাকায় গ্যাসের সরবরাহ কমেছে। এতে বড় সংকট তৈরি হয়েছে।
জ্বালানি সংকটের পাশাপাশি ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানি কমেছে। ত্রিপুরা থেকে ঘণ্টায় ১৬০ মেগাওয়াটের স্থানে ৬০ থেকে ৯০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। ভারতের সরকারি-বেসরকারি খাত থেকে ভেড়ামারা দিয়ে ১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আসার কথা থাকলেও মিলছে ৮৮০ মেগাওয়াট। আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকেও ৫০০ মেগাওয়াট কম আসছে। পিজিসিবি’র তথ্যমতে, গতকাল দুপুর ৩টায় বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৪ হাজার ৭৫০ মেগাওয়াট। আর বিদ্যুৎ উৎপাদন হয় ১২ হাজার ৭৮৮ মেগাওয়াট। দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২৭ হাজার মেগাওয়াটের বেশি।
ঢাকার দুই বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি ডিপিডিসি ও ডেসকোর তথ্য বলছে, ঢাকায় বিদ্যুতের ঘাটতি ছিল ৪০০ মেগাওয়াট। পরিস্থিতি সামলাতে ডেসকোকে অঞ্চলভেদে ৩ থেকে ৪ বার লোডশেডিং করতে হয়। ডিপিডিসি’র এলাকায় দুই থেকে তিনবার লোডশেডিং হয়। বিদ্যুৎ বিক্রয় বাবদ বকেয়া অর্থ আদায়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে তাগাদা দিচ্ছে ভারতের গৌতম আদানির প্রতিষ্ঠান আদানি গ্রুপ। গ্রুপের কর্মকর্তাদের দাবি, বাংলাদেশের কাছে তাদের পাওনা বর্তমানে প্রায় ৫০ কোটি ডলার।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) সূত্র বলছে, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের একটি টার্মিনাল (সামিটের মালিকানাধীন) তিন মাস ধরে বন্ধ। এতে গ্যাসের সরবরাহ বাড়ছে না। গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে এক হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন কমেছে। বিল বকেয়া থাকায় আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে সরবরাহ কমেছে ৫০০ মেগাওয়াট। বেসরকারি খাতের তেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকেও সর্বোচ্চ চাহিদায় উৎপাদন করা যাচ্ছে না। কারণ, তারাও অনেক টাকা পাবে। তাই ঘাটতি পূরণে লোডশেডিং করতে হচ্ছে।
কক্সবাজারের মহেশখালীতে দুটি ভাসমান টার্মিনালের মাধ্যমে এলএনজি থেকে আসে ১১০ কোটি ঘনফুট। সামিটের এলএনজি টার্মিনাল গত ২৭শে মে থেকে বন্ধ। এতে এলএনজি সরবরাহ দাঁড়িয়েছে দৈনিক ৬০ কোটি ঘনফুট। পিডিবি’র কর্মকর্তারা বলেন, গ্যাসের সরবরাহ কম, বকেয়া বিলের চাপ থাকায় বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে। বকেয়া পরিশোধে ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। শিগগিরই পরিস্থিতির উন্নতি হবে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মিট অ্যান্ড গ্রিট অনুষ্ঠানে মতিউর রহমান চৌধুরী: সংকট উত্তরণে দেশে-প্রবাসে সবাইকে কাজ করতে হবে
যুক্তরাজ্যের ওল্ডহ্যামে আয়োজিত মিট অ্যান্ড গ্রিট অনুষ্ঠানে একথা বলেন দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী। বৃটেন সফর উপলক্ষে মানবজমিন প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী ও সম্পাদক মাহবুবা চৌধুরীর সম্মানে রোববার এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে প্রবাস-বাংলা টিভি (পিবিটিভি)। অনুষ্ঠানে গ্রেটার ম্যানচেস্টারে বসবাসরত সাহিত্যিক-সাংবাদিক-রাজনীতিক-ব্যবসায়ীসহ প্রবাসী বাংলাদেশিরা উপস্থিত ছিলেন।
ওল্ডহ্যামের এম্পায়ার স্যুটে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মানবজমিন প্রধান সম্পাদক বলেন, সাংবাদিকতা একটি মহান ও ঝুঁকিপূর্ণ পেশা। সততা, নিরপেক্ষতা ও নির্ভীক থাকা এই পেশার ধর্ম। বাংলাদেশের সামাজিক প্রেক্ষাপটে পেশার এই ধর্ম অনেকেই রক্ষা করতে পারেন না। সরকার সবসময়ই সাংবাদিক ও সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধ করতে চায়। তাই অনেকেই জেল-জুলুমের ভয়ে সত্য প্রকাশ করতে চান না। আবার অনেকেই সরকারের আনুগত্য লাভের আশায় সত্য প্রকাশে বিমুখ থাকেন। স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে সাংবাদিকতার এই ধারাই চলে এসেছে। তিনি বলেন, জীবনে অনেক প্রতিকূল পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছি। কিন্তু কখনো থেমে থাকিনি। সকল প্রতিকূলতা-প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে এ পর্যন্ত এসেছি। সামনের দিনেও এই পথে অবিচল থাকতে চাই।
মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, যুক্তরাজ্যপ্রবাসী জনগোষ্ঠী কঠিন পরিশ্রম করে তাদের উপার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা দেশে পাঠিয়ে দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখছেন। কয়েক প্রজন্ম ধরে সিলেটিরা যুক্তরাজ্যে বসবাস করে দেশকে অনেক কিছু দিয়েছেন, এখনো দিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু সিলেটিদের পাঠানো এই বিপুল অর্থ কোনো উৎপাদনশীল খাতে ব্যয় হচ্ছে না। শহর-গ্রামে কোটি কোটি টাকায় বাড়ি নির্মাণ করা হচ্ছে। কিন্তু কোনো শিল্পকারখানা গড়ে উঠছে না। প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ যদি উৎপাদন খাতে ব্যয় হয় তাহলে বিপুল কর্মসংস্থানেরও সুযোগ তৈরি হতো।
অনুষ্ঠানে মানবজমিন সম্পাদক ও বিশিষ্ট ছড়াকার, শিশু সাহিত্যিক মাহবুবা চৌধুরী বলেন, সাংবাদিকতায় নিরপেক্ষতা রক্ষা করতে গিয়ে মতিউর রহমান চৌধুরী বার বার ঝুঁঁকির মুখে পড়েছেন। কিন্তু তিনি হাল ছাড়েননি। শাসকদের অনেক লোভনীয় টোপ পেয়েছেন। কোনো লোভের ফাঁদে কখনো পা দেননি।
অনুষ্ঠানের শুরুতে আগত অতিথিদের ফুলের তোড়া দিয়ে স্বাগত জানান পিবিটিভির পরিচালকবৃন্দ। কবি ও অধ্যাপক নূরুজ্জামান মনি তার রচিত শিশুতোষ ছড়াগ্রন্থ ‘মেঘপরি ঘুমপরি’ অতিথি-দম্পতির হাতে তুলে দেন। এ ছাড়া পিবিটিভির পক্ষ থেকে ক্রেস্ট দিয়ে সম্মাননা জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পিবিটিভির চেয়ারম্যান আফজাল রব্বানী, ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মিজানুর রহমান মিজান, সিইও আহমেদ জুনেদ, ডাইরেক্টর মো. শিবলী, ফারুক আহমাদ, জাকি মোস্তফা টুটুল, মিজানুর রহমান লিটু, তকলিছ মিয়া, বশির আহমাদ, কলামিস্ট ফারুক আহমদ জোসী, কাউন্সেলর আব্দুল জব্বার, অধ্যাপক কবি নুরুজ্জামান মনি, সাংবাদিক এম কিবরিয়া, শাহ কাইয়ুম, তৈয়বুর রহমান শ্যামল, সৈয়দ মিজান প্রমুখ।


About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিলেটে মাজারে রাতভর উত্তেজনা
মাজার কর্তৃপক্ষ। রোববার সকালে শুরু হওয়া ওরসের প্রথম দিন বেশ শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হয়েছে। রাতে আলেম-ওলামারা পাহারায় থাকায় কোনো ধরনের বেহায়াপনা হয়নি। একইভাবে সোমবার রাতেও আলেম-ওলামারা পাহারা দেয়া শুরু করেন। তারা মাজারের সিঁড়িতে অবস্থান নিয়ে বসে থাকেন। কিন্তু মাজার কম্পাউন্ডে ঢুকতে না পারায় ওরসে আসা ভণ্ডরা আলেম সমাজের ওপর ক্ষুব্ধ হয়।
রাত দুইটার দিকে ভক্ত ও আশেকানের নামে ভণ্ডরা হঠাৎ করে ক্ষুব্ধ হয়ে মাজার কম্পাউন্ডে ঢুকে পড়ে। এ সময় তাদের সঙ্গে খাদেম পরিবারের অনেক সদস্য ছিলেন বলে জানিয়েছেন আলেম-ওলামারা। হাতে লাঠিসোটা নিয়ে মাজার এলাকায় ঢুকে সিঁড়িতে বসা আলেম-ওলামাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় কয়েকজন মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে তারা এলোপাতাড়ি মারধর করে। ভণ্ডদের হামলায় টিকতে না পেরে আলেম-ওলামারা মাজারের পাশে থাকা মসজিদে অবস্থান নেন। এক পর্যায়ে মাজারের চারপাশ থেকে মসজিদের দিকে ইটপাটকেল ছোড়া হয়। আলেম-ওলামারা জানিয়েছেন, হঠাৎ হামলায় তারা প্রস্তুত ছিলেন না। এ কারণে প্রতিরোধ করতে পারেননি। এক পর্যায়ে তারা মসজিদে অবস্থান নিলে তাদের ওপর হামলা করা হয়। হামলার ঘটনার পরপরই কয়েকজন মাদ্রাসা শিক্ষার্থী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলেম-ওলামা ও স্থানীয় এলাকাবাসীর সহযোগিতা চেয়ে ফেসবুকে লাইভ করেন। এ সময় তারা দাবি করেন- সন্ধ্যা রাত থেকে মাজারের নিরাপত্তার জন্য পুলিশের অবস্থান ছিল। কিন্তু হামলার ঠিক পূর্ব মুহূর্তে পুলিশ চলে যাওয়ায় ভণ্ডরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে এসে তাদের ওপর হামলা করেছে। এতে ব্যবসায়ী, মাজার খাদেম পরিবার সহ সুবিধাভোগী অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। ফেসবুক লাইভের ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে সিলেটে। বিভিন্ন মাদ্রাসা থেকে শিক্ষার্থীরা শাহপরান (রহ.) মাজার অভিমুখে রওনা দেন। সবার আগে গাড়ি রিজার্ভ করে আসেন জৈন্তাপুরের হরিপুর মাদ্রাসার শিক্ষার্থী সহ স্থানীয় এলাকার মানুষ। এ সময় আলেম সহ স্থানীয় এলাকাবাসী ঐক্যবদ্ধ হয়ে ভণ্ডদের ওপর হামলা করলে তারা পিছু হটে। খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা আসেন। স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর দিলোয়ার হোসেন নাদিম সহ আরও কয়েকটি ওয়ার্ডের কাউন্সিলররা আসেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন- পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায় এ সময় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৫ জনকে রাতে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সকালে স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর সহ জনপ্রতিনিধিরা মানবজমিনকে জানিয়েছেন, রাতে প্রশাসন সহ তারা এসে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন। যারা আহত হয়েছেন তাদেরকে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। আলেম সমাজের উচ্চ পর্যায়ের নেতারা এ সময় মাজার এলাকায় ছিলেন। মাজার এলাকার ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, মাজারের ওরসে গান-বাজনা সহ নানা আনুষঙ্গিকতা থাকে। এবারো গায়ক দল সহ নানা আসরের প্রস্তুতি ছিল। কিন্তু মাজার কর্তৃপক্ষের বিধিনিষেধ থাকার কারণে তারা মাজার এলাকায়ই ঢুকতে পারেননি। অবস্থান নিয়েছিলেন পুকুরের পাড়ে। সেখান থেকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাতে সিঁড়িতে পাহারায় থাকা মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠে। পাল্টা হামলার ঘটনার পর অনেকেই মাজার এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান। শাহপরান (রহ.) থানার ওসি হারুনুর রশীদ জানিয়েছেন- ঘটনায় গুরুতর কেউ আহত হননি। কোনো পক্ষই বিকাল পর্যন্ত থানায় মামলা করেননি। এদিকে মাজার প্রাঙ্গণে আলেম-ওলামাদের ওপর হামলার ঘটনায় গতকাল দুপুরের পর থেকে মাজারের প্রধান গেটে অবস্থান নেন। বিকালে তারা সমাবেশ করেছেন। সমাবেশে ধনকান্দি মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা মোস্তাক আহমদ খান, দাশপাড়া দক্ষিণকাছ মাদ্রাসার শায়খুল হাদিস মাওলানা রশিদ মকবুল, সুবহানীঘাট মাদ্রাসার নায়েবে মুহতামিম মাওলানা আহমদ সগীর, দারুল হুদা মাদ্রাসার নায়েবে মুহতামিম মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, শাহ সুন্দর মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা নাইম আহমদ, এলাকাবাসীর পক্ষে ওয়ার্ড কাউন্সিলর দেলোয়ার হোসেন নাদিম ও ধনকান্দি সমাজকল্যাণ সংস্থার সাধারণ সম্পাদক রমিজ উদ্দিন বক্তব্য রাখেন। সমাবেশে আলেম-ওলামা সমাজের নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন- সিলেটের মাজারগুলোতে বেহায়াপনা চলছে। এরা শক্তি সঞ্চয় করে আলেমদের ওপর হামলা করছে। এসব ভণ্ডরা প্রতি সপ্তাহে মাজারে গান-বাজনার আয়োজন করে। সার্বিক এসব বিষয় নিয়ে ওলামা সমাজের নেতৃবৃন্দ আগামী বৃহস্পতিবার নগরের কাজিরবাজার মাদ্রাসায় বৈঠকে বসবেন। এ বৈঠকে সিদ্ধান্ত নিয়ে তারা মাজারের গান-বাজনা ও বেহায়াপনার বিরুদ্ধে সোচ্চার হবেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যেভাবে প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় দখলে নেয় নওফেলের পরিবার by জালাল রুমি
চসিকের সূত্রে জানা গেছে, সিট করপোরেশনের প্যাডে সরকারি দপ্তরে করা আবেদনের ভিত্তিতে ২০০২ সালে প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠান অনুমোদন পায় সিটি করপোরেশন। সংস্থাটির মালিকানাধীন ভবনে প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়টির কার্যক্রম শুরু করা হয়। শুরুতে চসিকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাথমিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এরপর প্রবর্তক সিএসসিআর হাসপাতালের বিপরীতে এবং নগরীর ওয়াসা মোড়ের ফিলিং স্টেশনের উপরে সিটি করপোরেশনের দুটি জমিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণ করা হয়। তিনটি ভবন নির্মাণসহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় মোট ৪৬ কোটি ৯৩ লাখ টাকা ব্যয় করা হয় সিটি করপোরেশনের তহবিল থেকে।
বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬টি অনুষদের মোট ১৪টি বিভাগের ৬ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী আছে। শতাধিক শিক্ষকসহ মোট তিন শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত। বিশ্ববিদ্যালয়টির বার্ষিক বাজেট প্রায় ৭১ কোটি টাকা।
সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান নওফেলের বাবা এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী ১৯৯৪ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত তিন মেয়াদে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়রের দায়িত্ব পালন করেন। ফলে ২০১০ সাল পর্যন্ত টানা আট বছর তিনি প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ছিলেন পদাধিকার বলে। ২০১০ সালের মেয়র নির্বাচনে এম মনজুর আলমের কাছে পরাজয়ের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান পদও হারান তিনি। তবে মেয়র মনজুর সিটি করপোরেশনের সাধারণ সভায় মহিউদ্দিনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টির সদস্য হিসেবে মনোনীত করেন। ২০১৫ সালে আওয়ামী লীগ নেতা আ জ ম নাছির উদ্দীন মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর শুরু হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃত্ব নিয়ে দ্বন্দ্ব। কারণ নাছিরের সঙ্গে মহিউদ্দিনের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিরোধ পুরনো। ২০১৫ সালের ১৪ই জুলাই বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এক চিঠি দিয়ে নতুন মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনকে ট্রাস্টির চেয়ারম্যান হিসেবে সম্বোধন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ প্যানেলসহ ঘাটতি পদগুলো পূরণে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলে। পাশাপাশি সর্বশেষ ট্রাস্টি বোর্ড নিবন্ধন করা হয়নি জানিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে আইন অনুযায়ী ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করতে বলা হয়। এ ছাড়া একটি চার্টার্ড অ্যাকাউনটেন্ট (সিএ) প্রতিষ্ঠান দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১১ থেকে ২০১৪ সালের হিসাব নিরীক্ষা করতে বলা হয় ওই চিঠিতে।
বিশ্ববিদ্যালয়টি কুক্ষিগত করতে সহযোগিতা করেন ইউজিসি’র সাবেক ২ সদস্য অধ্যাপক আবু তাহের ও অধ্যাপক সাজ্জাদ হোসেন। তবে ইউজিসির চিঠিটি কেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বা রেজিস্ট্রার বরাবর দেয়া হলো না, এই যুক্তি তুলে এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন দায়ের করেন মহিউদ্দিন। বেসরকারি এই বিশ্ববিদ্যালয়ে চসিকের সম্পৃক্ততা ও হস্তক্ষেপ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, এই প্রশ্ন তুলে তিনি হাইকোর্টে রিট পিটিশন করেন। আদালত রুলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমে মহিউদ্দিনের অংশগ্রহণে কোনো ধরনের বাধা না দেয়ার নির্দেশনা দেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোক্তা হিসেবে মহিউদ্দিন কেন ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করতে পারবেন না, তা জানতে চেয়েও রুল জারি করেছিলেন উচ্চ আদালত। ২০১৬ সালের ১২ই জুন দেওয়ানি আদালতে প্রতিকার চাওয়ার নির্দেশ দিয়ে মহিউদ্দিনের পিটিশন খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। তবে ওই রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন অধ্যাদেশ, ১৯৮২ ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ১৯৯২-এর কোনোটিতেই সিটি করপোরেশনকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করার অনুমতি দেয়া হয়নি। যদিও ওই মামলা চলাকালে চসিককে দেয়া সেই চিঠিটি বাতিল করে ইউজিসি। আদালতের পর্যবেক্ষণের বিরুদ্ধে সিটি করপোরেশন রিভিউ পিটিশন দায়ের করে। ২০১৭ সালের মে মাসে রিভিউ পিটিশনের রায়ে উচ্চ আদালত উল্লেখ করেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা-সংক্রান্ত পর্যবেক্ষণ কোনো পক্ষের ওপর প্রযোজ্য হবে না।
এ রুলের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবার লিভ টু আপিল পিটিশন করেন মহিউদ্দিন। কিন্তু এর শুনানিতে তিনি হাজির না হওয়ায় ২০১৯ সালের ৭ই জানুয়রি লিভ টু আপিলটি খারিজ করে দেন আদালত। উচ্চ আদালতের মামলটি খারিজ হওয়ার পর দেওয়ানি আদালতে কোনো মামলা করেননি মহিউদ্দিন। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টি পরিচালনায় চসিকের সব ধরনের বাধা কেটে যায়। কিন্তু মেয়রকে ট্রাস্টির চেয়ারম্যান নিয়োগ দেয়া হয়নি। ২০১৯ সালে নতুন সরকারের শিক্ষা উপমন্ত্রীর দায়িত্ব পান মহিউদ্দিনপুত্র নওফেল। তখন তিনি নিজের প্রভাব খাটিয়ে পছন্দমতো ট্রাস্টি বোর্ডে সদস্য অন্তর্ভুক্ত করেন। এ ছাড়া দলীয় হাইকমান্ডের অনানুষ্ঠানিক নির্দেশনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃত্ব ছেড়ে দিতে বাধ্য হন তৎকালীন মেয়র নাছির উদ্দীন। ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান হন নওফেল।
চসিকের কয়েকজন কর্মকর্তা মানবজমিনকে বলেন, আদালতে হেরে গিয়েও মহিউদ্দিন পরিবার সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দিয়ে চাপে ফেলে বিশ্ববিদ্যালয়টি দখলে নিয়েছিলেন। বিষয়টি সিটি করপোরেশনের সবাই জানেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের ১২ সদস্যের মধ্যে তিনজনই মহিউদ্দিন পরিবারের। বোর্ডের চেয়ারম্যান নওফেল, আর তার মা হাসিনা মহিউদ্দিন ও ছোট ভাই বোরহানুল হাসান চৌধুরী সদস্য হিসেবে আছেন। এর বাইরে ট্রাস্টি বোর্ডে ছিলেন এস আলম গ্রুপের তিনজন, আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু, বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক অনুপম সেন, রেমন্ড আরেং, প্রকৌশলী শহীদুল আলম ও সাবেক সংসদ সদস্য সাবিহা মূসা।
জানা যায়, ২০১৭ সালে মহিউদ্দিন চৌধুরীর মৃত্যুর পর তার রাজনৈতিক উত্তরসূরী হন বড় ছেলে মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। বাবার মৃত্যুর পর তিনি প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃত্ব নেন বলে জানান চসিক কর্মকর্তারা। ২০১৯ সাল থেকে সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী এবং ২০২৪ সালে শিক্ষামন্ত্রী হলেও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যানের পদ ছাড়েননি নওফেল। উল্টো বিশ্ববিদ্যালয়টি পারিবারিক ও রাজনৈতিক কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এ ছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকার প্রভাবের কারণে প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন নিয়োগ ও পদায়নের ক্ষেত্রে ইউজিসির মতামত নেয়া হতো না। নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে এককভাবে নওফেলের সিদ্ধান্তেই চলতো বিশ্ববিদ্যালয়টি। এদিকে প্রায় ১৬ বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য পদে আছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য অধ্যাপক অনুপম সেন। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী ৭৫ বছর বয়সের পর উপাচার্যের দায়িত্ব পালনের সুযোগ না থাকলেও ৮৪ বছর বয়সেও উপাচার্য পদে আছেন তিনি। এ ছাড়া তিনি একইসঙ্গে ট্রাস্টির সদস্য এবং বিশ্ববিদ্যিালয়ের উপাচার্যও।
ইউজিসির একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পরও নওফেল ট্রাস্টি চেয়ারম্যানের পদ না ছাড়ায় স্বার্থের সংঘাত দেখা দিয়েছিল। একইসঙ্গে তিনি প্রতিষ্ঠান ও প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ছিলেন। এ কারণে জবাবদিহি নিশ্চিত হয়নি। একই ঘটনা উপাচার্য ও ট্রাস্টি সদস্য অনুপম সেনের ক্ষেত্রও। তিনিও রাজনৈতিক ক্ষমতাকে ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানটিকে কুক্ষিগত করে রেখেছেন। এদিকে প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী শেখ মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম মানবজমিনকে বলেন, প্রতিষ্ঠানটি একান্ত আমাদের। তবে এটা ছিনতাই করা হয়েছে। এখন সেটি আবার ফিরে পাওয়ার জন্য প্রচেষ্টা চালাচ্ছি। ইতিমধ্যে মন্ত্রণালয়ে কিছু কাগজপত্র পাঠিয়েছি। আশা করছি শিগগিরই আমরা একটা রেজাল্ট পাবো। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম ভেঙে ৮৫ বছর বয়সেও আওয়ামী লীগ নেতা অনুপম সেনের ভিসি পদে থাকা নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখন আমাদের প্রধান টার্গেট হচ্ছে নিজেদের এই সম্পদকে ফিরে পাওয়া। এটা ফিরে আসার পর সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। তখন সবকিছুর সংস্কার করা হবে।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আলহাজ মঞ্জুর আলম মানবজমিনকে বলেন, প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় ছিল চসিকের সম্পত্তি। একটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সেটাকে নিয়ে নেয়া হয়েছে। এখন সময় এসেছে। আমি চাইবো সিটি করপোরেশনের বর্তমান দায়িত্বশীলরা বিশেষ উদ্যোগ নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির অধিকার ফিরে পাক। প্রসঙ্গত, আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর থেকে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নওফেলের পরিবার আত্মগোপনে গেছেন। নওফেল বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে। তবে প্রতিষ্ঠানটির উপাচার্য হিসেবে থাকা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ড. অনুপম সেন মাঝেমধ্যে ক্যাম্পাসে আসছেন। এরমধ্যে অনুপমের পদত্যাগের দাবিতে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীদের ছোট একটি পক্ষ আন্দোলন করছেন। আরেকটা পক্ষ ভিসি হিসেবে অনুপম সেনকে বহাল রাখতে মাঠে নেমেছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সীমান্ত হত্যা: প্রশ্ন এড়িয়ে গেলেন ভারতীয় দূত, উপদেষ্টা বললেন আমরা যুদ্ধ চাই না
এদিকে উপদেষ্টা যখন গণমাধ্যমের মুখোমুখি ঠিক সেই সময়ে নবনিযুক্ত পররাষ্ট্র সচিব মো. জসীম উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠকে ছিলেন ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা এবং ভারতীয় হাইকমিশন উভয়ে এটাকে সৌজন্য সাক্ষাৎ বলে দাবি করেন। সেই সাক্ষাৎ শেষে বেরিয়ে যাওয়ার মুহূর্তে মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলেন ভারতীয় দূত। সেখানে সীমান্ত হত্যার বিষয়ে তার দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেন উপস্থিত সাংবাদিকরা। কিন্তু হাইকমিশনার মিস্টার ভার্মা তা এড়িয়ে যান।
উপদেষ্টার প্রত্যাশা বাংলাদেশের প্রতিবাদ আমলে নেবে ভারত: গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, সীমান্ত হত্যার বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল ইস্যু। সেটা আমরা প্রতি মুহূর্তে বলছি। আমরা আশা করবো, ভারত আমাদের প্রতিবাদ নোট আমলে নেবে। নোটে বাংলাদেশ দাবি জানিয়েছে, যারা সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত তাদের বিচারের সম্মুখীন করার। উপদেষ্টা বলেন, আমরা আর একটি হত্যাকাণ্ডও দেখতে চাই না। অতীতের ঘটনাগুলোর নিন্দা জানিয়ে আমরা স্পষ্টভাবেই এটা বলেছি। সম্প্রতি মৌলভীবাজার জেলায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে বাংলাদেশি কিশোরী স্বর্ণা দাস নিহত হ?ন। স্বর্ণা দাসের ঝরা রক্তের দাগ শুকানোর আগেই (৩ দিনের মাথায়) ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে জয়ন্ত কুমার সিংহ নামের ১৫ বছর বয়সী আরেক বাংলাদেশি নিহত হন। ওই কিশোর বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ফকিরভিটা বেলপুকুর গ্রামের বাসিন্দা মহাদেব কুমার সিংহের ছেলে। এ ঘটনায় মহাদেব কুমার সিংহ ও নিটালডোবা গ্রামের দরবার আলী নামের আরেক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। ঠাকুরগাঁও সীমান্তে কিশোর হত্যার প্রসঙ্গ টেনে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, গতকাল যেটা হলো সেটা নিয়েও আমরা একই রকম প্রতিবাদ জানাবো। যেখানে আমাদের সুযোগ হবে আমরা বলবো। এটা বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটা নেতিবাচক ভূমিকা রাখছে। দুই দেশের স্বার্থে উচিত এটা থেকে বেরিয়ে আসা। এটা ভারতের পক্ষেও উপকারী হচ্ছে বলে আমি কাউকে বলতে শুনিনি।
সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সম্পৃক্ততা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি হাইকমিশনারের: এদিকে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও গভীর করার লক্ষ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা। মঙ্গলবার দুপুরে নতুন পররাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি আলাপে বলেন, ‘দুই দেশের জনগণের অভিন্ন আকাঙ্ক্ষা, শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের জন্য আমরা বাংলাদেশের সরকারের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছি। বহুমুখী খাতের সম্পর্ক এগিয়ে নিতে আমরা আমাদের সম্পৃক্ততা বজায় রাখবো। আমাদের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং আমরা আগামী দিনগুলোতে এই সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেয়ার অপেক্ষায় আছি। এ সময় নতুন পররাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে পরিচয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনা হয়েছে বলে দাবি করেন প্রণয় ভার্মা। এদিকে সীমান্ত হত্যা বিষয়ক এক প্রশ্নের জবাবে প্রণয় ভার্মা ডিপ্লোমেটিক জাবাব দেন। বলেন, আমি বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে চাই না, কারণ ইতিমধ্যে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা কথা বলেছেন। গত ৫ই অগাস্ট ছাত্র-জনতার রক্তাক্ত অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পলায়নের পর ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে নতুন সমীকরণ দেখা দিয়েছে। ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন। যা উভয়ের জন্য তৈরি করেছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
১০ হাজার কোটির ‘বিলাসী’ বিশ্ববিদ্যালয়ের কী হবে? by পিয়াস সরকার
২০১৬ সালে সংসদে বিশ্ববিদ্যালটি স্থাপনের আইন হয়। গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈরে বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্ক সংলগ্ন এলাকায় ৫০ একর জায়গা জুড়ে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের লক্ষ্যে আইনটি প্রণয়ন হয়। ‘বিডিইউ’-এর পুরোদমে কার্যক্রম শুরু হয় ২০১৮ সালের জুনে। যার লক্ষ্যের কথা বলা হয়, রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়ন। দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি, ২০৩০ সালের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় অংশগ্রহণ। ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশে পৌঁছানোতে ভূমিকা রাখা, বাংলাদেশে অনলাইন শিক্ষার প্রসার ঘটানো এবং দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে একটি অন্যতম উন্নতমানের বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হওয়া। উন্নত সমৃদ্ধ ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি ও উচ্চ শিক্ষায় গবেষণা এবং উদ্ভাবনীতে উৎকর্ষ সাধন। বিশ্ববিদ্যালয়টি স্থাপনের প্রথম প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয় এক হাজার ৪৬১ কোটি টাকা। গাজীপুরের কালিয়াকৈর এলাকায় এই বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ হবে হাইটেক পার্কের পাশে। হাইটেক পার্ককেন্দ্রিক সকল প্রকল্প মূলত নিয়ন্ত্রণ করতেন সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক।
২০১৪/১৫ সালে প্রযুক্তি খাতে উৎকর্ষ সাধনের জন্য বিভিন্ন প্রযুক্তি রিলেটেড বিশ্ববিদ্যালয়ে কারিকুলাম আপগ্রেডেশনের উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হয়। সাইবার ফিজিক্যাল সিস্টেম, রোবটিক্স, ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন, এডুকেশনাল টেকনোলজি, সফটওয়্যার অ্যান্ড মেশিন ইন্টেলিজেন্স, ডাটা সাইন্স বিশেষ করে সিকিউরিটি অ্যান্ড কমিউনিকেশন এই বিষয়গুলো প্রযুক্তি এবং প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যুক্ত করার গুরুত্বারোপ করা হয়। তবে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের একটি সূত্র জানায়, এই বিষয়গুলো যুক্ত করে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাব আসে ২০১৫ সালে আইসিটি মন্ত্রণালয় থেকে। এরপর কারিকুলাম আপগ্রেডেশনের কাজ বন্ধ হয়ে যায়। নতুন করে একটি বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণের প্রস্তাব করা হয়। তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সুপারিশে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রস্তাব মন্ত্রিপরিষদে আসে। নাম প্রস্তাব করা হয় শেখ মুজিবুর রহমানের নামে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মাণের সময় ছিল না কোন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। ছিল না মাস্টাপ্ল্যান। এমনকী কোনো ধরনের কাঠামো ও প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি ছাড়াই শুরু হয় শিক্ষা কার্যক্রম। শুরুতে ঢাকায় ভাড়া করা ভবনে শুরু হয় শিক্ষা কার্যক্রম। ভাইস চ্যান্সেলরের দায়িত্ব পান বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর। তার সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির জন্য বিলাসী বাজেট প্রণনয়ন করা হয়। বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ব্যয়ে বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ হয়েছিল নেত্রকোনার শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২ হাজার ৭০০ কোটি টাকায়। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের জমির পরিমাণ প্রায় ১ হাজার ২০০ একর। কিন্তু গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় মাত্র ৫০ একর জমির ওপর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি স্থাপনের জন্য বাজেট দেয়া হয় ১০ হাজার ১০০ কোটি টাকা। এই বিপুল অর্থের ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রোপোজাল (ডিপিপি) জমা দেয়া হয়। জমি অধিগ্রহণ ও অবকাঠামো খাতে ব্যয় ধরা হয় ৪ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা। বাকি টাকার বেশির ভাগই খরচ হওয়ার কথা কেনাকাটায়। এই বিপুল ব্যয়বহুল বিশ্ববিদ্যালয়টিতে সর্বোচ্চ পড়তে পারবেন ৪ হাজার শিক্ষার্থী। তৎকালীন ইউজিসি সদস্য ড. মোহাম্মদ আলমগীর ২০২২ সালে মানবজমিনকে বলেছিলেন, আমরা ডিপিপি সংশোধন করতে বলেছিলাম। কিন্তু তারা তেমনভাবে কোনো পরিবর্তন করেননি। পরে আমরা আমাদের পর্যবেক্ষণসহ সেই ডিপিপি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়া হয়। প্রকল্প কার্যক্রমের জন্য মোট ক্রয় পরিকল্পনা-পণ্যের জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে ৫ হাজার ৫৮ কোটি টাকা।
এই বিপুল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট মানবজমিনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে ২০২২ সালে প্রকাশিত হয়। সে সময় এনিয়ে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম হয়। এটি বাতিল করে দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এরপর মুনাজ আহমেদের স্থলে ভিসির দায়িত্ব পান অধ্যাপক মুহাম্মদ মাহফুজুল ইসলাম। এরপর পরের বছর তিনি ডিপিপি আংশিক বাজেট পেশ করেন ৬৯৩ কোটি টাকার। এটি নিয়ে একনেকে রিভিউ কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কিন্তু এই রিভিউ কমিটির রিপোর্ট আসার আগেই পতন হয় আওয়ামী লীগ সরকারের।
বিশ্ববিদ্যালয়টির নামে ডিজিটাল হলেও সাধারণ সুযোগ-সুবিধাও নেই। বিশেষায়িত এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমানে মোট শিক্ষার্থী ৪৫৯ জন। দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও এখনো বিশ্ববিদ্যালয়টি পায়নি নিজস্ব ভবন ও ক্যাম্পাস। কার্যক্রম চলছে দুটি ভাড়া করা ভবনে। শিক্ষার্থীদের আবাসনের ব্যবস্থাও করা হয়েছে বাসা ভাড়া নিয়ে। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে রয়েছে শ্রেণিকক্ষের সংকট। ছোট ছোট কক্ষে গাদাগাদি করে নেয়া হয় ব্যবহারিক ক্লাস। এ নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে। এখনো নির্মাণ হয়নি কোনো ভবন। কোনো ভবন বা সুবিধা না পেয়েই একটি ব্যাচ এ বছরের শেষের দিকে অনার্স শেষ করতে যাচ্ছে।
শিক্ষার্থীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ মাসের সেমিস্টার ফি সাত হাজার টাকা থেকে ১২ হাজার টাকা করা হয়েছে। কেউ অকৃতকার্য হলে এখন ২১ হাজার টাকা দিয়ে আবার পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হয়। তাদের দাবি প্রযুক্তিগত শিক্ষার বাইরে তাদের নগণ্য প্রাকটিক্যাল কার্যক্রম। ২০২২ সালের ইউজিসির বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়, শিক্ষার্থীপ্রতি সর্বোচ্চ ব্যয় এই বিশ্ববিদ্যালয়ে। শিক্ষার্থীপ্রতি ব্যয় দেখানো হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ সাড়ে সাত লাখ টাকা। আগের বছর যা ছিল নয় লাখ ২৫ হাজার টাকা।
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ সুমন আহমেদ সাবির বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রযুক্তিগত কারিকুলাম আপডেট জরুরি। বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এটি করতে হবে। অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষা ও গবেষণার উপর পিএইচডি করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী অমিত হাসান। তিনি বলেন, আমাদের সম্পূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো তৈরি হবার আগে শিক্ষার্থীদের ভর্তি করানো উচিত নয়। এতে এই শিক্ষার্থী যেমন ঘাটতি নিয়ে বের হবে সেইসঙ্গে ভবিষ্যতে হীনমন্যতাতেও ভুগে। বাংলাদেশের জন্য এখন যে বিশ্ববিদ্যালয় আছে এগুলোই অধিক। নতুন করে বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণের প্রয়োজন নেই। আমাদের নজর দেয়া উচিত রুট লেভেলে।
তিনি বলেন, গত সরকার শিক্ষার মান উন্নয়ন বলতে বুঝতো নতুন ভবন নির্মাণ। এটা শুধুমাত্র দৃশ্যমান উন্নয়ন। এটাতে শিক্ষার কোনো উন্নয়ন হচ্ছে না বরং তৈরি হচ্ছে আত্মবিশ্বাসবিহীন গ্রাজুয়েট।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী বলেন, তারা শুধুমাত্র অর্থ লোপাটের জন্যই এটা করেছে। সত্যিকার অর্থে যদি তারা দেশ ডিজিটাল করতে চাইতো তাহলে প্রান্তিক পর্যায়ে কারিগরি শিক্ষা ছড়িয়ে দিতো। প্রতিটি জেলায় কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন করা জরুরি। আমাদের বিপুল পরিমাণ মানুষ প্রবাসে যাচ্ছে আনস্কিলড হয়ে। কারিগরি শিক্ষাপ্রসার করতে হবে। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণের প্রতিযোগিতা শুরু করা হয়। যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আছে সেগুলোকে অকার্যকর রেখে নতুন বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ মানেই টাকা।
তিনি আরও বলেন, প্রযুক্তিগত উন্নয়নের জন্য আপার লেভেলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আগে রুট লেভেলে আপডেট করা জরুরি। চলমান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মান উন্নয়ন না করে আগের সরকার নতুন বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ করতে চাইতো লুটপাটের জন্য।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1449)
- ► 2025 (3281)
-
▼
2024
(2551)
-
▼
September
(772)
-
▼
Sep 11
(31)
- ভোটের প্রচারে ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’ সংসদ সদস্যের জামিন...
- যখন রাষ্ট্র গঠনের সময়, তখন ‘মব’ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ক...
- ‘ছেলে এত লম্বা না হলে হয়তো গুলিটা মাথায় লাগত না, ব...
- বিতর্কে ট্রাম্প ও হ্যারিসের যত সত্য-মিথ্যা -আল জাজিরা
- পুতিনের কঠিন শর্ত মানতে রাজি নয় তুরস্ক
- ইরানের কাছে পরমাণুচালিত সাবমেরিন মোতায়েন করেছে যু...
- কমলার বাক্যবাণে খেই হারালেন ট্রাম্প
- ওপারে গোলাগুলি, ফের ঢুকছে হাজার হাজার রোহিঙ্গা
- পাকিস্তান ভারতের মাটিতে সন্ত্রাসে মদদ দিচ্ছে: রাহু...
- ফের মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় ইরান
- এফবিসিসিআই সভাপতি মাহবুবুল আলমের পদত্যাগ
- হামাসের সঙ্গে সাময়িক যুদ্ধবিরতি সম্ভব: ইসরাইলের প্...
- সিনেট বক্তব্যে ড. ইউনূস সম্পর্কে যা বললেন ডিক ডারবিন
- বৃটেনের কারাগারে জায়গা না থাকায় ছেড়ে দেয়া হয়েছে ১৭...
- সৌদি আরবের চার বিচিত্র শহর, মরুর বুকে নৈসর্গিক প্র...
- রাশিয়ার রাজধানীতে এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় ড্রোন হামলা
- মণিপুরে কারফিউ জারি, ইন্টারনেট বন্ধ
- ‘শেখ হাসিনাকে দেশে এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে’
- ২০২৭ সালের মধ্যে বিশ্বের প্রথম ট্রিলিওনেয়ার হওয়ার ...
- ইউপি চেয়ারম্যান সুরুদ্দীনের এত সম্পদ
- আশুলিয়ায় পোশাক কারখানার বেশির ভাগ স্বাভাবিক, ৪০টিত...
- তিতাসের হারুন: ৫০০ কোটি টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ
- হঠাৎ কেন এত লোডশেডিং
- মিট অ্যান্ড গ্রিট অনুষ্ঠানে মতিউর রহমান চৌধুরী: সং...
- সিলেটে মাজারে রাতভর উত্তেজনা
- যেভাবে প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় দখলে নেয় নওফেলের পর...
- সীমান্ত হত্যা: প্রশ্ন এড়িয়ে গেলেন ভারতীয় দূত, উপদে...
- ১০ হাজার কোটির ‘বিলাসী’ বিশ্ববিদ্যালয়ের কী হবে? by...
- বাবার স্বপ্ন ছিল রাব্বি প্রকৌশলী হবে by ফাহিমা আক্...
- ‘দায়িত্ব যদি এখন না নিই, তাহলে আর কখন’
- ১৯শে সেপ্টেম্বর দুই ওটিটিতে মুক্তি ‘তুফান’
-
▼
Sep 11
(31)
-
▼
September
(772)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...