Monday, March 11, 2019
অন্য রকম রাজবধূ মেগান








About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বালাকোটে লাভ হচ্ছে না মোদির

এবিপি নিউজ ও সি-ভোটারের এক সমীক্ষায় বলা হয়েছে, এবারের নির্বাচনে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাচ্ছে না। তবে সরকার গড়ার সুযোগ থাকছে তাদের। বালাকোট জঙ্গি হামলার ঘটনায় খুব বেশি সুযোগ পাচ্ছে না বিজেপি। এতে কিছু আসন হয়তো বাড়তে পারে। বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ পেতে পারে ২৬৪টি আসন। সরকার গড়তে প্রয়োজন ২৭২টি আসন। দেশের ৫১ হাজার ভোটারের সঙ্গে কথা বলে এই সমীক্ষা করা হয়।
সমীক্ষায় বলা হয়েছে, বিজেপি এককভাবে পেতে পারে ২২০টি আসন। কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউপিএ পেতে পারে ১৪১টি আসন। পাশাপাশি মমতা, চন্দ্রবাবু নাইডু, অখিলেশ যাদব, মায়াবতী, অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দলসহ তাদের জোটে থাকা ২৩টি দল পেতে পারে ১৩৮টি আসন। ফলে এ তিনটি জোটের কারও পক্ষে সরকার গড়ার প্রয়োজনীয় আসন না থাকলেও জোট করে সরকার গড়ার সম্ভাবনা বেশি থাকছে এনডিএর।
সংবাদ সংস্থা আইএএনএসের তরফে সি-ভোটারের করা সমীক্ষায় বলা হয়েছে, যদি উত্তর প্রদেশে বিরোধী মহাজোট ভেঙে যায়, তবে এনডিএর আসনসংখ্যা বেড়ে ৩০৭–এ পৌঁছাতে পারে। ইউপিএ পেতে পারে ১৩৯টি আসন। অন্যরা পেতে পারে ৯৭টি আসন। উত্তর প্রদেশে যদি মহাজোট সফল হয়, তবে বিজেপির আসনসংখ্যা কমে দাঁড়াবে ২৯। এ রাজ্যে রয়েছে লোকসভার ৮০টি আসন।
ভারতের জনসংখ্যার দিক থেকে দ্বিতীয় বৃহত্তম রাজ্য মহারাষ্ট্রের মারাঠি ভাষার জি-গ্রুপের সংবাদ চ্যানেল ‘জি-২৪ তাস’ তাদের সমীক্ষায় বলেছে, বিজেপির নেতৃত্বাধীন জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট বা এনডিএ এবার এককভাবে সরকার গড়তে পারছে না। তবে তারা এককভাবে আসনসংখ্যায় শীর্ষে থাকবে। লোকসভায় বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট পেতে পারে ২৬৪টি আসন। কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউপিএ বা সংযুক্ত প্রগতিশীল জোট এবার পেতে পারে ১৬৫টি আসন। মমতার ইউনাইটেড ইন্ডিয়া এবং তাদের শরিক বহুজন সমাজপার্টি, সমাজবাদী পার্টি, তৃণমূল কংগ্রেস, আম আদমি পার্টি, তেলেগু দেশমসহ ২৩ জোট সঙ্গী পেতে পারে ১১৪টি আসন।
সমীক্ষায় আরও বলা হয়, মহারাষ্ট্রের ৪৮টি লোকসভার আসনের মধ্যে বিজেপি-শিবসেনা জোট পেতে পারে ৩০টি আসন। অন্যদিকে উত্তর প্রদেশের ৮০টি লোকসভার আসনের মধ্যে বিজেপি পেতে পারে ৫০টি আসন আর সমাজবাদী পার্টি ও বহুজন সমাজপার্টির জোট পেতে পারে ২৫টি আসন।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভিপি প্রার্থী নুরের ওপর ছাত্রলীগের নারী কর্মীদের হামলা

পরিষদের একাধিক ছাত্র অভিযোগ করেন, আজ রোববার দুপুরে রোকেয়া হলের একটি কক্ষে সিলগালা করা তিনটি ব্যালট বাক্স গোপন ভাবে রাখা হয়েছে। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নুরুল হক এবং পরিষদের কয়েকজন সদস্য হল প্রভোস্টের কাছে যান। তারা ওই কক্ষের ভেতরে কি আছে দেখতে চান। সেখানে থাকা পরিষদের সাহিত্য সম্পাদক প্রার্থী আকরাম হোসেন অভিযোগ করেন, হল প্রভোস্ট তাঁকে ওই কক্ষে যেতে বাধা দিয়েছেন। প্রক্টর ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার না আসা পর্যন্ত তাঁকে অপেক্ষা করতে বলা হয়েছে।
এর একটু পরে প্রক্টর গোলাম রাব্বানী, প্রধান নির্বাচন কমিশনার মফিদুর রহমান, প্রভোস্ট জিনাত হুদা ও ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।
এরপর তাদের সামনেই তাঁরা ওই ঘরে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে নুরুল হক বাইরে এসে সেখানে কী আলোচনা হয়েছিল সেটা বলতে গেলে তাঁর ওপর হামলা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, ছাত্রলীগের নারী কর্মীরা নুরুল হকের ওপর হামলা করেন। এ সময় তাঁকে মাটিতে ফেলে আঘাত করা হয়। হামলার পর নুরুল হককে উদ্ধার করে বাইরে নিয়ে আসা হয়। গণমাধ্যমের একটি গাড়িতে করে বেসরকারি একটি হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রক্টর গোলাম রাব্বানী প্রথম আলোকে বলেন, নুরুকেই জিজ্ঞেস করেন সে কেন ছাত্রীদের হলে গিয়েছিল। একটি চক্র এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে ক্যাম্পাসের পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা করছেন।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিক্ষোভে উত্তাল ক্যাম্পাস

ভোটগ্রহণ চলাকালেই অধিকাংশ শিক্ষার্থী টিএসসি, মহসীন হল, রোকেয়া হল, কুয়েত মৈত্রী হলের সামনে ও ভিসি ভবনের সামনে বিক্ষোভ করছেন। দুপুর ১টার দিকে ছাত্র অধিকার সংরক্ষণসহ চারটি প্যানেলের প্রার্থীরা মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেয়। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে মিছিল নিয়ে বের হয়।
দুপুর সোয়া ২টার দিকে ভিসি চত্বরের সামনে উপাচার্যের পদত্যাগ ও পুনঃনির্বাচনের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করে। একই চিত্র দেখা গেছে রোকেয়া হল ও শামসুন্নাহার হল প্রাঙ্গনেও।
সেখানেও শিক্ষার্থীরা ভোটে অনিয়মের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ করছে। একই সঙ্গে উপাচার্যের পদত্যাগ ও পুননির্বাচনের দাবি করছেন।
বেলা সাড়ে ১২টার দিকে রোকেয়া হলের প্রভোস্ট বন্ধ থাকা নির্বাচন ৩টা থেকে আবার শুরু হবে এমন ঘোষণা দিলে ছাত্রীরা প্রতিবাদে ফেটে পড়েন। তারা ভুয়া ভুয়া বলে চিৎকার করে বলেন, আমরা এই নির্বাচন বাতিল করে নতুন নির্বাচন চাই। একই সঙ্গে হল প্রশাসনের পদত্যাগ দাবি করেন ছাত্রীরা।
এদিকে, দুপুর ২টার দিকে আমাদের রিপোর্টার ঢাবি থেকে জানিয়েছেন, জিয়া হল, বঙ্গবন্ধু হল, সূর্যসেন হল ও জসীমউদ্দীন হলের ফটক বন্ধ করে দিয়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের ভেতরে আটকে রাখা হয়েছে।
টিএসসি এলাকায় বিক্ষোভকালে ছাত্রফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক সালমান সিদ্দিকী বলেন, ভোটে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। ছেলে ও মেয়ে উভয় হলেই অনিয়ম দেখা গেছে। সারাদিন ভোটের নামে নাটক চলেছে।

About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডাকসু নির্বাচন: ভোটের লাইন এগোয় না কেন? by মোশতাক আহমেদ

ভোট দিতে এত দীর্ঘ সময় লাগা নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করতে দেখা যায় ভোটারদের। তাঁদের প্রশ্ন, ভোটের লাইন এগোয় না কেন? ছাত্রলীগ ছাড়া অন্য প্যানেলের প্রার্থীদের সন্দেহ, ভোট দিতে কৃত্রিমভাবে সময় বেশি নেওয়া হচ্ছে। যাতে অপেক্ষা করতে করতে বিরক্ত হয়ে ভোট না দিয়ে ভোটাররা চলে যান।
তবে নির্বাচনের দায়িত্ব পালনরত শিক্ষকেরা জানান, ৩৮টি করে (ডাকসু ও হল সংসদ মিলে) ভোট দিতে হচ্ছে বলে ভোট গ্রহণে দীর্ঘ সময় লাগছে।
সকাল আটটা থেকে ভোট শুরু হয়েছে। বেলা দুইটা পর্যন্ত ভোট গ্রহণের কথা রয়েছে।
জগন্নাথ হলে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা সৌম্যক সাহা প্রথম আলোকে বলেন, ‘দেড় ঘণ্টা ধরে প্রায় একই জায়গায় অপেক্ষা করছি। সামনের দিকে এগোতে পারছি না। সামনে কী হচ্ছে, বুঝতে পারছি না।’
তাঁর পাশে থাকা দুই-তিনজন ভোটার বলেন, বেশ কয়েকজন লাইনে অপেক্ষা করতে করতে বিরক্ত হয়ে ভোট না দিয়ে চলে গেছেন।
লাইন থেকে সামনে এগিয়ে গিয়ে দেখা গেল, ভোট কক্ষে যাওয়ার পথে আর্চ ওয়ে দিয়ে খুব ধীর গতিতে দু একজন করে শিক্ষার্থীকে ভেতরে প্রবেশ করানো হচ্ছিল। এ সময় আশপাশে ছাত্রলীগ সমর্থক প্রার্থীদের ছবিযুক্ত কার্ড গলায় ঝুলিয়ে বেশ কয়েকজনকে আর্চ ওয়ের আশপাশ ঘিরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। হল প্রভোস্টের অনুমতি নিয়ে ভোটকক্ষের সামনে গিয়ে দেখা গেল, সেখানেও ভোট দেওয়ার জন্য দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করছেন শিক্ষার্থীরা।
নির্বাচনে দায়িত্ব পালরত কয়েকজন শিক্ষক জানালেন, একসঙ্গে ৩৮টি ভোট দিতে সময় লেগে যাচ্ছে। তাঁদের মতে, ভোটের সময় আরও বাড়ানো উচিত ছিল।
এর আগে পৌনে ১০ টার দিকে সলিমুল্লাহ মুসলিম হলে গিয়েও দেখা গেল প্রায় একই চিত্র। বাইরে দীর্ঘ লাইন। ভেতরে প্রবেশ করানো হচ্ছে গুনে গুনে কয়েকজনকে। দীর্ঘ সময় লাগা নিয়ে লাইনে থাকা ভোটাররা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
সুজায়ের উল্লাহ ভুঁইয়া নামে এক ভোটার বলেন, তিনি সকাল আটটা ১০ মিনিটে লাইনে দাঁড়িয়েছেন। এখন পৌনে ১০ টা বাজে। এখনো ভোট দিতে পারেননি।
সেখানেও ভোটার লাইনের আশপাশে ছাত্রলীগের সরব উপস্থিতি দেখা গেলেও অন্য প্যানেলগুলোকে সেভাবে দেখা যায়নি।
সলিমুল্লাহ মুসলিম হলে লাইনে দাঁড়ানো কয়েকজন ভোটার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যে গতিতে ভোট চলছে, তাতে কোনো অবস্থাতেই সব ভোটার ভোট দিতে পারবেন না।
তবে নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা শিক্ষকেরা বলেছেন, এখন পর্যন্ত সিদ্ধান্ত রয়েছে যে, যেসব ভোটার হলে এসে লাইনে দাঁড়াবেন, তাদের সবার ভোট নেওয়া হবে।
বিজয় একাত্তর হল, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল, কবি জসীমউদ্দিন হলে গিয়েও ভোটারদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে।
ছাত্রলীগের বাইরে অন্য প্যানেলের একাধিক প্রার্থীর অভিযোগ, কৃত্রিমভাবে লাইনের গতি কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ইচ্ছে করে ভোটে সময় বেশি নেওয়া হচ্ছে। যাতে অনেক ভোটার ভোট না দিয়ে চলে যান বা যাঁরা এখনো ভোট দিতে আসেননি তাঁরা যেন আগ্রহ হারিয়ে ভোট দিতে না আসেন।
দীর্ঘ ২৮ বছর ১০ মাস পর বহুল আলোচিত ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের প্যানেল ও স্বতন্ত্র অবস্থান থেকে সহসভাপতি (ভিপি) পদে লড়ছেন ২১ জন শিক্ষার্থী। সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে প্রার্থী হয়েছেন ১৪ জন।

About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রোকেয়া হলে বাক্সে সিল না মারা ব্যালট, ভোটগ্রহণ স্থগিত by মোশতাক আহমেদ

আজ সকাল আটটা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদগুলোর নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরু হয়।
রোকেয়া হলের ছাত্রীরা অভিযোগ করেছেন, হলে মোট নয়টি ব্যালট বাক্সে ভোট গ্রহণ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ভোট গ্রহণ শুরু হওয়ার সময় ছয়টি ব্যালট বাক্স দেখানো হয়। এ নিয়ে শুরু থেকেই তাদের মধ্যে সন্দেহ করছিল, বাকি তিন ব্যালট বাক্স গেল কোথায়। এ নিয়ে ছাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ ছিল। পরে তারা জানতে পারে, পাশের একটি কক্ষে ওই তিনটি ব্যালট বাক্স রাখা হয়েছে। পরে ছাত্রীরা কক্ষটির দরজা ভেঙে ওই তিনটি ব্যালট বাক্স বের করে বাইরে নিয়ে আসে। পরে তারা ওই ব্যালট বাক্সগুলোর তালা ভেঙে দেখে, সেগুলোতে ব্যালট পেপার ভরা। তবে সেগুলোতে ভোট দেওয়া ছিল না। শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, এত ব্যালট পেপার কেন? সেগুলো লুকিয়েই বা রাখা হবে কেন?
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বেলা সাড়ে ১১টার পর থেকে ভোট গ্রহণ স্থগিত আছে। এর আগে সৃষ্ট পরিস্থিতির মধ্যে রোকেয়া হলে আসেন ছাত্রলীগ, কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া সাধারণ শিক্ষার্থী অধিকার আন্দোলনের প্রার্থীসহ আরও বেশ কয়েকজন প্রার্থী। পরে সেখানে সাধারণ শিক্ষার্থী অধিকার আন্দোলনের ভিপি প্রার্থী নুরুল হক নূরকে মারধর করে ওই হলের ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।
এখন হলের ভেতরে ছাত্রীরা এ ঘটনার পর থেকে বিক্ষোভ করছেন।
রোকেয়া হলের রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা হলের হাউস টিউটর দিলারা জাহান প্রথম আলোকে বলেন, রোকেয়া হলে মোট ভোটার চার হাজার ৬০০। এর মধ্যে দুই হাজার বেশি ব্যালট ভোট কক্ষে আনা হয়। বাকিগুলো পাশে রাখা হয়েছিল। এগুলো শেষ হলে পরে সেগুলো নিয়ে আসা হতো। কিন্তু সেগুলো কে বা কারা ভেঙে ছিনতাই করল।
দিলারা জাহান বলেন, এখন স্যারেরা এসেছেন। কিছুক্ষণ পর ভোট গ্রহণ শুরু হবে।

About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ছাত্রলীগ ছাড়া সব প্যানেলের ভোট বর্জন, বিক্ষোভ, ক্যাম্পাসে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট

সংবাদ সম্মেলনে লিটন নন্দী বলেন, কুয়েত মৈত্রী হলে বস্তা ভর্তি সিল মারা ব্যালট পাওয়া গেছে। এস এম হলে ছাত্রলীগের ছাড়া অন্য কোন দলের লিফলেটিং করতে দেয়া হয়নি।
রোকেয়া হলে ১ ঘণ্টা পর ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। রোকেয়া হলে ৩টা ব্যালট বাক্স আলাদা করে রাখা হয়। সেখানে বাক্স দেখতে চাইলে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত হন। তাদের উপস্থিতিতে ভিপি প্রার্থী নুরুল হক নুরুর ওপর আক্রমণ হয়। জিয়া হলে ভোট দিয়ে আবার লাইনে দাঁড়াচ্ছেন। দুই-তিন ঘণ্টা হবার পরেও সাধারণ শিক্ষার্থীরা ভোট দিতে পারছে না। মহসীন হলে আমরা ঢুকতে গেলে আমরা ঢুকতে পারি নাই।
এসব কারণে প্রশাসনের প্রতি ঘৃণা জানিয়ে আমরা ভোট বর্জন করছি। বর্জন করা প্যানেলের মধ্যে রয়েছে- বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ, প্রগতিশীল ছাত্র ঐক্য, স্বাধীকার স্বতন্ত্র পরিষদ ও স্বতন্ত্র জোট।
পরে আলাদা সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদলও একই ঘোষণা দেন। সংগঠনটির পক্ষ থেকে ভিপি প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, নির্বাচনের সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে ভোট ডাকাতির এই নির্বাচন আমরা বর্জন করলাম।
এদিকে ভোট বাতিল ও নতুন তফসিল ঘোষণা করে পুনরায় ভোটগ্রহণের দাবিতে ক্যাম্পাসে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সৌদি থেকে আসছে ৩০০ রোহিঙ্গা! by মিজানুর রহমান

এ নিয়ে সেগুনবাগিচা আনুষ্ঠনিকভাবে কোন মন্তব্য বা প্রতিক্রিয়া দিতে অপারগতা দেখিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য ভিত্তিক বিশেষ করে আরব দুনিয়ার বরাতে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রকাশিত তথ্য-উপাত্ত উদৃত করে বিদেশ নীতি বাস্তবায়নে সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তারা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু সরকারের সংশ্লিষ্ট ডেস্কগুলোর মধ্যম সরির কর্মকর্তারা জোর দিয়েই বলছেন, সৌদি থেকে শত শত রোহিঙ্গা আসছে।
অনেকে ক্লিয়ারেন্স পেয়েছে এবং এরইমধ্যে তারা বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে। অনেকে প্রবেশের অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছে।
তাদের বেশীরভাগের ফেরত পাঠানোর ব্যয় সৌদি সরকারই বহন করছে। সম্প্রতি মানবজমিনের সঙ্গে আলাপে ঢাকার এক পেশাদার কূটনীতিক বলেন, বাংলাদেশ এ পর্যন্ত ১৭৯ জনকে গ্রহণ করেছে। ওই রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি পাসপোর্ট ছিল বলে তাদের গ্রহণে ঢাকা আপত্তি করতে পারে নি। আরও ২৯৮ জন রোহিঙ্গার একটি তালিকা ঢাকায় পাঠিয়েছে রিয়াদ।
তাদের গ্রহণে অনুরোধও করেছে সৌদি আরব। ঢাকা এখন ওই তালিকা ধরে তাদের বিষয়ে খোঁজ খবর নিচ্ছে। তারা কিভাবে পাসপোর্ট সংগ্রহ করলো? কোন এলাকার ঠিকানা ব্যবহার করলো এবং তাদের কতজন মূল স্রোতে এরইমধ্যে ঢুকে গেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ওই কর্মকর্তা অবশ্য বলেন, রোহিঙ্গা বা বার্মিজ মুসলিম হিসাবে রিয়াদের তালিকায় নাম থাকা ওই ব্যক্তিদের মধ্যে প্রকৃত অর্থে বাংলাদেশি নাগরিকও রয়েছেন। ওই কর্মকর্তার মতে সৌদি আরবে থাকা অনেক রোহিঙ্গা আদতে রোহিঙ্গা নন। নির্যাতিত রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের লোকজনের প্রতি সৌদি সরকার এতদিন যে সহমর্মিতা বা মহানুভবতা দেখিয়েছে সেটার সূযোগ নিতে অনেক বাংলাদেশি নিজে থেকেই ‘রোহিঙ্গা’ সেজেছেন।
সেই সব ব্যক্তিদের বিষয়েও ঢাকার কর্মকর্তারা খোঁজ বা তথ্য-উপাত্ত পেয়েছেন বলে দাবি করেন এক কর্মকর্তা। বলেন, ‘রোহিঙ্গা’ নিয়ে মুসলিম বিশ্বে নানা ঘটনা রয়েছে। যুগে যুগে অনেক বাংলাদেশি এটার সূযোগ নেয়ার চেষ্টা করেছেন। অনেকে সফল হয়েছেন। রিয়াদের কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, রোহিঙ্গাদের বিষয়ে সৌদি আরবের দৃষ্টিভঙ্গিতে সাম্প্রতিক সময়ে পরিবর্তন এসেছে। এর জন্য রোহিঙ্গাদের অপকর্মই দায়ী। বঞ্চনা আর নির্মমতার শিকার ওই সম্প্রদায়ের বাস্তুচ্যুত লোকজন জাহাজসহ বিভিন্ন মারফত মধ্যপ্রচ্যের দেশগুলোতে আশ্রয় নেয়া শুরু করে পাকিস্তান আমলে।
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরও চট্টগ্রাম থেকে নৌ পথে অনেকে দেশগুলোতে গেছে। কেবল সৌদি আরবেই এখন কয়েক লাখ রোহিঙ্গা বসবাস করে জানিয়ে একটি সূত্র জানায়, পরিবার-পরিজন নিয়ে সৌদি আরবে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের প্রতি রিয়াদ বরাবরই ভ্রাতৃত্বমূলক আচরণ করেছে। কিন্তু তারা মাদক পাচার, চুরি-ডাকাতি এমনকি খুন-ধর্ষণসহ গুরুতর অপরাধগুলোতে জড়িয়ে তারা কেবল নিজেদের পায়েই কুড়াল মারেনি, বাংলাদেশি পাসপোর্ট ব্যবহারের কারণে বাংলাদেশের ইমেজকেও প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য মতে, এসব অপরাধে সৌদি আরবের বিভিন্ন কারাগারে কয়েক শ রোহিঙ্গা বন্দি রয়েছে। অনেকের সাজা হয়ে গেছে।
অনেকে রায়ের অপেক্ষায়। কিন্তু এটা নিশ্চিত যে দণ্ডপ্রাপ্ত ওই রোহিঙ্গাদের সৌদি আরব আর রাখবে না। সাজা ভোগের পরপরই তারা যে দেশের পাসপোর্টধারী সে দেশেই ফেরত পাঠাবে। সে ক্ষেত্রে তাদের বেশীরভাগই কোন না কোনকালে বাংলাদেশি পাসপোট নিতে সমর্থ্য হয়েছে, জানিয়ে ওই কর্মকর্তা বলেন, ফলে এখন তাদের বাংলাদেশেই ফিরতে হচ্ছে। সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে কাজ করা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তা মানবজমিনকে বলেন, রোহিঙ্গা নিয়ে দেশে বিদেশে আমরা সংকটে আছি। এরা সুঁই হয়ে ঢুকে ফাল হয়ে বের হয়। বাংলাদেশে যে ১১ লাখ রোহিঙ্গা আছে তাদের ৯০ভাগকে আমরা রেজিস্ট্রেশন বা নিবন্ধনের আওতায় নিয়ে আসতে পেরেছি। কিন্তু বিদেশে যে কয়েক লাখ আছে, এর মধ্যে যারা বাংলাদেশি পাসপোর্ট নিয়েছে তাদের সংখ্যা বা পরিসংখ্যান এখনও আমাদের হাতে নেই। সৌদি আরবে বাংলাদেশীদের যে ইমেজ ছিল, রোহিঙ্গারা বাংলাদেশি পাসপোর্ট ব্যবহার করে কুকর্ম করে সেটি ধ্বংস করে দিচ্ছে। অন্য এক কর্মকর্তা বলেন, কোনকালে বাংলাদেশি পাসপোর্ট ব্যবহার করেছে এমন ব্যক্তির তথ্য ডাটাবেজে থাকলে তাকে অস্বীকার করার কোনও কায়দা নেই।
একটি মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্র হিসাবে বাংলাদেশ তার ঐতিহ্যগত কূটনৈতিক কার্যক্রম চালিয়ে এর একটি সমাধানের চেষ্টা করছে। কিন্তু কূটনীতিতে নানা ধরনের অস্পষ্টতা থাকলেও ‘তথ্য গোপন’ করা যায় না। এটি হলে আস্থা বা বিশ্বাসের ঘাটতি দেখা দেয়, যার পরিণতি হয় ভয়ংকর। ওই কর্মকর্তা বলেন, যেসব রোহিঙ্গার হাতে বাংলাদেশি পাসপোর্ট রয়েছে বা বাংলাদেশি পাসপোর্ট কোনকালে ব্যবহার করেছে মর্মে অকাট্ট প্রমাণ রয়েছে তাদের ফেরত আনতে হচ্ছে। উল্লেখ্য, রোহিঙ্গাদের বিষয়ে সৌদি সরকার মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যর্থ হওয়ায় এখন তাদের ফেরাতে বাংলাদেশের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে। এ বিষয়ে এক কর্মকর্তা বলেন, অভিযুক্ত বা প্রমাণিত অপরাধী রোহিঙ্গাদের নিয়ে সংকট দিনে দিনে বাড়ছে। তাদের মিয়ানমারে ফেরত পাাঠাতে উদ্যোগী হয়েছি সৌদি আরব। কিন্তু মিয়ানমার তাদের নাগরিকত্ব অস্বীকার করায় এবং গ্রহণে রাজী না হওয়ায় সৌদি কর্তৃপক্ষ তাদেরকে বাংলাদেশেই ঠেলে দিচ্ছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ে ইসরাইলি হামলার জবাব দিল ফিলিস্তিনিরা

ইহুদিবাদী ইসরাইলের কর্মকর্তারা গাজা থেকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সত্যতা স্বীকার করেছে। তারা বলেছে, গাজা থেকে ছোঁড়া ক্ষেপণাস্ত্র ইসরইলের এসকোল শহরের একটি নির্জন এলাকায় পড়ে। তবে গাজা থেকে কারা এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে তা পরিষ্কার নয়। গাজায় হামাস ও ইসলামি জিহাদ আন্দোলনের সশস্ত্র তৎপরতা রয়েছে।
‘মার্চ অব রিটার্ন’ আন্দোলনের অংশ হিসেবে গত শুক্রবার ফিলিস্তিনিরা গাজা সীমান্তে বিক্ষোভ করতে গেলে ইহুদিবাদী সেনারা হামলা চালায়। এতে ওই তরুণ শহীদ হয়। গাজা থেকে ইসরাইলের ভেতরে যে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে তাতে কী ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা পরিষ্কার নয়।
নাকাবা দিবস উপলক্ষে গত বছরের ১৫ মে থেকে ‘মার্চ অব রিটার্ন’ আন্দোলন চালিয়ে আসছেন ফিলিস্তিনিরা। ১৯৪৮ সালে ফিলিস্তিনি ভূমি দখল করে অবৈধ ইসরাইলি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা এবং হয় সে সময় সাড়ে সাত লাখ ফিলিস্তিনিকে তাদের ঘরবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা হয়। প্রতিবাদ করলে বহু ফিলিস্তিনিকে হত্যা করা হয়েছিল। সেই ভয়াবহ বিপর্যয়ের স্মরণে ফিলিস্তিনিরা নাকাবা দিবস পালন করে আসছেন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাস্তায় পুরো নগ্ন নরনারী

এ খবর দিয়েছে বৃটেনের একটি ট্যাবলয়েড পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ।
এতে বলা হয়েছে, নিউ সাউথ ওয়েলসের উত্তরাঞ্চলে এই বার্ষিক নগ্ন সাইকেল চালনায় যোগ দিয়েছিলেন কমপক্ষে ৫০ জন নরনারী। শনিবার বিকেলে তারা যখন সাইকেল নিয়ে রাস্তায় নামলেন তখন তাদের শরীরে শুধু হেলমেট ছাড়া আর কোনো আবরণ ছিল না। তারা সাইকেলের প্যাডেলে বল প্রয়োগ করে চালিয়ে গেলেন এ রাস্তা, সে রাস্তা। ‘বাইকটিভিস্টস’দের আয়োজনে এটা হলো এমন ১১তম বার্ষিক কর্মসূচি। তারা এর মধ্য দিয়ে সাইকেল চালকদের নিরাপত্তা, পথচারীদের নিরাপত্তা এবং সড়কে গাড়িচালকদের নিরাপত্তার সচেতনতা বাড়ায়।
এতে যারা যোগ দেন তাদের কারো কারো দেহের স্পর্শকাতর অঙ্গে ব্যবহার করা হয় কিছুটা পেইন্ড। বৃটিশ ওই পত্রিকাটি যেসব ছবি প্রকাশ করেছে তাও সেন্সর করে দিতে হয়েছে। বৃটিশ সংবাদ মাধ্যম এমনটা খুব বেশি করে না। কিন্তু এই ইভেন্টের ছবিগুলো এতটাই জীবন্ত ও স্পষ্ট যে, তা সেন্সর না করে তারা প্রকাশ করতে পারে নি। লন্ডন, মেলবোর্ন সহ বিশ্বের ৭০ টিরও বেশি শহরে এ কর্মসূচি পালিত হয়েছে বলে বলা হয়েছে প্রতিবেদনে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘অসুস্থ খালেদা ইউনাইটেডে চিকিৎসা দাবি’

গতকাল সকাল থেকেই বিএসএমএমইউ’র আঙ্গিনায় একে একে মোতায়েন করা হয় পুলিশ, র্যাব ও ডিবি পুলিশের টিম। কিন্তু বেলা সাড়ে ১২টার দিকে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো তরফে জানা যায়, খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে আনা হচ্ছে না।
শেষ পর্যন্ত তাকে কারাগার থেকে হাসপাতালে আনা হয়নি। বেলা পৌনে ১টার পর থেকে হাসপাতাল আঙ্গিনায় মোতায়েনকৃত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের পর্যায়ক্রমে সরিয়ে নেয়া হয়। দুপুরে বিএসএমএমইউ-এর পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আবদুল্লাহ আল হারুন সাংবাদিকদের বলেন- ‘খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে বেলা ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে আনার কথা ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কারা কর্তৃপক্ষ আমাদের জানিয়েছেন- খালেদা জিয়া এই হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসতে অনীহা প্রকাশ করেছেন। তাই সকল প্রস্তুতি থাকার পরও হাসপাতালে আনা সম্ভব হয়নি।’ তিনি বলেন- ‘আমরা প্রস্তুত ছিলাম, মেডিকেল বোর্ডও প্রস্তুত ছিল। কেবিনও প্রস্তুত করা হয়েছিল। খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ড সকালে কারাগারে গিয়েছিলেন। এর আগে তার যে চিকিৎসা দেয়া হয়েছিল তার ফলোআপ হিসেবে আজকে হাসপাতালে আসার কথা ছিল।’
কিন্তু পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মাহবুবুল ইসলাম বেলা পৌনে ১২টার দিকে বলেছেন- ‘খালেদা জিয়াকে বিএসএমএমইউতে নেয়ার কথা থাকলেও উনি না করে দিয়েছেন। উনি যাবেন না।’
বিএসএমএমইউ পরিচালকের বক্তব্যের পর ডক্টরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ড্যাব এর আহ্বায়ক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার বলেন, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা খুবই খারাপ। হুইল চেয়ারে বসার যে পাদানি থাকে, সেখানেও তিনি ঠিক মতো পা রাখতে পারেন না। তার চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসক এফএম সিদ্দিকী কারাগারে গিয়েছিলেন। সেখানে স্পষ্ট করে বলেছেন, বেসরকারি ইউনাইটেড হাসপাতালে খালেদা জিয়ার যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আছে, তাদের অধীনে চিকিৎসা নেবেন। তাকে পিজিতেই আনতে হবে এমন তো কথা নেই। তিনি বলেন, এ দেশে অনেকেই আছেন যারা প্যারোলে বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন, এখনো যাচ্ছেন। খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য প্যারোলের আবেদন করবেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, খালেদা জিয়া প্যারোলে মুক্তি নিতে যাবেন কিনা সেটা তার ব্যাপার। তিনি তো দেশেই চিকিৎসা পাচ্ছেন না, প্যারোলে মুক্তি তো পরের কথা।
উল্লেখ্য, ৭৪ বছর বয়সী খালেদা জিয়া আর্থ্রাইটিসসহ বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছেন। বিএনপির সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, তার বাম হাত, বাম পায়ের ব্যথা গুরুতর। ব্যথা প্রশমনের জন্য প্রয়োজন নিয়মিত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ এবং আধুনিক ফিজিওথেরাপি। বর্তমানে তার মুভমেন্ট অনেকটাই নিয়ন্ত্রিত। তিনি আরো বলেন, গত বছরের ৮ই নভেম্বর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ তাকে হাসপাতালে শেষ চিকিৎসা প্রদান করেন। দীর্ঘ সাড়ে তিন মাসে তার কোনো ফলোআপ হয়নি। এমনকি জেলে চিকিৎসকরা তাকে নিয়মিত দেখতে যেতেন না।
বিএনপি নেতাদের অভিযোগ- কারাগারে খালেদা জিয়াকে সুচিকিৎসা হচ্ছে না। যে কারণে তার স্বাস্থ্যের চরম অবনতি হয়েছে। এজন্য তাকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে স্থানান্তরের দাবি নিয়ে দলটির একটি প্রতিনিধিদল গত মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাতের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সাংবাদিকদের বলেন, মেডিকেল বোর্ড গত ২৪শে ফেব্রুয়ারি কারাগারে গিয়ে খালেদা জিয়াকে দেখে এসে কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষার কথা বলেছে। তাদের পরামর্শ অনুযায়ী স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য খালেদা জিয়াকে শিগগিরই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে নেয়া হবে। এ পাঁচদিনের মাথায় গতকাল সকালে খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে স্থানান্তরের জন্য প্রস্তুতি শুরু হয়। সকাল থেকেই কারা ফটকে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গাড়ি প্রস্তুত রাখা হয়। অন্যদিকে বঙ্গবন্ধু মেডিকেলের কেবিন ব্লকের ৬২১ ও ৬২২ নম্বর কেবিন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে গোছানোর কাজ শুরু হয়। ওই ভবনের সামনে অবস্থান নেন বিপুলসংখ্যক পুলিশ। খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় আদালতের নির্দেশে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের দুই সদস্যকে নিয়ে সকাল পৌনে ১০টার দিকে ছয় তলায় ওই কেবিন ঘুরে যান হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহ আল হারুন।
এদিকে বিএনপি চেয়ারপারসনকে হাসপাতালে স্থানান্তরের প্রস্তুতির খবর পেয়ে কারাগারের বাইরে ও বঙ্গবন্ধু মেডিকেলের সামনে ভিড় করেন সংবাদকর্মীরা। বিএনপি নেতাকর্মীরা জড়ো হন বঙ্গবন্দু মেডিকেলে। বেলা ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে হাসপাতালে আনার কথা থাকলেও এই সময়ের মধ্যে তাকে আনা হয়নি। পরে সোয়া ১২টার দিকে কারাগারে খালেদা জিয়ার সঙ্গে কথা বলতে যান সিনিয়র জেল সুপার ইকবাল কবিরসহ মেডিকেল টিমের সদস্যরা। পরে পৌনে ১টার দিকে কারাগার থেকে বেরিয়ে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে সিনিয়র জেল সুপার বলেন, উনি যাবেন না। পরে চকবাজার থানার ওসি শামীম অর রশীদ তালুকদার বলেন, খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে পাঠানোর যাবতীয় প্রস্তুতি সকাল থেকে নেয়া ছিল। কিন্তু রেজাল্ট নেগেটিভ। উনি বিএসএমএমইউতে যেতে রাজি হননি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্যালটের প্রত্যাবর্তন না ধারাবাহিকতা by মুনির হোসেন

মান্দাতার আমলের স্টিলের ব্যালট বাক্স ব্যবহার করা হচ্ছে নির্বাচনে।
প্রচার প্রচারণায় আচরণবিধির নানা অভিযোগ থাকলেও কারো বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার নজির গড়তে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। হলের বাইরে ভোট কেন্দ্র স্থাপন আর ভোট গ্রহণের সময় বাড়ানোর জোরালো দাবি ছিল শুরু থেকেই। এসব দাবি উপেক্ষা করা হয়েছে। ভোটের আগের এসব আলামতকে খুব ভালোভাবে নিতে পারেননি সাধারণ প্রার্থীরা। তাদের মধ্যে শেষ মুহূর্তে এসে ভর করেছে নানা শঙ্কা। দেশের আন্দোলন-সংগ্রামের সূতিকাগার ডাকসুর নির্বাচনে চোখ পুরো দেশের। বিগত নির্বাচনগুলোর নানা নেতিবাচক অভিজ্ঞতা সামনে রেখে সবার অধির আগ্রহ কি হবে ডাকসুতে।
অতীতের জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে যেসব মডেল প্রত্যক্ষ করা গেছে তা কি ডাকসুতেও দেখা যাবে? নাকি সাধারণ ভোটাররা নিজেদের রায় দিয়ে পছন্দের প্রার্থী নির্বাচনের মাধ্যমে ব্যালটের শক্তি ফিরিয়ে আনবেন এমন প্রশ্ন এখন মুখে মুখে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সামনেও আজকের নির্বাচন এক বড় চ্যালেঞ্জ। শিক্ষার্থীদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় তার অতীতের ঐতিহ্য ধরে রাখতে পারবে নাকি অপচেষ্টার কাছে আত্মসমর্পণ করবে এটিই এখন দেখার বিষয়। এমন পরিস্থিতিতে আজ সকাল আটটা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হবে ডাকসুর।
নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত প্রশাসন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে কর্তৃপক্ষ। গতকাল সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. মু. সামাদ বলেন, ‘বহুল প্রত্যাশিত ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য আমাদের যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আশা করছি উৎসবমুখর পরিবেশে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হবে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভোট কেন্দ্রে আসতে অন্যান্য দিনের মতো গাড়িগুলো চলাচল করবে।’ তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করি শিক্ষার্থীরা নির্বাচনের মাধ্যমে তাদের নেতা নির্বাচিত করবে। যিনি সাধারণ শিক্ষার্থীদের সব সমস্যা নিয়ে কাজ করবে। প্রশাসনের কাছে উপস্থাপন করে শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে সচেষ্ট থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার মান কিভাবে আরো সুন্দর হয় সে বিষয়ে কাজ করবে।’ প্রো-ভিসি বলেন, ‘আমারা সব আয়োজন সম্পন্ন করেছি। এখানে শিক্ষকরা দায়িত্ব পালন করবেন। এটা শিক্ষকদের নৈতিকতার প্রশ্ন। আমরা আশা করি শিক্ষার্থীরা আমাদের শিক্ষকদের প্রতি আস্থা রাখবে। শিক্ষকদের দায়িত্ব নিয়ে সন্দেহ করা শিক্ষার্থীদের ঠিক না।’
অস্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ভোট, কী বলছে প্রশাসন: বহুল প্রত্যাশিত ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হচ্ছে অস্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে। স্টিলের রঙিন বাক্সে ব্যালট পেপার সংরক্ষিত করা হবে। যে বাক্সটি তালা দেয়া থাকবে। প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছে প্রার্থীরা। যদিও প্রশাসন বলছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী সমিতির নির্বাচন, রেজিস্ট্রার্ড গ্রাজুয়েট প্রতিনিধি নির্বাচনে এ বাক্স ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও ডাকসুর আগের সব নির্বাচনেও এ ধরনের বাক্স ব্যবহার করা হয়েছিল। এবার ভোটার বেশি হওয়ায় কিছু বাক্স নতুনভাবে তৈরি করা হয়েছে। এদিকে প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছে প্রার্থীরা। গতকালও ভিসির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এসব বাক্স পরিবর্তনের দাবি করেন তারা। বলেন, স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স ব্যবহারের। এ বিষয়ে জিএস প্রার্থী রাশেদ খান বলেন, অস্বচ্ছ ব্যালট বাক্স ব্যবহারের মাধ্যমে কারচুপির আশঙ্কা থেকে যায়। আমি মনে করি এর মাধ্যমে একটি গোষ্ঠিকে সুবিধা দিতে চায় প্রশাসন। যারা রাতের আঁধারে ব্যালটে সিল মেরে বাক্সে ফেলে দিলেও কেউ কিছু বলতে পারবে না। আমরা এমন সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানাই।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. মু. সামাদ বলেন, যে বাক্সগুলো ডাকসু নির্বাচনে ব্যবহার হচ্ছে এটা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী নির্বাচনসহ সব নির্বাচনে ব্যবহার করা হয়। ডাকসুতেও আগের সব নির্বাচনে এসব বাক্স ব্যবহার করা হয়েছিল। প্রার্থীরা যদি বিষয়টি আমাদের আগে জানাতো তাহলে আমরা বাক্সগুলো ব্যবহার না করে অন্য চিন্তা করতাম। কিন্তু তারা নির্বাচনের ঠিক আগ মুহূর্তে এসে এসব বাক্সের ব্যবহার না করার দাবিতে আন্দোলন করছে। এ মুহূর্তে বাক্সগুলো পরিবর্তন করে অন্য বাক্সের ব্যবহার করা আমাদের দ্বারা সম্ভব নয়। এখানে কোনো অনৈতিক কাজের সম্ভাবনা নেই। কারণ শিক্ষকরাই নির্বাচনী কাজে সংশ্লিষ্ট থাকবেন।
প্রার্থীদের দাবি উপেক্ষিত, রাতেই হলে হলে ব্যালট: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ব্যালট ও ব্যালট বাক্স রাতেই হলগুলোতে পাঠিয়ে দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। যদিও ভোটের আগের দিন ব্যালট হলে হলে প্রেরণ না করার দাবি করেছিল ছাত্রলীগ ছাড়া অন্য প্রার্থীরা। গতকাল শেষ বিকেল থেকে হলগুলোতে ব্যালট ও ব্যালট বাক্স পাঠানো শুরু করে রিটার্নিং কর্মকর্তারা। হলের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক ও কর্মকর্তা সেগুলো গ্রহণ করেন। জানতে চাইলে গতকাল সন্ধ্যায় জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. অসীম সরকার বলেন, ‘ব্যালট বাক্স ও ব্যালট আমাদের হলগুলোতে পাঠানো হচ্ছে। আমরা শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করতে চাই, ব্যালট ও ব্যালট বাক্সের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবো। এটা আমাদের নৈতিকতার প্রশ্ন।’
এর আগে বিকাল সোয়া ৩টার দিকে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সের ব্যবহার ও সকালে ব্যালট বাক্স হলে প্রেরণের দাবি নিয়ে ভিসিকে স্মারকলিপি দিয়েছে ছাত্রলীগ ছাড়া অন্যসব প্যানেল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। তারা ভোটের দিন সকালে ব্যালট বাক্স প্রেরণসহ কয়েক দফা দাবি করেন। প্রথমে বামজোট, স্বতন্ত্র জোট, কোটা সংস্কার আন্দোলন, স্বাধিকার স্বতন্ত্র পরিষদ, ছাত্র ফেডারেশন, ছাত্র মৈত্রী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের কয়েকজন ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে স্মারকলিপির মাধ্যমে সাত দফা দাবি তুলে ধরেন। এর পর পরই ভিসির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ছাত্রদলের বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি আল মেহেদী তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার সিদ্দিকী, ভিপি প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান, জিএস প্রার্থী আনিসুর রহমান খন্দকার অনিক। এ সময় তারাও সকালে ব্যালট বাক্স প্রেরণ ও নির্বাচনে মিডিয়ার ওপর অতিরিক্ত কড়াকড়ি না করার আবেদন করেন। নেতারা যখন ভেতরে ভিসির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ঠিক তখন অন্য প্রার্থীরা ভিসির কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করে। স্বতন্ত্র প্রার্থী এ আর এম আসিফুর রহমান বলেন, ‘আমরা স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সের মাধ্যমে নির্বাচন চেয়েছিলাম। কিন্তু প্রশাসন অস্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে নির্বাচন নিচ্ছে। এখন আবার রাতেই যদি ব্যালট ও ব্যালট বাক্স হলে প্রেরণ করা হয় তাহলে এর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন থাকে। আমরা ভিসি স্যারকে জানিয়েছি যেন সকালে ব্যালট ও ব্যালট বাক্স প্রেরণ করা হয়। কিন্তু হলগুলোতে বিকাল থেকেই ব্যালট পাঠানো শুরু হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘আমরা মনে করি এটি সুষ্ঠু নির্বাচনের অন্তরায়। এর মাধ্যমে প্রশাসন একটি গোষ্ঠীকে জিতিয়ে দিতে চাচ্ছেন। আমরা আবারো বলছি, নির্বাচনে কোনো ধরনের কারচুপি হলে ছাত্র সমাজ মেনে নেবে না। আমরা চাই সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোট।
কিন্তু যদি কোনো ধরনের কারচুপির আশ্রয় নেয়া হয় তাহলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা তার জবাব নেবে।’ তিনি বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীদের কাছে আহ্বান জানায় আপনারা ভোট দিতে আসুন। আপনাদের নিরাপত্তা আমরা নিশ্চিত করবো। কারো হুমকি ধমকিকে আপনারা ভয় পাবেন না।’ ছাত্রদল ছাড়া অন্য প্রার্থীদের যৌথ স্মারকলিপিতে উত্থাপিত সাত দফা দাবি হলো- সাত দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- সকলের ভোট গ্রহণের বাস্তব পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে ভোট গ্রহণের সময় আরো চার ঘণ্টা বাড়ানো; নির্বাচন-কেন্দ্রিক শঙ্কা ও ধূম্রজাল নিরসনের লক্ষ্যে সকল ধরনের মিডিয়ার কেবল পোলিং বুথের অভ্যন্তর ছাড়া নির্বাচনী এলাকা ও ভোটকেন্দ্রের সকল তথ্য সংগ্রহের অবাধ সুযোগ তৈরি করা; ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের আসতে নিরুৎসাহিত করাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা; স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স ব্যবহার ও পোলিং এজেন্ট নিয়োগের অনুমতি প্রদান; নির্বাচনী পর্যবেক্ষক ও ভোটারদের নিরাপত্তা বিধানে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ; প্রতিটি কেন্দ্রে সকাল বেলা ব্যালট পেপার নেয়া এবং ভোট গ্রহণের দিন সকাল বেলা সকল রুটে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসের সংখ্যা বৃদ্ধি করা। অধ্যাপক অসীম সরকার বলেন, আমি মনে করি শিক্ষার্থীদের আমার প্রতি আস্থা আছে।
আমরা অন্যান্য কাজের মতো সর্বোচ্চ সততার সঙ্গে নির্বাচন সম্পন্ন করবো। আশা করছি সুষ্ঠু, সুন্দর, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ একটা নির্বাচন আমরা দিতে পারবো। এ বিষয়ে গতকাল সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক সামাদ বলেন, এখানে শিক্ষকরা দায়িত্ব পালন করবেন। এটা শিক্ষকদের নৈতিকতার প্রশ্ন। আমরা আশা করি শিক্ষার্থীরা আমাদের শিক্ষকদের প্রতি আস্থা রাখবে।
১৮ হলে প্রস্তুত ৫০৮টি বুথ: এদিকে ৪২ হাজার ৯২৩ ভোটারের জন্য ১৮টি হলে ৫০৮টি বুথ তৈরি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ হলের প্রিজাইডিং অফিসার থেকে ব্যালট সংগ্রহ করে বুথে গিয়ে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পরবেন। সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টার মধ্যে হলের মূল গেটে প্রবেশ করতে পারলে ভোট দিতে পারবেন ভোটাররা। হল প্রাধ্যক্ষ রিটার্নিং কর্মকর্তাদের থেকে প্রাপ্ত তথ্য মতে, সলিমুল্লাহ মুসলিম হলে ৩৫টি, শহীদুল্লাহ হলে ২০টি, ফজলুল হক মুসলিম হলে ৩৫টি, অমর একুশে হলে ২০টি, জগন্নাথ হলে ২৫টি, কবি জসীম উদ্্দীন হলে ২০টি, মাস্টারদা সূর্যসেন হলে ৩২টি, হাজী মুহাম্মদ মুহসীন হলে ৩০টি, রোকেয়া হলে ৫০টি, কবি সুফিয়া কামাল হলে ৪৫টি, শামসুন্নাহার হলে ৩৫টি, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হলে ২০টি, বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলে ১৯টি, শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলে ২১টি, স্যার এ এফ রহমান হলে ১৬টি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে ২৪টি, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলে ২০টি এবং বিজয় একাত্তর হলে ৪০টি বুথ তৈরি করা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় সংসদে ২২৯ ও হল সংসদে ৫০৯ প্রার্থী: বহুল প্রত্যাশিত ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে কেন্দ্রেীয় সংসদে ২৫টি পদের বিপরীতে ২২৯ প্রার্থী ও হল সংসদে ১৩টি করে মোট ২৩৪ পদের বিপরীতে ৫০৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ডাকসুর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সংসদে ভিপি পদে ২১ জন এবং জিএস পদে ১৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়া এজিএস পদে ১৩ জন, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক পদে ১১ জন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক পদে ৯ জন, কমনরুম-ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক পদে ৯ জন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে ১১ জন, সাহিত্য সম্পাদক পদে ৮ জন, সংস্কৃতি সম্পাদক পদে ১২ জন, ক্রীড়া সম্পাদক পদে ১১ জন, ছাত্র পরিবহন সম্পাদক পদে ১০ জন, সমাজসেবা সম্পাদক পদে ১৪ জন এবং ১৩টি সদস্য পদের বিপরীতে ৮৬ জন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অন্যদিকে হল সংসদে ১৮টি হলে ১৩টি করে মোট ২৩৪ পদের বিপরীতে প্রার্থী হয়েছেন মোট ৫০৯ জন। এর মধ্যে সলিমুল্লাহ মুসলিম হলে ২৭ জন, জগন্নাথ হলে ২৮ জন, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব বলে ১৭ জন, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলে ২৬ জন, অমর একুশে হলে ২৯ জন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে ২৭ জন, বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী হলে ৩৪ জন, হাজী মুহাম্মদ মুহসীন হলে ৩৩ জন, রোকেয়া হলে ৩০ জন, কবি সুফিয়া কামাল হলে ৩০ জন, শামসুন্নাহার হলে ২৫ জন, কবি জসীম উদ্্দীন হলে ২৫ জন, ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ হলে ২২ জন, ফজলুল হক মুসলিম হলে ৩৬ জন, বিজয় একাত্তর হলে ৩০ জন, শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলে ২৭ জন, স্যার এ এফ রহমান হলে ৩৭ জন এবং সূর্যসেন হলে ২৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
চালু থাকবে পরিবহন: এদিকে নির্বাচনের দিন শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী বাসসমূহ চালু থাকবে। গতকাল রাতে প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. মু. সামাদ এমন তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা যেন কোনো ধরনের ঝামেলা ছাড়া ক্যাম্পাসে এসে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে সে লক্ষ্যে চালু থাকবে সকল রুটে চলাচলকারী বাসগুলো।’ পরিবহন ম্যানেজার কামরুল হাসান বলেন, ‘নির্বাচনের সময় বিভিন্ন রুটের বাসগুলো চলাচল করবে আগের মতো।’
নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ভিসির কাছে দশ শিক্ষকের আবেদন: ২৮ বছর পর অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের কাছে আবেদন করেছেন দশ শিক্ষক। গতকাল দুপুরে ক্ষমতাবলে ডাকসুর সভাপতি ও ভিসির কাছে এ আবেদন করেন শিক্ষকরা। নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে চাওয়া শিক্ষকরা হলেন- গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক গীতি আরা নাসরীন, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কামরুল হাসান, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ফাহমিদুল হক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সামিনা লুৎফা, অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রুশাদ ফরিদী, উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক কাজী মারুফুল ইসলাম, অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক অতনু রব্বানী, ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাহমিনা খানম এবং শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাজ্জাদ এইচ সিদ্দিকী।
ভীতি উপেক্ষা করে ভোট দাও: সাদা দল: গতকাল দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপি-জামায়াতপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দল। এসময় সকল ভয়-ভীতি ও চাপ উপেক্ষা করে শিক্ষার্থীদের ভোট দিয়ে পছন্দের প্রার্থীদের নির্বাচিত করার জন্য আহ্বান জানান সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমাদের প্রত্যাশা ছিল এ নির্বাচনকে সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য করার স্বার্থে নির্বাচন পরিচালনার জন্য গঠিত নির্বাচন কমিশনসহ বিভিন্ন কমিটিতে ভিন্ন মতের শিক্ষকদের প্রতিনিধিত্ব রাখা হবে। কিন্তু কর্তৃপক্ষ তা করেননি। বস্তুত গত এক দশক ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও চলছে একদলীয় শাসন।
এবার ১৮টি হল সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ ১৮টি হলের প্রশাসনে প্রশাসন সমর্থক শিক্ষক ছাড়া ভিন্নমতের একজন প্রভোস্ট ও হাউজটিউটর নেই। ফলে নির্বাচন পরিচালনায় গঠিত নির্বাচন কমিশনে বিরোধী মতের শিক্ষক নেই। তিনি বলেন, নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষতা নিয়েও বিরোধী প্রার্থী ও সংগঠনসমূহের পক্ষ থেকে বিভিন্ন অভিযোগ করা হয়েছে। আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে কর্তৃপক্ষ ডাকসুর গঠনতন্ত্র সংশোধন ও নির্বাচনী আচরণবিধি তৈরি করে। এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষ বিরোধী ছাত্র সংগঠনসমূহের সঙ্গে আলোচনা করলেও গঠনতন্ত্র সংশোধন বা আচরণবিধিতে তাদের কোনো দাবি ও মতামতের প্রতিফলন দেখা যায়নি বলে তারা দাবি করেছেন।
হলে হলে শিক্ষার্থীদের সহাবস্থান নেই বলেও জানান তিনি। সকল ভয়-ভীতি ও চাপ উপেক্ষা করে শিক্ষার্থীদের ভোট দিয়ে পছন্দের প্রার্থীদের নির্বাচিত করার জন্য আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে আশা প্রকাশ করেন, ডাকসু নির্বাচন দেশের বিপন্ন নির্বাচন পদ্ধতি ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার পুনরুদ্ধারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আবারো ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করবে। ডাকসু নির্বাচনে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স ব্যবহারে সবার মনে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে উল্লেখ করে সাদা দলের প্রচার সচিব অধ্যাপক ড. ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, ডাকসু নির্বাচনে অতীতে স্টিলের ব্যালট বক্স ব্যবহার করা হতো। আমরা দাবি জানিয়েছিলাম, এবার যাতে স্বচ্ছ বক্স ব্যবহার করা হয়। কিন্তু সে দাবি মানা হয়নি। এছাড়া সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন ঢাবি সাদা দলের প্রচার সচিব প্রফেসর সিদ্দিকুর রহমান। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর কালাম সরকার, প্রফেসর নুরুল আমিনসহ ঢাবি সাদা দলের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাত পোহালেই ভোট ডাকসুতে কোন মডেল by মুনির হোসেন

চারদিকে উৎসবের আমেজ।
অন্যদিকে হল প্রশাসনও ব্যস্ত সময় পার করছে নির্বাচনী সংশ্লিষ্ট কাজে। হলগুলোতে চলছে বুথ তৈরির কাজ। গতকাল কয়েকটি হলে গিয়ে দেখা যায়, নির্ধারিত স্থানে তৈরি করা হচ্ছে নির্বাচনী বুথ। তবে এতো উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যেও সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে এক ধরনের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন হবে কি না? ভোট দিতে পারবতো? এমন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে শিক্ষার্থীদের মধ্যে। এদিকে নির্বাচনে প্রার্থীদের পোলিং এজেন্ট না থাকায় অভ্যন্তরীণ কারচুপির গন্ধ পাচ্ছেন অনেক প্রার্থী। যদিও প্রতিটি হলের আবাসিক শিক্ষকরা পোলিং এজেন্টের দায়িত্ব পালন করবেন বলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এছাড়াও গণমাধ্যমের ওপর অতিরঞ্জিত কড়াকড়িও নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে। প্রশ্ন উঠেছে- ডাকসুতেও কি হুদা কমিশনের মডেল হতে যাচ্ছে কি না? নাকি অন্য কোন নতুন মডেল? জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্যানেলে জিএস পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী আনিসুর রহমান খন্দকার অনিক গতরাতে মানবজমিনকে বলেন, ‘নির্বাচনে পোলিং এজেন্ট না রাখা নিঃসন্দেহে একটি কারচুপির লক্ষণ। যদি তারা আগের রাতে ব্যালট বাক্স পূরণ করে কেন্দ্রে নিয়ে যায় তাহলে সেটি কে দেখবে।
আবার নির্বাচনে সরাসরি সম্প্রচারসহ গণমাধ্যমের উপরও ব্যাপক কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। এ বিষয়গুলো আমাদের সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যাপারে শঙ্কিত করছে। আমরা বলে দিতে চাই যদি কোনো ধরনের কারচুপির চেষ্টা করা হয়, তাহলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কঠোরভাবে অতীতের মতো প্রতিহত করবে। সে সময় কিছু ঘটলে তার দায়-দায়িত্ব প্রশাসনকেই নিতে হবে।’ তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলছে অবাধ সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠানে বদ্ধ পরিকর তারা। জানা গেছে, ডাকসু ও হল সংসদে মোট ভোটার ৪২ হাজার ৯২৩ জন। কেন্দ্রীয় সংসদে ২৫টি ও হল সংসদে ১৩টি পদের জন্য শিক্ষার্থীরা তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করবেন। নির্বাচনে ১৩টি প্যানেল ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে কেন্দ্রীয় সংসদে ২২৯ জন এবং হল সংসদে ৫০৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ক্ষমতাসীনদের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ ছাড়াও নির্বাচনে ছাত্রদল, বামজোট, কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের প্যানেল, স্বতন্ত্র জোট, স্বাধিকার স্বতন্ত্র পরিষদ, জাসদ ছাত্রলীগ, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রীসহ ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনগুলো প্যানেল দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা আইডি কার্ড দেখিয়ে নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। তবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম থাকলেও আইডি কার্ড নবায়ন না করে কেউ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন না বলে শিক্ষার্থীদের আগে জানানো হয়েছিল। যদিও এমন সিদ্ধান্ত থেকে কিছুটা সরে এসেছে প্রশাসন।
শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘নির্বাচনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম থাকলেই ভোট দিতে পারবে শিক্ষার্থীরা। তবে এক্ষেত্রে তাকে হলের শিক্ষার্থী হিসেবে একটি ডকুমেন্ট দেখাতে হবে।’ প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. এসএম মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘ভোটারদের আবসিক হলের আইডি কার্ড নবায়ন করা কোনো বিষয় না। চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় যাদের নাম রয়েছে তারাই ভোট দিতে পারবে। তবে সে যে ওই হলের ছাত্র তার একটা প্রমাণ সঙ্গে রাখতে হবে। সেক্ষেত্রে পে-ইন স্লিপ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইডি কার্ড সঙ্গে রাখাই উচিত।’ এদিকে ১৮টি হলে ৪২ হাজার ৯২৩ শিক্ষার্থীর ভোটগ্রহণের জন্য ৫১১টি বুথ তৈরি করছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। হলগুলোর প্রাধ্যক্ষ ও রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছ থেকে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী- সলিমুল্লাহ মুসলিম হলে ৩৫টি, ড. মু. শহীদুল্লাহ হলে ২০টি, ফজলুল হক মুসলিম হলে ৩৫টি, অমর একুশে হলে ২০টি, জগন্নাথ হলে ২৫টি, পল্লী কবি জসীমউদ্্দীন হলে ২০টি, মাস্টার’দা সূর্যসেন হলে ৩৫টি, হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলে ৩০টি, রোকেয়া হলে ৫০টি, কবি সুফিয়া কামাল হলে ৪৫টি, শামসুন্নাহার হলে ৩৫টি, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলে ২০টি, বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলে ১৯টি, শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলে ২২টি, স্যার এএফ রহমান হলে ১৬টি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে ২৪টি, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলে ২০টি ও বিজয় একাত্তর হলে ৪০টি পোলিং বুথ তৈরি করতে কাজ করছে প্রশাসন। এদিকে নির্বাচনকে সামনে রেখে ক্যাম্পাস ও হলে হলে প্রার্থীরা গতকাল রাত ১২টা পর্যন্ত প্রচারণা চালিয়েছে। শেষ মুহূর্তের প্রচারণাও জমেছে বেশ। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গায় এবং আবাসিক হলগুলোতে চলেছে বিরামহীন প্রচারণা।
থাকছে না পোলিং এজেন্ট: নির্বাচনী আচরণবিধির ১১ এর (খ) ধারায় আছে- নির্বাচনী কর্মকর্তা-কর্মচারী, প্রার্থী, পোলিং এজেন্ট, রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক অনুমোদিত ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কেউ ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবে না। ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা তাদের নির্ধারিত স্থানে অবস্থান করবেন। তবে নির্বাচনে পোলিং এজেন্ট থাকছেন না বলে জানা গেছে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট হলের শিক্ষকরা পোলিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করবেন। এ ব্যাপারে জহুরুল হক হলের চিফ রিটার্নিং অফিসার অধ্যাপক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির বলেন, ভোটকেন্দ্রের বুথে পোলিং এজেন্ট রাখার ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে সংশ্লিষ্ট হলের শিক্ষকরা পোলিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করবেন।
স্বাধীকার স্বতন্ত্র পরিষদের ইশতেহার ঘোষণা: এদিকে গতকাল দুপুরে ইশতেহার ঘোষণা করেছে ‘স্বাধীকার স্বতন্ত্র পরিষদ’। পরিষদ মনোনীত প্যানেলের জিএস প্রার্থী ও ঢাবি সাংবাদিক সমিতির সভাপতি এএমআর আসিফুর রহমান লিখিত বক্তব্যে ইশতেহার তুলে ধরেন। ইশতেহারে হল ব্যবস্থাপনা, গণরুম, গেস্টরুম, শিক্ষক নিয়োগ, সিট সংকট, খাবার ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম, বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা, প্রকাশনা, খেলাধুলা, ছাত্র সংগঠন, পরিবহনসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন। ১৬ দফা ইশতেহারে রয়েছে- সমাধান-চিন্তা, কথা বলা ও কাজের স্বাধীনতা; সকল ক্যান্টিনে খাবারের কঠোর মান নিয়ন্ত্রণ, বাধ্যতামূলক ত্রৈমাসিক নিরীক্ষণ; অনলাইনে রেজিস্ট্রার বিল্ডিংয়ের সকল কার্যক্রম; স্থায়ী নিয়োগের আগে শিক্ষার্থীদের দ্বারা দুই বছর মূল্যায়ন; উন্নত আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ; মেয়েদের হলে সার্বক্ষণিক ডাক্তার নিশ্চিতকরণ ও ডিসপেন্সারি স্থাপন; সবগুলো ছাত্রী হল রাত ১১টা পর্যন্ত খোলা রাখা; প্রকাশনা সংস্থার নিয়মিত মনিটরিং; তদন্ত কমিটিতে শিক্ষার্থী প্রতিনিধি; শিক্ষার্থী অনুপাতে হল নির্মাণ; বিশ্ববিদ্যালয় এবং অন্যান্য হলের মাঠ ভাড়া বন্ধ; পুলিশ ফাঁড়ি উচ্ছেদ করে অ্যাকাডেমিক ভবন/হল নির্মাণ; শিক্ষার্থী অনুপাতে হল নির্মাণ; উপরে ফিটফাট, ভিতরে সদরঘাট নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক মানোন্নয়ন; বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ন্ত্রণ সরকার নয়, স্বায়ত্তশাসন পুনরুদ্ধার; আন্দোলনে ব্যানারবাজি নয়, সুস্থ ধারার রাজনীতির বিকাশ, ইত্যাদি।
সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনকে সামনে রেখে অনেকেই চটকদার বিভিন্ন ইশতেহার দিচ্ছে উল্লেখ করেন আসিফ বলেন, অন্যদের ইশতেহার দেখে মনে হচ্ছে, ১১ই মার্চ নির্বাচন হলে ১২ই মার্চই ২৮ বছর ধরে চলে আসা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অনিয়ম বন্ধ হয়ে যাবে। বিষয়টি তা নয়। লেখালেখিতে জড়িত থাকার ফলে আমার পক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনিয়ম ও সমস্যার গোড়ায় পৌঁছা সম্ভব হয়েছে। তাই এসব সমস্যার মূলোৎপাটনে কাজ করব, কথা দিচ্ছি শিক্ষার্থীদের।
ধাওয়া খেয়ে পালালো ছাত্র সমাজ: এদিকে ডাকসু নির্বাচনকে সামনে রেখে ক্যাম্পাসে প্রচারণা চালাতে গিয়ে ধাওয়া খেয়েছে এরশাদের জাতীয় পার্টির ছাত্র সংগঠন জাতীয় ছাত্র সমাজ। গতকাল দুপুরে ক্যাম্পাসের শ্যাডো এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ছাত্র সমাজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবেশ পরিষদ কর্তৃক নিষিদ্ধ। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুর ১২টার দিকে ২০-২৫ জন নিয়ে শ্যাডো থেকে মিছিল নিয়ে মধুর ক্যান্টিনের দিকে যাচ্ছিল জাতীয় ছাত্র সমাজ। এ সময় তারা এরশাদের নামে স্লোগান দেয়। এ সময় মধুর ক্যান্টিনে থাকা ছাত্র ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ শাহরিয়ারের নেতৃত্বে বামপন্থি ছাত্র সংগঠনগুলো তাদের ধাওয়া করে। ধাওয়া খেয়ে ছাত্র সমাজের নেতাকর্মীরা দৌঁড়ে পালায়। পরে বামপন্থি ছাত্র সংগঠনগুলো বিক্ষোভ মিছিল বের করে। এ সময় বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি ইকবাল কবির, ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি জিএম জিলানী শুভ, জাসদ ছাত্রলীগের সভাপতি শাজাহান আলী সাজু, ছাত্র ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন প্রিন্স বক্তব্য রাখেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ছাত্র সমাজের থেকে জিএস প্রার্থী মামুন ফকির বলেন, আমার প্রশ্ন তারা কেন হামলা করবে। আমরা কি ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থী না। আমরা ভিসি, প্রো-ভিসি, প্রক্টরসহ সবার সঙ্গে কথা বলেই নির্বাচন করছি। তারা বলছেন কোনো সমস্যা নেই। অথচ বামরা আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। আমি মনে করি এরা বাম নামে দেশের কলঙ্ক। তারা আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করছে। তিনি বলেন, ৯০ সালে আমাদের ওপর একটা নিষেধাজ্ঞা ছিল ঠিক। কিন্তু আমার প্রশ্ন আমরা কেন আমাদের পূর্ব-পুরুষদের দায় নেবো। আমরাতো নতুন প্রজন্মই। এ বিষয়টি এখন বিবেচনা করার সময় হয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডাকসু নির্বাচন: সবাই আচরণবিধি ভাঙছে প্রশাসন শুধু দেখছে

তিনি বলেন, মহানগরের কিছু অতি উৎসাহী নেতাকর্মী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন। আমি তাদের ডেকে সতর্ক করেছি। এছাড়া অন্য অভিযোগের বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না বলে দায় সেরেছেন। কিন্তু আগামীতে হবে না বলে জানিয়েছেন। অন্যদিকে আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী বলেন, আচরণবিধি লঙ্ঘনের নানা অভিযোগ আসছে।
আমরা যখনই জানতে পারছি তখনই প্রার্থীকে ডেকে সতর্ক করছি। এ ধারা অব্যাহত থাকলে আমরা শাস্তি গ্রহণ করতে বাধ্য হবো। জানা গেছে, তফসিল ঘোষণার পর থেকেই দেয়ালে রঙিন পোস্টার ও লিফলেট সাঁটানো, ক্লাসরুমে প্রচারণা চালানো, মঞ্চ তৈরি করে প্রজেকশন মিটিং করা, সাইকেল র্যালি করা, মসজিদে মসজিদে ভোট চাওয়া, নির্ধারিত সময়ের পরও মাইকের ব্যবহার, লিফলেটে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবির ব্যবহার, ভোটার না- এমন ব্যক্তিকে দিয়ে প্রচারণা চালানোসহ বিভিন্নভাবে আচরণবিধি বিরুদ্ধ কাজ করেছে ছাত্রলীগ। অন্যদিকে ছাত্রদল ক্যাম্পাসে ভোটার নয়, এমন ব্যক্তিকে দিয়ে মিছিল করে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছে। বামজোট ব্যান্ড পার্টির ব্যবহার করেছে নির্বাচনী প্রচারণায়। গত ১০ই জানুয়ারি ডাকসুর গঠনতন্ত্র সংশোধন কমিটি ছাত্র সংগঠনগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় সভা করে। সভার পরে ছাত্র সংগঠনগুলোর দেয়া প্রস্তাবনার আলোকে গঠন করা হয় আচরণবিধি।
যেখানে ছাত্রলীগের দেয়া প্রস্তাবনা বেশি গ্রহণ করা হয়েছে বলে বাম ছাত্র সংগঠনগুলো দাবি করেছে। অথচ ছাত্রলীগই নিজেদের দেয়া প্রস্তাবনার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। একের পর এক আচরণবিধি লঙ্ঘন করে যাচ্ছে সংগঠনটি। অবশ্য এ নিয়ে তেমন মাথাব্যথাও নেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের। চিফ রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. এসএম মাহফুজুর রহমান জানান, আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়টি প্রক্টর দেখছেন। তিনি ব্যবস্থা নেবেন। আর প্রক্টর অধ্যাপক ড. একেএম গোলাম রব্বানী জানান, তিনি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়ার পর প্রার্থীদের সর্তক করছেন। এদিকে আচরণবিধি লঙ্ঘনে সব থেকে বেশি অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে। প্রতিদিনই সংগঠনটির নেতাকর্মীরা কোনো না কোনোভাবে আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন।
তফসিল ঘোষণার পর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশের আগেই ক্যাম্পাসের বিভিন্ন দেয়ালে রঙিন পোস্টার সাঁটিয়ে ভোট চেয়েছেন ছাত্রলীগের হয়ে ভিপি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন। গত ১ই মার্চ দিবাগত রাতে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন দেয়ালে এসব পোস্টার টানানো হয়। অবশ্য রঙিন পোস্টারের বিষয়ে এক বিবৃতি দিয়ে ছাত্রলীগ দাবি করেছে, সংগঠনটির মহানগর পর্যায়ের কিছু অতি উৎসাহী নেতাকর্মী এমনটা করেছে। এর সঙ্গে শোভনের কোনো সম্পর্ক নেই। ৩রা মার্চ চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশের আগেই শোভন ক্যাম্পাসের বিভিন্ন পয়েন্টে ভোট চেয়ে ব্যানার টানিয়েছিলেন। যেটিও আচরণবিধির স্পষ্ট লঙ্ঘন।
এরপর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর ছাত্রলীগ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হলে প্যানেল পরিচিতি সভা করে। যেখানে রঙিন ব্যানারের ব্যবহার করেছে সংগঠনটি। এটিও আচরণবিধির স্পষ্ট লঙ্ঘন। এ বিষয়ে তখন চিফ রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. এসএম মাহফুজুর রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, ‘রঙিন কোনো কিছুই ব্যবহার করা যাবে না। এটা আচরণবিধির স্পষ্ট লঙ্ঘন। বিষয়টি প্রক্টর দেখবেন।’ ৫ই মার্চ কলা ভবনের বিভিন্ন শ্রেণি কক্ষে গিয়ে ভোট চেয়েছেন ছাত্রলীগের হয়ে ভিপি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনসহ কয়েকজন প্রার্থী। যেটি আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। আবার ছাত্রলীগই ক্লাসরুম ক্যাম্পেইনের বিরোধিতা করে প্রস্তাবনা রেখেছিল।
আচরণবিধির ৫(চ) ধারা অনুযায়ী, ?পাঠদান ও পরীক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে এমন কোনো স্থানে (যেমন শ্রেণিকক্ষ, পাঠকক্ষ, পরীক্ষার হল ইত্যাদি) সভা/সমাবেশ বা নির্বাচনী প্রচারণা চালানো যাবে না। একই দিন স্যার এ এফ রহমান হলে ভিপি পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী ফাহিম রেজা শোভনের ব্যানার নামিয়ে ফেলার অভিযোগ উঠে ছাত্রলীগের ভিপি প্রার্থী আব্দুল আলিম খানের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে শোভন হল রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন। ৬ই মার্চ অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে মঞ্চ বানিয়ে প্রজেকশন মিটিং করেছে ছাত্রলীগ মনোনীত প্যানেল। প্রজেকশন মিটিংয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্যানেলের প্রার্থীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন উস্কানিমূলক মন্তব্য করেন ছাত্রলীগের প্রার্থীরা। যেটিও আচরণবিধির স্পষ্ট লঙ্ঘন।
কারণ আচরণবিধির ৭ ধারায় বলা হয়েছে-কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষে কোনো ছাত্রসংগঠন, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী গেইট, তোরণ, ঘের নির্মাণ, প্যান্ডেল, ক্যাম্প, শামিয়ানা, মঞ্চ স্থাপন ও আলোকসজ্জা করতে পারবেন না। ডাকসুর আচরণবিধির ৯(ক) অনুযায়ী অন্য প্রার্থীর বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক বক্তব্য দেয়ার নিষেধাজ্ঞা আছে। ৭ই মার্চ ক্যাম্পাসে সাইকেল র্যালি করে ভোট চেয়েছেন ছাত্রলীগ মনোনীত সদস্য প্রার্থী রাকিবুল ইসলাম ঐতিহ্য। নির্বাচনী আচরণবিধির ৩(ক) ধারায় বলা হয়েছে- কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বা তার পক্ষে মনোনয়নপত্র জমাদান, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার বা নির্বাচনী প্রচারণায় কোনো ধরনের যানবাহন, মোটরসাইকেল, রিকশা, ঘোড়ার গাড়ি, হাতি, ব্যান্ড পার্টি ইত্যাদি নিয়ে কোনোরূপ শোভাযাত্রা, শোডাউন বা মিছিল করা যাবে না।
এছাড়াও ভোটার নয়- এমন ব্যক্তিরা ছাত্রলীগের প্রার্থীদের পক্ষে ভোট চাইছেন। যেটি আচরণবিধির ৪(গ) ধারা অনুযায়ী স্পষ্ট লঙ্ঘন। ৭ই মার্চ কবি সুফিয়া কামাল হলে প্যানেল পরিচিত সভার মাইক রাত ১১টার পরও বাজিয়েছিল ছাত্রলীগ। যেটি আচরণবিধির ৫(জ) অনুযায়ী নিষিদ্ধ। ৮ই মার্চ কেন্দ্রীয় মসজিদসহ হল মসজিদগুলোতে ছাত্রলীগের প্যানেলের জন্য ভোট চান প্রার্থীরা। যেটি আচরণবিধির ৫(ছ) অনুযায়ী স্পষ্ট লঙ্ঘন। এছাড়াও গত কয়েক দিন ধরেই ক্যাম্পাসের বিভিন্ন দেয়ালে লিফলেট টানিয়েছে ছাত্রলীগ। যেটি আচরণবিধির স্পষ্ট লঙ্ঘন। ছাত্রলীগের সম্মিলিত শিক্ষার্থী সংসদের নামে শোভন-রাব্বানী-সাদ্দাম পরিষদের জন্য ভোট চেয়ে টি-শার্ট বানানো হয়েছে। যেসব টি-শার্টে শোভন-রাব্বানী-সাদ্দামের ছবিও রয়েছে। এসব টি-শার্ট ক্যাম্পাসের বিভিন্ন হলে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের গায়ে শোভা পাচ্ছে। অথচ নির্বাচনী আচরণবিধির ৮(ঘ) ধারায় বলা হয়েছে- নির্বাচনী প্রচারণার জন্য কোনো প্রার্থীর ছবি বা তার পক্ষে প্রচারণামূলক কোনো বক্তব্য বা অন্য কারো ছবি বা প্রতীকের চিহ্ন সম্বলিত শার্ট, টি-শার্ট, জ্যাকেট, ফতুয়া বা কোনো ধরনের পোশাক ব্যবহার করা যাবে না।
আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছে ছাত্রদল ও বামজোটও: এদিকে শুধু ছাত্রলীগই নয়, আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছে ছাত্রদল ও বামজোটও। ছাত্রদল গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার ক্যাম্পাসে মিছিল করেছে। যেটি আচরণবিধির স্পষ্ট লঙ্ঘন। এছাড়াও সংগঠনটি তাদের প্রার্থীদের পক্ষে ভোটার নয়- এমন ব্যক্তিকে দিয়েও প্রচারণা চালাচ্ছে। অন্যদিকে বামজোটের ভিপি প্রার্থী লিটন নন্দীও ক্যাম্পাসে ব্যান্ড পার্টির ব্যবহার করে আচরণবিধির লঙ্ঘন করেছেন। যদিও তিনি বিষয়টির অন্য ব্যাখ্যা দেন। তিনি বলেন, আমরা ব্যান্ড পার্টির ব্যবহার করিনি। আমরা প্রেরেড ড্রামের ছন্দে ছন্দে ভোট চেয়েছি। এটি আচরণবিধি লঙ্ঘন নয়। এর জন্য প্রয়োজনে আমরা প্রশাসনকে ব্যাখ্যা দেবে।
আচরণবিধি লঙ্ঘনের শাস্তি
আচরণবিধি লঙ্ঘনের শাস্তি হিসেবে ১৫(ক) ধারায় বলা হয়েছে- নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ করলে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার লিখিত অভিযোগ প্রাপ্তি ও তদন্তসাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। এছাড়া সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার প্রয়োজনবোধে স্বপ্রণোদিতভাবে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থাও গ্রহণ করতে পারবেন। ১৫(খ) ধারায় বলা হয়েছে- কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষে কেউ নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ করলে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা জরিমানা, প্রার্থিতা বাতিল অথবা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার অথবা রাষ্ট্রীয়/বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী অন্য যে কোনো দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডাকসুতে আঞ্চলিক ভোটে নজর by ফরিদ উদ্দিন আহমেদ

এর মধ্যে বৃহত্তম খুলনা, বরিশাল, নোয়াখালীর অঞ্চলের শিক্ষার্থী সবচেয়ে বেশি হওয়ায় ভোটও বেশি। তাই ক্ষমতাশীন দলের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ এসব অঞ্চলের ভোটের প্রতি বেশি নজর দিয়েছে। সংগঠনের নেতারা গ্রুপ করে অঞ্চল ভিক্তিক ভোট টানার জন্য তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন।
সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ ক্যাম্পাসে গতকাল বরিশাল, খুলনা নোয়াখালীসহ দেশের বৃহত্তর কয়েকটি জেলার নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠকও করেছেন। কিভাবে ওইসব এলাকার শিক্ষার্থীদের ভোট বেশি নিজেদের পক্ষে টানা যায়। তারা বৃহত্তর জেলার পটেনশিয়াল শিক্ষার্থী বা ওইসব এলাকার ক্যাম্পাসে সক্রিয় জেলার অরাজনৈতিক ছাত্র সংগঠনগুলোর শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গেও আলাপ করছেন। এদিকে ছাত্রলীগের নিয়ন্ত্রণে হলগুলো থাকায় তারা নিজেদের পক্ষে ভোট টানার বিভিন্ন ফন্দি তৈরি করছেন। হলের আবাসিক কক্ষগুলোতে গিয়ে তাদের অনুগত ওই কক্ষের একজনকে দায়িত্ব দিচ্ছেন। যেন সংশ্লিষ্ট কক্ষের ভোট তাদের মনোনীত প্রার্থীদের অনুকূলে আসে।
এক্ষেত্রে আবাসিক কক্ষের দায়িত্ব থাকা ছাত্রের ফোন নম্বর তারা সংরক্ষণ করছেন। যেন ভোটের দিন নিশ্চিত করে বলা য়ায়, ওই কক্ষের ওমুক ভোট দিয়েছেন অথবা ভোট দেননি। এভাবে হলের মধ্যে ভোটার চিহ্নিত করার কৌশল চলছে বলে হল সূত্রগুলো বলছে। এক্ষেত্রে প্রথম বর্ষ ও দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীরা প্রচণ্ড ভয়ে আছেন বলে জানা গেছে। ছাত্রদলও তাদের চ্যানেলে আঞ্চলিক ভোট টানার দিকে চোখ রাখছেন। অন্যান্য প্যানেলের নেতৃবৃন্দও তাদের সহপাঠীদের সঙ্গে শলা-পরামর্শ করে নিজ এলাকা ভিত্তিক ভোট পছন্দের প্রার্থীদের পক্ষে নেয়ার চেষ্টা করছেন বলে কয়েজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে। অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলো ছাত্রলীগের নিয়ন্ত্রণে থাকায় অন্য ছাত্র সংগঠনগুলো হলে প্রচারে তেমন সুবিধা করতে পারেনি। সাধারণ শিক্ষার্থী ও হলের কর্মকর্তা কর্মচারীদের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, হল ছাত্রলীগের নিয়ন্ত্রণ থাকায় সাধারণ ভোটাররা ভয়ে আছেন। তারা সঠিকভাবে তাদের ভোট প্রয়োগ করা নিয়ে। এদিকে শেষদিন কাকডাকা ভোর থেকে গভীর রাত অবধি নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন প্রার্থীর পক্ষে কর্মী-সমর্থকরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক এবং সরজমিন ক্যাম্পাস ও বিভিন্ন হলের ভেতর-বাইরে প্রচারণা চালিয়েছেন। হলগেট ও ক্যাম্পাসের বিভিন্ন প্রবেশপথে যে কোনো শিক্ষার্থীকে দেখলেই সালাম দিয়ে পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে কেউ লিফলেট বিলি করেছেন, আবার কেউ প্রার্থীর পক্ষে ভোট প্রার্থনা করে গুণগান গাইছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটার ৪২ হাজার ৯২৩ জন। এর মধ্যে ছাত্র ২৬ হাজার ৭৭২ এবং ছাত্রী ১৬ হাজার ১৪৫। হলভিত্তিক পাঁচটি ছাত্রী হলের ভোটার সংখ্যা- রোকেয়া হলে চার হাজার ৫৩০, শামসুন্নাহার হলে তিন হাজার ৭৩৭, কবি সুফিয়া কামাল হলে তিন হাজার ৭১০, বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী হলে এক হাজার ৯২০ এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হলে দুই হাজার ২৪৮। ডাকসু’র ২৫টি পদ ও হল সংসদের ১৩টিসহ প্রতি ভোটার ৩৮টি ভোট দিয়ে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত করার সুযোগ পাবেন। সরজমিন ক্যাম্পাস ও বিভিন্ন হল ঘুরে দেখা গেছে, বিভিন্ন প্রার্থীর ছোট-বড় পোস্টার, ব্যানার ও দেয়াল লিখনে গোটা ক্যাম্পাস ও হল ছেয়ে গেছে। কোথাও প্যানেলসহ ব্যানার আবার কোথাও প্রার্থীর একক পোস্টার ও ব্যানার চোখে পড়ছে। তবে ভোটারদের সঙ্গে আলাপকালে জানা যায়, ২৮ বছর পর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ থাকলে শিক্ষার্থীরা যোগ্য নেতা বেছে নিতে ভুল করবেন না।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1398)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
March
(458)
-
▼
Mar 11
(15)
- অন্য রকম রাজবধূ মেগান
- বালাকোটে লাভ হচ্ছে না মোদির
- ভিপি প্রার্থী নুরের ওপর ছাত্রলীগের নারী কর্মীদের হ...
- বিক্ষোভে উত্তাল ক্যাম্পাস
- ডাকসু নির্বাচন: ভোটের লাইন এগোয় না কেন? by মোশতাক ...
- রোকেয়া হলে বাক্সে সিল না মারা ব্যালট, ভোটগ্রহণ স্থ...
- ছাত্রলীগ ছাড়া সব প্যানেলের ভোট বর্জন, বিক্ষোভ, ক্য...
- সৌদি থেকে আসছে ৩০০ রোহিঙ্গা! by মিজানুর রহমান
- ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ে ইসরাইলি হামলার জবাব দিল ফিলিস্ত...
- রাস্তায় পুরো নগ্ন নরনারী
- ‘অসুস্থ খালেদা ইউনাইটেডে চিকিৎসা দাবি’
- ব্যালটের প্রত্যাবর্তন না ধারাবাহিকতা by মুনির হোসেন
- রাত পোহালেই ভোট ডাকসুতে কোন মডেল by মুনির হোসেন
- ডাকসু নির্বাচন: সবাই আচরণবিধি ভাঙছে প্রশাসন শুধু দ...
- ডাকসুতে আঞ্চলিক ভোটে নজর by ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
-
▼
Mar 11
(15)
-
▼
March
(458)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...