Wednesday, July 16, 2014
এরশাদের ১৫১!-এককভাবেই ক্ষমতায় যাওয়ার খোয়াব দেখছেন এরশাদ by সোহরাব হাসান

>>‘অসাধু রাজনৈতিক’ প্রক্রিয়ার ‘সাধু পুরুষ’ হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ নব্বইয়ে গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরও কোনো না কোনোভাবে ক্ষমতার বা বিরোধী দলের শরিক ছিলেন এবং আছেন। এখন তিনি কারও সাহায্য ছাড়া এককভাবে ক্ষমতায় যাওয়ার খোয়াব দেখছেন।
এর আগেও বিভিন্ন সভা-সমাবেশে এরশাদ এককভাবে ক্ষমতায় যাওয়ার কথা বলে দলীয় নেতা-কর্মীদের উজ্জীবিত করার চেষ্টা করেছেন। একসময় তিনি আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দুই দলের বিরুদ্ধেই বিষোদগার করতেন। এখন বিএনপিকেই একমাত্র টার্গেট করছেন। নিজেদের সাচ্চা ও বিএনপিকে ভেজাল জাতীয়তাবাদী বলে দাবি করছেন। তাঁর এই দাবির সত্যাসত্য প্রমাণের উপায় একটি অবাধ ও সুষ্ঠু পরিবেশে আরেকটি নির্বাচন। কিন্তু এরশাদ কিংবা তিনি একই সঙ্গে যে সরকারের শরিক ও বিরোধী দল, তারাও সে রকম একটি নির্বাচন করতে আগ্রহী বলে মনে হচ্ছে না।
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের অবস্থা ভালো নয়, এটি সবাই জানে। একশ্রেণির নেতা-কর্মীদের সন্ত্রাস-চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দখলবাজি দলটির জনপ্রিয়তা যে তলানিতে নামিয়ে এনেছে, সেটিও সত্য। কিন্তু তাই বলে এরশাদের হাতে কী অলৌকিক জাদু আছে, যার বলে একতরফা নির্বাচনে ৩২টি আসন পাওয়া দলটি এক লাফে ১৫১টি আসন পেয়ে যাবে?
বিগত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ফলাফল প্রমাণ করে জাতীয় পার্টির অবস্থান আওয়ামী লীগ ও বিএনপি তো বটেই, মৌলবাদী জামায়াতে ইসলামীরও অনেক নিচে। ওই নির্বাচনে দু-একটি ছাড়া কোনো উপজেলা পরিষদেই জাতীয় পার্টির প্রার্থী জেতেননি। বরং একদা দলটির শক্ত ঘাঁটি বলে পরিচিত বৃহত্তর রংপুরেও জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা গো-হারা হেরেছেন।
সাবেক স্বৈরশাসক এরশাদের দাবি অনুযায়ী, তাঁর জাতীয় পার্টিই সত্যিকারের জাতীয়তাবাদী শক্তি। আর খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন বিএনপি হলো ভেজাল জাতীয়তাবাদী দল। আসলে আসল ও নকল পরিমাপের মালিকও জনগণ। যে ব্যক্তি নির্বাচন না করেই নির্বাচিত হন, আবার নির্বাচিত হয়ে নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব জমা দেন না, সেই ব্যক্তির কথারই বা কী গুরুত্ব আছে?
জনগণের ভোট নিয়ে এরশাদ বা তাঁর পূর্বসূরি জিয়াউর রহমান কখনো ক্ষমতায় যাননি। তাঁরা নিজে সামরিক অভ্যুত্থান করে বা অন্যের অভ্যুত্থানের জোরে ক্ষমতায় গিয়ে নানা অসাধু উপায়ে রাজনৈতিক প্রক্রিয়া শুরু করেছেন, দল করেছেন সেই ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করতে। অন্যান্য সামরিক শাসকের মতো এরশাদও প্রথমে তাঁর কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নেই বলে জনগণের কাছে ওয়াদা করেছিলেন এবং যথারীতি সেই ওয়াদা ভুলে গিয়ে অন্যান্য রাজনৈতিক দল থেকে লোক ভাগিয়ে একটি দল করেছেন। প্রথমে এর নাম ছিল জনদল, পরে জাতীয় পার্টি। কাউকে ভয়ভীতি দেখিয়ে, কাউকে মন্ত্রিত্বের টোপ দিয়ে দলে ভিড়িয়েছেন। জিয়া ও এরশাদের রাজনৈতিক দল গঠনের প্রক্রিয়া হুবহু এক। জিয়া প্রথমে বিচারপতি আবদুস সাত্তারকে সামনে রেখে জাগোদল করেন, পরে নিজে বিএনপির চেয়ারম্যান হন। এরশাদ প্রথমে মিজানুর রহমান চৌধুরীকে দিয়ে জনদল করেন, পরে নিজে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হন। আবার সেনাবাহিনীর পোশাক পরে দুজনই ‘হ্যাঁ-না’ ভোট নিয়েছিলেন।
এই অসাধু রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার সাধু পুরুষ হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ নব্বইয়ে গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরও কোনো না কোনোভাবে ক্ষমতার বা বিরোধী দলের শরিক ছিলেন এবং আছেন। এখন তিনি কারও সাহায্য ছাড়া এককভাবে ক্ষমতায় যেতে চাইছেন। খোঁড়ারও মাঝেমধ্যে গিরি লঙ্ঘনের ইচ্ছে জাগে।
১৯৯১ সাল থেকে চারটি নির্বাচনে পালাক্রমে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছিল, যদিও এককভাবে নয়। বিএনপি জামায়াতের সহায়তায় আর আওয়ামী লীগ জাতীয় পার্টির সমর্থনে। আর ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনটি সব দলের অংশগ্রহণে হলে কী ফল হতো, সেই তর্ক এখন অনর্থক। কারও মতে, বিএনপি নির্বাচন না করে আওয়ামী লীগকে ওয়াকওভার দিয়েছে। কেউ বলছেন, আওয়ামী লীগের পাতা ফাঁদে বিএনপি পা না দিয়ে রাজনৈতিক প্রজ্ঞার পরিচয় দিয়েছে।
কিন্তু জাতীয় পার্টির নেতা এরশাদ এখন এককভাবে ১৫১টি আসন পাওয়ার খোয়াব দেখছেন কীভাবে? আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা কমলে তাতে বিএনপি জোটেরই লাভবান হওয়ার কথা। সরকারের অংশীদার ও ভাই দাবিদার এরশাদ কোনোভাবেই সুবিধা পেতে পারেন না। তিনি প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত হয়ে সুবিধা নেবেন, প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে ব্যাংক, বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন আদায় করবেন, সরকারে নিজ দলের মন্ত্রী রাখবেন, অথচ সরকারের ব্যর্থতার দায় নেবেন না, সেটি হতে পারে না।
তাই, এরশাদের পক্ষে আগামী নির্বাচনে ১৫১টি আসন পাওয়া তখনই সম্ভব যখন যুগপৎ আওয়ামী লীগ ও বিএনপি উভয় দলকেই নির্বাচনের বাইরে রাখতে পারবেন। সব সম্ভবের দেশে কোনো কিছুই অসম্ভব নয়। ১৯৮৮ সালে আওয়ামী লীগ ও বিএনপিকে বাইরে রেখেই তিনি ক্ষমতা প্রলম্বিত করেছিলেন। তাহলে কি বাংলাদেশ অচিরেই আরেকটি ভোটারবিহীন ও দলবিহীন নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে?
আওয়ামী লীগের বাগপটু নেতারা, মন্ত্রীরা বিএনপি-জামায়াতের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে প্রায়ই দেশবাসীকে সতর্ক করেন। বাঘ এল রে। কিন্তু এখন তাদের ঘরের শত্রু বিভীষণ সম্পর্কেই সজাগ হওয়ার সময় হয়েছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘প্রস্তুত হচ্ছে মৃত্যুফাঁদ’ by আল আমিন

রাজধানীর সদর ঘাটের ওপারে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের চর খেজুরবাগ থেকে পোস্তগোলা ব্রিজ পর্যন্ত নদীর ধারে প্রায় ২ কিলোমিটার ব্যাপী গড়ে উঠেছে ডক ইয়ার্ড। এখানে প্রায় ৩৫টি ডক ইয়ার্ড আছে। ঈদ উপলক্ষে বিভিন্ন ডক ইয়ার্ড এর শ্রমিকরা ক্ষতিগ্রস্ত লঞ্চগুলো মেরামতে ব্যস্ত রয়েছেন। অনেক প্রতিষ্ঠান শ্রমিকদের ওভার টাইম কাজ করাচ্ছেন। বিনিময়ে অতিরিক্ত টাকা দিচ্ছেন। ডকইয়ার্ডে দেখা গেছে, অনেক লঞ্চের নিচের অংশ মেরামত করা হচ্ছে যেখান দিয়ে পানি প্রবেশ করে।
সূত্র জানায়, লঞ্চের ফিটনেস পরীক্ষা করে থাকে ডিপার্টমেন্ট অব শিপিং সার্ভে ঢাকা জোন। কোন লঞ্চ নদীতে যাত্রী নিয়ে চলাচল করার আগে এই প্রতিষ্ঠান থেকে প্রথম ফিটনেস সার্টিফিকেট নিতে হয়। নইলে তারা যাত্রী পরিবহন করতে পারে না। অভিযোগ পাওয়া গেছে, যেসব ফিটনেসবিহীন লঞ্চ নদীতে চলাচলে অনুপযোগী ওই লঞ্চের মালিকদের কাছে ঘুষ নিয়ে সার্ভে কর্মকর্তারা ফিটনেস সার্টিফিকেট দিয়ে থাকেন।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের চরখেজুর বাগান এলাকায় রহমান ডকে গিয়ে দেখা গেছে, প্রিন্স আওলাদ-১ নামে তিনতলা একটি লঞ্চকে সম্পূর্ণ উল্টোভাবে রাখা হয়েছে। তিন তলায় কেবিনের কাঠগুলো শুকিয়ে চৌচির হয়ে গেছে। সূত্র জানায়, এটি প্রায় এক মাস আগে থেকে মেরামত শুরু হয়েছে। লঞ্চটির মূল কাঠামো দুর্বল হয়ে যাওয়ায় এটি মেরামত করতে আর কিছু দিন সময় লাগবে। রমজানের পরেই ঈদে ওই লঞ্চ যাত্রী পরিবহনের জন্য নামানো হবে বলে তারা জানান।
রহমান ডক ইয়ার্ডের লঞ্চ মেরামতকারী বয়োজ্যেষ্ঠ শ্রমিক আবদুল ওদুদ বিশ্বাস জানান, যেসব লঞ্চ মেরামত করা হয় তা সেগুলোর বেশির ভাগই লক্কড় ঝক্কর। পুরনো অথবা জরাজীর্ণ হয়ে গেছে। একটি লঞ্চ সাধারণত প্রায় ৭-৮ বছর ভালভাবে সার্ভিস দিয়ে থাকে। তারপর এটির বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। যেমন, লঞ্চের নিচ ফেটে যাওয়া, ইঞ্জিন ও যান্ত্রিক সমস্যা, আশপাশে ফাটল, রঙ উঠে যাওয়া, ভারসাম্য হারিয়ে ফেলা, ঝাঁকি দেয়া, বেইজমেন্টে পানি ঢুকে যাওয়া ইত্যাদি।
তিনি বলেন, যেসব লঞ্চ অধিক ক্ষতিগ্রস্ত ওসব লঞ্চ মেরামত করতে প্রায় ২ মাস লেগে যায়। রহমান ডকে দু’টো লঞ্চ ঈদ উপলক্ষে মেরামত করা হচ্ছে।
অগ্রগতি ডক ইয়ার্ডের শ্রমিক আবদুর রহিম জানান, তাদের এই ডকে দু’টো লঞ্চ মেরামত করা হচ্ছে। একটি এজাজুল-১ এবং অপরটি এমভি বোগদাদিয়া। এই দু’টি লঞ্চে প্রায় তিন মাস আগে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, অনেক লঞ্চ নষ্ট হয়ে ডকে মাসের পর মাস পড়ে থাকে। ঈদ এলেই তারা মেরামত করার উদ্যোগ নেয়। ঈদ এলেই লঞ্চ কেন মেরামতের করা হয় প্রশ্ন করা হলে, ঈদ এলেই রাজধানীবাসী গ্রামের বাড়িতে ছুটে যান। তাছাড়া উপকূল এলাকায় যাতায়াতের অন্যতম সহজলভ্য পথ হচ্ছে লঞ্চ। তাই অনেক যাত্রী লঞ্চে করে গ্রামের বাড়িতে ঈদ করতে যান। আর এতে অধিক মুনাফা লাভ করেন লঞ্চ মালিকরা।
বেবি সাহেবের ডকের শ্রমিক সামসুল আরেফিন সুমন জানান, ঈদ এলেই আমাদের ব্যস্ততা বেড়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত লঞ্চগুলো দিনরাত পরিশ্রম করে মেরামত করছি। যে সব লঞ্চ এখন ভাল করা হচ্ছে ওই সব লঞ্চ কয়েকদিন আগে পড়ে ছিল।
মেসার্স শিপ বিল্ডার্সর অন্যতম সুপারভাইজার হাসানুল মবিন দাবি করে বলেন, যেসব লঞ্চে কিছু ত্রুটি থাকে সেগুলো যাত্রীর নিরাপত্তার স্বার্থে মেরামত করা হয়ে থাকে। চাকচিক্য ও সৌন্দর্য প্রকাশের জন্য কোন কোন লঞ্চ এমনিতেই রঙ করা হয়ে থাকে। অধিক ক্ষতিগ্রস্ত লঞ্চগুলো মেরামত করে শুধু কেন ঈদে নামানো হয় প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘এ প্রশ্ন মালিক পক্ষকে করেন।’ মাদারীপুর ডকের প্রধান কর্মকর্তা হারুন জামিল স্বীকার করেন, একটি লঞ্চ যখন চলাচলে অনুপযোগী হয় তখন মালিক পক্ষকে অনেক টাকা খরচ করতে হয়। ঈদের আগা মুহূর্তে অনেক লঞ্চ মালিক তাদের লঞ্চ মেরামত করে। পরে ঈদে অধিক যাত্রী বহন করে মেরামতের খরচ তুলে নেন।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের অগ্রগতি ডকের পাশের স্থানীয় বাসিন্দা ও রাইহান মিলের মালিক রিয়াদুল ইসলাম রিয়াদ জানান, ‘লঞ্চের কেবিন তৈরির জন্য বিভিন্ন ডকের মালিক আমার কাছ থেকে কাঠ সংগ্রহ করে থাকে। ঈদ এলে এই ডক পাড়ায় শ্রমিকরা ব্যস্ত হয়ে পড়েন। অন্য সময় তেমনটা তাদের ব্যস্ততা চোখে পড়ে না। নদীর পাশে লঞ্চ মেরামতের কারখানা গড়ে ওঠায় এ এলাকার পরিবেশের অনেক ক্ষতি হচ্ছে। তিনি এসব ডক অন্য কোথাও সরিয়ে নেয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
ডিপার্টমেন্ট অব শিপিং সার্ভের ঢাকা জোনের পরিচালক মির্জা সাইফুর রহমান বলেন, পুরনো লঞ্চগুলো রং করার পাশাপাশি কেবিনে নতুন কাঠ লাগানো হয়ে থাকে। কিছুদিন আগে ওই এলাকা পরিদর্শন করে এসেছি। আমার জানা মতে লঞ্চের নিচের অংশ কেউ মেরামত করছেন না। তবে যদি কোন প্রতিষ্ঠান এ কাজ করে থাকেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। টাকার বিনিময়ে ফিটনেস সার্টিফিকেট দেয়া হয় কিনা এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সার্ভে প্রতিষ্ঠানের নামে কোন দুর্নীতির কোন অভিযোগ নেই।
যোগাযোগ করা হলে ঢাকা নদী বন্দর সদর ঘাটের যুগ্ম পরিচালক সাইফুল ইসলাম জানান, প্রায় লঞ্চগুলো সদর ঘাটের টার্মিনাল থেকে ছেড়ে যায়। এছাড়াও ঈদে প্রচ- চাপ থাকায় সদর ঘাটের আশপাশের এলাকা থেকে ছেড়ে যায়। এ টার্মিনাল থেকে যেন ঝুঁকিপূর্ণ কোন লঞ্চ ছেড়ে না যায় এজন্য এবার ঈদে কঠোর নজরদারি করা হবে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘প্রস্তুত হচ্ছে মৃত্যুফাঁদ’ by আল আমিন

রাজধানীর সদর ঘাটের ওপারে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের চর খেজুরবাগ থেকে পোস্তগোলা ব্রিজ পর্যন্ত নদীর ধারে প্রায় ২ কিলোমিটার ব্যাপী গড়ে উঠেছে ডক ইয়ার্ড। এখানে প্রায় ৩৫টি ডক ইয়ার্ড আছে। ঈদ উপলক্ষে বিভিন্ন ডক ইয়ার্ড এর শ্রমিকরা ক্ষতিগ্রস্ত লঞ্চগুলো মেরামতে ব্যস্ত রয়েছেন। অনেক প্রতিষ্ঠান শ্রমিকদের ওভার টাইম কাজ করাচ্ছেন। বিনিময়ে অতিরিক্ত টাকা দিচ্ছেন। ডকইয়ার্ডে দেখা গেছে, অনেক লঞ্চের নিচের অংশ মেরামত করা হচ্ছে যেখান দিয়ে পানি প্রবেশ করে।
সূত্র জানায়, লঞ্চের ফিটনেস পরীক্ষা করে থাকে ডিপার্টমেন্ট অব শিপিং সার্ভে ঢাকা জোন। কোন লঞ্চ নদীতে যাত্রী নিয়ে চলাচল করার আগে এই প্রতিষ্ঠান থেকে প্রথম ফিটনেস সার্টিফিকেট নিতে হয়। নইলে তারা যাত্রী পরিবহন করতে পারে না। অভিযোগ পাওয়া গেছে, যেসব ফিটনেসবিহীন লঞ্চ নদীতে চলাচলে অনুপযোগী ওই লঞ্চের মালিকদের কাছে ঘুষ নিয়ে সার্ভে কর্মকর্তারা ফিটনেস সার্টিফিকেট দিয়ে থাকেন।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের চরখেজুর বাগান এলাকায় রহমান ডকে গিয়ে দেখা গেছে, প্রিন্স আওলাদ-১ নামে তিনতলা একটি লঞ্চকে সম্পূর্ণ উল্টোভাবে রাখা হয়েছে। তিন তলায় কেবিনের কাঠগুলো শুকিয়ে চৌচির হয়ে গেছে। সূত্র জানায়, এটি প্রায় এক মাস আগে থেকে মেরামত শুরু হয়েছে। লঞ্চটির মূল কাঠামো দুর্বল হয়ে যাওয়ায় এটি মেরামত করতে আর কিছু দিন সময় লাগবে। রমজানের পরেই ঈদে ওই লঞ্চ যাত্রী পরিবহনের জন্য নামানো হবে বলে তারা জানান।
রহমান ডক ইয়ার্ডের লঞ্চ মেরামতকারী বয়োজ্যেষ্ঠ শ্রমিক আবদুল ওদুদ বিশ্বাস জানান, যেসব লঞ্চ মেরামত করা হয় তা সেগুলোর বেশির ভাগই লক্কড় ঝক্কর। পুরনো অথবা জরাজীর্ণ হয়ে গেছে। একটি লঞ্চ সাধারণত প্রায় ৭-৮ বছর ভালভাবে সার্ভিস দিয়ে থাকে। তারপর এটির বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। যেমন, লঞ্চের নিচ ফেটে যাওয়া, ইঞ্জিন ও যান্ত্রিক সমস্যা, আশপাশে ফাটল, রঙ উঠে যাওয়া, ভারসাম্য হারিয়ে ফেলা, ঝাঁকি দেয়া, বেইজমেন্টে পানি ঢুকে যাওয়া ইত্যাদি।
তিনি বলেন, যেসব লঞ্চ অধিক ক্ষতিগ্রস্ত ওসব লঞ্চ মেরামত করতে প্রায় ২ মাস লেগে যায়। রহমান ডকে দু’টো লঞ্চ ঈদ উপলক্ষে মেরামত করা হচ্ছে।
অগ্রগতি ডক ইয়ার্ডের শ্রমিক আবদুর রহিম জানান, তাদের এই ডকে দু’টো লঞ্চ মেরামত করা হচ্ছে। একটি এজাজুল-১ এবং অপরটি এমভি বোগদাদিয়া। এই দু’টি লঞ্চে প্রায় তিন মাস আগে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, অনেক লঞ্চ নষ্ট হয়ে ডকে মাসের পর মাস পড়ে থাকে। ঈদ এলেই তারা মেরামত করার উদ্যোগ নেয়। ঈদ এলেই লঞ্চ কেন মেরামতের করা হয় প্রশ্ন করা হলে, ঈদ এলেই রাজধানীবাসী গ্রামের বাড়িতে ছুটে যান। তাছাড়া উপকূল এলাকায় যাতায়াতের অন্যতম সহজলভ্য পথ হচ্ছে লঞ্চ। তাই অনেক যাত্রী লঞ্চে করে গ্রামের বাড়িতে ঈদ করতে যান। আর এতে অধিক মুনাফা লাভ করেন লঞ্চ মালিকরা।
বেবি সাহেবের ডকের শ্রমিক সামসুল আরেফিন সুমন জানান, ঈদ এলেই আমাদের ব্যস্ততা বেড়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত লঞ্চগুলো দিনরাত পরিশ্রম করে মেরামত করছি। যে সব লঞ্চ এখন ভাল করা হচ্ছে ওই সব লঞ্চ কয়েকদিন আগে পড়ে ছিল।
মেসার্স শিপ বিল্ডার্সর অন্যতম সুপারভাইজার হাসানুল মবিন দাবি করে বলেন, যেসব লঞ্চে কিছু ত্রুটি থাকে সেগুলো যাত্রীর নিরাপত্তার স্বার্থে মেরামত করা হয়ে থাকে। চাকচিক্য ও সৌন্দর্য প্রকাশের জন্য কোন কোন লঞ্চ এমনিতেই রঙ করা হয়ে থাকে। অধিক ক্ষতিগ্রস্ত লঞ্চগুলো মেরামত করে শুধু কেন ঈদে নামানো হয় প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘এ প্রশ্ন মালিক পক্ষকে করেন।’ মাদারীপুর ডকের প্রধান কর্মকর্তা হারুন জামিল স্বীকার করেন, একটি লঞ্চ যখন চলাচলে অনুপযোগী হয় তখন মালিক পক্ষকে অনেক টাকা খরচ করতে হয়। ঈদের আগা মুহূর্তে অনেক লঞ্চ মালিক তাদের লঞ্চ মেরামত করে। পরে ঈদে অধিক যাত্রী বহন করে মেরামতের খরচ তুলে নেন।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের অগ্রগতি ডকের পাশের স্থানীয় বাসিন্দা ও রাইহান মিলের মালিক রিয়াদুল ইসলাম রিয়াদ জানান, ‘লঞ্চের কেবিন তৈরির জন্য বিভিন্ন ডকের মালিক আমার কাছ থেকে কাঠ সংগ্রহ করে থাকে। ঈদ এলে এই ডক পাড়ায় শ্রমিকরা ব্যস্ত হয়ে পড়েন। অন্য সময় তেমনটা তাদের ব্যস্ততা চোখে পড়ে না। নদীর পাশে লঞ্চ মেরামতের কারখানা গড়ে ওঠায় এ এলাকার পরিবেশের অনেক ক্ষতি হচ্ছে। তিনি এসব ডক অন্য কোথাও সরিয়ে নেয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
ডিপার্টমেন্ট অব শিপিং সার্ভের ঢাকা জোনের পরিচালক মির্জা সাইফুর রহমান বলেন, পুরনো লঞ্চগুলো রং করার পাশাপাশি কেবিনে নতুন কাঠ লাগানো হয়ে থাকে। কিছুদিন আগে ওই এলাকা পরিদর্শন করে এসেছি। আমার জানা মতে লঞ্চের নিচের অংশ কেউ মেরামত করছেন না। তবে যদি কোন প্রতিষ্ঠান এ কাজ করে থাকেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। টাকার বিনিময়ে ফিটনেস সার্টিফিকেট দেয়া হয় কিনা এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সার্ভে প্রতিষ্ঠানের নামে কোন দুর্নীতির কোন অভিযোগ নেই।
যোগাযোগ করা হলে ঢাকা নদী বন্দর সদর ঘাটের যুগ্ম পরিচালক সাইফুল ইসলাম জানান, প্রায় লঞ্চগুলো সদর ঘাটের টার্মিনাল থেকে ছেড়ে যায়। এছাড়াও ঈদে প্রচ- চাপ থাকায় সদর ঘাটের আশপাশের এলাকা থেকে ছেড়ে যায়। এ টার্মিনাল থেকে যেন ঝুঁকিপূর্ণ কোন লঞ্চ ছেড়ে না যায় এজন্য এবার ঈদে কঠোর নজরদারি করা হবে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রতিবন্ধীদের মেধা বিকাশে ধনীদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

>>সম্প্রতি ভারতে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয় উপলক্ষে বাংলাদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য ফিজিক্যালি চ্যালেঞ্জডের কর্মকর্তা ও খেলোয়াড়েরা আজ বুধবার সকালে গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। ছবি: ফোকাস বাংলা
সম্প্রতি ভারতে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয় উপলক্ষে বাংলাদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য ফিজিক্যালি চ্যালেঞ্জডের কর্মকর্তা ও খেলোয়াড়েরা আজ বুধবার সকালে গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গেলে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিবন্ধীদের যথাযথ সুযোগ-সুবিধা দেওয়া গেলে তাঁরাও নিজেদের দেশের সোনার সন্তান হিসেবে প্রমাণ রাখতে পারবে। এ সময় তিনি দেশের বালক-বালিকাদের সাফল্য যথাযথভাবে তুলে না ধরার জন্য সংবাদমাধ্যমের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের জন্য এটি খুবই দুঃখজনক, সংবাদপত্রগুলোতে সফলতার খবর শিরোনাম হয় না; বরং তারা অন্যের সমালোচনায় ব্যস্ত।’
অনুষ্ঠানে অন্যদের অটিজম বিশেষজ্ঞ ও প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে সায়মা হোসেন পুতুল, সংস্থার প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, পৃষ্ঠপোষক ও অর্থনীতিবিদ আবুল বারকাত, সংস্থার প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক শেখ আবদুস সালাম ও জেনারেল সেক্রেটারি মুকসেদুর রহমান বক্তব্য দেন।
এ সময় অন্যদের মধ্যে অ্যাম্বাসেডর এট-লার্জ এম জিয়াউদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আবদুস সোবহান শিকদার ও প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এ কে এম শামীম চৌধুরী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের অভিনন্দন জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ভারতের মাটিতে এ জয় বড় ধরনের অর্জন। প্রধানমন্ত্রী সংস্থা গঠনে সংস্থার সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রতিবন্ধীদের কল্যাণে এটিকে চমত্কার ভাবনা হিসেবে উল্লেখ করেন। বাসস
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঈদের পর আন্দোলন, বাধা এলে পাল্টা জবাব: খালেদা জিয়া

>>ঈদের পর বিএনপির আন্দোলন শান্তিপূর্ণ হবে বলে দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আজ বুধবার ঢাকা মহানগর বিএনপি আয়োজিত ইফতার মাহফিলে জানিয়েছেন। ছবি: ফোকাস বাংলা
আজ বুধবার ঢাকা মহানগর বিএনপি আয়োজিত ইফতার মাহফিলে খালেদা জিয়া এ কথা বলেন। সংসদ ভবন এলাকার এলডি হল প্রাঙ্গণে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
ঢাকা মহানগরের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে খালেদা জিয়া বলেন, ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে মহানগরের নেতা-কর্মীরা আন্দোলন করেছেন। কিন্তু সে আন্দোলনে ত্রুটি ছিল, এটি স্বীকার করতে হবে। তিনি জানান, শিগগির ঢাকা মহানগরের নতুন কমিটি দেওয়া হবে। ওয়ার্ড, থানা পর্যায়ে ভোটের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচন করা হবে।
সামনে রাজনীতিতে নতুন ধারা প্রবর্তন করা হবে, এমন আশ্বাস দিয়ে দেশের জন্য সব দলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান বিএনপির চেয়ারপারসন। তিনি বলেন, ‘দেশের এ অবস্থায় চুপ করে ঘরে বসে থাকতে পারেন না। সময় এসেছে প্রতিবাদ করার।’
ঈদের পর আন্দোলনে নামার ঘোষণা দিয়ে খালেদা জিয়া বলেন, জ্বালাও পোড়াও আওয়ামী লীগের রাজনীতি। বিএনপির কর্মসূচি হবে শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক। জনগণের দাবি পূরণে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে। ‘অথর্ব’ নির্বাচন কমিশনকে পরিবর্তন করতে হবে।
সরকার আলোচনায় আসতে চায় না, এমন অভিযোগ করে খালেদা জিয়া বলেন, ‘আওয়ামী লীগ হয়তো একটু বেশি সময় পাবে। কিন্তু তাদের এমন পতন হবে যে মানুষ চোখের পানিও ফেলবে না।’
ঢাকা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সাদেক হোসেন খোকা দেশের বাইরে চিকিত্সাধীন থাকায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহানগর কমিটির সদস্যসচিব আবদুস সালাম। এ ছাড়া বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বক্তব্য দেন। অন্যদের মধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যবৃন্দ এবং বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক দলগুলোর নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজায় নিহতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়েছে

এর পরিপ্রেক্ষিতে মাত্র ছয় ঘণ্টার যুদ্ধবিরতির পর গতকাল দুপুরের পর গাজা উপত্যকায় আবারও বিমান হামলা শুরু করে ইসরায়েল। পূর্ব ও উত্তর গাজা থেকে আজ সকালের মধ্যে ফিলিস্তিনিদের ঘরবাড়ি ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েল।
আজ সকালে গাজায় বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে বেশ কয়েকজন হতাহত হয়েছে। হামলা আরও জোরদার করার ঘোষণা দিয়েছে তেল আবিব। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ‘যখন কোনো যুদ্ধবিরতি নেই, আমাদের জবাব হামলা।’
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় হতাহত ব্যক্তিদের বেশির ভাগই নিরীহ নারী-পুরুষ ও শিশু।
এদিকে গতকাল ইসরায়েল দাবি করেছে, গাজা থেকে ছোড়া রকেট হামলায় এক ইসরায়েলি নিহত হয়েছে। চলমান সংঘাতে এই প্রথম কোনো ইসরায়েলি নিহত হলো। এ ছাড়া এখন পর্যন্ত ইসরায়েলের পক্ষে মাত্র চারজন নাগরিক আহত হয়েছে।
গাজায় ইসরায়েলের টানা আট দিনের প্রায় একতরফা সামরিক অভিযানের পর মিসর যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব করে। গতকাল স্থানীয় সময় সকাল নয়টা থেকে এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। ইসরায়েল সরকার বেঁধে দেওয়া সময়ের সামান্য আগে প্রস্তাবটি অনুমোদন করে হামলা বন্ধ করে। পাশাপাশি হুঁশিয়ারি দেয়, হামাস যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব গ্রহণ না করলে তার জবাব হবে কঠিন। প্রয়োজনে সামরিক অভিযানের আওতা বাড়ানো হবে।
হামাস এই যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব নাকচ করে বলেছে, তাদের সঙ্গে আলোচনা না করেই এ প্রস্তাব আনা হয়েছে। এটি তাদের জন্য আত্মসমর্পণের সমতুল্য। হামাস পূর্ণাঙ্গ কোনো চুক্তি ছাড়া রকেট হামলা বন্ধ করবে না। এই অবস্থায় গতকাল বেলা তিনটার দিকে ইসরায়েল আবার বিমান হামলা চালানো শুরু করে।
ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে ইসরায়েলের সর্বশেষ হামলার সূত্রপাত ইসরায়েলি তিন কিশোরকে সম্প্রতি অপহরণ ও হত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে। হামাসই ওই ঘটনা ঘটায় বলে মনে করে ইসরায়েল। তবে হামাস তা অস্বীকার করে। পরে ফিলিস্তিনি এক কিশোরকে একইভাবে হত্যা ও অপহরণের পর উত্তেজনা নতুন মাত্রা পায়। এরপর গাজা থেকে রকেট ছোড়া হচ্ছে—এমন দাবি তুলে ‘অপারেশন প্রটেক্টিভ এজ’ শুরু করে ইসরায়েল।
র আগে ২০১২ সালের নভেম্বরে গাজায় অভিযান চালায় ইসরায়েল। তখন আট দিনের মাথায় মিসরের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়।
ক্ষমতার ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরে ফিলিস্তিনের দুই অংশ পশ্চিম তীর ও গাজা ২০০৭ সালের আগস্টে চলে যায় দুটি দলের নিয়ন্ত্রণে। সেই থেকে মাহমুদ আব্বাসের নেতৃত্বে ফাতাহ পশ্চিম তীরে ও খালেদ মেশালের নেতৃত্বে হামাস গাজা শাসন করছিল। এই অবস্থায় গত এপ্রিলে দুই দলের মধ্যে একটি চুক্তি হয়। সে অনুযায়ী নতুন করে নির্বাচনের পর চলতি বছরের শেষ নাগাদ একটি জাতীয় সরকার গঠনের কথা। কিন্তু হামাস-ফাতাহর চুক্তিকে ভালোভাবে নেয়নি ইসরায়েল। তাদের মতে, হামাস একটি জঙ্গি সংগঠন। হামাস-ফাতাহ জাতীয় ঐক্যের সরকার হলে সেই সরকারের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় যাবে না বলে জানিয়ে দেয় ইসরায়েল।
১৯৪৮ সালে ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে ইহুদিদের জন্য ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর থেকেই স্বাধীন রাষ্ট্রের দাবিতে ফিলিস্তিনিদের সংগ্রামের শুরু। এর পর থেকে নিয়মিত রক্ত ঝরলেও আজও তাদের সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি। রাষ্ট্র হিসেবে ফিলিস্তিনের স্বাধীন সত্তা মেনে নিতে রাজি নয় ইসরায়েল।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সুরভিনের আপত্তিকর বক্তব্যে সরগরম মিডিয়া

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফের ভুল পথে হাঁটছে বিএনপি by অমিত রহমান

বিএনপি নেতারা এখন স্বীকার করেন হেফাজতের ওপর তাদের এতটা নির্ভরশীল হওয়া ঠিক হয়নি। সরকার ও বিরোধীপক্ষের কাছ থেকে নানা সুবিধা নিয়ে আন্দোলন থেকে কেটে পড়ে হেফাজত। ফায়দা তোলে সরকার। জামায়াতে ইসলামী মাঝপথে নিজেদেরকে দূরে রেখেছে। এটা নাকি তাদের কৌশল। নেতাদেরকে যুদ্ধাপরাধ মামলা থেকে বাঁচানোর। তারা যে কিছুটা সফল তার প্রমাণ তো খালি চোখেই দেখা যায়। যুদ্ধাপরাধ ইস্যুতে সোচ্চার গণজাগরণ মঞ্চকে ঘুম পাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। বুদ্ধিজীবীরাও নীরব নিথর হয়ে গেছেন। মাঝে মধ্যে টকশোতে কিছু বয়ান শোনা যায়। উপজেলা নির্বাচনে জামায়াতের ভাল ফল করার পেছনে সরকারের সঙ্গে এক অঘোষিত সমঝোতার আলামত দেখা যায়। বিএনপিকে মাইনাস করে জামায়াতকে সামনে আনার কৌশল এখানে প্রবল। কিছুটা কাজ হয়েছে এই কৌশলে। বিএনপির সঙ্গে জামায়াতের দূরত্ব অনেকটাই বেড়েছে। জামায়াত নেতারা বলেন এটা আমাদের নয়, সরকারের প্রয়োজনেই হয়েছে। তবে তারা এক বাক্যে বলেন, সমঝোতা-টমঝোতা কিছু না। সবই বাজে কথা। জামায়াত নেতাদের বিরুদ্ধে চালু করা যুদ্ধাপরাধ মামলাগুলোতে হঠাৎ করেই যেন শ্লথগতি এসে গেল। আন্তর্জাতিক শক্তি বিশেষ করে পশ্চিমা দুনিয়া এখনও সবাইকে নিয়ে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের ব্যাপারে সোচ্চার। তারা কত দিন এভাবে বলবেন? এখানে তো ব্যবসা-বাণিজ্য ছাড়াও ভৌগোলিক অবস্থানগত কিছু স্বার্থ রয়েছে। সরকার পূর্বমুখী নীতি গ্রহণ করে পশ্চিমাদের বোঝাতে চাইছে তাদের না হলেও চলবে। রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত টেলিভিশনে যখন বলা হয়- আমাদের জিএসপির দরকার নেই, তখন বুঝতে কষ্ট হওয়ার কথা নয় সরকার কোনদিকে হাঁটছে। বা কি চাইছে। সরকারের হাতে অনেক কিছু দেয়ার আছে। বিরোধীরা এখন কি দেবে। ভবিষ্যতে এলে হয়তো পাওয়া যেতে পারে। এটা ভবিষ্যতের জন্য বিনিয়োগ। চীন কেন বিগড়ে গেল বিএনপি কি সেটা খতিয়ে দেখেছে। আমার ধারণা তা দেখেনি। চীনকে উপেক্ষা করে তাইওয়ানের ট্রেডমিশন চালু করার পেছনে কোন কূটনৈতিক স্বার্থ ছিল না। কতিপয় ব্যক্তির সুবিধাপ্রাপ্তি ছাড়া। বিগত আন্দোলনের সময় ব্যাপক সহিংসতা হয়েছিল। এর মধ্যে কারা কতটুকু করেছে তা নিয়ে বিতর্ক আছে। কিন্তু বিএনপির তরফে এসব নিয়ে সোচ্চার কোন ভূমিকা পালন করতে দেখা যায়নি। কেউ নিন্দাও জানাননি। বরং অনেক ক্ষেত্রে উৎসাহ যুগিয়েছেন। সরকার যে অনেক ক্ষেত্রে এর পেছনে কলকাঠি নেড়েছে তা বিএনপি নেতাদের মুখ থেকে কিছু বক্তৃতায় শোনা গেছে। নীতিগত অবস্থান ছিল অনুপস্থিত। এখন আন্দোলনের কথা বলতে না বলতেই শাসক দলের নেতারা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন পুরনো ফাইল খুলে। বিএনপির কাছে মানুষের প্রত্যাশা ছিল অনেক। কবুল করুন আর না-ই করুন এটা স্বীকার করতে হবে ভুল ছিল আন্দোলনের নীতি-কৌশলে। নির্বাচনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও অনেক কথা আছে দলটির ভেতরে। কেউ কেউ বলছেন, নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে দলটি বলতে পারতো আমরা জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে নির্বাচন চাই। তখন আন্তর্জাতিক দুনিয়ায় সরকারের পক্ষে কিছু বলার থাকতো না। অতীত রাজনীতি কি বলে? সেনাশাসকদের অধীনেও শেখ হাসিনা বারবার নির্বাচনে গিয়েছেন। তিনি জানতেন ফলাফল কি হবে। ২১ বছর তাকে লড়াই করতে হয়েছে এভাবে। খালেদা নির্বাচনমুখী হলে শেষ পর্যন্ত নির্বাচন হতো কিনা তা নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তি রয়েছে। পর্দার আড়ালের খবরাখবর রাখেন এমন কিছু সূত্রের ইঙ্গিত ছিল অন্য কিছু হয়ে যাবে। এতে বেগম জিয়া লাভবান হবেন না। এ কারণে নাকি নির্বাচনে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় ছিল বিএনপি। জামায়াত এখানে অন্য কৌশল নিয়েছিল। বিএনপির মূল দুর্বলতা কি? সাংগঠনিক ভিত্তি দুর্বল? নাকি অন্য কিছু। দলের ভেতরে বলাবলি আছে, ‘কাছের লোকেরা’ নাকি যতসব অনিষ্টের মূল। তারা মুহূর্তের মধ্যেই সব কিছু ফাঁস করে দেয়। কার্বনকপি পাঠিয়ে দেয় জায়গামতো। শীর্ষ নেতারা জেনেও না জানার ভান করেন। কারণ তারাই এখন শক্তিশালী। ‘আমলা নেটওয়ার্ক’ও নানামুখী তৎপরতার সঙ্গে লিপ্ত। তারা ভুল পথে নিয়ে যাচ্ছে এমন কথা তো প্রায়ই শোনা যায়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বঙ্গোপসাগরে সম্ভাবনার দুয়ার উন্মুক্ত -ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের সম্পাদকীয়
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজায় রমজান -জীবন যেখানে মিসাইলের নিচে

অনলাইন গার্ডিয়ান অবলম্বনে
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নারায়ণগঞ্জে ওসমান পরিবারের সঙ্গে বিএনপির আঁতাত! by কাজী সুমন

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ই জুন বন্দর উপজেলা নির্বাচন হয়। ওই নির্বাচনে বিএনপির পক্ষে প্রার্থিতা ঘোষণা করেন আতাউর রহমান মুকুল ও নুরুদ্দিন। প্রার্থিতা ঘোষণার শুরু থেকেই স্থানীয় বিএনপি নূরুদ্দিনকে সমর্থন দেন। এদিকে নিজের নির্বাচনী ভোটব্যাংক বন্দরের বিএনপির ভোটারদের পক্ষে টানতে চতুর কৌশল নেন সেলিম ওসমান। তিনি রফাদফা করেন গৌণ প্রার্থী আতাউর রহমান মুকুলের সঙ্গে। মুকুলকে জেতাতে বন্দরে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন দেয়া হয় গৌণ প্রার্থীকে। কেন্দ্র থেকে মুকুলকে সমর্থন দেয়ার জন্য নেপথ্যে কাজ করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী মনির ও মোহাম্মদ আলী। উপজেলা নির্বাচনের দু’দিন আগে কেন্দ্র থেকে সমর্থন দেয়া হয় মুকুলকে। বহিষ্কার করা হয় নুরুদ্দিনকে। ওসমান পরিবারের আশীর্বাদে বন্দর উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন মুকুল। আওয়ামী লীগের প্রার্থী হন তৃতীয়। এরপর এক জনসভায় উপজেলা চেয়ারম্যান মুকুল ভোট চান সেলিম ওসমানের পক্ষে। তার এ বক্তব্যের রেকর্ডিং প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে জেলা বিএনপির সভাপতি তৈমূর আলম খন্দকারকে শোনানো হয়। জেলা বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলী উপনির্বাচনে সরাসরি সেলিম ওসমানের পক্ষে কাজ করেন। অংশ নেন নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায়। উপস্থিত হন সেলিম ওসমানের জনসভায়। পৌর বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমও কাজ করেন সেলিম ওসমানের হয়ে। নির্বাচনী প্রচারণাসহ নির্বাচনী জনসভায় অংশ নেন তিনি। যদিও পরে তিনি দাবি করেন, বিএনপি নেতা হিসেবে নয়, ব্যবসায়ী নেতা হিসেবে ওই জনসভায় অংশ নেন। বন্দরের ১৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন দেওয়ান প্রকাশ্যে প্রচারণা চালান সেলিম ওসমানের পক্ষে। দ্বারে দ্বারে গিয়ে তার মার্কায় ভোট চান তিনি। অংশ নেন জনসভায়। এ অভিযোগ পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে আনোয়ার হোসেনকে বহিষ্কার করেন জেলা বিএনপির সভাপতি এড. তৈমূর আলম খন্দকার। এছাড়া একই অভিযোগে আরও কয়েকজনকে শোকজ করেন তিনি। নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাসুকুল ইসলাম রাজিব নিজেও সেলিম ওসমানের পক্ষে কাজ করেন। ছাত্রদলের কর্মীদের নিয়ে নিজেই খানপুরের বার একাডেমি স্কুলের ভোটকেন্দ্র পাহারা দেন। সকাল ১০টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত তিনি ওই ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত ছিলেন। সেলিম ওসমান নির্বাচনে পাস করার পর ফুল নিয়ে আবুল কালামের বাসায় যান এবং তার দোয়া নিয়ে আসেন। এ নিয়ে নারায়ণগঞ্জ স্থানীয় পত্রিকায় সংবাদও প্রকাশ করা হয়। জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী মনির কৌশলে সেলিম ওসমানের পক্ষে কাজ করেন। নির্বাচনে সেলিম ওসমানের পক্ষে কাজ করার জন্য শিল্পপতি বন্ধুদের নির্দেশ দেন।
এদিকে গত ৯ই জুলাই নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বরাবর একটি চিঠি দেন মো. শাহীন মিয়া নামের নারায়ণগঞ্জ তৃণমূল বিএনপির এক কর্মী। ওই চিঠিটি গ্রহণ করেন বিএনপি কার্যালয়ের কর্মকর্তা আবদুল গাফফার। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, নারায়ণগঞ্জ-৫ উপনির্বাচনে জাপা প্রার্থী সেলিম ওসমানের জয়ের নেপথ্যে কাজ করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী মনির, ওই আসনের সাবেক এমপি আবুল কালাম ও বন্দর উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মুকুল। প্রথমে তারা সেলিম ওসমানকে বিজিত করতে বিএনপির ভোটারদের উৎসাহিত করেন। নিজের পরাজয় বুঝতে পেরে ওইসব নেতার সঙ্গে আঁতাত করেন সেলিম ওসমান। উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মুকুল, সাবেক এমপি আবুল কালাম ও জাহাঙ্গীর আলম সরাসরি নামেন সেলিম ওসমানের পক্ষে। আর কাজী মনির ও শিল্পপতি মো. আলী কাজ করেন নেপথ্যে। ১৫ই জুন বন্দরের কদমরসুল মাঠে এক জনসভায় সেলিম ওসমানের সঙ্গে উপজেলা চেয়ারম্যান মুকুল অতিথি হয়ে একসঙ্গে মঞ্চে বসেন। মুকুলের সঙ্গে সেলিম ওসমানের সেই ছবি স্থানীয় মিডিয়ায় প্রকাশ পায়। প্রথম দিকে জাপা প্রার্থী বর্তমান এমপি সেলিম ওসমান চেয়েছিলেন মুকুল ও কালামের মাধ্যমে বিএনপির ভোটগুলো যেন তার বাগে আনতে পারেন। কিন্তু ২২শে জুনের পর পরে পাল্টে যায় দৃশ্যপট। নির্বাচনে সব স্থান থেকে ম্যাসেজ আসতে থাকে বিএনপি ভোটাররা কেন্দ্রে গেলে সেলিম ওসমানের পরাজয় নিশ্চিত। সঙ্গে সঙ্গে সাবেক এমপি কালাম, বিএনপি নেতা কাজী মনির, শিল্পপতী মো. আলী তাদের পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনেন। ওসমান পরিবারে আস্থাভাজন এসব নেতা সেলিম ওসমানকে জানিয়ে দেন, বিএনপির ভোটাররা সরকারি তথা ওসমান পরিবারকে ভোট দেবে না। তারা কেন্দ্রে গেলে সর্বনাশ হবে সেলিম ওসমানের।
এদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী এসএম আকরাম জোর দিয়ে প্রচারণায় বলে যাচ্ছিলেন বিএনপি ভোটাররা তাকেই ভোট দেবে। এরপরেই সেলিম ওসমানপন্থিরা মাঠে নামে বিএনপি ভোটার ঠেকাও। নতুন কৌশলে এগোতে থাকে তারা। দু’দফা মুকুল ও কালামের সঙ্গে বৈঠক করেন সেলিম ওসমান। তাদের এ বৈঠকে নেপথ্যে থেকে কলকাঠি নাড়েন রূপগঞ্জের বিএনপি শীর্ষ নেতা কাজী মনির ও ফতুল্লার শিল্পপতি মো. আলী। বৈঠকে মূল এজেন্ডা ছিল কালাম, মুকুল ও কাজী মনিরকে বিএনপির কেন্দ্র থেকে বিএনপির ভোট বর্জনের ঘোষণা এনে দিতে হবে। তাহলেই নিরাশ হয়ে বিএনপি ভোটাররা কেন্দ্রে যাবে না। কেন্দ্র থেকে সিদ্ধান্ত আনতে যত টাকা লাগবে দেবে বলে জানান সেলিম ওসমান। কথামতো কাজ, নির্বাচনের ২ দিন আগে ২৪শে জুন বন্দর উপজেলা চেয়ারম্যান মুকুল ঘোষণা দেন এ নির্বাচন বর্জনের। যা বিভিন্ন মিডিয়ার প্রকাশ পায়। কালাম, মুকুল ও কাজী মনির অত্যন্ত কৌশলে এ কেন্দ্র থেকে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন যাতে সেলিম ওসমানের বিজয়ে বাধা না থাকে। শুধু তাই নয়, বন্দর এলাকায় বিএনপির ভোটারদের ব্রেন ওয়াশ করে এ নির্বাচনে সেলিম ওসমানের বিজয় হবে। তাই কেন্দ্রে গিয়ে লাভ নেই। কৌশলে বিএনপি ভোটারদের হুমকিও দেয়া হয়, কেউ কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিয়ে ওসমান পরিবার নজরে পড়লে কিছু করার নেই। আমাদের এখন দুঃসময়। দল ক্ষমতায় নেই। আমরা নিজেরাই বিপদে আছি। এসব অভিযোগের ব্যাপারে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি কাজী মনিরের মোবাইলে অনেকবার যোগাযোগ করলেও তিনি ফোন ধরেননি। ম্যাসেজ দিলেও কোন উত্তর দেননি।
তবে জেলা বিএনপির সভাপতি এড. তৈমূর আলম খন্দকার মানবজমিনকে বলেন, নারায়ণগঞ্জ বিএনপির একটি অংশ দীর্ঘদিন ধরেই আঁতাত করে চলছে। গত আন্দোলন-সংগ্রামে আমাদের বিরুদ্ধে মামলা হলেও ওই চক্রটির বিরুদ্ধে একটি মামলাও হয়নি। ওই চক্রের ওসমান পরিবারের তোষামোদীর বক্তব্যের রেকর্ড বিএনপির নীতিনির্ধারকদের শুনিয়েছি। তারপরও অদৃশ্য কারণে কেন্দ্র থেকে তারা সমর্থন পেয়ে যায়। এই উপনির্বাচনেও বন্দর উপজেলা চেয়ারম্যানসহ বেশ কয়েকজন নেতা সেলিম ওসমানের পক্ষে প্রকাশ্যেই কাজ করেছে। এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও আড়াইহাজার উপজেলা বিএনপির সভাপতি বদরুজ্জামান খান খসরু বলেন, ৫ই জানুয়ারির পরে গণতন্ত্র হত্যাকারী অবৈধ সরকারের এই উপনির্বাচনেও কারচুপি হয়েছে। এই নির্বাচনে বিএনপির কোন অংশগ্রহণ ছিল না। বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতা ওসমান পরিবারের সঙ্গে আঁতাত করেছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না। এদিকে চিঠির বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, কার্যালয়ে পাঠালেও আমার হাতে এসে পৌঁছায়নি। তাই এ বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারবো না।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সুখোই নিয়ে উদ্বিগ্ন ভারত
![]() |
| ভারতের বিমানবাহিনী তাদের বহরের সুখোই -৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমান নিয়ে উদ্বিগ্ন |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজায় মানবিক বিপর্যয় ২০১২ সালকে ছাড়াল
ফিলিস্তিনকে সমর্থন করবে ইরান
ফিলিস্তিন জাতিকে সর্বশক্তি দিয়ে সমর্থন করবে ইরান। ইরানের জাতীয় সংসদের আন্তর্জাতিক বিষয়ক মহাপরিচালক হোসেইন শায়খুল ইসলাম সোমবার এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন। তিনি তার দেশের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করেন, যত যাই ঘটুক না কেন ফিলিস্তিনি জাতির সেবায় ইরান সব ধরনের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে। চলমান আগ্রাসনের কথা উল্লেখ করে শায়খুল ইসলাম বলেন, ইসরাইলের সেনারা গাজার নারী ও শিশুসহ বেসামরিক লোকজনকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে। এছাড়া তারা ফিলিস্তিনি জনগণ ও ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টির জন্য নির্বিচারে বাড়িঘর ও মসজিদ ধ্বংস করে চলেছে। অন্যদিকে ফিলিস্তিনের ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের সামরিক শাখা ইজ্জাদ্দিন কাসসাম ব্রিগেড সোমবার ইসরাইলের একটি ‘মারকাভা’ ট্যাংক ধ্বংস হওয়ার খবর দিয়েছে। ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ যোদ্ধাদের একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানায় ওই ইসরাইলি ট্যাংক ধ্বংস হয়। ইসরাইলের সামরিক ঘাঁটি জিকিমে ওই ট্যাংকটি ধ্বংস হয় বলে সংবাদসূত্রগুলো জানিয়েছে। মারকাভা মডেলের এসব ট্যাংক বিশ্বের সবচেয়ে দুর্ভেদ্য ট্যাংক বলে ইসরাইল দাবি করে থাকে। এপি, প্রেসটিভি।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আফগানিস্তানে বাজারে বোমা হামলা
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেগের পদত্যাগ
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মেয়ের জন্য রাজত্ব দাবি!
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মেসিদের সংবর্ধনা
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লন্ডনে মোস্টওয়েলকাম-২
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ক্যামেরনের মন্ত্রিসভায় নির্বাচনমুখী রদবদল
![]() |
| উইলিয়াম হেগ: পদ ছেড়েছেন |
![]() |
| ফিলিপ হ্যামন্ড: নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরাকি পার্লামেন্টের নতুন স্পিকার নির্বাচিত
![]() |
| সালিম আল-জুবুরি |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘বাবা, কৃষক হয়ো না’
![]() |
| ভামশি |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডিসি সম্মেলন- পথের বাধা অপসারণ করুন by আলী ইমাম মজুমদার

বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোয় জেলা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি স্তর। আর সে জেলার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের জাতীয় পর্যায়ে অনুষ্ঠিত সম্মেলন একটি বিশেষ গুরুত্ব পাবে, এমনটাই স্বাভাবিক। হতে পারে ডিসিরা অনেক বেশি দাবিদাওয়া নিয়ে আসেন সম্মেলনে। এমনকি বেশ কিছু স্পর্শকাতর বিষয় তাঁরা রাখঢাক ছাড়াই আলোচনা করেন। তবে সবদিক বিবেচনায় অনেক অভিজ্ঞ ও দক্ষ কর্মকর্তার সঙ্গে মিথস্ক্রিয়ায় তাঁরাও বাস্তবমুখী হতে বাধ্য হন। সর্বোপরি, সরকারের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত জানতে পারেন মন্ত্রীদের কাছ থেকে। এভাবেই দীর্ঘদিন ধরে এ সম্মেলন প্রশাসনিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলছে।
আলোচিত সম্মেলনে ডিসিরা বেশ কিছু দাবি ও সমস্যা নিয়ে এসেছিলেন। এগুলো পেশ করা হয়েছে সরকারের কাছে। অনেকগুলো তাৎক্ষণিক আলোচনাতেও স্থান পেয়েছে। তবে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনার জন্য নেওয়া হয়নি—এমন কথা গণমাধ্যমে জানা যায়। প্রথাগতভাবে সম্মেলনটির সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি তাঁদের বেশ কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন। পাশাপাশি একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠকে শুনেছেন তাঁদের কিছু কথা। তাঁর নির্দেশনার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি হলো: তৃণমূল পর্যায়ে সুশাসন প্রতিষ্ঠার নিশ্চয়তা বিধান, খাদ্যে ভেজাল, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং নারী-শিশু নির্যাতন ও পাচার, ইভ টিজিং, যৌতুক ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ। নির্দেশনায় আরও রয়েছে জননিরাপত্তার নিশ্চয়তা বিধান, কলকারখানায় শান্তিশৃঙ্খলা রাখা, চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজি প্রতিরোধ ইত্যাদি। তা ছাড়া তিনি ভূমি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা আর সরকারি সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়ে জোর দিয়েছেন। জেলায় চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার জন্য দৃষ্টি রাখতেও তিনি নির্দেশ দেন। এসব বিষয় ডিসিদের স্বাভাবিক কাজ। প্রধানমন্ত্রী এ সম্মেলন উপলক্ষে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়ায় এগুলো তাঁদের অগ্রাধিকারে আসার কথা। ডিসিদের যেকোনো ধরনের ভীতি বা অনুরাগের ঊর্ধ্বে উঠে কাজ করার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।
অপর দিকে, ডিসিরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে তাঁদের দায়িত্ব সম্পাদনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অসহযোগিতার বিষয়টি তুলে ধরেছেন। তাঁরা সংক্ষিপ্ত বিচারের ক্ষমতা পাওয়ার প্রস্তাব রেখেছেন। ভ্রাম্যমাণ আদালত আইনে পাহাড় কাটাসংক্রান্ত অপরাধসহ আরও কিছু অপরাধ সংযোজনের প্রস্তাবও করেছেন। অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গেও তাঁদের বৈঠক হয়েছে। তারাও দিয়েছিল বিভিন্ন নির্দেশনা। ভ্রাম্যমাণ আদালতসংক্রান্ত ডিসিদের প্রস্তাব সুবিবেচনার আশ্বাস দিয়েছেন আইনমন্ত্রী। তবে তাঁদের বিচারিক ক্ষমতা দেওয়ার দাবি সমর্থন করেননি তিনি। ডিসিদের কাজে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের বিষয়টি সম্মেলনে ছিটেফোঁটা আলোচনায় এলেও তেমন একটা গুরুত্ব পায়নি বলে জানা গেছে।
এখানে যেসব সমস্যা আলোচিত হলো, তার মধ্যে অতি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে ডিসিদের কাজে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অসহযোগিতা আর স্থানীয় রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অসহযোগিতার জন্য কোনো আইন সংশোধনের দরকার নেই। বিষয়টি শুধু আইন প্রতিপালনের। মূলত, ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৬১, পুলিশ আইন ১৮৬১ ও পুলিশ প্রবিধানে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে পুলিশের সম্পর্ক নির্ধারিত আছে। উভয় পক্ষের পদ-পদবি আর ক্ষমতার উৎস প্রধানত উল্লিখিত আইন আর প্রবিধান।
একটি কার্যকর রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা এ অবস্থা জেনেও না জানার মতো করে দীর্ঘদিন থাকার পরিণতি আইনের শাসনের জন্য সুখকর হচ্ছে না। তার পরও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে র্যাব জেলা পর্যায়ে এসপির সমান্তরাল কর্তৃত্ব নিয়ে চলছে। এসব বিষয় আইনের আলোকে সমন্বয় বিধানের আবশ্যকতা রয়েছে। অ্যাডহক-ব্যবস্থা দীর্ঘস্থায়ী করে নতুন সমস্যার সৃষ্টি করা হচ্ছে। তাই জোর দেওয়া দরকার আইনশৃঙ্খলা-ব্যবস্থায় দ্রুত ও কার্যকর নিয়ন্ত্রণ আর সমন্বয় বিধান। সমন্বয় বিধানের ব্যবস্থাদি পর্যাপ্তই ছিল। তবে ১৯৫৮ আর ১৯৭৫ সালের সরকার পরিবর্তনের পর ডিসির ক্ষমতা ও মর্যাদা হ্রাস করা হয়। ফলে, এতে কিছুটা নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। এ বিষয়ে একটি গবেষণামূলক গ্রন্থে আন্তবিভাগীয় সম্পর্ক আগের অবস্থান বিষয়ে অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন ও অধ্যাপক জয়ন্ত কুমার রায়ের মন্তব্য প্রণিধানযোগ্য। তাঁদের মতে, ‘এই ক্ষমতা ডিসির অন্যায্য কিছু ছিল না, কারণ জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব ডিসির এবং আইনশৃঙ্খলা ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়।’ অতীত অতীতেই থাকুক। এখন পর্যন্ত আইনে যে বিধান আছে, তা প্রতিপালনে সরকারের কঠোর নির্দেশনা আবশ্যক।
তারপর আসছে ডিসিদের কাজে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের বিষয়। এটা আজ সুবিদিত। আর সব বেসামরিক প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রযোজ্য। উন্নয়নমূলক কাজে ডিসি/ইউএনওদের দেওয়া ক্ষমতা অনেকাংশেই পরিচালিত হয় স্থানীয় রাজনৈতিক দলের প্রত্যক্ষ প্রভাবে। এমনকি তা হয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগসংক্রান্ত বিষয়েও। অন্যান্য বিভাগের অবস্থা আরও শোচনীয়। থানায় মামলা নেওয়া আর তদন্তেও একই ধরনের প্রভাববলয় সক্রিয়। এসব বিষয়ে এখন আর রাখঢাক নেই। ক্রমবর্ধমান হারে দৃশ্যমান হচ্ছে এ প্রবণতা। সব ক্ষেত্রে হয়তো নয়, তবে অনেক ক্ষেত্রে বিরাজ করছে এ অবস্থা। কর্মকর্তাদের কেউ একটু স্বতন্ত্রভাবে চলতে চাইলেই অকস্মাৎ ভূতলে পতিত হন। সেই ক্ষেত্রে ভীতি ও অনুরাগের ঊর্ধ্বে থেকে ডিসিদের কাজ করার আহ্বান জানানো কতটা বাস্তবসম্মত, তা বোধগম্য নয়। এ আহ্বানকে যুক্তিগ্রাহ্য করতে হলে ওপর থেকে নিচে কথায় ও কাজে সামঞ্জস্য থাকা দরকার। তা না হলে পথের বাধা রয়েই যাবে।
এসব প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও বেশ কয়েকজন ডিসি জনকল্যাণমূলক কাজ করে যাচ্ছেন। ভ্রাম্যমাণ আদালতের যত সমালোচনাই হোক, বাল্যবিবাহ, খাদ্যে ভেজাল, যৌতুক নিরোধ, ইভ টিজিংসহ কিছু অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা উল্লেখযোগ্য সাফল্যের পরিচয় দিচ্ছেন। প্রশংসিত হচ্ছে এসব কার্যক্রম। এ অবস্থান ধরে রাখার জন্য তাঁদের সতর্ক থাকার আবশ্যকতা রয়েছে। রাজনৈতিকভাবে তাঁরা যাতে ব্যবহৃত না হন, সে বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ডিসিদের স্থানীয় সুশীল সমাজের সঙ্গে সুসম্পর্ক প্রতিষ্ঠা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তারা অনেক ক্ষেত্রেই ডিসিদের দায়িত্ব সম্পাদনে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে। কতিপয় অভিযোগে সংবাদপত্রের নিবন্ধন বাতিলের ক্ষমতা চেয়ে অকারণ বিতর্ক সৃষ্টি করলেন একজন জেলা প্রশাসক। অথচ এর দায় নিতে হচ্ছে সবাইকে।
বেসামরিক প্রশাসন ছাড়া কোনো সরকার চলতে পারে না; গণতান্ত্রিক সরকার তো নয়ই। দক্ষিণ এশিয়ায় এ প্রতিষ্ঠানকে সম্পূর্ণরূপে অকার্যকর করেন পারভেজ মোশাররফ তাঁর দেশ পাকিস্তানে। সেটা ২০০১ সাল। তিনি সংকীর্ণ স্বার্থে রাষ্ট্রের ভূমিকাকে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একীভূত করে ফেলেন। ২০০২ সালে চালু হয় নুতন পুলিশ আইন। এসবের ফলে সে দেশে বেসামরিক প্রশাসনব্যবস্থা শুধু অকার্যকর নয়, অনেকটা অদৃশ্যও হয়ে পড়েছে। এর পরিণতি সবারই জানা। দেরিতে হলেও তারা ভুল বুঝে পেছনে ফিরতে শুরু করেছে। উল্লেখ্য, এই অঞ্চলে দেশটি পিছিয়ে পড়েছে প্রায় সব ক্ষেত্রে। অন্যদিকে, ভারত চটকদারি কথায় মজে এ ধরনের পথে পা বাড়ায়নি। ১৭৭২ সালে হেস্টিংস প্রবর্তিত প্রশাসনিক ব্যবস্থারই কিছু রদবদল করে আজও চালু রাখা হয়েছে। চালু রয়েছে ১৮৬১ সালের পুলিশ আইন। তারা ধরে নিয়েছে, উন্নয়নের পথে পরিচালিত করার জন্য দেশটির প্রয়োজন শক্তিশালী ও কার্যকর প্রশাসনব্যবস্থা। এর সুফলও ভোগ করছে তারা।
আমাদের এখানে এ ধরনের অপরিণামদর্শী সংস্কার কিছু কিছু হয়েছে; তবে ব্যাপকভিত্তিক নয়। আর সৌভাগ্যের বিষয় যে ‘জেলা প্রশাসক’ নামক প্রতিষ্ঠানটি আজও তার কার্যকারিতা ও গ্রহণযোগ্যতা হারায়নি। যুগবাহিত রেওয়াজ অনুসারে পদটি মাঠ প্রশাসনের মধ্যমণি রূপে চিহ্নিত। তাই এ ধরনের সম্মেলনে ভাবের লেনদেন সমৃদ্ধ করবে প্রতিষ্ঠানটিকে; ত্বরান্বিত করবে সরকারি কার্যক্রম বাস্তবায়ন। তবে নীতিনির্ধারকদের অনুধাবন করা আবশ্যক, সম্ভাবনাময় এ প্রতিষ্ঠানকে পরিপূর্ণভাবে কাজে লাগাতে হলে প্রয়োজন এর পথের বাধা অপসারণ।
আলী ইমাম মজুমদার: সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
majumder234@yahoo.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পানি নিয়ে ভাবনা by মিখাইল গর্বাচভ
দুনিয়ার প্রায় ৬০ শতাংশ মিঠাপানি একাধিক দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়। এর মধ্যে ৪০ শতাংশ কোনো না কোনো অববাহিকাসংক্রান্ত মতৈক্যের মধ্যে আছে। দুনিয়ায় পানি নিয়ে বিবাদের ঘটনা ক্রমেই বাড়ছে, পানি বণ্টনের আয়োজনও ক্ষমতার খেলায় অন্যতম ঘুঁটিতে পরিণত হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের ভেতরে ও দেশগুলোর মধ্যে পানি বণ্টন নিয়ে প্রতিযোগিতা বাড়ছে। একদিকে পানি নিয়ে দেশগুলোর মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে, অন্যদিকে এর ফলে বাস্তুতন্ত্রের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
কিন্তু সবচেয়ে খারাপ খবর হচ্ছে, দুনিয়ায় জনসংখ্যা বৃদ্ধির চেয়ে পানি ব্যবহারের পরিমাণ অধিক হারে বাড়ছে। বিংশ শতাব্দীতেই জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারের চেয়ে পানি ব্যবহারের হার দ্বিগুণ বেড়েছে। জাতিসংঘের একাধিক সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, ২০২১ সালের মধ্যে দুনিয়ার প্রায় ১ দশমিক ৮ বিলিয়ন মানুষ চরম পানিস্বল্পতার মুখে পড়বে। অর্থাৎ, মানবীয় ও পরিবেশগত ব্যবহারের ক্ষেত্রে পানির সংকট সৃষ্টি হবে। তার পরও দুনিয়ার দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ পানি ব্যবহারে চাপে পড়বে, তার মানে নবায়নযোগ্য মিঠাপানির সংকটের মুখে পড়বে।
শক্তিশালী পাল্টা ব্যবস্থা না নেওয়া হলে দুনিয়ার অনেক সমাজই পানির চাহিদার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারবে না। এর ফলে বিপুলসংখ্যক মানুষ দেশান্তরি হতে বাধ্য হবে, অর্থনৈতিক অচলাবস্থা সৃষ্টি হবে, সমাজে অস্থিরতা ও সহিংসতা বাড়বে। ফলে, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়বে।
জাতিসংঘের পানিবিষয়ক রীতিটিকে উপেক্ষা করা চলবে না, এটাকে ফাইলবন্দী করে ড্রয়ারে ঢোকানো হলে বিপদ আছে। আজকের এই জলবায়ু পরিবর্তন, ঊর্ধ্বগামী চাহিদা, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, দূষণ বৃদ্ধি সম্পদের অতি ব্যবহারের প্রেক্ষাপটে দুনিয়ার পানিসম্পদ ব্যবহারের আইনি কাঠামোটিকে আরও জোরদার করতে হবে। আমাদের পরিবেশগত নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও রাজনৈতিক স্থিতাবস্থা এর ওপর সরাসরি নির্ভরশীল।
এই রীতিতে স্বাক্ষরকারী সব দেশের আন্তর্জাতিক নদীর ক্ষেত্রে এটি শিগগিরই প্রযোজ্য হবে, শুধু বড় বড় অববাহিকার ক্ষেত্রে নয়। বিদ্যমান মতৈক্যের ক্ষেত্রে যে ফাঁকফোকর রয়ে গেছে, সেগুলো পূরণে এটি সহায়তা করবে। আর যে আন্তর্জাতিক নদীগুলো চরম চাপের মুখে রয়েছে, সেগুলোও একটি আইনি কাঠামোর মধ্যে চলে আসবে।
দুনিয়ায় ২৭৬টি আন্তর্জাতিক অববাহিকা রয়েছে। পর্যাপ্ত অর্থায়ন, রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও অংশীদারদের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে পানিসংকট মোকাবিলা করা সম্ভব। কিন্তু এ রকম হওয়া কি সম্ভব?
সময় এসেছেে একটি উচ্চাভিলাষী কর্মসূচি গ্রহণ করার। এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল (এসডিজি) নিয়ে আলোচনা করছে। আমরা গ্রিন ক্রসের পক্ষ থেকে আশা করছি, নতুন উদ্দেশ্যের মধ্যে একটি একক লক্ষ্য নির্দিষ্ট করা হবে, যেখানে পানিসম্পদ ব্যবস্থার ওপর জোর দেওয়া হবে। এটা অর্জনের সময়সীমা হচ্ছে ২০৩০ সাল।
তার পরও কিয়োটো প্রটোকল বাদ দিয়ে একটি নতুন জলবায়ু পরিবর্তনসংক্রান্ত কাঠামো প্রণয়ন করতে হবে। পানির চক্রের ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের সরাসরি প্রভাব রয়েছে। গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোয় যেসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, সেগুলো বৃষ্টিপাতের ধরনকে স্বাভাবিক করতে সহায়তা করবে। দুনিয়ার নানা স্থানে পানির যে চরম সংকট রয়েছে, সেটার মোকাবিলাও সম্ভব হবে।
কিন্তু জাতিসংঘের জলপথ আইনটি কার্যকর হওয়ার প্রাক্কালে এমন সব প্রশ্নের উদয় হচ্ছে, যেগুলোর অস্তিত্ব এটি গ্রহণের আগেও ছিল। এটি বাস্তবায়নের ব্যবহারিক ফল কী হবে? দেশগুলো কীভাবে নিজেদের দেশের ভেতরে বা নদীতীরের দেশগুলোর ক্ষেত্রে এই আইন ব্যবহার করবে? আমেরিকান ও এশিয়ান যে দেশগুলো আইনটি অনুমোদনে গড়িমসি করেছে, তারা কীভাবে সাড়া দেবে?
আর এই আইনের সঙ্গে কনভেনশন অন দ্য প্রোটেকশন অ্যান্ড ইউস অব ট্রান্সবাউন্ডারি ওয়াটার কোর্সেস অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল লেকস-এরই–বা কী সম্পর্ক হবে? ইউরোপ ও কেন্দ্রীয় এশিয়ার অনেক দেশেই আইনটি ২০১৩ সাল থেকে বলবৎ আছে। এর সদস্যপ্রাপ্তির দরজাও খোলা রয়েছে। একইভাবে, এ রীতি কার্যকর হলে বিদ্যমান ও আন্তদেশীয় মতৈক্যগুলোর ওপর এর কী প্রভাব পড়বে?
যে দেশগুলো এই রীতিতে স্বাক্ষর করেছে, তাদের ওপর কিছু দায়িত্ব বর্তায়: আন্তদেশীয় পানি টেকসইভাবে ব্যবহার করা এবং তা রক্ষা করা। কিন্তু অন্য ক্ষেত্রে, যেমন আর্থিক বিষয়ে এই রীতিতে কী বলা আছে?
একাধিক আইন একত্রে বা একসূত্রে গেঁথে বাস্তবায়ন করা যায়, যেমন: রামসার কনভেনশন অন দ্য ওয়েটল্যান্ড, জাতিসংঘের কনভেনশন টু কমব্যাট ডেসারটিফিকেশন ও জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জ—অনেকগুলোর মধ্যে কিছু নাম উল্লেখ করা গেল। জাতিসংঘের জলপথরীতিটি অন্যান্য দেশের সামনে অনেক বিলম্বে কার্যকর হওয়ার এক নতুন সুযোগ এসেছে, তারা এখন সহযোগিতামূলক মতৈক্য গঠন নিয়ে আন্তরিকভাবে ভেবে দেখতে পারে।
হ্যাঁ, এটা ঠিক যে শুধু রাজনীতিবিদ ও কূটনীতিকদের পক্ষে দুনিয়ার সব সমস্যা নিয়ে কার্যকরভাবে মাথা ঘামানো সম্ভব নয়। প্রয়োজন হচ্ছে সব পক্ষের অংশগ্রহণ: রাজনীতিক, ব্যবসায়ী, সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ। জাতিসংঘের জলপথরীতিটি কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে হলে এদের সবারই অংশগ্রহণ লাগবে।
এটা অনেক সময়ই উপেক্ষা করা হয়। যূথবদ্ধতার দীর্ঘমেয়াদি সফলতার জন্য এর প্রয়োজন রয়েছে, এতে সবারই ভালো হয়। অংশীদারদের সবার অংশগ্রহণ (আক্রান্ত সম্প্রদায়সহ), চিহ্নিতকরণের সক্ষমতা বৃদ্ধি, মূল্য, আন্তদেশীয় পানির সুফল ভোগ এই ব্যাপারগুলো যেকোনো যৌথ কর্মসূচিতে থাকতে হবে, বহুপক্ষীয় সহযোগিতার কার্যকারিতার জন্য এর কোনো বিকল্প নেই।
ইংরেজি থেকে অনুবাদ; স্বত্ব: প্রজেক্ট সিন্ডিকেট

মিখাইল গর্বাচভ: সোভিয়েত ইউনিয়নের শেষ প্রেসিডেন্ট, শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রতিটি মন্ত্রণালয়ে ন্যায়পাল চাই by মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
রাজনীতিবিদদের জন্য এ রকম কোনো ‘শৃঙ্খলা বোর্ড’ নেই বলে লেখক আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন। রাজনীতিবিদেরা হয়তো বলবেন: ‘কেন, আমরা যে পাঁচ বছর অন্তর ভোটে যাই, সেটাই তো আমাদের বোর্ড। জনগণ আমাদের প্রত্যাখ্যান করলে তো আমরা আর ক্ষমতায় থাকতে পারি না। সেটাই তো আমাদের শাস্তি।’
কথাটা আংশিক সত্য, পুরোটা নয়।এটা ঠিক যে পাঁচ বছর পর রাজনীতিকদের ভোটারের সামনে দাঁড়াতে হয়। একবার অন্তত পরীক্ষা দিতে হয়। কিন্তু সাম্প্রতিককালে ভোটও আর পরীক্ষার পর্যায়ে নেই। একসময় নকল করে পরীক্ষায় পাস করা যেত। কিন্তু গত ৫ জানুয়ারির প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সরকার আর নকলের ব্যবস্থাও রাখেনি, রীতিমতো পরীক্ষা ছাড়াই পাসের ব্যবস্থা করে ফেলেছে। এরপর উপজেলা নির্বাচন ও নারায়ণগঞ্জ উপনির্বাচনে ‘পরীক্ষার’ যে শ্রী সবাই দেখেছেন, তাকে আর ‘পরীক্ষা’ বলা যায় কি না সন্দেহ। আশঙ্কা হয়, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় থাকাকালে নির্বাচন ব্যাপারটি এ রকমই প্রহসনমূলক হবে।
রাজনীতিবিদেরা যখন বলেন, প্রতি পাঁচ বছর পর জনগণের সামনে তাঁদের পরীক্ষা দিতে হয়, তখন অর্ধসত্য বলেন। কারণ, আমাদের নির্বাচনী সংস্কৃতিতে প্রার্থীর ব্যক্তিগত যোগ্যতার ভিত্তিতে নির্বাচন হয় না। অন্তত ৯০ শতাংশ কেন্দ্রে নির্বাচন হয় নির্বাচনী প্রতীকের ভিত্তিতে। যেখানে কে প্রার্থী, তা মোটেও গুরুত্বপূর্ণ নয়। জনগণও ভোট দেন প্রতীকে, প্রার্থীকে নয়। কাজেই পাঁচ বছর পর খুব কম ব্যক্তিকেই জনগণের সামনে পরীক্ষা দিতে হয়। বলা যায়, তাঁর দলকে পরীক্ষা দিতে হয়। ব্যক্তিকে নয়।
আমাদের দেশের অগ্রগতি বা উন্নয়নে অনেক দেশপ্রেমিক রাজনীতিকের (মন্ত্রীর ভূমিকায়) বিরাট অবদান রয়েছে। দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনেও রাজনীতিক, ছাত্র ও তরুণদের বিরাট অবদান রয়েছে। এ কথা মুহূর্তের জন্যও বিস্মৃত হওয়া উচিত নয়। তবু এ কথা বাস্তব সত্য যে বাংলাদেশ যে আজ এতটা পিছিয়ে পড়েছে, তার জন্য প্রধানত শাসক রাজনীতিকেরাই দায়ী। বাংলাদেশের অনেক অগ্রগতি হয়েছে সত্য। কিন্তু ৪৩ বছরে বাংলাদেশের যে অবস্থানে থাকা উচিত ছিল, সেই অবস্থানে যেতে পারেনি।
এখানে নব্বই-পূর্ববর্তী সরকারগুলো নিয়ে আলোচনা করছি না।অতি সংক্ষেপে নব্বই-পরবর্তী সরকারগুলোর কথা বলা যেতে পারে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার, জাতীয় সংসদ পরিচালনা, নির্বাচন কমিশনসহ সব সাংবিধানিক সংস্থা গঠন, প্রধানমন্ত্রীর অত্যধিক ক্ষমতা, রাষ্ট্রপতিকে ঠুঁটো জগন্নাথ করে রাখা, সরকার পরিচালনায় বিরোধী দলের ভূমিকা, সরকারি প্রশাসনকে নিরপেক্ষভাবে পরিচালনা, সামরিক বাহিনী পরিচালনা, দেশের উচ্চশিক্ষা অঙ্গন, স্থানীয় সরকার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, ব্যবসা-বাণিজ্য, ক্রীড়াঙ্গন, গণমাধ্যম—দেশের এমন কোনো সেক্টর নেই, যেখানে কোনো নিয়ম-শৃঙ্খলা অনুসরণ করা হয়েছে। ক্ষমতাসীন দল (বড় দুটি দলই) তাদের দলের নেতাদের স্বার্থ রক্ষাকারী ‘নিয়ম’ অনুসরণ করেই এসব প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হয়েছে এবং এখনো হচ্ছে। সরকার ও সরকারি দলের স্বার্থে যা যায় সেটাই নিয়ম, সেটাই শৃঙ্খলা। তবে কিছু ব্যতিক্রম অবশ্যই রয়েছে।গত ২৫ বছরে বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান নিয়ে টিআইবি যেসব রিপোর্ট প্রকাশ করেছে, তা কিসের সাক্ষ্য দেয়? নিয়ম-শৃঙ্খলা? নাকি দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতা?
দেশে নানা সরকারি প্রতিষ্ঠানে এত অনিয়ম যাঁরা করেছেন, তাঁদের নামে কোন ‘বোর্ডে’ নালিশ করবে জনগণ? কোন ‘শৃঙ্খলা কমিটি’ তাদের শাস্তি দেবে? দিতে পারব? অনেকেই বলবেন, কেন, আদালত রয়েছেন না? ঠিক, আদালত তো রয়েছেন। কিন্তু সব বিষয়ে কি আদালতে যাওয়া যায়? যাওয়ার মতো বিষয়? আদালতে গেলেই যে একজন সুবিচার পাবেন, তার নিশ্চয়তা আছে কি? তা ছাড়া আমাদের আদালতে এত মামলার জট। বিচার হতে ও রায় পেতে এক যুগও লেগে যেতে পারে। এক যুগ পরে সেই বিচার ও রায়ের সার্থকতা কোথায়?
‘নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি’ হলে তাঁর সাত খুন মাফ, এই ধারণা থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে। এ ব্যাপারে যা যা করণীয়: (১) নতুন নির্বাচনী আইন করতে হবে, নির্বাচনী এলাকার ৫১ শতাংশ ভোটার নির্বাচন কমিশনে আবেদন করলে সেই এমপির সদস্যপদ বাতিল হয়ে যাবে এবং সেই পদে পুনর্নির্বাচন করতে হবে। (২) সংরক্ষিত নারী আসন বলে কিছু থাকবে না। প্রতিটি পদেই প্রত্যক্ষ নির্বাচন করতে হবে। (৩) নির্বাচনে ‘না ভোট’ আবার প্রবর্তন করতে হবে। (এর ফলে কলাগাছকে আর প্রার্থী করা সম্ভব হবে না।) (৪) প্রতিটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের নিয়মকানুন পর্যালোচনা করে যুগোপযোগী করে তা জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে এবং তার ব্যত্যয় ঘটলে প্রতিষ্ঠানপ্রধানকে শাস্তি পেতে হবে। (৫) প্রতিটি মন্ত্রণালয়ে একজন ‘ন্যায়পাল’ নিয়োগ দিতে হবে। অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি মন্ত্রীর কাছে সুপারিশ করবেন, সেই সুপারিশ মানতে নৈতিকভাবে মন্ত্রী বাধ্য হবেন। সংসদের বিরোধী দল প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের ন্যায়পালের নাম প্রস্তাব করবে। (৬) দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) ঢেলে সাজাতে হবে। সাবেক সরকারি আমলা দিয়ে নয়, সাবেক বিচারক দিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন পুনর্বিন্যাস করতে হবে।
বড় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যেও নেই কোনো শৃঙ্খলা বা গণতন্ত্র। বড় তিনটি দল চলছে ‘প্রাইভেট কোম্পানির’ মতো। ম্যানেজিং ডিরেক্টর (সভাপতি) যা বলেন, সব নেতাকে তা ‘জি হুজুর’ বলে মেনে চলতে হয়। দলের বিভিন্ন স্তরের নেতারা স্টাফ অফিসারের মতো। দলের বিভিন্ন কমিটিও হয় নেত্রীর ইচ্ছায়। অথচ দলের গঠনতন্ত্রে অনেক সুন্দর সুন্দর কথা লেখা রয়েছে। নির্বাচন কমিশন দেখতে পারত দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দল পরিচালিত হচ্ছে কি না। সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন পরিচালনা ও রাজনৈতিক দলকে শৃঙ্খলার মধ্যে রাখার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। কিন্তু বর্তমান নির্বাচন কমিশন কি এর কোনোটিই করতে পেরেছে? সেই নির্বাচন কমিশন আমরা কবে পাব, কীভাবে পাব?
‘অন্যায় করলে শাস্তি পেতে হবে’—এটা শুধু ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানের জন্য প্রযোজ্য হবে, আর কারও জন্য প্রযোজ্য হবে না, এটা হতে পারে না। অন্যায়ের জন্য সবাইকে শাস্তি পেতে হবে—এ রকম একটা পরিস্থিতি দেশে সৃষ্টি করা প্রয়োজন। কিন্তু বর্তমান সরকারের পক্ষে সেই পরিস্থিতি বা কাঠামো সৃষ্টি করা সম্ভব বলে মনে হয় না।
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর: মিডিয়া ও উন্নয়নকর্মী।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ছাত্রলীগের রাজনীতির বলি -ঘাতক–সন্ত্রাসীদের জায়গা বিশ্ববিদ্যালয় নয়

কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি সামাল দিতে বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণার পাশাপাশি একটি তদন্ত কমিটি গঠন এবং ছাত্রলীগের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে সাময়িক বহিষ্কার করেছে। কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাও স্বীকার করেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দল আছে। এসবের পরও নাঈমুল হত্যার বিচার সম্পর্কে সংশয়মুক্ত থাকা যাচ্ছে না। ছাত্রলীগের অভিযুক্ত দুই নেতা উল্টো উপাচার্যের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগকে ধ্বংস করার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক যে ছাত্রলীগ সারা দেশে খুনখারাবি ও সন্ত্রাস চালালেও সরকার তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।
সাংবাদিকদের ওপর হামলার দায়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের একটি হল কমিটি স্থগিত এবং দায়ী ব্যক্তিদের সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হলেও যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের নেতৃত্ব উপাচার্যের ওপরই হত্যার দায় চাপাতে চাইছেন। আইনের শাসন চাইলে সরকারকে ছাত্রলীগ নামধারী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
তবে সরকার বা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এখন যে ব্যবস্থা নিক না কেন, নাঈমুলকে ফিরিয়ে আনতে পারবে না। কিন্তু ভবিষ্যতে যাতে আর কাউকে এভাবে জীবন দিতে না হয়, সে জন্যই এই হত্যার বিচার হতে হবে। নাঈমুল হত্যার সঙ্গে জড়িত সবাইকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে বিচারে সোপর্দ করতে হবে। আর সন্ত্রাস ও খুনের দায়ে অভিযুক্ত নেতাদের সাময়িক বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষও দায়িত্ব শেষ করতে পারে না। তাঁদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করতে হবে। ঘাতক–সন্ত্রাসীদের জায়গা বিশ্ববিদ্যালয় নয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পুলিশ, না ধারাবাহিক খুনি? -তাঁকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করুন
খোদ পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের মধ্যেই যদি এমন গুরুতর অপরাধপ্রবণতা থাকে, তাহলে দেশের আইন প্রয়োগব্যবস্থা অপরাধ-সংঘটনের ব্যবস্থায় পরিণত হতে পারে। দ্বিতীয়ত, পুলিশ বাহিনীর দু-একজন সদস্যের এমন অপরাধবৃত্তি গোটা বাহিনীর প্রতি জনসাধারণের অবশিষ্ট আস্থা ক্ষুণ্ন করতে পারে। তৃতীয়ত, সরকার যদি এমন অপরাধপ্রবণ পুলিশ সদস্যদের বিচার ও শাস্তি নিশ্চিত না করে, তাহলে অন্য সদস্যের মধ্যেও এসব প্রবণতা সংক্রমিত হতে পারে।
মানুষকে আটক করে টাকা দাবি করা, মামলার ভয় দেখানো কিংবা বিদ্যমান ফৌজদারি মামলার আসামির তালিকাভুক্ত করা—পুলিশের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ পুরোনো। পুলিশের ‘গ্রেপ্তার-বাণিজ্য’ ইতিমধ্যে বহুল প্রচলিত শব্দবন্ধ। সরকার কিংবা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এগুলো বন্ধ করতে সচেষ্ট হয়নি বলে দিনে দিনে এগুলো থানা-পুলিশের আচরণের অংশ হয়ে উঠেছে। পুলিশের সদস্যরা শাস্তির ভয় ব্যতিরেকে এসব অপরাধ সংঘটনের সুযোগ পেলে তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ কতটা বেপরোয়া ও ভয়ংকর হয়ে উঠতে পারেন, এসআই জাহিদুর রহমান খান তার দৃষ্টান্ত। তাঁর বিরুদ্ধে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠলে তাঁকে প্রত্যাহার করা হয়েছে, তারপর সেই অভিযোগের নিষ্পত্তি হওয়ার আগেই তাঁকে অন্য থানায় কাজে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং সেখানেও তাঁর বিরুদ্ধে আরেকজনকে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। এভাবে এ পর্যন্ত তাঁর হাতে তিন ব্যক্তি প্রাণ হারিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
তিন ব্যক্তিকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে যাঁর বিরুদ্ধে, সেই পুলিশ সদস্যকে শুধু প্রত্যাহার করাই যথেষ্ট নয়; তাঁকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা উচিত।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মুরসিকে উৎখাতের এক বছর by কামাল গাবালা

প্রখ্যাত রাজনৈতিক ভাষ্যকার ও বিরোধীদলীয় কর্মী আমর হামজাওয়াই মিসর রাষ্ট্র সম্পর্কে বলেছেন, মিসর ক্রমাগত জনগণের স্বাধীনতা ও অধিকার ক্ষুণ্ন করে চলেছে। দেশটি থেকে ন্যায়বিচার একরকম উঠেই গেছে, আইনের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শনের প্রবণতাও কমছে না। সেখানে কোনো ভিন্নমতের বালাই নেই, সবাইকে একই রকম মতামত ধারণ করতে হবে—ব্যাপারটা এ পর্যায়েই চলে গেছে। মিসরীয়রা অন্যায় ও নিপীড়নের ভয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চাইছে না। উদাহরণস্বরূপ তিনি বলেন, জনগণ স্বাধীন আইন প্রণয়নকারী সংস্থা নির্বাচন করতে পারত, সংবিধান সংশোধন করে এ ক্ষমতা রদ করে সংসদে ব্যবসায়ী ও রাষ্ট্রের প্রতি সমব্যথীদের প্রবেশের সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। এমনকি ছাত্ররা এখন আর তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারবে না এবং শিক্ষকেরাও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট ও ডিন নির্বাচন করতে পারবে না। এদিকে প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক আলা আল-আসওয়ানি দৈনিক আল মাসরি আল ইউম পত্রিকায় লেখা বন্ধ করে দিয়েছেন। কারণ হিসেবে লেখক বলেছেন, নিজের মতের সঙ্গে না মিললে মিসর চরম নিপীড়নের পথ বেছে নিচ্ছে, সে কারণেই তিনি লেখা বন্ধ করেছেন।
আসওয়ানি তাঁর টুইটার অ্যাকাউন্টে বলেছেন, মিসরে এখন শুধু একটি মতামতই গ্রাহ্য করা হয়, ভিন্নমতের কোনো স্থান সেখানে নেই। উল্লিখিত পত্রিকায় তাঁর লেখা বন্ধ করাটা আসলে মিসরে বাকস্বাধীনতা হরণের প্রতীক।তবে এটা কোনো রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের ব্যাপার নয়, মনস্তাত্ত্বিক চাপের কারণেই তিনি এটা করেছেন।
এমনকি সংবাদমাধ্যমও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে পারছে না, এই সংবাদমাধ্যম তাঁকে নিজের মতামত ব্যক্ত করার কারণে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে অভিহিত করেছে। এক টেলিভিশন অ্যাংকর তাঁর বিরুদ্ধে বিদেশি অর্থ গ্রহণের অভিযোগ তুলেছেন। কারণ, তিনি সিসির রাজনীতির প্রতি অনাস্থা ব্যক্ত করেছেন। আসওয়ানির মতে, সংবাদমাধ্যম এ প্রক্রিয়ায় ইউসরি ফৌদাকেও নাজেহাল করবে। এই ব্যক্তি রাষ্ট্রীয় ভুলচুকের ওপর আলোকপাত করেছেন।
আসওয়ানি বলেন, তিনি ৩০ জুনের বিদ্রোহের একজন অন্যতম সমর্থক, এমনকি অন্যদেরও তিনি এ বিদ্রোহে যোগদানের ব্যাপারে উৎসাহিত করেছেন।‘৩০ জুনের বিদ্রোহ নিঃসন্দেহে একটি মহান ব্যাপার, সে সময় আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি অসাধারণ ভূমিকা পালন করেছেন।কিন্তু তাই বলে আমাকে এ কথা বলা থেকে থামানো যাবে না যে এই সরকার সঠিক পথে নেই, আর সরকারকে বাকস্বাধীনতা ও মতামতের স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ দেখাতে হবে—এর বাইরে কেউ নন।’
কোটিপতি নাগিব সোয়ারিসের স্যাটেলাইট টিভিতে ইউসরি ফাওদা কথা বলেছেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্র যতই চাপ দিক না কেন, তিনি ফাওদাকে তাঁর টিভিতে কথা বলতে বারণ করবেন না। আর এ রকম চাপে তিনি আগেও পড়েছেন, মোবারকের আমলে ও মিলিটারি কাউন্সিল এবং ব্রাদারহুডের আমলেও তিনি অনুরূপ চাপের মুখে ছিলেন।ব্যঙ্গাত্মক টিভি অনুষ্ঠানের উপস্থাপক বাসেম ইউসেফ গত মাসে তাঁর বহুল প্রচারিত অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার সময় বলেছেন, তিনি আর চাপ নিতে পারছেন না। প্রখ্যাত চিত্রনাট্যকার ও সাংবাদিক বিলাল ফাদলও কলাম লেখা বন্ধ করে দিয়েছেন, অভিযোগ সেই একই—বাকস্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ ও এ লক্ষ্যে নিপীড়নমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ।
ফাদলের লেখাই শুধু বন্ধ করা হয়নি, রমজানের জন্য তিনি একটি টিভি নাটক লিখেছিলেন, সেটাও বন্ধ করা হয়েছে। এর শিরোনাম হচ্ছে ‘দ্য পিপল অব আলেকসান্দ্রিয়া’। এতে ২৫ জানুয়ারির আগের একজন দুর্নীতিবাজ পুলিশ কর্মকর্তার জীবন বিধৃত হয়েছে। এর অভিনেতাদের অনেকেই রাষ্ট্রের সমালোচক, যেমন: আমর ওয়াকেদ, বাসামা ও হিশাম সেলিম।
ফাদল এই নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে বলেছেন, মোবারক তাঁর ক্ষমতার সবচেয়ে বাড়বাড়ন্ত সময়েও এরূপ নিপীড়নমূলক পদক্ষেপ নিতে সাহস করতেন না। তরুণ রাজনৈতিক কর্মী হোসাম মায়োনেস টুইটারে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন, সাংবাদিকতা ও টেলিভিশনের ওপর কবে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে। তিনি আরও জিজ্ঞাসা করেছেন, তরুণ মিসরীয়দের কত দিন প্রতিবাদ করতে দেওয়া হবে—গত নভেম্বরে একটি নিপীড়নমূলক প্রতিবাদ আইন করা হয়েছে। আর কবে থেকে মতামত ব্যক্ত করার কারণে জেলে পোরা হবে। গত মাসে আল-জাজিরার তিনজন সাংবাদিককে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তাঁরা নাকি এমন সংবাদ পরিবেশন করেছেন, যার কারণে মিসরের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন² হয়েছে। আর তাঁদের প্রচারিত সংবাদে মুসলিম ব্রাদারহুড নাকি লাভবান হয়েছে। গত বছরের শেষ দিকে এ সংগঠনকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছে। একই অভিযোগে আরও ১১ জন সাংবাদিককে তাঁদের অনুপস্থিতিতে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টের (সিপিজে) শেরিফ মনসৌর এই সাজাকে উদ্বেগজনক হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।
সিপিজে আরও বলেছে, মুরসিকে উৎখাতের পর ৬৫ জনেরও বেশি সাংবাদিককে আটক করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে ১৪ জন এখনো আটক। ফলে, মিসর এখন সাংবাদিকদের জন্য বধ্যভূমি হিসেবে পরিচিত ১০টি দেশের একটিতে পরিণত হয়েছে, সেখানে হয়তো আরও অনেক সাংবাদিককে আটক ও হত্যা করা হবে।
ইংরেজি থেকে অনূদিত
কামাল গাবালা: মিসরের আল-আহরাম পত্রিকার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
-
▼
2014
(9799)
-
▼
July
(592)
-
▼
Jul 16
(34)
- এরশাদের ১৫১!-এককভাবেই ক্ষমতায় যাওয়ার খোয়াব দেখছেন ...
- ‘প্রস্তুত হচ্ছে মৃত্যুফাঁদ’ by আল আমিন
- ‘প্রস্তুত হচ্ছে মৃত্যুফাঁদ’ by আল আমিন
- প্রতিবন্ধীদের মেধা বিকাশে ধনীদের এগিয়ে আসার আহ্বান...
- ঈদের পর আন্দোলন, বাধা এলে পাল্টা জবাব: খালেদা জিয়া
- গাজায় নিহতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়েছে
- সুরভিনের আপত্তিকর বক্তব্যে সরগরম মিডিয়া
- ফের ভুল পথে হাঁটছে বিএনপি by অমিত রহমান
- বঙ্গোপসাগরে সম্ভাবনার দুয়ার উন্মুক্ত -ইন্ডিয়ান এক্...
- গাজায় রমজান -জীবন যেখানে মিসাইলের নিচে
- নারায়ণগঞ্জে ওসমান পরিবারের সঙ্গে বিএনপির আঁতাত! by...
- সুখোই নিয়ে উদ্বিগ্ন ভারত
- গাজায় মানবিক বিপর্যয় ২০১২ সালকে ছাড়াল
- আফগানিস্তানে বাজারে বোমা হামলা
- ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেগের পদত্যাগ
- মেয়ের জন্য রাজত্ব দাবি!
- মেসিদের সংবর্ধনা
- লন্ডনে মোস্টওয়েলকাম-২
- ক্যামেরনের মন্ত্রিসভায় নির্বাচনমুখী রদবদল
- ইরাকি পার্লামেন্টের নতুন স্পিকার নির্বাচিত
- ‘বাবা, কৃষক হয়ো না’
- ডিসি সম্মেলন- পথের বাধা অপসারণ করুন by আলী ইমাম মজ...
- পানি নিয়ে ভাবনা by মিখাইল গর্বাচভ
- প্রতিটি মন্ত্রণালয়ে ন্যায়পাল চাই by মুহাম্মদ জাহাঙ...
- ছাত্রলীগের রাজনীতির বলি -ঘাতক–সন্ত্রাসীদের জায়গা ব...
- পুলিশ, না ধারাবাহিক খুনি? -তাঁকে অবিলম্বে গ্রেপ্তা...
- মুরসিকে উৎখাতের এক বছর by কামাল গাবালা
- বাঁশের ব্যাংক, মাটির ব্যাংক, সুইস ব্যাংক by সৈয়দ আ...
- গণবাহিনী বিতর্ক- পঁচাত্তরের পালাবদল এবং জাসদের দায়...
- ফুটবল উৎসবের অবসান -ইতিবাচক উদ্দীপনার জয় হোক
- ছাত্রলীগকে কী সামলানো যাবে না? -মুক্তিপণ ও চাঁদা ...
- কোনো বিষয়ে ঢালাও মন্তব্য ঠিক নয় by আবদুল মান্নান
- মধ্যপ্রাচ্যে নতুন খলিফা? by হাসান ফেরদৌস
- নারী-শিশু-বৃদ্ধ-বৃদ্ধার রক্তে ভাসছে গাজা উপত্যকা
-
▼
Jul 16
(34)
-
▼
July
(592)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...









