Tuesday, February 20, 2018
এভারেস্ট চূড়ায় পৌঁছার চেয়ে জীবনের চূড়ায় পৌঁছানো কঠিন! by জুয়েল রানা

মানুষের বাসায় প্রাইভেট পড়িয়ে, কোচিংয়ে ক্লাস নিয়ে, বিক্রয়কর্মীর কাজ করে যুদ্ধ করতে হয় হলের গণরুমে একটি আসন, দুবেলা হলের তৈলাক্ত খাবার, ডাল ও পানির অভিনব মিশ্রণ, আজিজ সুপার বা নিউমার্কেটের ১৫০ টাকার একটি গেঞ্জি বা শার্ট, ১২০ টাকার স্যান্ডেল এবং পড়ালেখার খরচ জুগিয়ে পরিবারের জন্য কিছু পাঠানোর। সেই সাথে অসম সমাজ, ক্লাসের পড়াশুনা, পিতা-মাতার স্বপ্ন, ভালোবাসা পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা, শ্রেণিকক্ষে বা সহপাঠীদের সাথে পোশাক-পরিচ্ছদ ও জীবন-ধারনে খাপ খাওয়ানোর প্রতিবন্ধকতা সর্বোপরি সামাজিক বঞ্চনা তাদের কুরে কুরে খায়।
সবাই নিত্যদিনের এই বেঁচে থাকার লড়াইয়ে পেরে উঠে না, যেমন পেরে ওঠেনি আমাদের হোসেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হোসেন কিছুদিন আগেই আত্মহত্যা করেছে, যার মূল কারণ হলো আমাদের অসম সমাজের যাতাকল, নির্যাতন, অত্যাচার ও অবজ্ঞা। এভাবেই সংগ্রামী মানুষগুলো এক সময় নিজের ওপর বিশ্বাসটাও হারিয়ে ফেলে। কোনো কোনো সময় জীবন দিয়ে ধিক্কার জানাতে চায় আমাদের মতো তথাকথিত শিক্ষিত, সুশীল, শহুরে, স্মার্ট, উচ্চ বংশীয় ও পয়সাওয়ালা অমানুষদের। যদিও আত্মহত্যা কখনোই সমাধান নয়। আমাদের বেঁচে থেকে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। এই অন্ধ সমাজকে প্রতিনিয়ত চপেটাঘাত করতে হবে এবং উপড়ে ফেলতে হবে কলুষিত এই সমাজের শিকড়।
তাইতো বেঁচে থাকার এ জীবন সংগ্রামে তিন বেলা ভোগ করাটাই হয়ে ওঠে মুখ্য; সেখানে জীবন উপভোগ যেন এক আকাশ- কুসুম কল্পনা। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শিক্ষাসফরে অংশগ্রহণ, সহপাঠীদের সাথে কোথাও ঘুরতে যাওয়া, প্রিয়ার ভালোবাসা কিংবা নিজের মানসিক প্রশান্তির জন্য কিছু চিন্তা যেন কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের পূর্ণিমার চাঁদের মত একখানা ঝলসানো রুটি। এভাবেই একদিন মরে যায় পিপাসু সেই মন, ভালোবাসাপূর্ণ সেই কোমল হৃদয় এবং আমরা ধীরে ধীরে হয়ে উঠি এক একটা দানব; যে দানব গিলে ফেলে মনুষ্যত্ব, বিবেকবোধ, মানবতা এমন কি পুরো জগৎটাকে।
বিভাগীয় শিক্ষক জামাল স্যারের সহযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে প্রথম সেমিস্টারে ৫০০টাকা চাঁদা দিয়ে কুমিল্লা বার্ডে একবার শিক্ষাসফরে যাওয়ার সুযোগ হয়েছিল। এরপর আর কখনোই সহপাঠীদের সাথে ঘুরতে যাওয়ার সৌভাগ্য হয়নি নয়নাভিরাম সাজেক ভ্যালি, নীলগিরি, মাধবকুণ্ডের ঝর্ণা কিংবা কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকতে। মনে পড়ে, বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ বর্ষে বিভাগ থেকে তিন দিনের জন্য কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সে সময় বন্ধুদের সাথে সমুদ্র বিলাস আমার জন্য বিলাসিতাই ছিল। আজ যুক্তরাজ্যে বিশ্বের প্রথম সারির ১০০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটিতে এরাসমাস স্কলার হিসেবে পড়ালেখা করছি। এখানে ছুটির দিনে সবাই প্রকৃতি ভ্রমণে বের হয়। প্রতি সপ্তাহে না পারলেও মাসে অন্তত দু-একদিন আমিও অংশগ্রহণ করার দুঃসাহস করি।
গত ১৮ ফেব্রুয়ারি সহপাঠীদের অনুরোধ ও উৎসাহে ওয়েলস-এর সর্বোচ্চ মাউন্টেন স্নোডেন চূড়ায় ওঠার মনস্থির করি। ৩৫৬০ ফুট উচূ এই মাউন্টেনের চূড়ায় পৌঁছাতে স্বাভাবিক আবহাওয়ায় ৪-৫ ঘন্টা সময় লাগে। উল্লেখ্য, প্রথম এভারেস্ট বিজয়ী স্যার এডমুন্ড হিলারি 'স্নোডেন' মাউন্টেনেই অনুশীলন করেছিলেন। যাহোক আমাদের ৫ জনের দল সকাল ১০টায় 'স্নোডেন' মাউন্টেনে ওঠা শুরু করে। সকল প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে ৩ ঘণ্টা ৪০ মিনিটে আমরা মাত্র তিনজন ২৯৫০ ফুট পর্যন্ত উঠতে পেরেছিলাম। প্রচুর তুষারপাত, মেঘ ও খারাপ আবহাওয়ার কারণে ১৭ ফেব্রুয়ারি ৮২০ ফুট উচ্চতা থেকে বরফে পিছলে পড়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। তাই চূড়ায় যেতে সতর্ক করে দেওয়া হচ্ছে। চূড়ায় যেতে না পারলেও প্রথমবারের মতো পর্বতারোহণের অসাধারণ রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা হয়েছে। মেঘের সাথে মিতালি, পাথর, তুষারপাত, বাতাস ও বৃষ্টির সাথে যুদ্ধ। এ যেন সত্যি সত্যি বেঁচে থাকার লড়াই, একটু বিচ্যুত হলেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তে হবে। নামতে নামতে আমি ভাবছিলাম, কত সহজে এত উঁচুতে উঠে গেলাম! অথচ আজকের এই মাউন্টেন দেখতে আসার পেছনে কত সময় ও পরিশ্রম লেগেছে! এ পর্যন্ত কতগুলো পাহাড়-পর্বত পাড়ি দিয়ে বর্তমানে পৌঁছেছি। জীবনের সংগ্রামটা পর্বতে বেঁচে থাকার সংগ্রামের চেয়ে ঢের। তেমনিভাবে উপলব্ধি করলাম, পর্বতের চূড়ার চেয়ে জীবনের চূড়ায় পৌঁছানো অনেক কঠিন। এই উপলব্ধির জন্য ধন্যবাদ জানাই আমার বন্ধু হারিন, নন্দিতা, টেইলর ও প্যাট্রিসিয়াকে।
লেখক: এরাসমাস মুন্ডুস স্কলার, শেফিল্ড বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাজ্য
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খালিস্তান ইস্যু: ভারতে শীতল অভ্যর্থনা পেলেন জাস্টিন ট্রুডো

ক’দিন আগে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু ভারত সফরে এলে মোদি বিমানবন্দরে তো উপস্থিত ছিলেনই, তার সঙ্গে কোলাকুলিও করেছেন। অথচ, ট্রুডো যখন তাজমহল দেখতে আগ্রা যান, তাকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন না মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও। বরং জেলা প্রশাসক গৌরব দয়াল ও কমিশনার কে রামমোহন রাও ছিলেন তার সঙ্গে! ভারতের সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান টুডে এক প্রতিবেদনে এ কথা বলেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী ট্রুডোর প্রতি ভারতের এমন নিষ্প্রভ আতিথেয়তার বিশেষ কারণও থাকতে পারে। ভারত মনে করে, শিখ খালিস্তান ঘরানার প্রতিষ্ঠানকে সমর্থন করছে ট্রুডোর সরকার। এ নিয়ে উদ্বিগ্ন ভারত। উল্লেখ্য, খালিস্তান নামে শিখ ধর্মাবলম্বীদের স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে একাধিক সশস্ত্র আন্দোলন একসময় বেশ শক্তিশালী ছিল।
ভারতের আপত্তির জায়গা হলো, টরেন্টতে খালসা দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেন ট্রুডো। ওই অনুষ্ঠানে খালিস্তানের পতাকা উড়ানো হয়। প্রদর্শিত হয় সাবেক খালিস্তানি সশস্ত্র আন্দোলনের নেতা জার্নাল সিং ভিন্দ্রনওয়ালের ছবি।
কানাডায় বহু শিখ ধর্মাবলম্বীর বসবাস। অপরদিকে ভারতের পাঞ্জাব অঙ্গরাজ্যে শিখদের বসবাস বেশি। কিন্তু এই সফরে ট্রুডো পাঞ্জাব সফরে গেলেও, সেখানকার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন না। ভারতের একমাত্র শিখ অধ্যুষিত অঙ্গরাজ্য পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর শিং সাবেক ভারতীয় সেনা কর্মকর্তা। তিনি নিজে একজন শিখ হলেও, খালিস্তান আন্দোলনকারীরা তাকে শত্রু হিসেবে দেখেন। পাঞ্জাবে জন্ম নেওয়া কানাডার প্রতিরক্ষামন্ত্রী হরিজত সাজ্জান কয়েকদিন আগে পাঞ্জাব সফরে গেলে তার সঙ্গে সাক্ষাতে সম্মত হননি অমরিন্দর সিং। হরিজত সাজ্জানকে ‘খালিস্তানি ও ভারত-বিরোধী’ হিসেবেও আখ্যা দেন তিনি। পরে এই মন্তব্যকে আপত্তিকর বলে অভিহিত করেন হরিজত। এবার অবশ্য ট্রুডোর সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন অমরিন্দর সিং। কিন্তু ট্রুডোর দল জানিয়ে দেয়, পাঞ্জাবে প্রধানমন্ত্রী গেলেও, সেখানকার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তিনি সাক্ষাৎ করবেন না।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, ট্রুডোর প্রতি ভারতের এই আচরণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন। কলামিস্ট ও অর্থনীতিবিদ বিবেক দেহেজিয়া বলেন, ‘হ্যাঁ, এটা বেশ বড় ধরণের তিরস্কারই বটে। ট্রুডো ও তার পরিবারকে স্বাগত জানাতে একজন কনিষ্ঠ মন্ত্রী পাঠানো হয়েছে বিমানবন্দরে। এর মাধ্যমে অবশ্যই ট্রুডোকে তিরস্কার করা হচ্ছে।’ দেহেজিয়া বলেন, এর কারণ হলো ট্রুডো সরকারের কয়েকজন সদস্য একসময় খালিস্তান আন্দোলনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ছিলেন। তিনি আরও বলেন, ট্রুডোর উদারপন্থী দলটি শিখ-কানাডিয়ান ভোট ব্যাংকের ওপর অনেকখানি নির্ভরশীল। তার সরকারের কয়েকজন শিখ সদস্য খালিস্তানিদের সঙ্গে ছিলেন। ট্রুডোর মন্ত্রীসভায় চারজন শিখ সদস্য রয়েছেন।
তবে কানাডায় ভারতের সাবেক রাষ্ট্রদূত বিষ্ণু প্রকাশ এই ধরণের দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন। বলছেন, ট্রুডোকে মোটেই খাটো করা হচ্ছে না। তার দাবি, ট্রুডোর বেলায় ঠিকভাবে প্রটৌকল মেনে চলছে ভারত। নিয়ম হলো, একজন বিদেশী সরকার প্রধানকে স্বাগত জানাবেন একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। সেটাই হয়েছে। অন্যবার প্রধানমন্ত্রী মোদি উপস্থিত থেকে এই নিয়মের ব্যাত্যয় ঘটিয়েছেন। প্রত্যেক বিদেশী সরকার প্রধানকে প্রধানমন্ত্রী স্বাগত জানাবেন, এমনটা আশা করা উচিত নয় বলে তার মন্তব্য।
সাবেক কূটনীতিক কানওয়াল সিবাল অবশ্য ট্রুডোর প্রতি ভারতের আচরণ নিয়ে অসন্তুষ্ট। তিনি বলেন, খালিস্তান নিয়ে পূর্বধারণা থেকে প্রভাবিত হয়ে ভারতের উচিত হয়নি ট্রুডোর সফরের শুরুটা এভাবে করা। বরং, ভারতের উচিত ছিল এই সফরকে ব্যবহার করে খালিস্তান নিয়ে নিজের উদ্বেগের কথা কানাডাকে অবহিত করা। তবে তিনিও মনে করেন না, ভারত ট্রুডোকে তিরস্কার বা খাটো করছে। তিনি বলেন, ভারত প্রটৌকলের ক্ষেত্রে সঠিক নিয়মই মেনেছে।
এই সপ্তাহে মুম্বইয়ে ব্যবসায়ীদের একটি গোলটেবিল বৈঠকে অংশ নেবেন ট্রুডো। কথা বলবেন চলচ্চিত্র শিল্পের কর্তাব্যক্তিদের সঙ্গেও। ২৩শে ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন ট্রুডো। তাদের আলোচনায় বাণিজ্য ও ব্যবসা ছাড়া বেসামরিক পরমাণু সহযোগিতা, বিজ্ঞান, প্রতিরক্ষা, জ্বালানি ও শিক্ষা সংক্রান্ত ইস্যু প্রাধান্য পাবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রোহিঙ্গা সঙ্কট শেষ হয়ে যায়নি, এখনও আসছে তারা by কেট নোলান

প্রকৃতপক্ষে এখনও তারা আসছেন।
এখন যারা আসছেন তাদের সংখ্যা বিশাল নয়, যেমনটা দেখা গেছে সঙ্কট শুরুর সময়ে। তবে আমরা দেখতে পাচ্ছি, এখনও নাফ নদী পাড়ি দিয়ে প্রতি সপ্তাহে দু’একশত রোহিঙ্গা আসছেন। নতুন আসা উদ্বাস্তুরা বলছেন, তারা মিয়ানমারে অনিরাপদ। তাদেরকে হুমকি দেয়া হয়েছে। বাড়িতে, গ্রামে তাদেরকে হয়রান করা হয়েছে। তাদের গ্রামগুলো এখন পরিত্যক্ত। তাই তাদের যেসব সম্পদ বা পণ্য ছিল তা যেকোনো দামে বিক্রি করে দিয়েছেন বা দেয়ার চেষ্টা করেছেন, যাতে তারা নৌকার ভাড়া মিটাতে পারেন। সেই নৌকায় চড়ে চলে আসতে পারেন বাংলাদেশে, যেখানে তাদেরকে থাকার জন্য বিশাল ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে এবং তা অব্যাহত আছে। তারা এসে আশ্রয় নিচ্ছেন বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের জেলা কক্সবাজারে তৈরি করা অস্থায়ী আবাসনে। এগুলো অত্যন্ত জনবহুল। গাদাগাদি করে সেখানে থাকতে হয় তাদেরকে। তাদের এসব আবাসন তৈরি করা হয়েছে বেশির ভাগই প্লাস্টিক, বাঁশ দিয়ে। একটি ঘরের সঙ্গে আরেকটি ঘর লেগে আছে। এখানে রয়েছে অপর্যাপ্ত পানি। পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা নাজুক।
সব বসতিতে আমাদের মেডিকেল কনসালটেশনদের মাধ্যমে দেখতে পেয়েছি, রোহিঙ্গারা এরই মধ্যে মিয়ানমারে কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন এবং তাদেরকে বের করে দেয়া হয়েছে। তাদের স্বাস্থ্যসেবা নেই বা নেই বললেই চলে। সংক্রামক ব্যাধির বিরুদ্ধে তাদেরকে টিকা দেয়া হয় না নিয়মিত। তাই তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অত্যন্ত নি¤œ।
আমাদের চিকিৎসকরা অনেক মানুষকে ডায়রিয়া ও শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের চিকিৎসা দিয়েছেন। এসব রোগ উদ্বাস্তু শিবিরে বসবাসের পরিবেশের সঙ্গে সম্পর্কিত। আমরা তাদের শরীরে ক্ষত দেখেছি। যথাযথ চিকিৎসার অভাবে সেগুলো মারাত্মক সংক্রণে রূপ নিয়েছে। দেখা দিয়েছে জটিল রোগ হিসেবে। তাদের এসব রোগের বিষয় কখনো যথাযথভাবে চিহ্নিত করা হয় নি।
আমরা এমন অনেক পরিবার দেখেছি। যেসব পরিবারের শিশু বা বিকলাঙ্গ মানুষকে দেখাশোনা করতে হয় অন্যদের। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের যোগান দিতে হয় অথবা তাদের আশ্রয় তাদেরকেই নির্মাণ করতে হয়। বিপুল সংখ্যক মানুষের চাপ, অত্যধিক গাদাগাদি হরে বসবাস, অপর্যাপ্ত আবাস, দৃশ্যত অত্যন্ত কম মাত্রার টিকা ব্যবস্থা- এসব ফ্যাক্টর মিলে জনস্বাস্থ্যে একটি প্রকৃত ঝড়ো অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এটা একটা অত্যন্ত ভঙ্গুর পরিস্থিতি। এ বিষয়ে আমাদের স্টাফ ও অন্য যেসব সংগঠন মাঠপর্যায়ে কাজ করছে তাদের সবার অব্যাহতভাবে দৃষ্টি দেয়া দরকার।
আসন্ন চ্যালেঞ্জ
বর্তমান অবস্থার মধ্যে নতুন করে এক জরুরি অবস্থা এগিয়ে আসছে। এটা নিয়ে আমি উদ্বিগ্ন। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, আসন্ন বর্ষা মৌসুমে প্রচুর বৃষ্টিপাত ও মৌসুমী ঘূর্ণিঝড় হয়। আর এসব উদ্বাস্তু শিবির যে এলাকায় অবস্থিত তা প্রচ- ঘূর্ণিঝড় প্রবণ। সেখানে ডায়রিয়অ সহ পানিবাহিত রোগের বড় ধরনের ঝুঁকি রয়েছে।
আমরা এরই মধ্যে দেখেচি, কিভাবে মানুষের বিপদ দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে আমরা হাম ও ডিপথেরিয়অর চিকিৎসা দিচ্ছি। সব সময়ই এমন সব রোগ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে, যা মোকাবিলার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামসহ প্রস্তুত নন ত্রাণকর্মী ও স্বাস্থ্য বিভাগ। এমন অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে, সব পক্ষের এ সঙ্কটে সাড়া দেয়ার একটি সুযোগ রয়েছে। তা হলো টার্গেটেড মানুষদেরকে টিকার আওতায় আনা। উদ্বাস্তু শিবিরে যানবাহন প্রবেশের সুযোগ আছে, এমন শিবির বা ঘর নেই বললেই চলে। তাই অসুস্থ কাউকে স্থানান্তর করতে হয় পায়ে হেঁটে। আশ্রয় শিবিরের ধরনের বিষয়ে আমরা উদ্বিগ্ন, এসব আশ্রয়শিবির ভারি বর্ষণে টিকে থাকতে পারবে কিনা।
আমরা সম্ভাব্য ভূমিধসের আশঙ্কা করছি। অথবা এমনও হতে পারে বৃষ্টির কারণে পথগুলো অত্যন্ত কর্দমাক্ত হয়ে পড়বে। এতে অধিক সংখ্যক মানুষ পড়ে গিয়ে আহত বা হাতপা ভেঙে যেতে পারে। বর্তমানে আমরা আমাদের জরুরি সেবা দেয়ার চেষ্টা করছি। আমরা স্বাস্থ্য বিষয়ে আমাদের অবকাঠামোর ক্ষতি ঠিকঠাক করার চেষ্টা করছি।
চিকিৎসা সেবা চলছে
কয়েক মাসে বিপুল পরিমাণ মানুষের ঢলের পরে এখন আমাদের অগ্রাধিকার হলো মেডিকেল সেবা সংহত করা। সেকেন্ডারি স্বাস্থ্য সার্ভিসের দিকে দৃষ্টি দেয়া। যদি ইে সঙ্কটের কথা ভুলে যাওয়া হয় তাহলে কিভাবে সাড়া দিতে হবে সে জন্য আমাদেরকে প্রস্তুত থাকতে হবে।
প্রাথমিক পর্যায়ের দিনগুলোতে পানি, পয়ঃনিষ্কাশন ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ছিল আমাদের জন্য অগ্রাধিকার। এখন আমরা দেখতে পাচ্ছি আমাদের লোকজন এসব কাজ করছেন। তবে হাসপাতাল সার্ভিসগুলোতে এখনও ফারাক রয়ে গেছে।
উপরন্তু, যেসব মানুষ ভয়াবহ সহিংসতার শিকার হয়েছেন তাদের জন্য মানসিক স্বাস্থ্য সেবা এখনও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
যখন আমরা জরুরি বিষয়ে সাড়া দিই তখন কর্তৃপক্ষের সহযোগিতার মাধ্যমে তা করি। এর মধ্য দিয়ে আমাদের কাজকে গ্রহণযোগ্যতার গুরুত্ব নিশ্চিত করা হয়। মানবিক গুরুত্বপূর্ণ কাজের বিষয়ে বোধোদয় হয়।
রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুদের আশ্রয় গ্রহণের স্থানগুলোতে মানুষের সংখ্যা ভয়াবহভাবে বাড়ছে। এতে স্থানীয় অর্থনীতি, পরিবেশ ও স্থানীয় মানুষের নিত্যদিনের জীবনযাত্রা ও দেশের ওপর বড় একটি চাপ পড়ছে।
(কেট নোলান, বাংলাদেশে মেডিসিন সান ফ্রন্টিয়ের্স-এর ইমর্জেন্সি কোঅর্ডিনেটর। সংস্থাটির নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তার লেখার অনুবাদ)
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিএনপি কি নেতৃত্ব সংকট কাটাতে পারবে? by শ্রুতি এস. পত্নায়েক

৬৩২ পৃষ্ঠার রায়ে আদালত সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে ৫ বছর কারাদণ্ড দিয়েছে। তারেক রহমান, যিনি রাজনৈতিক উত্তরসূরি, দলটির ভাইস চেয়ারম্যান এবং বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত চেয়াম্যানের দায়িত্বে রয়েছেন, তাঁকে দুই লাখ ৫২ হাজার মার্কিন ডলার তছরুপের দায়ে দশ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে এই দোষী সাব্যস্ত করার ফলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বীকে একটি শক্ত দাগ ফেলে দিয়েছে।
বাংলাদেশ সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে কোনো ব্যক্তি নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে দোষী সাব্যস্ত ও অন্যুন দুই বছর দণ্ডিত হওয়া এবং মুক্তিলাভের পর পাঁচ বছর অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। যে কোনো গণতন্ত্রে দুর্নীতি একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। এই রায়টি উচ্চ আদালতে সমুন্নত হলে তা বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে পরিবর্তন এনে দেবে।
বিএনপি এই রায়কে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত হিসেবে উল্লেখ করেছে।
মাইনাস টু ফর্মুলার অংশ হিসেবে মঈন ইউ আহমেদের নেতৃত্বাধীন সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলা দায়ের করেছিল। ২০০৮ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকার একই ধরনের মামলা শেখ হাসিনার বিরুদ্ধেও দায়ের করছিল। কিন্তু ক্ষমতা দখলের পর শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা বাতিল করে দেওয়া হলেও মিসেস জিয়ার বিরুদ্ধে মামলা চলমান থাকে। এই মামলা ছাড়াও মিসেস জিয়া অন্যান্য ফৌজদারি মামলায়ও অভিযুক্ত হয়েছেন, যা দেশের বিভিন্ন আদালতে এখন বিচারাধীন রয়েছে।
বিএনপি বর্তমানে রাজনৈতিকভাবে দুর্বলতম অবস্থায় রয়েছে। ২০১৫ সালের শুরুর মাসগুলোতে সহিংস প্রতিবাদে অংশগ্রহণের অভিযোগে দলের অনেক জ্যেষ্ঠ নেতার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ওই সহিংসতায় একশ জনের বেশি লোকের মৃত্যু ঘটে। যাদের অধিকাংশই পেট্রলবোমা হামলায় জীবন্ত দগ্ধ হয়েছে। খালেদা জিয়ার দোষী সাব্যস্ত হওয়া বিএনপির রাজনৈতিক স্বাস্থ্যের উপর একটি ভয়ানক হুমকি সৃষ্টি করেছে। যদিও এ ধরনের দোষী সাব্যস্ত হওয়ার বিষয়ে দলের প্রস্তুতি ছিল। দলটি অনতিবিলম্বে তারেক রহমানকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ঘোষণা করে। এই সিদ্ধান্ত ইঙ্গিত করছে যে, খালেদা জিয়া কিভাবে তারেক রহমান, যিনি একই মামলায় দশ বছর দন্ডিত, তা সত্ত্বেও দলের অন্যান্য জ্যেষ্ঠ নেতাদের কাছে শীর্ষ পদ হস্তান্তরে শিথিল মনোভাব পোষণ করেছিলেন।
বিএনপি এখন এমন একটি দল দ্বারা পরিচালিত হতে হবে, যার নেতা ২০০৮ সাল থেকে লন্ডনে বসবাস করছেন এবং যার সঙ্গে মাঠ পর্যায়ের বাস্তবতার কোনো সম্পর্ক নেই। এবং সে কারণে তিনি তৃণমূলের কর্মীদের সংগঠিত করার অবস্থায়ও নেই। তারেক রহমানের দুর্বল নেতৃত্ব এর আগে খুবই দৃশ্যমান হয়ে উঠেছিল, যখন ২০১৪ ও ২০১৫ সালে তাঁর নির্দেশনায় সহিংস প্রতিবাদ দেখা গিয়েছিল। ওই প্রতিবাদ উল্টো ফল বয়ে এনেছিল এবং দলটির রাজনৈতিক ভাগ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছিল। বহু দেশ বিএনপির সহিংস প্রতিবাদের নিন্দা করেছিল এবং জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে তারা চাপ সৃষ্টি করেছিল। এই জামায়াতের ক্যাডাররাই ওই সহিংস প্রতিবাদের পেছনে ছিল বলে ব্যাপকভাবে বিশ্বাস করা হয়।
এসব জিনিস মনে রেখে দলটি একটি বিজ্ঞচিত সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। বেগম খালেদা জিয়া তার দণ্ডাদেশের পরে দলীয় কর্মীদের সহিংস পথে না গিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ জানাতে পরামর্শ দিয়েছিলেন। বিএনপি কয়েক মাস ধরে ভোটারদের সমর্থন কুড়িয়ে চলছিল। এর প্রমাণ পাওয়া গিয়েছিল গত বছরের অক্টোবরে। কয়েক মাস লন্ডনে কাটিয়ে দেশে ফিরে এলে জনতা তাকে উষ্ণ সংবর্ধনা দিয়েছিল। একই মাসে বিপুল সংখ্যক জনগণ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তাকে অভ্যর্থনা জানিয়েছিল। ওই সময় তিনি রোহিঙ্গা উদ্বাস্তু শিবির পরিদর্শনে যাচ্ছিলেন।
বিএনপি অব্যাহতভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনরুজ্জীবনের দাবি জানিয়ে আসছে। যদিও পরবর্তী নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণের কথা দলটি ঘোষণা করেছে। অবশ্য তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি শেখ হাসিনার সরকার পূরণ না করার ক্ষেত্রে, দলটি ভোটারদের কাছে এই ধারণা দিয়ে আসছে যে, তারা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি থেকে সরে আসে নি। এই দাবি পূরণ না হওয়ার কারণে ২০১৪ সালে নির্বাচন তারা বয়কট করেছিল। বিএনপি একই ভুলের পুনরাবৃত্তি করতে চায় না। ওই ভুলের কারণে ২০১৪ সালের নির্বাচনে তাদের সম্ভাব্য বিজয় ডাকাতি হয়ে গিয়েছিল। যদিও বিএনপির মহাসচিব, বেগম খালেদা জিয়ার অংশগ্রহণ ব্যতিরেকে আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার অঙ্গীকার করছেন। কিন্তু রাজনৈতিকভাবে তা গ্রহণযোগ্য নয় বলে মনে করা হয়।
এই প্রেক্ষাপটে বেশ কিছু প্রশ্ন উঠেছে। বেগম খালেদা জিয়া তাঁর ও তাঁর ছেলেকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করে যে নির্বাচন হবে, তাতে বিএনপিকে অংশ নিতে দিতে রাজি হবেন কি না? বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ পাঁচ বছর পরে আবারও নির্বাচনে জয়ী হওয়ার সম্ভাবনার সুযোগ হাতছাড়া করবেন কি না? বেগম জিয়া এবং তারেক রহমান নির্বাচনে অযোগ্য হলে দলটি উপদলীয় কোন্দলে জড়িয়ে পড়া থেকে বাঁচতে পারবে কি না? আগামী নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণ কিভাবে অনুমান করা হতে পারে? যদিও এসব প্রশ্ন হাইপোথেটিক্যাল। কিন্তু এসব বিষয়ই আগামী নির্বাচনের জন্য কৌশল নির্ধারণ করতে গিয়ে দলটিকে বিবেচনায় নিতে হবে।
যখন নির্বাচন আবারও বয়কট করা একটি গ্রহণযোগ্য বিকল্প নয়, তেমনি কারাগার এবং লন্ডন থেকে দল নিয়ন্ত্রণ করা সমানভাবে চ্যালেঞ্জিং বলেই প্রমাণিত হবে। দলের জ্যেষ্ঠ পর্যায়ের নেতৃত্বের প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং তাদের উপরে দল পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণে দলের আস্থাহীনতা অত্যন্ত স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ২০১৬ সালের আগস্টে মীর্জা ফখরুলকে দলের মহাসচিব করা হয়েছিল, এর আগে তাকে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে পাঁচ বছর থাকতে হয়েছিল।
উপরন্তু দলটির প্রধান মিত্র জামায়াতে ইসলামী একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধনহীন হয়ে পড়েছে। তাদের অনেক ক্যাডার কারাবন্দী। কিংবা অগ্নিসংযোগের অভিযোগে ফৌজদারী মামলায় লড়ছেন। খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব ছাড়াই এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে, বিএনপি রাজপথের শক্তি প্রদর্শনে যেমন, তেমনি রাজনৈতিক সংকল্প দেখাতেও ঘাটতি দেখাচ্ছে। আওয়ামী লীগের এটা বেশ ভালই জানা আছে যে, যখন দলটি বিশেষ করে তার ক্যাডাররা বিভিন্ন ফৌজদারি মামলা মোকাবেলা করছে, তখন একটি হতদ্যম বিএনপির পক্ষে লড়াকু মনোভাব দেখানোর শক্তি দেখানো সম্ভব নয়।
২০১৫ সালের আগস্ট পর্যন্ত বিএনপি তার রাজপথের শক্তি প্রদর্শন তীব্র করেছিল। তখন পর্যন্ত তাদের চার লাখ তিন হাজার ৮৭৮ জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ২১ হাজার ৬৮০ টি মামলা দায়ের করা হয়। এর মধ্যে দলীয় চেয়ারপারসন বেগাম খালেদা জিয়সহ ১৫৮ নেতার বিরুদ্ধে চার হাজার তিন শ একত্রিশটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। দলটির ১২ জন স্থায়ী কমিটির সদস্য ২৮৮টি মামলা মোকাবেলা করছেন। বর্তমানে সারাদেশে বিভিন্ন কারাগারে ১৭ হাজার ৮৫৮ জন বিএনপি নেতাকর্মী বন্দি রয়েছেন। উপরন্তু দলীয় নেতৃবৃন্দ যখন সংসদের সদস্য নন, কিংবা তারা বিভিন্ন ধরণের রাজনৈতিক প্রিভিলেজ বা সুবিধা ভোগ করেন না, তখন দলীয় ক্যাডারদের মনোবল ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। কারণ দলীয় নেতারা ওই ধরনের সুযোগ সুবিধা ভোগ করেন বলেই একটি পেট্রন-ক্লায়েন্ট সম্পর্ক টিকে থাকে।
সে কারণে বিএনপির অভ্যন্তরে যে বিচ্যুতি তৈরি হয়েছে, তা থেকে সুবিধা উসুলে চেষ্টা করতে পারে আওয়ামী লীগ। গত বছরে দলটি তার কাউন্সিল অধিবেশনের আয়োজন করলে বিএনপির অভ্যন্তরে অসন্তোষ প্রকাশ পেয়েছিল। দলটির অনেক জ্যেষ্ঠ নেতা কোণঠাসা হয়েছিলেন এবং কেবলমাত্র নেতৃত্বের প্রতি অনুগতরাই দলের অভ্যন্তরে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান লাভ করেছিল।
যদি প্রধান রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে, তাহলে বাংলাদেশের গণতন্ত্র মারাত্মক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবে। রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা বাংলাদেশ এবং এই অঞ্চলের জন্য অনুকূল নয়। সাত শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি নিয়ে অর্থনৈতিকভাবে বাংলাদেশ ভালই সাফল্য দেখিয়ে চলছে। দেশটি এখন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম গার্মেন্টস রপ্তানীকারক দেশ। বিএনপি কিভাবে তার ক্ষয় হতে থাকা রাজনৈতিক পুঁজি থেকে নিজকে বাঁচিয়ে পথ চলতে পারে এবং আগামী সাধারণ নির্বাচন কতটা অবাধ ও সুষ্ঠু হয়, তার উপর অনেক কিছু নির্ভর করছে।
(শ্রুতি এস. পত্নায়েক: দিল্লি ভিত্তিক বেসরকারি থিংকট্যাংক ইনস্টিটিউট ফর ডিফেন্স স্টাডিজ এন্ড অ্যানালাইসিস (আইডিএসএ)-এর রিসার্চ ফেলো। ১৫ ই ফেব্রুয়ারি আইডিএসএ-এর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তার লেখার অনুবাদ)
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বঙ্গোপসাগরে সামরিক সম্পদের উপস্থিতির বিষয়ে ভারতীয় বিশেষজ্ঞের সতকর্তা

সোমবার কলকাতায় ‘ইন্ডিয়াস মেরিটাইম কানেক্টিভিটি: ইমপর্টেন্স অব দ্য বে অব বেঙ্গাল’ শীর্ষক এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন তিনি। এর আয়োজক ছিল অবজার্ভার রিসার্চ ফাউন্ডেশন। এ সম্মেলনে পিকে চট্টোপাধ্যায় বলেন, এসব অস্ত্রের বিষয়ে আমাদেরকে সতর্ক হতে হবে। যেহেতু এমন সব নৌযানের উপস্থিতি বাড়ছে (বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে), তাই ভুল বোঝাবুঝির ফলে বন্ধুপ্রতীম দেশগুলোর মধ্যে সংঘাত বেধে যাওয়ার খুব বেশি আশঙ্কা রয়েছে। সম্ভবত অদূর ভবিষ্যতে সাবমেরিনের মালিক হতে যাচ্ছে মিয়ানমার। এক্ষেত্রে সমস্যা হলো, সরবরাহকারী যদি একই হয়। এখানে উল্লেখ্য, রাশিয়ায় তৈরি সাবমেরিন পরিচালনা করে ভারত। তা ছাড়া নৌবাহিনীর বিমান ও যুদ্ধজাহাজ অব্যাহতভাবে ভারতের জলসীমায় কোনো চীনা জাহাজ বা সমরাস্ত্র প্রবেশ করেছে কিনা তার ওপর নরজরদারি করছে। এক্ষেত্রে বন্ধু দেশগুলোর নৌবাহিনী যদি সেই একই চীনে তৈরি সাবমেরিন পরিচালনা করে তাহলে ভারতীয় গবেষকরা বা অনুসন্ধানকারীরা দ্বিধায় পড়তে পারেন। এ বিষয়ে পিকে চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমরা মনে হয় না, চীনের ‘স্ট্রিং অব পার্লস’ ধারণার বিষয়ে মানুষের অতো নজর দেয়া উচিত। উল্লেখ্য, পিকে চট্টোপাধ্যায় আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ কমান্ডের সাবেক কমান্ডার ইন চিফও। তিনি বলেছেন, ভারতকে ঘিরে ফেলা হয়েছে এটা ভাবা উচিত বলে আমার মনে হয় না। চীন শুধু সমুদ্রভাগে তার উপস্থিতি বৃদ্ধি করছে। একই কাজ করতে ভারতকে কেউ বাধা দিচ্ছে না। তিনি পরে কৌশলগতভাবে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জকে অর্থনৈতিক ও সামরিকীকরণে ভারতের ব্যর্থতার সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, আন্দামান দ্বীপের ভূমির আয়তন প্রায় ৮ হাজার বর্গকিলোমিটার। এর মধ্যে শতকরা মাত্র ৬ ভাগ হলো রাজস্ব সংক্রান্ত। শতকরা মাত্র ০.৬ ভাগ ভূমি ব্যবহার করে সেনাবাহিনী। আমাদের মনকে উদার করতে হবে। সেখানে আমাদেরকে পরিবেশগত ক্লিয়ারেন্স বিষয়ক নীতি গ্রহণে নতুন করে ভাবতে হবে। আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে উল্লেখযোগ্য সম্পদ (সামরিক) রাখার কোনো বিকল্প হতে পারে না। আমাদের গবেষণা করে দেখা দরকার যে, নৌবাহিনীর ইস্টার্ন নেভাল কমান্ড থেকে কি পরিমাণ সম্পদ সেখানে স্থাপন করা যায়।
ওই সম্মেলনে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন ভারতে জাপানের কনসুল জেনারেল মাসায়ুুকি তাগা। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর তাকেনোরি হোরিমোতা, সিনিয়র গবেষক হিদেহারু তানাকা ও যাদবপুর ইউনিভার্সিটির প্রফেসর অনিন্দ্য জ্যোতি মজুমদার।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের শেয়ার কেনা নিয়ে ভারত-চীন কূটনৈতিক লড়াই

কারণ, চীন এ অঞ্চলে তার প্রভাব বিস্তার করে চলেছে। এটা নয়া দিল্লির মাথা ব্যথার কারণ। এসব কথা লিখেছে ভারতের অনলাইন বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। এতে আরো বলা হয়েছে, চীনা স্টক এক্সচেঞ্জের এক কনসোর্টিয়াম ওই শেয়ারের মূল্য ভারতের চেয়ে শতকরা ৪৫ ভাগেরও বেশি দাম হাঁকিয়েছে। তা সত্ত্বেও ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের (এনএসই) নেতৃত্বাধীন ভারতীয় একটি কনসোর্টিয়াম ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের যে মূল্য হাঁকিয়েছে, তাতেই তারা ওই শেয়ার পাওয়ার জন্য বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রকদের সঙ্গে লবিং করছে। চীনের সাংহাই ও শেনঝেন স্টক এক্সচেঞ্জের সমন্বয়ে একটি কনসোর্টিয়াম ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ওই শেয়ারের প্রতিটির মূল্য দিতে চেয়েছে ২২ টাকা। সব মিলে শেয়ারের মূল্য দাঁড়াবে ১১ কোটি ৭০ লাখ ডলার। অন্যদিকে ভারতের এনএসই কনসোর্টিয়াম প্রতিটি শেয়ারের দাম বলেছে মাত্র ১৫ টাকা। বিশ্বাস করা হয় যে, চীনা এক্সজেঞ্জ যে প্রস্তাব বা দাম বলেছে, তা গ্রহণ করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ। তবে এই দর অনুমোদিত হতে হবে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) থেকে। এছাড়াও চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো আরো ৩ কোটি ৭০ লাখ ডলারের প্রযুক্তিগত সহযোগিতা প্রস্তাব করেছে। এক্ষেত্রে ভারতের এনএসই কনসোর্টিয়াম শুধু প্রযুক্তিগত সহযোগিতার প্রস্তাব দিয়েছে। তবে তার অর্থমূল্য কি হবে তা জানায় নি।
এ অঞ্চলে চীনের আধিপত্য বিস্তারকে ঠেকানোর জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ভারত। এ জন্য বিএসইসি’র সঙ্গে তদ্বির করতে উড়ে বাংলাদেশে এসেছেন এনএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিক্রম লিমায়ে। যে কনসোর্টিয়াম শতকরা ২৫ ভাগ শেয়ার কেনার অনুমতি পাবে তারা ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালনা পরিষদে বড় একটি আসন পাবে। একই সঙ্গে এক্সচেঞ্জের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে তাদের প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হবে। এর আগে পাকিস্তান, নেপাল ও মিয়ানমারের শেয়ার বাজারের স্টক কিনেছে চীনা কনসোর্টিয়ামগুলো। ফলে এ অঞ্চলে চীন এক্ষেত্রে ক্রমশ তার প্রভাব বিস্তার করে চলেছে। বলা যায়, তার আধিপত্য বিস্তার করছে। এটাই নয়া দিল্লির উদ্বেগের কারণ।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের একটি সূত্রকে উদ্ধৃত করে ঢাকার একটি পত্রিকা লিখেছে, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড অব ইন্ডিয়া এবং রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া থেকে অনুমোদন দেয়া হয়েছে কিনা তা দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে এনএসই। তারপরও ভারতীয় কর্তৃপক্ষ আশায় বুক বেঁধে আছেন। তারা মনে করছেন, তাদের অনুরোধ গ্রহণ করবে বাংলাদেশ সরকার। কারণ, দেশ দুটির মধ্যে বন্ধন রয়েছে শক্তিশালী। শুক্রবার ব্লুমবার্গকে বিক্রম লিয়ামে বলেছেন, এখনও আমরা আশাবাদী। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে রয়েছে শক্তিশালী বন্ধুত্বের সম্পর্ক। আমরা আশা করছি, শেয়ার বাজারের উন্নয়নে আমাদের অবদানের বিষয়ে তারা সহায়তা করবে। আমাদের অভিজ্ঞতা ও ট্র্যাক রেকর্ডকে ব্যবহার করে বাংলাদেশের শেয়ার বাজার ও এক্সচেঞ্জকে উন্নত করার মতো ভালো অবস্থানে আছি আমরা। ওদিকে ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে বিএসইসির একজন মুখপাত্র সাইফুর রহমান বলেছেন, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সুপারিশের জন্য অপেক্ষায় আছি আমরা। তারপরই সিদ্ধান্ত নেবো। আমাদেরকে বর্তমান শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থকে, সর্বোপরি আমাদের দেশের স্বার্থ বড় করে দেখতে হবে।
ওই রিপোর্টে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের অন্যতম পরিচালক শাকিল রিজভির বক্তব্য তুলে ধরা হয়। তিনি বলেছেন, পরিচালনা পরিষদ চীনা দরপত্রটি গ্রহণ করেছে। এর কারণ, চীনের দরটিই সর্বোচ্চ। এখন এটা বিএসইসি থেকে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে। তারা যদি অনুমোদন করতে চান, করতে পারেন। কিন্তু তারা করছেন না।
উল্লেখ্য, পুঁজিবাজারকে আধুনিকায়ন করার লক্ষ্যে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ তার শতকরা ২৫ ভাগ শেয়ার বিক্রি করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এক্ষেত্রে বিদেশী কোনো অংশীদার খুঁজে পেতে মুখিয়ে আছে এই এক্সচেঞ্জ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বড় অঙ্কের চেক ফিরিয়ে দিচ্ছে ব্যাংক

এফডিআর ভাঙানোর হিড়িক পড়েছে এসব ব্যাংকে। এতে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন ব্যাংকাররা। গতকাল ব্যাংকপাড়া নামে খ্যাত মতিঝিলের বিভিন্ন নতুন ও পুরাতন ব্যাংকের শাখায় সরজমিন ঘুরে এসব তথ্য জানা গেছে। রাজধানীর বাইরের শাখারও একই চিত্র বলে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে।
ভুক্তভোগীরা বলছেন, ব্যাংক কর্মকর্তারা আমানত ফেরত দিতে গড়িমসি করছে। সঠিকভাবে লেনদেন করা যাচ্ছে না। তবে ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, এ্যাকাউন্ট ক্লোজ আর ওপেনিংয়ের মধ্যেই তাদের সময় কাটছে। তারা স্বীকার করেছেন, সংকুচিত হয়ে আসছে লেনদেন। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, গণমাধ্যমে যতটুকু আসছে, বাস্তব চিত্র আরো ভয়াবহ। শেয়ার মার্কেটের মতো বিপর্যয় আসতে পারে। ফলে ব্যাংক থেকে ব্যাপকভাবে টাকা উত্তোলনের হিড়িক পড়তে পারে। এ ছাড়া গত কয়েক মাস ধরে ব্যাংকগুলোতে আমানতের পরিমাণ কমাসহ খেলাপি ঋণ আদায় না হওয়ায় ব্যাংকগুলোতে এই অর্থ সংকট বলে মনে করেন ব্যাংকিং খাতের সংশ্লিষ্টরা। মাস ছয়েক আগেও দেশের ব্যাংকগুলোতে দেখা গেছে অতিরিক্ত তারল্য। কিন্তু কয়েক মাসের ব্যবধানে সেই চিত্র সম্পূর্ণ উল্টে গেছে।
জানা গেছে, আস্থার সংকট শুরু হয় বেসরকারি খাতের ফারমার্স ব্যাংক কেলেঙ্কারির ঘটনা দিয়ে। এই ব্যাংকে রাখা টাকা ফেরত পাচ্ছেন না আমানতকারীরা। জলবায়ু তহবিল ৫০৮ কোটি টাকা ফেরত না পাওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ জানায় টিআইবি। এরপরই বেসরকারি ব্যাংক থেকে তহবিল সরিয়ে ফেলতে শুরু করে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান।
ব্যাংকাররা জানান, আরো বেশ কয়েকটি ব্যাংকে এমন পরিস্থিতি ঘটেছে। বিশেষ করে নতুন ব্যাংকগুলোতে। নতুন কয়েকটি বেসরকারি ব্যাংকে টাকা রাখার জন্য সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোও নিরাপদ বোধ করছে না। পুরনো বেসরকারি ব্যাংক থেকেও কিছু সরকারি প্রতিষ্ঠান টাকা তুলে নিয়ে যাচ্ছে। এতে তারল্যসংকটে পড়েছে ব্যাংকগুলো। যার প্রভাব পড়েছে পুরো অর্থনীতিতে।
এসব ঘটনায় উদ্বিগ্ন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির। পরিস্থিতি সামাল দিতে শনিবার একটি অনুষ্ঠানে গভর্নর অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এতে গভর্নর বলেন, একটি বেসরকারি ব্যাংক খারাপ অবস্থায় পড়ে গেছে। এখন সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো বেসরকারি ব্যাংক থেকে আমানত সরিয়ে নিতে চাইছে। একটা আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।
গতকাল মতিঝিলে চেক ফেরতের বিষয়ে কথা হয় একটি বড় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান কাজী সাজেদুর রহমানের সঙ্গে। তিনি বলেন, আমার প্রতিষ্ঠান থেকে কাঁচামাল কিনতে আরেক প্রতিষ্ঠানকে টাকা দেয়ার জন্য চেক দিয়ে ছিলাম। কিন্তু আমার লেনদেনকারী ব্যাংক ওই ব্যবসায়ী বন্ধুকে টাকা দিতে পারেনি। চেক ফিরিয়ে দিয়েছে। পরে বাধ্য হয়ে আমরা অন্য মাধ্যমে ওই ব্যবসায়ীকে টাকা দিয়েছি। ব্যাংকাররা বলেন, শুধু সাজেদুর রহমান নন। সাম্প্রতিক সময়ে চেক ফেরতের ঘটনা নিয়মে পরিণত হয়েছে।
সরজমিন দেখা গেছে, গতকাল মতিঝিলের একটি ব্যাংকের শাখায় ৫০ লাখ টাকার চেক নিয়ে বসে আছেন একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা। কিন্তু ব্যাংক কর্মকর্তারা বারবার তাকে অপেক্ষা করতে বলছেন। দুপুর পার হয়ে গেলেও তিনি টাকা হাতে পাননি। এর আগেও দুইদিন তিনি টাকা তুলতে ব্যাংকে এসে ফিরে যান বলে জানান। তবে পরে পরিমাণের চেয়ে কিছু কম টাকা পেয়েছেন তিনি। এ ছাড়া কোনো কোনো শাখার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কোনো গ্রাহককে হাতজোড় করে পরে আসতে বলছেন। ফলে এ্যাকাউন্টে টাকা থাকলেও চেক দিয়ে টাকা পাচ্ছেন না গ্রাহকরা। বারবার চেক বাউন্স হচ্ছে। এতে বেকায়দায় পড়েছেন গ্রাহকরা। এটা শুধু ঘটছে বড় বড় গ্রাহকের ক্ষেত্রে। তবে ছোট আকারের এ্যাকাউন্টের গ্রাহকরা সহজেই টাকা তুলতে পারছেন। গতকাল মতিঝিলের বিভিন্ন ব্যাংকের শাখায় সরজমিন পরিদর্শনে এসব তথ্য জানা গেছে।
ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, কোনো নির্দিষ্ট ব্যাংকের সমস্যা নয়, এটি ব্যাংকের সামগ্রিক চিত্র। নগদ টাকার সংকট চলছে। এ জন্য চেক দিয়ে নিজের জমানো টাকা তুলতে পারছেন না গ্রাহকরা।
মতিঝিলের একটি ব্যাংকের শাখায় গিয়ে দেখা যায়, একদিকে ১০ থেকে ১২ জন লাইনে দাঁড়িয়ে টাকা জমা দিচ্ছেন। অন্যপাশে দুটি লাইনে ৭ থেকে ৮ জন চেক হাতে দাঁড়িয়ে আছেন। এর মধ্যে যারা বড় এ্যাকাউন্টের টাকা তুলতে এসেছেন তাদের বেশ খানিকটা অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। কোনো কোনো কর্মকর্তারা তাদের আলাদা ডেকে নিচ্ছেন। বোঝানোর চেষ্টা করছেন, টাকা আপনি পাবেন। কিন্তু সময় লাগবে। এখন ফান্ড ক্রাইসিস। পরে আসেন। এত টাকা এক সঙ্গে দেয়া যাবে না। ওই গ্রাহকের নাম আমিনুল ইসলাম। পেশায় ব্যবসায়ী। ব্যবসার পাওনা পরিশোধে টাকা নেয়ার জন্য আগেই নোটিশ করে চেক পাঠান। ওই দিন চেকটি বাউন্স করে। সে ৫ লাখ টাকার একটি চেক দিয়েছিল।
একটি ব্যাংকের ম্যানেজারের কক্ষে প্রবেশ করে দেখা যায়, হাতে চেক নিয়ে দুই গ্রাহক বসে আছেন। তাদের দু-একদিন পরে আসার জন্য অনুরোধ করছেন ম্যানেজার। এফডিআর মেয়াদপূর্তির আগে ভেঙে ফেলতে চান। কিন্তু ম্যানেজার বলছেন, এখন মেয়াদপূর্তির আগে কারো এফডিআর ভাঙা হচ্ছে না। আপনি পরে আসেন।
একাধিক কর্মকর্তা নিজেদের পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ব্যাংকিং জীবনে এত ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে কখনো পড়িনি। গ্রাহকরা টাকা নিতে আসছেন; কিন্তু তাদের টাকা দিতে পারছি না। হাতজোড় করে তাদের কাছে ক্ষমা চাইতে হচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর সালেহ উদ্দিন বলেন, অপারেশন খরচ কমাতে হবে। ডিফল্ট ঋণ, বন্ধ ঋণগুলো আদায় করতে হবে। ব্যাংকিং খাতে কঠোর নজরদারির পাশাপাশি চলমান এই সংকট নিরসনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকেই সব থেকে বেশি ভূমিকা পালন করতে হবে বলে মনে করেন তিনি।
ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, কোনো কারণ ছাড়াই সরকারি প্রতিষ্ঠান টাকা তুলে নেয়ায় এর প্রভাব অন্য প্রতিষ্ঠানেও পড়ছে।
এদিকে ঢাকা চেম্বারের একটি প্রতিনিধি দল গত সপ্তাহে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে একটি বৈঠক করে। সংগঠনটির সভাপতি আবুল কাসেম খান বলেন, গভর্নর আমাদের আশ্বস্ত করে বলেছেন যে ব্যাংকে তারল্যসংকট সাময়িক। এটা কিছু ব্যাংকের জন্য হচ্ছে, পুরো খাতের চিত্র নয়। তবে আমরা যখন ব্যাংকারদের সঙ্গে কথা বলছি, তখন ঠিকই তারা তারল্যসংকটের কথা বলছেন।
পুরাতন একটি ব্যাংকের পরিচালক আবদুল আজিজ বলেন, এখানে হঠাৎ করেই শেষ ছয় মাসে রপ্তানির তুলনায় আমদানি বেশি বেড়ে গেছে। ডিফল্ট লোনগুলো যথাসময়ে রিকভার হচ্ছে না। ফলে একটা খারাপ সময়ের সৃষ্টি হয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্রিটেনের রাস্তায় মুসলিম নারীরা অহরহ বর্ণবাদী আচরণের শিকার হন : করবিন

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পরলোকগত শিক্ষামন্ত্রীদের গোলটেবিল by সৈয়দ আবুল মকসুদ

ইহার অর্থ বুঝিলাম না।
কবি পরিষ্কার করিলেন তাঁহার বক্তব্য। কোনো প্রশ্নপত্র প্রণয়নের প্রয়োজন নাই। সব শ্রেণির পরীক্ষার্থীকে বলা হইবে আমার ‘বিদ্রোহী’ আর জসীমের ‘কবর’ কবিতা দুইটি পরীক্ষার খাতায় লিখিয়া দিয়া আসুক। যাহাদের একটিও বানান ভুল হইবে না, শুধু তাহারাই জিপিএ-৫ পাইয়া উত্তীর্ণ হইবে। তাহাতে প্রশ্নপত্র ফাঁসের সম্ভাবনা থাকিবে না বলিয়াই কবি এমন জোরে অট্টহাসি দিলেন যে যিনি ফোন করিয়াছিলেন তাঁহার বাম দিকের কানের পর্দা ফাটিয়া যাওয়ার উপক্রম হইল। বৈঠকে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা চলিল। কোনো সিদ্ধান্ত হইল না। একপর্যায়ে শেরেবাংলা বলিলেন, আমি আর বলিতে পারিতেছি না। কোমর ধরিয়া আসিতেছে। পেটেরও কিঞ্চিৎ গোলযোগ। মোরগের আস্ত দুইটি মোসল্লাম, একটি বড় ইলিশ ভাজা এবং ভীমনাগের দেড় কেজি সন্দেশ খাইয়াছি। আমি উঠিলাম।
খাজা নাজিমুদ্দিন বলিলেন, বাংলাদেশে শিক্ষার এই শোচনীয় অবস্থায় কী করা যায়?
একজন মন্ত্রী বলিলেন, শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে আমরা শুধু সাবেক নহি-স্বর্গবাসী। কিছুই করিবার নাই। কোনো পরামর্শ দিলে তাহা পত্রপাঠ অগ্রাহ্য হইবে। আজ যদি সাবেক না হইতাম, স্বর্গবাসী না হইয়া যদি শিক্ষামন্ত্রী থাকিতাম, তাহা হইলে জাতির সর্বনাশ করার দায় মস্তকে ধারণ করিয়া পদত্যাগ করিতাম।
শেরেবাংলা উঠিয়া দ্রুত বাথরুমের দিকে যাইতে যাইতে বলিলেন, উত্তম প্রস্তাব।
সৈয়দ আবুল মকসুদ: লেখক ও গবেষক
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চীনের দুই প্রতিষ্ঠানকেই চায় ডিএসই

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মার্কিন–চীন বাণিজ্যযুদ্ধ

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আলু এখন গলার ফাঁস

উৎপাদন খরচের চেয়ে দাম কম
কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের হিসাবে, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে এক কেজি আলু উৎপাদনে খরচ হয় ৭ টাকা ৪০ পয়সা। বাজারে এখন আলুর দর এর চেয়ে কম। বগুড়ার পাইকারি বাজার মহাস্থানহাটে খোঁজ নিয়ে প্রথম আলোর প্রতিনিধি জানান, সেখানে গত রোববার প্রতি কেজি গ্রানুলা আলু সাড়ে ৫ টাকা, কার্ডিনাল ও স্ট্রিক জাতের আলু সাড়ে ৭ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। মহাস্থানগড় এলাকার চাষি নূর ইসলাম বলেন, এবার আলু চাষ করে লোকসান হয়েছে। খরচই উঠছে না। বাজারের অবস্থা খুব খারাপ। রাজধানীর কারওয়ান বাজারে বিক্রমপুর ভান্ডার নামের একটি আড়তে রোববার প্রতি কেজি আলু বিক্রি হয়েছে সর্বোচ্চ ১১ টাকা ও সর্বনিম্ন ৬ টাকায়। এই আলু উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে আনতে কেজিতে ৩ টাকার বেশি পরিবহন ও অন্যান্য খরচ হয়। আড়তের ব্যবস্থাপক মো. সবুজ বলেন, কৃষকের খেত থেকে গ্রানুলা জাতের আলু কেনা হয়েছে সোয়া ৫ টাকা দরে। আর ডায়মন্ড জাতের আলুর দর পড়েছে ৭ থেকে ৮ টাকা। ঢাকার খুচরা দোকানে আলু বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ১৫-২০ টাকায়। সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) হিসাবে, এক মাস আগের তুলনায় আলুর দর ২২ শতাংশ কম।
ঋণ পাচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা
প্রতিবছর মৌসুমের সময় যে আলু হয়, তার ৬০ শতাংশের মতো হিমাগারে রাখেন হিমাগার মালিক, ফড়িয়া ও কৃষকেরা। হিমাগার মালিকেরা তাঁদের হিমাগারে আলু রাখা নিশ্চিত করতে কৃষক ও ফড়িয়াদের ঋণ দেন। আবার নিজেরাও আলু কিনে রাখেন। এই অর্থ আসে ব্যাংক থেকে। উত্তরাঞ্চলে ৯টি হিমাগারের মালিক মোস্তফা আজাদ চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, গত মৌসুমে প্রতি বস্তা আলুর (৮৫ কেজি) খরচ পড়েছে ১ হাজার ৪০০ টাকা। শেষ দিকে তা ১৫০ টাকায়ও বিক্রি করতে হয়েছে। ওই ব্যবসায়ী আরও বলেন, ‘গত বছর ব্যাংকে আমার ঋণ ছিল ৬৫ কোটি টাকার মতো। আমি ২০ কোটি টাকা ফেরত দিতে পেরেছি। বেশির ভাগ হিমাগার মালিকই টাকা ফেরত দিতে পারেনি। এ জন্য এখন ব্যাংক তাদের ঋণ দিতে চাচ্ছে না।’
উপযোগী জাত চাষের পরামর্শ
বছর বছর ভালো দাম না পাওয়ার পরও কৃষকেরা কেন আলু আবাদ করেন, জানতে চাইলে মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বলেন, আলু একটু উঁচু জমিতে চাষ করা হয়। এ জমিতে কৃষকেরা বোরো ও আমন ধান আবাদ করেন। এক মৌসুমে আলু হয়। যে জমিতে আলু হয়, সেখানে ধান খুব ভালো হয়। তিনি বলেন, আলু না হলে এ জমিগুলো খালি থাকবে। হিমাগার মালিকেরা কৃষকদের রপ্তানি ও শিল্প খাতে ব্যবহার উপযোগী আলু চাষ করার পরামর্শ দেন। তাঁরা বলেন, এ ক্ষেত্রে সরকারেরও উদ্যোগ দরকার। দেশে যে আলু হয়, তাতে পানির পরিমাণ বেশি। এই আলু চিপস বা স্টার্চ তৈরির উপযোগী নয়। হিমাগার মালিকেরা ক্যারেজ, লেডি রোজ ইত্যাদি জাতের আলু চাষের ওপর জোর দেন।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পরিচালক পুরস্কৃত, ব্যাংকার জেলে, ব্যবসায়ী পলাতক by ফখরুল ইসলাম

পর্ষদ সদস্যরা পুরস্কৃত
আবদুল হাইকে চেয়ারম্যান করে ২০০৯ সালের ১০ সেপ্টেম্বর বেসিক ব্যাংকের যে নতুন পর্ষদ গঠন করে সরকার, সেই পর্ষদই ব্যাংকটির পতনের জন্য দায়ী বলে ধরা হয়। ওই দিন বেসিক ব্যাংকের পরিচালক নিয়োগ পান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দুই মহাপরিচালক (ডিজি) শুভাশীষ বসু ও নীলুফার আহমেদ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রাজিয়া বেগম, বিসিক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব বিজয় ভট্টাচার্য। এ ছাড়া বেসরকারি খাত থেকে পরিচালক হন চাঁদপুর চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি জাহাঙ্গীর আখন্দ সেলিম, সাবেক শুল্ক কমিশনার শাখাওয়াত হোসেন, কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান ও ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের তৎকালীন চেয়ারম্যান কাজী আখতার হোসেন এবং এআরএস ল্যুভ বাংলাদেশ নামক একটি প্রতিষ্ঠানের এমডি আনোয়ারুল ইসলাম। বেসিক ব্যাংক ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, শুভাশীষ বসু প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) থেকে পদোন্নতি পেয়ে হন রপ্তানি উন্নয়ন বোর্ডের (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান। কেলেঙ্কারির পুরো সময় তিনি ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান ও বেসিক ব্যাংকের পরিচালক ছিলেন। পদোন্নতি পেয়ে বর্তমানে তিনি বাণিজ্যসচিব। ব্যাংকটির পরিচালক হওয়ার বছরেই বিজয় ভট্টাচার্যকে সুইজারল্যান্ডের জেনেভা দূতাবাসে ইকোনমিক মিনিস্টার পদে সরকার নিয়োগ দেয়। জেনেভা থেকে দেশে ফিরলে পদোন্নতি পেয়ে তিনি অতিরিক্ত সচিব হন এবং বর্তমানে ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান। বিজয় ভট্টাচার্য জেনেভা যাওয়ার পর অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের যুগ্ম সচিব কামরুন্নাহার আহমেদ পরিচালক হন। কেলেঙ্কারির পুরো সময়টাতেই তিনি এ ব্যাংকের পরিচালক থাকেন। এই ফাঁকে পদোন্নতি পেয়ে তিনি একই বিভাগের অতিরিক্ত সচিব হন এবং বর্তমানেও এই পদে আছেন।
ব্যবসায়ীরা সব জামিনে
ফারসি ইন্টারন্যাশনালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ফয়জুন নবী চৌধুরী বেসিক ব্যাংকের গুলশান শাখা থেকে প্রায় ৫৫ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাৎ করেন। দুদকের দুটি মামলায় ২০১৬ সালের ২৮ মার্চ গ্রেপ্তার হন ফয়জুন নবী চৌধুরী এবং নিম্ন আদালত থেকে তিনি জামিনের আবেদন করলে ২৫ মে তা নামঞ্জুর হয়। এরপর হাইকোর্ট থেকে দুই মামলায় ছয় মাসের জামিন নিয়ে ৩০ মে কারাগার থেকে ছাড়া পান ফয়জুন নবী চৌধুরী। জামিন পেয়ে তিনি বিদেশে চলে গেছেন। এশিয়ান শিপিং বিডির স্বত্বাধিকারী মো. আকবর হোসেনও আছেন জামিনে। একই ঘটনা ঘটে সৈয়দ হাসিবুল গণি ওরফে গালিবের ক্ষেত্রে। এমারেল ড্রেস, এমারেল অটোব্রিকস, এমারেল কোল্ড স্টোরেজ এবং ভয়েস এন্টারপ্রাইজের নামে ঋণ নেন ১৩২ কোটি টাকা। চারটি আলাদা মামলার আসামি সৈয়দ হাসিবুল গণিও দুদকের হাতে গ্রেপ্তার হন ২০১৬ সালের ২৮ মার্চ। একই কায়দায় তিনিও হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়ে বিদেশে চলে যান। এ ছাড়া ৬৮ কোটি ৮১ লাখ টাকা আত্মসাতের জন্য ভাসাভি ফ্যাশনের ইয়াসির আহমেদ খান, ৫৫ কোটি টাকার জন্য তাহমিনা ডেনিম ও তাহমিনা নিটওয়্যারের এমডি কামাল জামাল মোল্লা, ৮৫ কোটি টাকার জন্য এ আর এস এস ইন্টারন্যাশনালের মো. সাবির হোসেন, ৩০ কোটি টাকার জন্য নাহার গার্ডেনের স্বত্বাধিকারী মো. সাইফুল ইসলাম হাইকোর্ট থেকে জামিনে আছেন। তবে তাঁরা দেশে না বিদেশে আছেন তা জানা যায়নি। রূপসা সার্ভেয়ার কোম্পানির প্রধান সার্ভেয়ার (জরিপকারী) শাহজাহান আলী দুদকের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন ২০১৬ সালের আগস্ট। হাইকোর্টের দেওয়া রায়ে তিনিও জামিনে আছেন। শাহজাহান আলীর মামলার শুনানির পর ২০১৭ সালের ২৬ জুলাই বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের যৌথ বেঞ্চ ব্যাংকের চেয়ারম্যান, এমডিসহ পর্ষদ সদস্যদের শুনানি নিয়ে ৬০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে বলেন। এরপরই বাধ্য হয়ে আবদুল হাইসহ পর্ষদ সদস্যদের শুনানি নিয়েছে দুদক। তবে বাণিজ্যসচিব শুভাশীষ বসু শুনানির সময় পরিবর্তনের আবেদন করে যাচ্ছেন। তিনি এখনো সময় দেননি বলে দুদক সূত্রে জানা গেছে।
জেল খাটছেন ব্যাংকাররা
ব্যাংকার ২৭ জনের মধ্যে আবদুল হাইয়ের সব অনিয়ম-দুর্নীতির প্রধান সহযোগী হিসেবে বিবেচিত ব্যাংকটির পলাতক এমডি কাজী ফখরুল ইসলাম। তাঁর আগের এমডি এ কে এম সাজেদুর রহমান ২০১০ সালের শেষ দিকে পদত্যাগ করলে ভারপ্রাপ্ত এমডি হন তৎকালীন উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) শেখ মঞ্জুর মোরশেদ। কাজী ফখরুল ইসলাম এরপরই এমডি হয়ে আসেন, যাঁকে ২০১৪ সালের মে মাসে বরখাস্ত করা হয়। আসামিদের মধ্যে এই তিনজনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যাংকাররা রয়েছেন। যাঁদের কেউ বরখাস্ত, কেউ চাকরিচ্যুত, কেউবা অপসারিত হয়েছেন। দুদক ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে ব্যাংকারদের মধ্যে গ্রেপ্তার করে দুই ডিএমডি মো. ফজলুস সোবহান ও মো. সেলিমকে। একই মাসে গ্রেপ্তার হন গুলশান শাখার প্রধান শিপার আহমেদ। মার্চে সহকারী ব্যবস্থাপক ইকরামুল বারী এবং এপ্রিলে গ্রেপ্তার হন মহাব্যবস্থাপক জয়নাল আবেদীন। দুই বছর পার হলেও তাঁদের কেউ জামিন পাননি। দুদকও চায় তাঁরা জেলে থাকুন। যেমন ডিএমডি মো. সেলিম জামিন পেলেও গত ৭ ডিসেম্বর তাঁর বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা দায়ের হয়েছে।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এখনো ভরসা বাঁশের সাঁকো

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রশ্নফাঁস: একটি জাতীয় শিল্পের আত্মপ্রকাশ by নিশাত সুলতানা

নিশাত সুলতানা: লেখক ও গবেষক।
purba_du@yahoo.com
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আসমার বিস্ময়কর সংগ্রাম by আফ্রাসিয়াব খটক

ইংরেজি থেকে অনূদিত
আফ্রাসিয়াব খটক: পাকিস্তানের সাবেক সিনেটর ও আঞ্চলিক বিষয়াদির বিশ্লেষক
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিমানবন্দরের বিঘ্নিত নিরাপত্তা

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খালেদা জিয়া কি প্রার্থী হতে পারবেন? by বদিউল আলম মজুমদার

বদিউল আলম মজুমদার: সম্পাদক, সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তারিক রামাদানের বিরুদ্ধে ফ্রান্সে মিথ্যা অভিযোগ, প্রহসনের বিচার

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হাসপাতালে অবহেলা: লজ্জায় ডাক্তারি ছাড়তে চান চিকিৎসক বাবা

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1398)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
February
(1210)
-
▼
Feb 20
(46)
- এভারেস্ট চূড়ায় পৌঁছার চেয়ে জীবনের চূড়ায় পৌঁছানো কঠ...
- খালিস্তান ইস্যু: ভারতে শীতল অভ্যর্থনা পেলেন জাস্টি...
- রোহিঙ্গা সঙ্কট শেষ হয়ে যায়নি, এখনও আসছে তারা by কে...
- বিএনপি কি নেতৃত্ব সংকট কাটাতে পারবে? by শ্রুতি এস....
- বঙ্গোপসাগরে সামরিক সম্পদের উপস্থিতির বিষয়ে ভারতীয় ...
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের শেয়ার কেনা নিয়ে ভারত-চীন কূট...
- বড় অঙ্কের চেক ফিরিয়ে দিচ্ছে ব্যাংক
- ব্রিটেনের রাস্তায় মুসলিম নারীরা অহরহ বর্ণবাদী আচরণ...
- পরলোকগত শিক্ষামন্ত্রীদের গোলটেবিল by সৈয়দ আবুল মকসুদ
- চীনের দুই প্রতিষ্ঠানকেই চায় ডিএসই
- মার্কিন–চীন বাণিজ্যযুদ্ধ
- আলু এখন গলার ফাঁস
- পরিচালক পুরস্কৃত, ব্যাংকার জেলে, ব্যবসায়ী পলাতক by...
- এখনো ভরসা বাঁশের সাঁকো
- প্রশ্নফাঁস: একটি জাতীয় শিল্পের আত্মপ্রকাশ by নিশাত...
- আসমার বিস্ময়কর সংগ্রাম by আফ্রাসিয়াব খটক
- বিমানবন্দরের বিঘ্নিত নিরাপত্তা
- খালেদা জিয়া কি প্রার্থী হতে পারবেন? by বদিউল আলম ম...
- তারিক রামাদানের বিরুদ্ধে ফ্রান্সে মিথ্যা অভিযোগ, প...
- হাসপাতালে অবহেলা: লজ্জায় ডাক্তারি ছাড়তে চান চিকিৎস...
- শিশুর ত্বকের সমস্যা
- ভারতীয় মিডিয়ার চোখে বাংলাদেশের রাজনীতি
- হিন্দি ফিল্ম বোঝেন, উর্দু শেরও তবে বাংলা বোঝেন না ...
- খৎনা করলে ৬ বছরের কারাদণ্ড!
- সিরিয়ায় তুরস্কের কুর্দিবিরোধী অভিযানের শেষ কোথায়
- বইমেলা ও বোধের জাগরণ by বিনয় দত্ত
- ভাষা আন্দোলনের পথপরিক্রমা by ড. মোহাম্মদ আবদুল মজিদ
- বিলুপ্ত প্রায় বাংলাদেশের কবিগান
- যুক্তরাজ্যের প্রত্যাহার
- উন্নয়ন ও হস্তির কর্ণকাহিনী
- বর্তমান অবস্থায় খালেদা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন ন...
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও বাংলা ভাষার বিশ্বায়ন প...
- মচমচে চিড়ার নাড়ু
- জিভে জল আনে মাংসের শুঁটকি
- চীনকে ঘিরে ফেলতে চার দেশের প্রস্তুতি!
- রোহিঙ্গাদের জমি দখল করে সামরিক ঘাঁটি
- ইসরাইলকে মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়ার হুমকি দিয়েছে ইরান
- কানাডার বিশ্বনন্দিত প্রধানমন্ত্রী ট্রুডো ভারতে এসে...
- ভারতকে কাঁপিয়ে দেয়া এই মোদি কে?
- রায়ের কপি মিলেছে, মিসঅ্যাপ্রোপ্রিয়েশন সব সময় প্রত্...
- ভারত-আমেরিকা সম্পর্ক by গৌতম দাস
- আইনের শাসন : সন্তুষ্টির অবকাশ কোথায়? by সালাহউদ্দি...
- খালেদা জিয়া ছাড়া নির্বাচন হবে না by আলফাজ আনাম ও ম...
- অস্ত্র বিক্রি নিয়ে অবস্থান বদলাচ্ছেন ট্রাম্প!
- এক ভাইয়ের শোকে মৃত্যু আরো দুই ভাইয়ের
- কোনো দল নির্বাচনে না এলে কিছু করার নেই -প্রধানমন্ত্রী
-
▼
Feb 20
(46)
-
▼
February
(1210)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...