Saturday, October 3, 2026
গাজায় ফের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন ইসরায়েলের, ৫ ফিলিস্তিনি নিহত
গাজা সিটির পশ্চিমাঞ্চলে একটি আবাসিক অ্যাপার্টমেন্টে ইসরায়েলি বিমান হামলায় চার নারী ও এক তরুণ নিহত হয়েছেন। নিহত নারীদের মধ্যে দুজন খ্রিস্টান ছিলেন বলে আল শিফা হাসপাতালের একটি চিকিৎসা সূত্র জানিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার ভোরে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান আসালা আবাসিক ভবনের একটি অ্যাপার্টমেন্ট লক্ষ্য করে অন্তত দুটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এতে ওই অ্যাপার্টমেন্টটি ধ্বংস হয়ে যায়। আশপাশের কয়েকটি বাড়িও ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলার পর সেখানে আগুনও ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় সূত্রগুলো আরও জানায়, গাজা সিটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলের তুফাহ এলাকার পূর্ব দিকে ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকা কয়েকটি স্থাপনা ও ভবন ধ্বংসে অভিযান চালানো হয়েছে।
দক্ষিণ গাজায় খান ইউনিস শহরের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চল এবং রাফাহর উত্তরাঞ্চলে ইসরায়েলি বাহিনী ব্যাপক গোলাবর্ষণ করেছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। এসব এলাকায় ভারী গুলিবর্ষণের ঘটনাও ঘটে।
এদিকে মধ্য গাজায় বুরেইজ শরণার্থীশিবিরের পূর্বাঞ্চলে ইসরায়েলি সামরিক যান থেকে ব্যাপক গুলিবর্ষণ করা হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
![]() |
| গাজায় হামলার পুরোনো ছবি: আল জাজিরা |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইয়েমেনের তাইজে তীব্র লড়াইয়ে ৮০ যোদ্ধা নিহত
উভয় পক্ষের সূত্র এএফপিকে এ তথ্য জানিয়েছে।
ইরান-সমর্থিত হুথিরা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এবং সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেন সরকারের বিরুদ্ধে আকস্মিক অভিযান শুরু করার পর থেকেই তাইজে তীব্র লড়াই চলছে।
ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধ শুরু হয়েছিল ২০১৪ সালে। ২০২২ সালে একটি যুদ্ধবিরতির পর সংঘাত অনেকটা থেমে ছিল। তবে মধ্যপ্রাচ্যে বৃহত্তর যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর জুলাইয়ে ইয়েমেনে আবারও সংঘাত তীব্র হয়ে ওঠে।
হুথিরা মূলত জায়দি শিয়া সম্প্রদায়ভিত্তিক একটি সংগঠন। দেশটির উত্তরাঞ্চল তাদের প্রধান ঘাঁটি। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে তারা ইয়েমেনের অধিকাংশ জনবহুল এলাকার নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে।
অন্যদিকে, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারকে ২০১৫ সাল থেকে সৌদি নেতৃত্বাধীন একটি জোট সামরিক সহায়তা দিয়ে আসছে। সরকার বর্তমানে দেশের দক্ষিণাঞ্চল, যার মধ্যে বন্দরনগরী এডেনও রয়েছে, নিয়ন্ত্রণ করে।
গত মাসে হুথিদের অভিযানের সময় তারা ইয়েমেনের অবশিষ্ট লোহিত সাগর উপকূলেরও নিয়ন্ত্রণ নেয়। এর মধ্যে বাব আল-মান্দাব প্রণালির আশপাশের এলাকাও রয়েছে। এই প্রণালী শুধু সৌদি আরবের জ্বালানি রপ্তানির জন্য নয়, বিশ্বব্যাপী নৌবাণিজ্যের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
শুক্রবার বিকেলে হুথিরা দাবি করে, গত ২৪ ঘণ্টায় তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় সৌদি বাহিনী ৯৪টি বিমান হামলা চালিয়েছে। তাদের দাবি অনুযায়ী, নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ার পর এ পর্যন্ত হামলার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩৫০টি।
এদিকে সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হুথিদের ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্রের মতো অস্ত্র সীমান্তবর্তী শহর নাজরানের একটি স্কুলে আঘাত হেনে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। শহরটি ইয়েমেন সীমান্ত থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার উত্তরে।
সৌদি বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে হামলার পরের কিছু ছবি প্রকাশ করেছে। সেখানে একটি গর্তসহ ক্ষয়ক্ষতির চিত্র দেখা যায় বলে সংস্থাটি জানিয়েছে। তবে এতে কেউ হতাহত হয়েছে কি না, সে বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।
হুথিদের সামরিক সূত্রের দাবি, গত ২৪ ঘণ্টায় তাইজ এলাকায় সরকারি বাহিনীর সঙ্গে লড়াইয়ে অন্তত ৫৫ জন সরকারবিরোধী যোদ্ধা নিহত হয়েছেন।
অন্যদিকে, ইয়েমেন সরকারের সূত্র এএফপিকে জানিয়েছে, তাদের পক্ষের ২৬ জন সেনা নিহত হয়েছেন।
তাইজের বিভিন্ন এলাকায় একাধিক ফ্রন্টে লড়াই চলছে। এর মধ্যে এমন কিছু উঁচু পাহাড়ি এলাকাও রয়েছে, যেখান থেকে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে হুথিদের দখলে যাওয়া উপকূলীয় অঞ্চল দেখা যায়।
হুথিরা বিশাল এলাকা দখল করলেও এখনো তাইজ শহরের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারেনি। সানা ও এডেনের পর তাইজ ইয়েমেনের তৃতীয় বৃহত্তম শহর।
সরকারি সূত্র এএফপিকে জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার হুথিরা সরকারি নিয়ন্ত্রিত এলাকা ও সরকারের প্রধান ঘাঁটি এডেনের সঙ্গে যোগাযোগকারী একটি সেতু ধ্বংস করেছে।
ইয়েমেনে জাতিসংঘের বিশেষ দূত হ্যান্স গ্রুন্ডবার্গ বৃহস্পতিবার তাইজ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, হুথিদের সামরিক অভিযান বেসামরিক জনগণের জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করছে।
তিনি বলেন, বেসামরিক মানুষ ও বেসামরিক স্থাপনাগুলোকে অবশ্যই সুরক্ষিত রাখতে হবে। মানুষের আরো ক্ষতি ঠেকাতে এবং প্রয়োজনীয় মানুষের কাছে নিরাপদ ও বাধাহীনভাবে সহায়তা পৌঁছানো নিশ্চিত করতে সব ধরনের চেষ্টা চালাতে হবে।
এদিকে শুক্রবার জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) ইয়েমেনে ভয়াবহ খাদ্য সংকটের বিষয়ে সতর্ক করেছে।
সংস্থাটি বলেছে, ইয়েমেনের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ মানুষ তাদের ন্যূনতম খাদ্য চাহিদা পূরণ করতে পারছে না।
ইয়েমেনে গত দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে কোনো জনশুমারি হয়নি। তবে জাতিসংঘের হিসাবে দেশটির জনসংখ্যা প্রায় ৪ কোটি ২০ লাখ।
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফ্লাইদুবাইয়ে হামলাকারী পাইলটের পরিচয় প্রকাশ
গত বছর ওমানের জাতীয় বিমান সংস্থা ওমান এয়ারের চাকরি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তার উগ্রবাদী মতাদর্শ নিয়ে উদ্বেগের কারণে তাকে ফ্লাইট প্রশিক্ষণ থেকেও প্রত্যাহার করা হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্ট দুটি সূত্র সিএনএনকে জানিয়েছে।
সূত্রগুলো জানায়, পরে তাকে ওমান এয়ারে অন্য একটি দায়িত্ব দেওয়া হয়। আল-হাম্মামি এর আগে রয়্যাল এয়ার মারোকেও কাজ করেছেন এবং প্রায় আট মাস আগে ফ্লাইদুবাইয়ে যোগ দেন।
সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, হামাম আল-হামামির লিংডইন অ্যাকাউন্টে দেখা গেছে, তিনি ওমান এয়ারে সাত বছর কাজ করেছেন। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ওমান এয়ার ছাড়ার পর ওই বছরের জুনে মরক্কোর রয়্যাল এয়ার মারোকে যোগ দেন তিনি। ওই প্রতিষ্ঠান থেকে ২০২৬ সালের জুনে চাকরি ছেড়ে দেন।
তবে তার লিংডইনে ফ্লাইদুবাইয়ের কথা উল্লেখ নেই। এ অ্যাকাউন্টটি হামামির বলে নিশ্চিত করেছে একটি সূত্র। যদিও অ্যাকাউন্টটি এখন ডিলিট করে দেওয়া হয়েছে। কেন এটি ডিলিট করা হলো এ ব্যাপারে জানতে লিংকডিনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল সিএনএন।
আল-হাম্মামি যুক্তরাজ্যের বাকিংহামশায়ার নিউ ইউনিভার্সিটি থেকে ২০২৩ সালে এভিয়েশন ম্যানেজমেন্টে ডিগ্রি সম্পন্ন করেন বলে বিশ্ববিদ্যালয়টির একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।
ঘটনার তদন্ত চলায় ফ্লাইদুবাই এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। ওমান এয়ার, রয়্যাল এয়ার মারোক ও দুবাই সরকারের কাছেও মন্তব্য চেয়েছে সিএনএন।
সূত্র: সিএনএন
![]() |
| ‘নিকাব পরার শর্তে রাজি হয়নি কেউ, পাইলট শুনে সব পাত্রীই রাজি’ >> দুবাই থেকে ইসরাইলের তেলআবিবগামী ফ্লাইটের পাইলটকে ছুরিকাঘাত করা সহকারী পাইলটেরে পরিচয় প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন। ওমানের নাগরিক ওই পাইলটের নাম হামাম আল-হাম্মামি। সিএনএনের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আল-হাম্মামি খুব ধার্মিক ছিলেন। সামাজিকমাধ্যমের পোস্টে গভীর ধর্মীয় বিশ্বাস এবং নারীদের প্রতি বৈষম্যমূলক মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে। হামাম আল-হামানির লিংডইন অ্যাকাউন্টে দেখা গেছে, তিনি ওমান এয়ারে সাত বছর কাজ করেছেন। তবে তার লিংডইনের অ্যাকাউন্টটি এখন ডিলিট করে দেওয়া হয়েছে। কেন এটি ডিলিট করা হলো এ ব্যাপারে জানতে লিংকডিনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল সিএনএন। পোস্টগুলোতে আল-হাম্মামি উল্লেখ করেন, তার জন্য উপযুক্ত পাত্রী খুঁজতে গিয়ে তার মা নানা ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হয়েছিলেন। তার শর্ত ছিল—পাত্রীকে নিকাব পরতে হবে এবং বিয়ের পর চাকরি করা যাবে না। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারির একটি পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, ‘তারা সবাই প্রত্যাখ্যান করেছিল। এরপর আমার মা তাদের বললেন, আমার ছেলে একজন পাইলট। তখন হঠাৎ করেই সবাই রাজি হয়ে গেল।’ ২০২২ সালের জানুয়ারির আরেকটি পোস্টে তিনি নারী-পুরুষের একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে সমালোচনা করেন। তার দাবি ছিল, এ ধরনের কর্মপরিবেশ নারীদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তিনি লিখেছিলেন, ‘মিশ্র কর্মপরিবেশে কত সম্মানিত ও ধর্মপ্রাণ মেয়ে নষ্ট হয়ে গেছে এবং প্রভাবিত হয়েছে?’ ২০২১ ও ২০২২ সালে প্রকাশিত প্রায় ৩ হাজার মুছে ফেলা টুইট বিশ্লেষণ করা হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক একটি সেমান্টিক সার্চ মডেল ব্যবহার করে পোস্টগুলো বিশ্লেষণ ও শ্রেণিবদ্ধ করা হয়। সূত্র: সিএনএন |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘রাজনৈতিক স্বার্থে ফ্লাইদুবাইয়ের ঘটনায় ইরানকে যুক্ত করছেন নেতানিয়াহু’
শনিবার দুবাইয়ে আটকে পড়া ইসরাইলি যাত্রীদের একটি ‘আর্কিয়া’ উড়োজাহাজে করে ইসরাইলে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। এদিকে আরও একটি ‘ইসরায়ার’ উড়োজাহাজ পাঠানোর কথা রয়েছে। তবে ফ্লাইদুবাই জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইসরাইলের সঙ্গে তাদের সব ফ্লাইট স্থগিত থাকবে।
ওয়াইনেটের প্রতিবেদনে বলা হয়, যাত্রীদের সঙ্গে তাদের লাগেজ পরিবহনের জন্যও একটি কার্গো বিমান পাঠানোর দাবি ছিল আমিরাতের অন্যতম শর্ত।
আমিরাত সরকারের ঘনিষ্ঠ ওই সূত্র বলেন, ইসরাইল ‘উদ্ধারকারী ফ্লাইট’ নিয়ে এমনভাবে কথা বলছে, যেন দেশেতে যুদ্ধ চলছে। অথচ কোনো যুদ্ধ নেই।
ওই সূত্র আরও দাবি করেন, আমিরাতের কর্মকর্তাদের মধ্যে এমন ধারণা তৈরি হয়েছে যে, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আসন্ন নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক স্বার্থে বুধবারের ঘটনাটিকে ইরানের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করছেন।
তিনি বলেন, ‘আমিরাতে এমন অনুভূতি রয়েছে যে, পুরো বিষয়টি দীর্ঘায়িত করা হচ্ছে, কারণ এতে ইসরাইলের রাজনৈতিকভাবে লাভ হচ্ছে।’
ইসরাইলের আচরণের তুলনা করে তিনি বলেন, ‘এটা এমন একজন অগ্নিসংযোগকারীর মতো, যে আগুন লাগিয়ে আবার আগুন নেভাতে ছুটে আসে।’
নেতানিয়াহু এর আগে দাবি করেছিলেন, ‘১১ সেপ্টেম্বরের মতো মাত্রার একটি বিপর্যয়’ ঠেকানো হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, হামলাকারী ‘ইসলামপন্থি উগ্রবাদে প্রভাবিত হয়েছিল এবং যাত্রীসহ উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত করার উদ্দেশ্যে সেটিকে ক্র্যাশ করাতে চেয়েছিল।’
আমিরাতের ওই সূত্র বলেন, ‘ফ্লাইট বন্ধ করে রেখেছে ইসরাইলই। যাত্রীরা যদি আর্কিয়ার ফ্লাইটে উঠতে পারেন, তাহলে ফ্লাইদুবাইতে কেন পারবেন না?’
ইসরাইলের পক্ষ থেকে ‘উদ্ধারকারী ফ্লাইট’ শব্দটি ব্যবহারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, এর ফলে এমন ধারণা তৈরি হচ্ছে যে, সংযুক্ত আরব আমিরাত কোনো যুদ্ধ বা জরুরি পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে।
তিনি প্রশ্ন করেন, ‘কিসের কাছ থেকে উদ্ধার? কার কাছ থেকে? কোথা থেকে?’
সূত্রটির দাবি, রোববার থেকে ইতিহাদ আবুধাবিতে আটটি ফ্লাইট পরিচালনা করছে এবং এসব ফ্লাইটে আরও কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তার মতে, একই ধরনের নিরাপত্তাব্যবস্থা ফ্লাইদুবাইয়ের ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করা যেতে পারে।
তিনি জানান, সন্দেহভাজন ওমানি সহপাইলট বুধবারের ফ্লাইটটি বিধ্বস্ত করার চেষ্টা করেছিলেন কি না, তা নিয়ে আমিরাতি কর্তৃপক্ষ নিজস্ব তদন্ত চালাচ্ছে। বিমানকর্মীদের নিরাপত্তা যাচাইয়ের প্রক্রিয়া আরও কঠোর করতেও তারা প্রস্তুত বলে জানান তিনি।
ওই সূত্র স্বীকার করেন, স্পষ্টতই একটি ব্যর্থতা ঘটেছে। তবে একই সঙ্গে তার অভিযোগ, আমিরাতের সহযোগিতা সত্ত্বেও ইসরাইল সরকার সংকটকে অযথা দীর্ঘায়িত করছে।
তিনি বলেন, ‘ইসরাইলের আচরণে আমরা দিশাহারা হয়ে যাচ্ছি। ইসরাইলি সরকার কী করছে, তা তারা বুঝতে পারছে বলে মনে হচ্ছে না।’
সূত্র: মিডল ইস্ট আই
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘গাজার দুই সপ্তাহ বয়সী শিশুকেও হত্যা করা উচিত’
বুধবার এক সাক্ষাৎকারে ল্যাপিড বলেন, সম্প্রতি তিনি তরুণ-তরুণীদের একটি দলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সেখানে তিনি তাদের বলতে শোনেন, ‘তাদের সবাইকে হত্যা করতে হবে’ এবং ‘কোনো নিরপরাধ মানুষ নেই’—এমন বক্তব্য।
ল্যাপিড বলেন, তিনি তাদের প্রশ্ন করেছিলেন, ‘শিশুদের কী হবে?’ জবাবে তারা বলেছিল, ‘শিশুদেরও, কারণ শেষ পর্যন্ত তারা বড় হয়ে সন্ত্রাসী হবে।’ লাপিদের ভাষ্য অনুযায়ী, এমনকি দুই সপ্তাহ বয়সী শিশুর ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য বলে তারা জানিয়েছিল।
লাপিদ বলেন, ‘তাহলে তো হামাসই জিতল। কারণ এগুলো হামাসেরই মানদণ্ড। তারা এটাই চেয়েছিল—যেন আমরাও তাদের মতো হয়ে যাই।’
তিনি বলেন, যেসব ইসরাইলি মন্ত্রী ও কর্মকর্তা শিশুদের অনাহারে রাখার আহ্বান জানিয়েছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সরকারের ব্যর্থতা অভ্যন্তরীণ ক্ষতি ডেকে এনেছে। এর ফলে হামাস থেকে নিজেদের আলাদা করার মতো কোনো নৈতিক বা মূল্যবোধ-ভিত্তিক মানদণ্ড নির্ধারণে আমরা ব্যর্থ হচ্ছি।
২০২২ সালের শেষের দিকে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু পুনরায় ক্ষমতায় আসার আগে পাঁচ মাস প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন লাপিদ। তিনি বলেন, গত তিন বছরে সরকারের কর্মকাণ্ডের কারণে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরাইলের অবস্থান উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল হয়েছে।
তবে ফিলিস্তিনিদের বিষয়ে তরুণ ইসরাইলিদের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়েও তিনি সমানভাবে উদ্বিগ্ন বলে জানান। গাজায় তিন বছর ধরে চলা ‘গণহত্যার’ পর তরুণরা ফিলিস্তিনিদের কীভাবে দেখছে, তা নিয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
লাপিদ বলেন, গাজায় ইসরাইল একটি ‘ন্যায্য’ যুদ্ধ পরিচালনা করছে। একই সঙ্গে ইসরাইলের বিরুদ্ধে গাজায় গণহত্যা চালানোর যে অভিযোগ আনা হচ্ছে, তা তিনি ‘অর্থহীন’ বলে অভিহিত করেন। তবে তার ভাষায়, ‘প্রাপ্তবয়স্কদের যুদ্ধে শিশুদের মারা যাওয়া উচিত নয়—কোনো অবস্থাতেই নয়।’
ল্যাপিডের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন বিভিন্ন গবেষণা ও জনমত জরিপে ইসরায়েলের তরুণদের মধ্যে তাদের বাবা-মায়ের প্রজন্মের তুলনায় বেশি ডানপন্থি মনোভাবের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। গত মাসের বিভিন্ন ঘটনাও এই প্রবণতার একটি চিত্র তুলে ধরেছে।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সাম্প্রতিক এক জরিপে ১৮ থেকে ২২ বছর বয়সী ইহুদি ইসরাইলিদের ৭৪ শতাংশ নিজেদের ডানপন্থি অথবা মধ্য-ডানপন্থি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই

About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লোহিত সাগর উপকূলে হুতিদের সঙ্গে ইয়েমেনি বাহিনীর লড়াই, নিহত ৮০
তাইজ প্রদেশের লোহিত সাগর উপকূলীয় এলাকায় কয়েক সপ্তাহ ধরে সংঘর্ষ চলছে। কয়েক সপ্তাহ আগে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেন সরকারের বিরুদ্ধে আকস্মিক অভিযান শুরু করে হুতিরা।
এরই মধ্যে লোহিত সাগরের পুরো ইয়েমেনি উপকূলের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে হুতিরা। এর মধ্যে বাব আল-মান্দেব প্রণালির আশপাশের এলাকাও রয়েছে। লোহিত সাগরের দক্ষিণ প্রবেশপথ এই প্রণালিটি সৌদি আরবের জ্বালানি রপ্তানির পাশাপাশি বৈশ্বিক নৌবাণিজ্যের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ পথ।
হুতিদের সামরিক সূত্র জানিয়েছে, তাইজ এলাকায় সরকারি বাহিনীর সঙ্গে লড়াইয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ৫৫ জন সরকারবিরোধী যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে সরকারি বাহিনীর সূত্র এএফপিকে জানিয়েছে, তাদের পক্ষের ২৬ সেনা নিহত হয়েছেন।
তাইজের আশপাশে একাধিক ফ্রন্টে লড়াই চলছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে হুতিদের দখলে যাওয়া উপকূলীয় এলাকার ওপর নজর রাখা পার্বত্য এলাকাগুলোতেও সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়েছে।
তবে ইয়েমেনের তৃতীয় বৃহত্তম শহর তাইজের নিয়ন্ত্রণ এখনো নিতে পারেনি হুতিরা। রাজধানী সানা ও এডেনের পর তাইজ দেশটির তৃতীয় বৃহত্তম শহর।
ইয়েমেনে জাতিসংঘের বিশেষ দূত হ্যান্স গ্রুন্ডবার্গ বৃহস্পতিবার তাইজের পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, হুতিদের সামরিক অভিযান বেসামরিক জনগণের জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করছে।
সূত্র : সিবিএস নিউজ
![]() |
| হুতি যোদ্ধারা ইয়েমেনের সৌদি-সমর্থিত বাহিনীর উপর হামলা চালাচ্ছে। ছবি: রয়টার্স |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্ল্যাক ফ্রাইডে কী, দিনটি কেন এত জনপ্রিয় by কাজী আকাশ
ব্ল্যাক ফ্রাইডে কী
সহজ কথায়, ব্ল্যাক ফ্রাইডে হলো যুক্তরাষ্ট্রের থ্যাঙ্কসগিভিং ডের ঠিক পরের শুক্রবার। যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিবছর নভেম্বর মাসের চতুর্থ বৃহস্পতিবার থ্যাঙ্কসগিভিং ডে পালিত হয়। এর পরের দিন, অর্থাৎ শুক্রবার থেকেই অলিখিতভাবে শুরু হয় বড়দিনের কেনাকাটা।
প্রতিবছর তারিখটি বদলে গেলেও সাধারণত ২৩ থেকে ২৯ নভেম্বরের মধ্যে পড়ে দিনটি। যেমন চলতি বছর ব্ল্যাক ফ্রাইডে ছিল ২৮ নভেম্বর। তবে এখনো রয়ে গেছে এর আবেশ। চলছে পুরোদমে কেনাকাটা।
১৯৫২ সাল থেকেই দিনটিকে ক্রিসমাস শপিং সিজন বা বড়দিনের কেনাকাটার মৌসুমের শুরু হিসেবে ধরা হয়। ব্যবসায়ীরা এদিন বিশাল সব ছাড় দেন। প্রথমে এটি শুধু যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপার থাকলেও এখন ইউরোপ, এশিয়া, এমনকি আমাদের বাংলাদেশেও এর হাওয়া এসে লেগেছে।
কেন দিনটির নাম ব্ল্যাক ফ্রাইডে
ব্ল্যাক ফ্রাইডে নামটা শুনলেই মনে হয় কোনো শোকের দিন বা ভয়াবহ দুর্ঘটনার স্মৃতি। আদতে ইতিহাসের পাতায় এই নামের জন্ম হয়েছিল নেতিবাচক অর্থেই। ইন্টারনেটে অনেক ভুল তথ্য বা মিথ ঘুরে বেড়ায়। চলুন, আগে সেসব ঝেড়ে ফেলি, তারপর সত্যটা জানি।
অনেকে বলেন, অতীতে এই দিনে দাস কেনাবেচা হতো বলে এর নাম ব্ল্যাক ফ্রাইডে। তথ্যটি সম্পূর্ণ ভুল এবং এর কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই।
আবার কেউ বলেন, ১৮৬৯ সালের শেয়ারবাজার ধসের কারণে এই নাম এসেছে। হ্যাঁ, ১৮৬৯ সালে স্বর্ণের বাজার ধসে পড়ার দিনটিকে ব্ল্যাক ফ্রাইডে বলা হয়েছিল, কিন্তু আজকের কেনাকাটার ব্ল্যাক ফ্রাইডের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই।
তাহলে আসল ইতিহাস কী? আধুনিক ‘ব্ল্যাক ফ্রাইডে’ শব্দটির জন্ম ১৯৫০-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়া শহরে। তখন থ্যাঙ্কসগিভিংয়ের পরের শনিবার ফিলাডেলফিয়ায় ঐতিহ্যবাহী ‘আর্মি বনাম নেভি’ ফুটবল খেলা হতো। এই খেলা দেখার জন্য এবং বড়দিনের কেনাকাটার জন্য শুক্রবার থেকেই শহরের রাস্তায় নামত মানুষের ঢল।
প্রচণ্ড যানজট, মানুষের ভিড়, চোর ও পকেটমারদের দৌরাত্ম্য সামলাতে ফিলাডেলফিয়ার পুলিশদের ঘাম ছুটে যেত। তারা এই দিন কোনো ছুটি পেত না, উল্টো ডাবল শিফটে কাজ করতে হতো। বিরক্ত হয়ে পুলিশরা এই বিশৃঙ্খল দিনের নাম দিয়েছিলেন ব্ল্যাক ফ্রাইডে। তাদের কাছে দিনটি ছিল এক বিভীষিকা।
শহরের ব্যবসায়ীরা দেখলেন, ব্ল্যাক বা কালো শব্দটি নেতিবাচক শোনায়। মানুষ ভাববে দিনটি অশুভ। তাই ১৯৬০-এর দশকে তাঁরা নাম পাল্টে ‘বিগ ফ্রাইডে’ করার চেষ্টা করলেন, কিন্তু লাভ হলো না। মানুষের মুখে মুখে পুলিশের দেওয়া সেই ব্ল্যাক ফ্রাইডে নামটাই টিকে গেল।
১৯৮০-এর দশকে ব্যবসায়ীরা বুদ্ধি করে এই নেতিবাচক নামটির একটি ইতিবাচক ব্যাখ্যা দাঁড় করালেন। হিসাববিজ্ঞানের খাতায় যখন কোনো ব্যবসায় লোকসান হয়, তখন তা লাল কালিতে লেখা হয়। আর যখন লাভ হয়, তখন তা লেখা হয় কালো কালিতে; মানে সাধারণ কালিতে।
ব্যবসায়ীরা প্রচার করলেন, সারা বছর খুচরা বিক্রেতারা লোকসানে থাকেন। কিন্তু থ্যাঙ্কসগিভিংয়ের পরের এই শুক্রবার এত বেশি বিক্রি হয় যে তাদের খাতা লস থেকে লাভে ফিরে আসে। ব্যস! এভাবেই ব্ল্যাক ফ্রাইডে হয়ে গেল মুনাফা আর উৎসবের প্রতীক।
ডোরবাস্টার ডিল এবং মানুষের পাগলামি
২০০০ সালের পর থেকে ব্ল্যাক ফ্রাইডে এক নতুন রূপ নিল। খুচরা পণ্য বিক্রেতারা শুরু করলেন ‘ডোরবাস্টার ডিল’। মানে দোকান খোলার সঙ্গে সঙ্গে খুব অল্প সময়ের জন্য নির্দিষ্ট কিছু পণ্যে অবিশ্বাস্য ছাড় দেওয়া হয়। ধরুন, ১ হাজার ডলারের টিভি মাত্র ২০০ ডলারে! কিন্তু শর্ত হলো, এই টিভি দোকানে আছে মাত্র ৫টি।
এই পাঁচটি টিভির জন্য দোকানের বাইরে হাজার মানুষ সারি বেঁধে মুখিয়ে থাকে। দোকান খুললেই শুরু হয় হুড়াহুড়ি। যুক্তরাষ্ট্রে ব্ল্যাক ফ্রাইডের ভিড়ে পদপিষ্ট হয়ে মানুষের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। একে বলা হয় ‘ব্ল্যাক ফ্রাইডে ম্যাডনেস’। মানুষ ভুলে যায় যে তারা মানুষ; একটা সস্তা টিভির জন্য তারা রীতিমতো যুদ্ধ শুরু করে দেয়।
ব্ল্যাক ফ্রাইডে থেকে সাইবার মানডে
ইন্টারনেট আসার পর ব্ল্যাক ফ্রাইডের রূপ বদলে গেছে। এখন আর মানুষকে হাড়কাঁপানো শীতে সারি বেঁধে দাঁড়াতে হয় না। তবে অনেকে অ্যাডভেঞ্চারের নেশায় এখনো দাঁড়ান। তবে এখন বেশির ভাগ মানুষই অনলাইনে কেনাকাটা করতে পছন্দ করেন।
ফলে জন্ম হয়েছে ‘সাইবার মানডে’। ব্ল্যাক ফ্রাইডের ঠিক পরের সোমবার অনলাইনে প্রযুক্তিপণ্য বা গ্যাজেটের ওপর বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়। পরিসংখ্যান বলছে, ২০১৯ সালেই সাইবার মানডের বিক্রি ব্ল্যাক ফ্রাইডের মোট বিক্রিকে ছাড়িয়ে গিয়েছিল।
সে বছর সাইবার মানডেতে যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রি হয়েছিল ৯ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার, যেখানে ব্ল্যাক ফ্রাইডেতে বিক্রিবাট্টা ছিল ৭ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার। এখন তো আর এক দিনের উৎসব নেই, পুরো সপ্তাহজুড়ে চলে ‘ব্ল্যাক উইক’। অনেক জায়গায় নভেম্বর মাসজুড়েই চলে ‘ব্ল্যাক নভেম্বর’।
বাংলাদেশে ব্ল্যাক ফ্রাইডে
আমাদের দেশে থ্যাঙ্কসগিভিং নেই, কিন্তু ডিসকাউন্টের প্রতি মানুষের ভালোবাসা আছে ষোলো আনা। বাংলাদেশে যেহেতু শুক্রবার ছুটির দিন এবং মুসলিমপ্রধান দেশ, তাই অনেক ব্র্যান্ড সরাসরি ‘ব্ল্যাক’ শব্দটি ব্যবহার করতে চায় না। তারা এর নাম দিয়েছে ফাটাফাটি ফ্রাইডে, হ্যাপি ফ্রাইডে বা বিগ ফ্রাইডে। নাম যা-ই হোক, উদ্দেশ্য একটাই—ছাড় দিয়ে ক্রেতা আকর্ষণ।
কেনাকাটার কৌশল এবং ফাঁদ
ব্ল্যাক ফ্রাইডে মানেই যে সব সময় লাভ, তা কিন্তু নয়। এর পেছনে রয়েছে চতুর বিপণন কৌশল। সমালোচকেরা বলেন, এটি মূলত মানুষকে আবেগপ্রবণ করে অপ্রয়োজনীয় কেনাকাটায় বাধ্য করার একটি ফাঁদ। অনেক সময় বিক্রেতারা ছাড়ের আগে পণ্যের দাম বাড়িয়ে রাখেন, যাতে পরে ডিসকাউন্ট দিলে মনে হয় অনেক সস্তায় কেনা যাচ্ছে। একে বলা হয় ‘মার্কেটিং ম্যানিপুলেশন’।
কখনো ভেবেছেন, যে জিনিসটা আপনার আসলে দরকার নেই, সেটাই কেন ডিসকাউন্টে দেখলে কিনতে ইচ্ছে করে? এর পেছনে কাজ করে ‘ফোমো’ বা ফিয়ার অব মিসিং আউট। সহজ ভাষায়, কিছু মিস করার ভয়।
ব্যবসায়ীরা এমনভাবে অফার দেন, যেন মনে হয় এখন না কিনলে জীবনে আর কখনো এই সুযোগ পাবেন না। আবার যখন দেখেন, একটি পণ্য মাত্র ২ পিস বাকি এবং ৫০ শতাংশ ছাড়ে পাওয়া যাচ্ছে, তখন আপনার মস্তিষ্কে ডোপামিন হরমোন বেড়ে যায়।
যুক্তি কাজ করা বন্ধ করে দেয়। তখন আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করে আবেগ। আপনি ভাবেন, আপনি জিতে গেছেন। আদতে কিন্তু জিতেছেন ওই বিক্রেতা বা ব্যবসায়ীরাই। তাই অভিজ্ঞরা পরামর্শ দেন, হুজুগে না মেতে বুঝেশুনে কেনাকাটা করতে।
বুদ্ধিমান ক্রেতা হবেন যেভাবে
ব্ল্যাক ফ্রাইডেতে কেনাকাটা করা খারাপ কিছু নয়। তবে আপনাকে জানতে হবে, কীভাবে কেনাকাটা করতে হয়। ফাঁদে না পড়ে সত্যিকারের লাভবান হতে চাইলে নিচের কৌশলগুলো আপনার জন্য।
১. আবেগে নয়, প্রয়োজনে কিনুন
ডিসকাউন্ট দেখেই ঝাঁপিয়ে পড়বেন না। নিজেকে প্রশ্ন করুন, ‘এই জিনিসটা কি আমার আগামী ছয় মাসের মধ্যে দরকার হবে?’ যদি উত্তর ‘না’ হয়, তবে ৯০ শতাংশ ছাড়ে দিলেও সেটা কিনবেন না। মনে রাখবেন, ১০০ টাকার অপ্রয়োজনীয় জিনিস ১০ টাকায় কেনা মানে ৯০ টাকা সাশ্রয় নয়, বরং ১০ টাকা অপচয়।
২. দামের ইতিহাস যাচাই করুন
অনেক অসাধু ব্যবসায়ী ব্ল্যাক ফ্রাইডের এক সপ্তাহ আগে পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেন। তারপর ব্ল্যাক ফ্রাইডেতে সেই বর্ধিত দামের ওপর ডিসকাউন্ট দিয়ে আগের দামে বিক্রি করেন। অনলাইনে কেনাকাটা করলে ‘প্রাইস হিস্ট্রি’ চেক করার টুলস ব্যবহার করুন। দেখুন, আসলেই দাম কমেছে কি না।
৩. তালিকা তৈরি করুন
দোকানে বা ওয়েবসাইটে ঢোকার আগেই ঠিক করে নিন, কী কী কিনবেন। সঙ্গে প্রতিজ্ঞা করুন, এই তালিকার বাইরে এক টাকার জিনিসও কিনবেন না। তালিকা ছাড়া শপিংয়ে যাওয়া আর মানচিত্র বা কম্পাস ছাড়া সমুদ্রে নামা একই কথা; হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কাই বেশি।
৪. বাজেট ঠিক করুন
ক্রেডিট কার্ড ঘষে কেনাকাটা করা খুব সহজ, কিন্তু মাস শেষে বিল দেওয়া কষ্টের। আগেই ঠিক করুন, সর্বোচ্চ কত টাকা খরচ করবেন। সেই টাকার বেশি এক পয়সাও নয়।
৫. রিটার্ন পলিসি দেখে নিন
হুজুগে কিনে ফেলার পর যদি দেখেন, জিনিসটা ভালো লাগছে না বা কাজ করছে না, তখন কী করবেন? তাই কেনার আগেই দেখে নিন, সেটা ফেরত দেওয়ার বা বদলানোর সুযোগ আছে কি না।
মুদ্রার উল্টো পিঠ
চাকচিক্যময় এই উৎসবের একটি অন্ধকার দিকও আছে। অতিরিক্ত ভোগবাদিতা বা ওভারকনজাম্পশন পরিবেশের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। ব্ল্যাক ফ্রাইডেতে পণ্যের উৎপাদন ও পরিবহন বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রচুর কার্বন নিঃসরণ হয়।
যুক্তরাষ্ট্রে এ সময়ে বর্জ্যের পরিমাণ প্রায় ২৫ শতাংশ বেড়ে যায়। অনেকেই কেবল অল্প টাকায় পণ্য পাওয়ার লোভে এমন জিনিস কেনেন, যা তাঁদের আসলে দরকারই নেই।
শ্রমিকদের ওপরও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।
দোকানের কর্মীদের দীর্ঘক্ষণ কাজ করতে হয়, অনেক সময় বিশ্রামের সুযোগও পাওয়া যায় না। যাঁরা গুদামে কাজ করেন, তাঁদের ওপরও এ সময়ে অমানবিক কাজের চাপ থাকে।
এই নেতিবাচক প্রভাবের কথা চিন্তা করে কিছু ব্র্যান্ড এখন সচেতনতা তৈরির চেষ্টা করছে। যেমন কিছু স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ড ব্ল্যাক ফ্রাইডের দিন তাদের ওয়েবসাইট ও দোকান বন্ধ রাখে। আবার পাতাগনিয়ার মতো ব্র্যান্ড মানুষকে নতুন জিনিস না কিনে পুরোনো জিনিস মেরামত করতে উৎসাহিত করে।
তবে হ্যাঁ, ব্ল্যাক ফ্রাইডে আধুনিক অর্থনীতির এক বিশাল চাকা। এটি একই সঙ্গে উৎসব ও বোকামির এক অদ্ভুত সংমিশ্রণ। এই দিনে কেউ বুদ্ধি করে সারা বছরের প্রয়োজনীয় ইলেকট্রনিকস বা শীতের পোশাক কিনে অনেক টাকা বাঁচান, আবার কেউ অপ্রয়োজনীয় জিনিসের স্তূপ জমিয়ে ঘরের জায়গা নষ্ট করেন।
দিন শেষে সিদ্ধান্ত আপনার। আপনি কি বিজ্ঞাপনের রঙে বিভ্রান্ত হয়ে ভোগান্তির শিকার হবেন, নাকি ঠান্ডা মাথায় নিজের কষ্টার্জিত অর্থের সঠিক ব্যবহার করবেন?
ফিলাডেলফিয়ার পুলিশদের কাছে যা ছিল মাথাব্যথা, আজ তা উৎসব। এই উৎসবের রং যেন আপনার ব্যাংক ব্যালেন্সের লাল বাতি জ্বালিয়ে না দেয়, সেদিকে খেয়াল রাখবেন!
সূত্র: হিস্ট্রি ডটকম, হোস্টিংগার ডটকম, এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা ও এআইএন ডটইউএ
![]() |
| সহজ কথায়, ব্ল্যাক ফ্রাইডে হলো যুক্তরাষ্ট্রের থ্যাঙ্কসগিভিং ডের ঠিক পরের শুক্রবার। ছবি: পেক্সেলস |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইনজেকশনে ক্রিস্টার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর কেন ব্যর্থ হলো, কী ঘটেছে?
বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় পাইকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার কথা ছিল। শেষ মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টও তা কার্যকরের অনুমতি দেয়।
কারাগার কর্তৃপক্ষ পাইককে দুই ডোজ পেন্টোবারবিটাল ইনজেকশন দেয়। তবে তার হৃদস্পন্দন বন্ধ হয়নি। বৃহস্পতিবার রাতে তিনি অচেতন ছিলেন এবং ভেন্টিলেটরের সাহায্যে শ্বাস নিচ্ছিলেন।
পাইকের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, তার শরীরে ইনজেকশনের জন্য শিরায় সংযোগ স্থাপনের চেষ্টা করতে অন্তত সাতটি সূঁচ ব্যবহার করা হয়। তাদের দাবি, ইনজেকশন দেওয়ার সময় পাইক কাঁদছিলেন, কাতর শব্দ করছিলেন এবং জোরে শ্বাস নিচ্ছিলেন।
আইনজীবীদের অভিযোগ, ইনজেকশনের জন্য স্থাপন করা শিরার সংযোগ ঠিকভাবে কাজ করছে কি না, তা মৃত্যুদণ্ড কার্যকরকারী দলের কেউ বুঝতে পারেননি। তাদের দাবি, শিরা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ওষুধের একটি অংশ রক্তনালির পরিবর্তে শরীরের টিস্যুর মধ্যে ঢুকে থাকতে পারে।
পাইকের আইনজীবীরা আগে থেকেই এ ধরনের সমস্যার আশঙ্কা করেছিলেন। জানুয়ারিতে তারা টেনেসের প্রাণঘাতী ইনজেকশন পদ্ধতির বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন। সেখানে বলা হয়েছিল, পাইকের থ্রম্বোসাইটোসিস নামের রক্ত জমাট বাঁধার একটি সমস্যা রয়েছে এবং তার শিরা ছোট হওয়ায় সূঁচ প্রবেশ করানো কঠিন।
মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময় পাইকের ডান হাত বেগুনি হয়ে যেতে এবং ইনজেকশন দেওয়ার জায়গায় জ্বালাপোড়া হতে দেখেছেন বলে জানিয়েছেন তার এক আইনজীবী।
পেন্টোবারবিটাল ওষুধটি পুরোনো বা কার্যকারিতা হারিয়েছিল কি না, সেই প্রশ্নও তুলেছেন পাইকের আইনজীবীরা। তবে টেনেসি কারেকশন বিভাগ জানিয়েছে, প্রাণঘাতী ইনজেকশনে ব্যবহৃত রাসায়নিকটি নিয়মিতভাবে কার্যকর হয়েছে।
কেন পাইক বেঁচে গেলেন?
পাইকের চিকিৎসক দলের পরামর্শক অ্যানেসথেসিওলজিস্ট জোয়েল জিভট বলেছেন, দুই ডোজ পেন্টোবারবিটাল স্বাভাবিকভাবে রক্তপ্রবাহে প্রবেশ করলে তার মৃত্যু হওয়ার কথা ছিল।
তার মতে, ওষুধটি সম্ভবত পর্যাপ্ত মাত্রায় রক্তে পৌঁছায়নি। পাইকের হাতে তৈরি হওয়া ফোসকা দেখে তিনি ধারণা করছেন, শিরা ফেটে গিয়ে ওষুধ শরীরের ত্বকের নিচের টিস্যুতে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
পাইকের থ্রম্বোসাইটোসিসও এতে ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ইনজেকশনের জায়গায় রক্ত জমাট বেঁধে গেলে ওষুধ রক্তনালিতে প্রবেশে বাধা পেতে পারে।
ওষুধটির কার্যকারিতা কমে যাওয়ার সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এমন হলে উৎপাদন বা সংরক্ষণে সমস্যার কারণে তা হতে পারে বলে জিভট জানিয়েছেন।
এরপর কী হবে?
মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পর পাইককে অন্য একটি চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা তার জীবন বাঁচানোর চেষ্টা করছেন এবং শরীর থেকে পেন্টোবারবিটাল বের করে দেওয়ার চেষ্টা করছেন বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা।
জিভট আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, চিকিৎসা শুরু হতে দেরি হওয়ায় পাইকের মস্তিষ্কে ক্ষতি হয়ে থাকতে পারে।
পাইকের আইনজীবীরা এখন তার মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে দেওয়ার আবেদন করছেন। তবে এরপর কী হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট অতীতে ব্যর্থ মৃত্যুদণ্ডের পর দ্বিতীয়বার তা কার্যকরের অনুমতি দিয়েছে। ২০২৪ সালে আলাবামায় কেনেথ ইউজিন স্মিথের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রথম চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পরও দ্বিতীয়বার তা কার্যকরের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।
পেন্টোবারবিটাল কী?
পেন্টোবারবিটাল একটি শক্তিশালী ঘুমের ওষুধ। এটি শরীর ও স্নায়ুতন্ত্রের কার্যক্রম ধীর করে দেয়। চিকিৎসায় নির্দিষ্ট কিছু রোগের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা হয়। উচ্চমাত্রায় এটি প্রাণঘাতী ইনজেকশন হিসেবেও ব্যবহার করা যেতে পারে।
মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে এই ওষুধের ব্যবহার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক রয়েছে। গত বছর মার্কিন ফেডারেল সরকারের একটি পর্যালোচনায় এটি ব্যবহারে অপ্রয়োজনীয় ব্যথা ও কষ্টের ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।
টেনেসিতে এর আগে কী হয়েছিল?
২০২৬ সালে টেনেসিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ক্ষেত্রে এটিই প্রথম জটিলতা নয়। মে মাসে টনি ক্যারুথার্সের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত করা হয়। তার শরীরে প্রাণঘাতী ইনজেকশন দেওয়ার জন্য শিরা খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে গভর্নর তাকে এক বছরের জন্য মৃত্যুদণ্ড থেকে অব্যাহতি দেন।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে এর আগেও মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময় জটিলতা দেখা গেছে। ২০২২ সালে দেশজুড়ে কার্যকর করা মৃত্যুদণ্ডের এক-তৃতীয়াংশের বেশি ব্যর্থ বা গুরুতর সমস্যায় পড়েছিল বলে ডেথ পেনাল্টি ইনফরমেশন সেন্টারের তথ্য উদ্ধৃত করেছে বিবিসি।
ক্রিস্টা পাইকের মামলা
বর্তমানে ৫০ বছর বয়সী ক্রিস্টা পাইককে ১৯৯৬ সালে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এর এক বছর আগে ১৯ বছর বয়সী কোলিন স্লেমারকে হত্যার দায়ে তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল।
এক কিশোর সংশোধন কেন্দ্রে স্লেমারকে হত্যা করা হয়। পাইকের তৎকালীন প্রেমিক টাডারিল শিপও এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, স্লেমার পাইককে অপমান করেছিলেন এবং শিপকে তার কাছ থেকে দূরে সরানোর চেষ্টা করেছিলেন।
হত্যাকাণ্ডের পর ওই কেন্দ্রের আরও দুই বাসিন্দা সাক্ষ্য দেন যে পাইক হত্যার কথা তাদের কাছে বলেছিলেন এবং স্লেমারের মাথার খুলির একটি অংশ তাদের দেখিয়েছিলেন।
শিপকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। হত্যার সময় তার বয়স ১৮ বছরের কম থাকায় তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়নি।
![]() |
| টেনেসি ডিপার্টমেন্ট অব কারেকশনের দেওয়া ছবিতে ক্রিস্টা পাইক। ছবিটি ১২ জানুয়ারি ২০২৩ সালের। |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শিশু যৌন নির্যাতন নিয়ে যা জানা জরুরি by আলিয়া রিফাত
শিশু যৌন নির্যাতন কী
শিশুর সঙ্গে যেকোনো ধরনের যৌন কার্যকলাপই শিশু যৌন নির্যাতনের মধ্যে পড়ে। শিশুরা কোনো ধরনের যৌন কার্যকলাপে সম্মতি দিতে পারে না। একটা শিশুর সঙ্গে এ ধরনের কার্যকলাপে লিপ্ত থাকা এমন এক অপরাধ, যা বছরের পর বছর ভুক্তভোগী শিশুর ওপর স্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে। একজন অপরাধী যে শুধু সামনাসামনি দেখা বা স্পর্শ করার মাধ্যমেই শিশুদের যৌন নিপীড়ন করে তা নয়, এই অপরাধ বিভিন্নভাবেই সংঘটিত হতে পারে। যেমন—
* শিশুর সামনে নগ্ন হওয়া কিংবা শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ অশ্লীলভাবে প্রদর্শন।
* যৌন কামনা নিয়ে স্পর্শ করা।
* সহবাস।
* একজন নাবালকের উপস্থিতিতে হস্তমৈথুন কিংবা এই কাজ শিশুকে দিয়েই করানো কিংবা নাবালককে হস্তমৈথুন করতে বাধ্য করা।
* অশ্লীল কথোপকথন, ফোন কল, খুদে বার্তা বা ডিজিটাল মাধ্যমে যেকোনো ধরনের যোগাযোগ।
* শিশুদের অশ্লীল ছবি বা ভিডিও তৈরি, মালিকানা বা শেয়ার করা।
* যোনি, মুখ বা পায়ুপথ কিংবা অন্য যেকোনো মাধ্যমে একজন নাবালকের সঙ্গে যৌনাচারে লিপ্ত হওয়া।
* শিশুদের যৌন পেশায় নিয়োজিত করার উদ্দেশ্যে পাচার করা।
* একজন নাবালকের সঙ্গে যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ যেকোনো যোগাযোগ।
শিশু যৌন নির্যাতনকারীদের স্বরূপ
বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই অপরাধী এমন কেউ হয়ে থাকে, যাকে শিশু বা তার পরিবার চেনে। ১৮ বছরের কম বয়সী ৯৩ শতাংশ ভুক্তভোগী নির্যাতনকারীকে আগে থেকেই চেনে। অনেক ক্ষেত্রে অপরাধীরা নিজেরাও অপ্রাপ্তবয়স্ক হয়। ভুক্তভোগীদের অপরাধীদের সঙ্গে যেকোনো ধরনের সম্পর্ক থাকতে পারে। অপরাধী হতে পারে একজন বড় ভাই/বোন বা খেলার সাথি, পরিবারের সদস্য, একজন শিক্ষক, একজন কোচ বা প্রশিক্ষক, একজন তত্ত্বাবধায়ক অথবা ভুক্তভোগী শিশুর বন্ধুর মা–বাবা।
সিক্স ইন ওয়ান নামের এক ওয়েবসাইটের গবেষণা থেকে জানা যায়, শিশু যৌন নির্যাতন হলো শিশুর দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে তার প্রতি করা নিষ্ঠুর আচরণের ফল, যা নির্যাতনকারী ব্যক্তির সেক্সুয়াল ওরিয়েন্টেশনের সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।
নির্যাতনকারীরা বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করে যৌন নির্যাতন সম্পর্কে চুপ থাকার জন্য ভুক্তভোগীদের বাধ্য করতে পারে। নির্যাতনকারীরা প্রায়ই শিশুদের ভয় দেখানোর জন্য তাদের ক্ষমতার অপব্যবহারও করে। শিশুটিকে নির্যাতনকারী বলতে পারে যে সে যা করেছে, তা খুবই স্বাভাবিক এবং কাজটি করে সে খুব আনন্দ পেয়েছে। শিশু তার কথামতো কাজ করতে অস্বীকৃতি জানালে বা অভিভাবকদের কাউকে বলার পরিকল্পনা করলে নির্যাতনকারী তাকে হুমকি দিতে পারে। শিশু যৌন নির্যাতনের মাধ্যমে শুধু শারীরিকভাবেই একজন শিশুর ক্ষতি করা হয় না; এর মাধ্যমে তার বিশ্বাস চিরতরে ভঙ্গ করা হয়, তার প্রতি করা হয় কর্তৃত্বেরও অপব্যবহার।
যৌন নির্যাতনের শিকার হওয়ার লক্ষণ কী কী
শিশু যৌন নির্যাতনের ঘটনাগুলো সব সময় সহজেই ধরা পড়ে না এবং কিছু ভুক্তভোগীর মধ্যে স্পষ্ট কোনো লক্ষণ না–ও থাকতে পারে। অপরাধী এমন কেউ হতে পারে, যাকে আপনি দীর্ঘদিন ধরে চেনেন বা বিশ্বাস করেন; যে কারণে অনেক সময় অনেক লক্ষণ চোখে পড়লেও আপনি এড়িয়ে যেতে পারেন। তাই কিছু সাধারণ লক্ষণ সব সময় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করতে হবে—
শারীরিক লক্ষণ
- যৌনাঙ্গ বা পায়ুপথে রক্তপাত, ক্ষত অথবা ফুলে যাওয়া।
- যোনিপথে অস্বাভাবিক এবং দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব।
- রক্তাক্ত, ছিঁড়ে যাওয়া অথবা দাগযুক্ত অন্তর্বাস বা পোশাক।
- হাঁটতে বা বসতে অসুবিধা।
- ঘন ঘন প্রস্রাবে ইনফেকশন।
- পেটব্যথা এবং প্রায়ই পাতলা পায়খানা হওয়া।
- বয়স পার হয়ে যাওয়ার পরও হঠাৎ করে বিছানায় প্রস্রাব-পায়খানা করতে শুরু করা।
- যৌনাঙ্গে ব্যথা, চুলকানি অথবা জ্বালাপোড়া।
- শরীরে আঁচড় বা কামড়ের দাগ।
- অনিদ্রা, দুঃস্বপ্ন দেখে হঠাৎ জেগে ওঠা।
- ক্ষুধামান্দ্য, ইটিং ডিজঅর্ডার, ঢোঁক গিলতে কষ্ট হওয়া এবং ওজন কমে যাওয়া।
আচরণগত লক্ষণ
- স্বাস্থ্যবিধিতে পরিবর্তন, যেমন গোসল করতে না চাওয়া কিংবা বারবার গোসল করা।
- ভীতসন্ত্রস্ত আচরণ।
- বিষণ্নতা বা পোস্টট্রমাটিক স্ট্রেস ডিজঅর্ডারের (পিটিএসডি) বিভিন্ন লক্ষণ।
- উদ্বিগ্নতা, পড়াশোনাসহ বিভিন্ন জরুরি বিষয় ভুলে যাওয়া, আবেগহীনতা।
- মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়া।
- মাদকাসক্তি।
- আত্মহত্যার প্রবণতা (বিশেষ করে কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে)।
- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনুপস্থিতি বা পরীক্ষার ফল নিম্নগামী হওয়া।
- বয়সের অনুপযুক্ত যৌন আচরণ বা যৌনতা–সম্পর্কিত জ্ঞান। যেমন যেখানে–সেখানে কাপড়চোপড় খুলে ফেলা, শারীরিক সম্পর্কের সঙ্গে জড়িত আচরণগুলো নকল করে অন্যদের দেখানো কিংবা খেলাচ্ছলে নিজে নিজেই করতে থাকা।
- ভাইবোনদের জন্য খুব বেশি উদ্বিগ্ন থাকা।
- নিজের বয়সের তুলনায় ছোটদের মতো আচরণ করতে শুরু করা। যেমন পড়াশোনা শুরু করা একটা শিশু হঠাৎ করে আঙুল চুষতে শুরু করতে পারে, যা হয়তো সে অনেক আগেই করা ছেড়ে দিয়েছিল।
- বাড়ি বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পালিয়ে যাওয়া।
- নিজের ক্ষতি করা। যেমন ব্লেড দিয়ে হাত-পা কেটে ফেলা, কাপড়চোপড় বা ঘরের জিনিসপত্রে আগুন ধরিয়ে দেওয়া ইত্যাদি।
- শারীরিক সংস্পর্শে ভীতি অনুভব করা। যেমন মা-বাবা আদর করে জড়িয়ে ধরতে চাইলে বা পিঠে একটু হাত বুলিয়ে দিতে চাইলেও ভয়ে দূরে সরে যাওয়া।
- অন্তর্বাস, প্যাড ইত্যাদি সবার এমনকি মায়ের কাছ থেকেও লুকাতে ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়া।
- কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে ভয় পাওয়া এবং তার কাছে যেতে না চাওয়া। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, শিশুরা শুধু যে নির্যাতনকারী, শুধু তার কাছেই নয়, তার মতো চেহারার বা শারীরিক গড়নের অন্য ব্যক্তিদের কাছে যেতেও ভয় পায়।
সাহায্যের জন্য কোথায় যেতে হবে
জরুরি অবস্থায় সাহায্যের জন্য ৯৯৯–এ ফোন করতে হবে। ৯৯৯–এর পরামর্শকদের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা ও আইনি বিচারের জন্য পরবর্তী সব ব্যবস্থা নিতে হবে।
গুরুতর অবস্থায় শিশুকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে সুচিকিৎসা দিতে হবে। লোকলজ্জা এবং শিশুর ভবিষ্যতের ভয়ে চিকিৎসকদের কাছে কিছু গোপন করবেন না। কারণ, তারা যদি বুঝতেই না পারেন যে আপনার শিশুর সঙ্গে কী ঘটেছে, তাহলে তাঁরা যথাযথ চিকিৎসার ব্যবস্থা সহজে করতে পারবেন না। এতে শিশুর প্রাণহানির আশঙ্কাও থাকে।
সূত্র: রেইন ডটঅর্গ, চাইল্ড সার্ভিস প্রটেক্টিভ ম্যানুয়াল, কুইন্সল্যান্ড গবর্নমেন্ট
| শিশুর সঙ্গে যেকোনো ধরনের যৌন কার্যকলাপই শিশু যৌন নির্যাতনের মধ্যে পড়ে। ছবি: ফ্রিপিক |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
BNM Special
BNM Archive
BNM Archive
-
▼
2026
(2339)
-
▼
October
(267)
-
▼
Oct 03
(9)
- গাজায় ফের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন ইসরায়েলের, ৫ ফিলিস্তিনি...
- ইয়েমেনের তাইজে তীব্র লড়াইয়ে ৮০ যোদ্ধা নিহত
- ফ্লাইদুবাইয়ে হামলাকারী পাইলটের পরিচয় প্রকাশ
- ‘রাজনৈতিক স্বার্থে ফ্লাইদুবাইয়ের ঘটনায় ইরানকে যুক্...
- ‘গাজার দুই সপ্তাহ বয়সী শিশুকেও হত্যা করা উচিত’
- লোহিত সাগর উপকূলে হুতিদের সঙ্গে ইয়েমেনি বাহিনীর লড়...
- ব্ল্যাক ফ্রাইডে কী, দিনটি কেন এত জনপ্রিয় by কাজী আকাশ
- ইনজেকশনে ক্রিস্টার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর কেন ব্যর্থ হ...
- শিশু যৌন নির্যাতন নিয়ে যা জানা জরুরি by আলিয়া রিফাত
-
▼
Oct 03
(9)
-
▼
October
(267)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (129)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...






