Saturday, June 2, 2012
অভিমত ভিন্নমত
অভিমত ভিন্নমত
বেপরোয়া ছাত্রলীগকে কে সামলাবে? বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে ছাত্রলীগ একের পর এক ন্যক্কারজনক ঘটনার জন্ম দিয়ে সংবাদ শিরোনাম হয়েছে। ছাত্র-অধিকার রক্ষা বা সমাজের সামগ্রিক কল্যাণের কোনো কাজ এই দেড় বছরে ছাত্রলীগ করেছে বলে শোনা যায়নি।
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সামনে কোনো স্বপ্ন তৈরি তো দূরের কথা, শিক্ষাক্ষেত্রে আতঙ্ক সৃষ্টিই যেন তাদের একমাত্র কাজ। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, অন্তর্দ্বন্দ্বজনিত সহিংসতা ও রাহাজানির মতো ঘটনা তারা অন্তহীনভাবে ঘটিয়ে চলেছে। তাদের অরাজকতার কারণে বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অস্থিতিশীল হয়েছে, অগুনতি শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে। অভিভাবকেরা উদ্বিগ্ন। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই বেপরোয়া ছাত্রলীগকে কে সামলাবে?
ছাত্রলীগের বেপরোয়া আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাংগঠনিক নেত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। তিনি বারবার তাদের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তা ছাড়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সম্প্রতি ছাত্রলীগের কৃতকর্মের দায়ভার আওয়ামী লীগ নেবে না বলেও ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, আওয়ামী লীগের সঙ্গে ছাত্রলীগের কোনো সম্পর্ক নেই। কিন্তু তাঁদের কথা ছাত্রলীগ শুনছে বলে মনে হয় না। তাদের লাগামহীন তাণ্ডব চলছে তো চলছেই।
ছাত্রসংগঠনগুলো এখন কার কাছে জবাবদিহি করে? ছাত্র সংসদ নির্বাচন বন্ধ করে দিয়ে শিক্ষাঙ্গনে যে অগণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে, তার ফলে তো আর এসব সংগঠনকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছে যেতে হয় না। সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর এসব সংগঠনের কর্তৃত্ব এখন শতভাগ প্রতিষ্ঠিত, শিক্ষার্থীরা একেবারে জিম্মি হয়ে পড়েছে। এসব সংগঠনের শক্তি আর সাধারণ শিক্ষার্থীরা নয়, শিক্ষার্থীদের বাইরের কোন শক্তি। আর এর উৎস যে কোথায়, তা বুঝতে কোনো অসুবিধা হয় না, যখন আমরা দেখি সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষাঙ্গনে দখলদারের চেহারা বদলে যায়। আওয়ামী লীগ যতই বলুক না কেন যে ছাত্রলীগের সঙ্গে আওয়ামী লীগের কোনো সম্পর্ক নেই, জনগণ তো জানে যে যখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকে, তখন শিক্ষাঙ্গনগুলোতে ছাত্রলীগের দখলদারি কায়েম হয়, আর যখন বিএনপি বা জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় থাকে, তখন ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের কর্তৃত্ব দেখা যায়। শিক্ষাঙ্গনে দখলদারির এই বদলে যাওয়া থেকে জনগণের বুঝতে কষ্ট হয় না যে কোন দলের সঙ্গে কোন ছাত্রসংগঠনের সম্পর্ক। এ কারণেই ছাত্রলীগের বেপরোয়াপনাতে আওয়ামী লীগের সায় আছে বলেই জনগণ বিশ্বাস করে।
ছাত্রলীগের এই অরাজকতার ব্যাপারে সরকারকে নির্মোহ অবস্থান নিতে হবে। সম্পর্ক না থাকার দোহাই দিয়ে ক্ষমতাসীন দল তাদের দায় এড়াতে পারে না। ছাত্রসংগঠনগুলোর জবাবদিহির ব্যবস্থা করা এবং শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস দমনে সদিচ্ছা দেখাতে হবে রাজনৈতিক দলগুলোকেই।
ইউসুফ হাসান
মালিবাগ, ঢাকা।
২
বর্তমানে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্ররাজনীতির নামে যে নৈরাজ্যকর অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে, তা আর যা-ই হোক ছাত্ররাজনীতি নয়। ছাত্ররাজনীতির যে উদ্দেশ্য তা পূরণে সম্পূর্ণ ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে ছাত্র রাজনৈতিক সংগঠনগুলো। ভবিষ্যতের নেতৃত্ব তৈরি তো দূরের কথা, ছাত্রজীবনে রাজনীতিচর্চার মাধ্যমে নিজেকে যোগ্য করে তোলার কোনো সুযোগ আর এসব সংগঠনে নেই। তারা এখন ব্যস্ত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, টেন্ডারবাজি, হল দখল প্রভৃতি অনৈতিক কাজে। আর তাঁরা ছাত্রদের কোনো উপকারে আসেন না, শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে কোনো ভূমিকা রাখছেন না আর দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরিতে তাঁরা না আসাই বরং মঙ্গলজনক। কর্তৃত্ববাদী ছাত্ররাজনীতি যেখানে সমাজের জন্য কোনো ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারছে না, সেখানে এই রাজনীতি না থাকাই যুক্তসংগত।
ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করার কথা বললেই অনেকে অতীতের সমৃদ্ধ ও ঐতিহ্যপূর্ণ ছাত্ররাজনীতির প্রসঙ্গ তোলেন। তাঁদের বক্তব্য হচ্ছে, যেহেতু জাতির বিভিন্ন সংকটময় মুহূর্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে, সুতরাং ছাত্ররাজনীতির প্রয়োজন আছে। কিন্তু বর্তমান ছাত্ররাজনীতি হচ্ছে নেতিবাচক রাজনীতির প্রতিচ্ছবি, যার কোনো আবেদন নেই সমাজে। এখনই যদি এই ছাত্ররাজনীতি বন্ধ কিংবা নিয়ন্ত্রণ করা না যায়, তবে জাতিকে চরম মূল্য দিতে হবে। এবং এর দায়ভার নিতে হবে রাজনৈতিক দলগুলোকে। এসব দলের নেতা-কর্মীদের প্রতি অনুরোধ, বর্তমান ছাত্ররাজনীতির বিষয়ে এখনই কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুন।
পৃথিবীর যেসব দেশে আমাদের মতো ছাত্ররাজনীতি নেই, সেখানে তো যোগ্য নেতৃত্বের অভাব নেই। তাদের দেশে যোগ্য নেতৃত্ব বিকশিত হয় বিভিন্ন সুষ্ঠু সাংগঠনিক কার্যক্রমের মাধ্যমে। আমাদের দেশেও প্রচলিত ধারার ছাত্ররাজনীতি বন্ধ করে সুষ্ঠু সাংগঠনিক চর্চার মাধ্যমে ছাত্রদের মধ্যে নেতৃত্বের বিকাশ ঘটানো সম্ভব। শিক্ষা ও অধিকার নিয়ে যাঁরা কাজ করেন, তাঁদের এ বিষয়ে গভীরভাবে ভাবা প্রয়োজন।
এম সিজার মোনায়েমুল ইসলাম
শিক্ষার্থী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
নেই কাজ তো...
রমনা উদ্যানের মূল রাস্তাটি আরও চওড়া করা হচ্ছে। ব্যাপক আয়োজন—ইটের খোয়া, বালু, রোলার এবং কর্মব্যস্ত কর্মীরা। আমাদের সামান্য জ্ঞানে আমরা জানি, উদ্যানের রাস্তা বেশি বড় করতে নেই, তাতে উদ্যানের উদ্ভিদসজ্জার ছন্দপতন ঘটে। কিন্তু এতে উদ্যান কর্তৃপক্ষের দারুণ উৎসাহ লক্ষ করেছি। কয়েক বছর পর পরই তারা কাজটি করে। শহরের রাস্তায় যানজট প্রচুর, উদ্যানে জনজট নেই। তাহলে রাস্তা চওড়া করার প্রয়োজনটা কী?
উদ্যানটি যেহেতু গণপূর্ত বিভাগের অধীন এবং উদ্যানের বেশির ভাগ কর্মকর্তাই প্রকৌশলী। ফলে কাঠামো নির্মাণে তাঁদের অধিক আগ্রহ স্বাভাবিক। হ্রদের ওপর প্রকাণ্ড এক পুল বানানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। সেটা কেন জানি মুলতবি হয়ে আছে। সকালে বেড়াতে গেলে কংক্রিট পিলারের বড় স্তূপটিকে অযত্নে পড়ে থাকতে দেখি। কখনো চোখে পড়ে, ঘাস তুলে আবার একই ঘাস লাগানো হচ্ছে। অথচ গোটা উদ্যান ঘাসে ভরে না উঠলে সেই ঘাস আর কাটা হয় না। পশুপালনের সঙ্গে উদ্যানের কোনো যোগাযোগ আছে কি? থাকলে ভালো। এখন টেকসই উন্নয়নের যুগ।
কিছুদিন আগে একটি টিভি চ্যানেলে একজন রবীন্দ্রসংগীতশিল্পীকে উদ্যানে হেঁটে হেঁটে গান গাইতে দেখি। আশ্চর্য হয়ে ভাবি, এমন উদ্যান বাংলাদেশে কোথায় আছে! রাস্তার পাশে পিলারের মতো দাঁড়ানো সাইপ্রেস ঝাউ, অনেকগুলো কেয়ারি, তাতে একেক রঙের গোলাপ, বিস্তৃত সবুজ লন, সঙ্গে গাছগাছালির আরও কত সজ্জা—চোখ জুড়ানো, মন ভোলানো। গানও ফুরোল, ভুলও ভাঙল। এটি লন্ডনের রিজেন্টস উদ্যান। মুগ্ধতার অবকাশ নেই। আমাদের উদ্যানটি বড়ই অগোছাল। এতে কোনো ছন্দ নেই, এমন একটা জায়গাও নেই, যেখানে দাঁড়িয়ে অনেকক্ষণ তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছে হয়। গণপূর্ত বিভাগ কেন এদিকে নজর দেয় না, জানি না। তাদের স্থপতিরা তো চমৎকার দালানকোঠা বানান। তাঁদের কেউ কি রিজেন্টস উদ্যানের মতো আমাদের রমনা উদ্যানকে সাজাতে পারেন না?
হাসান জুবায়ের, পুরানা পল্টন লাইন, ঢাকা।
‘অতিরিক্ত জনসংখ্যা কি বোঝা নয়?’
গত ১৯ জুন প্রথম আলোয় ‘অতিরিক্ত জনসংখ্যা কি বোঝা নয়?’ শীর্ষক নিবন্ধে শিশির মোড়ল যথার্থই বলেছেন, নিছক অনুমানের ওপর ভিত্তি করে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের মতো অত্যাবশ্যকীয় সমস্যাটি পাশ কাটানো হবে অবিবেচনাপ্রসূত, অদূরদর্শী ও আত্মঘাতী।
আমরা জানি, বর্তমানে পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি গ্রহণকারীর হার ৫৫ দশমিক ৮ ভাগ এবং মোট প্রজনন হার ২ দশমিক ৭। আমাদের প্রত্যাশা ছিল, ২০১০ সালের মধ্যে প্রজনন হার ২ দশমিক ২-এ নামিয়ে আনা। আমরা সফল হলে ২০৬০ সালে এ দেশের জনসংখ্যা একটা স্থিতিশীল পর্যায়ে পৌঁছে ২১ কোটিতে গিয়ে দাঁড়াত। কিন্তু সে লক্ষ্যমাত্রা আমরা অর্জন করতে পারিনি। নতুন করে ২০১৫ সালের মধ্যে মোট প্রজনন হার ২ দশমিক ২-এ নামিয়ে আনার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। আমরা যদি এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারি, তাহলেও জনসংখ্যা স্থিতিশীল পর্যায়ে পৌঁছাবে ২০৮১ সালে এবং তখন এ দেশের জনসংখ্যা হবে ২৫ কোটি। প্রধানমন্ত্রী কি কখনো ভেবে দেখেছেন, এ বিশাল জনগোষ্ঠীর তখন কী হবে? ন্যূনতম মৌলিক চাহিদা পূরণ করার কোনো ধরনের প্রস্তুতি কি আমাদের আছে? নেই। তাই এ দেশের জনসংখ্যাকে ২৫ কোটি নয়, আরও কমে স্থিতিশীল করা প্রয়োজন। আর সে জন্য প্রয়োজন পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি গ্রহণকারীর হার বাড়ানো।
আমরাও চাই, এ দেশের প্রত্যেকেই হোক একেকজন দক্ষ জনশক্তি। জনসংখ্যা কম থাকুক বা বেশি, তারা যদি দক্ষ না হয়, তাহলে তা অবশ্যই আমাদের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়াবে। তাই দক্ষ জনশক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ বা পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমকে গুরুত্ব দিতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী এ দেশের মানুষকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরিত করে বিভিন্ন দেশে রপ্তানির যে পরিকল্পনার কথা বলেছেন, তার সঙ্গে আমরা দ্বিমত পোষণ করতে চাই না। আমরাও সেটা চাই। এ জন্য প্রয়োজন সমন্বিতভাবে একটা মানবসম্পদ উন্নয়ন নীতিমালা প্রণয়ন। আমরা জানি, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি যুগোপযোগীকরণের একটা প্রকল্প হাতে নিয়েছে। আমরা চাই, এ নীতিটা যেন পরিবার পরিকল্পনা নীতি না হয়ে যথাযথভাবে একটা জনসংখ্যা নীতি হয়। এ নীতিতে যেন পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম বা জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন কৌশলের পাশাপাশি মানব সম্পদ উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং দেশের আর্থসামাজিক ও পরিবেশগত পরিস্থিতির যথাযথ প্রতিফলন ঘটে।
পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর বেশ কয়েক বছর ধরে পরিবার পরিকল্পনার স্থায়ী ও দীর্ঘমেয়াদি পদ্ধতির ব্যবহার জোরদারকরণসহ বেশ কিছু বাস্তবমুখী কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। এ জন্য একটা বিশেষ কৌশলপত্র প্রণয়ন করে সে আলোকে কার্যক্রম গ্রহণ করার সুফল আমরা ইতিমধ্যেই পেতে শুরু করেছি। এগুলো অব্যাহত রাখলে নিশ্চিতভাবেই এ দেশের জনসংখ্যাকে একটা সহনীয় পর্যায়ে সীমিত রাখা সম্ভব হবে এবং প্রধানমন্ত্রীর দক্ষ জনশক্তি গড়তেও তা সহায়ক হবে। আর তা করতে ব্যর্থ হলে মারাত্মক বিপর্যয় দেখা দেবে। আর এজন্য আমাদের সবাইকে ভবিষ্যতের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।
মোহাম্মদ আজমল হোসেন ও আবু জামিল ফয়সাল ধানমন্ডি, ঢাকা।
গঙ্গানন্দপুরের পুরাকীর্তি
কালের সাক্ষী হয়ে বাংলাদেশের আনাচ-কানাচে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে পূর্বসূরিদের হাতে গড়া স্থাপত্যগুলো, যা পুরাকীর্তি হিসেবে পরিচিত। ধর্মের মাপকাঠিতে এগুলোর গুরুত্ব পরিমাপ করা সম্ভব নয়। তবে বিভিন্ন যুগের মানুষের জীবনযাপন সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা লাভ করা যায়। ইতিহাস নিরূপণের উপাত্ত হিসেবেও সেগুলোর ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম।
অনেক পুরাকীর্তি এখনো দেখা যায় যশোর জেলার ঝিকরগাছা থানাধীন গঙ্গানন্দপুর গ্রামে। মোগল আমলে এই যশোরের শাসনকর্তা ছিলেন বারো ভূঁইয়াদের অন্যতম জমিদার রাজা প্রতাপাদিত্য। শ্যামরায় বিগ্রহে রাজা প্রতাপাদিত্যের পতন ঘটে। এরপর রাজা কমল নারায়ণের আগমন ঘটে। পরে তাঁর ছেলে রাজা কংস নারায়ণ বোধখানার নিকটবর্তী ঝুমঝুম গ্রামে বসতি স্থাপন করেন। তিনি ওই গ্রামের নাম রাখেন গঙ্গানন্দপুর এবং সেখানে বহু মন্দির স্থাপন করেন। তার মধ্যে সিদ্ধেশ্বরী দেবীর মন্দির প্রধান। এ ছাড়া সুকেশী, শিব, লক্ষ্মী, নারায়ণ, কালী প্রভৃতি দেবতার মন্দিরও এখানে রয়েছে। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে গঙ্গানন্দপুর শিবমন্দির। এটি গঙ্গানন্দপুর ডিগ্রি কলেজ থেকে ১০০ গজ পূর্বে অবস্থিত। এটি মোগল আমলের স্থাপিত, যার আনুমানিক বয়স ৪০০ বছরেরও বেশি। এই মন্দিরবেষ্টিত সম্পত্তি এই অঞ্চলের জনহিতৈষী ব্যক্তিত্ব মহিতোষ রায় চৌধুরী মন্দির পরিচর্যার জন্য নয়নতারা দেবীকে দান করেন। উল্লেখ্য, এ অঞ্চলের মোট ২২ একর ১৭ শতক জমি দেবোত্তর সম্পত্তি হিসেবে রেকর্ডভুক্ত আছে। পরবর্তী সময়ে নয়নতারা দেবী মন্দিরবেষ্টিত সম্পত্তি বিক্রি করেন (মূল মন্দিরের এক শতক জমি বাদে)। এরপর দুবার ওই জমির হাতবদল ও মন্দিরটি ভেঙে ফেলা হয়। স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত থাকলেও পুরাকীর্তিটি সংরক্ষণে কোনো পদেক্ষপ নেয়নি।
আশার কথা হচ্ছে, ওই গ্রামে এখনো অনেক প্রাচীন স্থাপত্য বর্তমান। শ্রী কালীপদ চক্রবর্তী ও তাঁর ভাইরা এই মন্দিরগুলোতে পুরোহিত ও তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। কিন্তু অর্থনৈতিক অসচ্ছলতার কারণে তাঁরা এখন সেগুলো সংরক্ষণ করতে পারছেন না। এমতাবস্থায় প্রাচীন স্থাপত্যগুলো সংরক্ষণের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।
আবদুল্লাহ আল সাঈদ, বাংলা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
সিএনজির মূল্যবৃদ্ধি
দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি খুব খারাপ না হলেও খুব ভালো নয়। গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে বিনিয়োগ পরিস্থিতি ভালো নয়। সার্বিক উৎপাদন ও কর্মসংস্থানও সংকুচিত হওয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। দ্রব্যমূল্যের ওপর চাপ অব্যাহত রয়েছে। এদিকে রমজান ও তদসঙ্গীয় বর্ধিত চাহিদার ফলে (এবং অবশ্যই বেশ কিছু ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে!) দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি অনিবার্য। সরকারের তাই সে পরিপ্রেক্ষিতেই সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো উচিত, যাতে ভোক্তা-সাধারণ তথা দেশের জনগণের ভোগান্তি কম হয়। কিন্তু সম্প্রতি অর্থমন্ত্রীর কাছ থেকে সিএনজি গ্যাসের মূল্য দ্বিগুণ করার কথা শুনে অবাক না হয়ে পারা যায় না। সিএনজির দাম বাড়ানোর প্রভাব পড়বে সব ধরনের পরিবহনের ভাড়া এবং অনেক পণ্যের উৎপাদনমূল্যের ওপর। গ্যাসের বা সিএনজির দাম সামান্য বাড়ালেও দ্রব্যমূল্যে প্রতিকূল প্রভাব পড়বে জেনেও দ্বিগুণ বাড়ানোর প্রস্তাব মোটেই সুচিন্তিত অভিমত বলে মনে হয় না। বাংলাদেশের মানুষ কর্তৃপক্ষের প্রস্তাবিত মূল্যবৃদ্ধি ভালোভাবে নেবে মনে করার কোনো কারণ নেই। নেহাত চার-পাঁচ শতাংশ বাড়ালেই যথেষ্ট হতে পারে বলে মনে হয়। বর্তমান দ্রব্যমূল্য ও রমজান মাসের পরিস্থিতি বিবেচনায় নিলে সিএনজির মূল্য এ মুহূর্তে না বাড়ানোই সঠিক পদক্ষেপ হবে। এমনিতেই সরকার নানা কারণে চাপে আছে আরও চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করা কি সমীচীন হবে?
এফ আহমেদ
বড় মগবাজার, ঢাকা।
প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিকার চাই
হাজারো সমস্যায় জর্জরিত এ দেশের মানুষ। এ সমস্যাগুলোর অন্যতম বেকার সমস্যা। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ ডিগ্রি নিয়েও চাকরির কোনো নিশ্চয়তা নেই। দেশে পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের অভাব। তার ওপর এখন আবার যোগ হয়েছে প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো ঘটনা। এর ফলে মেধাবীরা দিন দিন হতাশ হয়ে ভেঙে পড়ছে এবং হীনম্মন্যতায় ভুগছে।
প্রশ্নপত্র ফাঁসের সর্বশেষ ঘটনাটি ঘটেছে সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায়। পুলিশ ইতিমধ্যে এ অপকর্মের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে। কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কারণে বারবার প্রশ্নপত্র ফাঁস হচ্ছে। ২০১০ সালে এ পর্যন্ত সরকারি কর্মকমিশনের নেওয়া তিনটি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ আছে। সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীন সমাজসেবা কর্মকর্তা এবং এরপর কাস্টমস কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ উঠেছিল। এসব বিষয়ের ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র তেমন ছড়িয়ে না পড়লেও সর্বশেষ জুন মাসে পিএসসি কর্তৃক গৃহীত থানা/উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে যায়। এসব প্রশ্নপত্র পাঁচ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে।
কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী একত্র হয়ে এ ঘটনা ঘটাচ্ছেন। বিজি প্রেসে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ও গোপনীয় দলিলাদি ছাপা হয় এবং সেখানে কড়া পাহারার ব্যবস্থা থাকাই সংগত। অথচ সেখান থেকেই প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে যাওয়া বড় উদ্বেগজনক ব্যাপার। এসব অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী অসংখ্য ছাত্রছাত্রীর কাছ থেকে বিপুল অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন। কেমন করে প্রশ্নপত্র ফাঁস হলো সেটা অনুসন্ধান করে এই অপকর্মের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের কঠোর শাস্তি প্রদানের কোনো বিকল্প নেই।
সেরা মেধাবীদেরই চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। কিন্তু প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ঘটলে তাঁরা পিছিয়ে পড়বেন। এতে করে একদিকে যেমন শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় উৎসাহ হারিয়ে ফেলছেন, তেমনি ঘুষ দিয়ে চাকরি নেওয়ার প্রবণতা বাড়তেই থাকবে। সুযোগ পেয়ে যাবেন অসাধুরা। ফলে দুর্নীতি দিন দিন বাড়তেই থাকবে। তাই সরকার ও পিএসসির কাছে আবেদন, তারা যেন এ ব্যাপারে কঠোর ব্যবস্থা নেয়।
জসিম, ঢাকা।
‘ঝুঁকিপূর্ণ পেশা: নজরুলদের নীরব মৃত্যু’
গত ৪ জুলাই প্রথম আলোয় ‘ঝুঁকিপূর্ণ পেশা: নজরুলদের নীরব মৃত্যু’ শিরোনামে প্রকাশিত মশিউল আলমের লেখাটিতে কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনার শিকার শ্রমিকদের একটা আংশিক চিত্র ফুটে উঠেছে। এ ধরনের লেখা সংবাদপত্রে খুব কমই প্রকাশিত হয়। ধন্যবাদ মশিউল আলমকে।
শ্রম আইন, ২০০৬-এ বলা হয়েছে, কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনায় শ্রমিক আহত বা নিহত হলে ওই প্রতিষ্ঠানের মালিক কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন পরিদপ্তরের পরিদর্শককে নোটিশ দিয়ে অবহিত করবেন। কিন্তু নোটিশ দেওয়া তো দূরের কথা মালিকেরা অনেক সময় নিহত শ্রমিকের লাশ গুম করে ফেলে বা থানায় অপমৃত্যু মামলায় শ্রমিকের নাম পরিবর্তন করে দেয়। আইনানুযায়ী নিহত পরিবারের ক্ষতিপূরণ বাবদ এক লাখ টাকা মালিককে শ্রম আদালতে জমা দিতে হবে। কিন্তু মালিকেরা কখনোই কাজটি করেন না। অনেকে টাকা দেন, কিন্তু আইনে টাকা দেওয়ার কোনো বিধান নেই। তবে মানবিক সাহায্য দেওয়া যেতে পারে। কিন্তু আইনানুযায়ী টাকা অবশ্যই শ্রম আদালতে জমা দিতে হবে। আইনি ক্ষতিপূরণ সম্পর্কে ধারণা না থাকায় ১০-১৫ হাজার টাকা পেয়েই শ্রমিকের পরিবার খুশি।
সেইফটি অ্যান্ড রাইটস নামের একটি এনজিওর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০০৭ সালে ২২২ জন, ২০০৮ সালে ৩২০ জন এবং ২০০৯ সালে ২৬৫ জন শ্রমিক কর্মক্ষেত্রে মারা যান। নিহতদের মধ্যে ৩৫ শতাংশেরও বেশি নিহত হয় নির্মাণ খাতে এবং ৩২ শতাংশ কলকারখানা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানে। সংস্থাটি সংবাদপত্রে প্রকাশিত রিপোর্ট থেকে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। মশিউল যথার্থই বলেছেন, ‘যেসব মানুষ নানা ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ পেশায় নিয়োজিত, তাদের অনেকেই এভাবে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে মারা যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত। তাঁদের মৃত্যুর খবর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয় না। কেবল তখনই তাঁরা সংবাদ শিরোনাম হতে পারেন, যখন একসঙ্গে অনেকে দুর্ঘটনায় পড়ে প্রাণ হারান।’
মশিউল আলম তাঁর লেখায় প্রশ্ন তুলেছেন, নজরুলের জন্য এখন মামলা-মোকদ্দমা করতে যাবেন কে? শ্রম আইনের ১৫৮ ধারা অনুযায়ী, শ্রম আদালত শ্রমিকের দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর জন্য মালিককে নোটিশ দিয়ে ক্ষতিপূরণ সম্পর্কে তলব করতে পারেন। আবার ৩১৯(৫) ধারা অনুযায়ী, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন পরিদপ্তরের প্রধান পরিদর্শক বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ‘কোন অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে শ্রম আদালতে অভিযোগ পেশ করিতে পারিবেন।’ তাই এ দুই সংস্থা নজরুলের মতো কর্মক্ষেত্রে নিহত শ্রমিকদের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারে।
নির্মাণশ্রমিকের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণপ্রাপ্তির বিষয়টি বেশি কঠিন। শ্রম আইনের ধারা ১৬১ অনুযায়ী শ্রমিক আহত বা নিহত হলে নির্মাণ প্রতিষ্ঠান বা ডেভেলপার ক্ষতিপূরণ প্রদানে বাধ্য। কিন্তু যেসব সাইটে সম্পত্তির মালিক ঠিকাদারদের কাছে সরাসরি চুক্তিভিত্তিক কাজ দেয় সে ক্ষেত্রে শ্রমিক সম্পত্তির মালিকের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ পায় না। শ্রম আইনে এমন বিধান রাখা প্রয়োজন যাতে সম্পত্তির মালিক যারা চুক্তির ভিত্তিতে কাজ দেয় তারাও ক্ষতিপূরণ প্রদানে বাধ্য হয়। তা ছাড়া, ১৬১ ধারার ‘মালিক’ শব্দটি বাদ দিয়ে ওয়ার্কমেনস কম্পেনসেশন অ্যাক্ট, ১৯২৩-এর ‘প্রিন্সিপাল’ শব্দটি শ্রম আইনে সংযোজন করা উচিত।
নিহত শ্রমিকের ক্ষতিপূরণের পরিমাণ ১ লাখের পরিবর্তে ৫ লাখ টাকা করা উচিত। আহত শ্রমিকের ক্ষতিপূরণ ১ লাখ ২৫ হাজার টাকার পরিবর্তে পুনর্বাসনের বিধানসহ কমপক্ষে ৬ লাখ টাকা করা যেতে পারে। কারণ কোনো কোনো আহত শ্রমিকের চিকিৎসা বাবদ তিন-চার লাখ টাকা খরচ হয়। স্থায়ীভাবে পঙ্গু শ্রমিক কোনো কাজই করতে পারে না, বরং চিকিৎসা খরচ মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত চালিয়ে যেতে হয়। শ্রম আইন সংশোধনীতে এসব বিষয় বিবেচনায় নিলে নজরুলের মতো পরিবারের আইনি প্রতিকার পাওয়া সহজ হবে।
দুর্ঘটনা যাতে না ঘটে সে জন্য কর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। এ বিষয়ে মালিক ও শ্রমিকদের সচেতনতা বৃদ্ধি, দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন এবং এসব পালনে তাদের উদ্বুদ্ধ করতে যোগাযোগ কর্মকৌশল তৈরি ও তা বাস্তবায়ন করতে হবে। গণমাধ্যম সচেতনতা সৃষ্টি, দৃষ্টিভঙ্গি ও আচরণ পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ জন্য কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনার রিপোর্ট সঠিকভাবে গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করা প্রয়োজন, যাতে শ্রম আদালত এবং কলকারখানা পরিদর্শন পরিদপ্তর ক্ষতিপূরণ আদায়ে ব্যবস্থা নিতে পারে।
সচেতনতা সৃষ্টি, দৃষ্টিভঙ্গি ও আচরণ পরিবর্তনের কথা বলার কারণ হচ্ছে, অনেক শ্রমিক নিরাপত্তাসামগ্রীর সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে জানে না বা ব্যবহার করতে চায় না। অন্যদিকে, একটা প্রতিষ্ঠানে কোটি কোটি টাকা খরচ করা হয় কিন্তু শ্রমিকদের নিরাপত্তাসামগ্রী প্রদানের জন্য কোনো বরাদ্দ থাকে না। শ্রমিক, মালিক, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন পরিদপ্তর এবং শ্রম আদালতসহ সবাইকে কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনা প্রতিরোধে আরও জোরালো ভূমিকা পালন করতে হবে। সবার সচেতনতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনা প্রতিরোধ করে শ্রমিকদের মৃত্যু ও পঙ্গুত্ব বরণ করা থেকে অনেকাংশে রক্ষা করা যায়।
মোহা. মাহামুদুল হক, সাংবাদিক।
mahmud_raj@yahoo.com
লিখুন, পাঠিয়ে দিন
প্রিয় পাঠক, প্রথম আলোয় প্রকাশিত সম্পাদকীয়, উপসম্পাদকীয়, প্রতিবেদন ইত্যাদি নিয়ে আপনার প্রতিক্রিয়া/ভিন্নমত আমাদের লিখে পাঠান। সমসাময়িক অন্যান্য বিষয়েও আপনার অভিমত, চিন্তা, বিশ্লেষণ সর্বোচ্চ ৪০০ শব্দের মধ্যে লিখে পাঠিয়ে দিন ডাকযোগে:
অভিমত, সম্পাদকীয় বিভাগ, প্রথম আলো, সিএ ভবন,
১০০ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা।
ই-মেইলে (এমএস ওয়ার্ড অ্যাটাচমেন্ট):
obhimot@prothom-alo.info
ছাত্রলীগের বেপরোয়া আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাংগঠনিক নেত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। তিনি বারবার তাদের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তা ছাড়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সম্প্রতি ছাত্রলীগের কৃতকর্মের দায়ভার আওয়ামী লীগ নেবে না বলেও ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, আওয়ামী লীগের সঙ্গে ছাত্রলীগের কোনো সম্পর্ক নেই। কিন্তু তাঁদের কথা ছাত্রলীগ শুনছে বলে মনে হয় না। তাদের লাগামহীন তাণ্ডব চলছে তো চলছেই।
ছাত্রসংগঠনগুলো এখন কার কাছে জবাবদিহি করে? ছাত্র সংসদ নির্বাচন বন্ধ করে দিয়ে শিক্ষাঙ্গনে যে অগণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে, তার ফলে তো আর এসব সংগঠনকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছে যেতে হয় না। সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর এসব সংগঠনের কর্তৃত্ব এখন শতভাগ প্রতিষ্ঠিত, শিক্ষার্থীরা একেবারে জিম্মি হয়ে পড়েছে। এসব সংগঠনের শক্তি আর সাধারণ শিক্ষার্থীরা নয়, শিক্ষার্থীদের বাইরের কোন শক্তি। আর এর উৎস যে কোথায়, তা বুঝতে কোনো অসুবিধা হয় না, যখন আমরা দেখি সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষাঙ্গনে দখলদারের চেহারা বদলে যায়। আওয়ামী লীগ যতই বলুক না কেন যে ছাত্রলীগের সঙ্গে আওয়ামী লীগের কোনো সম্পর্ক নেই, জনগণ তো জানে যে যখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকে, তখন শিক্ষাঙ্গনগুলোতে ছাত্রলীগের দখলদারি কায়েম হয়, আর যখন বিএনপি বা জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় থাকে, তখন ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের কর্তৃত্ব দেখা যায়। শিক্ষাঙ্গনে দখলদারির এই বদলে যাওয়া থেকে জনগণের বুঝতে কষ্ট হয় না যে কোন দলের সঙ্গে কোন ছাত্রসংগঠনের সম্পর্ক। এ কারণেই ছাত্রলীগের বেপরোয়াপনাতে আওয়ামী লীগের সায় আছে বলেই জনগণ বিশ্বাস করে।
ছাত্রলীগের এই অরাজকতার ব্যাপারে সরকারকে নির্মোহ অবস্থান নিতে হবে। সম্পর্ক না থাকার দোহাই দিয়ে ক্ষমতাসীন দল তাদের দায় এড়াতে পারে না। ছাত্রসংগঠনগুলোর জবাবদিহির ব্যবস্থা করা এবং শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস দমনে সদিচ্ছা দেখাতে হবে রাজনৈতিক দলগুলোকেই।
ইউসুফ হাসান
মালিবাগ, ঢাকা।
২
বর্তমানে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্ররাজনীতির নামে যে নৈরাজ্যকর অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে, তা আর যা-ই হোক ছাত্ররাজনীতি নয়। ছাত্ররাজনীতির যে উদ্দেশ্য তা পূরণে সম্পূর্ণ ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে ছাত্র রাজনৈতিক সংগঠনগুলো। ভবিষ্যতের নেতৃত্ব তৈরি তো দূরের কথা, ছাত্রজীবনে রাজনীতিচর্চার মাধ্যমে নিজেকে যোগ্য করে তোলার কোনো সুযোগ আর এসব সংগঠনে নেই। তারা এখন ব্যস্ত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, টেন্ডারবাজি, হল দখল প্রভৃতি অনৈতিক কাজে। আর তাঁরা ছাত্রদের কোনো উপকারে আসেন না, শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে কোনো ভূমিকা রাখছেন না আর দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরিতে তাঁরা না আসাই বরং মঙ্গলজনক। কর্তৃত্ববাদী ছাত্ররাজনীতি যেখানে সমাজের জন্য কোনো ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারছে না, সেখানে এই রাজনীতি না থাকাই যুক্তসংগত।
ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করার কথা বললেই অনেকে অতীতের সমৃদ্ধ ও ঐতিহ্যপূর্ণ ছাত্ররাজনীতির প্রসঙ্গ তোলেন। তাঁদের বক্তব্য হচ্ছে, যেহেতু জাতির বিভিন্ন সংকটময় মুহূর্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে, সুতরাং ছাত্ররাজনীতির প্রয়োজন আছে। কিন্তু বর্তমান ছাত্ররাজনীতি হচ্ছে নেতিবাচক রাজনীতির প্রতিচ্ছবি, যার কোনো আবেদন নেই সমাজে। এখনই যদি এই ছাত্ররাজনীতি বন্ধ কিংবা নিয়ন্ত্রণ করা না যায়, তবে জাতিকে চরম মূল্য দিতে হবে। এবং এর দায়ভার নিতে হবে রাজনৈতিক দলগুলোকে। এসব দলের নেতা-কর্মীদের প্রতি অনুরোধ, বর্তমান ছাত্ররাজনীতির বিষয়ে এখনই কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুন।
পৃথিবীর যেসব দেশে আমাদের মতো ছাত্ররাজনীতি নেই, সেখানে তো যোগ্য নেতৃত্বের অভাব নেই। তাদের দেশে যোগ্য নেতৃত্ব বিকশিত হয় বিভিন্ন সুষ্ঠু সাংগঠনিক কার্যক্রমের মাধ্যমে। আমাদের দেশেও প্রচলিত ধারার ছাত্ররাজনীতি বন্ধ করে সুষ্ঠু সাংগঠনিক চর্চার মাধ্যমে ছাত্রদের মধ্যে নেতৃত্বের বিকাশ ঘটানো সম্ভব। শিক্ষা ও অধিকার নিয়ে যাঁরা কাজ করেন, তাঁদের এ বিষয়ে গভীরভাবে ভাবা প্রয়োজন।
এম সিজার মোনায়েমুল ইসলাম
শিক্ষার্থী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
নেই কাজ তো...
রমনা উদ্যানের মূল রাস্তাটি আরও চওড়া করা হচ্ছে। ব্যাপক আয়োজন—ইটের খোয়া, বালু, রোলার এবং কর্মব্যস্ত কর্মীরা। আমাদের সামান্য জ্ঞানে আমরা জানি, উদ্যানের রাস্তা বেশি বড় করতে নেই, তাতে উদ্যানের উদ্ভিদসজ্জার ছন্দপতন ঘটে। কিন্তু এতে উদ্যান কর্তৃপক্ষের দারুণ উৎসাহ লক্ষ করেছি। কয়েক বছর পর পরই তারা কাজটি করে। শহরের রাস্তায় যানজট প্রচুর, উদ্যানে জনজট নেই। তাহলে রাস্তা চওড়া করার প্রয়োজনটা কী?
উদ্যানটি যেহেতু গণপূর্ত বিভাগের অধীন এবং উদ্যানের বেশির ভাগ কর্মকর্তাই প্রকৌশলী। ফলে কাঠামো নির্মাণে তাঁদের অধিক আগ্রহ স্বাভাবিক। হ্রদের ওপর প্রকাণ্ড এক পুল বানানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। সেটা কেন জানি মুলতবি হয়ে আছে। সকালে বেড়াতে গেলে কংক্রিট পিলারের বড় স্তূপটিকে অযত্নে পড়ে থাকতে দেখি। কখনো চোখে পড়ে, ঘাস তুলে আবার একই ঘাস লাগানো হচ্ছে। অথচ গোটা উদ্যান ঘাসে ভরে না উঠলে সেই ঘাস আর কাটা হয় না। পশুপালনের সঙ্গে উদ্যানের কোনো যোগাযোগ আছে কি? থাকলে ভালো। এখন টেকসই উন্নয়নের যুগ।
কিছুদিন আগে একটি টিভি চ্যানেলে একজন রবীন্দ্রসংগীতশিল্পীকে উদ্যানে হেঁটে হেঁটে গান গাইতে দেখি। আশ্চর্য হয়ে ভাবি, এমন উদ্যান বাংলাদেশে কোথায় আছে! রাস্তার পাশে পিলারের মতো দাঁড়ানো সাইপ্রেস ঝাউ, অনেকগুলো কেয়ারি, তাতে একেক রঙের গোলাপ, বিস্তৃত সবুজ লন, সঙ্গে গাছগাছালির আরও কত সজ্জা—চোখ জুড়ানো, মন ভোলানো। গানও ফুরোল, ভুলও ভাঙল। এটি লন্ডনের রিজেন্টস উদ্যান। মুগ্ধতার অবকাশ নেই। আমাদের উদ্যানটি বড়ই অগোছাল। এতে কোনো ছন্দ নেই, এমন একটা জায়গাও নেই, যেখানে দাঁড়িয়ে অনেকক্ষণ তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছে হয়। গণপূর্ত বিভাগ কেন এদিকে নজর দেয় না, জানি না। তাদের স্থপতিরা তো চমৎকার দালানকোঠা বানান। তাঁদের কেউ কি রিজেন্টস উদ্যানের মতো আমাদের রমনা উদ্যানকে সাজাতে পারেন না?
হাসান জুবায়ের, পুরানা পল্টন লাইন, ঢাকা।
‘অতিরিক্ত জনসংখ্যা কি বোঝা নয়?’
গত ১৯ জুন প্রথম আলোয় ‘অতিরিক্ত জনসংখ্যা কি বোঝা নয়?’ শীর্ষক নিবন্ধে শিশির মোড়ল যথার্থই বলেছেন, নিছক অনুমানের ওপর ভিত্তি করে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের মতো অত্যাবশ্যকীয় সমস্যাটি পাশ কাটানো হবে অবিবেচনাপ্রসূত, অদূরদর্শী ও আত্মঘাতী।
আমরা জানি, বর্তমানে পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি গ্রহণকারীর হার ৫৫ দশমিক ৮ ভাগ এবং মোট প্রজনন হার ২ দশমিক ৭। আমাদের প্রত্যাশা ছিল, ২০১০ সালের মধ্যে প্রজনন হার ২ দশমিক ২-এ নামিয়ে আনা। আমরা সফল হলে ২০৬০ সালে এ দেশের জনসংখ্যা একটা স্থিতিশীল পর্যায়ে পৌঁছে ২১ কোটিতে গিয়ে দাঁড়াত। কিন্তু সে লক্ষ্যমাত্রা আমরা অর্জন করতে পারিনি। নতুন করে ২০১৫ সালের মধ্যে মোট প্রজনন হার ২ দশমিক ২-এ নামিয়ে আনার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। আমরা যদি এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারি, তাহলেও জনসংখ্যা স্থিতিশীল পর্যায়ে পৌঁছাবে ২০৮১ সালে এবং তখন এ দেশের জনসংখ্যা হবে ২৫ কোটি। প্রধানমন্ত্রী কি কখনো ভেবে দেখেছেন, এ বিশাল জনগোষ্ঠীর তখন কী হবে? ন্যূনতম মৌলিক চাহিদা পূরণ করার কোনো ধরনের প্রস্তুতি কি আমাদের আছে? নেই। তাই এ দেশের জনসংখ্যাকে ২৫ কোটি নয়, আরও কমে স্থিতিশীল করা প্রয়োজন। আর সে জন্য প্রয়োজন পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি গ্রহণকারীর হার বাড়ানো।
আমরাও চাই, এ দেশের প্রত্যেকেই হোক একেকজন দক্ষ জনশক্তি। জনসংখ্যা কম থাকুক বা বেশি, তারা যদি দক্ষ না হয়, তাহলে তা অবশ্যই আমাদের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়াবে। তাই দক্ষ জনশক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ বা পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমকে গুরুত্ব দিতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী এ দেশের মানুষকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরিত করে বিভিন্ন দেশে রপ্তানির যে পরিকল্পনার কথা বলেছেন, তার সঙ্গে আমরা দ্বিমত পোষণ করতে চাই না। আমরাও সেটা চাই। এ জন্য প্রয়োজন সমন্বিতভাবে একটা মানবসম্পদ উন্নয়ন নীতিমালা প্রণয়ন। আমরা জানি, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি যুগোপযোগীকরণের একটা প্রকল্প হাতে নিয়েছে। আমরা চাই, এ নীতিটা যেন পরিবার পরিকল্পনা নীতি না হয়ে যথাযথভাবে একটা জনসংখ্যা নীতি হয়। এ নীতিতে যেন পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম বা জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন কৌশলের পাশাপাশি মানব সম্পদ উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং দেশের আর্থসামাজিক ও পরিবেশগত পরিস্থিতির যথাযথ প্রতিফলন ঘটে।
পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর বেশ কয়েক বছর ধরে পরিবার পরিকল্পনার স্থায়ী ও দীর্ঘমেয়াদি পদ্ধতির ব্যবহার জোরদারকরণসহ বেশ কিছু বাস্তবমুখী কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। এ জন্য একটা বিশেষ কৌশলপত্র প্রণয়ন করে সে আলোকে কার্যক্রম গ্রহণ করার সুফল আমরা ইতিমধ্যেই পেতে শুরু করেছি। এগুলো অব্যাহত রাখলে নিশ্চিতভাবেই এ দেশের জনসংখ্যাকে একটা সহনীয় পর্যায়ে সীমিত রাখা সম্ভব হবে এবং প্রধানমন্ত্রীর দক্ষ জনশক্তি গড়তেও তা সহায়ক হবে। আর তা করতে ব্যর্থ হলে মারাত্মক বিপর্যয় দেখা দেবে। আর এজন্য আমাদের সবাইকে ভবিষ্যতের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।
মোহাম্মদ আজমল হোসেন ও আবু জামিল ফয়সাল ধানমন্ডি, ঢাকা।
গঙ্গানন্দপুরের পুরাকীর্তি
কালের সাক্ষী হয়ে বাংলাদেশের আনাচ-কানাচে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে পূর্বসূরিদের হাতে গড়া স্থাপত্যগুলো, যা পুরাকীর্তি হিসেবে পরিচিত। ধর্মের মাপকাঠিতে এগুলোর গুরুত্ব পরিমাপ করা সম্ভব নয়। তবে বিভিন্ন যুগের মানুষের জীবনযাপন সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা লাভ করা যায়। ইতিহাস নিরূপণের উপাত্ত হিসেবেও সেগুলোর ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম।
অনেক পুরাকীর্তি এখনো দেখা যায় যশোর জেলার ঝিকরগাছা থানাধীন গঙ্গানন্দপুর গ্রামে। মোগল আমলে এই যশোরের শাসনকর্তা ছিলেন বারো ভূঁইয়াদের অন্যতম জমিদার রাজা প্রতাপাদিত্য। শ্যামরায় বিগ্রহে রাজা প্রতাপাদিত্যের পতন ঘটে। এরপর রাজা কমল নারায়ণের আগমন ঘটে। পরে তাঁর ছেলে রাজা কংস নারায়ণ বোধখানার নিকটবর্তী ঝুমঝুম গ্রামে বসতি স্থাপন করেন। তিনি ওই গ্রামের নাম রাখেন গঙ্গানন্দপুর এবং সেখানে বহু মন্দির স্থাপন করেন। তার মধ্যে সিদ্ধেশ্বরী দেবীর মন্দির প্রধান। এ ছাড়া সুকেশী, শিব, লক্ষ্মী, নারায়ণ, কালী প্রভৃতি দেবতার মন্দিরও এখানে রয়েছে। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে গঙ্গানন্দপুর শিবমন্দির। এটি গঙ্গানন্দপুর ডিগ্রি কলেজ থেকে ১০০ গজ পূর্বে অবস্থিত। এটি মোগল আমলের স্থাপিত, যার আনুমানিক বয়স ৪০০ বছরেরও বেশি। এই মন্দিরবেষ্টিত সম্পত্তি এই অঞ্চলের জনহিতৈষী ব্যক্তিত্ব মহিতোষ রায় চৌধুরী মন্দির পরিচর্যার জন্য নয়নতারা দেবীকে দান করেন। উল্লেখ্য, এ অঞ্চলের মোট ২২ একর ১৭ শতক জমি দেবোত্তর সম্পত্তি হিসেবে রেকর্ডভুক্ত আছে। পরবর্তী সময়ে নয়নতারা দেবী মন্দিরবেষ্টিত সম্পত্তি বিক্রি করেন (মূল মন্দিরের এক শতক জমি বাদে)। এরপর দুবার ওই জমির হাতবদল ও মন্দিরটি ভেঙে ফেলা হয়। স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত থাকলেও পুরাকীর্তিটি সংরক্ষণে কোনো পদেক্ষপ নেয়নি।
আশার কথা হচ্ছে, ওই গ্রামে এখনো অনেক প্রাচীন স্থাপত্য বর্তমান। শ্রী কালীপদ চক্রবর্তী ও তাঁর ভাইরা এই মন্দিরগুলোতে পুরোহিত ও তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। কিন্তু অর্থনৈতিক অসচ্ছলতার কারণে তাঁরা এখন সেগুলো সংরক্ষণ করতে পারছেন না। এমতাবস্থায় প্রাচীন স্থাপত্যগুলো সংরক্ষণের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।
আবদুল্লাহ আল সাঈদ, বাংলা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
সিএনজির মূল্যবৃদ্ধি
দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি খুব খারাপ না হলেও খুব ভালো নয়। গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে বিনিয়োগ পরিস্থিতি ভালো নয়। সার্বিক উৎপাদন ও কর্মসংস্থানও সংকুচিত হওয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। দ্রব্যমূল্যের ওপর চাপ অব্যাহত রয়েছে। এদিকে রমজান ও তদসঙ্গীয় বর্ধিত চাহিদার ফলে (এবং অবশ্যই বেশ কিছু ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে!) দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি অনিবার্য। সরকারের তাই সে পরিপ্রেক্ষিতেই সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো উচিত, যাতে ভোক্তা-সাধারণ তথা দেশের জনগণের ভোগান্তি কম হয়। কিন্তু সম্প্রতি অর্থমন্ত্রীর কাছ থেকে সিএনজি গ্যাসের মূল্য দ্বিগুণ করার কথা শুনে অবাক না হয়ে পারা যায় না। সিএনজির দাম বাড়ানোর প্রভাব পড়বে সব ধরনের পরিবহনের ভাড়া এবং অনেক পণ্যের উৎপাদনমূল্যের ওপর। গ্যাসের বা সিএনজির দাম সামান্য বাড়ালেও দ্রব্যমূল্যে প্রতিকূল প্রভাব পড়বে জেনেও দ্বিগুণ বাড়ানোর প্রস্তাব মোটেই সুচিন্তিত অভিমত বলে মনে হয় না। বাংলাদেশের মানুষ কর্তৃপক্ষের প্রস্তাবিত মূল্যবৃদ্ধি ভালোভাবে নেবে মনে করার কোনো কারণ নেই। নেহাত চার-পাঁচ শতাংশ বাড়ালেই যথেষ্ট হতে পারে বলে মনে হয়। বর্তমান দ্রব্যমূল্য ও রমজান মাসের পরিস্থিতি বিবেচনায় নিলে সিএনজির মূল্য এ মুহূর্তে না বাড়ানোই সঠিক পদক্ষেপ হবে। এমনিতেই সরকার নানা কারণে চাপে আছে আরও চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করা কি সমীচীন হবে?
এফ আহমেদ
বড় মগবাজার, ঢাকা।
প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিকার চাই
হাজারো সমস্যায় জর্জরিত এ দেশের মানুষ। এ সমস্যাগুলোর অন্যতম বেকার সমস্যা। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ ডিগ্রি নিয়েও চাকরির কোনো নিশ্চয়তা নেই। দেশে পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের অভাব। তার ওপর এখন আবার যোগ হয়েছে প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো ঘটনা। এর ফলে মেধাবীরা দিন দিন হতাশ হয়ে ভেঙে পড়ছে এবং হীনম্মন্যতায় ভুগছে।
প্রশ্নপত্র ফাঁসের সর্বশেষ ঘটনাটি ঘটেছে সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায়। পুলিশ ইতিমধ্যে এ অপকর্মের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে। কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কারণে বারবার প্রশ্নপত্র ফাঁস হচ্ছে। ২০১০ সালে এ পর্যন্ত সরকারি কর্মকমিশনের নেওয়া তিনটি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ আছে। সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীন সমাজসেবা কর্মকর্তা এবং এরপর কাস্টমস কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ উঠেছিল। এসব বিষয়ের ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র তেমন ছড়িয়ে না পড়লেও সর্বশেষ জুন মাসে পিএসসি কর্তৃক গৃহীত থানা/উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে যায়। এসব প্রশ্নপত্র পাঁচ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে।
কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী একত্র হয়ে এ ঘটনা ঘটাচ্ছেন। বিজি প্রেসে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ও গোপনীয় দলিলাদি ছাপা হয় এবং সেখানে কড়া পাহারার ব্যবস্থা থাকাই সংগত। অথচ সেখান থেকেই প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে যাওয়া বড় উদ্বেগজনক ব্যাপার। এসব অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী অসংখ্য ছাত্রছাত্রীর কাছ থেকে বিপুল অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন। কেমন করে প্রশ্নপত্র ফাঁস হলো সেটা অনুসন্ধান করে এই অপকর্মের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের কঠোর শাস্তি প্রদানের কোনো বিকল্প নেই।
সেরা মেধাবীদেরই চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। কিন্তু প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ঘটলে তাঁরা পিছিয়ে পড়বেন। এতে করে একদিকে যেমন শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় উৎসাহ হারিয়ে ফেলছেন, তেমনি ঘুষ দিয়ে চাকরি নেওয়ার প্রবণতা বাড়তেই থাকবে। সুযোগ পেয়ে যাবেন অসাধুরা। ফলে দুর্নীতি দিন দিন বাড়তেই থাকবে। তাই সরকার ও পিএসসির কাছে আবেদন, তারা যেন এ ব্যাপারে কঠোর ব্যবস্থা নেয়।
জসিম, ঢাকা।
‘ঝুঁকিপূর্ণ পেশা: নজরুলদের নীরব মৃত্যু’
গত ৪ জুলাই প্রথম আলোয় ‘ঝুঁকিপূর্ণ পেশা: নজরুলদের নীরব মৃত্যু’ শিরোনামে প্রকাশিত মশিউল আলমের লেখাটিতে কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনার শিকার শ্রমিকদের একটা আংশিক চিত্র ফুটে উঠেছে। এ ধরনের লেখা সংবাদপত্রে খুব কমই প্রকাশিত হয়। ধন্যবাদ মশিউল আলমকে।
শ্রম আইন, ২০০৬-এ বলা হয়েছে, কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনায় শ্রমিক আহত বা নিহত হলে ওই প্রতিষ্ঠানের মালিক কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন পরিদপ্তরের পরিদর্শককে নোটিশ দিয়ে অবহিত করবেন। কিন্তু নোটিশ দেওয়া তো দূরের কথা মালিকেরা অনেক সময় নিহত শ্রমিকের লাশ গুম করে ফেলে বা থানায় অপমৃত্যু মামলায় শ্রমিকের নাম পরিবর্তন করে দেয়। আইনানুযায়ী নিহত পরিবারের ক্ষতিপূরণ বাবদ এক লাখ টাকা মালিককে শ্রম আদালতে জমা দিতে হবে। কিন্তু মালিকেরা কখনোই কাজটি করেন না। অনেকে টাকা দেন, কিন্তু আইনে টাকা দেওয়ার কোনো বিধান নেই। তবে মানবিক সাহায্য দেওয়া যেতে পারে। কিন্তু আইনানুযায়ী টাকা অবশ্যই শ্রম আদালতে জমা দিতে হবে। আইনি ক্ষতিপূরণ সম্পর্কে ধারণা না থাকায় ১০-১৫ হাজার টাকা পেয়েই শ্রমিকের পরিবার খুশি।
সেইফটি অ্যান্ড রাইটস নামের একটি এনজিওর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০০৭ সালে ২২২ জন, ২০০৮ সালে ৩২০ জন এবং ২০০৯ সালে ২৬৫ জন শ্রমিক কর্মক্ষেত্রে মারা যান। নিহতদের মধ্যে ৩৫ শতাংশেরও বেশি নিহত হয় নির্মাণ খাতে এবং ৩২ শতাংশ কলকারখানা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানে। সংস্থাটি সংবাদপত্রে প্রকাশিত রিপোর্ট থেকে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। মশিউল যথার্থই বলেছেন, ‘যেসব মানুষ নানা ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ পেশায় নিয়োজিত, তাদের অনেকেই এভাবে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে মারা যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত। তাঁদের মৃত্যুর খবর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয় না। কেবল তখনই তাঁরা সংবাদ শিরোনাম হতে পারেন, যখন একসঙ্গে অনেকে দুর্ঘটনায় পড়ে প্রাণ হারান।’
মশিউল আলম তাঁর লেখায় প্রশ্ন তুলেছেন, নজরুলের জন্য এখন মামলা-মোকদ্দমা করতে যাবেন কে? শ্রম আইনের ১৫৮ ধারা অনুযায়ী, শ্রম আদালত শ্রমিকের দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর জন্য মালিককে নোটিশ দিয়ে ক্ষতিপূরণ সম্পর্কে তলব করতে পারেন। আবার ৩১৯(৫) ধারা অনুযায়ী, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন পরিদপ্তরের প্রধান পরিদর্শক বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ‘কোন অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে শ্রম আদালতে অভিযোগ পেশ করিতে পারিবেন।’ তাই এ দুই সংস্থা নজরুলের মতো কর্মক্ষেত্রে নিহত শ্রমিকদের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারে।
নির্মাণশ্রমিকের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণপ্রাপ্তির বিষয়টি বেশি কঠিন। শ্রম আইনের ধারা ১৬১ অনুযায়ী শ্রমিক আহত বা নিহত হলে নির্মাণ প্রতিষ্ঠান বা ডেভেলপার ক্ষতিপূরণ প্রদানে বাধ্য। কিন্তু যেসব সাইটে সম্পত্তির মালিক ঠিকাদারদের কাছে সরাসরি চুক্তিভিত্তিক কাজ দেয় সে ক্ষেত্রে শ্রমিক সম্পত্তির মালিকের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ পায় না। শ্রম আইনে এমন বিধান রাখা প্রয়োজন যাতে সম্পত্তির মালিক যারা চুক্তির ভিত্তিতে কাজ দেয় তারাও ক্ষতিপূরণ প্রদানে বাধ্য হয়। তা ছাড়া, ১৬১ ধারার ‘মালিক’ শব্দটি বাদ দিয়ে ওয়ার্কমেনস কম্পেনসেশন অ্যাক্ট, ১৯২৩-এর ‘প্রিন্সিপাল’ শব্দটি শ্রম আইনে সংযোজন করা উচিত।
নিহত শ্রমিকের ক্ষতিপূরণের পরিমাণ ১ লাখের পরিবর্তে ৫ লাখ টাকা করা উচিত। আহত শ্রমিকের ক্ষতিপূরণ ১ লাখ ২৫ হাজার টাকার পরিবর্তে পুনর্বাসনের বিধানসহ কমপক্ষে ৬ লাখ টাকা করা যেতে পারে। কারণ কোনো কোনো আহত শ্রমিকের চিকিৎসা বাবদ তিন-চার লাখ টাকা খরচ হয়। স্থায়ীভাবে পঙ্গু শ্রমিক কোনো কাজই করতে পারে না, বরং চিকিৎসা খরচ মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত চালিয়ে যেতে হয়। শ্রম আইন সংশোধনীতে এসব বিষয় বিবেচনায় নিলে নজরুলের মতো পরিবারের আইনি প্রতিকার পাওয়া সহজ হবে।
দুর্ঘটনা যাতে না ঘটে সে জন্য কর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। এ বিষয়ে মালিক ও শ্রমিকদের সচেতনতা বৃদ্ধি, দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন এবং এসব পালনে তাদের উদ্বুদ্ধ করতে যোগাযোগ কর্মকৌশল তৈরি ও তা বাস্তবায়ন করতে হবে। গণমাধ্যম সচেতনতা সৃষ্টি, দৃষ্টিভঙ্গি ও আচরণ পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ জন্য কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনার রিপোর্ট সঠিকভাবে গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করা প্রয়োজন, যাতে শ্রম আদালত এবং কলকারখানা পরিদর্শন পরিদপ্তর ক্ষতিপূরণ আদায়ে ব্যবস্থা নিতে পারে।
সচেতনতা সৃষ্টি, দৃষ্টিভঙ্গি ও আচরণ পরিবর্তনের কথা বলার কারণ হচ্ছে, অনেক শ্রমিক নিরাপত্তাসামগ্রীর সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে জানে না বা ব্যবহার করতে চায় না। অন্যদিকে, একটা প্রতিষ্ঠানে কোটি কোটি টাকা খরচ করা হয় কিন্তু শ্রমিকদের নিরাপত্তাসামগ্রী প্রদানের জন্য কোনো বরাদ্দ থাকে না। শ্রমিক, মালিক, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন পরিদপ্তর এবং শ্রম আদালতসহ সবাইকে কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনা প্রতিরোধে আরও জোরালো ভূমিকা পালন করতে হবে। সবার সচেতনতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনা প্রতিরোধ করে শ্রমিকদের মৃত্যু ও পঙ্গুত্ব বরণ করা থেকে অনেকাংশে রক্ষা করা যায়।
মোহা. মাহামুদুল হক, সাংবাদিক।
mahmud_raj@yahoo.com
লিখুন, পাঠিয়ে দিন
প্রিয় পাঠক, প্রথম আলোয় প্রকাশিত সম্পাদকীয়, উপসম্পাদকীয়, প্রতিবেদন ইত্যাদি নিয়ে আপনার প্রতিক্রিয়া/ভিন্নমত আমাদের লিখে পাঠান। সমসাময়িক অন্যান্য বিষয়েও আপনার অভিমত, চিন্তা, বিশ্লেষণ সর্বোচ্চ ৪০০ শব্দের মধ্যে লিখে পাঠিয়ে দিন ডাকযোগে:
অভিমত, সম্পাদকীয় বিভাগ, প্রথম আলো, সিএ ভবন,
১০০ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা।
ই-মেইলে (এমএস ওয়ার্ড অ্যাটাচমেন্ট):
obhimot@prothom-alo.info
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1426)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
June
(2957)
-
▼
Jun 02
(153)
- ঊর্ধ্বতনদের নয়, জনগণকে খুশি করাই প্রশাসনের দায়িত্ব...
- আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক-উলফা নেতা গ্রেপ্তার
- চারদিক-গৌড় কোথায় বলতে পারেন? by মৃত্যুঞ্জয় রায়
- দেখে-শুনে লেখা-প্রহরাবেষ্টিত ‘নিরাপদ’ ক্যাম্পাস by...
- কপোতাক্ষ-মধুমতীর তীর থেকে-আর্তের পাশে চিরকাল by আম...
- অর্থনীতি-বাংলাদেশের উন্নয়ন-বিভ্রাট by হানিফ মাহমুদ
- বিশেষ সাক্ষাৎকার-সংবিধান রিভিউ কমিশন গঠন করুন by আ...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার-বিচারক নিয়োগে সংবিধান সংশোধন সমীচ...
- নগরবাসীর জানমালের প্রশ্নে কোনো গাফিলতির সুযোগ নেই-...
- বিরোধ নিষ্পত্তি ছাড়া জরিপে বৈধ মালিক চিহ্নিত হবে ন...
- চারদিক-বহলায় শহীদদের গণকবর by সালেক খোকন
- তরুণসমাজ-চিন্তা ও কর্মে ফারাক কতটুকু? by সালমা খান
- পোশাকশিল্প-গ্রহণযোগ্য ন্যূনতম মজুরির অবস্থান কোথায়...
- আফগানিস্তান-তালেবানের শক্তিবৃদ্ধি ও পেট্রাউসের নতু...
- সরল গরল-স্পিকারের একটি অসম্পূর্ণ রুলিং by মিজানুর ...
- অনিয়মমুক্ত পরিবহনের জন্য নিয়মিত ও কৌশলী হতে হবে-ঢা...
- অনিয়মমুক্ত পরিবহনের জন্য নিয়মিত ও কৌশলী হতে হবে-ঢা...
- শিক্ষার মান ও সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে-এইচএস...
- স্মরণ-তাঁর স্মৃতিই এখন সবচেয়ে বড় সত্যি by সেলিনা আ...
- মিডিয়া ভাবনা-চাই শিক্ষা টিভি চ্যানেল by মুহাম্মদ জ...
- গোধূলির ছায়াপথে-যারে তুমি পিছে ফেল... by মুস্তাফা ...
- খোলা চোখে-বাংলাদেশ: এখনো ব্যর্থ রাষ্ট্র? by হাসান ...
- অবিলম্বে খুলে দেওয়া হোক-বুয়েট বন্ধ থাকার দায়ভার কার?
- স্বার্থান্বেষী মহলের কাছে নতিস্বীকার নয়-ড্যাপ দ্রু...
- ধর্ম-কুসংস্কার দূরীকরণে ইসলাম by মুহাম্মদ আবদুল মু...
- গন্তব্য ঢাকা-আদর-আবদারের দিনগুলো by শর্মিলা সিনড্রেলা
- দেখে-শুনে লেখা-রাজশাহী: শান্ত সবুজ সুখী নগর by মশি...
- বিলেতের স্ন্যাপশট-বিলেতে তৃতীয় বাংলার বইমেলা by শা...
- কাশ্মীর-বিক্ষোভের আগুন সরকারই জ্বালিয়েছে by মুজামি...
- কালের পুরাণ-মন্ত্রীর সুবচন, নেতার হুঁশিয়ারি ও সাংস...
- টেকসই উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে বৈজ্ঞানিক গবেষণায় জোর...
- নেপথ্যের হোতাদের খুঁজে বের করুন-বিজি প্রেস কেলেঙ্কারি
- চারদিক-সোনাঝরায় আসে সোনাঝরা দিন by লায়লা নূর
- দূরদেশ-পাকিস্তান: অন্তহীন সংঘাত by আলী রীয়াজ
- অভিমত ভিন্নমত
- নারীর আত্মহত্যা-ব্যক্তিগত নয়, রাজনৈতিক by জোবাইদা ...
- ছাত্রলীগ নেতাদের নির্দেশে ওসিকে বদলি হতে হবে?-এখন ...
- এখন বিচারের বাধা দ্রুত দূর করুন-পিলখানা হত্যাকাণ্ড...
- চারদিক-ভোলার প্রাণভোমরা যখন গাছ by নেয়ামতউল্যাহ
- ২ দশক পর নির্বাচনে সুচি
- সিসিসি নির্বাচন-সরকারের জন্য একটি সতর্কবার্তা by ব...
- প্রতিক্রিয়া-প্রধানমন্ত্রী আইলা-দুর্গতদের দেখতে যাচ...
- দিল্লির চিঠি-বর্ণশুমারির বিপদ by কুলদীপ নায়ার
- বাঘা তেঁতুল-আরও একটি অক্টোপাস চাই by সৈয়দ আবুল মকসুদ
- অরণ্যে রোদন-কেন এই নিষ্ঠুরতা by আনিসুল হক
- এসিড-সন্ত্রাসীদের বিচার দ্রুততম সময়ে শেষ করতে হবে-...
- ন্যায়বিচারের পক্ষে নিম্ন আদালত-কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নন
- বিখ্যাতদের মজার ঘটনা
- অহেতুক কৌতুক
- কর্তৃপক্ষ নির্বিকার, হুমকির মুখে ব্যবসায়ীরা-ফুটবল ...
- চারদিক-ধুম লেগেছে মধুবনে by আজাদুর রহমান
- চালের দাম-সরকারের সামনে বিকল্প সুযোগ রয়েছে by উত্ত...
- শিক্ষানীতি ২০১০-কর্মমুখী ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা বাস্ত...
- প্রতিক্রিয়া: বিধ্বস্ত দুদক-অর্জন কি বিসর্জন হলো? b...
- সময়চিত্র-দমননীতি: প্রতিবাদ থেমে থাকে না by আসিফ নজরুল
- স্বার্থান্বেষী মহলের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিন-চট্...
- সংস্কারের অর্থ রেলওয়ের পুনরুজ্জীবনে ব্যয় হোক-স্বতন...
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-বহুভাষাবিদ জাহাঙ্গীর তারেক by আবদুশ শ...
- বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-সব মানুষ গুনতে হবে, কিন্তু কার...
- গদ্যকার্টুন-পল আর উৎপল অক্টোপাস by আনিসুল হক
- অধিকার-দুই নম্বর থালাবাসন সমাচার by ইলিরা দেওয়ান
- বিশেষ সাক্ষাৎকার-একাত্তরের গণহত্যার জন্য পাকিস্তান...
- তালিকা হালনাগাদ করে আইনের যথাযথ প্রয়োগ জরুরি-নতুন ...
- এখনই উচিত নির্বাহী আদেশ জারি করা-ফতোয়াবিরোধী আদেশ
- চারদিক-কালের মাইলফলক by শান্তা তাওহিদা
- কালের পুরাণ-দেশ কি সঠিক পথে চলছে? by সোহরাব হাসান
- প্রাথমিক শিক্ষা-নেপথ্যের বিষয় কিন্তু উপেক্ষার নয় b...
- অভিবাসী-ইউরোপে বর্ণবাদ ও অর্থনৈতিক মন্দা by জয়তি ঘোষ
- মত দ্বিমত-দলীয় প্রভাবের বাইরে রাখতে হবে by এস এম এ...
- মত দ্বিমত-দুরবস্থার জন্য সামরিক শাসকেরাই দায়ী by আ...
- জালিয়াত চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিন-পরীক্ষার...
- নিদর্শনের বিস্তারিত তালিকা তৈরি করুন-অরক্ষিত জাতীয়...
- চারদিক-কালাকানুনের ৩০ বছর by সাব্বির চৌধুরী ও বেলা...
- কূটনৈতিক নিয়োগ-পররাষ্ট্র দপ্তর নিয়ে কিছু কথা by সৈ...
- ধর্ম-মিরাজের প্রকৃতি ও শিক্ষা by মুহাম্মদ আবদুল মু...
- গোধূলির ছায়াপথে-রাজনীতি দূরে নয়, কাছেই by মুস্তাফা...
- সরল গরল-নীরব ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত দুদক by মিজানুর রহ...
- কাঠ চুরি ঠেকাতে রাজনৈতিক অঙ্গীকার দরকার-লাউয়াছড়ায় ...
- শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া অযৌক্তিক-বিএনপির...
- চারদিক-চা-শ্রমিকদের কথা by আকমল হোসেন
- রাজধানী উন্নয়ন-মহানগরের সুশাসন কীভাবে উন্নত হবে by...
- আবেদন-আবদুস শহীদের বাড়িটি রক্ষা করুন by অদিতি ফাল্...
- হালচাল-দুঃসংবাদ আর সুসংবাদ চলেছে পাশাপাশি by আব্দু...
- সময়ের প্রতিবিম্ব-আমার সাম্প্রতিক মিডিয়া ভাবনা by এ...
- বিনিয়োগের সময়ই সতর্কভাবে যাচাই জরুরি-শেয়ারবাজারে ব...
- সন্ত্রাসীদের ধরার নির্দেশ দিলেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যা...
- মানিক মিয়ার মৃত্যু বার্ষিকী আজ
- ঐতিহ্য-রাজশাহীর পুঠিয়া রাজবাড়ী by মৃত্যুঞ্জয় রায়
- সময় থাকতে ঝাড়াই-বাছাই করুন পুলিশের সহিংস আচরণ
- ঢাকার ত্রি-মহাদেশীয় সম্মেলন-যুদ্ধাপরাধের বিচার-প্র...
- অভিমত ভিন্নমত
- শিক্ষাঙ্গন-এ কোন জাহাঙ্গীরনগর? by ইসরাত জাহান
- ছাত্রলীগের অন্তর্দ্বন্দ্বের শিকার নিরীহ শিক্ষার্থী...
- হাইকোর্টের নির্দেশনার বাস্তবায়ন দেখতে চাই-পুলিশি হ...
- মানুষের মুখ-এক পুরিদাদুর গল্প by শারমিন নাহার
- ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়-এমন বিশ্ববিদ্যালয় চাই, যা হব...
- বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আপনার ...
- গদ্যকার্টুন-গল্প নয়, সত্যি ঘটনা by আনিসুল হক
- সহজিয়া কড়চা-ভাবিতে উচিত ছিল প্রতিজ্ঞা যখন by সৈয়দ ...
- এই আজব ও লজ্জাকর জাতিভেদ চলতে পারে না-বাঙালি এক নম...
- নৈরাজ্য সৃষ্টির সব চেষ্টাই অগ্রহণযোগ্য-জামায়াত-শিব...
- কা র্য কা র ণ-টবের গাছ জানালার দিকে বেঁকে যায় কীভা...
- ধাঁধা দুনিয়া
- সত্যিকারের সবজান্তা-বিবিধ
- যে খবর নাড়া দেয়-পথের দাবি
- এই দিনে-তারাকান্দর গণহত্যা ও জগদীশ by প্রশান্ত অধি...
- মানবাধিকার-কাফকার ‘দ্য ট্রায়াল’ ও লিমনের গল্প by অ...
- নগর দর্পণ: চট্টগ্রাম-হিমাদ্রী হত্যা এবং তিন হিংস্র...
- তদন্ত কমিশন গঠন করুন-রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে গুরুতর...
- অনির্বাচিত প্রশাসক সংবিধানপরিপন্থী-দুই ঢাকায় নির্বাচন
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- চিকিৎসকদের সভায় নাজেহাল স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- সনাক ও ইয়েস-এর জাতীয় সম্মেলন শুরু-সব অন্যায়ের বিরু...
- ফুলেআরার হাসপাতাল
- কালের পুরাণ-এই লেখা শুধুই পুলিশকে নিয়ে by সোহরাব হ...
- শিক্ষিকাকে উত্ত্যক্ত-বিদ্যালয় চার দিন বন্ধ! by শিপ...
- এবার মুরগির বাজারে আগুন
- ‘পুলিশ আইন সংস্কার না হলে পরিস্থিতি পাল্টাবে না’-ব...
- অপ্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ কেন?
- অবহেলিত ইতিহাস
- পুলিশ! by মেহেরুন নেছা রুমা
- ভরাট হয়ে যাচ্ছে কৃষিজমি by মোঃ আলী আশরাফ খান
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ by আহস...
- বিষযুক্ত ফল ও স্বাস্থ্যঝুঁকি by ডা. হুমায়ুন কবীর হিমু
- তারাকান্দর গণহত্যা দিবস by প্রশান্ত অধিকারী
- প্রাথমিক শিক্ষা-শিক্ষকদের পদোন্নতিতে বাধা কোথায়? b...
- বাংলাদেশে দুই নেত্রীর মেগালোম্যানিয়া by এম আবদুল হ...
- কালের আয়নায়-হরতাল যদি ঘৃণ্য হয়, অন্যান্য নাগরিক অধ...
-
▼
Jun 02
(153)
-
▼
June
(2957)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
Exclusive
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
জোহরান মামদানি
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment