Saturday, June 2, 2012
অভিমত ভিন্নমত
অভিমত ভিন্নমত
এ সরকারকেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে হবে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে কথাবার্তা চলছে প্রায় দেড় বছর ধরে। কিন্তু কাজ যে প্রত্যাশিত গতিতে এগোচ্ছে তা বলা যাবে না। তিন মাসেরও বেশি সময় আগে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে, কিন্তু সেই ট্রাইব্যুনালে প্রয়োজনীয় লোকবল দেওয়া হয়নি;
অন্যান্য লজিস্টিক সমর্থনেরও অভাব রয়েছে। বিভিন্ন মহল থেকে অনেক বার বলা হয়েছে, ট্রাইব্যুনালে পর্যাপ্তসংখ্যক আইনজীবী ও তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়ে, আসল কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করা উচিত। কিন্তু সরকার এখনো তা করেনি। ট্রাইব্যুনালের জন্য একটি স্থান বরাদ্দ করা হয়েছে; কিন্তু সেখানে আছে আইন কমিশনের দপ্তর, সেটি সরানো হচ্ছে না। ফলে ট্রাইব্যুনালের যে কজন আইনজীবী ও তদন্ত কর্মকর্তা আছেন, তাঁরা বসার জায়গা পাচ্ছেন না। খবরে প্রকাশ, ট্রাইব্যুনালের জন্য বরাদ্দ অর্থও ছাড় করা হয়নি। আমরা সংবাদমাধ্যমে এই ধরনের খরব পেয়ে হতাশা বোধ করি। সরকার যদি ট্রাইব্যুনালকে যথাশিগগির সক্রিয় করার পরিবর্তে যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে বিরোধী দলের সমর্থনকে বড় করে দেখাতে চায়, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারপ্রক্রিয়াকে বানচালের ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে বিরোধী দলকে দায়ী করতে থাকে, তাহলে হতাশ হওয়া ছাড়া কী উপায় থাকে?
আমরা সংবাদমাধ্যমে জানতে পাচ্ছি, যুদ্ধাপরাধের বিচারকে বাধা দেওয়ার লক্ষ্যে যুদ্ধাপরাধীদের দল জামায়াতে ইসলামী দেশে-বিদেশে সুপরিকল্পিতভাবে নানা তৎপরতা চালাচ্ছে। জামায়াত ও তার বিদেশি বন্ধুরা, যেমন পাকিস্তান ও সৌদি আরব যুদ্ধাপরাধীদের বিচার-প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করবে, এটা নতুন কিছু নয়। তবে আশার কথা হচ্ছে, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পক্ষেই অধিকতর জনমত রয়েছে। একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটি, মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতাবিরোধী দক্ষিণ এশীয় গণসম্মিলন ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণ কেন্দ্র-এর উদ্যোগে ২০ জুন ঢাকায় যে ত্রি-মহাদেশীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়ে গেল, সেখানে উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ ও এশিয়ার ১১টি দেশ থেকে ৪০ জন প্রতিনিধি ও পর্যবেক্ষক অংশ নিয়েছিলেন। এই তথ্য থেকে বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধের বিচারের পক্ষে আন্তর্জাতিক সমর্থনের একটা চিত্র পাওয়া যায়। দেশের ভেতরে জনমতের কথা তো বলাই বাহুল্য। আওয়ামী লীগ তার নির্বাচনী ইশতেহারে অঙ্গীকার করেছিল, তারা নির্বাচিত হলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবে। অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ইস্যু বলেই তারা এমন অঙ্গীকার করেছিল এবং আমার ধারণা, এ কারণে তারা অনেক ভোট পেয়েছে। সুতরাং দেশবাসী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য প্রস্তুত। দেশের অভ্যন্তরে এ বিষয়ে কোনো বাধাবিঘ্ন নেই। আন্তর্জাতিক পরিসরে জামায়াত যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচানোর জন্য যেসব তৎপরতা চালাচ্ছে, সেগুলো এ দেশে হালে পানি পাবে না।
কিন্তু দুঃখের বিষয়, আমাদের নির্বাচিত সরকারের দিক থেকেই এ বিষয়ে পরিপূর্ণ বা খুব জোরালো উদ্যোগের ঘাটতি লক্ষ করা যাচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে কয়েক মাস আগে বলা হয়েছিল, যুদ্ধাপরাধের বিচারের বিরুদ্ধে বিদেশি চাপ আছে। এখন বলা হচ্ছে, বিরোধী দল বিএনপি যুদ্ধাপরাধীদের পাশে দাঁড়িয়েছে। এসব কথাবার্তা কিন্তু নানা সংশয় সৃষ্টি করে। আমরা দেখেছি, আওয়ামী লীগ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের সুযোগ এর আগেও একবার পেয়েছিল, কিন্তু তা কাজে লাগায়নি। জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে দেশজুড়ে যে প্রবল আন্দোলন শুরু হয়েছিল, সেই আন্দোলনের একটা সুফল হিসেবে আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করেছিল। তখনই আওয়ামী লীগ সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার-প্রক্রিয়া শুরু করতে পারত। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল, সেটা তারা করেনি। বরং শেখ হাসিনার প্রধানমন্ত্রিত্বের সেই প্রথম মেয়াদের পাঁচ বছরে যুদ্ধাপরাধের বিচারের বিষয়টি চাপা পড়ে গিয়েছিল। এবারও অনেকে বলছেন, আওয়ামী লীগ যুদ্ধাপরাধের বিচারে আন্তরিক নয়। দলটি এই ইস্যু হিসেবে জিইয়ে রাখতে চায় ভবিষ্যতে নির্বাচনী রাজনীতির ফায়দা নিতে। কিন্তু এমন অভিযোগের প্রতি সায় দেওয়া কঠিন। কারণ আওয়ামী লীগ ছাড়া আর কোন দল আছে যে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবে? বিএনপি? অসম্ভব। তারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা দূরে থাক, বিচার যাতে না হয় সেই চেষ্টাই করবে। কারণ জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে তাদের মিলটা আদর্শগত; তারা জামায়াতে রাজনীতির পৃষ্ঠপোষক। বিএনপিই তো জামায়াতে ইসলামীকে এদেশের রাজনীতিতে পুনর্বাসিত করেছে। শুধু তাই নয়, বিএনপি এমনকি সরকার পরিচালনায়ও অংশীদার করেছে যুদ্ধাপরাধীদের এই দলটিকে।
তাই আওয়ামী লীগ সরকারকেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পন্ন করতে হবে। এই কর্তব্য থেকে তাদের পিছপা হওয়ার কোনো রাস্তা খোলা নেই।
জামিল আহমেদ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
২.
যুদ্ধাপরাধীর বিচার নিয়ে নানা জনে নানা সংজ্ঞা, নানা প্যাঁচের আইন, আইনের নানা প্যাঁচ ইত্যাদি দেখাচ্ছেন, যেন বিচারটা বিলম্বিত হতে হতে আর না হয়। কিন্তু আমরা নাগরিকেরা মনে করি, এ বিচার নিয়ে কোনো সংজ্ঞা কিংবা আইনের কোনো প্যাঁচের দরকার নেই। বিএনপি নানা রকম বাহানা করছে কারণ, তাদের দলেই বিভিন্ন পাস করা আসনে স্বীকৃত নামজাদা যুদ্ধাপরাধী আছেন, তাঁদের রক্ষা করা। কিন্তু এটা বিএনপির সমর্থক তরুণ প্রজন্মের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বিচারটা সম্পন্ন করার জন্য যে ঝুঁকি নিয়েছেন, আমরা চাই তিনি তাতে সফল হন। অনেকে বলছে, স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল কেন? প্রচলিত ফৌজদারি আইন আছে, তাতেই বিচার হোক। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধে কি একজন-দুজন মানুষের বিরুদ্ধে অপরাধ হয়েছে? না। অপরাধ করা হয়েছে লাখ লাখ বেসামরিক মানুষের বিরুদ্ধে। যুদ্ধে সামরিক সদস্যরা একে অপরকে হত্যা করে। এই হত্যা উভয়পক্ষ স্বীকার করেই যুদ্ধে নামে, কিন্তু যখন বেসামরিক নিরপরাধ লোককে লাখে লাখে মেরে ফেলা হয়, নির্যাতন করা হয়, তখন এই অপরাধের জন্য প্রচলিত আইনে বিচার বা কোনো প্রকার সহূদয় বিবেচনার প্রশ্ন অবান্তর।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নিজে একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। তাঁর মতাদর্শে চালিত কোনো দল স্বাধীনতাবিরোধীদের পক্ষে অবস্থান নিতে পারে না। সাময়িক প্রয়োজনে কিছু চিহ্নিত রাজাকারকে দলে ভেড়ানো হয়েছে ঠিকই, জামায়াতের সঙ্গে জোট বাঁধা হয়েছে ঠিকই, কিন্তু এখন সময় এসেছে তাদের ঝেড়ে ফেলে নিজেদের শুদ্ধ করার। বিএনপি এ সুযোগটা নিতে পারে। নেওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। তা না হলে তরুণ প্রজন্ম, অর্থাৎ আমরা যারা জাতীয়তাবাদের সমর্থক এবং বাংলাদেশকে ভালোবাসি, খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের মুখে দলভক্তি দেখানো বিপথগামিতার বাণী আমরা শুনতে চাই না। তাঁর কথায় দলের যে অবস্থান স্পষ্ট হয়, তা এ দলের ভবিষ্যতের জন্য খুবই মারাত্মক। রাজাকারদের পাশ ছাড়ুন। এই একটা ইস্যুতে সরকারের পাশে আন্তরিকভাবে দাঁড়ান। দেশের মানুষ, যারা আপনাদেরই ভোটব্যাংক, তারা বিএনপির সদিচ্ছা দেখতে চায়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উচিত এখন জাতির উদ্দেশে রেডিও-টেলিভিশনে একটা ভাষণ দেওয়া, যাতে তিনি শহীদ জিয়ার মুক্তিযোদ্ধা পরিচয়কে প্রাধান্য দিয়ে বিএনপিকে পাশে দাঁড়ানোর অনুরোধ জানাবেন। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ব্যাপারটায় তিনি জাতীয়তাবাদী দল এবং দেশের সাধারণ সচেতন মানুষকে সঙ্গে নেওয়ার আবেদন জানাবেন।
সরকার এই ইস্যুতে একটা গণমতামত যাচাইয়ের ব্যবস্থা নিতে পারে। কাগুজে নাম ‘যুদ্ধাপরাধের/মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের বিচার’ থাকুক, মানুষ জানুক, এটা আসলে ‘রাজাকার-আলবদর-আলশামসের বিচার’, নিদেনপক্ষে রাজাকারদের বিচার। গণমানুষের রায় নিয়ে এগোলে ক্ষমতা বদল হলেও বিচার নিয়ে প্রশ্ন উঠবে না।
আওয়ামী লীগের কোথাও কোনো প্রমাণিত-পরিচিত-স্বীকৃত যুদ্ধাপরাধী থাকলে দল থেকে সাহস করে তাদের বের করে দিন। ঢোল পিটিয়ে কাজটা করুণ, যেন সৎসাহস কী, সেটা মানুষ দেখে। অন্য দেশের সামরিক বাহিনী তাদের রাষ্ট্রের আদেশে এসে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ করেছে, তাদের বিচার অন্য ব্যাপার। সে জন্য আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল দরকার। কিন্তু নিজ দেশের যে মানুষেরা এই অপরাধের হোতা, তাদের বিচার এ দেশে দ্রুততম সময়ে ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমেই হোক—এই আমাদের প্রত্যাশা।
ওসমান মোল্লা, ঢাকা।
বিশ্বকাপের উচ্ছ্বাস, আমাদের লাভ-ক্ষতি
দক্ষিণ আফ্রিকায় বিশ্বকাপ ফুটবল চলছে। এই আনন্দে বাংলাদেশের ইমারতের উঁচু ছাদ, গাছের উঁচু ডাল, মুঠোফোনের টাওয়ার, বিপণিবিতান, শহরের অলিগলি; এমনকি গ্রামগঞ্জের হাটবাজারের দোকানে দোকানে বাঁশ গেড়ে ঝোলানো হয়েছে বিভিন্ন দেশের পতাকা। তরুণ-তরুণীরা পরছে প্রিয় দলের বা দেশের ফুটবল দলের জার্সি। সর্বত্র চলছে ফুটবল নিয়ে কথা। রাজনৈতিক নেতারাও এ সুযোগে ফুটবলপাগল জনগণের সমর্থন আদায়ের জন্য শহরে-উপশহরে জুড়ে দিয়েছেন বড় পর্দার টিভি।
ইদানীং খেলা শেষে গভীর রাতে শহরে বা গ্রামে আনন্দমিছিল বের হচ্ছে। বয়স্ক, শিশু, রোগী বা যাঁরা খেলে দেখেন না, তাঁদের ঘুমের ব্যাঘাত যে হচ্ছে, এটা বিবেচনা করা হচ্ছে না। খেলা চলার সময় লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে অনেক জায়গায় ভাঙচুর করা হয়েছে। এতে সম্পদের ক্ষতি হয়েছে অনেক। আমাদের দেশের ফুটবল দল বিশ্বকাপে খেলছে না। বিশ্বকাপ ফুটবলকে কেন্দ্র করে আমাদের নিজেদের পতাকা ঝোলানোর কোনো সুযোগ নেই। অন্য দেশের পতাকা নিয়ে আমাদের উচ্ছ্বাসের বাড়াবাড়ি ভালো দেখায় না।
ভবিষ্যতে ফুটবল বা ক্রিকেটের বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার আগেই অন্য দেশের পতাকা ঝোলানোর ব্যাপারে একটি সরকারি নিতিমালা করা উচিত। আর বিদেশি ফুটবল দলগুলোকে নিয়ে উন্মাদনায় মেতে ওঠার চেয়ে বিশ্বকাপে খেলার মতো যোগ্য ফুটবল দল আমরা নিজেরা কীভাবে গড়ে তুলতে পারি, তা নিয়ে চিন্তাভাবনা করা ভালো।
মো. হাচানুজ্জামান সবুজ, ছাত্র, ফরিদপুর।
আমাদের দুর্নীতি দমন কমিশন
দুর্নীতি দমন কমিশন গঠন করা হয়েছিল দুর্নীতি দমন করার উদ্দেশ্যে। বলা হয়েছিল, দুদক একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। কিন্তু দুদককে পরিণত করা হয়েছিল দলীয় প্রতিষ্ঠানে; দুদককে ব্যবহার করা হয়েছিল দুর্নীতি দমনে নয়, বরং দুর্নীতি বিস্তারে। মহাজোট সরকারের অঙ্গীকার ছিল, একটি স্বাধীন ও কার্যকর দুর্নীতি দমন কমিশন করা হবে; যা দুর্নীতি দমনে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। কিন্ত সরকার দুদককে ক্ষমতাহীন করার উদ্যোগ নিয়েছে। সম্প্রতি মন্ত্রিসভা দুর্নীতি দমন কমিশনের সংশোধিত আইনের খসড়া অনুমোদন করেছে। এই খসড়াটি প্রণীত হয়েছে সরকারি কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত একটি আন্তমন্ত্রণালয়ের কমিটির সুপারিশের আলোকে। এ প্রসঙ্গে দুদকের চেয়ারম্যান গোলাম রহমান বলেছেন, কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়িত হলে প্রতিষ্ঠানটি নখদন্তহীন বাঘে পরিণত হবে। জনাব গোলাম রহমানের বক্তব্য থেকেই স্পষ্ট হয়, দুদকের প্রকৃত অবস্থা কী হবে।
সম্প্রতি সরকারের হিসাবসম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি মহীউদ্দীন খান আলমগীর বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলের মতো দুদকের প্রয়োজন নেই। তাহলে তিনি কেমন দুর্নীতি দমন কমিশন চান। তিনি কি চান দুর্নীতি দমন কমিশন একটি কাগুজে প্রতিষ্ঠানে পরিণত হোক? অবশ্য তিনি এবং তাঁরা কেমন দুর্নীতি দমন কমিশন চান, তার একটা রূপরেখা ইতিমধ্যে পাওয়া গেছে। যদিও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দুদকের ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন রয়ে গেছে, তবু এ কথা স্বীকার করতে হবে যে তখন দুদক অনেক প্রশংসামূলক কাজও করেছে। জনাব মহীউদ্দীন খান আরও বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দুদক বিনা দোষে রাজনীতিবিদদের হয়রানি করেছে। সব রাজনীতিবিদ যদি ধোয়া তুলসী পাতা হন, তাহলে দুর্নীতির জন্য কারা দায়ী। প্রায় সব মামলাই প্রত্যাহার করা হচ্ছে। তাঁরা যদি নির্দোষ হন, তবে কেন তাঁরা বিচারের মুখোমুখি দাঁড়ালেন না এবং আইনের মাধ্যমে নিজেদের নির্দোষ প্রমাণিত করলেন না। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলের জন্য বিএনপি ও আওয়ামী লীগ একে অন্যকে দায়ী করছে। তাদের কথা আংশিক সত্যি। পুরোপুরি সত্যি হলো, দুটি দলই সমানভাবে দায়ী।
বর্তমান সরকার এসেছিল দিনবদলের স্বপ্ন দেখিয়ে। দেশের মানুষও স্বপ্ন দেখেছিল পরিবর্তনের। কিন্তু বছর যেতে না-যেতে সেই পুরোনো রাজনীতি, পুরোনো রূপ। দেশের মানুষ চায়, এসবের অবসান হোক এবং সরকার তার অঙ্গীকার পূরণের লক্ষ্যে কাজ করুক। আর সরকারের লক্ষ্য পূরণের জন্য প্রথমে দুর্নীতি প্রতিরোধে কাজ করতে হবে এবং সে জন্য চাই একটি স্বাধীন ও শক্তিশালী দুর্নীতি দমন কমিশন। এখন দেখার বিষয়, সরকার তার লক্ষ্য পূরণে কতটা সফল হয়।
সৌরভ আদনান
Sourabh.july1@gmail.com
ধনী হলেই দাম্ভিক হতে নেই
গত ১৩ জুন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান খানের সঙ্গে তুমুল তর্ক-বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন আমাদের দেশের বিশিষ্ট ভূমি উন্নয়ন ব্যবসায়ীরা। ওয়াশিংটন তথা যুক্তরাষ্ট্রের প্রবাসী বাঙালিরা টিভিতে এ সংবাদ দেখে হতবাক হয়েছে। ব্যবসায়ীদের এমন আচরণ অশোভনীয়। পত্রিকা ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদে জানা যায়, রিহ্যাব নেতাদের সঙ্গেও রাজউকের তর্ক-বিতর্ক হয়। বিতর্কের একপর্যায়ে একজন ধনাঢ্য আবাসন ব্যবসায়ী হাত উঁচিয়ে কথা বলেন, প্রতিমন্ত্রী এত বড় দুঃসাহস কোথায় পায়। যুক্তরাষ্ট্রের প্রবাসীরা মনে করেন বাগিবতণ্ডায় না গিয়ে ভূমি উন্নয়ন ব্যবসায়ীরা ড্যাপ নিয়ে নিজেদের মতামত, সুপারিশ পেশ করতে পারতেন। ধনী হলেই অর্থের জোরে এমন দাম্ভিক আচরণ করা উচিত নয়।
অগাধ সম্ভাবনার দেশ বাংলাদেশ। আমরা সবাই মিলে যদি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা ভেবে ঢাকা ও তার আশপাশের এলাকা পরিকল্পিতভাবে গড়ে তুলি, তাহলে সকলেরই লাভ। সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে আগামী প্রজন্ম, আমাদের সন্তান-সন্ততিরা। সুস্বাস্থ্য ও সুন্দর পরিবেশ একটি দেশের চেহারাকে বদলে দেয়। সরকারের একার পক্ষে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। সবার সহযোগিতা দরকার। বিশিষ্ট ব্যবসায়ীরা যদি দেশের পরিবেশ রক্ষার্থে সীমাহীন অর্থলিপ্সা ত্যাগ করেন, তাহলে মঙ্গল হবে।
হারুন চৌধুরী
ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
Chowdhury.harun@yahoo.com
বিএনপির হরতাল
বিএনপি গত ২৭ জুন মহাজোট সরকারের ‘দুর্নীতি-নির্যাতন-অপকর্মের’ বিরুদ্ধে সারা দেশে হরতাল পালন করেছে। ক্ষমতাসীন দলের নেতারা হরতালের আগে যেসব উসকানিমূলক-প্রতিহিংসামূলক বক্তব্য দিয়েছেন, তা বাংলাদেশে দিনবদলের রাজনীতিতে সহিষ্ণুতার সংস্কৃতির বিকাশকে চরমভাবে বাধাগ্রস্ত করবে। এ ধরনের বক্তব্য দুটি সংগঠনের মধ্যে অবিশ্বাস তৈরি করবে। হরতাল পালন বা প্রত্যাখ্যানের দায়িত্ব জনগণের ওপর ছেড়ে দেওয়া উচিত। সরকার বা সরকারি দলের এতে হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়। তারাও বিরোধী দলে থাকার সময় একইভাবে হরতাল করেছিল। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানোর সবচেয়ে স্বাভাবিক পন্থা হচ্ছে হরতাল। হরতালের মতো কর্মসূচি বন্ধ করার চেষ্টা করা মানে গণতান্ত্রিক চর্চায় বাধার সৃষ্টি করা। হরতালে জনজীবনকে ক্ষয়ক্ষতি থেকে নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব সরকারের। শান্তিপূর্ণভাবে হরতাল পালন করার সময় একজন বরেণ্য রাজনীতিবিদের বাসায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভাঙচুর-লুটপাট অত্যন্ত নিন্দনীয়। কার অঙ্গুলি হেলনে, কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা সরকারকে জাতির সামনে স্পষ্ট করতে হবে। হরতালকে কেন্দ্র করে অনেকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, একজন প্রকৌশলী মৃত্যুপথযাত্রী, একজন গাড়িচালককে পেট্রল ঢেলে পুড়িয়ে মারা হয়েছে। জনগণকে নিরাপত্তা দেওয়ার এ পরীক্ষায় সরকার পাস করতে পারেনি। সহিংসতা নিরসনে সরকারের আরও সতর্ক হওয়া উচিত। বিরোধী দলও এই নৃশংস ঘটনার দায় এড়াতে পারে না। সরকার ও বিরোধী দল উভয়কেই জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। নতুন দিনের আগমনী বার্তা দিয়ে ডিজিটাল সরকার দেশে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, জ্বালানি ঘাটতি, কৃষকের ন্যায্যমূল্য না পাওয়া, চাঁদাবাজি-টেন্ডারবাজি-হত্যা, নদী দখল, বিদ্যুৎ-গ্যাস-কয়লাক্ষেত্রে বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে বিতর্কিত চুক্তি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ছাত্রলীগের দখলদারি, আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি, ক্রসফায়ার, গুপ্তহত্যা, ভারতের সঙ্গে অস্বচ্ছ চুক্তি, রেন্টাল বিদ্যুৎ-বিতর্ক, যুদ্ধাপরাধীর বিচার-প্রক্রিয়ায় চরম স্থবিরতা, টিপাইমুখ বাঁধ, বন্দর লিজ-বিতর্ক, সরকারবিরোধী সংগঠনগুলোর ওপর হামলা, নারী নির্যাতন, দুদক, বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন, গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের কারণে জনগণ ক্ষুব্ধ।
এই পুঞ্জীভূত ক্ষোভ যেকোনো সময় বিক্ষোভে ফেটে পড়তে পারে। কিন্তু বিএনপির আহূত হরতালে সাধারণ মানুষ আশা সঞ্চার করার মতো কিছুই দেখেনি। কারণ বিএনপিও ক্ষমতায় থাকাকালে একই ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল। মহাজোট সরকারের অপকর্মের বিরুদ্ধে বিএনপি কোনো সত্যিকার আন্দোলন গড়ে তুলতে পারেনি। সরকারকে ব্যর্থ হিসেবে আখ্যা দিয়ে কোনো সমাধানের পথ তারা জাতিকে দেখাতে পারেনি। তাই সাম্প্রতিক হরতাল জনগণের কাছে অর্থবহ হয়ে ওঠেনি।
রহমান শিহান, শিক্ষার্থী
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
শিক্ষা আর পরীক্ষায় পাস করা
গত ১ জুন সৈয়দ আবুল মকসুদের ‘শিক্ষার তিন অবস্থা’ শিরোনামে লেখাটির অধিকাংশ যুক্তির সঙ্গেই আমি একমত। তবে পরীক্ষায় পাস-ফেলের প্রসঙ্গে তিনি যা বলেছেন, সে সম্পর্কে কিছু বলব। ১৮৫৭ সালের ম্যাট্রিক পরীক্ষায় এক-চতুর্থাংশ পরীক্ষার্থীও পাস করেনি, ১৮৫৮ সালের বিএ পরীক্ষায় ১৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র দুজন (বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ও যদুনাথ বসু) পাস করেন। একটা সময় ছিল যখন পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে শিক্ষক বা পরীক্ষক কত কঠোর বা কৃপণ হতে পারেন, তার মধ্যে ছিল মনে হয় যত কৃতিত্ব। ১০ নম্বরের কোনো প্রশ্নের উত্তরের জন্য যত ভালোই লিখুক, দেখা যেত ৬ বা সর্বোচ্চ ৭। আমরা ছাত্রাবস্থায় শিক্ষকদের জিজ্ঞাসা করতাম, স্যার, কীভাবে বা কতটুকু লিখলে পুরো নম্বর দেবেন? উত্তরে শিক্ষকেরা বলতেন, ‘জানি না, আসলে পুরো নম্বর আমরাও আমাদের শিক্ষকের কাছ থেকে পাইনি, তাই আমরাও আমাদের ছাত্রদের দিই না।’
বর্তমান পরিস্থিতি কিছুটা ভিন্ন। এখন পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের একটা অংশ থাকে নৈর্ব্যক্তিক, যেখানে পরীক্ষার্থী শতভাগ নম্বর পেতে পারে। এর প্রভাব পরীক্ষার রচনামূলক অংশের ওপরও হয়তো কিছুটা পড়ছে। আজ পরীক্ষকেরা হয়তো উত্তরপত্র মূল্যায়নের আগে প্রতিটি প্রশ্নের একটা মোটামুটি স্ট্যান্ডার্ড নমুনা উত্তর ঠিক করে নিচ্ছেন। আগে পরীক্ষকেরা কঠোরতার অনুশীলন করায় পাসের হার খুব কম হতো; এখন পরীক্ষকেরা উদারতার অনুশীলন করায় পাসের হার বেশি হয়ে যাচ্ছে। আসলে কোনো ব্যবস্থাই শতভাগ ত্রুটিমুক্ত অথবা প্রশ্নাতীত নয়।
আমরা যতই বলি, শিক্ষার উদ্দেশ্য মানুষ তৈরি করা। আসলে আমরা মানুষ হতে চাই না। আমরা হতে চাই চিকিৎসক, ইঞ্জিনিয়ার, আইনজীবী, ব্যাংকার প্রভৃতি মোটা অঙ্কের অর্থ উপার্জনকারী পেশাজীবী। সেখানে দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর অথবা মুন্সী মেহেরুল্লাহর মতো মানুষদের স্থান কোথায়? যে শিক্ষার কোনো নগদ বাজারদর নেই, সে শিক্ষা কে নেবে?
পরীক্ষায় পাস করা শিক্ষার উদ্দেশ্য না হতে পারে, তবে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক, সরকার, জাতি, মিষ্টির দোকানদার—সবার একান্ত কাম্য।
অসীম কুমার ভৌমিক, শিক্ষক।
ashimkumar_67@yahoo.com
টাকা ছিদ্র করা বন্ধ হোক
রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে কাগুজে টাকার নোট ‘গোনা-বাছার সুবিধার জন্য’ তোড়া বানাতে গিয়ে গজালের সাহায্যে ফুটো করে, তাতে মোটা সুতা ঢুকিয়ে দু-তিন দিক থেকে বেঁধে, ওপরের ও নিচের নোটের ওপর গাম ও কাগজ লাগিয়ে, সিল-স্বাক্ষর দিয়ে, নোটের সংখ্যা ইত্যাদি লিখে গ্রাহকদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। সুতায় বাঁধা নোটগুলো যখন গ্রাহকদের হাতে যায়, তখন তারা তা খোলে এবং খরচ করে। বিভিন্ন হাত ঘুরে সেসব নোট যখন আবার ব্যাংকে জমা হয়, তখন ব্যাংকের লোকেরা তাদের ‘গোনা-বাছার’ সুবিধার্থে আবারও একইভাবে গজাল ও সুতার সাহায্যে সেগুলোকে তোড়া আকারে বাঁধে। এভাবে নোটগুলোর ছিদ্র ক্রমশ বড় হতে থাকে, ছিদ্রের ধার দিয়ে ফাটল শুরু হয় এবং অল্প সময়ের মধ্যেই নোটগুলো ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। পৃথিবীর কোনো দেশে কাগুজে নোট এভাবে ছিদ্র করে সুতা বেঁধে তোড়া বানানো হয় না; এমনকি পার্শ্ববতী ভারত, নেপাল বা ভুটানেও নয়।
কিন্তু আবার দেখুন, এ দেশের যেসব ব্যাংকে বৈদেশিক মুদ্র যেমন ডলার, ইউরো, পাউন্ড, রিয়াল, দিনার ইত্যাদি লেনদেন হয়, তারা কিন্তু ওই সব মুদ্রার কাগুজে নোটগুলো ছিদ্র করে না। ছিদ্র করলে হয়তো ডলার-পাউন্ড অচল বলে গণ্য হবে। তাহলে টাকার কাগুজে নোটগুলো কেন ছিদ্র করা হয়? এ প্রশ্নের উত্তর কে দেবে? ছিদ্র করার ফলে নোটগুলোর স্বাভাবিক আয়ুষ্কাল অনেক কমে যায়। ফলে বাংলাদেশ ব্যাংককে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি ঘন ঘন নতুন নোট ছাপতে হয়। এতে রাষ্ট্রীয় অর্থের অনেক অপচয় হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক বা সরকারের অবশ্যই এ বিষয়ে কিছু করা উচিত। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেওয়া উচিত, কোনোভাবেই যেন কাগুজে মুদ্রা ছিদ্র করা না হয়। সারা দুনিয়ার ব্যাংকগুলো যেভাবে কাগুজে মুদ্রার তোড়া বানায়, আমাদেরও তাই করা উচিত।
সুরাইয়া ঝুমু, শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
surayajhumu@yahoo.com
লিখুন, পাঠিয়ে দিন
প্রিয় পাঠক, প্রথম আলোয় প্রকাশিত সম্পাদকীয়, উপসম্পাদকীয়, প্রতিবেদন ইত্যাদি নিয়ে আপনার প্রতিক্রিয়া/ভিন্নমত আমাদের লিখে পাঠান। সমসাময়িক অন্যান্য বিষয়েও আপনার অভিমত, চিন্তা, বিশ্লেষণ সর্বোচ্চ ৪০০ শব্দের মধ্যে লিখে পাঠিয়ে দিন ডাকযোগে:
অভিমত, সম্পাদকীয় বিভাগ, প্রথম আলো, সিএ ভবন,
১০০ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,
কারওয়ান বাজার, ঢাকা।
ই-মেইলে (এমএস ওয়ার্ড অ্যাটাচমেন্ট):
obhimot@prothom-alo.info
আমরা সংবাদমাধ্যমে জানতে পাচ্ছি, যুদ্ধাপরাধের বিচারকে বাধা দেওয়ার লক্ষ্যে যুদ্ধাপরাধীদের দল জামায়াতে ইসলামী দেশে-বিদেশে সুপরিকল্পিতভাবে নানা তৎপরতা চালাচ্ছে। জামায়াত ও তার বিদেশি বন্ধুরা, যেমন পাকিস্তান ও সৌদি আরব যুদ্ধাপরাধীদের বিচার-প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করবে, এটা নতুন কিছু নয়। তবে আশার কথা হচ্ছে, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পক্ষেই অধিকতর জনমত রয়েছে। একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটি, মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতাবিরোধী দক্ষিণ এশীয় গণসম্মিলন ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণ কেন্দ্র-এর উদ্যোগে ২০ জুন ঢাকায় যে ত্রি-মহাদেশীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়ে গেল, সেখানে উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ ও এশিয়ার ১১টি দেশ থেকে ৪০ জন প্রতিনিধি ও পর্যবেক্ষক অংশ নিয়েছিলেন। এই তথ্য থেকে বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধের বিচারের পক্ষে আন্তর্জাতিক সমর্থনের একটা চিত্র পাওয়া যায়। দেশের ভেতরে জনমতের কথা তো বলাই বাহুল্য। আওয়ামী লীগ তার নির্বাচনী ইশতেহারে অঙ্গীকার করেছিল, তারা নির্বাচিত হলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবে। অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ইস্যু বলেই তারা এমন অঙ্গীকার করেছিল এবং আমার ধারণা, এ কারণে তারা অনেক ভোট পেয়েছে। সুতরাং দেশবাসী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য প্রস্তুত। দেশের অভ্যন্তরে এ বিষয়ে কোনো বাধাবিঘ্ন নেই। আন্তর্জাতিক পরিসরে জামায়াত যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচানোর জন্য যেসব তৎপরতা চালাচ্ছে, সেগুলো এ দেশে হালে পানি পাবে না।
কিন্তু দুঃখের বিষয়, আমাদের নির্বাচিত সরকারের দিক থেকেই এ বিষয়ে পরিপূর্ণ বা খুব জোরালো উদ্যোগের ঘাটতি লক্ষ করা যাচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে কয়েক মাস আগে বলা হয়েছিল, যুদ্ধাপরাধের বিচারের বিরুদ্ধে বিদেশি চাপ আছে। এখন বলা হচ্ছে, বিরোধী দল বিএনপি যুদ্ধাপরাধীদের পাশে দাঁড়িয়েছে। এসব কথাবার্তা কিন্তু নানা সংশয় সৃষ্টি করে। আমরা দেখেছি, আওয়ামী লীগ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের সুযোগ এর আগেও একবার পেয়েছিল, কিন্তু তা কাজে লাগায়নি। জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে দেশজুড়ে যে প্রবল আন্দোলন শুরু হয়েছিল, সেই আন্দোলনের একটা সুফল হিসেবে আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করেছিল। তখনই আওয়ামী লীগ সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার-প্রক্রিয়া শুরু করতে পারত। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল, সেটা তারা করেনি। বরং শেখ হাসিনার প্রধানমন্ত্রিত্বের সেই প্রথম মেয়াদের পাঁচ বছরে যুদ্ধাপরাধের বিচারের বিষয়টি চাপা পড়ে গিয়েছিল। এবারও অনেকে বলছেন, আওয়ামী লীগ যুদ্ধাপরাধের বিচারে আন্তরিক নয়। দলটি এই ইস্যু হিসেবে জিইয়ে রাখতে চায় ভবিষ্যতে নির্বাচনী রাজনীতির ফায়দা নিতে। কিন্তু এমন অভিযোগের প্রতি সায় দেওয়া কঠিন। কারণ আওয়ামী লীগ ছাড়া আর কোন দল আছে যে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবে? বিএনপি? অসম্ভব। তারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা দূরে থাক, বিচার যাতে না হয় সেই চেষ্টাই করবে। কারণ জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে তাদের মিলটা আদর্শগত; তারা জামায়াতে রাজনীতির পৃষ্ঠপোষক। বিএনপিই তো জামায়াতে ইসলামীকে এদেশের রাজনীতিতে পুনর্বাসিত করেছে। শুধু তাই নয়, বিএনপি এমনকি সরকার পরিচালনায়ও অংশীদার করেছে যুদ্ধাপরাধীদের এই দলটিকে।
তাই আওয়ামী লীগ সরকারকেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পন্ন করতে হবে। এই কর্তব্য থেকে তাদের পিছপা হওয়ার কোনো রাস্তা খোলা নেই।
জামিল আহমেদ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
২.
যুদ্ধাপরাধীর বিচার নিয়ে নানা জনে নানা সংজ্ঞা, নানা প্যাঁচের আইন, আইনের নানা প্যাঁচ ইত্যাদি দেখাচ্ছেন, যেন বিচারটা বিলম্বিত হতে হতে আর না হয়। কিন্তু আমরা নাগরিকেরা মনে করি, এ বিচার নিয়ে কোনো সংজ্ঞা কিংবা আইনের কোনো প্যাঁচের দরকার নেই। বিএনপি নানা রকম বাহানা করছে কারণ, তাদের দলেই বিভিন্ন পাস করা আসনে স্বীকৃত নামজাদা যুদ্ধাপরাধী আছেন, তাঁদের রক্ষা করা। কিন্তু এটা বিএনপির সমর্থক তরুণ প্রজন্মের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বিচারটা সম্পন্ন করার জন্য যে ঝুঁকি নিয়েছেন, আমরা চাই তিনি তাতে সফল হন। অনেকে বলছে, স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল কেন? প্রচলিত ফৌজদারি আইন আছে, তাতেই বিচার হোক। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধে কি একজন-দুজন মানুষের বিরুদ্ধে অপরাধ হয়েছে? না। অপরাধ করা হয়েছে লাখ লাখ বেসামরিক মানুষের বিরুদ্ধে। যুদ্ধে সামরিক সদস্যরা একে অপরকে হত্যা করে। এই হত্যা উভয়পক্ষ স্বীকার করেই যুদ্ধে নামে, কিন্তু যখন বেসামরিক নিরপরাধ লোককে লাখে লাখে মেরে ফেলা হয়, নির্যাতন করা হয়, তখন এই অপরাধের জন্য প্রচলিত আইনে বিচার বা কোনো প্রকার সহূদয় বিবেচনার প্রশ্ন অবান্তর।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নিজে একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। তাঁর মতাদর্শে চালিত কোনো দল স্বাধীনতাবিরোধীদের পক্ষে অবস্থান নিতে পারে না। সাময়িক প্রয়োজনে কিছু চিহ্নিত রাজাকারকে দলে ভেড়ানো হয়েছে ঠিকই, জামায়াতের সঙ্গে জোট বাঁধা হয়েছে ঠিকই, কিন্তু এখন সময় এসেছে তাদের ঝেড়ে ফেলে নিজেদের শুদ্ধ করার। বিএনপি এ সুযোগটা নিতে পারে। নেওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। তা না হলে তরুণ প্রজন্ম, অর্থাৎ আমরা যারা জাতীয়তাবাদের সমর্থক এবং বাংলাদেশকে ভালোবাসি, খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের মুখে দলভক্তি দেখানো বিপথগামিতার বাণী আমরা শুনতে চাই না। তাঁর কথায় দলের যে অবস্থান স্পষ্ট হয়, তা এ দলের ভবিষ্যতের জন্য খুবই মারাত্মক। রাজাকারদের পাশ ছাড়ুন। এই একটা ইস্যুতে সরকারের পাশে আন্তরিকভাবে দাঁড়ান। দেশের মানুষ, যারা আপনাদেরই ভোটব্যাংক, তারা বিএনপির সদিচ্ছা দেখতে চায়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উচিত এখন জাতির উদ্দেশে রেডিও-টেলিভিশনে একটা ভাষণ দেওয়া, যাতে তিনি শহীদ জিয়ার মুক্তিযোদ্ধা পরিচয়কে প্রাধান্য দিয়ে বিএনপিকে পাশে দাঁড়ানোর অনুরোধ জানাবেন। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ব্যাপারটায় তিনি জাতীয়তাবাদী দল এবং দেশের সাধারণ সচেতন মানুষকে সঙ্গে নেওয়ার আবেদন জানাবেন।
সরকার এই ইস্যুতে একটা গণমতামত যাচাইয়ের ব্যবস্থা নিতে পারে। কাগুজে নাম ‘যুদ্ধাপরাধের/মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের বিচার’ থাকুক, মানুষ জানুক, এটা আসলে ‘রাজাকার-আলবদর-আলশামসের বিচার’, নিদেনপক্ষে রাজাকারদের বিচার। গণমানুষের রায় নিয়ে এগোলে ক্ষমতা বদল হলেও বিচার নিয়ে প্রশ্ন উঠবে না।
আওয়ামী লীগের কোথাও কোনো প্রমাণিত-পরিচিত-স্বীকৃত যুদ্ধাপরাধী থাকলে দল থেকে সাহস করে তাদের বের করে দিন। ঢোল পিটিয়ে কাজটা করুণ, যেন সৎসাহস কী, সেটা মানুষ দেখে। অন্য দেশের সামরিক বাহিনী তাদের রাষ্ট্রের আদেশে এসে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ করেছে, তাদের বিচার অন্য ব্যাপার। সে জন্য আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল দরকার। কিন্তু নিজ দেশের যে মানুষেরা এই অপরাধের হোতা, তাদের বিচার এ দেশে দ্রুততম সময়ে ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমেই হোক—এই আমাদের প্রত্যাশা।
ওসমান মোল্লা, ঢাকা।
বিশ্বকাপের উচ্ছ্বাস, আমাদের লাভ-ক্ষতি
দক্ষিণ আফ্রিকায় বিশ্বকাপ ফুটবল চলছে। এই আনন্দে বাংলাদেশের ইমারতের উঁচু ছাদ, গাছের উঁচু ডাল, মুঠোফোনের টাওয়ার, বিপণিবিতান, শহরের অলিগলি; এমনকি গ্রামগঞ্জের হাটবাজারের দোকানে দোকানে বাঁশ গেড়ে ঝোলানো হয়েছে বিভিন্ন দেশের পতাকা। তরুণ-তরুণীরা পরছে প্রিয় দলের বা দেশের ফুটবল দলের জার্সি। সর্বত্র চলছে ফুটবল নিয়ে কথা। রাজনৈতিক নেতারাও এ সুযোগে ফুটবলপাগল জনগণের সমর্থন আদায়ের জন্য শহরে-উপশহরে জুড়ে দিয়েছেন বড় পর্দার টিভি।
ইদানীং খেলা শেষে গভীর রাতে শহরে বা গ্রামে আনন্দমিছিল বের হচ্ছে। বয়স্ক, শিশু, রোগী বা যাঁরা খেলে দেখেন না, তাঁদের ঘুমের ব্যাঘাত যে হচ্ছে, এটা বিবেচনা করা হচ্ছে না। খেলা চলার সময় লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে অনেক জায়গায় ভাঙচুর করা হয়েছে। এতে সম্পদের ক্ষতি হয়েছে অনেক। আমাদের দেশের ফুটবল দল বিশ্বকাপে খেলছে না। বিশ্বকাপ ফুটবলকে কেন্দ্র করে আমাদের নিজেদের পতাকা ঝোলানোর কোনো সুযোগ নেই। অন্য দেশের পতাকা নিয়ে আমাদের উচ্ছ্বাসের বাড়াবাড়ি ভালো দেখায় না।
ভবিষ্যতে ফুটবল বা ক্রিকেটের বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার আগেই অন্য দেশের পতাকা ঝোলানোর ব্যাপারে একটি সরকারি নিতিমালা করা উচিত। আর বিদেশি ফুটবল দলগুলোকে নিয়ে উন্মাদনায় মেতে ওঠার চেয়ে বিশ্বকাপে খেলার মতো যোগ্য ফুটবল দল আমরা নিজেরা কীভাবে গড়ে তুলতে পারি, তা নিয়ে চিন্তাভাবনা করা ভালো।
মো. হাচানুজ্জামান সবুজ, ছাত্র, ফরিদপুর।
আমাদের দুর্নীতি দমন কমিশন
দুর্নীতি দমন কমিশন গঠন করা হয়েছিল দুর্নীতি দমন করার উদ্দেশ্যে। বলা হয়েছিল, দুদক একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। কিন্তু দুদককে পরিণত করা হয়েছিল দলীয় প্রতিষ্ঠানে; দুদককে ব্যবহার করা হয়েছিল দুর্নীতি দমনে নয়, বরং দুর্নীতি বিস্তারে। মহাজোট সরকারের অঙ্গীকার ছিল, একটি স্বাধীন ও কার্যকর দুর্নীতি দমন কমিশন করা হবে; যা দুর্নীতি দমনে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। কিন্ত সরকার দুদককে ক্ষমতাহীন করার উদ্যোগ নিয়েছে। সম্প্রতি মন্ত্রিসভা দুর্নীতি দমন কমিশনের সংশোধিত আইনের খসড়া অনুমোদন করেছে। এই খসড়াটি প্রণীত হয়েছে সরকারি কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত একটি আন্তমন্ত্রণালয়ের কমিটির সুপারিশের আলোকে। এ প্রসঙ্গে দুদকের চেয়ারম্যান গোলাম রহমান বলেছেন, কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়িত হলে প্রতিষ্ঠানটি নখদন্তহীন বাঘে পরিণত হবে। জনাব গোলাম রহমানের বক্তব্য থেকেই স্পষ্ট হয়, দুদকের প্রকৃত অবস্থা কী হবে।
সম্প্রতি সরকারের হিসাবসম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি মহীউদ্দীন খান আলমগীর বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলের মতো দুদকের প্রয়োজন নেই। তাহলে তিনি কেমন দুর্নীতি দমন কমিশন চান। তিনি কি চান দুর্নীতি দমন কমিশন একটি কাগুজে প্রতিষ্ঠানে পরিণত হোক? অবশ্য তিনি এবং তাঁরা কেমন দুর্নীতি দমন কমিশন চান, তার একটা রূপরেখা ইতিমধ্যে পাওয়া গেছে। যদিও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দুদকের ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন রয়ে গেছে, তবু এ কথা স্বীকার করতে হবে যে তখন দুদক অনেক প্রশংসামূলক কাজও করেছে। জনাব মহীউদ্দীন খান আরও বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দুদক বিনা দোষে রাজনীতিবিদদের হয়রানি করেছে। সব রাজনীতিবিদ যদি ধোয়া তুলসী পাতা হন, তাহলে দুর্নীতির জন্য কারা দায়ী। প্রায় সব মামলাই প্রত্যাহার করা হচ্ছে। তাঁরা যদি নির্দোষ হন, তবে কেন তাঁরা বিচারের মুখোমুখি দাঁড়ালেন না এবং আইনের মাধ্যমে নিজেদের নির্দোষ প্রমাণিত করলেন না। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলের জন্য বিএনপি ও আওয়ামী লীগ একে অন্যকে দায়ী করছে। তাদের কথা আংশিক সত্যি। পুরোপুরি সত্যি হলো, দুটি দলই সমানভাবে দায়ী।
বর্তমান সরকার এসেছিল দিনবদলের স্বপ্ন দেখিয়ে। দেশের মানুষও স্বপ্ন দেখেছিল পরিবর্তনের। কিন্তু বছর যেতে না-যেতে সেই পুরোনো রাজনীতি, পুরোনো রূপ। দেশের মানুষ চায়, এসবের অবসান হোক এবং সরকার তার অঙ্গীকার পূরণের লক্ষ্যে কাজ করুক। আর সরকারের লক্ষ্য পূরণের জন্য প্রথমে দুর্নীতি প্রতিরোধে কাজ করতে হবে এবং সে জন্য চাই একটি স্বাধীন ও শক্তিশালী দুর্নীতি দমন কমিশন। এখন দেখার বিষয়, সরকার তার লক্ষ্য পূরণে কতটা সফল হয়।
সৌরভ আদনান
Sourabh.july1@gmail.com
ধনী হলেই দাম্ভিক হতে নেই
গত ১৩ জুন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান খানের সঙ্গে তুমুল তর্ক-বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন আমাদের দেশের বিশিষ্ট ভূমি উন্নয়ন ব্যবসায়ীরা। ওয়াশিংটন তথা যুক্তরাষ্ট্রের প্রবাসী বাঙালিরা টিভিতে এ সংবাদ দেখে হতবাক হয়েছে। ব্যবসায়ীদের এমন আচরণ অশোভনীয়। পত্রিকা ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদে জানা যায়, রিহ্যাব নেতাদের সঙ্গেও রাজউকের তর্ক-বিতর্ক হয়। বিতর্কের একপর্যায়ে একজন ধনাঢ্য আবাসন ব্যবসায়ী হাত উঁচিয়ে কথা বলেন, প্রতিমন্ত্রী এত বড় দুঃসাহস কোথায় পায়। যুক্তরাষ্ট্রের প্রবাসীরা মনে করেন বাগিবতণ্ডায় না গিয়ে ভূমি উন্নয়ন ব্যবসায়ীরা ড্যাপ নিয়ে নিজেদের মতামত, সুপারিশ পেশ করতে পারতেন। ধনী হলেই অর্থের জোরে এমন দাম্ভিক আচরণ করা উচিত নয়।
অগাধ সম্ভাবনার দেশ বাংলাদেশ। আমরা সবাই মিলে যদি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা ভেবে ঢাকা ও তার আশপাশের এলাকা পরিকল্পিতভাবে গড়ে তুলি, তাহলে সকলেরই লাভ। সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে আগামী প্রজন্ম, আমাদের সন্তান-সন্ততিরা। সুস্বাস্থ্য ও সুন্দর পরিবেশ একটি দেশের চেহারাকে বদলে দেয়। সরকারের একার পক্ষে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। সবার সহযোগিতা দরকার। বিশিষ্ট ব্যবসায়ীরা যদি দেশের পরিবেশ রক্ষার্থে সীমাহীন অর্থলিপ্সা ত্যাগ করেন, তাহলে মঙ্গল হবে।
হারুন চৌধুরী
ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
Chowdhury.harun@yahoo.com
বিএনপির হরতাল
বিএনপি গত ২৭ জুন মহাজোট সরকারের ‘দুর্নীতি-নির্যাতন-অপকর্মের’ বিরুদ্ধে সারা দেশে হরতাল পালন করেছে। ক্ষমতাসীন দলের নেতারা হরতালের আগে যেসব উসকানিমূলক-প্রতিহিংসামূলক বক্তব্য দিয়েছেন, তা বাংলাদেশে দিনবদলের রাজনীতিতে সহিষ্ণুতার সংস্কৃতির বিকাশকে চরমভাবে বাধাগ্রস্ত করবে। এ ধরনের বক্তব্য দুটি সংগঠনের মধ্যে অবিশ্বাস তৈরি করবে। হরতাল পালন বা প্রত্যাখ্যানের দায়িত্ব জনগণের ওপর ছেড়ে দেওয়া উচিত। সরকার বা সরকারি দলের এতে হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়। তারাও বিরোধী দলে থাকার সময় একইভাবে হরতাল করেছিল। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানোর সবচেয়ে স্বাভাবিক পন্থা হচ্ছে হরতাল। হরতালের মতো কর্মসূচি বন্ধ করার চেষ্টা করা মানে গণতান্ত্রিক চর্চায় বাধার সৃষ্টি করা। হরতালে জনজীবনকে ক্ষয়ক্ষতি থেকে নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব সরকারের। শান্তিপূর্ণভাবে হরতাল পালন করার সময় একজন বরেণ্য রাজনীতিবিদের বাসায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভাঙচুর-লুটপাট অত্যন্ত নিন্দনীয়। কার অঙ্গুলি হেলনে, কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা সরকারকে জাতির সামনে স্পষ্ট করতে হবে। হরতালকে কেন্দ্র করে অনেকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, একজন প্রকৌশলী মৃত্যুপথযাত্রী, একজন গাড়িচালককে পেট্রল ঢেলে পুড়িয়ে মারা হয়েছে। জনগণকে নিরাপত্তা দেওয়ার এ পরীক্ষায় সরকার পাস করতে পারেনি। সহিংসতা নিরসনে সরকারের আরও সতর্ক হওয়া উচিত। বিরোধী দলও এই নৃশংস ঘটনার দায় এড়াতে পারে না। সরকার ও বিরোধী দল উভয়কেই জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। নতুন দিনের আগমনী বার্তা দিয়ে ডিজিটাল সরকার দেশে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, জ্বালানি ঘাটতি, কৃষকের ন্যায্যমূল্য না পাওয়া, চাঁদাবাজি-টেন্ডারবাজি-হত্যা, নদী দখল, বিদ্যুৎ-গ্যাস-কয়লাক্ষেত্রে বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে বিতর্কিত চুক্তি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ছাত্রলীগের দখলদারি, আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি, ক্রসফায়ার, গুপ্তহত্যা, ভারতের সঙ্গে অস্বচ্ছ চুক্তি, রেন্টাল বিদ্যুৎ-বিতর্ক, যুদ্ধাপরাধীর বিচার-প্রক্রিয়ায় চরম স্থবিরতা, টিপাইমুখ বাঁধ, বন্দর লিজ-বিতর্ক, সরকারবিরোধী সংগঠনগুলোর ওপর হামলা, নারী নির্যাতন, দুদক, বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন, গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের কারণে জনগণ ক্ষুব্ধ।
এই পুঞ্জীভূত ক্ষোভ যেকোনো সময় বিক্ষোভে ফেটে পড়তে পারে। কিন্তু বিএনপির আহূত হরতালে সাধারণ মানুষ আশা সঞ্চার করার মতো কিছুই দেখেনি। কারণ বিএনপিও ক্ষমতায় থাকাকালে একই ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল। মহাজোট সরকারের অপকর্মের বিরুদ্ধে বিএনপি কোনো সত্যিকার আন্দোলন গড়ে তুলতে পারেনি। সরকারকে ব্যর্থ হিসেবে আখ্যা দিয়ে কোনো সমাধানের পথ তারা জাতিকে দেখাতে পারেনি। তাই সাম্প্রতিক হরতাল জনগণের কাছে অর্থবহ হয়ে ওঠেনি।
রহমান শিহান, শিক্ষার্থী
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
শিক্ষা আর পরীক্ষায় পাস করা
গত ১ জুন সৈয়দ আবুল মকসুদের ‘শিক্ষার তিন অবস্থা’ শিরোনামে লেখাটির অধিকাংশ যুক্তির সঙ্গেই আমি একমত। তবে পরীক্ষায় পাস-ফেলের প্রসঙ্গে তিনি যা বলেছেন, সে সম্পর্কে কিছু বলব। ১৮৫৭ সালের ম্যাট্রিক পরীক্ষায় এক-চতুর্থাংশ পরীক্ষার্থীও পাস করেনি, ১৮৫৮ সালের বিএ পরীক্ষায় ১৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র দুজন (বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ও যদুনাথ বসু) পাস করেন। একটা সময় ছিল যখন পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে শিক্ষক বা পরীক্ষক কত কঠোর বা কৃপণ হতে পারেন, তার মধ্যে ছিল মনে হয় যত কৃতিত্ব। ১০ নম্বরের কোনো প্রশ্নের উত্তরের জন্য যত ভালোই লিখুক, দেখা যেত ৬ বা সর্বোচ্চ ৭। আমরা ছাত্রাবস্থায় শিক্ষকদের জিজ্ঞাসা করতাম, স্যার, কীভাবে বা কতটুকু লিখলে পুরো নম্বর দেবেন? উত্তরে শিক্ষকেরা বলতেন, ‘জানি না, আসলে পুরো নম্বর আমরাও আমাদের শিক্ষকের কাছ থেকে পাইনি, তাই আমরাও আমাদের ছাত্রদের দিই না।’
বর্তমান পরিস্থিতি কিছুটা ভিন্ন। এখন পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের একটা অংশ থাকে নৈর্ব্যক্তিক, যেখানে পরীক্ষার্থী শতভাগ নম্বর পেতে পারে। এর প্রভাব পরীক্ষার রচনামূলক অংশের ওপরও হয়তো কিছুটা পড়ছে। আজ পরীক্ষকেরা হয়তো উত্তরপত্র মূল্যায়নের আগে প্রতিটি প্রশ্নের একটা মোটামুটি স্ট্যান্ডার্ড নমুনা উত্তর ঠিক করে নিচ্ছেন। আগে পরীক্ষকেরা কঠোরতার অনুশীলন করায় পাসের হার খুব কম হতো; এখন পরীক্ষকেরা উদারতার অনুশীলন করায় পাসের হার বেশি হয়ে যাচ্ছে। আসলে কোনো ব্যবস্থাই শতভাগ ত্রুটিমুক্ত অথবা প্রশ্নাতীত নয়।
আমরা যতই বলি, শিক্ষার উদ্দেশ্য মানুষ তৈরি করা। আসলে আমরা মানুষ হতে চাই না। আমরা হতে চাই চিকিৎসক, ইঞ্জিনিয়ার, আইনজীবী, ব্যাংকার প্রভৃতি মোটা অঙ্কের অর্থ উপার্জনকারী পেশাজীবী। সেখানে দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর অথবা মুন্সী মেহেরুল্লাহর মতো মানুষদের স্থান কোথায়? যে শিক্ষার কোনো নগদ বাজারদর নেই, সে শিক্ষা কে নেবে?
পরীক্ষায় পাস করা শিক্ষার উদ্দেশ্য না হতে পারে, তবে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক, সরকার, জাতি, মিষ্টির দোকানদার—সবার একান্ত কাম্য।
অসীম কুমার ভৌমিক, শিক্ষক।
ashimkumar_67@yahoo.com
টাকা ছিদ্র করা বন্ধ হোক
রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে কাগুজে টাকার নোট ‘গোনা-বাছার সুবিধার জন্য’ তোড়া বানাতে গিয়ে গজালের সাহায্যে ফুটো করে, তাতে মোটা সুতা ঢুকিয়ে দু-তিন দিক থেকে বেঁধে, ওপরের ও নিচের নোটের ওপর গাম ও কাগজ লাগিয়ে, সিল-স্বাক্ষর দিয়ে, নোটের সংখ্যা ইত্যাদি লিখে গ্রাহকদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। সুতায় বাঁধা নোটগুলো যখন গ্রাহকদের হাতে যায়, তখন তারা তা খোলে এবং খরচ করে। বিভিন্ন হাত ঘুরে সেসব নোট যখন আবার ব্যাংকে জমা হয়, তখন ব্যাংকের লোকেরা তাদের ‘গোনা-বাছার’ সুবিধার্থে আবারও একইভাবে গজাল ও সুতার সাহায্যে সেগুলোকে তোড়া আকারে বাঁধে। এভাবে নোটগুলোর ছিদ্র ক্রমশ বড় হতে থাকে, ছিদ্রের ধার দিয়ে ফাটল শুরু হয় এবং অল্প সময়ের মধ্যেই নোটগুলো ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। পৃথিবীর কোনো দেশে কাগুজে নোট এভাবে ছিদ্র করে সুতা বেঁধে তোড়া বানানো হয় না; এমনকি পার্শ্ববতী ভারত, নেপাল বা ভুটানেও নয়।
কিন্তু আবার দেখুন, এ দেশের যেসব ব্যাংকে বৈদেশিক মুদ্র যেমন ডলার, ইউরো, পাউন্ড, রিয়াল, দিনার ইত্যাদি লেনদেন হয়, তারা কিন্তু ওই সব মুদ্রার কাগুজে নোটগুলো ছিদ্র করে না। ছিদ্র করলে হয়তো ডলার-পাউন্ড অচল বলে গণ্য হবে। তাহলে টাকার কাগুজে নোটগুলো কেন ছিদ্র করা হয়? এ প্রশ্নের উত্তর কে দেবে? ছিদ্র করার ফলে নোটগুলোর স্বাভাবিক আয়ুষ্কাল অনেক কমে যায়। ফলে বাংলাদেশ ব্যাংককে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি ঘন ঘন নতুন নোট ছাপতে হয়। এতে রাষ্ট্রীয় অর্থের অনেক অপচয় হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক বা সরকারের অবশ্যই এ বিষয়ে কিছু করা উচিত। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেওয়া উচিত, কোনোভাবেই যেন কাগুজে মুদ্রা ছিদ্র করা না হয়। সারা দুনিয়ার ব্যাংকগুলো যেভাবে কাগুজে মুদ্রার তোড়া বানায়, আমাদেরও তাই করা উচিত।
সুরাইয়া ঝুমু, শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
surayajhumu@yahoo.com
লিখুন, পাঠিয়ে দিন
প্রিয় পাঠক, প্রথম আলোয় প্রকাশিত সম্পাদকীয়, উপসম্পাদকীয়, প্রতিবেদন ইত্যাদি নিয়ে আপনার প্রতিক্রিয়া/ভিন্নমত আমাদের লিখে পাঠান। সমসাময়িক অন্যান্য বিষয়েও আপনার অভিমত, চিন্তা, বিশ্লেষণ সর্বোচ্চ ৪০০ শব্দের মধ্যে লিখে পাঠিয়ে দিন ডাকযোগে:
অভিমত, সম্পাদকীয় বিভাগ, প্রথম আলো, সিএ ভবন,
১০০ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ,
কারওয়ান বাজার, ঢাকা।
ই-মেইলে (এমএস ওয়ার্ড অ্যাটাচমেন্ট):
obhimot@prothom-alo.info
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1426)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
June
(2957)
-
▼
Jun 02
(153)
- ঊর্ধ্বতনদের নয়, জনগণকে খুশি করাই প্রশাসনের দায়িত্ব...
- আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক-উলফা নেতা গ্রেপ্তার
- চারদিক-গৌড় কোথায় বলতে পারেন? by মৃত্যুঞ্জয় রায়
- দেখে-শুনে লেখা-প্রহরাবেষ্টিত ‘নিরাপদ’ ক্যাম্পাস by...
- কপোতাক্ষ-মধুমতীর তীর থেকে-আর্তের পাশে চিরকাল by আম...
- অর্থনীতি-বাংলাদেশের উন্নয়ন-বিভ্রাট by হানিফ মাহমুদ
- বিশেষ সাক্ষাৎকার-সংবিধান রিভিউ কমিশন গঠন করুন by আ...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার-বিচারক নিয়োগে সংবিধান সংশোধন সমীচ...
- নগরবাসীর জানমালের প্রশ্নে কোনো গাফিলতির সুযোগ নেই-...
- বিরোধ নিষ্পত্তি ছাড়া জরিপে বৈধ মালিক চিহ্নিত হবে ন...
- চারদিক-বহলায় শহীদদের গণকবর by সালেক খোকন
- তরুণসমাজ-চিন্তা ও কর্মে ফারাক কতটুকু? by সালমা খান
- পোশাকশিল্প-গ্রহণযোগ্য ন্যূনতম মজুরির অবস্থান কোথায়...
- আফগানিস্তান-তালেবানের শক্তিবৃদ্ধি ও পেট্রাউসের নতু...
- সরল গরল-স্পিকারের একটি অসম্পূর্ণ রুলিং by মিজানুর ...
- অনিয়মমুক্ত পরিবহনের জন্য নিয়মিত ও কৌশলী হতে হবে-ঢা...
- অনিয়মমুক্ত পরিবহনের জন্য নিয়মিত ও কৌশলী হতে হবে-ঢা...
- শিক্ষার মান ও সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে-এইচএস...
- স্মরণ-তাঁর স্মৃতিই এখন সবচেয়ে বড় সত্যি by সেলিনা আ...
- মিডিয়া ভাবনা-চাই শিক্ষা টিভি চ্যানেল by মুহাম্মদ জ...
- গোধূলির ছায়াপথে-যারে তুমি পিছে ফেল... by মুস্তাফা ...
- খোলা চোখে-বাংলাদেশ: এখনো ব্যর্থ রাষ্ট্র? by হাসান ...
- অবিলম্বে খুলে দেওয়া হোক-বুয়েট বন্ধ থাকার দায়ভার কার?
- স্বার্থান্বেষী মহলের কাছে নতিস্বীকার নয়-ড্যাপ দ্রু...
- ধর্ম-কুসংস্কার দূরীকরণে ইসলাম by মুহাম্মদ আবদুল মু...
- গন্তব্য ঢাকা-আদর-আবদারের দিনগুলো by শর্মিলা সিনড্রেলা
- দেখে-শুনে লেখা-রাজশাহী: শান্ত সবুজ সুখী নগর by মশি...
- বিলেতের স্ন্যাপশট-বিলেতে তৃতীয় বাংলার বইমেলা by শা...
- কাশ্মীর-বিক্ষোভের আগুন সরকারই জ্বালিয়েছে by মুজামি...
- কালের পুরাণ-মন্ত্রীর সুবচন, নেতার হুঁশিয়ারি ও সাংস...
- টেকসই উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে বৈজ্ঞানিক গবেষণায় জোর...
- নেপথ্যের হোতাদের খুঁজে বের করুন-বিজি প্রেস কেলেঙ্কারি
- চারদিক-সোনাঝরায় আসে সোনাঝরা দিন by লায়লা নূর
- দূরদেশ-পাকিস্তান: অন্তহীন সংঘাত by আলী রীয়াজ
- অভিমত ভিন্নমত
- নারীর আত্মহত্যা-ব্যক্তিগত নয়, রাজনৈতিক by জোবাইদা ...
- ছাত্রলীগ নেতাদের নির্দেশে ওসিকে বদলি হতে হবে?-এখন ...
- এখন বিচারের বাধা দ্রুত দূর করুন-পিলখানা হত্যাকাণ্ড...
- চারদিক-ভোলার প্রাণভোমরা যখন গাছ by নেয়ামতউল্যাহ
- ২ দশক পর নির্বাচনে সুচি
- সিসিসি নির্বাচন-সরকারের জন্য একটি সতর্কবার্তা by ব...
- প্রতিক্রিয়া-প্রধানমন্ত্রী আইলা-দুর্গতদের দেখতে যাচ...
- দিল্লির চিঠি-বর্ণশুমারির বিপদ by কুলদীপ নায়ার
- বাঘা তেঁতুল-আরও একটি অক্টোপাস চাই by সৈয়দ আবুল মকসুদ
- অরণ্যে রোদন-কেন এই নিষ্ঠুরতা by আনিসুল হক
- এসিড-সন্ত্রাসীদের বিচার দ্রুততম সময়ে শেষ করতে হবে-...
- ন্যায়বিচারের পক্ষে নিম্ন আদালত-কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নন
- বিখ্যাতদের মজার ঘটনা
- অহেতুক কৌতুক
- কর্তৃপক্ষ নির্বিকার, হুমকির মুখে ব্যবসায়ীরা-ফুটবল ...
- চারদিক-ধুম লেগেছে মধুবনে by আজাদুর রহমান
- চালের দাম-সরকারের সামনে বিকল্প সুযোগ রয়েছে by উত্ত...
- শিক্ষানীতি ২০১০-কর্মমুখী ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা বাস্ত...
- প্রতিক্রিয়া: বিধ্বস্ত দুদক-অর্জন কি বিসর্জন হলো? b...
- সময়চিত্র-দমননীতি: প্রতিবাদ থেমে থাকে না by আসিফ নজরুল
- স্বার্থান্বেষী মহলের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিন-চট্...
- সংস্কারের অর্থ রেলওয়ের পুনরুজ্জীবনে ব্যয় হোক-স্বতন...
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-বহুভাষাবিদ জাহাঙ্গীর তারেক by আবদুশ শ...
- বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-সব মানুষ গুনতে হবে, কিন্তু কার...
- গদ্যকার্টুন-পল আর উৎপল অক্টোপাস by আনিসুল হক
- অধিকার-দুই নম্বর থালাবাসন সমাচার by ইলিরা দেওয়ান
- বিশেষ সাক্ষাৎকার-একাত্তরের গণহত্যার জন্য পাকিস্তান...
- তালিকা হালনাগাদ করে আইনের যথাযথ প্রয়োগ জরুরি-নতুন ...
- এখনই উচিত নির্বাহী আদেশ জারি করা-ফতোয়াবিরোধী আদেশ
- চারদিক-কালের মাইলফলক by শান্তা তাওহিদা
- কালের পুরাণ-দেশ কি সঠিক পথে চলছে? by সোহরাব হাসান
- প্রাথমিক শিক্ষা-নেপথ্যের বিষয় কিন্তু উপেক্ষার নয় b...
- অভিবাসী-ইউরোপে বর্ণবাদ ও অর্থনৈতিক মন্দা by জয়তি ঘোষ
- মত দ্বিমত-দলীয় প্রভাবের বাইরে রাখতে হবে by এস এম এ...
- মত দ্বিমত-দুরবস্থার জন্য সামরিক শাসকেরাই দায়ী by আ...
- জালিয়াত চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিন-পরীক্ষার...
- নিদর্শনের বিস্তারিত তালিকা তৈরি করুন-অরক্ষিত জাতীয়...
- চারদিক-কালাকানুনের ৩০ বছর by সাব্বির চৌধুরী ও বেলা...
- কূটনৈতিক নিয়োগ-পররাষ্ট্র দপ্তর নিয়ে কিছু কথা by সৈ...
- ধর্ম-মিরাজের প্রকৃতি ও শিক্ষা by মুহাম্মদ আবদুল মু...
- গোধূলির ছায়াপথে-রাজনীতি দূরে নয়, কাছেই by মুস্তাফা...
- সরল গরল-নীরব ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত দুদক by মিজানুর রহ...
- কাঠ চুরি ঠেকাতে রাজনৈতিক অঙ্গীকার দরকার-লাউয়াছড়ায় ...
- শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া অযৌক্তিক-বিএনপির...
- চারদিক-চা-শ্রমিকদের কথা by আকমল হোসেন
- রাজধানী উন্নয়ন-মহানগরের সুশাসন কীভাবে উন্নত হবে by...
- আবেদন-আবদুস শহীদের বাড়িটি রক্ষা করুন by অদিতি ফাল্...
- হালচাল-দুঃসংবাদ আর সুসংবাদ চলেছে পাশাপাশি by আব্দু...
- সময়ের প্রতিবিম্ব-আমার সাম্প্রতিক মিডিয়া ভাবনা by এ...
- বিনিয়োগের সময়ই সতর্কভাবে যাচাই জরুরি-শেয়ারবাজারে ব...
- সন্ত্রাসীদের ধরার নির্দেশ দিলেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যা...
- মানিক মিয়ার মৃত্যু বার্ষিকী আজ
- ঐতিহ্য-রাজশাহীর পুঠিয়া রাজবাড়ী by মৃত্যুঞ্জয় রায়
- সময় থাকতে ঝাড়াই-বাছাই করুন পুলিশের সহিংস আচরণ
- ঢাকার ত্রি-মহাদেশীয় সম্মেলন-যুদ্ধাপরাধের বিচার-প্র...
- অভিমত ভিন্নমত
- শিক্ষাঙ্গন-এ কোন জাহাঙ্গীরনগর? by ইসরাত জাহান
- ছাত্রলীগের অন্তর্দ্বন্দ্বের শিকার নিরীহ শিক্ষার্থী...
- হাইকোর্টের নির্দেশনার বাস্তবায়ন দেখতে চাই-পুলিশি হ...
- মানুষের মুখ-এক পুরিদাদুর গল্প by শারমিন নাহার
- ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়-এমন বিশ্ববিদ্যালয় চাই, যা হব...
- বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আপনার ...
- গদ্যকার্টুন-গল্প নয়, সত্যি ঘটনা by আনিসুল হক
- সহজিয়া কড়চা-ভাবিতে উচিত ছিল প্রতিজ্ঞা যখন by সৈয়দ ...
- এই আজব ও লজ্জাকর জাতিভেদ চলতে পারে না-বাঙালি এক নম...
- নৈরাজ্য সৃষ্টির সব চেষ্টাই অগ্রহণযোগ্য-জামায়াত-শিব...
- কা র্য কা র ণ-টবের গাছ জানালার দিকে বেঁকে যায় কীভা...
- ধাঁধা দুনিয়া
- সত্যিকারের সবজান্তা-বিবিধ
- যে খবর নাড়া দেয়-পথের দাবি
- এই দিনে-তারাকান্দর গণহত্যা ও জগদীশ by প্রশান্ত অধি...
- মানবাধিকার-কাফকার ‘দ্য ট্রায়াল’ ও লিমনের গল্প by অ...
- নগর দর্পণ: চট্টগ্রাম-হিমাদ্রী হত্যা এবং তিন হিংস্র...
- তদন্ত কমিশন গঠন করুন-রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে গুরুতর...
- অনির্বাচিত প্রশাসক সংবিধানপরিপন্থী-দুই ঢাকায় নির্বাচন
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- চিকিৎসকদের সভায় নাজেহাল স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- সনাক ও ইয়েস-এর জাতীয় সম্মেলন শুরু-সব অন্যায়ের বিরু...
- ফুলেআরার হাসপাতাল
- কালের পুরাণ-এই লেখা শুধুই পুলিশকে নিয়ে by সোহরাব হ...
- শিক্ষিকাকে উত্ত্যক্ত-বিদ্যালয় চার দিন বন্ধ! by শিপ...
- এবার মুরগির বাজারে আগুন
- ‘পুলিশ আইন সংস্কার না হলে পরিস্থিতি পাল্টাবে না’-ব...
- অপ্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ কেন?
- অবহেলিত ইতিহাস
- পুলিশ! by মেহেরুন নেছা রুমা
- ভরাট হয়ে যাচ্ছে কৃষিজমি by মোঃ আলী আশরাফ খান
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ by আহস...
- বিষযুক্ত ফল ও স্বাস্থ্যঝুঁকি by ডা. হুমায়ুন কবীর হিমু
- তারাকান্দর গণহত্যা দিবস by প্রশান্ত অধিকারী
- প্রাথমিক শিক্ষা-শিক্ষকদের পদোন্নতিতে বাধা কোথায়? b...
- বাংলাদেশে দুই নেত্রীর মেগালোম্যানিয়া by এম আবদুল হ...
- কালের আয়নায়-হরতাল যদি ঘৃণ্য হয়, অন্যান্য নাগরিক অধ...
-
▼
Jun 02
(153)
-
▼
June
(2957)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
Exclusive
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
জোহরান মামদানি
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment