Monday, April 16, 2012
আদালতে তাহেরের সেই জবানবন্দি
আদালতে তাহেরের সেই জবানবন্দি
১৯৭৬ সালে বিশেষ সামরিক আদালতে কর্নেল আবু তাহের তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের জবাবে যে জবানবন্দি দিয়েছিলেন, তাতে ৭ নভেম্বরের পূর্বাপর ঘটনা এবং রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের বিবরণ রয়েছে। গুরুত্ব বিবেচনা করে জবানবন্দিটির একটি অংশের সংক্ষিপ্ত পুনর্মুদ্রণ।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমান নিহত হওয়ার পর খোন্দকার মোশতাক আহমদের যে সরকার ক্ষমতা নেয়, তার কোনো রাজনৈতিক ভিত্তি ছিল না। সেনাবাহিনীর ছোট একটা অংশ ছাড়া মোশতাকের প্রতি অধিকাংশ সেনা কর্মকর্তারই সমর্থন ছিল না। সাধারণ জনসমর্থন তো ছিলই না। পরিবর্তন বলতে যা হয়েছে তা হলো, আগে ইন্দো-সোভিয়েত শক্তির আধিপত্য মেনে দেশ চলত; শেখ মুজিব নিহত হওয়ার পর সেখানে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হলো। মোশতাক সরকারের দুর্বলতা ও ব্যর্থতার সুযোগ নিয়ে উচ্চাকাঙ্ক্ষী ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফ একটি নতুন চক্রান্তে নেতৃত্ব দেন। তিনি ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর প্রতিবিপ্লবী অভ্যুত্থানের (কাউন্টার-রেভল্যুশনারি ক্যু) মাধ্যমে ক্ষমতা নিয়ে নেন।
ওই দিন নারায়ণগঞ্জে আমি আমার বাড়িতে অসুস্থ হয়ে শয্যাশায়ী ছিলাম। অসুস্থ অবস্থায় ভোর চারটার দিকে একটি ফোন রিসিভ করলাম। ফোনটি করেছিলেন মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান। তিনি আমার সাহায্য চাইছিলেন। আলাপ শেষ হওয়ার আগেই লাইনটা কেটে গেল। ওই দিন বহু সেনাসদস্য, এনসিও এবং জেসিও আমার নারায়ণগঞ্জের বাড়িতে এলেন। তাঁরা আমাকে জানালেন, ভারত খালেদ মোশাররফের অভ্যুত্থানে মদদ জুগিয়েছে এবং সেই বাকশালের সমর্থকেরা আবার ক্ষমতা দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে। তাঁরা বললেন, বেঙ্গল রেজিমেন্ট এবং মূল সেনাবাহিনীর মধ্যে তুমুল উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। যেকোনো সময় গোলাগুলি শুরু হয়ে যেতে পারে।
আমি দ্রুত সেনাসদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের শান্ত থাকতে বললাম। একই সঙ্গে চলমান পরিস্থিতি সম্পর্কে তাদের খোঁজখবর রাখার এবং নিজেদের মধ্যে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখার পরামর্শ দিলাম। আমি তাদের সবাইকে দেশের সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন রাখার জন্য তৈরি থাকতে বললাম। তাদের বোঝালাম, কিছু উচ্চাকাঙ্ক্ষী কর্মকর্তা স্রেফ ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য সাধারণ সৈনিকদের ব্যবহার করতে চাইছে। আমি সাধারণ সৈনিকদের ব্যারাকে ফিরে যেতে বললাম। যে যতই উসকানিমূলক কথা বলুক, তা কানে নিয়ে নিজেদের মধ্যে তারা যেন গোলাগুলি না করে, সেই অনুরোধ জানালাম। পাশাপাশি জনগণের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে যেকোনো সময় ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য তৈরি থাকতেও তাদের পরামর্শ দিলাম।
৩ নভেম্বরের পর জাতি কী ভয়ংকর ও নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল, তা কারোই অজানা নয়। আমাদের জাতীয় সম্মান ও সার্বভৌমত্ব কীভাবে ভূলুণ্ঠিত হচ্ছিল, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এ সময় জনগণের কাছে এটা পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল যে ভারত খালেদ মোশাররফকে পেছন থেকে মদদ দিচ্ছিল।
দেশ যখন সার্বভৌমত্ব-সংকটে টালমাটাল, রিয়ার অ্যাডমিরাল এম এইচ খান এবং এয়ার ভাইস মার্শাল এম জি তোয়াব সেই মুহূর্তে খালেদ মোশাররফকে মেজর জেনারেলের পদবিচিহ্নিত ব্যাজ পরিয়ে দিচ্ছেন—এমন দুর্ভাগ্যজনক দৃশ্য জাতিকে দেখতে হলো। এসব নিচু মানসিকতার লোকজনের প্রতি আমার করুণা হয়। ওদিকে জিয়াউর রহমান? খালেদের কাছে বন্দী হয়ে তিনি তখন ঠক ঠক করে কাঁপছেন। তোয়াব এবং খান দুজনই তখন নতুন প্রভুর পদলেহনে ব্যস্ত।
৪ নভেম্বর বিকেলে মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান তাঁর এক আত্মীয়ের মাধ্যমে আমার কাছে খবর পাঠালেন। জিয়ার অনুরোধ ছিল, আমি যেন সেনাবাহিনীর সদস্যদের মধ্যে আমার প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে তাঁকে মুক্ত করি ও দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করি। আমি তাঁকে শান্ত থাকতে ও মনে সাহস রাখতে বলেছিলাম। আমি তাঁকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, সেনাবাহিনীতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হবে এবং সব ধরনের অপকর্মের অবসান ঘটানো হবে। এদিকে সেনাবাহিনীর সজাগ অফিসার ও সৈন্যরা আমাকে বিশ্বাসঘাতক খালেদ মোশাররফ চক্রকে উৎখাত করার জন্য প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত ও পরিকল্পনা নিতে অনুরোধ করে আসছিল। এ ব্যাপারে সবচেয়ে বেশি তাগিদ এসেছিল সিপাহিদের, বিশেষ করে এনসিও এবং আরজেসিদের কাছ থেকে।
সৈন্যদের মধ্যে ব্যাপক যোগাযোগ, আলোচনা ও মতবিনিময়ের পর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের পরিকল্পনা প্রস্তুত করা হয়। ৬ নভেম্বর আমি সৈনিকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়ে রাখলাম। ঢাকা সেনানিবাসের সব ইউনিট প্রতিনিধিদের মাধ্যমে সবাইকে সজাগ থাকতে ও পরবর্তী নির্দেশের জন্য প্রস্তুত থাকতে বলে দেওয়া হলো। ৬ নভেম্বর সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে সবাইকে সতর্ক করে দেওয়া হয়। ৭ নভেম্বর ভোররাত একটায় সিপাহি অভ্যুত্থান শুরু হবে বলে ঠিক হয়। আমাদের সিদ্ধান্তগুলো ছিল: ১. খালেদ মোশাররফ চক্রকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করা, ২. বন্দিদশা থেকে জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করা, ৩. একটা বিপ্লবী সামরিক কমান্ড কাউন্সিল গঠন করা, ৪. দল-মতনির্বিশেষে সব রাজনৈতিক বন্দীর মুক্তি দান, ৫. রাজনৈতিক কর্মীদের ওপর থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা প্রত্যাহার, ৬. বাকশালকে বাদ দিয়ে একটা সর্বদলীয় গণতান্ত্রিক জাতীয় সরকার গঠন করা, ৭. বিপ্লবী সৈনিক সংস্থার ১২ দফা দাবি মেনে নেওয়া ও তার বাস্তবায়ন করা।
সবকিছুই পরিকল্পনামাফিক হয়। বেতার, টিভি, টেলিফোন, টেলিগ্রাফ, পোস্ট অফিস, বিমানবন্দর ও অন্যান্য সব গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র প্রথম আঘাতেই দখল করা হয়। ভোররাতে জিয়াকে মুক্ত করে দ্বিতীয় ফিল্ড আর্টিলারির সদর দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হয়। আমার বড় ভাই ফ্লাইট সার্জেন্ট আবু ইউসুফ খানের সঙ্গে আমি ভোর তিনটার দিকে সেনানিবাসে যাই। সঙ্গে ছিল ট্রাকভর্তি সেনাদল।
জিয়াকে আমি তাঁর নৈশ পোশাকে পেলাম। সেখানে ব্রিগেডিয়ার মীর শওকতসহ আরও কয়েকজন অফিসার ও সৈনিক ছিল। জিয়া আমাকে আর আমার ভাইকে গভীরভাবে আলিঙ্গন করলেন। জলভরা চোখে তিনি আমাদের তাঁর জীবন বাঁচানোর জন্য কৃতজ্ঞতা জানালেন। তাঁর জীবন রক্ষার জন্য জাসদ যা করেছে, তার জন্য জিয়া আমার প্রতি ও জাসদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বললেন, আমরা যা বলব, তিনি তা-ই করবেন। আমরা তখন পরবর্তী করণীয় নিয়ে কিছুক্ষণ আলোচনা করি। তখন ভোর চারটা। আমরা একসঙ্গে বেতার ভবনে পৌঁছাই। পথে আমরা তাৎক্ষণিক কর্মপদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করি।
এর মধ্যে বেতার থেকে সিপাহি অভ্যুত্থানের ঘোষণা করা হয়। জিয়াকে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক ঘোষণা দেওয়া হয়। বেতার ভবনে যাওয়ার পথে জিয়া শহীদ মিনারে একটা জনসমাবেশে ভাষণ দিতে রাজি হয়েছিলেন। তাই কথামতো আমি শহীদ মিনারে সমবেত হতে সিপাহিদের নির্দেশ দিয়েছিলাম। ঠিক হয়, সেখানে আমি ও জিয়া সমাবেশে ভাষণ দেব। তাহলে অফিসারদের ছাড়াই যে বিপ্লবী সৈনিকেরা দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছে, সেই সৈনিকদের কাছে দেওয়া অঙ্গীকার থেকে কেউ পিছু হঠতে পারবে না।
উৎফুল্ল মনে সৈনিকেরা শহরের মধ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। একসঙ্গে এদের জড়ো করতে কিছুটা সময় দরকার। এ কারণে শহীদ মিনারে সমাবেশের সময় সকাল ১০টায় ঠিক করি। হাজারো মানুষ খুশিমনে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছিল, তারা বিপ্লবী সৈনিকদের সঙ্গে গলা মিলিয়ে স্লোগান তুলেছিল।
সকাল সাড়ে আটটায় সৈনিকেরা আমাকে জানাল যে খন্দকার মোশতাক আহমদ বেতার ভবনে ঢুকে ভাষণ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আমি তখন বেতারকেন্দ্রে গেলাম। মোশতাককে আমি খুব স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিলাম যে চক্রান্তের রাজনীতির দিন শেষ; তাঁকে এখনই বেতারকেন্দ্র ছেড়ে যেতে হবে। তিনি আমার কথামতো চলে গেলেন। এরপর আমি সমাবেশে ভাষণ দেওয়ার জন্য জিয়াকে আনতে সেনানিবাসে গেলাম। সেখানে পৌঁছে দেখি, পরিস্থিতি বদলে গেছে। জিয়া দাড়ি কামিয়ে সামরিক পোশাকে সুসজ্জিত হয়েছেন। তাঁকে দেখে মনে হলো, তিনি বন্দিদশার ধকল কাটিয়ে উঠেছেন। শহীদ মিনারে যাওয়ার কথা তুললে জিয়া সেখানে যেতে অস্বীকৃতি জানালেন।
বিনয়ের সঙ্গে জিয়া যুক্তি দেখালেন যে তিনি একজন সৈনিক, তাঁর গণজমায়েতে বক্তৃতা দেওয়া সাজে না। তিনি আমাকে শহীদ মিনারে গিয়ে সেনাদের উদ্দেশে বক্তৃতা দিতে বললেন। এ কথা শুনে আমি সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরে আসার জন্য শহীদ মিনারে নির্দেশ পাঠালাম।
১১টার দিকে আমরা সেনা সদর দপ্তরে একটা আলোচনায় বসি। একটা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের ব্যাপারে আমরা নীতিগতভাবে একমত হই। সেই আলোচনায় উপস্থিত ছিলাম আমি, জিয়া, তাওয়াব, এম এইচ খান, খলিলুর রহমান, ওসমানী ও মুখ্য সচিব মাহবুব আলম চাষী। সরকারের ধারাবাহিকতার প্রশ্নে একটা আইনগত সমস্যার সৃষ্টি হয়েছিল। সবাই চাচ্ছিলেন, বিচারপতি সায়েম দেশের রাষ্ট্রপতি হবেন (সায়েমকে খালেদ মোশাররফ ৫ নভেম্বর নিয়োগ করেছিলেন)। আমি তা মেনে নিলাম কিন্তু আমি চাচ্ছিলাম, জিয়া হবেন প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক। তবে জিয়া তাতে আপত্তি জানালেন। পরে ঠিক হলো, জিয়া, তাওয়াব আর এম এইচ খান প্রত্যেকেই উপপ্রধান সামরিক আইন প্রশাসক নিযুক্ত হবেন। এঁদের ওপর কোনো মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বভার ন্যস্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। ঠিক হলো, বিচারপতি সায়েম রাষ্ট্রপতি ও প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক হিসেবে তিন উপপ্রধান সামরিক আইন প্রশাসককে নিয়ে একটা উপদেষ্টা কাউন্সিল গঠন করবেন। সেদিনের আলোচনায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় তা হচ্ছে, সব রাজনৈতিক বন্দীকে মুক্তি দেওয়া হবে; রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনার পর রাজনৈতিক কার্যকলাপ চালু করতে দেওয়া হবে এবং মোশতাক সরকার ঘোষিত সাধারণ নির্বাচনের নির্ধারিত সময়ের আগেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সায়েম শুধু এক অন্তর্বর্তীকালীন সরকার চালাবেন। আমি এই সভাকে ৭ নভেম্বরের বিপ্লবকে স্বীকৃতি দিতে বললাম।
বিকেলের দিকে আমি বেতারকেন্দ্রে যাই। বিপ্লবী সৈন্যরা জিয়াউর রহমানের কাছে ১২ দফা দাবি পেশের সিদ্ধান্ত নেয়। তারা চাচ্ছিল, তাদের দাবি পেশ করার সময় আমি সেখানে উপস্থিত থাকি। বেতারকেন্দ্র থেকে আমি জিয়াউর রহমানকে টেলিফোন করি এবং সৈন্যদের প্রস্তাবের কথা তাঁকে জানাই। তখন সৈন্যরা প্রচণ্ডভাবে উত্তেজিত। বেতারকেন্দ্রের ভেতর তারা কাউকে ঢুকতে দিচ্ছিল না। পৌনে আটটার দিকে জিয়ার সঙ্গে মোশতাক ও সায়েমকে বেতারকেন্দ্রে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়। বিপ্লবী সৈন্যদের প্রতিনিধিদের মাধ্যমে পেশ করা ১২ দফা দাবির দলিলে জিয়ার সম্মতিসূচক স্বাক্ষরের পরই তাঁদের বেতারকেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হয়।
খন্দকার মোশতাক ও বিচারপতি সায়েম জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিলেন। আমি আর জিয়া তখন বেতার ভবনের টেলিভিশনকক্ষে একসঙ্গে বসে ভাষণ শুনছি। সায়েম তাঁর ভাষণে আমাদের আলোচনায় নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো স্পষ্টভাবে তুলে ধরলেন। এই সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতেই পরদিন ৮ নভেম্বর মেজর জলিল ও আ স ম আবদুর রবকে জেল থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। সেদিন আমি জেনারেল জিয়াকে টেলিফোন করে এর জন্য ধন্যবাদ জানাই আর মতিন, অহিদুরসহ অন্য বন্দীকেও সেই সঙ্গে মুক্তি দিতে অনুরোধ করি।
৮ তারিখ সন্ধ্যায় জিয়া আমাকে জানালেন, কয়েকটা ঘটনায় কিছু অফিসার মারা গেছেন। আমি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সম্ভাব্য সব ধরনের সাহায্য করার প্রস্তাব দিই।
আমি তখনই সেনানিবাসে আসার প্রস্তাব করি। জিয়াকে জানাই যে বিপ্লবী সৈন্যদের ওপর আমার কড়া নির্দেশ ছিল, যাতে কোনো অফিসারের ওপর এভাবে আক্রমণ করা না হয়। ১১ তারিখ পর্যন্ত জিয়া আমার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রক্ষা করেন। কিন্তু ১২ তারিখের পর তাঁকে আর পাওয়া যাচ্ছিল না। সব যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। আমি যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেই জিয়া আমাকে এড়িয়ে যেতে থাকেন।
২৩ নভেম্বর পুলিশের একটা বড় দল আমার বড় ভাই ফ্লাইট সার্জেন্ট আবু ইউসুফ খানের বাড়ি ঘেরাও করে এবং তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ নিয়ন্ত্রণকক্ষে নিয়ে যায়। এ ঘটনা শুনে আমি জিয়াকে ফোন করি। অন্য প্রান্ত থেকে আমাকে জানানো হয়, জিয়াকে পাওয়া যাচ্ছে না। তাঁর পরিবর্তে সেনাবাহিনীর উপপ্রধান মেজর জেনারেল এরশাদ আমার সঙ্গে কথা বলবেন। এরশাদ আমার কথা শুনে বলেন, আমার ভাইয়ের গ্রেপ্তারের ব্যাপারে সেনাবাহিনী কিছুই জানে না। ওটা হচ্ছে একটা সাধারণ পুলিশি তৎপরতা। আমি তখনো জানতাম না, আমার ভাইকে যখন পুলিশ গ্রেপ্তার করে, তখন একই সময়ে মেজর জলিল, আ স ম আবদুর রবসহ অন্য অনেক জাসদের নেতা-কর্মীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এসব জানার পর আমার বুঝতে আর অসুবিধা হলো না, যাদের আমরা ৭ নভেম্বর ক্ষমতায় বসিয়েছিলাম, তারা আবার এক নতুন ষড়যন্ত্রের খেলায় মেতেছে।
২৪ নভেম্বর এক বিরাট পুলিশ বাহিনী আমাকে ঘিরে ফেলে। কর্তব্যরত পুলিশ অফিসার আমাকে জানালেন, জিয়ার সঙ্গে কথা বলার জন্য তাঁদের সঙ্গে যাওয়া দরকার। আমি অবাক হয়ে বললাম, জিয়ার কাছে যাওয়ার জন্য এত পুলিশ প্রহরার কী দরকার? এরা আমাকে একটা জিপে তুলে সোজা এই জেলে নিয়ে আসে। এভাবেই যাদের প্রাণ বাঁচিয়ে ক্ষমতায় বসিয়েছিলাম, সেই সব বিশ্বাসঘাতকের দল আমাকে জেলে অন্তরীণ করল।
জিয়া শুধু আমার সঙ্গেই নয়, বিপ্লবী সেনাদের সঙ্গে, ৭ নভেম্বরের অঙ্গীকারের সঙ্গে, এক কথায় গোটা জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। আমাদের পেছন থেকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। খালেদ মোশাররফের সঙ্গে তুলনায় জিয়া মুদ্রার অন্য পিঠ বলেই প্রমাণিত হয়েছে।
আমাদের জাতির ইতিহাসে আর একটাই এ রকম বিশ্বাসঘাতকতার নজির রয়েছে, তা হচ্ছে মীর জাফরের বেঈমানি। বাঙালি জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে সে গোটা উপমহাদেশকে ২০০ বছরের গোলামির পথে ঠেলে দিয়েছিল। ভাগ্য ভালো যে এটা ১৭৫৭ সাল নয়। ১৯৭৬। আমাদের আছে বিপ্লবী সিপাহি জনতা। তারা জিয়াউর রহমানের মতো বিশ্বাসঘাতকদের চক্রান্তকে নির্মূল করবে।
বিপ্লব দীর্ঘজীবী হোক! আমার দেশ দীর্ঘজীবী হোক!
ওই দিন নারায়ণগঞ্জে আমি আমার বাড়িতে অসুস্থ হয়ে শয্যাশায়ী ছিলাম। অসুস্থ অবস্থায় ভোর চারটার দিকে একটি ফোন রিসিভ করলাম। ফোনটি করেছিলেন মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান। তিনি আমার সাহায্য চাইছিলেন। আলাপ শেষ হওয়ার আগেই লাইনটা কেটে গেল। ওই দিন বহু সেনাসদস্য, এনসিও এবং জেসিও আমার নারায়ণগঞ্জের বাড়িতে এলেন। তাঁরা আমাকে জানালেন, ভারত খালেদ মোশাররফের অভ্যুত্থানে মদদ জুগিয়েছে এবং সেই বাকশালের সমর্থকেরা আবার ক্ষমতা দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে। তাঁরা বললেন, বেঙ্গল রেজিমেন্ট এবং মূল সেনাবাহিনীর মধ্যে তুমুল উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। যেকোনো সময় গোলাগুলি শুরু হয়ে যেতে পারে।
আমি দ্রুত সেনাসদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের শান্ত থাকতে বললাম। একই সঙ্গে চলমান পরিস্থিতি সম্পর্কে তাদের খোঁজখবর রাখার এবং নিজেদের মধ্যে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখার পরামর্শ দিলাম। আমি তাদের সবাইকে দেশের সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন রাখার জন্য তৈরি থাকতে বললাম। তাদের বোঝালাম, কিছু উচ্চাকাঙ্ক্ষী কর্মকর্তা স্রেফ ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য সাধারণ সৈনিকদের ব্যবহার করতে চাইছে। আমি সাধারণ সৈনিকদের ব্যারাকে ফিরে যেতে বললাম। যে যতই উসকানিমূলক কথা বলুক, তা কানে নিয়ে নিজেদের মধ্যে তারা যেন গোলাগুলি না করে, সেই অনুরোধ জানালাম। পাশাপাশি জনগণের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে যেকোনো সময় ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য তৈরি থাকতেও তাদের পরামর্শ দিলাম।
৩ নভেম্বরের পর জাতি কী ভয়ংকর ও নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল, তা কারোই অজানা নয়। আমাদের জাতীয় সম্মান ও সার্বভৌমত্ব কীভাবে ভূলুণ্ঠিত হচ্ছিল, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এ সময় জনগণের কাছে এটা পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল যে ভারত খালেদ মোশাররফকে পেছন থেকে মদদ দিচ্ছিল।
দেশ যখন সার্বভৌমত্ব-সংকটে টালমাটাল, রিয়ার অ্যাডমিরাল এম এইচ খান এবং এয়ার ভাইস মার্শাল এম জি তোয়াব সেই মুহূর্তে খালেদ মোশাররফকে মেজর জেনারেলের পদবিচিহ্নিত ব্যাজ পরিয়ে দিচ্ছেন—এমন দুর্ভাগ্যজনক দৃশ্য জাতিকে দেখতে হলো। এসব নিচু মানসিকতার লোকজনের প্রতি আমার করুণা হয়। ওদিকে জিয়াউর রহমান? খালেদের কাছে বন্দী হয়ে তিনি তখন ঠক ঠক করে কাঁপছেন। তোয়াব এবং খান দুজনই তখন নতুন প্রভুর পদলেহনে ব্যস্ত।
৪ নভেম্বর বিকেলে মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান তাঁর এক আত্মীয়ের মাধ্যমে আমার কাছে খবর পাঠালেন। জিয়ার অনুরোধ ছিল, আমি যেন সেনাবাহিনীর সদস্যদের মধ্যে আমার প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে তাঁকে মুক্ত করি ও দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করি। আমি তাঁকে শান্ত থাকতে ও মনে সাহস রাখতে বলেছিলাম। আমি তাঁকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, সেনাবাহিনীতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হবে এবং সব ধরনের অপকর্মের অবসান ঘটানো হবে। এদিকে সেনাবাহিনীর সজাগ অফিসার ও সৈন্যরা আমাকে বিশ্বাসঘাতক খালেদ মোশাররফ চক্রকে উৎখাত করার জন্য প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত ও পরিকল্পনা নিতে অনুরোধ করে আসছিল। এ ব্যাপারে সবচেয়ে বেশি তাগিদ এসেছিল সিপাহিদের, বিশেষ করে এনসিও এবং আরজেসিদের কাছ থেকে।
সৈন্যদের মধ্যে ব্যাপক যোগাযোগ, আলোচনা ও মতবিনিময়ের পর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের পরিকল্পনা প্রস্তুত করা হয়। ৬ নভেম্বর আমি সৈনিকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়ে রাখলাম। ঢাকা সেনানিবাসের সব ইউনিট প্রতিনিধিদের মাধ্যমে সবাইকে সজাগ থাকতে ও পরবর্তী নির্দেশের জন্য প্রস্তুত থাকতে বলে দেওয়া হলো। ৬ নভেম্বর সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে সবাইকে সতর্ক করে দেওয়া হয়। ৭ নভেম্বর ভোররাত একটায় সিপাহি অভ্যুত্থান শুরু হবে বলে ঠিক হয়। আমাদের সিদ্ধান্তগুলো ছিল: ১. খালেদ মোশাররফ চক্রকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করা, ২. বন্দিদশা থেকে জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করা, ৩. একটা বিপ্লবী সামরিক কমান্ড কাউন্সিল গঠন করা, ৪. দল-মতনির্বিশেষে সব রাজনৈতিক বন্দীর মুক্তি দান, ৫. রাজনৈতিক কর্মীদের ওপর থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা প্রত্যাহার, ৬. বাকশালকে বাদ দিয়ে একটা সর্বদলীয় গণতান্ত্রিক জাতীয় সরকার গঠন করা, ৭. বিপ্লবী সৈনিক সংস্থার ১২ দফা দাবি মেনে নেওয়া ও তার বাস্তবায়ন করা।
সবকিছুই পরিকল্পনামাফিক হয়। বেতার, টিভি, টেলিফোন, টেলিগ্রাফ, পোস্ট অফিস, বিমানবন্দর ও অন্যান্য সব গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র প্রথম আঘাতেই দখল করা হয়। ভোররাতে জিয়াকে মুক্ত করে দ্বিতীয় ফিল্ড আর্টিলারির সদর দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হয়। আমার বড় ভাই ফ্লাইট সার্জেন্ট আবু ইউসুফ খানের সঙ্গে আমি ভোর তিনটার দিকে সেনানিবাসে যাই। সঙ্গে ছিল ট্রাকভর্তি সেনাদল।
জিয়াকে আমি তাঁর নৈশ পোশাকে পেলাম। সেখানে ব্রিগেডিয়ার মীর শওকতসহ আরও কয়েকজন অফিসার ও সৈনিক ছিল। জিয়া আমাকে আর আমার ভাইকে গভীরভাবে আলিঙ্গন করলেন। জলভরা চোখে তিনি আমাদের তাঁর জীবন বাঁচানোর জন্য কৃতজ্ঞতা জানালেন। তাঁর জীবন রক্ষার জন্য জাসদ যা করেছে, তার জন্য জিয়া আমার প্রতি ও জাসদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বললেন, আমরা যা বলব, তিনি তা-ই করবেন। আমরা তখন পরবর্তী করণীয় নিয়ে কিছুক্ষণ আলোচনা করি। তখন ভোর চারটা। আমরা একসঙ্গে বেতার ভবনে পৌঁছাই। পথে আমরা তাৎক্ষণিক কর্মপদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করি।
এর মধ্যে বেতার থেকে সিপাহি অভ্যুত্থানের ঘোষণা করা হয়। জিয়াকে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক ঘোষণা দেওয়া হয়। বেতার ভবনে যাওয়ার পথে জিয়া শহীদ মিনারে একটা জনসমাবেশে ভাষণ দিতে রাজি হয়েছিলেন। তাই কথামতো আমি শহীদ মিনারে সমবেত হতে সিপাহিদের নির্দেশ দিয়েছিলাম। ঠিক হয়, সেখানে আমি ও জিয়া সমাবেশে ভাষণ দেব। তাহলে অফিসারদের ছাড়াই যে বিপ্লবী সৈনিকেরা দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছে, সেই সৈনিকদের কাছে দেওয়া অঙ্গীকার থেকে কেউ পিছু হঠতে পারবে না।
উৎফুল্ল মনে সৈনিকেরা শহরের মধ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। একসঙ্গে এদের জড়ো করতে কিছুটা সময় দরকার। এ কারণে শহীদ মিনারে সমাবেশের সময় সকাল ১০টায় ঠিক করি। হাজারো মানুষ খুশিমনে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছিল, তারা বিপ্লবী সৈনিকদের সঙ্গে গলা মিলিয়ে স্লোগান তুলেছিল।
সকাল সাড়ে আটটায় সৈনিকেরা আমাকে জানাল যে খন্দকার মোশতাক আহমদ বেতার ভবনে ঢুকে ভাষণ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আমি তখন বেতারকেন্দ্রে গেলাম। মোশতাককে আমি খুব স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিলাম যে চক্রান্তের রাজনীতির দিন শেষ; তাঁকে এখনই বেতারকেন্দ্র ছেড়ে যেতে হবে। তিনি আমার কথামতো চলে গেলেন। এরপর আমি সমাবেশে ভাষণ দেওয়ার জন্য জিয়াকে আনতে সেনানিবাসে গেলাম। সেখানে পৌঁছে দেখি, পরিস্থিতি বদলে গেছে। জিয়া দাড়ি কামিয়ে সামরিক পোশাকে সুসজ্জিত হয়েছেন। তাঁকে দেখে মনে হলো, তিনি বন্দিদশার ধকল কাটিয়ে উঠেছেন। শহীদ মিনারে যাওয়ার কথা তুললে জিয়া সেখানে যেতে অস্বীকৃতি জানালেন।
বিনয়ের সঙ্গে জিয়া যুক্তি দেখালেন যে তিনি একজন সৈনিক, তাঁর গণজমায়েতে বক্তৃতা দেওয়া সাজে না। তিনি আমাকে শহীদ মিনারে গিয়ে সেনাদের উদ্দেশে বক্তৃতা দিতে বললেন। এ কথা শুনে আমি সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরে আসার জন্য শহীদ মিনারে নির্দেশ পাঠালাম।
১১টার দিকে আমরা সেনা সদর দপ্তরে একটা আলোচনায় বসি। একটা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের ব্যাপারে আমরা নীতিগতভাবে একমত হই। সেই আলোচনায় উপস্থিত ছিলাম আমি, জিয়া, তাওয়াব, এম এইচ খান, খলিলুর রহমান, ওসমানী ও মুখ্য সচিব মাহবুব আলম চাষী। সরকারের ধারাবাহিকতার প্রশ্নে একটা আইনগত সমস্যার সৃষ্টি হয়েছিল। সবাই চাচ্ছিলেন, বিচারপতি সায়েম দেশের রাষ্ট্রপতি হবেন (সায়েমকে খালেদ মোশাররফ ৫ নভেম্বর নিয়োগ করেছিলেন)। আমি তা মেনে নিলাম কিন্তু আমি চাচ্ছিলাম, জিয়া হবেন প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক। তবে জিয়া তাতে আপত্তি জানালেন। পরে ঠিক হলো, জিয়া, তাওয়াব আর এম এইচ খান প্রত্যেকেই উপপ্রধান সামরিক আইন প্রশাসক নিযুক্ত হবেন। এঁদের ওপর কোনো মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বভার ন্যস্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। ঠিক হলো, বিচারপতি সায়েম রাষ্ট্রপতি ও প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক হিসেবে তিন উপপ্রধান সামরিক আইন প্রশাসককে নিয়ে একটা উপদেষ্টা কাউন্সিল গঠন করবেন। সেদিনের আলোচনায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় তা হচ্ছে, সব রাজনৈতিক বন্দীকে মুক্তি দেওয়া হবে; রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনার পর রাজনৈতিক কার্যকলাপ চালু করতে দেওয়া হবে এবং মোশতাক সরকার ঘোষিত সাধারণ নির্বাচনের নির্ধারিত সময়ের আগেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সায়েম শুধু এক অন্তর্বর্তীকালীন সরকার চালাবেন। আমি এই সভাকে ৭ নভেম্বরের বিপ্লবকে স্বীকৃতি দিতে বললাম।
বিকেলের দিকে আমি বেতারকেন্দ্রে যাই। বিপ্লবী সৈন্যরা জিয়াউর রহমানের কাছে ১২ দফা দাবি পেশের সিদ্ধান্ত নেয়। তারা চাচ্ছিল, তাদের দাবি পেশ করার সময় আমি সেখানে উপস্থিত থাকি। বেতারকেন্দ্র থেকে আমি জিয়াউর রহমানকে টেলিফোন করি এবং সৈন্যদের প্রস্তাবের কথা তাঁকে জানাই। তখন সৈন্যরা প্রচণ্ডভাবে উত্তেজিত। বেতারকেন্দ্রের ভেতর তারা কাউকে ঢুকতে দিচ্ছিল না। পৌনে আটটার দিকে জিয়ার সঙ্গে মোশতাক ও সায়েমকে বেতারকেন্দ্রে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়। বিপ্লবী সৈন্যদের প্রতিনিধিদের মাধ্যমে পেশ করা ১২ দফা দাবির দলিলে জিয়ার সম্মতিসূচক স্বাক্ষরের পরই তাঁদের বেতারকেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হয়।
খন্দকার মোশতাক ও বিচারপতি সায়েম জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিলেন। আমি আর জিয়া তখন বেতার ভবনের টেলিভিশনকক্ষে একসঙ্গে বসে ভাষণ শুনছি। সায়েম তাঁর ভাষণে আমাদের আলোচনায় নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো স্পষ্টভাবে তুলে ধরলেন। এই সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতেই পরদিন ৮ নভেম্বর মেজর জলিল ও আ স ম আবদুর রবকে জেল থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। সেদিন আমি জেনারেল জিয়াকে টেলিফোন করে এর জন্য ধন্যবাদ জানাই আর মতিন, অহিদুরসহ অন্য বন্দীকেও সেই সঙ্গে মুক্তি দিতে অনুরোধ করি।
৮ তারিখ সন্ধ্যায় জিয়া আমাকে জানালেন, কয়েকটা ঘটনায় কিছু অফিসার মারা গেছেন। আমি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সম্ভাব্য সব ধরনের সাহায্য করার প্রস্তাব দিই।
আমি তখনই সেনানিবাসে আসার প্রস্তাব করি। জিয়াকে জানাই যে বিপ্লবী সৈন্যদের ওপর আমার কড়া নির্দেশ ছিল, যাতে কোনো অফিসারের ওপর এভাবে আক্রমণ করা না হয়। ১১ তারিখ পর্যন্ত জিয়া আমার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রক্ষা করেন। কিন্তু ১২ তারিখের পর তাঁকে আর পাওয়া যাচ্ছিল না। সব যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। আমি যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেই জিয়া আমাকে এড়িয়ে যেতে থাকেন।
২৩ নভেম্বর পুলিশের একটা বড় দল আমার বড় ভাই ফ্লাইট সার্জেন্ট আবু ইউসুফ খানের বাড়ি ঘেরাও করে এবং তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ নিয়ন্ত্রণকক্ষে নিয়ে যায়। এ ঘটনা শুনে আমি জিয়াকে ফোন করি। অন্য প্রান্ত থেকে আমাকে জানানো হয়, জিয়াকে পাওয়া যাচ্ছে না। তাঁর পরিবর্তে সেনাবাহিনীর উপপ্রধান মেজর জেনারেল এরশাদ আমার সঙ্গে কথা বলবেন। এরশাদ আমার কথা শুনে বলেন, আমার ভাইয়ের গ্রেপ্তারের ব্যাপারে সেনাবাহিনী কিছুই জানে না। ওটা হচ্ছে একটা সাধারণ পুলিশি তৎপরতা। আমি তখনো জানতাম না, আমার ভাইকে যখন পুলিশ গ্রেপ্তার করে, তখন একই সময়ে মেজর জলিল, আ স ম আবদুর রবসহ অন্য অনেক জাসদের নেতা-কর্মীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এসব জানার পর আমার বুঝতে আর অসুবিধা হলো না, যাদের আমরা ৭ নভেম্বর ক্ষমতায় বসিয়েছিলাম, তারা আবার এক নতুন ষড়যন্ত্রের খেলায় মেতেছে।
২৪ নভেম্বর এক বিরাট পুলিশ বাহিনী আমাকে ঘিরে ফেলে। কর্তব্যরত পুলিশ অফিসার আমাকে জানালেন, জিয়ার সঙ্গে কথা বলার জন্য তাঁদের সঙ্গে যাওয়া দরকার। আমি অবাক হয়ে বললাম, জিয়ার কাছে যাওয়ার জন্য এত পুলিশ প্রহরার কী দরকার? এরা আমাকে একটা জিপে তুলে সোজা এই জেলে নিয়ে আসে। এভাবেই যাদের প্রাণ বাঁচিয়ে ক্ষমতায় বসিয়েছিলাম, সেই সব বিশ্বাসঘাতকের দল আমাকে জেলে অন্তরীণ করল।
জিয়া শুধু আমার সঙ্গেই নয়, বিপ্লবী সেনাদের সঙ্গে, ৭ নভেম্বরের অঙ্গীকারের সঙ্গে, এক কথায় গোটা জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। আমাদের পেছন থেকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। খালেদ মোশাররফের সঙ্গে তুলনায় জিয়া মুদ্রার অন্য পিঠ বলেই প্রমাণিত হয়েছে।
আমাদের জাতির ইতিহাসে আর একটাই এ রকম বিশ্বাসঘাতকতার নজির রয়েছে, তা হচ্ছে মীর জাফরের বেঈমানি। বাঙালি জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে সে গোটা উপমহাদেশকে ২০০ বছরের গোলামির পথে ঠেলে দিয়েছিল। ভাগ্য ভালো যে এটা ১৭৫৭ সাল নয়। ১৯৭৬। আমাদের আছে বিপ্লবী সিপাহি জনতা। তারা জিয়াউর রহমানের মতো বিশ্বাসঘাতকদের চক্রান্তকে নির্মূল করবে।
বিপ্লব দীর্ঘজীবী হোক! আমার দেশ দীর্ঘজীবী হোক!
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1404)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
April
(3078)
-
▼
Apr 16
(108)
- এই দিনে-অপারেশন সার্চলাইট by দীপংকর চন্দ
- লিবিয়া-আল ফাতা আবাদান? by আবুল হায়াত
- ধর্ম-দেশের স্বাধীনতা সুরক্ষায় মহানবী (সা.) by মুহা...
- মুক্তিযুদ্ধ-অক্সফাম কেন ‘দ্য টেস্টিমনি অব সিক্সটি’...
- খোলা চোখে-আর্চার ব্লাড: একটি শ্রদ্ধাঞ্জলি by হাসান...
- সততার বিরল দৃষ্টান্ত-রিকশাচালক খোকন মিয়া
- বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট হলে সহায়তা পাওয়া যাবে না-জলবায়...
- চারদিক-আমার দেখা বিশ্বকাপ by নিবেদিতা হাসমিন
- সপ্তাহের হালচাল-সেই রাতের নাম না জানা প্রথম শহীদ b...
- একাত্তরের এই দিনে-পূর্ব-পশ্চিমের সম্পর্ক সিভিল ম্য...
- মুক্তিযুদ্ধ-যুদ্ধাপরাধের বিচার দ্রুত শেষ করতে হবে ...
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণে ২০ দেশের আপত্তি by ...
- সোহেল তাজকে কি রেলমন্ত্রী করা যায়? by শাখাওয়াৎ নয়ন
- মাছ ধরার দুরন্তপনা... by শাহীন রহমান
- কানাই by মুহাম্মাদ আমানুল্লাহ
- করণ জোহরের রোষের মুখে প্রিয়াঙ্কা
- ইমরানের ‘তেহরিক-ই-ইনসাফ’-এ ভীনা!
- সময়ের প্রতিবিম্ব-শজারু ওগরানো যায় না, গেলাও যায় না...
- শিক্ষকদের কাছে এ আচরণ প্রত্যাশিত নয়-ছাত্রদের দিয়ে ...
- কার্যকারিতাও বাড়ানো দরকার-সংসদীয় কমিটি পুনর্গঠন
- চারদিক-এগিয়ে যাওয়ার কৌশল by কিঙ্কর আহ্সান
- আদালতে তাহেরের সেই জবানবন্দি
- জাহান মণির নাবিকদের অভিবাদন-এই আনন্দাশ্রু আমাদেরও
- শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন জরুরি-লিবিয়া পরিস্...
- একাত্তরের এই দিনে-সর্বত্র হ-য-ব-র-ল অবস্থা by আইয়ু...
- ক্ষুদ্রঋণ-গ্রামীণ ব্যাংক ও মুহাম্মদ ইউনূস by মোহীত...
- যুক্তি তর্ক গল্প-ইউনূস-বিরোধিতায় লাভ কার, খেসারত দ...
- শ্রদ্ধাঞ্জলি-মৃত্যুঞ্জয়ী সূর্য সেন by সুরঞ্জিত বৈদ্য
- গোধূলির ছায়াপথে-যা হবার তা হবে by মুস্তাফা জামান আ...
- লিবিয়া-মিত্র’ বাহিনীর বোমায় শহীদদের কথা by রবার্ট ...
- কমিউনিটি রেডিও-‘চান্দেরি কি আওয়াজ’ by শান্ত নূরুননবী
- বাঘা তেঁতুল-আদমি ও মানুষ by সৈয়দ আবুল মকসুদ
- অরণ্যে রোদন-এই সব গল্প, এই সব দেশপ্রেম... by আনিসু...
- মানবতার এই অপমান আইন কেন সইবে?-হায় রে পিতা! হায় রে...
- অশালীন ও উসকানিমূলক বক্তব্য পরিহার করুন-জাতীয় সংসদ...
- ফিউশন রহমান-ক্রিকেট যদি সরকারি কায়দায় চলে তাহলে যা...
- ক্রি কে টা মৃ ত
- জেমস থারবার-বাগানে ইউনিকর্ন-অনুবাদ: জাবির হাসান
- বাংলাদেশ দ্বিতীয় রাউন্ডে না যাওয়ায় আমাদের লাভ হলো ...
- প্রচলনের এখনই সময়-ক্রিকেটে গণতন্ত্রচর্চার অভাব
- চারদিক-মণিপুরিদের অন্য রকম একদিন by মুজিবুর রহমান
- দূরদেশ-লিবিয়ায় দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের আশঙ্কা by আলী র...
- একাত্তরের এই দিনে-একটি পদের জন্য ভুট্টোর ব্যাকুলতা...
- বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস-ঘুচে যাক সব বৈষম্য by জোবাইদা...
- সরল গরল-উইকিলিকস ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাদের জবাব...
- ইউপি নির্বাচন সামনে রেখে বাড়তি সতর্কতা জরুরি-প্রার...
- স্থায়ী বিশেষজ্ঞ কমিটি থাকা দরকার-পাঠ্যবইয়ে ভুল
- মনোনয়নপত্র নিলেন মায়া, ফিরোজসহ আরো আটজন
- ঢাকা সিটি নির্বাচন-নির্বাচন বন্ধে হাইকোর্টে রিট
- শ্রম আইন ২০০৬-এর সংশোধনীর খসড়া-শিল্প মালিকদের 'সম্...
- নির্ভেজাল চাপাবাজি এবং চাপাবাজদের স্বপ্নের পৃথিবী ...
- জাদুই চেরাগ by শরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
- চারদিক-ঝাড়ুয়ার বিল গণহত্যা by তুহিন ওয়াদুদ
- পাঠকের মন্তব্য-এটা হলো বাংলাদেশের রাজনীতির হাল-হকিকত
- শিক্ষাঙ্গন-বিশ্ববিদ্যালয় ও ‘রক্তাক্ত’ শিক্ষার অধিক...
- যুক্তি তর্ক গল্প-আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক দায়িত্ব ঠিকভা...
- দেশি-বিদেশি বিনিয়োগে চাই রাজনৈতিক স্থিতি-ঢাকা-আঙ্ক...
- কোনো অজুহাতে যেন স্থগিত না হয়-ডিসিসি নির্বাচন
- জনসমুদ্রে বর্ষবরণ
- বিএনপি ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রেলমন্ত্রীর পদত্যাগ চায়
- এমপিদের বিরুদ্ধে এত অভিযোগ তবু ব্যবস্থা নেই-শিগগির...
- এসিআর গায়েব হওয়া মহাপরিচালকই এখন তদন্ত কমিটির প্রধান!
- বিশেষ মন্তব্য প্রতিবেদন-সুরঞ্জিত বাবুর থলের বিড়াল ...
- অন্যদের শাস্তি, নিজের বেলায় চুপ সুরঞ্জিত by পার্থ ...
- নিজেকে নির্দোষ দেখান নইলে বিদায় হন-সুরঞ্জিতকে গণভব...
- উপকূলীয় উন্নয়নচিত্র
- রমনায় বোমা হামলার ১১ বছর
- পবিত্র কোরআনের আলো-কুবার সন্নিকটে মসজিদে যিরার স্থ...
- বেথনাল গ্রিন থেকে ব্রাডফোর্ড- ব্রিটেনের রাজনীতিতে ...
- বাণিজ্যে বসতে লক্ষ্মী! by এম আবদুল হাফিজ
- অদ্ভুতুড়ে কাণ্ড! by আনোয়ার হোসেন
- অর্থবছর-বাংলা সনের সঙ্গে সাযুজ্য থাকুক by মোহাম্মদ...
- বাংলা বর্ষবরণ-কী বার্তা দিয়ে গেল? by আবু সাঈদ খান
- বিশেষ সাক্ষাৎকার : সাঈদ খোকন-নগর সরকারের কোনো বিকল...
- জন্মদিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি-বহুমাত্রিক শিল্পী হাশেম খান
- মেধাবীরা সংখ্যায় লঘু হয়ে পড়ছেন! by মমতাজউদ্দীন পাট...
- শুঁটকির বাজারে বিড়াল চৌকিদার by প্রভাষ আমিন
- ভিন্নমত-সর্বত্রই ভেজাল, কোথায় পাব শুদ্ধ খাবার! by ...
- ব্যাংক ঋণে মজুদদারি
- এমন হরতাল আর নয়
- সবুজের নিচে কালো কীট by আফরোজা নাজনীন
- মুক্তির সংগ্রাম -সিরাজ নেতাজী মুজিব ত্রিভুজ by অমি...
- প্রতিবন্ধী পুনর্বাসন-আরও প্রতিষ্ঠান এগিয়ে আসুক
- প্রধানমন্ত্রীর তুরস্ক সফর-বোঝাপড়া থেকে সক্রিয় সহযো...
- পবিত্র কোরআনের আলো-যারা অবাধ্যতার দিকে এগিয়ে যায়, ...
- ইতি-নেতি-আজ পিতা কন্যার বিপক্ষে, বোনের বিরুদ্ধে ভা...
- গ্রামীণ ব্যাংক এবং কিছু কথা by জগদীশ ভগবতী
- যুদ্ধবিরোধী ওবামার লিবিয়া সংকট by গাজীউল হাসান খান
- চরাচর-রাজপথের সেই কিশোরী by শারমিন শানু
- জেফ বিগারস-ফুলবাড়ী কয়লাখনি এলাকাবাসীর কী হবে
- বাংলা পঞ্জিকা : বাংলাদেশি পঞ্জিকা by শিশির কুমার ভ...
- সময়ের প্রতিধ্বনি-তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা : একট...
- ছয় দশকে চার গুণ by শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ
- পরিবেশ-পঞ্চদশ সংশোধনীর প্রতিবেশ রাজনৈতিক পাঠ by পা...
- সমকালীন প্রসঙ্গ-সংঘাতে নয়, সংলাপেই সমাধান by আবু স...
- ঢাবি উপাচার্য যখন উপর্যুপরি হুমকির মুখে
- গাজীপুরের মাণিক্য মাধবের রথযাত্রা ও রথমেলা by এনাম...
- আওয়ামী লীগ-তাকাতে হবে সামনের দিকে by এমএ করীম
- দক্ষিণ সুদান-নতুন দেশ নতুন সম্ভাবনা
- কাপ্তাই বাঁধ হুমকিতে-পানিবিদ্যুৎ প্রকল্পটি বাঁচিয়ে...
- রাজধানীতে সাত ভুয়া চিকিৎসকের কারাদণ্ড
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার-ট্রাইব্যুনাল-২-এ তিনটি ...
- গ্রামে এনামুলের বিলাসী ভবন by সাইফুল হক মোল্লা ও স...
- ভারতের নদীসংযোগ-বাড়বে ‘পানিযুদ্ধের’ ঝুঁকি by এ কে ...
- রাজধানীতে সাত ভুয়া চিকিৎসকের কারাদণ্ড
- মাঈনউদ্দিনের বিরুদ্ধে মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী ও সাং...
- রেলের অর্থ কেলেঙ্কারি-চাকরি গেল দুই কর্মকর্তার
-
▼
Apr 16
(108)
-
▼
April
(3078)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment